<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/international</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/international"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews international Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest international News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sat, 24 Oct 2026 11:51:39 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[জাপানি বিদ্রোহী ঔপন্যাসিক রিউ মুরাকামি আর নেই]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119195" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119195</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[
এক নজরে রিউ মুরাকামি ও তার সাহিত্যিক অবদান


	
	জন্ম ও মৃত্যু: ৭৪ বছর বয়সে নিজ বাসভবনে জীবনাবসান (মৃত্যুর খবর প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর, ২০২৬)।
	
	
	সাহিত্যিক ধারা: সমাজের অন্ধকার দিক, যৌনতা, সহিংসতা এবং আধুনিক যুবসমাজের বিচ্ছিন্ন জীবনের সাহসী চিত্রায়ন।
	
	
	প্রথম ও বিখ্যাত উপন্যাস: ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত &lsquo;অলমোস্ট ট্রান্সপারেন্ট ব্লু&rsquo; (এই উপন্যাসের জন্য জাপানের মর্যাদাপূর্ণ &lsquo;আকুতগাওয়া পুরস্কার&rsquo; অর্জন)।
	
	
	অন্যান্য উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি: &lsquo;কয়েন লকার বেবিজ&rsquo; (১৯৮০) এবং &lsquo;ইন দ্য মিসো সুপ&rsquo; (১৯৯৭)।
	
	
	বিশেষত্ব: রিউ মুরাকামির অনেক জনপ্রিয় উপন্যাস পরবর্তীতে সফলভাবে চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে; তিনি ছিলেন জাপানি আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী ও বিদ্রোহী কণ্ঠস্বর।
	



 


জাপানি আধুনিক সাহিত্য ধারার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ, খ্যাতিমান ও প্রাবন্ধিক ঔপন্যাসিক রিউ মুরাকামি আর নেই। চৌাত্তর বছর বয়সে নিজ বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন এই প্রখ্যাত লেখক। গতকাল শুক্রবার তার দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান &lsquo;জেনতোশা&rsquo; এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে রিউ মুরাকামির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রকাশনা সংস্থার পক্ষ থেকে শোকবার্তায় জানানো হয়, বিশ্বসাহিত্যের আঙিনায় যে লেখক আজীবন তার তারুণ্যদীপ্ত, সাহসী এবং চমকপ্রদ লেখার মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করে গেছেন, তার আকস্মিক প্রয়াণে পুরো সাহিত্যজগৎ গভীর শোকে স্তব্ধ। নিজের জীবনকে সবসময় শতভাগ উপভোগ করা এবং প্রচলিত প্রথার বিরুদ্ধে স্রোতের বিপরীতে চলা এই লেখক যুগান্তকারী সাহিত্যিকদের পথপ্রদর্শক হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

জাপানি সাহিত্যে প্রচলিত গতানুগতিক ধারা ভেঙে রিউ মুরাকামি সবসময় মানুষের অন্ধত্ব, যৌনতার অন্ধকার দিক, নির্মম সহিংসতা এবং আধুনিক যুবসমাজের বিচ্ছিন্ন জীবনের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন। রিউ মুরাকামির সাহিত্যকর্মে সমাজের গ্লানি ও ক্ষয়ে যাওয়া দিকগুলো নির্মম সত্যের আলোয় প্রতিফলিত হতো।

১৯৭৬ সালে প্রকাশিত তার প্রথম উপন্যাস &lsquo;অলমোস্ট ট্রান্সপারেন্ট ব্লু&rsquo; জাপানি সাহিত্য মহলে এক বিশাল ভূকম্পন সৃষ্টি করেছিল। মাদকাসক্তি ও কামনার অতল গহ্বরে হারিয়ে যাওয়া তরুণ প্রজন্মের নৈতিক স্খলন ও বিপন্নতার হৃদয়বিদারক রূপ ফুটিয়ে তোলার জন্য এই বইটির সুবাদে তিনি দেশটির অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ &lsquo;আকুতগাওয়া পুরস্কার&rsquo; অর্জন করেন। এর মধ্য দিয়েই বিশ্বমঞ্চে একজন ব্যতিক্রমী ও শক্তিশালী কথাসাহিত্যিক হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করেন তিনি।

এরপর ১৯৮০ সালে আত্মপ্রকাশ করে তার অপর মাস্টারপিস উপন্যাস &lsquo;কয়েন লকার বেবিজ&rsquo;। রেলস্টেশনের লাগেজ লকারে নবাগত শিশুদের ফেলে যাওয়ার মতো নির্মম এক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে বেঁচে থাকার নিষ্ঠুর সংগ্রামের গল্প বয়ন করেছিলেন তিনি, যা সেই সময়ে পাঠকদের মধ্যে তীব্র আলোচনার জন্ম দেয়।

পরবর্তী সময়ে ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত তার থ্রিলারধর্মী উপন্যাস &lsquo;ইন দ্য মিসো সুপ&rsquo; টোকিওর জমজমাট রেড লাইট এলাকার অন্ধকার জগতের এক পর্যটকের রোমহর্ষক ও রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার পটভূমিতে রচিত হয়েছিল। শুধু কথাসাহিত্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মুরাকামির বহু জনপ্রিয় উপন্যাস পরবর্তীতে বড় পর্দায় সেলুলয়েডের ফিতাতেও রূপায়িত হয়েছে, যা চলচ্চিত্রপ্রেমীদেরও মুগ্ধ করেছিল।

রিউ মুরাকামির প্রয়াণে কেবল জাপান নয়, বরং বিশ্বজুড়ে তার অগণিত পাঠক ও সাহিত্যবোদ্ধাদের মনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রিউ মুরাকামির বিদায়ে জাপানি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও আপসহীন বিদ্রোহের অধ্যায়ের ইতি ঘটল।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 24 Oct 2026 11:51:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কলা কি বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119193" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119193</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[
এক নজরে কলা চাষের বর্তমান সংকট ও নতুন সম্ভাবনা


	
	বিশ্বব্যাপী উৎপাদন: প্রতি বছর প্রায় ১৩ কোটি ৯০ লাখ টন কলা উৎপাদিত হয় (টমেটোর পর দ্বিতীয় সর্বাধিক পঠিত ফল)।
	
	
	অতীতের ইতিহাস: ১৯৫০-এর দশকে পানামা রোগের আক্রমণে &lsquo;গ্রোস মিশেল&rsquo; জাতের কলা বিলুপ্ত হয়ে যায়, যার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিল বর্তমানের &lsquo;ক্যাভেন্ডিশ&rsquo;।
	
	
	বর্তমান সংকট: ক্যাভেন্ডিশ জাতটি এখন পানামা রোগের নতুন ও আগ্রাসী রূপ &lsquo;টিআর৪&rsquo; (ট্রপিক্যাল রেস ৪) এর মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে।
	
	
	ভূগোল ও বিস্তার: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং লাতিন আমেরিকার মতো বড় অঞ্চলে এই রোগ ছড়িয়ে পড়েছে (২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইকুয়েডরেও এর বিস্তার দেখা যায়)।
	
	
	আশার আলো: শীর্ষ কলা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান &lsquo;চিকুইটা&rsquo; এবং &lsquo;কি-জিন&rsquo;-এর যৌথ উদ্যোগ &lsquo;ইয়েলোওয়ে&rsquo; প্রজননক্ষম ক্যাভেন্ডিশ কলার নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে, যা রোগ প্রতিরোধে সহায়ক হবে।
	




জলবায়ু পরিবর্তন এবং মারাত্মক সব উদ্ভিদ রোগের আক্রমণে বিশ্বজুড়ে কলা চাষ এক ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। বিশেষ করে মানুষের অত্যন্ত পছন্দের ক্যাভেন্ডিশ জাতের কলা এখন অস্তিত্বের লড়াই লড়ছে। তবে বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক উদ্ভাবন ও নতুন প্রজননপ্রযুক্তি এই সংকট কাটিয়ে ফলটিকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এক নতুন আশার দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

বিশ্বব্যাপী টমেটোর পরেই সবচেয়ে বেশি গ্রহণ করা ফল হলো কলা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় ১৩ কোটি ৯০ লাখ টন কলার ফলন হয়ে থাকে। বিশ্বে কলার সহস্রাধিক ভিন্ন প্রজাতি থাকলেও সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে বা বাজারের ফলের ঝুড়িতে মূলত ক্যাভেন্ডিশ জাতের কলাই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

এর আগে ১৯৫০-এর দশকে ভয়ংকর &lsquo;পানামা রোগ&rsquo;-এর আক্রমণে জনপ্রিয় &lsquo;গ্রোস মিশেল&rsquo; জাতের কলা পৃথিবী থেকে চিরতরে হারিয়ে গিয়েছিল। সেই বিপর্যয়ের পর ক্যাভেন্ডিশ জাতটি বাজার দখল করে নিয়েছিল।

বাণিজ্যিকভাবে চাষ হওয়া ক্যাভেন্ডিশ কলা মূলত প্রজননে অক্ষম ক্লোন প্রকৃতির। যার ফলে প্রতিটি গাছের জিনগত গঠন হুবহু একই রকম। এই একঘেয়ে জিন কাঠামোর কারণে পুরো জাতটি যেকোনো একটি নির্দিষ্ট রোগের মুখে পড়লে একসঙ্গে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকিতে থাকে।

বর্তমানে এই ক্যাভেন্ডিশ জাতটিও পানামা রোগের অত্যন্ত আগ্রাসী ও নতুন রূপ &lsquo;টিআর৪&rsquo; বা ট্রপিক্যাল রেস ৪-এর মারাত্মক আক্রমণের মুখে পড়েছে। নরউইচের আর্লহ্যাম ইনস্টিটিউটের বিশিষ্ট ফসলের জিনোমবিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ড. হোসে দে ভেগা জানান, এই রোগটি শুরুতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকলেও তা ক্রমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং লাতিন আমেরিকার মতো বড় বড় অঞ্চলে।

