<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/probash</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/probash"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews probash Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest probash News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 19 Aug 2026 12:37:55 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[লন্ডনে দুর্বৃত্তের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117696" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117696</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনে দুর্বৃত্তের গুলিতে মাছুম মিয়া (৪০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৩টার দিকে নিউহ্যামের সেন্ট বার্থোলোমিউস রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মাছুম মিয়া সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কারিকোনা গ্রামের আমির আলীর ছেলে। ছোটবেলা থেকেই তিনি যুক্তরাজ্যে বসবাস করছিলেন। মাঝে মাঝে বাংলাদেশে আসতেন। তাঁর আড়াই বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বাবা ছাড়া তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরাও যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মাছুমের ছোট ভাই মানিক উদ্দিনের বাসায় স্থানীয় সময় রাত ৪টার দিকে পুলিশ গিয়ে দরজায় কড়া নাড়ে। পরে মাছুমের ছবি দেখে পুলিশ সদস্যরা জানান, তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তবে কারা এবং কী কারণে তাকে গুলি করেছে, সে বিষয়ে পরিবারকে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি। মাছুমের মরদেহ বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে গুলির শব্দের খবর পেয়ে পুলিশ সেন্ট বার্থোলোমিউস রোডে যায়। সেখানে একটি গাড়ির ভেতর মাছুমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ ও চিকিৎসাকর্মীরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা পরিবারের সদস্যদের সহায়তা করছেন। তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল ঘিরে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত বা গ্রেফতার করা যায়নি।

তদন্তের নেতৃত্ব দেওয়া ডিটেকটিভ চিফ ইন্সপেক্টর ড্যান হুইটেন নিহতের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পূর্ব লন্ডনের জনবহুল এলাকায় এ ধরনের প্রাণহানির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্&zwnj;ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।

মাছুমকে লক্ষ্য করেই গুলি করা হয়েছিল কি না কিংবা হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য কী&mdash;এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শী বা ঘটনার ভিডিও ফুটেজ থাকলে রেফারেন্স নম্বর &lsquo;সিএডি ৭৯৭/১৮এইউজি&rsquo; উল্লেখ করে ১০১ নম্বরে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার সকালে মাছুমের মৃত্যুর খবর বিশ্বনাথে তাঁর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতের বাবা আমির আলী জানান, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যুক্তরাজ্য থেকে তাঁর ছেলে মারুফ আহমদ ফোন করে মৃত্যুর খবর জানান। মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 12:37:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুয়েতে বাসের চাপায় বাংলাদেশি চালক নিহত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117537" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117537</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুয়েতের জিলিব আল শুয়ুখ এলাকায় দুই বাসের মধ্যে চাপা পড়ে এক বাংলাদেশি বাসচালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাকে চাপা দেওয়া বাসটি চালাচ্ছিলেন এক ভারতীয় চালক।

কুয়েতের সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত বাংলাদেশি চালক নিজের বাসে রুটিন পরীক্ষা করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি বাসটির সামনের অংশে যান। এ সময় তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাস হঠাৎ পেছনের দিকে চলতে শুরু করলে দুই বাসের মাঝখানে চাপা পড়েন তিনি।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত বাংলাদেশি চালকের নাম প্রকাশ করেনি সংবাদমাধ্যমটি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি ১৯৭৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

অন্যদিকে, পেছনের দিকে এসে বাংলাদেশি চালককে চাপা দেওয়া বাসটি চালাচ্ছিলেন ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া এক ভারতীয় নাগরিক। তার নামও প্রকাশ করা হয়নি।

দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি মামলা করা হয়েছে এবং আরও তদন্তের জন্য মামলাটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র: আরব টাইমস অনলাইন

সান নিউজ/জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 11:48:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইতালির স্বপ্নে লিবিয়ার ‘গেমঘর’, এক বছর পর দেশে ফিরলেন দুই যুবক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117278" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117278</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিদেশে গিয়ে কাজ করবেন। আয় করে সংসারের অভাব দূর করবেন। বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফুটবে এমন স্বপ্ন নিয়েই ঘর ছেড়েছিলেন মাদারীপুর সদর উপজেলার পূর্ব টুবিয়া গ্রামের রাহাত তালুকদার ও আরাফাত কাজী। ইতালিতে যাওয়ার কথা ছিল তাদের। সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পরিবারের সঞ্চয়, জমিজমা ও ধার করা টাকা তুলে দেওয়া হয়েছিল দালালদের হাতে।

কিন্তু ইতালির বদলে তাদের গন্তব্য হয় যুদ্ধবিধ্বস্ত লিবিয়া। সেখানে একাধিকবার হাতবদল হওয়ার পর তারা পৌঁছান কথিত একটি &lsquo;গেমঘরে&rsquo;। এরপর শুরু হয় বন্দিজীবন। পরিবারের কাছে পাঠানো হতো নির্যাতনের ভিডিও। মুক্তির বিনিময়ে চাওয়া হতো মোটা অঙ্কের টাকা।

প্রায় এক বছর পর গত ৮ আগস্ট দেশে ফিরেছেন রাহাত তালুকদার (২৮) ও আরাফাত কাজী (২৫)। বর্তমানে তারা মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শরীরের ক্ষত শুকিয়ে এলেও সেই ভয়াবহ সময়ের স্মৃতি এখনো তাড়া করছে তাদের।

&lsquo;হাত-পা বেঁধে মারধর করত&rsquo; হাসপাতালের শয্যায় বসে লিবিয়ার দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে বারবার থেমে যাচ্ছিলেন রাহাত। তার চোখেমুখে তখনো আতঙ্কের ছাপ।

রাহাতের ভাষ্য, প্রতিদিন কয়েক দফায় তাদের মারধর করা হতো। নির্যাতনের আগে হাত-পা বেঁধে ফেলা হতো। মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে দেওয়া হতো, যাতে চিৎকার করে সাহায্য চাওয়া না যায়। কখনো প্লাস্টিকের পাইপ, কখনো লোহার পাইপ দিয়ে পেটানো হতো।

তিনি বলেন, সিগারেটের আগুনে শরীরের বিভিন্ন জায়গা পোড়ানো হয়েছে। এমনকি হাতের নখও তুলে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রাহাত জানান, একসময় দিন-রাতের হিসাবও হারিয়ে ফেলেছিলেন। একটি ঘরে শত শত মানুষকে আটকে রাখা হতো। খাবার দেওয়া হতো অল্প। পরিবারের কাছে ফোন করে টাকা আনতে বলা হতো। টাকা দিতে দেরি হলে নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়ত।

&lsquo;অনেক কিছু এখনো ঠিকমতো মনে করতে পারি না&rsquo;&mdash;বলতে বলতে কিছুক্ষণ নীরব থাকেন রাহাত। পরে বলেন, &ldquo;তারপরও আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, আমরা জীবিত দেশে ফিরতে পেরেছি।&rdquo;

ইতালির নামে যাত্রা, লিবিয়ায় গিয়ে বন্দি

রাহাতের পরিবারের দাবি, ২০২৫ সালের মার্চের দিকে কয়েকজন স্থানীয় দালাল তাকে ইতালিতে পাঠানোর প্রস্তাব দেন। ভালো বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের আশ্বাস দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে টাকা জোগাড় শুরু করেন।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, মজিবর শেখ, শামসু ফকির ও মাহাবুব মুন্সির মাধ্যমে মূল দালাল সুমন বেপারীর সঙ্গে যোগাযোগ হয়। প্রথমে ইতালি পাঠানোর জন্য প্রায় ২২ লাখ টাকা দেওয়ার কথা হয়। পরে লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর তাকে একটি সশস্ত্র চক্রের কাছে তুলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।

এরপর শুরু হয় একাধিকবার হাতবদল। একপর্যায়ে রাহাতকে কথিত &lsquo;গেমঘরে&rsquo; আটকে রাখা হয়। সেখানে নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে পরিবারের কাছে পাঠানো হতো বলে অভিযোগ স্বজনদের। ভিডিও দেখিয়ে আরও টাকা দাবি করা হয়। পরিবারের দাবি, এভাবে আরও প্রায় ২৫ লাখ টাকা দিতে হয়েছে তাদের।

