<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/lifestyle</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/lifestyle"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews lifestyle Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest lifestyle News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sat, 29 Aug 2026 10:28:45 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[শ্রীনগরের উমপাড়ায় শুরু হলো ‘তৈ তৈ রেস্তোরাঁ এন্ড পার্টি সেন্টার’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117843" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117843</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[*পদ্মা ও আড়িয়াল বিলের তাজা মাছ, দেশি হাঁসের নানা পদ&mdash;ভোজনরসিকদের জন্য নতুন ঠিকানা

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার উমপাড়ায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে &lsquo;তৈ তৈ রেস্তোরাঁ এন্ড পার্টি সেন্টার&rsquo;। স্থানীয় ঐতিহ্য ও দেশীয় খাবারের স্বাদকে গুরুত্ব দিয়ে সাজানো নতুন এই রেস্তোরাঁয় থাকছে পদ্মা নদী ও আড়িয়াল বিলের তাজা মাছ, দেশি হাঁসের বিভিন্ন পদসহ নানা ধরনের মুখরোচক খাবারের আয়োজন। পাশাপাশি পরিবার নিয়ে সময় কাটানো, সামাজিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন আয়োজনের জন্য রয়েছে পার্টি সেন্টারের সুবিধা।

শুক্রবার দুপুরে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেস্তোরাঁটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুর রহমান খান, টঙ্গীবাড়ি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হান্নান শেখ, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদ-ই-হাসান তুহিন ও ষোলঘর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আল-হাসান&#39;সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আমন্ত্রিত অতিথিরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা রেস্তোরাঁটির বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং খাবারের আয়োজন, পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ নেন। পরে তারা রেস্তোরাঁটির সফলতা কামনা করেন।

তাজা মাছ দেখে পছন্দ, এরপর রান্না

&lsquo;তৈ তৈ রেস্তোরাঁ এন্ড পার্টি সেন্টার&rsquo;-এর অন্যতম বিশেষত্ব হিসেবে থাকছে তাজা মাছ ও হাঁসের মাংস দেখে পছন্দ করে রান্না করে খাওয়ার ব্যবস্থা। উদ্যোক্তাদের দাবি, ভোজনরসিকদের কাছে তাজা মাছের স্বাদ ও মান নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রেস্তোরাঁটির স্বত্বাধিকারী ও ব্যবসায়ী মো. কামরুল ইসলাম বলেন, আমরা চেয়েছি এমন একটি রেস্তোরাঁ তৈরি করতে, যেখানে মানুষ শুধু খাবার খেতে আসবেন না, বরং ভালো খাবারের সঙ্গে একটি সুন্দর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরবেন। এখানে তাজা হাঁস ও তাজা মাছ দেখে পছন্দ করে রান্না করে খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে আমাদের এলাকার ঐতিহ্যের সঙ্গে মিল রেখে পদ্মা নদী ও আড়িয়াল বিলের তাজা মাছকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। একজন ক্রেতা নিজের পছন্দের মাছ দেখে নির্বাচন করতে পারবেন। এরপর সেটি তার পছন্দ অনুযায়ী রান্না করে পরিবেশন করা হবে। খাবারের স্বাদ, মান ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে চাই।

দেশি হাঁসের নানা পদে বিশেষ আকর্ষণ

রেস্তোরাঁটির বিশেষ আকর্ষণের তালিকায় রয়েছে দেশি হাঁস ভুনা, হাঁসের বিরিয়ানি, হাঁসের ঝিঙুড়িসহ হাঁসের মাংসের বিভিন্ন পদ। পাশাপাশি দেশীয় বিভিন্ন খাবারের আয়োজনও রাখা হয়েছে।

উদ্যোক্তা কামরুল ইসলাম বলেন, হাঁসের মাংস আমাদের অঞ্চলের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাই হাঁসের বিভিন্ন পদকে আমরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছি। ক্রেতারা যেন স্বাদ ও মানের দিক থেকে সন্তুষ্ট হন, সেটাই আমাদের চেষ্টা।

পদ্মা-আড়িয়াল বিলের মাছকে গুরুত্ব

মুন্সীগঞ্জের সঙ্গে পদ্মা নদী ও আড়িয়াল বিলের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এ অঞ্চলের দেশীয় মাছের স্বাদ ও বৈচিত্র্য ভোজনরসিকদের কাছে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করে। সেই স্থানীয় ঐতিহ্যকে খাবারের আয়োজনে তুলে ধরতে চায় &lsquo;তৈ তৈ রেস্তোরাঁ&rsquo;।

রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের প্রত্যাশা, পদ্মা নদী ও আড়িয়াল বিলের তাজা মাছ এবং দেশি হাঁসের ঐতিহ্যবাহী রান্না নতুন এ রেস্তোরাঁর অন্যতম প্রধান পরিচিতি হয়ে উঠবে। পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ

শুধু খাবারের আয়োজন নয়, পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটানোর বিষয়টিও মাথায় রেখে রেস্তোরাঁটি সাজানো হয়েছে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষ যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে খাবার উপভোগ করতে পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন পারিবারিক অনুষ্ঠান, জন্মদিন, সামাজিক অনুষ্ঠান, ব্যবসায়িক সভা ও ছোট-বড় আয়োজনের জন্য পার্টি সেন্টারের সুবিধা রাখা হয়েছে। কফিপ্রেমীদের জন্য রয়েছে প্রিমিয়াম কফির ব্যবস্থাও।

এক্সপ্রেসওয়ের পাশে হওয়ায় বাড়তি সুবিধা

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে শ্রীনগরের উমপাড়ায় রেস্তোরাঁটির অবস্থান হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলাচলকারী যাত্রীদের কাছেও এটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশেষ করে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের দিকে যাতায়াতকারী এবং দক্ষিণাঞ্চল থেকে ঢাকার দিকে আসা যাত্রীরা যাত্রাবিরতির সময় এখানে খাবার গ্রহণের সুযোগ পাবেন। পরিবার নিয়ে ভ্রমণে বের হওয়া মানুষের জন্যও এটি হতে পারে খাবার ও বিশ্রামের একটি সুবিধাজনক স্থান।

মানসম্মত খাবার পরিবেশনের প্রত্যাশা:

রেস্তোরাঁটির স্বত্বাধিকারী মো. কামরুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা চাই &lsquo;তৈ তৈ&rsquo; নামটি মানুষের কাছে ভালো খাবার ও সুন্দর পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হোক। ব্যবসার পাশাপাশি ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। একজন মানুষ একবার এসে খাবার খেয়ে সন্তুষ্ট হয়ে আবার পরিবার-পরিজন নিয়ে ফিরে আসবেন&mdash;এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

তিনি আরও বলেন, খাবারের মান ধরে রাখা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ করার ক্ষেত্রে আমরা সবসময় সচেতন থাকব। স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি দূর-দূরান্তের মানুষও যেন এখানে এসে মুন্সীগঞ্জের দেশীয় খাবারের স্বাদ নিতে পারেন, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরাও নতুন এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানসম্মত খাবারের পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে &lsquo;তৈ তৈ রেস্তোরাঁ এন্ড পার্টি সেন্টার&rsquo; শ্রীনগরের খাবারের জগতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সব মিলিয়ে পদ্মার তাজা মাছ, আড়িয়াল বিলের দেশি মাছ, হাঁসের ঐতিহ্যবাহী রান্না, রুচিসম্মত পরিবেশ ও পার্টি আয়োজনের সুবিধা&mdash;এসবের সমন্বয়ে শ্রীনগরের উমপাড়ায় &lsquo;তৈ তৈ রেস্তোরাঁ এন্ড পার্টি সেন্টার&rsquo; ভোজনরসিকদের জন্য নতুন এক গন্তব্য হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার প্রত্যাশা করছে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 29 Aug 2026 10:28:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নীরব ঘাতক হৃদরোগ: যেসব সূক্ষ্ম লক্ষণ দেখে আগেই সতর্ক হবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117803" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117803</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হৃদরোগের সমস্যার ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং গুরুতর হৃদরোগ দেখা দেওয়ার আগে কেউ কেউ সূক্ষ্ম লক্ষণ অনুভব করতে পারেন।

১. দ্রুত, ধড়ফড় করা বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন

ব্যায়াম, ক্যাফেইন, উত্তেজনা বা মানসিক চাপের পর আপনি মাঝে মাঝে আপনার হৃৎস্পন্দন দ্রুত হতে দেখতে পারেন। এটি সাধারণত অস্থায়ী। কিন্তু বারবার দ্রুত, ধড়ফড় করা, কাঁপুনি বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন অস্বাভাবিক হৃদছন্দের ইঙ্গিত দিতে পারে, যা অ্যারিথমিয়া নামে পরিচিত। কিছু অ্যারিথমিয়া ক্ষতিকর নয়, আবার অন্যগুলো স্ট্রোক বা হার্ট ফেইলিউরের মতো জটিলতার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই সমস্যাগুলো কত ঘন ঘন হচ্ছে, কতক্ষণ স্থায়ী হচ্ছে এবং এর সঙ্গে বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে কি না, সেদিকে মনোযোগ দিন।

২. অস্বাভাবিক বা দীর্ঘস্থায়ী বুকের অস্বস্তি

বুকে ব্যথা হার্টের সমস্যার অন্যতম পরিচিত লক্ষণ, কিন্তু এটি সবসময় তীব্র ব্যথার মতো অনুভূত হয় না। কিছু মানুষ এটিকে এভাবে বর্ণনা করেন- চাপ বা আঁটসাঁট ভাব, ভারী ভাব, জ্বালা, চাপ দেওয়া, বুকে কিছু চেপে ধরার অনুভূতি। এই অস্বস্তি হাত, কাঁধ, পিঠ, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

শারীরিক কার্যকলাপ বা মানসিক চাপের সময় বুকে যে অস্বস্তি দেখা দেয় এবং বিশ্রামে ভালো হয়ে যায়, তা এনজাইনার লক্ষণ হতে পারে। হঠাৎ বা তীব্র বুকের ব্যথা, বিশেষ করে যখন এর সাথে ঘাম, বমি বমি ভাব বা শ্বাসকষ্ট থাকে তখন তা হার্ট অ্যাটাকের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং এর জন্য জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন।

৩. দৈনন্দিন কাজকর্মের সময় শ্বাসকষ্ট

তীব্র ব্যায়ামের পর শ্বাসকষ্ট হওয়া সাধারণত স্বাভাবিক। কিন্তু হাঁটার সময়, কয়েকটি সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় বা দৈনন্দিন গৃহস্থালীর কাজ করার সময় অস্বাভাবিকভাবে শ্বাসকষ্ট হওয়া একটি সতর্কতামূলক লক্ষণ হতে পারে। হৃদরোগের কারণে হৃৎপিণ্ডের কার্যকরভাবে রক্ত ​​পাম্প করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। এর ফলে ফুসফুসে তরল জমতে পারে, যা শ্বাস-প্রশ্বাসকে কঠিন করে তোলে।

জার্নাল অফ দ্য ইউরোপিয়ান রেসপিরেটরি সোসাইটিতে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনা অনুসারে, ফুসফুসের রোগ, রক্তস্বল্পতা, সংক্রমণ এবং অন্যান্য অসুস্থতার কারণেও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তবে যদি এটি নতুন হয়, অবস্থার অবনতি ঘটে অথবা বুকের অস্বস্তি, মাথা ঘোরা বা অস্বাভাবিক ক্লান্তির সাথে দেখা দেয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৪. মাথা ঘোরা বা জ্ঞান হারানোর অনুভূতি

হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে, শরীরে পানির অভাব হলে বা অনেকক্ষণ ধরে কিছু না খেলে মাঝে মাঝে মাথা হালকা লাগতে পারে। তবে বারবার মাথা ঘোরা, জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা বা জ্ঞান হারানো, বিশেষ করে ব্যায়ামের সময়, কখনও কখনও হৃদস্পন্দনের সমস্যা বা অন্য কোনো কার্ডিওভাসকুলার রোগের ইঙ্গিত দিতে পারে।

হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতার কারণে হৃৎপিণ্ড খুব দ্রুত, খুব ধীরে বা অনিয়মিতভাবে স্পন্দিত হতে পারে, যা সাময়িকভাবে মস্তিষ্কে রক্ত ​​প্রবাহ কমিয়ে দেয়। শারীরিক কার্যকলাপের সময় জ্ঞান হারানো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং অবিলম্বে এর মূল্যায়ন করা উচিত।

৫. গোড়ালি বা পায়ে ফোলাভাব

দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর, গরম আবহাওয়ায় বা অনেকক্ষণ বসে থাকার পর পা এবং গোড়ালি ফুলে যাওয়া একটি সাধারণ ঘটনা। তবে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়া ক্রমাগত ফোলাভাব কখনো কখনো হার্ট ফেইলিউরের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। যখন হৃৎপিণ্ড কার্যকরভাবে পাম্প করতে হিমশিম খায়, তখন শরীরের নিচের অংশে তরল জমা হতে পারে।

ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের মতে, হৃৎপিণ্ড-সম্পর্কিত ফোলাভাব বেশিরভাগ সময় উভয় পায়ে দেখা যায় এবং এর সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি বা শুয়ে থাকার সময় শ্বাস নিতে অসুবিধা হতে পারে। শুধুমাত্র একটি পায়ে হঠাৎ ফোলাভাব, বিশেষ করে ব্যথা, উষ্ণতা বা লালচে ভাব থাকলে, এর অন্যান্য কারণ থাকতে পারে এবং এর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

৬. চোয়াল, পিঠ, কাঁধ বা বাহুতে ব্যথা বা অস্বস্তি

হৃদপিণ্ডের সমস্যার কারণে সবসময় সরাসরি হৃদপিণ্ডের উপরে ব্যথা হয় না। হার্ট অ্যাটাকের সময় অস্বস্তি বুক থেকে বাম বা উভয় বাহু, কাঁধ, পিঠ, ঘাড় বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়তে পারে। কিছু লোক স্পষ্ট বুকে ব্যথা ছাড়াই এই জায়গাগুলোতে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। এর ফলে, হৃদপিণ্ড-সম্পর্কিত লক্ষণগুলোকে সহজেই পেশীর টান, বদহজম বা দাঁতের সমস্যা বলে ভুল হতে পারে।

এই জায়গাগুলোতে হঠাৎ করে কোনো কারণ ছাড়া ব্যথা, বিশেষ করে যখন এর সাথে ঘাম, বমি বমি ভাব, শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ থাকে, তখন এটিকে একটি জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

৭. কারণ ছাড়াই চরম ক্লান্তি

ব্যস্ত দিনের পর সবাই ক্লান্ত বোধ করে। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি, যা আপনার পরিশ্রমের মাত্রার তুলনায় অনেক বেশি, তা মনোযোগের দাবি রাখে। কেউ কেউ, বিশেষ করে নারী এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা, হার্টের সমস্যার আগে বা চলাকালীন সময়ে অস্বাভাবিক ক্লান্তি অনুভব করতে পারেন, যা বুকের ব্যথার চেয়েও বেশি স্পষ্ট। যদি হঠাৎ করে সাধারণ কাজকর্ম করতে গিয়ে ক্লান্ত লাগে অথবা ক্লান্তির সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা বুকে অস্বস্তি হয় তাহলে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।

পাবমেড সেন্ট্রালের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তির অনেক কারণ থাকতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে রক্তস্বল্পতা, থাইরয়েডের সমস্যা, অপর্যাপ্ত ঘুম এবং সংক্রমণ। তাই এটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে হৃদরোগজনিত বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 04:43:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সম্পর্কটা ভালোবাসা নাকি শুধু অভ্যাসের, যেভাবে বুঝবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117785" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117785</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সম্পর্কের শুরুতে সঙ্গীর ছোট্ট একটি বার্তা, প্রশংসা কিংবা খোঁজ নেওয়াও আনন্দ দেয়। তবে সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোনো হলে এসব অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে। তখন মনে প্রশ্ন জাগে&mdash;সঙ্গী কি এখনও আগের মতো ভালোবাসেন, নাকি সম্পর্কটি কেবল অভ্যাসে পরিণত হয়েছে?

এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সঙ্গীর প্রতিদিনের আচরণের দিকে নজর দেওয়া যেতে পারে। কারণ ভালোবাসা সবসময় বড় আয়োজন বা দামি উপহারে প্রকাশ পায় না; অনেক সময় তা প্রকাশ পায় ছোট ছোট যত্ন, মনোযোগ ও সম্মানের মধ্য দিয়ে।

আপনার কথা কি মন দিয়ে শোনেন?

আপনি কথা বলার সময় সঙ্গী কি মনোযোগ দিয়ে শোনেন? আপনার বলা ছোটখাটো বিষয় মনে রাখেন? কোনো সমস্যা হলে খোঁজ নেন?

আপনার কথাকে গুরুত্ব দেওয়া ভালোবাসার অন্যতম প্রকাশ। কাজের চাপ বা ক্লান্তির কারণে কখনো মনোযোগ কম থাকতেই পারে। তবে নিয়মিতভাবে আপনার কথা এড়িয়ে যাওয়া, বিরক্তি প্রকাশ করা কিংবা মাঝপথে থামিয়ে দেওয়ার প্রবণতা থাকলে বিষয়টি নিয়ে ভাবা প্রয়োজন।

না বললেও কি আপনার যত্ন নেন?

ভালোবাসা মানেই দামি উপহার কিংবা বড় কোনো আয়োজন নয়। মন খারাপ বুঝে পাশে থাকা, আপনার পছন্দ মনে রাখা বা প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা করাও আন্তরিকতার পরিচয়।

আপনি কিছু না বললেও সঙ্গী যদি আপনার প্রয়োজন ও অনুভূতির প্রতি খেয়াল রাখেন, তাহলে সেটি তার যত্নের ইঙ্গিত হতে পারে। সত্যিকারের যত্ন অনেক সময় কথার আগেই আচরণে প্রকাশ পায়।

ভবিষ্যতের ভাবনায় কি আপনি আছেন?

সঙ্গী যখন ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা করেন, সেখানে কি আপনার উপস্থিতি থাকে? গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কি আপনার মতামত জানতে চান?

ভালোবাসার সম্পর্কে মানুষ প্রিয়জনকে শুধু বর্তমানের সঙ্গী হিসেবে নয়, ভবিষ্যতের পথচলার অংশ হিসেবেও দেখতে চান। এর অর্থ সব সম্পর্কেই দ্রুত বিয়ে বা বড় কোনো প্রতিশ্রুতি আসতে হবে এমন নয়। তবে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় আপনার মতামত ও উপস্থিতি থাকা ইতিবাচক লক্ষণ।

তার সঙ্গে থাকলে কি নিজেকে বিশেষ মনে হয়?

সম্পর্ক যত পুরোনোই হোক, ভালোবাসার পাশাপাশি সম্মান ও গুরুত্ব থাকা জরুরি। সঙ্গী যদি আপনার সুখ-দুঃখের প্রতি মনোযোগী হন, অনুভূতিকে গুরুত্ব দেন এবং আপনাকে তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ হিসেবে অনুভব করান, তাহলে সম্পর্কের ভালোবাসা এখনও সক্রিয় থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

অন্যদিকে, শুধু প্রয়োজনের সময় আপনাকে মনে করা, আপনার অনুভূতিকে গুরুত্ব না দেওয়া কিংবা সবসময় আপনাকে হালকাভাবে নেওয়ার মতো আচরণ সম্পর্কটি ভালোবাসার চেয়ে অভ্যাসে পরিণত হয়েছে কি না, সে প্রশ্ন তুলতে পারে।

তবে একটি-দুটি আচরণ দেখে সম্পর্কের ভালোবাসা বিচার করা ঠিক নয়। সময়ের সঙ্গে মানুষের ভালোবাসা প্রকাশের ধরন বদলাতে পারে। তাই সন্দেহ বা দূরত্ব তৈরি হলে অনুমানের ওপর নির্ভর না করে সঙ্গীর সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করাই সবচেয়ে কার্যকর পথ।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 08:01:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে কার্যকরী  ৫ খাবার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117743" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117743</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহৃত কিছু সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী খাবারে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে এবং দীর্ঘমেয়াদে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী এমন পাঁচটি খাবার হলো&mdash;

১. তুলসী

তুলসীতে রয়েছে ইউজেনলসহ বিভিন্ন উপকারী যৌগ। এসব উপাদানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বিশেষ করে স্তন ক্যানসারের বিরুদ্ধে তুলসীর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা হয়েছে। তুলসী চা হিসেবে পান করা যায় কিংবা বিভিন্ন খাবারে তাজা তুলসী যোগ করা যেতে পারে। তবে তুলসী ক্যানসারের চিকিৎসা নয়; এর সম্ভাব্য উপকারিতা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

২. টমেটো

টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। লাইকোপেন প্রোস্টেট ও পাকস্থলীর ক্যানসারসহ কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত। রান্না করা টমেটো থেকে শরীর তুলনামূলকভাবে বেশি লাইকোপেন গ্রহণ করতে পারে। তাই কাঁচা টমেটোর পাশাপাশি রান্না করা টমেটোও নিয়মিত খাবারে রাখা যেতে পারে।

৩. পালং শাক

পালং শাকের মতো পাতাযুক্ত শাকসবজিতে ফোলেট, ফাইবার ও বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ পুষ্টি উপাদান থাকে। ফোলেট ডিএনএ তৈরি ও মেরামতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পর্যাপ্ত ফোলেট গ্রহণ কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। শাকসবজির ফাইবার হজমশক্তি ভালো রাখতে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে। নিয়মিত খাবারে পালং শাকসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি রাখা স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

৪. হলুদ

হলুদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কারকিউমিন। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। গবেষণায় কারকিউমিনের ক্যানসার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রতিদিনের তরকারি, স্যুপ বা অন্যান্য খাবারে পরিমাণমতো হলুদ ব্যবহার করা যেতে পারে। গোলমরিচের সঙ্গে হলুদ খেলে কারকিউমিন শরীরে শোষিত হওয়ার পরিমাণ বাড়তে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

৫. আমলকী

আমলকী ভিটামিন সি ও বিভিন্ন ফাইটো-কেমিক্যালে সমৃদ্ধ। এসব উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় সহায়তা করতে পারে। আমলকী ফুসফুস ও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এটি কাঁচা খাওয়া, রস তৈরি করা কিংবা গুঁড়া করে খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো একটি খাবার ক্যানসার প্রতিরোধের নিশ্চয়তা দেয় না। বরং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি, ফল, পূর্ণ শস্য ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার মিলিয়ে সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলা, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 10:44:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঝগড়ার পর সম্পর্ক ঠিক করতে যা করবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117723" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117723</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সম্পর্কে ঝগড়া হওয়া অস্বাভাবিক নয়। তবে রাগের মাথায় বলা কিছু কথা অনেক সময় সঙ্গীর মনে গভীর আঘাত তৈরি করে। ঝগড়ার পর ভুল বোঝাবুঝি ও মনোমালিন্য দীর্ঘায়িত হলে সম্পর্কেও দূরত্ব তৈরি হতে পারে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কিছু বিষয় মেনে চলা জরুরি।