সবচেয়ে শঙ্কার খবরটি সামনে আসে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের দিকে, যখন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কলা রপ্তানিকারক দেশ ইকুয়েডরেও এই রোগের বিস্তার ধরা পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ছত্রাকজনিত রোগটি বিশ্বজুড়ে কলার সরবরাহ ব্যবস্থাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

একই সঙ্গে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা এবং জীবিকাও মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন। কারণ, বিশ্বের বহু অঞ্চলের মানুষ তাদের দৈনিক খাদ্য এবং আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে এই ফসলের ওপর নির্ভরশীল।

জলবায়ু সংকটের নেতিবাচক প্রভাব এবং প্রাণঘাতী রোগবালাইয়ের কারণে গুয়াতেমালা থেকে শুরু করে মালাবি পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে চাষিরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বিশ্ববাসী তাদের অন্যতম প্রধান একটি পুষ্টিকর খাদ্য থেকে চিরতরে বঞ্চিত হতে পারে।

তবে এই সম্ভাব্য মহাবিপর্যয় রোধ করতে বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এক যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছেন। বিশ্বের অন্যতম প্রধান কলা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান &#39;চিকুইটা&#39; এবং আধুনিক ফসল উন্নয়ন সংস্থা &#39;কি-জিন&#39;-এর যৌথ উদ্যোগ &#39;ইয়েলোওয়ে&#39; ঘোষণা করেছে যে, তারা সফলভাবে প্রজননক্ষম ক্যাভেন্ডিশ কলার একটি নতুন জাত উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে।

বিজ্ঞানীদের এই অভাবনীয় সাফল্যের ফলে এখন সংকরায়নের মাধ্যমে প্রাকৃতিকভাবে রোগপ্রতিরোধী এবং বাণিজ্যিকভাবে অধিক লাভজনক নতুন জাতের কলা উদ্ভাবন করা সম্ভব হবে। ফলস্বরূপ, বিশ্ববাজারে কলার চিরচেনা অবস্থান ধরে রাখা এবং ভবিষ্যৎ খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পথে এক বিশাল বাধা দূর হলো বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 24 Oct 2026 11:07:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিশ্বসেরা সামরিক শক্তি গঠনের হুঙ্কার কিম জং উনের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119191" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119191</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীকে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও অপ্রতিরোধ্য বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। সেনাসদস্যদের নিবিড় প্রশিক্ষণ এবং প্রতিটি সামরিক ইউনিটকে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য শতভাগ প্রস্তুত রাখার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এমন সময়ে এই সামরিক উচ্চাভিলাষের কথা সামনে এল, যখন প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দেশটির সীমান্ত বিরোধ চরমে পৌঁছেছে।

পিয়ংইয়ংয়ে আয়োজিত সেনাবাহিনীর কোম্পানি কমান্ডারদের দুই দিনব্যাপী এক বিশেষ সম্মেলনে এই নির্দেশ দেন কিম জং উন। কোরীয় রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুতে ক্ষমতাসীন দলের কংগ্রেসের পর সামরিক বাহিনীকে নিয়ে এটিই ছিল তার সবচেয়ে বড় কোনো আনুষ্ঠানিক সমাবেশ।

ওই সম্মেলনে কিম প্রচলিত সামরিক শক্তির পাশাপাশি দেশের পারমাণবিক অস্ত্রাগার ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার আধুনিকায়ন আরও ত্বরান্বিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন।

সম্মেলনে &lsquo;কোরীয় ধাঁচের সামরিক বিপ্লব&rsquo; সাধনের ডাক দিয়ে কিম জং উন জানান, সামরিক ও প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রতিটি কোম্পানিকে নিখুঁত ও দক্ষ যুদ্ধ ইউনিটে রূপান্তর করতে হবে। সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া বেশ কিছু আধুনিক অস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালিয়েছে।

এর মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন নির্ভুল লক্ষ্যভেদী টর্পেডো এবং অত্যাধুনিক হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শত নিষেধাজ্ঞা ও কড়াকড়ি উপেক্ষা করে পিয়ংইয়ং তাদের পরমাণু কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে অনড় রয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা
উত্তর কোরিয়ার এই সামরিক শক্তির মহড়ার মধ্যেই দুই কোরিয়ার মধ্যকার সীমান্ত পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত অসামরিকীকৃত অঞ্চলে (ডিএমজেড) ভয়াবহ বিস্ফোরণে দক্ষিণ কোরিয়ার বেশ কয়েকজন সেনা গুরুতর আহত হন।

সিউলের দাবি, উত্তর কোরিয়ার পূর্বপরিকল্পিতভাবে পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইন থেকেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে পিয়ংইয়ং এই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমা চাওয়ার দাবিও পাত্তায় দেয়নি।

পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত করতে এবং যোগাযোগ মাধ্যম সচল রাখতে গতকাল শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার কাছে সামরিক আলোচনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠায় দক্ষিণ কোরিয়া। তবে এই প্রস্তাবের বিষয়ে পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ সালের ধ্বংসাত্মক কোরিয়ান যুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে অস্ত্রবিরতি চুক্তি হলেও আজ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। ফলে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সংঘাতের শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 24 Oct 2026 10:57:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বুরকিনা ফাসোর সামরিক সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119188" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119188</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[
এক নজরে বুরকিনা ফাসোর নতুন সিদ্ধান্ত ও পরিস্থিতি


	
	শাসক: ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরের নেতৃত্বাধীন সামরিক সরকার (ক্ষমতা দখল: সেপ্টেম্বর ২০২২)।
	
	
	মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল: সন্ত্রাসবাদ, রাষ্ট্রদ্রোহ ও গুপ্তচরবৃত্তির মতো অপরাধে মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে এনে নতুন আইন পাস (২০ অক্টোবর)। ২০১৮ সালে এই বিধান বাতিল করা হয়েছিল।
	
	
	শেষ মৃত্যুদণ্ড: দেশটিতে সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল ১৯৮৮ সালে।
	
	
	সাংস্কৃতিক নিষেধাজ্ঞা: নতুন নীতিমালা না হওয়া পর্যন্ত দেশজুড়ে সব ধরনের সুন্দরী প্রতিযোগিতা স্থগিত।
	
	
	বিকল্প উদ্যোগ: তরুণীদের বিজ্ঞান শিক্ষায় উৎসাহিত করতে &lsquo;হাকিলি মুসো&rsquo; নামক জাতীয় বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা চালু।
	
	
	আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া: মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহালের তীব্র সমালোচনা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
	




পশ্চিম আফ্রিকার অস্থির দেশ বুরকিনা ফাসোতে কঠোর আইন প্রণয়ন ও সাংস্কৃতিক পদক্ষেপে বড় ধরণের পরিবর্তন এনেছে সামরিক সরকার। দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দণ্ডবিধি অনুমোদনের মাধ্যমে পুনরায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

একই সঙ্গে দেশজুড়ে সব ধরনের সুন্দরী প্রতিযোগিতা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সামরিক শাসক ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরের নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের এমন সব পদক্ষেপে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মানবাধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

গত ২০ অক্টোবর দেশটির পার্লামেন্টে পাস হওয়া নতুন আইনে সন্ত্রাসবাদ, রাষ্ট্রদ্রোহিতা এবং গুপ্তচরবৃত্তির মতো মারাত্মক অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহাল করা হয়। আইনটির পক্ষে ৭১ জন সংসদ সদস্যই ভোট দেন।

এর মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালে দেশটি থেকে মৃত্যুদণ্ড সম্পূর্ণ বাতিলের দীর্ঘদিনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এল বুরকিনা ফাসো। উল্লেখ্য, দেশটিতে সর্বশেষ ১৯৮৮ সালে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।

সরকারের আইনমন্ত্রী এদাসো রদ্রিগে বায়ালা এই কঠোর বিধানের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেছেন, বর্তমান সময়ে দেশজুড়ে চরম সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থেই এমন কঠোর আইন আবশ্যক ছিল।

এদিকে মৃত্যুদণ্ড পুনর্বহালের কয়েক মাস আগে গত ৮ জুন সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে দেশজুড়ে সুন্দরী প্রতিযোগিতা আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কর্তৃপক্ষের যুক্তি, নতুন নীতিমালা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

দেশের নিজস্ব ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং সামাজিক অনুশাসনের প্রতি সম্মান রেখেই মূলত এই প্রতিযোগিতার নিয়মকানুন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে সংস্কৃতির এই ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হলেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় তরুণীদের সম্পৃক্ত করতে কিছু ইতিবাচক উদ্যোগও নিয়েছে প্রশাসন। গত আগস্ট মাসে গণিত, পদার্থ ও রসায়নে নারীদের আগ্রহ বাড়াতে &lsquo;হাকিলি মুসো&rsquo; নামের জাতীয় পর্যায়ের একটি বিজ্ঞান প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

যেখানে ৮৪ জন প্রতিযোগী অংশ নেন এবং বিজয়ী মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিশেষ শিক্ষাসাহায্য দেওয়া হয়। খোদ প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে তরুণীদের বিজ্ঞানমুখী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সামরিক সরকারের এসব একের পর এক নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, নতুন এই মৃত্যুদণ্ডের আইনটি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে বর্তমান প্রশাসন।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে। তাদের মতে, মৃত্যুদণ্ড মানুষের জন্মগত অধিকারের চরম লঙ্ঘন, যা কোনোভাবেই সংশোধনযোগ্য নয়।

