<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/women</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/women"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews women Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest women News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 10 May 2026 05:18:08 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[বিশ্ব মা দিবস আজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/114715" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/114715</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রবাদ আছে- &lsquo;মায়ের চেয়ে আপন কেহ নাই&rsquo;। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুরতম ডাক &lsquo;মা&rsquo;। জন্মের পর সব থেকে বেশিবার উচ্চারিত হয় &lsquo;মা&rsquo;। আর এ শব্দটির মধ্যেই যেন লুকিয়ে আছে গভীর স্নেহ, মমতা আর অকৃত্রিম দরদ।

আজ বিশ্ব মা দিবস। তাইতো বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার এই দিনটি পালিত হয় মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য।

মাকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জানাতে কোনো দিনক্ষণ প্রয়োজন হয় না। মায়ের জন্য প্রতিদিনই সন্তানের ভালোবাসা থাকে। তবু আলাদা করে একটু ভালোবাসা জানাতেই আজকের দিনটি।

&lsquo;মা&rsquo; শব্দের ভেতর জড়িয়ে আছে জন্ম, নিরাপত্তা, আত্মত্যাগ, মমতা, শিকড় আর অস্তিত্বের গল্প। একজন মানুষের জীবনে প্রথম যে আশ্রয়, স্পর্শ ও ভাষা, তার অনেকটাই শুরু হয় মায়ের মধ্য দিয়ে। তাই যুগে যুগে, সভ্যতা থেকে সভ্যতায়, ভাষা থেকে ভাষায় মায়ের প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের নানা রীতি তৈরি হয়েছে। আধুনিক বিশ্বে সেই অনুভূতিরই একটি বৈশ্বিক প্রকাশ&ndash; বিশ্ব মা দিবস।

বাংলাদেশেও দিনটি এখন পারিবারিক এবং সাংস্কৃতিক নানা আয়োজনে পালিত হয়। তবে মা দিবসের গল্প শুধু আবেগের নয়। এর ভেতরে আছে সামাজিক আন্দোলন, ইতিহাস, প্রতিবাদ এবং একজন নারীর দীর্ঘ সংগ্রামের কাহিনী।

মাতৃত্বকে সম্মান জানানোর ইতিহাস আধুনিক সময়ের অনেক আগের। প্রাচীন গ্রিসে মাতৃদেবী রিয়ার সম্মানে উৎসবের আয়োজন করা হতো। রোমান সভ্যতায় দেবী সাইবেলি ঘিরেও ছিল মাতৃত্বের উৎসব। পরে ইংল্যান্ডে &lsquo;মাদারিং সানডে&rsquo; নামে একটি ঐতিহ্য গড়ে ওঠে। যেখানে সন্তানরা বছরের একটি নির্দিষ্ট দিনে নিজেদের পরিবার ও মায়ের কাছে ফিরে আসত। তবে আধুনিক মা দিবসের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রে।

উনিশ শতকের আমেরিকায় সামাজিক অস্থিরতার সময় নারীদের স্বাস্থ্য, শিশু পরিচর্যা এবং পারিবারিক পুনর্গঠনে কাজ করতেন সমাজকর্মী জুলিয়া ওয়ার্ড হো এবং অ্যান রিভস জার্ভিস। ১৮৭০ সালে শান্তি ও মানবতার পক্ষে &lsquo;মাদারস ডে প্রোক্লেমেশন&rsquo; প্রকাশ করেন জুলিয়া ওয়ার্ড হো। একই সময়ে অ্যান রিভস জার্ভিস নারীদের সংগঠিত করে শিশুস্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক সচেতনতা নিয়ে কাজ করছিলেন।

অ্যান রিভস জার্ভিস বিশ্বাস করতেন, পরিবার ও সমাজের জন্য মায়ের অবদানকে সম্মান জানাতে একটি দিন থাকা প্রয়োজন। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই ১৯০৫ সালের ৫ মে তিনি মারা যান। মায়ের মৃত্যু বদলে দেয় তার মেয়ে জার্ভিসকে। মায়ের সমাধির সামনে দাঁড়িয়ে তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, মায়ের স্বপ্ন তিনি পূরণ করবেন। এরপর শুরু হয় তার সংগ্রাম। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর, রাজনীতিবিদ, সামাজিক সংগঠন, সংবাদমাধ্যম&ndash; সবার কাছে তিনি চিঠি লিখতে শুরু করেন। তার আহ্বান ছিল একটাই&ndash; মায়েদের সম্মানে একটি জাতীয় দিবস ঘোষণা করতে হবে।

১৯০৮ সালে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার গ্রাফটনের সেন্ট অ্যান্ড্রুস মেথডিস্ট এপিস্কোপাল চার্চে আনা জার্ভিস প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে মা দিবস পালন করেন। সেদিন তিনি অংশগ্রহণকারীদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন &lsquo;সাদা কার্নেশন&rsquo;; তার মায়ের প্রিয় ফুল। এরপর ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে দিবসটি ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে ১৯১৪ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে জাতীয় মা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। সরকারি ছুটিও দেওয়া হয় দিনটিতে। এর পর থেকে বিশ্বের নানা দেশ এই দিনকে নিজেদের মতো গ্রহণ করে।

তবে যে নারী মা দিবস প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছিলেন, তিনিই পরে এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যান। কারণ আনা জার্ভিসের কাছে মা দিবস ছিল হৃদয়ের, সম্পর্কের; ব্যক্তিগত ভালোবাসার দিন। তিনি চেয়েছিলেনম সন্তানরা নিজের হাতে মাকে চিঠি লিখুক, সময় দিক, কৃতজ্ঞতা জানাক। কিন্তু খুব দ্রুত ফুলের দোকান, শুভেচ্ছা কার্ড প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান, উপহার ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠান মা দিবসকে বাণিজ্যিক উৎসবে পরিণত করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন আনা জার্ভিস। তিনি প্রকাশ্যে বলেন, &lsquo;আমি এই দিনটি ভালোবাসার জন্য চেয়েছিলাম; ব্যবসার জন্য নয়।&rsquo; এরপর তিনি ফুল ব্যবসায়ী, কার্ড কোম্পানি এবং নানা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করেন। জীবনের সঞ্চয় পর্যন্ত ব্যয় করেন এই লড়াইয়ে। প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় ১৯৪৮ সালে তিনি মারা যান।

এক শতাব্দীর বেশি সময় পর আজ মা দিবস বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। তবে শুধু এর ইতিহাস দিয়েই মা দিবসের গল্প পূর্ণ হয় না। একসময় ভাবা হতো, মায়ের ভূমিকা পরিবার ও সন্তান লালন-পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু বর্তমান সমাজে মায়ের পরিচয় বহুমাত্রিক। তিনি একই সঙ্গে সন্তানের প্রথম শিক্ষক, পরিবারের মানসিক শক্তি, কর্মজীবী নারী, উদ্যোক্তা, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং সমাজ গঠনের অন্যতম চালিকাশক্তি।

বাংলাদেশের বাস্তবতায় একজন মা ভোরে উঠে পরিবারের জন্য রান্না করেন, সন্তানকে স্কুলে পাঠান, আবার অফিসে যান বা নিজের ব্যবসা পরিচালনা করেন। গ্রামে একজন মা সংসার সামলে কৃষিকাজে অংশ নেন। শহরে একজন মা করপোরেট অফিস, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। অনেক পরিবারে মা এখন প্রধান উপার্জনকারীও।

তবুও বাস্তবতা হলো, পরিবারের অদৃশ্য শ্রমের বড় অংশের ভার এখনও মায়ের কাঁধেই। কর্মজীবনের চাপ, সংসারের দায়িত্ব, সন্তানের পড়াশোনা, ডিজিটাল যুগের নানা চ্যালেঞ্জ, সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা&ndash; সব মিলিয়ে আজকের মা প্রতিদিন এক নীরব সংগ্রামের ভেতর দিয়ে যান। অনেক মা আছেন, যাদের সন্তান দূরে থাকে; ভিডিও কলে কথা বলেই দিন কাটে। অনেক মা বৃদ্ধ বয়সে একা থাকেন, অথচ একসময় সন্তানের প্রতিটি স্বপ্ন পূরণে নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়েছেন। আবার অনেক একক মা (সিঙ্গেল মাদার) সমাজের চাপ উপেক্ষা করে সন্তানকে মানুষ করছেন। তবু মা থেমে থাকেন না।

বাংলাদেশে এই দিনটি ঘরোয়া পরিবেশে উদযাপন করা হয়। সন্তানরা মায়েদের ফুল, উপহার ও ভালোবাসার বার্তা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মায়ের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করেন কবিতা, ছবি ও স্ট্যাটাসের মাধ্যমে।

মা দিবসের মূল বার্তা হলো মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ ও স্নেহের প্রতি সম্মান জানানো। এই দিনে আমরা আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষটিকে মনে করি, যিনি আমাদের প্রথম শিক্ষক, অভিভাবক ও বন্ধু।

মাকে নিয়ে আছে, সাহিত্য, চিত্রকলা ও গান। শিল্পের প্রতিটি শাখায় আছে মা। তাই বিশ্ব মা দিবসে পৃথিবীর সব মায়েরাই যেন সুখী থাকেন, সন্তান হিসেবে এই যেন হয় আমাদের সবার প্রত্যাশা।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 05:18:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নোয়াখালীতে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে প্রতিরোধ সভা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/113714" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/113714</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে স্থানীয় পর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তর এবং ঝুঁকিপূর্ণ কমিউনিটির নারীদের মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তোলার লক্ষ্যে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে একটি অধিপরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে ইউএনএফপিএ ও অ্যাকশনএইডের সহযোগিতায় হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক&ndash;প্রাণ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

