<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/techlife</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/techlife"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews techlife Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest techlife News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Thu, 20 Aug 2026 10:48:06 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[আগস্টের শেষে আকাশে ‘ব্লাড মুন&#039;]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117744" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117744</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আকাশপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে এক দুর্দান্ত মহাজাগতিক দৃশ্য। আগামী ২৭ থেকে ২৮ আগস্ট হতে যাওয়া চন্দ্রগ্রহণে চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢেকে যাবে। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ না হলেও এ সময় চাঁদের বড় একটি অংশ লালচে-কমলা রঙ ধারণ করবে, যা অনেকটা &lsquo;ব্লাড মুন&rsquo;-এর মতো দেখাবে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন স্কাই অ্যাট নাইট-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সময় ২৮ আগস্ট সকাল ১০টা ১৩ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। এ সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের প্রায় পুরো চাকতিকে ঢেকে ফেলবে।

চন্দ্রগ্রহণ ঘটে যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে এবং পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপর পড়ে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল নীল আলোর তরঙ্গ বেশি ছড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে লাল ও কমলা আলোর কিছু অংশ বায়ুমণ্ডল ভেদ করে চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছায়। এ কারণেই গ্রহণের সময় চাঁদকে লালচে বা কমলা রঙের দেখায়।

এই চন্দ্রগ্রহণ উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে। চাঁদ পশ্চিম আকাশে অস্ত যাওয়ার সময় ইউরোপ, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অঞ্চল থেকেও গ্রহণের আংশিক দৃশ্য দেখা যেতে পারে।

তবে বাংলাদেশের আকাশপ্রেমীদের জন্য হতাশার খবর রয়েছে। গ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায় বাংলাদেশের স্থানীয় সময় দিনের বেলায় হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে এ মহাজাগতিক দৃশ্য দেখার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 10:48:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিশুর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষতিকর কনটেন্ট: অভিভাবকদের করণীয়  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117697" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117697</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমান সময়ে শিশুদের একটি বড় অংশ কোনো না কোনোভাবে মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা বাবা-মায়ের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছে, আবার কারও জন্য আলাদা অ্যাকাউন্টও খুলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে বয়স ও মানসিক পরিপক্বতা বিবেচনা না করেই অল্প বয়সে শিশুরা বিভিন্ন ধরনের অনলাইন কনটেন্টের সংস্পর্শে আসছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষামূলক ও সৃজনশীল কনটেন্টের পাশাপাশি সহিংসতা, অশালীনতা, সাইবার বুলিং, আত্মক্ষতির প্ররোচনা, শরীর ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে নেতিবাচক ধারণাসহ বয়স-অনুপযোগী নানা কনটেন্ট রয়েছে। এসব উপাদান শিশুর চিন্তা, আচরণ ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শিশুরা এসব কনটেন্টের এত সহজে নাগালে আসার পেছনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরির বাড়তি প্রবণতাও একটি কারণ। ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে রিলস, শর্টস তৈরি ও মনিটাইজেশনের মাধ্যমে আয়ের সুযোগ নিয়ে নিয়মিত বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। এতে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরিকে আয়ের সম্ভাবনাময় মাধ্যম হিসেবে দেখছেন।

তবে সমস্যা তৈরি হয় যখন এই প্রবণতার সঙ্গে শিশুদেরও বাণিজ্যিকভাবে যুক্ত করা হয়। শিশুর স্বাভাবিক জীবন, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানসিক বিকাশের বিষয়টি উপেক্ষা করে অনেক সময় তাদের দিয়ে ভিডিও বা অন্যান্য কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। কখনো শিশুই হয়ে উঠছে কনটেন্টের মূল বিষয়, আবার কখনো তার আচরণ, পোশাক, কথাবার্তা কিংবা ব্যক্তিগত মুহূর্ত দর্শক আকর্ষণের উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

অর্থ উপার্জনের সুযোগ থাকলেও শিশুকে এভাবে কনটেন্ট তৈরিতে ব্যবহার করা তার অধিকার, গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ইউনিসেফও শিশুদের শুধু ডিজিটাল কনটেন্টের ভোক্তা বা বাণিজ্যিক মুনাফার মাধ্যম হিসেবে না দেখে অধিকারধারী হিসেবে বিবেচনা ও সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

ডিজিটাল পরিবেশে শিশুর নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, মতপ্রকাশ এবং সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে অভিভাবকের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব রয়েছে।

শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সসীমা, অভিভাবকের সম্মতি এবং বয়স যাচাইয়ের মতো সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ডেনমার্কসহ আরও কয়েকটি দেশেও শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গবেষণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সঙ্গে সাইবার বুলিং, বয়স-অনুপযোগী কনটেন্টের সংস্পর্শ, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। বিশেষ করে আত্মক্ষতির প্ররোচনা, খাদ্যাভ্যাসজনিত সমস্যা কিংবা নিজের শরীর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে&mdash;এমন কনটেন্ট শিশুদের জন্য উদ্বেগের কারণ।

শিশু ক্ষতিকর কনটেন্ট দেখলে করণীয়

শিশু কোনো ক্ষতিকর কনটেন্ট দেখে ফেললে প্রথমেই অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে তার সঙ্গে শান্তভাবে কথা বলা উচিত। বকাঝকা বা ভয় দেখালে শিশু ভবিষ্যতে অনলাইনে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হলে সেটি গোপন করতে পারে। তাই কী দেখেছে, কোথায় দেখেছে এবং সেটি দেখে তার কেমন লেগেছে&mdash;এসব বিষয় ধৈর্যের সঙ্গে জানতে হবে।

শিশুর সঙ্গে খোলামেলা যোগাযোগের পরিবেশ তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইনে অস্বস্তিকর, ভয়ংকর বা বিভ্রান্তিকর কিছু দেখলে যেন সে নির্ভয়ে বাবা-মাকে জানাতে পারে, সেই আস্থা তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি সে কার সঙ্গে কথা বলছে এবং কী ধরনের কনটেন্ট দেখছে, তা নিয়েও বয়স অনুযায়ী নিয়মিত আলোচনা করা প্রয়োজন।

ডিভাইস ব্যবহারে পরিবারের নিজস্ব কিছু নিয়ম থাকা দরকার। কখন, কোথায় এবং কতক্ষণ মোবাইল বা অন্য ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে, তা নির্ধারণ করা যেতে পারে। খাবারের সময়, পড়াশোনা, ঘুম ও পারিবারিক সময়কে স্ক্রিনমুক্ত রাখার অভ্যাসও গড়ে তোলা যেতে পারে।

প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারে বয়স উপযোগী প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, নিরাপদ সার্চ, প্রাইভেসি সেটিংস ও কনটেন্ট ফিল্টার কাজে লাগানো যেতে পারে। শিশুকে পূর্ণ নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত ছবি বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে প্রকাশ না করার বিষয়েও সচেতন করতে হবে।

কোনো পোস্ট, ভিডিও বা অ্যাকাউন্ট ক্ষতিকর মনে হলে সেটি রিপোর্ট ও ব্লক করার পদ্ধতিও শিশুকে শেখানো দরকার। সাইবার বুলিং বা সরাসরি হুমকির মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রয়োজনীয় প্রমাণ হিসেবে স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

এ ছাড়া শিশুর অবসর সময়কে শুধু স্ক্রিননির্ভর না রেখে বই পড়া, খেলাধুলা, ছবি আঁকা, গান, প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানো এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ বাড়ানো জরুরি।

তবে শিশুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করাই সব ক্ষেত্রে একমাত্র সমাধান নয়। বয়স, মানসিক পরিপক্বতা ও প্রয়োজন বিবেচনায় নিরাপদ ডিজিটাল অভ্যাস তৈরি করাই গুরুত্বপূর্ণ। এর জন্য প্রয়োজন অভিভাবকের সচেতনতা, সন্তানের সঙ্গে বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার।

শিশুর হাতে প্রযুক্তি তুলে দেওয়া সহজ; কিন্তু সেই প্রযুক্তি নিরাপদে ব্যবহারের শিক্ষা দেওয়াই বড় দায়িত্ব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন শিশুর স্বাভাবিক শৈশব ও বিকাশে বাধা না হয়ে বরং শেখা ও সৃজনশীলতার নিরাপদ মাধ্যম হয়ে ওঠে&mdash;সেদিকে নজর দিতে হবে সবাইকে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 12:46:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৫০–৬০ ডলারে স্মার্টফোন, ফিচার ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সরকারি উদ্যোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117686" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117686</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বিপুলসংখ্যক ফিচার ফোন ব্যবহারকারীকে ডেটা নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে কম দামে স্মার্টফোন সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক ডেটা স্মার্টফোনের দাম ৫০ থেকে ৬০ ডলারের মধ্যে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে &lsquo;পাওয়ারিং দ্য ফিউচার: রবি কমপ্লিটস ঢাকা মডার্নাইজেশন&rsquo; শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

তিনি বলেন, দেশে এখনো প্রায় অর্ধেক মোবাইল ব্যবহারকারী ফিচার ফোন ব্যবহার করেন। মোট মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ১৪ কোটি বিবেচনায় নিলে এই সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি। এসব মানুষকে ডেটা ব্যবহারের সুযোগ দিতে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত স্মার্টফোন নিশ্চিত করা জরুরি।

রেহান আসিফ আসাদ বলেন, উন্নত মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকলেই হবে না, সেই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের উপযোগী ডিভাইসও মানুষের হাতে থাকতে হবে। ফিচার ফোন ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোনে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সরকার মোবাইল অপারেটরদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।