অন্যদিকে, সুন্দরী প্রতিযোগিতা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েও সমাজের বিভিন্ন মহলে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত রয়েছে। সরকারের সমর্থক গোষ্ঠী মনে করছে, এ ধরনের পদক্ষেপের ফলে নারীরা বাহ্যিক আকর্ষণ বাদ দিয়ে পড়াশোনা ও অ্যাকাডেমিক সাফল্যের দিকে বেশি মনযোগী হতে পারবেন।

বিপরীতে সমালোচকদের দাবি, একজন নারীর নিজস্ব পছন্দ অনুযায়ী তার কর্মকাণ্ড বেছে নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা থাকা উচিত।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বুরকিনা ফাসোয় সামরিক শাসন চলছে। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ পুনরুদ্ধারের নামে নেওয়া এসব পদক্ষেপ আদতে নাগরিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের পরিসর কতটা সংকুচিত করছে, তা নিয়েই এখন বিশ্বজুড়ে চলছে নানা আলোচনা।

 

সান নিউজ / রাজীব ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 24 Oct 2026 09:55:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জর্ডনের গির্জায় মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ, অতর্কিত হামলায় মৃত্যু ৬ জনের!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119186" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119186</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডানে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের একটি উপাসনালয়ে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। দেশটির কারাক গভর্নরেটের হামুদ গ্রামে একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠান চলার সময় গ্রিক অর্থোডক্স গির্জার ওপর এই রক্তক্ষয়ী হামলা চালায় বন্দুকধারীরা।

সুন্নি মুসলিম প্রধান দেশটিতে খ্রিস্টানদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সহিংসতা অত্যন্ত বিরল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার শোকাহত মানুষের সমাগমের মধ্যে গাড়ি নিয়ে এসে অতর্কিত গুলি চালাতে শুরু করে হামলাকারীরা। প্রথমে সাতজনের প্রাণহানির কথা জানানো হলেও পরে সংশোধন করে নিহতের সংখ্যা ছয়জন বলে নিশ্চিত করা হয়।

এছাড়া এই মর্মান্তিক ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৮ জন। হতাহতদের অধিকাংশেরই বয়স পঞ্চাশ থেকে সত্তর বছরের কোঠায়।

জর্ডানের সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত ভিডিও ফুটেজে সাধারণ পোশাকে তিনজন সশস্ত্র ব্যক্তিকে দেখা গেছে। তাদের দু&rsquo;জনের হাতে পিস্তল এবং একজনের কাছে বড় আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। গুলিবর্ষণ করতে করতে তারা গির্জার ভেতরের দিকে এগিয়ে যায়।

এক প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ অনুযায়ী, হামলাকারীরা প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে একটানা গুলি চালিয়ে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। ওই সময় গির্জা চত্বরে প্রায় দেড় থেকে দুইশ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার পরপরই নড়েচড়ে বসেছে দেশটির প্রশাসন। সরকারি যোগাযোগ মন্ত্রী মোহাম্মদ আল-মুমানি জানিয়েছেন, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অপরাধীদের গ্রেফতারে জোরালো অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

জর্ডানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক ধারণা, এই নাশকতার পেছনে উগ্রপন্থীদের হাত রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৬ সালে কারাক অঞ্চলে একটি নিরাপত্তা কেন্দ্র ও পুলিশের ওপর বড় ধরনের জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

জর্ডানের জনসংখ্যার মাত্র দুই থেকে তিন শতাংশ খ্রিস্টান হলেও কারাক এলাকায় তাদের উল্লেখযোগ্য বসবাস রয়েছে। এমন একটি শান্ত ও সহাবস্থানের দেশে ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দ।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন একে জঘন্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আখ্যা দিয়ে বলেছেন, সন্ত্রাসবাদের কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা দেশ নেই। এই ধরনের হামলার মূল উদ্দেশ্য হলো পারস্পরিক সম্প্রীতি ও শান্তি বিনষ্ট করে সমাজে বিভাজন তৈরি করা।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 24 Oct 2026 09:20:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইতালিতে জরুরি অবস্থা জারি, শহরে শহরে আঁটসাঁট নিরাপত্তা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119184" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119184</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস উঠেছে সাধারণ মানুষের। এর প্রতিবাদে পুরো দেশজুড়ে বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ইতালি প্রশাসন।

দেশটির বড় বড় শহরগুলোতে হাজার হাজার পুলিশ, সেনা ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। আকাশপথে নজরদারি চালাতে ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রোন। কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতার ঘটনা ঘটায় প্রশাসন এবার আগে থেকেই কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

রোম ও মিলানের মতো প্রধান শহরগুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাজধানী রোমে প্রায় দেড় হাজার নিরাপত্তাকর্মী মাঠে নামানো হচ্ছে। অন্যদিকে, মিলান শহরকে সুরক্ষিত রাখতে পুলিশ, মিউনিসিপ্যাল কর্মী এবং সেনা মিলিয়ে প্রায় এক হাজার আটশ সদস্যকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

মিলান ছাড়াও বোলোনিয়া, জেনোয়া ও তুরিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতেও নানা কর্মসূচি পালিত হওয়ার কথা রয়েছে। সামগ্রিকভাবে পুরো দেশজুড়ে ত্রিশটির বেশি জমায়েত, মিছিল ও ধর্মঘটের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রযুক্তির সাহায্য ও কড়া নজরদারি : অনুমোদিত কর্মসূচিগুলোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া জমায়েতগুলো নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ছক কষেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ড্রোনের মাধ্যমে ওপর থেকে পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হবে। জনবহুল এলাকা এবং রেলস্টেশনগুলোতে তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে।

 

এক নজরে ইতালির আন্দোলন ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি


	
	মূল কারণ : জীবনযাত্রার খরচ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি।
	
	
	নিরাপত্তা প্রস্তুতি : রাজধানী রোমে ১,৫০০ এবং মিলানে ১,৮০০ সহ হাজার হাজার পুলিশ, সেনা ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন।
	
	
	নজরদারি ব্যবস্থা : আকাশপথে ড্রোন পর্যবেক্ষণ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিশেষ সাইবার নজরদারি।
	
	
	বিশেষ সতর্কতা : মিলানের ডুওমো চত্বরসহ বেশ কয়েকটি ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা ও পথ এড়িয়ে চলার নির্দেশ।
	
	
	প্রশাসনের কঠোর বার্তা : শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার থাকলেও জনজীবন বিপর্যস্ত করা বা সহিংসতা বরদাশত করা হবে না।
	


 

এদিকে, পুলিশের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানোর উসকানি দিয়ে টিকটক, টেলিগ্রাম ও ইনস্টাগ্রামের মতো মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন নির্দেশনা ছড়িয়ে পড়ায় প্রশাসনের উদ্বেগ বেড়েছে। সাইবার নিরাপত্তা বিভাগ ও বিশেষ অপারেশন দল যৌথভাবে অনলাইন মাধ্যমগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছে।

মিলানের কেন্দ্রস্থল ডুওমো চত্বর এবং আশপাশের ব্যস্ত বাণিজ্যিক রাস্তাগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন মিশনের পক্ষ থেকেও নাগরিকদের সতর্ক থাকার এবং নির্দিষ্ট কিছু এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ইউরোপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা : ইতালির পাশাপাশি ফ্রান্স ও বেলজিয়ামের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে দেশগুলোতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে সংশ্লিষ্ট সরকার।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই দেশগুলোতে অবস্থিত দূতাবাসগুলো সার্বিক পরিস্থিতির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে এবং প্রবাসীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে। গোলযোগপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলা এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশাবলী কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সহিংসতার তীব্র নিন্দা জর্জিয়া মেলোনির : আগের বিক্ষোভগুলোতে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কিছু বিশৃঙ্খলাকারী গোষ্ঠী আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

সাধারণ শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণভাবে দাবি দাওয়া তুলে ধরার গণতান্ত্রিক অধিকার সবারই রয়েছে। তবে সরকারি সম্পত্তিতে ভাঙচুর চালানো কিংবা জনজীবন বিপর্যস্ত করার অধিকার কাউকে দেওয়া হবে না।

এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির পেছনে রাজনৈতিক দলগুলোর নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে প্রশাসন। জীবনযাত্রার বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামাল দিয়ে জনজীবন স্বাভাবিক রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখাই এখন ইতালির সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 24 Oct 2026 09:19:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানে হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119161" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119161</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ফ্লোরিডায় এক জনসভায় তিনি বলেন, &lsquo;আমরা হয়তো আরেকটি ছোট &ldquo;এপিক ফিউরি&rdquo; অভিযান চালাতে পারি।&rsquo;

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নাম ছিল &lsquo;অপারেশন এপিক ফিউরি&rsquo;। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতের পর ট্রাম্পের নতুন করে হামলার ইঙ্গিত দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি করেছে। ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা এখনো রয়েছে বলে তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

একই জনসভায় ইরান পরিস্থিতির পর কিউবার দিকে মনোযোগ দেওয়ার কথাও জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরানের বিষয়টি শেষ করে এরপর কিউবা নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কিউবার সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য পাঠানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এ ছাড়া কিউবার উপকূলের কাছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে আসে ট্রাম্পের বক্তব্যে। এর মধ্য দিয়ে দেশটির ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশলের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে আগের চেয়ে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধান না এলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 24 Oct 2026 06:14:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার মূল কারণ ইসরায়েলের দখলদারিত্ব’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119162" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119162</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান অস্থিরতার জন্য ইসরায়েলের দখলদারিত্বকে দায়ী করেছে সৌদি আরব, তুরস্ক, পাকিস্তান ও মিসর। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তুরস্কের ইস্তাম্বুলে চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এ অবস্থান তুলে ধরা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েল সরকারের নীতি বিশ্বজুড়ে বিদ্যমান অন্যায় ও অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। এ সময় আঞ্চলিক সংকট নিরসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ইসরায়েলি দখলদারিত্বের অবসানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন চার দেশের প্রতিনিধিরা।

