<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/feeds</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/feeds"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 23 Oct 2026 18:51:51 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[ইনানীর ট্র্যাজেডির ছয় দিন পর ফের আতঙ্ক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119153" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119153</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্টে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার বিকেলে দ্য সি প্রিসেন্স হোটেলের নিচতলায় আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে দ্রুত পদক্ষেপের কারণে হোটেলে অবস্থানরত তিন শতাধিক পর্যটককে নিরাপদে বাইরে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৪টার দিকে হোটেলের পার্কিং এলাকায় আগুন দেখা যায়। খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে দমকল বাহিনীর সদস্যরা। হোটেল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় প্রায় আধাঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।

অগ্নিকাণ্ডে পার্কিং জোনে থাকা একটি জেনারেটরসহ কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে জেনারেটর থেকে আগুনের উৎপত্তি হতে পারে। তবে বিস্তারিত তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা হবে।

হোটেল কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম ও জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। কর্মীদের তাৎক্ষণিক তৎপরতার কারণে অতিথিদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর উখিয়ার ইনানী এলাকায় একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েকজন পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার অল্প সময়ের মধ্যেই কক্সবাজারের আরেকটি হোটেলে আগুন লাগার ঘটনায় পর্যটননির্ভর এই অঞ্চলের আবাসন খাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হোটেল ও রিসোর্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জামের কার্যকারিতা, বৈদ্যুতিক সংযোগের নিরাপত্তা, জেনারেটরের রক্ষণাবেক্ষণ এবং জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা নিয়মিত পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কর্মীদের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে।

যদিও এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তবুও সাম্প্রতিক সময়ে পরপর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পর্যটক ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও নিয়মিত নিরাপত্তা পরিদর্শনের দাবি জোরালো হচ্ছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 18:51:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গিটারের সুর থামিয়ে না ফেরার দেশে রাসেল খান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/entertainment/119152" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/entertainment/119152</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের সংগীত অঙ্গনের পরিচিত গিটারবাদক রাসেল খান আর নেই। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে অসংখ্য জনপ্রিয় শিল্পীর গান ও মঞ্চ পরিবেশনাকে গিটারের সুরে সমৃদ্ধ করা এই সংগীতশিল্পী বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বনানীতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫২ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বড় বোনের বাসার বাথরুমে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। পরে চিকিৎসক এসে তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, স্ট্রোকের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

সংগীতজীবনে দেশের শীর্ষস্থানীয় বহু শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছেন রাসেল খান। বিশেষ করে লাইভ কনসার্ট ও স্টেজ শোতে তার গিটারের উপস্থিতি ছিল দর্শক-শ্রোতাদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত। যন্ত্রসংগীতে দক্ষতার পাশাপাশি তিনি মাঝে মাঝে কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও গান পরিবেশন করতেন।

মৃত্যুর অল্প কিছুদিন আগেও তিনি সংগীতচর্চায় সক্রিয় ছিলেন। গত ১৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে গিটার পরিবেশন করেছিলেন তিনি। সেটিই পরে তার জীবনের শেষ মঞ্চ উপস্থিতি হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বনানীতে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ নেওয়া হয় মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরে নিজ গ্রামে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।

ব্যক্তিগত জীবনে রাসেল খান স্ত্রী, এক পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী এবং সহকর্মী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের সংগীত অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 18:51:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এনসিপির কোনো আদর্শ নেই : রাশেদ খাঁন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119151" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119151</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঝিনাইদহে এক ফুটবল টুর্নামেন্ট শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন নবগঠিত এনসিপি কমিটি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, দলটির সাম্প্রতিক সাংগঠনিক বিন্যাসে আদর্শিক ভারসাম্য রক্ষা করা হয়নি; বরং জামায়াতপন্থী হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে এবং ভিন্নমতের বা স্বতন্ত্র অবস্থানের নেতাদের গুরুত্ব কমিয়ে রাখা হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে শহরের কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও কাউন্সিল ছাড়াই নেতৃত্ব নির্বাচন করায় এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে দলটির বিভিন্ন নেতার সমালোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি মন্তব্য করেন, বিএনপি যেখানে জাতীয়তাবাদী দর্শনের ভিত্তিতে রাজনীতি করে, সেখানে এনসিপি কোন আদর্শ ধারণ করছে তা স্পষ্ট নয়।

রাশেদ খাঁনের দাবি, দলের নেতৃত্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে এমন কিছু ব্যক্তিকে আনা হয়েছে যাদের বিরুদ্ধে অতীতে নানা বিতর্ক ও অভিযোগ রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নৈতিক ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বকে যথাযথ মূল্যায়ন না করে বিতর্কিতদের সামনে আনা হয়েছে।

এনসিপির নেতৃত্ব গঠনে জামায়াতের প্রভাব রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তার মতে, কোনো রাজনৈতিক দলকে যদি অন্য একটি দলের অনুমোদন বা সমর্থনের ওপর নির্ভর করে সাংগঠনিক কাঠামো সাজাতে হয়, তবে সেই দলের স্বাধীন রাজনৈতিক পরিচয় প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

আরও এক ধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, জামায়াতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর মাধ্যমে এনসিপি এমন এক রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে, যা দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী শক্তির সঙ্গে সখ্যতার ইঙ্গিত বহন করে। এ কারণে দলটির শীর্ষ নেতাদের নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান জনগণের সামনে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ নিয়েও কঠোর মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। তার অভিযোগ, ধর্মীয় আবেগকে কেন্দ্র করে মানুষকে যে বার্তা দেওয়া হয়, তা বাস্তবে বিভ্রান্তিকর এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণার শামিল।

অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপির নেতাকর্মী, ছাত্রদলের সদস্য এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

 

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 15:02:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গাপূজায় প্রশংসা, সামনে  নতুন পরীক্ষার মুখে সরকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119150" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119150</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন, নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সরকারি সহযোগিতার মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই ইতিবাচক ভাবমূর্তি ধরে রাখা তার জন্য সহজ হবে না। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ তার সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

বাংলাদেশে বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা এবার ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয় তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে।

বেড়েছে পূজামণ্ডপ, জোরদার ছিল নিরাপত্তা

এ বছর সারা দেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপ স্থাপন করা হয়, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দেড় হাজার বেশি। রাজধানী ঢাকায় ছিল ২৫৮টি মণ্ডপ।

উৎসব ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ২ লাখ ১২ হাজার ১১৮ সদস্য মোতায়েন করা হয়। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে আটজন এবং অন্য মণ্ডপগুলোতে ছয়জন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ১০৪টি স্ট্রাইকিং টিম প্রস্তুত রাখা হয়।

সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে বিজিবি ১৮টি বেইস ক্যাম্প স্থাপন করে এবং টহল কার্যক্রম বাড়ায়। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার তিন দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা করায় সাপ্তাহিক ছুটিসহ অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী টানা পাঁচ দিনের অবকাশ পান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা

দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রশংসা পায়। ইনফ্লুয়েন্সার ড্যানিয়েল আফজালুর রহমান মন্তব্য করেন, বাংলাদেশে এত প্রাণবন্ত ও জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গাপূজা তিনি আগে দেখেননি।

লেখক, অধিকারকর্মী এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের অনেকেই এবারের আয়োজনকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। তাদের মতে, সরকারের সহযোগিতা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার কারণে হিন্দু সম্প্রদায় নির্বিঘ্নে তাদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পেরেছে।

 

&quot;জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গাপূজার আয়োজন বর্তমান সরকারের জন্য ইতিবাচক বার্তা বয়ে আনলেও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ভবিষ্যৎ ভোটের সমীকরণ সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।&quot;

 

এ ছাড়া কলকাতার সাংবাদিক ও জনপ্রিয় উপস্থাপক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষও বাংলাদেশের পূজামণ্ডপগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রামের মণ্ডপগুলোর সৃজনশীলতা ও জাঁকজমক তাকে মুগ্ধ করেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্লেখ করেন তিনি।

উদ্বেগ কাটেনি সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে

তবে উৎসবের সফল আয়োজনের পরও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি দূর হয়নি। পূজার আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা ভাঙচুর, মন্দিরে হামলা এবং সহিংসতার অন্তত ৩৪টি ঘটনার অভিযোগ উঠে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এবং মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি সারা বছর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

হিন্দু অধিকারকর্মী জয়ন্ত কর্মকারের অভিযোগ, কিছু ইসলামপন্থী বক্তা এখনো প্রতিমাপূজার বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। তার মতে, কেবল উৎসবের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

হিন্দু ভোট ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ

বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় নির্বাচনে হিন্দু ভোটারদের একটি অংশ বিএনপির প্রতি সমর্থন দেখিয়েছিল। আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ না নেওয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগও সেই সমর্থনের একটি কারণ ছিল।

দুর্গাপূজার সফল আয়োজন হিন্দু ভোটারদের মধ্যে সরকারের প্রতি আস্থা কিছুটা বাড়াতে পারে। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন এবং পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভবিষ্যতে ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দেওয়া বক্তব্যও আলোচনায় এসেছে। ক্ষমতায় গেলে দখল হওয়া মন্দিরের জমি উদ্ধার করার প্রতিশ্রুতি তিনি দেন, যা হিন্দু সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

সামনে কঠিন সময়

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুর্গাপূজার সফল আয়োজন সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও এটিই চূড়ান্ত মূল্যায়নের মানদণ্ড নয়। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, সম্পত্তির অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা সারা বছর নিশ্চিত করতে পারলেই প্রকৃত আস্থা তৈরি হবে।

তাদের মতে, হামলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিচার এবং সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণই হবে সরকারের সামনে বড় পরীক্ষা।

দুর্গাপূজার সফল আয়োজন আপাতত সরকারের জন্য ইতিবাচক বার্তা দিলেও, এই সাফল্য দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখতে হলে সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক অগ্রগতি দেখাতে হবে।

 

লেখক: দীপ হালদার একজন লেখক এবং দ্যপ্রিন্ট-এর সহযোগী সম্পাদক

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 13:52:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এএফসির সমর্থনে শক্ত অবস্থানে ইনফান্তিনো]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119149" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119149</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফিফা সভাপতির আসনে আরও এক মেয়াদ থাকার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন পেলেন জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সাম্প্রতিক সময়ে নানা বিতর্কে চাপে থাকা এই ফুটবল প্রশাসকের পাশে দাঁড়িয়েছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। টোকিওতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এশিয়ার সদস্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

আগামী বছরের ফিফা সভাপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে রাজনৈতিক সমীকরণ যখন নতুন মোড় নিচ্ছে, ঠিক তখনই এশিয়া মহাদেশ থেকে বড় ধরনের সমর্থন পেলেন বর্তমান ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সর্বশেষ বৈঠকে তার প্রতি পূর্ণ সমর্থনের বার্তা দেওয়া হয়েছে, যা আসন্ন নির্বাচনের আগে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

জাপানের রাজধানী টোকিওতে অনুষ্ঠিত এএফসির এক বিশেষ সভায় সংগঠনটির সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল-খলিফা ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, এশিয়ার সদস্য দেশগুলোর বড় অংশই বর্তমান ফিফা সভাপতির কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে। ফলে নতুন মেয়াদের লড়াইয়ে তাকে সমর্থন জানাতে প্রস্তুত রয়েছে মহাদেশটির ফুটবল পরিবার।

বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ সংস্থাটির নেতৃত্ব নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে ফিফার প্রধান প্রতিযোগিতাগুলোর বাণিজ্যিক স্বত্ব নিয়ে একটি প্রস্তাব সামনে আসার পর বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরিকল্পনাটি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন না হলেও বিষয়টি ইনফান্তিনোর ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলে এবং তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেক ফুটবল প্রশাসক।



এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল-খলিফা । ছবি: সংগৃহীত


এ ঘটনার জেরে ইউরোপ এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি ফুটবল সংস্থা প্রকাশ্যে আপত্তি জানায়। এমনকি কিছু জাতীয় ফুটবল ফেডারেশন ফিফা সভাপতির পদে তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়েও সংশয় প্রকাশ করে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবিও বিভিন্ন মহল থেকে ওঠে।

তবে সাম্প্রতিক এএফসি বৈঠকে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। অতীতে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও ফুটবলের বৃহত্তর স্বার্থে যৌথভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এশীয় ফুটবল নেতারা। তাদের মতে, বিশ্ব ফুটবলের উন্নয়ন, সদস্য দেশগুলোর অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

২০১৬ সালে ফিফার শীর্ষ পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইনফান্তিনো বেশ কিছু বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেন। তার সময়েই বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, নারী ফুটবলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন অঞ্চলের ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচিতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়। তবে একই সময়ে ফিফার বাণিজ্যিক নীতি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও তাকে বারবার সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

আগামী মার্চে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা সভাপতি নির্বাচনকে ঘিরে এখনো শক্ত অবস্থানের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী মাঠে নামার ঘোষণা দেননি। প্রার্থিতা জমা দেওয়ার সময়সীমা যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। এ অবস্থায় এশিয়ার সমর্থন তার জন্য বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফুটবলবিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপের কিছু অংশে সমর্থন কমলেও এশিয়া, আফ্রিকা এবং অন্যান্য অঞ্চলের বড় অংশ যদি ইনফান্তিনোর পাশে থাকে, তাহলে আসন্ন নির্বাচনে তিনি শক্তিশালী অবস্থান থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। টোকিওর বৈঠক সেই বার্তাই আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে।

সান নিউজ / রাজীব

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 13:53:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পদোন্নতি পেলেন হাসনাত-সারজিস-আসিফ-নাসীরুদ্দীন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/politics/119148" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/politics/119148</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাংগঠনিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এনে কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নতুন কমিটিতে কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে দলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ, যুক্ত হয়েছে নতুন সম্পাদকীয় কাঠামো।

আজ শুক্রবার দলের আনুষ্ঠানিক ফেসবুক পেজে ১৯৫ সদস্যের পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। নতুন এই কাঠামোয় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আবদুল্লাহকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক পদে উন্নীত করা হয়েছে। একইভাবে সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া পেয়েছেন জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্ব।

পুনর্গঠনের ফলে দলের সাংগঠনিক বিন্যাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। আগের কমিটিতে থাকা মুখ্য সমন্বয়ক, মুখপাত্র, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক, সংগঠক এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়কের মতো কয়েকটি পদ বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে নেতৃত্বের কাঠামো আরও সংক্ষিপ্ত ও কেন্দ্রীয়কৃত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নতুন কমিটিতে আগের কয়েকজন শীর্ষ নেতার দায়িত্বেও পরিবর্তন এসেছে। সামান্তা শারমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব এবং আবদুল হান্নান মাসউদ এখন যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে নাহিদা সারোয়ার নিভা পেয়েছেন যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্ব।

এবারের পুনর্গঠনে সম্পাদকীয় কাঠামোও যুক্ত হয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটিতে ৩২টি সম্পাদকীয় পদ সৃষ্টি করে সমসংখ্যক নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সহসম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সদস্য পদেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে নতুন কয়েকটি মুখও যুক্ত হয়েছে। শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি এ কে ফ্লোরা, বিএনপির সাবেক নেতা ইসহাক সরকার এবং জাতীয় পার্টির সাবেক উপদেষ্টা তারেক এ আদেলকে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দলীয় কর্মকাণ্ড, জাতীয় নির্বাচন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে সক্রিয় ভূমিকা রাখা নেতাদের মূল্যায়নের প্রতিফলন দেখা গেছে এই পুনর্গঠনে। বিশেষ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার অবস্থান দলীয় কাঠামোয় আরও শক্তিশালী হয়েছে।

পুনর্গঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ শীর্ষ নেতৃত্বের অন্যতম অংশ হিসেবে রয়েছেন। এছাড়া দলের একাধিক সংসদ সদস্যও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে স্থান পেয়েছেন।

দলীয় সূত্র বলছে, আগে নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত &lsquo;সুপার ইলেভেন&rsquo; কাঠামোর পরিবর্তে এখন কার্যত &lsquo;সুপার সিক্স&rsquo; মডেলে পরিচালিত হবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তবে রাজনৈতিক পর্ষদের ১৬ সদস্যকে নিয়ে দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী বলয় কার্যকর থাকবে।

কমিটি পুনর্গঠনের মাধ্যমে সাংগঠনিক গতিশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি নেতৃত্বের দায়িত্ব বণ্টনে দক্ষতা এবং কার্যকারিতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় নেতারা জানিয়েছেন।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 13:53:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিচ কার্নিভালের উন্মাদনায় মুখর কুয়াকাটা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119147" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119147</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পূজার ছুটির রেশ কাটতে না কাটতেই কুয়াকাটায় শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী বিচ কার্নিভাল। এ আয়োজনকে ঘিরে সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকদের ব্যাপক আগমনে মুখর হয়ে উঠেছে সমুদ্রসৈকত। হোটেল-মোটেলগুলো প্রায় পুরোপুরি বুকড হয়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে আবাসন সংকট। একই সঙ্গে সৈকতজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

বিচ কার্নিভাল উপলক্ষে আজ শুক্রবার কুয়াকাটার সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের পর্যটন এলাকাগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। পূজার ছুটি শেষ হলেও কার্নিভালকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের আগমন অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, দুই দিনের এই আয়োজনে কয়েক লাখ পর্যটক কুয়াকাটা ভ্রমণ করতে পারেন।

সমুদ্রের নোনা জলে গোসল, সৈকতে খেলাধুলা, ছবি তোলা ও পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দঘন সময় কাটাতে দেখা গেছে দর্শনার্থীদের। সৈকতের জিরো পয়েন্ট ছাড়াও লেম্বুর বন, তিন নদীর মোহনা, ঝাউবন, গঙ্গামতি, শুঁটকি পল্লী ও লাল কাঁকড়ার চরে পর্যটকদের বাড়তি উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগের পাশাপাশি কার্নিভালের নানা আয়োজন ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

কার্নিভালকে সামনে রেখে পুরো কুয়াকাটাকে সাজানো হয়েছে উৎসবের আমেজে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সৈকত এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন ও এলইডি ডিসপ্লে। দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে বিচ ফুটবল, বিচ ম্যারাথন, ঘুড়ি উৎসব, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুঁথিপাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বাউল সংগীত, বিচ ভলিবল, সেলিব্রিটি ক্রিকেট, ফ্যাশন শো এবং আতশবাজির মতো নানা কর্মসূচি রাখা হয়েছে।


বিচ কার্নিভালের রঙিন আয়োজনে কুয়াকাটায় এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। পর্যটকদের ঢল সামাল দিতে প্রশাসনের পাশাপাশি পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। সৈকতজুড়ে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন ক্রীড়া আয়োজনকে কেন্দ্র করে পর্যটন শহরটি পরিণত হয়েছে এক প্রাণচঞ্চল মিলনমেলায়। তবে পর্যটক সমাগম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবাসন সংকট ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগও সামনে আসছে।


সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পীরাও পরিবেশনা করবেন। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