এতে স্থানীয় পর্যায়ে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়ার জন্য একটি সমন্বিত কৌশল তৈরি করাই ছিল এই সভার মূল উদ্দেশ্য। এছাড়াও, দুর্যোগকালীন সময়ে নারীদের নিরাপত্তা, সেবা ও রেফারেল পাথওয়ে উন্নয়ন এবং প্রতিটি স্টেকহোল্ডারের প্রতিশ্রুতি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। সভায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর, প্রশাসন, শিক্ষক, কাজীসহ নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম সকল প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সুবর্ণচর ইউনিয়নের চর জব্বার থানার নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী সহায়তা ডেস্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব-ইন্সপেক্টর আব্দুল মোমিত শুভ বলেন, স্থানীয় সালিশ বৈঠকে অনেক অভিযোগই গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না। ঘরোয়া সহিংসতা হলে তা আরও আমলে নিতে চান না। তিনি ভুক্তভোগীদের যেকোনো সহিংসতার মুখে ডেডিকেটেড ডেস্কের মাধ্যমে পুলিশের সাহায্য নিতে আহ্বান জানান।

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক কামরুন নাহার তার বক্তব্যে বলেন, &ldquo;সুবর্ণচর এলাকায় নারী নির্যাতনের প্রচুর অভিযোগ আসে। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে আগে নারীকে সচেতন হতে হবে এবং পরিবার থেকেই শিশুকে সম্মান ও সমতার শিক্ষা দিতে হবে।&rdquo; আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি উপস্থিত কমিউনিটির সদস্যদের সহিংসতার প্রতিকারে কোথায় সহযোগিতা পেতে পারেন, সে বিষয়ে মূল্যবান পরামর্শ প্রদান করেন।

উপস্থিত নারীরা জানান, সহিংসতার শিকার হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে গিয়ে তেমন সমাধান মেলে না এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকে। তারা আইনের আশ্রয়কেই বেশি নিরাপদ মনে করেন।

উদ্যোক্তারা আশা করছেন, এই অধিপরামর্শ সভার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সকল অংশীজনের প্রতিশ্রুতি ও সহযোগিতার মাধ্যমে সুবর্ণচরে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে একটি কার্যকর সমন্বিত প্রক্রিয়া তৈরি হবে।

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 01 Dec 2025 07:46:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারী সংস্কার কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় কমিটির দাবিতে রিট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/111861" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/111861</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারী সংস্কার কমিশনের বিতর্কিত ও সাংঘর্ষিক ধারাগুলো পর্যালোচনার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

রবিবার (৪ মে) সু্প্রিম কোর্টের আইনজীবী রওশন আলী এ রিট দায়ের করেন। আইনজীবী বলেন, &ldquo;উইমেন রিফর্ম কমিশন রিপোর্ট, ২০২৫&rdquo; -এর অধ্যায় ৩, ৪, ৬, ১০, ১১ এবং ১২-এ অন্তর্ভুক্ত সুপারিশসমূহ ইসলামী শরীয়তের বিধানসমূহের পরিপন্থি, জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির পরিপন্থি এবং বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রী সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায়, এই বিষয়ে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।

&ldquo;উইমেন রিফর্ম কমিশন রিপোর্ট, ২০২৫&rdquo;- এই রিপোর্টটি ৩১৮ পৃষ্ঠাব্যাপী এবং সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত ও আলোচিত হয়েছে। রিপোর্টের বিভিন্ন সুপারিশ ইসলামী শরীয়ত, আমাদের সংবিধান এবং দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের মূল্যবোধের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

রিটে তিনটি মন্ত্রণালয় এবং উইমেন রিফর্ম কমিশনের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে। বিচারপতি ফাতেমা নজিব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীরের বেঞ্চে চলতি সপ্তাহে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

সাননিউজ/ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 04 May 2025 07:03:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সুঁই-সুতোয় তাসলিমার রঙিন দিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/101649" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/101649</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গাইবান্ধা প্রতিনিধি: এনজিওর কাছ থেকে মাত্র ৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে কিছু কাপড় ও সুতা কেনেন। এরপর ২০১৭ সালে নিজের আঁকা ডিজাইনের কয়েকটি থ্রিপিস সুঁই-সুতোয় হ্যান্ড এমব্রয়ডারি করেন। হ্যান্ড এমব্রয়ডারি পণ্যগুলোর ছবি তুলে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন।

আরও পড়ুন: কৃষকের আঙিনায় ভুট্টার সোনা রাঙা হাসি

পরিচিতজনদের কাছে ভালোই সাড়া পান। তখনও ব্যবসা উদ্যোগটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয়নি। ২০১৯ সালে একটি ফেসবুক পেজ খুলে নিজের আঁকা ডিজাইনের হ্যান্ড এমব্রয়ডারি পণ্যগুলো নিয়ে ফাতিহা হ্যান্ডিক্রাফট নামে অনলাইনে সরব হয়ে ওঠেন। তখন থেকে শুরু হয় সুঁই-সুতোয় তাসলিমা আজম লিজার রঙিন দিন।

ছোটবেলা থেকেই আঁকাআঁকির ঝোঁক ছিল তার। খাতায় তিনি আঁকতেন সেই চিরচেনা গ্রামের দৃশ্য কুঁড়েঘর, তার পেছনে কলাগাছ আর নদী-মাছ, ফুল-পাখি।

ইউটিউব আর টেলিভিশন দেখে শখের বসে কাপড়ে নিজের আঁকায় নকশি তোলার কাজ শিখেছিলেন।

কে জানত এটিই তার উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠবে। তিনি হয়ে উঠবেন একজন উদ্যোক্তা, যার মাসে আয় লক্ষাধিক টাকা। তিনি লড়াকু এক যোদ্ধা। যিনি নানা ঘাত-প্রতিঘাত জয় করেন, সমাজের বাধা-বিপত্তি ঠেলে জয়ের মশাল জ্বালিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ছুটির দিনে মুখর সোহরাওয়ার্দী

গাইবান্ধা জেলা শহরের ব্রিজ রোডে মডার্ণ হাই স্কুলের বিপরীতে তার বাড়ি। সেখানে গড়েছেন রকমারি হস্তশিল্পের প্রতিষ্ঠান।

বর্তমানে তাসলিমা আজমের প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের নান্দনিক ডিজাইনের ফ্যাশনেবল হাতে তৈরি শাড়ি, থ্রিপিস, ওয়ান পিস, পাঞ্জাবি, শাল, শিশুদের পোশাক, নকশিকাঁথা, ওয়ালমেট ও কুশন কাভার ইত্যাদি সামগ্রী প্রস্তুত করছে।

যাত্রাটা ফেসবুক পেজ থেকে শুরু হলেও এখন তার রয়েছে নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্র। তার প্রতিষ্ঠানের জন্য সেলাইয়ের কাজ করছে ২ শতাধিক কর্মী। পাশাপাশি স্থায়ীভাবে ৫ জন কর্মী ছাড়াও স্কুল-কলেজের আরও শতাধিক শিক্ষার্থী খন্ডকালীন কর্মী হিসেবে কাজ করে লেখাপড়ার খরচ চালাচ্ছে।

ফাতিহা হ্যান্ডিক্রাফট এখন অনেক সমৃদ্ধ। সেবা গ্রহণকারীরাই তাসলিমার প্রতিষ্ঠানের প্রাণ। তারাই ফাতিহা হ্যান্ডিক্রাফটকে সবার সামনে তুলে ধরেছেন। এটিই তাসলিমার বড় অর্জন।

আরও পড়ুন: শিক্ষকতা ছেড়ে সফল উদ্যোক্তা রেজবিন

তবে শুরুতে প্রতিবন্ধকতাও কম ছিল না। সৃজনশীল কিছু করার তাগিদে হস্তশিল্প পণ্যের ব্যবসা শুরু করেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির যৌথ পরিবারে থেকে নতুন একটি ব্যবসা শুরু করতে প্রথমে একটু ধাক্কা সামলাতে হয়েছে।

নারীদের বাইরে কাজের ক্ষেত্রে পারিবারিক যে প্রতিবন্ধকতা থাকে, তেমনটি তারও ছিল। তবে শুরুতে প্রধান সমস্যাটা ছিল অর্থনৈতিক। এছাড়া সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিও খুব একটা নারীবান্ধব ছিল না। এগুলোকে মোকাবিলা করেই হয়তো এ পর্যায়ে আসা সম্ভব হয়েছে।

তবে কয়েক দিন পর ব্যবসার সফলতা দেখে পরিবারও সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। ২০১২ সালে গাইবান্ধা সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাস করেন তাসলিমা। ওই বছরই নিজের পছন্দের মানুষ শাহরিয়ার সাগরকে সঙ্গে নিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন।

আরও পড়ুন: দুঃখের চরে মিষ্টি আলু, কৃষকের মুখে হাসি

সাগর ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলে এবং তিনি নিজেও একজন ব্যবসায়ী। বিয়ের পর তাসলিমা জেলা শহরের চকমামরোজপুরে বাবার বাড়ি ছেড়ে ব্রিজ রোডে শ্বশুরবাড়িতে চলে আসে।

সেখানে শাশুড়ি, দুই ভাশুর-জা আর ননদের যৌথ পরিবারে বর সাগরের সঙ্গে নিজের সংসার গড়ে তোলেন। এখন সাগর-তাসলিমা দম্পতির ঘর আলো করে বেড়ে উঠছে তাদের ২ সন্তান। পুত্র তাহমিদ আবরার ছোয়াদ চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ছে আর কন্যা ফাতিহা সাফা প্রাক-প্রাথমিকে।

শ্বশুরবাড়ি থেকেই তাসলিমা বিএসএস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাসলিমার বাবা গোলাম আজম অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য, মা লাকী আজম গৃহিণী। তাদের ২ কন্যা সন্তানের মধ্যে তাসলিমা বড়।

তাসলিমার হাতের কাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্বকীয়তা। আঁকার প্রতি ভালো লাগা থেকেই মূলত শুরু হয় ফাতিহা হ্যান্ডিক্রাফটের যাত্রা। সম্পূর্ণ দেশি কাঁচামালে তৈরি হস্তশিল্প পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান তার।

আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে সূর্যমুখী 

কাপড় সংগ্রহ, সুতা, রং ও নকশা নির্ধারণ এবং সমসাময়িক ধারা অনুসরণ করে পণ্য তৈরি করাসহ যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় দেশি কাঁচামালে।