বৈঠকে ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী সমাধানের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। এ ক্ষেত্রে ১৯৬৭ সালের আগের সীমান্তের ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি নিজেদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশ চারটি।

প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কাঠামোর ভিত্তিতে ফিলিস্তিনিদের স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয় যৌথ বিবৃতিতে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 24 Oct 2026 06:14:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরাইল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119165" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119165</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফিলিস্তিনি দুই বন্দুকধারীর হামলায় ইসরায়েলের দুই সেনা নিহত হওয়ার পর অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরনে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ভাঙতে শুরু করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে হামলাকারীদের বসবাসের এলাকাটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) হেবরনের বাইরে একটি চেকপোস্টে এ হামলার ঘটনা ঘটে। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ইসরায়েলের দুই সেনা নিহত এবং আরও তিনজন আহত হন। পরে ইসরায়েলি সেনাদের পাল্টা গুলিতে দুই হামলাকারী নিহত হন।

নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, হামলাকারীরা যে এলাকা থেকে এসেছেন, সেটি ধ্বংস করে সেখানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে। পাশাপাশি অধিকৃত পশ্চিম তীরে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনাও পর্যালোচনা করছেন তিনি।

বিবিসির যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে হামলার সময় ইসরায়েলি সেনা ও বন্দুকধারীদের মধ্যে গোলাগুলির দৃশ্য দেখা গেছে। অন্য একটি ভিডিওতে দুই বন্দুকধারীকে গাড়ি থেকে নেমে পিস্তল ও অ্যাসল্ট রাইফেলের মতো অস্ত্র দিয়ে চেকপোস্টে গুলি চালাতে দেখা যায়। জবাবে ইসরায়েলি সেনারাও গুলি চালান।

পশ্চিম তীরে বাড়ছে উত্তেজনা

এ হামলার ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন অধিকৃত পশ্চিম তীরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। বার্ষিক জলপাই সংগ্রহের মৌসুমে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনাও ঘটছে। এর মধ্যেই চার দিন পর ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

হামলার পর নেতানিয়াহু জানান, তাঁর দল লিকুদ পার্টি শুক্রবার সকালের নির্ধারিত নির্বাচনি প্রচারণা বাতিল করবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিকে সামনে রেখে চলা নির্বাচনি প্রচারণায় এ ঘটনা নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, হামলাকারীদের এলাকা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে এবং সেটিকে পুরোপুরি বদলে দেওয়া হবে। এর আগে ইসরায়েলি বাহিনী দেশটির নাগরিকদের ওপর হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ধ্বংস করেছে। তবে ইসরায়েলের মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ ধরনের পদক্ষেপকে সমষ্টিগত শাস্তি হিসেবে সমালোচনা করে আসছে।

পশ্চিম তীরের শরণার্থীশিবিরগুলোতে আগে পরিচালিত সামরিক অভিযানের কথাও উল্লেখ করেছেন নেতানিয়াহু। সেসব অভিযানে আবাসিক ভবন ধ্বংসের পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন।

তিনি আরও জানান, কয়েক দশকের মধ্যে পশ্চিম তীরে সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা পর্যালোচনা করেছেন। তবে কবে নাগাদ এ অভিযান শুরু হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। পাশাপাশি প্রায় দুই লাখ মানুষের বসবাস হেবরন ও পার্শ্ববর্তী হালহুল শহরের চারপাশে অবরোধ আরোপের কথাও জানিয়েছেন তিনি।

পশ্চিম তীরে আরও বড় অভিযানের আহ্বান

ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ পশ্চিম তীরে গাজা কিংবা লেবাননের মতো সামরিক অভিযান চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ভেঙে দেওয়ার দাবি তুলেছেন।

এদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বৃহস্পতিবার বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে সরকারকে দুর্বল করার অভিযোগ করেন। ভবিষ্যতে দেশে কোনো হামলার ঘটনা ঘটলে তার দায় বিরোধী নেতাদের নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অন্যদিকে, বিরোধী শিবিরের নেতা গাদি আইজেনকট ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট নিহত সেনাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে হামলাকারীদের প্রতিহত করে হত্যা করা ব্যক্তিদের প্রশংসা করেছেন তাঁরা।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, হামলাকারীদের ব্যবহৃত গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর ধারণা, বন্দুকধারীরা কাছের রুট-৩৫ মহাসড়কে আরও বড় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে চেকপোস্টের সামনে পড়ে যাওয়ায় তাঁরা সেখানে গুলি চালান।

চলতি বছরে পশ্চিম তীরে প্রাণহানি

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীদের হাতে অন্তত ৯৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, একই সময়ে ফিলিস্তিনিদের হামলায় পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক নাগরিকসহ চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। তবে শুক্রবারের হামলায় নিহত ব্যক্তিরা এ হিসাবের অন্তর্ভুক্ত নন।

হেবরনের হামলার পর ইসরায়েলি সরকারের সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিতে পশ্চিম তীরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সম্ভাব্য অভিযানের সময় ও পরিধি এখনো স্পষ্ট না হলেও এর ফলে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা ও বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 24 Oct 2026 06:12:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানে হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119160" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119160</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রানে নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ফ্লোরিডায় এক জনসভায় তিনি বলেন, &lsquo;আমরা হয়তো আরেকটি ছোট &ldquo;এপিক ফিউরি&rdquo; অভিযান চালাতে পারি।&rsquo;

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নাম ছিল &lsquo;অপারেশন এপিক ফিউরি&rsquo;। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাতের পর ট্রাম্পের নতুন করে হামলার ইঙ্গিত দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি করেছে। ইরানের সঙ্গে সমঝোতা না হলে সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা এখনো রয়েছে বলে তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

একই জনসভায় ইরান পরিস্থিতির পর কিউবার দিকে মনোযোগ দেওয়ার কথাও জানান ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরানের বিষয়টি শেষ করে এরপর কিউবা নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে কিউবার সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য পাঠানোর কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এ ছাড়া কিউবার উপকূলের কাছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর সম্ভাবনার কথাও উঠে আসে ট্রাম্পের বক্তব্যে। এর মধ্য দিয়ে দেশটির ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশলের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে আগের চেয়ে আরও কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধান না এলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সান নিউজ/ রাব্বি

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 24 Oct 2026 04:01:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গাপূজায় প্রশংসা, সামনে  নতুন পরীক্ষার মুখে সরকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119150" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119150</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন, নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সরকারি সহযোগিতার মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গাপূজা সম্পন্ন হওয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই ইতিবাচক ভাবমূর্তি ধরে রাখা তার জন্য সহজ হবে না। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণ তার সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

বাংলাদেশে বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা এবার ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয় তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে।

বেড়েছে পূজামণ্ডপ, জোরদার ছিল নিরাপত্তা

এ বছর সারা দেশে ৩৩ হাজার ৮৫১টি পূজামণ্ডপ স্থাপন করা হয়, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দেড় হাজার বেশি। রাজধানী ঢাকায় ছিল ২৫৮টি মণ্ডপ।

উৎসব ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ২ লাখ ১২ হাজার ১১৮ সদস্য মোতায়েন করা হয়। উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মণ্ডপগুলোতে আটজন এবং অন্য মণ্ডপগুলোতে ছয়জন করে সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ১০৪টি স্ট্রাইকিং টিম প্রস্তুত রাখা হয়।

সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে বিজিবি ১৮টি বেইস ক্যাম্প স্থাপন করে এবং টহল কার্যক্রম বাড়ায়। দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার তিন দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা করায় সাপ্তাহিক ছুটিসহ অনেক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী টানা পাঁচ দিনের অবকাশ পান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা

দুর্গাপূজার বর্ণাঢ্য আয়োজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রশংসা পায়। ইনফ্লুয়েন্সার ড্যানিয়েল আফজালুর রহমান মন্তব্য করেন, বাংলাদেশে এত প্রাণবন্ত ও জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গাপূজা তিনি আগে দেখেননি।

লেখক, অধিকারকর্মী এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের অনেকেই এবারের আয়োজনকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। তাদের মতে, সরকারের সহযোগিতা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকার কারণে হিন্দু সম্প্রদায় নির্বিঘ্নে তাদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পেরেছে।

 

&quot;জাঁকজমকপূর্ণ দুর্গাপূজার আয়োজন বর্তমান সরকারের জন্য ইতিবাচক বার্তা বয়ে আনলেও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ভবিষ্যৎ ভোটের সমীকরণ সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।&quot;

 

এ ছাড়া কলকাতার সাংবাদিক ও জনপ্রিয় উপস্থাপক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষও বাংলাদেশের পূজামণ্ডপগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রামের মণ্ডপগুলোর সৃজনশীলতা ও জাঁকজমক তাকে মুগ্ধ করেছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উল্লেখ করেন তিনি।

উদ্বেগ কাটেনি সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে

তবে উৎসবের সফল আয়োজনের পরও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি দূর হয়নি। পূজার আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা ভাঙচুর, মন্দিরে হামলা এবং সহিংসতার অন্তত ৩৪টি ঘটনার অভিযোগ উঠে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এবং মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি সারা বছর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