কার্নিভাল আয়োজন করেছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতিতে কুয়াকাটার অধিকাংশ হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টের কক্ষ আগেই বুকিং হয়ে গেছে। ফলে পূর্বনির্ধারিত বুকিং ছাড়া আসা অনেক পর্যটককে আবাসন সংকটে পড়তে হয়েছে। অতিরিক্ত চাহিদার সুযোগে কিছু সেবা খাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগও উঠেছে। বিশেষ করে পরিবহন ভাড়া, খাবার এবং কিছু বেসরকারি আবাসন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছেন কয়েকজন পর্যটক।

তবে হোটেল মালিকদের সংগঠনের দাবি, সংগঠনের আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত ভাড়াতেই কক্ষ ভাড়া দিচ্ছে। কোনো অনিয়মের ঘটনা ঘটলে প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে রয়েছেন। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস, মেডিক্যাল টিম ও তথ্যসেবা কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটকদের সঙ্গে কোনো ধরনের অসদাচরণ কিংবা অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কার্নিভালকে ঘিরে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপদ ও আনন্দময় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতেই প্রশাসনের এই বাড়তি তৎপরতা।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 08:51:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারতের দিকে ধেয়ে আসছে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119146" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119146</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে প্রথমে গভীর নিম্নচাপ এবং পরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সিস্টেমটি ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা বাড়ার পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কার্যত অনুপস্থিত। পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সাম্প্রতিক তথ্যেও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির ঘটনা রেকর্ড হয়নি। আবহাওয়াবিদদের মতে, সাগরে ধারাবাহিকভাবে সৃষ্ট নিম্নচাপজনিত পরিস্থিতি এবং বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়নি।

তবে সর্বশেষ সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা অন্য সময়ের তুলনায় বেশি বলে মনে করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। তাদের ধারণা, এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। আন্তর্জাতিক নামকরণ অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টির নাম হতে পারে &lsquo;অর্ণব&rsquo;।

 

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় &lsquo;অর্ণব&rsquo;কে ঘিরে নজর রাখছে আবহাওয়া বিভাগ। যদিও ঝড়টির সম্ভাব্য গতিপথ ভারতের দিকে, তবুও এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে, যার প্রভাব রাজধানী ঢাকাতেও পৌঁছাতে পারে।

 

আবহাওয়াবিদদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের ওপর সরাসরি বড় ধরনের আঘাত হানার আশঙ্কা নেই। তবুও এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চল, বিশেষ করে উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হতে পারে। একই সঙ্গে আগামী মঙ্গলবারের দিকে রাজধানীসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে দেশের আবহাওয়ায়। দিনের বেলা অনেক এলাকায় এখনো গরম অনুভূত হলেও রাত এবং ভোরে তাপমাত্রা তুলনামূলক কমে যাচ্ছে। ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধানও বাড়ছে।

বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের আগমনী বার্তা ইতোমধ্যে টের পাওয়া যাচ্ছে। ভোর ও রাতের দিকে হালকা শীতল আবহ বিরাজ করছে, যা আসন্ন শীত মৌসুমের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখনো বেশ উঁচু অবস্থানে থাকলেও রাতের সময়ে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে যাচ্ছে, ফলে আবহাওয়ায় বৈপরীত্য আরও স্পষ্ট হচ্ছে।

সার্বিকভাবে আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথের পাশাপাশি মৌসুমি পরিবর্তনের প্রভাবও আগামী কয়েক দিনে দেশের আবহাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 08:52:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীর বাজারে ছুটির আমেজ, মুরগির দামে ঝাঁজ, ডিমে মিলছে স্বস্তি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119145" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119145</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পূজার ছুটির আবহ এখনো কাটেনি রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে। অনেক স্থানে ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। তবে মুরগির বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে ডিমের দাম কমে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে।

আজ শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সপ্তাহখানেক আগে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত। একই সময়ে সোনালি মুরগির দামও বেড়ে কেজিপ্রতি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকায় উঠেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, খামার পর্যায়ে সরবরাহ কমে যাওয়া, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং পোল্ট্রি খাদ্যের দাম বাড়ার কারণে মুরগির বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এসব কারণে পাইকারি বাজারে দাম বাড়ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে খুচরা বিক্রিতে।

অন্যদিকে ডিমের বাজারে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং তুলনামূলক কম চাহিদার কারণে গত সপ্তাহের তুলনায় ফার্মের ডিমের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ডিম ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যদিও কিছু পাড়া-মহল্লার দোকানে এখনো ১৫০ টাকার আশপাশে দাম রাখা হচ্ছে।

ডিম ব্যবসায়ীদের মতে, বাজার তদারকি বৃদ্ধি এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় দাম নিম্নমুখী হয়েছে। ছুটির সময় ক্রেতা কম থাকায় বাজারে ডিমের মজুতও বেড়েছে, ফলে বিক্রেতারা দাম কমাতে বাধ্য হচ্ছেন। তারা ধারণা করছেন, আগামী কয়েক দিনেও এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে আবহাওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা পুরোপুরি না এলেও বাজারে শীতকালীন সবজির উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা ও শিম ইতোমধ্যে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। মৌসুমের শুরু হওয়ায় এসব সবজির দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। একটি ফুলকপি ৪০ থেকে ৬০ টাকা এবং আকারভেদে বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নতুন শিমের কেজি ১২০ থেকে ১৬০ টাকা এবং মুলা ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তবে বাজারে সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব সবজির দাম ধীরে ধীরে কমছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। একই সঙ্গে ক্রেতা কম থাকায় আগের মৌসুমের বেশ কয়েকটি সবজির দামও কিছুটা নেমেছে। বেগুন, পটল, ঢ্যাঁড়স, করলা, ঝিঙা, চিচিঙ্গা ও বরবটির মতো সবজি বর্তমানে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে চাল, ডাল ও ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজারে গত এক সপ্তাহে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। এসব পণ্য এখনো উচ্চমূল্যেই বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের জন্য বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 08:52:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ থেকে আগের সময়সূচিতে ফিরল মার্কেট ও শপিং মল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119144" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119144</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দোকানপাট ও শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার যে সাময়িক সুবিধা দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়েছে। ফলে আজ শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে আবারও আগের নিয়ম অনুযায়ী সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হবে। এর ফলে দোকানপাট ও বিপণিবিতানের কার্যক্রম দুই ঘণ্টা কমে গেল।

বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপ কমানো এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার চলতি বছর বিভিন্ন সময়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা ও বন্ধের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে। দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত ৫ অক্টোবর থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দোকান ও শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত চালু রাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী, ওই বিশেষ সুবিধার সময়সীমা শেষ হওয়ায় ২৩ অক্টোবর থেকে আবারও রাত ৮টার মধ্যে দোকান, মার্কেট ও শপিং মল বন্ধ করতে হবে। অর্থাৎ আগের নির্ধারিত সময়সূচিই ফের কার্যকর হয়েছে।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বছরের শুরু থেকেই খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচিতে একাধিকবার পরিবর্তন আনা হয়। প্রথমদিকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হলেও ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে পরে সময় বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা করা হয়।

এরপর কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে জুনে বন্ধের সময় রাত ৯টা নির্ধারণ করা হয়। পরে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে আগস্টে সময় আরও এক ঘণ্টা কমিয়ে রাত ৮টা করা হয়। সেই সিদ্ধান্তই এখন পুনরায় কার্যকর হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্বাভাবিক রাখতে সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী সময়সূচি সমন্বয় করে আসছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 08:52:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদের মরদেহ দেশে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119143" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119143</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারানো বাংলাদেশি প্রবাসী মো. শাহেদ আহম্মদের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, নিহত শাহেদের পরিবারের পাশে সরকার থাকবে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে। পরে নিহতের স্বজনদের হাতে সরকারি আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে এখন পর্যন্ত ১১ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহতদের মধ্যে ছিলেন বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামের বাসিন্দা শাহেদ আহম্মদ।

শামা ওবায়েদ ইসলাম আরও বলেন, সংঘাতের কারণে সৌদি আরবে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ভিসা ও আকামার মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরকার কাজ করছে।

এদিকে, সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, ঘটনার প্রকৃত অবস্থা জানতে রায়ের অনুলিপি চেয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 08:53:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানের সরকার বদলাতে চায় ইসরায়েল, বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119142" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119142</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারও ইরানের সরকার পরিবর্তনের কথা সামনে এনেছেন। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তার এই বক্তব্য নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ভেতরে বড় ধরনের সামরিক ক্ষতি করার সক্ষমতা ইসরায়েলের থাকলেও, সেই শক্তিকে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ারে পরিণত করা অত্যন্ত কঠিন।

আকাশে শক্তির প্রদর্শন, কিন্তু লক্ষ্য অনেক দূরের : বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইসরায়েল চাইলে বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে। দেশটির উন্নত যুদ্ধবিমান, দীর্ঘপাল্লার হামলা পরিচালনার সক্ষমতা এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে এমন অভিযান পরিচালনা করা তাদের জন্য সম্ভব। তবে কেবল আকাশ থেকে হামলা চালিয়ে কোনো দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা যায় না। সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা গেলেও রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থা টিকে থাকতে পারে, বিশেষ করে যখন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও কার্যকর থাকে।

সরকার পরিবর্তনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা : বিশ্লেষকদের মতে, সরকার উৎখাতের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে শুধু বোমাবর্ষণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি স্থল উপস্থিতিও প্রয়োজন হয়। ইতিহাস বলছে, রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য বহু সময় সেনা মোতায়েন, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থার দরকার হয়েছে।

ইরানের মতো বড় ও জনবহুল দেশে এমন অভিযান পরিচালনা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে সেখানে স্থায়ী রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ রয়েছে।

গোপন অভিযান কতটা কার্যকর : ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা অতীতে ইরানের ভেতরে বিভিন্ন গোপন অভিযান পরিচালনা করেছে বলে বহুবার অভিযোগ উঠেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এসব নেটওয়ার্ক ও কৌশল বারবার ব্যবহার করলে সেগুলো উন্মোচিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।


ইসরায়েলের হাতে ইরানের সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষতি করার সক্ষমতা থাকলেও, শুধু বিমান হামলা চালিয়ে তেহরানের ক্ষমতার কাঠামো ভেঙে ফেলা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।


সাইবার হামলা কিংবা গোপন গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতি করা সম্ভব হলেও, শুধুমাত্র এসব পদ্ধতিতে একটি প্রতিষ্ঠিত সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কার্যকর পথ এখনো দেখা যাচ্ছে না।

ইরানও পুরোপুরি অসহায় নয়

সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোতে আঘাত পেলেও ইরান এখনো উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। দেশটির হাতে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে, যা আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের জন্য হুমকি হয়ে থাকতে পারে।

বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের পার্বত্য অঞ্চল ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলো ইরানের সামরিক সম্পদকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেয়। ফলে বড় ধরনের হামলার পরও দেশটি পাল্টা আঘাত হানার কিছু সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে।

ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি চাপ

ইরানের তুলনামূলক কম খরচের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় ইসরায়েলকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করতে হয়। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এবং অর্থনৈতিক ব্যয়ের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ইসরায়েলের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র কি আবার সরাসরি যুক্ত হবে?

ইরানের গভীরে থাকা কিছু কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানতে যে ধরনের ভারী বাংকার-বিধ্বংসী অস্ত্র প্রয়োজন, তার অনেকগুলোর সক্ষমতা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। ফলে ওয়াশিংটনের সহযোগিতা ছাড়া ইসরায়েলের জন্য কিছু লক্ষ্যবস্তুতে কার্যকর হামলা চালানো কঠিন হতে পারে।

তবে মার্কিন রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতায় নতুন করে বড় সামরিক সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে ওয়াশিংটনের আগ্রহ কতটা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের সম্ভাব্য খরচ মার্কিন সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার ঝুঁকি

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের পর বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সমালোচনার মুখে পড়া ইসরায়েল কূটনৈতিকভাবে আরও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে।

ইসরায়েলের কাছে ইরানে ব্যাপক সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর সামর্থ্য রয়েছে, এ বিষয়ে সন্দেহ কম। কিন্তু সামরিক সাফল্য আর রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন এক জিনিস নয়। ইরানের সরকার পরিবর্তনের মতো উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু বিমান হামলা নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল সামরিক-রাজনৈতিক কৌশল প্রয়োজন হবে।

ফলে মূল প্রশ্নটি এখনও অমীমাংসিত: ইসরায়েল কি ইরানের সামরিক শক্তিকে দুর্বল করতে পারবে, নাকি সত্যিই দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে? বর্তমানে অধিকাংশ বিশ্লেষক দ্বিতীয় সম্ভাবনাটিকেই বেশি অনিশ্চিত বলে মনে করছেন।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 23 Oct 2026 08:53:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শ্রীমঙ্গলে অক্ষত অজগর সাপ উদ্ধার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119141" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119141</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার রাধানগর এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে একটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় শ্রমিকরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করেছিলেন এসময় দেওয়ালের ওপর সাপটি দেখতে পান।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, সকাল ১১টার দিকে আশিদ্রোন ইউনিয়নের রাধানগর এলাকায় রাস্তার পাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। এ সময় একটি দেওয়ালের ওপর অজগর সাপটিকে দেখতে পেয়ে শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তী শ্রীমঙ্গল টুরিস্ট পুলিশের সাব-ইনস্পেক্টর (এসআই) বসু দেব ঘটনাটি দেখতে পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানান। খবর পেয়ে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সঞ্জিত দেব ও পরিবেশকর্মী রাজদ্বীপ দেব দীপ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং সাপটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন।

উদ্ধারের পর অজগর সাপটিকে নিরাপদ আশ্রয়ে ফেরাতে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাননিউজ/বান্না

 

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 14:19:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঘরেই তৈরি করুন রকমারি সুস্বাদু নিমকি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/feature/119140" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/feature/119140</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিজয়া দশমী মানেই রসগোল্লা, সন্দেশ আর হরেক রকমের মিষ্টির সমাহার। চন্দ্রপুলি, তিলের নাড়ু কিংবা নারকেলের ছাঁচে গড়া নাড়ুর মিষ্টি স্বাদে চারপাশ ম ম করলেও, আধুনিক যান্ত্রিকতায় ও ব্যস্ততার যুগে এখন আর ঘরে ঘরে সেই সাবেকিয়ানার খাটাখাটনি করার ফুরসত কারোরই নেই।

বাধ্য হয়েই বাজারের কেনা মিষ্টি দিয়ে সারতে হয় আপ্যায়ন। কিন্তু সারাদিন মিষ্টিমুখ করতে করতে অতিথিদের মুখ যখন কিছুটা অরুচিকর হয়ে ওঠে, ঠিক তখনই জিভ চায় একটু ভিন্ন কিছু&mdash;এক চিলতে নোনতার ছোঁয়া। দেবী বিসর্জন সম্পন্ন হলেও কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা পর্যন্ত বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ের পালা চলতে থাকে। এসময়ে অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টির একঘেয়েমি কাটাতে নোনতা পদের জুড়ি মেলা ভার।

বিজয়ার রকমারি মিষ্টির ভিড়ে অতিথিদের পাতে এমন মুচমুচে ও সুস্বাদু ঘরের তৈরি নিমকি পরিবেশন করলে আপ্যায়নে যেমন নতুনত্ব আসবে, তেমনি আড্ডার জাদুকরি আমেজও দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

একসময় আমাদের দাদী-নানীদের হেঁশেলে দশমীর দিনে ঘরে ঘরে ভাজা হতো মুচমুচে কুচো নিমকি। যদিও বর্তমান সময়ে সেসবের ঠাঁই হয় মুদির দোকানের বয়ামে, তবুও নিজের হাতের ছোঁয়া আর ভালোবাসায় তৈরি নিমকির স্বাদই একেবারে আলাদা। একটুখানি সময় বের করে যদি ঘরেই তৈরি করে নেওয়া যায় বাহারি স্বাদের এই স্ন্যাক্স, তবে ছোট থেকে বড়&mdash;সব বয়সি অতিথিই বেশ তৃপ্তি পাবেন।

এককালীন পরিশ্রমে তৈরি এসব নিমকি দিয়ে জমিয়ে তুলতে পারেন আপনার এবারের বিজয়ার আড্ডা।

মেথি নিমকি: সুবাস ও স্বাদের মেলবন্ধন : টাটকা মেথিশাকের সুবাস নিমকিকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যায়। তবে শরৎকালের এই সময়ে টাটকা মেথিশাক পাওয়া মুশকিল হলে ভরসা রাখতে পারেন কসৌরি মেথির ওপর।

প্রথমে পরিমাণমতো ময়দায় স্বাদমতো লবণ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে কসৌরি মেথি মিশিয়ে নিন। যদি টাটকা মেথিশাক পেয়ে যান, তবে তা মিহি করে কুচিয়ে ময়দা মাখার সময় ব্যবহার করতে হবে। এরপর সাদা তেল কিংবা খাঁটি ঘিয়ের ময়েন দিয়ে ভালো করে ঝুরঝুরে করে মেখে সামান্য কুসুম গরম জল দিয়ে আটা বা ময়দার মতো খামির তৈরি করুন।



 

ওপরে কিছুটা তেল বুলিয়ে একটি ভেজা কাপড় বা ঢাকনা দিয়ে ২০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এরপর পছন্দমতো তিনকোনা বা কুচো আকারে কেটে ডুবো তেলে মচমচে করে ভেজে নিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হওয়ার পর কাচের বৈয়ামে ভরে রাখলে অনায়াসেই মাসখানেক মুচমুচে থাকবে।

খাস্তা নিমকি: স্তরে স্তরে মুচমুচে খাস্তার জাদু : এই পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রতিটি স্তর বা পরত আলাদা হয়ে থাকে। একটু সময় সাপেক্ষ হলেও এর স্বাদ অতিথিদের মন জয় করতে বাধ্য।
ময়দার সঙ্গে লবণ, সামান্য বেকিং সোডা এবং সাদা তেলের ময়েন মিশিয়ে নরম করে মেখে নিন। মাখানো হয়ে গেলে তেল মাখিয়ে একটি পাত্রে কাপড় চাপা দিয়ে কুড়ি মিনিট রেখে দিন। এর ফাঁকে এক বাটি ঘি গলিয়ে ঠান্ডা করে তার মধ্যে দুই চামচ কর্নফ্লাওয়ার ভালো করে মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণটি কিছুক্ষণ রাখলেই কিছুটা জমে যাবে।

এবার ময়দা থেকে লেচি কেটে তেল দিয়ে যতটা সম্ভব পাতলা করে তিনটি গোল রুটির মতো বেলে নিন। প্রতিটি রুটির ওপর তৈরি করা ঘি-কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণ ভালো করে ব্রাশ করে কিছুটা ময়দা ছড়িয়ে দিন।

 



এভাবে একটির ওপর আরেকটি করে মোট তিনটি রুটি সাজিয়ে নিন। মাঝের স্তরগুলোতেও একই নিয়মে মিশ্রণ ও ময়দা দিতে হবে। সবশেষে রুটিগুলোকে চৌকো আকরে মুড়ে কিছু সময় রেখে দিয়ে হালকা বেলুন। এবার ছুরি দিয়ে বরফি বা আয়তাকার শেপে কেটে ডুবো তেলে ভেজে নিলেই তেলতেলে খাস্তা ভাব ফুটিয়ে প্রতিটি লেয়ার আলাদা হয়ে ফুলে উঠবে।

