<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/international</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/international"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews international Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest international News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 23 Aug 2026 04:27:39 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[হরমুজকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ ঘোষণা করলেন ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117801" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117801</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযোগকারী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ &lsquo;হরমুজ প্রণালি&rsquo;কে &lsquo;নতুন মার্কিন ভূখণ্ড&rsquo; হিসেবে ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম &lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo;-এ এসংক্রান্ত একটি মানচিত্র প্রকাশ ও শেয়ার করেছেন।

এর আগে গত ১৫ আগস্ট নিউইয়র্কে রিপাবলিকান পার্টির এক সমাবেশে ট্রাম্প বলেছিলেন, &ldquo;সামনে ইরান খুব বাজেভাবে হারতে যাচ্ছে এবং ইরানকে পরাজিত করার পর আমি হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করব।&rdquo;

উল্লেখ্য, ১৬৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রণালিটি বৈশ্বিক জ্বালানি পণ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের প্রধান পথ। প্রণালিটির একদিকে ইরান এবং অন্যদিকে ওমান অবস্থিত।

চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে ইরানি অভিযানের পর তেহরান এই প্রণালিতে বিদেশি জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সামুদ্রিক বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে। পরবর্তীতে ১৭ জুন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইসলামাবাদে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশই তাদের অবরোধ তুলে নেয়। তবে ১৩ জুলাই ইরান চুক্তি থেকে বেরিয়ে এসে পুনরায় হরমুজে অবরোধ আরোপ করে, যা এখনও বহাল রয়েছে।

সম্প্রতি গত ১২ আগস্ট মেরিল্যান্ডে &lsquo;জয়েন্ট বেইস অ্যান্ড্রুজ&rsquo; সামরিক ঘাঁটি পরিদর্শনের সময় ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হরমুজে স্থাপন করা ইরানি মাইনগুলো মার্কিন নৌবাহিনী অপসারণ করছে এবং পুরো প্রণালিটি এখন মার্কিন সামরিক বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সূত্র : এএফপি, এনডিটিভি

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 04:27:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117791" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117791</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শুক্রবার রাতে কানাডার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে কানাডার বিভিন্ন পণ্যের ওপর আকস্মিক ৫০% শুল্ক আরোপের প্রক্রিয়া শুরু হয়। মধ্যরাতের ঠিক পরপরই এই শুল্ক কার্যকর করা হয়েছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা আলোচনার পর, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলেও কানাডীয়দের জন্য আমাদের লক্ষ্য অর্জনের মতো যথেষ্ট অগ্রগতি হয়নি।

সময়সীমা অতিক্রমের ঠিক কয়েক মিনিট আগে এক ইমেইল বিবৃতিতে কার্নি বলেন, &ldquo;এর ফলে, আজ সন্ধ্যায় আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কানাডার আলোচনাকারীদের অটোয়ায় ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছি।&rdquo;

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই শুল্কের ফলে কানাডা থেকে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন আমদানির ওপর প্রভাব পড়বে।

কার্নি বলেন, আমাদের শ্রমিক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষা করতে কানাডা ডলারের বিপরীতে ডলার দিয়ে সেই শুল্কের জবাব দেবে।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়। এর আগে মঙ্গলবারের সেই পরিস্থিতির সাথে এর একটি নাটকীয় বিপরীত রূপ দেখা যায়, যখন ট্রাম্প তিন দিনের জন্য শুল্ক স্থগিত করেছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছিলেন যে দুই পক্ষ একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে!

সর্বশেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দুই পক্ষের কর্মকর্তারাই একটি চুক্তির বিষয়ে আশাবাদী ছিলেন। বৃহস্পতিবার, মার্কিন বাণিজ্য সম্পর্কের দায়িত্বে থাকা কানাডার মন্ত্রী মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রীরের সাথে বেশ কয়েক ঘণ্টা বৈঠক করেন।

গ্রীরের কার্যালয় থেকে বৃহস্পতিবার রাতে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ডমিনিক লেব্ল্যাঙ্ক সাংবাদিকদের বলেন, &ldquo;আমরা খুব কাছাকাছি আছি, আমরা অগ্রগতি অব্যাহত রাখছি এবং কাঙ্ক্ষিত পয়েন্টে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রয়োজনীয় কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা এখানেই থাকব।&rdquo;

শুক্রবার কানাডার আলোচনাকারীরা তাদের মার্কিন সমকক্ষদের সাথে আবারও বৈঠক করেন এবং আলোচনা রাতের শেষ ঘণ্টা পর্যন্ত গড়ায়। কর্মকর্তারা শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার পরেও মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুই পক্ষ কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।

কার্নি তার বিবৃতিতে জানান, &ldquo;মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শর্তসমূহের শেষ মুহূর্তের পরিবর্তনগুলো ছিল অন্যায়, অর্থনৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং যেকোনো চুক্তির নির্ভরযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।&rdquo;

কার্নি আরও বলেন, আমরা শুরু থেকেই বুঝতে পেরেছি যে আমেরিকা বদলে গেছে, এবং আমরা আমাদের পুরনো সম্পর্কে ফিরে যাব না। কানাডার কাছে যা আছে তা বিশ্ব চায়। এবং আমরা কোনো দেশকে আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে দেব না।

শনিবার ভোরে এক বিবৃতিতে গ্রীর জানায়, কানাডা চলতি সপ্তাহের শুরুতে সম্মত শর্তের অধীনে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করতে অস্বীকার করেছে।

মার্কিন চেম্বার অব কমার্স এই সপ্তাহে একটি বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে যে, উচ্চতর শুল্ক উভয় অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, মার্কিন পরিবারগুলোর খরচ বাড়িয়ে দেবে, গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও ব্যাহত করবে এবং উত্তর আমেরিকান বাণিজ্য চুক্তির ওপর নির্ভরশীল ১ কোটি ৩০ লক্ষ মার্কিন চাকরির ঝুঁকি তৈরি করবে।