যখন নিজের দেশের কাঁচামাল, স্থানীয় নারী সুচিশিল্পী-কারিগর দিয়েই তৈরি হয়, তখনই আত্মতৃপ্তি অনেকগুণ বেড়ে যায় তাসলিমার।

দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা শহরে হস্তশিল্প মেলায় অংশ নেয়া তাসলিমা বলেন, মূলত মেলায় বেচা-কেনা তেমন একটা না হলেও মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক তৈরি হয়। মেলায় অনেক ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তার সঙ্গে পরিচয় হয়েছে।

পরবর্তীতে দেখা গেছে, তারাই আমার বড় ক্লায়েন্ট হয়েছে। মেলা ও ফেসবুকের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও নেপালসহ বিভিন্ন দেশের নারীদের সঙ্গে পরিচয় হয় তাসলিমার।

আরও পড়ুন: অস্তিত্ব সংকটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা-সংস্কৃতি

সেসব দেশের নারীরা তার কাছ থেকে শাড়ি, শাল, নকশিকাঁথা নিয়ে অনেকেই নিজেদের ব্যবসা-উদ্যোগ গড়ে তুলেছেন। অনলাইনে পরিচিত দেশে-বিদেশে অনেকের কাছে পণ্য পাঠান। তাদের সঙ্গে লেনদেনও ভালো।

মূলত বছরের ২ ঈদ, পহেলা বৈশাখ আর শীতকে টার্গেট করেই সারা বছর পণ্য উৎপাদন করে তাসলিমার প্রতিষ্ঠান। হস্তশিল্পের ব্যবসায় নেমে উদ্যোক্তা তাসলিমা আজম লিজা বেশ কয়েকটি পুরস্কার পেয়েছেন। সবশেষ গাইবান্ধায় উদ্যোক্তা মেলায় জেলা পর্যায়ে সেরা নারী উদ্যোক্তা-২০২১ হিসেবে সম্মানিত হন।

এর আগে ২০২০ সালে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে অনলাইনভিত্তিক নারী উদ্যোক্তাদের নিয়ে কাজ করা দেশের শীর্ষ স্থানীয় সংগঠন উইমেন অ্যান্ড ই-কমার্স (উই) ট্রাস্টের লাখপতি অ্যাওয়ার্ড পান তিনি। এছাড়া এসএমইসহ অন্তত ১২টি পুরস্কার রয়েছে তার ঝুলিতে।

তাসলিমা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের (জিইউকে) প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ (নাসিব) গাইবান্ধা জেলা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন: প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা, ফুল ছিঁড়লে ৫০০ টাকা জরিমানা!

তাসলিমা বলেন, বাংলাদেশে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য প্রধান বাধা হলো আমাদের সংস্কৃতি। যেখানে আমরা নারীকে ঘরকন্যার একটি নির্দিষ্ট ভূমিকায় দেখতে অভ্যস্ত। বাস্তবতায় পারিবারিক দায়িত্ববোধের সঙ্গে একজন নারী তার সত্তাকে সমাজে সফলভাবে পরিচিত করে তুলতে সক্ষম। ঘরে-বাইরে নারীরা আত্মনির্ভরতা চান।

অনলাইনভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে অনেকেই সংসার সামলে অবসরে করা শখের কাজ ভাবেন। অনেকে ব্যবসাটি ঘরকেন্দ্রিক ভেবে ব্যবসা-উদ্যোগটির ন্যায্য স্বীকৃতি দেন না। যেকোনো পেশাজীবীর চেয়ে একজন উদ্যোক্তাকে তার ব্যবসায় ভাবনা, শ্রম ও সময় কোনো অংশেই কম দিতে হয় না।

ব্যবসায় পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ছাড়াও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রযুক্তিগত জ্ঞান। এসব বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা সফল নারী উদ্যোক্তা হওয়ার অন্যতম শর্ত।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 May 2024 09:30:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিক্ষকতা ছেড়ে সফল উদ্যোক্তা রেজবিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/100018" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/100018</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গাইবান্ধা প্রতিনিধি: কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। দেশে শিল্প-বাণিজ্য ক্ষেত্রেও বেড়েছে উদ্যোক্তা হিসেবে নারীর উপস্থিতি। ব্যবসায় পরিচালনার সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে সব কার্যনির্বাহের দায়িত্বে রয়েছেন নারীরা। 

আরও পড়ুন: ব্রহ্মপুত্র নদ যেন মরা কঙ্কাল!

ব্যবসায় নারীদের উপস্থিতিতে একদিকে যেমন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ছে, অন্যদিকে তাদের ব্যবসায়িক উদ্যোগগুলো দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে সমাজে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। গাইবান্ধার শহর ছাড়িয়ে গ্রামগুলোতেও নারীরা ছোট অঙ্কের ঋণ নিয়ে উদ্যোক্তা হচ্ছেন। 

তবে একজন নারীর উদ্যোক্তা হয়ে উঠা সহজ নয়। অনেক বাধা পেরিয়ে আসতে হয় তাদের। অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সবদিক থেকে বাধার মুখে পড়েন আমোদের দেশের নারীরা। 

তবুও উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে অনেকেই সামনে এগিয়ে যান। সেসব সাহসী নারীই হয়ে উঠেন সফল উদ্যোক্তা। তেমনি একজন সফল উদ্যোক্তা পিপলস ফুটওয়্যার এ্যান্ড লেদার গুডসের স্বত্বাধিকারী রেজবিন বেগম। তিনি চামড়াজাত সামগ্রী তৈরিতে সাফল্য অর্জন করেছেন। 

আরও পড়ুন: কাল রাজধানীতে সমাবেশ করবে আ&rsquo;লীগ

চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জাতীয় এসএমই বিজনেস ফোরাম অ্যাওয়ার্ড-২০২০। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সেবারের বর্ষসেরা পুরস্কারটি তিনি জীবনের বড় স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন। 

এছাড়াও তিনি ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা-২০২০-এ সেরা নারী উদ্যোক্তা এবং ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা-২০২২ ও ২০২৩-এ দ্বিতীয় সেরা নারী উদ্যোক্তার গৌরব অর্জন করেন। 

প্রায় একযুগের কঠোর পরিশ্রম আর প্রচেষ্টা তাকে এ সফলতা অর্জনে সহায়তা করেছে। একইসঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন ২ শতাধিক মানুষের। এ যাত্রাপথে সহযাত্রী ও পথপ্রদর্শক হিসেবে আছেন তার জীবন সঙ্গী হাফিজুর রহমান।

আরও পড়ুন: ৪র্থ দফায় শহিদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কাতলামারীর খাঁপাড়া গ্রামে রেজবিন বেগমের জন্ম। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। রেজবিন গাইবান্ধা সরকারি কলেজ থেকে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে ২০০২ সালে স্নাতক (সম্মান) এবং ২০০৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। 

২০১১ সালে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ এবং ২০১৯ সালে ইস্ট-ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেদার ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের উপর পোস্টগ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন। বিয়ের পর থেকেই স্বামী হাফিজুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় বসবাস তার।

রেজবিন ২০০৭ থেকে ১ জুলাই থেকে ২০০৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বেপজা পাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ এবং ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত মাইলস্টোন স্কুল এ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা করেন। 

আরও পড়ুন: এবার রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে আগুন

এছাড়া তিনি এসএমই ফাউন্ডেশন, স্কিটি, বিএসসিআইসি, আইএলও, বিআইডিএ প্রজেক্ট গাইবান্ধায় রিসোর্স পার্সন ও প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। 

দেশের সার্বিক উন্নয়নে নারীর অবদান কোনো অংশে কম নয় উল্লেখ করে রেজবিন বলেন, এ উন্নয়নে নারীদের অবদান থাকলেও ব্যবসা-বাণিজ্য এবং কর্মক্ষেত্রে নারীরা এখনো পিছিয়ে আছেন। নারী উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে শক্তিশালী ব্যবসায়িক যোগাযোগ, কার্যকর সহায়তা ব্যবস্থা, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন ও প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। 

সরকার নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ও কম সুদে ঋণ প্রদানের নীতিমালা প্রণয়ন করলেও এ সুবিধা পাচ্ছেন না নারী উদ্যোক্তারা। নানা শর্তের বেড়াজালে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা। 

আরও পড়ুন: হত্যার দায়ে ৩ জনের যাবজ্জীবন

ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে পিছিয়ে যাচ্ছেন নারীরা। ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা আরও সহজীকরণের মাধ্যমে তার কার্যকর বাস্তবায়ন করে নারী উদ্যোক্তাদের সংকট নিরসনের উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করেন এ নারী উদ্যোক্তা। 

তিনি আরও জানান, প্রকৌশলী হাফিজুর রহমানের অনুপ্রেরণায় একজন উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রাম শুরু করেন রেজবিন। চামড়াজাত সামগ্রী তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে রাজধানীর ধামরাইয়ে কালামপুর বিসিক শিল্পনগরীতে গড়ে তোলেন পিপলস লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ। 

ভ্যানিটি ব্যাগ ও বেল্টসহ নানা পণ্য উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণ শুরু করেন। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে উৎপাদিত পণ্যের মান নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি। 

আরও পড়ুন: ভুটানের রাজা ঢাকায় আসছেন কাল

নিজ জেলা গাইবান্ধার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিসিক শিল্পনগরী এবং গাইবান্ধায় প্রতিষ্ঠা করছেন পিপলস ফুটওয়্যার এ্যান্ড লেদার গুডস নামের শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এছাড়া চামড়াজাত শিল্পের কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ঢাকার উত্তরায় প্রতিষ্ঠিত পিপলস ফুটওয়্যার এ্যান্ড লেদার ট্রেনিং সেন্টারের পরিচালক তিনি। 

রেজবিন এসএমই ফাউন্ডেশনের জেনারেল বোর্ড মেম্বর, বিসিক উদ্যোক্তা ফোরামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বিসিক এসইআরডবিউটিআইসি ট্রাস্টের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