ক্ষমা চান

শুধু &lsquo;তুমি কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখিত&rsquo; বলার চেয়ে নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া বেশি কার্যকর। যেমন, &lsquo;আমি রেগে গিয়েছিলাম, কিন্তু তোমার সঙ্গে এভাবে কথা বলা আমার উচিত হয়নি&rsquo;&mdash;এভাবে নিজের আচরণের দায় নেওয়া যায়। সঙ্গীর সব কথার সঙ্গে একমত না হলেও নিজের ভুলের জায়গাটুকুর জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান।

কিছুটা সময় দিন

ঝগড়া শেষ হওয়ার পরপরই সবকিছু ঠিক করার চেষ্টা না করাই ভালো। বারবার ফোন বা মেসেজ না করে দুজনকেই কিছুটা সময় দিন। এতে রাগ কমবে এবং প্রত্যেকে নিজের আচরণ ও ভুল নিয়ে ভাবার সুযোগ পাবে। পরে শান্তভাবে কথা বলা সহজ হবে।

ঝগড়ার কারণ খুঁজে বের করুন

&lsquo;এভাবে আর কখনো ঝগড়া করব না&rsquo;&mdash;এমন প্রতিশ্রুতি ভালো শোনালেও সমস্যার মূল কারণ দূর করে না। বরং কেন ঝগড়া হলো, কোথা থেকে বিষয়টি বড় আকার নিল এবং দুজনের কার কোথায় ভুল ছিল&mdash;সেটি বোঝার চেষ্টা করুন। সমস্যার মূল কারণ জানা গেলে ভবিষ্যতে একই পরিস্থিতি এড়ানো সহজ হবে।

কথার চেয়ে কাজে পরিবর্তন দেখান

নিজেকে বদলে ফেলার কথা বারবার বলার চেয়ে আচরণের মাধ্যমে পরিবর্তন দেখানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, আগের মতো অল্পতেই রেগে না যাওয়া, সঙ্গীর কথা মন দিয়ে শোনা কিংবা ছোটখাটো বিষয়ে আরও ধৈর্যশীল হওয়া। ধারাবাহিক ভালো আচরণই ধীরে ধীরে সম্পর্কের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে।

যুক্তিকে প্রতিযোগিতায় পরিণত করবেন না

প্রতিটি তর্কে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করাই সম্পর্কের লক্ষ্য নয়। সব কথার জবাব যুক্তি দিয়ে দেওয়া বা প্রতিটি বিষয়ে জয়ী হওয়ার চেষ্টা করলে সঙ্গী ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করতে পারেন। তাই কোথায় নিজের বক্তব্য রাখা দরকার আর কোথায় বিষয়টি ছেড়ে দেওয়া ভালো&mdash;সেটি বুঝতে হবে।

ঝগড়া সম্পর্কের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে, কিন্তু ঝগড়ার পর কীভাবে পরিস্থিতি সামলানো হচ্ছে সেটিই সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আন্তরিক ক্ষমা, সময়, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন অনেকটাই দূর করতে পারে মনোমালিন্য।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 07:44:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ওজন নিয়ন্ত্রণে আদা চা কতটা কার্যকর? খাবেন যেভাবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117714" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117714</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খাওয়ার পর পেট ফাঁপা, ভারী লাগা কিংবা হজমের অস্বস্তিতে অনেকেই ঘরোয়া সমাধান খোঁজেন। রান্নাঘরের পরিচিত উপাদান আদা এ ক্ষেত্রে একটি সহজ বিকল্প হতে পারে। আদা দিয়ে তৈরি চা হজমে সহায়তা করার পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণেও কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। খবর এনডিটিভির।

হজমে আদা

আদা হজমতন্ত্রের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। &lsquo;ওয়ার্ল্ড জার্নাল অব গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি&rsquo;-তে প্রকাশিত একটি ছোট গবেষণায় দেখা গেছে, আদা খাবারকে পাকস্থলী থেকে দ্রুত অন্ত্রে পৌঁছাতে সহায়তা করতে পারে। তবে হজমের সব ধরনের উপসর্গ কমাতে আদা কার্যকর-এমন শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

পেট ফাঁপায় কতটা উপকারী

খাওয়ার পর পেট ফুলে থাকা বা ভারী লাগা অনেকের নিয়মিত সমস্যা। ২০১১ সালের একটি গবেষণায় আদা ও আর্টিচোকের সমন্বয়ে তৈরি একটি সাপ্লিমেন্ট হজমের অস্বস্তি, পেট ফাঁপা, বমিভাব ও পেট ভরা অনুভূতি কমাতে সহায়তা করেছিল।

তবে গবেষণায় সাধারণ আদা চা নয়, আদা ও আর্টিচোকের সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছিল। তাই ঘরে তৈরি এক কাপ আদা চা একই ধরনের ফল দেবে&mdash;এমন নিশ্চয়তা নেই।

ওজন নিয়ন্ত্রণে আদা চা

আদা চাকে কোনোভাবেই &lsquo;ফ্যাট বার্নিং&rsquo; পানীয় হিসেবে দেখা উচিত নয়। তবে ওজন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে করা কিছু গবেষণায় ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। ২০২৫ সালের একটি গবেষণা পর্যালোচনায় দেখা যায়, আদার সাপ্লিমেন্ট গ্রহণকারীদের কোমরের পরিধি ও শরীরের চর্বির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে।

তবে শরীরের মোট ওজন বা বিএমআই কমানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই শুধু আদা চা পান করে ওজন কমানোর চেষ্টা করা ঠিক নয়। স্বাস্থ্যকর খাবার ও নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ পানীয় হিসেবে আদা চা খাওয়া যেতে পারে।

কখন খাবেন

আদা চা খাওয়ার জন্য সকাল বা রাত-কোনো নির্দিষ্ট সময় সবচেয়ে কার্যকর, এমন শক্ত প্রমাণ নেই। খাবারের পর কিংবা সাধারণত যখন হজমের অস্বস্তি হয়, তখন এটি পান করা যেতে পারে।

রাতে পান করতে চাইলে কালো চা বা অন্য ক্যাফেইনযুক্ত চায়ের পরিবর্তে শুধু আদা দিয়ে তৈরি পানীয় বেছে নেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে ক্যাফেইনের কারণে যাদের ঘুমে সমস্যা হয়, তাদের জন্য এটি বিবেচনা করা যেতে পারে।

আদা চা অনেকের জন্য সাধারণ পানীয় হিসেবে উপযোগী হলেও সবার ক্ষেত্রে একই ফল নাও দিতে পারে। কোনো শারীরিক সমস্যা বা অস্বস্তি দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 18:07:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিশুর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষতিকর কনটেন্ট: অভিভাবকদের করণীয়  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117697" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/techlife/117697</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমান সময়ে শিশুদের একটি বড় অংশ কোনো না কোনোভাবে মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা বাবা-মায়ের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছে, আবার কারও জন্য আলাদা অ্যাকাউন্টও খুলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে বয়স ও মানসিক পরিপক্বতা বিবেচনা না করেই অল্প বয়সে শিশুরা বিভিন্ন ধরনের অনলাইন কনটেন্টের সংস্পর্শে আসছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষামূলক ও সৃজনশীল কনটেন্টের পাশাপাশি সহিংসতা, অশালীনতা, সাইবার বুলিং, আত্মক্ষতির প্ররোচনা, শরীর ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে নেতিবাচক ধারণাসহ বয়স-অনুপযোগী নানা কনটেন্ট রয়েছে। এসব উপাদান শিশুর চিন্তা, আচরণ ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শিশুরা এসব কনটেন্টের এত সহজে নাগালে আসার পেছনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরির বাড়তি প্রবণতাও একটি কারণ। ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে রিলস, শর্টস তৈরি ও মনিটাইজেশনের মাধ্যমে আয়ের সুযোগ নিয়ে নিয়মিত বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। এতে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরিকে আয়ের সম্ভাবনাময় মাধ্যম হিসেবে দেখছেন।

তবে সমস্যা তৈরি হয় যখন এই প্রবণতার সঙ্গে শিশুদেরও বাণিজ্যিকভাবে যুক্ত করা হয়। শিশুর স্বাভাবিক জীবন, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানসিক বিকাশের বিষয়টি উপেক্ষা করে অনেক সময় তাদের দিয়ে ভিডিও বা অন্যান্য কনটেন্ট তৈরি করা হচ্ছে। কখনো শিশুই হয়ে উঠছে কনটেন্টের মূল বিষয়, আবার কখনো তার আচরণ, পোশাক, কথাবার্তা কিংবা ব্যক্তিগত মুহূর্ত দর্শক আকর্ষণের উপকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

অর্থ উপার্জনের সুযোগ থাকলেও শিশুকে এভাবে কনটেন্ট তৈরিতে ব্যবহার করা তার অধিকার, গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ইউনিসেফও শিশুদের শুধু ডিজিটাল কনটেন্টের ভোক্তা বা বাণিজ্যিক মুনাফার মাধ্যম হিসেবে না দেখে অধিকারধারী হিসেবে বিবেচনা ও সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

ডিজিটাল পরিবেশে শিশুর নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, মতপ্রকাশ এবং সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে অভিভাবকের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রেরও দায়িত্ব রয়েছে।

শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সসীমা, অভিভাবকের সম্মতি এবং বয়স যাচাইয়ের মতো সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ডেনমার্কসহ আরও কয়েকটি দেশেও শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গবেষণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সঙ্গে সাইবার বুলিং, বয়স-অনুপযোগী কনটেন্টের সংস্পর্শ, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। বিশেষ করে আত্মক্ষতির প্ররোচনা, খাদ্যাভ্যাসজনিত সমস্যা কিংবা নিজের শরীর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করতে পারে&mdash;এমন কনটেন্ট শিশুদের জন্য উদ্বেগের কারণ।

শিশু ক্ষতিকর কনটেন্ট দেখলে করণীয়

শিশু কোনো ক্ষতিকর কনটেন্ট দেখে ফেললে প্রথমেই অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে তার সঙ্গে শান্তভাবে কথা বলা উচিত। বকাঝকা বা ভয় দেখালে শিশু ভবিষ্যতে অনলাইনে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হলে সেটি গোপন করতে পারে। তাই কী দেখেছে, কোথায় দেখেছে এবং সেটি দেখে তার কেমন লেগেছে&mdash;এসব বিষয় ধৈর্যের সঙ্গে জানতে হবে।

শিশুর সঙ্গে খোলামেলা যোগাযোগের পরিবেশ তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইনে অস্বস্তিকর, ভয়ংকর বা বিভ্রান্তিকর কিছু দেখলে যেন সে নির্ভয়ে বাবা-মাকে জানাতে পারে, সেই আস্থা তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি সে কার সঙ্গে কথা বলছে এবং কী ধরনের কনটেন্ট দেখছে, তা নিয়েও বয়স অনুযায়ী নিয়মিত আলোচনা করা প্রয়োজন।

ডিভাইস ব্যবহারে পরিবারের নিজস্ব কিছু নিয়ম থাকা দরকার। কখন, কোথায় এবং কতক্ষণ মোবাইল বা অন্য ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে, তা নির্ধারণ করা যেতে পারে। খাবারের সময়, পড়াশোনা, ঘুম ও পারিবারিক সময়কে স্ক্রিনমুক্ত রাখার অভ্যাসও গড়ে তোলা যেতে পারে।

প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহারে বয়স উপযোগী প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, নিরাপদ সার্চ, প্রাইভেসি সেটিংস ও কনটেন্ট ফিল্টার কাজে লাগানো যেতে পারে। শিশুকে পূর্ণ নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত ছবি বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে প্রকাশ না করার বিষয়েও সচেতন করতে হবে।

কোনো পোস্ট, ভিডিও বা অ্যাকাউন্ট ক্ষতিকর মনে হলে সেটি রিপোর্ট ও ব্লক করার পদ্ধতিও শিশুকে শেখানো দরকার। সাইবার বুলিং বা সরাসরি হুমকির মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রয়োজনীয় প্রমাণ হিসেবে স্ক্রিনশট সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