শুক্রবার কার্নির ঘোষণার পর, কানাডিয়ান চেম্বার অব কমার্সও একই সুর গেয়ে এটিকে &ldquo;এই আত্মঘাতী বাণিজ্য গাথায় উত্তর আমেরিকান প্রতিযোগিতক্ষমতার ওপর একটি বড় আঘাত&rdquo; বলে অভিহিত করেছে।

কানাডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট ও সিইও ক্যান্ডেস লাং বলেছেন, আমেরিকানরা তাদের খরচ বাড়তে দেখবে, এবং কানাডিয়ানরা গ্রাহক, বিনিয়োগ এবং ছোট ব্যবসাগুলোকে হারিয়ে যেতে দেখবে।

১৯৩০ সালের শুল্ক আইনের ধারা ৩৩৮ দ্বারা প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার অধীনে নতুন শুল্কগুলো আরোপ করা হয়েছিল, যা আগে কখনো ব্যবহার করা হয়নি।

এই আইন হোয়াইট হাউসকে যেকোনো বৈদেশিক বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর ৫০% পর্যন্ত শুল্ক বাস্তবায়নের অনুমতি দেয় যারা মার্কিন বাণিজ্যের সাথে বৈষম্য করে।

সূত্র: সিবিসি নিউজ

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 09:24:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসন ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল মার্কিন আদালতে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117788" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117788</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসন ভিসা প্রদান স্থগিতের মার্কিন নীতি বাতিল করেছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২১ আগস্ট) এ বিষয়ে রায় দেন ম্যানহাটনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক জিনেট ভার্গাস।

রায়ে বলা হয়, এ নীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার আইনগত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।

বিচারক জিনেট ভার্গাস বলেন, জানুয়ারিতে পররাষ্ট্র দপ্তরের ঘোষিত নীতিটি &lsquo;স্পষ্টতই বেআইনি&rsquo; এবং এটি ফেডারেল অভিবাসন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি বলেন, অভিবাসী ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ায় কনস্যুলার কর্মকর্তাদের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ক্ষমতা আইন অনুযায়ী স্পষ্টভাবে সীমিত।

সাধারণত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে ভিসার আবেদন যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীকে অভিবাসন ভিসা দেওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নেন ভিসা কর্মকর্তারা।

সাবেক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিয়োগ দেওয়া বিচারক ভার্গাস তার রায়ে বলেন, আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে ঢালাওভাবে অভিবাসী ভিসা দেওয়া বন্ধ করার এ নীতি প্রচলিত আইনি কাঠামোর সরাসরি লঙ্ঘন।

জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া ওই নীতির আওতায় ৭৫টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করা হয়েছিল। তালিকায় লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও উরুগুয়ে; বলকান অঞ্চলের বসনিয়া ও আলবেনিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান ও বাংলাদেশ ছিল। এ ছাড়া আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের আরও বেশ কয়েকটি দেশও এ তালিকায় ছিল।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 08:15:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতিরক্ষামূলক থেকে ‘আক্রমণাত্মক’ সামরিক নীতিতে ইরান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117786" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117786</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সামরিক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। এতদিনের প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে সরে এসে আরও আক্রমণাত্মক সামরিক কৌশল গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।

শনিবার (২২ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, ১২ দিন ও ৪০ দিনের যুদ্ধের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে দেশটির সামরিক কৌশলে পরিবর্তন এসেছে।

তিনি জানান, নতুন কৌশলের আওতায় ভবিষ্যতে যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে দ্রুত ও ব্যাপক পাল্টা জবাব দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে আগাম প্রতিরোধমূলক অভিযান পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মার্কিন স্থল হামলার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন আকরামিনিয়া। তার দাবি, মার্কিন সেনাদের হত্যা বা বন্দী করতে পারলে পুরস্কার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য বা বৈধভাবে অস্ত্রের মালিক কোনো নাগরিক মার্কিন সেনাকে হত্যা বা বন্দী করতে পারলে তাকে ৫ বিলিয়ন তোমান, যা প্রায় ২৬ হাজার ডলারের সমান, পুরস্কার দেওয়া হবে। কোনো নারী এ ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশ নিলে পুরস্কারের অর্থ দ্বিগুণ হয়ে ১০ বিলিয়ন তোমান বা প্রায় ৫৩ হাজার ডলার হবে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি মূল্যের দ্বিগুণ দামে কিনে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান ইরানি এই সামরিক কর্মকর্তা। পরে অস্ত্রটি মূল মালিকের নামে সামরিক জাদুঘরে সংরক্ষণ এবং তাকে নতুন একটি বিকল্প অস্ত্র দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলেও দাবি করেছেন আকরামিনিয়া। তার ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রকে বাদ দিয়ে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান একটি স্বতন্ত্র প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।

আকরামিনিয়ার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছাড়া এ ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে ওঠা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন বাস্তবতার ইঙ্গিত এবং অঞ্চলটিতে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক প্রভাব কমে যাওয়ার প্রমাণ।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 08:07:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজে জাহাজ চলাচল কমেছে ৮০ শতাংশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117783" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117783</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুদ্ধ শুরুর পর এখনো স্বাভাবিক হয়নি হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল। নতুন তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল নেমে এসেছে মাত্র ২০ শতাংশে।

যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও)-এর তথ্য বলছে, গত এক সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১০৩টি জাহাজ প্রবেশ করেছে এবং ৮৯টি জাহাজ বের হয়েছে। যুদ্ধের আগে সাত দিনে এই নৌপথে যে পরিমাণ জাহাজ চলাচল করত, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে তার মাত্র এক-পঞ্চমাংশে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের বাধার কারণে এখনো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি বলে জানিয়েছে ইউকেএমটিও। জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে ড্রোন দিয়ে নজরদারি, রেডিও যোগাযোগের মাধ্যমে জাহাজকে সতর্ক বা থামানোর চেষ্টা এবং নৌপথের বিভিন্ন এলাকায় মাইন থাকার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে তেলবাহী ট্যাংকারে। কমে যাওয়া জাহাজগুলোর প্রায় ৪৫ শতাংশই ছিল তেলবাহী ট্যাংকার।

ইউকেএমটিও আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে ওমানের উপকূলসংলগ্ন নৌপথটি বর্তমানে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত ৬ জুলাইয়ের পর নৌপথে রিপোর্ট হওয়া ১৮টি ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রজেক্টাইল হামলার মধ্যে ১৬টিই এই এলাকায় ঘটেছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 07:44:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ যৌন ব্যবসা চক্রের ২৬ জন আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117781" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117781</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বিদেশি নারীদের দিয়ে পরিচালিত একটি কথিত যৌন ব্যবসা চক্রের সন্ধান পেয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। এ ঘটনায় বাংলাদেশি-থাই দম্পতিসহ ২৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার রাতে কুচাই লামা ও জালান গেলুগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখার কর্মকর্তারা রাত ১০টা ৫০ মিনিটে অভিযান শুরু করেন। এর আগে প্রায় দুই সপ্তাহ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে নজরদারি চালানো হয়।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, আটক ২৬ জনের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি পুরুষ, একজন থাই নারী, একজন মালয়েশীয় পুরুষ, তিনজন মিয়ানমারের পুরুষ, তিনজন বাংলাদেশি নারী, ১৪ জন ইন্দোনেশীয় নারী, দুইজন ভিয়েতনামী নারী ও একজন মিয়ানমারের নারী রয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক বিদেশিদের কারও কাছেই মালয়েশিয়ায় অবস্থানের বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস ছিল না। অভিযানে চারটি বাংলাদেশি, একটি থাই ও একটি ইন্দোনেশীয় পাসপোর্ট, কয়েকটি মোবাইল ফোন, কনডম এবং ১ হাজার ২১৫ রিঙ্গিত নগদ অর্থ জব্দ করা হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আবাসিক ও বাণিজ্যিক দুটি স্থাপনা ব্যবহার করে বিদেশি নারীদের দিয়ে কথিত অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিশেষ করে ক্লাং ভ্যালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে গ্রাহক আকৃষ্ট করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, চক্রটির মূলহোতারা কর্মীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং তাদের পাসপোর্ট নিজেদের হেফাজতে রাখতেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে আবাসিক স্থাপনাটিতে গোপনে কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো।

অন্যদিকে, বাণিজ্যিক স্থাপনাটির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করতেন এক স্থানীয় ব্যক্তি। কর্তৃপক্ষের ধারণা, তিনি সেখানে &lsquo;ক্যাপ্টেন&rsquo; বা পাহারাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

ইমিগ্রেশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আবাসিক স্থাপনায় ৬০ মিনিটের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে ২০০ রিঙ্গিত এবং বাণিজ্যিক স্থাপনায় ৯০ মিনিটের জন্য ২৬০ থেকে ৪০০ রিঙ্গিত নেওয়া হতো। চক্রটি প্রায় দুই মাস ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

আটক বিদেশি দম্পতি ও স্থানীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ৫৬(১)(ডি) ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অন্য বিদেশিদের একই আইনের ৬(১)(সি) ধারায় আটক করা হয়েছে।

আটকদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে সহায়তার জন্য আরও সাতজন স্থানীয় পুরুষকে ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

জাকারিয়া শাবান বলেন, দেশের আইন লঙ্ঘন করে পরিচালিত যেকোনো কর্মকাণ্ড বন্ধে ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। মালয়েশিয়ার স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি বজায় রাখতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 07:38:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরান এখনো ‘সঠিক চুক্তির’ জন্য প্রস্তুত নয়: ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117779" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117779</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে &lsquo;সঠিক চুক্তি&rsquo; করতে প্রস্তুত নয় বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, ওয়াশিংটন তা পর্যবেক্ষণ করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের সুযোগ সীমিত হয়ে এসেছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;এর অর্থ হলো, আমরা দেখছি কী ঘটে।&rsquo;

তিনি আরও বলেন, &lsquo;হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে পুরো অঞ্চলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।&rsquo; এমনকি স্থলভাগের বিস্তীর্ণ এলাকাতেও যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, &lsquo;তারা (ইরান) অবশ্যই একটি চুক্তি করতে চায়। কিন্তু আমার মতে, তারা এখনো সঠিক চুক্তিতে রাজি হওয়ার জন্য প্রস্তুত নয়।&rsquo;

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধ এখনই শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, বর্তমানে ইরান শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং কূটনৈতিক আলোচনা স্থবির থাকলেও যুদ্ধ বন্ধের এটাই উপযুক্ত সময়।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) চিকিৎসকদের সঙ্গে এক বৈঠকে পেজেশকিয়ান বলেন, &lsquo;আমরা এখন শক্তি ও মর্যাদার অবস্থানে আছি। তাই যুদ্ধটি এখনই শেষ করা আমাদের জন্য ভালো হবে।&rsquo;

তিনি আরও দাবি করেন, &lsquo;বিশ্ব এখন ইরানের বিজয় স্বীকার করছে।&rsquo;