উদ্যোক্তা রেজবিন জানান, ২০১২ সালে উত্তরা মাইলস্টোন কলেজে শিক্ষকতার পাশাপাশি পিপলস নাইফ ইঞ্জিনিয়ারিং নামে চামড়া খাতে ব্যবহৃত ডাইসের (কাটিং নাইফ) কারখানা গড়ে তোলেন তিনি।

যখন দেখেন তার কাটিং নাইফ দিয়ে জুতা তৈরী হচ্ছে, তখন শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে ২০১৪ সালে ২ জন কর্মী নিয়ে জুতা তৈরির কাজে হাত দেন রেজবিন। তখন পুঁজি ছিল সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা। জুতা, ব্যাগ ও বেল্টসহ চামড়াজাত পণ্য তৈরি করার জন্য আশুলিয়ায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে পিপলস ফুটওয়্যার এ্যান্ড লেদার গুডস নামের কারখানা গড়ে তোলেন। 

আরও পড়ুন: তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা থাকবে না

কিছুদিনের মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে উঠে তার প্রতিষ্ঠানের জুতা। বাড়তে থাকে পাইকারি ক্রেতার চাহিদাও। তার প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ২০০ জন কর্মী কাজ করছে। যেখানে প্রতি মাসে উৎপাদন হয় ১২-১৩ হাজার চামড়াজাত পণ্য, যার ৭০ শতাংশই জুতা। 

দেশের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অর্ডার নিয়ে পণ্য তৈরির পাশাপাশি রেজবিনের প্রতিষ্ঠানে তৈরি পণ্য রফতানি হয় চায়না, মালয়েশিয়া, জাপান ও ভারতে।

নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা করার ক্ষেত্রে প্রধান বাধার বিষয়ে তিনি বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের কয়েকটি বাধা রয়েছে। এর মধ্যে প্রশিক্ষণ অন্যতম। তাদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এটা না হলে ব্যবসা শুরুর পর নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। সঙ্গে আছে সামাজিক বাধা। 

যদিও এটা আগের চেয়ে অনেক কমেছে। পারিবারিক ও সামাজিকভাবে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়েছে। তবে একজন নারী ব্যবসা করতে পারবে কিনা, সে বিষয়ে পরিবার ও সমাজের সহযোগিতা আরও বেশি প্রয়োজন। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা দিতে হবে। তা হলে নারীরা ব্যবসা-বাণিজ্যে আরও উৎসাহিত হবেন।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 24 Mar 2024 13:21:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মায়েদের শেফ মিনিস্টার প্রতিযোগিতার নিবন্ধন শুরু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/97409" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/97409</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে মায়েদের জন্য রান্না বিষয়ক প্রতিযোগিতা ডিপিএস এসটিএস শেফ মিনিস্টার! রান্না নিয়ে আগ্রহী ও পারদর্শী মায়েরা এখন ডিপিএস এসটিএস আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করার মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে সুস্বাদু সব খাবার তৈরি করে সবাইকে চমকে দিতে পারবেন এবং নিজেদের রন্ধনশৈলী প্রদর্শন করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: গাজরের লাড্ডু তৈরির রেসিপি

ডিপিএস এসটিএস শেফ মিনিস্টার ২০২৪-এ প্রাথমিক পর্যায়ে রান্না বিষয়ক একটি কর্মশালা আয়োজন করা হবে। এরপরে গালা রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে রান্না প্রতিযোগিতা, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ের ভেতর খাবার প্রস্তুত করতে হবে।

নিবন্ধন সাপেক্ষে বাংলাদেশে বসবাসরত সকল মায়েদের জন্য এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ উন্মুক্ত। গ্র্যান্ড ফিনালেতে যাওয়ার জন্য সকল অংশগ্রহণকারীকে কর্মশালায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কর্মশালাটি পরিচালনা করবেন একজন স্বনামধন্য শেফ।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী মায়েরা রান্না সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পরামর্শ ও মূল্যবান টিপস সম্পর্কে জানার মাধ্যমে নিজেদের রন্ধনশৈলীকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

আরও পড়ুন: মুরগির মাংসের তেহারি&rsquo;র রেসিপি

কর্মশালাটি আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ টায় ডিপিএস এসটিএস সিনিয়র স্কুল ক্যাফেটারিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে।

পরবর্তীতে গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি, যেখানে সেরা রাধুনীকে &lsquo;চ্যাম্পিয়ন মাদার&rsquo; হিসেবে নির্বাচন করা হবে। বিজয়ী শেফকে পুরস্কার হিসেবে প্রফেশনাল সার্টিফিকেট, ট্রফি ও এক লাখ টাকা পুরস্কার দেয়া হবে।



এ প্রতিযোগিতা নিয়ে ডিপিএস এসটিএস স্কুলের অধ্যক্ষ ড. শিবানন্দ সি এস বলেন, গত বছর মায়েরা আগ্রহ ও উদ্দীপনার সাথে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। মায়েরা সাধারণত তাদের সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের সন্তুষ্টিতে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যান। তাদের অনেক ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটাতে হয়।

আরও পড়ুন: তীব্র শীতে কাঁপছে দেশ

আমরা সকল মায়েদের জন্য স্মরণীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করতে চেয়েছি। একইসাথে, হোম-স্টাইল কুকিং নিয়ে তাদের দক্ষতা আরও শাণিত করতে চেয়েছি। আমাদের প্রত্যাশা এ বছর এ প্রতিযোগিতা মায়েদের জন্য আরও রোমাঞ্চকর ও আনন্দদায়ক হবে।

জানা গেছে, ডিপিএস এসটিএস শেফ মিনিস্টার-২০২৪ এর টাইটেল স্পন্সর হিসেবে রয়েছে ম্যাগি। তাদের সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব এ বছর আয়োজনকে নতুন এক উচ্চতা নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

মজাদার ও সুস্বাদু খাবার প্রস্তুত করে তুলতে ভালোবাসেন যেসব মায়েরা, তাদের জন্য এক অনন্য সুযোগ নিয়ে এসেছে এ প্রতিযোগিতা। অংশগ্রহণকারীরা তাদের অর্জন ও রন্ধনশিল্পের প্রতি তাদের নিবেদনের স্বীকৃতি হিসেবে পেশাদার সনদপত্র লাভ করবেন।



এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নিবন্ধনের সংখ্যা সীমিত। তাই ম্যাগি থেকে আগ্রহী অংশকারীদের দ্রুতই প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। নিবন্ধন করতে অনুগ্রহ করে ভিজিট করুন: https://tinyurl.com/2m8m39j2। নিবন্ধনের সংখ্যা পূর্ণ হয়ে গেলে পরে আর নিবন্ধন করা যাবে না।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 23 Jan 2024 08:34:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/97165" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/97165</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার চরফ্যাশনে দুলারহাট থানার চর তোফাজ্জল গ্রামে জমি সংক্রান্ত মামলার জের ধরে সুমাইয়া বেগম (২৪) নামের এক নারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় প্রকাশ্যে নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন: পরকীয়ার জেরে আ&rsquo;লীগ নেতা খুন

দুলারহাট থানা পুলিশ রাতেই এ ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে আদালতে সোপর্দ করে। এর আগে মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫ টায় জমি সংক্রান্ত মামলার জের ধরে এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

পরে স্থানীয়রা আহত সুমাইয়াসহ তার পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে সন্ধ্যায় চরফ্যাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

বুধবার নারীকে প্রকাশ্যে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পরলে মুহুর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। নির্যাতনের ভিডিও নিয়ে উপজেলাজুড়ে আলোচনার ঝড় বয়ে যায়। ওই নারী দুলারহাট থানার নুরাবাদ ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ডের মো. সেরাজল ইসলামের মেয়ে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: পীরগঞ্জে বাসে ডাকাতি, আটক ৫

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে আহত সুমাইয়ার মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে দুলারহাট থানায় মামলা দায়ের করেন। রাতেই দুলারহাট থানা পুলিশ ঘটনায় জড়িত শহিন ও ফিরোজ নামের দুই জনকে গ্রেফতার করে বুধবার সকালে আদালতে সোপর্দ করে।

ভুক্তভোগী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা ও সুমাইয়ারা পরস্পর আত্মীয়। তারা একই বাড়িতে বসবাস করেন। অভিযুক্তদের সাথে তার বাবা সেরাজল ইসলামের জমি সংক্রান্ত মামলা চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার ওই মামলার হাজিরার দিন ধার্য্য ছিল। ওই দিনই অভিযুক্তরাও মামলার হাজিরা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত ২

সেরাজল ইসলাম মামলার হাজিরা শেষে বাড়ি ফিরে আসরের নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে তার দায়ের করা দেওয়ানী মামলার আসামি নুরনবী, কবির হোসেন, শাহিন, ফিরোজ, আয়েশা বেগম, সাথি বেগম ও খতেজা বেগমসহ ১০/১২ জনের একটি সংবদ্ধ চক্র তার বাবা সেরাজল ইসলামের ওপর অর্তকিত হামলা চালিয়ে মারধর করেন।

এ সময় মেয়ে সুমাইয়া বাবাকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়। তাকে মাটিতে ফেলে মধ্যযুগীয় কাদায় নির্যাতন করে আসামিরা। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চরফ্যাসন উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

অভিযুক্ত ২ আসামি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে এবং অপর আসামিরা পলাতক রয়েছে।

দুলারহাট থানার ওসি (তদন্ত) মো. মহিবুল্লাহ জানান, নারীকে প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনায় ৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ২ আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 18 Jan 2024 03:14:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে নাবালিকাকে বিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95915" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95915</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুকুল চ্যাটার্জী, দিনাজপুর প্রতিনিধি: সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত এক পিতার মার্কিন নাগরিকের সাথে তার নাবালিকা কন্যাকে বিয়ে দেয়ার পরিকল্পনার বিষয়টি ফাঁস হয়েছে। নিজের মেয়েকে নিয়ে বাবার এমন কর্মকান্ডে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।

