<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/trade-and-commerce</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/trade-and-commerce"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews trade-and-commerce Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest trade-and-commerce News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 15 May 2026 09:09:25 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীর বাজারে অস্থিরতা, নাখোশ ক্রেতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114813" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114813</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। জুমার দিন ঢাকার বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকা এবং ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা, আর দেশি মুরগি কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত।

শুধু মুরগি-ডিম নয়, সবজির বাজারেও বেড়েছে ভোগান্তি। বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে এখন ৮০ থেকে ১০০ টাকার ঘরে পৌঁছেছে। কাঁচামরিচ, পেঁপে, বেগুন, করলা ও কাঁকরোলের দাম বেড়ে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

একই সঙ্গে পেঁয়াজ ও আদার দামও বাড়তির দিকে। মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই; তেলাপিয়া, পাঙ্গাস, রুই-কাতলা থেকে শুরু করে চিংড়ি ও ইলিশ&mdash; সব ধরনের মাছই উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় সরবরাহ কমে গেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাজারে।

তবে এর মধ্যেও চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তির আভাস মিলেছে; নতুন মৌসুমি চাল বাজারে আসায় ব্রি-২৮ ও পাইজাম চালের দাম কেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা কমেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, আয় অপরিবর্তিত থাকলেও প্রতিদিন বাড়ছে নিত্যপণ্যের খরচ, ফলে সংসারের হিসাব মেলানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

শুক্রবার (১৫ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুসারে, গত এক মাসের মধ্যে বাজারে আটা, ময়দা, সয়াবিন ও পাম তেল, মসুর ডাল, পেঁয়াজ, মুরগি, ডিম, বিভিন্ন ধরনের মাছ, মাংস ও মসলার দাম বেড়েছে। এর মধ্যে কোনো কোনো পণ্যের দাম গত বছরের এই সময়ের তুলনায় বেশি। যেমন বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের দাম গত বছরের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, গত এপ্রিল মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে নয় দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ বাজারে বিভিন্ন নিত্যসামগ্রীর দাম বেড়েছে।

দেখা যায়, গত সপ্তাহে যে কাঁচামরিচ পাওয়া যেত ১২০ টাকায়, আজ ছুটির দিনে এর জন্য গুণতে হচ্ছে ১৬০ টাকা। বাজারে প্রতিকেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়; টমেটো ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শসা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বরবটি ৮০ টাকা, আদা ২১০ থেকে ২২০ টাকা এবং বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারও চড়া। তেলাপিয়া আর চাষের পাঙ্গাস মিলছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজিতে। চাষের রুই-কাতলার দাম হাকা হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। মিঠা পানির মাছের জন্য গুণতে হবে ৬০০ থেকে এক হাজার টাকা কেজি। মানভেদে চিংড়ি মিলছে ৮০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকা কেজিতে।

নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় বাজার ইলিশের দেখা মিলছে। তবে, খুব কম ক্রেতারই এই মাছ কেনার সামর্থ্য আছে। এক কেজি আকারের নদীর ইলিশের দাম হাঁকা হচ্ছে তিন হাজার ৫০০ টাকা। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশ নিতে চাইলে, দিতে হবে দুই হাজার টাকা বেশি।

জানা গেছে, গত মাসে সোনালি মুরগির কেজি ছিল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। এখন বেড়ে হয়েছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। আর দেশি মুরগি সাড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। এদিকে, ১৭৫ থেকে বেড়ে ২০০ টাকা কেজিতে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করা হচ্ছে।

এদিকে, গত সপ্তাহের তুলনায় আজকে ডিমের দাম একটু বেশি। ১২০ টাকার ডজনের ডিম আজকে ১৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লারের সাদা ডিমের ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারে দেখা দিয়েছে স্বস্তির ইঙ্গিত। নতুন চাল বাজারে আসায় ব্রি ২৮ ও পাইজাম চালের দাম কেজিতে প্রায় ৫ টাকা করে কমেছে। বর্তমানে ব্রি ২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায় এবং পাইজাম ৪৫ টাকায়। চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন মৌসুমি চাল বাজারে আসায় সরবরাহ বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে দামে।

খুচরা বাজারে ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি। পাড়া-মহল্লার দোকানে এ দাম আরও পাঁচ টাকা বেশি। গত সপ্তাহে যা ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সে হিসাবে কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে।

রায়ের বাজারে মুরগী বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, রোজার ঈদের পর মুরগির দাম কিছুটা কমেছিল। আমরা ব্রয়লারের কেজি ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা বিক্রি করেছি। এই সপ্তাহে কিছুটা দাম বেড়েছে। বর্তমানে ২০০ টাকা খুচরা বিক্রি করছি।

তিনি আরও বলেন, সোনালীর দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজিতে বেড়েছে। বর্তমানে ৩৫০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। দেশি মুরগি তো পাওয়া যাচ্ছে না। পেলে ৭০০ টাকার উপরে বিক্রি করা হয়।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের মুরগি ব্যবসায়ী রমজান আলী বলেন, মুরগির চাহিদা বেশি, তার তুলনায় সরবরাহ কম রয়েছে। তাই আজকে দাম একটু বেশি। মুরগির দাম প্রতিদিনই কমে বাড়ে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বিয়ে-শাদি বেশি থাকে। অন্যান্য দিনের তুলনায় এ দিনগুলোতে দাম একটু বেশি থাকে।

মগবাজারের ডিম বিক্রেতা বজলুর রশিদ বলেন, আজকে ডিমের তিন রকম দাম রয়েছে। ব্রয়লার বড় সাইজের ডিম ১৬০ টাকা, ব্রাউন কালারের ডজন ১৫০ টাকা ও সাদা ১৪০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।

বড় মগবাজার বাজারের খুচরা বিক্রেতা বিদ্যুৎ জানান, পাইকারি বাজারে দাম বাড়ায় তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে প্রতিদিন পেঁয়াজের দাম কেজিতে এক-দুই টাকা করে বাড়ছে।

খিলগাঁওয়ে বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, &lsquo;বাজারে ডিমের সরবরাহ আগের তুলনায় কম। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই খুচরা দামে এর প্রভাব পড়েছে।&rsquo;

রামপুরায় ক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকায় যে বাজার হতো, এখন এক হাজার ৫০০ টাকায়ও সেটা ঠিকমতো হয় না। প্রতিদিনই কোনো না কোনো জিনিসের দাম বাড়ছে, আমরা আসলে দিশেহারা।

মহাখালি বাজারে নাসরিন আক্তার বলেন, সবজি কিনতে এসে এখন হিসাব মিলাতে পারি না। কিছু না কিছু বাদ দিতে হয়। বাচ্চাদের জন্য ডিম কিনব; সেখানেও ছাড় নেই। ডজন ১৫০ টাকা ঠেকেছে। আয় একই আছে, কিন্তু খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে।

বাড্ডায় বাজার করতে আসা রাকিবুল ইসলাম বলেন, &lsquo;একটা জিনিসের দাম কমলেও তিনটার দাম বাড়ে। এভাবেই চলছে। যে যেভাবে পারে সেভাবে ভোক্তার পকেট কাটে। বাজারে কোনো শৃঙ্খলা নেই। একই পণ্য এক দোকান থেকে আরেক দোকানে গেলে দাম পরিবর্তন হয়ে যায়। কোনো নজরদারি নেই।&rsquo;

কারওয়ান বাজারে কথা হয় আরেক ক্রেতা আব্দুল জব্বারের সঙ্গে। তিনি বলেন, &lsquo;গত কয়েক মাস থেকে মাংসের বাজারে অস্থিরতা চলছে। এখানে প্রশাসন ও সরকারি সংস্থাগুলোর কোনো নজরদারি নেই। এক-দেড় মাস আগেও ডিমের দাম ছিল প্রতি ডজন ১১০-১২০ টাকা, এখন ১৫০ টাকা। শাক, সবজি, মাছেও এমন অবস্থা। সাধারণ মানুষ কীভাবে বাঁচবে? এসব বলেও-বা কী হবে, এভাবেই চলবে।&rsquo;

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 15 May 2026 09:09:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সোনার দাম ভরিতে ২২১৬ টাকা কমলো]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114806" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114806</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বাজারে সোনার দাম ভরিতে কমেছে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ১০টায় সোনার নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোনার দাম কমার বিষয়টি জানিয়েছে। এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম কমে যাওয়ার কারণে দেশের বাজারে সমন্বয় করেছেন জুয়েলার্স সমিতির নেতারা।

সর্বশেষ ৭ মে সোনার দাম বেড়েছিল সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা। সেদিন ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়ায় দুই লাখ ৪৪ হাজার ৭১০ টাকা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই দামই কার্যকর ছিল।

আজ সকালে নতুন দাম কার্যকর হওয়ায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। বৃহস্পতিবারের চেয়ে এই দাম ভরিপ্রতি দুই হাজার ২১৫ টাকা কম।

