<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/techlife</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/techlife"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews techlife Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest techlife News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sat, 09 May 2026 06:00:56 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[২৭টি সম্ভাব্য নতুন গ্রহের সন্ধান পাওয়ার দাবি বিজ্ঞানীদের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114697" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114697</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মহাবিশ্বে একটিমাত্র নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করা ছয় হাজারের বেশি গ্রহ আবিষ্কার করা হলেও দুটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করা গ্রহ আবিষ্কার হয়েছে মাত্র ১৮টি। তবে এবার দুটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করা ২৭টি সম্ভাব্য নতুন গ্রহের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের বিজ্ঞানীরা।

সন্ধান পাওয়া গ্রহগুলো পৃথিবী থেকে ৬৫০ থেকে ১৮ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত বলে জানিয়েছেন তারা।

ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের বিজ্ঞানী বেন মন্টেট বলেন, জ্যোতির্বিজ্ঞানের অনেক কিছুই খুব সহজে অনুমেয় নয়। যখন এই গ্রহগুলো নক্ষত্রের সামনে দিয়ে যায়, তখন নক্ষত্রের পৃষ্ঠে ছায়া পড়ে এবং উজ্জ্বলতা কমে যায়, যা দেখে গ্রহের উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়। কিন্তু এটি কেবল তখনই সম্ভব, যখন পৃথিবী থেকে আমাদের দেখার রেখার সঙ্গে নক্ষত্র ও গ্রহের অবস্থান পুরোপুরি একই সমান্তরালে থাকে। ফলে অনেক গ্রহ নজর এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মার্গো থর্নটন আরও বলেন, দুটি নক্ষত্রের ঘূর্ণন এবং মহাকর্ষীয় টানের মতো অন্য বিষয়গুলো বাদ দেওয়ার পর এক হাজার ৫৯০টি নক্ষত্রব্যবস্থার মধ্যে ৩৬টিতে এমন ব্যবস্থা খুঁজে পাওয়া গেছে, যাদের আচরণ কেবল একটি তৃতীয় বস্তুর উপস্থিতির মাধ্যমেই ব্যাখ্যা করা সম্ভব। এই ৩৬টির মধ্যে ২৭টি বস্তুর ভর একটি গ্রহের ভরের সমান হওয়া সম্ভব। তবে সেগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন।

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, মহাবিশ্বের অর্ধেকের বেশি নক্ষত্র বাইনারি বা একাধিক নক্ষত্রব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিদ্যমান। সম্ভাব্য গ্রহগুলো নেপচুনের সমান বা বৃহস্পতির চেয়ে দশ গুণ পর্যন্ত ভারী হতে পারে। নাসার ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইটের তথ্য ব্যবহার করে গ্রহগুলো শনাক্ত করা হয়েছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 06:00:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মানবাকৃতির রোবট ভিক্ষু ‘গাবি’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114669" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114669</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রযুক্তির বিস্তার ঘটছে এখন সব শাখায়। তা শুধু গবেষণাগার, শিল্পকারখানা বা দৈনন্দিন সেবায় সীমাবদ্ধ নেই; ধীরে ধীরে তা প্রবেশ করছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিসরেও। সেই পরিবর্তনেরই নতুন উদাহরণ দেখা গেল দক্ষিণ কোরিয়ায়। দেশটিতে প্রথমবারের মতো আত্মপ্রকাশ করেছে মানবাকৃতির রোবট ভিক্ষু &lsquo;গাবি&rsquo;। বুধবার সিউলের যোগে মন্দিরে রোবট ভিক্ষুটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য কোরিয়া টাইমস জানিয়েছে, বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে সিউলের যোগে মন্দিরে আয়োজিত বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেয় গাবি। প্রায় ১৩০ সেন্টিমিটার উচ্চতার রোবটটি চীনের ইউনিট্রি জি ১ প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে গাবির পরনে ছিল ধূসর ও বাদামি রঙের ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধভিক্ষুর পোশাক। অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের বিভিন্ন ধাপ অনুসরণ করতে দেখা গেছে রোবটটিকে।

দ্য কোরিয়া টাইমসের তথ্যমতে, গাবি নামটি সিদ্ধার্থের নাম এবং কোরীয় ভাষায় &lsquo;করুণা&rsquo; শব্দের ভাবার্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানের আয়োজক যোগে অর্ডার জানিয়েছেন, তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে বৌদ্ধধর্মের সংযোগ আরও জোরদার করা এবং মন্দিরগুলোতে সন্ন্যাসীর ক্রমবর্ধমান সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আয়োজকদের আশা, প্রযুক্তিনির্ভর এ উদ্যোগ তরুণদের কাছে ধর্মীয় চর্চাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করতে সহায়তা করবে। ভবিষ্যতে বুদ্ধপূর্ণিমার শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনে সম্মানসূচক সদস্য হিসেবে গাবিকে অংশ নিতে দেখা যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়ছে মানবাকৃতির রোবটের ব্যবহার। একসময় পরীক্ষামূলক প্রযুক্তি হিসেবে বিবেচিত হলেও এখন এসব রোবটকে দেখা যাচ্ছে ক্রীড়া, উৎপাদনশিল্প, জনসেবা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে। বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী মানবাকৃতির রোবটের বাজার তিন হাজার ৮০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। উৎপাদনশিল্প, সরবরাহব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ও সেবা খাতে এসব রোবট ব্যবহারের সম্ভাবনা দ্রুত বাড়ছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 17:22:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌরজগতের প্রান্তে মহাজাগতিক বস্তুতে আছে বায়ুমণ্ডল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114649" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114649</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সৌরজগতের সুদূর প্রান্তে, নেপচুন গ্রহের সীমানা যেখানে শেষ, সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য বরফশীতল ও নির্জন সব মহাজাগতিক বস্তু। এতদিন ধারণা ছিল, এসব বস্তুর মধ্যে কেবল বামন গ্রহ প্লুটোরই বায়ুমণ্ডল রয়েছে। তবে এখন সেই ধারণা বদলে গেছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ওই অঞ্চলে এমন এক নতুন বস্তুর সন্ধান পেয়েছেন যার নিজস্ব বায়ুমণ্ডল আছে, তবে তা খুব পাতলা। প্রায় ৫০০ কিলোমিটার ব্যাসের এ বস্তুটির আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

এ আবিষ্কার থেকে ইঙ্গিত মেলে, মহাকাশের এসব নিঃসঙ্গ ও হিমশীতল বস্তু বিজ্ঞানীদের ধারণার চেয়ে বেশি প্রাণবন্ত বা সক্রিয় হতে পারে। গবেষকরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ঠিক কোন রহস্যময় কারণে সেখানে বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব তৈরি হলো।