এ ছাড়া শিশুর অবসর সময়কে শুধু স্ক্রিননির্ভর না রেখে বই পড়া, খেলাধুলা, ছবি আঁকা, গান, প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানো এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ বাড়ানো জরুরি।

তবে শিশুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করাই সব ক্ষেত্রে একমাত্র সমাধান নয়। বয়স, মানসিক পরিপক্বতা ও প্রয়োজন বিবেচনায় নিরাপদ ডিজিটাল অভ্যাস তৈরি করাই গুরুত্বপূর্ণ। এর জন্য প্রয়োজন অভিভাবকের সচেতনতা, সন্তানের সঙ্গে বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার।

শিশুর হাতে প্রযুক্তি তুলে দেওয়া সহজ; কিন্তু সেই প্রযুক্তি নিরাপদে ব্যবহারের শিক্ষা দেওয়াই বড় দায়িত্ব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন শিশুর স্বাভাবিক শৈশব ও বিকাশে বাধা না হয়ে বরং শেখা ও সৃজনশীলতার নিরাপদ মাধ্যম হয়ে ওঠে&mdash;সেদিকে নজর দিতে হবে সবাইকে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 12:46:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রাকৃতিক উপায়ে যেভাবে ঘর থেকে টিকটিকি দূর করবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117575" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117575</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঘরে ঢুকতেই দেয়াল বেয়ে টিকটিকি ছুটে বেড়ানোর দৃশ্য অনেকের কাছেই অস্বস্তিকর। যদিও সাধারণ ঘরের টিকটিকি বেশিরভাগ সময় মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় এবং মশা-মাছিসহ বিভিন্ন পোকামাকড় খেয়ে থাকে, তবু ঘরের ভেতরে তাদের উপস্থিতি অনেকেই পছন্দ করেন না।

টিকটিকি দূর করতে সব সময় রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। ঘর পরিষ্কার রাখা এবং টিকটিকির সম্ভাব্য প্রবেশপথ বন্ধ করার পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করে তাদের আনাগোনা কমানোর চেষ্টা করা যেতে পারে।

পুদিনা ও ইউক্যালিপটাস

পুদিনা বা ইউক্যালিপটাসের তীব্র গন্ধকে অনেকে টিকটিকি প্রতিরোধের ঘরোয়া উপায় হিসেবে ব্যবহার করেন। জানালার পাশে পুদিনা গাছ রাখা কিংবা পানিতে অল্প পরিমাণ সুগন্ধি তেল মিশিয়ে প্রবেশপথের আশপাশে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি, বিশেষ করে ঘরে শিশু বা পোষা প্রাণী থাকলে।

ডিমের খোসা

দরজা-জানালার আশপাশে পরিষ্কার ও শুকনো ডিমের খোসা রেখে দেওয়ার প্রচলিত একটি ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে। তবে ডিমের খোসার গন্ধে টিকটিকি নিশ্চিতভাবে দূরে থাকে&mdash;এমন শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সীমিত। তাই এটিকে নিশ্চিত প্রতিরোধক না ধরে একটি সহজ ঘরোয়া কৌশল হিসেবে বিবেচনা করাই ভালো।

মরিচের গুঁড়া

মরিচের ঝাঁঝালো উপাদান বিভিন্ন প্রাণীর জন্য বিরক্তিকর হতে পারে। তাই অনেকে পানিতে সামান্য মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে টিকটিকির চলাচলের জায়গায় স্প্রে করার পরামর্শ দেন। তবে মরিচের গুঁড়া সরাসরি ছড়িয়ে না দেওয়াই ভালো, কারণ এতে মানুষ, শিশু ও পোষা প্রাণীর চোখ বা শ্বাসনালিতে জ্বালা হতে পারে।

রসুন ও পেঁয়াজ

রসুন ও পেঁয়াজের তীব্র গন্ধ অনেক প্রাণীর কাছে বিরক্তিকর হতে পারে। কয়েক কোয়া রসুন বা কাটা পেঁয়াজ পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি ছেঁকে দরজা-জানালার আশপাশে হালকা করে ব্যবহার করা যায়। তবে এটি টিকটিকি দূর করার নিশ্চিত বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত পদ্ধতি নয়। ব্যবহার করলে আগে ঘরের ছোট একটি অংশে প্রয়োগ করে দেখা ভালো।

সবচেয়ে কার্যকর উপায় ঘর পরিষ্কার রাখা

টিকটিকি সাধারণত খাবারের সন্ধানে ঘরের ভেতরে আসে। তাই তাদের আনাগোনা কমাতে ঘরে মশা, মাছি ও অন্যান্য পোকামাকড়ের উপস্থিতি কমানো গুরুত্বপূর্ণ। খাবারের উচ্ছিষ্ট খোলা না রাখা, নিয়মিত ময়লা পরিষ্কার করা এবং রাতে অপ্রয়োজনে দরজা-জানালা খোলা না রাখার অভ্যাস কাজে দিতে পারে।

এ ছাড়া দরজা-জানালা ও দেয়ালের ফাঁকফোকর বন্ধ করে দিলে টিকটিকির প্রবেশের সুযোগ কমে যায়। রাসায়নিক কীটনাশক বা অজানা উপাদানের স্প্রে ব্যবহারের পরিবর্তে প্রথমে এসব নিরাপদ ও বাস্তবসম্মত ব্যবস্থা নেওয়াই ভালো।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 16 Aug 2026 11:50:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নীরবে কোলেস্টেরল বাড়াচ্ছে যে অভ্যাসগুলো]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117573" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117573</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[উচ্চ কোলেস্টেরলকে বলা হয় নীরব স্বাস্থ্যঝুঁকি। কারণ রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলেও অনেক সময় শরীরে কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায় না। অথচ দীর্ঘদিন অতিরিক্ত কোলেস্টেরল থাকলে রক্তনালিতে চর্বিযুক্ত আবরণ জমে হৃদ্&zwnj;রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

জিনগত কারণ, বয়স ও কিছু শারীরিক অবস্থার পাশাপাশি প্রতিদিনের জীবনযাপনও কোলেস্টেরলের মাত্রায় প্রভাব ফেলতে পারে। এমন কিছু অভ্যাস রয়েছে, যেগুলো এক-দুদিন করলে তেমন ক্ষতিকর মনে না হলেও দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সকালে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার

সকালের নাস্তায় নিয়মিত মাখন, ঘি, চর্বিযুক্ত মাংস, সসেজ, পনির, ক্রিম, পরোটা, ভাজাপোড়া, কেক বা পেস্ট্রি রাখলে খাদ্যতালিকায় স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে অসম্পৃক্ত চর্বির উৎস বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। American Heart Association-এর ২০২৬ সালের নির্দেশনায় হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে মোট ক্যালোরির ১০ শতাংশের বেশি স্যাচুরেটেড ফ্যাট না রাখার কথা বলা হয়েছে।

&lsquo;স্বাস্থ্যকর&rsquo; খাবার অতিরিক্ত খাওয়া

বাদাম ও বীজ পুষ্টিকর এবং হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে কোনো খাবার স্বাস্থ্যকর হলেই তা ইচ্ছেমতো খাওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে বাদাম, বীজ বা স্বাস্থ্যকর উপাদান দিয়ে তৈরি খাবার যদি অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত বিস্কুট, কেক, পেস্ট্রি বা প্যাকেটজাত স্ন্যাকসের সঙ্গে নিয়মিত যুক্ত হয়, তাহলে খাদ্যতালিকার সামগ্রিক মান খারাপ হতে পারে।

২০২৬ সালের AHA নির্দেশনায় শাকসবজি, ফল, হোলগ্রেইন, ডাল, বাদাম ও স্বাস্থ্যকর প্রোটিনের উৎসকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও অতিরিক্ত চিনি কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘসময় বসে থাকা

প্রতিদিন কিছু সময় ব্যায়াম করলেও দিনের বেশিরভাগ সময় যদি ডেস্ক, গাড়ি বা সোফায় বসে কাটে, তাহলে তা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং নিষ্ক্রিয়তা হৃদ্&zwnj;রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তাই দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা বা সিঁড়ি ব্যবহারের মতো সহজ উপায়ে দৈনন্দিন শারীরিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো যেতে পারে। দীর্ঘক্ষণ একটানা বসে না থেকে মাঝেমধ্যে উঠে হাঁটা বা দাঁড়ানোর অভ্যাসও করা যেতে পারে।

নিয়মিত চিনিযুক্ত পানীয় পান

সফট ড্রিংকস, অতিরিক্ত মিষ্টি চা-কফি, এনার্জি ড্রিংকস ও চিনিযুক্ত অন্যান্য পানীয় নিয়মিত খেলে খাদ্যতালিকায় অতিরিক্ত চিনি ও ক্যালোরি যুক্ত হতে পারে। চিনি ও কোলেস্টেরল এক বিষয় নয়, তবে অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ওজন ও সামগ্রিক হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

American Heart Association-এর সর্বশেষ নির্দেশনায় চিনি-যুক্ত পানীয় ও খাবারে অতিরিক্ত চিনি কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ধূমপান ও তামাকের সংস্পর্শ

ধূমপান শুধু ফুসফুসের জন্য নয়, হৃদ্&zwnj;যন্ত্র ও রক্তনালির জন্যও ক্ষতিকর। ধূমপান রক্তনালির ক্ষতি করে এবং অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস বা ধমনিতে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়ায়। এটি হৃদ্&zwnj;রোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকিও।

তাই কোলেস্টেরল ও হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণে ধূমপান ছাড়ার পাশাপাশি তামাকের ধোঁয়া থেকে দূরে থাকাও গুরুত্বপূর্ণ।

কী করা উচিত ? 

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খাবারের পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা এবং তামাক এড়িয়ে চলা জরুরি। খাদ্যতালিকায় বেশি করে শাকসবজি, ফল, হোলগ্রেইন, ডাল, বাদাম ও স্বাস্থ্যকর প্রোটিন রাখা এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও চিনিযুক্ত খাবার কমানো যেতে পারে।

উচ্চ কোলেস্টেরল সাধারণত কোনো লক্ষণ সৃষ্টি করে না। তাই ঝুঁকি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা করে কোলেস্টেরলের মাত্রা জানা গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 16 Aug 2026 11:39:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মা-বাবার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে কী করে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117551" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117551</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাড়ন্ত বয়সে সন্তান ও মা-বাবার সম্পর্ক অনেক সময় জটিল হয়ে উঠতে পারে। ফোন ব্যবহার, বন্ধুবান্ধব, পড়াশোনা, পোশাক কিংবা ঘুরতে যাওয়ার মতো বিষয় নিয়ে মতবিরোধ বা তর্ক হওয়া স্বাভাবিক। কারণ এই সময়ে কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা বাড়তে থাকে। অন্যদিকে, মা-বাবারাও সন্তানের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন।

তবে মতের অমিল মানেই সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাবে&mdash;এমন নয়। কিছু বিষয় মেনে চললে মা-বাবার সঙ্গে সুন্দর ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব।

১. নিয়মিত কথা বলুন

সব কথাই যে গুরুত্বপূর্ণ বা বড় কোনো বিষয় হতে হবে, এমন নয়। প্রতিদিনের ছোটখাটো বিষয় নিয়েও মা-বাবার সঙ্গে কথা বলুন। স্কুলের মজার ঘটনা, পছন্দের কোনো অনুষ্ঠান বা দিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।

আপনার দৈনন্দিন বিষয়গুলো সম্পর্কে মা-বাবা অভ্যস্ত হলে ভবিষ্যতে কোনো কঠিন পরিস্থিতি বা সমস্যায় তাদের কাছে যাওয়া সহজ হবে।