এ ছাড়া ক্যারেটের এক ভরি সোনায় দুই হাজার ১০০ টাকা কমে হয়েছে দুই লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা। আর ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় এক হাজার ৮০৮ টাকা কমে এক লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় এক হাজার ৪৫৮ টাকা কমে হয়েছে এক লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা।

সোনার দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত আছে। এখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম পাঁচ হাজার ৭৭৪ টাকা।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 15 May 2026 07:22:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরির উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114781" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114781</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরির উদ্যোগে হামের চিকিৎসা, প্রতিরোধ ও সচেতনতা শীর্ষক এক সেমিনার ১২ মে ২০২৬, মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এর পরিচালক প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান প্রধান অতিথি এবং ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের সদস্য ও ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর পরিচালক মো. আব্দুস সালাম এফসিএ, এফসিএস এবং মো: এস এম আব্দুল হামিদ এফসিএ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরি নয়াপল্টনের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. এ এ এম কামার উদ্দিন মোযাক্কিরের সভাপতিত্বে এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন আইবিএফ এর এজিএম কবীর উদ্দিন, ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতাল কাকরাইল, নয়াপল্টন, মতিঝিল, মিপুর, মুগদা ও ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল এন্ড কার্ডিয়াক মিরপুরের সুপারগন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিশু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. আহমদ মোরতুজা চৌধুরী। তিনি হাম রোগের লক্ষণ, চিকিৎসা, জটিলতা ও প্রতিরোধ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং শিশুদের নিয়মিত টিকাদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 16:55:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জনবল নিয়োগ দেবে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114754" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114754</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসিতে &lsquo;ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার টু রিজিওনাল হেড&rsquo; পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২০ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
প্রার্থীকে অবশ্যই স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর/এমবিএ ডিগ্রিধারী হতে হবে। ঢাকায় কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে।

প্রতিষ্ঠানের নাম: আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি

পদের নাম: ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার টু রিজিওনাল হেড

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর/এমবিএ

অভিজ্ঞতা: ১৪ বছর

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ

বয়স: নির্ধারিত নয়

কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা এখানে ক্লিক করে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২০ মে ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 May 2026 04:55:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাজার কারসাজি আর চলবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114746" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114746</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীসহ সারা দেশে সোমবার (১১ মে) থেকে ট্রাকে করে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করেছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাক থেকে ভর্তুকি মূল্যে ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডাল কিনতে পারবেন সাধারণ ক্রেতারা। আগামী ১০ দিন এ কার্যক্রম চলবে।

সিন্ডিকেট বা বাজার কারসাজি আর চলবে না, ট্রাক সেলের উদ্বোধনকালে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। বাজারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর সরকারি নজরদারি নিশ্চিত করতে সরকার একাধিক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা কারসাজি যাতে কার্যকর হতে না পারে, সে লক্ষ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে আছে কৌশলগত মজুত, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর সরবরাহব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও টিসিবির সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ। সোমবার টিসিবির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, টিসিবির একটি ট্রাক থেকে তিন ধরনের পণ্য কেনা যাবে। একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার ভোজ্যতেল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি মসুর ডাল কিনতে পারবেন। এর মধ্যে প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১৩০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৮০ টাকা ও প্রতি কেজি মসুর ডাল ৭০ টাকায় বিক্রি করা হবে। সব পণ্য একসঙ্গে কিনলে একজন ক্রেতার খরচ হবে ৪৮০ টাকা। খুচরা বাজার থেকে এসব পণ্য কিনতে ৭০০ থেকে ৭২০ টাকা লাগে। অর্থাৎ সাশ্রয় হবে ২২০-২৪০ টাকা।

টিসিবি জানায়, সারা দেশে মোট ৭২০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করবে সংস্থাটি। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরী ও জেলায় ৫০টি ট্রাকে, চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলায় ২০টি ট্রাকে, অন্য ছয়টি বিভাগীয় শহর ও জেলায় ১৫টি করে এবং অবশিষ্ট ৫৬টি জেলায় ১০টি করে ট্রাকে এসব পণ্য বিক্রি করা হবে। ট্রাক সেলের পাশাপাশি টিসিবির নিয়মিত স্মার্ট কার্ডধারী পরিবারের মধ্যেও পণ্য বিক্রি করা হবে। মে মাসে সারা দেশে প্রায় ৭২ লাখ ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের মধ্যে ৩৪ হাজার ৮৪৮ টন পণ্য বিক্রি করা হবে।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে ভর্তুকি মূল্যে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য পৌঁছে দেওয়া। এ লক্ষ্যেই টিসিবির মাধ্যমে সারা দেশে নিয়মিতভাবে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। বিশেষ উৎসব কেন্দ্র করে ট্রাক সেল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত রমজানে প্রায় দুই কোটি ২৮ লাখ উপকারভোগীর কাছে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্যপণ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় দুই কোটি ৮৮ লাখে উন্নীত করা হচ্ছে। একইভাবে গত বছরের ঈদুল আজহায় যেখানে প্রায় ১০ হাজার ৯০০ টন খাদ্যপণ্য সরবরাহ করা হয়েছিল, এবার তা বৃদ্ধি করে প্রায় ১৪ হাজার টনে উন্নীত করা হয়েছে, যা প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের যেকোনো বিশেষ পরিস্থিতি, উৎসব বা বাজারে অস্বাভাবিক চাপের সময় সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী টিসিবির ট্রাক সেল কার্যক্রম চালু করবে। জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সব সময় প্রস্তুত। ট্রাক সেলের উদ্বোধনকালে বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত এক কোটি উপকারভোগীর মধ্যে প্রায় ৫৯ লাখের তথ্য প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে বর্তমানে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে ৮০ লাখ প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও ২০ লাখ পরিবার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

টিসিবির পরিবেশক নিয়োগেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা করা হচ্ছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, &lsquo;টিসিবির কার্যক্রম সম্পূর্ণ প্রশ্নহীন, জবাবদিহিমূলক ও প্রযুক্তিনির্ভর করা হচ্ছে।&rsquo;

বাজারে কারসাজি প্রতিরোধে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, নির্বাচিত কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের জন্য রাষ্ট্রীয় কৌশলগত মজুত গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি আমদানি থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত পুরো সরবরাহব্যবস্থা এআইভিত্তিক ডিজিটাল পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হবে, যাতে সরকার বাস্তবসম্মত তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।নিত্যপণ্যের আমদানি মূলধননির্ভর হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই কিছু বড় ব্যবসায়ী এই খাতে সক্রিয় থাকেন বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তবে সরকার এমন অংশীদারিভিত্তিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে আরও বেশি উদ্যোক্তা এই খাতে অংশ নিতে পারবেন। লক্ষ্য হলো বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি করা।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, এই সরকার জনমুখী বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কার্যকর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান। স্বাগত বক্তব্য দেন টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 12:36:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিত্যপণ্যের বাজারে হিসাব মিলছে না ভোক্তার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114681" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114681</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে চাপে পড়েছে সাধারণ মানুষ। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়া, মৌসুমি সবজির সরবরাহ কমে আসা এবং বাজারে সরবরাহ সংকট&mdash; এসব কারণ দেখিয়ে বিক্রেতারা প্রায় সব ধরনের সবজিই বাড়তি দামে বিক্রি করছেন। বর্তমানে অধিকাংশ সবজির কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে, আর কাঁকরোল, শসা ও বেগুনের মতো কিছু সবজির দাম পৌঁছেছে ১২০ টাকায়।

একই সঙ্গে বেড়েছে ডিম, চিনি, ডাল, আটা-ময়দা, চাল, মাছ, মাংস ও ভোজ্যতেলের দামও। বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ সংকটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে, কারণ খুচরা ব্যবসায়ীরা কম লাভে তেল বিক্রিতে অনীহা দেখাচ্ছেন।

এদিকে ডিমের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়ে ডজনপ্রতি ১৫০ টাকায় পৌঁছেছে, গরুর মাংস ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস এক হাজার ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

বাজার পরিস্থিতিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে; অনেকেই প্রয়োজনীয় পণ্য কম কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাজারে স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা কম।

শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। আজকের বাজারে সবচেয়ে বেশি দামের সবজির তালিকায় রয়েছে কাঁকরোল, শসা ও বেগুন, যেগুলোর কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা।

আজকের বাজারে প্রতি কেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, কাঁকরোল প্রতি কেজি ১২০ টাকা, বেগুন (গোল) প্রতি কেজি ১২০ টাকা, বেগুন (লম্বা) প্রতি কেজি ১০০ টাকা, দেশি শসা প্রতি কেজি ১২০ টাকা, হাইব্রিড শসা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ৮০ টাকা, ঝিঙা প্রতি কেজি ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ধুন্দল প্রতি কেজি ১০০ টাকা, ঢেঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৫০ টাকা, জালি প্রতি পিস ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভোজ্যতেলের দাম বাড়লেও খুচরা পর্যায়ে মুনাফা কমে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ সংকটের নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেক দোকানে এখনো তেল মিলছে না। এ ছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর চিনি ও মসুর ডালের মতো বেশ কিছু অতি প্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের দাম বেড়েছে।