নেপচুনের কক্ষপথের বাইরের এসব বস্তুকে বলা হচ্ছে &lsquo;ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অবজেক্ট&rsquo;। নতুন করে আলোচনায় আসা এ বস্তুটির নাম &lsquo;২০০২ এক্সভি৯৩&rsquo;, যা সূর্য থেকে প্রায় প্লুটোর সমান দূরত্ব বজায় রেখে মহাকাশে আবর্তন করছে।

নতুন বস্তুটি আকারে ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অঞ্চলের সবচেয়ে বড় দুটি বস্তু প্লুটো ও এরিসের চেয়ে ছোট। প্লুটোর ব্যস ২ হাজার ৩৭০ কিলোমিটার ও এরিসের ব্যাস প্রায় ২ হাজার ৩২৬ কিলোমিটার। প্লুটো ও এরিস বামন গ্রহ হিসেবে বিবেচিত।

গবেষণায় দেখা গেছে, বস্তুটির বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর শক্তিশালী বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৫০ লাখ থেকে এক কোটি ভাগের এক ভাগ ঘন। প্লুটোর হালকা বায়ুমণ্ডলের চেয়েও এর ঘনত্ব প্রায় ৫০ থেকে ১০০ ভাগের এক ভাগ।

গবেষকরা বলেছেন, এ ক্ষুদ্র বায়ুমণ্ডলে মিথেন, নাইট্রোজেন বা কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের প্রধান্য থাকতে পারে।

জাপানের &lsquo;ন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি&rsquo;র প্রভাষক ও এ গবেষণার প্রধান লেখক জ্যোতির্বিজ্ঞানী কো আরিমাৎসু বলেছেন, আবিষ্কারটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, সৌরজগতের প্রান্তের এসব ছোট বরফশীতল বস্তু আমাদের আগের ধারণার মতো সম্পূর্ণ নিথর বা অপরিবর্তনীয় নয়।

গত সোমবার গবেষণাটি প্রকাশ পেয়েছে বিজ্ঞান সাময়িকী &lsquo;নেচার অ্যাস্ট্রোনমি&rsquo;তে।

জাপানের &lsquo;কিয়োটো সাঙ্গিও ইউনিভার্সিটি&rsquo;র &lsquo;কোয়ামা স্পেস সায়েন্স ইনস্টিটিউট&rsquo; এর পরিচালক ও এ গবেষণার অন্যতম লেখক জ্যোতির্বিজ্ঞানী জুনিচি ওয়াতানাবে বলেছেন, সাধারণত ধারণা করা হতো, এত ক্ষুদ্র বস্তুতে বায়ুমণ্ডল থাকা সম্ভব নয়। তবে মহাকাশের অতি দূরবর্তী ও হিমশীতল জগতেও এমন কিছু সক্রিয়তা বা গতিশীলতা আছে, যা আমরা আগে কল্পনাও করতে পারিনি&Ntilde; এ আবিষ্কার সেটিই প্রমাণ করেছে।

গবেষকরা এ বায়ুমণ্ডলের উপস্থিতির পেছনে দুটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাদের মতে, সম্ভবত এটি স্থায়ী এক বায়ুমণ্ডল, যা কোনো &lsquo;ক্রায়োভলকানিজম&rsquo; বা বরফ-আগ্নেয়গিরি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টিকে আছে, অর্থাৎ বস্তুটির পৃষ্ঠের ফাটল দিয়ে এর ভিতর থেকে গ্যাস চুঁইয়ে বের হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিজ্ঞানী আরিমাৎসু বলেন, বস্তুটি পৃথিবীর আগ্নেয়গিরির মতো তপ্ত লাভা বা গলিত পাথর উদগীরণ করে না। এটি শীতল ও বরফ-জগতের এক ভিন্ন রূপ, যেখানে উদ্বায়ী গ্যাস ও বরফ নির্গত হয়।

বিকল্প ব্যাখ্যা হিসেবে গবেষকরা বলছেন, বায়ুমণ্ডলটি সাময়িকও হতে পারে। সম্ভবত সাম্প্রতিক সময়ে অন্য কোনো ছোট মহাজাগতিক বস্তু একে আঘাত করার ফলে নির্গত গ্যাসের মাধ্যমে এ বায়ুমণ্ডল তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞানী আরিমাৎসু বলেছেন, এ বায়ুমণ্ডল যদি কোনো সংঘর্ষের ফলে তৈরি হয়ে থাকে তবে আগামী কয়েক বছর বা দশকের মধ্যে তা মিলিয়ে যেতে পারে। তবে দীর্ঘকাল টিকে থাকলে বা ঋতুভেদে এর পরিবর্তন ঘটলে বুঝতে হবে বস্তুটির ভেতর থেকেই নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।

জাপানের কিয়োটো, নাগানো ও ফুকুশিমায় অবস্থিত শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। তারা &lsquo;স্টেলার অকুলেশন&rsquo; বা তারা-আড়াল হওয়ার ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করেছেন।

&lsquo;অকাল্টেশন&rsquo; এমন এক ঘটনা, যেটি পৃথিবীর সাপেক্ষে কোনো মহাজাগতিক বস্তু একটি দূরবর্তী তারার সামনে দিয়ে অতিক্রম করে এবং সাময়িকভাবে সেই তারার আলো আড়াল করে দেওয়ার বিষয়। এ সময় পেছনের তারাটি থেকে আসা আলোর পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানীরা ওই বস্তুটির আকার ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করতে পারেন।

নেপচুনের ওপারে &lsquo;কাইপার বেল্ট&rsquo; নামে পরিচিত এক বিশাল অঞ্চলে এ বস্তুটির অবস্থান। ধারণা করা হয়, এ বেল্ট প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে সৌরজগতের জন্মলগ্নে তৈরি হয়েছিল। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে এর সময় লাগে প্রায় ২৪৭ বছর।

গবেষকরা বলেছেন, কাইপার বেল্ট বরফ, পাথর ও জৈব পদার্থওয়ালা উপাদান দিয়ে গঠিত। পর্যবেক্ষণের সময় তা সূর্য থেকে প্রায় ৫৫০ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।

এ দূরত্ব পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের প্রায় ৩৭ গুণ, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ৩৭ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট বা এইউ বলে। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৩৯ দশমিক ছয় এইউ, যা কক্ষপথের সবচেয়ে কাছের বিন্দুতে ৩৪ দশমিক ছয় এইউ ও সবচেয়ে দূরের বিন্দুতে ৪৪ দশমিক ছয় এইউ দূরত্বে থাকে।

গবেষকরা বরছেন, বস্তুটির বর্তমান নাম &lsquo;২০০২ এক্সভি৯৩&rsquo; মনে রাখা বেশ কঠিন।

