<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/health</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/health"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews health Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest health News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Mon, 24 Aug 2026 09:23:23 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি ৩৮, চিকিৎসাধীন ৬২]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117829" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117829</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৬২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ জেলায় মোট ১ হাজার ৫০৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি ডেঙ্গু শনাক্তে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা ও অন্যান্য পানির আধার নিয়মিত পরিষ্কার রাখার জন্য তিনি জেলার বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে দিনের বেলায় এডিস মশার কামড় থেকে সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Aug 2026 09:23:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117762" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117762</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৭২ জন শিশু। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৯২৫ শিশুর মৃত্যু হলো।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক এক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হলেও নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে নতুন কোনো শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। সংস্থাটির দেওয়া তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮২৬ শিশু এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৯ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 12:33:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খাবারের পর বুকে ব্যথা, অ্যাসিডিটি নাকি হার্ট অ্যাটাকের সতর্কবার্তা?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117737" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117737</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খাবার খাওয়ার পর শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন হওয়া স্বাভাবিক। তবে খাওয়ার পর হঠাৎ বুকে ব্যথা, চাপ বা অস্বস্তি দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। বিশেষ করে ভারী খাবারের পর এমন উপসর্গ দেখা দিলে অনেকে সেটিকে গ্যাস, বদহজম বা অ্যাসিডিটির সমস্যা মনে করে অপেক্ষা করেন। কিন্তু সব ক্ষেত্রে এর কারণ হজমের সমস্যা নাও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যাসিডিটির মতো অনুভূত হওয়া বুকের অস্বস্তিও কখনো কখনো হৃদ্&zwnj;রোগের সতর্ক সংকেত হতে পারে। তাই বুকের ব্যথার কারণ নিশ্চিত না হয়ে নিজের মতো করে ওষুধ খাওয়া বা ঘরোয়া চিকিৎসার ওপর নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

খাবারের পর বুকে ব্যথার কারণ কী?

খাবারের পর বুকে অস্বস্তির অন্যতম কারণ হতে পারে অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা বদহজম। পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালিতে উঠে এলে বুকের মাঝখানে জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি হতে পারে। তবে একই ধরনের অনুভূতি কিছু হৃদ্&zwnj;রোগের ক্ষেত্রেও দেখা দিতে পারে।

এ কারণেই বুকের ব্যথাকে শুধু &lsquo;গ্যাসের ব্যথা&rsquo; ধরে নেওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে ব্যথা নতুন ধরনের হলে, তীব্র হলে বা বারবার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

অ্যাসিড রিফ্লাক্স হলে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে

অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ক্ষেত্রে সাধারণত বুক জ্বালা করার পাশাপাশি কয়েকটি হজমজনিত উপসর্গ দেখা যায়। যেমন&mdash;


	বুকের ভেতর জ্বালাপোড়া হওয়া
	মুখে টক বা তেতো স্বাদ অনুভূত হওয়া
	গলা পর্যন্ত অ্যাসিড উঠে আসার অনুভূতি
	ঘন ঘন ঢেকুর ওঠা
	খাবারের পর অস্বস্তি বাড়া


এসব লক্ষণ থাকলে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সম্ভাবনা থাকতে পারে। তবে বুকের ব্যথা তীব্র হলে বা অন্য কোনো গুরুতর উপসর্গ যুক্ত হলে শুধু অ্যাসিডিটি ধরে নেওয়া নিরাপদ নয়।

হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

হার্ট অ্যাটাকের সময় বুকের মাঝখানে চাপ, ভারী লাগা, টান ধরা বা অস্বস্তি হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে ব্যথা তীব্র হতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে তুলনামূলক হালকা অস্বস্তি দিয়েও শুরু হতে পারে।

বুকের অস্বস্তির সঙ্গে নিচের উপসর্গগুলো থাকলে বিশেষভাবে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন&mdash;


	শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
	অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত ঘাম হওয়া
	বমি বমি ভাব বা বমি
	মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা
	হাত বা কাঁধে ব্যথা বা অস্বস্তি
	পিঠ, ঘাড় বা চোয়ালে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হওয়া


তাই ভারী খাবারের পর বুকে ব্যথা হলে সেটিকে স্বাভাবিক বদহজম ভেবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করাই ভালো। বিশেষ করে বুকের অস্বস্তির সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, ঘাম, মাথা ঘোরা বা শরীরের অন্য অংশে ব্যথা থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

অ্যাসিডিটি নাকি হার্টের সমস্যা&mdash;কেন বিভ্রান্তি হয়?

অ্যাসিড রিফ্লাক্স ও হৃদ্&zwnj;রোগ&mdash;দুই ক্ষেত্রেই বুকের অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। ফলে শুধু ব্যথার অবস্থান বা অনুভূতি দেখে নিশ্চিতভাবে কারণ নির্ধারণ করা সবসময় সম্ভব নয়। বয়স, পূর্বের হৃদ্&zwnj;রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপানের অভ্যাসসহ বিভিন্ন ঝুঁকির বিষয়ও চিকিৎসক বিবেচনা করেন।

তাই বুকের ব্যথা নতুন, অস্বাভাবিক বা বারবার হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ। গুরুতর উপসর্গ থাকলে জরুরি চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 10:22:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৬৭১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117715" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117715</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৬৭১ জন ডেঙ্গুরোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গুরোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৯৪ জন, ময়মনসিংহে ৩৫ জন, চট্টগ্রামে ৮৩ জন, খুলনায় ১৩৩ জন, রাজশাহীতে ৯২ জন, রংপুরে ছয়জন, বরিশালে ৭০ জন এবং সিলেট বিভাগে তিনজন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৯ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৬ হাজার ২৭২ জন ভর্তি হয়েছেন।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও দুজনের মৃত্যু হওয়ায় চলতি বছরে এ রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬ জনে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৭৪ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এক হাজার ৮২২ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 18:14:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117703" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117703</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৮ শিশু। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২৩। একই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৯ শিশু। ফলে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯২২।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৭ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৩১ শিশু। এ সময়ে ৭৮৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯২৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৭১১। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৭৬।

এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ২২ হাজার ৮০৫ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 13:55:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চিকিৎসা খাতে অক্সিজেন অবকাঠামোর বড় অংশ অচল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117671" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117671</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে চিকিৎসা খাতে অক্সিজেনের চাহিদা বাড়লেও সে অনুযায়ী অবকাঠামোয় বিনিয়োগ হয়নি। উল্টো কোভিড-১৯ মহামারির সময় গড়ে তোলা অক্সিজেন সরবরাহব্যবস্থার বড় অংশই এখন অচল হয়ে পড়েছে। ফলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীরা। এ সংকট আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) &lsquo;ফ্রম অ্যাভিডেন্স টু অ্যাকশন: স্ট্রেংদেনিং ইকুইটেবল অ্যাকসেস টু মেডিকেল অক্সিজেন ইন বাংলাদেশ&rsquo; শীর্ষক সংলাপে এসব কথা বলেন বক্তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে সেন্টার ফর হেলথ, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড পলিসি সায়েন্সেস (চিপস) এ সংলাপের আয়োজন করে। এতে সহযোগিতা করে আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথ।

সংলাপে বক্তারা বলেন, মহামারির সময় স্থাপন করা অক্সিজেন প্ল্যান্ট ও সরবরাহব্যবস্থার বেশির ভাগই এখন অচল। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে প্রত্যন্ত অঞ্চলে। স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি রোগী এবং শিশুদের চিকিৎসায় অক্সিজেনের সংকটের পাশাপাশি রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করতে গিয়ে চিকিৎসকদের বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলেও আলোচনায় উঠে আসে।

সংকট মোকাবিলায় চিকিৎসা শিক্ষায় অক্সিজেন থেরাপি অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা। তারা বলেন, এমবিবিএস ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের চিকিৎসা শিক্ষায় অক্সিজেন থেরাপি বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও সরঞ্জাম দিয়ে অক্সিজেন সেবা সম্প্রসারণের ওপরও জোর দেন তারা।

বিদ্যুৎ-সংযোগহীন প্রত্যন্ত এলাকায় প্রচলিত অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহার সম্ভব না হলে সৌরচালিত কনসেনট্রেটর ব্যবহারের পরামর্শও দেন বক্তারা। তাদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা দুর্গম এলাকায় অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করে মৃত্যুহার কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। সোমালিয়ায় সৌরশক্তিচালিত অক্সিজেন সরবরাহব্যবস্থা ব্যবহারের উদাহরণও তুলে ধরা হয়।

আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিমের সভাপতিত্বে সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম। বিশেষ সম্মানিত অতিথি ছিলেন রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইউবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম বলেন, অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তার ভূমিকা কী হওয়া উচিত, সংলাপে অংশ নিয়ে সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। গবেষণালব্ধ তথ্যকে নীতিনির্ধারণী উদ্যোগে রূপান্তরের ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি বলেন, এত দিন অকেজো হয়ে পড়া অক্সিজেন সরবরাহ অবকাঠামো মেরামত করে সচল করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে স্থানীয় জনবলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া আরও জরুরি। এতে তারা বুঝতে পারবেন, কোন রোগীদের সবচেয়ে বেশি অক্সিজেন প্রয়োজন। স্বল্পমূল্যে মানসম্পন্ন অক্সিজেন থেরাপি নিশ্চিত করতে সরকারকে দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।

মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী বলেন, সরকারের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ নীতিতে অক্সিজেনকে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাই অক্সিজেনের গুণগত মান ও সরবরাহ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি বলেন, অক্সিজেন সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সরকার, বেসরকারি খাত, জনহিতৈষী প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়&mdash;সবারই ভূমিকা রয়েছে। স্থানীয়ভাবে অক্সিজেন উৎপাদনের সম্ভাবনা যাচাইয়ে ঝিনাইদহ জেলায় আইইউবি ও জাহেদী ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে একটি সমীক্ষা পরিচালনার কথাও জানান তিনি।

চিপসের পরিচালক ডা. এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সংলাপে আলোচিত বিষয়গুলো একত্র করে একটি নীতিপত্র তৈরি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। এতে অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকবে।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সব খাতের অংশীজনদের যুক্ত করে আইসিডিডিআর, বি ও অক্সিজেন নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় আগামী অক্টোবরে একটি অক্সিজেন সামিট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে আইইউবি।

সংলাপে &lsquo;রিডিউসিং গ্লোবাল ইনইকুইটিজ ইন মেডিকেল অক্সিজেন অ্যাকসেস: দ্য ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ কমিশন অন মেডিকেল অক্সিজেন সিকিউরিটি&rsquo; শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিডিডিআর, বি-এর বিজ্ঞানী ডা. এহসানুর রহমান।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পর অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের শিশু ও নবজাতক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আবিদ হোসেন মোল্লা, আইসিডিডিআর, বি-এর মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের ইমেরিটাস বিজ্ঞানী ডা. শামস এল আরেফিন, চিকিৎসক ও রোগতত্ত্ববিদ ডা. মামুনুর রহমান মালিক এবং প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি শিশির মোড়ল।

সংলাপে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি), ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন, অবসটেট্রিক অ্যান্ড গাইনোকোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, ইউএনওপিএস ও ইউএনডিপির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ ছাড়া আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি রাশেদ চৌধুরী ও ড. হোসনে আরা আলীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের ডিন ডা. কামরান উল বাছেত।

