<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/crime</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/feed/crime"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews crime Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest crime News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 19 Aug 2026 12:19:44 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮৩]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117694" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117694</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। একই সময়ে নগরীর বিভিন্ন থানায় ৫৯টি মামলা করা হয়েছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, নকল পণ্য ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারের পাশাপাশি দুই অপহৃত ব্যক্তিকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) নিয়াজ মেহেদী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিএমপির বিভাগভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার অভিযানে সবচেয়ে বেশি গ্রেপ্তার করা হয়েছে মিরপুর বিভাগ থেকে। এ বিভাগে গ্রেপ্তারের সংখ্যা ১৩২ জন। এরপর ওয়ারী বিভাগ থেকে ৮০ জন, উত্তরা থেকে ৫৫ জন, মতিঝিল থেকে ৫৩ জন এবং তেজগাঁও বিভাগ থেকে ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ছাড়া গুলশান বিভাগে ৪০ জন, রমনা বিভাগে ৩৪ জন, লালবাগ বিভাগে ৩৩ জন এবং গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অভিযান চালানোর সময় বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকের মধ্যে রয়েছে ১২০ কেজি গাঁজা, ১২ হাজার ৩৭৫ পিস ইয়াবা, দুই পুরিয়া হেরোইন এবং পাঁচ লিটার দেশি মদ।

পুলিশের অভিযানে মাদক ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী ও আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১১ হাজার ৪৮০টি নকল ক্রিম, ১১টি মোবাইল ফোন, ৫২৬ বস্তা চাল, দুটি চাকু, একটি মোটরসাইকেল, একটি প্রাইভেটকার এবং একটি প্রাইভেটকারের রিমোট চাবি।

ডিএমপির অভিযানের সময় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে অপহরণের শিকার দুই ব্যক্তিকেও উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার এবং সংশ্লিষ্ট আলামত জব্দ করা হয়।

ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ডিএমপির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 12:19:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে ডিএমপির সাঁড়াশি অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৫৯]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117536" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117536</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অভিযোগ ও ঘটনায় ৪৪টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এসব তথ্য জানান।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারদের মধ্যে মিরপুর বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ১১৮ জনকে আটক করা হয়েছে। এরপর গুলশান বিভাগে ১০৫ জন এবং ওয়ারী বিভাগে ৮৭ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

এ ছাড়া তেজগাঁও বিভাগে ৭৯ জন, মতিঝিল বিভাগে ৬৫ জন, লালবাগ বিভাগে ৩৩ জন, রমনা বিভাগে ৩২ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৭ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

ডিএমপির নিয়মিত অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও অন্যান্য আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানের সময় তিনটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও নয় রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।

এ ছাড়া একটি খেলনা পিস্তল, দুটি সুইচ গিয়ার, একটি চাকু এবং একটি শার্প ব্লেড উদ্ধার করেছে পুলিশ। অভিযানে ১৭টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২ হাজার ৭০০ টাকাও জব্দ করা হয়েছে।

 

অস্ত্রের পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫১০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার ৭১০ পিস ইয়াবা এবং ১০০ পুরিয়া হেরোইন।

এ ছাড়া ১৫ বোতল দেশি মদ ও এক লিটার বিদেশি মদও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

 

ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন থানার আওতাধীন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার সময় এসব গ্রেপ্তার ও উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

রাজধানীতে অপরাধ দমন, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 11:34:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডেইরি ফার্মে আবেদ আলীর  অপরাধ সাম্রাজ্য]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117533" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117533</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাভারের আশুলিয়ায় কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের (ডেইরি ফার্ম) ভেতরে বহিরাগতদের দাপট ও নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগের মধ্যেই চাঁদা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মাছ ছিনতাইয়ের চেষ্টায় বাঁধা দেয়ায় বাবা-ছেলেসহ তিনজনকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে আবেদ আলী (৪২)-এর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-ছয়জনকে হামলায় জড়িত থাকার কথা বলা হয়েছে।

আবেদ আলীর সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় ডেইরী ফার্মের কর্মচারী জয়নাল মিয়া (৪৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁর অণ্ডথলির চামড়া ছিঁড়ে যাওয়ায় মুমুর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এছাড়া তার দুই ছেলেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আবেদ আলী দীর্ঘদিন ধরে ডেইরি ফার্মের ভেতরে একটি প্রভাবশালী চক্র গড়ে তুলেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ঘাস চুরি, ছিনতাই, মাদক কারবার ও নারীদের হয়রানিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আবেদ আলীর সঙ্গে কলমা উত্তরপাড়ার আমিনুল এবং পাথালিয়ার আমবাগান এলাকার কোরবান আলী মাস্টারের ছেলে মারুফ ওরফে &lsquo;সাইকো মারুফ&rsquo;সহ কয়েকজনের একটি চক্র রয়েছে। এই চক্রের ভয়ে ফার্মের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আশপাশের অনেক বাসিন্দা দীর্ঘদিন ধরে মুখ খুলতে সাহস করেননি।

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, অভিযোগের বাদি সজিব শেখ ও তাঁর বাবা জয়নাল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ডেইরি ফার্মে কর্মরত। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে আবেদ আলী তাঁর বাবার কাছে ফার্ম এলাকায় ব্যবসা করার জন্য ২০ হাজার টাকা চাঁধা দাবি করছিলেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। গত ৯ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে আবেদ আলীসহ পাঁচ-ছয়জন ডেইরি ফার্মের কর্মস্থলে ঢুকে আবারও টাকা দাবি করেন। একপর্যায়ে পুকুর থেকে মাছ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে জয়নাল বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে মারধর করা হয়। হামলার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ফার্মের মালেক বায়ার শাখার কর্মচারী মকবুল, মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী জলিলসহ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে অভিযোগকারীরা জানান।