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 07:29:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সিরিয়ায় তুরস্কের সামরিক উপস্থিতি ঘিরে ইসরাইল-তুরস্ক উত্তেজনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117757" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117757</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিরিয়ায় তুরস্কের সম্ভাব্য সামরিক উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইসরাইল ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ইসরাইল তুরস্ককে সিরিয়ায় &lsquo;বিপজ্জনক দুঃসাহসিকতা&rsquo; থেকে বিরত থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পাল্টা তুরস্ক সিরিয়ায় ইসরাইলের &lsquo;বেপরোয়া হামলা&rsquo; বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।

গত মঙ্গলবার সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হামলায় বিমানঘাঁটির রানওয়ে ও সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষণের স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইসরাইলের দাবি, আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছিল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর বলেছে, সেখানে তুর্কি সেনা মোতায়েন করা হলে ইসরাইলের সঙ্গে বিদ্যমান নিরাপত্তা সমঝোতার &lsquo;স্থিতাবস্থা&rsquo; লঙ্ঘিত হতো।

তবে ইসরাইলের এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে তুরস্ক ও সিরিয়া। সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি বলেছেন, আবু আল-দুহুরে তুরস্কের কোনো সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা ছিল না। তুরস্কের সামরিক কর্মকর্তারা সেখানে প্রশিক্ষণ ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, হামলার আগে বা হামলার সময় ওই ঘাঁটিতে কোনো তুর্কি সামরিক প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল না। একই সঙ্গে সিরিয়ায় ইসরাইলের &lsquo;বেপরোয়া হামলা&rsquo; বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে আঙ্কারা।

এর মধ্যেই তুরস্ককে সতর্ক করেছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, সিরিয়ায় তুরস্ককে &lsquo;বিপজ্জনক দুঃসাহসিকতায়&rsquo; জড়ানো এবং ইসরাইলের আত্মরক্ষার দৃঢ়তা পরীক্ষা করা উচিত নয়।

বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর সিরিয়ার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে তুরস্ক। দেশটির সামরিক সক্ষমতা ও অবকাঠামো পুনর্গঠনে আঙ্কারা সহযোগিতা করছে। ফলে সিরিয়ায় তুরস্কের প্রভাব বাড়ার বিষয়টি ইসরাইলের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।

এদিকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রও সক্রিয় হয়েছে। ইসরাইল, তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যে সংঘাত এড়াতে একটি &lsquo;ডি-এস্কেলেশন&rsquo; বা উত্তেজনা প্রশমন যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এ ধরনের যোগাযোগব্যবস্থা সামরিক ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্ট সম্ভাব্য সংঘাত প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 11:35:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানে বড় সামরিক হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত ইসরাইল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117745" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117745</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত দেশটির রিজার্ভ মেজর জেনারেল উজি দায়ান বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আগাম হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। তার মতে, ইরান ইস্যুতে ইসরাইল পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করতে পারে না। খবর মিডল ইস্ট মনিটরের।

টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উজি দায়ান বলেন, ইসরাইল বর্তমানে &lsquo;অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধের&rsquo; মধ্যে রয়েছে। ইরান থেকে আসা হুমকি মোকাবিলায় প্রয়োজন হলে নিজেদের উদ্যোগেই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা ইসরাইলকে ধরে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আগাম হামলা চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনায় রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল। একই সঙ্গে ইরানকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এর জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের &lsquo;স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ&rsquo; বজায় রাখা জরুরি।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ইসরাইল-ইরান উত্তেজনা অব্যাহত থাকার মধ্যেই উজি দায়ানের এমন মন্তব্য সামনে এলো। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের প্রত্যাশিত পদক্ষেপ না নিলে তেল আবিব এককভাবে সামরিক অভিযান চালাতে পারবে কি না, তা নিয়েও দেশটির অভ্যন্তরে আলোচনা বাড়ছে।

ইসরাইলের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামোয় উজি দায়ানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি এর আগে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও নিরাপত্তা পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আগাম হামলা নিয়ে তার মন্তব্যকে রাজনৈতিক ও সামরিক&mdash;দুই দিক থেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 10:48:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশক ধরে সরকার উৎখালের চেষ্টা, কী পেল আমেরিকা?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117732" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117732</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের সাবেক নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেককে ১৯৫৩ সালে উৎখাতের পর প্রায় সাত দশক পেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সরকার পরিবর্তনের নানা প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জড়িয়েছে। কিন্তু এসব হস্তক্ষেপ শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের জন্য কতটা সফলতা বয়ে এনেছে&mdash;এ প্রশ্নই নতুন করে সামনে এসেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর তেহরানের পাল্টা জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। লেবানন, ইয়েমেন ও লোহিত সাগরসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত অন্যতম লক্ষ্য ছিল ইরানের শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা। তবে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তনের পর নতুন রাজনৈতিক কাঠামো আরও কঠোর অবস্থান নিলে সেই কৌশলের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বৈরিতার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয় ১৯৫৩ সালে। ওই বছর মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ও যুক্তরাজ্যের যৌথ অভিযানে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভীকে আবার ক্ষমতায় বসানো হয়। ইরানের তেল সম্পদের ওপর পশ্চিমা প্রভাব বজায় রাখাই ওই হস্তক্ষেপের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বলে ঐতিহাসিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

তবে শাহের কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান জনঅসন্তোষ শেষ পর্যন্ত ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পথ তৈরি করে। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৯৫৩ সালের অভ্যুত্থান ইরানি জনগণের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মনোভাবকে আরও গভীর করে। বর্তমান ইরানি শাসনব্যবস্থাও নিজেদের রাজনৈতিক বৈধতা প্রতিষ্ঠায় ওই ঘটনার স্মৃতি ব্যবহার করে থাকে।