জানা যায়, দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার, ডাংগাপাঁড়া এলাকার নাবালিকা, তাজরিয়ান ইয়াসমিন, তার বাবা মোঃ শাহজালালের দ্বারা সাজানো প্রতারণার জালে নিজেকে জড়িয়ে ফেলে। মেয়েকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের সাথে বিয়ের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মেয়েকে যোগ্য দেখানোর জন্য তিনি নথিপত্র জাল করার কাজে জড়িয়ে পরেন।

বাবার পরিকল্পনা প্রকাশ্যে আসে যখন একই মেয়ের দুটি জন্ম নিবন্ধন তৈরির প্রচেষ্টা সামনে চলে আসে। বিরামপুর আইসিটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী তাজরিয়ান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ইশরাক জাহিম আল আমিনের সাথে ভার্চুয়াল সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। যেখানে বয়সের পার্থক্য তাদের পরিকল্পনার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়ে দাঁড়ায়।

মোঃ শাহজালাল, উত্তর রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তার মেয়ের জন্য একটি স্কুল ছাড়পত্র সংগ্রহ করেন, যাতে ২০০৪ সালের ১১ জুলাই জন্মতারিখ দেখানো হয়। যা তার প্রকৃত জন্ম সনদের বিপরীত।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহতাব উদ্দীন নথিটি অনুমোদনও করেন। এছাড়া মো: শাহজালাল তার মেয়ের জন্য নকল জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) তৈরির জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি থেকে একটি প্রশংসাপত্রও তোলেন, যেখানে তার মেয়ের বয়স প্রাপ্তবয়স্কা হিসাবে উপস্থাপন করেন। প্রধান শিক্ষক মাহতাব উদ্দীনের হাত ধরেই এই অপরাধের ভিত্তি স্থাপন হয়।

স্কুলের তথ্যরকর্ড এবং তার প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরিক্ষার তথ্য প্রমাণ মেলে তাজরিয়ানের বয়স মাত্র ১৪ বছর। আইনি বাধা থাকা সত্ত্বেও, শাহজালাল সরকারী নথিতে তার মেয়েকে প্রাপ্তবয়স্কা দেখানোর জন্য জন্ম নিবন্ধন পত্রে হেরফের সহ সন্দেহজনক কৌশল অবলম্বন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সরাসরি অপরাধী পদক্ষেপে, তিনি তার মেয়ের একটি ভিন্ন নামে নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিলেন, তাজরিয়ানকে বর্ধিত বয়সের সাথে দ্বিতীয় কন্যা হিসাবে চিত্রিত করেন তিনি। পরিস্থিতি অনুধাবন করতে পেরে ইউনিয়ন পরিষদ সচিব দ্রুত এই প্রতারণামূলক আবেদন প্রত্যাখ্যান করিয়ে দেন, শাহজালালের দ্বারা তার একমাত্র মেয়ের সরকারী নথিতে হেরফের করার চেষ্টার কথা প্রকাশ হয়। খট্টামাধবপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান কাওসার হোসেন বলেন, নাবালিকাকে বিয়ে দেয়া গুরুতর অপরাধ, এবং এই পরিকল্পনার অনুসরণ করলে উভয় পরিবারের জন্য আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এতো কিছুর পরেও, শাহজালাল তার মেয়ের জন্য একটি জাল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেতে সক্ষম হন, এই জাল নথি দিয়ে মেয়েকে দেশের বাইরে পাঠানো হলে তা একটি বড় অপরাধ হিসেবেই যে চিহ্নিত হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

তাজরিয়ানের আসল জন্ম নিবন্ধন নম্বর: ২০০৮২৭১৪৭৮১১১২২৮৯, যা জাল নথিতে উপস্থাপিত বানোয়াট তথ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রাপ্ত জাল এনআইডি (৭৩৭৫৪১৮১৬২) যা অন্যতম প্রতারণা। এই ধরণের অপরাধ থেকে বিরত থাকতে নাগরিকদের আরও সোচ্চার হতে হবে।

সান নিউজ/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 20 Dec 2023 13:34:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শরণখোলায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা শামীম আরা বাদল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95499" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95499</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: &ldquo;শেখ হাসিনা বারতা নারী-পুরুষ সমতা&rdquo; এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাগেরহাটের শরণখোলায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও জয়িতাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: গৃহবধুকে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ২

এ সময় বাগেরহাটের শরণখোলায় শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত শামিম আরা বাদলকে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন আকন শান্ত।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. আ. হাই। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার, শরণখোলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বাবুল দাস, শ্রেষ্ঠ জয়িতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক উষান আরা বাদলের মা শামিম আরা বাদল ও হালিমা খাতুন।

আরও পড়ুন: খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর 

বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৪ জন সফল নারীকে উপজেলার শ্রেষ্ঠ জয়ীতার পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তাদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ মনিরুজ্জামান বাদলের সহধর্মিনী এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বাগেরহাট-৪ আসনের নৌকার মনোনীত প্রার্থী এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগের শাশুড়ি শামীম আরা বাদল।

এছাড়া শ্রেষ্ঠ জননী কোটায় উপজেলা সদরের আরকেডিএস পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মিসেস হালিমা খাতুন, সমাজসেবক কোটায় বারবার নির্বাচিত রায়েন্দা ইউপির সংরক্ষিত আসনের সদস্য আকলিমা বেগম, নারী উদ্যোক্তা কোটায় মিসেস ফয়জুন্নেছা বেলী জেলায় এ পুরষ্কার পেয়েছেন।

আরও পড়ুন: একদিনে ৫ জনের করোনা শনাক্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার এ্যসোসিয়েশনের নির্বাচিত প্রতিনিধি ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিয়ান এ্যাসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জয়িতা শামিম আরা বাদল বলেন, আমার হাতের মেহেদী শুকায়নি, তখন আমি বিধবা হয়েছি।

তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে শান্তনা দিয়ে বলেছিলেন, আগে পড়াশোনা শেষ করো। তারপর চাকরি করবে। তখন আমি বলেছিলাম, আগে আমার চাকরি দরকার, তারপর সুযোগ পেলে পড়াশোনা করব। চাকরি করেছি, পাশাপাশি পড়াশোনাও করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাবল মাস্টার্স করেছি।

আরও পড়ুন: ১৮ ডিসেম্বর আ&rsquo;লীগের বিজয় র&zwnj;্যালি

এ কারণে আমার একমাত্র কন্যা উষান আরা বাদলকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলেছি। যার সুফল হিসেবে উষান আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। মেয়ের আলোতে আমি আজ আলোকিত হয়েছি। আমার স্বামী বেচে থাকলে আরও ভালো লাগত।

তিনি আরও বলেন, পরিশ্রম মানুষকে আলোকিত হওয়ার পথ তৈরি করে দেয়। একজন পুরুষ যদি একটি সংসার চালাতে পারে, আমি কেন আমার সন্তানকে মানুষ করতে পারব না?

এজন্য পরিশ্রম করতে হবে। আমার পরিশ্রমের সুফল শ্রেষ্ঠ জয়িতার পুরষ্কার। আমাকে এ পুরষ্কার দেয়ায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 Dec 2023 14:26:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফুলছড়িতে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95413" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95413</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আশরাফুজ্জামান সরকার, গাইবান্ধা: গাইবান্ধার ফুলছড়িতে নারী জাগরণের অগ্রদুত &quot;বেগম রোকেয়া দিবস&quot; পালিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: জয়িতা সম্মাননা পেলেন মা-মেয়ে

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এবং গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (GUK)-এর বাস্তবায়নে উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ফুলছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানাসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: ময়লার স্তুপে ফুলের বাগান করল বিডি ক্লিন 

অনুষ্ঠানে Socio-Economic Empowerment with Dignity and Sustainability-SEEDS প্রকল্পের উড়িয়া ও কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের ৫ ক্যাটাগরির মধ্যে ৪ ক্যাটাগরির জয়িতা নির্বাচিত হয়।



শেষে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী শ্রীমতি আরতি রানী, নির্যাতনের বিভীষিকা পেরিয়ে অগ্রসর নারী খাতিজা বেগম, সফল জননী হামিদা বেগম, শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী শ্রীমতি মালতি রানীকে বেগম রোকেয়া দিবসে ক্রেস্ট প্রদান করেন প্রধান অতিথি।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 Dec 2023 14:43:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জয়িতা সম্মাননা পেলেন মা-মেয়ে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95411" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95411</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালী প্রতিনিধি: বেগম রোকেয়া দিবস-২০২৩ উপলক্ষে নোয়াখালীর জেলা ও বেগমগঞ্জ উপজেলা পর্যায়ে ভিন্ন ক্যাটাগরিতে একসাথে শ্রেষ্ঠ জয়িতার সম্মাননা পেয়েছেন মা ও মেয়ে।

আরও পড়ুন: পেঁয়াজের ঝাঁজে দিশাহারা মানুষ

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) &quot;জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ&quot; শীর্ষক কার্যক্রমের আওতায় সফল জননী ও নারী ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে মা বিবি মরিয়ম এবং শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে তারই বড় মেয়ে ও পুলিশের এডিশনাল এসপি আকলিমা আক্তার এ সম্মাননা পেয়েছেন।

মা-বিবি মরিয়ম উপস্থিত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করলেও তার মেয়ে আকলিমা আক্তার জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে মালির মিনুসমাতে বাংলাদেশ পুলিশ কন্টিনজেন্টের প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্বরত থাকায় তার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বড় ছেলে সাদমান সাকিব মায়ের পক্ষে এ গৌরবমণ্ডিত সম্মাননা গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: নান্দনিক আয়োজনে বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল

&quot;সফল জননী&quot; বিবি মরিয়মের ৪ সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে ৩৪তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডার, ছোট ছেলে ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার, বড় ছেলে প্রথম শ্রেণীর অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করে এখন সফল ব্যবসায়ী, ছোট মেয়ে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করে বর্তমানে উচ্চ শিক্ষার জন্য আমেরিকায় অধ্যয়নরত।

মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রবের বিধবা কন্যা বিবি মরিয়ম তার ৪ সন্তানকে প্রতিষ্ঠিত করে আজ সফল জননী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে সমাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