&lsquo;ছেলের ভিডিও দেখে বুকটা ফেটে যাচ্ছিল&rsquo;

রাহাতের মা মায়া বেগমের কাছে ছেলেকে বিদেশে পাঠানো ছিল পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলের স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্নই পরিণত হয় দুঃস্বপ্নে।
তিনি বলেন, &ldquo;ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম সংসারের হাল ধরবে, আমাদের কষ্ট কমাবে&mdash;এই আশায়। পরে জানতে পারি, ইতালিতে নয়, লিবিয়ায় আটকে আছে।&rdquo;

ছেলের নির্যাতনের ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

মায়া বেগম বলেন, &ldquo;ছেলের ওই অবস্থা দেখে মনে হয়েছে বুকের ভেতরটা কেউ ছিঁড়ে ফেলছে। ওকে বাঁচানোর জন্য যা ছিল, সব দিয়েছি। ধার করেছি, মানুষের কাছে হাত পেতেছি। অনেক দিন জানতামই না ছেলে বেঁচে আছে কি না। এখন তাকে সামনে পেয়েছি&mdash;আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া।&rdquo;

তিনি দালালদের শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, &ldquo;আর কোনো পরিবার যেন এভাবে সন্তানের জন্য অপেক্ষা না করে।&rdquo;
রাহাতের দুলাভাই জামাল মাতুব্বরের অভিযোগ, নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে একের পর এক টাকা দাবি করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্নভাবে টাকা জোগাড় করে দিলেও দীর্ঘ সময় রাহাতের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরাফাতের শরীরেও বন্দিজীবনের চিহ্ন

রাহাতের মতোই আরাফাত কাজীর বিদেশযাত্রার গল্পও শুরু হয়েছিল ইতালির স্বপ্ন দিয়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকেও লিবিয়ায় বন্দিজীবনের মুখোমুখি হতে হয়।

আরাফাত বলেন, &ldquo;আমাদের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের ও এলাকার মানুষ ছিল। সবার স্বপ্ন ছিল ইউরোপে যাওয়ার। লিবিয়ায় যাওয়ার পর বুঝতে পারি, আমরা আসলে বন্দি।&rdquo;

তার অভিযোগ, হাত-পা বেঁধে মারধর করা হতো। মুখে টেপ লাগিয়ে চিৎকার বন্ধ করে দেওয়া হতো। পরিবারের কাছে ফোন করে টাকা আনতে বলা হতো। টাকা না এলে আবার শুরু হতো নির্যাতন।

আরাফাতের দাবি, শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম লোহা দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়েছে। পায়ের তলায় মারধর করে গুরুতর জখম করা হয়েছিল। এখনো খালি পায়ে হাঁটতে গেলে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরাফাতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তার স্বজনেরা।

&lsquo;সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকা দিয়েছি&rsquo;

আরাফাতের বড় ভাই মাহাবুব কাজীর অভিযোগ, ভাইকে দেশে ফেরাতে পরিবারকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে।
তিনি বলেন, &ldquo;জমি বিক্রি করেছি, ঋণ করেছি। সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকা দালালদের দিয়েছি। স্থানীয় কয়েকজনের মাধ্যমে এই টাকা দেওয়া হয়েছে।&rdquo;

তার দাবি, এত টাকা দেওয়ার পরও ভাইকে জীবিত ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা ছিল না।

মাহাবুব বলেন, &ldquo;আজ ভাইকে ফিরে পেয়েছি&mdash;এটাই সবচেয়ে বড় কথা। কিন্তু যারা আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে এবং এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। সম্ভব হলে আমাদের টাকাও ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে।&rdquo;

একই গ্রামের আরও বহু পরিবারের অপেক্ষা

পূর্ব টুবিয়া গ্রামে কথা বলে জানা গেছে, রাহাত ও আরাফাতের ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয় বলে দাবি স্থানীয়দের। তাদের ভাষ্য, ওই এলাকায় বিদেশে যাওয়ার প্রলোভনে পড়ে লিবিয়ায় আটকে পড়া বা পাচারের শিকার হয়েছেন আরও অনেক যুবক।

স্থানীয়দের দাবি, গ্রামের অর্ধশতাধিক যুবক কোনো না কোনোভাবে বিদেশে পাঠানোর নামে দালালচক্রের খপ্পরে পড়েছেন। কারও সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ নেই, কেউ বন্দিদশায় আছেন বলে স্বজনদের ধারণা, আবার কেউ মুক্তিপণের টাকা দেওয়ার পরও স্বজনের সন্ধান পাননি।

এলাকাবাসী জুবায়ের তালুকদার, মহাসিন তালুকদার ও সিয়াম তালুকদার বলেন, &ldquo;দালালরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিদেশে চাকরি ও ভালো জীবনের কথা বলে মানুষকে আকৃষ্ট করে। তাদের কথায় বিশ্বাস করে অনেকে জমি বিক্রি ও ঋণ করে টাকা দিয়েছেন। এখন অনেক পরিবার সর্বস্বান্ত।&rdquo;

তাদের মতে, শুধু স্থানীয় পর্যায়ের দালালদের গ্রেপ্তার করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। দেশের বাইরে থাকা মূল চক্রের সদস্যদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আসাদ ও সুজন বলেন, বিদেশে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণার নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। একই সঙ্গে বিদেশে যাওয়ার আগে বৈধতা যাচাই ও দালালদের বিষয়ে সতর্ক হওয়ার জন্য জনসচেতনতা বাড়ানো দরকার।

তদন্তের আশ্বাস প্রশাসনের

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

দেশে ফিরেছেন দুজন, অপেক্ষা এখনো অনেকের

রাহাত ও আরাফাত ফিরে এসেছেন। পরিবারের কাছে তাদের ফেরার খবর নিঃসন্দেহে স্বস্তির। কিন্তু তাদের শরীরের ক্ষত যেমন পুরোপুরি শুকায়নি, তেমনি মুছে যায়নি বন্দিজীবনের আতঙ্কও।

তাদের গল্পের ভেতর দিয়ে সামনে এসেছে আরও একটি বড় প্রশ্ন ইতালিতে ভালো চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে কতজন তরুণকে এখনো লিবিয়ার মতো অনিশ্চিত পথে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে?

পূর্ব টুবিয়ার অনেক ঘরেই সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন স্বজনেরা। কোথাও নিখোঁজ সন্তানের অপেক্ষা, কোথাও বন্দি স্বামীর খবরের আশায় দিন গোনা, আবার কোথাও মুক্তিপণের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া পরিবারের দীর্ঘশ্বাস।

রাহাত ও আরাফাতের দেশে ফেরা তাই শুধু দুটি পরিবারের স্বস্তির খবর নয়; একই সঙ্গে বিদেশে যাওয়ার স্বপ্নের আড়ালে থাকা মানবপাচারের ভয়াবহ ঝুঁকিরও একটি সতর্কবার্তা।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 09 Aug 2026 12:49:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গ্রিস উপকূলের কাছে ৪৮ ঘণ্টায় ২০২ অভিবাসী উদ্ধার ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117236" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117236</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছে পৃথক অভিযানে ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে ২০২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কোস্ট গার্ড। উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশি, সুদানি ও মিসরের নাগরিক রয়েছেন।

গ্রিক সংবাদমাধ্যম ডিমোক্রেটিয়ার বরাতে মিডল ইস্ট মনিটর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে ক্রিটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আইয়েরাপেত্রা এলাকায় ৪০ অভিবাসী বহনকারী একটি নৌকার সন্ধান পায় ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের একটি বিমান।

পরে খবর পেয়ে গ্রিক কোস্ট গার্ড ও একটি মাছ ধরার নৌকা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। নৌকায় থাকা ৪০ জন অভিবাসীকেই নিরাপদে তীরে আনা হয়। পরে তাদের আইয়েরাপেত্রা বন্দরে নিয়ে গিয়ে পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে আরও দুটি নৌকা থেকে ১১২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে প্রথম নৌকায় থাকা ৫৬ জনের মধ্যে ৩১ জন ছিলেন সুদানের নাগরিক এবং ২৫ জন বাংলাদেশি।