ভুক্তভোগী সজিবের অভিযোগ, হামলাকারীরা তাঁর বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। একপর্যায়ে জয়নালের অণ্ডথলির চামড়া ছিঁড়ে গুরুতর জখম হয়। বাবাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে সজিব ও তাঁর বড় ভাই রাসেল মিয়া (২৯)-কেও মারধর করা হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা চলে যায়। তবে ঘটনার পর বিষয়টি প্রকাশ করলে মিথ্যা মামলা এবং জানমালের ক্ষতির হুমকি দেয় হামলাকারীরা।

সজিব শেখ বলেন, &ldquo;চাঁদার টাকা না দেওয়ায় আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। আমার বাবাকে গুরুতরভাবে আহত করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চাই।&rdquo;

&lsquo;ফার্মের ভেতরেই অপরাধের ঘাঁটি&rsquo;
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীর ভাষ্য, ডেইরি ফার্মের বিশাল এলাকা ও আবাসিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে আবেদ আলী দীর্ঘদিন ধরে সেখানে প্রভাব বিস্তার করছেন। ফার্মের ঘাস চুরি, ছিনতাই, মাদক কারবার, নারীদের হয়রানি ও শ্লীলতাহানিসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে আবেদ আলী ও তাঁর সহযোগীদের নাম জড়িয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী বলেন, &ldquo;পতিত সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে আবেদ আলী ও তাঁর সহযোগীরা ফার্মের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতেন। এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন, যাঁর সঙ্গে তাঁদের কোনো না কোনো বিরোধ হয়নি। সাইকো মারুফ&rsquo; নামে পরিচিত মারুফ রাজনৈতিকভাবে আবেদ আলী ও তাঁর সহযোগীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিতেন। ৫ আগস্টের আগে সরকার পতনের আন্দোলনের সময়ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে আবেদ আলীর বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের আরও দাবি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সময় অস্ত্রধারী একটি দলের সঙ্গে আবেদ আলী ও তাঁর সহযোগীদের সম্পৃক্ততা ছিল। আন্দোলনকারীদের ধাওয়া খেয়ে ওই দলের কয়েকজন ডেইরি ফার্মের ভেতর দিয়ে পালিয়ে যায় বলেও তাঁদের দাবি করেন স্থানীয়রা।

২০২৪ এর ৫ আগস্টে সরকার পতনের পর কিছুদিন আত্মগোপনে থাকায় আবেদ আলী ও তাঁর সহযোগীদের প্রকাশ্য তৎপরতা কমে যায়। সম্প্রতি তাঁরা আবার এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন। যার ফলে আবারও ফার্মের ভেতরে মাদক সেবন ও বেচাকেনাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

আহত জয়নাল মিয়ার ছেলে ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী রাজিব বলেন, &ldquo;আমার বাবার সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই চক্রের বিরুদ্ধে শুধু হামলার অভিযোগ নয়, ডেইরি ফার্মের ভেতরে মাদকসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। আমরা তাঁদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।&rdquo;


কর্তৃপক্ষের অবস্থান

কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত আবেদ আলীর চাচা মো. শহর আলীকে শোকজ করা হয়েছে। ফার্মের আবাসিক এলাকায় বহিরাগতদের অবস্থান ঠেকাতে সবাইকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বাসায় অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত লোকজন পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল রানা বলেন, &ldquo;অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি। ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&rdquo;

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবেদ আলী, আমিনুল ও মারুফের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তাধীন; অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আইনগতভাবে তাঁদের দায়ী বলা যাচ্ছে না ।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 10:50:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীর ২০৪ হটস্পটে ১,৩৮৭ ছিনতাইকারী, সন্ধ্যার পরই বাড়ছে আতঙ্ক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117497" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117497</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানী ঢাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, নগরীর ২০৪টি এলাকাকে ছিনতাইয়ের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় সক্রিয় রয়েছে তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৩৮৭ জন পেশাদার ছিনতাইকারী। ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে পথচারীদের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

ডিএমপির হিসাবে, গত ছয় মাসে রাজধানীতে ছিনতাই সংক্রান্ত ১৫৮টি মামলা হয়েছে। এর বাইরে ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে আরও। ফলে মামলা ও জিডির বাইরেও রাজধানীতে ছিনতাইয়ের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি শ্যামলীর একটি আবাসিক এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। গত ২৩ জুলাই ভোরে শ্যামলীর ২ নম্বর রোডে মোটরসাইকেলে করে তিন ব্যক্তি এসে এক পথচারীর কাছে ঠিকানা জানতে চায়। কাছে যাওয়ার পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা। এ সময় আশপাশের লোকজনকে অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোরও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ওই এলাকায় এর আগেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কয়েক মাস আগে একই কৌশলে এক পথচারীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পাশের ৪ নম্বর রোডেও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বসবাস করলেও সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন।

স্থানীয়দের মতে, নিরাপত্তাকর্মী ও প্রবেশপথে গেট থাকা আবাসিক এলাকাতেও যদি ভোররাতে ছিনতাই ঘটে, তাহলে নগরীর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। বিশেষ করে রাতের শেষভাগ ও ভোরে জনসমাগম কমে গেলে ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে তেজগাঁও বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৫১টি ছিনতাই হটস্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকার মধ্যে বসিলা ৪০ ফিট, লাউতলা, গার্ডেন সিটির মুখ, ঢাকা উদ্যান নদীর ওয়াকওয়ে, হাক্কারপাড় ব্রিজ, রায়েরবাজার আজিজ খান রোড ও বোর্ডঘাট উল্লেখযোগ্য।

এ ছাড়া মতিঝিল বিভাগে ৩২টি, মিরপুরে ২৭টি, রমনায় ২৫টি এবং গুলশানে ২১টি এলাকাকে ছিনতাইয়ের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

শুধু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করেই থেমে নেই পুলিশ। ডিএমপি রাজধানীতে ১ হাজার ৩৮৭ জন পেশাদার ছিনতাইকারীর তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় সবচেয়ে বেশি ছিনতাইকারীর নাম রয়েছে ওয়ারী এলাকায়&mdash;৩০৮ জন।