সাশ্রয়ী দামে স্মার্টফোন বাজারে আনতে স্থানীয় মোবাইল ফোন উৎপাদক, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সঙ্গে সরকার আলোচনা করেছে বলে জানান উপদেষ্টা।

তার ভাষ্য, মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের ওপর আগে ২৬ থেকে ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত কর, ভ্যাট ও শুল্ক আরোপিত ছিল। সেগুলোর বড় একটি অংশ কমানো হয়েছে। কিছু উপকরণের ক্ষেত্রে শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনা হয়েছে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা ২ থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে রাখা হয়েছে।

সরকারের লক্ষ্য হলো, এসব সুবিধার সুফল যেন কম দামের ডিভাইসের মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকের কাছে পৌঁছে। স্থানীয় নির্মাতাদের সঙ্গে আলোচনায় ৫০&ndash;৬০ ডলারের মধ্যে অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক ডেটা স্মার্টফোন উৎপাদনের সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। নির্মাতারাও দ্রুত এ ধরনের ফোন তৈরিতে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানান তিনি।

শুধু দাম কমানো নয়, গ্রাহকদের সহজ শর্তে স্মার্টফোন কেনার সুযোগ তৈরির বিষয়েও কাজ চলছে। এ জন্য মোবাইল ফোনকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইএমআই কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

পাশাপাশি বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে স্মার্টফোন কেনায় কিস্তি সুবিধা দিতে উৎসাহিত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান উপদেষ্টা। এর ফলে এককালীন পুরো অর্থ পরিশোধ করতে না পারলেও অনেক গ্রাহকের জন্য স্মার্টফোন কেনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়নে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, মোবাইল অপারেটর এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রেহান আসিফ।

তিনি বলেন, টেলিযোগাযোগ খাতের সব সমস্যা কোনো একটি পক্ষের পক্ষে এককভাবে সমাধান করা সম্ভব নয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ছয় মাসে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, মোবাইল অপারেটর ও শিল্প সংগঠনগুলোর সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। এসব আলোচনার লক্ষ্য ছিল পুরো খাতকে একটি অভিন্ন পরিকল্পনার আওতায় এগিয়ে নেওয়া।

তার মতে, ডেটা ও নিরবচ্ছিন্ন সংযোগের ওপরই টেলিযোগাযোগ খাতের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। তবে কার্যকর ডেটা সেবা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী নেটওয়ার্কের পাশাপাশি গ্রাহকদের হাতে উপযুক্ত ডিভাইস পৌঁছানোও জরুরি।

অনুষ্ঠানে ঢাকার টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন উপদেষ্টা। ভৌগোলিক আয়তনে ঢাকা দেশের একটি ছোট অংশ হলেও জনসংখ্যা ও অর্থনীতির দিক থেকে এর গুরুত্ব অনেক বেশি।

তিনি জানান, বিশ্বের অনেক দেশে পুরো দেশের সাইটের সংখ্যা ৫ হাজারের কম হলেও শুধু ঢাকাতেই প্রায় ৫ হাজার সাইট রয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে সাইট ব্যবস্থাপনা, স্পেকট্রাম, নেটওয়ার্কে শব্দ নিয়ন্ত্রণ, ব্যাকহলসহ নানা প্রযুক্তিগত জটিলতা।

অনুষ্ঠানে রবি আজিয়াটার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৃহত্তর ঢাকার গাজীপুর, সাভার, মানিকগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় ৪ হাজার ৮০০টির বেশি সাইট আধুনিকায়ন করা হয়েছে।

নতুন প্রজন্মের &lsquo;গিগা গ্রিন ৪জি/৫জি রেডি&rsquo; প্রযুক্তির সরঞ্জাম ব্যবহারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এবং ভবিষ্যতের প্রযুক্তির জন্য উপযোগী করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

রবির দাবি, নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের পর বিভিন্ন ক্লাস্টারে গ্রাহক অভিজ্ঞতা সর্বোচ্চ ১২৫ শতাংশ পর্যন্ত উন্নত হয়েছে। একই সময়ে কল ড্রপের হার কমেছে ২০ শতাংশ। বৃহত্তর ঢাকা ও গাজীপুরে ইনডোর নেটওয়ার্ক কভারেজ আগের তুলনায় তিন গুণ বেড়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতি জিবি ডেটা ব্যবহারে বিদ্যুৎ খরচ প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী। রবি আজিয়াটার প্রধান করপোরেট ও নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা শাহেদ আলম এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াদ সাতারাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 07:51:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এয়ারটেলের নতুন পরিচয় ‘সার্কেল’,]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117621" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117621</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মোবাইল অপারেটর ব্র্যান্ড এয়ারটেল নতুন পরিচয়ে &lsquo;সার্কেল&rsquo; নামে যাত্রা শুরু করেছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন ব্র্যান্ডটি উন্মোচন করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি।

রবি আজিয়াটা জানিয়েছে, এয়ারটেলের ১৬ বছরের যাত্রার পর নতুন পরিচয়ে সামনে এসেছে &lsquo;সার্কেল&rsquo;। তবে ব্র্যান্ডের নাম পরিবর্তন হলেও গ্রাহকদের সঙ্গে অপারেটরের সম্পর্ক এবং বিদ্যমান সেবায় কোনো পরিবর্তন আসবে না।

এয়ারটেলের সব গ্রাহক স্বয়ংক্রিয়ভাবে &lsquo;সার্কেল&rsquo;-এর গ্রাহকে পরিণত হবেন। তাদের বিদ্যমান ০১৬ নম্বর, সিম, প্যাকেজ ও ব্যালান্স আগের মতোই বহাল থাকবে। একইভাবে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট, ওয়ালেট, লেনদেন ও গ্রাহকের তথ্যেও কোনো পরিবর্তন হবে না।

তরুণদের জন্য নতুন ডিজিটাল অভিজ্ঞতা

এয়ারটেলের তরুণ প্রজন্মকেন্দ্রিক ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করেই &lsquo;সার্কেল&rsquo;কে সাজানো হয়েছে। নতুন ব্র্যান্ডে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহ ভবিষ্যৎমুখী প্রযুক্তি ও বিভিন্ন ডিজিটাল সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে রবি আজিয়াটার।

ব্র্যান্ডটির লক্ষ্য আরও সাশ্রয়ী, আধুনিক ও ডিজিটালনির্ভর সেবা নিশ্চিত করা। বিনোদন, গেমিং, কনটেন্ট তৈরি এবং তরুণদের দৈনন্দিন ডিজিটাল কর্মকাণ্ডে নির্ভরযোগ্য সংযোগ ও উন্নত ডিজিটাল অভিজ্ঞতা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেবে &lsquo;সার্কেল&rsquo;।

&lsquo;আসল সংযোগ, সবসময় সচল&rsquo;

&lsquo;সার্কেল&rsquo;-এর ব্র্যান্ড প্রতিশ্রুতি নির্ধারণ করা হয়েছে&mdash;&lsquo;আসল সংযোগ, সবসময় সচল&rsquo;। মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, কমিউনিটি ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে অর্থবহ সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়তা করাই নতুন ব্র্যান্ডটির অন্যতম লক্ষ্য।

রবি আজিয়াটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াদ সাতারা বলেন, ১৬ বছর ধরে এয়ারটেল বাংলাদেশের তরুণদের সঙ্গে বেড়ে উঠেছে। &lsquo;সার্কেল&rsquo; সেই যাত্রারই পরবর্তী ধাপ।

তিনি বলেন, ব্র্যান্ডের নাম পরিবর্তন হলেও মূল প্রতিশ্রুতি অপরিবর্তিত থাকবে। এখন শুধু আরও বেশি মানুষকে সংযুক্ত করাই লক্ষ্য নয়, বরং বিদ্যমান সংযোগগুলোকে আরও অর্থবহ করে তোলাই গুরুত্বপূর্ণ।

নিরবচ্ছিন্ন থাকবে গ্রাহকসেবা

ব্র্যান্ড পরিবর্তনের পুরো প্রক্রিয়ায় গ্রাহকদের সেবা নিরবচ্ছিন্ন থাকবে বলে জানিয়েছে রবি। এয়ারটেলের গ্রাহকদের আলাদাভাবে কোনো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না।

এমএফএস অ্যাকাউন্ট, ওয়ালেট, লেনদেন ও গ্রাহকের তথ্য আগের মতোই নিরাপদ ও সচল থাকবে।

রবি জানিয়েছে, পরিবর্তিত ডিজিটাল বাস্তবতা ও মানুষের ক্রমবর্ধমান সংযুক্ত জীবনধারাকে বিবেচনায় নিয়েই &lsquo;সার্কেল&rsquo; তৈরি করা হয়েছে। এয়ারটেলের তারুণ্যকেন্দ্রিক শক্তিকে ধরে রেখে নতুন ব্র্যান্ডটি উন্নত ডিজিটাল সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎমুখী সেবা নিয়ে এগিয়ে যাবে।

বাস্তব ও অর্থবহ সংযোগকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ডিজিটালনির্ভর প্রজন্মের পরিবর্তিত চাহিদা পূরণে নতুন উদ্ভাবনে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনাও জানিয়েছে &lsquo;সার্কেল&rsquo;।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 18 Aug 2026 10:17:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিরাপত্তা পরীক্ষায় সাইবার হামলা করলো মেটার এআই মডেল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117548" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117548</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ব্যবস্থায় প্রবেশ করেছে মেটার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল। পরীক্ষার পরিবেশে ভুল সেটিংয়ের কারণে মডেলটি ইন্টারনেটে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিল বলে জানিয়েছে মেটা।