শুধু ইরান নয়, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশেও মার্কিন হস্তক্ষেপের ফল নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ২০০৩ সালে গণবিধ্বংসী অস্ত্র থাকার অভিযোগে ইরাকে সামরিক অভিযান চালিয়ে সাদ্দাম হোসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে দেশটিতে ওই অস্ত্রের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। দীর্ঘ যুদ্ধের ফলে বিপুল প্রাণহানি, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটে।

২০১১ সালে লিবিয়ায় মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পরও দেশটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তুলতে পারেনি। দীর্ঘদিন ধরে গৃহযুদ্ধ ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেশটি বিভক্ত রয়েছে।

আফগানিস্তানেও দুই দশক ধরে বিপুল অর্থ ও সামরিক শক্তি ব্যয়ের পর ২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের সময় দ্রুত তালেবান দেশটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে। ফলে দীর্ঘ সামরিক উপস্থিতির পরও ওয়াশিংটনের কৌশলগত লক্ষ্য কতটা অর্জিত হয়েছিল, তা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন ওঠে।

শীতল যুদ্ধের সময় লাতিন আমেরিকাতেও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। ১৯৫৪ সালে গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্ট জাকোবো আরবেনজকে ক্ষমতাচ্যুত করা, কিউবার ১৯৬১ সালের বে অব পিগস অভিযান এবং ১৯৭৩ সালে চিলির প্রেসিডেন্ট সালভাদর আলেন্দেকে উৎখাতের পর সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠার ঘটনাগুলো এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য।

বিশ্লেষকদের মতে, গত সাত দশকের অভিজ্ঞতা থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট&mdash;সামরিক শক্তি ব্যবহার করে কোনো দেশের সরকারকে উৎখাত করা তুলনামূলকভাবে সহজ হলেও পরবর্তী রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ এবং নতুন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা অনেক বেশি কঠিন।

মার্কিন নীতি বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে সামরিক হস্তক্ষেপের এসব পদক্ষেপ অনেক ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সংকট তৈরি করেছে। ফলে বিদেশে সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা নিয়ে মার্কিন জনগণের মধ্যেও ক্রমবর্ধমান প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 10:05:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদির ৮ তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দাবি হুতিদের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117719" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117719</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জুলাইয়ের শেষ থেকে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবের আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। বুধবার (১৯ আগস্ট) হুতিদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা সাবা নিউজ।

হুতিদের দাবি, গত ২০ জুলাই থেকে সৌদির আটটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি লোহিত সাগরে এবং তিনটি এডেন উপসাগর ও আরব সাগরে হামলার শিকার হয়েছে।

সাবা নিউজ প্রকাশিত হুতিদের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের ৫০টির বেশি জাহাজকে লোহিত সাগর ও আরব সাগর দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়া হয়েছে। এসব জাহাজকে তাদের নির্ধারিত পথ পরিবর্তন করতেও বাধ্য করা হয়েছে বলে দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

এ ছাড়া মোখা বন্দরের কাছে সৌদি আরব থেকে আসা অস্ত্র বহনকারী দুটি সামরিক ল্যান্ডিং জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে হুতিরা। সৌদি আরবের ১০টি যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবিও করেছে তারা। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেয়নি গোষ্ঠীটি।

বাব এল মান্দেব কেন গুরুত্বপূর্ণ?

লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত বাব এল মান্দেব বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ। এটি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এই পথ দিয়েই জাহাজগুলো মিসরের সুয়েজ খালের দিকে যাতায়াত করে।

বিশ্ব বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই রুটটি সৌদি আরবের তেল পরিবহনের জন্যও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। হুতিদের অবরোধের ঘোষণার পর সৌদি জাহাজগুলোকে বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।

লোহিত সাগরের অপর প্রান্তেই রয়েছে সুয়েজ খাল। এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে জাহাজ চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই পথ ব্যবহার করে সৌদি আরবের তেলবাহী জাহাজগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছায়।

ফলে বাব এল মান্দেবে হুতিদের হামলা ও অবরোধের দাবি শুধু সৌদি আরবের তেল পরিবহন নয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করছে।

সূত্র: সিএনএন

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 07:07:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কি আরও জটিল হচ্ছে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117718" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117718</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের আবারও &lsquo;বাঙালি&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেছে মিয়ানমার সরকার। দেশটির সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের স্বতন্ত্র জাতিগত পরিচয় অস্বীকার করার পাশাপাশি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

মিয়ানমারের এমন বক্তব্যের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন। বিশ্লেষকদের মতে, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মিয়ানমারের অনাগ্রহের বিষয়টিই নতুন এই বিতর্কের মাধ্যমে সামনে এসেছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের সংগঠন আরকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নুরুল ইসলাম বিবিসিকে বলেন, রাখাইনে রোহিঙ্গারা জাতিগত নিধনের শিকার হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি কেউই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আগ্রহী নয়।

তার ভাষ্য, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও জাতিগত পরিচয় স্বীকার করে প্রত্যাবাসনে মিয়ানমার সরকার কখনোই আন্তরিক সদিচ্ছা দেখায়নি। নতুন বিবৃতিও সেই অবস্থানেরই ধারাবাহিকতা।

পরিস্থিতি আরও জটিল

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বর্তমানে ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নিয়েও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। দেশটির জান্তা সরকারের সঙ্গে লড়াই করে আরাকান আর্মি রাখাইনের বিস্তীর্ণ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। ফলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে শুধু মিয়ানমার সরকারের অবস্থান নয়, আরাকান আর্মির ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