এরপর উত্তরা ও তেজগাঁও এলাকায় রয়েছে ২৪০ জন করে। মতিঝিল, লালবাগ ও রমনা এলাকাতেও দেড় শতাধিক করে ছিনতাইকারীর তথ্য পুলিশের তালিকায় রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারীদের ধরতে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিভাগভিত্তিক তালিকা সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে পাঠানো হয়েছে। নতুন কেউ ছিনতাইয়ের ঘটনায় আইনের আওতায় এলে তাকেও ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, তালিকাভুক্ত কেউ জামিনে কারাগার থেকে বের হলে তার তথ্যও সংরক্ষণ করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে তাকে নজরদারির আওতায় রাখা হয়।

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, শুধু ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। অপরাধের সঙ্গে যুক্ত পৃষ্ঠপোষক বা নেপথ্যের ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।

সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, একাধিক মামলা থাকার পরও কীভাবে অভিযুক্তরা দ্রুত জামিনে বের হয়ে আসে, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ছিনতাই চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কথিত গডফাদার ও পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়বে।

রাজধানীতে ছিনতাই নিয়ন্ত্রণে রাতের শেষভাগ থেকে ভোর পর্যন্ত পুলিশের টহল বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে চিহ্নিত হটস্পটগুলোতে নিয়মিত নজরদারি, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারীদের পাশাপাশি তাদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর ব্যস্ত সড়ক থেকে আবাসিক গলি&mdash;বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে, তা কাটাতে পুলিশের তৎপরতার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়েও নজরদারি বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 14 Aug 2026 08:48:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পল্লবীতে ‘ল্যাংড়া’ রুবেলসহ গ্রেপ্তার পাঁচ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117409" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117409</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর পল্লবীতে মাদক বিক্রির ১৫ লাখ টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় কুখ্যাত মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী &lsquo;ল্যাংড়া&rsquo; রুবেলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন&mdash; হামিদ খান ওরফে মাখন, &lsquo;ল্যাংড়া&rsquo; রুবেল, তানজিদ আহাম্মেদ ওরফে বাপ্পা, পারভেজ ও রাব্বী।

তাদের কাছ থেকে গোলাগুলিতে ব্যবহৃত একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন, এক হাজার পিস ইয়াবা এবং মাদক কারবারে ব্যবহৃত দুটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

গোলাগুলির ঘটনায় আহত দুইজন

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, গত ৭ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় ইমনের চায়ের দোকানের সামনে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে আলমগীর নামে এক ব্যক্তি পেটে ও মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। একই ঘটনায় জোসনা নামে এক পথচারী নারী পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।

এ ঘটনায় আলমগীরের স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে পল্লবী থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়। ঘটনার পর ডিবির মিরপুর বিভাগ ছায়া তদন্ত শুরু করে।

ভিডিও ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গোলাগুলিতে ব্যবহৃত একটি টয়োটা প্রিমিও গাড়ি শনাক্ত করে পুলিশ। পরে গাড়ির মালিক হামিদ খান ওরফে মাখনকে পল্লবী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৫ লাখ টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ

ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে হামিদ খান জানান, গাড়িটি তার নামে নিবন্ধিত হলেও এর প্রকৃত মালিক কুখ্যাত মাদক কারবারি &lsquo;ল্যাংড়া&rsquo; রুবেল।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রুবেলের সহযোগী পারভেজ ও রাব্বীকে কালশী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে রুবেলের ব্যবহৃত একটি সাদা টয়োটা ভক্সি গাড়ি এবং গাড়ির ভেতর থেকে এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পরে পারভেজ ও রাব্বীর তথ্যের ভিত্তিতে রূপনগর থানার ইস্টার্ন হাউজিং সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে &lsquo;ল্যাংড়া&rsquo; রুবেল ও তানজিদ আহাম্মেদ ওরফে বাপ্পাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।

ডিবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, মাদক বিক্রির ১৫ লাখ টাকা ভাগাভাগি নিয়ে রুবেল ও তার সহযোগীদের সঙ্গে আলমগীরের বিরোধের জেরে ওই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

তবে ডিবি প্রধান বলেন, আলমগীর নিজেও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। কিন্তু এ ঘটনায় তিনি ভুক্তভোগী হিসেবে মামলার বাদী হয়েছেন।

রুবেলের সম্পদের তদন্ত চলছে

ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, অপরাধীর কোনো পরিচয় বিবেচনা করা হবে না। অপরাধের সঙ্গে যে-ই জড়িত থাকুক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

তিনি জানান, &lsquo;ল্যাংড়া&rsquo; রুবেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। মাদক কারবারের অর্থ দিয়ে তিনি কোথাও বিনিয়োগ করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে মানি লন্ডারিং মামলার জন্য সিআইডিতে তথ্য পাঠানো হবে।

তিনি আরও বলেন, রুবেলের নামে গাড়ি নিবন্ধিত না থাকলেও প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গাড়িগুলো তিনিই কিনে দিয়েছেন। হেমায়েতপুরে তার বসবাসের বাড়ি নিয়েও তদন্ত চলছে।

ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, রুবেলের দৃশ্যমান কোনো আয়ের উৎস পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক কারবারই তার আয়ের প্রধান উৎস।