বুধবার (১৩ আগস্ট) মেটার এক মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পরীক্ষার সময় ব্যবস্থাপনার একটি ত্রুটির কারণে মডেলটি ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পায়।

মেটার তৈরি &lsquo;মিউজ স্পার্ক&rsquo; নামের মডেলটি এরপর অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ব্যবস্থায় থাকা নিরাপত্তা দুর্বলতা কাজে লাগায়। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ইনফরমেশন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, মডেলটি ওই ব্যবস্থায় প্রবেশ করে কিছু পরিবর্তনও করেছিল।

তবে মেটা জানিয়েছে, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত ছিল না। পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান ইরেগুলার তাদের ব্যবস্থার ত্রুটির বিষয়টি মেটাকে জানায়। বর্তমানে বিষয়টি পর্যালোচনা করছে মেটা।

ইরেগুলারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, এটি পরীক্ষার পরিবেশের একটি ভুলের কারণে ঘটেছে। কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে মডেলটি প্রবেশ করেনি এবং এটি কোনো জটিল সাইবার হামলার ঘটনা নয় বলেও দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এর আগে ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। অ্যানথ্রপিকের একটি মডেল পরীক্ষার সময় তিনটি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার ব্যবস্থায় প্রবেশ করেছিল।

মেটার এই ঘটনার পর আবারও আলোচনায় এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতা ও নিরাপত্তাঝুঁকি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই মডেল যত উন্নত হচ্ছে, সেগুলোর নিরাপত্তা পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও তত কঠোর করা প্রয়োজন।

মেটার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি জানান, বাস্তব পরিস্থিতির অনুকরণে কিছু পরীক্ষার ক্ষেত্রে মডেলকে সীমিত ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়। তবে এবারের ঘটনাটি পরীক্ষার ব্যবস্থাপনার বিরল একটি ত্রুটির কারণে ঘটেছে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 16 Aug 2026 04:48:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ওপেনএআই থেকে বিদায় নিলেন অল্টম্যানের দীর্ঘদিনের সঙ্গী ব্র্যাড লাইটক্যাপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117442" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117442</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শেয়ারবাজারে আসার (আইপিও) জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই। ধারণা করা হচ্ছে, শেয়ারবাজারে এলে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান ৮৫২ বিলিয়ন ডলারের বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। ঠিক এমন এক আইপিও উন্মাদনার মাঝেই বড় ধাক্কা খেল স্যাম অল্টম্যানের কোম্পানি। পদত্যাগ করেছেন ওপেনএআইয়ের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) ও অল্টম্যানের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ব্র্যাড লাইটক্যাপ।

২০১৮ সালে ওপেনএআইতে যোগ দেওয়া লাইটক্যাপ সম্প্রতি কর্মীদের কাছে পাঠানো এক বার্তায় নিজের এই &lsquo;তিক্ত-মধুর&rsquo; বিদায়ের কথা জানান। তিনি জানান, এখন তিনি সম্পূর্ণ নতুন কিছু শুরু করতে চান। তবে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এআইয়ের বৃহত্তর মিশনে কাজ চালিয়ে যাবেন।

ওপেনএআইকে একটি গবেষণাগার থেকে পুরোদস্তুর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের অন্যতম কারিগর ছিলেন লাইটক্যাপ। মাত্র ১৮ মাসের মধ্যে তার নেতৃত্বেই কোম্পানির বিপণন টিমের কর্মীসংখ্যা ৫০ থেকে বেড়ে ৭০০ ছাড়ায়।

তার বিদায়ে সিইও স্যাম অল্টম্যান বলেন, ওপেনএআইয়ের আইডিয়া যখন সবার কাছে &lsquo;পাগলামি&rsquo; মনে হতো, ব্র্যাড তখন সেটি বুঝেছিলেন। তাকে ছাড়া আজ আমরা এই অবস্থানে আসতে পারতাম না।

তবে শুধু লাইটক্যাপই নন, সাম্প্রতিক সময়ে ওপেনএআই ছেড়েছেন আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা। এ তালিকায় আছেন ভিডিও টুল &lsquo;সোরা&rsquo;র প্রধান বিল পিবলস, বিজ্ঞান উদ্যোগের প্রধান কেভিন ওয়েল, সেফটি সিস্টেম প্রধান জোহানেস হেইডেকসহ অনেকেই।

এত শীর্ষ কর্তার হঠাৎ বিদায়ের একক কোনো কারণ না থাকলেও এর পেছনে কোম্পানির অগ্রাধিকার পরিবর্তনকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওপেনএআই এখন তাদের সোরা বা অন্যান্য ছোট প্রকল্প থেকে সরে এসে মূলত এন্টারপ্রাইজ এআই ও কোডিংয়ের দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে।

সান নিউজ/জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 12 Aug 2026 12:44:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এক ফাইবারে একাধিক আইএসপি, ‘অ্যাকটিভ শেয়ারিং’ বদলাবে ব্রডব্যান্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117408" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117408</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট খাতে দীর্ঘদিনের আলোচিত &lsquo;অ্যাকটিভ শেয়ারিং&rsquo; চালুর উদ্যোগ এবার বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে। এ ব্যবস্থায় একই নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ব্যবহার করে একাধিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা আইএসপি গ্রাহকদের সেবা দিতে পারবে। ফলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা করে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক তৈরির প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রাথমিক গাইডলাইনের খসড়া প্রস্তুত করেছে। অংশীজনদের মতামত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা পর্যালোচনার পর গাইডলাইনটি চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের ফলাফলের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে শুধু আইএসপি ব্যবসার ধরনই বদলাবে না, গ্রাহকের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। একই অবকাঠামো ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মূল্য, প্যাকেজ, গতি ও গ্রাহকসেবার মান নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

বর্তমানে শহরাঞ্চলের একই এলাকায় একাধিক আইএসপি নিজেদের গ্রাহকদের সংযোগ দিতে আলাদাভাবে ফাইবার অপটিক কেবল, সুইচ, ডিস্ট্রিবিউশন বক্স ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থাপন করে। ফলে একই সড়ক, ভবন কিংবা বিদ্যুতের খুঁটিতে বারবার নতুন অবকাঠামো যুক্ত হয়।

এর ফল হিসেবে একদিকে আইএসপিগুলোর মূলধনি বিনিয়োগ বাড়ে, অন্যদিকে নগর এলাকায় তৈরি হয় অসংখ্য ঝুলন্ত তারের জট। রাস্তা ও ফুটপাতের ওপরও এর প্রভাব পড়ে। নগর ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে এটি একটি বড় সমস্যা হয়ে রয়েছে।

অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে একটি যৌথ অবকাঠামো একাধিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারলে একই জায়গায় বারবার নতুন কেবল স্থাপনের প্রয়োজন কমবে। এতে অবকাঠামো নির্মাণের ব্যয় কমার পাশাপাশি শহরের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনাও আরও সুশৃঙ্খল হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

নতুন ব্যবস্থার অন্যতম বড় পরিবর্তন হবে আইএসপিগুলোর প্রতিযোগিতার ধরনে। বর্তমানে গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকেই নিজস্ব অবকাঠামো তৈরিতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয়।

অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে একটি নির্দিষ্ট অবকাঠামো ব্যবহার করেই একাধিক আইএসপি নিজেদের ব্র্যান্ড, ইন্টারনেট প্যাকেজ, মূল্য এবং গ্রাহকসেবা নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

ফলে প্রতিযোগিতার মূল ক্ষেত্র হতে পারে ইন্টারনেটের গতি, মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা ও গ্রাহকসেবা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে ছোট ও মাঝারি আইএসপিগুলোর জন্য বাজারে টিকে থাকা এবং নতুন এলাকায় সেবা সম্প্রসারণের সুযোগও বাড়তে পারে।

বর্তমানে কোনো এলাকায় একটি বা দুটি আইএসপির প্রভাব বেশি থাকলে গ্রাহকের সেবাদাতা পরিবর্তনের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। একটি প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে যেতে হলে অনেক সময় নতুন করে কেবল টানতে হয় এবং সংযোগ স্থাপনের জন্য অতিরিক্ত সময় ও খরচের প্রয়োজন হয়।

অ্যাকটিভ শেয়ারিং ব্যবস্থা চালু হলে একই অবকাঠামো ব্যবহার করে একাধিক প্রতিষ্ঠান সেবা দিতে পারবে। ফলে গ্রাহক তুলনামূলক সহজে পছন্দের আইএসপি বেছে নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

এতে সেবাদাতাদের ওপরও গ্রাহক ধরে রাখার চাপ বাড়বে। ফলে ইন্টারনেটের মান উন্নত করা, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং প্রতিযোগিতামূলক প্যাকেজ দেওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

টেলিযোগাযোগ খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাজধানীর ধানমন্ডিকে দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অ্যাকটিভ শেয়ারিং জোন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে কয়েক বছর ধরে সীমিত পরিসরে এ ধরনের অবকাঠামো ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নেওয়া হচ্ছে।

আইএসপি খাতের প্রতিনিধিদের দাবি, ধানমন্ডিতে প্রায় চার বছর ধরে এ মডেল কার্যকর রয়েছে। বর্তমানে সেখানে প্রায় আট হাজার সংযোগ একই অবকাঠামো ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে এবং বড় ধরনের অভিযোগের তথ্য পাওয়া যায়নি।