কামরাঙা নিমকি: দেখতে সুন্দর, খেতে চমৎকার : নলকূপের ঠান্ডা জল বা চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার ফাঁকে কামরাঙা আকৃতির এই পেঁচানো নিমকি দারুণ মানিয়ে যায়।
ময়দায় একটু বেশি পরিমাণ ঘিয়ে ময়েন, স্বাদমতো লবণ, সামান্য চিনি আর চিমটিখানেক বেকিং সোডা দিয়ে ভালো করে ময়ান দিয়ে নিন। তেল মাখিয়ে সেই ডো বা খামিরটি কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন কুড়ি মিনিটের জন্য।



এরপর লেচি কেটে লুচির মতো পাতলা করে বেলে নিন। গোল সেই লুচির দুই পাশের পরিধি থেকে সামান্য জায়গা ফাঁক রেখে ছুরির মাথা দিয়ে সমান মাপে লম্বালম্বি ফালি করে কেটে নিন। এবার দুই প্রান্ত ধরে কায়দা করে মুড়ে নিতে হবে&mdash;প্রথমে একপাশ, তারপর অন্যপাশ।

দুই প্রান্ত ভাজ করার পর নিমকিটিকে হালকা হাতে টুইস্ট বা প্যাঁচ দিয়ে দিলেই হুবহু কামরাঙার রূপ ধারণ করবে। গরম ডুবো তেলে সোনালী রঙ করে ভেজে তুললেই তৈরি হয়ে যাবে দারুণ আকর্ষণীয় কামরাঙা নিমকি।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 12:36:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে সাবেক যুবলীগ নেতা খাইরুদ্দিন গ্রেপ্তার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119139" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119139</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জে ছাত্র হত্যা মামলার আসামি সাবেক যুবলীগ নেতা খাইরুদ্দিন মোল্লাকে (৪৬) গ্রেপ্তার করেছে মুন্সীগঞ্জ থানা পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুক্তারপুর টোলপ্লাজা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম এন্ড অবস্) মো. কামরান হোসেন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫ টার দিকে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গ্রেপ্তারকৃত খাইরুদ্দিন মোল্লা মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মাকহাটি গ্রামের মতলব মোল্লার ছেলে। তিনি সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খাইরুদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৪ আগষ্টে ছাত্র হত্যা মামলাসহ বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে চারটি এবং মারামারির তিনটি মামলা রয়েছে। ছাত্র হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকে খাইরুদ্দিন মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন। নারায়ণগঞ্জের সাবেক এমপি শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন।

সাননিউজ/বান্না

 

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 12:12:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রিসোর্টে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119138" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119138</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের ইস্তারঘাট এলাকায় অবস্থিত ধানকুঁড়া রিসোর্টে চলমান মাদক, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপসহ সকল অবৈধ কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ এবং রিসোর্টটি স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকালে ইস্তারঘাট বাজারে এলাকার সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

এলাকাবাসির দাবি ধানকুঁড়া রিসোর্টে চালুকৃত মাদক ব্যবসা, জুয়া ও সকল প্রকার অসামাজিক ও অবৈধ কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধ করা। এলাকার যুবসমাজ ও নৈতিকতা রক্ষায় বিতর্কিত এই রিসোর্টটি স্থায়ীভাবে সিলগালা ও বন্ধ ঘোষণা করা।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ইস্তারঘাট এলাকার ধানকুঁড়া রিসোর্টকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় অসাধু চক্র নানা ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে এলাকার উঠতি বয়সী যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এলাকার পরিবেশ নষ্টকারী এ ধরনের অপতৎপরতা কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তারা।

এ সময় স্থানীয় ক্ষুব্ধ জনতা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে জানান, যদি অবিলম্বে এই রিসোর্টের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা না হয়, তবে এলাকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর ও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ অন্তর, সেলিম আকন্দ, মাওলানা মামুনুর রশিদ, মাওলানা আনোয়ার হোসেন, মাওলানা সফিউদ্দিন, মাহবুব আলম, জাকির হোসেন মাস্টার, বিল্লাল হোসেন, হৃদয় তালুকদার প্রমূখ।

সাননিউজ/বান্না

 

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 12:09:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ল্যাঙ্কাশায়ারের সিদ্ধান্তে অন্ধকারে জিমি অ্যান্ডারসন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119137" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119137</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক আঙিনাকে আগেই বিদায় জানানো ইংলিশ পেস বোলিং কিংবদন্তি জেমস অ্যান্ডারসন কি তবে এবার ঘরোয়া ও পেশাদার ক্রিকেট থেকেও চিরতরে সরে দাঁড়াতে চলেছেন? কাউন্টি ক্লাব ল্যাঙ্কাশায়ারের সঙ্গে তাঁর বর্তমান সম্পর্কের সমীকরণ এবং নতুন কিছু গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে ক্রিকেট বিশ্বে বর্তমানে এই বড় প্রশ্নটিই ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে নিজের সামনের পথচলা বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি ৪৪ বছর বয়সি এই তারকা পেসার।

কাউন্টি ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় উপেক্ষিত অ্যান্ডারসন : সম্প্রতি ব্রিটিশ প্রভাবশালী গণমাধ্যম &lsquo;দ্য টাইমস&rsquo;-এ প্রকাশিত একটি বিশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসন্ন ২০২৭ মৌসুমকে সামনে রেখে অভিজ্ঞ পেসার জেমস অ্যান্ডারসনকে আর নতুন কোনো চুক্তির প্রস্তাব দিচ্ছে না তাঁর দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ক্লাব ল্যাঙ্কাশায়ার।

ক্লাবের এমন সিদ্ধান্তে ক্রিকেট মহলে অ্যান্ডারসনের পূর্ণাঙ্গ অবসরের জল্পনা বহুগুণ বেড়ে গেছে। যদিও এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি অ্যান্ডারসন নিজেই।

টেস্ট ফরম্যাটে ৭০৪ উইকেটের অনন্য ইতিহাস গড়া এই পেসার ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পরও দমে যাননি। বরং ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেটে নিজের অদম্য উপস্থিতি ও পারফরম্যান্স ধরে রেখেছিলেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে আগেই বিদায় জানানো জেমস অ্যান্ডারসনকে নিয়ে ল্যাঙ্কাশায়ারের এই নতুন সিদ্ধান্ত ইংলিশ ঘরোয়া ক্রিকেটেও এক যুগের অবসান ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বার্ধক্যকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বল হাতে তিনি প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের ত্রাস হয়ে ওঠেন। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় বিভাগে গত মৌসুমে মাত্র ১৭ গড়ে ৫০টি উইকেট শিকার করেন তিনি। ওই টুর্নামেন্টে অন্তত পঞ্চাশ উইকেট দখলকারী মাত্র সাতজন বোলারের অভিজাত তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছিলেন এই দীর্ঘতম ফরম্যাটের স্পেশালিস্ট।

ক্লাবের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক ও নতুন রূপরেখা : এমন ঈর্ষণীয় ফর্ম ও সাফল্য সত্ত্বেও ল্যাঙ্কাশায়ার কর্তৃপক্ষের আগামী দিনের ব্লু-প্রিন্টে অ্যান্ডারসনের না থাকাটা ভক্তদের নিরাশ করেছে। সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, গত সোমবার ক্লাবটির নবনিযুক্ত ক্রিকেট পরিচালক পল ফারব্রেস এবং প্রধান নির্বাহী রিচার্ড কেনিয়নের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন অ্যান্ডারসন।

সেখানে ক্লাবের সুদূরপ্রসারী ও নতুন রূপরেখা তার সামনে তুলে ধরা হয়, যেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয় যে অভিজ্ঞ এই পেসারকে ছাড়াই দল গোছানোর পরিকল্পনা করছে ক্লাব ম্যানেজমেন্ট। আগামী ১ নভেম্বর পল ফারব্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের দায়িত্ব গ্রহণ করার কথা থাকলেও, তার আগেই দলের এই বড় সিদ্ধান্তটি সবার সামনে চলে আসে।

জাতীয় দল থেকে বিদায়ের স্মৃতি ও বর্তমান পরিস্থিতি : অ্যান্ডারসনের ব্যক্তিগত ইচ্ছা ছিল দেশের লাল বলের জার্সিতে আরও কিছুটা সময় খেলা চালিয়ে যাওয়ার। ক্রিকেটের প্রতি অ্যান্ডারসনের অকৃত্রিম টান এবং ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় এসেও ফিটনেস ও পারফরম্যান্সের মান উঁচুতে ধরে রাখার প্রচেষ্টা ছিল প্রশংসনীয়।

কিন্তু ইংলিশ টিম ম্যানেজমেন্টের ভিন্ন চিন্তাধারার কারণে সেই ইচ্ছা অপূর্ণই থেকে যায়। ভারতের মাটিতে সর্বশেষ টেস্ট সিরিজের পর টিম ম্যানেজমেন্টের সবুজ সংকেত না পাওয়ায় একরকম বাধ্য হয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে হয়েছিল তাঁকে, যা মানসিকভাবে বেশ নাড়া দিয়েছিল এই পেসারকে।

ল্যাঙ্কাশায়ার যদি শেষ পর্যন্ত তাদের এই সিদ্ধান্তে অনড় থাকে, তবে আন্তর্জাতিক অধ্যায়ের মতো পেশাদার ক্রিকেট থেকেও অত্যন্ত নিরবেই বিদায় নিতে হবে ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই সুইং মাস্টারকে।

গত কাউন্টি মৌসুমে মাত্র দুটি ম্যাচে জয় পাওয়া ল্যাঙ্কাশায়ার দল এখন সম্পূর্ণ ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সেই পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার বলি হয়েই হয়তো ক্লাব ছাড়তে হচ্ছে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ল্যাঙ্কাশায়ারের ভরসার প্রতীক হয়ে থাকা এই পেসারকে।

রেকর্ডময় দীর্ঘ ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ ভাবনা : ২০০২ সালে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পা রাখার পর থেকে এ পর্যন্ত ঝুলিতে ১১৯৩টি উইকেট পুরেছেন অ্যান্ডারসন। এর সিংহভাগ জুড়েই রয়েছে টেস্ট ক্রিকেটের সেই অবিশ্বাস্য ৭০৪টি শিকার। একই বছরের মে মাসে ল্যাঙ্কাশায়ারের হয়ে ঘরোয়া অভিষেক হওয়া এই পেসারের পেশাদার জীবনের পুরোটা জুড়েই জড়িয়ে রয়েছে ক্লাবটির নাম।

ক্রিকেট ব্যাট ও বলের লড়াইয়ের পাট চুকলে ফাস্ট বোলার অ্যান্ডারসন হয়তো নিজের সময়টা বেশি দেবেন গণমাধ্যম ও প্রচারের কাজে। জনপ্রিয় &lsquo;টেইলেন্ডার্স&rsquo; পডকাস্টের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে আগেই, পাশাপাশি দেখভাল করছেন ব্যক্তিগত বিভিন্ন ব্যবসায়িক উদ্যোগ।

ভবিষ্যতে কোচিং পেশায় অ্যান্ডারসনের নামার ছোট্ট একটি সম্ভাবনা থাকলেও, এই মুহূর্তে কোচিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে নিজেই পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন ক্রিকেট ইতিহাসের এই জীবন্ত কিংবদন্তি।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 12:03:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানে নতুন হামলার যৌথ পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119136" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119136</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সামনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নির্বাচন&mdash;একটিতে বসতে চলেছে মধ্যবর্তী ভোটের লড়াই, অন্যটিতে ইসরাইলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার আগে ইরানে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে ভোটপর্ব চুকলেই তেহরানের ওপর সর্বশক্তি দিয়ে চড়াও হওয়ার সুনির্দিষ্ট ছক কষে রেখেছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব।

সামরিক মহড়া ও গোপন পরিকল্পনার রূপরেখা : নির্বাচন পরবর্তী সময়ে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে দুই মিত্র দেশ। এই যৌথ কৌশলের অংশ হিসেবে সম্প্রতি সামরিক মহড়ার পরিধি বাড়ানো হয়েছে এবং ইরাকি আকাশসীমা ব্যবহার করে আক্রমণের মহড়াও সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো।

এরই ধারাবাহিকতায় চলতি সপ্তাহে ইসরাইলে পাড়ি জমিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, যেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সম্ভাব্য আগ্রাসন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন ও ইসরাইলি নেতৃত্ব আপাতত সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত রাখলেও, তেহরানের কঠোর পাল্টা হুঁশিয়ারি এবং জ্বালানি বাজারের সম্ভাব্য অস্থিরতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

বিকল্প এই আক্রমণ তালিকার মূল নিশানা হিসেবে রাখা হয়েছে ইরানের সংবেদনশীল জ্বালানি খাত, পারমাণবিক গবেষণাকেন্দ্র এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন গুদামগুলোকে।

সংশ্লিষ্ট নীতিপ্রণেতাদের একাংশের ধারণা, মাসকটে চলা দীর্ঘ লড়াইয়ের পর এমন একটি তীব্র আঘাত ইরানের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ পঙ্গু করে দিতে পারে এবং তেহরানকে শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিকভাবে কোণঠাসা করে শর্ত মানতে বাধ্য করবে।

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তহীনতা ও রাজনৈতিক সমীকরণ : তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কতটা সহজ হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির গবেষকরা। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত এই আগ্রাসনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কি না, তা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এর আগেও চলতি বছরে বেশ কয়েকটি বড় মাপের সামরিক অভিযানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি থাকার পরও শেষ মুহূর্তে এসে তা আটকে দিয়েছিলেন তিনি।

চলতি মাসের শুরুর দিকেও বড় হামলার সব প্রস্তুতি শেষ হলেও শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।

আগামী নভেম্বরের গোড়ার দিকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে তিনটি দৈত্যাকার বিমানবাহী রণতরী, হাজার হাজার মেরিন সেনা ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের বিশাল সমাবেশ ঘটাতে চলেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। তবে আগামী ২৭ অক্টোবরের ইসরাইলি নির্বাচন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী ভোট পুরো পরিস্থিতির অঙ্ককে জটিল করে তুলেছে।

সাধারণ নির্বাচনে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির রাজনৈতিক মাশুল এড়াতেই মূলত ভোটের আগে বড় কোনো সংঘাতে জড়াতে চাচ্ছেন না ট্রাম্প। তা সত্ত্বেও হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, তেহরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জনের পথ থেকে সরাতে সমস্ত বিকল্পই খোলা রাখা হয়েছে।

তেহরানের পাল্টা আঘাতের ভয়ংকর হুঁশিয়ারি : যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য এই আগ্রাসনের বিপরীতে তীব্র হুংকার ছেড়েছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, নতুন কোনো সামরিক ধকল তৈরি হলে তাদের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যিক জাহাজ বা তেল স্থাপনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না।

প্রয়োজনে শত্রুপক্ষের ডেটা সেন্টার এবং সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বয়ে চলা ইন্টারনেট কেবলগুলোকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।

ইরানি নীতিনির্ধারকদের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মাদির মতে, ওয়াশিংটন মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের অভিযান শেষ করে ফেলবে&mdash;এমন ধারণা সম্পূর্ণ অবাস্তব ও কাল্পনিক। এবারের প্রতিরোধ আগের চেয়ে বহুগুণ শক্তিশালী ও ভিন্নধর্মী হবে।

তেহরানের কৌশলবিদদের আশঙ্কা, মাটির বহুতল গভীরে থাকা নাতানজ বা এজাতীয় পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানা হলে ইরান সরাসরি সৌদির বিশাল তেল শোধনাগুলোতে হামলা চালাবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বহুগুণ বেড়ে যাবে, যা সরাসরি মার্কিন সাধারণ জনগণের পকেট ও অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করবে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 11:33:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে বন্দুক, গুলি, ইয়াবা ও অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119135" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119135</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার খাসকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, এক রাউন্ড গুলি, ২০০ পিস ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্রসহ ইয়াসিন সরদার (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৪০ দিকে সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের খাসকান্দি গ্রামে ইয়াসিন সরদারের বসতবাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার ইয়াসিন সরদার ওই গ্রামের আলকেস সরদার ও রোকসানা বেগমের ছেলে।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। এসআই রাশেদ মুন্সির নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ইয়াসিন সরদারের দখল থেকে ২০০ পিস ইয়াবা, কাঠের বাটযুক্ত একটি একনলা বন্দুক, একটি তাজা কার্তুজ, একটি ধারালো রামদা ও দুটি ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই রাশেদ মুন্সি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খাসকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াসিন সরদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর দখল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, ইয়াবা ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে আগে পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মুন্সীগঞ্জ থানায় পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

সাননিউজ/বান্না

 

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 11:41:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাবা‌কে বাঁচালেও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল ২ ভাই‌য়ের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119134" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119134</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাবা&zwnj;কে বাঁচা&zwnj;তে গি&zwnj;য়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে আপন ২ ভাইয়ের করুন মৃত্যু হয়েছে ৷ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ভোলার বোরহানউ&zwnj;দ্দিন উপ&zwnj;জেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড কালিরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে ৷ নিহতরা হলেন, তজুমদ্দিন উপজেলার শম্ভপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আলম বক্তার ছেলে আঃ রহিম (৪০) ও রাকিব(৩০) ৷

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ গাছ কাটার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন ৷ ঘটনার দিন সকালে তজুমদ্দিন থেকে তিন ছেলেকে নিয়ে আলম বক্তারের শ্যালক মোঃ আইয়ুব আলীর বাড়িতে গাছ কাটার জন্য আসে ৷ এসময় বিদ্যুতের একটা ছেড়া তার দেখে নিহতদের পিতা আলম বক্তার তার সরাতে গেলে প্রথ&zwnj;মে সে বিদ্যুতায়িত হয় ৷ আলম বক্তারকে বাচাঁতে গা&zwnj;ছের নিচে থাকা এক পুত্র রা&zwnj;কিব এগিয়ে আসলে সেও বিদ্যুতায়িত হয় । বাবা ও ভাই&zwnj;কে বাচাঁতে গাছে থাকা আরেক পুত্র র&zwnj;হিম নিচে নেমে উভয়&zwnj;কে বাচা&zwnj;তে আস&zwnj;লে বাবা সহ দুই সহোদর বিদ্যুতায়িত হয়ে মারাত্নক আহত হন ৷ পরে স্থানীয়া তাদেরকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রা&zwnj;কিব ও র&zwnj;হিম&zwnj;কে মৃত ঘোষণা করে ৷

তবে সামান্য আহত হয়ে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় তাদের পিতা আলম বক্তার ৷ বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আশ্রাফ আলী ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন ৷

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 11:22:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যেভাবে ‘গ্রে জোন’ দিয়ে তাইওয়ানকে ঘেরাও করছে বেইজিং]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119133" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119133</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সামরিক সংঘাত এড়িয়ে কূটনৈতিক ও সামুদ্রিক চাপ প্রয়োগের এই &lsquo;গ্রে জোন&rsquo; কৌশল তাইওয়ানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধীরে ধীরে নিঃসঙ্গ করে তোলার এক সুদূরপ্রসারী বেইজিংয়ের নীরব যুদ্ধ।