আরও কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা

শফিকুল ইসলাম জানান, গোলাগুলির সময় গাড়িতে বাপ্পাসহ আরও কয়েকজন ছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলার পাশাপাশি অস্ত্র আইন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়া হতে পারে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 12 Aug 2026 09:09:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চুরির সময় বাধায় আঙুল হারাল চোর, নিয়েও গেল দুই ফোন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117194" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117194</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঝালকাঠির রাজাপুরে চুরি করতে গিয়ে এক চোর গৃহবধূর সাহসী প্রতিরোধের মুখে আঙুলের একটি অংশ হারিয়েছে। তবে আহত অবস্থাতেও সহযোগীদের সহায়তায় পালিয়ে যাওয়ার সময় ওই চোরের দল ঘর থেকে দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ডহশংকর গ্রামের এক প্রবাসীর বাড়িতে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় চোর ঘরে প্রবেশ করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে ঘরের ভেতরে শব্দ শুনে ঘুম ভেঙে যায় গৃহবধূ ঝুমুর বেগমের। তিনি উঠে একজন অপরিচিত ব্যক্তিকে দেখতে পান। এ সময় তিনি চিৎকার করলে চোর তার মুখ চেপে ধরে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

চোরের সঙ্গে গৃহবধূর ধস্তাধস্তি শুরু হলে একপর্যায়ে চোরের একটি আঙুল তার মুখের কাছে চলে আসে। তখন আত্মরক্ষার চেষ্টা হিসেবে তিনি আঙুলটি শক্ত করে কামড়ে ধরেন। এতে চোরের আঙুলের একটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আহত হওয়ার পর চোর গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘরের দরজা খুলে বাইরে অপেক্ষায় থাকা সহযোগীদের সঙ্গে পালিয়ে যায়। তবে যাওয়ার আগে তারা ঘর থেকে দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।

চোর পালিয়ে যাওয়ার পর গৃহবধূর চিৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে চোরের বিচ্ছিন্ন আঙুলের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরি ও চুরির চেষ্টার ঘটনা বেড়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা রাতের বেলায় পুলিশের টহল বাড়ানো এবং দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 08:25:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রামুতে অপহরণ মামলা, পারিবারিক বিরোধের অভিযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117170" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117170</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজারের রামু উপজেলায় একটি অপহরণ মামলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। মামলার বাদী পক্ষের অভিযোগের বিপরীতে অভিযুক্ত দুবাই প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের পরিবার ও স্থানীয় কয়েকজন জনপ্রতিনিধি দাবি করেছেন, এটি মূলত পারিবারিক বিরোধের জেরে দায়ের করা হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা ও দুবাই প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে রামু উপজেলার রাজরকুল ইউনিয়নের দিয়াংপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাদিয়া ছিদ্দিকা তাছমিনের ২০২৪ সালের ৮ জুলাই পারিবারিক ও সামাজিকভাবে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বিয়ে হয় বলে উভয় পরিবারের একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের সময় দেনমোহর নির্ধারণসহ একটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে উভয় পক্ষের অভিভাবক ও সাক্ষীরা স্বাক্ষর করেন এবং পরবর্তীতে আইন অনুযায়ী নিবন্ধনের বিষয়টি উল্লেখ ছিল।

অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, বিয়ের পর প্রায় দুই বছর স্বাভাবিকভাবে দাম্পত্য জীবন চলছিল। এ সময় শ্বশুরের আর্থিক প্রয়োজনের কারণে প্রবাসী আনোয়ার হোসেন কিছু অর্থ ধার দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পরে আরও অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে তাদের দাবি।

অভিযোগ রয়েছে, ওই বিরোধের পর অপহরণের অভিযোগ এনে পুলিশকে তথ্য দেওয়া হয়। এরপর গত ১ জুলাই রাতে রামু ও কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের একটি দল চৌফলন্ডী এলাকায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট তরুণীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসে।

পরবর্তীতে ৪ জুলাই তরুণীর মা মনোয়ারা আক্তার বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ছয়জনকে আসামি করে রামু থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রবাসী আনোয়ার হোসেন ছাড়াও তার পরিবারের সদস্য এবং কয়েকজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধির নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

 

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তার মেয়ে স্কুলছাত্রী এবং ২৫ জুন বিকেলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাকে অপহরণ করা হয়। এ অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অন্যদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মসজিদের মোয়াজ্জেম ও এলাকাবাসীর একাংশ দাবি করেছেন, অভিযুক্ত তরুণ-তরুণীর মধ্যে আগে থেকেই সামাজিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল এবং বিষয়টি এলাকার অনেকেই জানতেন। তাদের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের কারণে মামলায় নিরপরাধ ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে।

 

মামলার বাদী মনোয়ারা আক্তার বলেন, স্বামীর নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিষয়ে এর বাইরে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার বাবার বাড়ির লোকজনের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং তারা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

 

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, তদন্তে যদি কোনো নিরীহ ব্যক্তি মামলায় জড়িয়ে থাকেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে যাচাই করা হবে। এছাড়া কোনো মেয়ের বয়স আইন অনুযায়ী পূর্ণ না হলে তার বিয়ে বৈধ নয়। এ ধরনের ঘটনায় আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রধান অভিযুক্তদের একজন বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। ভিকটিম আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন এবং আদালতের নির্দেশে তাকে মায়ের জিম্মায় রাখা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা ও সংশ্লিষ্ট সব তথ্য যাচাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এ ঘটনায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলাকাবাসী এবং অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হলে মামলার বাস্তব চিত্র সামনে আসবে এবং নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এদিকে মামলাটি তদন্তাধীন থাকায় চূড়ান্ত সত্যতা ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের বিষয়টি তদন্ত এবং আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 05 Aug 2026 18:30:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে অভিযানে ৪১৯ জন গ্রেফতার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117048" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117048</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে ৭১টি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী সোমবার এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে এসব ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৪ কেজি গাঁজা, ৯১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৩৫০ দশমিক ৮ গ্রাম হেরোইন। এছাড়া ২৬ বোতল বিদেশি মদ, একটি প্রাইভেটকার এবং নগদ ২ লাখ ৯ হাজার ৭০০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