বিজ্ঞানী আরিমাৎসু বলেন, আমাদের দলের মধ্যে আমরা সাধারণত একে &lsquo;এক্সভি৯৩&rsquo; বলে ডাকি, যা কাজের জন্য সুবিধাজনক হলেও খুব একটা আকর্ষণীয় নয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি যেহেতু ওকিনাওয়ার ইশিগাকিজিমা জ্যোতির্বিজ্ঞান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে কাজ করি ফলে ভবিষ্যতে ওকিনাওয়ার কোনো পৌরাণিক চরিত্রের নামে, যেমন সৃষ্টিলগ্নের দেবী &lsquo;আমামিকিউ&rsquo; নামে এর নামকরণ করা হলে আমি খুব খুশি হব। তবে নামকরণের আনুষ্ঠানিক বিষয়টি আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়নের নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 May 2026 17:27:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বৃষ্টিতে ভেজার বিস্ময়কর উপকারিতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114631" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114631</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্বতন্ত্র ঘ্রাণ থেকে শুরু করে বৃষ্টির পানি থেকে নির্গত আয়ন মানুষের শরীরের ওপর বেশ কিছু প্রভাব ফেলে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, বৃষ্টির সঙ্গে মেজাজ বা মুড পরিবর্তনের সংযোগ রয়েছে। বৃষ্টির উপকারিতা কেবল মেজাজ ভালো করাতেই সীমাবদ্ধ নয়। বৃষ্টি বাতাস থেকে ক্ষতিকারক উপাদান সরিয়ে দেয় এবং এর ঘ্রাণ মানুষের স্মৃতিশক্তিকেও প্রখর করতে পারে।

বৃষ্টির পানির ফোঁটা যখন একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায় বা কোনো তলে আঘাত করে ভেঙে যায়, তখন নেগেটিভ আয়ন তৈরি হয়। এগুলো মস্তিষ্কে সেরোটোনিন এবং আলফা ওয়েভ বাড়িয়ে দেয়, যা মানুষকে আনন্দিত ও শিথিল বোধ করতে সাহায্য করে।

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার বিজ্ঞানী প্যাম ডাল্টন বলেন, নেগেটিভ আয়ন কীভাবে মেজাজ বা ক্লান্তি পরিবর্তন করে তা নিয়ে এখনো অনেক গবেষণা প্রয়োজন। তবে ১৯৫৫ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সিজনাল এফেক্টিভ ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীরা যখন উচ্চ ভোল্টেজের আয়োনাইজার ব্যবহার করেছেন, তখন তাদের উপসর্গে বড় ধরনের উন্নতি দেখা গেছে।

বৃষ্টির পানির আয়ন বাতাস থেকে ধূলিকণা, দূষণ এবং অ্যালার্জেন দূর করতে সাহায্য করে, ফলে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়। বাতাসের মান ভালো হওয়া মানেই উদ্বেগ কমে আসা।

পারডু ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড্যান সিজকো বলেন, বৃষ্টির ফোঁটা পড়ার সময় তারা বাতাসের ক্ষুদ্র কণাগুলোকে অনেকটা ঝাড়ু দেওয়ার মতো পরিষ্কার করে ফেলে। বৃষ্টির তীব্রতা যত বেশি হয়, বাতাস তত বেশি পরিষ্কার হয়।

বৃষ্টির পর মাটি থেকে যে সোঁদা গন্ধ বের হয়, তাকে বলা হয় পেট্রিকোর। বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, প্রাচীনকালে পেট্রিকোর মানেই ছিল সুপেয় পানির প্রাচুর্য, যা আমাদের পূর্বপুরুষদের নিরাপদ ও শান্ত বোধ করাত।

প্যাম ডাল্টন জানান, যেকোনো ঘ্রাণ মস্তিষ্কের অ্যামিগডালাকে সক্রিয় করতে পারে, যা আবেগ এবং স্মৃতির জন্য দায়ী। এ কারণেই বৃষ্টির ঘ্রাণ অনেক সময় পুরোনো কোনো স্মৃতিকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দেয়।

বৃষ্টির শব্দ আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল করে। ক্লিনিক্যাল অডিওলজিস্ট অ্যামি সারো বলেন, পানির শব্দ আমাদের প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে সক্রিয় করে, যা বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সঙ্গে জড়িত। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৪০ থেকে ৫০ ডেসিবেল মাত্রার বৃষ্টির শব্দ মানসিক চাপ ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 05 May 2026 17:16:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইউরেনাসের রহস্যময় বলয়ের আড়ালে নতুন চাঁদ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114630" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114630</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইউরেনাসের ১৩টি বলয় বিজ্ঞানীদের কাছে সব সময়ই বিস্ময়ের। জেমস ওয়েব ও হাবল টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এসব বলয়ের উৎস ও গঠন নিয়ে নতুন তথ্য পেয়েছেন, যা এ বরফশীতল গ্রহটিতে লুকানো একটি চাঁদ থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

১৯৭৭ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই ইউরেনাসের বিভিন্ন বলয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে পরম বিস্ময়। এগুলোর অনেক রহস্য আজও অজানা বলে প্রতিবেদনে লিখেছে নটিলাস সাময়িকী।

১৯৮৬ সালে &lsquo;ভয়েজার ২&rsquo; প্রথমবারের মতো এ দূর গ্রহটির পাশ দিয়ে যাত্রার সময় এর আরও নতুন দুটি বলয় ধরা পড়েছে। এরপর ২০০০ সালের গোড়ার দিকে হাবল টেলিস্কোপ আরও দুটি বলয়ের সন্ধান পায়। সব মিলিয়ে ইউরেনাসের বলয় সংখ্যা এখন ১৩টি।

বর্তমানে বিজ্ঞানীরা এসব দূরবর্তী বলয়ের উৎস নিয়ে কাজ করছেন। তাদের এ গবেষণা থেকে এমন ইঙ্গিত মেলে, এ বরফশীতল গ্রহটির ভিতরে হয়তো &lsquo;লুকানো চাঁদ&rsquo; আছে।

সম্প্রতি কেক অবজারভেটরি, হাবল ও জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ইউরেনাসের সবচেয়ে বাইরের দুটি বলয়ের ওপর গুরুত্বপূর্ণ এক গবেষণা শেষ করেছেন।

তাদের এসব নতুন তথ্য &lsquo;জার্নাল অব জিওফিজিক্যাল রিসার্চ: প্লানেটস&rsquo;-এ প্রকাশ পেয়েছে।