অন্যদিকে &quot;সাফল্য অর্জনকারী নারী&quot; হিসাবে তারই বড় মেয়ে ও পুলিশের এডিশনাল এসপি আকলিমা আক্তার কলেজের গণ্ডি পেরোনোর আগেই বিয়ে হওয়ায় শ্বশুরবাড়ি চলে যায়।

আরও পড়ুন: ৪ পরীক্ষার্থীর শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন ভঙ্গ

শ্বশুরবাড়ি একান্নবর্তী পরিবার ও স্বামী সন্তানদের দায়-দায়িত্ব সফলভাবে পালনের পাশাপাশি ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। পরে বিবিএ (ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং) বিষয়ে প্রথম শ্রেণীতে এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করেন।

৩৪তম বিসিএসে গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধার নাতনী হিসেবে &quot;মুক্তিযোদ্ধা কোটা&quot; পাওয়ার চেষ্টা না করে সবার সাথে প্রতিযোগিতা করে মেধার ভিত্তিতে তিনি &#39;পুলিশ ক্যাডারের&#39; জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে পুলিশে যোগদান করেন।

আরও পড়ুন: দ. আফ্রিকায় গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে মৌলিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে &quot;মাষ্টার্স অব পুলিশ সাইন্সে&quot; কৃতিত্বের সাথে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়ে তৃতীয় মাস্টার ডিগ্রী অর্জন করেন।

৮ বছর বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বর্তমানে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পশ্চিম আফ্রিকার বিক্ষুব্ধ দেশ মালির মিনুসমায় বাংলাদেশ পুলিশ কন্টিনজেন্টের প্লাটুন কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করছেন।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এ অবস্থিত নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে (Global Security, Conflict Management &amp; Cyber Crime) বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য আকলিম আক্তারকে আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি প্রেরণ করা হয়। জাতিসংঘের মিশনে শেষে তিনি সেখানে ভর্তি হবেন বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু

শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে আকলিম আক্তারের দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের অসামান্য সাফল্যে সমাজের বিভিন্ন বাধা-বিপত্তির কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ঝরে পড়া মেয়েদের আত্মবিশ্বাস সৃষ্টিতে অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে অনেকেই মনে করছেন।

বেগম রোকেয়া দিবস-২০২৩ উপলক্ষে দুপুরে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক সম্মেলন কেন্দ্রে জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ জয়িতাদের সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান।

আরও পড়ুন: মহিষের দই খেয়ে অসুস্থ শতাধিক

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামরুল নাহারের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় নোয়াখালী জেলার ৫ জন জয়িতাকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯ টায় বেগমগঞ্জ উপজেলা অফিসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসিন আরাফাত উপজেলার ৫ জন জয়িতার মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 Dec 2023 14:35:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জয়িতা সম্মাননা পেলেন সফল ৪ নারী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95405" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95405</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আবু রাসেল সুমন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়িতে বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ৯ উপজেলা থেকে নির্বাচিত ৪ নারীকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জয়িতা সম্মাননা স্মারক, ২ লাখ ৯০ হাজার টাকার অনুদানের চেক ও সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ৪ পরীক্ষার্থীর শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন ভঙ্গ

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যােগে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের নির্বাচিত ১০ টি রেজিস্ট্রিকৃত স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সংগঠনের মাঝে এ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান।

খাগড়াছড়ি জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুস্মিতা খীসার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- পুলিশ সুপার মুক্তা ধর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জোনায়েদ কবীর সোহাগ, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শানে আলম ও জয়িতা সম্মাননাপ্রাপ্ত নারীরা।

আরও পড়ুন: নিয়োগ পরীক্ষায় আটককৃত ৯ জন হাজতে

বক্তারা বলেন, সারা বিশ্বের ন্যায় এদেশের নারীরা আজ সাহসের সাথে নিজেদেরকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। নারীরা এগিয়ে গেলে এদেশ ও সমাজ এগিয়ে যাবে।

নারীদের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নের মূর্ত প্রতীক হলো আজকের এ জয়িতা। কেবল নিজেদের ইচ্ছা শক্তিকে সম্বল আর বিভিন্ন প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে জয়িতারা তৃণমূল থেকে সমাজে নিজেদের সাফল্যের চূড়ায় স্থান করে নিয়েছেন।

অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী এবারের জয়িতা সম্মাননায় নির্বাচিত হয়েছেন মহালছড়ি উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের মিতা চাকমা। একজন সফল জননী হিসেবে ভূষিত হয়েছেন দীঘিনালা উপজেলার বড়াদম গ্রামের ইন্দিরা চাকমা।

আরও পড়ুন: উলিপুরে দুর্নীতি বিরোধী দিবস উপলক্ষে সভা

পারিবারিকভাবে নির্যাতনের বিভীষিকাময় স্মৃতি মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে আবার জীবন শুরু করায় ভূষিত হলেন মানিকছড়ি উপজেলার মহামুনি এলাকার জামেনা বেগম। সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্নভাবে অসামান্য অবদান রাখায় ভূষিত হলেন খাগড়াছড়ি সদরের পেরাছড়া হেডম্যান এলাকার রাঙ্গাবী চাকমা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা ইসলাম, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জসীম উদ্দিন, শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা উষানু চৌধুরীসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন নারী সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 Dec 2023 13:26:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোকেয়া দিবস উপলক্ষে ৩৫ নারীকে সংবর্ধনা ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95401" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95401</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভোলা প্রতিনিধি: &lsquo;নারীর জন্য বিনিয়োগ, সহিংসতা প্রতিরোধ&rsquo;-এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভোলায় আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বেগম রোকেয়া দিবস পালিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধান বিচারপতি করার আফসোসটা থেকে গেল

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে র&zwnj;্যালি, আলোচনা সভা ও ৩৫ জন সফল নারীদের জয়িতা সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।

জেলা প্রশাসন ও ভোলার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে এ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জয়িতা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন কুমার সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মামুন অর রশিদ।

আরও পড়ুন: মহিষের দই খেয়ে অসুস্থ শতাধিক

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ভোলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক অমিতাভ রায় অপু, শিশু একাডেমীর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আখতার হোসেন ও সাংস্কৃতিক কর্মী তালহ তালুকদার বাঁধন।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান ৫ টি ক্যাটাগরিতে ১০ জন মহীয়সী নারীকে আনুষ্ঠানিক সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন। জেলায় ৩৫ জন নারীকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

এর আগে সকালে বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষ্যে একটি র&zwnj;্যালি নিয়ে সড়ক প্রদক্ষিণ করেন বিভিন্ন নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

আরও পড়ুন: নান্দনিক আয়োজনে বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল

জেলা পর্যায়ে জয়িতা সংবর্ধনা প্রাপ্তরা হলেন- অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী মোসা. সেলিনা আক্তার, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী মোসা. হোসনে আরা বেগম, সফল জননী হোসনেয়ারা বেগম, নির্যাতন বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা সাথী এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছে আইনুন নাহার রেনু বেগম।

উপজেলা পর্যায়ে জয়িতা সংবর্ধনা পেয়েছেন- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ফারজানা আক্তার লিমা, সফল জননী রেহানা বেগম, নির্যাতন বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যমে জীবন শুরু করা বিবি ফাতেমা, অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী মোসা. সেলিনা আক্তার, শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী সুলতানা রাজিয়া।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 Dec 2023 12:38:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সায়মা ওয়াজেদের জন্মদিন ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95381" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95381</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৯৭২ সালের এ দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী প্রয়াত ওয়াজেদ মিয়ার কন্যা আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ পুতুল জন্মগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: প্রধান বিচারপতি করার আফসোসটা থেকে গেল

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের (এসইএআরও) আঞ্চলিক পরিচালক পদে সায়মা ওয়াজেদকে মনোনয়ন দিয়েছে সরকার। এসইএআরও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৬ টি আঞ্চলিক অফিসের মধ্যে &zwnj;একটি, যা সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত।

২০০৮ সাল থেকে মনস্তত্ত্ববিদ সায়মা ওয়াজেদ শিশুদের অটিজম ও স্নায়বিক জটিলতা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ শুরু করেন। তার কাজ অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাপী প্রশংসা লাভ করে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে &lsquo;হু অ্যাক্সিলেন্স&rsquo; অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

আরও পড়ুন: রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন&rsquo;র জন্মদিন

সায়মা ওয়াজেদ যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অটিজম স্পিকসের পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেন। ২০১৩ সালের জুন থেকে তিনি মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞ পরামর্শক প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত হন।

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের মিয়ামি শহরে ব্যারি ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় বাংলাদেশের নারীদের উন্নয়ন নিয়ে গবেষণা করেন। ফ্লোরিডার অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সে এ বিষয়ে তার গবেষণা কর্ম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান ভিত্তিক উপস্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

আরও পড়ুন: ৫ নারীর হাতে পদক দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৯৯৭ সালে ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক, ২০০২ সালে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি নিয়ে মাস্টার্স ও ২০০৪ সালে স্কুল সাইকোলজি নিয়ে বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি লাভ করেন পুতুল।

২০১১ সালে তার উদ্যোগে ঢাকায় প্রথমবারের মতো অটিজম বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের স্বামীর নাম খন্দকার মাশরুর হোসেন। তাদের ৩ মেয়ে ও ১ ছেলে রয়েছে।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 Dec 2023 08:09:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভোলায় আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস পালিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95243" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/95243</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার চরফ্যাশনে &lsquo;আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নারীর উপর সহিংসতার আশংঙ্কা: প্রতিরোধ গড়ুন, প্রতিবাদ করুন&rsquo; প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ দিবস পালন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রকৃত সাংবাদিকরাই কার্ড পাবেন