এই অভিজ্ঞতাকে মূল্যায়ন করে যদি ফলাফল সন্তোষজনক হয়, তাহলে রাজধানীর অন্যান্য এলাকায় এবং পরবর্তী সময়ে দেশের বড় শহরগুলোতে অ্যাকটিভ শেয়ারিং সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) নেতাদের মতে, দেশে ব্রডব্যান্ড অবকাঠামোতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ থাকলেও তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পুরোপুরি কাজে লাগছে না।

আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ লাখ পরিবার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। অথচ বিদ্যমান নেটওয়ার্ক সক্ষমতা ব্যবহার করেই আরও প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ পরিবারকে সংযুক্ত করা সম্ভব।

তার মতে, অ্যাকটিভ শেয়ারিং না থাকায় একই এলাকায় একাধিক প্রতিষ্ঠান পৃথক নেটওয়ার্ক স্থাপন করছে। এতে বিনিয়োগের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

আইএসপি খাতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে এই অবকাঠামোর আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। যৌথ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হলে বিদ্যমান নেটওয়ার্কের কার্যকর ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।

অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি আইএসপিরাও সুবিধা পেতে পারে। নতুন এলাকায় সেবা দিতে তাদের আর শুরু থেকেই বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করে ফাইবার নেটওয়ার্ক তৈরির প্রয়োজন হবে না।

ফলে বাজারে প্রবেশের বাধা কমতে পারে। নতুন উদ্যোক্তারা তুলনামূলক কম বিনিয়োগে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোও অবকাঠামো তৈরির বদলে সেবার মান উন্নয়নে অর্থ ব্যয় করতে পারবে।

আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই অ্যাকটিভ শেয়ারিং কার্যকর রয়েছে। বাংলাদেশেও দীর্ঘদিন ধরে আইএসপি খাত এ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়ে আসছে।

তার মতে, একই এলাকায় বারবার কেবল স্থাপনের প্রয়োজন না থাকলে একদিকে তারের জট কমবে, অন্যদিকে অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয়ও কমে আসবে। এর সুফল শেষ পর্যন্ত গ্রাহকের কাছেও পৌঁছাতে পারে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের প্রাথমিক গাইডলাইনের খসড়া তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী জানিয়েছেন, গাইডলাইন চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত বিবেচনা করা হবে। পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতাও ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তে গুরুত্ব পাবে।

বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল রানাও জানিয়েছেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং গাইডলাইন এখনো প্রণয়ন পর্যায়ে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মোবাইল অপারেটরদেরও ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে কি না, সে বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে অ্যাকটিভ শেয়ারিং নিয়ে নতুন করে নীতিগত আলোচনা শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৩০ এপ্রিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে &lsquo;টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো শেয়ারিং&rsquo; শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় মোবাইল অপারেটর, এনটিটিএন, টাওয়ার কোম্পানি, আইএসপি, আইএসপিএবি, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। প্রায় ১৩০ জন প্রতিনিধি সেখানে মতামত দেন।

আলোচনায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন পক্ষ যৌথ অবকাঠামো ব্যবহারের সম্ভাব্য সুবিধাগুলো তুলে ধরে। তাদের মতে, এতে মূলধনি ব্যয় কমানো, দ্রুত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামোর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হতে পারে।

টেলিযোগাযোগ খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং শুধু ব্রডব্যান্ডেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; ভবিষ্যতে এটি উন্নত টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো তৈরিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

মোবাইল অপারেটরদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও অ্যাকটিভ শেয়ারিং গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা বলেছেন, যেসব দুর্গম এলাকায় ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছানো কঠিন, সেখানে নন-জিওস্টেশনারি বা NGSO স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সংযোগ সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

তাদের মতে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আলাদাভাবে অবকাঠামো তৈরি করার পরিবর্তে যৌথ ব্যবস্থায় এগোলে সম্পদের অপচয় কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও টেকসই টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে।


অ্যাকটিভ শেয়ারিং বাস্তবায়িত হলে দেশের ব্রডব্যান্ড খাতে কয়েকটি বড় পরিবর্তন আসতে পারে&mdash;


	একই অবকাঠামো ব্যবহার করতে পারবে একাধিক আইএসপি।
	নতুন করে ফাইবার কেবল স্থাপনের প্রয়োজন কমবে।
	আইএসপিগুলোর অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয় কমতে পারে।
	শহরের ঝুলন্ত তারের জট কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
	ছোট ও মাঝারি আইএসপির বাজারে প্রবেশ সহজ হতে পারে।
	গ্রাহকের সামনে একাধিক সেবাদাতা বেছে নেওয়ার সুযোগ বাড়বে।
	মূল্য ও ইন্টারনেট সেবার মান নিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে।
	অব্যবহৃত নেটওয়ার্ক সক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
	নতুন এলাকায় দ্রুত ব্রডব্যান্ড সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।


সব মিলিয়ে, বিটিআরসির প্রস্তাবিত অ্যাকটিভ শেয়ারিং গাইডলাইন বাস্তবায়িত হলে দেশের ব্রডব্যান্ড খাতে অবকাঠামো তৈরির প্রচলিত ধারণায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। প্রতিটি আইএসপির আলাদা নেটওয়ার্ক তৈরির বদলে একটি যৌথ অবকাঠামোর ওপর একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতামূলক সেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তবে এই ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে গাইডলাইনে অবকাঠামোর মালিকানা, ব্যবহারমূল্য, সেবার মান, রক্ষণাবেক্ষণ, গ্রাহকের অধিকার এবং আইএসপিগুলোর মধ্যে সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ কতটা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয় তার ওপর। সঠিক নীতিমালা ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে অ্যাকটিভ শেয়ারিং দেশের ব্রডব্যান্ড সেবাকে আরও সাশ্রয়ী, প্রতিযোগিতামূলক ও সুশৃঙ্খল করার একটি বড় পদক্ষেপ হতে পারে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 12 Aug 2026 09:35:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডে ওয়াই-ফাইয়ের মতো চিহ্নটি কী বোঝায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117383" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117383</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড হাতে নিলে বিভিন্ন ধরনের চিহ্ন চোখে পড়ে। এর মধ্যে ওয়াই-ফাইয়ের মতো দেখতে পাশ ফিরে থাকা ছোট একটি চিহ্ন অনেকেরই নজরে আসে। দেখতে ইন্টারনেটের প্রতীকের মতো হলেও এর সঙ্গে ওয়াই-ফাইয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি মূলত কনট্যাক্টলেস পেমেন্টের প্রতীক। অর্থাৎ, ওই কার্ডে &lsquo;ট্যাপ অ্যান্ড পে&rsquo; সুবিধা রয়েছে।

কনট্যাক্টলেস পেমেন্টের ক্ষেত্রে পিওএস (পয়েন্ট অব সেল) মেশিনে কার্ড ঢোকানো বা সোয়াইপ করার প্রয়োজন হয় না। নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে মেশিনের কাছে কার্ডটি ধরলেই লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। এ ক্ষেত্রে কার্ডের ভেতরে থাকা এনএফসি (নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন) প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কার্ডটি পিওএস মেশিনের কাছে ধরলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই কার্ড ও মেশিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান হয়। এরপর নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় লেনদেন সম্পন্ন হয়। ফলে দোকান, রেস্তোরাঁ, শপিং মলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দ্রুত পেমেন্ট করা সম্ভব।

কনট্যাক্টলেস পেমেন্টের সুবিধা

এই পদ্ধতির অন্যতম সুবিধা হলো সময় সাশ্রয়। বিশেষ করে ছোটখাটো কেনাকাটার ক্ষেত্রে দ্রুত লেনদেন করা যায়। পাশাপাশি কার্ডটি অন্যের হাতে দেওয়ার প্রয়োজন না থাকায় ব্যবহারকারীর জন্য এটি আরও সুবিধাজনক।

তবে ট্যাপ করলেই সব ধরনের লেনদেন পিন ছাড়াই করা যায়&mdash;এমনটি নয়। নির্দিষ্ট সীমার বেশি অর্থের লেনদেনে পিওএস মেশিনে পিন দিতে হতে পারে। এই সীমা ব্যাংক ও কার্ড নেটওয়ার্ক অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

কতটা নিরাপদ?