অন্য নৌকাটিতেও ছিলেন ৫৬ জন অভিবাসী। তাদের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশি এবং ৯ জন মিসরের নাগরিক।

পরবর্তীতে আরও ৪০ জনকে উদ্ধারের পর ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে উদ্ধার হওয়া অভিবাসীর মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ২০২ জনে।

উদ্ধার করা অভিবাসীদের হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি অস্থায়ী আবাসনকেন্দ্রে রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিট দ্বীপে অভিবাসীদের আগমন বেড়ে যাওয়ায় তাদের আশ্রয় ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ বাড়ছে।

লিবিয়া উপকূল থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকারী অভিবাসীদের জন্য ক্রিট বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট হয়ে উঠেছে। এ কারণে দ্বীপটির উপকূলে নিয়মিত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 08 Aug 2026 08:12:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইতালি স্বপ্ন লিবিয়ায় বন্দি, দেড় বছরেও নেই রাজীবের সন্ধান  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117239" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117239</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইতালি যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে দালালের মাধ্যমে লিবিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন মাদারীপুর সদর উপজেলার হোগলপাতিয়া গ্রামের যুবক রাজীব মীর। সেখানে পৌঁছানোর পর মানবপাচারকারী চক্রের হাতে বন্দি হয়ে নির্যাতনের শিকার হন তিনি। পরিবারের কাছ থেকে আদায় করা হয় মুক্তিপণের লাখ লাখ টাকা। কিন্তু টাকা দেওয়ার পরও প্রায় দেড় বছর ধরে রাজীবের কোনো সন্ধান মিলছে না।

ছেলের নিখোঁজের ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন রাজীবের মা শিল্পী বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা। ছেলের ছবি হাতে নিয়ে প্রতিনিয়ত কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তিনি। কখনো ছেলে ফিরে আসবে এই আশায় দিন গুনছে পরিবার।

পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডাসার উপজেলার ঘুঙ্ঘিয়ারকুল গ্রামের আরশেদ আলী হাওলাদারের ছেলে লোকমান হাওলাদারের মাধ্যমে ইতালি যাওয়ার প্রস্তাব পান রাজীব। তখন তিনি দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিলেন। সরাসরি ইতালি পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাসে দালালের সঙ্গে চুক্তি হয় পরিবারের।

চুক্তি অনুযায়ী রাজীবকে বিদেশ পাঠানোর জন্য লোকমান হাওলাদার ও তার সহযোগীদের হাতে প্রায় ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরে ২০২৩ সালের ৪ আগস্ট রাজীবকে লিবিয়ায় পাঠানো হয়।

পরিবারের অভিযোগ, লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর রাজীবকে একটি চক্র আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এরপর তার মুক্তির জন্য পরিবারের কাছে আরও সাড়ে ১৬ লাখ টাকা দাবি করা হয়। ছেলেকে জীবিত ফেরত পাওয়ার আশায় পরিবারটি সেই টাকা পরিশোধ করে।

কিন্তু এরপরও রাজীবকে ছেড়ে না দিয়ে আরও ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। ওই টাকা দিতে না পারার পর থেকেই রাজীবের সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘ দেড় বছর ধরে তার কোনো খোঁজ না পাওয়ায় উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবার।

রাজীবের মা শিল্পী বেগম বলেন, &ldquo;দেড় বছর ধরে আমার ছেলের কোনো সন্ধান পাচ্ছি না। দালালদের কথাও বিশ্বাস করার মতো নয়। ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে গিয়ে আমরা লাখ লাখ টাকা হারিয়েছি। এখন আমার একটাই চাওয়া&mdash;আমার ছেলে কোথায় আছে, কী অবস্থায় আছে, সেটা জানতে চাই। সরকার যেন আমার ছেলের সন্ধান বের করে দেয় এবং যারা আমার ছেলের সঙ্গে এমন করেছে তাদের বিচার করে।&rdquo;

স্থানীয় বাসিন্দা সৈকত হাওলাদার বলেন, &ldquo;এলাকার অনেক যুবককে বিদেশে ভালো চাকরি ও ইতালিতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে দালালরা নিয়ে যায়। পরে তাদের লিবিয়ায় আটকে রেখে পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়। এ ধরনের চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হলে অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমবে।&rdquo;

এ ঘটনায় নিখোঁজ রাজীবের মা শিল্পী বেগম বাদী হয়ে গত ১১ জুলাই মাদারীপুর সদর মডেল থানায় মানবপাচার আইনে মামলা করেন। মামলায় লোকমান হাওলাদারসহ ২৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার পর লোকমান হাওলাদার ও তার মেয়ে সেতু আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে একটি মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে। সেখান থেকে এ ধরনের ঘটনা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। রাজীবের নিখোঁজের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

দেড় বছর ধরে নিখোঁজ রাজীবের অপেক্ষায় এখনো পথ চেয়ে আছে তার পরিবার। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার পাশাপাশি মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 08 Aug 2026 07:41:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদিতে ধরপাকড় অভিযান, ফেরত পাঠানো হলো হাজারো প্রবাসী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117084" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/117084</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সৌদি আরবে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ব্যাপক ধরপাকড় অভিযানে হাজার হাজার প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত কয়েক মাসে পরিচালিত এসব অভিযানে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা গ্রেপ্তার ও দেশে ফেরতের মুখোমুখি হয়েছেন।

সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ভঙ্গের অভিযোগে সম্প্রতি কয়েক দফা অভিযানে অন্তত ৪০ হাজার প্রবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে ৩০ হাজারের বেশি প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৩ থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত এক সপ্তাহের অভিযানে সৌদি আরব থেকে ১২ হাজার ৬১৩ জন প্রবাসীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৪ হাজার ১৫৪ জনকে। তাদের মধ্যে আবাসন আইন ভঙ্গের অভিযোগে ৭ হাজার ১০৩ জন, শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩ হাজার ৩৯৭ জন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত অপরাধে ৩ হাজার ৬৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

সৌদিতে থাকা বাংলাদেশিদের মধ্যেও অনেকে এসব অভিযানের শিকার হয়েছেন। ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের বাসিন্দা মো. আরিফ হোসেন জানান, নাডিক কোম্পানিতে চাকরির আশ্বাসে দালালের মাধ্যমে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ টাকা খরচ করে সৌদি আরব যান তিনি। তবে প্রতিশ্রুত চাকরি না পেয়ে মক্কায় অন্য কাজ শুরু করলে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হন। পরে কারাভোগ শেষে দেশে ফেরত আসেন তিনি।

জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল কার্যালয়ের কনসুলার (শ্রম) খন্দকার সিরাজুস সালেকিন জানিয়েছেন, নিয়ম-কানুন মেনে চললে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তিনি বলেন, এক কাজের ভিসা নিয়ে অন্য কাজ করা, নির্ধারিত এলাকার বাইরে অবস্থান করা বা ইকামার (রেসিডেন্স পারমিট) শর্ত ভঙ্গ করলেই সাধারণত অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে জেদ্দার তারহিল সফর জেলে দেশে ফেরার অপেক্ষায় প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন। এছাড়া সৌদি আরবের বিভিন্ন কারাগারে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত প্রায় সাড়ে তিন হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন। তবে তাদের সবাই সাম্প্রতিক অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছেন&mdash; এমন নয়।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশ, অবৈধ কর্মীদের আশ্রয় দেওয়া বা পরিবহনে সহযোগিতা করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এসব অপরাধে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

এদিকে সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য যাওয়া বাংলাদেশিদের বড় অংশই সৌদি আরবে গেছেন। গত বছর দেশটিতে সাড়ে সাত লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মী গেছেন, যা কোনো একক দেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রেকর্ড।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের সৌদি আরবের আইন ও ভিসার শর্ত মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়ম মেনে কাজ করলে সৌদি শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের জন্য বড় ধরনের সুযোগ রয়েছে।

সূত্রঃ বিবিসি বাংলা।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 04 Aug 2026 05:59:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় পাচ্ছেন না অধিকাংশ বাংলাদেশি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116944" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116944</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেও আন্তর্জাতিক সুরক্ষা পাচ্ছেন না অধিকাংশ বাংলাদেশি আবেদনকারী। দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশি আবেদনকারীদের মধ্যে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা পাওয়ার হার মাত্র ৭ দশমিক ৪ শতাংশ।