সরাসরি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বা সামরিক সংঘাতের পথে না হেঁটে প্রতিপক্ষকে ধীরে ধীরে কোণঠাসা করে ফেলার এক সুদূরপ্রসারী কৌশল আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। &lsquo;গ্রে জোন&rsquo; বা ধূসর অঞ্চলের এই কূটনীতি এমন এক যুদ্ধবিহীন লড়াই, যেখানে কূটনীতি, সাইবার জগৎ, কোস্টগার্ডের উপস্থিতি এবং অর্থনৈতিক চাপকে একসঙ্গে ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের সার্বভৌমত্বকে তিলে তিলে দুর্বল করে দেওয়া হয়।

ধূসর অঞ্চলের মূল দর্শন : বিশ্লেষকদের মতে, গ্রে জোন কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হলো এমন এক অদৃশ্য চাপ সৃষ্টি করা, যাকে সরাসরি কোনো আগ্রাসন বা যুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। ফলে আক্রান্ত রাষ্ট্রটি বুঝতে পারে না যে কখন তারা বড় কোনো সংকটের মুখে পড়ছে।

বেইজিং এই কৌশলের মাধ্যমে তাইওয়ানের চারপাশে নিয়মিত কোস্টগার্ডের উপস্থিতি, সাইবার তৎপরতা এবং কূটনৈতিক বয়কটকে একটি নিয়মে পরিণত করেছে। একেকটি ঘটনাকে আলাদা বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে হলেও এর দীর্ঘমেয়াদি ফল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী।

নজরদারি ও প্রশাসনিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চবক : তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলীয় জলসীমায় চীনা সরকারি জাহাজ ও কোস্টগার্ডের নিয়মিত টহল কেবল সাধারণ নজরদারি নয়; এর নেপথ্যে রয়েছে সুনির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক লক্ষ্য।

বারবার সমুদ্রসীমায় উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে বেইজিং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটি প্রতিষ্ঠা করতে চায় যে, ওই অঞ্চল তাদের কার্যকর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এর ফলে তাইপের নিজস্ব জলসীমার ওপর নিয়ন্ত্রণ দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে।

মনস্তাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক কোণঠাসা অবস্থা : শুধু সামরিক বা সামুদ্রিক চাপই নয়, তাইওয়ানের বন্ধুরাষ্ট্র বা মিত্র দেশগুলোর ওপর কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক মাশুল গুনতে বাধ্য করার মতো ঘটনাগুলো এই কৌশলেরই অংশ। এর ফলে তাইপের পাশে দাঁড়াতে চাইলে তৃতীয় কোনো দেশও দ্বিধায় ভুগে থাকে।

বেইজিং মূলত এই ভীতির পরিবেশ তৈরি করেই তাইওয়ানকে বিশ্বমঞ্চে ধীরে ধীরে নিঃসঙ্গ করে ফেলতে চায়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গবেষকদের মতে, এই নীরব ও বহুমুখী আগ্রাসন প্রতিহত করতে কেবল সামরিক প্রস্তুতিই যথেষ্ট নয়; এর জন্য সমমনা দেশগুলোর পারস্পরিক ঐক্য এবং দ্রুত ও যৌথ রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 11:22:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আইনের শাসনে দুই ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119132" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119132</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ওয়ার্ল্ড জাস্টিস প্রজেক্টের (ডব্লিউজেপি) প্রকাশিত &lsquo;আইনের শাসন সূচক ২০২৬&rsquo; অনুযায়ী, এ বছর বাংলাদেশের সার্বিক স্কোরে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। এর ফলে সূচকে দেশের অবস্থান দুই ধাপ এগিয়ে ১২৫তম থেকে ১২৩তম স্থানে উঠে এসেছে। তবে উন্নতি সত্ত্বেও আইনের শাসনে বেশ কয়েকটি আফ্রিকান অর্থনীতির দেশের চেয়ে পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ।

ডব্লিউজেপির এই সূচকে ১৪৩টি দেশ ও বিচারব্যবস্থার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৩তম। বাংলাদেশের সামনে রয়েছে জিম্বাবুয়ে (১২২তম), নাইজেরিয়া (১২০তম), সিয়েরা লিওন (১১০তম), লাইবেরিয়া (১০৩তম), কেনিয়া (১০০তম) এবং ঘানা (৬২তম)।

২০২৫ সালের ০.৩৯১ স্কোরের তুলনায় এ বছর বাংলাদেশের স্কোর ০.৬ শতাংশ বেড়ে ১-এর মধ্যে ০.৩৯৩ হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৫তম শীর্ষ অগ্রগতি অর্জনকারী এবং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম অগ্রগতি অর্জনকারী দেশে পরিণত হয়েছে। সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান দুই ধাপ উন্নতি হয়ে ১২৫তম থেকে ১২৩তম স্থানে উঠলেও প্রাপ্ত স্কোর বৈশ্বিক গড় ০.৫৫-এর নিচেই রয়ে গেছে।

এই সূচকটি আটটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে দেশগুলোকে মূল্যায়ন করে। এগুলো হলো- সরকারি ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা, দুর্নীতিমুক্ত অবস্থা, উন্মুক্ত সরকার, মৌলিক অধিকার, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা, বিধি-বিধানের প্রয়োগ, দেওয়ানি বিচার এবং ফৌজদারি বিচার। আটটি মানদণ্ডের মধ্যে বাংলাদেশ কেবল তিনটিতে&mdash;সরকারি ক্ষমতার ওপর সীমাবদ্ধতা, দুর্নীতির অনুপস্থিতি এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রয়োগ&mdash;উন্নতি করেছে। অন্যদিকে বাকি পাঁচটি মানদণ্ডে দেশটির পারফরম্যান্স বা অবস্থানের অবনতি হয়েছে।

দেশের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা দেখা গেছে মৌলিক অধিকার রক্ষায়। এই খাতে বাংলাদেশ ১৪৩টি দেশের মধ্যে ১৩৩তম স্থানে রয়েছে, যা বিশ্বের সর্বনিম্ন তালিকায় পড়ে০.৩০ স্কোর নিয়ে ১৪৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩তম। একইভাবে দেওয়ানি বিচার ব্যবস্থাতেও বাংলাদেশের অবস্থান বেশ দুর্বল, যা দেশটির দ্বিতীয় সর্বনিম্ন খাত। ০.৩৬ স্কোর নিয়ে এখানে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩২তম। এই মানদণ্ডটি আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষার চিত্র মূল্যায়ন করে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রয়োগ বা কার্যকরতায় ০.৪০ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশ ১২৪তম এবং ফৌজদারি বিচারে ০.৩২ স্কোর নিয়ে ১১৭তম স্থানে রয়েছে। ঘুষ, অনুচিত প্রভাব ও সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের মাত্রা পরিমাপক &#39;দুর্নীতির অনুপস্থিতি&#39; মানদণ্ডে ০.৩৫ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৩তম। আইনি জবাবদিহিতা পরিমাপক &#39;সরকারি ক্ষমতার ওপর সীমাবদ্ধতা&#39; মানদণ্ডে ০.৩৮ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশ ১১১তম স্থানে রয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো অবস্থান &#39;মুক্ত সরকার&#39; মানদণ্ডে। ০.৪১ স্কোর নিয়ে এখানে অবস্থান ১০৬তম। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা মানদণ্ডে ০.৬৩ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৭তম। সমাজ কতটা কার্যকরভাবে ব্যক্তি ও সম্পত্তির নিরাপত্তা বিধান করে&mdash;তা এই মানদণ্ডের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 11:41:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভোলায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119131" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119131</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মেধাবী ও সৃজনশীল প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভোলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩৫ কৃতী শিক্ষার্থীকে শিক্ষা সম্মাননা দিয়েছে জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে ভোলার সাবেক মন্ত্রী মরহুম মোশারেফ হোসেন শাহজাহানের বাসভবন প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে সম্মাননা প্রদান ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট ও নগদ অর্থ তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ। ভালো ফলাফলের পাশাপাশি তাদের সৎ, মানবিক ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করলেই হবে না, দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতাও অর্জন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশে এ ধরনের সম্মাননা আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে উৎসাহিত করবে।

জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ, ভোলার উদ্যোগে ভোলা পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া ১৩৫ শিক্ষার্থীকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ, ভোলার প্রধান সমন্বয়ক আসিফ আলতাফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, জাতীয় বন্ধুজন পরিষদের প্রধান সম্পাদক আলহাজ মিয়া মোহাম্মদ ইউনুস, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের সেলিম ভিপি, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মাসুদ, সদস্যসচিব মুনতাসীর আলম চৌধুরী রবিন, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ রুবেলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সম্মাননা প্রদান শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে কৃতী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

জাতীয় বন্ধুজন পরিষদ ভোলার প্রধান সমন্বয়ক আসিফ আলতাফ জানান,ভোলা একটি ছোট্ট পৌর শহরের বাচ্চাদের খুব ভালো রেজাল্ট করেছে। সবাই ভবিষ্যতে ভালো জায়গায় যাবে। তারা যেন আমাদের ছোট্ট শহরটিকে ভুলে না যায়। আমাদের শিক্ষার্থীদের স্মৃতি চারন করার মতো তেমন কিছু নেই। তারা আজীবন কন্টেকটারী,রাজনীতি, ঘুষ খোরদের ঘুষ খাওয়া দেখেছে। তাদের মধ্যে এক ধরনের বিরুপ ধারনা হতে পারে। তাই শিক্ষার্থীরা যেন ভোল স্মৃতি নিয়ে বেরে উঠে তাই তাদের জন্য এমন সুন্দর আয়োজন করার চেষ্টা করা। তারা আজীবন এই স্মৃতি টুকু মনে রাখবে। আমরা চাই ভবিষ্যতে সবাই মেধাবী জাতি গড়তে সবাই এগিয়ে আশা উচিত।

শিক্ষার্থীরা জানান, বন্ধুজন এর এই ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আমাদের আরো ভালো ফলাফল করতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। তাই এই অর্জন শিক্ষার্থীরা তাদের বাবা-মা কে উৎসর্গ করে।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 10:48:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নুসরাত ফারিয়ার ‘লাপাত্তা’ ও ‘লজ্জা’ আসছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/entertainment/119130" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/entertainment/119130</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছর &lsquo;লোকে বলে&rsquo; গান দিয়ে সংগীতাঙ্গনে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ও গায়িকা নুসরাত ফারিয়া। মেধাবী সুরকার ও সংগীত পরিচালক ফুয়াদ আল মুক্তাদিরের তত্ত্বাবধানে তৈরি ওই গানে নিজের পারফরম্যান্স ও গায়কী দিয়ে দর্শকহৃদয় জয় করেছিলেন তিনি।





সেই সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নতুন গানের পাশাপাশি অভিনয়েও পুরোদমে সময় দিচ্ছেন এই তারকা।

ওটিটিতে নতুন চমক &lsquo;লাপাত্তা&rsquo; : দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ওয়েব কনটেন্টের কাজ শুরু করেছেন ফারিয়া। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইস্ক্রিনের ব্যানারে সম্প্রতি তিনি শেষ করেছেন &lsquo;লাপাত্তা&rsquo; নামের একটি নতুন ওয়েব ফিল্মের কাজ। রোমান্টিক ও কমেডি ঘরানার এই প্রজেক্টটি খুব দ্রুতই দর্শকদের সামনে আসছে। একেবারেই ভিন্নধর্মী একটি চরিত্রে এবার দেখা মিলবে তার। আগে এমন ধরনের অভিনয়ে তাকে পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে এই কাজটি নিয়ে দারুণ আশাবাদী ফারিয়া।

বড় পর্দায় &lsquo;লজ্জা&rsquo; ও বাঁধনের সঙ্গে প্রথম জুটি : ওটিটির কাজের পাশাপাশি জাজ মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে বড় পর্দার নতুন সিনেমা &lsquo;লজ্জা&rsquo;-র শুটিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। প্রযোজক আবদুল আজিজের ভাবনা ও গল্প অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করছেন এম এইচ খোকন।



বিশেষ এই সমাজ সচেতনতামূলক সিনেমায় ফারিয়ার সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে যাচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। বাংলা চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় মুখকে এই প্রথম একই সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যাবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে ছবিটির, যার পরে এটি আইস্ক্রিন প্ল্যাটফর্মেও মুক্তি পাবে।

চলচ্চিত্রটি নিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফারিয়া জানান, &lsquo;লজ্জা&rsquo; কেবল বিনোদনমূলক ছবিই নয়, বরং এর মাধ্যমে সমাজে একটি শক্তিশালী বার্তা পৌঁছাবে। এই প্রজেক্টের চরিত্রটিতে অভিনয় করার ক্ষেত্রেও বেশ ভালো রকমের চ্যালেঞ্জ ও ভিন্নতা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

এছাড়া জাজ মাল্টিমিডিয়ার ব্যানারে খুব শীঘ্রই &lsquo;জিন-৩&rsquo; সিনেমার কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে তার বিপরীতে বড় পর্দায় দেখা যাবে অভিনেতা সজলকে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 10:46:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের জৈন্তাপুর উপজেলা সভাপতি আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119129" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119129</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিলেটের তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমেদকে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ চেকপোস্টে পৌঁছালে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর গোয়াইনঘাট থানাধীন তামাবিল পুলিশ ফাঁড়ির চার সদস্য সেখানে উপস্থিত হন। পরে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে এসআই দিদারুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে জৈন্তাপুর থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, আটক কামাল আহমেদের বিরুদ্ধে জৈন্তাপুর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি থানা হেফাজতে রয়েছেন। অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য ও মামলা যাচাই-বাছাই শেষে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 10:27:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রমেক হাসপাতালে আগুন, ৬ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119128" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119128</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনায় ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার পর স্বাভাবিক হয়েছে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের বিদ্যুৎ সরবরাহ। আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ত্রুটি মেরামত শেষে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়। তবে হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনে বিদ্যুৎ সরবরাহ এখনও স্বাভাবিক হয়নি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে হাসপাতালের প্রশাসনিক শাখা-সংলগ্ন একটি সুইচ বোর্ডে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। বিষয়টি দেখতে পেয়ে কর্তব্যরত এক নার্স ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে রংপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ ঘটনায় সুইচ বোর্ডের সার্কিট ব্রেকার ও বৈদ্যুতিক তার পুড়ে যায়। ফলে পুরো হাসপাতালের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আকস্মিক এ ঘটনায় হাসপাতালজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাময়িকভাবে চিকিৎসাসেবা গ্রহণে ভোগান্তিতে পড়েন ভর্তি রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা।

দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা প্রচেষ্টার পর দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যুতের লাইনের ত্রুটি মেরামত করা সম্ভব হয়। এরপর হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক হওয়ার পর ডায়ালাইসিস, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) এবং অন্যান্য জরুরি চিকিৎসাসেবার কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চালু হয়েছে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. কানিজ সাবিহা বলেন, প্রশাসনিক ভবনের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তাঁরা।

তিনি আরও জানান, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হলেও এতে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 10:30:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ ছন্দে বিসিবি একাদশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119127" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119127</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির (এবিজি স্পোর্টস সিটি) আধুনিক আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে শুরু থেকেই নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখেছে স্বাগতিক বিসিবি একাদশ। মারমুখী ও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সুবাদে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে তুলেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

শুরুর ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ানো : টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের একদম শুরুতে বিপদে পড়েছিল স্বাগতিকরা। পেসার জেইডেন সিলসের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ব্যক্তিগত মাত্র ৪ রান করেই এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার মাহফিজুল ইসলাম রবিন।

তবে প্রাথমিক ওই ধাক্কা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠেন অপর ওপেনার জিসান আলম ও ইফতেখার হোসেন ইফতি। দুজনে মিলে দলের স্কোরবোর্ড সচল রাখার চেষ্টা করেন। ইফতি থিতু হওয়ার চেষ্টা করলেও ৬২ বলে ১৮ রান করে অভিজ্ঞ স্পিনার জোমেল ওয়ারিকানের ঘূর্ণিতে পরাস্ত হন।

জিসানের আক্ষেপ ও অলিনের সেঞ্চুরি : একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ আগ্রাসী ভঙ্গিতে খেলতে থাকা জিসান আলম সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে আর মাত্র ১৪ রান বাকি থাকতে জোশুয়া বিশপের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

১০০ বলের মোকাবিলায় ১১টি চার ও দুটি ছক্কার মায়াবী ইনিংসে তিনি উপহার দেন ৮৬ রানের মহামূল্যবান একটি ইনিংস।

জিসানের বিদায়ের পর দলের রান বাড়ানোর মূল দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন কালাম সিদ্দিকী অলিন। মিডল অর্ডারে জাকের আলী অনিকের সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে নিরাপদ দূরত্বে নিয়ে যান তিনি। জাকের ৪৮ বলে ৩০ রান করে আউট হলেও নিজের স্বভাবসুলভ সাবলীল ব্যাটিং ধরে রাখেন কালাম।

ক্যারিবীয় বোলারদের পাত্তাই না দিয়ে ১৬৩ বল খেলে টেস্ট মেজাজে নিজের ক্যারিয়ারের দুর্দান্ত একটি সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ব্যাটার। দিন শেষে ১৬টি দারুণ চারের মারে ১১১ রান নিয়ে অপরাজিত রয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে ক্রিজে থাকা চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান ৭৭ বলের মোকাবেলায় ২৭ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। ৭৭ ওভারের খেলা শেষে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ২৭০ রান সংগ্রহ করে শক্ত অবস্থানে রয়েছে বিসিবি একাদশ।

ক্যারিবিয়ান বোলারদের পারফরম্যান্স : বিসিবি একাদশের ব্যাটারদের প্রতিরোধ ভাঙতে বেশ ঘাম ঝরাতে হয়েছে সফরকারী বোলারদের। ক্যারিবীয় শিবিরের সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন জোশুয়া বিশপ; তিনি ২৩ ওভার বল করে ৮৭ খরচে শিকার করেছেন ২টি উইকেট। এ ছাড়া জেইডেন সিলস ও জোমেল ওয়ারিকান একটি করে উইকেট নিজের ঝুলিতে পুরেছেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড

বিসিবি একাদশ (প্রথম ইনিংস): ২৮৪/৪ (৭৮ ওভার)

কালাম সিদ্দিকী: ১১১* (অপরাজিত)

জিশান আলম: ৮৬

জাকের আলী: ৩০

চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান: ৩০* (অপরাজিত)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলিং:

জোশুয়া বিশপ: ২/৮৭ (২৩ ওভার)

জেইডেন সিলস: ১/২১

জোমেল ওয়ারিকান: ১/৬১

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 10:11:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নভেম্বরে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতিতে ‘ইন্ডিয়া’ জোট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119126" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119126</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নে বিরোধীদের এই আন্দোলন এবং ১ নভেম্বরের ঘোষিত কর্মসূচি আসন্ন শীতকালীন সংসদীয় অধিবেশনে বড় ধরনের রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে এবার আরও জোরালো ও দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে চলেছে বিরোধী দলগুলোর মঞ্চ &lsquo;ইন্ডিয়া&rsquo;। উৎসবের মৌসুমে মাঠের কর্মসূচি কিছুটা শ্লথ হলেও বিরোধীরা যে তাদের অবস্থান থেকে একচুলও নড়ছে না, তা পরিষ্কার হয়ে গেছে। আগামী দিনে সরকারের ওপর চাপ দ্বিগুণ করতে বিশেষ কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে সমমনা দলগুলো।

