<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/education</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/education"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews education Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest education News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Thu, 20 Aug 2026 13:31:26 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[সরকারি মনিটরিংয়ের আওতায় আসছে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117764" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117764</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

বুধবার (১৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের পিটিআই অডিটোরিয়ামে প্রাথমিক শিক্ষা, চট্টগ্রাম বিভাগ আয়োজিত &lsquo;বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি পরিবর্তিত প্রত্যাশা&rsquo; শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এতদিন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং ব্যবস্থা মূলত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কেন্দ্রিক ছিল। নতুন নীতিমালায় এ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী দিনে সরকারি বিদ্যালয়ের পাশাপাশি দেশের সব বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন ও ইংরেজি মাধ্যমের প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও সরকারি মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে।

তিনি বলেন, শুধু কাগজে-কলমে নয়, মাঠপর্যায়ে বিদ্যালয় পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রকৃত পরিস্থিতি যাচাই করা হবে। এর ভিত্তিতে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ববি হাজ্জাজ জানান, এ পর্যন্ত ২৫টি উপজেলার বিদ্যালয় পরিদর্শনে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনের সঙ্গে মাঠপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মৌলিক শিখন দক্ষতার হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া গেছে। এ ধরনের তথ্যের গরমিল দূর করে বাস্তবভিত্তিক তথ্যের ওপর শিক্ষা প্রশাসন পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলায় শূন্যপদে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে তদারকি ও জবাবদিহি আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আগামী বছর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। পাশাপাশি শিশুদের মেধা, সৃজনশীলতা ও সাধারণ জ্ঞান বিকাশে জাতীয় পর্যায়ে বড় পরিসরে কুইজ প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান হিসেবেও সম্প্রচারের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও আনন্দময়, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত করতে বিদ্যালয়ের শিখন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, পুষ্টি ও শিক্ষার পরিবেশ&mdash;সবকিছুর ওপর সমন্বিত নজরদারি নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, &lsquo;আনট্রেইনড কোনো শিক্ষককে আমরা শ্রেণিকক্ষে দেখতে চাই না।&rsquo; সরকারি ও বেসরকারি সব ধরনের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে। ভবিষ্যৎ মনিটরিং ব্যবস্থায় শিক্ষক নিয়োগের মান, প্রশিক্ষণ এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সক্ষমতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রশাসনে সুশাসন, জবাবদিহি ও কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে প্রতিমন্ত্রী নিজেই বিভিন্ন বিভাগে প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করছেন। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বদানের সক্ষমতা ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করাই এসব প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।

প্রাথমিক শিক্ষা, চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম। এ সময় চট্টগ্রাম বিভাগের সব জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 13:31:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাংবাদিকদের সঙ্গে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা বোর্ডের মতবিনিময়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117759" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117759</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য চা-চক্র ও মতবিনিময় সভা করেছে কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ শিক্ষা বোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি&lsquo;আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ১০টায় আল-হাইআতুল উলয়ার কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বোর্ডের চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসানের নির্দেশে এ আয়োজন করা হয়।

সভায় কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা, এর বর্তমান পরিস্থিতি, গণমাধ্যমে কওমি শিক্ষা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর সংবাদ পরিবেশন, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়।

সভায় সূচনা বক্তব্য দেন আল-হাইআতুল উলয়ার সদস্য মাওলানা মাহফুজুল হক। এ সময় বোর্ডের সদস্য মাওলানা মুছলেহ উদ্দিন রাজু, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া ও মাওলানা মুফতি এনামুল হক (বসুন্ধরা) উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আল-হাইআতুল উলয়ার অফিস ব্যবস্থাপক মু. অছিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় আল-হাইআতুল উলয়ার সদস্যরা কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার পরিচয়, বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তা এবং আল-হাইআতুল উলয়া ও এর অধীন ছয়টি শিক্ষা বোর্ডের কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের অবহিত করেন। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয়ে বোর্ডের অবস্থানও তুলে ধরেন তারা।

বৈঠকে সাংবাদিকরা আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং মতামত ও পরামর্শ দেন। এ ধরনের সৌহার্দ্যপূর্ণ আয়োজনের জন্য তারা আল-হাইআতুল উলয়াকে ধন্যবাদ জানান। ভবিষ্যতেও পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।

সভায় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের মধ্যে ঢাকা মেইল ডটকমের প্রধান বার্তা সম্পাদক জহির উদ্দীন বাবর, শীলন বাংলার সম্পাদক মাসউদুল কাদির, আওয়ার ইসলামের সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব, সময় টেলিভিশনের অ্যাসোসিয়েট জয়েন্ট নিউজ এডিটর মুফতি আবদুল্লাহ তামীম, গ্লোবাল টেলিভিশনের সহসম্পাদক জামিল আহমদ, দৈনিক কালবেলার সহসম্পাদক আবু তালহা রায়হান, এশিয়া পোস্টের হেড অব ইসলাম রায়হান রাশেদ, দৈনিক নয়া দিগন্তের সহসম্পাদক বেলায়েত হোসাইন, আজকের পত্রিকার সহসম্পাদক কাউসার লাবীব, বাংলা পোস্টের সহসম্পাদক হাসান আল মাহমুদ, এনপিবির সহসম্পাদক জাওয়াদ আহমদ এবং ফেস দ্য পিপলের স্টাফ রিপোর্টার রাকিবুল ইসলাম রইস উপস্থিত ছিলেন।

আল-হাইআতুল উলয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সঠিক ও যাচাইকৃত তথ্য দিয়ে গণমাধ্যমকে সহযোগিতা করতে তাদের দ্বার সবসময় উন্মুক্ত। আলেম সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের মতবিনিময় ও যোগাযোগ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

পরে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং দোয়ার মাধ্যমে সভার সমাপ্তি হয়।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 12:54:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসি পরীক্ষা ২০২৭ দুই মাস পিছাবে ! ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117699" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117699</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় দুই মাস পিছিয়ে মার্চে নেওয়ার বিষয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগে আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরুর প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হলেও শিক্ষা বিভাগ এখন সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করছে।

পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের সময়সূচি এবং অভিভাবকদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে মার্চে পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। সবকিছু চূড়ান্ত হলে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষা শুরু হতে পারে।

শিক্ষা বিভাগের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানান, রমজান ও ঈদুল ফিতরের বিষয়টি বিবেচনার পাশাপাশি অভিভাবকদের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা মার্চে নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে। সে ক্ষেত্রে রমজান ও ঈদুল ফিতরের পর মার্চের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষা শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। একইভাবে ২০২৭ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৬ জুন শুরু হয়ে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলার কথা রয়েছে।