নুরুল ইসলাম বলেন, সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও তীব্র হয়েছে। এর সঙ্গে আরাকান আর্মির উত্থান যুক্ত হয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের সাবেক কূটনীতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর এমদাদুল ইসলাম মনে করেন, &lsquo;বাঙালি&rsquo; বিতর্কে বাংলাদেশের জড়িয়ে পড়া উচিত নয়। তার মতে, বাংলাদেশের অবস্থান হওয়া উচিত&mdash;মিয়ানমারকে তার নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ঠেকাতেই মিয়ানমার সরকার বিবৃতির মাধ্যমে একটি কৌশল সামনে এনেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারের মধ্যে সম্ভাব্য করিডর নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে দেশগুলোর মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রয়োজন। তাই নতুন বিতর্কের পেছনে আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বিষয়ও থাকতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

মিয়ানমার বিষয়ক গবেষক ও লেখক আলতাফ পারভেজের মতে, মিয়ানমার মূলত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বোঝাতে চাইছে যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনকে তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছে না।

তার মতে, রাখাইনের বড় অংশ এখন মিয়ানমার সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। ফলে প্রত্যাবাসনের বাস্তব পরিস্থিতিও আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল। এমন পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের নিয়ে মিয়ানমার সরকারের অবস্থান সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

মিয়ানমারের বিবৃতিতে কী বলা হয়েছে?

মিয়ানমার সরকারের সাম্প্রতিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হলে বাংলাদেশে থাকা তিন লাখের কিছু বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষকে ফিরিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাদের। একই সঙ্গে আরাকান থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মোট সংখ্যা নিয়ে মিয়ানমারের হিসাবের সঙ্গে বাংলাদেশের তথ্যের বড় পার্থক্য রয়েছে।

মিয়ানমারের দাবি, ২০১৬ ও ২০১৭ সালের সহিংসতার আগে রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে সাত লাখ ৪০ হাজারের বেশি &lsquo;বাঙালি&rsquo; বসবাস করত। পরবর্তী সময়ে তাদের মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ ৪০ হাজার বাংলাদেশে চলে যায় এবং দুই লাখের বেশি সেখানে থেকে যায়। এই হিসাবের ভিত্তিতে রাখাইন থেকে ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার তথ্যকে ভুল বলে দাবি করেছে দেশটি।

বাংলাদেশের দেওয়া প্রত্যাবাসন তালিকার বিষয়েও আপত্তি জানিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির দাবি, বাংলাদেশের দেওয়া আট লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের তালিকার মধ্যে ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত চার লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। এর মধ্যে তিন লাখ আট হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইন রাজ্যের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।

মিয়ানমারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, চার হাজার ২৪১ জন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং এক লাখ ১৩ হাজার ৫০৭ জনের তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশের অবস্থান

মিয়ানমারের এই বিবৃতির চার দিন পর ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৈঠকে মিয়ানমারের বিবৃতির বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান জানানো হয় এবং ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারের বক্তব্যের সঙ্গে বাংলাদেশ একমত নয়। রোহিঙ্গাদের নিজস্ব পরিচয় রয়েছে এবং সেই পরিচয় নিয়েই তাদের মিয়ানমারে ফেরত যেতে হবে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে, কারণ তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে চায়। একই সঙ্গে চীনও মিয়ানমারের ওপর প্রত্যাবাসনের জন্য চাপ প্রয়োগ করবে বলে বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে।

প্রত্যাবাসন বারবার আটকে গেছে

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ অবশ্য এবারই প্রথম বাধার মুখে পড়েনি। ২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্রথম দফায় রোহিঙ্গাদের একটি দলকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

পরের বছর চীনের উদ্যোগেও প্রত্যাবাসনের চেষ্টা করা হয়। তবে নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত না হওয়ায় রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে ফিরে যেতে রাজি হয়নি।

২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গার একটি তালিকাও মিয়ানমারকে দেয়। এরপর দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় পর্যায়ে একাধিকবার আলোচনা ও সমঝোতার চেষ্টা হলেও প্রত্যাবাসন কার্যকরভাবে শুরু করা সম্ভব হয়নি।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানের পর প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এর আগে ও পরের বিভিন্ন সময়ে আরও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা প্রায় ১১ লাখ ৮৯ হাজার বলে গত ২৮ এপ্রিল জাতীয় সংসদে জানানো হয়েছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত, রাখাইনে আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণ এবং রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও পরিচয় নিয়ে দেশটির দীর্ঘদিনের অবস্থান&mdash;সব মিলিয়ে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া আগের চেয়ে আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। নতুন করে &lsquo;বাঙালি&rsquo; বিতর্ক সামনে আনা সেই সংকটকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 07:03:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এবার নিজের তৈরি নিয়ম ভাঙলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117709" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117709</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক না করার নিজের তৈরি নিয়ম থেকে সরে এসে ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরজ শেঠের সঙ্গে বৈঠক করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। গত মঙ্গলবার কাঠমাণ্ডুর সিংহ দরবারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে নেপালে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তবও উপস্থিত ছিলেন।

নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সামরিক সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি ভারত ও নেপালের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও নেপালের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনাপ্রধানের নেপাল সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ ভারতের রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তবের সঙ্গেও সরাসরি বৈঠক করেছিলেন। সেটিই ছিল শাহের সঙ্গে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। বৈঠকে তিনি ভারতের সঙ্গে নেপালের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

তবে বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক না করার নিয়ম শাহ নিজেই করেছিলেন। সেই নিয়ম থেকে এবারও সরে আসায় ভারতকে নেপাল বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নেপালি সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে নেপাল যান ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরজ শেঠ। সফরের অংশ হিসেবে সোমবার এক অনুষ্ঠানে নেপালের রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেল তাকে নেপালি সেনাবাহিনীর &lsquo;মানদ জেনারেল&rsquo; পদে ভূষিত করেন।