কনট্যাক্টলেস লেনদেনে কার্ডের তথ্য সুরক্ষিতভাবে আদান-প্রদানের জন্য বিভিন্ন নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকে। নির্দিষ্ট কিছু লেনদেনে অতিরিক্ত যাচাইয়ের প্রয়োজনও হতে পারে।

তবে কার্ড হারিয়ে গেলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জানিয়ে কার্ডটি ব্লক করা জরুরি। এতে অননুমোদিত লেনদেনের ঝুঁকি কমানো যায়।

বর্তমানে ভিসা, মাস্টারকার্ডসহ বিভিন্ন কার্ড নেটওয়ার্কের অনেক ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডেই কনট্যাক্টলেস পেমেন্ট সুবিধা রয়েছে। তাই কার্ডে ওয়াই-ফাইয়ের মতো চিহ্নটি দেখলে বুঝতে হবে, সেটি আসলে কার্ড ট্যাপ করে দ্রুত ও সহজে পেমেন্ট করার সুবিধার সংকেত।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 11:20:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আইফোনে বড় পরিবর্তন আনছে অ্যাপল!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117382" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117382</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আইফোন উন্মোচনের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে অ্যাপল। ২০২৭ সালে বাজারে আসতে পারে নতুন নকশার আইফোন প্রো মডেল, যেখানে কাঁচের ব্যবহার থাকবে বর্তমান মডেলগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।

ব্লুমবার্গের প্রযুক্তি সাংবাদিক মার্ক গুরম্যান জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের আইফোন প্রো মডেলের জন্য বিশেষ কাঁচ-প্রধান ফ্রেমের নকশা তৈরির কাজ করছে মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপল।

এর আগে জেফরিসের বিশ্লেষক এডিসন লি দাবি করেছিলেন, আইফোনের ২০তম বার্ষিকী উপলক্ষে সম্পূর্ণ কাঁচের তৈরি একটি মডেল বাজারে আনার পরিকল্পনা বাতিল করেছে অ্যাপল। তবে গুরম্যানের দাবি, অ্যাপলের মূল পরিকল্পনা পুরোপুরি বাতিল হয়নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন নকশার আইফোন প্রো মডেলের সামনে ও পেছনে কাঁচের স্তর থাকবে, যা ডিভাইসের পাশের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। দুই কাঁচের অংশের মাঝে থাকবে একটি সরু ধাতব রিং বা ব্যান্ড। এতে বর্তমান আইফোনের তুলনায় ফোনটির বাহ্যিক নকশায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।

অ্যাপলের অভ্যন্তরীণ সূত্রে নতুন এই ডিভাইস দুটির সাংকেতিক নাম &lsquo;ভি৭৩&rsquo; ও &lsquo;ভি৭৪&rsquo; দেওয়া হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে গুরম্যান স্পষ্ট করেছেন, পুরোপুরি কাঁচের তৈরি করার যে উচ্চাভিলাষী ধারণা নিয়ে অ্যাপল একসময় কাজ করেছিল, সেটি নকশার প্রাথমিক পর্যায়েই বাদ দেওয়া হয়। বর্তমানে যে কাঁচ-প্রধান নকশা নিয়ে কাজ চলছে, সেটি অবশ্য এখনো বহাল রয়েছে।

২০০৭ সালে বাজারে আসার পর ২০২৭ সালে আইফোনের দুই দশক পূর্ণ হবে। এই বিশেষ বার্ষিকী উপলক্ষে ডিভাইসটির নকশায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার গুঞ্জন রয়েছে।

প্রতিবেদনটি সত্য হলে, গত কয়েক বছরের মধ্যে এটিই হতে পারে আইফোনের সবচেয়ে বড় বাহ্যিক পরিবর্তন। এতে প্রচলিত ধাতব ফ্রেমের ব্যবহার কমে গিয়ে বাঁকানো কাঁচের ব্যবহার আরও গুরুত্ব পেতে পারে।

তবে ২০২৭ সালের আইফোনের নতুন নকশা বা পরিকল্পনা নিয়ে অ্যাপল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

সূত্র: সামা টিভি

সান নিউজ/ জামান ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 11:06:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হোয়াটসঅ্যাপের ৬ দারুণ ফিচার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117203" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117203</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হোয়াটসঅ্যাপ শুধু বার্তা আদান-প্রদান নয়, ভয়েস ও ভিডিও কল, ফাইল শেয়ারিংসহ নানা কাজে প্রতিদিন ব্যবহার হয়। ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করতে নিয়মিত নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করছে মেটা। তবে এসব সুবিধার অনেকগুলোই এখনো অনেকের অজানা। জেনে নিন হোয়াটসঅ্যাপের এমন ৬টি কার্যকর ফিচার সম্পর্কে, যা আপনার দৈনন্দিন ব্যবহারকে আরও সহজ করে তুলতে পারে।

১. একাধিক ডিভাইসে ব্যবহার

হোয়াটসঅ্যাপের Linked Devices ফিচারের মাধ্যমে একই অ্যাকাউন্ট একাধিক কম্পিউটার বা অন্যান্য সমর্থিত ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়। একবার সংযুক্ত করার পরও মূল ফোনটি সব সময় অনলাইনে থাকা প্রয়োজন হয় না। (তবে নতুন করে অ্যাকাউন্ট নিবন্ধনের জন্য একটি বৈধ ফোন নম্বর প্রয়োজন।)

২. নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য আলাদা নোটিফিকেশন

গুরুত্বপূর্ণ কোনো ব্যক্তির বার্তা আলাদাভাবে শনাক্ত করতে চাইলে কাস্টম নোটিফিকেশন ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য নির্দিষ্ট কনট্যাক্টের চ্যাট খুলে তার নামের ওপর ট্যাপ করুন। এরপর Notifications অপশনে গিয়ে আলাদা রিংটোন বা নোটিফিকেশন টোন নির্বাচন করুন। এতে ফোন না দেখেও বুঝতে পারবেন কার কাছ থেকে বার্তা এসেছে।

৩. বার্তাকে করুন আরও আকর্ষণীয়

হোয়াটসঅ্যাপে টেক্সট ফরম্যাটিং ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা আলাদা করে তুলে ধরা যায়।


	বোল্ড: *লেখা*
	ইটালিক: _লেখা_
	স্ট্রাইকথ্রো: ~লেখা~


এসব ফরম্যাট ব্যবহার করলে বার্তা আরও পরিষ্কার ও দৃষ্টিনন্দন হয়।

৪. নিজের কাছেই বার্তা পাঠান

হোয়াটসঅ্যাপে নিজের নম্বরেও মেসেজ পাঠানো যায়। এতে প্রয়োজনীয় নোট, ওয়েবসাইটের লিংক, ছবি, ডকুমেন্ট বা ভয়েস নোট সংরক্ষণ করা সহজ হয়। সার্চ বক্সে নিজের নম্বর বা Message Yourself চ্যাট খুলে প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে পারেন।

৫. গ্রুপ চ্যাটে পোল তৈরি

বন্ধু, পরিবার বা সহকর্মীদের মধ্যে কোনো বিষয়ে দ্রুত মতামত জানতে চাইলে গ্রুপ চ্যাটে পোল (জরিপ) তৈরি করতে পারেন। এজন্য গ্রুপ চ্যাটে গিয়ে পেপার ক্লিপ আইকনে ট্যাপ করে Poll নির্বাচন করুন। এরপর প্রশ্ন ও সম্ভাব্য উত্তরগুলো লিখে পাঠিয়ে দিন। অংশগ্রহণকারীদের ভোটের ফলাফলও সহজেই দেখা যাবে।

৬. নির্দিষ্ট তারিখের পুরোনো বার্তা খুঁজুন

অনেক পুরোনো কোনো বার্তা খুঁজে বের করতে স্ক্রল করার প্রয়োজন নেই। ব্যক্তিগত বা গ্রুপ চ্যাটে গিয়ে Search অপশনে প্রবেশ করুন। এরপর ক্যালেন্ডার আইকনে ট্যাপ করে নির্দিষ্ট তারিখ নির্বাচন করলে ওই দিনের বার্তাগুলো দ্রুত খুঁজে পাওয়া যাবে।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 10:05:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ল স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের অংশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117199" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117199</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এতে চাঁদের পৃষ্ঠে নতুন একটি গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ ধুলা ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, রকেটের অংশটি ঘণ্টায় প্রায় ৫ হাজার ৪০০ মাইল গতিতে, অর্থাৎ শব্দের গতির প্রায় সাত গুণ বেগে চাঁদের পৃষ্ঠে আঘাত হানে।

বিজ্ঞানীদের মতে, এ সংঘর্ষে প্রায় তিন টন টিএনটির সমপরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হতে পারে। এর ফলে চাঁদের পৃষ্ঠে একটি নতুন গর্ত তৈরি হওয়ার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ধুলা ও ধ্বংসাবশেষ মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পৃথিবী থেকে টেলিস্কোপের মাধ্যমে ঘটনাটি পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করা হলেও সংঘর্ষের সময় কোনো দৃশ্যমান আলোর ঝলক বা চিহ্ন দেখা যায়নি। গবেষকদের ধারণা, সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত হতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

প্রাথমিক হিসেবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, সংঘর্ষের ফলে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ লাখ কেজি ধ্বংসাবশেষ ওপরে উঠে যেতে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে নাসার লুনার রিকনেসাঁ অরবিটার আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সংঘর্ষস্থলের ছবি ধারণ করবে।

ফ্যালকন-৯ রকেটটি ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে চাঁদে দুটি লুনার ল্যান্ডার পাঠানোর একটি মিশনে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী রকেটটির কোনো অংশেরই চাঁদে আঘাত হানার কথা ছিল না।

মিশনের সময় রকেটের নিচের ধাপটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ফিরে এলেও ল্যান্ডারগুলোকে চাঁদের পথে পাঠানোর কাজে ব্যবহৃত ওপরের ধাপটি মহাকাশে থেকে যায়। পরে সৌর কার্যকলাপ ও বিভিন্ন মহাজাগতিক মহাকর্ষীয় প্রভাবের কারণে এর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে চাঁদের দিকে চলে যায়।

নাসার বিজ্ঞানবিষয়ক পরিচালক এবং স্পেসএক্সের ড্রাগন মহাকাশযান কর্মসূচির পরিচালক জুলিয়ানা শেইমান জানিয়েছেন, সৌর কার্যকলাপ ও মহাকর্ষীয় শক্তির সম্মিলিত প্রভাবে রকেটের ওই অংশের কক্ষপথ পরিবর্তিত হয়, যা শেষ পর্যন্ত চাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এদিকে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের একটি প্রাকপ্রকাশিত গবেষণার বরাতে ওয়্যার্ড জানিয়েছে, সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষের মেঘ প্রায় ১১৪ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।