চিপস প্রমাণভিত্তিক জনস্বাস্থ্য অ্যাডভোকেসি, ইমপ্লিমেন্টেশন গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি প্ল্যাটফর্ম। প্রতিষ্ঠানটি নীতি গবেষণা ও সহায়তা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, ইমপ্লিমেন্টেশন গবেষণা এবং নলেজ ম্যানেজমেন্ট&mdash;এই চারটি ক্ষেত্রে কাজ করে। এর অগ্রাধিকারমূলক বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, অসংক্রামক রোগ, কিশোর-কিশোরী ও মানসিক স্বাস্থ্য, জেলা পর্যায়ে চিকিৎসা অক্সিজেন সরবরাহ এবং নগর ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 03:07:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম-রুবেলার আরোও ১৬ লাখ টিকা দেওয়ার উদ্যোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117626" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117626</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের যেসব ছোট ছোট এলাকায় এখনো অনেক শিশু হাম-রুবেলার টিকা থেকে বাদ পড়েছে, সেসব এলাকায় বিশেষভাবে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য মজুত থাকা ১৬ লাখ টিকা ব্যবহার করা হবে।

একই সঙ্গে হামে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা আরও কার্যকর করতে চিকিৎসা নির্দেশিকা ব্যাপকভাবে প্রচার এবং চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রোববার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত টিকাবিষয়ক আন্তসংস্থা সমন্বয় কমিটির (আইসিসি) সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই), বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ইউনিসেফ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী।

সভায় দেশে হামে আক্রান্তদের বয়সভিত্তিক তথ্য নিয়েও আলোচনা হয়। এতে বলা হয়, আক্রান্তদের ১০ শতাংশের বয়স ছয় মাসের কম। ৭৪ শতাংশের বয়স ছয় মাস থেকে ৫৯ মাসের মধ্যে। পাঁচ থেকে ১০ বছর বয়সী আক্রান্ত রোগীর হার ১৪ শতাংশ। বাকি ২ শতাংশের বয়স ১০ থেকে ১৪ বছর বা তার বেশি।

স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, কিছু &lsquo;পকেট&rsquo; এলাকায় ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী সব শিশু টিকা পায়নি। এসব এলাকার সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। বর্তমানে সরকারের হাতে ১৬ লাখ টিকা মজুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, সোমবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ১ কোটি ৯৩ লাখ ৬৩ হাজার ৯১২ শিশুকে হামের এক ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। টিকা পাওয়া এসব শিশুর বয়স ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮১৫ জনে।

এ ছাড়া নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ জন। সব মিলিয়ে চলতি বছরে হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১৪ জনে। মৃতদের বড় একটি অংশের বয়স পাঁচ বছরের কম এবং তাদের অধিকাংশই কোনো টিকা পায়নি।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 18 Aug 2026 07:02:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু আরও ৭]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117604" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117604</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে পাঁচজনই ঢাকা বিভাগের। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৮০ জন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামের পরিস্থিতিবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৮১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ শিশু। সব মিলিয়ে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১৫ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ৫০ জনসহ ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১৭ হাজার ৯৩০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮ জনে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৮৬ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৯১৩ জন।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 17 Aug 2026 13:00:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু আরও ৭]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117603" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117603</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে পাঁচজনই ঢাকা বিভাগের। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৮০ জন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামের পরিস্থিতিবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৮১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ শিশু। সব মিলিয়ে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯১৫ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ৫০ জনসহ ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ১৭ হাজার ৯৩০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭৭৮ জনে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৮৬ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৯১৩ জন।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 17 Aug 2026 12:51:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ওষুধ কোম্পানির স্বার্থে মরিয়া সরকার!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/117566" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/117566</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দীর্ঘ ৩২ বছর পর দেশের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ১৯৯৪ সালের ১১৭টি ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬ সালের শুরুতে তা ২৯৭টিতে উন্নীত করে। একই সময়ে ওষুধের দাম নির্ধারণে নতুন একটি পদ্ধতিও চালু করা হয়।

কিন্তু সেই উদ্যোগ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান সরকার। এর ফলে আপাতত আবারও কার্যকর থাকছে ১৯৯৪ সালের পুরোনো অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা।

গত ৩ আগস্ট মন্ত্রিসভা &lsquo;অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা-২০২৬&rsquo; এবং &lsquo;ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি-২০২৬&rsquo; বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করে। সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রচলিত আইন অনুসারে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা তৈরির আগে জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ নেওয়ার বিধান রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রণীত তালিকায় সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

তবে সরকারের এই ব্যাখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জনস্বাস্থ্য ও ওষুধ বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ। তাদের বক্তব্য, কোনো প্রক্রিয়াগত ত্রুটি থাকলে সেটি সংশোধন করে নতুন তালিকাকে আরও কার্যকর করা যেত। পুরো তালিকা বাতিল করে তিন দশক আগের ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের ওষুধপ্রাপ্তি ও চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের নতুন তালিকা প্রণয়নের সময় জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ নেওয়া হয়নি। এ কারণে আইনগত ও প্রক্রিয়াগত প্রশ্ন তৈরি হওয়ায় তালিকাটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকার অবশ্য জানিয়েছে, বিষয়টি এখানেই থেমে থাকছে না। নতুন করে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা হালনাগাদ করা হবে। পাশাপাশি ওষুধের দাম নির্ধারণের বিষয়টিও নতুন প্রক্রিয়ার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে নতুন তালিকার বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে একটি রিট বিচারাধীন থাকার বিষয়টিও সরকারের ব্যাখ্যায় উঠে এসেছে।