২. নিজের ভুল স্বীকার করতে শিখুন

জীবনের সব ছোট-বড় বিষয় মা-বাবাকে জানানো জরুরি নয়। তবে কোনো ভুল লুকিয়ে রাখলে অনেক সময় ছোট সমস্যা বড় আকার নিতে পারে।

ভুল স্বীকার করা কঠিন হলেও সততা বিশ্বাস তৈরি করে। মা-বাবা যখন দেখেন সন্তান নিজের কাজের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত, তখন সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।

মা-বাবা ও সন্তানের সম্পর্কের ভিত্তি হলো বিশ্বাস, সম্মান ও খোলামেলা যোগাযোগ। মতের পার্থক্য থাকলেও একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করলে সম্পর্ক আরও সুন্দর হয়ে উঠতে পারে।

৩. মা-বাবার দৃষ্টিভঙ্গিও বোঝার চেষ্টা করুন

অনেক সময় মনে হতে পারে, মা-বাবা আপনাকে বুঝতে পারছেন না। কিন্তু কোনো বিষয়ে তর্কে যাওয়ার আগে কেন তারা এমন ভাবছেন, সেটি বোঝার চেষ্টা করুন।

তাদের সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনার মতের মিল নাও হতে পারে, তবে তাদের উদ্বেগের কারণ বুঝতে পারলে নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়াও সহজ হয়।

৪. গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার জন্য সঠিক সময় বেছে নিন

রাগের মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করলে অনেক সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই শান্ত সময় বেছে নিয়ে কথা বলুন।

বন্ধুত্ব, সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার, ঘুমের সময় বা কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে হলে এমন একটি সময় বেছে নিন, যখন সবাই স্বাভাবিক মেজাজে থাকে।

৫. নিজের স্পেসের প্রয়োজন হলে জানান

নিজস্ব সময় বা ব্যক্তিগত পরিসর চাওয়া বড় হওয়ার স্বাভাবিক অংশ। তবে হঠাৎ করে নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নিলে মা-বাবা উদ্বিগ্ন হতে পারেন।

তাই দূরত্ব তৈরি না করে তাদের বোঝানোর চেষ্টা করুন যে, আপনার কিছুটা একা সময় প্রয়োজন এবং পরে আবার কথা বলবেন। এতে তারা বুঝতে পারবেন, আপনি তাদের এড়িয়ে যাচ্ছেন না, শুধু কিছুটা ব্যক্তিগত সময় চাইছেন।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 16 Aug 2026 05:29:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পেটে আসছে, মুখে আসছে না! কেন এমন হয়? ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117515" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117515</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কথা বলতে বলতে হঠাৎ খুব পরিচিত কোনো শব্দ, নাম বা ব্যক্তির নাম মনে না পড়ার অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়। কিছুক্ষণ পর আবার সেই শব্দটি মনে পড়ে যায়। পরিচিত কোনো কথা মনে থাকলেও ঠিক সময়ে মুখে না আসার এই ঘটনাকে বলা হয় &lsquo;টিপ-অফ-দ্য-টাং&rsquo; ।

সাধারণত এ ধরনের ঘটনা সাময়িক এবং এতে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে সমস্যা যদি ঘন ঘন হতে থাকে, ক্রমশ বাড়ে কিংবা দৈনন্দিন কথাবার্তা ও কাজকর্মে প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

কেন এমন হয়?

কোনো শব্দ বা নাম মনে করার সময় মস্তিষ্কের স্মৃতি ও ভাষা-সম্পর্কিত বিভিন্ন অংশ একসঙ্গে কাজ করে। তথ্যটি স্মৃতিতে থাকা সত্ত্বেও সেটি খুঁজে বের করে ভাষায় প্রকাশ করার প্রক্রিয়ায় সাময়িক সমস্যা হলে পরিচিত শব্দটি মুখে আসতে চায় না।

এ সময় অনেক ক্ষেত্রে শব্দটির সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তি, জায়গা, ঘটনা বা চেহারা মনে থাকে, কিন্তু নামটি মনে পড়ে না। অর্থাৎ শব্দটি মস্তিষ্ক থেকে পুরোপুরি মুছে যায় না; বরং সেটি পুনরুদ্ধার ও ভাষায় প্রকাশের প্রক্রিয়ায় সাময়িক বাধা তৈরি হয়।

সব ভুলে যাওয়াই কি স্মৃতিনাশ?

না। মাঝেমধ্যে নাম বা শব্দ মনে না পড়লেই ডিমেনশিয়া হয়েছে&mdash;এমনটা ভাবার কারণ নেই। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ক্লান্তি কিংবা একই সময়ে একাধিক বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার কারণেও এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মাঝেমধ্যে শব্দ খুঁজে পেতে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।

তবে ভুলে যাওয়ার ঘটনা যদি নিয়মিত হতে থাকে বা ক্রমশ বাড়তে থাকে, তখন কারণ খুঁজে দেখা জরুরি।

কখন সতর্ক হবেন?

শুধু একটি শব্দ মাঝে মধ্যে মনে না পড়া সাধারণত উদ্বেগের কারণ নয়। কিন্তু এর সঙ্গে যদি আরও কিছু স্মৃতি বা চিন্তাভাবনার পরিবর্তন দেখা দেয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বিশেষ করে&mdash;

* পরিচিত মানুষকে চিনতে সমস্যা হওয়া
* একই কথা বারবার বলা বা একই প্রশ্ন করা
* সাম্প্রতিক ঘটনা মনে রাখতে অসুবিধা হওয়া
* পরিচিত জায়গায় পথ হারিয়ে ফেলা
* দৈনন্দিন কাজ করতে সমস্যা হওয়া
* কথা বলার সময় নিয়মিত পরিচিত শব্দ খুঁজে না পাওয়া
* সমস্যাটি সময়ের সঙ্গে বাড়তে থাকা

এসব লক্ষণ থাকলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। এগুলো কখনও কখনও ডিমেনশিয়া বা অন্যান্য স্নায়বিক সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

অন্য কোন কারণেও হতে পারে?

স্মৃতি ও শব্দ মনে করার সমস্যার পেছনে শুধু বয়স বা ডিমেনশিয়াই দায়ী নয়। ভিটামিন বি-১২-এর ঘাটতি, থাইরয়েডের সমস্যা, অবসাদ, উদ্বেগ, শ্রবণশক্তির সমস্যা, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে।

এ ছাড়া গুরুতর মাথায় আঘাত, দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত মদ্যপান এবং কিছু ওষুধের প্রভাবেও স্মৃতির সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই বারবার ভুলে যাওয়ার সমস্যাকে নিজে থেকে কোনো নির্দিষ্ট রোগের লক্ষণ ধরে নেওয়া উচিত নয়। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কারণ নির্ণয় করা জরুরি।

স্মৃতি ভালো রাখতে কী করবেন?

মস্তিষ্ক ও স্মৃতির স্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা, সুষম খাবার এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ। একই সময়ে অনেক কাজ করার পরিবর্তে একটি কাজের দিকে মনোযোগ দেওয়া এবং অতিরিক্ত কাজের চাপ কমানোর চেষ্টা করাও উপকারী হতে পারে।

সব মিলিয়ে, মাঝে মধ্যে পরিচিত কোনো নাম বা শব্দ মনে না পড়া স্বাভাবিক ঘটনা হতে পারে। কিন্তু সমস্যা যদি ঘন ঘন হয়, ক্রমশ বাড়ে বা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, তাহলে সেটিকে সাধারণ ভুলে যাওয়া বলে এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 06:26:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ কম ঘুমে বাড়তে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117508" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117508</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বেশি কাজ করার জন্য নিয়মিত ঘুম কমিয়ে দেওয়া অনেকের কাছে স্বাভাবিক মনে হতে পারে। তবে দীর্ঘদিন ধরে প্রতি রাতে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমানো হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। গবেষণায় অপর্যাপ্ত ঘুমের সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্&zwnj;রোগ, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

কম ঘুমের সম্ভাব্য ঝুঁকি

নিয়মিত ছয় ঘণ্টার কম ঘুমালে ধীরে ধীরে উচ্চ রক্তচাপ, করোনারি আর্টারি ডিজিজ ও অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের ঝুঁকি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে স্ট্রোক, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, ওজন বৃদ্ধি ও স্থূলতার সম্ভাবনাও বাড়তে পারে। এসব বিষয় সরাসরি বা পরোক্ষভাবে হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যের ওপর চাপ তৈরি করে।

২০২৪ সালে American Journal of Preventive Cardiology-তে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনায় অপর্যাপ্ত ঘুমের সঙ্গে হৃদ্&zwnj;রোগজনিত মৃত্যু, কার্ডিওমেটাবলিক ঝুঁকি এবং করোনারি আর্টারি ডিজিজের উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

কীভাবে হৃদ্&zwnj;যন্ত্রকে প্রভাবিত করে?

ঘুমের সময় শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রিত হয়। গভীর ঘুমের সময় সাধারণত রক্তচাপ কিছুটা কমে যায়। নিয়মিত ঘুমের ঘাটতি হলে এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

অপর্যাপ্ত ঘুম কর্টিসলের মতো স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়াতে পারে। এর প্রভাব রক্তনালি ও হৃদ্&zwnj;যন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে পড়তে পারে। পাশাপাশি ঘুমের অভাব শরীরে প্রদাহ বাড়ানোর সঙ্গেও সম্পর্কিত, যা ধমনির ক্ষতি ও হৃদ্&zwnj;রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

কম ঘুম রক্তে শর্করা ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণকারী হরমোনের ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে ওজন বৃদ্ধি ও বিপাকীয় পরিবর্তন ঘটতে পারে, যা পরোক্ষভাবে কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকি বাড়ায়।

এ ছাড়া অনিয়মিত বা অপর্যাপ্ত ঘুম স্বায়ত্তশাসিত স্নায়ুতন্ত্রের ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলতে পারে। এই স্নায়ুতন্ত্র হৃদ্&zwnj;স্পন্দন ও হৃদ্&zwnj;যন্ত্রের ছন্দ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২০২৫ সালে Frontiers in Neuroscience-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন এক্সামিনেশন সার্ভের তথ্য বিশ্লেষণ করে ঘুমের সময়কাল ও ঘুমের ব্যাঘাতের সঙ্গে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকির উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক পাওয়া যায়।

কত ঘণ্টা ঘুমানো ভালো?

হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন নির্দেশিকায় প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি রাতে সাধারণত ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। গবেষণাগুলোতে এই সময়ের কাছাকাছি ঘুমকে তুলনামূলকভাবে কম কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত পাওয়া গেছে।

তাই কাজের চাপ বা ব্যস্ততার কারণে নিয়মিত ঘুমকে বাদ দেওয়ার বদলে পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুমকে দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 05:33:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কী কী কারণে বাড়তে পারে মানসিক চাপ? জেনে নিন এখনই ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117471" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117471</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্ট্রেস বা মানসিক চাপ জীবনের স্বাভাবিক একটি অংশ। অনেক ক্ষেত্রে এটি মানুষকে কাজের প্রতি মনোযোগী হতে এবং সফলতার পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে। তবে দীর্ঘদিনের বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তা জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নষ্ট হতে পারে সম্পর্ক, তৈরি হতে পারে একাকিত্ব; পাশাপাশি দেখা দিতে পারে নানা শারীরিক ও মানসিক সমস্যা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রত্যেক মানুষের স্ট্রেসের কারণ বা &lsquo;ট্রিগার&rsquo; আলাদা। তবে কিছু বিষয় অধিকাংশ মানুষের ক্ষেত্রেই মানসিক চাপ বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

কর্মক্ষেত্রে চাপ

জরিপ অনুযায়ী, কাজের চাপ মানসিক চাপের অন্যতম প্রধান কারণ। নিজের কাজ নিয়ে অসন্তুষ্টি, অতিরিক্ত দায়িত্ব কিংবা দীর্ঘ সময় কাজ করার কারণে অনেকের মধ্যে স্ট্রেস তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া দুর্বল ব্যবস্থাপনা, কাজের দায়িত্ব ও প্রত্যাশা স্পষ্ট না থাকা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জটিলতাও মানসিক চাপ বাড়াতে পারে।

কর্মক্ষেত্রে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে কাজ করা, পদোন্নতি বা অগ্রগতির সুযোগ না থাকা এবং বৈষম্য বা হয়রানির শিকার হওয়াও কর্মীদের মানসিক চাপের কারণ হতে পারে।

জীবনের বড় পরিবর্তন

জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। প্রিয়জনের মৃত্যু, সন্তানের জন্ম, বিবাহবিচ্ছেদ, চাকরি হারানো, আর্থিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি, বিয়ে কিংবা নতুন বাড়িতে চলে যাওয়ার মতো ঘটনাও স্ট্রেস তৈরি করতে পারে।

দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা বা শারীরিক আঘাতের পাশাপাশি বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, রাগ, দুঃখ, অপরাধবোধ ও কম আত্মসম্মানও মানসিক চাপ বাড়াতে পারে।

আঘাতমূলক ঘটনা

প্রাকৃতিক দুর্যোগ, চুরি, ধর্ষণ কিংবা নিজের বা প্রিয়জনের বিরুদ্ধে সহিংসতার মতো আঘাতমূলক ঘটনা দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে। এসব ঘটনার স্মৃতি বা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তাও অনেক সময় চাপের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

ভয় ও অনিশ্চয়তা

ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় ও অনিশ্চয়তাও মানসিক চাপের অন্যতম কারণ। নিয়মিত সন্ত্রাসী হামলা, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন কিংবা বিষাক্ত রাসায়নিকের হুমকি নিয়ে সংবাদ শুনতে থাকলে অনেকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে এসব পরিস্থিতির ওপর নিজের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই&mdash;এমন অনুভূতি চাপ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

আর্থিক সংকটও মানসিক চাপের বড় কারণ। মাস শেষে বিভিন্ন বিল পরিশোধের চিন্তা, পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার ব্যয় কিংবা অন্যান্য আর্থিক দায়বদ্ধতা একজন মানুষকে ক্রমাগত চাপের মধ্যে রাখতে পারে।

অবাস্তব প্রত্যাশা

নিজের কাছ থেকে সবসময় নিখুঁত ফলাফল আশা করাও মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। কোনো কিছু প্রত্যাশা অনুযায়ী না হলে হতাশা ও উদ্বেগ তৈরি হয়। তাই জীবনে সফলতার পাশাপাশি ব্যর্থতাকেও স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করার মানসিকতা তৈরি করা জরুরি।

সুখকর পরিবর্তনও হতে পারে চাপের কারণ

জীবনের সব পরিবর্তন নেতিবাচক নয়। তবে বড় ধরনের যেকোনো পরিবর্তনই মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে। বিয়ে, নতুন চাকরি বা পদোন্নতির মতো সুখকর ঘটনাও নতুন দায়িত্ব ও পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কারণে স্ট্রেস তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে বিবাহবিচ্ছেদ, বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি কিংবা পরিবারের কারও মৃত্যু আরও তীব্র মানসিক চাপের কারণ হতে পারে।

ব্যক্তি ভেদে চাপ সামলানোর ক্ষমতা ভিন্ন

একই পরিস্থিতিতে সবাই সমান মাত্রার মানসিক চাপ অনুভব করেন না। ব্যক্তিত্ব, পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা এবং মানসিক সহ্যক্ষমতার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে একজন ব্যক্তি কতটা চাপ সামলাতে পারবেন।

কেউ জীবনের কঠিন পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক অংশ হিসেবে মেনে নিয়ে মানসিক চাপ সামলে এগিয়ে যেতে পারেন। আবার কেউ সামান্য চাপেও ভেঙে পড়তে পারেন এবং নিজেকে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ মনে করতে পারেন।

তাই মানসিক চাপের কারণগুলো চিহ্নিত করার পাশাপাশি নিজের অনুভূতি ও মানসিক অবস্থার প্রতিও সচেতন থাকা জরুরি।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 13 Aug 2026 09:36:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার! তৈরি  করছে  দূরত্ব]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117450" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117450</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একসময় দম্পতিরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতেন। অথচ এখন একই জায়গায় বসে থেকেও অনেকের চোখ আটকে থাকে আলাদা আলাদা স্ক্রিনে। সকালের নাস্তা থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত স্মার্টফোন যেন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তি মানুষকে যোগাযোগের সুযোগ করে দিলেও অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার প্রিয়জনের সঙ্গে মানসিক দূরত্ব তৈরি করতে পারে।

ফোনে কতটা সময় কাটাচ্ছেন, শুধু সেটিই মূল বিষয় নয়। বরং প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো, কথা বলা কিংবা একসঙ্গে হাসি-আনন্দ করার চেয়ে ফোনের স্ক্রিন বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠলে সেটি সম্পর্কে সমস্যার সংকেত হতে পারে। ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার যেভাবে সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে&mdash;

পরস্পরের চেয়ে ফোন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা

কাজ শেষে বাড়ি ফিরে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার পরিবর্তে যদি ফোন হাতে নেওয়াই প্রথম কাজ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে ধীরে ধীরে মানসিক সংযোগ দুর্বল হতে পারে। ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা ইউটিউমে ব্যস্ত থাকার কারণে দৈনন্দিন ছোট ছোট কথোপকথন কমে যায়। অথচ এসব ছোট কথাবার্তাই সম্পর্ককে গভীর করে। সেগুলো কমতে থাকলে অজান্তেই বাড়তে পারে মানসিক দূরত্ব।

কথা বলার সময়ও উপেক্ষা করা

সঙ্গী গুরুত্বপূর্ণ কোনো কথা বলছেন, ভালো কোনো খবর জানাচ্ছেন কিংবা দিনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন&mdash;আর তখনও যদি অন্যজন ফোনের স্ক্রিনে মনোযোগী থাকেন, তা হতাশার কারণ হতে পারে। বারবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে সঙ্গীর মনে উপেক্ষিত হওয়ার অনুভূতি তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

প্রতিটি নীরব মুহূর্ত স্ক্রলিংয়ে পরিণত হওয়া

সম্পর্কে সবসময় কথা বলার প্রয়োজন নেই। কখনো কখনো পাশাপাশি বসে নীরব সময় কাটানোও সম্পর্কের জন্য সুন্দর হতে পারে। কিন্তু সেই নীরবতার প্রতিটি মুহূর্ত যদি ফোনের নোটিফিকেশন দেখা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ক্রল করার কাজে চলে যায়, তাহলে একসঙ্গে থাকার অনুভূতিটাই হারিয়ে যেতে পারে। একই ঘরে থেকেও দুজন তখন নিজেদের আলাদা ডিজিটাল জগতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

স্ক্রিন টাইম নিয়ে নিয়মিত ঝগড়া

সঙ্গী যদি প্রায়ই অভিযোগ করেন যে আপনি সবসময় ফোন নিয়ে থাকেন, কিংবা আপনিও একই অভিযোগ করতে থাকেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। ফোন ব্যবহারের সময় নিয়ে নিয়মিত ঝগড়া আসলে শুধু স্ক্রিন টাইমের সমস্যা নয়। এর পেছনে থাকতে পারে উপেক্ষিত হওয়ার অনুভূতি কিংবা আগের মতো সঙ্গীকে কাছে না পাওয়ার আক্ষেপ। ফলে ফোনটি তখন সম্পর্কের সমস্যার দৃশ্যমান প্রতীকে পরিণত হয়।

প্রিয়জনের চেয়ে অপরিচিতদের জীবনে বেশি আগ্রহ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে পরিচিত-অপরিচিত অনেক মানুষের জীবনের খবর মুহূর্তেই জানা যায়। কোন সেলিব্রিটি কার সঙ্গে সম্পর্কে আছেন বা পুরোনো কোনো বন্ধুর নতুন পোস্ট কী&mdash;এসব সম্পর্কে জানা থাকলেও নিজের সঙ্গীর বর্তমান চিন্তা, উদ্বেগ কিংবা আনন্দের বিষয়গুলো যদি অজানা থেকে যায়, তাহলে সেটি সম্পর্কের জন্য সতর্কসংকেত।

প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ করেছে, যোগাযোগের সুযোগও বাড়িয়েছে। তবে সেই প্রযুক্তিই যেন প্রিয় মানুষটির সঙ্গে বাস্তব যোগাযোগের জায়গা দখল করে না নেয়, সেদিকে নজর রাখা জরুরি। কারণ একটি সম্পর্ক টিকে থাকে শুধু অনলাইন যোগাযোগে নয়; বরং সময় দেওয়া, মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করার মধ্য দিয়ে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 13 Aug 2026 05:20:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঘরের বসেই ফিটনেস: বর্ষায় শরীর চর্চার সহজ উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117447" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117447</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্ষার দিনে ঝুম বৃষ্টি, কর্দমাক্ত রাস্তা কিংবা পিচ্ছিল ফুটপাতের কারণে সকালে হাঁটা, বাইরে জগিং বা জিমে যাওয়ার রুটিন বিঘ্নিত হওয়া খুব স্বাভাবিক। তবে দিনের পর দিন শরীরচর্চা বন্ধ রাখলে তা শরীরের শক্তি, মেজাজ ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকলেও ঘরে বসেই কিছু সহজ ব্যায়ামের মাধ্যমে নিজেকে পুরোপুরি ফিট ও সক্রিয় রাখা সম্ভব।

ব্যায়ামের শুরুটা হোক ওয়ার্ম-আপ দিয়ে

যেকোনো শরীরচর্চা শুরু করার আগে অন্তত পাঁচ মিনিট ওয়ার্ম-আপ করে নেওয়া জরুরি। একই জায়গায় দাঁড়িয়ে মার্চ করা, কাঁধ ও হাত দোলানো এবং ঘাড় ও গোড়ালি আলতোভাবে ঘোরানোর মাধ্যমে ওয়ার্ম-আপ শেষ করা যায়। এতে পেশিতে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং ইনজুরি বা আঘাতের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

ঘরে বসেই ৭টি সহজ ব্যায়াম

এক জায়গায় হাঁটা বা জগিং

যারা সকালে নিয়মিত হাঁটেন, তারা পছন্দের গান বা পডকাস্ট শুনতে শুনতে ঘরের এক স্থানে দাঁড়িয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাঁটতে বা হালকা জগিং করতে পারেন। এটি হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে ও ক্যালোরি ঝরাতে বেশ কার্যকরী।

স্কোয়াট (উরু ও কোমরের শক্তি বৃদ্ধি)

কাঁধের সমান দূরত্বে পা রেখে দাঁড়াতে হবে। এরপর চেয়ারে বসার মতো করে হাঁটু ভাঁজ করে নেমে আবার উঠে দাঁড়াতে হবে। ১০ থেকে ১৫ বার করে দিনে ২-৩ সেট স্কোয়াট করলে শরীরের নিচের অংশ ও &#39;কোর মাসল&#39; শক্তিশালী হয়।

পুশ-আপ বা ওয়াল পুশ-আপ

বুক, কাঁধ ও বাহুর পেশির গঠন ঠিক রাখতে পুশ-আপ অনন্য। মেঝেতে সাধারণ পুশ-আপ কঠিন মনে হলে দেয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে দুই হাত দেয়ালে রেখে &#39;ওয়াল পুশ-আপ&#39; করা যেতে পারে।

প্ল্যাঙ্ক (কোর মাসল মজবুত করতে)