হিন্দু অধিকারকর্মী জয়ন্ত কর্মকারের অভিযোগ, কিছু ইসলামপন্থী বক্তা এখনো প্রতিমাপূজার বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। তার মতে, কেবল উৎসবের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই যথেষ্ট নয়; ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

হিন্দু ভোট ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ

বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় নির্বাচনে হিন্দু ভোটারদের একটি অংশ বিএনপির প্রতি সমর্থন দেখিয়েছিল। আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ না নেওয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগও সেই সমর্থনের একটি কারণ ছিল।

দুর্গাপূজার সফল আয়োজন হিন্দু ভোটারদের মধ্যে সরকারের প্রতি আস্থা কিছুটা বাড়াতে পারে। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন এবং পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভবিষ্যতে ভোটের সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে দেওয়া বক্তব্যও আলোচনায় এসেছে। ক্ষমতায় গেলে দখল হওয়া মন্দিরের জমি উদ্ধার করার প্রতিশ্রুতি তিনি দেন, যা হিন্দু সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

সামনে কঠিন সময়

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুর্গাপূজার সফল আয়োজন সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও এটিই চূড়ান্ত মূল্যায়নের মানদণ্ড নয়। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, সম্পত্তির অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা সারা বছর নিশ্চিত করতে পারলেই প্রকৃত আস্থা তৈরি হবে।

তাদের মতে, হামলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিচার এবং সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণই হবে সরকারের সামনে বড় পরীক্ষা।

দুর্গাপূজার সফল আয়োজন আপাতত সরকারের জন্য ইতিবাচক বার্তা দিলেও, এই সাফল্য দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখতে হলে সংখ্যালঘুদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক অগ্রগতি দেখাতে হবে।

 

লেখক: দীপ হালদার একজন লেখক এবং দ্যপ্রিন্ট-এর সহযোগী সম্পাদক

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 23 Oct 2026 13:52:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানের সরকার বদলাতে চায় ইসরায়েল, বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119142" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119142</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আবারও ইরানের সরকার পরিবর্তনের কথা সামনে এনেছেন। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তার এই বক্তব্য নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ভেতরে বড় ধরনের সামরিক ক্ষতি করার সক্ষমতা ইসরায়েলের থাকলেও, সেই শক্তিকে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ারে পরিণত করা অত্যন্ত কঠিন।

আকাশে শক্তির প্রদর্শন, কিন্তু লক্ষ্য অনেক দূরের : বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ইসরায়েল চাইলে বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে। দেশটির উন্নত যুদ্ধবিমান, দীর্ঘপাল্লার হামলা পরিচালনার সক্ষমতা এবং আকাশে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার কারণে এমন অভিযান পরিচালনা করা তাদের জন্য সম্ভব। তবে কেবল আকাশ থেকে হামলা চালিয়ে কোনো দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা যায় না। সামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করা গেলেও রাজনৈতিক শাসনব্যবস্থা টিকে থাকতে পারে, বিশেষ করে যখন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও কার্যকর থাকে।

সরকার পরিবর্তনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা : বিশ্লেষকদের মতে, সরকার উৎখাতের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে শুধু বোমাবর্ষণ নয়, দীর্ঘমেয়াদি স্থল উপস্থিতিও প্রয়োজন হয়। ইতিহাস বলছে, রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য বহু সময় সেনা মোতায়েন, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থার দরকার হয়েছে।

ইরানের মতো বড় ও জনবহুল দেশে এমন অভিযান পরিচালনা করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ। শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে সেখানে স্থায়ী রাজনৈতিক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে গুরুতর সন্দেহ রয়েছে।

গোপন অভিযান কতটা কার্যকর : ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা অতীতে ইরানের ভেতরে বিভিন্ন গোপন অভিযান পরিচালনা করেছে বলে বহুবার অভিযোগ উঠেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এসব নেটওয়ার্ক ও কৌশল বারবার ব্যবহার করলে সেগুলো উন্মোচিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।


ইসরায়েলের হাতে ইরানের সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষতি করার সক্ষমতা থাকলেও, শুধু বিমান হামলা চালিয়ে তেহরানের ক্ষমতার কাঠামো ভেঙে ফেলা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।


সাইবার হামলা কিংবা গোপন গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতি করা সম্ভব হলেও, শুধুমাত্র এসব পদ্ধতিতে একটি প্রতিষ্ঠিত সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার মতো কার্যকর পথ এখনো দেখা যাচ্ছে না।

ইরানও পুরোপুরি অসহায় নয়

সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোতে আঘাত পেলেও ইরান এখনো উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। দেশটির হাতে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে, যা আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের জন্য হুমকি হয়ে থাকতে পারে।

বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের পার্বত্য অঞ্চল ও ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলো ইরানের সামরিক সম্পদকে অতিরিক্ত সুরক্ষা দেয়। ফলে বড় ধরনের হামলার পরও দেশটি পাল্টা আঘাত হানার কিছু সক্ষমতা ধরে রাখতে পারে।

ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি চাপ

ইরানের তুলনামূলক কম খরচের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় ইসরায়েলকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করতে হয়। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত এবং অর্থনৈতিক ব্যয়ের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ইসরায়েলের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র কি আবার সরাসরি যুক্ত হবে?

ইরানের গভীরে থাকা কিছু কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানতে যে ধরনের ভারী বাংকার-বিধ্বংসী অস্ত্র প্রয়োজন, তার অনেকগুলোর সক্ষমতা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে। ফলে ওয়াশিংটনের সহযোগিতা ছাড়া ইসরায়েলের জন্য কিছু লক্ষ্যবস্তুতে কার্যকর হামলা চালানো কঠিন হতে পারে।

তবে মার্কিন রাজনীতির বর্তমান বাস্তবতায় নতুন করে বড় সামরিক সংঘাতে জড়ানোর বিষয়ে ওয়াশিংটনের আগ্রহ কতটা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের সম্ভাব্য খরচ মার্কিন সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।

আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার ঝুঁকি

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে গাজা যুদ্ধের পর বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সমালোচনার মুখে পড়া ইসরায়েল কূটনৈতিকভাবে আরও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে।

ইসরায়েলের কাছে ইরানে ব্যাপক সামরিক ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর সামর্থ্য রয়েছে, এ বিষয়ে সন্দেহ কম। কিন্তু সামরিক সাফল্য আর রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন এক জিনিস নয়। ইরানের সরকার পরিবর্তনের মতো উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু বিমান হামলা নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল সামরিক-রাজনৈতিক কৌশল প্রয়োজন হবে।

ফলে মূল প্রশ্নটি এখনও অমীমাংসিত: ইসরায়েল কি ইরানের সামরিক শক্তিকে দুর্বল করতে পারবে, নাকি সত্যিই দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে? বর্তমানে অধিকাংশ বিশ্লেষক দ্বিতীয় সম্ভাবনাটিকেই বেশি অনিশ্চিত বলে মনে করছেন।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 23 Oct 2026 08:53:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারতের দিকে ধেয়ে আসছে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119146" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119146</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে প্রথমে গভীর নিম্নচাপ এবং পরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সিস্টেমটি ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা বাড়ার পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কার্যত অনুপস্থিত। পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সাম্প্রতিক তথ্যেও উল্লেখযোগ্য বৃষ্টির ঘটনা রেকর্ড হয়নি। আবহাওয়াবিদদের মতে, সাগরে ধারাবাহিকভাবে সৃষ্ট নিম্নচাপজনিত পরিস্থিতি এবং বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়নি।

তবে সর্বশেষ সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা অন্য সময়ের তুলনায় বেশি বলে মনে করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। তাদের ধারণা, এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। আন্তর্জাতিক নামকরণ অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টির নাম হতে পারে &lsquo;অর্ণব&rsquo;।

 

সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় &lsquo;অর্ণব&rsquo;কে ঘিরে নজর রাখছে আবহাওয়া বিভাগ। যদিও ঝড়টির সম্ভাব্য গতিপথ ভারতের দিকে, তবুও এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে, যার প্রভাব রাজধানী ঢাকাতেও পৌঁছাতে পারে।

 

আবহাওয়াবিদদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের ওপর সরাসরি বড় ধরনের আঘাত হানার আশঙ্কা নেই। তবুও এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চল, বিশেষ করে উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হতে পারে। একই সঙ্গে আগামী মঙ্গলবারের দিকে রাজধানীসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে ঋতু পরিবর্তনের প্রভাব ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে দেশের আবহাওয়ায়। দিনের বেলা অনেক এলাকায় এখনো গরম অনুভূত হলেও রাত এবং ভোরে তাপমাত্রা তুলনামূলক কমে যাচ্ছে। ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধানও বাড়ছে।

বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের আগমনী বার্তা ইতোমধ্যে টের পাওয়া যাচ্ছে। ভোর ও রাতের দিকে হালকা শীতল আবহ বিরাজ করছে, যা আসন্ন শীত মৌসুমের ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা এখনো বেশ উঁচু অবস্থানে থাকলেও রাতের সময়ে তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে যাচ্ছে, ফলে আবহাওয়ায় বৈপরীত্য আরও স্পষ্ট হচ্ছে।

সার্বিকভাবে আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথের পাশাপাশি মৌসুমি পরিবর্তনের প্রভাবও আগামী কয়েক দিনে দেশের আবহাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 23 Oct 2026 08:52:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানে নতুন হামলার যৌথ পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119136" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119136</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সামনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নির্বাচন&mdash;একটিতে বসতে চলেছে মধ্যবর্তী ভোটের লড়াই, অন্যটিতে ইসরাইলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার আগে ইরানে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তবে ভোটপর্ব চুকলেই তেহরানের ওপর সর্বশক্তি দিয়ে চড়াও হওয়ার সুনির্দিষ্ট ছক কষে রেখেছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব।