১৯৯৪ সালে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকায় ১১৭টি ওষুধ অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালে তালিকায় কিছু পরিবর্তন আনা হলেও ২০২৬ সালের আগে বড় পরিসরে এর আধুনিকায়ন হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২৯৭টি ওষুধের নতুন তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি, নতুন রোগের চিকিৎসা, ওষুধের আধুনিক ব্যবহার এবং রোগীদের পরিবর্তিত চিকিৎসা চাহিদাকে বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

কিন্তু তালিকাটি প্রকাশের পর থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছিল ওষুধশিল্পের একটি অংশ। পরবর্তীতে তালিকার বৈধতা নিয়েও আইনি প্রশ্ন ওঠে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান ও জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক ড. জাকির আহমেদ চৌধুরী মনে করেন, ১৯৯৪ সালের তালিকাকে সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করা জরুরি ছিল।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, গত তিন দশকে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও ওষুধ উৎপাদন ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। ফলে দীর্ঘদিন আগের তালিকা অপরিবর্তিত রেখে বর্তমান স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা করা কঠিন।

তিনি আরও বলেন, ওষুধের দাম ও তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনার জন্য একটি কার্যকর ও স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কাঠামো থাকা প্রয়োজন। কিন্তু দেশে দীর্ঘ সময়েও এমন স্থায়ী ব্যবস্থা যথাযথভাবে গড়ে ওঠেনি।

অধ্যাপক জাকির আহমেদের দাবি, জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের পরও এ বিষয়ে যথেষ্ট আলোচনা হয়নি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন তালিকা বাতিলের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও পরিষদের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরামর্শ করা হয়নি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুশতাক হোসেন মনে করেন, প্রক্রিয়াগত ত্রুটির কারণে নতুন তালিকা বাতিলের যুক্তি যথেষ্ট নয়। তার মতে, প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে তালিকাটি পুনর্মূল্যায়ন করা যেত।

তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের তালিকা তৈরিতে যদি উপদেষ্টা পরিষদের মতামত নেওয়া না হয়ে থাকে, তাহলে বর্তমান সরকার কেন সেই ভুল সংশোধনের পথে গেল না?

তার বক্তব্য, নতুন তালিকা পুরোপুরি বাতিল করে পুরোনো ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার পরিবর্তে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় সংযোজন-বিয়োজন করা অধিক কার্যকর হতে পারত।

অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমানের মতে, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা শুধু প্রশাসনিক বা আইনি কাঠামোর বিষয় নয়; এটি সরাসরি চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত।

তিনি বলেন, গত ৩০ বছরে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যানসারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। নতুন নতুন ওষুধ, চিকিৎসা পদ্ধতি এবং উৎপাদন প্রযুক্তিও যুক্ত হয়েছে।

তার দাবি, ১৯৯৩-৯৪ সালের তালিকায় থাকা ১১৭টি ওষুধের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৩০টির মতো ওষুধ দেশীয়ভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। কিছু স্যালাইন ও প্রতিষেধকও ওই ব্যবস্থার সঙ্গে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ অবস্থায় পুরোনো তালিকাকে সরাসরি পুনর্বহাল করার পরিবর্তে বর্তমান চিকিৎসা বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নতুন তালিকা তৈরির ওপর জোর দেন তিনি।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক ড. আকতার হোসেনের মতে, তিন দশক আগের ১১৭টি ওষুধের তালিকা বর্তমান সময়ের সব ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় যথেষ্ট নয়।

তার মতে, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা এমনভাবে তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে রোগীর প্রয়োজন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি এবং ওষুধের যৌক্তিক মূল্য&mdash;সবকিছু একসঙ্গে বিবেচনায় থাকে।

তিনি আরও বলেন, একই জেনেরিকের বিভিন্ন ব্র্যান্ড বাজারে থাকলেও ওষুধের উপাদান ও মান বজায় রাখা এবং যৌক্তিক মূল্য নিশ্চিত করার জন্য কার্যকর নিয়ন্ত্রণ দরকার। বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা থাকলে ভোক্তা ও ওষুধশিল্প&mdash;উভয় পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সুফিয়ান নাহিন শিমুল মনে করেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত রোগীদের ওপর পড়তে পারে।

তার মতে, ওষুধের যৌক্তিক দাম নিশ্চিত করতে সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক ও তদারকি সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। কারণ বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের একই ধরনের ওষুধ থাকলেও নাম, ফর্মুলেশন বা সংস্করণের পার্থক্যের কারণে দামে বড় ব্যবধান তৈরি হতে পারে।

তিনি উদাহরণ হিসেবে প্যারাসিটামলের বিভিন্ন সংস্করণের কথা উল্লেখ করেন। তার বক্তব্য, শুধু একটি সাধারণ জেনেরিককে অত্যাবশ্যকীয় তালিকায় রাখলেই হবে না; বাজারে একই উপাদানের বিভিন্ন সংস্করণ কীভাবে মূল্য নির্ধারণ করছে, সেটিও নজরদারির আওতায় আনতে হবে।

সরকারের নতুন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতি।

সংগঠনটির মহাসচিব ও ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেনের দাবি, সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতের পর্যাপ্ত মতামত ছাড়াই আগের তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। শুরু থেকেই তারা ওই তালিকার বিরোধিতা করে আসছিলেন বলে জানান তিনি।

তার মতে, সরকার যদি মনে করে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তাহলে সরকারি বাজেটের মাধ্যমে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) সক্ষমতা ব্যবহার করা যেতে পারে। বেসরকারি ওষুধশিল্পের ওপর একই ধরনের বাধ্যবাধকতা আরোপের প্রয়োজন নেই বলেও মত দেন তিনি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে নতুন তালিকা তৈরির সময় সরকার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত বিবেচনায় নেবে।