একই সঙ্গে বাজারের প্যাকেটজাত গুঁড়া মসলা, পোলাওয়ের চালসহ আরও কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে গত দু-তিন সপ্তাহে।

সকালে রাজধানীর খিলগাঁও তালতলা, সেগুনবাগিচা, কারওয়ান বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ১৫-২০ টাকা বেড়ে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। আগে এই ডিম ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায় মিলতো। আর গত রোজার মধ্যে ছিল ১১০ টাকা ডজন।

সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। খোলা আটা ও ময়দার দামও কেজিতে পাঁচ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা আটা ৫৫ টাকা এবং খোলা ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া কেজিতে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে এলাচের দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে চার হাজার ৮০০ থেকে পাঁচ হাজার ৪০০ টাকায়, যা আগে ছিল চার হাজার ৫০০ থেকে পাঁচ হাজার টাকা।

প্রোটিনের উৎস ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৮৫-১৯০ টাকায় স্থিতিশীল থাকলেও সোনালি মুরগি ৩৪০-৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে চালের দামের চিত্রও উদ্বেগজনক। সারাদেশে বোরো মৌসুমের ধান কাটা শুরু হলেও বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব নেই। বরং খুচরা পর্যায়ে মাঝারি মানের চাল ৬০ থেকে ৬৮ টাকা এবং মোটা চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজার বিশ্লেষণ বলছে, এক মাসের ব্যবধানে মাঝারি চালের দাম চার শতাংশ এবং মোটা চালের দাম বেড়েছে সাড়ে নয় শতাংশের বেশি।

ভোজ্যতেলের বাজারেও নতুন সংকট দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়ে লিটার ১৯৯ টাকা নির্ধারণ করলেও খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহকারীরা তাদের লাভের অংশ কমিয়ে দিয়েছেন। লিটারপ্রতি মাত্র দুই টাকা লাভে তেল বিক্রি করতে অনীহা দেখাচ্ছেন ছোট দোকানিরা। ফলে অনেক পাড়া-মহল্লার দোকানে বোতলজাত তেলের সরবরাহ কমে গেছে।

অন্যদিকে, গত রমজানের পর থেকেই গরুর মাংসের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে। ঢাকার বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস মানভেদে ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খাসির মাংসের জন্য ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে প্রতি কেজি এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

মাছের বাজার এখন আরও চড়া। চাষের মাছ থেকে শুরু করে নদ-নদীর মাছ&mdash;সবকিছুর দামই সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এক কেজি ওজনের রুই বা কাতলা মাছের দাম ঠেকেছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়। পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো সাধারণ মাছগুলোও এখন ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তথ্য অনুযায়ী, মাস ব্যবধানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ। অন্যদিকে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, চালের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও সবজি, মাছ ও মাংসের উচ্চ দাম এখনো ভোক্তাদের ওপর চাপ তৈরি করছে। মৌসুমি ঘাটতি ও পরিবহন ব্যয় বাড়াকে সবজির দাম বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলে মোট মজুরি বাড়ার হার সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে আট দশমিক ১৬ শতাংশে, যা মার্চে ছিল আট দশমিক ০৯ শতাংশ।

রামপুরা বাজারে বাজার করতে এসেছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, আজকে বাজারে এসে দেখছি সব ধরনের সবজির দাম বাড়তি। এত বেশি দামে সাধারণ মানুষের সবজি কিনে খাওয়া অনেকটাই কঠিন। আজকে বাজারে ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। কিছুদিন আগে পেঁপের দাম কম থাকলেও এখন এটা বাড়তি দামের সবজি। আজ প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা করে। শসা, করলা, বেগুন, কাঁকরোল প্রতি কেজি ১২০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এত দাম যদি হয় তাহলে আমরা সবজি কিনব কীভাবে?

মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা চাঁদ মিয়া বলেন, বেশ কিছু দিন ধরে সবজির দাম বাড়তি যাচ্ছে। এর মূল কারণ সবজি পরিবহনের খরচ বেড়ে গেছে। এ ছাড়া কয়েক দিন ধরে বৃষ্টির কারণে কৃষকের সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চাহিদার তুলনায় বাজারে সবজি সরবরাহ তুলনামূলক কম। সব মিলিয়ে সবজির দাম বাড়তি যাচ্ছে। এ ছাড়া বেশ কিছু সবজির মৌসুম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে, সে কারণেও সবজির সরবরাহ কিছুটা কম। সবজির দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মতো খুচরা ও ছোট ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়ে গেছে, আমাদের বিক্রি আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

তিনি বলেন, আগে যেই ক্রেতা এক কেজি সবজি কিনতেন, সেই ক্রেতাই এখন সেই সবজি আধা কেজি করে কিনছেন; দাম বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য। এ ছাড়া আমরাও ছোট ব্যবসায়ীরা আগে যে আইটেমের সবজি ২০ কেজি আনতাম, এখন সেই সবজি আনি ১০ কেজি। কারণ দাম বেশি, ক্রেতারাও কম কিনছে তাই। নতুন সবজি উঠলে, সবজির সরবরাহ বাড়লে আবারও সবগুলোর দাম কমে আসবে।

খিলগাঁও তালতলা মার্কেটে ক্রেতা আমিনুর রহমান বলেন, বাজারে এলে মনে হয় পকেট ডাকাতি হচ্ছে। সবজির চড়া দাম শুনে যখন ডিম কিনতে গেলাম, দেখি সেখানেও আগুন। গত সপ্তাহে যে ডিম ১৩০ টাকা ডজন কিনলাম, আজ তা ১৫০ টাকা চাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের মতো সাধারণ মানুষের এখন নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। চড়া দামের কারণে ভালো মাছ-মাংস, এমনকি সোনালি মুরগিও বাজারের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এখন ব্রয়লার, পাঙাশ বা ডিম ভর্তাও খেয়ে বেঁচে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজারের বিক্রেতা আব্দুর রহিম বলেন, বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। ফলে দামও বাড়তি। সবজির দাম বেশি হওয়ায় মানুষ এখন ডিম বেশি কিনছে। গত দুদিনে লাফিয়ে লাফিয়ে ডিমের দাম বেড়ে এখন ১৫০ টাকায় ঠেকেছে। তবে সে তুলনায় ব্রয়লার মুরগির দাম ঠিক আছে।

একই বাজারে মাছ কিনতে আসা গৃহিণী রেহানা পারভীন বলেন, এখন বাজারের ব্যাগ হাতে নিয়ে শুধু ঘুরতে হয়, ব্যাগে ভরার মতো সাশ্রয়ী কিছু আর নেই। বাজারে মাছ-মাংসের দাম এতো বাড়ছে যে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের প্রোটিনের চাহিদা মেটানো এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসেনিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, একটা সংকট কাটতে না কাটতেই আরেকটা সংকট চলে আসছে। সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে, সীমিত আয়ের মানুষ যেন জীবিকা নির্বাহে অতিরিক্ত চাপের মুখে না পড়ে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 08 May 2026 09:04:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আইএমএফের হিসাবে রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114676" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114676</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে পৌঁছাচ্ছে। দীর্ঘ সময়ের চাপ ও অনিশ্চয়তার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩১ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৭ মে) পর্যন্ত দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার। আর আইএমএফের নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় স্থিতিশীল থাকা এবং আমদানি ব্যয়ে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আসার কারণে রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এর ফলে বৈদেশিক লেনদেনের ওপর চাপ কমছে এবং ডলারের বাজারেও ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, প্রবাসী আয় বর্তমানে রিজার্ভ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহও বেড়েছে। একইসঙ্গে রপ্তানি আয়ও ইতিবাচক ধারায় রয়েছে।

বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ এবং বৈদেশিক ঋণ ও উন্নয়ন সহযোগিতার অর্থ ছাড় পাওয়ার কারণে রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভ বাড়ার অর্থ হলো দেশের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা শক্তিশালী হওয়া। বর্তমানে যে পরিমাণ রিজার্ভ রয়েছে, তা দিয়ে কয়েক মাসের আমদানি ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হবে।

রিজার্ভ শক্তিশালী থাকলে আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থা ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছেও ইতিবাচক বার্তা যায়। এতে বৈদেশিক লেনদেনে আস্থা বাড়ে এবং দেশের ক্রেডিট সক্ষমতাও উন্নত হয়।

এ ছাড়া রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতির ফলে ডলারের বাজারে অস্থিরতা কমতে পারে, যা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। কারণ ডলারের দাম বেড়ে গেলে আমদানিনির্ভর পণ্যের দামও বাড়ে। এখন রিজার্ভ বাড়ার কারণে সেই চাপ কিছুটা কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