গত ১৪ মে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য দুই বছরের গ্যাপ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিসেম্বরকে শিক্ষা বছরের শেষ ও পরীক্ষার মাস হিসেবে বিবেচনার পরিকল্পনার কথাও তখন জানানো হয়।

দীর্ঘদিন ধরে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির শুরুতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শুরুতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। তবে করোনা মহামারির পর থেকে সেই সূচি আর ঠিক রাখা সম্ভব হয়নি। পরীক্ষা ক্রমেই পিছিয়ে গেছে। চলতি বছরও এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২১ এপ্রিল শুরু হয়। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় জুলাইয়ে।

এ অবস্থায় আগামী বছরের পরীক্ষা আগাম আয়োজনের উদ্যোগ নেয় শিক্ষা বিভাগ। প্রথমে ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। তবে এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

পরে অংশীজনদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায়ও ডিসেম্বরে এসএসসি পরীক্ষা না নেওয়ার পক্ষে মতামত আসে। এরপর এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুনে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়।

তবে শেষ পর্যন্ত ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা কোন মাসে অনুষ্ঠিত হবে, তা আরও পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 13:04:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা দুই মাস পেছানোর ভাবনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117687" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117687</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের তুলনায় প্রায় দুই মাস পিছিয়ে যেতে পারে। আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি পরীক্ষা শুরুর যে প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা পুনর্বিবেচনা করছে শিক্ষা বিভাগ।

রমজান ও ঈদুল ফিতরের সময়সূচি এবং অভিভাবকদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে মার্চে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শিক্ষা বিভাগের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা জানান, পরীক্ষার সময় নির্ধারণে রমজান ও ঈদের বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সুবিধা-অসুবিধার বিষয়টিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে পবিত্র রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে রমজান ও ঈদুল ফিতরের সময় পার হওয়ার পর মার্চের মাঝামাঝি সময়ে এসএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে।

তবে পরীক্ষা মার্চেই শুরু হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত দেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন দিক যাচাই করে পরবর্তী সময়ে পরীক্ষার চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা করা হবে।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হতে পারে। একই বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৬ জুন থেকে শুরু করে ১৩ জুলাই পর্যন্ত আয়োজনের পরিকল্পনাও করা হয়েছিল।

শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষা ব্যবস্থায় জমে থাকা সময়ের ঘাটতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যেই এসব সময়সূচি নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

এর আগে ১৪ মে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের গ্যাপ কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেই লক্ষ্যেই পরীক্ষার সময় এগিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে সাধারণত ফেব্রুয়ারির শুরুতে এসএসসি এবং এপ্রিলের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। কিন্তু করোনা মহামারির পর পরীক্ষার সেই প্রচলিত ক্যালেন্ডার আর ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। ফলে কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পিছিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

চলতি বছর ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় জুলাইয়ে।

এ অবস্থায় পরীক্ষার সময়সূচি স্বাভাবিক করতে আগামী বছর থেকেই পরীক্ষা আগের সময়ের কাছাকাছি নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয় শিক্ষা বিভাগ। এক পর্যায়ে ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরেই আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল।

তবে ডিসেম্বরের পরীক্ষার পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। পরবর্তীতে অংশীজনদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও ডিসেম্বরে পরীক্ষা আয়োজন না করার পক্ষে মতামত আসে।

এরপর ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুনে নেওয়ার পরিকল্পনা সামনে আসে।

সর্বশেষ পরিস্থিতিতে জানুয়ারির পরিবর্তে মার্চে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রমজান, ঈদ এবং শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের সুবিধার বিষয়গুলো বিবেচনা করে সময়সূচি নির্ধারণের চেষ্টা চলছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি ঘোষণা করবে। তাই আপাতত ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ঠিক কোন মাসে শুরু হবে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 08:50:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৪০১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ভারপ্রাপ্তদের কাঁধে বাড়তি বোঝা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117631" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117631</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চলছে প্রধান শিক্ষক সংকট। জেলার পাঁচ উপজেলায় ৭২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৪০১টিতেই নেই নিয়মিত প্রধান শিক্ষক। ফলে এসব বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদেরই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।

একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে বাড়ছে তাদের কাজের চাপ। এতে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিখন কার্যক্রমও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯২টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য। কালকিনির ৮০টির মধ্যে ৬৮টি, রাজৈরের ৭২টির মধ্যে ৬৬টি, শিবচরের ১০৪টির মধ্যে ৭৮টি এবং ডাসারের ৩৩টির মধ্যে ১৯টি বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক।

অর্থাৎ জেলার ৫৫ শতাংশের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ই বর্তমানে নিয়মিত প্রধান শিক্ষক ছাড়াই চলছে।
শুধু প্রধান শিক্ষক নয়, সহকারী শিক্ষক পদেও রয়েছে জনবল সংকট। জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে অনুমোদিত ৩ হাজার ৭৮২টি সহকারী শিক্ষক পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৩ হাজার ৫৪৭ জন। ফলে এই পদেও ২৩৫টি পদ শূন্য রয়েছে।

ক্লাসের পাশাপাশি দাপ্তরিক কাজ

প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকলে সাধারণত জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এতে তাকে একদিকে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে হয়, অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজও সামলাতে হয়।
মাদারীপুর সদর উপজেলার পৌর অফিসসংলগ্ন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষকরা দাপ্তরিক কাজেও ব্যস্ত। বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জীবন নহার আখি বলেন, ২০২৪ সাল থেকে তিনি জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, &ldquo;এই দায়িত্ব নেওয়ার পর কাজের চাপ অনেক বেড়েছে। প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি ক্লাসও নিতে হয়। ফলে আগের মতো নিয়মিতভাবে শ্রেণিকক্ষে সময় দেওয়া সম্ভব হয় না।&rdquo;

একই উপজেলার পুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মো. আজমল হোসেনও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। রাস্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ উপজেলার আরও বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়েও একই চিত্র দেখা গেছে।

এক শিক্ষক, দুই শ্রেণি

শিক্ষক সংকটের প্রভাব সরাসরি পড়ছে শিক্ষার্থীদের ওপর। রাস্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাইজা আকতার বলেন, &ldquo;অনেক সময় একজন শিক্ষককে একই সময়ে দুটি শ্রেণি সামলাতে হয়। একটি ক্লাস শেষ হওয়ার আগেই কখনো অন্য শ্রেণিতে যেতে হয়।&rdquo;