নতুন করে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। গত ১০ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব রফিকুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সংক্রান্ত পাঁচটি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তবে নতুন তালিকা ঠিক কী প্রক্রিয়ায় তৈরি হবে, কোন কোন মানদণ্ডে ওষুধ অন্তর্ভুক্ত হবে এবং কীভাবে দাম নির্ধারণ করা হবে&mdash;এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত পরিষ্কার হয়নি।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা শুধু একটি প্রশাসনিক নথি নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয়, প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার সামগ্রিক সক্ষমতা।

সরকারের যুক্তি হলো, আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় ২০২৬ সালের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিল করা হয়েছে। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করছেন, প্রক্রিয়াগত ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করেই তালিকাকে কার্যকর করা যেত।

এখন সরকারের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো&mdash;নতুন তালিকা যেন একদিকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে ওষুধের দাম রাখে। একই সঙ্গে দেশীয় ওষুধশিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা ও ব্যবসায়িক বাস্তবতাও বিবেচনায় নিতে হবে।

সব পক্ষের মতামত নিয়ে স্বচ্ছ, বিজ্ঞানভিত্তিক ও নিয়মিত হালনাগাদযোগ্য একটি কাঠামো তৈরি করা না গেলে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা নিয়ে বিতর্ক থেকেই যাবে। আর এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে সেই সাধারণ রোগীর ওপর, যার কাছে ওষুধের দাম ও প্রাপ্যতাই চিকিৎসা পাওয়ার অন্যতম প্রধান শর্ত।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 16 Aug 2026 11:01:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের উপসর্গে আরও ৮ মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117532" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117532</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৭২৮ জনের শরীরে। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৭০ জন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামের পরিস্থিতি বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৮০৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ শিশু। সব মিলিয়ে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯০২ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১৭ হাজার ৮০০ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৭২৮ জনের। ফলে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬ জনে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৪ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯ জন।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 10:19:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চালু হবে পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/117524" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/117524</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নে দেশের পাঁচ বিভাগ ও জেলায় ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী অক্টোবর মাসে খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লায় একযোগে এসব হাসপাতাল চালু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নবনির্মিত ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নতুন ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ভবনটির উদ্বোধন সম্পন্ন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নয়। উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ, সুশাসন ও সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য অর্জনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া। সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যুক্ত হওয়ায় হাসপাতালটি এখন আরও বড় পরিসরে সেবা দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে। এ জন্য হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, হেলথ টেকনিশিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

নিউরোলজিক্যাল বা স্নায়ুবিক জটিলতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্ট্রোক, ইপিলেপসি, পারকিনসন্স ডিজিজ, ডিমেনশিয়া ও মেরুদণ্ডের জটিল রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা দেশে দিন দিন বাড়ছে।

নতুন ৫০০ শয্যার ভবন চালুর ফলে এসব রোগের চিকিৎসা সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। আধুনিক আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার, সর্বাধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও বিশেষায়িত ওয়ার্ডের সমন্বয়ে নির্মিত ভবনটি রোগী ভর্তির সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি চিকিৎসা গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে স্বল্প খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পেতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই &lsquo;নিউরোসায়েন্স-২&rsquo; নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, অতিরিক্ত শয্যা ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই ব্যবস্থা দেশের হাজারো রোগীর জন্য আশার আলো হয়ে উঠবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু প্রযুক্তি থাকলেই স্বাস্থ্যব্যবস্থা উন্নত হয় না; চিকিৎসাসেবায় মানবিকতার গুরুত্বও অত্যন্ত বেশি। প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রোগীর ভয়, উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের মানবিক আচরণের কোনো বিকল্প নেই।

চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সম্মান ও সহানুভূতির সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, চিকিৎসকরা যদি নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করেন কিংবা রোগী ও তাদের স্বজনরা চিকিৎসকদের প্রতি বিশ্বাস ও মর্যাদার সম্পর্ক অনুভব না করেন, তাহলে হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সত্ত্বেও চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা বন্ধ করা কঠিন হবে।

রোগীর প্রতি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সহানুভূতিশীল আচরণ, মনোযোগ দিয়ে রোগীর কথা শোনা, তার মানসিক অবস্থা বোঝা এবং সম্মানজনক আচরণ চিকিৎসাসেবার মান আরও বাড়িয়ে দেয় বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 07:47:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পিরোজপুরে ৮ মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ১,২৮৫]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117485" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117485</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পিরোজপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে না। গত আট মাসে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ২৮৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন, যা বরিশাল বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সময়ে ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ২১৭ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে ২৩ জন, নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৬ জন, নেছারাবাদে ১৪ জন, কাউখালীতে ৮ জন, ভান্ডারিয়ায় ১১ জন এবং মঠবাড়িয়ায় ৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। ইন্দুরকানিতে বর্তমানে কোনো ডেঙ্গু রোগী ভর্তি নেই।

গত আট মাসে সবচেয়ে বেশি ৫৯৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন পিরোজপুর সদর হাসপাতালে। এ ছাড়া নাজিরপুরে ৭৮, নেছারাবাদে ২১৬, কাউখালীতে ৯৬, ভান্ডারিয়ায় ২৪২ এবং মঠবাড়িয়ায় ৫৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

ডেঙ্গু ও সাধারণ রোগীদের পাশাপাশি চিকিৎসা

ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ায় পিরোজপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের সীমিত জায়গায় ডেঙ্গু ও সাধারণ রোগীদের কাছাকাছি অবস্থান করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। এ কারণে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য পৃথক ওয়ার্ড বা কক্ষের দাবি জানিয়েছেন রোগী ও স্বজনরা।

ডেঙ্গু আক্রান্ত এক রোগীর বাবা মো. মারুফ হাওলাদার বলেন, &ldquo;আমার মেয়েকে গত রোববার পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসি। পরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারি ডেঙ্গু হয়েছে। চিকিৎসাসেবা ভালোই পেয়েছি। বর্তমানে রোগী সুস্থ আছে। তবে হাসপাতালে রোগী অনেক বেশি। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা রুমের ব্যবস্থা করলে ভালো হতো।&rdquo;