কনুই ও পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে শরীর সোজা রেখে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড ধরে রাখাই হলো প্ল্যাঙ্ক। এতে শরীরের কেন্দ্রীয় অংশের পেশি (কোর মাসল) শক্তিশালী হয়।

সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা

বহুতল ভবনের সিঁড়িতে সতর্কতার সাথে ১০-১৫ মিনিট ওঠানামা করলে দারুণ &#39;কার্ডিও ওয়ার্কআউট&#39; হয়। তবে সিঁড়ি ভেজা থাকলে সতর্ক থাকা ও রেলিং ব্যবহার করা আবশ্যক।

স্ট্রেচিং (নমনীয়তা ও পেশি শিথিলতা)

ব্যায়াম শেষে হাত, পা, পিঠ ও কাঁধের হালকা স্ট্রেচিং করলে পেশির জড়তা দূর হয় এবং শরীরের নমনীয়তা বাড়ে।

সারাদিন সক্রিয় থাকা

শুধু নির্দিষ্ট সময়ের ব্যায়ামই নয়, দীর্ঘক্ষণ টানা বসে থাকার অভ্যাস কমানো উচিত। কাজের ফাঁকে প্রতি ঘণ্টায় উঠে দাঁড়ানো, হালকা হাঁটা বা গৃহস্থালির ছোটখাটো কাজের মাধ্যমে সারাদিন সক্রিয় থাকা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিকূল আবহাওয়ায় বাইরে যাওয়া সম্ভব না হলেও সদিচ্ছা থাকলে ঘরের অল্প পরিসরেই স্বাস্থ্যকর ও কার্যকর ফিটনেস রুটিন ধরে রাখা সম্ভব।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 12 Aug 2026 13:22:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাতের খাবারের পর পেট ফাঁপা! কমাবে এই  চা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117338" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117338</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাতের খাবার খাওয়ার পর অনেকেরই পেট ফাঁপা, গ্যাস বা অস্বস্তির সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যায় ভুগলে রান্নাঘরের কয়েকটি সাধারণ উপাদান দিয়ে তৈরি এক কাপ বিশেষ চা কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে এটি সাধারণ চা নয়; এতে রয়েছে আদা, দারুচিনি, মৌরি ও তুলসি পাতার মতো উপাদান।

যেভাবে তৈরি করবেন এই চা

এই চা তৈরির জন্য প্রয়োজন হবে&mdash;


	
	১টি ছোট দারুচিনি (১-২ ইঞ্চি)
	
	
	১ সেমি আদা (হালকা থেঁতো করা)
	
	
	১/৪ চা চামচ মৌরি
	
	
	২-৩টি তুলসি পাতা
	
	
	১ কাপ পানি
	


প্রস্তুত প্রণালি:
একটি পাত্রে পানির সঙ্গে সব উপকরণ দিয়ে ফুটিয়ে নিন। এরপর পাঁচ থেকে সাত মিনিট অল্প আঁচে রেখে ছেঁকে নিন। হালকা গরম অবস্থায় এটি পান করা যেতে পারে।

কারা সতর্ক থাকবেন?

খাবারের পর হজমে সহায়তা করতে ও পেট ফাঁপার সমস্যা কমাতে এই চা উপকারী হতে পারে। তবে এটি সবার জন্য উপযুক্ত নাও হতে পারে।

বিশেষ করে&mdash;


	
	গর্ভবতী নারী
	
	
	যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান
	
	
	যাদের অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা রয়েছে
	
	
	যারা ডায়াবেটিসের ওষুধ সেবন করেন
	


তাদের নিয়মিত এই পানীয় খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

এই চায়ের উপাদানগুলো কীভাবে কাজ করে?

আদা:
আদা বমি বমি ভাব, বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার সমস্যা কমাতে সহায়তা করতে পারে।

মৌরি:
খাবারের পর মৌরি খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। এটি গ্যাস ও পেট ফাঁপা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

দারুচিনি:
দারুচিনিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী উপাদান রয়েছে। এটি শরীরের জন্য বিভিন্নভাবে উপকারী হতে পারে।

তুলসি পাতা:
তুলসিতে থাকা উপকারী যৌগ হজমশক্তি উন্নত করতে সহায়তা করতে পারে।

তবে পেট ফাঁপার সমস্যা যদি নিয়মিত হয় বা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে শুধু ঘরোয়া উপায়ে নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 05:17:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চুলের আগা ফাটা রোধে করণীয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117337" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117337</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চুল সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর রাখতে অনেকেই নানা ধরনের পণ্য ব্যবহার করেন। তবে সব পণ্য সবসময় চুলের জন্য উপকারী হয় না। ভুল যত্ন বা অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহারে চুল দুর্বল হয়ে যেতে পারে, বাড়তে পারে ভেঙে যাওয়া ও আগা ফাটার সমস্যা। দীর্ঘদিন চুলের ক্ষতি চলতে থাকলে চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুলের আগা ফাটা একবার হলে সাধারণত তা পুরোপুরি সারানোর উপায় নেই, তবে নিয়মিত যত্নের মাধ্যমে এই সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

প্রতিদিন চুল ধোয়া এড়িয়ে চলুন
প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে চুলের প্রাকৃতিক তেল কমে যায়, ফলে চুল শুষ্ক ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। তাই প্রতিদিন চুল ধোয়ার পরিবর্তে দুই থেকে তিন দিন পরপর চুল পরিষ্কার করার অভ্যাস করুন।

চুল আঁচড়ানোর পদ্ধতি পরিবর্তন করুন
চুল আঁচড়ানোর জন্য নরম ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ বা নরম প্যাডের ব্রাশ ব্যবহার করা ভালো। ভেজা চুল আঁচড়ানোর সময় চওড়া দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। চুল শুকানোর সময় আগে আগার জট ছাড়িয়ে ধীরে ধীরে ওপরের দিকে আঁচড়ান।

চুলে সরাসরি শ্যাম্পু ঘষবেন না
শ্যাম্পু মূলত মাথার ত্বকে ব্যবহার করা উচিত। মাথার তালুতে শ্যাম্পু লাগিয়ে পরিষ্কার করলে ধোয়ার সময় তা স্বাভাবিকভাবেই চুলের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

চুলের আগায় আগে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন
কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় প্রথমে চুলের আগায় লাগান। কয়েক মিনিট রেখে দিলে চুলের ডগা ভালোভাবে আর্দ্রতা পায় এবং ভঙ্গুরতা কমে।

তোয়ালে দিয়ে চুল ঘষে মুছবেন না
চুল মোছার সময় জোরে ঘষাঘষি করলে চুল ভেঙে যেতে পারে। তাই তোয়ালে দিয়ে চুল আলতোভাবে চেপে পানি শুষে নিন।

চুলের ডগায় অতিরিক্ত তাপ ব্যবহার করবেন না
চুলের আগা সবচেয়ে দুর্বল অংশ হওয়ায় ব্লো ড্রায়ার বা অন্য কোনো তাপযুক্ত যন্ত্র ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকতে হবে। চুলের ডগায় সরাসরি অতিরিক্ত তাপ দেওয়া এড়িয়ে চলুন।

হেয়ার স্টাইলিংয়ের সময় সতর্ক থাকুন
কার্লিং আয়রন বা ফ্ল্যাট আয়রনের মতো যন্ত্র ব্যবহারে চুলের আগায় বেশি তাপ লাগানো ঠিক নয়। স্টাইলিংয়ের সময় তাপের ব্যবহার সীমিত রাখুন।

নিয়মিত চুল ছাঁটুন
চুলের আগা ফাটা রোধে নিয়মিত ছাঁটা গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত প্রতি ছয় থেকে আট সপ্তাহ পরপর চুলের ডগা ট্রিম করলে চুল স্বাস্থ্যকর থাকে।

সঠিক যত্ন, কম তাপ ব্যবহার এবং নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে চুলের আগা ফাটা কমানো ও চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 05:11:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিম খাওয়ার সেরা উপায় কোনটি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117324" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117324</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দিনের শুরুতে অনেকেই ডিম খেতে পছন্দ করেন। কেউ সেদ্ধ ডিম, কেউ অমলেট বা ভাজা ডিম বেছে নেন। আবার ফিটনেসপ্রেমীদের কেউ কেউ কাঁচা ডিমও খান। তবে প্রশ্ন হলো, ডিম থেকে সর্বোচ্চ পুষ্টি পেতে কোন পদ্ধতিতে খাওয়া সবচেয়ে ভালো&mdash;কাঁচা, সেদ্ধ নাকি রান্না করে?

ডিম উচ্চমানের প্রোটিনের অন্যতম ভালো উৎস। একটি ডিমে সাধারণত প্রায় ৬ থেকে ৭ গ্রাম প্রোটিন থাকে। রান্নার ধরন পরিবর্তন হলেও ডিমে থাকা মোট প্রোটিনের পরিমাণ খুব একটা বদলায় না। তবে রান্নার ফলে প্রোটিনের হজমযোগ্যতা এবং শরীরের তা ব্যবহারের ক্ষমতায় পার্থক্য তৈরি হয়। একই সঙ্গে তেল বা মাখন ব্যবহারের কারণে ক্যালোরির পরিমাণও বাড়তে পারে।

কাঁচা ডিম

কাঁচা ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ রান্না করা ডিমের মতোই থাকে। তবে শরীর কাঁচা ডিমের প্রোটিন তুলনামূলক কম দক্ষতার সঙ্গে শোষণ করতে পারে। তাপ প্রয়োগ করলে ডিমের প্রোটিনের গঠন পরিবর্তিত হয় এবং তা হজম করা সহজ হয়।

এ ছাড়া কাঁচা বা কম রান্না করা ডিমে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই খাদ্য নিরাপত্তার দিক থেকেও কাঁচা ডিম খাওয়া তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ।

সেদ্ধ ডিম

ডিম সেদ্ধ করা সবচেয়ে সহজ ও স্বাস্থ্যকর রান্নার পদ্ধতিগুলোর একটি। তাপে প্রোটিনের গঠন পরিবর্তিত হওয়ায় তা শরীরের জন্য তুলনামূলক সহজে হজমযোগ্য হয়ে ওঠে।

সেদ্ধ ডিমে বাড়তি তেল বা মাখন যোগ করার প্রয়োজন হয় না। ফলে ভাজা ডিমের তুলনায় অতিরিক্ত ক্যালোরি ও চর্বি যোগ হওয়ার সম্ভাবনাও কম। এ কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে সেদ্ধ ডিম একটি ভালো বিকল্প হতে পারে।

ভাজা ডিম

ভাজা ডিমেও প্রোটিনের পরিমাণ প্রায় একই থাকে। রান্না করার কারণে এর প্রোটিন শরীরের জন্য সহজে হজমযোগ্য হয়। তবে ডিম ভাজার সময় তেল, মাখন বা অন্যান্য চর্বি ব্যবহার করা হলে খাবারটির মোট ক্যালোরি বেড়ে যায়।

বিশেষ করে বেশি পরিমাণ তেল বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট ব্যবহার করলে ভাজা ডিমের ক্যালোরি ও চর্বির পরিমাণ সেদ্ধ ডিমের তুলনায় বেশি হতে পারে। তাই ভাজা ডিম খেলে তেলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা ভালো।

কোন পদ্ধতি সবচেয়ে ভালো?