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাফি ইসলাম জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে তাদের বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। তিনজন শিক্ষককেই অনেকটা ভাগাভাগি করে সব ক্লাস নিতে হচ্ছে।

তার ভাষায়, &ldquo;প্রধান শিক্ষক থাকলে বিদ্যালয়ের পড়াশোনাসহ অন্যান্য বিষয় নিয়মিত দেখভাল করা সম্ভব হতো।&rdquo;
ক্ষুব্ধ অভিভাবকেরা।

অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষকস্বল্পতার কারণে সন্তানদের পড়াশোনায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হচ্ছে না। সোহাগ শিকদার নামে এক অভিভাবক বলেন, একটি বিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন প্রধান শিক্ষক।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তদারকি, নথিপত্র সংরক্ষণ, অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়সহ নানা দায়িত্ব প্রধান শিক্ষকের। পদটি শূন্য থাকলে এসব দায়িত্ব সহকারী শিক্ষকদের ওপর বর্তায়। এতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকসংখ্যা কমে গিয়ে পাঠদান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অভিভাবক শাহনাজ বেগম বলেন, শিক্ষক কম থাকায় তার সন্তান পড়াশোনায় আগ্রহ হারাচ্ছে। বাধ্য হয়ে বাড়িতে আলাদাভাবে পড়াতে হচ্ছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে অন্য বিদ্যালয়ে ভর্তি করার কথাও ভাবছেন তিনি।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বাড়তি চাপ

শিবচর উপজেলার সন্ন্যাসীরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক ফিরোজ মাহমুদ ২০২৫ সালের মে মাস থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী রয়েছে ১২৫ জন।

ফিরোজ মাহমুদ বলেন, &ldquo;পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষকদের ক্লাস তদারকি, শিক্ষা কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ, মাসিক সভায় অংশ নেওয়া এবং বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত পাঠানোর কাজ করতে হয়। ফলে দায়িত্বের চাপ অনেক বেড়েছে।&rdquo;

তারপরও বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সচল রাখতে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

ডাসার উপজেলার গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সোবহান খান বলেন, বিদ্যালয়ের নেতৃত্ব ও শিক্ষার মান ধরে রাখতে প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পদটি দীর্ঘদিন শূন্য থাকলে প্রশাসনিক তদারকি, শিক্ষক ব্যবস্থাপনা ও একাডেমিক কার্যক্রমে সমন্বয়ের ঘাটতি তৈরি হয়।

সংকটের পেছনে নিয়োগ জটিলতা

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিবচর ও রাজৈর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, মামলা, শিক্ষক নিয়োগের প্রশাসনিক জটিলতা, নিয়োগ পরীক্ষায় বিলম্ব এবং পদোন্নতির ধীরগতির কারণে প্রধান শিক্ষক সংকট দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

তাদের মতে, প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শিখনঘাটতি এমনিতেই বড় চ্যালেঞ্জ। এর সঙ্গে শিক্ষক সংকট যুক্ত হলে অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীদের বাড়তি সহায়তা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। দ্রুত শূন্য পদ পূরণ না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

মাদারীপুর সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষকস্বল্পতার প্রভাব শুধু শ্রেণিকক্ষের স্বাভাবিক কার্যক্রমেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে শিক্ষার্থীদের শিখনফলে। শিক্ষক কম থাকলে অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিক্ষার্থীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শূন্য পদ পূরণের উদ্যোগ

মাদারীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফজলে এলাহী বলেন, জেলার বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক ছাড়াও ২৩৫টি সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এসব শূন্য পদ পূরণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে শূন্য পদ পূরণের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার বলেন, জেলার প্রায় ৪০০ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে জনবলসংকট কীভাবে কমানো যায়, তা খতিয়ে দেখা হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 18 Aug 2026 07:36:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১০ কর্মদিবসের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অ্যাডহক কমিটি গঠনের নির্দেশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117622" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117622</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনো অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানে দ্রুত কমিটি গঠনের জন্য ফের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে &lsquo;নিয়মিত কমিটি গঠনের লক্ষ্যে&rsquo; অ্যাডহক কমিটি গঠন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে কমিটি গঠনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে চিঠিটি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বিষয়টিকে &lsquo;অতীব জরুরি&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের গত ১৬ মার্চের পরিপত্র অনুযায়ী যেসব প্রতিষ্ঠানে এখনো অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়নি, সেসব প্রতিষ্ঠানে পরিপত্রের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে অ্যাডহক কমিটি গঠন করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়, নিয়মিত কমিটি গঠনের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অ্যাডহক কমিটি গঠন করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে এর জন্য দায়ী করা হবে এবং তিনি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থার আওতায় আসবেন।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 18 Aug 2026 05:34:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসির ফল বিপর্যয়ের নেপথ্যে শিখন ঘাটতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117398" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117398</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল বিপর্যয়ের পেছনে একাধিক কারণ সামনে এসেছে। খাতা মূল্যায়নে শিক্ষকদের পেশাদারিত্বের ঘাটতি, দীর্ঘমেয়াদি শিখন ঘাটতি, নবম ও দশম শ্রেণিতে ভিন্ন কারিকুলামের চাপ, গণিত ও ইংরেজিতে মৌলিক দুর্বলতা, শিক্ষক সংকট, মুখস্থনির্ভর পড়াশোনা এবং গ্রাম-শহরের বৈষম্য সবকিছুই এবারের ফলে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছরের ফলাফলে পাশের হার গত বছরের তুলনায় ৬ শতাংশের বেশি কমেছে। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে ২২ হাজারের বেশি। শিক্ষাবিদরা বলছেন, এবারের ফলাফল দেশের শিক্ষাব্যবস্থার দীর্ঘদিনের দুর্বলতাগুলোকে সামনে এনেছে। এখন বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে কারণগুলো চিহ্নিত করে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, মাধ্যমিকের শুরুতেই শিক্ষার্থীরা করোনার প্রভাবের মধ্যে পড়েছে। এরপর ২০২৪ সালে নবম শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম চালু হয়, কিন্তু দশম শ্রেণিতে আবার ভিন্ন কারিকুলামে পড়াশোনা করতে হয়েছে। এর সঙ্গে এবার পরীক্ষার হলে সিসিটিভি ক্যামেরাসহ নানা ধরনের কড়াকড়ি ছিল। দীর্ঘদিনের শিখন ঘাটতিও ফল খারাপ হওয়ার অন্যতম কারণ।