পেটে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রুমনা বেগম বলেন, &ldquo;ডেঙ্গু রোগীদের যে মশা কামড় দিয়েছে, সেটা যদি আমাকে কামড়ায় তাহলে আমিও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারি। আমি এসেছি পেটে ব্যথা নিয়ে, পরে দেখা যাবে ডেঙ্গু নিয়ে বাসায় ফিরতে হবে। এখানে সেবা ভালোই পেয়েছি। তবে একই জায়গায় অনেক রোগী। ডেঙ্গু, হাম ও সাধারণ রোগীদের জন্য আলাদা কক্ষ থাকলে ভালো হতো।&rdquo;

অনেক রোগী ব্যবহার করছেন না মশারি

পিরোজপুর সদর হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, ডেঙ্গু রোগীদের অনেকেই মশারি ব্যবহার করছেন না। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে নার্সদের নির্দেশনায় কয়েকজন রোগী দ্রুত মশারি টানিয়ে নেন।

হাসপাতালের এক নার্স জানান, রোগীদের বারবার মশারি ব্যবহারের জন্য বলা হলেও অনেকেই মশারি খুলে রাখেন।

রোগীর স্বজন মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, &ldquo;সাংবাদিকরা আসার পর মশারিগুলো টানানো হয়েছে। এতক্ষণ মশারি টানানো ছিল না। দেখলে বোঝাই যায় না কে ডেঙ্গু রোগী আর কে সাধারণ রোগী।&rdquo;

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনই নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হচ্ছেন। একই সময়ে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীরাও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে।

পিরোজপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল কনসালট্যান্ট সুরঞ্জিত সাহা বলেন, &ldquo;এ বছর ডেঙ্গু রোগীর চাপ কমছেই না। আমরা আশা করেছিলাম রোগীর চাপ কিছুটা কমে যাবে, কিন্তু প্রতিনিয়ত রোগী আসছে। একজন রোগী ভর্তি হলে তার চিকিৎসা সম্পন্ন করতে পাঁচ থেকে ছয় দিন সময় লাগে। এর মধ্যে নতুন রোগী আসে, পাশাপাশি অন্যান্য রোগীরাও ভর্তি হচ্ছে। ফলে এখন রোগীর চাপ অনেক বেশি।&rdquo;

ডেঙ্গুর প্রজননস্থল নিয়ে উদ্বেগ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন চিকিৎসকরা। সুরঞ্জিত সাহা বলেন, ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি বাড়ির আশপাশে কোথাও পানি জমে আছে কি না, সেদিকে নজর দিতে হবে। জমে থাকা পানি পরিষ্কার না করলে সেখান থেকে মশা জন্মাতে পারে।

সচেতন মহলের মতে, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ভাঙা রাস্তার আশপাশে পানি জমে থাকা এবং মানুষের অসচেতনতা ডেঙ্গু বাড়ার অন্যতম কারণ।

পিরোজপুর পৌরসভার বাসিন্দা জালিস মাহমুদ বলেন, শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো নয়। বিভিন্ন স্থানে ময়লা ও পানি জমে থাকে। ফুলের টব, বাড়ির আশপাশের গর্তসহ বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকায় ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ছে।

লার্ভা নিধনে অভিযান জোরদারের উদ্যোগ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করছে পিরোজপুর পৌরসভা ও জেলা পরিষদ। পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা বনি আমিন বলেন, মশার লার্ভা নিধনে নিয়মিত স্প্রে করা হচ্ছে। বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, পরিষ্কার পানিতে ডেঙ্গু মশা জন্মায়। ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবন, ফুলের টবসহ বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকলে সেখানে মশা উৎপন্ন হতে পারে। এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি তাদের সঙ্গে নিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আরও জোরালোভাবে কাজ করা হবে।

পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে বিভিন্ন পুকুর, ডোবা ও পৌর এলাকার ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্কুল-কলেজে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশের এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আইইডিসিআরের তদন্তে নতুন তথ্য

পিরোজপুরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. মতিউর রহমান। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, পিরোজপুরের স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে আইইডিসিআরের ইনভেস্টিগেশন টিম পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। পরে একটি দল এসে তদন্ত শুরু করেছে। প্রথম দিনের তদন্তে সুপারি ও নারিকেল গাছের গোড়ায় জমে থাকা পানি এবং বিভিন্ন নির্মাণাধীন ভবনে জমে থাকা পানি থেকে ডেঙ্গুর প্রজননের সম্ভাবনা পাওয়া গেছে।

সিভিল সার্জন বলেন, জনগণের সচেতনতার ঘাটতিও রয়েছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর আইইডিসিআর যে নির্দেশনা দেবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিত জনসচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করছে এবং হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 13 Aug 2026 12:01:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117375" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117375</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৯৭৯ শিশু।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৮২ জনের। হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৯৮ শিশু। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৮০ শিশুর।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 10:21:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৬]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117284" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117284</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন সিলেট বিভাগের বাসিন্দা। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে বা হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৭৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৮ শিশু। সব মিলিয়ে এ সময়ে হামে ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৭৩ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৭৫ জন। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১৭ হাজার ১১৫ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম শনাক্ত হয়েছে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৮৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ জনে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৮২ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ১৪২ জন।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 09 Aug 2026 13:19:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিশ্বে প্রথম এমআরএনএ ফ্লু টিকা ‘এমফ্লুসিভা’র অনুমোদন ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117231" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/international/117231</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্বে প্রথমবারের মতো মেসেঞ্জার আরএনএ (এমআরএনএ) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি ফ্লু টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মডার্নার তৈরি এই টিকার নাম &lsquo;এমফ্লুসিভা&rsquo;।

