অভিনয় দক্ষতা, গ্ল্যামার, আকর্ষণীয় নাচ এবং নিখুঁত ফিটনেসের জাদুতে ভক্তদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হিরোপন্থি’ সিনেমার হাত ধরে রূপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তার।
প্রথম চলচ্চিত্রেই নিজের অভিনয় প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে, হিন্দি চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘস্থায়ী আসন গাড়তেই এসেছেন। এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রোমান্টিক, কমেডি, থ্রিলার থেকে শুরু করে অ্যাকশনধর্মী—প্রায় সব ঘরানার সিনেমায় নিজের বহুমুখী প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন এই তারকা।
চলতি বছর ‘ককটেল-২’ সিনেমায় অভিনয় করে দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছেন কৃতি। বক্স অফিসে ছবিটি খুব বড় ধরনের আলোড়ন তুলতে না পারলেও সহ-অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানার সঙ্গে তার নিখুঁত প্রতিযোগিতা ও অভিনয় শৈলী দর্শকদের নজর কেড়েছে।
এমনকি সমালোচকদের একাংশ অভিনয়ের দিক থেকে রাশমিকার চেয়েও কৃতিকে এগিয়ে রেখেছেন। বর্তমানে এই অভিনেত্রীর ঝুলিতে রয়েছে অন্তত অর্ধ ডজন নতুন সিনেমার আকর্ষণীয় প্রস্তাব।
তবে কেরিয়ারের বর্তমান অবস্থানে দাঁড়িয়ে এক নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন কৃতি। এখন থেকে কাজের গতি কমিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এখন থেকে আর হুটহাট বা অতিরিক্ত কাজ করবেন না। বছরজুড়ে দুইয়ের অধিক সিনেমায় তাকে আর বড় পর্দায় দেখা যাবে না বললেই চলে।
নিজের এই পরিবর্তনের বিষয়ে কৃতি শ্যানন জানান, দীর্ঘ বারো বছরের অভিনয় জীবনে তিনি প্রচুর কাজ করেছেন। কেরিয়ারের শুরুর দিকে অনেক সময় না বুঝে বা কম ভেবেও কিছু প্রজেক্টে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। তবে এখন সময় এসেছে আরও সচেতন ও পরিপক্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার। সামনে আরও চ্যালেঞ্জিং এবং বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করতে চান তিনি।
অভিনেত্রী আরও স্পষ্ট করে জানান, সব ধরনের গতানুগতিক চরিত্রে তাকে আর পাওয়া যাবে না। সিনেমার গল্প, চরিত্র এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো মনের মতো হলেই কেবল তিনি ক্যামেরার সামনে দাঁড়াবেন। কোয়ালিটি বা কাজের মানের সঙ্গে আপস না করে বছরে মাত্র এক বা দুটি মানসম্মত প্রজেক্টে কাজ করার পক্ষেই এখন নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন এই বলিউড ডিভা।
সান নিউজ / রাজীব