তিনি বলেন, &lsquo;এতকিছুর পরও এই ফলকে ইতিবাচকভাবে দেখছি। এখন সরকারের দায়িত্ব হবে শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়া। বিশেষ করে ইংরেজি ও গণিতের ওপর বেশি জোর দিতে হবে।&rsquo;

গণিত ও ইংরেজিতে মৌলিক দুর্বলতা

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজিতে ফেল করেছে ২৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। অন্যদিকে গণিতে ফেল করেছে ২২ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় দুই বিষয়েই ফেলের হার বেড়েছে।

শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, গণিতে অনুশীলনের অভাব ও মৌলিক ধারণার ঘাটতি এবং ইংরেজিতে গ্রামার, রিডিং ও ভাষাগত দক্ষতার দুর্বলতা ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলেছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার বলেন, ইংরেজি ও গণিতে মৌলিক দক্ষতা বাড়াতে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কর্মসূচি প্রয়োজন। পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ বাড়াতে হবে। গণিত নিয়মিত অনুশীলনের বিষয় হলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে কম প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

মুখস্থ ও গাইডনির্ভর পড়াশোনার প্রভাব

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বুঝে শেখার পরিবর্তে উত্তর মুখস্থ করার প্রবণতা বেড়েছে। গাইড বই, নোট ও সাজেশনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার কারণে প্রশ্নের ধরন পরিবর্তন হলে অনেক শিক্ষার্থী সমস্যায় পড়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, কারিকুলামের শিখনফল অনুযায়ী প্রশ্ন তৈরি করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীরা কী শিখেছে, কী বুঝেছে, কীভাবে বিশ্লেষণ করতে পারে&mdash;এসব যাচাই করা জরুরি।

তিনি বলেন, শুধু বইয়ের তথ্য মুখস্থ করিয়ে মূল্যায়ন করলে শিক্ষার প্রকৃত মান বোঝা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে দেশে এখনো অভিন্ন ও মানসম্মত মূল্যায়ন পদ্ধতি পুরোপুরি গড়ে ওঠেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষক সংকটে ব্যাহত পাঠদান

দেশের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনের তুলনায় শিক্ষক কম থাকায় নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। একজন শিক্ষককে একাধিক ক্লাস নিতে হচ্ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের আলাদা করে সহায়তা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, শুধু শিক্ষক সংখ্যা বাড়ালেই হবে না; মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ এবং পেশাগত দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ ড. ছিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের নির্বাচনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিন মাস প্রস্তুতি নেওয়ার পরও বোর্ড পরীক্ষায় ফেল করলে শুধু শিক্ষার্থীকে দায়ী করা যায় না। এর পেছনে বিদ্যালয়ের পাঠদান, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, কারিকুলাম বাস্তবায়ন ও শিক্ষকদের পেশাগত দায়বদ্ধতার বিষয়ও বিবেচনায় নিতে হবে।

গ্রাম-শহরের বৈষম্যও প্রভাব ফেলেছে ফলে

এবারের ফলাফলে শহর ও গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়েছে। ঢাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাশের হার ও জিপিএ-৫ তুলনামূলক বেশি হলেও গ্রামাঞ্চলের অনেক প্রতিষ্ঠানের ফল খারাপ হয়েছে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, গ্রামাঞ্চলে দক্ষ শিক্ষক সংকট বড় সমস্যা। শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফল তুলনামূলক ভালো হলেও গ্রাম ও শহরের বৈষম্য দিন দিন প্রকট হচ্ছে।

তিনি বলেন, করোনার পর থেকেই অনেক শিক্ষার্থী শিখন ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। পাশাপাশি শিক্ষাঙ্গনের অস্থিরতারও প্রভাব পড়েছে ফলে। গ্রাম-শহরের বৈষম্য কমানো এবং শিক্ষক সংকট দূর করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

শিক্ষাবিদদের মতে, এবারের এসএসসির ফলাফলকে শুধু ব্যর্থতা হিসেবে না দেখে শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করার সুযোগ হিসেবে নিতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 12 Aug 2026 07:36:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে বুধবার বন্ধ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117388" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117388</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পবিত্র আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে বুধবার (১২ আগস্ট) দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত বার্ষিক ছুটির তালিকায় এ উপলক্ষে এক দিনের ছুটি রাখা হয়েছে।

ছুটির আওতায় থাকবে সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়। তবে আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে ঘোষিত এ ছুটি সরকারি সাধারণ ছুটি নয়; এটি ঐচ্ছিক ছুটির অন্তর্ভুক্ত।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আখেরি চাহার সোম্বা উপলক্ষে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি এর অধিভুক্ত সব কলেজও বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ছুটি ঘোষণা করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও বুধবারের ছুটি নিয়ে নিজ নিজ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

আখেরি চাহার সোম্বা সফর মাসের শেষ বুধবার। মুসলিম সমাজে দিনটি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে থাকে। এ উপলক্ষে বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দোয়া, মিলাদ, আলোচনা ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 12:29:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুমিল্লায় প্রথম ইভা, পেয়েছেন ১২৫০ মধ্যে ১২১৭ নম্বর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117384" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117384</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অসাধারণ ফলাফল করে কুমিল্লা জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে জাকিয়া সুলতানা ইভা। ইভা ১২৫০ মধ্যে ১২১৭ নম্বর পেয়েছে।

ইভা দেবিদ্বার মফিজ উদ্দিন আহমেদ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। সে দেবিদ্বার উপজেলার বারুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ জামাল হোসেন ও শাহিনুর আকতার দম্পতির মেয়ে। তার বাবা-মা দুজনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

ইভা জানায়, বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা, শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা এবং নিজের কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের কারণেই এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

ইভার এমন ফলাফলে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে তার ভবিষ্যৎ স্বপ্ন পূরণ ও আরও বড় সাফল্যের জন্য সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জাকিয়া সুলতানা ইভা বলেন, &lsquo;ভবিষ্যতে মেডিকেলে পড়াশোনা করে একজন মানবিক চিকিৎসক হিসেবে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।&rsquo;

ইভার বাবা মোহাম্মদ জামাল হোসেন বলেন, &lsquo;এই কৃতিত্ব শুধু আমাদের পরিবারের জন্য নয়, দেবিদ্বারের শিক্ষাঙ্গনের জন্যও গর্বের। তার এই সাফল্য ভবিষ্যতে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীদেরও ভালো ফলাফল অর্জনে অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমার মেয়ের জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।&rsquo;

দেবিদ্বার মফিজ উদ্দিন আহমেদ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান বলেন, &lsquo;ইভার এই সাফল্যে আমাদের বিদ্যালয় পরিবারের সবাই অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তার মেধা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের এই স্বীকৃতি ভবিষ্যৎ পথচলায় আরও বড় সাফল্যের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠুক&mdash;এটাই আমাদের প্রত্যাশা।&rsquo;