৫০ বছর ও তার বেশি বয়সিদের জন্য তৈরি নতুনম এই টিকা সাধারণ ফ্লু টিকার চেয়ে বেশি কার্যকর বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির।

কোভিড-১৯ মহামারির সময় এমআরএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে টিকা তৈরির পর চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়। তখন গবেষকেরা জানিয়েছিলেন, এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ব্যবহার করা যেতে পারে। এবার ফ্লু প্রতিরোধে এমআরএনএ প্রযুক্তির ব্যবহারে সেই সম্ভাবনার আরেকটি দিক সামনে এসেছে।

&lsquo;এমফ্লুসিভা&rsquo; টিকা যা প্রবীণদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

মডার্নার নতুন টিকাটি মূলত বয়স্কদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫০ থেকে ৬৪ বছর বয়সিদের জন্য টিকাটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৬৫ বছর ও তার বেশি বয়সিদের জন্যও অনুমোদনের আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউমোনিয়ার মতো শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে প্রবীণদের ক্ষেত্রে এসব সংক্রমণ কখনো কখনো প্রাণঘাতীও হতে পারে। সাধারণ ফ্লু টিকা সব ধরনের ইনফ্লুয়েঞ্জা সংক্রমণ প্রতিরোধে সমানভাবে কার্যকর না হওয়ায় এমআরএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির চেষ্টা করেছেন গবেষকেরা।

কীভাবে কাজ করবে এই টিকা? 

এমআরএনএ প্রযুক্তির টিকা শরীরের কোষকে নির্দিষ্ট ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নির্দেশনা দেয়। এর ফলে শরীরে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে।

মডার্নার দাবি, নতুন টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এটি প্রচলিত ফ্লু টিকার তুলনায় ভাইরাসের বিরুদ্ধে বেশি শক্তিশালী প্রতিরোধ তৈরি করেছে। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের একাধিক ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধেও টিকাটি কার্যকর হতে পারে বলে দাবি করা হয়েছে।

কেন প্রবীণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?

নিউমোনিয়া ও ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো সংক্রমণের ঝুঁকি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ভারতের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসের (এমস) একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিউমোনিয়ায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়সীরা। এই বয়সের মানুষদের মধ্যে মৃত্যুর ঝুঁকিও তুলনামূলক বেশি।

গুরুতর নিউমোনিয়ার ক্ষেত্রে সংক্রমণ রক্ত ও দেহের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে সেপসিসের মতো প্রাণঘাতী জটিলতা দেখা দিতে পারে। ফলে প্রবীণদের ক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউমোনিয়ার মতো সংক্রমণ প্রতিরোধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গবেষকেরা আশা করছেন, এমআরএনএ প্রযুক্তিতে তৈরি নতুন এই টিকা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা গেলে প্রবীণদের ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ ভাইরাসজনিত শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 08 Aug 2026 06:13:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্বাস্থ্য সচিবকে সব হাসপাতালে সার্কুলার জারি করতে হবে: হাইকোর্ট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/117213" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/117213</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের সরকারি ও বেসরকারি সব হাসপাতাল এবং ক্লিনিকে জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবকে অবিলম্বে সার্কুলার জারির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ সংশোধন করে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের নিকটস্থ হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিধান সংযোজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি এবং বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিককে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা দিতে হবে। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবকে প্রয়োজনীয় সার্কুলার জারি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া সরকারকে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ সংশোধন করে দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের নিকটস্থ হাসপাতালে দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার বিধান আইনে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তাঁকে সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মণ্ডল ও নাসরিন সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ জিসান হায়দার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কাজী এরশাদুল আলম এবং সালাউদ্দিন হাসপাতালের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৬ জানুয়ারি রাজধানীর সায়দাবাদ এলাকায় ছিনতাইকারীর হামলায় গুরুতর আহত হন খুলনার সোনাডাঙার মোটর পার্টস ব্যবসায়ী ইব্রাহিম। তাঁকে নিকটস্থ সালাউদ্দিন হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসা না দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) একটি রিট দায়ের করে। ওই বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।

শুনানিতে মনজিল মোরসেদ বলেন, সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদে বেঁচে থাকার অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাই সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিক দুর্ঘটনায় আহত রোগীকে চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দিতে পারে না।

রায়ে ক্ষতিপূরণের বিষয়ে আদালত বলেন, সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের দায়িত্ব পালনের দাবি করেছে। ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নির্ধারণে তদন্ত প্রয়োজন হওয়ায় এ রায়ে সরাসরি ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তবে ভুক্তভোগীর পরিবার প্রচলিত আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে বলে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আদালত।

উল্লেখ্য, এইচআরপিবির পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সারোয়ার আহাদ চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট মাহবুবুল ইসলাম রিটটি দায়ের করেন। মামলায় স্বাস্থ্য সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)-এর সভাপতি সহ মোট ১২ জনকে বিবাদী করা হয়।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 12:44:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের প্রকোপে চিকিৎসা ব্যয়ে নিঃস্ব পরিবার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117189" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117189</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশে আবারও হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। একসময় নিয়ন্ত্রণে থাকা এই প্রতিরোধযোগ্য রোগের পুনরুত্থান শুধু জনস্বাস্থ্যের জন্য নয়, দেশের নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের আর্থিক অবস্থার ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) এবং আন্তর্জাতিক রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজের (আইএফআরসি) যৌথ মূল্যায়নে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য। দেশের ১২টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ হাজার ৭৪৬টি পরিবারের ওপর পরিচালিত এই জরিপে দেখা যায়, হামে আক্রান্ত প্রতি ১০টি পরিবারের মধ্যে প্রায় ৯টি পরিবার চিকিৎসার ব্যয় সামলাতে গিয়ে ঋণের ফাঁদে পড়েছে। একই সঙ্গে ৬১ শতাংশ পরিবার তাদের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় পুরোপুরি শেষ করে ফেলেছে।