২০২১ সালে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল। তবে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, উচ্চ আমদানি ব্যয় এবং ডলারের অস্বাভাবিক চাহিদার কারণে পরবর্তী সময়ে রিজার্ভ দ্রুত কমতে থাকে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন সময়ে ডলার বিক্রি করে বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করে। একইসঙ্গে আমদানি নিয়ন্ত্রণ, বৈধ পথে রেমিট্যান্স বাড়ানো এবং বৈদেশিক ঋণ সহায়তা নিশ্চিত করার নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে সেই পদক্ষেপগুলোর ইতিবাচক প্রভাব দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংক সাধারণত দুটি ধরনের রিজার্ভ হিসাব প্রকাশ করে। গ্রস রিজার্ভ হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট বৈদেশিক মুদ্রা ও সম্পদের হিসাব। এতে বিভিন্ন তহবিল ও স্বল্পমেয়াদি দায়ও অন্তর্ভুক্ত থাকে।

অন্যদিকে, বিপিএম-৬ রিজার্ভ হচ্ছে আইএমএফের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ। এতে এমন অর্থ বাদ দেওয়া হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। বর্তমানে আন্তর্জাতিকভাবে বিপিএম-৬ হিসাবকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 08 May 2026 06:54:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশে সোনার দাম আবারও বাড়লো]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114658" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114658</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এতে করে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি বেড়ে দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকায় উঠেছে। বুধবার যা ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

বেধে দেওয়া দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।

সোনার দামের সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম পাঁচ হাজার ৭৭৪ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা পাঁচ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি চার হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম তিন হাজার ৫৫৮ টাকা।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী। এরপর থেকে মূল্য সমন্বয়ের কারণে দর ওঠানামা করছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম চার হাজার ৭০০ ডলারে উঠেছে।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি দাম ছিল পাঁচ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি পাঁচ হাজার ৫৫০ ডলারে উঠেছিল।

এদিকে গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও তা রেকর্ড পরিমাণ বাড়ে। ২৯ জানুয়ারি সকালে একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ায় বাজুস। এতে করে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়ায় দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকায়। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেইসঙ্গে একধাপে সোনার দাম আর কখনোই এতটা বাড়ানো হয়নি।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 05:08:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পোশাক খাতে বৃত্তাকার অর্থনীতি উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114647" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114647</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশে পোশাক খাতে সার্কুলার ইকোনমি বা বৃত্তাকার অর্থনীতি এখন শুধু একটি তাত্ত্বিক ধারণা বা উচ্চাকাঙ্ক্ষা নয়, বরং এটি একটি বাস্তবসম্মত ও অর্জনযোগ্য লক্ষ্য যা ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ব্যবসার খরচ কমাতে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়াতে চায় সরকার। এলডিসি উত্তরণকে মাথায় রেখে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে জোর দেওয়া হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, এইচএন্ডএম গ্রুপ এবং বেস্টসেলারের মতো বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত পাইলট প্রকল্পগুলো প্রমাণ করেছে, টেক্সটাইল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং রিসাইক্লিং পদ্ধতি আমাদের শিল্প ব্যবস্থায় কার্যকরভাবে যুক্ত করা সম্ভব।

বুধবার (৬ মে) রাজধানীতে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিজিএমইএর যৌথ উদ্যোগে সার্কুলার অর্থনীতি নিয়ে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সার্কুলার অর্থনীতিতে বিনিয়োগের আগ্রহ জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। তারা জানায়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে এটি সহায়ক হবে।

&lsquo;বাংলাদেশের বস্ত্রশিল্পে সার্কুলার (বৃত্তাকার) রূপান্তর ত্বরান্বিতকরণ: সুইচ টু সিই পাইলট প্রকল্পসমূহ থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতাসমূহ&rsquo; শীর্ষক অনুষ্ঠানটির প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ইইউ জানায়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে এটি সহায়ক হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন শুধু ছোটখাটো পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে পোশাক খাতে একটি পদ্ধতিগত পরিবর্তনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। বিশ্ববাজারে স্থায়িত্ব বা সাসটেইনেবিলিটি এখন প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার প্রধান শর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্রেতা এবং বিনিয়োগকারীরা এখন এমন উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছেন যা একই সঙ্গে দক্ষ এবং দায়িত্বশীল।

তিনি আরও জানান, টেক্সটাইল এবং পোশাক খাত অত্যন্ত সম্পদ নিবিড় হওয়ায় এখানে উপকরণের পুনঃব্যবহার এবং রিসাইক্লিং নিশ্চিত করা জরুরি। এটি শুধু পরিবেশ রক্ষা করবে না, বরং আমাদের বৈশ্বিক অবস্থানকেও শক্তিশালী করবে। এই রূপান্তর সফল করতে সরকার, শিল্প খাত, গ্লোবাল ব্র্যান্ড এবং প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা এবং স্বল্প সুদে ঋণ পাওয়ার সুযোগ হারাবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার দেশের ভূখণ্ডকে বিনিয়োগের জন্য আরো আকর্ষণীয় করে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে লজিস্টিক খরচ জিডিপির বর্তমান ১৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত এইচ ই মাইকেল মিলার। তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের মাটি থেকে সম্পদ আহরণ করে এমন পণ্য তৈরি করা বন্ধ করতে হবে যা আমরা ব্যবহার শেষে ল্যান্ডফিলে ফেলে দেই। এর পরিবর্তে আমাদের উচিত সেই সম্পদগুলো পুনরায় ব্যবহার করা। সম্পদ সাশ্রয় কেবল একটি পরিবেশগত বাধ্যবাধকতা নয়, এটি একটি প্রবৃদ্ধি কৌশলও বটে।&rsquo;

তিনি আরও বলেন, &lsquo;সার্কুলার ইকোনমির ক্ষেত্রে টেক্সটাইল ও পোশাক খাত আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ খাতে বর্জ্যরে পরিমাণ বিশাল ইউরোপীয় ইউনিয়নে বছরে ৫০ লাখ টনের বেশি পোশাক পরিত্যক্ত হয় এবং বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৬ লাখ টন বর্জ্য তৈরি হয়। ফাস্ট ফ্যাশন এবং সামাজিক অবস্থার উদ্বেগের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২২ সালে টেকসই এবং সার্কুলার টেক্সটাইল কৌশল গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইকো-ডিজাইন, বর্ধিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা এবং ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট নিশ্চিত করার মতো উচ্চাকাক্সক্ষী লক্ষ্য। এছাড়া গত বছর আমরা করপোরেট স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা গ্রহণ করেছি, যা জবাবদিহিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।&rsquo;

ইইউর রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি উত্তরণ হলে স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। বিশেষ বাজার সুবিধা শেষ হয়ে যাবে। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। লজিস্টিক খরচ কমিয়ে আনতে চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়ানোর কথাও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রহিম খান, বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট মাহমুদ হাসান খানসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 May 2026 13:03:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কিছু দেখছে না সরকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114633" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114633</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড-এআরটি) ঘিরে বিতর্ক এবং এটি বাতিলের দাবি আবারও সামনে এসেছে। তবে সরকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন এ চুক্তি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ওই বাণিজ্য চুক্তিতে বাংলাদেশকে বিভিন্ন শর্তের জালে বেঁধে ফেলা হয়েছে বলে সমালোচনা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পালনীয় মাত্র ছয়টি শর্তের বিপরীতে বাংলাদেশের জন্য ১৩১টি শর্ত থাকার কথা উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমে। সমালোচকরা বলছেন, এ চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষা হয়নি।

সরকার বলছে, এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাভাবিক কাঠামোর মধ্যেই করা একটি &lsquo;উইন-উইন&rsquo; চুক্তি, যা তুলনামূলকভাবে অন্যান্য দেশের চুক্তির সঙ্গে মিলিয়ে দেখলেই পরিষ্কার হবে। নয় মাসের দীর্ঘ দর-কষাকষির পর শুল্কহার কমানোসহ কিছু সুবিধা অর্জনের দাবি করছে সরকার।

অন্যদিকে বিশ্লেষক ও সমালোচকদের দাবি, চুক্তিটি কাঠামোগতভাবে অসম, বাংলাদেশের ওপর অতিরিক্ত শর্ত আরোপ করা হয়েছে এবং এতে জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ন হতে পারে। ইতোমধ্যে চুক্তি বাতিলের দাবি সংসদে উঠেছে, উচ্চ আদালতে রিট দায়ের হয়েছে, আর অর্থনীতিবিদরা আলোচনার মাধ্যমে পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দিচ্ছেন। এ অবস্থায় সরকারের পক্ষ থেকে চুক্তিটিকে অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করে দেখার আহ্বান জানানো হলেও, এর স্বচ্ছতা, বৈধতা, শর্তের ভারসাম্য এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ও উদ্বেগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