অর্থাৎ, প্রতি ১০০ জন বাংলাদেশি আবেদনকারীর মধ্যে গড়ে মাত্র সাতজন শরণার্থী মর্যাদা বা সাবসিডিয়ারি প্রটেকশন পাচ্ছেন।

ফ্রান্সের শরণার্থী ও রাষ্ট্রহীন ব্যক্তিদের সুরক্ষাবিষয়ক দপ্তর (অফপ্রা)-এর ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো ৩ হাজার ৮১৬ জন ফ্রান্সে আশ্রয়ের আবেদন করেন। ২০২৪ সালের তুলনায় এ সংখ্যা কমেছে ৩৬ দশমিক ৭ শতাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম আবেদন, পুনর্বিবেচনা এবং পুনরায় খোলা আবেদন মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ৪ হাজার ৫৩৪টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ৩৯৩ জন আবেদনকারী শরণার্থী মর্যাদা অথবা সাবসিডিয়ারি প্রটেকশন পেয়েছেন। একই সময়ে ৪ হাজার ৯০৭টি আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

অফপ্রা ও ফরাসি জাতীয় আশ্রয় আদালত (সিএনডিএ)-এর যৌথ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশিদের আন্তর্জাতিক সুরক্ষা স্বীকৃতির হার ৭ দশমিক ৪ শতাংশ।

ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য আবেদনকারীদের নিজ দেশে নির্যাতন, রাজনৈতিক নিপীড়ন, যুদ্ধ বা গুরুতর ঝুঁকির বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপন করতে হয়। পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব, অসঙ্গত তথ্য বা দুর্বল দাবির কারণে অনেক আবেদন বাতিল হয়ে যায়।

অভিবাসন সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজনৈতিক আশ্রয় ইউরোপে প্রবেশ বা স্থায়ীভাবে বসবাসের সহজ কোনো মাধ্যম নয়। প্রতিটি আবেদন কঠোর আইনি যাচাই-বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে যায়।

তারা জানান, বাংলাদেশকে নিরাপদ উৎস দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পর ফ্রান্সে বাংলাদেশিদের নতুন আশ্রয় আবেদন আরও কঠোরভাবে যাচাই করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত ঝুঁকির প্রমাণ ছাড়া আবেদন সফল হওয়ার সম্ভাবনা আগের তুলনায় কমেছে।

২০২৫ সালে ফ্রান্সে আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্য মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৭০টি আবেদন জমা পড়ে। ২০২৪ সালের তুলনায় এ সংখ্যা কমেছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। একই সময়ে দেশটিতে ৭৮ হাজার ৭৮৩ জন আন্তর্জাতিক সুরক্ষা পেয়েছেন। দেশটির সামগ্রিক সুরক্ষা স্বীকৃতির হার ছিল ৪১ দশমিক ২ শতাংশ।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ ডা. রোকনুজ্জামান বলেন, ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রাজনৈতিক আশ্রয় একটি গুরুতর আইনি প্রক্রিয়া, যেখানে বাস্তব ঘটনা, নির্ভরযোগ্য তথ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ভুল বা অতিরঞ্জিত তথ্য দিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করলে শুধু আবেদনকারীর ব্যক্তিগত ক্ষতিই হয় না, বরং দেশের নাগরিকদের সম্পর্কেও নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে।

তার পরামর্শ, বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে বৈধ পথ বেছে নেওয়া জরুরি। মানবপাচারকারী বা দালালদের প্রলোভনে পড়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয়ের চেষ্টা করলে তা ব্যক্তি, পরিবার ও দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 01 Aug 2026 06:43:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[&quot;মা, তুমি ওগের টাকা দাও, নাইলে আমারে ছাড়বে না, মাইরা ফালাইবে’&quot;]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116915" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116915</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[উন্নত জীবন গড়ার লক্ষ্যে অবৈধপথে ইতালি যাওয়ার কথা বলে লিবিয়ায় দালালের হাতে নির্যাতনে মারা গেছে মাদারীপুরের তরুণ সোহাগ মুনশি (২৪)।

সোহাগের মৃত্যু কোনভাবেই মানতে পারছে না তার পরিবার ও এলাকাবাসী। ওদিকে সোহাগের মা শাহিনুর বেগম ছেলেকে হারিয়ে বুকফাটা কান্না আর বিলাপ করছেন।

শাহিনুর বেগম বলেন, সোহাগের সাথে আমার শেষ কথা হলে জানান, &lsquo;মা, মাফিয়ারা আমাগো ধরছে, জুলহাস দালাল আমাগো বেঁইচা হালাইছে। মা, তুমি ওগের টাকা দাও, নাইলে আমারে ছাড়বে না, মাইরা ফালাইবে।&rsquo; ছেলেডা এ কথা কয়, আর পাশ থেকে কে জেনো ওরে মারতে থাকে। আমি ফোনে চিৎকার দিয়া খালি কইতাছি, তোমরা আমার পোলারে মাইরো না, কিছু কইরো না। আমারে একটু সময় দাও। আমি তোমাগো টাকা দিয়া দিমু। কিন্তু ওরা আমার ছেলেরে মাইরা ফালাইলো।

আহাজারি করতে করতে শাহিনুর বেগম বলেন, ১০ মাসে ধাপে ধাপে ৬০ লাখ টাকা দিছি, আরও ২৮ লাখ দাবি করছে। কিন্তু বাকি টাকা দিতে না পারায় ওরা আমার পোলারে মাইরা ফালাইছে। আমার ছেলেতো গেছেই, আমার ছেলের লাশটা ফিরাইয়া দাও। আমার বাবারে শেষবারের মত দেইখ্যা কী মরতে পারুম।

মাদারীপুরের রাজৈর পৌরসভাধীন মজুমদারকান্দি এলাকার কৃষক আশরাফ আলী মুনশির ছেলে সোহাগ লিবিয়াতে মারা গেছে গত শুক্রবার (২৪ জুলাই)। স্থানীয় দালালরা বিষয়টি গোপন রাখলেও গত বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে লিবিয়াতে বসবাসরত মাদারীপুরের এক প্রবাসীর মাধ্যমে সোহাগের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে নিহতের বাবা ও বড় ভাই সুজন মুনশি।

পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উন্নত জীবনের আশায় আরও এক বছর আগে সোহাগকে বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা করেন তার পরিবার। পরে মজুমদারকান্দির পাশ্ববর্তী শেখ বাড়ির মকিম শেখের স্ত্রী ময়না আক্তারের প্রলোভনে পড়ে লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সে। স্থানীয় দালালের সঙ্গে ২২ লাখ টাকায় ইতালি পাঠানোর চুক্তি হয় তাদের। চুক্তি মোতাবেক গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর বাড়ি ছাড়ে সোহাগ। প্রথমে তাকে ঢাকা থেকে আকাশপথে নেওয়া হয় সৌদিআরব। পরে সেখানে কয়েকদিন রেখে তাকে পাঠানো হয় লিবিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বেনগাজিতে। বেনগাজি পৌঁছানোর পরে লিবিয়াতে বসবাসরত বাংলাদেশি দালালরা তার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলীর একটি বন্দিশালায় নেওয়া হয়।

সেখানে প্রথম কয়েকদিন তাদের ভালো কাটলেও একমাস পার হলেই শুরু হয় নির্যাতন। দফায় দফায় মুক্তিপণের ৪৮ লাখ টাকা দালালের কাছে দিতে হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার পরিবার। একপর্যায় সোহাগকে দালালের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু সবশেষ দালাল তাকে দেশে পাঠাতে আরও ২৮ লাখ টাকা দাবি করে। এই ২৮ লাখ টাকা চাওয়ার তিন দিনের মধ্যে দিতে না পারায় সোহাগের ওপর চালানো হয় অমানসিক নির্যাতন। একপর্যায় দালালের বন্দিশালায় গত (২৪ জুলাই) মারা যায় সোহাগ। সোহাগের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে তার পরিবারের বইছে মাতম।