এক বিবৃতিতে গবেষণাপত্রের লেখক ইমকে ডি প্যাটার বলেন, এসব বলয় থেকে বিচ্ছুরিত আলো বিশ্লেষণ করে আমরা এগুলোর কণার আকার ও উপাদান সম্পর্কে জানতে পারি, যেখানে এসব বলয়ের উৎস সম্পর্কে ধারণার পাশাপাশি ইউরেনাস বা এ ধরনের গ্রহগুলো কীভাবে তৈরি ও বিবর্তিত হয়েছে সে বিষয়ে আলোকপাত করেছে।

কেক ও হাবল টেলিস্কোপের আগের পর্যবেক্ষণ থেকে জানা গিয়েছিল, ইউরেনাসের একদম বাইরের &lsquo;মিউ&rsquo; বলয়টি দেখতে নীল রঙের, যা শনির &lsquo;ই&rsquo; বলয়ের মতো ক্ষুদ্র কণা দিয়ে তৈরি।

অন্যদিকে, এর কিছুটা কাছে থাকা &lsquo;নিউ&rsquo; বলয়টিতে লালচে আভা দেখা গিয়েছিল, যা থেকে ধারণা মেলে বলয়টি মহাজাগতিক ধূলিকণা দিয়ে গঠিত। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের তোলা নতুন বিভিন্ন ছবি থেকে গবেষকরা এখন এসব বলয় সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তৈরি করতে পেরেছেন।

বলয়গুলো মহাকাশের আলোর কোন কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করছে, তা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা সেগুলোর উপাদান সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন।

তারা বলছেন, ইউরেনাসের &lsquo;মিউ&rsquo; বলয় থেকে পাওয়া বিভিন্ন সংকেত পুরোপুরি জমাট বাঁধা বরফের সঙ্গে মিলে যায়, অর্থাৎ বলয়টি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বরফকণা দিয়ে তৈরি।

অন্যদিকে, &lsquo;নিউ&rsquo; বলয়টি পাথুরে উপাদানে গঠিত, যার মধ্যে প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ জৈব যৌগ রয়েছে।

ইউরেনাসের &lsquo;ম্যাব&rsquo; নামের চাঁদ গ্রহটিকে ঠিক সেই দূরত্বে থেকেই প্রদক্ষিণ করে, যেখানে &lsquo;মিউ&rsquo; বলয়টি অবস্থিত। অতি ক্ষুদ্র উল্কাপিণ্ড যখন ম্যাবের বরফশীতল পৃষ্ঠে আঘাত করে তখন সেখান থেকে বরফকণা ছিটকে বেরিয়ে আসে এবং এ বলয়টি তৈরি করে।

বিষয়টি অনেকটা শনি গ্রহের চাঁদ &lsquo;এনসেলাডাস&rsquo; ও তার &lsquo;ই&rsquo; বলয়ের সম্পর্কের মতো, যা সৌরজগতের আরেকটি একমাত্র নীল বলয়। দুটি বলয়ই তাদের নিজ নিজ গ্রহ থেকে সমান দূরত্বে অবস্থিত।

তবে শনির ক্ষেত্রে পার্থক্য হলো, এনসেলাডাসের আগ্নেয়গিরি থেকে মহাকাশে বরফ ছিটকে আসার ফলে ওই বলয়টি তৈরি হয়েছিল।

অন্যদিকে, ইউরেনাসের &lsquo;নিউ&rsquo; বলয়টির উৎস এখনো রহস্যে ঘেরা।

বিজ্ঞানী ইমকে ডি প্যাটার বলেন, নিউ বলয়ের বিভিন্ন উপাদান সম্ভবত এমন কিছু পাথুরে বস্তু থেকে এসেছে, যা এখনো আমাদের নজরে আসেনি। এসব বস্তু জৈব উপাদানে ভরা ও পরিচিত বিভিন্ন চাঁদের মাঝখানের কোনো কক্ষপথে অবস্থান করছে। ক্ষুদ্র উল্কার আঘাত বা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে এগুলো থেকে ধূলিকণা ছিটকে বলয়টি তৈরি হয়েছে। কৌতূহল উদ্দীপক প্রশ্ন হচ্ছে, এসব বলয়ের উৎসের রাসায়নিক গঠন কেন একে অপরের থেকে এত আলাদা?

ইউরেনাসের অন্যান্য চাঁদ পাথুরে প্রকৃতির হলেও সেগুলোর কোনোটিই &lsquo;নিউ&rsquo; বলয়ের আশপাশে অবস্থিত নয়। তাহলে কি সেখানে এমন কোনো লুকানো চাঁদ বা অন্য কোনো বস্তু আছে, যা এসব ধূলিকণা ছড়িয়ে দিচ্ছে?

আবার, ইউরেনাসকে প্রদক্ষিণ করা বিভিন্ন চাঁদের মধ্যে কেবল &lsquo;ম্যাব&rsquo;ই কেন বরফ দিয়ে তৈরি?

এসব প্রশ্ন ও আরও অনেক রহস্যের উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে সুদূর গ্রহটিতে কোনো মহাকাশযান পাঠানো সময় পর্যন্ত।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 05 May 2026 17:13:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৩ ধরনের মোবাইল ফোন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/113557" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/113557</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ক্লোন করা, অবৈধভাবে আমদানি ও চোরাচালানকৃত ফোন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) তার ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, অবৈধ ফোনের সঙ্গে কম করে হলেও নিম্নলিখিত অপরাধসমূহ সংশ্লিষ্ট- সিমের ভুল রেজিস্ট্রেশন ও সিম সংক্রান্ত অপরাধ, জুয়ার লিংক এবং এমএলএম প্রতারণার বাল্ক এসএমএস পাঠানো, ভুল এমএফএস রেজিস্ট্রেশন, মোবাইল ফাইন্যান্সিং সংক্রান্ত অপরাধ, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যামিং, অবৈধ ক্লোন ফোন সংক্রান্ত অপরাধ, প্যাটেন্ট ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন রয়্যাল্টি না দেওয়া, আয়কর ও শুল্ক ফাঁকি, ভারত ও চীন থেকে অবৈধ আনবক্সড মোবাইল ফোন আমদানি, বিমানবন্দরের লাগেজ পার্টি, সীমান্ত চোরাচালান, স্থানীয় হ্যান্ডসেট উৎপাদন শিল্প বিকাশকে বাধা দেওয়া, চুরি যাওয়া ফোন উদ্ধার, ছিনতাই, হারানো ফোন ফেরত না পাওয়া ইত্যাদি।



নাগরিক, সমাজ, অর্থনীতির ও রাষ্ট্রের বহু স্তরের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার নানাবিধ বিষয় জড়িত এখানে। এর জন্য দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিডা, মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানি, ব্যাংকিং খাত, বিএফআইইউ এবং এনবিআরের ক্রমাগত অনুরোধ আছে আমাদের ওপর। উপরন্তু মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট এবং টেলিযোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য এটা দরকার।