অন্য দেশের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেন-পররাষ্ট্রমন্ত্রী: সমালোচনার মধ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে অন্যান্য দেশের এমন চুক্তির পাশে রেখে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। গতকাল ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ পরামর্শ দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, এটা নিয়ে আলোচনা হওয়া খুব ভালো এবং মুক্ত আলোচনা হওয়াই উচিত, যেকোনো চুক্তিরই। আর আপনি যেটা বললেন, বাংলাদেশ ১৩১টাতে &lsquo;শ্যাল&rsquo; বলেছে না? আমরা তো একা এই চুক্তি করিনি, বিশ্বের অন্য দেশগুলো করেছে। ইন্দোনেশিয়া ২৩১টাতে এইরকম &lsquo;শ্যাল&rsquo; বলেছে। সুতরাং বাংলাদেশের চুক্তিটি যখন পাঠ করবেন, তখন ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, অন্যান্য যারা চুক্তি করেছে, তাদেরটা পাশে নিয়ে পাঠ করলে পরে আপনি জিনিসটা ভালো করে বুঝবেন।

চুক্তি নিয়ে করা আরেক প্রশ্নে খলিল বলেন, এই আলোচনাটা ওইভাবে হওয়া উচিত, কারণ যুক্তরাষ্ট্র সব দেশকে বলেছে যে তোমাদের রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ, যেমন আমাদের ৩৯ বা ৩৭ শতাংশ। অন্যান্য সব দেশকে দিয়েছে, নেগোশিয়েট করেছে, কেউ ২০ পেয়েছে, ভিয়েতনাম। আমরা ১৯ পেয়েছি। এখন কে কি, সবারই কিন্তু এই অ্যাগ্রিমেন্টগুলো পাবলিক স্পেসে এখন পাওয়া যাচ্ছে। আপনারা বাংলাদেশের অ্যাগ্রিমেন্ট অন্যান্য দেশের অ্যাগ্রিমেন্টের সঙ্গে তুলনা করে পড়েন, তাহলে বুঝবেন আমরা কী রেট পেয়েছি; পলিসিতে আমরা কি কি বিষয়ে তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছি, অন্যরাও কী চুক্তি করেছে, অন্যদের &lsquo;পারচেস কমিটমেন্ট&rsquo; কত, আমাদের &lsquo;পারচেস কমিটমেন্ট&rsquo; কত, সব মিলিয়ে দেখেন।

বাংলাদেশের &lsquo;স্বার্থবিরোধী&rsquo; এই চুক্তি বাতিলের দাবি যেমন উঠেছে জাতীয় সংসদে, তেমনি এই চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সোমবার উচ্চ আদালতে রিট করেছেন এক আইনজীবী।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিটিকে &lsquo;সুস্পষ্টভাবে অযৌক্তিক এবং কাঠামোগতভাবে অসম&rsquo; আখ্যা দিয়ে রিট আবেদনে বলা হয়েছে, এটি কেবল বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থেরই পরিপন্থি নয়, বরং সাধারণ মানুষের জন্যও ক্ষতিকর।

আবেদনে বলা হয়, এই চুক্তির আলোচনা ও সম্পাদনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব এবং জনকল্যাণ রক্ষায় &lsquo;ব্যর্থ&rsquo; হয়েছে। বৃহত্তর জনস্বার্থ রক্ষায় বিচারিক হস্তক্ষেপের দাবিতে এই পিটিশন দায়ের করা হয়েছে।

ইচ্ছামতো বাতিল করা যাবে না-বাণিজ্যমন্ত্রী: বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত কোনো চুক্তি ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয় যে ইচ্ছামতো বাতিল করা যাবে; তবে কোনো চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি হয়, তা সংশোধনের সুযোগ সেই চুক্তির মধ্যেই রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যে কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি দুপক্ষের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। এতে উভয় পক্ষের স্বার্থের বিষয়গুলো বিবেচনায় রেখেই একটি &lsquo;উইন-উইন&rsquo; পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। কাজেই এ চুক্তি নিয়ে অযথা উদ্বেগের কিছু নেই।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ওই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ বলেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টা বাণিজ্য চুক্তি বা এআরটি বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও সমালোচনার মধ্যে ঢাকা সফরে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লিঞ্চ। তার নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঢাকায় থাকবে।

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এ চুক্তির সূচনাকারী নয়, তবে রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এটি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। রাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত কোনো চুক্তি ব্যক্তিগত চুক্তির মতো নয় যে ইচ্ছামতো বাতিল করা যাবে। এটি একটি বাস্তবতা এবং আমরা সেটিকে দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ফলপ্রসূভাবে কাজে লাগাতে চাই।

তিনি আরও জানিয়েছেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত প্রক্রিয়া (ইনভেস্টিগেশন) শুরু করা হয়েছে, যার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং প্রাপ্ত ব্যাখ্যার প্রেক্ষিতে নিজেদের অবস্থান ও পর্যবেক্ষণ জানানো হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, বিদ্যমান চুক্তির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের তদন্ত শুরু না হলে তা আরো ইতিবাচক হতো।

বাংলাদেশের উৎপাদন ও বাণিজ্য বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে কোনো ক্ষেত্রেই &lsquo;ওভার ক্যাপাসিটি&rsquo; নেই এবং বাংলাদেশ ডাম্পিং করে এমন &lsquo;অভিযোগও ভিত্তিহীন&rsquo;।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা অধিকাংশ পণ্য আমদানি করি। যেগুলো রপ্তানি করি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত-তা কঠোর আন্তর্জাতিক কমপ্লায়েন্সের মধ্যে পরিচালিত হয়। সেখানে শ্রম আইন লঙ্ঘন বা শিশুশ্রমের কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি যোগ করেন।

চুক্তি বাতিলের প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এই সরকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে সবসময় দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেয়। কোনো চুক্তির কোনো ধারা যদি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি হয়, তা সংশোধনের সুযোগ সেই চুক্তির মধ্যেই রয়েছে। তিনি এটিকে &lsquo;সেলফ কারেক্টিং এলিমেন্ট&rsquo; বলে বর্ণনা করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, চুক্তির মধ্যেই সংশোধন বা সমন্বয়ের প্রয়োজনীয় বিধান রয়েছে। তাই এটি নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বেগ বা আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।

ভালোভাবে বাস্তবায়নের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে-পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী: বাণিজ্য চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি একথা বলেন। ব্রেন্ডান লিঞ্চের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য সম্পর্ক ও পারস্পরিক চুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করে।

মন্ত্রী বলেন, চুক্তিটি যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি চুক্তির মধ্যে কোনো অসম বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয় রয়েছে কি না, তা সরকার খতিয়ে দেখছে।

তিনি আরও জানান, যদি চুক্তির কোনো ধারা বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী বা অসম মনে হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা সমাধানের উদ্যোগ নেবে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে কোনো জটিলতা নেই বলেও উল্লেখ করে তিনি বলেন, চুক্তির আওতায় পরিবেশ ও জলবায়ু সংশ্লিষ্ট অংশে বাংলাদেশ সন্তোষজনক অবস্থানে রয়েছে।

শুরুটা যেমন ও সমালোচনার জন্ম: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসার পর ২০২৫ সালের ২ এপ্রিল শতাধিক দেশের ওপর চড়া হারে সম্পূরক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। বাংলাদেশের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা আসে।

পরে দর কষাকষিতে এ হার ২০ শতাংশ নামে, যা ১ অগাস্ট কার্যকর হয়। আর আগে থেকেই বাংলাদেশি পণ্যে ছিল ১৫ শতাংশ শুল্ক; সব মিলিয়ে শুল্ক দাঁড়ায় ৩৫ শতাংশ।

এরপর নয় মাসের দীর্ঘ আলোচনার ফল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি করে বাংলাদেশ; যাতে আগের চেয়ে শুল্কহার কমে ১ শতাংশ।

ওই চুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আরও পণ্য কিনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে গম আমদানি বাড়ানো হয়েছে। তুলা ও সয়াবিনসহ আরও পণ্য আমদানি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ শেষের তিন দিন আগে এই চুক্তি হয়।

একটি অনির্বাচিত সরকার হয়েও বিগত অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তা দেখে &lsquo;হতভম্ব&rsquo; ও &lsquo;স্তম্ভিত&rsquo; হওয়ার কথা বলেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডি।

এমন বক্তব্যের জবাবে এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, চুক্তি হওয়ার আগেই এ নিয়ে &lsquo;সম্মতি দিয়েছিল&rsquo; বর্তমানে সরকারি দল বিএনপি এবং প্রধান বিরোধী দল জামায়াত।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে হওয়া এ চুক্তির দরকষাকষিতে সক্রিয় ভূমিকায় ছিলেন সে সময় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয় সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভের দায়িত্ব পালন করা খলিলুর রহমান।