ভারত ও নেপালের মধ্যে ১৯৫০ সাল থেকে একে অপরের সেনাপ্রধানকে &lsquo;মানদ জেনারেল&rsquo; পদে সম্মানিত করার ঐতিহ্য চলে আসছে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে এই সম্মান দেওয়া হয়।

এর আগে সোমবার নেপালি সেনা সদর দপ্তরে যান জেনারেল ধীরজ শেঠ। সেখানে নেপালি সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

কাঠমাণ্ডুতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসও জেনারেল শেঠের সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছে। দূতাবাসের ভাষ্য, এ সফরের মাধ্যমে ভারত ও নেপালের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ ও দীর্ঘদিনের সহযোগিতার ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 16:54:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতিবেশীদের অগ্রাধিকার দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি সাজিয়েছে ইরান: আরাঘচি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117679" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117679</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের অধীনে ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তেহরান কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন আরাঘচি। খবর আলজাজিরার।

আরাঘচি বলেন, পেজেশকিয়ানের প্রশাসনের অধীনে ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে উত্তেজনা কমানো, পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক কূটনীতি জোরদারের নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক অস্থিরতার সময়ে সহযোগিতার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রশংসাও করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, কয়েকটি প্রতিবেশী দেশ ইরানে পণ্য ও ওষুধ সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি এসব দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আটকে পড়া ইরানিদের দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং ইরানি বিমানকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধের শুরুর দিকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান ইরান প্রত্যাখ্যান করেছিল বলেও জানান আরাঘচি। তাঁর ভাষায়, &lsquo;আমরা যুদ্ধবিরতি চাই না; আমরা যুদ্ধের অবসান চাই।&rsquo;

তিনি বলেন, অতীতে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে কোনো সংঘাত সাময়িকভাবে থেমে যাওয়ার পর কয়েক মাসের মধ্যে আবার শুরু হয়েছে। ইরান এমন পরিস্থিতিকে কোনো ধারাবাহিকতা বা নিয়মে পরিণত হতে দিতে চায় না।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 16:44:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় টানা চতুর্থ দিন বাড়ল তেলের দাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/trade-and-commerce/117680" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/trade-and-commerce/117680</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনায় জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা চতুর্থ দিনের মতো বেড়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯১ দশমিক ২৮ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম বেড়ে ৮৫ দশমিক ৩১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার অপরিশোধিত তেলের দাম গত ২৪ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা কমে আসা এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বেড়েছে।

হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। এ পথে তেল পরিবহন ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ সংকট আরও তীব্র হতে পারে। এমন আশঙ্কায় তেলের দাম বাড়ছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা নিরসনে দ্রুত কোনো কূটনৈতিক সমাধান না এলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 05:31:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117683" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117683</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গাজা সিটির একটি জনাকীর্ণ ক্যাফেতে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গাজা সিটির বন্দরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য তৈরি একটি শিবিরে পরিণত হওয়া ক্যাফেটিতে হামলা চালানো হয়।

ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, হামলার পর বেশ কয়েকটি মরদেহ আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলায় হামাসের কয়েকজন কমান্ডারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তাদের দাবি, ওই কমান্ডাররা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি ইসরায়েলি বাহিনী।

হামলার পর এক বিবৃতিতে হামাস এটিকে মধ্যস্থতাকারী ও যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তাদানকারী দেশগুলোর পক্ষ থেকে দেওয়া সব যুদ্ধবিরতির আহ্বানের প্রতি &lsquo;নির্লজ্জ অবজ্ঞা&rsquo; বলে অভিহিত করেছে।

এদিকে গাজায় যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনা নিয়েও এখনো আপত্তি জানিয়ে আসছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর দাবি, হামাস অস্ত্র ত্যাগ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।

অন্যদিকে হামাসের অবস্থান, ইসরায়েলি সেনারা গাজা থেকে প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তারা অস্ত্র ত্যাগ করবে না। বর্তমানে গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 05:30:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আইসিসির প্রেসিডেন্ট সহ দুই কর্মকর্তার ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117684" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117684</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে ও আদালটির কর্মকর্তা আবদুলায়ে সেয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) মার্কিন প্রশাসন এ নিষেধাজ্ঞা দেয়। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, তারা এমন কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি তৈরি করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষর করা &lsquo;ইমপোজিং স্যাংশনস অন দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট&rsquo; শীর্ষক নির্বাহী আদেশের আওতায় এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর আগে আইসিসির সাবেক প্রধান কৌঁসুলি করিম খান এবং আট বিচারকসহ আদালটির ১০ কর্মকর্তাকে একই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছিল।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আকানে ও সেয়ের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা যেকোনো সম্পদ জব্দ বা অবরুদ্ধ করা হবে। একই সঙ্গে মার্কিন নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন করতে পারবে না।

২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজায় কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি। এরপর থেকেই আদালটির ওপর ওয়াশিংটনের চাপ আরও জোরালো হয়।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অভিযোগ করেন, আকানে ও সেয়ে আইসিসির এমন কর্মকাণ্ডে &lsquo;সরাসরি&rsquo; যুক্ত ছিলেন, যার মাধ্যমে এমন দেশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত, গ্রেপ্তার, আটক বা বিচার করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যেসব দেশের সরকার আইসিসির এখতিয়ার মেনে নেয়নি।

রুবিও বলেন, &lsquo;জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য আইসিসির হুমকি দূর করতে আমাদের পুরো সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা ব্যাপক হবে।&rsquo; রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও জবাবদিহিহীন এই আদালতে অর্থায়ন ও অংশগ্রহণ বন্ধ করতে আরও দেশ যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে যোগ দেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এর আগে গত মাসে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আইসিসির বিরুদ্ধে একটি প্রচারাভিযান শুরু করে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, আদালটি &lsquo;মার্কিন সার্বভৌমত্বের&rsquo; জন্য হুমকি তৈরি করেছে। ক্যাম্প ডেভিডে দেওয়া এক বক্তব্যে রুবিও বলেন, যেসব দেশ আইসিসির সদস্য নয়, তাদের নাগরিকদের ওপরও আদালত এখতিয়ার দাবি করায় প্রতিষ্ঠানটি &lsquo;নিজেকেই অবৈধ&rsquo; করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল&mdash;দুই দেশই আইসিসির সদস্য নয়।