ভার্চুয়াল বৈঠকে বসছেন জোটের শীর্ষ নেতারা : ছুটি ও উৎসবের আমেজ কাটতে না কাটতেই আন্দোলনের পরবর্তী অধ্যায় কেমন হবে, তা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার কথা রয়েছে বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতাদের।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের উদ্যোগে আয়োজিত এই ভার্চুয়াল বৈঠকে আগামী নভেম্বরের আন্দোলন কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হতে পারে। নির্বাচন পরিচালনা পর্ষদের নিরপেক্ষতা নিয়ে যেসব প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা, তা এদিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।

পহেলা নভেম্বর দিল্লির রাজপথে বড় জমায়েত : নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তার পদত্যাগের দাবিকে সামনে রেখে আগামী পহেলা নভেম্বর রাজধানী দিল্লিতে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে বিরোধী শিবির।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, দিল্লির ঐতিহ্যবাহী রামলীলা ময়দান থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশনের মূল কার্যালয় পর্যন্ত মার্চ করার কথা রয়েছে। আজকের বৈঠকে এই কর্মসূচি সফল করার পাশাপাশি দেশজুড়ে আন্দোলনের পরিধি কীভাবে বিস্তার লাভ করবে, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

অনড় অবস্থানে কংগ্রেস ও বাম নেতৃত্ব : লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এর আগেই স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, কাঙ্ক্ষিত দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই থামবে না। কংগ্রেস নেতৃত্ব এই আন্দোলনে তাদের অনমনীয় মনোভাব বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।

অন্যদিকে, সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবিও জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে একাধিক বিকল্প কৌশল নিয়ে ভেতরে ভেতরে আলোচনা চলছে। দিল্লিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সফল মিছিলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আন্দোলনকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখতে এবং সরকারের ওপর বহুমুখী চাপ বজায় রাখতে সমমনা দলগুলো একসঙ্গেই পথ চলতে চায়।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে কেন্দ্র ও বিরোধীদের এই সংঘাত আগামী দিনে ভারতীয় রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সংসদের অন্দরের পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলন&mdash;উভয় মাধ্যমকেই সমানভাবে কাজে লাগিয়ে বিরোধী জোট তাদের চাপ অব্যাহত রাখার কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 10:03:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চিকিৎসক সংকট ও তদারকির অভাবে অকেজো বেলকা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119125" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119125</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি চিকিৎসক সংকট, তদারকির অভাব এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের উদাসীনতার কারণে অকেজো হয়ে পড়েছে। ফলে দরিদ্র মানষের চিকিৎসাসেবা চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে। এক সময় স্থানীয় মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল ছিল বেলকা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। তবে বর্তমানে কেন্দ্রটির অবকাঠামো ও সেবার মান নিয়ে মারাত্মক প্রশ্ন উঠেছে।

শুধু বেলকা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র নয়, উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ৭টি উপ- স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ৬২টি কমিউনিটি ক্লিনিকে নামে মাত্র চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে যে সকল কর্মী দায়িত্বে রয়েছে, অন্যান্য পদ শূন্য থাকার অজুহাতে তারাও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে না। এমন কি স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো সময়মত খোলা হচ্ছে না।

চারপাশে ঝোপঝাড়, ভবনের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা এবং ভেতরে পোকামাকড়ের নিরাপদ আবাসনস্থলে পরিণত হয়েছে। সব মিলিয়ে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে চিকিৎসা নেওয়ার মতো পরিবেশ নেই বললেই চলে। সরকারি অর্থায়নে নির্মিত ভবনটি দীর্ঘদিনের অবহেলায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। অথচ এটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ে না বলে অভিযোগ স্থানীয় মানুষের। ফলে সেবা নিতে এসে প্রতিদিন অনেক মানুষকে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানা যায়, উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৮টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ৭টি উপ- স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ৬২টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে।

এছাড়া ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ১৩৬টি পদ শূন্য রয়েছে। ১৫টি ইউনিয়নের জন্য ১৫ জন মেডিকেল অফিসার বা সহকারী সার্জনের পদ এবং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ১৫টি ইউনিয়নে ১৭ জন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের পদ রয়েছে। পাশাপাশি একটি অ্যাম্বুলেন্সচালকের পদও অনুমোদিত। তবে এসব পদে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। চিকিৎসক ও জনবলসংকটে অস্ত্রোপচারসহ বিভিন্ন সেবা বন্ধ থাকায় অনেক মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জাম অব্যবহৃত অবস্থায় নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

উপজেলার বেলকা বাজারের মো. সুমন মিয়া বলেন, বেলকা উপ- স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির অবস্থা দেখে মনে হয়, এটি দেখাশোনা করার কেউ নেই। সপ্তাহে এক-দুই দিন খোলে, তাও মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য। একজন পুরুষ ও একজন নারী কর্মী রয়েছে। উপ- স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বারান্দায় খড়ের স্তুপ, সামনে কাঁকড়া গাড়ি, মাইক্রোবাস, ট্রলি, ভটভটি ও ডেকোরেটরের বাঁশ ফেলে রাখা হয়েছে। চারপাশে ঝোপঝাড় আর ভেতরে পোকামাকড়ের বাসা। এমন পরিবেশে চিকিৎসা নেওয়া অসম্ভব।

বেলকা চর এলাকার আসমা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিন দিন ধরে ঔধধের জন্য ঘুরছি। এসে দেখি ডাক্তার নেই। আগে সব সময় ঔষধ পাওয়া যেত। এখন হাসপাতালে ঢুকলে মনে হয় অনেক দিন ধরে এখানে কেউ আসে না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক স্কুলশিক্ষক বলেন, বেলকা রাজনৈতিকভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। বড় বড় নেতা থাকলেও স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির এ দুরাবস্থা নিয়ে কেউ কথা বলেন না। সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

বেলকা উপ- স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ১১টি পদ থাকলেও বর্তমানে দায়িত্বে নেই কেউ। একজন ফার্মাসিস্ট অন্য উপ- স্বাস্থ্য কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এখানে সপ্তাহে দুদিন বসে। উপ- স্বাস্থ্য কেন্দ্রের

দায়িত্বে থাকা ফার্মাসিস্ট মো. ফখরুল ছায়াম বলেন, আমাকে একাধিক জায়গায় দায়িত্ব পালন করতে হয়। এখানে সপ্তাহে দুই দিন ঔষধ বিতরণ করা হয়। পরিচ্ছন্ন কর্মী না থাকায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সম্ভব হয় না। স্থানীয়দের আন্তরিকতার অভাবেই আশপাশের পরিবেশ এমন হয়েছে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড. মো. কামরুল হাসান বলেন, নিয়মিত অফিস খোলা না থাকলে বা তদারকি না হলে একা আমার পক্ষে সব সামলানো সম্ভব নয়। স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির এমন অবস্থার পেছনে স্থানীয়দের অসচেতনতাও দায়ী। তবে চিকিৎসক ও জনবলসংকটের বিষয়টি সত্য। আশপাশের পরিবেশ ভালো রাখতে স্থানীয় মানুষের সহযোগিতার বিকল্প নেই।

সকলে মনে করছে, নিয়মিত তদারকি, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জোরদার করা গেলে বেলকা উপ- স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি আবারও চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে সাধারণ মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:59:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘আগামী তিন দশকেও দিল্লির মসনদে ফিরতে পারবে না কংগ্রেস’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119124" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119124</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের রাজনীতিতে আগামী ত্রিশ বছরও কংগ্রেস দলের পুনরুত্থানের কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি বিরোধীদের পক্ষ থেকে তোলা &lsquo;ভোটচুরি&rsquo;র অভিযোগকে একপ্রকার হারের গ্লানি ঢাকার খোঁড়া অজুহাত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার নিজের ৬২তম জন্মদিনে রাজধানী দিল্লিতে যমুনা নদী দূষণমুক্ত করার বিশাল অংকের এক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে একহাত নেন বিজেপির এই শীর্ষ নেতা। একইসঙ্গে রাহুলের নিয়মিত বিদেশ সফর নিয়েও কড়া ভাষায় কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি।

দিল্লির যমুনা পরিচ্ছন্নতা মিশন উপলক্ষে প্রায় নয় হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্পের সূচনা করেন অমিত শাহ। ওই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে তিনি বলেন, দীর্ঘ মেয়াদেও কংগ্রেসের ক্ষমতার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া (এসআইআর) বাতিলের দাবিতে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেসসহ &lsquo;ইন্ডিয়া&rsquo; জোটের আন্দোলনকে খুব একটা পাত্তা দিতে নারাজ গেরুয়া শিবির। উৎসবমুখর পরিবেশের কারণে বিরোধীদের মাঠের কর্মসূচি খানিকটা স্তিমিত হলেও এই সুযোগে রাহুল গান্ধীর বিদেশ ভ্রমণকে হাতিয়ার করে আসরে নেমেছেন শাহ।

কিছুদিন আগেই বিজেপির তরফ থেকে সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছিল যে, আন্দোলন চলমান রেখেই রাহুল চার দিনের এক সফরে ভিয়েতনামে উড়ে গেছেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে শাহ জন্মদিনের মঞ্চ থেকে মন্তব্য করেন, বিরোধী নেতার হয়তো এই বক্তব্য এখন শোনার সুযোগ নেই, কারণ তিনি আবারও দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

তার ভাষায়, ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ না করলেও দিল্লি ফিরে আসার পর যেন এই রাজনৈতিক বাস্তবকথাটি মাথায় রাখেন রাহুল।

বিজেপির লাগাতার জয়ের ধারাকে হজম করতে না পেরেই বিরোধীরা এখন &lsquo;ভোটচুরি&rsquo;র বয়ান তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার দাবি, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই রাহুল গান্ধী ও তাঁর দল নির্বাচন কমিশন ও ভোটার তালিকা নিয়ে অযৌক্তিক বিতর্ক তৈরি করছে।

নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনেক আগ থেকেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক ও জনসমর্থন তলানিতে ঠেকেছে বলে পরিসংখ্যান টেনে মনে করিয়ে দেন শাহ। কেবল রাজপথে শোরগোল তুলে বা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে জনমতের রায় বদলানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের মাটি কামড়ে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন বলেই তিনি রাজনৈতিক সমীকরণ ও নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে এত নিশ্চিত ভবিষ্যৎবাণী করতে পারেন, যার জন্য তাঁকে বারবার ভিনদেশে পাড়ি জমাতে হয় না। রাহুলের পাশাপাশি অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির (আপ) কার্যপদ্ধতি নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:57:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কোমোর কাছে ইউনাইটেডের বড় বিপর্যয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119123" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119123</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম কালো রাত পার করল ঐতিহ্যবাহী ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ইতালির ক্লাব কমোর বিপক্ষে চার-এক গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরে মাঠ ছেড়েছে রেড ডেভিলরা। এর আগে আরবি লিপজিগকে ঠিক একই ব্যবধানে উড়িয়ে দেওয়া কোমো এই ম্যাচেও নিজেদের শক্তির জোরালো প্রমাণ দিল।

এই বড় হারের পর প্রধান কোচ মাইকেল ক্যারিকের কোচিং ক্যারিয়ার ও ওল্ড ট্রাফোর্ডে তার টিকে থাকা নিয়ে প্রশ্ন আরও তীব্র হয়েছে।

ম্যাচের বাঁশি বাজার পর থেকেই সেস ফেব্রিগাসের শিষ্যরা খেলার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয়। গত সপ্তাহে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে প্রথম মিনিটেই গোল হজম করার ধাক্কা পুরোপুরি কাটতে না কাটতে, কোমো ম্যাচের ঠিক ১১৮ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে বসে।

এর মধ্য দিয়ে প্রথম কোনো ইংলিশ ক্লাব হিসেবে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের পরপর দুই ম্যাচে খেলার প্রথম দুই মিনিটের মধ্যে গোল খাওয়ার লজ্জাজনক রেকর্ড গড়েছে ইউনাইটেড।

ইতালিয়ান ক্লাব কোমোর বিপক্ষে চার-এক গোলের এই বড় হারের পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ডাগআউটে কোচ মাইকেল ক্যারিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২০০৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড যখন ইউরোপসেরার মুকুট পরেছিল, তখন আজকের প্রতিপক্ষ কোমো ইতালির ঘরোয়া ফুটবলের চতুর্থ বিভাগ বা সেরি ডি-তে সংগ্রাম করছিল। দুই দলের অতীত অবস্থান এবং বর্তমান সময়ের পারফরম্যান্সের ব্যবধান কতটা বিস্তর, এই ম্যাচটি ছিল তারই এক প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই পুরো খেলার দৃশ্যপট নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় কোমো। দলটির প্রতিভাবান আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার নিকো পাজ জোড়া গোল করার পাশাপাশি সতীর্থ তাসোস ডুভিকাসের গোলে দারুণ এক অ্যাসিস্টও করেন। এরপর জাকোব রামোনের নিখুঁত হেডারে স্কোরবোর্ডে চতুর্থ গোল জমা হয়। ১৯৬৪ সালে পর্তুগিজ দল স্পোর্টিং সিপির বিপক্ষে পাঁচ-শূন্য গোলের হারের লজ্জাজনক ক্লাব রেকর্ডটি এই ম্যাচে ভেঙে যাওয়ার একটি শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।

দলের এমন বেহাল দশা দেখে কোচ ক্যারিক বিরতির আগেই ডাগআউটে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নেন। প্রায় ১১০ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে দলে ভেড়ানো দুই তারকা ম্যাথিউস কুনিয়া এবং আন্দ্রেই সান্তোসকে প্রথমার্ধ শেষেই বেঞ্চে ফিরিয়ে নেন তিনি। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের মাঝপথে দলীয় অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজকেও তুলে নেওয়া হয়, যার জায়গায় মাঠে নামেন ফরোয়ার্ড জশুয়া জিরকজি।

খেলার একদম শেষ মুহূর্তে বদলি খেলোয়াড় আমাদ দিয়ালোর বাড়ানো দারুণ একটি ক্রসে অফসাইডের ফাঁদ ভেদ করে কেবল ব্যবধানই কমাতে পেরেছেন জিরকজি, যা ম্যাচের সামগ্রিক হতাশা কাটাতে কোনো ভূমিকা রাখেনি।

শেষ বাঁশির পর স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে উপস্থিত ক্ষুব্ধ সমর্থকদের দিকে তাকিয়ে নিজের হতাশা গোপন করতে পারেননি কোচ মাইকেল ক্যারিক। খেলোয়াড়দের পাশ কাটিয়ে একা দাঁড়িয়ে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হাতজোড় করে তাঁর ক্ষমা চাওয়ার দৃশ্যটি ২০২১ সালের নভেম্বরে ওয়াটফোর্ডের কাছে চার-এক গোলের হারের পর ওলে গুনার সোলশারের বিদায়লগ্নের স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।

ঠিক একদিনের মাথাতেই চাকরি হারাতে হয়েছিল সোলশারকে, এখন ক্যারিকের ভাগ্যেও একই পরিণতি নেমে আসে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:52:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বোরকা পরে বোমা বিস্ফোরণ ও হামলা,গণপিটুনিতে নিহত ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119122" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119122</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় বোরকা পরে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে চার যুবকের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাইজুল মাদারীপুর সদর উপজেলার কুলপদ্দি এলাকার রুস্তম সরদারের ছেলে।

এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজনের ধাওয়া ও মারধরে তাইজুল সরদার (২৬) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও চারজন। তাদের মধ্যে দুই ভাই মহাসিন ও জহির চৌকিদারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত তাইজুল আলীনগর ইউনিয়নের মানিক সরদার হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে কালিগঞ্জ বাজারের হানিফের চায়ের দোকানের সামনে অটোরিকশা থেকে বোরকা পরা চার যুবক নেমে পরপর তিনটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। এরপর তারা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিলন সরদার এবং মহাসিন ও জহির চৌকিদারের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান। এতে কয়েকজন আহত হন।

পরে স্থানীয় লোকজন হামলাকারীদের ধাওয়া করলে তিনজন পালিয়ে যান। তাইজুলকে আটক করে মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হয়ে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, হামলায় আহত মহাসিন ও জহির চৌকিদার আপন দুই ভাই। তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে জহিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

স্থানীয় দফাদার ও বাজার কমিটির সভাপতি ফিরোজ সরদার বলেন, &ldquo;দোকানের সামনে চারজনকে বোরকা পরা অবস্থায় দেখে প্রথমে ভেবেছিলাম, তারা নারী ও ভিক্ষা করতে এসেছেন। অটোরিকশা থেকে নেমেই তারা তিনটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটান। একটি বোমার বিস্ফোরণে প্রচুর ধোঁয়া সৃষ্টি হয়ে চারপাশ অন্ধকার হয়ে যায়। এরপর তারা জহিরকে কোপাতে শুরু করেন। মিলন চেয়ারম্যান তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার শরীরেও রক্ত লাগে। পরে মহাসিনের ওপর হামলা চালানো হয়। স্থানীয়রা ধাওয়া করলে তিনজন পালিয়ে যায়। তাইজুলকে আটক করার পর মারধরে তিনি গুরুতর আহত হন।&rdquo;

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক দিন ধরে অন্য এলাকা থেকে আসা কয়েকজন কালিগঞ্জে চাঁদাবাজি, মামলা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এসব ঘটনা ঠেকাতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সকালে সাবেক চেয়ারম্যান মিলন সরদার তার লোকজন নিয়ে কালিগঞ্জ বাজারের হানিফের চায়ের দোকানে বসে চা পান করছিলেন। এ সময় বোরকা পরিহিত চারজন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলাকারীদের মধ্যে নিহত তাইজুল, সাইফুল ও আলামিন- এই তিনজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মহাসিন ও জহিরের সঙ্গে তাইজুলের হাতাহাতি হয়। পরে তাইজুল পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় লোকজন তাকে ধাওয়া করে আটক করেন এবং মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:36:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘ইরান একটি প্রাচীন ও গর্বিত সভ্যতা, কোনো শক্তির কাছে কখনোই নতজানু হবে না’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119121" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119121</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আমেরিকার সঙ্গে সম্মানজনক ও সমতার ভিত্তিতে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি কড়া বার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এ প্রকাশিত এক মতামত কলামে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, কূটনীতির পথ ছেড়ে তেহরানের ওপর নতুন করে কোনো সামরিক চাপ প্রয়োগ করা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বড় ধরনের কৌশলগত বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে।

আব্বাস আরাকচি তার নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন যে, ওয়াশিংটনকে স্থায়ীভাবে শত্রুতা ও আগ্রাসী মনোভাব বাদ দিয়ে সত্যিকার সদিচ্ছার প্রমাণ দিতে হবে। প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সভ্যতার দেশ ইরান কোনো পরাশক্তির সামনে কখনো মাথা নত করবে না উল্লেখ করে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, নিজেদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরান সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে।