মন্ত্রী পদমর্যাদায় ওই দায়িত্বের সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার উপদেষ্টার দায়িত্ব সামলানোর পর বিএনপির নতুন সরকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন তিনি।

চুক্তিটি সই হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে। পরে ২০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এই পাল্টা বা পারস্পরিক শুল্ক আরোপ বাতিল করে দেন।

এই চুক্তি নিয়ে দেশে নানা ধরনের সমালোচনা হচ্ছে। জাতীয় সংসদে এই চুক্তি বাতিল চেয়েছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন থেকেও চুক্তি বাতিলের দাবি উঠেছে। অর্থনীতিবিদেরাও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে গ্রহণযোগ্য সমাধানের কথা বলেছেন। চুক্তিটি এখনো কার্যকর হয়নি। তবে এরই মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে নানা পণ্য কেনার চুক্তি করছে। এ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যখন চুক্তির বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়েছে, তখনই কেবল বিষয়গুলো জানা গেছে। যদিও বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্টরা গোপনীয়তার অভিযোগ অস্বীকার করছেন।

নাগরিক অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারী অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, সংসদে আলোচনা করে চুক্তি ঘিরে বিতর্ক বা প্রশ্নগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া বর্তমান সরকারের জন্য সহজ হত।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির সিনিয়র ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বাজার অর্থনীতির নিয়ম-নীতি ভঙ্গ করে এই চুক্তি করা হয়েছে। দেশে দেশে বাড়তি শুল্ক আরোপের চাপ দিয়ে এসব চুক্তি করার বিষয়কে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টই অবৈধ ঘৈাষণা করেছেন। সেটিকে যুক্তি হিসেবে এনেও বাংলাদেশ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে।

তিনি এও বলেন, বিএনপি সরকার আসলে রাজনৈতিকভাবে পরিস্থিতিটাকে দেখছে এবং বিবেচনা করছে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি। সেজন্য তারা চুক্তির বিরোধিতায় যাচ্ছে না।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 05 May 2026 17:45:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114626" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114626</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত স্বর্ণের দাম ভরিতে দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। এই মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে কমেছে দুই হাজার ১৫৮ টাকা।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর ঘোষণা দেয় বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব ও স্থানীয়ভাবে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় এ সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা। এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকায় বিক্রি হবে।

এর আগে, গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাজুস সর্বশেষ স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। অর্থাৎ, কয়েক দিনের ব্যবধানে আগের সেই বৃদ্ধির সমপরিমাণই কমানো হলো।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৬১ দফা স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ২৮ দফা কমানো হয়েছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয়ের মধ্যে ৬৪ বার বাড়ানো ও ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

এদিকে, স্বর্ণের দামে পরিবর্তন এলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে পাঁচ হাজার ৪৮২ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট পাঁচ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের চার হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা তিন হাজার ৩৮৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

রুপার ক্ষেত্রেও চলতি বছরে একাধিকবার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৩৬ দফা সমন্বয়ের মধ্যে ১৯ বার দাম বেড়েছে এবং ১৭ বার কমেছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়, যার মধ্যে ১০ বার বৃদ্ধি এবং তিন বার হ্রাস পায়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 05 May 2026 07:02:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114600" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114600</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৯ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দেশে এসেছে দুই হাজার ৯৩৩ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার বা ২৯ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ৪৭৯ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ডলার বা ১৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশে এসেছিল দুই হাজার ৪৫৩ কোটি ৬৭ লাখ ২০ হাজার ডলার।

২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৯১১ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। আর ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৭৭১ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০২১-২২ অর্থবছরে এসেছিল এক হাজার ৭৩০ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

এ ছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল দুই হাজার ৬৬ কোটি ৫৮ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। আর ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন এক হাজার ৪৮৬ কোটি ৭৭ লাখ আট হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে সদ্য বিদায়ী এপ্রিল মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। এর মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫২ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ১৯ কোটি ১২ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২৩৯ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে এক কোটি ৫৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

এর আগে গত মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স; যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো এক মাসের সর্বোচ্চ।

গত ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারি মাসে যথাক্রমে দেশে এসেছে ৩০২ কোটি সাত লাখ ৬০ হাজার ও ৩১৭ কোটি নয় লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। গত ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার; নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

এ ছাড়া গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা তিন হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স; যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 04 May 2026 06:25:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বৃষ্টি ও তেলের দামের প্রভাব নিত্যপণ্যের বাজারে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114563" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114563</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বৃষ্টি আর পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির অজুহাতে রাজধানীর বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। মাংস, মাছ, সবজি থেকে শুরু করে ডিম, চাল, ডাল ও ভোজ্যতেল&mdash; প্রায় সব পণ্যের বাজারেই চাপ বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগি, পাঙাশ মাছ ও গরুর মাংসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, আর ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না।

সর্বোপরি পরিবহন খরচ বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায়। ব্যবসায়ীরা বৃষ্টি ও তেলের দাম বাড়ার কথা বললেও ভোক্তাদের অভিযোগ&mdash; কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়ানো হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও চাপে পড়েছে, আর বাজার ব্যবস্থাপনা ও তদারকি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর একাধিক বাজার ঘুরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকতে দেখা গেছে।

সবজির মধ্যে গত এক সপ্তাহে আরও বেড়েছে পেঁয়াজ, শসা, বেগুন, মরিচ, পেঁপের দাম। বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দামও বাড়তি। মুদি পণ্যের মধ্যে চিনি, মোটা মসুর, পোলাও চালের দাম বেড়েছে। আর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানো হলেও বাজারে এখনো পণ্যটির সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গত কয়েক দিন বৃষ্টির কারণে সবজির স্বাভাবিক সরবরাহে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। সব মিলিয়ে সবজির দামে তার প্রভাব পড়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, গত এক সপ্তাহে বাজারে অন্তত নয়টি সবজির দাম বেড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে শসার। কেজিতে ৩০ টাকা থেকে দাম বেড়ে আজ হাইব্রিড শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। দেশি জাতের শসার দাম আরও কিছুটা বেশি। এ ছাড়া বেগুন, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল, টমেটোর দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। কাঁচা পেঁপের ও মরিচের দাম ২০ টাকা বেড়ে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, গত মাসের তুলনায় বাজারে শসার দাম ১১১ শতাংশ, কাঁচা পেঁপের দাম ৮৭ শতাংশ, দেশি টমেটোর দাম ২৫ শতাংশ ও বেগুনের দাম সাত শতাংশ বেড়েছে।

গত এক সপ্তাহে পেঁয়াজের দামও কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়েছে। তাতে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। অবশ্য চলতি বছর দীর্ঘ সময় খুবই কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। এতে কৃষকেরা তেমন লাভ করতে পারেননি। এখন দাম কিছুটা বাড়ায় তাদের মুনাফা বাড়তে পারে।

বাজারে প্রতি কেজি আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা, টমেটো ৬০, করলা ৬০ থেকে ৬৫, পটল ৬০, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৭০, গাজর ৮০, ঢেঁড়স ৬০, চিচিঙ্গা ও ঝিঙে ৭০, শসা ১০০-১১০, বরবটি ৮০, কাঁকরোল ১২০, বেগুন প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা ও ধুন্দুল ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আমিনুল হক বলেন, দুই দিন ধরে বাজারে সবজির গাড়ি কম আসছে। ভারী বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকায় সবজি খেতে পানি জমেছে। কৃষকেরা সবজি তুলতে পারছেন না। এ কারণে কিছু সবজির দাম বেড়েছে। তবে মাস শেষ হয়ে আসায় বাজারে ক্রেতার সংখ্যাও কম বলে জানান তিনি।

এদিকে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশেও ভোক্তা পর্যায়ে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। তাতে প্রতি লিটার ডিজেলে ১৫ টাকা, কেরোসিনে ১৮ টাকা, অকটেনে ২০ টাকা ও পেট্রলে ১৯ টাকা দাম বেড়েছে। এর প্রভাবও পণ্যের দামে পড়েছে।

মগবাজারের সবজি বিক্রেতা হামিদ বলেন, গত কয়দিন ধরে দেশের সব জায়গায় বৃষ্টি। অনেক জায়গায় বৃষ্টির কারণে সবজি খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। যার জন্য আগে যে পরিমাণ সবজি ঢাকায় আসত তার তুলনায় কম আসছে। আর তেলের দাম বাড়ছে। ভাড়া বেশি দিতে হচ্ছে।
বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়ত মালিক সমিতির সভাপতি ইমরান মাস্টার বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট এলাকা থেকে সবজি পরিবহনে ট্রাকভাড়া পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা বেড়েছে। আর গত তিন দিনে বৃষ্টির কারণে পণ্যের সরবরাহ কম ছিল। এ দুই কারণে বাজারে সবজির দাম বাড়তি।