রাজৈর উপজেলা শহর থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে নিহত সোহাগ মুনশির বাড়ি। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেলে ওই বাড়িতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টিনসেড একটি ভাঙাচোরা ঘরে থাকেন সোহাগের মা-বাবা। বাড়ির উঠোনে প্রতিবেশী মানুষের ভিড়। মা শাহিনুর বেগম ও বাবা আশরাফ আলী মুনশি উঠোনে বসেই বিলাপ করছেন। ছেলে সোহাগের ছবি বুকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কান্নাকাটি করে যাচ্ছেন। প্রতিবেশীরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

নিহতের ভাই সুজন মুনশি বলেন, দালালের সঙ্গে ২২ লাখ টাকায় আমাগো চুক্তি হয়। এই টাকার মধ্যেই সমুদ্র পার করে দিবে বলেছিল। লিবিয়া থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে গেম দেওয়ার কথা থাকলেও ওরে ৭ থেকে ৮ মাস আটরে রাখে। পরে দফায় দফায় মুক্তিপণের ৪৮ লাখ টাকা দিলেও ওরে ইতালিও পাঠাইলো না, দেশেও ফেরত পাঠাইলো না। দালালের নির্যাতনে আমার ভাই মইরা গেছে। যারা আমার ভাইর মৃত্যু জন্য দায়ী তাদের বিচার চাই।

সোহাগের বাবা আশরাফ আলী মুনশি ছেলের লাশ বাংলাদেশে ফেরত আনার দাবি জানিয়ে বলেন, আমার টাকাও গেল, পোলাও গেল। জমিজমা যা ছিল সবকিছু শেষ। আমার ছেলেরে তো আর ফেরত পাবো না। কিন্তু পোলার মরা লাশ দেখতে চাই। ওর লাশটা যেন সরকার দেশে আইনা দেয়, এইডাই চাই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মানবপাচার চক্রের সদস্য ময়না আক্তার রাজৈর উপজেলার স্থানীয় দালাল হলেও তিনি মূলত কাজ করেন জুলহাস সরদারের হয়ে। জুলহাস রাজৈর উপজেলায় তালিকাভুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী। তার বিরুদ্ধে অন্তত ১০ মামলা রয়েছে। তিনি এই পর্যন্ত কমপক্ষে পাঁচ শতাধিক তরুণ ও যুবককে অবৈধপথে ইউরোপ পাঠানোর কাজ করেছেন তার অধিনে থাকা অন্তত অর্ধশত তরুণ এখনো নিখোঁজ। বর্তমানে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার জুলহাস সরদার কারাগারে রয়েছেন। জুলহাস রাজৈর উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের সত্যাবতী এলাকার আবদুল মজিদ সরদারের ছেলে।

এ বিষয়ে রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, লিবিয়ার বন্দিশালায় এক তরুণের মারা যাওয়ার ঘটনায় নিহতের মা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামি জুলহাস কয়েকদিন আগে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 31 Jul 2026 11:12:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকায় ৩ বাংলাদেশি অপহরণ  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116676" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116676</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জুলাই মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় অপহরণের ঘটনা বেড়েছে উদ্বেগজনকভাবে। অন্তত তিন বাংলাদেশি প্রবাসী অপহরণের শিকার হয়েছেন এ মাসেই। দুজন মুক্তিপণের বিনিময়ে মুক্তি পেয়েছেন এবং একজন এখনো নিখোঁজ।

সবশেষ শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় জোহানেসবার্গের ফোর্ডসবার্গ এলাকা থেকে অপহৃত হন ঢাকার দক্ষিণখানের বাসিন্দা তানভীর আহমেদ বিন্দু। একই সময়ে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েকটি আলোচিত অপহরণের ঘটনা ঘটেছে, যা প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

মাত্র ১৮ দিন আগে বাসায় ফেরার পথে দক্ষিণ আফ্রিকায় আসা তানভীর কয়েকজন বাংলাদেশির সঙ্গে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েন। পুলিশ অভিযান চালালেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

এরআগে, গত ১৮ জুলাই নোয়াখালীর বজরা ইউনিয়নের মো. আরিফ অপহরণের শিকার হন। পরিবারের দাবি, ২৪ জুলাই রাত আনুমানিক তিনটার দিকে ১ লাখ রেন্ট মুক্তিপণ দেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে সম্প্রতি অপহরণের শিকার হওয়া আরেক বাংলাদেশি সাইফুল ইসলাম মোবারককে প্রায় ২০ লাখ রেন্ট মুক্তিপণের বিনিময়ে ছাড়ে অপহরণকারীরা। বন্দিদশায় তার ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় এবং তার হাতের একটি আঙুল কেটে ফেলা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গত ১০ জুলাই তিনি বাংলাদেশে ফিরে যান।

শুধু বাংলাদেশিরাই নন, চলতি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে একাধিক অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৭ জুলাই মঙ্গলবার জোহানেসবার্গের ফোর্ডসবার্গের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আখালাওয়া গ্রুপের অন্যতম কর্ণধান শিরিন আখালওয়া ৭২ বছর বয়সী এক নারী অপহৃত করা হয়। বিশেষ অভিযানে গত ৮ জুলাই তাকে জীবিত উদ্ধার করে দক্ষিণ আফ্রিকা পুলিশ। এ ঘটনায় ৯ জুলাই তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসী ব্যবসায়ী ও কর্মজীবীদের লক্ষ্য করে অপহরণ, সশস্ত্র ডাকাতি ও চাঁদাবাজির ঘটনা বাড়তে থাকায়। প্রবাসীদের একা চলাচল এড়িয়ে চলা, রাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন এবং সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশ ও কমিউনিটিকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন কমিউনিটি নেতারা।

সান নিউজ/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 27 Jul 2026 09:03:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইন্ডিয়ানায় প্রবাসী বাঙালির উৎসব]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116633" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116633</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের নোবলসভিল দুই দিনের জন্য যেন রূপ নিয়েছিল এক টুকরো বাংলায়। সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, বইমেলা, পিঠা উৎসব এবং শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে মুখর ছিল ১৬তম উত্তর আমেরিকা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন (NABLCC) ২০২৬। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় নিয়েই শেষ হয়েছে এ আয়োজন।

সম্মেলনে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে সাহিত্যিক, গবেষক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিকর্মী এবং বাংলা ভাষাপ্রেমীরা একত্রিত হন। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ভৌগোলিক দূরত্ব যতই বাড়ুক, মাতৃভাষা ও সাংস্কৃতিক শেকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

দুই দিনব্যাপী আয়োজনে সংগীত, সাহিত্যচর্চা, নৃত্য এবং শিল্পকলার সমন্বয়ে প্রবাসী বাঙালিদের জন্য তৈরি হয় এক অনন্য সাংস্কৃতিক পরিবেশ। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনি অনিন্দিতা কাজী। তিনি নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, মানবতা এবং সাম্যের দর্শনের কথা তুলে ধরে বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে এই মূল্যবোধ পৌঁছে দেওয়া সময়ের দাবি।

সংগীত পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী দিলশাদ নাহার কণা। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পী এমাদ রনি, আকাশ ও জনির পরিবেশনাও দর্শকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। বাংলা গানের সুরে প্রবাসের পরিবেশ যেন মুহূর্তেই পরিণত হয়েছিল এক প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।

সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বাংলা বইমেলা। প্রথমবারের মতো ইন্ডিয়ানার এই অঞ্চলে অনুষ্ঠিত বইমেলায় নিউইয়র্কভিত্তিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মুক্তধারা অংশগ্রহণ করে। সমসাময়িক সাহিত্য, গবেষণাধর্মী বই এবং বিভিন্ন প্রকাশনা ঘুরে দেখেন বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, প্রবাসের নতুন এলাকাগুলোতেও বাংলা বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ আশাব্যঞ্জক।

সম্মেলনের আহ্বায়ক আজাদ হোসেন সফল আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে প্রবাসীদের সম্মিলিত উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ভারতের কনসাল জেনারেল সোমনাথ ঘোষ। বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

শিকাগোতে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল জেনারেল মুনির চৌধুরী ইন্ডিয়ানায় এমন বৃহৎ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের সফল আয়োজনের জন্য উদ্যোক্তাদের অভিনন্দন জানান।