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 11:30:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষামন্ত্রী, ‘ফলাফল তোমার পরিচয় নয়’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117366" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117366</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, পরীক্ষার ফল কোনো শিক্ষার্থীর পরিচয় নয়; এটি নির্দিষ্ট একটি দিনে কয়েক ঘণ্টার পরীক্ষায় খাতায় লেখা উত্তরের একটি হিসাব মাত্র।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, &lsquo;আজকের ফলাফল তোমার পরিচয় নয়। এটি কেবল পরীক্ষার সেই নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টায় তোমার খাতায় লেখার একটা হিসাব মাত্র। তোমার পরিশ্রম, তোমার স্বপ্ন&mdash;এসবের কোনো নম্বর হয় না।&rsquo;

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফল প্রকাশের দিনটি অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য বেদনা ও হতাশার হতে পারে। বন্ধুদের আনন্দ, পরিবারের নীরবতা এবং নিজের ভেতরের অস্বস্তি&mdash;সব মিলিয়ে তাদের মনে হতে পারে, সবকিছু যেন থেমে গেছে। তবে বাস্তবে কিছুই থেমে যায়নি।

তার ভাষায়, &lsquo;প্রতিবেশীর কৌতূহল, আত্মীয়ের তুলনা, সহপাঠীদের উপেক্ষা&mdash;সব মিলিয়ে তোমাদের ওপর হয়তো এক গভীর হতাশা ভর করেছে।&rsquo; এ কঠিন সময়ে হতাশ না হয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান

অভিভাবকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এ সময় সবচেয়ে বেশি ভয় পেতে পারে বাবা-মায়ের মুখোমুখি হতে। তাই তাদের বকাঝকা বা ভৎসনা না করে আদর, স্নেহ ও সহমর্মিতার মাধ্যমে পাশে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, &lsquo;এই মুহূর্তে আপনার একটি কঠিন বাক্য, উপেক্ষা, ভৎসনার চাইতে দরকার একটু আদর, স্নেহময় কথা। ঘরটিকে ওর জন্য আদালত নয়, আশ্রয় করে তুলুন।&rsquo;

শিক্ষকদেরও দায়িত্ব আছে

শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। তারা কেন পিছিয়ে পড়েছে, সেই কারণ খুঁজে বের করা শিক্ষকদের দায়িত্ব। ব্যর্থতার দায় শুধু শিক্ষার্থীর নয়, এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদেরও দায়িত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আশাবাদ ব্যক্ত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তাদের জীবনের গল্প এখনো শেষ হয়নি। ভবিষ্যতে সফল হওয়ার পর তারা আজকের দিনটির দিকে ফিরে তাকালে হয়তো মনে হবে, সেদিন অযথাই হতাশ হয়েছিল।

তিনি বলেন, &lsquo;তোমার জীবনের গল্প আজ শেষ হয়নি; একসময় দেখবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি এখনো লেখা হয়নি।&rsquo;

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন, এসব শিক্ষার্থী একদিন দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাদের সেই যাত্রায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাশে আছে, ছিল এবং থাকবে।

এসএসসিতে ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার

এর আগে সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার এ পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগও দেওয়া হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 09:24:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যেভাবে করবেন এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117351" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117351</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। আবেদন করতে প্রথমে বোর্ড নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য প্রথমে [rescrutiny.eduboardresults.gov.bd] ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর শিক্ষার্থীর রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে। ড্রপডাউন মেনু থেকে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে &lsquo;সাবমিট&rsquo; বাটনে ক্লিক করতে হবে।

পরবর্তী ধাপে একটি সচল মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ওই নম্বরেই এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হবে।

এরপর স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। যেসব বিষয়ের খাতা পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো টিক চিহ্ন দিয়ে নির্বাচন করতে হবে। এক বা একাধিক বিষয় নির্বাচন করার পর &lsquo;ফি প্রদান করুন&rsquo; বাটনে ক্লিক করলে পরবর্তী স্ক্রিনে মোট ফির পরিমাণ দেখাবে।

নির্ধারিত ফি বিকাশ, নগদ অথবা সোনালী সেবার মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নিয়ম জানতে আবেদন পোর্টালে থাকা &lsquo;হেল্প&rsquo; বাটন ব্যবহার করা যাবে।

ফি পরিশোধ সফলভাবে সম্পন্ন হলে পুনরায় আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করে &lsquo;জমা দিন&rsquo; বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপরই পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

এদিকে, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় একযোগে প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছেন।

এসএমএসে ফল জানতে যেকোনো মোবাইল নম্বর থেকে ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে বার্তা পাঠাতে হবে। ১৬১৪০ নম্বরে ফল জানতে &lsquo;SSC&rsquo; লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর একটি স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং আরেকটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে পাঠাতে হবে।

উদাহরণ হিসেবে, &lsquo;SSC Dha 123456 2026&rsquo; লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠালে ফল জানা যাবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 06:31:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ থেকে শুরু এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117349" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117349</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হচ্ছে আজ থেকে। আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।

গত ৮ আগস্ট বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি পত্রের জন্য পুনর্নিরীক্ষণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। বাংলা ও ইংরেজির মতো দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি অনলাইনে বিকাশ, নগদ ও সোনালী সেবার মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।

ফি পরিশোধ করে আবেদন জমা দেওয়ার পরও কোনো শিক্ষার্থী অতিরিক্ত বিষয়ের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নতুন করে আবেদন করা যাবে। তবে দ্বিতীয়বার আবেদনের সময় মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

আবেদন ফি পরিশোধের আগে নির্বাচিত বিষয়ে কোনো ভুল হলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। এ জন্য &lsquo;মুছে ফেলুন&rsquo; বাটনে ক্লিক করে অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় বাদ দিয়ে নতুন বিষয় নির্বাচন করা যাবে। তবে একবার ফি জমা দেওয়ার পর নির্বাচিত বিষয় পরিবর্তন বা বাতিলের সুযোগ থাকবে না। একই সঙ্গে পরিশোধ করা ফিও ফেরত দেওয়া হবে না।

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গত ১৯ বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে কম পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। ফলে ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনে এবার শিক্ষার্থীদের আগ্রহও বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 06:23:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তরুণ কলাম লেখক ফোরামের আইন বিষয়ক সম্পাদক নোবিপ্রবির রেদোয়ান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117343" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117343</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&lrm;বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পর্ষদে আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. রেদোয়ান।