জরিপে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অধিকাংশ আক্রান্ত পরিবার অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। তাদের মাসিক আয় ৬ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল এসব মানুষের জন্য সন্তানের চিকিৎসার কারণে কর্মস্থলে যেতে না পারা মানে একদিকে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া, অন্যদিকে চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়া। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে সম্পদ বিক্রি করছে, আবার কেউ কেউ সহায়তার আশায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হচ্ছে।

চিকিৎসকদের মতে, হামে আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশ নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অপুষ্টির মতো জটিলতায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও রোগীর পরিবারের ওপর পরিবহন, ওষুধ এবং বিভিন্ন পরীক্ষার ব্যয় বহনের চাপ থেকেই যাচ্ছে। ফলে দরিদ্র পরিবারের জন্য চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাতায়াত ও পরীক্ষার খরচই কয়েক হাজার থেকে কয়েক দশ হাজার টাকায় পৌঁছে যাচ্ছে, যা দেশের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্রকে সামনে নিয়ে আসে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৪ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম এবং হামের উপসর্গে শত শত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মিলিয়ে এক হাজারেরও বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর খবর পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির পেছনে অন্যতম কারণ হলো টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি। নিয়মিত বুস্টার ডোজ নিশ্চিত না হওয়া, দুর্গম এলাকায় টিকার সীমিত প্রাপ্যতা, পর্যাপ্ত সচেতনতার অভাব এবং মহামারির পর স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা হামের সংক্রমণ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি অনেক পরিবার দেরিতে হাসপাতালে যাওয়ায় রোগ জটিল আকার ধারণ করছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সরকারি হাসপাতালগুলোতে হামের সব ধরনের পরীক্ষা, ওষুধ, পুষ্টি সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে যাতায়াত ব্যয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিশ্চিত করার দাবি জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা প্রদান, বাদ পড়া শিশুদের চিহ্নিত করে বিশেষ টিকাদান অভিযান পরিচালনা এবং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগে কোনো শিশুর মৃত্যু কিংবা একটি পরিবারের অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া কখনোই কাম্য নয়। তাই হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং সবার জন্য সহজলভ্য ও ব্যয়মুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 07:39:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফুলবাড়ী হাসপাতালে ডায়াবেটিসের ওষুধ সংকট, বিপাকে নিম্ন-আয়ের রোগীরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117113" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117113</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়াবেটিস রোগের ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ মেটফরমিন ও গ্লাইক্লাজাইড-এর মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা নিম্ন-আয়ের রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন করে ওষুধ সংগ্রহ করতে দেড় থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে।

জানা গেছে, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি এলাকার অন্যতম প্রধান সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র। সামর্থ্যবান রোগীরা বেসরকারিভাবে ডায়াবেটিকসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করালেও নিম্ন-আয়ের রোগীদের ভরসার জায়গা এই হাসপাতাল।

অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল রোগীদের জন্য এখানে সরকারি উদ্যোগে একটি ডায়াবেটিস কর্নার চালু রয়েছে। এ কর্নার থেকে রোগীরা বিনামূল্যে চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেয়ে থাকেন। প্রতিদিন গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ জন রোগী এ কর্নারে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। গত জুলাই মাসে ৬৫৭ জন রোগী এখান থেকে সেবা নিয়েছেন। এতদিন প্রতিটি রোগীকে এক মাসের প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হলেও গত ২১ জুলাই থেকে ওষুধের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন করে কোনো রোগীকেই ওষুধ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চিকিৎসা নিতে এসে অনেকেই খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

ডায়াবেটিস কর্নারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স খাদিজা আফরোজ বলেন, &ldquo;ডায়াবেটিসের ওষুধের সরবরাহ বন্ধ থাকায় রোগীদের ওষুধ দেওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ওষুধ পেলেই আবার বিতরণ শুরু করা হবে।&rdquo;

চিকিৎসা নিতে আসা শিরিনা আক্তার, সখিনা বেগমসহ কয়েকজন রোগী বলেন, &ldquo;আমরা গরিব মানুষ। এখান থেকে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেয়ে অনেক উপকার হতো। এখন হাসপাতালে এসে শুনছি ওষুধ নেই। কবে আসবে তাও কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে বেশি দামে ওষুধ কিনতে হচ্ছে। দ্রুত ওষুধ সরবরাহের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।&rdquo;

এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান বলেন, &ldquo;মন্ত্রণালয় থেকে ডায়াবেটিসের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ মেটফরমিন ও গ্লাইক্লাজাইডের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। আমাদের মজুতও শেষ হয়ে গেছে। নিজস্ব তহবিল থেকে ওষুধ কেনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ওষুধ সংগ্রহ করতে দেড় থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে। তবে আগের তুলনায় সীমিত পরিমাণে রোগীদের মধ্যে ওষুধ বিতরণ করা সম্ভব হবে।&rdquo;

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 04 Aug 2026 10:04:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৩ শিশুর, আক্রান্ত ৯৬৭]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117068" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/health/117068</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে নতুন করে ৯৬৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে এবং পরীক্ষায় ১১৩ জনের হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সিলেট বিভাগে দুইজন এবং ঢাকা বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছরে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪৭ জনে। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৯৬ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৭৫১ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১১৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এতে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৪০৮ জনে।

এদিকে একই সময়ে আরও ৯৬৭ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। ফলে এ বছর এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৫০ জন।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 03 Aug 2026 14:35:11 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