সম্মেলনের নীরব সংগঠকদের একজন মাসুম মাহবুব বলেন, ইন্ডিয়ানায় এ ধরনের আন্তর্জাতিক মানের সাংস্কৃতিক আয়োজন ভবিষ্যতে আরও বড় উদ্যোগ গ্রহণে প্রবাসী বাঙালিদের অনুপ্রাণিত করবে।

দুই দিনের অনুষ্ঠানে শিশুদের কবিতা আবৃত্তি, পিঠা উৎসব, সাহিত্য আলোচনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং পারিবারিক মিলনমেলা বিশেষ মাত্রা যোগ করে। শিশুদের কণ্ঠে বাংলা কবিতা এবং ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবারের আয়োজন প্রবাসেও দেশের আবহ ফিরিয়ে আনে।

সম্মেলনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব দেন আজাদ হোসেন, দিলরুবা আমিন মিতা ও অঞ্জন রায়। আয়োজকদের আন্তরিকতা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

অনুষ্ঠানে ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের সেক্রেটারি অব স্টেট দিয়েগো মোরালেসের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠ করে শোনানো হয়। এছাড়া অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

বাংলা সাহিত্যবিষয়ক আলোচনা পর্বে অংশ নেন ড. মীর মাসুম আলী, আজাদ হোসেন, আব্দুস সামাদ, লেখক ও সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন, সাংবাদিক হাসানুজ্জামান সাকী এবং পিনাকী তালুকদার। আলোচনায় বক্তারা বলেন, বিশ্বজুড়ে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে প্রবাসী বাঙালিদের অবদান দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

প্রথম দিনের আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন সোনিয়া আজাদ, লীনা আলী, ড. ওয়াকার মোয়াজ্জেম ও লিখন রশীদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নন্দিতা দাস গাঙ্গুলি, বিশ্বজিৎ সাহা এবং দিদারুল আলম পান্না।

সম্মেলনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ ছিল আলোকচিত্র ও শিল্পকর্ম প্রদর্শনী। ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি পোশাক, অলংকার, দেশীয় খাবারের স্টল এবং বিভিন্ন প্রজন্মের প্রবাসী বাঙালিদের পারস্পরিক পরিচয় ও মতবিনিময়ের সুযোগ পুরো আয়োজনকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।

২৪ ও ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত এ দুই দিনের সম্মেলনের মিডিয়া পার্টনার ছিল প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা, সময় টেলিভিশন, টিবিএন-২৪ এবং দেশি ট্রিবিউন ডটকম।

দুই দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও অংশগ্রহণকারীদের বিশ্বাস, প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এই ধারাবাহিক চর্চা আগামী প্রজন্মের মধ্যেও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়বে এবং বিশ্বজুড়ে বাংলা সংস্কৃতির পরিচয়কে আরও সমৃদ্ধ করবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 26 Jul 2026 06:32:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার ৩২ বাংলাদেশি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116479" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116479</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে পরিচালিত যৌথ অভিবাসনবিরোধী অভিযানে বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০৮ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে জোহরের তামান শ্রী বাহাগিয়া এলাকার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি জানান, অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল বিদেশি নাগরিকদের বৈধভাবে অবস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং ভিজিট পাস, কর্মসংস্থান পাসসহ বিভিন্ন অভিবাসন-সংক্রান্ত সুবিধার অপব্যবহার রোধে আইন প্রয়োগ জোরদার করা।অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিটসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয়। এতে ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সি ১০৮ জন বিদেশিকে বিভিন্ন অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে আটক করা হয়।

আটকদের মধ্যে রয়েছেন ৩২ জন বাংলাদেশি, ২২ জন মিয়ানমারের, ১৬ জন পাকিস্তানের, ১৫ জন নেপালের, ১২ জন ইন্দোনেশিয়ার, চারজন ভারতের নাগরিক এবং তিনজন মিয়ানমারের নারী, দুইজন ইন্দোনেশিয়ার নারী ও দুইজন নেপালের নারী।

জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক জানান, ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাদের সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য।

সাধারণ জনগণকে তিনি অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 22 Jul 2026 10:42:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116062" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/116062</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নোয়াখালীর এক প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়েও আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার পোর্ট এলিজাবেথ শহরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. ইয়াছিন (৪০) নোয়াখালীর সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চনপুর গ্রামের মো. সুজায়েত উল্যার ছেলে।

নিহতের সেজো ভাই মো.নাসির জানান, ইয়াছিন প্রায় ১৬ বছর ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছিলেন। সেখানে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। এক বছর আগে তিনি পরিবারকেও সেখানে নিয়ে যান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাসায় ফেরার সময় বাড়ির গেটের সামনে সন্ত্রাসীরা তাকে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে ফারহানাও আহত হয়।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিহতের পরিবারের খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 10:44:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ড. জন লি লিগ্যাসি অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/115923" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/115923</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বাংলাদেশি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বাইস্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি ড. রাসেল মাহমুদ জুয়েল ওয়েস্টক্লিফ ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিডিএ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পাশাপাশি, প্রায় ৯৬টি দেশের ৬৬১ জন স্নাতকের মধ্য থেকে তিনি এ বছরের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ড. জন লি লিগ্যাসি অব লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ডের জন্য নির্বাচিত হন।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আগে ওয়েস্টক্লিফ ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট ড. অ্যান্থনি লি কয়েক মিনিট ধরে ড. জুয়েলের শিক্ষাগত সাফল্য, গবেষণায় অবদান, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, কেন ড. জুয়েলকে এই সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। সেই মুহূর্তের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ড. জুয়েল বলেন, আমি সত্যিই বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। অনুভূতিটা ছিল ভাষায় প্রকাশের অতীত।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আগে গ্রিন রুমে ড. রাসেল মাহমুদ জুয়েল এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা তার সঙ্গে সেলফি তোলার আগ্রহ প্রকাশ করলে তিনি উপলব্ধি করেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অধ্যবসায় সার্থকতায় পৌঁছেছে।

চাঁদপুরের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে আসা ড. জুয়েল প্রতিকূলতা পেরিয়ে বাংলাদেশে তিনটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বাংলাদেশ কাস্টম্&zwnj;সে আট বছর চাকরির পর ২০২২ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। ডক্টরাল গবেষণায় তিনি সরকারি খাতে, বিশেষ করে কাস্টমস ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের জন্য একটি উদ্ভাবনী মডেল তৈরি করেন।

বাইস্যাকের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ৩৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে এক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন প্রবাসী ও সামাজিক সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন এবং যুব নেতৃত্ব বিকাশে কাজ করছেন।

ড. জুয়েল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, জনস্বাস্থ্য ও ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন বিষয়ে ১৬টি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন। তার গবেষণাকর্ম ৩৭০টিরও বেশি বার উদ্ধৃত হয়েছে, যা তাকে একজন উদীয়মান আন্তর্জাতিক গবেষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 10:40:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইতালিতে নিজ বাসায় ছুরিকাঘাতে নোয়াখালীর একই পরিবারের তিনজন নিহত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/115761" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/115761</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইতালিতে নিজ বাসায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার একই পরিবারের তিন সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে রাজধানী রোমের পার্শ্ববর্তী এলাকা ক্যাসালোত্তির ভিয়া মন্তিলিওর একটি অ্যাপার্টমেন্টে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহতরা হলেন, উপজেলার চরকাঁকড়া ৫ নং ওয়ার্ডের সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম ও ৫ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। এঘটনায় তার ২০ বয়সী ছেলে আমির হোসেন অয়ন আহত হন। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় জেমেলি পলিক্লিনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত কামাল উদ্দিন বাবুলের আত্মীয় আফনান হোসেন নাইম জানান, স্থানীয় সময় রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত বাবুলের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। এসময় তারা বাবুল, তার স্ত্রী ও শিশু কন্যাকে ছুরিকাঘাত করে। ঘটনার চলমান অবস্থায় বাবুলের ছেলে অয়ন বাহির থেকে ঘরে এসে রুমে প্রবেশ করার সময় বিষয়টি টের পায়। এ সময় দুর্বৃত্তরা দ্রুত বের হওয়ার সময় অয়নকেও কুপিয়ে জখম করে। পরে অয়নের চিৎকারে আশপাশের লোকজন বের হয়ে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা বাবুলসহ চারজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং অয়নকে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনায় বাবুলের নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জস্থ গ্রামের বাড়িতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মখর্তা (ওসি) মো.নুরুল হাকিম বলেন, স্থানীয় ভাবে বিষয়টি শুনেছি। নিহতের গ্রামের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Jun 2026 07:10:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লন্ডনে এক পরিবারের ৪৩ সদস্যের বসবাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/115474" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/115474</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লন্ডনের বিভিন্ন শহরে বসবাস করছেন এক পরিবারের প্রায় ৪৩ সদস্য। তাদের মধ্যে কেউ চাকরিজীবী, কেউ ব্যবসায়ী, আবার কেউ উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত। তবে দেশের মাটি আর পরিবারের বন্ধন থেকে কেউ বিচ্ছিন্ন নন। সবাই একই পরিবারের হওয়ায় তাদের নিয়ে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বেশ আলোচনা রয়েছে। ফেনীর দাগনভূঞা ও নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শেকড়ে বেড়ে ওঠা গোলাম রহমান ওরফে রহমান সাহেবের পরিবার আজ যুক্তরাজ্যে গড়ে তুলেছে এমনই এক অনন্য দৃষ্টান্ত। লন্ডনের ব্যস্ত নগরজীবনের মাঝেও যখন বাংলা ভাষা, দেশীয় সংস্কৃতি আর আত্মীয়তার বন্ধনে মুখর হয়ে ওঠে একটি পরিবার, তখন সেটি যেন হয়ে ওঠে এক টুকরো বাংলাদেশ।।