অভিযানে প্রযুক্তি ও অবৈধ যোগাযোগ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ২৮টি ভিওআইপি মেশিন, ৪ হাজার ৮৪৬টি বিভিন্ন অপারেটরের সিম কার্ড, ২১টি মোবাইল ফোন, ১৪টি ল্যাপটপ, বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ৫২টি ক্যাবল কানেক্টর, ১৬টি ডাটা কানেক্টর মেশিন, একটি পাওয়ার সাপ্লাই মেশিন, একটি সিসি ক্যামেরা এবং ১২টি ল্যাপটপ চার্জার।

ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 03 Aug 2026 09:31:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৪]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117040" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117040</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকার আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। পৃথক চারটি অভিযানে তাদের কাছ থেকে গাঁজা, ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় আশুলিয়া থানা পুলিশ এসব অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৩ আগস্ট রাতের দিকে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিউল আলম সোহাগের নেতৃত্বে একটি দল কবিরপুর তেলিরবাজার এলাকায় অভিযান চালায়।

এ সময় একটি বাড়ির সামনে থেকে সাবিনা খাতুন (২৪) নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৬৫ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির ২৭ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ হাজার ৯৫০ টাকা। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


অন্যদিকে ২ আগস্ট রাতে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে জায়েদুল আলম (২৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, তার কাছ থেকে ৬৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২০ হাজার ৪০০ টাকা।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী আশুলিয়া থানায় মামলা হয়েছে।


পুলিশের আরেকটি অভিযানে ইয়ারপুর ইউনিয়নের বাইপাইল-আশুলিয়া সড়ক এলাকা থেকে ইয়াছিন আরাফাত (২১) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

তার কাছ থেকে একটি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে।


এছাড়া ৩ আগস্ট ভোরে জামগড়া সিরু মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কাউসার আহমেদ (২৩) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ।

তার কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।


আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদক, সন্ত্রাস এবং অন্যান্য অপরাধ নির্মূলে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 03 Aug 2026 07:47:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতিমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, গ্রেফতার ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117038" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117038</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাগেরহাটের মোংলায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে টুকু শেখ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় তাঁর কাছ থেকে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবি সংবলিত ভুয়া সিল এবং স্ট্যাম্প উদ্ধার করা হয়েছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় মোংলা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বাগেরহাটের মোংলা-রামপাল (বাগেরহাট-৩) আসনের সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র এলাকায় অবৈধ তদবির বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোংলা থানা পুলিশ এই সংঘবদ্ধ জালিয়াতি চক্রের সন্ধান পায়।

পুলিশ জানায়, আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করার পর মোংলা উপজেলার হলদিবুনিয়া এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মৃত নুরুল ইসলাম শেখের ছেলে টুকু শেখকে (৩৫) হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ বাহিনী।

গ্রেফতারের পর আসামির দেহ ও বাসা তল্লাশি করে প্রতিমন্ত্রীর নাম ও পদবি সংবলিত একটি নকল সিল এবং বেশ কিছু স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে আসছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ জালিয়াতির ঘটনায় টুকু শেখসহ সরাসরি জড়িত আরও দুই পলাতক আসামির বিরুদ্ধে থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। অপরাধী চক্রের বাকি সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 03 Aug 2026 07:04:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাকিব হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৫০ জন অভিযুক্ত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/117006" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/sodesh/117006</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় নিহত রাকিব হোসেনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া হত্যা মামলার তদন্ত সম্পন্ন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তদন্ত শেষে আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৫০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এজাহারে নাম থাকা আরও ৪৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. মমিনুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে গত ১৩ জুলাই সংশ্লিষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষ্য, আলামত এবং অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার মতো উপাদান পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, যাদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ মেলেনি বা ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে যাদের নাম রয়েছে

অভিযোগপত্রে শেখ হাসিনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার এবং আওয়ামী লীগের কয়েকজন সাবেক সংসদ সদস্য ও নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

৪৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এজাহারে অন্তর্ভুক্ত ৪৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তে এমন তথ্যও উঠে এসেছে যে, কয়েকজন ঘটনার সময় মিরপুর এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না এবং কিছু নাম অসৎ উদ্দেশ্যে মামলায় যুক্ত করা হয়ে থাকতে পারে। এসব বিবেচনায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে আন্দোলনের প্রেক্ষাপট

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরির কোটা ব্যবস্থা নিয়ে আদালতের রায়ের পর দেশজুড়ে আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে অংশ নিলে তা দ্রুত রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে।

তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আন্দোলন দমনে বিভিন্ন পর্যায়ে সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তদন্তে সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী আন্দোলন প্রতিরোধে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা পর্যালোচনা করা হয়েছে।

তবে অভিযোগপত্রে উল্লিখিত এসব বক্তব্য তদন্তকারী সংস্থার দাবি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত বা অপ্রমাণিত হবে।

মরদেহ উত্তোলনের উদ্যোগ সফল হয়নি

তদন্ত চলাকালে নিহত রাকিব হোসেনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য আদালতের অনুমতি নেওয়া হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রশাসনের কর্মকর্তারা কবরস্থানে গেলেও পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের আপত্তির কারণে মরদেহ উত্তোলন করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার দিন যা ঘটেছিল

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাকিব হোসেন মিরপুর-১০ এলাকায় উপস্থিত ছিলেন। রাতের দিকে একটি মিছিল গোলচত্বরে পৌঁছালে সেখানে গুলির ঘটনা ঘটে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরবর্তীতে তার বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক মরদেহ ঝিনাইদহে নিয়ে যান। সে সময়ের পরিস্থিতির কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরে একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা পরিবারের

নিহত রাকিব হোসেনের বাবা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, তার ছেলে এমআইএসটি থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি জানান, অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়টি আগে জানতেন না।