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে চরফ্যাশনের ফ্যাশন স্কয়ারে দিবসটি উপলক্ষে নারীদের এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ইয়ুথ পাওয়ার ইন বাংলাদেশ ও তারুণ্যের কন্ঠস্বর-প্ল্যাটফর্ম এর যৌথ আয়োজনে ও নারীপক্ষের অধিকার এখানে, এখনই (জঐজঘ-২) প্রকল্প সহযোগীতায় দিবসটি পালন করা হয়। এ সময় সমাজকর্মী, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেয়।

আরও পড়ুন: নতুন সংসদে শ্রম আইন সংশোধন হবে

কর্মসূচিতে ইয়ুথ পাওয়ার ইন বাংলাদেশ চরফ্যাশন উপজেলা শাখার সভাপতি মনির আসলামির সভাপতিত্বে ও তারুণ্যের কন্ঠস্বর-প্ল্যাটফর্ম চরফ্যাশন উপজেলার সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলামের সঞ্চালনায়, প্রভাষক নাহিমা ইসলাম, চরফ্যাসন পৌরসভা (১, ২ ও ৩) ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর ফরিদা বেগম, (৪, ৫ ও ৬) ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলর রেজওয়ান পারভীন, (৭, ৮ ও ৯) ওয়ার্ড মহিলা কাউন্সিলর জাহানারা বেগম, নারী নেত্রী ইসরাত জাহান, নুসরাত জাহানসহ সংগঠনের অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, নারীরা শুধু নির্বাচনকালীন নয় তারা অনেক ক্ষেত্রেই নির্যাতনের স্বীকার হয়। চাকরির প্রলভন দেখিয়ে, বিদেশ নেওয়ার কথা বলে বিভিন্নভাবে নির্যাতনের স্বীকার হয়। এছাড়া তারা স্বামী কর্তৃকও নির্যাতনের স্বীকার হয়। তবে তারা মুখ খুলে কিছু বলতে পারে না।

এ সময় নারীর নিরাপদ জীবন বির্নিমাণে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্ব পালনের প্রতি জোর দাবি জানান তারা।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 Dec 2023 11:47:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারীর প্রতি নির্যাতন বেড়েছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/94701" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/94701</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণ ও নারীর প্রতি নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এমন অবস্থায় নির্বাচনের সময় ও নির্বাচন পরবর্তীকালে উদ্বেগ আরও বাড়বে বলে মনে করছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। এসময় ক্ষমতার ছত্রছায়ায় থাকায় অপরাধীদের বিচার হচ্ছে না বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এ সংগঠনটি।

আরও পড়ুন: ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় জান্নাতুল

শনিবার (২৫ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে &lsquo;আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস-২০২৩&rsquo; উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম এমন উদ্বেগের কথা জানান।

এ সময় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ লক্ষ্য করছে, সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ধর্ষণ, দলবদ্ধ ধর্ষণের মতো ঘটনা বেড়ে গেছে। আর যারা এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে তারা ক্ষমতার ছত্রছায়ায় থাকায় বিচারের মুখোমুখি হতে হচ্ছে না। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশে তৈরি হয়েছে অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি। পূর্বের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে নির্বাচনের পূর্বে, নির্বাচনের সময়কালে ও নির্বাচনের পরে নারী ও কন্যাদের প্রতি নানা ধরনের সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এমনই এক সময়ে আমরা পালন করতে যাচ্ছি আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ।

আরও পড়ুন: নারীর শিক্ষায় ইডেন কলেজের অবদান অনস্বীকার্য

ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, বাংলাদেশেও ১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন সংগঠন একক ও যৌথভাবে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করে আসছে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ এবং বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারী ও পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠা, নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পরিবার-সমাজ ও রাষ্ট্রে নারী ও কন্যার প্রতি সকল ধরনের সহিংসতামুক্ত মানবিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার যে বৃহত্তর লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল, সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতি বছর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

ডা. ফওজিয়া মোসলেম জানান, আজ (শনিবার) নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৃণমূলের নারী ও পুরুষদের সাথে মতবিনিময় এবং আগামী ২ ডিসেম্বর নারী ও কন্যার প্রতি সাইবার সহিংসতা: বাস্তবতা ও করণীয় বিষয়ে তরুণদের সাথে মতবিনিময় সভা করা হবে। ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৩ টায় নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিষয়ে অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা অনলাইনে অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন: ২০০ নারী উদ্যোক্তার অংশগ্রহণে &lsquo;আমিই সেরা&rsquo; অনুষ্ঠিত

এছাড়া, ৭ ডিসেম্বর আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির সাথে যৌথ বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ৯ ডিসেম্বর নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সকাল সাড়ে ৬টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ কমিউনিটি দৌড় আয়োজন করা হবে। ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালন করা হবে।

এসময় ডা. ফওজিয়া নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষকে সামনে রেখে বৈশ্বিক পর্যায় থেকে নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বিনিয়োগ করার জন্য আহ্বান জানান।

সান নিউজ/টিও]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Nov 2023 09:46:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় জান্নাতুল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/94544" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/94544</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বের প্রভাবশালী ও অনুপ্রেরণাদায়ী নারীর তালিকায় বাংলাদেশের নারী জান্নাতুল ফেরদৌস জায়গা করেছেন। যিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখিকা হিসেবে তার ক্যারিয়ার গড়েছেন।

আরও পড়ুন: নারীর শিক্ষায় ইডেন কলেজের অবদান অনস্বীকার্য

সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বিশ্বের প্রভাবশালী ও অনুপ্রেরণাদায়ী নারীর এ তালিকা প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) চলতি বছরের বিশ্বের একশ প্রভাবশালী ও অনুপ্রেরণাদায়ী নারীর তালিকা প্রকাশ করা হয়।

জান্নাতুলের পাশাপাশি এ তালিকায় রয়েছেন- যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা, ব্যালন ডি অর জয়ী নারী ফুটবলার আইতানা বোনামাতি এবং হলিউড তারকা আমেরিকা ফেরেরার মতো নারীরা।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক কন্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

বিশ্বে জান্নাতুল ফেরদৌস নামে পরিচিতি পেলেও বন্ধুমহলে তিনি জান্নাতুল আইভি নামেই পরিচিত। শিক্ষাজীবনে ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার্স শেষ করে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিসের ওপরও পড়াশুনা করেন তিনি। তবে তার স্বাভাবিক জীবনের ছন্দপতন ঘটে এক অগ্নিদুর্ঘটনায়।

১৯৯৭ সালে এক অগ্নিদুর্ঘটনায় জান্নাতুলের ৬০ শতাংশ শরীর পুড়ে যায়। রান্না করার সময় অসতর্কভাবে জান্নাতুলের ওড়নায় আগুন লেগে যায়। সেই আগুন থেকে সারা শরীরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে তার। চিকিৎসায় এখন সুস্থ হলেও শরীরের ৬০ শতাংশ অগ্নিদগ্ধ। এ অবস্থাতেও তিনি দমে যাননি। কাজ করে চলেছেন অসহায় মানুষদের কল্যাণে।

আরও পড়ুন: সৌদিতে কর্মক্ষেত্রে বেড়েছে নারীর অংশগ্রহণ

সেই ঘটনার পরও জীবনের পথে পিছিয়ে পড়েননি তিনি। আর তাই বিবিসি তাকে চলতি বছরের বিশ্বের প্রভাবশালী ও অনুপ্রেরণাদায়ী নারী হিসেবে বেছে নিয়েছেন।

&lsquo;ভয়েস অ্যান্ড ভিউজ&rsquo; নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা জান্নাতুল। এ সংস্থার মাধ্যমে তিনি অগ্নিদুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন। নিজে শারীরিকভাবে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পার করলেও তিনি মানবিক কাজ চালু রেখেছেন শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য।

সান নিউজ/টিও]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 22 Nov 2023 11:57:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারীর শিক্ষায় ইডেন কলেজের অবদান অনস্বীকার্য]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/93618" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/93618</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বাংলা অঞ্চলের নারীদের শিক্ষা, অগ্রযাত্রা ও ক্ষমতায়নে ইডেন কলেজের অবদান অনস্বীকার্য।

আরও পড়ুন: শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

তিনি বলেন, ১৮৭৩ সালে এ কলেজের যাত্রা শুরু। বহু জায়গা ঘুরে ১৮ একরের ক্যাম্পাসটি আজকে ইডেন কলেজ নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবদান অনেক। বাংলা অঞ্চলের নারীর শিক্ষা, অগ্রযাত্রা ও ক্ষমতায়নে এ কলেজটির অবদান অনস্বীকার্য।

শনিবার (৪ নভেম্বর) ইডেন মহিলা কলেজের ১৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। বিশেষ কারণে তিনি আসতে না পারায় শিক্ষামন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন: দায়িত্ব নিলেন ঢাবির নতুন উপাচার্য 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইডেন কলেজের উজ্জ্বলতম সাবেক শিক্ষার্থী আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আজ সকালে এ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষকে মোবাইলে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আজকে বাংলাদেশ বিশ্বে নারীর ক্ষমতায়নে যে রোল মডেল, তার পেছনে এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ হাসিনার অবদানও অনস্বীকার্য।

ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষাকে আমরা সর্বস্তরেই বিশ্বমানে উন্নীত করতে চাই। আমরা শেখ হাসিনার হাতেই যুগোপযোগী একটি শিক্ষানীতি পেয়েছি। সেটাকে আরও যুগোপযোগী করার জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। নতুন একটি শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করছি আমরা।

নতুন শিক্ষাক্রমে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় রয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমে আমাদের সন্তানরা এগিয়ে যাবে। পিছিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বৈষম্যেরও সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন: &lsquo;ডক্টর অব লজ&rsquo; গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

এ শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে স্মার্ট বাংলাদেশের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। অথচ একটি পক্ষ না জেনে-বুঝে এ শিক্ষাক্রমের বিরোধিতা করে যাচ্ছে, অপপ্রচার চালাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সামনে জাতীয় নির্বাচন। এ নির্বাচন সামনে রেখে শিক্ষাক্রমবিরোধী আন্দোলনে কিছু কিছু রাজনৈতিক দল ইন্ধন যোগাচ্ছে। নতুন শিক্ষাক্রম আমাদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এ নিয়ে ছড়ানো কোনো গুজবে কান দেবেন না। এগিয়ে যাওয়ার এ শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের পথে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে, তাদের কথায় কান দেওয়া যাবে না।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ সুপ্রিয়া ভট্টাচার্য। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