আজ বাজারে ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা দরে। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এ দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে। এর আগে ডিমের ডজন ছিল ১০০ থেকে ১১০ টাকা। ডিমের দাম বাড়ার পেছনেও পরিবহনভাড়া বৃদ্ধির প্রভাব রয়েছে। এ ছাড়া ডিমের কিছুটা সরবরাহসংকটও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও ডিম ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আমানত উল্লাহ।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির দামও চড়া। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়। মাস দেড়েক আগে ব্রয়লার মুরগি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সোনালি মুরগির দাম অবশ্য কিছুটা কমেছে। আজ রাজধানীর তিনটি বাজারে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর কালারবার্ড বা হাইব্রিড সোনালি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়। দুই সপ্তাহ আগে সোনালি মুরগির দাম কেজিতে আরও ৩০ টাকা বেশি ছিল। আর রোজার ঈদের পর ৪০০ টাকার ওপরে সোনালি বিক্রি হয়েছিল।

এদিন বিভিন্ন বাজারে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৮০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বেশিরভাগ বিক্রেতা ৮০০ টাকার নিচে বিক্রি করছেন না।

মুগদা ছোট বাজারের মাংস বিতানের মোহাম্মদ হানিফ জানান, তেলের দাম বাড়ছে। ভাড়া আগের চেয়ে বেশি দিতে হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম আর কমবে না। সামনে কোরবানির ঈদ। এখন থেকে ব্যাপারীরা কোরবানি ধরেই গরুর দাম ঠিক করছে।

মুরগির দোকানে ব্রয়লারের দাম শুনে খিলগাঁও বাজারে ক্ষোভ প্রকাশ করেন খাদিজা নামের এক ক্রেতা। তিনি বলেন, কয়দিন আগে ১৮০ টাকা করে কিনছি। এখন কয় ২০০ টাকা। সবকিছুর দাম বাড়লে গরিব বাঁচবে কেমনে? শোনেন না, মাইকে শ্রমিকদের কথা কয়। কিন্তু শ্রমিকরা যে কেমনে চলে কেউ কইতে পারবে না।

মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। সব ধরনের মাছ সপ্তাহ ব্যবধানে ১০-২০ টাকা বেড়ে গেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরিবের মাছ খ্যাত পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকায়। হাফ কেজি ওজনের ইলিশের কেজি এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০, পাবদা ৩৮০, রুই ৩২০ থেকে ৩৬০, কাতল ৪০০, টেংরা ৮৫০, গলদা চিংড়ি ছোট ও বড় যথাক্রমে এক হাজার থেকে এক হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মোড়কজাত পোলাও চালের দাম কেজিতে আরও ১৫ টাকা বেড়েছে। তাতে এক কেজি পোলাও চালের প্যাকেটের নতুন দাম হয়েছে ১৯০ টাকা। অবশ্য বিক্রেতারা এটি ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকায় বিক্রি করেন। আর আগের আনা থাকলে দাম রাখা হয় ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা। খোলা পোলাও চালের দাম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা।

বাজারে দুই সপ্তাহ আগে খোলা চিনির দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা হয়েছিল। আজ এ দামে চিনি বিক্রি হচ্ছে। আর মোটা দানার মসুর ডালের দাম কেজিতে পাঁচ টাকা বেড়ে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা হয়েছে।

বুধবার দেশে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে চার টাকা বাড়ানো হয়। বোতলজাত এক লিটার সয়াবিনের দাম ১৯৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা এবং খোলা সয়াবিন ১৭৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮০ টাকা করা হয়েছে। তাতে পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম হয়েছে সর্বোচ্চ ৯৭৫ টাকা।

বাজারে প্রায় তিন মাস ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহসংকট রয়েছে। এ সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বেড়েছে জানিয়ে দেশেও দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল কোম্পানিগুলো। পাশাপাশি বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহও কম ছিল। তবে এত দিন সায় না দিলেও বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দাম বাড়ানোর অনুমতি দেয়।

অবশ্য মূল্যবৃদ্ধির এক দিন পর বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, আগের মতোই বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহসংকট রয়েছে।

মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের মুদিবিক্রেতা হ&zwnj;ুমায়ূন কবির বলেন, দাম বাড়ানোয় দুই-তিন দিনের মধ্যে বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ বাড়তে পারে। তিনটি ভোজ্যতেল কোম্পানির ডিলাররা আমাদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

ধান থেকে চাল উৎপাদন, খাদ্যপণ্য সংরক্ষণ, পরিবহন-প্রতিটি ধাপেই জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। ফলে তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উৎপাদন ও সরবরাহ খরচও বেড়ে গেছে। এর প্রভাবে বেড়েছে চালের বাজারে। বর্তমানে মোটা চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, মাঝারি চাল ৬০ থেকে ৬৮ টাকা এবং মিনিকেট চাল প্রায় ৮৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগের তুলনায় বেশি।

যাত্রাবাড়ী আড়তের চাল ব্যবসায়ী সাহেদ আলী জানান, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়লেও কেজিতে দুই-তিন টাকার বেশি বাড়ার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবে পাঁচ-ছয় টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, যা অস্বাভাবিক। তার মতে, পাইকারি পর্যায়ের এই বাড়তি দামই খুচরা বাজারে আরও বেশি চাপ তৈরি করছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির ঘটনায় আবারও প্রমাণ হয়েছে-সরকার কার্যত ব্যবসায়ীদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করছে।

তিনি বলেন, সকালে বনস্পতি ব্যবসায়ী সমিতি দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়, আর বিকালেই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সেই সিদ্ধান্তকে বৈধতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে জনস্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়েছে।

নাজের হোসাইন আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধির কথা বললেও বর্তমানে বাজারে থাকা ভোজ্যতেলের বেশিরভাগই তিন থেকে ছয় মাস আগে আমদানি করা। ফলে এই অজুহাতে দাম বাড়ানোর যৌক্তিকতা নেই। বরং আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছে।

নাজের হোসাইনের মতে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কাছে সাধারণ ভোক্তারা জিম্মি হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্ট তদারকি সংস্থাগুলো কারা, কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় দাম বাড়াচ্ছে-এসব সম্পর্কে অবগত থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। সমস্যার লাগাম দৃশ্যমান, প্রয়োজন শুধু সেটি টেনে ধরা। কিন্তু অজানা কারণে সেই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 01 May 2026 08:04:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114558" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114558</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পরিষদের এক সভা ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে হাইব্রিড পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম জুবায়দুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন। সভায় এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ আবদুস সালাম, এফসিএ, এফসিএস, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান এস. এম. আব্দুল হামিদ, এফসিএ, স্বতন্ত্র পরিচালক প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আলতাফ হুসাইন এবং কো&curren;পানি সেক্রেটারি মোঃ হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য বিবরণী

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Apr 2026 09:49:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স গ্রাহকদের জন্য সাইকেল অফার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114557" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114557</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে গ্রাহকরা প্রতি ব্যাংকিং ডে-তে ২টি গিয়ার বাই সাইকেল এবং নিশ্চিত উপহার হিসেবে দেয়াল ঘড়ি পাবেন। এছাড়া ক্যাম্পেইন চলাকালে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স গ্রহণকারী ব্যক্তি মেগা পুরস্কার হিসেবে একটি ইলেকট্রিক বাইসাইকেল উপহার পাবেন। এ অফার চলবে ১ থেকে ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আলতাফ হুসাইন ২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে প্রধান অতিথি হিসেবে ইসলামী ব্যাংক-ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন রেমিট্যান্স ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল অপারেশন ম্যানেজার ও বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ম্যানেজার শিহাব হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার।

ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. রফিকুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ মাহবুব আলম এবং ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন বাংলাদেশ-এর হেড অব বিজনেস মোঃ তাওহীদুর রহমান ও মার্কেটিং ম্যানেজার এম তানভীর হোসাইন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের ওভারসিজ ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ব্যাংকের সকল জোনপ্রধান, শাখাপ্রধান ও উপশাখা ইনচার্জগণ ভার্চুয়াল প্লাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Apr 2026 09:45:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হজক্যাম্পে ইসলামী ব্যাংকের  বিশেষ হজ বুথ উদ্বোধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114550" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114550</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি হজ যাত্রীদের ব্যাংকিং সেবা, প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপহারসামগ্রী প্রদানের জন্য ঢাকার আশকোনাস্থ হজক্যাম্পে বিশেষ বুথ চালু করেছে। ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আলতাফ হুসাইন প্রধান অতিথি হিসেবে এ বুথের উদ্বোধন করেন। এসময় ব্যাংকের ঢাকা নর্থ জোনপ্রধান একেএম মাহবুব মোরশেদ ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মজনুজ্জামানসহ ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংক প্রতিবছর আশকোনস্থ এ হজ ক্যাম্পে বুথ স্থাপনের মাধ্যমে হজযাত্রীদেরকে ব্যাংকিং সেবা, তথ্য ও হজে ব্যবহার উপযোগী উপহার সামগ্রী দিয়ে আসছে। ব্যাংকিং সেবার মধ্যে হজযাত্রীদেরকে বাংলা টাকার বিনিময়ে বৈদেশিক মুদ্রা যেমন সৌদি রিয়াল ও ডলার সরবরাহ করা, হজ কার্ড প্রদান, ডেবিট ও খিদমাহ (ক্রেডিট) কার্ড এন্ডোর্সমেন্ট করে দেওয়া ও এটিএম বুথ সার্ভিস প্রদান করা হচ্ছে। কার্ডের মাধ্যমে হজযাত্রীরা সৌদি আরবে ভিসা লোগো সম্বলিত যেকোনো বুথ থেকে রিয়াল উত্তোলন করতে পারবেন। সেবাগ্রহণকারীদের ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে ছাতা, হ্যান্ডব্যাগ, জুতোর ব্যাগ ও মিনায় পাথর নিক্ষেপের জন্য পাথর রাখার ব্যাগ প্রদান করা হয়। হজ পালনের নিয়মাবলি ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন করতে বিভিন্ন তথ্য সম্বলিত লিফলেট ও হজ গাইডলাইন প্রদান করা হয়।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 19 Apr 2026 04:41:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংকের উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114538" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114538</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ৯টি জোন ও ৪টি কর্পোরেট শাখার ত্রৈমাসিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন ৮ এপ্রিল ২০২৬ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্মেলনে ব্যাংকের ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ মাসের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ আলতাফ হুসাইন, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম, ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টরবৃন্দসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ, ৯টি জোনের জোনপ্রধান ও ৪টি কর্পোরেট শাখার প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খাঁন সভাপতির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন দুটি স্লোগান ছিল ইসলামী শরী&rsquo;আহ মোতাবেক পরিচালিত এবং কল্যাণমুখী ব্যাংকি ধারার প্রবর্তক যা আজও আমাদের পথচলার মূল আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে। আমদানি-রপ্তানিসহ ব্যবসা সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তিনির্ভর রেমিট্যান্স সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও ভূমিকা পালন করার নির্দেশনা দেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Apr 2026 13:27:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আহসান এইচ মনসুর বাদ;  নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114429" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114429</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ড. আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর করা হয়েছে মো. মোস্তাকুর রহমানকে। আজ বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদারের সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্যান্য সকল প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তাঁর যোগদানের তারিখ থেকে ৪ (চার) বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নর পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো। মো. মোস্তাকুর রহমান গভর্নর পদে নিয়োজিত থাকাকালীন সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত মোতাবেক বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংক হতে গ্রহণ করবেন। এ নিয়োগের অন্যান্য বিষয় চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মোস্তাকুর রহমান একজন হিসাববিদ। একই সঙ্গে একটি তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হেরা সোয়েটারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক সংক্রান্ত বিজিএএমইএর স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান।

এদিকে উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদারের সই করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে ড. আহসান এইচ মনসুরের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগকৃত ড. আহসান এইচ মনসুর এর নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ এতদ্বারা বাতিল করা হলো। জনস্বার্থে জারীকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 25 Feb 2026 10:25:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে রমজানকে পুঁজি করে বাজার বেসামাল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114424" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114424</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রমজানকে কেন্দ্র করে মুন্সীগঞ্জে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে আগুন লেগেছে, এতে ক্রেতারা দিশেহারা। শাকসবজি থেকে মাছ-মাংস, ফলমূল থেকে খেজুর, প্রায় সব কিছুর দামই ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে, শহরের প্রধান বাজার ঘুরে দেখা গেছে- কেজিতে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। আর উচ্ছের কেজি উঠেছে ২০০ টাকায়। বাড়তি দামে বিপাকে পড়েছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের ক্রেতারা।

যেখানে, রমজানের দুদিন আগে ১৩০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হওয়া লেবুর হালি এখন কিছুটা কমে ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় নেমেছে। তবে সবজির বাজারে স্বস্তি নেই। সপ্তাহের ব্যবধানে ৮০ টাকা বেড়ে উচ্ছের কেজি ২০০ টাকা। শসা কমে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় এলেও লাউ ৬০, টমেটো ৪০, গোল বেগুন ১০০, লম্বা বেগুন ৮০, গাজর ৫০, সিম ৪০, কাঁচা মরিচ ১৬০, ধনিয়া পাতা ১২০, বাঁধাকপি ও ফুলকপি ৪০ এবং আলু ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজারেও চড়া দাম। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, খাসি ১২০০ থেকে ১৩০০, বরকি ১০০০ থেকে ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম ২০ টাকা কমে ১৭০ টাকায় এলেও সোনালি ৩০০, লাল ২৮০, কর্ক ২৭০ এবং দেশি মুরগি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিকে, ডিমের হালি ৩৮ টাকা এবং পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও একই চিত্র। রুই ও কাতলা ৪৫০, পাঙ্গাস ২২০, তেলাপিয়া ৩০০, টেংরা ও দেশি শিং ৮০০, বড় চিংড়ি, বাইং ও শোল ১০০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের কেজি নিচে ১৪০০ টাকা।

ফলের বাজারে দাম আরও চড়া। ৫০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে প্রকারভেদে ফলের দাম। কেজিতে ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তরমুজ, আপেল ৩৫০ থেকে ৪০০, সাদা আঙ্গুর ৪৫০, কালো আঙ্গুর ৫০০, মালটা ৩৫০, আনার ৫০০ থেকে ৫৫০, নাশপাতি ৪০০, সাম্মাম ২০০, স্ট্রবেরি ১০০০, কাঠ লিচু ৮০০ থেকে ১০০০, কমলা ৩৫০, বাঙি ৩০০ থেকে ৫০০, ড্রাগন ফল ৪০০, কাছিমন ১১০০ থেকে ১১৫০ এবং সাইজ ভেদে কাঠাল ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কলার হালি ৫০-৬০ টাকা চলছে।

খেজুরের বাজারেও উচ্চদর, আজওয়া ১২০০, মরিয়ম ৮০০, সুক্কারি ৯০০, জাম্বু ১০০০ এবং ছড়া খেজুর ৩০০ টাকা কেজি। যা সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।

বাজারে ক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান এলেই অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেন। স্থানীয় বিক্রেতা আওলাদ হোসেন বলেন, সরবরাহ কম থাকায় কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কমবে।

ক্রেতা আরাফাত ইয়াসিন বলেন, রমজান এলে অন্যান্য দেশে দ্রব্যমূল্য কমে, কিন্তু আমাদের দেশে উল্টো বাড়ে। বর্তমান দামে বাজার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আমাদের আয়-তো আর বাড়েনি। নতুন সরকার এসেছে দেশে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা দরকার তাদের।

আরেক ক্রেতা শামীমের দাবি করেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও ভোক্তা অধিকার কঠোর তদারকি থাকলে দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবী জানাচ্ছি।

শহর বাজার সমিতির সভাপতি মো. এনামুল হক বলেন, আমাদের এখানে যারা খুচরা ব্যবসায়ী তারা ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের থেকে পাইকারি মোকাম থেকে ক্রয় করে থাকে। মোকামেই পণ্যের দাম বেশি রয়েছে। খুচরা বিক্রেতারা পরিবহন খরচ বাদে কিছু লাভে পণ্য বিক্রি করছেন৷ আমরা নিয়মিত তদারকি করছি। তিনি আরও বলেন, মোকামগুলোতে তদারকি বাড়ানো দরকার।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আসিফ আল আজাদ এ বিষয়ে বলেন, এখন কিছু পণ্যের সরবরাহ কম রয়েছে, তারজন্য দাম বেশি বাজারে। সবজিতে লেবু এখন সিজন না থাকায় দাম একটু বেশি রয়েছে। আর তরমুজ যদি পিস হিসেবে পাইকারি আনা হয়, অবশ্যই বিক্রেতাকে পিস হিসেবে বিক্রি করতে হবে।তিনি আর বলেন, আমরা শুধু রমজান নয়, সারা বছরই তদারকি করছি। আমাদের বাজার নিয়ন্ত্রনে নিয়মিত অভিযান চলবে।

রমজানের শুরুতেই বাজারের এমন অস্থিরতায় দিশেহারা সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি ও বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ক্রেতারা।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 23 Feb 2026 06:59:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114363" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/114363</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকান, বাণিজ্যবিতান ও শপিং মল ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে ভোট গ্রহণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে সুবিধা দিতে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার সারাদেশে দোকান, বাণিজ্যবিতান ও শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এর ফলে ১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি&mdash;টানা তিন দিন ছুটি থাকবে শিল্পকারখানার শ্রমিকদের।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নির্বাচনের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি) এমনিতেই সাধারণ ছুটি থাকে। ভোটের পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি আছে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে টানা কয়েক দিন ছুটি থাকছে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 07 Feb 2026 08:59:35 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