তার ভাষ্য, নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হোক&mdash;এটাই পরিবারের প্রত্যাশা।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Aug 2026 08:08:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আবারও বাড়ছে সহিংসতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117005" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/117005</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে আবারও অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ক্যাম্পজুড়ে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বা &lsquo;টার্গেট কিলিং&rsquo;-এর ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আধিপত্য বিস্তার, মাদকপাচার, চাঁদাবাজি এবং ব্লকভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দ্বন্দ্বকে এসব হত্যার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের মতে, ক্যাম্পে সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী নিজেদের প্রভাব ধরে রাখতে প্রতিপক্ষের সদস্য, হেড মাঝি, সাব-মাঝি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এতে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা বেড়েছে।

তিন বছরে নিহত অন্তত ৫০ নেতা

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত তিন বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অন্তত ৫০ জন হেড মাঝি, সাব-মাঝি ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই ৩৪টি ক্যাম্পে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর আগে ২০২৫ সালে ৩৫ জন, ২০২৪ সালে ৪৯ জন এবং ২০২৩ সালে ৬৬ জন প্রাণ হারান। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা কয়েক শতে পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সক্রিয় সাত সশস্ত্র গোষ্ঠী ও অসংখ্য ডাকাত চক্র

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে একাধিক সশস্ত্র সংগঠন এবং প্রায় ৪০টি ছোট-বড় ডাকাত চক্র সক্রিয় রয়েছে। এসব গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘর্ষ, অপহরণ, গুলি ও হত্যার ঘটনা ঘটছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ক্যাম্পের প্রতিটি ব্লকের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই চাঁদাবাজি, মাদকপাচার এবং অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হয়। এজন্য প্রতিপক্ষকে সরিয়ে দিতে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হচ্ছে।

সাধারণ মানুষের কণ্ঠও দমন করা হচ্ছে

তদন্তে উঠে এসেছে, শুধু প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীর সদস্য নয়, শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তি, সমাজসেবী, শিক্ষক এবং সাধারণ রোহিঙ্গা নেতারাও হামলার শিকার হচ্ছেন।

যারা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে ক্যাম্পের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে চান অথবা সাধারণ মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলেন, তাদেরও ভয়ভীতি ও সহিংসতার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের হামলার উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কেউ যাতে প্রকাশ্যে অবস্থান নিতে না পারে।

মাদকপথ ও চাঁদাবাজি ঘিরে সংঘাত

নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা কিছু এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকের ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই অবৈধ বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘাত বাড়ছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাজার, দোকানপাট এবং বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। যে গোষ্ঠী কোনো ব্লকের নিয়ন্ত্রণ নেয়, তারাই ওই এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। এই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা বা নতুন করে দখল নেওয়ার লড়াই থেকেই অনেক হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যবেক্ষণ

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্যাম্পে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অভ্যন্তরীণ বিরোধই সাম্প্রতিক সহিংসতার অন্যতম কারণ। তাদের মতে, এসব গোষ্ঠীর আধিপত্য কমিয়ে আনতে পারলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মত, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে না পারলে টার্গেট কিলিং বন্ধ করা কঠিন হবে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মত

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু অভিযান পরিচালনা যথেষ্ট নয়। একই সঙ্গে অপরাধচক্র ভেঙে দেওয়া, গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা, ক্যাম্প প্রশাসনকে আরও কার্যকর করা এবং সাধারণ রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি।

তাদের মতে, মাদক, চাঁদাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রের নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে না আনলে ক্যাম্পে সহিংসতা কমানো কঠিন হয়ে পড়বে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Aug 2026 07:34:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৩১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116997" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116997</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন থানায় গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত অভিযানে ৪৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময়ে ৭০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৯ জন, লালবাগ বিভাগে ২৪ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪৫ জন, মতিঝিল বিভাগে ৪০ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৭৯ জন, মিরপুর বিভাগে ১০১ জন, গুলশান বিভাগে ৪৪ জন, উত্তরা বিভাগে ৪৭ জন, গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ৯ জন এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানকালে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি খালি ম্যাগাজিন, ২৩০ গ্রাম গাঁজা, ১৪ হাজার ১৪২ পিস ইয়াবা, ১৫৬ গ্রাম হেরোইন, ৩১টি মোবাইল ফোন, একটি প্রাইভেটকার ও একটি পুরোনো ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্যসহ এসব আলামত উদ্ধার এবং সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Aug 2026 06:10:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকায় বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার চার কিশোর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116832" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116832</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলিসহ কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ।

বুধবার (২৯ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে মানিকদী আমতলা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার একটি ঘটনার তদন্তে নেমে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চার শিশুকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একটি বাসার ছাদের ইটের স্তূপের ভেতর থেকে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পার্টি করার সময় অস্ত্রটি দেখানোর একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত গুলি ছুটে একজন গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্রটি ব্যবহার করে কিশোর গ্যাং-এর বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল।

এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জড়িত শিশুদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সান নিউজ/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Jul 2026 05:29:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আদাবরে প্রেমিকাকে আটকে ধর্ষণ-হত্যার অভিযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116743" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116743</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকার আদাবরে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রলোভনে চারদিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ফটোগ্রাফার নামীম আশরাফ মনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক মো. মনিরুজ্জামানের আদালতে ভুক্তভোগীর বড় বোন রাজিয়া সুলতানা এই মামলা করেন।

বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক অভিযোগের বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্ত করে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলার আসামি নামীম আশরাফ মনি ছাড়াও তার বাবা আশরাফউদ্দিন ও মা শাহনাজ বেগমকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, মেকআপ আর্টিস্ট সাদিয়া ইয়াসফিয়ার (২৪) সঙ্গে ফটোগ্রাফার নামীম আশরাফের (৩৭) পরিচয় হয় ২০২৪ সালে একটি অনুষ্ঠানের শুটিংয়ে, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে গড়ায়। উভয় পরিবার সম্পর্কের বিষয়ে জানত এবং গত ৬ জুন সাদিয়ার পরিবার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসামিদের বাসায় গেলে নামীমের বাবা-মা তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং হুমকি দেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ১০ জুন রাতে নামীম সাদিয়াকে ডেকে নিয়ে আদাবরের নিজের ফটো স্টুডিওতে নিয়ে যান এবং বান্ধবীর বাসায় থাকার কথা পরিবারকে জানাতে বাধ্য করেন। এরপর ১০ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত সাদিয়াকে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন এবং ১৪ জুন হত্যা করেন বলে অভিযোগ। পরে নিজেকে বাঁচাতে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রচার চালান নামীম। পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে সাদিয়ার শরীরে আঘাত ও ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বাদী। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