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির এই কড়া বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে সামরিক আগ্রাসনের ক্ষেত্রে বড় বিপর্যয়ের হুঁশিয়ারি এবং অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার সাত দিনের প্রস্তাব&mdash;উভয় মিলিয়ে তেহরান কূটনৈতিক ও কঠোর অবস্থান&mdash;উভয় পথই একসঙ্গে খোলা রাখছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোলা রাখার কথা বলা হলেও যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার মতো সামরিক প্রস্তুতিও যে তাদের রয়েছে, সে বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী মনোভাব প্রকাশ করেছেন দেশটির এই শীর্ষ কূটনীতিক।

গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে (জুন ২০২৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এবং চলতি বছরের জুন মাস) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে যে হামলাগুলো চালিয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন আরাকচি। বিশেষ করে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে সম্পূর্ণ ভুল মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে আগ্রাসন চালিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।

যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ঠিক আগমুহূর্তেও হামলার ঘটনা ঘটার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন রাখেন যে, এমন পরিস্থিতিতে তেহরান কীভাবে ওয়াশিংটনের নীতি বা প্রেসিডেন্টকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করবে? মার্কিন প্রশাসনের শান্তি আলোচনার সদিচ্ছার ওপর যে তাদের গভীর অনাস্থা রয়েছে, তাও তিনি খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছেন।

এতসব তিক্ততা ও উদ্বেগের মধ্যেও আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়নি তেহরান। কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে শেষবারের মতো আরেকটি সুযোগ দিতে ইচ্ছুক ইরান। সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে মধ্যস্থতাকারীদের মারফত ওয়াশিংটনের কাছে সাত দিনের একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বা পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন আরাকচি।

এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নৌপথ পুনরায় সচল করা।

প্রস্তাবিত এই কর্মপরিকল্পনার ষষ্ঠ দিনে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় সপ্তম দিনে চূড়ান্ত চুক্তির ওপর নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। এই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে গোটা অঞ্চলের দৈনন্দিন গতিশীলতা ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলে আশাবাদী তেহরান।

তবে অঞ্চলটিতে নতুন করে যেকোনো সামরিক সংঘাত ঘটলে তা কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেই নয়, বরং গোটা বিশ্বের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে চরম হুমকির মুখে ফেলে দেবে বলে কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:32:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৮ শতাধিক মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিলো সেনাজোন ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119120" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119120</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পাহাড়ে নিম্ম আয়ের ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করণে লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী মাটিরাঙ্গা জোনের আওতাধীন এলাকায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মাটিরাঙা সেনা জোনের আওতাধীন বাইল্যাছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পে চক্ষু, মেডিসিন, গাইনী, সার্জারী, ডায়াবেটিস ও অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।

ঢাকা থেকে আসা চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা: আব্দুল জলিল, গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা: কামরুন্নাহার ডলি, সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা: নার্গিস আক্তার, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: মেজর রায়হান, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: ক্যাপ্টেন রাফিউল, ডায়াবেটিস, অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগন রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।

মাটিরাঙা সেনা জোনের উদ্যাগে পৌরসভা ও সদর ইউনিয়ন এবং বাইল্যাছড়ি রাবার বাগান এলাকার অসহায় দুঃস্থ প্রায় ৭ শতাধিক পাহাড়ী-বাঙালি মানুষের মাঝে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শসহ ওষুধ বিতরন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, মাটিরাঙ্গা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর আলতাফ মাহমুদ রুবেল পিএসসি পিএসসি, মাটিরাঙ্গা জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার জেডএসও মেজর মো.সামিউল হক,সহ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা বিভিন্ন জায়গা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী, গণমাধ্যমকর্মীরা।

মাটিরাঙ্গা সেনা জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মাসুদ খাঁন পিএসসি বলেন, &ldquo;বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং অসহায় ও দুস্থ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্বের অংশ। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কেউ যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই এ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:28:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা,অন্য নারীকে নিয়ে স্বামীর পলায়ন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119119" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119119</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুরের ডাসারে স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় পুতুল সমাদ্দার (৫২) নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার ডাসার ইউনিয়নের ধামুসা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী অরুণ সমাদ্দার ও সারথী দে নামে এক নারীর পলাতক থাকার কথা জানিয়েছে স্থানীয়রা।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অরুণ সমাদ্দারের সঙ্গে একই এলাকার সারথী দে নামে এক গৃহবধূর দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিস-মীমাংসাও হয়েছে। তবে তাতেও বিরোধের সমাধান হয়নি বলে দাবি পরিবারের।

বৃহস্পতিবার ভোরে এ বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রান্নাঘরে তাঁদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এ সময় পুতুল চিৎকার করলে তাঁর চিৎকার শুনে অরুণের বড় বোন পুষ্প দাস সেখানে ছুটে যান। পরে তিনি পুতুলকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন বলে জানা গেছে। ঘটনার পর অরুণ সমাদ্দার সেখান থেকে পালিয়ে যান।

নিহত পুতুল সমাদ্দার ধামুসা গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত পুলিন নাগের মেয়ে। অভিযুক্ত অরুণ সমাদ্দার একই গ্রামের মৃত জিতেন সমাদ্দারের ছেলে। তাঁদের এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।

নিহতের বড় বোন পুষ্পা রাণী অভিযোগ করে বলেন, &lsquo;আমার বোনজামাই অরুণের চরিত্র ভালো ছিল না। একই এলাকার সারথী নামে এক গৃহবধূর সঙ্গে তাঁর পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এমনকি ওই নারীকে বাড়িতেও নিয়ে আসতেন। এ নিয়ে আমার বোন প্রায়ই প্রতিবাদ করতেন। সেই বিরোধের জেরেই আমার বোনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। আমি অরুণ ও তাঁর কথিত পরকীয়া প্রেমিকার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।&rsquo;

ডাসার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য গৌতম সরকার বলেন, পরকীয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী ও অভিযুক্ত নারী পলাতক রয়েছেন বলে তিনি জানান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ডাসার থানার ওসি সোলাইমান মাহমুদ বলেন, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে পুতুল সমাদ্দারের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং এটি হত্যাকাণ্ড কি না, তা ময়নাতদন্ত ও পুলিশের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:24:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে আরনো জ্যাকবসের আম্পায়ার হিসেবে অভিষেক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119118" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119118</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গবেরহায় অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টে মাঠের আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে টেস্ট আঙিনায় অভিষেক ঘটেছে আরনো জ্যাকবসের। আইসিসির প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী কোনো নিরপেক্ষ দেশের বাইরের বা প্রতিদ্বন্দী দুই দেশের মধ্য থেকে অন-ফিল্ড আম্পায়ার দেওয়ার সুযোগ না থাকলেও, একটি বিশেষ পরিস্থিতির কারণে এই নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটেছে।

অভিষেকের নেপথ্যের প্রেক্ষাপট
মূলত নিউজিল্যান্ডের অভিজ্ঞ আম্পায়ার ক্রিস গ্যাফানির হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়াটাই এই পরিবর্তনের মূল কারণ। ইংল্যান্ডের রিচার্ড ইলিংওয়ার্থের সঙ্গে মাঠে খেলা পরিচালনা করার কথা ছিল গ্যাফানির। কিন্তু স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস চলাকালে, ঠিক ৭৬তম ওভারে এসে তিনি অসুস্থ হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন।


দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্টে স্বাগতিক দেশের আম্পায়ার আরনো জ্যাকবসের অন-ফিল্ড দায়িত্ব পালন নিয়ে ক্রিকেট মহলে বেশ আলোচনা তৈরি হয়েছে। আইসিসির নিরপেক্ষতার নিয়ম ভেঙে জ্যাকবসের এই অভিষেক এবং এর পেছনে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা না দেওয়ায় ক্রিকেটপ্রেমী ও বিশ্লেষকদের মাঝে কৌতূহল ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।


শুরুতে এই ম্যাচে চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে যুক্ত ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় নাগরিক আরনো জ্যাকবস। আর টিভি আম্পায়ারের দায়িত্বে ছিলেন ইংলিশ আম্পায়ার রিচার্ড কেটেলবোরো। সাধারণত এমন জরুরি মুহূর্তে টিভি আম্পায়ারের মাঠে দায়িত্ব নেওয়ার এবং চতুর্থ আম্পায়ারের টিভি বক্সে যাওয়ার কথা থাকলেও, বাস্তবে জ্যাকবস সরাসরি অন-ফিল্ড আম্পায়ারের ভূমিকা নেন এবং কেটেলবোরো তার পূর্বের টিভি আম্পায়ার হিসেবেই বহাল থাকেন। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তের পেছনের সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা মেলেনি।

আইসিসির আইন ও জ্যাকবসের পূর্ব অভিজ্ঞতা
আইসিসির টেস্ট প্লেয়িং কন্ডিশনের ২.১.৪ ধারা অনুযায়ী, অন-ফিল্ডের দুই আম্পায়ারকেই অবশ্যই অংশগ্রহণকারী দুই দেশের নাগরিক হওয়ার বাইরে বা নিরপেক্ষ দেশ থেকে হতে হয়। তবে জরুরি অবস্থা ও ইনজুরির মতো ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে আম্পায়ার বদলানোর আইনি সুযোগও রাখা হয়েছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন উঠেছিল যে, আগে কখনোই টিভি আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন না করার কারণেই জ্যাকবসকে সরাসরি সেই ভূমিকায় রাখা হয়নি। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তথ্যটি সঠিক নয়; এর আগে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনটি ম্যাচে টিভি আম্পায়ার হিসেবে কাজ করার পূর্বঅভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর, যার মধ্যে রয়েছে দুটি পুরুষ টি-টোয়েন্টি ও একটি নারী ওয়ানডে ম্যাচ।

ক্রিকেটার থেকে আম্পায়ার
মাঠের বাইরের এই নতুন দায়িত্বে আসা জ্যাকবসের রয়েছে সমৃদ্ধ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার ক্যারিয়ার। ১৪৪টি ম্যাচ খেলে তিনি ১৭টি সেঞ্চুরির সাহায্যে মোট ৮৪৯২ রান সংগ্রহ করেছিলেন। এ ছাড়া লিস্ট &lsquo;এ&rsquo; ফরম্যাটেও ১৬৪ ম্যাচে তাঁর ব্যাটিং গড় ছিল ৩৩.১১।

কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, টেস্ট ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবে অভিষিক্ত হওয়া জ্যাকবস অতীতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটার সিমন হারমারের সঙ্গে একই দলে খেলেছেন। সাবেক সেই সতীর্থ এখন ভিন্ন দুই ভূমিকায় এই ম্যাচের অংশ হয়ে আছেন।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:17:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাজেকে অবরোধকারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119117" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119117</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাঙামাটির সাজেকে তৃতীয় দফায় ইউপিডিএফ নিয়ন্ত্রিত দুই সংগঠনের অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের গোলাগুলি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সাজেকের উজোবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। পরে সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে আটকে পড়া প্রায় চার হাজার পর্যটককে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয়।

অবরোধের কারণে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র দ্বিতীয় দফায় সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। আজ সকাল ৬টা থেকে দীঘিনালার জোড়াব্রিজ থেকে সাজেক ভ্যালি পর্যন্ত সড়কে অনির্দিষ্টকালের এ অবরোধ শুরু হয়। সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছ ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেন অবরোধকারীরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাজেক থেকে ফেরার পথে পর্যটকদের বহর উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে অবরোধকারীদের সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এ সময় গোলাগুলি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থায় আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

দুর্গাপূজার টানা ছুটির মধ্যে অবরোধের কারণে সাজেকের পর্যটন খাতে মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজগুলোতে শতভাগ আগাম বুকিং থাকলেও পরিস্থিতির কারণে সেসব বুকিং বাতিল করতে হয়েছে। এতে পর্যটনসংশ্লিষ্ট সব খাত মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় এক কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা।

মূলত তিন দফা দাবি এবং জেএসএসের সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র তৎপরতা ও উৎপাতের প্রতিবাদে তৃতীয় দফায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে &lsquo;সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি&rsquo; ও &lsquo;সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন&rsquo;। সংগঠন দুটির পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দীঘিনালার জোড়াব্রিজ থেকে সাজেক ভ্যালি পর্যন্ত সড়কের উজোবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে অবরোধ করা হয়।

এর আগে, গত ১১ ও ১৫ অক্টোবর দুই দফায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ শুরু করে সংগঠন দুটি। দুর্গাপূজা উপলক্ষে গত ১৬ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল। একই সময়ে গত ১১ অক্টোবর দেওয়া সাজেক পর্যটনকেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করেন জেলা প্রশাসক। পাঁচ দিনের বিরতি শেষে বৃহস্পতিবার থেকে আবারও অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব গণমাধ্যমকে বলেন, &lsquo;থেমে থেমে গোলাগুলির খবর পেয়েছি। তবে পর্যটকরা নিরাপদে সাজেক ছেড়েছে।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:18:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রেকর্ড অংশগ্রহণ সত্ত্বেও রয়ে গেছে বৈষম্য ও আয়োজনের নানা সংকট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119116" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sports/119116</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে দেশের শাটলারদের সবচেয়ে বড় লড়াই&mdash;৪০তম জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ। শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই প্রতিযোগিতায় অবশ্য দেখা যাবে না গতবারের শিরোপাজয়ী তারকা খন্দকার আব্দুস সোয়াদকে। ইনজুরির কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ আসর থেকে ছিটকে গেছেন তিনি।

অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ ও নারী শাটলারদের সমীকরণ : এবারের আসরে বিভিন্ন জেলা, বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থা মিলিয়ে মোট ৮৮টি দল অংশ নিচ্ছে। টুর্নামেন্টের সার্বিক পরিসংখ্যানে খেলোয়াড়দের উপস্থিতি বেশ চোখে পড়ার মতো হলেও নারী ও পুরুষের অংশগ্রহণে রয়েছে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। প্রতিযোগিতায় যেখানে ৫৩৫ জন পুরুষ শাটলার অংশ নিচ্ছেন, সেখানে নারী প্রতিযোগীর সংখ্যা মাত্র ৮১ জন।

প্রাইজমানির বৈষম্য : অংশগ্রহণের মতো পুরস্কারের অঙ্কেও নারী ও পুরুষ শাটলারদের মাঝে স্পষ্ট বিভাজন বজায় রয়েছে। পুরুষ একক ও দ্বৈত ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ যথাক্রমে ১ লাখ ৪০ হাজার এবং ১ লাখ টাকা পুরস্কার পেলেও নারীদের ক্ষেত্রে তা নামিয়ে আনা হয়েছে যথাক্রমে ১ লাখ ও ৬০ হাজার টাকায়।

এ প্রসঙ্গে ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক জাতীয় চ্যাম্পিয়ন এলিনা সুলতানা জানান, জাতীয় পর্যায়ে নারীদের উপস্থিতি সাধারণত একশোর কাছাকাছি ঘোরাফেরা করে।

ব্যাডমিন্টনে অতীতে কোনো প্রাইজমানি না থাকলেও গত আসর থেকে বড় অংকের পুরস্কার চালু হয়েছে এবং এই ধারা বজায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও নারী-পুরুষের পুরস্কারের পরিমাণে ব্যবধান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি ভবিষ্যতে এই ব্যবধান ঘুচে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইনডোরের পুরনো জটিলতা ও প্রস্তুতি : শহীদ তাজউদ্দিন ইনডোরে ব্যাডমিন্টন বা টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা মানেই বিদ্যুৎ ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তি। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসিবুর রহমান শাকিল জানান, আলোর স্বল্পতার বিষয়টি গতকালই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সমাধান করেছে। তবে এসির সমস্যা দীর্ঘদিনের উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে একটি সেন্ট্রাল এসি সিস্টেমের বড় প্রয়োজন রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে নির্ধারিত আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আগেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এই সংকট দূর করার জোরালো আশ্বাস দিয়েছেন।

বাজেট, স্পন্সর ও পুরস্কার নিয়ে আলোচনা : সব ইভেন্ট মিলিয়ে এবারের প্রতিযোগিতায় মোট পুরস্কারের পরিমাণ ১০ লাখ টাকা। এর মধ্যে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের জন্য রাখা হয়েছে একটি ইলেকট্রনিক বাইক।

খেলোয়াড়দের মাঝে বাইক বিতরণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সাধারণ সম্পাদকের ভাষ্য, এটি সম্পূর্ণ স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের সৌজন্যে প্রদান করা হচ্ছে। তবে বাইক চালানোর ক্ষেত্রে গতির উন্মাদনা ও দুর্ঘটনা এড়াতে ক্রীড়াবিদদের বিশেষভাবে সতর্ক করা হবে।

এবারের আসরে বেশ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা মিললেও খরচের মাত্রা বেশ চওড়া। শাটলার ও সংশ্লিষ্টদের সংখ্যা প্রায় ছয়শ ছাড়িয়ে যাওয়ায় এটি অতীতের যেকোনো আসরকে ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

টুর্নামেন্টের সিংহভাগ অর্থ ব্যয় হচ্ছে খেলোয়াড়দের থাকা-খাওয়া এবং খেলায় ব্যবহৃত শাটল কক কেনার পেছনে, যার ফলে সামগ্রিক বাজেট অর্ধ কোটি টাকার কাছাকাছি গিয়ে ঠেকেছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:17:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে ১৫ দিনের মধ্যে জমির দখল ছাড়ার নির্দেশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119115" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119115</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার মৌজায় জমির দখল নিয়ে বিরোধের ঘটনায় প্রতিপক্ষকে ১৫ দিনের মধ্যে জমির দখল ছেড়ে আবেদনকারীদের বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়। গত ১৪ অক্টোবর জারি করা আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশ বাস্তবায়ন না হলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় উচ্ছেদসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এদিকে, বিরোধপূর্ণ জমিতে থাকা একটি স্থাপনায় অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। স্থাপনাটির কেয়ারটেকার কামালের বিরুদ্ধে এক নারীকে সেখানে নিয়ে গিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া ও মাদক সেবনের অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, স্থাপনাটি মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কার্যালয়ের পেছনে, কার্যালয় থেকে প্রায় ১০০ গজের মধ্যে অবস্থিত। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এ ঘটনায় পাওয়া একটি ভিডিওতে এক নারীকে ওই স্থাপনায় একাধিকবার যাওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। ভিডিওতে তিনি চারবার সেখানে যাওয়ার এবং প্রতিবার ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পাওয়ার দাবি করেন। তবে ভিডিওটির সত্যতা, ধারণের সময় এবং বক্তব্যের পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মাদক সেবনের অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে প্রতিপক্ষ শাহাদাৎ হোসেন নিয়াজ মুঠোফোনে জানান, তাঁর কেয়ারটেকার কামাল এক নারীকে নিয়ে ওই স্থাপনায় অনৈতিক কর্মকাণ্ড করেছেন এবং মাদক সেবন করেছেন&mdash;এমন বিষয় তিনি আগের দিন জানতে পেরেছেন। বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থলে গেলেও কামালকে পাননি বলে জানান তিনি। কামালের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন শাহাদাৎ হোসেন নিয়াজ।