নাসা জানিয়েছে, এ ঘটনায় পৃথিবীর জন্য কোনো ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়নি। তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পূর্বাভাস আরও নির্ভুল করতে রকেটের গতিপথ পর্যবেক্ষণ এবং সংঘর্ষস্থল নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়ে যাওয়া হবে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 09:29:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৩ টন বোমার শক্তি নিয়ে আজ চাঁদে আছড়ে পড়বে রকেটের ধ্বংসাবশেষ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117148" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117148</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মহাকাশে ভেসে থাকা মানুষের তৈরি একটি রকেটের পরিত্যক্ত অংশ আজ বুধবার (৫ আগস্ট) চাঁদের পৃষ্ঠে আঘাত হানতে যাচ্ছে। গবেষকদের ধারণা, প্রায় পাঁচতলা ভবনের সমান আকারের এই ধ্বংসাবশেষ ঘণ্টায় প্রায় ৫ হাজার ৪০০ মাইল বেগে চাঁদে আছড়ে পড়বে। সংঘর্ষের শক্তি হবে প্রায় ৩ টন টিএনটি বিস্ফোরণের সমান।

গবেষকরা জানিয়েছেন, স্পেসএক্সের ফ্যালকন ৯ রকেটের ওপরের অংশটি চন্দ্রযান মহাকাশে পাঠানোর পর এক বছরের বেশি সময় ধরে কক্ষপথে ঘুরছিল। পরে চাঁদের অভিকর্ষ বলের কারণে এটি ধীরে ধীরে চাঁদের দিকে ধাবিত হয়।

মহাকাশবিজ্ঞানীদের ধারণা, রকেটের এই অংশটি চাঁদের আলোকিত অঞ্চলের আইন্স্টাইন গহ্বরের কাছে আঘাত হানবে। এর ফলে চাঁদের পৃষ্ঠে প্রায় ২৭ মিটার চওড়া এবং ৫ মিটার গভীর নতুন একটি গহ্বর তৈরি হতে পারে।

টেক্সাস ইউনিভার্সিটির গবেষক উইলিয়াম জো জানান, সংঘর্ষের পর তৈরি হওয়া ধূলিকণা ও ধ্বংসাবশেষের মেঘ চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭৫ থেকে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

নিউ মেক্সিকোর লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির গবেষক বেঞ্জামিন ফার্নান্দো বলেন, সংঘর্ষের সময় তৈরি হওয়া আলোর ঝলকানি এক সেকেন্ডেরও কম সময় স্থায়ী হতে পারে। তবে টেলিস্কোপের মাধ্যমে মহাকাশ ও পৃথিবী থেকে কয়েক মিনিট পর্যন্ত উৎক্ষিপ্ত ধূলিকণা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হতে পারে।

তবে চাঁদে কোনো বায়ুমণ্ডল না থাকায় এই সংঘর্ষের কারণে পৃথিবী বা ভবিষ্যতের মানব মহাকাশ অভিযানের জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি হবে না বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

এদিকে, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের &lsquo;লুনার রিকনসাইস্যান্স অরবিটার&rsquo; ব্যবহার করে সংঘর্ষের আগে ও পরের ছবি সংগ্রহ করবে। মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে, এ ঘটনা ভবিষ্যতে মহাকাশ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তাকে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 05 Aug 2026 06:11:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফোনের-আসক্তি-কমানোর-৭-উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116969" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116969</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কাজের প্রয়োজনে যেমন ফোন ব্যবহার বাড়ছে, তেমনি অপ্রয়োজনীয় স্ক্রলিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানোর প্রবণতাও বাড়ছে। এমনকি পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে থাকলেও অনেকেই ব্যস্ত থাকেন নিজেদের ফোনে। ফলে কমছে পারস্পরিক যোগাযোগ, বাড়ছে মানসিক চাপ এবং সময়ের অপচয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকা মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য উপকারী। ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কমাতে কয়েকটি সহজ অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।

অ্যাপ ব্যবহার

ফোন ব্যবহারের সময় পর্যবেক্ষণ করতে বিভিন্ন স্ক্রিন টাইম বা ডিজিটাল ওয়েলবিয়িং অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। এসব অ্যাপ কোন অ্যাপে কত সময় ব্যয় করছেন, তার বিস্তারিত তথ্য দেখায়। এতে নিজের অজান্তে কতটা সময় নষ্ট হচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যায় এবং ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।

অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার

ঘুম থেকে ওঠার জন্য ফোনের অ্যালার্ম ব্যবহার করলে অনেকেই সকালে উঠেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ইমেইল দেখতে শুরু করেন। এ অভ্যাস এড়াতে আলাদা একটি অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করা ভালো। পাশাপাশি রাতে ফোন অন্য কক্ষে চার্জে রেখে সকালে নির্দিষ্ট সময়ের আগে ফোন না ধরার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।

হঠাৎ করে ব্যবহার বন্ধ করুন

কিছু বিশেষজ্ঞ কয়েক দিনের জন্য ফোন ব্যবহার থেকে বিরতি নেওয়ার পরামর্শ দেন। এতে ফোনের প্রতি নির্ভরশীলতা কমে এবং নতুন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে ওঠে। পরে ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় কাজের জন্য সীমিতভাবে ফোন ব্যবহার শুরু করা যেতে পারে।

ডু নট ডিস্টার্ব

প্রায় সব স্মার্টফোনেই &#39;ডু নট ডিস্টার্ব&#39; সুবিধা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কল, মেসেজ ও অন্যান্য নোটিফিকেশন বন্ধ রেখে গুরুত্বপূর্ণ কাজ বা বিশ্রামের সময় মনোযোগ ধরে রাখা সম্ভব।

প্রযুক্তিমুক্ত সময়

প্রতিদিন বা সপ্তাহে নির্দিষ্ট কিছু সময় সম্পূর্ণ প্রযুক্তিমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। সে সময় হাঁটাহাঁটি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা কিংবা অন্য কোনো অফলাইন কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন। এতে মানসিক চাপও কমবে।

অ্যালার্ট বন্ধ করুন

বারবার নোটিফিকেশনের শব্দ মনোযোগ নষ্ট করে এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে ফোন হাতে নিতে বাধ্য করে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বিভিন্ন অ্যাপের অ্যালার্ট বন্ধ রাখলে ফোন ব্যবহারের প্রবণতা অনেকটাই কমে আসে।

শখের কোনো কাজ

বই পড়া, ব্যায়াম করা, বাগান করা, পোষা প্রাণীর সঙ্গে সময় কাটানো বা বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার মতো অভ্যাস ফোন থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। বাস্তব জীবনের এসব অভিজ্ঞতা মানসিক প্রশান্তিও বাড়ায়।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা ফোন ছাড়া থাকলে মানসিক চাপ কমে, মনোযোগ বৃদ্ধি পায় এবং দৈনন্দিন কাজে উৎপাদনশীলতা বাড়ে।

এক ঘণ্টা মোবাইল ছাড়া থাকলে ইতিবাচক যেসব পরিবর্তন ঘটতে পারে


	মস্তিষ্ক কিছুটা বিশ্রাম পায় এবং অযথা তথ্যের চাপ কমে।
	পড়াশোনা বা কাজে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
	নতুন চিন্তা ও সৃষ্টিশীলতার বিকাশ ঘটে।
	মানসিক শান্তি ও আত্মসংযোগ বাড়ে।
	পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত মোবাইল নির্ভরতা শুধু সময়ই নষ্ট করে না, এটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এই প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। তাই প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি সচেতনভাবে এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 01 Aug 2026 10:03:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ওপেনএআইয়ের এআই মডেলের ‘সাইবার হামলা’ ঘিরে বিতর্ক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116756" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116756</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে ওপেনএআই। গত ১৬ জুলাই এআই প্ল্যাটফর্ম হাগিং ফেস জানায়, তাদের সিস্টেমে অত্যন্ত উন্নত একটি এআই স্বয়ংক্রিয়ভাবে হামলা চালিয়ে দুই দিনেরও কম সময়ে প্রায় ১৭ হাজার স্বয়ংক্রিয় কাজ সম্পন্ন করে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা অতিক্রম করে বিভিন্ন তথ্যে প্রবেশ করে।

প্রথমে এর পেছনে হ্যাকার গোষ্ঠী বা রাষ্ট্রীয় সমর্থিত সাইবার হামলার সন্দেহ করা হলেও পরে জানা যায়, এটি ছিল ওপেনএআইয়ের পরীক্ষাধীন একটি মডেলের কার্যক্রম। ওপেনএআই জানায়, হ্যাকিং সক্ষমতা যাচাইয়ের সময় মডেলটি নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে ইন্টারনেটে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে হাগিং ফেসের সিস্টেমে কার্যক্রম চালায়।