সান নিউজ/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 28 Jul 2026 06:42:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর গুলি, বিআরজেইউর নিন্দা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116252" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116252</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খুলনা মহানগরীতে কয়েকজন সাংবাদিককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিআরজেইউ)। সংগঠনটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে বিআরজেইউর সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের সশস্ত্র হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং এটি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার রাত প্রায় ১২টার দিকে খুলনা নগরীর জাতিসংঘ শিশু পার্কের পশ্চিম পাশে কয়েকজন সাংবাদিক একত্রে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। একটি গুলি একটি চেয়ারে আঘাত করে এবং লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়। তবে গুলির আঘাতে একজন সাংবাদিক আহত হন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের মধ্যে এসএ টিভির খুলনা প্রতিনিধি রকিবুল ইসলাম মতি, স্টার নিউজের খুলনা ব্যুরো প্রধান রাফিউল ইসলাম টুটুল, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর খুলনা ব্যুরো প্রধান আওয়াল শেখ, দৈনিক খুলনাঞ্চলের স্টাফ রিপোর্টার সৈয়দ রানা কবীরসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিক ছিলেন।

বিআরজেইউর নেতারা বলেন, এ ধরনের হামলার মাধ্যমে সাংবাদিকদের ভয়ভীতি দেখানোর চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি খুলনায় কর্মরত সব সাংবাদিকের নিরাপত্তা জোরদারের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

সংগঠনটির মতে, সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং এ ধরনের ঘটনার দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 16 Jul 2026 09:42:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অস্ত্র-মাদক সংঘাতে রক্তাক্ত খুলনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116246" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116246</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খুলনা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে খুন, গুলিবর্ষণ এবং অন্যান্য সহিংস অপরাধের ঘটনা বেড়েছে। একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিবার হারানোর বেদনা ও স্বজনদের কান্না যেন অনেক এলাকায় পরিচিত দৃশ্যে পরিণত হয়েছে।

আলোচিত একাধিক হত্যাকাণ্ড

চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে খুলনায় বেশ কয়েকটি আলোচিত হত্যার ঘটনা ঘটে। মার্চ মাসে নগরীর ডাকবাংলো মোড় এলাকায় একটি জুতার দোকানে ঢুকে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। জুনে দৌলতপুরে ফজরের নামাজ শেষে একটি মসজিদের ভেতরে দুই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

এ ছাড়া পারিবারিক বিরোধের জেরে একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনা এবং সম্প্রতি এক সাংবাদিককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনাও নগরবাসীর উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় লাশ উদ্ধার, অস্ত্র প্রদর্শন, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধও নিয়মিত ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ছয় মাসে ৪৩ জন নিহত

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে খুলনা মহানগর ও জেলায় মোট ৪৩ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। একই সময়ে বিভিন্ন হত্যা মামলায় ১৭টি মামলার সূত্র ধরে ৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে ২৫৭টি মামলায় ৩৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

কী কারণে বাড়ছে অপরাধ?

আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিরোধ, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, জমি ও ব্যবসা-সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, পারিবারিক কলহ এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সক্রিয়তা&mdash;এসব কারণ সহিংসতা বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে। অবৈধ অস্ত্রের সহজলভ্যতাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

নিরাপত্তাহীনতায় সাধারণ মানুষ

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, আগে রাত পর্যন্ত বাইরে চলাফেরা করতে তেমন ভয় লাগত না। এখন পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকলে উদ্বেগ কাজ করে। ব্যবসায়ীরাও রাতের বেলায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছেন। অনেকেই পুলিশি টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের পরামর্শ

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, শুধু অভিযানে গ্রেপ্তার বাড়ালেই দীর্ঘমেয়াদে অপরাধ কমবে না। অপরাধের মূল উৎস চিহ্নিত করে মাদক সিন্ডিকেট, অবৈধ অস্ত্র সরবরাহকারী চক্র এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা গেলে অপরাধে জড়ানোর প্রবণতাও কমতে পারে।

পুলিশের বক্তব্য

খুলনা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে হত্যাকাণ্ডের প্রবণতা কিছুটা কমেছে। প্রতিটি হত্যার ঘটনা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

অন্যদিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোয়েন্দা তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দাবি

নিয়মিত অভিযান ও গ্রেপ্তার সত্ত্বেও সহিংসতা পুরোপুরি কমছে না। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরাধ সংঘটনের পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক কৌশল, আধুনিক গোয়েন্দা নজরদারি, স্থানীয় পর্যায়ে তথ্যভিত্তিক তদারকি এবং দ্রুত বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করাই খুলনায় স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কার্যকর পথ হতে পারে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 16 Jul 2026 08:01:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মিরপুরে অপরাধের থাবা, আতঙ্কে জনজীবন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116113" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/116113</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকার তালিকায় দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর ও আদাবরের নাম থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুর ও পল্লবীকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। একের পর এক খুন, গুলির ঘটনা, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি এবং কিশোর গ্যাংয়ের সহিংস কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও বলছে, গত ছয় মাসে রাজধানীর বিভিন্ন বিভাগের তুলনায় মিরপুর বিভাগে খুন ও ডাকাতির ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে প্রশ্ন উঠেছে&mdash;মিরপুর কি ধীরে ধীরে রাজধানীর নতুন অপরাধকেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে?