স্থানীয় এক দোকানদার ঘটনাটি সম্পর্কে জানেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তবে ভয়ের কারণে তিনি বিস্তারিত বলতে রাজি হননি বলে জানা গেছে। এ ছাড়া, একটি মুঠোফোনে ধারণ করা কথোপকথনে ওই স্থাপনায় নারীকে নিয়ে কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আপত্তির কথা শোনা যায় বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।

জমি পুনরুদ্ধারে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে স্মারক নম্বর ২১৮ এবং আবেদন নম্বর ৩৩/২০২৬-এর অধীনে জমির দখল পুনরুদ্ধারের বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। আবেদনকারীরা হলেন মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দক্ষিণ পাইকপাড়া গ্রামের মৃত সামছুল হক মোল্লার ছেলে মো. জয়নাল আবেদীন ও মো. আবুল বাছেদ। প্রতিপক্ষ হিসেবে নথিতে পঞ্চসার এলাকার মৃত মোহাম্মদ হোসেন মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন মিয়াদের নাম উল্লেখ রয়েছে।

আবেদনকারী মো. জয়নাল আবেদীন অভিযোগ, তফসিলভুক্ত জমি থেকে তাঁদের উচ্ছেদ করে দখলচ্যুত করা হয়েছে। এ বিষয়ে জারি করা আদেশে প্রতিপক্ষকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দখল ছেড়ে দিতে এবং জমিতে কোনো স্থাপনা থাকলে তা সরিয়ে আবেদনকারীদের অনুকূলে দখল হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আদেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশ পালন করা না হলে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে আবেদনকারীদের দখল পুনর্বহালের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ বা ক্রোকসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

আদেশের তফসিল অনুযায়ী, মুন্সীগঞ্জ সদর থানার পঞ্চসার মৌজায় সংশ্লিষ্ট জমির মোট পরিমাণ ৪৭ শতাংশ। এর মধ্যে বেদখল অংশ হিসেবে ০.৭ শতাংশ জমির উল্লেখ রয়েছে। জমির শ্রেণি নাল, হালে বাড়ি। সংশ্লিষ্ট নথিতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর ও সিলমোহর রয়েছে বলে জানা গেছে।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:17:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ড নীতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে প্রশ্ন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119114" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119114</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি ২০২৬ সালের প্রথমার্ধজুড়ে সৌদি আরবে কঠোর সাজার ধারাটি অত্যন্ত জোরালোভাবে বজায় রয়েছে। ইউরোপীয় সৌদি অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস (ইএসওএইচআর)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম ছয় মাসেই দেশটিতে ১০৮ জনের প্রাণদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

বার্লিনভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের বার্ষিক পর্যবেক্ষণ বলছে, বৈশ্বিক পর্যায়ে এই শাস্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সৌদি আরব বরাবরের মতো এবারও শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে এবং বিশ্বজুড়ে এই পরিসংখ্যান ঊর্ধ্বমুখী রাখার পেছনে দেশটির বড় ধরনের প্রভাব রয়েছে।

বর্তমান বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রশাসনের সময়কাল হিসাব করলে দেখা যায়, চলতি বছরের শুরু পর্যন্ত দেশটিতে মোট মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা দুই হাজারে এসে ঠেকেছে। পূর্ববর্তী যেকোনো শাসনামলের তুলনায় এই সংখ্যা এক অভাবনীয় রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।

 


সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই বাংলাদেশি নাগরিক&mdash;নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। &lsquo;তাআজির&rsquo; আইনের আওতায় দেওয়া এই শাস্তি বাস্তবায়নের ফলে সৌদি বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


জাতীয়তা এবং বিদেশি নাগরিকদের অনুপাত
ইএসওএইচআর-এর সংকলিত পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই সাজা কেবল স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং মোট ১৭টি ভিন্ন দেশের প্রবাসীরা এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। প্রথম ছয় মাসে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৯ জন অর্থাৎ প্রায় ৫৪ শতাংশই ছিলেন বিদেশি নাগরিক। অন্যদিকে, সৌদি নাগরিকের সংখ্যা ছিল ৪৯ জন, যা মোট সংখ্যার প্রায় ৪৬ শতাংশ।

শাস্তি পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় সৌদি আরব ছাড়াও বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইথিওপিয়া, সুদান, ইয়েমেন, সিরিয়া, জর্ডান, মিসর, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, উগান্ডা, কেনিয়া, ইরাক, কুয়েত, বেনিন এবং আফগানিস্তানের নাম রয়েছে।

অপরাধের ধরন ও বিচারিক প্রক্রিয়া
সংস্থাটির প্রতিবেদন থেকে বিভিন্ন অপরাধের একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়:

মাদক সংক্রান্ত অপরাধ: ৬৬ শতাংশ বা ৭১টি ক্ষেত্রে এই কারণ দেখিয়ে প্রাণদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের মামলা: ২৩ শতাংশ বা ২৫টি সাজা দেওয়া হয়েছে হত্যার দায়ে।

রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যু: ৮ শতাংশ বা ৯টি ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য কারণ: বাকি ৩ শতাংশ বা ৩টি ঘটনা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঘটেছিল।

পরিসংখ্যান বলছে, বড় একটি অংশ অর্থাৎ প্রায় ৭৬ শতাংশের বেশি মৃত্যুদণ্ড এমন ঘটনায় দেওয়া হয়েছে যার সঙ্গে কোনো হত্যার ঘটনা যুক্ত ছিল না। এছাড়া, প্রায় ৭৭ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে বিচারকদের একক বিবেচনাভিত্তিক বা &#39;তাআজির&#39; আইনের অধীনে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি, প্রায় ৮৪ শতাংশ মামলার ক্ষেত্রেই ইএসওএইচআর কিংবা অন্য কোনো নিরপেক্ষ সংস্থার কাছে কোনো পূর্ব তথ্য ছিল না। এটি প্রমাণ করে যে বিচারিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা এখনও কাটেনি।

মাদক ও রাজনৈতিক মামলার প্রবণতা
২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেও মাদক অপরাধের আধিক্য সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ইথিওপিয়া, পাকিস্তান, সুদান ও ইয়েমেনের প্রবাসীরা এই ধারার শিকার হয়েছেন বেশি। অন্যদিকে, বিশেষায়িত আদালতের মাধ্যমে রাজনৈতিক বন্দীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।

চলতি বছরের জুন মাসে সৌদ আল-ফারাজ নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। এর আগে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ তার আটকাদেশকে নিয়মবহির্ভূত বলে ঘোষণা করেছিল। একইভাবে, গত এপ্রিল মাসে আলী আল-সুবাইতি নামের এক তরুণকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যাঁর বিরুদ্ধে বয়সের বাল্যকালে মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল।

বর্তমান বন্দীদের ওপর প্রভাব ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
ইএসওএইচআর জানিয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্ক বয়সের অপরাধের অভিযোগে এখনও অন্তত পাঁচজন তরুণ মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছেন। এ ছাড়া, কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই কেবল চিন্তাভাবনা বা মতামত প্রকাশের জেরে আরও প্রায় ৪৯ জন একই হুমকির মুখে রয়েছেন। শেখ সালমান আল-আওদা এবং শেখ হাসান আল-মালিকির মতো পরিচিত ব্যক্তিত্বদের বিচার প্রক্রিয়াও বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে।

দেশের বিভিন্ন কারাগার যেমন&mdash;খামিস মুশাইত, নাজরান কিংবা তাবুকের ভেতরে ইথিওপীয়, সোমালীয় ও মিসরীয়সহ বহু বিদেশি বন্দি অত্যন্ত আতঙ্কজনক পরিবেশে দিন কাটাচ্ছেন। আইনি সহায়তা না পাওয়া, দোভাষীর অভাব এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

সবশেষে, সাম্প্রতিক সময়ে মক্কার একটি পবিত্র মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিক&mdash;নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়টি সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

শরিয়াহ আইনের &#39;তাআজির&#39; নীতির আওতায় অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে আদালত এই চূড়ান্ত রায় দেন। আন্তর্জাতিক মহলের নানা আপত্তি এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার উদ্বেগ সত্ত্বেও সৌদি প্রশাসন তাদের এই কঠোর বিচারিক ধারা থেকে সরে আসেনি।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 08:46:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দলীয় নীতি ভঙ্গের অভিযোগে শ্যামলীকে বিএনপি থেকে অব্যাহতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119113" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119113</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দলীয় নীতি,আদর্শ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি&rsquo;র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে মিসেস শ্যামলী সূত্রধর&rsquo;কে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে জেলা বিএনপি&rsquo;র আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন ও সদস্য সচিব মো. আব্দুর রহিম রিপন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় গঠনতন্ত্র, নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এবং জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ায় দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়।

জেলা বিএনপি&rsquo;র একটি সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শ্যামলী সূত্রধরের বিরুদ্ধে দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয়তা এবং নীতি-বিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠছিল। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা বিএনপি&rsquo;র শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপি&rsquo;র আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা সবার উপরে। রাজনীতিতে পদ অর্জন যেমন সম্মানের, তেমনি সেই পদ ধরে রাখতে প্রয়োজন দলীয় নীতি-আদর্শ ও শৃঙ্খলার প্রতি দায়বদ্ধতা। গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে কেউ কাজ করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে,তিনি যেই হোন না কেন।

এদিকে এই অব্যাহতির ঘটনায় জেলা বিএনপি&rsquo;র তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এর মাধ্যমে দলে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, মিসেস শ্যামলী সূত্রধর মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি&rsquo;র আহ্বায়ক কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সাননিউজ/বান্না

দলীয় নীতি ভঙ্গের অভিযোগে শ্যামলীকে বিএনপি থেকে অব্যাহতি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

দলীয় নীতি,আদর্শ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি&rsquo;র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য পদ থেকে মিসেস শ্যামলী সূত্রধর&rsquo;কে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে জেলা বিএনপি&rsquo;র আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন ও সদস্য সচিব মো. আব্দুর রহিম রিপন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় গঠনতন্ত্র, নীতি ও আদর্শবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এবং জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ায় দলের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়।

জেলা বিএনপি&rsquo;র একটি সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শ্যামলী সূত্রধরের বিরুদ্ধে দলীয় কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয়তা এবং নীতি-বিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠছিল। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা বিএনপি&rsquo;র শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপি&rsquo;র আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা সবার উপরে। রাজনীতিতে পদ অর্জন যেমন সম্মানের, তেমনি সেই পদ ধরে রাখতে প্রয়োজন দলীয় নীতি-আদর্শ ও শৃঙ্খলার প্রতি দায়বদ্ধতা। গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে কেউ কাজ করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে,তিনি যেই হোন না কেন।

এদিকে এই অব্যাহতির ঘটনায় জেলা বিএনপি&rsquo;র তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এর মাধ্যমে দলে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

উল্লেখ্য, মিসেস শ্যামলী সূত্রধর মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি&rsquo;র আহ্বায়ক কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সাননিউজ/বান্না

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 08:41:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সেনবাগে অটোরিকশা চালকের রহস্যজনক মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119112" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119112</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর সেনবাগে অটোরিকশা চালানোর সময় অসুস্থ হয়ে মো. আরমান মিয়া (৪১) নামে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সেনবাগ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপুর ব্রিজের ওপর এ ঘটনা ঘটে। নিহত আরমান উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের উত্তর সাহাপুর গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আরমান অটোরিকশা চালিয়ে বাবুপুর এলাকা থেকে সেনবাগ বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে বাবুপুর ব্রিজের ওপর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থলে সাদা রঙের এক ধরনের ওষুধ জাতীয় পদার্থ দেখতে পান। পুলিশের ধারণা, স্ট্রোক করে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনডোর মেডিকেল অফিসার ডা.কামাল হোসেন বলেন, স্থানীয় লোকজন আরমানকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

সেনবাগ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 08:41:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারীর ফাঁদে ফেলে ‘হ্যানি ট্র্যাপ’, মুক্তিপন আদায়, গ্রেপ্তার ৩]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119111" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119111</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাভারের আশুলিয়ায় নারীকে ব্যবহার করে &lsquo;হানিট্র্যাপ&rsquo; ফাঁদে ফেলে এক ব্যক্তিকে অপহরণ, মারধর ও ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন নারী ও ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর রয়েছে।

অপহরনকারীরা ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা এবং তাঁর মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে থাকা আরও ৪ হাজার ৩০০ টাকাসহ মোট ২৪ হাজার ৩০০ টাকা মুক্তিপনের জন্য আদায় করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এর আগে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আশুলিয়ার এনায়েতপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, খন্দকার মেহেদী হাসান (২৪), সাবিনা ইসলাম (২০) ও শামীম মিয়া (১৬)। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং লুটে নেওয়া টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধারে অভিযান চলছে বলে জনিয়েছে পুলিশ।

থানা পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টায় সাভারে বাসা থেকে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হন পারভেজ বিশ্বাস (৩৪)। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ ওভারব্রিজের নিচ দিয়ে ফেরার পথে এক নারী তাঁর কাছে লিফট চান। ওই নারীকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে পল্লীবিদ্যুৎ এলাকার আল নূর মসজিদের সামনে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা পাঁচ থেকে ছয়জন ব্যক্তি পারভেজকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে মারধর করেন। পরে তাঁকে জোরপূর্বক অপহরণ করে একটি বাঁশবাগানে নিয়ে হাত-পা বেঁধে আবারও মারধর করা হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাঁর কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি এবং টাকা না দিলে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।

এসময় অপহরনকারীরা পারভেজের কাছে টাকা না পেয়ে অভিযুক্তরা তাঁর পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে মুক্তিপণ দাবি করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা উপায় না পেয়ে পারভেজের মোবাইল নম্বরে থাকা নগদ অ্যাকাউন্টে ২০ হাজার টাকা পাঠান। ওই অ্যাকাউন্টে আগে থেকে থাকা ৪ হাজার ৩০০ টাকাসহ মোট ২৪ হাজার ৩০০ টাকা তুলে নেয় অপহরনকারীরা। এছাড়া পারভেজের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ব্লুটুথ হেডফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাঁকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পারভেজ বিশ্বাস বিষয়টি জানিয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা (নম্বর ৯৯) দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আশুলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে হানিট্র্যাপ চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নেওয়া টাকা ও মোবাইল ফোন উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 08:41:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভোলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119110" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119110</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভোলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে ভোলা-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৩৮ সেকেন্ডের ভিডিওতে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মিছিলটিতে ২০ থেকে ৩০ জন নেতাকর্মী অংশ নেন বলে জানা গেছে। এতে নেতৃত্ব দেন ভোলা জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি জাকারিয়া হোসেন অমি।

মিছিলের ব্যানারে ভারতে পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ জাতীয় নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং আদালতের রায় প্রত্যাখ্যানের দাবি জানানো হয়।

ভিডিওতে অংশগ্রহণকারীদের &lsquo;হাসিনা, তোমার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই&rsquo;, &lsquo;সাদ্দাম ভাই ও ইনান ভাই, ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই&rsquo;, &lsquo;চলছে লড়াই, চলবে&rsquo;, &lsquo;শেখ হাসিনার অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন&rsquo; ও &lsquo;জয় বাংলা&rsquo;সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়।

মিছিলের আগে দেওয়া বক্তব্যে জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি জাকারিয়া হোসেন অমি বলেন,আজকে শেখ হাসিনার জন্য বাংলাদেশ নয়, বাংলাদেশের জন্য শেখ হাসিনাকে প্রয়োজন। আমরা শেখ হাসিনাকে আবার আনব, আবার শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করব।

এ বিষয়ে ভোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মসূচির ভিডিও দেখার পর এতে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। এ ঘটনায় শনাক্তকরণ ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 05:46:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হিমছড়ি সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ২]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119109" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119109</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজারের হিমছড়ি সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের রামু উপজেলার হিমছড়ি এলাকায় মারিনা রিসোর্টের জাদুঘরসংলগ্ন সৈকতে এ ঘটনা ঘটে।

রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, একদল পর্যটক ওই সৈকতে সাগরে গোসল করতে নামেন। এ সময় সাগরের প্রবল ঢেউ ও তীব্র স্রোতে তাঁরা ভেসে যান।

ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে তিন পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ইউএনও আরও জানান, এখনো দুজন পর্যটকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁদের উদ্ধারে পুলিশ তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 Oct 2026 05:36:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হুতিদের হামলার মুখে সৌদি ছাড়ছেন ধনীরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119108" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119108</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইয়েমেনে হুতি গোষ্ঠীর ধারাবাহিক হামলার পর সৌদি আরবের বিমান চলাচল খাতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ভ্রমণে আগ্রহী ধনী ব্যক্তি, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ব্যক্তিগত জেট ব্যবহারের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর প্রভাবে আকাশছোঁয়া হয়েছে উড়োজাহাজ ভাড়ার খরচ।

বিমান পরিবহনসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে ব্যক্তিগত জেটের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চাহিদার তুলনায় উড়োজাহাজের সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়ায় ভাড়ার হারও দ্রুত বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে আগের তুলনায় অর্ধেকের বেশি অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের।

নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে কয়েকটি আন্তর্জাতিক অপারেটর সৌদি আরবে তাদের কার্যক্রম সীমিত বা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এতে বাজারে সক্রিয় প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে এসেছে। প্রতিযোগিতা হ্রাস পাওয়ায় অবশিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক বেশি ভাড়া নির্ধারণের সুযোগ পাচ্ছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে রিয়াদ থেকে সরাসরি যাত্রার সুযোগ কমে যাওয়ায় অনেকে বিকল্প বিমানবন্দর ব্যবহার করছেন। রাজধানী থেকে দূরে অবস্থিত বিভিন্ন বিমানবন্দর হয়ে ইউরোপ, উপসাগরীয় অঞ্চল ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে যাতায়াতের চেষ্টা চলছে। ফলে এসব বিমানবন্দরে যাত্রীচাপও বেড়েছে।

বিমান চলাচল বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির পর সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্য থেকে নির্ধারিত হাজার হাজার বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আবার কিছু প্রতিষ্ঠান ফ্লাইটের সময়সূচি পিছিয়ে দিয়েছে। এর ফলে নিয়মিত যাত্রীদের অনেকেই বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন।

যাঁদের ব্যক্তিগত জেট ব্যবহারের সামর্থ্য নেই, তাঁদের মধ্যে অনেকে সড়কপথে প্রতিবেশী দেশ বাহরাইন কিংবা কাতারে গিয়ে সেখান থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন। বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাগামী যাত্রীদের মধ্যে এই প্রবণতা বাড়ছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক কয়েকটি কোম্পানি সৌদি আরবে কর্মরত গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও বিবেচনা করছে। এ উদ্দেশ্যে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে বিভিন্ন করপোরেট গ্রুপ। অনেক প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দুবাই অথবা নিজ নিজ দেশে সাময়িকভাবে স্থানান্তর করা।

খাতসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ভাড়া বৃদ্ধিই নয়, যুদ্ধঝুঁকি বিমার খরচও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যয় যুক্ত হওয়ায় মোট খরচ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বড় আকারের উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত ব্যয় কয়েক হাজার ডলার থেকে কয়েক দশ হাজার ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগ তৈরি করলেও মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েনি। তুলনামূলক নিরাপদ গন্তব্যগুলোতে বিমান চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে এবং আঞ্চলিক ভ্রমণের চাহিদাও অনেকাংশে বজায় আছে। তবুও নিরাপত্তা শঙ্কা এবং অনিশ্চয়তার কারণে আকাশপথে ভ্রমণ ব্যয় বেড়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও ভ্রমণ খাতে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