এ নিয়ে প্রযুক্তি অঙ্গনে চলছে তুমুল বিতর্ক। একদল এটিকে ভবিষ্যতের এআই ঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার অন্যরা মনে করছেন এটি নতুন মডেলের সক্ষমতা তুলে ধরার একটি প্রচারণা মাত্র। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, শুধু &lsquo;স্যান্ডবক্স&rsquo; পরিবেশে উন্নত এআই নিয়ন্ত্রণ করা যথেষ্ট নয়; ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যের এআই সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক এক গবেষণাতেও একই ধরনের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে কিছু উন্নত এআই মডেল লক্ষ্য অর্জনে অননুমোদিত পদ্ধতিও ব্যবহার করতে পারে। তবে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের সাবেক প্রধান সিয়ারান মার্টিন বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত না করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এটিকে এআই মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার প্রমাণ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না, তবে সাইবার হামলায় এআইয়ের সক্ষমতা দ্রুত বাড়ছে বলে তিনি স্বীকার করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাটি একদিকে এআইয়ের সক্ষমতা এবং অন্যদিকে এর সম্ভাব্য ঝুঁকি&mdash;দুটোই সামনে এনেছে, যা এআইয়ের নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিতের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সান নিউজ/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 28 Jul 2026 08:14:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফেসবুকে নতুন ভেরিফায়েড সুবিধা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116565" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116565</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ভুয়া পরিচয় শনাক্তে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। এ লক্ষ্যে শিগগিরই চালু হচ্ছে &lsquo;ফেসবুক ভেরিফায়েড&rsquo;-এর নতুন একটি সুবিধা, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন।

নতুন এই সুবিধায় পরিচয় যাচাইয়ের জন্য ব্যবহারকারীকে একটি সংক্ষিপ্ত সেলফি ভিডিও জমা দিতে হবে। ভিডিওটি প্রোফাইল ছবির সঙ্গে মিলিয়ে মেটার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা পরিচয় নিশ্চিত করবে। যাচাই সফল হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই অ্যাকাউন্টে যুক্ত হবে ভেরিফায়েড ব্যাজ।

তবে সুবিধাটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে না। আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। পাশাপাশি অ্যাকাউন্টে প্রতারণা, ভুয়া তথ্য ছড়ানো বা কমিউনিটি নীতিমালা লঙ্ঘনের রেকর্ড থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

প্রাথমিকভাবে ভেরিফায়েড ব্যাজ ব্যবহারকারীর প্রোফাইল, গ্রুপ, মার্কেটপ্লেস এবং ফেসবুক ডেটিং সেবায় দেখা যাবে। পরবর্তী সময়ে ফিডের পোস্টেও ব্যাজটি প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। একবার পরিচয় যাচাই সম্পন্ন হলে পুরো ফেসবুক প্ল্যাটফর্মেই এই ভেরিফিকেশন কার্যকর থাকবে।


মেটা জানিয়েছে, এটি তাদের বিদ্যমান মেটা ভেরিফায়েড সেবার বিকল্প নয়। কারণ মেটা ভেরিফায়েড একটি অর্থের বিনিময়ে পাওয়া সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা, যেখানে অতিরিক্ত গ্রাহক সহায়তা ও অন্যান্য প্রিমিয়াম সুবিধা দেওয়া হয়। অন্যদিকে নতুন ফেসবুক ভেরিফায়েড কেবল ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য চালু করা হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত গ্রাহক সহায়তা বা অন্য কোনো প্রিমিয়াম সুবিধা থাকবে না।

প্রথম ধাপে কয়েকটি দেশে এ সুবিধা চালু হবে। পরে ধাপে ধাপে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এটি সম্প্রসারণ করা হবে। মেটার আশা, নতুন এই উদ্যোগ ফেসবুককে আরও নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Jul 2026 05:15:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ক্যামেরা হ্যাক ঠেকানোর সহজ উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116467" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116467</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত সিসি ক্যামেরাই কখনো কখনো গোপনীয়তার ঝুঁকির কারণ হতে পারে। অসতর্কতার কারণে ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস, ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে চলে যাওয়া কিংবা অনলাইন হ্যাকিংয়ের মতো ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সাধারণ সতর্কতা মেনে চললেই এসব ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

বর্তমানে বাড়ি, অফিস, দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। কিন্তু সঠিকভাবে সেটআপ ও সুরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে এই প্রযুক্তি হয়ে উঠতে পারে ব্যক্তিগত তথ্যের জন্য হুমকি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিসি ক্যামেরা হ্যাক হয়ে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বড় কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং ব্যবহারকারীদের কিছু সাধারণ ভুলের কারণেই এসব সমস্যা তৈরি হয়।

ডিফল্ট পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন

সিসি ক্যামেরার নিরাপত্তায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলোর একটি হলো ডিফল্ট পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা। কারণ অনেক ক্যামেরার প্রাথমিক পাসওয়ার্ড অনলাইনে সহজেই পাওয়া যায়, যা ব্যবহার করে সাইবার অপরাধীরা ক্যামেরায় প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ক্যামেরা চালু করার পরপরই ডিফল্ট পাসওয়ার্ড বদলে বড় ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন মিলিয়ে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।

একই পাসওয়ার্ড বারবার ব্যবহার করবেন না

একাধিক অ্যাকাউন্ট বা ডিভাইসে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই সিসি ক্যামেরার জন্য আলাদা ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা নিরাপদ।

অনেকেই ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সিসি ক্যামেরার জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন।

এর ফলে একটি অ্যাকাউন্টের তথ্য ফাঁস হলে একই পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্য অ্যাকাউন্টেও ঢোকার সুযোগ তৈরি হয়। সাইবার নিরাপত্তায় এটিকে &lsquo;ক্রেডেনশিয়াল স্টাফিং&rsquo; নামে পরিচিত একটি আক্রমণ কৌশল হিসেবে ধরা হয়।

সফটওয়্যার আপডেট

সিসি ক্যামেরাও এক ধরনের কম্পিউটার। তাই এতে থাকা সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যারে নিরাপত্তাজনিত ত্রুটি থাকতে পারে।

এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট শনাক্ত করতে কার্যক্রম বৃদ্ধি করছে টিকটক
প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে এসব ত্রুটি ঠিক করে। কিন্তু ব্যবহারকারী যদি সেই আপডেট ইনস্টল না করেন, তাহলে পুরোনো দুর্বলতাগুলো কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখুন

যেসব ক্যামেরা বা মোবাইল অ্যাপ টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সমর্থন করে, সেখানে এটি চালু রাখা উচিত।

এতে পাসওয়ার্ড জেনে গেলেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা যাচাই ছাড়া অন্য কেউ সহজে আপনার ক্যামেরায় প্রবেশ করতে পারবে না।

পাবলিক ওয়াইফাই দিয়ে ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ না করা

হোটেল, ক্যাফে বা বিমানবন্দরের উন্মুক্ত ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক সব সময় নিরাপদ নাও হতে পারে।

এসব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ বা লগইন করলে তথ্য চুরির ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। প্রয়োজনে মোবাইল ডেটা বা নিরাপদ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করাই ভালো।

অচেনা অ্যাপ ব্যবহার করবেন না

অনেকেই অতিরিক্ত সুবিধার আশায় তৃতীয় পক্ষের (থার্ড পার্টি) অ্যাপ ব্যবহার করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্ভব হলে ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল অ্যাপ ব্যবহার করাই নিরাপদ। অজানা উৎস থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করলে ব্যক্তিগত তথ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

ক্যামেরার অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ

প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার পাশাপাশি ক্যামেরা কোথায় বসানো হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

শোবার ঘর, বাথরুম বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার স্থানগুলোতে ক্যামেরা বসানো থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ নিরাপত্তা ভাঙলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তাই।

ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহারে সতর্ক থাকুন

অনেক আধুনিক সিসি ক্যামেরার ভিডিও সরাসরি ক্লাউডে সংরক্ষিত হয়। ক্লাউড সেবা ব্যবহার করলে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, ২-ধাপ যাচাই এবং নিয়মিত লগইন কার্যক্রম পরীক্ষা করা উচিত। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় পুরোনো ডিভাইসের অ্যাক্সেস মুছে ফেলাও জরুরি।

সিম কার্ডের এক কোণা কাটা থাকে কেন জানলে অবাক হবেন
পুরোনো ক্যামেরা বিক্রির আগে যা করবেন

পুরোনো ক্যামেরা বিক্রি বা অন্যকে দেওয়ার আগে শুধু মেমোরি কার্ড খুলে ফেললেই যথেষ্ট নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিভাইসটি &lsquo;ফ্যাক্টরি রিসেট&rsquo; করে সব অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট করতে হবে। প্রয়োজনে ক্লাউড অ্যাকাউন্ট থেকেও ডিভাইসটি অপসারণ করতে হবে।

কীভাবে বুঝবেন আপনার ক্যামেরা ঝুঁকিতে?