তিনি আরো বলেন, ট্যাক্স না দিয়ে তারা এক বছর আগেই কোটিখানেক ফোন এনে অবৈধভাবে ডাম্পিং করে ফেলবে দেশকে, তা হবে না আর। আমরা সুস্পষ্টভাবে বলছি, কোনো মোবাইল ব্যবসায়ী বা দোকানদের &lsquo;পেটে-লাথি&rsquo; দেওয়া হচ্ছে না, উনারা দেশীয় উৎপাদকদের এবং বৈধভাবে আমদানি করা ফোন বিক্রি করবেন, সৎ পথে ব্যাবসা করবেন। অবৈধভাবে আনা ফোন বন্ধ করা হবে।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, আমরা ক্লোন করা, অবৈধভাবে আমদানিকৃত ও চোরাচালানকৃত ফোন বন্ধ করব ইনশাআল্লাহ। এখানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।&rsquo;

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Nov 2025 09:22:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলা করবেন ইলন মাস্ক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112725" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112725</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন এক্সএআই, স্পেসএক্স, টেসলাসহ খুদে ব্লগ লেখার সাইট এক্সের (সাবেক টুইটার) মালিক ইলন মাস্ক। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন এআই অ্যাপকে সহায়তা দিতে অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের অ্যাপ স্টোরের র&zwj;্যাংঙ্কিংয়ে কারসাজি করছে। এ কারণে আইওএসের প্রস্তাবিত অ্যাপ তালিকায় এক্স বা এক্সএআইয়ের তৈরি গ্রোক চ্যাটবটকে রাখা হয়নি। এ বিষয়ে এক্সএআই &lsquo;তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা&rsquo; নেবে।

একাধিক পোস্টে ইলন মাস্ক জানান, অ্যাপল এমন আচরণ করছে, যাতে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো এআই প্রতিষ্ঠান অ্যাপস্টোরের শীর্ষে উঠতে না পারে। এটি নিঃসন্দেহে প্রতিযোগিতা আইন লঙ্ঘনের শামিল। তাই এখন মামলা করা ছাড়া সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। তবে মাস্ক এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি। মামলাটি ইতিমধ্যে দায়ের করা হয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ স্টোরে চ্যাটজিপিটি ফ্রি আইফোন অ্যাপের তালিকায় প্রথম স্থানে, আর গ্রোক রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে চীনের ডিপসিক এআই সাময়িকভাবে চ্যাটজিপিটিকে সরিয়ে প্রথম স্থানে উঠেছিল। ফলে মাস্কের দাবি &lsquo;অন্য কোনো এআই অ্যাপের পক্ষে শীর্ষে ওঠা অসম্ভব&rsquo; বাস্তবে ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

প্রযুক্তি&ndash;বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, মাস্কের এই অভিযোগে বিদ্রূপাত্মক দিকও রয়েছে। কারণ, ২০২২ সালে টুইটার (বর্তমানে এক্স) অধিগ্রহণের পর প্ল্যাটফর্মটির অ্যালগরিদম পরিবর্তন করে নিজের পোস্টকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালের এক গবেষণাতেও দেখা গেছে, এক্সের অ্যালগরিদম ইচ্ছাকৃতভাবে মাস্কের পোস্ট বেশি প্রচার করে। এ প্রসঙ্গে ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান ২০২৩ সালের প্ল্যাটফর্মারের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেন। যেখানে বলা হয়, মাস্ক তাঁর পোস্টগুলো সব ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছেন।

অবশ্য মাস্কের সঙ্গে অ্যাপল ও ওপেনএআইয়ের এটিই প্রথম দ্বন্দ্ব নয়। মাস্ক ওপেনএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতাদের একজন ছিলেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি মুনাফাভিত্তিক ব্যবসায় রূপ নেওয়ার পর তিনি এর বিরুদ্ধে মামলা করেন এবং অধিগ্রহণের প্রস্তাব দেন, যা সর্বসম্মতভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়। এমনকি গত বছর অ্যাপল ও ওপেনএআই যৌথভাবে আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাকে চ্যাটজিপিটি যুক্ত করার ঘোষণা দিলে মাস্ক হুমকি দেন। তখন তিনি জানান, অ্যাপলের অপারেটিং সিস্টেমে ওপেনএআই প্রযুক্তি সংযুক্ত হলে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মক্ষেত্রে অ্যাপল পণ্য নিষিদ্ধ করা হবে।


সাননিউজ/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 Aug 2025 10:45:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112479" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112479</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজকের বিশ্ব প্রযুক্তির অদ্ভুত এক মোড়ে দাঁড়িয়ে। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence &ndash; AI) শুধু একটি ফিচার নয়, বরং প্রতিটি সৃজনশীল ক্ষেত্রের গভীরে ঢুকে পড়েছে। টেলিভিশন, সিনেমা, বিজ্ঞাপন কিংবা অনলাইন কনটেন্ট সবখানেই এখন AI-এর ছোঁয়া দৃশ্যমান। মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন, যা চিত্র, শব্দ ও সময়কে একত্রিত করে একটি গতিশীল ভিজ্যুয়াল তৈরি করে, সেখানেও AI একটি বিপ্লব ঘটাচ্ছে।

AI কীভাবে কাজ করে মোশন গ্রাফিক্সে?

ধরা যাক, একজন গ্রাফিক ডিজাইনার একটি ৩০ সেকেন্ডের টেলিভিশন প্রোমো বানাতে চান । আগের দিনে তাকে স্ক্রিপ্ট পড়া, স্টোরিবোর্ড আঁকা, এনিমেশন তৈরি, কালার কারেকশন এবং রেন্ডারিং করতে হতো - সবকিছুতেই সময় লাগতো বহু ঘণ্টা, কখনোবা দিন। অথচ এখন AI নির্ভর টুল যেমন Runway ML, Kaiber, Pika, Luma AI, Adobe Firefly ইত্যাদি সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি লেখা বা ধারণা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

AI-এর সাহায্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা, ক্যামেরা মুভমেন্ট তৈরি করা, লিপ সিংক এনিমেশন বানানো, এমনকি পুরো 3D সিন নির্মাণ-সবই হচ্ছে ক্লিকেই। কোনো ডিজাইনার চাইলে শুধু একটি প্রম্পট লিখে দিতে পারেন: &ldquo;রাতের শহরের ওপরে উড়ছে একদল ড্রোন, নিচে আলো ঝলমলে রাস্তা, চারপাশে ভবিষ্যতের উড়ন্ত গাড়ি&rdquo;। এই প্রম্প্টটি দিলে AI পুরো দৃশ্য তৈরি করে দিতে পারে যেখানে থাকবে আধুনিক শহরের ব্যাকগ্রাউন্ড, গতিশীল ক্যামেরা মুভমেন্ট, চলমান গাড়ি ও আলোর রিফ্লেকশনসহ এনিমেটেড পরিবেশ।