&lrm;সোমবার (১০ আগস্ট) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মো. জাহানুর ইসলাম ও স্থায়ী পর্ষদের মুখপাত্র মাহদী হাসান মজুমদার কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা দেওয়া হয়।

&lrm;ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. রুহুল আমিন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইশা সুলতানা সাদিয়া মনোনীত হয়েছেন।

&lrm;&lrm;দায়িত্ব পাওয়ার পর নবমনোনীত আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. রেদোয়ান বলেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আমি ফোরামের আইনভিত্তিক কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ ও কার্যকর করতে চাই। নিয়মিত আইনবিষয়ক লেখালেখি, সমসাময়িক আইন ও বিচারব্যবস্থার বিশ্লেষণ, গুরুত্বপূর্ণ বিচারিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা, আইনসচেতনতামূলক কর্মশালা, সেমিনার, বিতর্ক ও অন্যান্য বুদ্ধিবৃত্তিক আয়োজনের মাধ্যমে সদস্যদের আইনবিষয়ক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে চাই। একই সঙ্গে তরুণ লেখকদের মধ্যে আইন, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও সংবিধান বিষয়ে চিন্তাশীল লেখালেখির চর্চা আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় রাখি।

&lrm;&lrm;তিনি শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, এই গুরুদায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে ফোরামের লক্ষ্য ও অগ্রযাত্রায় যাতে কার্যকর অবদান রাখতে পারি, সেজন্য আমি সকল শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া, সহযোগিতা ও শুভকামনা প্রত্যাশা করছি।

&lrm;&lrm;উল্লেখ্য, &lsquo;সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়&rsquo;&mdash;এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। বর্তমানে দেশের ২৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের লেখালেখিতে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 05:55:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হারে সর্বনিম্ন নোয়াখালী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117319" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117319</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হারে ছয় জেলার মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে নোয়াখালী। তবে জেলার সেরা ফলাফল করেছে নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। শতভাগ পাসের পাশাপাশি এ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫২ জন শিক্ষার্থী।

সোমবার প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবার ২৪৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। এর মধ্যে ১৫২ জন পেয়েছে জিপিএ-৫। ফলে গতবারের ধারাবাহিকতায় এবারও বিদ্যালয়টি জেলায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নোয়াখালী জিলা স্কুল। এ বিদ্যালয় থেকে ২৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৩০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩১ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৯৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।

প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, নোয়াখালী জেলায় সার্বিক পাসের হার ৫৯.৯৮%, যা কুমিল্লা বোর্ডের গড় পাসের হার (৬৫.৪২%) অপেক্ষা প্রায় ৫.৪৪% কম। তবে এ বছর ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও পাশের হার অনেকটা ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।দেখা যায় মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে ছেলেদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেছে ১০ হাজার ৩৫৭ জন পাশ করেছে ৬ হাজার ৮ জন অন্যদিকে মেয়েদের অংশগ্রহণ ছিল ১৪ হাজার ৭২৬ জন পাশ করেছে ৯ হাজার ৩৮ জন।এর মধ্যে জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১হাজার২১৭ জন শিক্ষার্থী এবং শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠান ৪টি। গত বছর ও এ জেলায় পাশের হার ছিল ৪০ দশমিক ৪৩ শতাংশ যদিও এ বছর কিছুটা বেড়েছে।

এ দিকে জেলাভিত্তিক ফলাফলে পিছিয়ে থাকলেও উপজেলা পর্যায়ে ভালো ফলাফল দেখিয়েছে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যেখানে পাশের হার ৬৮.৬৮% হলেও জিপিএ-৫ সর্বোচ্ছ ৬৩০টি পেয়েছে নোয়াখালী সদর উপজেলা। ফলাফল খারাপ করেছে হাতিয়া উপজেলা যার পাশের ৪৮.৭০ শতাংশ।

নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করার ব্যাপারে বলেন, শিক্ষকদের কঠোর নজরদারি, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, অভিভাবকদের সঠিক তত্ত্বাবধায়ন এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি তীব্র নজরধারী ও তাদের কঠোর অধ্যাবসায়ই এ সাফল্যের মূল কারণ। তিনি বলেন গত বছরেও এই বিদ্যালয়টি জেলায় ফলাফলে শীর্ষস্থানে ছিল। আগামী বছরেও ফলাফল শতভাগ করার জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা নিয়ে পাঠদান করানো হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 12:05:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসি ফলে ধস, ১৯ বছরের সর্বনিম্ন পাসের হার; গণিত-ইংরেজিতে বিপর্যয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117316" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117316</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় ধরনের সংকটের ইঙ্গিত দিয়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। ২০০৭ সালের পর অর্থাৎ গত ১৯ বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন পাসের হার। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য বিশ্লেষণে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। আর সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার ৬ দশমিক ২০ শতাংশ কমার পাশাপাশি জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার ১৪ লাখ ৪ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৬১০ জন। ফলে এসব বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সাফল্য বেশি। মোট ৬ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৩ জন ছেলে পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৪ জন। ছেলেদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

অন্যদিকে ৭ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৬ জন মেয়ে পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৩ হাজার ৭৯৬ জন। মেয়েদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ।

জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৪৭ হাজার ৩০৪ জন ছেলে এবং ৫৮ হাজার ৭০৫ জন মেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ফলে পাসের হার এবং জিপিএ-৫&mdash;দুই ক্ষেত্রেই মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল আরও পিছিয়ে রয়েছে

এবার দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন। পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষাতেও ফলাফল সন্তোষজনক হয়নি। মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন। অনুপস্থিত ছিল ৭ হাজার ২১৫ জন।

অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭৪ হাজার ৪৭০ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৫৩ হাজার ৪৯৪ জন। সব মিলিয়ে কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।

এসএসসি ও সমমানের গত কয়েক বছরের ফলাফল পর্যালোচনা করলে এবারের অবনতির মাত্রা আরও স্পষ্ট হয়

২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ১৬ শতাংশ। এরপর কয়েক বছর ধারাবাহিকভাবে এই হার বাড়ে। ২০১৪ সালে তা ৯১ দশমিক ৩৪ শতাংশে পৌঁছায়।

২০১৭ সালে খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন মানদণ্ড প্রয়োগের পর পাসের হার কমে ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমে আসে। এরপর করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসে।

২০২১ সালে বিষয় ম্যাপিং ও বিশেষ মূল্যায়নের মাধ্যমে ফল প্রকাশের কারণে পাসের হার বেড়ে ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশে দাঁড়ায়। এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ হারগুলোর একটি।