চৌরাঙ্গী মার্কেটে গুলির ঘটনায় আতঙ্ক

গত ৭ জুলাই রাতে মিরপুরের চৌরাঙ্গী মার্কেট এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুল সিজুর ওপর গুলির ঘটনা নতুন করে আলোচনায় আসে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার পর মার্কেটে প্রবেশের মুহূর্তে পেছন থেকে এক মুখোশধারী হামলাকারী গুলি চালায়।

স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে এক সন্দেহভাজনকে আটক করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি এলাকার এক চিহ্নিত চাঁদাবাজের সহযোগী। ঘটনার পেছনে ফুটপাতের চাঁদা আদায় নিয়ে বিরোধের বিষয়টি আলোচনায় এলেও আহত ব্যক্তি এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় বিপর্যস্ত পল্লবী

মিরপুরের পাশাপাশি পল্লবীতেও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সম্প্রতি পলাশনগর এলাকায় সংঘবদ্ধ কিশোর গ্যাং একটি বেকারি ও এমব্রয়ডারি কারখানায় হামলা চালায়। কয়েক দিনের ব্যবধানে একই এলাকায় আবারও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট এবং সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীদের হাতে চাপাতিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ছিল। তারা কারখানায় হামলার পাশাপাশি পথচারীদের মারধর করে মোবাইল ফোন ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেয়।

এই ধারাবাহিক হামলার পর নিরাপত্তার অভাবে অন্তত সাতটি কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

&#39;ভইরা দে&#39; ও &#39;বাহুবালি&#39; গ্রুপের দাপট

মিরপুরে সক্রিয় একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে &#39;ভইরা দে&#39; ও &#39;বাহুবালি&#39; নামে দুটি গ্রুপ নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি।

গত জুনে প্রান্তিক হাউজিং এলাকায় &#39;ভইরা দে&#39; গ্রুপের কয়েক ডজন সদস্য প্রকাশ্যে তাণ্ডব চালায়। অন্যদিকে মিরপুর-১০ এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবনকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে &#39;বাহুবালি&#39; গ্রুপ। এর আগেও এই গ্রুপের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও হত্যার অভিযোগ ওঠে। তবে অভিযুক্তদের অনেকেই এখনও আইনের আওতার বাইরে রয়েছে।

ছিনতাইকারীদের টার্গেটে ব্যাংক থেকে ফেরা মানুষ

শুধু কিশোর গ্যাং নয়, পেশাদার ছিনতাইকারী চক্রও সক্রিয় রয়েছে মিরপুরে।

সম্প্রতি ব্যাংক থেকে ১৫ লাখ টাকা তুলে ফেরার পথে এক প্রতিষ্ঠানের কর্মী মোটরসাইকেল আরোহী ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

এ ধরনের ঘটনার কারণে ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের টাকা উত্তোলনের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে।

পরিসংখ্যানেও অপরাধ বৃদ্ধির চিত্র

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে মিরপুর বিভাগে ২২টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। একই সময়ে তেজগাঁও বিভাগে হত্যার সংখ্যা ছিল ১৫টি। এছাড়া ডাকাতির ঘটনাতেও মিরপুর এগিয়ে রয়েছে।

যদিও ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মামলার সংখ্যা তেজগাঁও বিভাগে তুলনামূলক বেশি, তবুও সামগ্রিকভাবে মিরপুরে সংঘবদ্ধ অপরাধের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে।

পুলিশের বক্তব্য

পুলিশের দাবি, মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় বিপুলসংখ্যক ভাসমান মানুষের বসবাস এবং কিছু সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সক্রিয়তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে।

নিরাপত্তা জোরদারের দাবি

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অপরাধের ঘটনাগুলো ধারাবাহিকভাবে বাড়লেও অনেক এলাকায় নিয়মিত টহল ও নজরদারির ঘাটতি রয়েছে।

তাদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো, সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ জোরদার, কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান এবং সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় রাজধানীর এই জনবহুল এলাকায় অপরাধ পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক রূপ নিতে পারে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 11 Jul 2026 10:27:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/115960" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/115960</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা জেলা পুলিশের চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে আশুলিয়া থানার একটি বিশেষ অভিযানে ১৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪২ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় আশুলিয়া থানা এলাকায় নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে আশুলিয়া থানার এসআই (নিরস্ত্র) কাজী কামাল হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দুর্গাপুর সরকারবাড়ী ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানের সময় দুর্গাপুর এলাকার একটি মনোহারী দোকানের সামনে থেকে শফিকুল ইসলাম (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার ভারাল্লা গ্রামের বাসিন্দা হলেও বর্তমানে আশুলিয়ার দুর্গাপুর এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছিলেন।

তল্লাশির সময় তার কাছ থেকে ১৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন আনুমানিক ১৪ গ্রাম এবং এর অবৈধ বাজারমূল্য প্রায় ৪২ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাস্থলেই মাদকদ্রব্য জব্দ করে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামত থানায় সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং আসামিকে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে।

আশুলিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অপরাধ দমনে বিশেষ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আশুলিয়াকে মাদক ও অপরাধমুক্ত রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 07:16:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিবির জালে মাদক কারবারি, উদ্ধার ৮০ ট্যাপেন্টাডল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/115562" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/index.php/news/article/crime/115562</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকার সাভারে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ এক পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)।

রোববার (২১ জুন) ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর) কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় ডিবি (উত্তর)-এর অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় এসআই (নিঃ) শেখ মফিজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে সাভার মডেল থানার নামা গেন্ডা এলাকায় অভিযান চালান।

অভিযানকালে মো. ইউসুফ আজাদ মিলন (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে ৮০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটের মোট ওজন ২৪ গ্রাম এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৯ হাজার ৬০০ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত ইউসুফ আজাদ মিলনের বিরুদ্ধে পূর্বেও একটি মাদক মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Jun 2026 09:41:47 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