 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাস্তবতা

বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি এখনও অনেকাংশে ম্যানুয়াল কাজের ওপর নির্ভরশীল। Vizrt, WASP3D, VMix ইত্যাদি রিয়েলটাইম গ্রাফিক্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হলেও AI এখনও অনেকের কাছে নতুন এক অভিজ্ঞতা। কিন্তু বর্তমান তরুণ প্রজন্ম যেভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে সক্রিয়, তাতে করে AI গ্রাফিক্স ডিজাইন আমাদের দেশেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

আমার দেখা মতে, আগামীর টেলিভিশন সম্প্রচারে যেমন ইনফোগ্রাফিকস, সেগমেন্ট ব্রেকার, ফ্যাক্টস অ্যানিমেশন, সাইড প্যানেল, নিউজ লোয়ার-থার্ড ইত্যাদি জায়গায় AI টুল ব্যবহার দ্রুত বাড়বে।

প্রশিক্ষণের গুরুত্ব ও আমাদের প্রস্তুতি

আমি নিজে একজন ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠশালা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোশন গ্রাফিক্স শেখাই। সেখানে আমি প্রতিনিয়ত দেখি-যেসব শিক্ষার্থীরা নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে, তারা খুব দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। তাই আমার বিশ্বাস, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনই AI ভিত্তিক গ্রাফিক্স প্রশিক্ষণ চালু করা উচিত।

AI নিয়ে ভয় না পেয়ে, এটিকে গ্রহণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে আমার বার্তা&mdash;Adobe After Effects বা Cinema 4D শিখুন ঠিকই, তবে পাশাপাশি Runway ML, Gen-2, Firefly বা Pika Lab নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। কারণ, ভবিষ্যতের কাজের ধরন বদলে যাচ্ছে দ্রুতগতিতে।

মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন কেবল সফটওয়্যারের ব্যবহার নয়, এটি একটি শিল্প। AI এই শিল্পকে দ্রুততর, সহজতর এবং আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। আমাদের প্রয়োজন-এই প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

সৃজনশীলতা কখনোই প্রযুক্তির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না-বরং প্রযুক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আরও বড় কিছু তৈরি করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে আমরা যদি সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারি, তবে বাংলাদেশের গ্রাফিক্স ডিজাইনও বিশ্বমানে পৌঁছাতে পারে-এই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

লেখক:দেবাশীষ দাস
ডেপুটি ম্যানেজার, গ্রাফিক্স বিভাগ, মাছরাঙ্গা টেলিভিশন
ফ্যাকাল্টি, পাথশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া একাডেমি
গেস্ট ফ্যাকাল্টি, টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 10 Jul 2025 06:51:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এআই কি মানুষের বুদ্ধিনাশ করছে? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে চিন্তায় গবেষকেরা!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112467" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112467</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সম্প্রতি ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) এ সংক্রান্ত একটি গবেষণার কাজ শেষ করেছে। তবে গবেষণার ফল দেখে চিন্তায় পড়েছেন গবেষকেরাই। তাঁরা বলেছেন গবেষণা লব্ধ ফলটিকে অবিলম্বে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হোক।

বুদ্ধিনাশ কি কেবল বিনাশকালেই হয়? গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত আধুনিক প্রযুক্তিও কখনও সখনও সে কাজ করে দেখাতে পারে। যেমনটা এখন করছে এআই! দুনিয়া জুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছে যে অত্যাধুনিক মানুষের মতো করে ভাবতে পারা প্রযুক্তি, সেই এআই বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) অর্থাৎ কৃত্রিম মেধা ক্রমে মানুষের মস্তিষ্ককে অলস করে তুলছে!

সম্প্রতি ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) এ সংক্রান্ত একটি গবেষণার কাজ শেষ করেছে। তবে গবেষণার ফল দেখে চিন্তায় পড়েছেন গবেষকেরাই। তাঁরা বলেছেন গবেষণালব্ধ ফলটিকে অবিলম্বে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হোক, যাতে আগামী দিনে এআই প্রযুক্তি সভ্যতার আরও গভীরে প্রবেশ করে ক্ষতি না করতে পারে।

গবেষণাটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে &#39;মিডিয়া এমআইটি&#39; নামের জার্নালে। গবেষণাপত্রটির অন্যতম প্রধান লেখক নাতালিয়া কোসমিনা লিখেছেন, &ldquo;এআই সাধারণ মানুষের বুদ্ধি এবং মেধার ক্ষতি তো করছেই। তবে এটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর ছোটদের জন্য। যাদের বুদ্ধি এবং মেধা সবে তৈরি হতে শুরু করেছে। এআই এদের মস্তিষ্কের সম্পূর্ণ বিকাশ হতেই দেবে না। তাই ছোটদের পড়াশোনার জগতে এআই পুরোপুরি ঢুকে পড়ার আগেই তাকে দূর করে দেওয়া দরকার।&rdquo;

নাতালিয়ার ওই উদ্বেগের কারণ এমআইটি-র গবেষণার ফলাফল। ১৮-৩৯ বছর বয়সি ৫৪ জনকে নিয়ে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল আমেরিকার এই প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়। অংশগ্রহণকারীদের ১৮ জনের তিনটি দলে ভাগ করে বিভিন্ন বিষয়ে রচনা লিখতে দেওয়া হয়েছিল। একটি দলকে এআইয়ের সাহায্য নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়, একটি দলকে বলা হয় তারা গুগল সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নিতে পারে। তৃতীয় দলটিকে কোনও রকম সাহায্য নিতে দেওয়া হয়নি। সমীক্ষার সময়ে ওই ৫৪ জনের মস্তিষ্কের ৩২টি অঞ্চলের কার্যকলাপের উপরে ইইজি-র মাধ্যমে নজর রাখেন গবেষকেরা। তাতে দেখা যায়, যাঁরা এআইয়ের সাহায্য নিয়েছিলেন, তাঁদের লেখা উতরে গেলেও তাদের মস্তিষ্ক কাজ করেছে সবচেয়ে কম।