সামরিক মহড়া ও গোপন পরিকল্পনার রূপরেখা : নির্বাচন পরবর্তী সময়ে একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে দুই মিত্র দেশ। এই যৌথ কৌশলের অংশ হিসেবে সম্প্রতি সামরিক মহড়ার পরিধি বাড়ানো হয়েছে এবং ইরাকি আকাশসীমা ব্যবহার করে আক্রমণের মহড়াও সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলো।

এরই ধারাবাহিকতায় চলতি সপ্তাহে ইসরাইলে পাড়ি জমিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, যেখানে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সম্ভাব্য আগ্রাসন নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।

আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন ও ইসরাইলি নেতৃত্ব আপাতত সামরিক পদক্ষেপ স্থগিত রাখলেও, তেহরানের কঠোর পাল্টা হুঁশিয়ারি এবং জ্বালানি বাজারের সম্ভাব্য অস্থিরতা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

বিকল্প এই আক্রমণ তালিকার মূল নিশানা হিসেবে রাখা হয়েছে ইরানের সংবেদনশীল জ্বালানি খাত, পারমাণবিক গবেষণাকেন্দ্র এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন গুদামগুলোকে।

সংশ্লিষ্ট নীতিপ্রণেতাদের একাংশের ধারণা, মাসকটে চলা দীর্ঘ লড়াইয়ের পর এমন একটি তীব্র আঘাত ইরানের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ পঙ্গু করে দিতে পারে এবং তেহরানকে শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিকভাবে কোণঠাসা করে শর্ত মানতে বাধ্য করবে।

ট্রাম্পের সিদ্ধান্তহীনতা ও রাজনৈতিক সমীকরণ : তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কতটা সহজ হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির গবেষকরা। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত এই আগ্রাসনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কি না, তা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এর আগেও চলতি বছরে বেশ কয়েকটি বড় মাপের সামরিক অভিযানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি থাকার পরও শেষ মুহূর্তে এসে তা আটকে দিয়েছিলেন তিনি।

চলতি মাসের শুরুর দিকেও বড় হামলার সব প্রস্তুতি শেষ হলেও শেষ মুহূর্তে তা স্থগিত করা হয়।

আগামী নভেম্বরের গোড়ার দিকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে তিনটি দৈত্যাকার বিমানবাহী রণতরী, হাজার হাজার মেরিন সেনা ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের বিশাল সমাবেশ ঘটাতে চলেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। তবে আগামী ২৭ অক্টোবরের ইসরাইলি নির্বাচন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী ভোট পুরো পরিস্থিতির অঙ্ককে জটিল করে তুলেছে।

সাধারণ নির্বাচনে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির রাজনৈতিক মাশুল এড়াতেই মূলত ভোটের আগে বড় কোনো সংঘাতে জড়াতে চাচ্ছেন না ট্রাম্প। তা সত্ত্বেও হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, তেহরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জনের পথ থেকে সরাতে সমস্ত বিকল্পই খোলা রাখা হয়েছে।

তেহরানের পাল্টা আঘাতের ভয়ংকর হুঁশিয়ারি : যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সম্ভাব্য এই আগ্রাসনের বিপরীতে তীব্র হুংকার ছেড়েছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, নতুন কোনো সামরিক ধকল তৈরি হলে তাদের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যিক জাহাজ বা তেল স্থাপনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না।

প্রয়োজনে শত্রুপক্ষের ডেটা সেন্টার এবং সমুদ্রের তলদেশ দিয়ে বয়ে চলা ইন্টারনেট কেবলগুলোকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।

ইরানি নীতিনির্ধারকদের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মাদির মতে, ওয়াশিংটন মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের অভিযান শেষ করে ফেলবে&mdash;এমন ধারণা সম্পূর্ণ অবাস্তব ও কাল্পনিক। এবারের প্রতিরোধ আগের চেয়ে বহুগুণ শক্তিশালী ও ভিন্নধর্মী হবে।

তেহরানের কৌশলবিদদের আশঙ্কা, মাটির বহুতল গভীরে থাকা নাতানজ বা এজাতীয় পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানা হলে ইরান সরাসরি সৌদির বিশাল তেল শোধনাগুলোতে হামলা চালাবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বহুগুণ বেড়ে যাবে, যা সরাসরি মার্কিন সাধারণ জনগণের পকেট ও অর্থনীতির ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করবে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 11:33:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যেভাবে ‘গ্রে জোন’ দিয়ে তাইওয়ানকে ঘেরাও করছে বেইজিং]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119133" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119133</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সামরিক সংঘাত এড়িয়ে কূটনৈতিক ও সামুদ্রিক চাপ প্রয়োগের এই &lsquo;গ্রে জোন&rsquo; কৌশল তাইওয়ানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ধীরে ধীরে নিঃসঙ্গ করে তোলার এক সুদূরপ্রসারী বেইজিংয়ের নীরব যুদ্ধ।

সরাসরি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বা সামরিক সংঘাতের পথে না হেঁটে প্রতিপক্ষকে ধীরে ধীরে কোণঠাসা করে ফেলার এক সুদূরপ্রসারী কৌশল আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। &lsquo;গ্রে জোন&rsquo; বা ধূসর অঞ্চলের এই কূটনীতি এমন এক যুদ্ধবিহীন লড়াই, যেখানে কূটনীতি, সাইবার জগৎ, কোস্টগার্ডের উপস্থিতি এবং অর্থনৈতিক চাপকে একসঙ্গে ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের সার্বভৌমত্বকে তিলে তিলে দুর্বল করে দেওয়া হয়।

ধূসর অঞ্চলের মূল দর্শন : বিশ্লেষকদের মতে, গ্রে জোন কৌশলের মূল উদ্দেশ্য হলো এমন এক অদৃশ্য চাপ সৃষ্টি করা, যাকে সরাসরি কোনো আগ্রাসন বা যুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। ফলে আক্রান্ত রাষ্ট্রটি বুঝতে পারে না যে কখন তারা বড় কোনো সংকটের মুখে পড়ছে।

বেইজিং এই কৌশলের মাধ্যমে তাইওয়ানের চারপাশে নিয়মিত কোস্টগার্ডের উপস্থিতি, সাইবার তৎপরতা এবং কূটনৈতিক বয়কটকে একটি নিয়মে পরিণত করেছে। একেকটি ঘটনাকে আলাদা বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে হলেও এর দীর্ঘমেয়াদি ফল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী।

নজরদারি ও প্রশাসনিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চবক : তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলীয় জলসীমায় চীনা সরকারি জাহাজ ও কোস্টগার্ডের নিয়মিত টহল কেবল সাধারণ নজরদারি নয়; এর নেপথ্যে রয়েছে সুনির্দিষ্ট ভূ-রাজনৈতিক লক্ষ্য।

বারবার সমুদ্রসীমায় উপস্থিতি নিশ্চিত করার মাধ্যমে বেইজিং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এটি প্রতিষ্ঠা করতে চায় যে, ওই অঞ্চল তাদের কার্যকর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এর ফলে তাইপের নিজস্ব জলসীমার ওপর নিয়ন্ত্রণ দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে।

মনস্তাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক কোণঠাসা অবস্থা : শুধু সামরিক বা সামুদ্রিক চাপই নয়, তাইওয়ানের বন্ধুরাষ্ট্র বা মিত্র দেশগুলোর ওপর কূটনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক মাশুল গুনতে বাধ্য করার মতো ঘটনাগুলো এই কৌশলেরই অংশ। এর ফলে তাইপের পাশে দাঁড়াতে চাইলে তৃতীয় কোনো দেশও দ্বিধায় ভুগে থাকে।

বেইজিং মূলত এই ভীতির পরিবেশ তৈরি করেই তাইওয়ানকে বিশ্বমঞ্চে ধীরে ধীরে নিঃসঙ্গ করে ফেলতে চায়।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গবেষকদের মতে, এই নীরব ও বহুমুখী আগ্রাসন প্রতিহত করতে কেবল সামরিক প্রস্তুতিই যথেষ্ট নয়; এর জন্য সমমনা দেশগুলোর পারস্পরিক ঐক্য এবং দ্রুত ও যৌথ রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 11:22:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নভেম্বরে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতিতে ‘ইন্ডিয়া’ জোট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119126" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119126</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নে বিরোধীদের এই আন্দোলন এবং ১ নভেম্বরের ঘোষিত কর্মসূচি আসন্ন শীতকালীন সংসদীয় অধিবেশনে বড় ধরনের রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে এবার আরও জোরালো ও দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে চলেছে বিরোধী দলগুলোর মঞ্চ &lsquo;ইন্ডিয়া&rsquo;। উৎসবের মৌসুমে মাঠের কর্মসূচি কিছুটা শ্লথ হলেও বিরোধীরা যে তাদের অবস্থান থেকে একচুলও নড়ছে না, তা পরিষ্কার হয়ে গেছে। আগামী দিনে সরকারের ওপর চাপ দ্বিগুণ করতে বিশেষ কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে সমমনা দলগুলো।

ভার্চুয়াল বৈঠকে বসছেন জোটের শীর্ষ নেতারা : ছুটি ও উৎসবের আমেজ কাটতে না কাটতেই আন্দোলনের পরবর্তী অধ্যায় কেমন হবে, তা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার কথা রয়েছে বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতাদের।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের উদ্যোগে আয়োজিত এই ভার্চুয়াল বৈঠকে আগামী নভেম্বরের আন্দোলন কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হতে পারে। নির্বাচন পরিচালনা পর্ষদের নিরপেক্ষতা নিয়ে যেসব প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা, তা এদিনের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।