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার এনায়েত ভূঞার বংশধর রহমান সাহেব ১৯৫৫ সালে জীবিকার তাগিদে লন্ডনে যান। তখন লন্ডনে বাঙালি কমিউনিটি ছিল খুবই ছোট। প্রবাসের কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়েই তিনি পরিবারের জন্য নতুন স্বপ্ন গড়তে শুরু করেন। ১৯৫৯ সালে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব লাভ করেন। সেই নাগরিকত্বই পরবর্তীতে পুরো পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের পথ খুলে দেয়। পরে তার সন্তানরাও একে একে লন্ডনে যেতে শুরু করেন।

লন্ডন যাওয়ার বেশ কয়েক বছর পর ছুটিতে দেশে আসেন। এরপর ১৯৬৯ সালে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের বিরাহীমপুর গ্রামে তিনি নতুন বসতি গড়েন। তিন ছেলে ও চার মেয়ের জনক রহমান সাহেব ছিলেন অত্যন্ত শিক্ষানুরাগী, দানশীল ব্যক্তি। এলাকার শিক্ষা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি রেখে গেছেন অনন্য অবদান। শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে বিরাহীমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি ৪৯ ডিসমিল জমি দান করেন। পাশাপাশি গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের জন্য ৫ ডিসমিল এবং ধর্মীয় শিক্ষা ও ইবাদতের পরিবেশ গড়ে তুলতে রহমানিয়া জামে মসজিদের জন্য ৭৫ ডিসমিল জমি দান করেন। ২০১১ সালের ১ নভেম্বর তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ গ্রামের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

বাবা থাকাকালীন ২০০৪ সালে মেঝো ছেলে গোলাম মাহমুদ ও ছোট ছেলে আব্দুল কুদ্দুছ সুমন প্রথমে লন্ডনে গিয়ে সেখানে চাকরি শুরু করেন। এরপর ২০০৬ সালে রহমান সাহেবের চার মেয়ে আশ্রাফের নেছা রুবি, শামসুর নাহার মিনা,নূর নাহার রিনা, নূরজাহান রুনা একসাথে লন্ডনে যান। পরে রুবি,মিনার পরিবারের ১৮ সদস্য, রিনার পরিবারের ৭সদস্য, রুনার পরিবারের ৭ সদস্য, মাহমুদের পরিবারের ৬ সদস্য ও সুমনের পরিবারের ৪ সদস্যসহ ৪৩ সদস্য সেখানে স্থায়ী হন। তাদের সাথে মা মমতাজ বেগমও বসবাস করছেন।

বর্তমানে পরিবারের প্রায় ৩৮ সদস্য ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী। নতুন প্রজন্মের অনেকেই উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। কেউ ব্যবসা পরিচালনা করছেন, কেউ আবার পেশাজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কয়েকজনের বিয়ে হয়েছে লন্ডনেই। সামনে আরও কয়েকটি বিয়ের আয়োজন রয়েছে। তাদের পরিবারের কয়েকজন সন্তান সেখানে জন্ম গ্রহণ করেন। প্রজন্ম বদলালেও পরিবারটির ভেতরে এখনো টিকে আছে দেশীয় সংস্কৃতি, পারিবারিক ঐতিহ্য আর আত্মীয়তার বন্ধন।

পরিবারের সদস্যরা লন্ডনের বিভিন্ন এলাকায় আলাদা বাসায় থাকলেও ঈদ, বিয়ে কিংবা পারিবারিক আয়োজনে সবাই একত্রিত হন। তখন পুরো পরিবেশটাই যেন হয়ে ওঠে বাংলাদেশি আবহে ভরপুর। ঘরে রান্না হয় পিঠা-পুলি, বিরিয়ানি, ভর্তা কিংবা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবার। ছোটরা বাংলা ভাষা শেখে, বড়রা স্মৃতিচারণ করেন গ্রামের দিনগুলো নিয়ে।

লন্ডন প্রবাসী আশ্রাফের নেছা রুবি বলেন, আমাদের বাবা সবসময় চাইতেন পরিবার একসঙ্গে থাকুক। বিদেশে থেকেও আমরা সেই পারিবারিক বন্ধন ধরে রাখার চেষ্টা করছি। পরিবারের বন্ধনটাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। বাবা যখন লন্ডনে আসেন, তখন এখানে বাঙালি খুব কম ছিল। এখন আমাদের পরিবারের এত সদস্য এখানে প্রতিষ্ঠিত এটা সত্যিই আনন্দের। বাবার কষ্ট আর পরিশ্রমের কারণেই আজ পরিবারের সবাই ভালো অবস্থানে আছে।

লন্ডন প্রবাসী নুরজাহান রুনা বলেন, আমরা নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতি শেখানোর চেষ্টা করি। বিদেশে থেকেও যেন তারা নিজেদের শেকড় না ভুলে যায়। আমরা চাই আমাদের সন্তানরাও বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি ধরে রাখুক।

লল্ডনের বার ট্রেনিং কোর্সের শিক্ষানবিশ আইনজীবী কাজী ইমদাদুল হক তানিম বলেন, পরিবারটির সদস্যরা নিয়মিত দেশে অর্থ পাঠাচ্ছেন। শুধু নিজেদের স্বজনদের সহযোগিতা নয়, গ্রামের বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কাজেও তারা অংশ নেন। প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও দেশের প্রতি টান, গ্রামের স্মৃতি আর পরিবারের ঐক্য ধরে রেখে রহমান সাহেবের পরিবার আজ অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার নাম। লন্ডনের বুকে তারা যেন গড়ে তুলেছেন এক ছোট্ট বাংলাদেশ।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 19 Jun 2026 06:02:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুয়েতে গৃহকর্মী নিয়োগে নতুন নির্দেশনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/115170" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/115170</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গৃহকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করতে নতুন সার্কুলার জারি করেছে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নতুন সার্কুলার অনুযায়ী, ১০টি দেশ থেকে পুরুষ ও নারী গৃহকর্মী নিয়োগের অনুমতি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২৭টি দেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।

অনুমোদিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ফিলিপিন্স, শ্রীলঙ্কা, ভারত,দক্ষিণ আফ্রিকা, বেনিন, সেনেগাল (শুধুমাত্র পুরুষ কর্মী), ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ভিয়েতনাম এবং নেপাল।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ারের সুপারিশ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে গৃহকর্মী নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ থেকে দীর্ঘদিন থেকে সরকারিভাবে নারী গৃহকর্মী প্রেরণ বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু পুরুষ গৃহকর্মী, দারোয়ান, বাবুর্চী, ড্রাইভারসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশি শ্রমিকরা যাচ্ছেন কুয়েতে। বর্তমানে প্রকাশিত অনুমোদিত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম না থাকায় কুয়েতে গৃহকর্মী পাঠানোর বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে কুয়েত ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে ভবিষ্যতে কোনো সমঝোতা বা নতুন সিদ্ধান্ত আসে কি না, সেদিকে নজর রয়েছে প্রবাসী মহলের।


কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী সরকারি সার্কুলার ও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রকাশিত নিষিদ্ধ দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে: মালাউই, চাদ, সিয়েরা লিওন, নাইজার, তানজানিয়া, গাম্বিয়া, ঘানা, জিম্বাবুয়ে, ক্যামেরুন, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, ইরিত্রিয়া,ইন্দোনেশিয়া, ভুটান, আইভরি কোস্ট, মাদাগাস্কার, জিবুতি, ইথিওপিয়া, বুরকিনা ফাসো, গিনি, গিনি-বিসাউ, কেনিয়া, উগান্ডা, নাইজেরিয়া, টোগো, সেনেগাল, লাইবেরিয়া।

২০২৬ সালের প্রতিবেদনে ১০টি অনুমোদিত দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 09 Jun 2026 10:47:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুয়েতে গৃহকর্মী নিয়োগে নতুন নির্দেশনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/115169" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/115169</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গৃহকর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করতে নতুন সার্কুলার জারি করেছে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নতুন সার্কুলার অনুযায়ী, ১০টি দেশ থেকে পুরুষ ও নারী গৃহকর্মী নিয়োগের অনুমতি দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২৭টি দেশ থেকে গৃহকর্মী নিয়োগের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।

অনুমোদিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ফিলিপিন্স, শ্রীলঙ্কা, ভারত,দক্ষিণ আফ্রিকা, বেনিন, সেনেগাল (শুধুমাত্র পুরুষ কর্মী), ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া,  ভিয়েতনাম এবং নেপাল।

 স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং পাবলিক অথরিটি ফর ম্যানপাওয়ারের সুপারিশ ও মূল্যায়নের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে গৃহকর্মী নিয়োগ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে। 
 
বাংলাদেশ থেকে দীর্ঘদিন থেকে সরকারিভাবে নারী গৃহকর্মী প্রেরণ বন্ধ রেখেছে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু পুরুষ গৃহকর্মী, দারোয়ান, বাবুর্চী, ড্রাইভারসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশি শ্রমিকরা যাচ্ছেন কুয়েতে। বর্তমানে প্রকাশিত অনুমোদিত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম না থাকায় কুয়েতে গৃহকর্মী পাঠানোর বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে কুয়েত ও বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে ভবিষ্যতে কোনো সমঝোতা বা নতুন সিদ্ধান্ত আসে কি না, সেদিকে নজর রয়েছে প্রবাসী মহলের। 
 
 
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী সরকারি সার্কুলার ও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে প্রকাশিত নিষিদ্ধ দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে: মালাউই, চাদ, সিয়েরা লিওন, নাইজার, তানজানিয়া, গাম্বিয়া, ঘানা, জিম্বাবুয়ে, ক্যামেরুন, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, ইরিত্রিয়া,ইন্দোনেশিয়া, ভুটান, আইভরি কোস্ট, মাদাগাস্কার, জিবুতি, ইথিওপিয়া, বুরকিনা ফাসো, গিনি, গিনি-বিসাউ, কেনিয়া, উগান্ডা, নাইজেরিয়া, টোগো, সেনেগাল,  লাইবেরিয়া।
 
২০২৬ সালের প্রতিবেদনে  ১০টি অনুমোদিত দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান
 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 09 Jun 2026 10:47:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরো ১৭০ প্রবাসী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/114994" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/114994</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার পথে আটক ১৭০ বাংলাদেশি লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন।

সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বুরাক এয়ারের ফ্লাইটে তাদের দেশে ফেরার তথ্য দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার সহযোগিতায় লিবিয়ার বেনগাজী থেকে তাদের ফিরিয়েছে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এদের বেশির ভাগই সমুদ্রপথে ইউরোপ যেতে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেছিল। তাদের অনেকে লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশিদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনসচেতনতা বাড়াতে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছর লিবিয়ায় আটক অন্তত ৮৯৩ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন। আটক অন্যদের ফেরানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকার কথা বলেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আইওএমের তথ্য বলছে, মে মাসে মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত সাগরপথে ইউরোপে পা বাড়ানো ব্যক্তিদের মধ্যে ছয় হাজার ৮১১ জন আটক হয়েছেন লিবিয়ায়। এই সময়ে ৮২২ জন নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশিদের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

২০২৫ সালে ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার পথে ২৭ হাজার ১১৬ জনকে আটক করা হয়েছিল। ওই সময়ে এক হাজার ৬৯৯ জনের নিখোঁজ বা মৃত্যুর তথ্য দেয় আইওএম।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 25 May 2026 14:07:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির জানাজা সম্পন্ন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/114660" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/114660</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার (৬ মে) স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় টাম্পা এলাকায় এই জানাজা সম্পন্ন হয়।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার অনেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা জানাজায় অংশ নেন।

মিয়ামিতে অবস্থিত বাংলাদেশ কনসুলেটের একজন প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান তিনি।

জানাজা শেষে বৃষ্টির মরদেহ একটি ফিউনারেল সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি আজ অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে মরদেহ ঢাকার উদ্দেশে পাঠাবে।

অরল্যান্ডো বিমানবন্দরেও মিয়ামি বাংলাদেশ কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

আগামী শনিবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে মরদেহটি ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস, মিয়ামি কনসুলেটের সাথে সমন্বয় করে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করছে।

নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি এবং নিহত অন্য আরেক বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ দেশে পাঠানোর সমস্ত খরচ বহন করছে বাংলাদেশ সরকার।

লিমনের মরদেহ গত সোমবার (৪ মে) ঢাকা পৌঁছায়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে লিমনের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করেন।
হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের কাছ থেকে গত ২৪ এপ্রিল বেশ কয়েকটি কালো আবর্জনার ব্যাগ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এ তথ্য মেলে।

লিমনের মরদেহ উদ্ধারের দুই দিন পর ২৬ এপ্রিল হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের কাছের একটি ম্যানগ্রোভ অঞ্চলে কয়েকজন জেলে একটি কালো পলিথিন ব্যাগ দেখতে পান।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যাগের ভেতরে বৃষ্টির মরদেহের অংশ পায়।

এ ঘটনায় সন্দেভাজন খুনি হিসেবে লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘরবেহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 05:41:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশের পথে লিমনের মরদেহ, সোমবার পৌঁছাবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/114591" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/probash/114591</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে ফিরছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ। স্থানীয় সময় শনিবার (২ মে) রাত পৌনে ৯টায় জামিলের মরদেহ বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের বিমানটি ঢাকার উদ্দেশ্যে অরল্যান্ডো বিমানবন্দর ছাড়ে। দুবাই হয়ে সোমবার (৪ মে) সকালে ঢাকায় পৌঁছাবে মরদেহ।

গত ১৬ এপ্রিল সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি নিখোঁজ হন। এর আটদিন পর ২৪ এপ্রিল জামিলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কয়েকদিনের ফরেনসিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ৩০ এপ্রিল শনাক্ত হয় বৃষ্টির মরদেহ। এ ঘটনায় শোকাবহ আবহ সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় প্রবাসীদের মধ্যৈ।

এদিকে আগামী বুধবার (৬ মে) বাদ জোহর যুক্তরাষ্ট্রে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির জানাজা শেষে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।

দুই শিক্ষার্থী খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জামিলের রুমমেট হিশাম আবুঘেরহেকে গ্রেপ্তা&zwnj;র করে পুলিশ। গত ২৬ এপ্রিল হিলসবরো কাউন্টি আদালতে দাখিল করা নথিতে বলা হয়, বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনকে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় হিশাম আবুঘরবেহ&rsquo;র বিরুদ্ধে দুটি প্রথম-ডিগ্রি পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা বলেছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এরইমধ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

লিমন ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। আর বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করছিলেন।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 03 May 2026 07:34:45 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