করোনা-পরবর্তী সময়ে নিয়মিত পরীক্ষা এবং পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে ফিরে আসার পর পাসের হার আবার নিম্নমুখী হয়। ২০২৫ সালে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশে নেমেছিল। এবার সেটি আরও কমে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে।

গণিত-ইংরেজিতে দুর্বলতা বড় কারণ

এবারের ফলাফলে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের মতে, এই দুই মৌলিক বিষয়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সামগ্রিক পাসের হারেও বড় প্রভাব পড়েছে।

এর সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণের বিষয়টিও ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, ফলাফল কমে যাওয়ার বিষয়টি শুধু নেতিবাচক হিসেবে দেখলে সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করা সম্ভব হবে না। বরং কোন বিষয়ে এবং কোন স্তরে শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি রয়েছে, সেটি শনাক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এসএসসি ফলাফলের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফলেও। এ বছর শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে ৬৬৯টিতে দাঁড়িয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯৬৮টি।

অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে।

অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি&mdash;এমন শূন্য পাস বা জিরো পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩১২টি। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের মান, শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতা এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান মনে করেন, শুধু পাসের হার কমেছে&mdash;এমন দৃষ্টিভঙ্গিতে এবারের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে চলবে না।

তার মতে, কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি পিছিয়ে পড়েছে এবং কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানে ফলাফল খারাপ হয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা দরকার। বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজির মতো মৌলিক বিষয়ে দুর্বল শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে পাঠদানের মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া এবং নির্ধারিত মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করার কারণে এবারের ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। একই সঙ্গে এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শেখার ঘাটতিও সামনে এসেছে।

ফল ভালো দেখানোর পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা যাতে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেটিকেই শিক্ষাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য করা উচিত বলেও তিনি মত দেন।

খারাপ ফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষাবিদদের মতে, এবারের ফলাফল মাধ্যমিক শিক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে থাকা বিভিন্ন দুর্বলতার একটি প্রতিফলন। তাদের মতে, কেবল পাসের হার বাড়ানোর চেষ্টা না করে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শেখার সক্ষমতা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মতে, শিক্ষা ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের নানা সমস্যার প্রভাব এবারের ফলাফলে স্পষ্ট হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়মিত পড়াশোনার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতি এবং বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে এখনও সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। মোবাইল ও ডিজিটাল সংস্কৃতির প্রভাব, পারিবারিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক নানা সমস্যাও অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনায় প্রভাব ফেলছে।

ফলে যারা নিয়মিত পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাদের ফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে। বিপরীতে পড়াশোনা থেকে দূরে থাকা শিক্ষার্থীদের ফল খারাপ হয়েছে।

গণিত ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা নতুন কোনো বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেন ড. জিন্নাহ। তার মতে, প্রতিবছর একই সমস্যা সামনে এলেও শুধু ফলাফল প্রকাশ ও মন্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে সমস্যার সমাধান হবে না।

এ জন্য শিক্ষা বোর্ডগুলোকে গণিত ও ইংরেজির শিক্ষকদের নিয়ে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য রেমিডিয়াল বা প্রতিকারমূলক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর ওপর জোর দিয়েছেন।

কোন শিক্ষার্থী কেন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দুর্বল, সেটি চিহ্নিত করে তার জন্য আলাদা সহায়তা নিশ্চিত করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রয়োজন হলে শিক্ষকদের এই কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে প্রণোদনার ব্যবস্থাও করা যেতে পারে বলে মত দেন তিনি।

তার মতে, প্রচলিত কোচিং ব্যবস্থার পরিবর্তে স্কুল পর্যায়েই পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সাপোর্ট লার্নিং চালু করা হলে গণিত ও ইংরেজিতে দুর্বলতা কমানো সম্ভব।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফল নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ড. জিন্নাহ। তার মতে, কারিগরি শিক্ষায় দীর্ঘদিনের সমস্যা এক বা দুই বছরের মধ্যে দূর করা সম্ভব নয়।

এই খাতে দক্ষ শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের ঘাটতি, আধুনিক যন্ত্রপাতির সংকট, পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধার অভাব এবং শিক্ষার পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে উদ্বুদ্ধ ও নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

এসব বিষয় সমাধানে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাকে সামগ্রিকভাবে পুনর্গঠন করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

এদিকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হলে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১১ আগস্ট ২০২৬ থেকে। শিক্ষার্থীরা ১৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত এ আবেদন করার সুযোগ পাবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 11:51:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117312" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117312</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ফল প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষার্থীরা অনলাইন, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মুঠোফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

এবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এছাড়া বরিশাল বোর্ডে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, দিনাজপুরে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ, কুমিল্লায় ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, রাজশাহীতে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, সিলেটে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, যশোরে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ, ময়মনসিংহে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

ফল জানতে পরীক্ষার্থীরা eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারবেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করা যাবে।

মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং আরেকটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে SSC DHA ROLL YEAR। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষার্থীদের SSC MAD ROLL YEAR এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এর মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেন। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করেন ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

এদিকে ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামীকাল ১১ আগস্ট থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে, যা চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত ওয়েবসাইটের &lsquo;Result&rsquo; কর্নারে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN ব্যবহার করে ফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করতে পারবে। এছাড়া পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর কমন ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এসএমএসের মাধ্যমে ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরেও ফল জানা যাবে।

এদিন ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 11:42:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ আজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117295" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117295</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে। একই সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ফল প্রকাশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করবেন। এরপর পরীক্ষার্থীরা অনলাইন, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোনের খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, সোমবার সকাল ১০টায় একযোগে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট&mdash;eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd&mdash;থেকেও ফল জানা যাবে।

এসএমএসে যেভাবে ফল জানা যাবে

মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং আরেকটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে:

SSC DHA ROLL YEAR

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে:

SSC MAD ROLL YEAR

আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে:

SSC TEC ROLL YEAR

এই এসএমএস ১৬১৪০ নম্বরে পাঠালে ফিরতি বার্তায় ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এই চার্জের মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া ১৬২২২ নম্বরেও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।