পহেলা নভেম্বর দিল্লির রাজপথে বড় জমায়েত : নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্মকর্তার পদত্যাগের দাবিকে সামনে রেখে আগামী পহেলা নভেম্বর রাজধানী দিল্লিতে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছে বিরোধী শিবির।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, দিল্লির ঐতিহ্যবাহী রামলীলা ময়দান থেকে শুরু করে নির্বাচন কমিশনের মূল কার্যালয় পর্যন্ত মার্চ করার কথা রয়েছে। আজকের বৈঠকে এই কর্মসূচি সফল করার পাশাপাশি দেশজুড়ে আন্দোলনের পরিধি কীভাবে বিস্তার লাভ করবে, সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

অনড় অবস্থানে কংগ্রেস ও বাম নেতৃত্ব : লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এর আগেই স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে, কাঙ্ক্ষিত দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই থামবে না। কংগ্রেস নেতৃত্ব এই আন্দোলনে তাদের অনমনীয় মনোভাব বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।

অন্যদিকে, সিপিআই(এম)-এর সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবিও জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে একাধিক বিকল্প কৌশল নিয়ে ভেতরে ভেতরে আলোচনা চলছে। দিল্লিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সফল মিছিলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আন্দোলনকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখতে এবং সরকারের ওপর বহুমুখী চাপ বজায় রাখতে সমমনা দলগুলো একসঙ্গেই পথ চলতে চায়।

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে কেন্দ্র ও বিরোধীদের এই সংঘাত আগামী দিনে ভারতীয় রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সংসদের অন্দরের পাশাপাশি রাজপথের আন্দোলন&mdash;উভয় মাধ্যমকেই সমানভাবে কাজে লাগিয়ে বিরোধী জোট তাদের চাপ অব্যাহত রাখার কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 10:03:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘আগামী তিন দশকেও দিল্লির মসনদে ফিরতে পারবে না কংগ্রেস’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119124" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119124</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের রাজনীতিতে আগামী ত্রিশ বছরও কংগ্রেস দলের পুনরুত্থানের কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি বিরোধীদের পক্ষ থেকে তোলা &lsquo;ভোটচুরি&rsquo;র অভিযোগকে একপ্রকার হারের গ্লানি ঢাকার খোঁড়া অজুহাত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার নিজের ৬২তম জন্মদিনে রাজধানী দিল্লিতে যমুনা নদী দূষণমুক্ত করার বিশাল অংকের এক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে একহাত নেন বিজেপির এই শীর্ষ নেতা। একইসঙ্গে রাহুলের নিয়মিত বিদেশ সফর নিয়েও কড়া ভাষায় কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি।

দিল্লির যমুনা পরিচ্ছন্নতা মিশন উপলক্ষে প্রায় নয় হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্পের সূচনা করেন অমিত শাহ। ওই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে তিনি বলেন, দীর্ঘ মেয়াদেও কংগ্রেসের ক্ষমতার স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া (এসআইআর) বাতিলের দাবিতে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেসসহ &lsquo;ইন্ডিয়া&rsquo; জোটের আন্দোলনকে খুব একটা পাত্তা দিতে নারাজ গেরুয়া শিবির। উৎসবমুখর পরিবেশের কারণে বিরোধীদের মাঠের কর্মসূচি খানিকটা স্তিমিত হলেও এই সুযোগে রাহুল গান্ধীর বিদেশ ভ্রমণকে হাতিয়ার করে আসরে নেমেছেন শাহ।

কিছুদিন আগেই বিজেপির তরফ থেকে সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হয়েছিল যে, আন্দোলন চলমান রেখেই রাহুল চার দিনের এক সফরে ভিয়েতনামে উড়ে গেছেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে শাহ জন্মদিনের মঞ্চ থেকে মন্তব্য করেন, বিরোধী নেতার হয়তো এই বক্তব্য এখন শোনার সুযোগ নেই, কারণ তিনি আবারও দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

তার ভাষায়, ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ না করলেও দিল্লি ফিরে আসার পর যেন এই রাজনৈতিক বাস্তবকথাটি মাথায় রাখেন রাহুল।

বিজেপির লাগাতার জয়ের ধারাকে হজম করতে না পেরেই বিরোধীরা এখন &lsquo;ভোটচুরি&rsquo;র বয়ান তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তার দাবি, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই রাহুল গান্ধী ও তাঁর দল নির্বাচন কমিশন ও ভোটার তালিকা নিয়ে অযৌক্তিক বিতর্ক তৈরি করছে।

নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনেক আগ থেকেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেসের ভোট ব্যাংক ও জনসমর্থন তলানিতে ঠেকেছে বলে পরিসংখ্যান টেনে মনে করিয়ে দেন শাহ। কেবল রাজপথে শোরগোল তুলে বা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে জনমতের রায় বদলানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের মাটি কামড়ে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন বলেই তিনি রাজনৈতিক সমীকরণ ও নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে এত নিশ্চিত ভবিষ্যৎবাণী করতে পারেন, যার জন্য তাঁকে বারবার ভিনদেশে পাড়ি জমাতে হয় না। রাহুলের পাশাপাশি অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির (আপ) কার্যপদ্ধতি নিয়েও কঠোর সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:57:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘ইরান একটি প্রাচীন ও গর্বিত সভ্যতা, কোনো শক্তির কাছে কখনোই নতজানু হবে না’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119121" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119121</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আমেরিকার সঙ্গে সম্মানজনক ও সমতার ভিত্তিতে কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি কড়া বার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এ প্রকাশিত এক মতামত কলামে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, কূটনীতির পথ ছেড়ে তেহরানের ওপর নতুন করে কোনো সামরিক চাপ প্রয়োগ করা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বড় ধরনের কৌশলগত বিপর্যয়ের মুখোমুখি হতে হবে।

আব্বাস আরাকচি তার নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন যে, ওয়াশিংটনকে স্থায়ীভাবে শত্রুতা ও আগ্রাসী মনোভাব বাদ দিয়ে সত্যিকার সদিচ্ছার প্রমাণ দিতে হবে। প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সভ্যতার দেশ ইরান কোনো পরাশক্তির সামনে কখনো মাথা নত করবে না উল্লেখ করে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, নিজেদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরান সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে।

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচির এই কড়া বার্তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে সামরিক আগ্রাসনের ক্ষেত্রে বড় বিপর্যয়ের হুঁশিয়ারি এবং অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার সাত দিনের প্রস্তাব&mdash;উভয় মিলিয়ে তেহরান কূটনৈতিক ও কঠোর অবস্থান&mdash;উভয় পথই একসঙ্গে খোলা রাখছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোলা রাখার কথা বলা হলেও যেকোনো আক্রমণ প্রতিহত করার মতো সামরিক প্রস্তুতিও যে তাদের রয়েছে, সে বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী মনোভাব প্রকাশ করেছেন দেশটির এই শীর্ষ কূটনীতিক।

গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে (জুন ২০২৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এবং চলতি বছরের জুন মাস) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে যে হামলাগুলো চালিয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন আরাকচি। বিশেষ করে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে সম্পূর্ণ ভুল মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে আগ্রাসন চালিয়েছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।

যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ঠিক আগমুহূর্তেও হামলার ঘটনা ঘটার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি প্রশ্ন রাখেন যে, এমন পরিস্থিতিতে তেহরান কীভাবে ওয়াশিংটনের নীতি বা প্রেসিডেন্টকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করবে? মার্কিন প্রশাসনের শান্তি আলোচনার সদিচ্ছার ওপর যে তাদের গভীর অনাস্থা রয়েছে, তাও তিনি খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছেন।

এতসব তিক্ততা ও উদ্বেগের মধ্যেও আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়নি তেহরান। কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে শেষবারের মতো আরেকটি সুযোগ দিতে ইচ্ছুক ইরান। সম্প্রতি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে মধ্যস্থতাকারীদের মারফত ওয়াশিংটনের কাছে সাত দিনের একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা বা পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন আরাকচি।

এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নৌপথ পুনরায় সচল করা।

প্রস্তাবিত এই কর্মপরিকল্পনার ষষ্ঠ দিনে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যার ধারাবাহিকতায় সপ্তম দিনে চূড়ান্ত চুক্তির ওপর নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। এই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে গোটা অঞ্চলের দৈনন্দিন গতিশীলতা ও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে বলে আশাবাদী তেহরান।

তবে অঞ্চলটিতে নতুন করে যেকোনো সামরিক সংঘাত ঘটলে তা কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেই নয়, বরং গোটা বিশ্বের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে চরম হুমকির মুখে ফেলে দেবে বলে কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 09:32:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদি আরবের মৃত্যুদণ্ড নীতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে প্রশ্ন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119114" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119114</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি ২০২৬ সালের প্রথমার্ধজুড়ে সৌদি আরবে কঠোর সাজার ধারাটি অত্যন্ত জোরালোভাবে বজায় রয়েছে। ইউরোপীয় সৌদি অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস (ইএসওএইচআর)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, বছরের প্রথম ছয় মাসেই দেশটিতে ১০৮ জনের প্রাণদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

বার্লিনভিত্তিক এই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের বার্ষিক পর্যবেক্ষণ বলছে, বৈশ্বিক পর্যায়ে এই শাস্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সৌদি আরব বরাবরের মতো এবারও শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে এবং বিশ্বজুড়ে এই পরিসংখ্যান ঊর্ধ্বমুখী রাখার পেছনে দেশটির বড় ধরনের প্রভাব রয়েছে।