গবেষকেরা জানাচ্ছেন মস্তিষ্কের যে অংশগুলি যুক্তিপূর্ণ চিন্তাভাবনা করে এবং স্মৃতিশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে, এআই ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে সেই অংশে বিশেষ কোনও পরিবর্তনই ঘটেনি। সমীক্ষাটি বেশ কিছু দিন ধরে চালানো হয়েছিল। গবেষকেরা জানিয়েছেন, এআই ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে যত দিন গিয়েছে, ততই মস্তিষ্কের ওই অংশগুলি কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। একটা সময়ে নিজেরা কী লিখছেন, তা নিজেরাই মনে করতে পারছিলেন না তাঁরা। গবেষণার শেষ পর্বে রচনাগুলি স্রেফ কপি আর পেস্ট করছিলেন।

অন্য দিকে, এআই বা গুগল সার্চ ইঞ্জিনের কোনও রকম সাহায্য না নেওয়া অংশগ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে হয়েছে একেবারে উল্টো। গবেষণার প্রতি পর্যায়ে তাঁদের মেধা এবং বুদ্ধির প্রয়োগ বেড়েছে। বেড়েছে ভাবনাচিন্তার গভীরতাও।

অংশগ্রহণকারীদের দ্বিতীয় দলের সদস্যরা, যাঁরা গুগল সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নিয়েছিলেন, তাঁদের মস্তিষ্কের সক্রিয়তা ছিল মাঝারি মানের। তাদের লেখা রচনার ধাঁচ খানিকটা এআই ব্যবহারকারীদের মতো হলেও তাঁদের স্মৃতিশক্তি এবং ভাবনাচিন্তা করার ক্ষমতা তাঁদের থেকে বেশি ছিল।

চ্যাটজিপিটি, জেমিনাই বা আরও বহু এআই প্রযুক্তি মানুষের নিত্তনৈমিত্তিক জীবনে একান্ত প্রয়োজনের মতো ঢুকে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে এই গবেষণালব্ধ ফলাফল নিঃসন্দেহে উদ্বেগের কারণ।

তথ্য সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 29 Jun 2025 10:27:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভবিষ্যতের ক্যানভাসে বাংলাদেশে মোশন গ্রাফিক্স]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112458" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112458</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একটা সময় ছিল, যখন ডিজাইন মানেই পোস্টার, ব্যানার বা বিজ্ঞাপন বোর্ডে স্থির কোনো ছবি। কিন্তু এখন? এখন ডিজাইন যেন চলতে শুরু করেছে। কথা বলছে। গল্প বলছে। সেটাই হচ্ছে মোশন গ্রাফিক্স।

দর্শকের মন এখন শুধু দেখায় সীমাবদ্ধ নয়- তারা চায় অনুভব করতে। অনেকগুলো বাক্স ভেঙে গিয়ে লোগো রূপ নেয়, তথ্য ছড়িয়ে পড়ে আলো আর ছায়ার খেলায়, আর একটি সাধারণ দৃশ্য হয়ে ওঠে চমকে দেওয়া অভিজ্ঞতা। এটাই মোশন গ্রাফিক্স- যেখানে নীরবতা ভেঙে ডিজাইন কথা বলে, আর প্রতিটি ফ্রেম হয়ে ওঠে গল্পের একেকটি শব্দ।

বাংলাদেশে অনেকেই হয়তো এখনো ঠিক বুঝে উঠতে পারেননি, কত বড় একটা পরিবর্তন চলে এসেছে মিডিয়া ও ডিজাইন জগতে। মোশন গ্রাফিক্স এখন কেবল টিভি স্ক্রিনেই নয়, আমাদের মোবাইল, ল্যাপটপ এমনকি বিলবোর্ডেও ঢুকে পড়েছে। প্রতিটি কোম্পানি চায়, তাদের মেসেজ যেন ৫ সেকেন্ডেই দর্শকের মনে গেঁথে যায়। সেই জায়গায় মোশন গ্রাফিক্স কাজ করছে এক নির্ভরযোগ্য সৈনিকের মতো।

ঢাকার গলিতে গলিতে এখন অনেক বাসা, ক্যাফে, কো-ওয়ার্কিং স্পেসে বসে তরুণরা বানাচ্ছে ২-৩ সেকেন্ডের অ্যানিমেটেড ভিডিও, যেটা দেখিয়েই কোনো ব্র্যান্ড বিক্রি করে ফেলছে হাজার হাজার ইউনিট পণ্য। অনেকেই কাজ করছেন আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে, কেউ ইউটিউবে নিজের গল্প বলছেন মোশন গ্রাফিক্স দিয়ে। শুধু ডিজাইন জানা নয়- এখন দরকার মুভমেন্ট বোঝা, টাইমিং বোঝা, অনুভব বোঝা।

তবে সমস্যা একটাই- এখনো অনেক শিক্ষার্থী জানেই না এই জগতের ব্যাপারে। হাতে গোনা কয়েকটি ইনস্টিটিউট ছাড়া কোথাও মানসম্মত প্রশিক্ষণ নেই। তাছাড়া যাদের আগ্রহ আছে, তাদের অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না কোথা থেকে শুরু করবেন।

তবে আশার খবর এই যে, দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে। ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক কনটেন্ট, স্টার্টআপের বিজ্ঞাপন-সবখানেই মোশন গ্রাফিক্সের চাহিদা বাড়ছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও আগের চেয়ে অনেক বেশি গ্রাফিক্স-কেন্দ্রিক হয়েছে। এমনকি সংবাদ উপস্থাপনাতেও এখন চলমান গ্রাফিক্স ব্যবহার হচ্ছে।

হয়ত একজন মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট ঢাকার একটি ছোট ঘরে বসেই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্র্যান্ডের জন্য ভিডিও বানাচ্ছেন, আবার কেউ বানাচ্ছেন পরিবেশ নিয়ে সচেতনতামূলক কনটেন্ট, কেউ হয়তো নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শিশুদের শেখাচ্ছেন বর্ণমালা। এই প্রতিটা উদাহরণই বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যতের দিশা দিচ্ছে।

মোশন গ্রাফিক্স আর কল্পনার বিষয় নয়-এটি এখন বাস্তব। এটি একটি শিল্প, একটি পেশা, একটি নতুন যুগের ভাষা। যদি তরুণ প্রজন্ম এটি নিয়ে এগিয়ে আসে, আর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকার পাশে দাঁড়ায়, তাহলে বাংলাদেশে মোশন গ্রাফিক্স শুধু একটি ট্রেন্ড থাকবে না- এটি হবে একটি শিল্পবিপ্লব।

লেখক: ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স), মাছরাঙ্গা টেলিভিশন

ফ্যাকাল্টি, পাথশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া অ্যাকাডেমি

ওয়েবসাইট: www.debasishdas.me

ইমেইল: debasishdas2000@gmail.com

 