এরপর ট্রাম্প বলেন, রুবিও &lsquo;বিবি ও আরও কয়েকজনকে রক্ষা করার&rsquo; চেষ্টা করছেন। &lsquo;বিবি&rsquo; বলতে তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে বোঝান।

তবে আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে শুরু থেকেই আদালতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করে আসছেন। গত ডিসেম্বরে আইসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেছিলেন, নিষেধাজ্ঞা বিচারকদের দায়িত্ব পালনের ব্যাখ্যা বা বিচারিক কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না।

আকানে বলেন, &lsquo;আইনগত কাঠামোর ব্যাখ্যা ও মামলার বিচার নিয়ে আমরা কারও কোনো ধরনের চাপ কখনোই মেনে নেব না।&rsquo; আদালতের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতাই এর মূল ভিত্তি এবং তা অটুট থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আইসিসির ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট এবং এই পদে দায়িত্ব পালন করা প্রথম জাপানি নাগরিক আকানের ওপর সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আদালত এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।

সূত্র: আনাদোলু

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 05:25:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতিবেশীদের অগ্রাধিকার দিয়ে পররাষ্ট্রনীতি সাজিয়েছে ইরান: আরাঘচি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117678" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117678</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের অধীনে ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে তেহরান কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন আরাঘচি। খবর আলজাজিরার।

আরাঘচি বলেন, পেজেশকিয়ানের প্রশাসনের অধীনে ইরানের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিটি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে উত্তেজনা কমানো, পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক কূটনীতি জোরদারের নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক অস্থিরতার সময়ে সহযোগিতার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রশংসাও করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, কয়েকটি প্রতিবেশী দেশ ইরানে পণ্য ও ওষুধ সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি এসব দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আটকে পড়া ইরানিদের দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং ইরানি বিমানকে তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধের শুরুর দিকে যুদ্ধবিরতির আহ্বান ইরান প্রত্যাখ্যান করেছিল বলেও জানান আরাঘচি। তাঁর ভাষায়, &lsquo;আমরা যুদ্ধবিরতি চাই না; আমরা যুদ্ধের অবসান চাই।&rsquo;

তিনি বলেন, অতীতে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে কোনো সংঘাত সাময়িকভাবে থেমে যাওয়ার পর কয়েক মাসের মধ্যে আবার শুরু হয়েছে। ইরান এমন পরিস্থিতিকে কোনো ধারাবাহিকতা বা নিয়মে পরিণত হতে দিতে চায় না।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 04:23:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কলকাতার হোটেলে আগুন, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117675" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117675</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে এক শিশুসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহত সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। চিকিৎসার জন্য তারা কলকাতায় গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে হোটেলটিতে আগুন লাগে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে হোটেলের একটি এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগুন লাগার খবর পেয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই কলকাতা ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুর্যোগ মোকাবিলা বিভাগের একটি দলও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সঙ্গে উদ্ধারকাজে যোগ দেয়।

নিউ মার্কেট কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। আগুন লাগার পর হোটেলটির ভেতরে আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালান। এ ঘটনায় এক শিশুসহ ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস সূত্র নিশ্চিত করেছে।

নিহতদের পরিচয় ও কীভাবে তাদের মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত আনা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 03:59:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারতীয় সেনাপ্রধানকে নেপালের সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117649" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117649</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরজ শেঠকে নেপাল সেনাবাহিনীর সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর শীতল নিবাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল তাকে এই সম্মাননা প্রদান করেন।

১৯৫০ সালে শুরু হওয়া দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় ভারতীয় সেনাপ্রধানকে এই সম্মানসূচক পদমর্যাদা দেওয়া হলো। এই ঐতিহ্য অনুযায়ী, নেপাল ও ভারত পরস্পরের সেনাপ্রধানকে সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা দিয়ে থাকে।

চার দিনের সফরে নেপালে থাকা জেনারেল শেঠ নেপাল সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের সঙ্গেও বৈঠক করেন। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং দুই দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রেসিডেন্ট পৌডেলের সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানে নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাম সাহায় প্রসাদ যাদব, পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল, নেপালে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তব এবং নেপাল সেনাবাহিনী ও সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেনারেল শেঠ রোববার নেপালে পৌঁছান।

ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে, ভারতীয় সেনাপ্রধানের এই সফর দুই দেশের দীর্ঘদিনের ও বিশেষ প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে। অভিন্ন মূল্যবোধ, পারস্পরিক আস্থা এবং দীর্ঘদিনের সেনাবাহিনী-টু-সেনাবাহিনী সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলেও জানানো হয়।

সফরকালে জেনারেল শেঠ ভারতীয় দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় নয়াদিল্লি ও কাঠমান্ডুর মধ্যকার সামগ্রিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

এদিকে, সোমবার নেপাল সেনাবাহিনীর কাছে সামরিক ও চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করেন জেনারেল শেঠ। নেপাল সেনাবাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তিনি সেনা সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং গার্ড অব অনার গ্রহণ ও পরিদর্শন করেন।

নেপাল সেনাবাহিনী জানিয়েছে, জেনারেল শেঠের এই সফরের মাধ্যমে নেপাল ও ভারতের সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে তারা আশা করছে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 18 Aug 2026 10:08:57 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