সার্বিকভাবে হুতি হামলার প্রভাব সৌদি আরবের বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট সংকুচিত হওয়া, ব্যক্তিগত জেটের সীমিত প্রাপ্যতা এবং বাড়তি নিরাপত্তা ব্যয়ের কারণে যাত্রীদের এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি খরচ করে ভ্রমণ করতে হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 21 Oct 2026 23:07:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিদায়ের অশ্রু আর ঢাকের সুরে শেষ হলো দুর্গোৎসব]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119107" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119107</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আনন্দ, ভক্তি আর আবেগঘন বিদায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। কয়েক দিনের পূজা-অর্চনা, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে সমাপ্ত হয় এবারের দুর্গোৎসব। দেবী দুর্গার বিদায়কে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সৃষ্টি হয় এক আবেগময় পরিবেশ, যেখানে উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি বিদায়ের বিষণ্নতাও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

দশমীর দিনের শুরু হয় ধর্মীয় আচার পালনের মাধ্যমে। সকালে নিয়ম অনুযায়ী দর্পণ-বিসর্জন সম্পন্ন করেন ভক্তরা। পরবর্তী সময়ে দেবীকে বরণ, প্রার্থনা এবং বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধ্যার দিকে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন শুরু হয়। বিসর্জনের মুহূর্ত ঘিরে অনেক স্থানে ভক্তদের আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এ দিন দেবী দুর্গা মর্ত্যধাম থেকে কৈলাসে ফিরে যান এবং আগামী বছরের শরৎকালে পুনরায় আগমন করেন।

সনাতন ধর্মমতে, বিজয়া দশমী কেবল প্রতিমা বিসর্জনের দিন নয়, এটি আত্মশুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করারও একটি বিশেষ উপলক্ষ। মানুষের অন্তরে লুকিয়ে থাকা হিংসা, ক্রোধ, লোভ ও অহংকারের মতো নেতিবাচক প্রবৃত্তি পরিহার করে সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠার শিক্ষাই এই দিনের মূল বার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়।

ষষ্ঠী তিথিতে দেবীর বোধন ও চণ্ডীপাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল এবারের দুর্গোৎসব। পরবর্তী কয়েক দিনে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী এবং দশমীর নানা ধর্মীয় আচার ও পূজার মাধ্যমে ভক্তরা দেবীর আরাধনায় অংশ নেন। দেশের বিভিন্ন মণ্ডপে ছিল দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। নারী, পুরুষ, শিশু ও তরুণসহ সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে উৎসব পরিণত হয় এক বৃহৎ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে রাজধানীতে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার। দুপুরের পর থেকেই বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে প্রতিমা নিয়ে ভক্তরা নির্ধারিত স্থানে সমবেত হন। পরে শত শত যানবাহনে করে প্রতিমা বহন করে একটি বিশাল শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অতিক্রম করে বিসর্জনস্থলের দিকে অগ্রসর হয়। শোভাযাত্রাজুড়ে ছিল ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি, ধর্মীয় সঙ্গীত এবং উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতি।

শহরের বিভিন্ন সড়কের দুই পাশে অসংখ্য মানুষ শোভাযাত্রা উপভোগ করেন। জনসমাগমকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়। বিসর্জন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নদীপথ ও স্থলপথে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুলিশের পাশাপাশি নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্বেচ্ছাসেবকেরা দায়িত্ব পালন করেন।

বিসর্জনের সময় ঢাকের করুণ সুর, উলুধ্বনি এবং প্রার্থনার মধ্য দিয়ে একে একে প্রতিমা জলে নিমজ্জিত করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, এটি বিদায় নয়; বরং আগামী বছরে দেবীর পুনরাগমনের প্রতিশ্রুতির প্রতীক। তাই অনেকের কণ্ঠে শোনা যায়, &quot;আসছে বছর আবার হবে&quot;।

তবে কিছু ঐতিহ্যবাহী মন্দিরে প্রতিমা সম্পূর্ণ বিসর্জনের পরিবর্তে নির্দিষ্ট উপাচার বিসর্জনের রীতি অনুসরণ করা হয়। সেখানে পূজার বিভিন্ন উপাদান নির্ধারিত নিয়মে বিসর্জন দেওয়ার পর শান্তিজল সংগ্রহ করা হয়, যা ভবিষ্যৎ পূজার সঙ্গে আধ্যাত্মিকভাবে যুক্ত বলে মনে করা হয়।

এ বছর সারা দেশে কয়েক হাজার মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উৎসব নির্বিঘ্ন রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটিগুলোও ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। অধিকাংশ মণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ এবং নিরাপত্তা তদারকির বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়।

দুর্গাপূজা কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং বাংলাদেশের বহুমাত্রিক সংস্কৃতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। প্রতিবছরের মতো এবারও বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। আনন্দ ও আবেগমাখা বিদায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হলেও ভক্তদের হৃদয়ে রয়ে গেছে আগামী বছরের অপেক্ষা এবং শান্তি, সম্প্রীতি ও মঙ্গলময় ভবিষ্যতের প্রত্যাশা।

সান নিউজ / রাজীব

 ]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 21 Oct 2026 23:07:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বদর চুক্তিতে এক হলো চার মুসলিম দেশ, জোরদার হচ্ছে প্রতিরক্ষা জোট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119106" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119106</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা এবং প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন এক সমঝোতায় পৌঁছেছে তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার ও ইন্দোনেশিয়া। &lsquo;বদর সমঝোতা স্মারক&rsquo; নামে পরিচিত এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কাতারের রাজধানী দোহায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে চার দেশের প্রতিনিধিরা এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। উদ্যোগটির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর করা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে তোলা।

চুক্তির আওতায় সামরিক উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির উন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি, উদ্ভাবনী সামরিক সরঞ্জাম এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ও গুরুত্ব পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিশ্বাস, এই সহযোগিতা সদস্য দেশগুলোর আত্মনির্ভরশীল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অংশগ্রহণকারী প্রতিটি রাষ্ট্রের নিজস্ব সামরিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে একটি সমন্বিত সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে জ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৌশলগত সক্ষমতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

সামরিক শক্তির দিক থেকে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী রাষ্ট্র তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বজায় রেখে আসছে। উত্তর আটলান্টিক জোট বা ন্যাটোর সদস্য হিসেবে দেশটির কৌশলগত গুরুত্ব আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিশেষভাবে স্বীকৃত। উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের সঙ্গে আঙ্কারার ঘনিষ্ঠ সামরিক সম্পর্ক রয়েছে এবং কাতারে তুরস্কের একটি স্থায়ী সামরিক ঘাঁটিও পরিচালিত হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বদর সমঝোতা শুধু প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেই নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। যৌথভাবে সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন ও প্রযুক্তি উন্নয়নের উদ্যোগ নতুন বিনিয়োগ, শিল্পোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা বাজারে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান আরও শক্তিশালী করার সম্ভাবনাও তৈরি করবে।

উল্লেখ্য, এর আগে চলতি বছরের আগস্ট মাসে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা &lsquo;মক্কা চুক্তি&rsquo; নামে পরিচিত। ওই চুক্তিতে কোনো সদস্য রাষ্ট্র বাহ্যিক সামরিক আগ্রাসনের মুখে পড়লে অন্য সদস্যরা নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা প্রদানের অঙ্গীকার করে।

নতুন বদর সমঝোতা স্মারককে মুসলিম বিশ্বের কয়েকটি প্রভাবশালী দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সামরিক সমন্বয়ের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা।

সান নিউজ/ রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 21 Oct 2026 23:07:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হল শারদীয় দুর্গোৎসব]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119105" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/119105</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পাঁচ দিনের বর্ণিল আয়োজন, ধর্মীয় আচার, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং আনন্দ-উৎসবের পর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। দেবী দুর্গার বিদায়কে ঘিরে চট্টগ্রামে সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন পরিবেশ। আগামী বছর পুনরায় দেবীর আগমনের প্রত্যাশায় ভক্তদের চোখে ছিল অশ্রু, কণ্ঠে ছিল শুভকামনা আর হৃদয়ে ছিল বিচ্ছেদের বেদনামিশ্রিত অনুভূতি।

আজ বুধবার দুপুরের পর থেকেই চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন শুরু হয়। নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ এবং আশপাশের এলাকা থেকে ট্রাক, মিনি ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহনে করে প্রতিমা আনা হয় সৈকতে। উৎসবের আমেজে শত শত ভক্ত শোভাযাত্রার সঙ্গে অংশ নেন। ঢাকের তালে, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে একে একে সাগরে বিসর্জন দেওয়া হয় প্রতিমা।

সকালের দিকে নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে ছিল উপচে পড়া ভিড়। ছোট-বড় সব বয়সের মানুষ দেবীর শেষ দর্শনের জন্য মণ্ডপে উপস্থিত হন। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তেল, সিঁদুর, পান ও মিষ্টি নিবেদনের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হয় ভক্তিমূলক সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠান। অনেকের চোখে তখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে বিদায়ের বেদনা। উৎসবের আনন্দের মধ্যেও দেবীকে বিদায় জানানোর মুহূর্ত আবেগাপ্লুত করে তোলে উপস্থিত সবার মন।

মণ্ডপ থেকে প্রতিমা বের করার সময়ও ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের নাচ-গান, ঢোল ও ঢাকের বাদ্যে মুখর হয়ে ওঠে নগরীর বিভিন্ন সড়ক। বিজয়া দশমীর এই আয়োজন শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য এবং মিলনের এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে সর্বত্র।



প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে বিকেলের দিকে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে মানুষের ঢল নামে। শিশু, কিশোর, তরুণ, প্রবীণসহ নানা শ্রেণি ও পেশার মানুষের উপস্থিতিতে সৈকত এলাকায় তৈরি হয় উৎসবের আবহ। দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। বিসর্জন অনুষ্ঠানকে ঘিরে অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে সৈকতে আসেন। ফলে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি এটি পরিণত হয় এক বৃহৎ সামাজিক মিলনমেলায়।

বিজয়া দশমী উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সৌহার্দ্য এবং সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় থাকায় এবারের দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সব সম্প্রদায়ের সহযোগিতার ফলে উৎসব সুন্দর ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করা সম্ভব হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিসর্জন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনুষ্ঠান নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল। সৈকত এলাকা এবং আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়, যাতে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন।



পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. পারভেজ জানান, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিসর্জন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্যমতে, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় মোট ২ হাজার ২৭৪টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহালয়ার মাধ্যমে শুরু হওয়া দুর্গোৎসব কয়েক দিনের নানা আয়োজন শেষে বিজয়া দশমীতে এসে পরিসমাপ্তি পায়। তবে আনুষ্ঠানিকতার সমাপ্তি হলেও ভক্তদের বিশ্বাস ও প্রত্যাশা এখন আগামী বছরের দিকে। দেবী দুর্গার পুনরাগমনের আশায় বিদায়ের ক্ষণকে বরণ করে নিয়েছেন সবাই, রেখে গেছেন শুভশক্তির জয় এবং অশুভ শক্তির পরাজয়ের চিরন্তন বার্তা।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 21 Oct 2026 23:06:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কক্সবাজার সমুদ্র  সৈকতে প্রতিমা বিসর্জনে সম্প্রীতির মিলন মেলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119104" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/bangladesh/119104</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিন বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে লাখো মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর থেকে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে শুরু হয় দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রতিমা বিসর্জন আয়োজন। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে আনা হয় প্রতিমা।

পাঁচ দিনের পূজা, আনন্দ ও মিলনমেলার পর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। বিদায়ের মুহূর্তে ভক্তদের প্রার্থনা সব অশুভ দূর করে শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে আবারও ফিরে আসবেন মা দুর্গা।

বুধবার বিকেলে লাবণী পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রাকবোঝাই করে প্রতিমা নিয়ে আসছেন পূজার্থীরা। লাবণী পয়েন্ট থেকে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ঢাক-ঢোল, উলুধ্বনি আর ভক্তদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে সৈকত। প্রতিমা বিসর্জনের পাশাপাশি হাজারো পর্যটক ও দর্শনার্থী সমুদ্রস্নান, ঘোড়ায় চড়া, বিচবাইক ও সৈকত ভ্রমণে ব্যস্ত সময় কাটান।

এবার বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে কক্সবাজার সৈকতে অন্তত ৪০০ প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ আয়োজন দেখতে তিন থেকে চার লাখ মানুষের সমাগম হয়েছে।

চকরিয়া ও পেকুয়ার মণ্ডপগুলোর প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয় মাতামুহুরী নদীতে। অন্যদিকে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে প্রতিমা এনে বিসর্জন দেওয়া হয় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে।

ছুটিতে পর্যটকের ঢল: দুর্গাপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমার টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নেমেছে। হোটেল-মোটেল, গেস্টহাউস ও কটেজে বেড়েছে অতিথির চাপ। হোটেলমালিক ও পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত অনেক হোটেলেই শতভাগ কক্ষ আগাম বুকিং হয়েছে।

দুর্গাপূজার ছুটি উপলক্ষে কয়েক দিন ধরেই কক্সবাজারে পর্যটকের উপস্থিতি বাড়ছিল। তবে মঙ্গলবার থেকে সেই চাপ আরও বেড়েছে। বুধবার বিকেলে লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্টে দেখা যায়, সৈকতের বালুচর পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। একইভাবে হিমছড়ি, ইনানী ও মেরিন ড্রাইভের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও বাড়ছে দর্শনার্থীদের আনাগোনা।

নানা শঙ্কা কাটিয়ে এবার দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটকে টইটম্বুর হয়ে উঠেছে কক্সবাজার। বিশেষ করে মেরিন ড্রাইভ এলাকার তুলনায় শহরের হোটেল, গেস্টহাউস ও কটেজগুলোতে অতিথির চাপ বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

হোটেলমালিকদের ভাষ্য, গত ১৭ অক্টোবর ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যু হলে পর্যটকের আগমন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে গত দুই দিনে সেই শঙ্কা অনেকটাই কেটে গেছে। বেড়েছে পর্যটকের উপস্থিতি।

দুর্গাপূজা, সাপ্তাহিক ছুটি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি মিলিয়ে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ১০ দিনের ছুটি চলছে। এ সময়ে কক্সবাজারে অন্তত ১৫ লাখ পর্যটকের সমাগম হতে পারে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের প্রত্যাশা, এ সময়ে পর্যটনসংশ্লিষ্ট খাতে ৯০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হতে পারে।

শতভাগ বুকিং, ছাড় নেই কক্ষভাড়ায়: কক্সবাজার হোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, বুধবার লাবণী পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জন উৎসবকে কেন্দ্র করে তিন দিনে অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে। সব মিলিয়ে ১০ দিনের ছুটিতে অন্তত ১৫ লাখ পর্যটক কক্সবাজারে আসবেন বলে তাঁরা আশা করছেন।

তিনি বলেন, তারকা মানের ২০টির বেশি হোটেলে প্রায় শতভাগ কক্ষ এবং মাঝারি আকারের হোটেল, গেস্টহাউস ও কটেজে প্রায় ৯০ শতাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়েছে। এবার কক্ষভাড়ায় কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। তবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে প্রশাসন তদারকি করছে।

শহরের পাঁচ শতাধিক হোটেল, রিসোর্ট ও গেস্টহাউসে একসঙ্গে প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার মানুষের রাতযাপনের ব্যবস্থা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

হোটেল কক্স টুডের মহাব্যবস্থাপক আবু তালেব বলেন, তাঁদের হোটেলের সব কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত অতিথির চাপ থাকবে বলে তাঁরা আশা করছেন।

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আবদুল শুক্কুর বলেন, ১০ দিনের ছুটিতে ১৫ লাখ পর্যটকের সমাগম হলে হোটেল, রেস্তোরাঁসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট খাতে ৯০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হতে পারে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই ধর্মীয় উৎসবের শেষ দিনটি শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বিজয়া দশমীর আয়োজন পরিণত হয়েছে সার্বজনীন উৎসবে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও এতে অংশ নেন।

কক্সবাজার শহরের বাসিন্দা শাফায়াত জামিল বলেন, &lsquo;বিজয়া দশমী এখন শুধু হিন্দুদের নয়, এটি বাঙালির একটি অসাম্প্রদায়িক উৎসবে পরিণত হয়েছে।

ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা আব্দুল আজিজ স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে শনিবার রাতে কক্সবাজারে আসেন। তিনি বলেন, সুগন্ধা সৈকতে মানুষের ভিড় দেখে পরিবার নিয়ে লাবণী পয়েন্টে এসেছি। এখানেও হাজারো মানুষের সমাগম দেখলাম।

সিরাজগঞ্জ থেকে পরিবার নিয়ে প্রতিমা বিসর্জন দেখতে আসা স্কুলশিক্ষক রাজেন্দ্র রায় বলেন, &lsquo;কক্সবাজারের আয়োজনটাই সারাদেশে বড়। তাই এখানে ছুটে এসেছি মাকে বিদায় দিতে। প্রশাসনও ভালো কাজ করছে।

নিরাপত্তায় কঠোর প্রশাসন: কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, দুর্গাপূজার ছুটিতে প্রতিবছরই বিপুলসংখ্যক পর্যটকের আগমন ঘটে। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিমা বিসর্জন উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের হয়রানি বন্ধ ও সেবা নিশ্চিত করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত মাঠে রয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পূজা উদ্&zwnj;যাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উদয় শংকর পাল মিঠু বলেন, প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় বৃহৎ এই আয়োজন সফলভাবে শেষ হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিশেষ এই দিনে কক্সবাজারে এসে জড়ো হয়েছেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।

প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে এবারের আয়োজন শেষ হচ্ছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের ঐতিহ্য। এই সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কক্সবাজারের মতো পর্যটন নগরীতে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করাও সবার দায়িত্ব।

এবার কক্সবাজার জেলায় ৩২৪টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৫টিতে প্রতিমাপূজা এবং ১৬৯টিতে ঘটপূজা হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ৭১টি মণ্ডপ রয়েছে। এ ছাড়া কুতুবদিয়ায় ৪৪টি, রামুতে ৩৭টি, কক্সবাজার সদরে ৩১টি, ঈদগাঁওয়ে ২৯টি, মহেশখালীতে ২৮টি, কক্সবাজার পৌরসভায় ২৬টি, চকরিয়া পৌরসভায় ২৫টি, পেকুয়ায় ৯টি, উখিয়ায় ৯টি, মহেশখালী পৌরসভায় ৬টি এবং টেকনাফে ৬টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পাঁচ দিনের পূজা শেষে বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে বিদায় নিলেন দেবী দুর্গা। তবে ভক্তদের প্রত্যাশা অশুভ শক্তির বিনাশ, শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির বার্তা নিয়ে আগামী বছর আবারও ফিরে আসবেন মা।

সাননিউজ/বান্না]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 21 Oct 2026 23:06:43 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