বর্তমান বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের প্রশাসনের সময়কাল হিসাব করলে দেখা যায়, চলতি বছরের শুরু পর্যন্ত দেশটিতে মোট মৃত্যুদণ্ডের সংখ্যা দুই হাজারে এসে ঠেকেছে। পূর্ববর্তী যেকোনো শাসনামলের তুলনায় এই সংখ্যা এক অভাবনীয় রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।

 


সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত দুই বাংলাদেশি নাগরিক&mdash;নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। &lsquo;তাআজির&rsquo; আইনের আওতায় দেওয়া এই শাস্তি বাস্তবায়নের ফলে সৌদি বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


জাতীয়তা এবং বিদেশি নাগরিকদের অনুপাত
ইএসওএইচআর-এর সংকলিত পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই সাজা কেবল স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং মোট ১৭টি ভিন্ন দেশের প্রবাসীরা এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। প্রথম ছয় মাসে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ৫৯ জন অর্থাৎ প্রায় ৫৪ শতাংশই ছিলেন বিদেশি নাগরিক। অন্যদিকে, সৌদি নাগরিকের সংখ্যা ছিল ৪৯ জন, যা মোট সংখ্যার প্রায় ৪৬ শতাংশ।

শাস্তি পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় সৌদি আরব ছাড়াও বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইথিওপিয়া, সুদান, ইয়েমেন, সিরিয়া, জর্ডান, মিসর, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, উগান্ডা, কেনিয়া, ইরাক, কুয়েত, বেনিন এবং আফগানিস্তানের নাম রয়েছে।

অপরাধের ধরন ও বিচারিক প্রক্রিয়া
সংস্থাটির প্রতিবেদন থেকে বিভিন্ন অপরাধের একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়:

মাদক সংক্রান্ত অপরাধ: ৬৬ শতাংশ বা ৭১টি ক্ষেত্রে এই কারণ দেখিয়ে প্রাণদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের মামলা: ২৩ শতাংশ বা ২৫টি সাজা দেওয়া হয়েছে হত্যার দায়ে।

রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যু: ৮ শতাংশ বা ৯টি ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য কারণ: বাকি ৩ শতাংশ বা ৩টি ঘটনা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঘটেছিল।

পরিসংখ্যান বলছে, বড় একটি অংশ অর্থাৎ প্রায় ৭৬ শতাংশের বেশি মৃত্যুদণ্ড এমন ঘটনায় দেওয়া হয়েছে যার সঙ্গে কোনো হত্যার ঘটনা যুক্ত ছিল না। এছাড়া, প্রায় ৭৭ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে বিচারকদের একক বিবেচনাভিত্তিক বা &#39;তাআজির&#39; আইনের অধীনে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

এর পাশাপাশি, প্রায় ৮৪ শতাংশ মামলার ক্ষেত্রেই ইএসওএইচআর কিংবা অন্য কোনো নিরপেক্ষ সংস্থার কাছে কোনো পূর্ব তথ্য ছিল না। এটি প্রমাণ করে যে বিচারিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা এখনও কাটেনি।

মাদক ও রাজনৈতিক মামলার প্রবণতা
২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসেও মাদক অপরাধের আধিক্য সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ইথিওপিয়া, পাকিস্তান, সুদান ও ইয়েমেনের প্রবাসীরা এই ধারার শিকার হয়েছেন বেশি। অন্যদিকে, বিশেষায়িত আদালতের মাধ্যমে রাজনৈতিক বন্দীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।

চলতি বছরের জুন মাসে সৌদ আল-ফারাজ নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, যা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। এর আগে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ তার আটকাদেশকে নিয়মবহির্ভূত বলে ঘোষণা করেছিল। একইভাবে, গত এপ্রিল মাসে আলী আল-সুবাইতি নামের এক তরুণকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, যাঁর বিরুদ্ধে বয়সের বাল্যকালে মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছিল।

বর্তমান বন্দীদের ওপর প্রভাব ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
ইএসওএইচআর জানিয়েছে, অপ্রাপ্তবয়স্ক বয়সের অপরাধের অভিযোগে এখনও অন্তত পাঁচজন তরুণ মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছেন। এ ছাড়া, কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়াই কেবল চিন্তাভাবনা বা মতামত প্রকাশের জেরে আরও প্রায় ৪৯ জন একই হুমকির মুখে রয়েছেন। শেখ সালমান আল-আওদা এবং শেখ হাসান আল-মালিকির মতো পরিচিত ব্যক্তিত্বদের বিচার প্রক্রিয়াও বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে।

দেশের বিভিন্ন কারাগার যেমন&mdash;খামিস মুশাইত, নাজরান কিংবা তাবুকের ভেতরে ইথিওপীয়, সোমালীয় ও মিসরীয়সহ বহু বিদেশি বন্দি অত্যন্ত আতঙ্কজনক পরিবেশে দিন কাটাচ্ছেন। আইনি সহায়তা না পাওয়া, দোভাষীর অভাব এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

সবশেষে, সাম্প্রতিক সময়ে মক্কার একটি পবিত্র মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিক&mdash;নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়টি সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।

শরিয়াহ আইনের &#39;তাআজির&#39; নীতির আওতায় অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে আদালত এই চূড়ান্ত রায় দেন। আন্তর্জাতিক মহলের নানা আপত্তি এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার উদ্বেগ সত্ত্বেও সৌদি প্রশাসন তাদের এই কঠোর বিচারিক ধারা থেকে সরে আসেনি।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 22 Oct 2026 08:46:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হুতিদের হামলার মুখে সৌদি ছাড়ছেন ধনীরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119108" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/119108</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইয়েমেনে হুতি গোষ্ঠীর ধারাবাহিক হামলার পর সৌদি আরবের বিমান চলাচল খাতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ভ্রমণে আগ্রহী ধনী ব্যক্তি, বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ব্যক্তিগত জেট ব্যবহারের প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর প্রভাবে আকাশছোঁয়া হয়েছে উড়োজাহাজ ভাড়ার খরচ।

বিমান পরিবহনসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বাণিজ্যিক ফ্লাইটের সংখ্যা কমে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে ব্যক্তিগত জেটের চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চাহিদার তুলনায় উড়োজাহাজের সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়ায় ভাড়ার হারও দ্রুত বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে আগের তুলনায় অর্ধেকের বেশি অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের।

নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে কয়েকটি আন্তর্জাতিক অপারেটর সৌদি আরবে তাদের কার্যক্রম সীমিত বা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এতে বাজারে সক্রিয় প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে এসেছে। প্রতিযোগিতা হ্রাস পাওয়ায় অবশিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক বেশি ভাড়া নির্ধারণের সুযোগ পাচ্ছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে রিয়াদ থেকে সরাসরি যাত্রার সুযোগ কমে যাওয়ায় অনেকে বিকল্প বিমানবন্দর ব্যবহার করছেন। রাজধানী থেকে দূরে অবস্থিত বিভিন্ন বিমানবন্দর হয়ে ইউরোপ, উপসাগরীয় অঞ্চল ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে যাতায়াতের চেষ্টা চলছে। ফলে এসব বিমানবন্দরে যাত্রীচাপও বেড়েছে।

বিমান চলাচল বিশ্লেষকদের মতে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির পর সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্য থেকে নির্ধারিত হাজার হাজার বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনস সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আবার কিছু প্রতিষ্ঠান ফ্লাইটের সময়সূচি পিছিয়ে দিয়েছে। এর ফলে নিয়মিত যাত্রীদের অনেকেই বিকল্প পথ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন।

যাঁদের ব্যক্তিগত জেট ব্যবহারের সামর্থ্য নেই, তাঁদের মধ্যে অনেকে সড়কপথে প্রতিবেশী দেশ বাহরাইন কিংবা কাতারে গিয়ে সেখান থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন। বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাগামী যাত্রীদের মধ্যে এই প্রবণতা বাড়ছে।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক কয়েকটি কোম্পানি সৌদি আরবে কর্মরত গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও বিবেচনা করছে। এ উদ্দেশ্যে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে বিভিন্ন করপোরেট গ্রুপ। অনেক প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দুবাই অথবা নিজ নিজ দেশে সাময়িকভাবে স্থানান্তর করা।

খাতসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ভাড়া বৃদ্ধিই নয়, যুদ্ধঝুঁকি বিমার খরচও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যয় যুক্ত হওয়ায় মোট খরচ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বড় আকারের উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত ব্যয় কয়েক হাজার ডলার থেকে কয়েক দশ হাজার ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগ তৈরি করলেও মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েনি। তুলনামূলক নিরাপদ গন্তব্যগুলোতে বিমান চলাচল এখনও স্বাভাবিক রয়েছে এবং আঞ্চলিক ভ্রমণের চাহিদাও অনেকাংশে বজায় আছে। তবুও নিরাপত্তা শঙ্কা এবং অনিশ্চয়তার কারণে আকাশপথে ভ্রমণ ব্যয় বেড়ে যাওয়া আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও ভ্রমণ খাতে নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

সার্বিকভাবে হুতি হামলার প্রভাব সৌদি আরবের বিমান পরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। বাণিজ্যিক ফ্লাইট সংকুচিত হওয়া, ব্যক্তিগত জেটের সীমিত প্রাপ্যতা এবং বাড়তি নিরাপত্তা ব্যয়ের কারণে যাত্রীদের এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি খরচ করে ভ্রমণ করতে হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সান নিউজ / রাজীব]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 21 Oct 2026 23:07:49 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