পুষ্টি, হজমযোগ্যতা এবং খাদ্য নিরাপত্তা&mdash;এই তিনটি বিষয় বিবেচনা করলে ভালোভাবে রান্না করা বা সেদ্ধ ডিম তুলনামূলকভাবে ভালো বিকল্প। এতে প্রোটিন শরীরের জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য হয় এবং কাঁচা ডিমের তুলনায় খাদ্যজনিত সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে।

অন্যদিকে, কাঁচা ডিমে একই পরিমাণ প্রোটিন থাকলেও তা শরীর তুলনামূলক কম দক্ষতার সঙ্গে শোষণ করতে পারে এবং এতে সালমোনেলা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে।

ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা

২০২২ সালে Nutrients জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ডিমের প্রোটিনের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, ডিম শুধু খাদ্যতালিকাগত কোলেস্টেরলের উৎস নয়; এটি উচ্চমানের ও সহজে হজমযোগ্য প্রোটিনেরও গুরুত্বপূর্ণ উৎস। ডিমে শরীরের প্রয়োজনীয় সব অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে।

ডিমের প্রোটিনকে সম্পূর্ণ বা সুষম প্রোটিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি শিশুদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদের পেশি গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ। বয়স বাড়ার সঙ্গে পেশির স্বাভাবিক ক্ষয় বা সারকোপেনিয়া প্রতিরোধে পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ।

তাই ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে শুধু কতটি ডিম খাচ্ছেন তা নয়, কীভাবে রান্না করে খাচ্ছেন এবং আপনার সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস কেমন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 12:38:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে যেসব গ্যাজেট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117322" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117322</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এসি চালালেই বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যায়&mdash;এমন ধারণা অনেকেরই রয়েছে। তবে ঘরের এমন কিছু নিত্যব্যবহার্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র আছে, যেগুলো এসির তুলনায় বেশি পাওয়ারে চলে। ব্যবহারের সময় কম হওয়ায় সেগুলোর বিদ্যুৎ খরচ অনেক সময় চোখে পড়ে না। তবে নিয়মিত ও দীর্ঘসময় ব্যবহার করলে এসব যন্ত্রও বিদ্যুৎ বিল বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রের বিদ্যুৎ খরচ বুঝতে তার ওয়াটের পরিমাণের পাশাপাশি ব্যবহারের সময়ও বিবেচনা করা জরুরি।

গিজার

শীতকালে গোসলের জন্য ব্যবহৃত ওয়াটার হিটার বা গিজার উচ্চ বিদ্যুৎ খরচকারী যন্ত্রগুলোর অন্যতম। একটি সাধারণ গিজারের পাওয়ার রেটিং প্রায় ৩ হাজার ওয়াট পর্যন্ত হতে পারে। অর্থাৎ এটি টানা এক ঘণ্টা চললে প্রায় ৩ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। তবে সাধারণত অল্প সময় ব্যবহারের কারণে এর বিদ্যুৎ খরচ অনেকের নজরে আসে না।

হেয়ার ড্রায়ার

আকারে ছোট হলেও হেয়ার ড্রায়ার বিদ্যুৎ ব্যবহারের দিক থেকে বেশ শক্তিশালী। একটি সাধারণ হেয়ার ড্রায়ারের পাওয়ার রেটিং প্রায় ২ হাজার ২০০ ওয়াট। ফলে টানা এক ঘণ্টা ব্যবহার করলে এটি প্রায় ২ দশমিক ২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। যদিও সাধারণত কয়েক মিনিটের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়, নিয়মিত ব্যবহারে বিদ্যুৎ খরচ বাড়তে পারে।

ইন্ডাকশন কুকার

দ্রুত রান্নার জন্য বর্তমানে অনেকেই ইন্ডাকশন কুকার ব্যবহার করেন। একটি সাধারণ ইন্ডাকশন কুকার প্রায় ২ হাজার ১০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করতে পারে। ফলে এক ঘণ্টা ব্যবহার করলে প্রায় ২ দশমিক ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। নিয়মিত দীর্ঘসময় ইন্ডাকশন কুকারে রান্না করলে মাসিক বিদ্যুৎ বিলে এর প্রভাব পড়তে পারে।

ইলেকট্রিক কেটলি

পানি গরম করা বা চা তৈরিতে ইলেকট্রিক কেটলির ব্যবহার বেড়েছে। সাধারণত প্রায় ২ হাজার ২০০ ওয়াট ক্ষমতার একটি কেটলি এক ঘণ্টায় প্রায় ২ দশমিক ২ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে। তবে কেটলি সাধারণত অল্প সময়ের জন্য চালানো হয় বলে এর মোট বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলক কম থাকে। দিনে একাধিকবার দীর্ঘসময় ব্যবহার করলে অবশ্য খরচ বাড়তে পারে।

মাইক্রোওয়েভ ওভেন

খাবার গরম বা রান্নার কাজে মাইক্রোওয়েভ ওভেনও অনেক বাড়িতে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়। একটি সাধারণ মাইক্রোওয়েভ ওভেনের পাওয়ার রেটিং প্রায় ২ হাজার ১০০ ওয়াট হতে পারে। অর্থাৎ এক ঘণ্টা চালালে এটি প্রায় ২ দশমিক ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে।

বিদ্যুৎ বিল কমাতে যা করবেন

বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে রাখতে উচ্চ ক্ষমতার বৈদ্যুতিক যন্ত্র প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত। কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব যন্ত্রের সুইচ বন্ধ করে দিতে হবে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনে দীর্ঘসময় গিজার, ইন্ডাকশন কুকার, কেটলি, হেয়ার ড্রায়ার বা মাইক্রোওয়েভ চালিয়ে রাখা এড়িয়ে চলা জরুরি।

তবে মনে রাখতে হবে, কোনো যন্ত্র এক ঘণ্টায় কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করবে তা তার পাওয়ার রেটিং অনুযায়ী হিসাব করা যায়; বাস্তবে মাসিক খরচ নির্ভর করবে যন্ত্রটি কতক্ষণ ও কতবার ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ ট্যারিফের ওপর। তাই শুধু ওয়াট বেশি হলেই কোনো যন্ত্র মাসে এসির চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করবে&mdash;এমনটা সব ক্ষেত্রে নয়।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 12:33:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চোখ ওঠার সংক্রমণ ঠেকাতে যেসব সতর্কতা জরুরি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117248" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/lifestyle/117248</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একজন সহকর্মীর &lsquo;চোখ ওঠা&rsquo; বা কনজাংটিভাইটিস শুধু তার ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, এটি পুরো অফিসের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় একই পরিবেশে কাজ করা এবং ডেস্ক, কিবোর্ড, মাউস, টেলিফোন, প্রিন্টার, কনফারেন্স রুমসহ বিভিন্ন জিনিস ভাগাভাগি ব্যবহারের কারণে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এই রোগ।

স্বাস্থ্যবিধি সঠিকভাবে মেনে না চললে আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে খুব দ্রুত অন্যদের শরীরে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির সঙ্গে আলাপকালে ভারতের শারদাকেয়ার-হেলথসিটির অফথালমোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. পনিন্দর কুমার ডোগরা জানান, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত চোখ ওঠা অত্যন্ত ছোঁয়াচে। সাধারণত সংক্রামিত হাত, ব্যবহৃত জিনিসপত্র এবং চোখের তরলের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়।

তিনি বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চোখ ওঠা মৃদু মাত্রার হয় এবং সঠিক চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায়। তবে আক্রান্ত ব্যক্তি না জেনেই অল্প সময়ের মধ্যে অনেক সহকর্মীকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারেন।

চোখ ওঠা বা কনজাংটিভাইটিস কী?

চোখের সাদা অংশ এবং চোখের পাতার ভেতরের পাতলা স্বচ্ছ পর্দাকে কনজাংটিভা বলা হয়। এই পর্দায় প্রদাহ সৃষ্টি হলে চোখ লাল বা গোলাপি হয়ে যায়, যা সাধারণভাবে &lsquo;চোখ ওঠা&rsquo; নামে পরিচিত।

চোখ ওঠার প্রধান কারণগুলো হলো&mdash;


	
	ভাইরাসের সংক্রমণ
	
	
	ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ
	
	
	অ্যালার্জি
	
	
	ধোঁয়া, ধুলাবালি বা রাসায়নিক পদার্থের প্রভাব
	


ডা. ডোগরা জানান, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত চোখ ওঠা সাধারণত ছোঁয়াচে হলেও অ্যালার্জির কারণে হওয়া চোখ ওঠা অন্যের মধ্যে ছড়ায় না।

অফিসে যেভাবে ছড়ায় চোখ ওঠা

অফিসের শেয়ার করা পরিবেশ জীবাণু ছড়ানোর জন্য উপযোগী। আক্রান্ত ব্যক্তি চোখে হাত দেওয়ার পর কিবোর্ড, মাউস, টেলিফোন, দরজার হাতল বা লিফটের বোতাম স্পর্শ করলে সেখানে জীবাণু থেকে যেতে পারে। পরে অন্য কেউ সেই স্থান স্পর্শ করে নিজের চোখে হাত দিলে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

এ ছাড়া যেসব মাধ্যমেও ছড়াতে পারে&mdash;


	
	তোয়ালে বা রুমাল ভাগাভাগি করলে
	
	
	একই টিস্যু একাধিক ব্যক্তি ব্যবহার করলে
	
	
	চোখের প্রসাধনী শেয়ার করলে
	
	
	কন্ট্যাক্ট লেন্সের কেস বা আনুষঙ্গিক জিনিস ভাগ করলে
	
	
	কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে বের হওয়া জলকণার মাধ্যমেও
	


চোখ ওঠার সাধারণ লক্ষণ

চোখ ওঠার লক্ষণ এক বা উভয় চোখেই দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে&mdash;


	
	চোখ লাল বা গোলাপি হয়ে যাওয়া
	
	
	অতিরিক্ত পানি পড়া
	
	
	চুলকানি ও জ্বালাপোড়া
	
	
	চোখে কিছু আটকে থাকার অনুভূতি
	
	
	চোখের পাতা ফুলে যাওয়া
	
	
	চোখ থেকে পিচ্ছিল বা আঠালো তরল বের হওয়া
	


বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়াজনিত চোখ ওঠায় চোখ থেকে হলুদ বা সবুজ রঙের ঘন তরল বের হতে পারে। এতে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের পাতা আটকে যেতে পারে।

এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ না নেওয়া পর্যন্ত অফিসে না যাওয়াই ভালো।

অফিসে চোখ ওঠার সংক্রমণ প্রতিরোধের উপায়

১. নিয়মিত হাত ধোয়া
সংক্রমণ ঠেকাতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো হাত পরিষ্কার রাখা। অন্তত ২০ সেকেন্ড সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে। প্রয়োজনে অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।

২. চোখে হাত দেওয়া এড়িয়ে চলা
অফিসের বিভিন্ন জিনিস স্পর্শ করার পর চোখ ঘষা বা স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

৩. নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করা
কিবোর্ড, মাউস, ফোন, টেবিল, দরজার হাতল ও লিফটের বোতামের মতো নিয়মিত ব্যবহৃত জিনিস পরিষ্কার রাখা জরুরি।

৪. ব্যক্তিগত জিনিস শেয়ার না করা
তোয়ালে, প্রসাধনী, আই ড্রপ, কন্ট্যাক্ট লেন্স ও টিস্যুর মতো ব্যক্তিগত সামগ্রী অন্যের সঙ্গে ভাগ করা উচিত নয়।

৫. আক্রান্ত হলে বিশ্রামে থাকা
ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত চোখ ওঠা হলে পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে থাকা উচিত, যাতে অন্যরা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে বাঁচেন।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন

নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে&mdash;


	
	চোখে তীব্র ব্যথা হলে
	
	
	দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা বা কমে গেলে
	
	
	আলো সহ্য করতে সমস্যা হলে
	
	
	চোখের চারপাশ অতিরিক্ত ফুলে গেলে
	
	
	চিকিৎসার পরও সমস্যা বাড়তে থাকলে
	


ডা. পনিন্দর কুমার ডোগরার মতে, দ্রুত শনাক্তকরণ, সঠিক চিকিৎসা এবং সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে অফিসে চোখ ওঠার সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 08 Aug 2026 08:58:48 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