ভোকেশনাল ও দাখিলের ফল

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফলও আজ সকাল ১০টায় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে প্রকাশ করা হবে।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটের Result কর্নারে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান কোড ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক Result Sheet ডাউনলোড করা যাবে। এছাড়া result.bteb.gov.bd, educationboardresults.gov.bd ও eduboardresult.gov.bd ওয়েবসাইটে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে গ্রেডভিত্তিক Transcript পাওয়া যাবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, দাখিল পরীক্ষার ফলও আজ সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে। বোর্ডের ওয়েবসাইট bmeb.gov.bd-এর &lsquo;অনলাইন সেবা-০১&rsquo; কর্নারে গিয়ে &lsquo;দাখিল পরীক্ষা ২০২৬&rsquo;-এ ক্লিক করেও ফল জানা যাবে। এ ছাড়া ebmeb.gov.bd ওয়েবসাইটে &lsquo;DakhileRPS 2026&rsquo; নির্বাচন করে &lsquo;Continue&rsquo; বাটনে ক্লিক করলে জেলার কেন্দ্রভিত্তিক মাদ্রাসার Result Sheet ডাউনলোড করা যাবে।

এবার পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজার

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে।

এবার এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।

সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর আজ ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।

ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে

ফল প্রকাশের পর আগামী ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

শিক্ষা বোর্ডগুলো জানিয়েছে, ফল জানতে পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত অনলাইন মাধ্যম, এসএমএস অথবা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 02:29:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জবি ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117181" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117181</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সম্ভাব্য আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এড়াতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, একই দিন, একই সময় এবং একই স্থানে তিনটি পৃথক সংগঠন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ক্যাম্পাসে জনসমাগমমূলক সব ধরনের কর্মসূচি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সক্রিয় ছাত্রসংগঠনকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে এবং সবাইকে প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে একাধিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে ছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠান, জবি ছাত্রদলের একটি কর্মসূচি এবং &lsquo;ঐক্যবদ্ধ জগন্নাথ&rsquo;-এর বিক্ষোভ সমাবেশ। এছাড়া একই এলাকায় সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির এক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের আহ্বানে সংবাদ সম্মেলনেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

একই স্থান ও সময়কে কেন্দ্র করে একাধিক কর্মসূচি ঘোষণার কারণে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 06:40:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ ছড়িয়েছে ১৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117178" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/education/117178</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আধিপত্য বিস্তার, আবাসিক হলের নিয়ন্ত্রণ, কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিরোধ এবং বহিরাগত প্রবেশের অভিযোগকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গত তিন দিনে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্তত ১৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসব সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের দাবি অনুযায়ী দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আহতদের মধ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক, ছাত্র সংসদের প্রতিনিধি এবং দুই সংগঠনের নেতাকর্মীরা রয়েছেন। বিভিন্ন স্থানে লাঠিসোঁটা, রড ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কোথাও কোথাও ভাঙচুর ও চিকিৎসাধীনদের ওপর হামলার অভিযোগও পাওয়া গেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় সংঘর্ষের ঘটনা বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি), ঢাকা কলেজ, সরকারি গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি বাঙলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ এবং নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অধিকাংশ ঘটনায় উভয় সংগঠনই একে অপরকে দায়ী করেছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের (জকসু) প্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৭০ জন আহত হন বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টার এবং পাশের ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে।

একই সময়ে রাজধানীর কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এবং সরকারি বাঙলা কলেজেও উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কবি নজরুল সরকারি কলেজে অন্তত পাঁচজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ঢাকা কলেজে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ছাত্রশিবিরের আলোচনা সভার প্রস্তুতিকালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন বলে উভয় পক্ষ দাবি করেছে। সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসে লাঠিসোঁটা হাতে অবস্থান নিতে দেখা যায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের। একই সময় নিউ মার্কেট এলাকায় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে।

সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায় আবাসিক হলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অধ্যক্ষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর ও শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায়ও দুই সংগঠন একে অপরকে দায়ী করেছে।

সরকারি গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটে ছাত্রশিবিরের কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করে হল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রদলের দাবি, নাশকতার পরিকল্পনার তথ্যের ভিত্তিতে তারা অভিযান চালিয়েছে। তবে ছাত্রশিবির অভিযোগ করেছে, বিনা উসকানিতে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হন। ঘটনার পরদিন উভয় সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ঘটনায় তদন্তের ঘোষণা দিয়েছে।

বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে ছাত্রশিবিরের কর্মীদের মারধর করে ছাত্রাবাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই দিনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি র&zwj;্যালিকে কেন্দ্র করে দুই সংগঠনের সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন। বহিরাগতদের অংশগ্রহণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ পরে সহিংসতায় রূপ নেয়।

সরকারি তিতুমীর কলেজে একটি কর্মসূচিতে ছাত্রশক্তির দুই নেতাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫ থেকে ২০ জন আহত হন বলে জানা গেছে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, কমিটি গঠন, হলের নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা বাড়ছে। এসব ঘটনায় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।

এদিকে, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পেশিশক্তি ও সহিংস রাজনীতির অবসান, অস্ত্রধারীদের দ্রুত শনাক্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 04:53:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীজুড়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/117128" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/117128</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের জেরে উভয় পক্ষের বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে ফিরে গেছেন।

দিনভর চলা এসব ঘটনার কারণে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থান নেয়।

শিক্ষা বোর্ডের সামনে হামলার অভিযোগ

রাজধানীর শিক্ষা বোর্ডের সামনে লালবাগ থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক নেছারুদ্দীন রাব্বির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সানাউল্লাহ গুরুতর আহত হন এবং তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত নেছারুদ্দীন রাব্বি জানান, তিনি কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় একদল ব্যক্তি এসে তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের ছাত্রশিবিরের কর্মী বলে তার সন্দেহ।

আলিয়া মাদ্রাসায় সংঘর্ষে বাড়ে উত্তেজনা

সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায় হলকেন্দ্রিক বিরোধকে ঘিরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের একাধিক নেতাকর্মী আহত হন। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

আহতদের মধ্যে সানাউল্লাহ নামে ছাত্রদলের এক সাবেক নেতা গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঢাকা কলেজ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও সংঘর্ষ

এর আগে ঢাকা কলেজ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক ঘটনায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। এসব ঘটনায় আহত কয়েকজন শিক্ষার্থী চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে যান।

ঢাকা কলেজের ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী তাওহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তার ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। একইসঙ্গে প্রভা ও ধ্রুব নামে আরও দুই শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঢামেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন আহতরা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে আহত শিক্ষার্থীরা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়ে গেলেও কয়েকজনকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। গুরুতর আহত অন্তত একজন জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে সতর্ক প্রশাসন

দিনভর সংঘর্ষের ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ, হামলার পেছনের ঘটনা এবং দায়ীদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুলিশি টহলও বাড়ানো হয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 04 Aug 2026 14:01:30 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