নিচের লক্ষণগুলো দেখা গেলে সতর্ক হওয়া উচিত&mdash;

পাসওয়ার্ড নিজে থেকে পরিবর্তিত হয়ে যাওয়া।

অচেনা ডিভাইস থেকে লগইনের নোটিফিকেশন।

ক্যামেরা নিজে থেকে ঘুরে যাওয়া (পিটিজেড ক্যামেরার ক্ষেত্রে)।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 22 Jul 2026 07:09:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গুগল ভিডস দিয়ে তৈরি হবে এআই ভিডিও]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116360" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116360</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এআই ভিডিও তৈরির চাহিদাকে পুঁজি করে টেক জায়ান্ট গুগল তাদের এআই ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট &lsquo;গুগল ভিডস&rsquo;-এ নিয়ে এসেছে বৈপ্লবিক সব ফিচার। নতুন এই পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখন নিজের মতো দেখতে এবং নিজের কণ্ঠ ব্যবহার করে ডিজিটাল এভাটার তৈরি করতে পারবেন। শুধুমাত্র একটি সেলফি ও স্বল্প সময়ের একটি ভয়েস রেকর্ডিং আপলোড করলেই হবে।

সর্বশেষ এই আপডেটে যুক্ত হয়েছে গুগলের জেমিনি ওমনি মডেল। এটি লিখিত নির্দেশনা ও রেফারেন্স ছবি বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিও তৈরি করতে সক্ষম। পাশাপাশি ভিডিওর পেছনের দৃশ্য পরিবর্তন, আলো সমন্বয় এবং বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট যোগ করার সুবিধাও থাকছে। ধাপে ধাপে সম্পাদনার সুযোগ থাকায় পুরো ভিডিও নতুন করে তৈরি করার প্রয়োজন হবে না।

শুরুতে গুগল ভিডস মূলত অফিসের উপস্থাপনা তৈরির একটি টুল হিসেবে চালু হয়েছিল। নতুন ফিচারগুলোর মাধ্যমে এটিকে পূর্ণাঙ্গ এআই ভিডিও তৈরির প্ল্যাটফর্মে পরিণত করতে চায় গুগল। ফলে ব্যবসা, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা এবং কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য মানসম্মত ভিডিও তৈরি আরও সহজ হবে।

নতুন সুবিধার মাধ্যমে হেইজেন, সিন্থেসিয়া, ক্যাপশনস এবং ডি-আইডি&ndash;এর মতো এআই ভিডিও প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামছে গুগল। নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি ব্যক্তিগত এভাটার সংশ্লিষ্ট গুগল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এছাড়া এআই-নির্মিত ভিডিওতে অদৃশ্য সিন্থআইডি ডিজিটাল ওয়াটারমার্কও যুক্ত করা হবে।

প্রাথমিকভাবে এই সুবিধা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কয়েকটি অঞ্চলের ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্বের আরও অঞ্চলে এটি উন্মুক্ত করা হবে বলে আশা করা যায়।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 19 Jul 2026 11:00:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অনলাইনে পর্নোগ্রাফির বিস্তার:  উদ্বিগ্ন অভিভাবক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116064" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/116064</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে ইন্টারনেট এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিক্ষা, বিনোদন ও যোগাযোগের জন্য শিশু-কিশোররাও আগের তুলনায় অনেক বেশি সময় অনলাইনে কাটাচ্ছে। তবে এই সুবিধার পাশাপাশি বয়স-অনুপযোগী ও ক্ষতিকর কনটেন্টে তাদের সহজ প্রবেশাধিকার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে।

বিশেষ করে পর্নোগ্রাফিসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর কনটেন্ট শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অভিভাবকদের ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সন্তানকে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। তারা কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছে, কোন অ্যাপ ব্যবহার করছে এবং প্রতিদিন কত সময় অনলাইনে কাটাচ্ছে&mdash;এসব বিষয়ে পরিবারের সচেতন নজরদারি প্রয়োজন।

একই সঙ্গে সন্তানদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা, পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলা এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের নিয়ম শেখানোও অত্যন্ত জরুরি। এতে শিশুদের মধ্যে দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ গড়ে ওঠে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কনটেন্ট থেকে দূরে থাকার মানসিকতা তৈরি হয়।

মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বয়সের আগেই যৌনধর্মী বা অনুপযুক্ত কনটেন্টের সংস্পর্শে এলে শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক আচরণ এবং পারিবারিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এটি উদ্বেগ, বিভ্রান্তি, আসক্তি কিংবা ভুল ধারণার জন্ম দিতে পারে।

তাই শিশুদের বয়স উপযোগী শিক্ষা এবং পরিবারে খোলামেলা ও ইতিবাচক যোগাযোগের পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

প্রযুক্তির মাধ্যমেই প্রযুক্তির ঝুঁকি কমানো সম্ভব

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও কম্পিউটারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, সেফ সার্চ, স্ক্রিন টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং বয়সভিত্তিক কনটেন্ট ফিল্টার ব্যবহার করলে অনাকাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটে প্রবেশের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।

এছাড়া শিশুদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান বজায় রেখে নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু পরিবারের সচেতনতা যথেষ্ট নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি কোম্পানি, নীতিনির্ধারক সংস্থা এবং সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

তাদের মতে, ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারে উৎসাহিত করাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনলাইন ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখার অন্যতম কার্যকর উপায়।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 11:48:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইন্টারনেটের জনক ভিন্ট সার্ফের অবসর ঘোষণা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/115932" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/115932</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইন্টারনেটের জনক ও ডিজিটাল বিশ্বের রূপকার ভিন্ট সার্ফ গুগলের &lsquo;চিফ ইন্টারনেট ইভাঞ্জেলিস্ট&rsquo; পদ থেকে অবসর নিতে যাচ্ছেন।

ভিন্ট সার্ফ লাউড ইনস্টিটিউট আয়োজিত &lsquo;ওপেন ফ্রন্টিয়ার&rsquo; কনফারেন্সে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এই ঘোষণা দেন।

প্যাটারসন বলেন, &lsquo;ভিন্ট ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গুগলে কর্মরত আছেন এবং আজ থেকে ঠিক এক সপ্তাহ পর তিনি অবসরে যাচ্ছেন।&rsquo;

উল্লেখ্য, ৮৩ বছর বয়সি ভিন্ট সার্ফ এবং রবার্ট কান যৌথভাবে এমন কিছু নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল তৈরি করেছিলেন, যা আজকের ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

১৯৭০-এর দশকে শুরু হওয়া &lsquo;টিসিপি/আইপি&rsquo; সংক্রান্ত তাদের এই গবেষণা মূলত বিভিন্ন কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মৌলিক নিয়মাবলী বা স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করে দিয়েছিল।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সার্ফ ক্যারিয়ারে একাধিক মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন, যার মধ্যে আমেরিকার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা &lsquo;প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম&rsquo; এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানের নোবেল খ্যাত &lsquo;টুরিং অ্যাওয়ার্ড&rsquo; অন্যতম।

তিনি ২০০৫ সালে গুগলে যোগ দেন এবং দীর্ঘ সময় ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ ইন্টারনেট ইভাঞ্জেলিস্ট হিসেবে সেখানে দায়িত্ব পালন করেন।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে অধ্যাপক প্যাটারসন ১৯৭০-এর দশকে সার্ফের সঙ্গে তার প্রথম দেখার স্মৃতি রোমন্থন করেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন ইউসি বার্কলের অধ্যাপক ডেভ প্যাটারসন কম্পিউটার বিজ্ঞানে সার্ফের সুদীর্ঘ ক্যারিয়ার এবং অসামান্য অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তবে এ বিষয়ে গুগলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: সামা টিভি

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 12:55:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা জেনে নিন এই ৪ লক্ষণ দেখে ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/115416" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/115416</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনগুলোতে সাধারণত একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলেও সাইবার অপরাধীদের নিত্যনতুন কৌশলের কারণে ব্যবহারকারীরা প্রতিনিয়ত ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকর সফটওয়্যারের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলো সাধারণত সুরক্ষিত হলেও ফোন হ্যাক বা সংক্রমিত হয়েছে কিনা, তা বুঝতে ব্যবহারকারীদের সবসময় সতর্ক থাকা উচিত। ম্যালওয়্যার শুধু ফোনের কার্যক্ষমতাই কমায় না, বরং ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণও ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা, তা বোঝার জন্য ৪টি প্রধান লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো:

১. ফোনের অস্বাভাবিক আচরণ

ম্যালওয়্যার সংক্রমণের অন্যতম সাধারণ লক্ষণ হলো ডিভাইসের অপ্রত্যাশিত আচরণ। যদি আপনার ফোন আপনার অজান্তেই নিজে নিজে টেক্সট মেসেজ পাঠাতে শুরু করে, কাউকে কল দেয়, কোনো অ্যাপ খুলে যায় কিংবা স্ক্রিনে হঠাৎ পপআপ বিজ্ঞাপন ভেসে ওঠে, তবে বুঝতে হবে ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো ক্ষতিকর সফটওয়্যার সচল রয়েছে। এছাড়া ফোনে নিজে থেকে কোনো অপরিচিত অ্যাপ ইনস্টল হয়ে গেলেও সতর্ক হওয়া জরুরি।

২. অনলাইন অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেইল বা ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখা দিলে বুঝতে হবে আপনার লগইন তথ্য চুরি হয়েছে। যদি আপনার অজান্তেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হয়ে যায়, অপরিচিত কোনো স্থান থেকে লগইন অ্যালার্ট আসে বা কোনো কার্যক্রম ঘটে, তবে এটি ম্যালওয়্যারের কাজ হতে পারে।

৩. হঠাৎ ডাটা ব্যবহার বেড়ে যাওয়া

মোবাইল ডাটার ব্যবহার হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়াও একটি বড় সতর্কবার্তা। ক্ষতিকর অ্যাপগুলো সাধারণত ব্যাকগ্রাউন্ডে লুকিয়ে থেকে বাইরের সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং তথ্য আপলোড করে। এর ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই প্রচুর ডাটা খরচ হয় এবং ফোনের বিল বেড়ে যেতে পারে।

৪. দ্রুত ব্যাটারি শেষ হওয়া এবং ফোন গরম হওয়া

ভারি কোনো কাজ বা গেম খেলা ছাড়াই যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারি স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত শেষ হতে থাকে কিংবা ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়, তবে ব্যাকগ্রাউন্ডে ম্যালওয়্যার চলার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও পুরনো হার্ডওয়্যারের কারণেও এমনটা হতে পারে, তবে প্রতিনিয়ত এই সমস্যা হওয়া মানে কোনো ক্ষতিকর অ্যাপ ফোনের প্রসেসর ও র&zwj;্যাম ব্যবহার করছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 17 Jun 2026 11:23:14 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