আরও পড়ুন: ঢাবির সমাবর্তনে প্রধানমন্ত্রী

আয়োজিত অনুষ্ঠানে কলেজের ১৮ জন আলোকিত প্রাক্তনীকে উত্তরীয় পরিয়ে বিশেষ সংবর্ধনা ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

এদিকে, সার্ধ-শতবর্ষ উপলক্ষে এদিন ইডেন কলেজে আলোকসজ্জা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীদের সরব উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসে আনন্দমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সান নিউজ/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Nov 2023 08:49:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আন্তর্জাতিক কন্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/92453" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/92453</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভোলা প্রতিনিধি: লিঙ্গ বৈষম্য দূর করাই আন্তর্জাতিক কন্যা দিবসের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। চারিদিকে বৈষম্য, অন্যায়, ধর্ষণ, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, লাঞ্ছনা, হয়রানীসহ নানা রকম অসঙ্গতির মধ্যে থাকেন নারীরা।

আরও পড়ুন: এইচপিভি টিকাদান উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স

তাদেরকে কন্যা হিসেবে না দেখে মানুষ হিসেবে দেখলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের আমূল পরিবর্তন আসবে। আজকের দিনে যা কিছু অর্জন, তার পিছনে নারীদের ভূমিকা অনেক। নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেই।

তারা সচিব, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও শিক্ষকসহ বিভিন্ন সেক্টরে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। তাই নারীদেরকে এখন আর ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে নারীদেরকেও ক্ষমতায়ন করতে হবে। নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি ন্যায্য ও সাম্যের পৃথিবী গঠন করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে নারীসহ ৪ জনের কারাদণ্ড

বুধবার (১১ অক্টোবর) ভোলা সদর উপজেলার হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাজেদা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশালের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস-২০২৩ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

&lsquo;সকল শিশুর স্বপ্ন সফল হোক, কন্যা শিশুরা সামনে সমান হয়ে এগিয়ে যাক&rsquo; এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ছবেকুন নাহার।

আরও পড়ুন: অপ্রয়োজনীয় সিজার রোধে রায় ঘোষণা

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দীপক হালদার, ২ নং ইলিশা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ছোটন, জেলা মাধ্যমিক রিসার্চ কর্মকর্তা নুরে আলম সিদ্দিকী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার সিরাজুল ইসলাম শাওন, কবি মোজাম্মেল হক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কাশেম, হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য আমজাদুল হক টুলু, দক্ষিণ রুহিত আমার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুল হাসান সেলিম, হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. টিপু সুলতান, শান্তিরহাট ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোফায়েল আহমেদ, সাজেদা ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার বিপ্লব হোসেন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার নাসরিন নাহার ও ক্যাপাসিটি বিল্ডিং স্পেশালিস্ট মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসিতে &lsquo;এ-প্লাস&rsquo; প্রাপ্ত কন্যা শিশু খাদিজা আক্তার মুনিয়া। সঞ্চালনা করেন হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাছিমা শিরিন তুলি।

দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মঞ্চ নাটক পরিবেশন করেন। এছাড়া সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 12 Oct 2023 09:28:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন আজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/91648" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/91648</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭ তম জন্মদিন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৮ তম অধিবেশনে যোগ দিতে এ দিন তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

আরও পড়ুন: তুরাগ নদীতে নৌকা বাইচের আয়োজন

শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি নদীবিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান।

টুঙ্গিপাড়ায় দাদা শেখ লুৎফর রহমান ও দাদি সাহেরা খাতুনের অতি আদরের নাতনি শেখ হাসিনার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে। শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রেহানা ও শেখ রাসেলসহ তারা ৫ ভাই-বোন।

আরও পড়ুন: ইতিহাসের এই দিনে বিশ্ব তথ্য অধিকার দিব

তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছাড়া বর্তমানে কেউই জীবিত নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে পিতা বঙ্গবন্ধু ও মাতা ফজিলাতুন নেছাসহ সবাই ঘাতকদের বুলেটে নির্মমভাবে নিহত হন।

টুঙ্গিপাড়ার এক পাঠশালায় শেখ হাসিনার শিক্ষা জীবন শুরু হয়েছিল। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসেন। পুরোনো ঢাকার রজনী বোস লেনে ভাড়া বাসায় ওঠেন তারা।

যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভার সদস্য হলে বঙ্গবন্ধু সপরিবারে ৩ নম্বর মিন্টু রোডের বাসায় বসবাস শুরু করেন। তখন শেখ হাসিনাকে ঢাকায় টিকাটুলির নারী শিক্ষা মন্দিরে ভর্তি করা হয়। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে শেরে বাংলা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে খ্যাত। এ সময় থেকে শুরু হয় তার শহরবাসের পালা।

আরও পড়ুন: মহানবীর আদর্শে কাজ করার আহ্বান

শেখ হাসিনা ১৯৬৫ সালে আজিমপুর বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ১৯৬৭ সালে ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ (বর্তমান বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা মহাবিদ্যালয়) থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করেন। একই বছর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধুর আগ্রহে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়ার সাথে শেখ হাসিনার বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যাওয়ার পর ঢাকায় ভিন্ন এক বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখা হয় পুরো পরিবারকে।

১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই অবরুদ্ধ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গৃহবন্দি অবস্থায় শেখ হাসিনা তার প্রথম সন্তান &lsquo;জয়&rsquo;র মা হন। ১৯৭২ সালের ৯ ডিসেম্বর তার কন্যা সন্তান পুতুলের জন্ম হয়।

আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস

পরবর্তী ইতিহাস একবিংশ শতকের অভিযাত্রায় শেখ হাসিনা কীভাবে বাঙালি জাতির কান্ডারি হয়েছেন, তারই ইতিহাস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন, সেই স্বপ্ন রূপায়নের দায়িত্ব নিয়ে বাঙালি জাতির আলোর দিশারী হওয়ার ইতিহাস।

শেখ হাসিনাকে ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ঐ বছরের ১৭ মে দীর্ঘ ৬ বছর প্রবাস জীবনের অবসান ঘটিয়ে মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে আসেন তিনি।

এরপর ১৯৯০ সালের ঐতিহাসিক গণআন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তিনি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে আওয়ামী লীগ দীর্ঘ ২১ বছর পর সরকার গঠন করে। সে বছরের ২৩ জুন তিনি প্রথমবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) 

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় তাকে গ্রেনেড নিক্ষেপ করে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। এ সময় অলৌকিকভাবে তিনি বেঁচে গেলেও ঐ হামলায় ২৪ জন নিহতসহ ৫০০ নেতাকর্মী আহত হন।

পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে বিশাল বিজয় অর্জন করে আওয়ামী লীগ। এ বিজয়ের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা।

তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তৃতীয়বার এবং ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। শিল্প, সংস্কৃতি ও সাহিত্য অন্তপ্রাণ শেখ হাসিনা লেখালেখিও করেন। তার লেখা ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩০ টিরও বেশি।

আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধ অবিশ্বাসীদের বয়কটের আহ্বান

তার প্রকাশিত অন্যতম বইগুলো হলো- শেখ মুজিব আমার পিতা, সাদা কালো, ওরা টোকাই কেন, বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম, দারিদ্র্য দূরীকরণ, আমাদের ছোট রাসেল সোনা, আমার স্বপ্ন আমার সংগ্রাম, সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র, আন্তর্জাতিক সর্ম্পক উন্নয়ন, বিপন্ন গণতন্ত্র, সহে না মানবতার অবমাননা, আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি, সবুজ মাঠ পেরিয়ে ইত্যাদি।

শেখ হাসিনা এবার চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করেছেন তিনি।

সেই সাথে তিনি সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও বিশ্বনেতাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। এছাড়া মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়।

আরও পড়ুন: ভিসানীতি নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন নয়

১৯৮১ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রবক্তা স্বপ্নদর্শী এ নেতা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে দলকে সুসংগঠিত করেন।

১৯৯৬ সালে প্রথম, ২০০৮ সালে দ্বিতীয়, ২০১৪ সালে তৃতীয় এবং ২০১৮ সালে চতুর্থবারের মতো নির্বাচনে জয়লাভ করে দলকে দেশের নেতৃত্বের আসনে বসাতে সক্ষম হন শেখ হাসিনা।

তার অর্জনসমূহ- বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, ৭১&rsquo;র ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য সম্পন্ন, সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি, সমুদ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, ভারতের সাথে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু ও মেট্রোরেল নির্মাণ, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, মাথাপিছু আয় ২৮২৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত, দারিদ্র্যের হার হ্রাস, মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭৪ বছর ৪ মাসে উন্নীত, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, সাক্ষরতার হার ৭৫.৬০ শতাংশে উন্নীত করা, বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, মাদরাসা শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ফাইভ-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার চালুসহ অসংখ্য ক্ষেত্রে কালোত্তীর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে দেশ।

আরও পড়ুন: কিছু গোষ্ঠী তিক্ততা সৃষ্টির চেষ্টা করছে

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু জানান, আমরা যেমন বলি- বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না. তেমনই শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণের কাজ জাতি চোখে দেখতো না। শেখ হাসিনার জন্মের সফলতা ও স্বার্থকতা কর্মের মধ্য দিয়ে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। বঙ্গবন্ধু আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার রোল মডেল। শেখ হাসিনা আমাদের উন্নয়ন ও অর্জনের রোল মডেল।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা নিজে যা অর্জন করেছেন, তা নজিরবিহীন। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিশেষ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন তিনি। তার জন্মদিন উদযাপন না করলে আমরা জাতির কাছে অকৃতজ্ঞ থেকে যাবো।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 28 Sep 2023 06:58:22 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