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 28 Jun 2025 17:42:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইউটিউব চ্যানেলের জন্য যেসব নিয়ম মানা জরুরি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112407" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112407</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমান সময়ে ব্যক্তিই প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে; অনেকেরই ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল আছে। যেখানে বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট বানিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন এবং ইউটিউবকেই পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। যে কোনো চাকরির তুলনায় ইউটিউবে অনেক বেশি আয় করা সম্ভব।

তাই ইউটিউব চ্যানেল চালানো এবং ভিডিও আপলোড করার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানা জরুরি। সেসব নিয়ম মেনে না চললে ব্যবহারকারীর ইউটিউব চ্যানেল ব্লক পর্যন্ত করে দিতে পারে কর্তৃপক্ষ। জেনে নেওয়া যাক কী কী কারণে আপনার ইউটিউব চ্যানেল নিষিদ্ধ হতে পারে-

কপিরাইট লঙ্ঘন: বারবার এমন কন্টেন্ট (কপি করা) আপলোড করা উচিত নয়, যার জন্য ব্যবহারকারীকে কপিরাইট স্ট্রাইকের মুখে পড়তে হয়। তিন বার কপিরাইট স্ট্রাইক এলে ব্যবহারকারীর চ্যানেল পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

কমিউনিটি গাইডলাইন: ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইনস লঙ্ঘন করে, এমন কন্টেন্ট পোস্ট করলে স্ট্রাইক খেতে হতে পারে। যেমন ধরুন-হেট স্পিচ বা ঘৃণা ছড়ানো, হ্যারাসমেন্ট অথবা ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জ প্রভৃতি। আর বারবার স্ট্রাইক এলে চ্যানেল বন্ধ হয়ে যায়।

ভুল কন্টেন্ট: ব্যবহারকারী যদি এমন কন্টেন্ট আপলোড করেন, যা স্প্যাম অথবা প্রতারণামূলক। এর ফলে ভুল পথে চালিত হতে পারে ভিউয়াররা। কিংবা ব্যবহারকারী যদি এমন ক্লিকবেইট টাইটল অথবা স্প্যাম ডিটেল ব্যবহার করেন, তাহলেও চ্যানেল বন্ধ হতে পারে।

চ্যানেল কপি: ব্যবহারকারী যদি এমন একটি চ্যানেল ক্রিয়েট করলেন, যা অবিকল অন্য ব্যবহারকারীর চ্যানেলের মতো দেখতে। তাহলেও সেই চ্যানেলকে বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।

শিশুরক্ষা আইন লঙ্ঘন: অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বিপজ্জনক, তাদের শোষণ করে কিংবা অনুপযুক্ত পরিস্থিতিতে রাখে, এমন কন্টেন্ট আপলোড করার ফলে চ্যানেলটি অবিলম্বে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

ক্ষতিকর অথবা বিপজ্জনক কাজকর্মের প্রচার: ব্যবহারকারী এমন কন্টেন্ট আপলোড করেন, যা মাদক সেবন, ভুল খাওয়াদাওয়া অথবা নিজস্ব ক্ষতি করার মতো ক্ষতিকর কাজের প্রচার করে। সেক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে তার চ্যানেল।


সাননিউজ/ইউকে

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 22 Jun 2025 08:58:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মেটার নতুন সিদ্ধান্ত; ফেসবুকে থাকছে না ভিডিও!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112370" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112370</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মেটার নতুন সিদ্ধান্ত; ফেসবুকে থাকছে না ভিডিও! ভিডিও কনটেন্টে পরিবর্তন আনছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। পূর্বের আলাদা ভিডিওর পরিবর্তে সব কন্টেন্টই রিলস ফরম্যাটে যুক্ত হবে।

এর ফলে আগের মতো ফেসবুকে ভিডিও কন্টেন্টগুলো পাওয়া যাবে রিলসে। এ ছাড়া, রিলে ৯০ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের যে সীমাবদ্ধতা ছিল, সেই সীমাবদ্ধতা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মেটা।

এর ফলে এখন থেকে আরো দীর্ঘ সময়ের ভিডিও রিল আকারে শেয়ার করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

ফেসবুকে এই পরিবর্তনের পেছনে মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গের সাম্প্রতিক সময়ের মন্তব্যের প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। তিনি জানিয়েছিলেন, ফেসবুককে আগের চেয়ে অনেক বেশি &lsquo;সাংস্কৃতিকভাবে প্রভাবশালী&rsquo; করতে চান এবং আগের সেই &lsquo;ক্ল্যাসিক&rsquo; ফেসবুকে ফিরে যেতে চান।

এ পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়ে সম্প্রতি এক ব্লগ পোস্টে মেটা জানায়, ফেসবুকের &lsquo;ভিডিও&rsquo; ট্যাবের নাম পরিবর্তন করে &lsquo;রিলস&rsquo; রাখা হবে।

তবে এতে ভিডিওর বিষয়বস্তু বা দৈর্ঘ্য অনুযায়ী যেসব ভিডিও সুপারিশ করা হয়, তাতে কোনো পরিবর্তন হবে না।


সাননিউজ/ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Jun 2025 11:30:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[একটানা কত ঘণ্টা এসি চালানো উচিত?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112036" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112036</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে এসি আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এসি ব্যবহার দিন দিন বারছেই। অনেকে আবার নতুন এসি কিনতে চাচ্ছেন। এসি ব্যবহারের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা হচ্ছে বিদ্যুৎ খরচ। তার উপর আবার এসির নানান সমস্যা দেখা দিতেই পারে। যা সার্ভিসিং করাতে বেশ খরচও হয়ে যায়।

অনেকেই সারাদিন অর্থাৎ একটানা ২৪ ঘণ্টাই এসি ছেড়ে রাখেন আবার কেউ ৮ কিংবা ১০ ঘণ্টা ব্যবহার করেন। কিন্তু জানেন কি একটানা বা অনেক সময় ধরে এসি চালানো আপনার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে? কিছু সাধারণ ভুলের কারণে আপনার এসিতে আগুন পর্যন্ত ধরে যেতে পারে এবং বড় কোনো ক্ষতি হতে পারে?

অনেকেই মনে করেন যে, অল্প সময়ের জন্য বাইরে গেলে এসি বন্ধ করার দরকার নেই, যাতে তারা ফিরে এলেও ঘর ঠান্ডা থাকে। কিন্তু এই ধারণা একদম ভুল। একটানা চললে এসি অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে, যা আপনার এসি মেশিনটির স্বাস্থ্যের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এসি চালাতে কত সময় লাগে তা আপনার ঘরের আকার এবং এসির টনেজের উপর নির্ভর করে। ১ টনের এসি (ছোট ঘর) ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা এবং ১.৫ বা ২ টনের এসি (বড় ঘর) ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা একটানা চালানো উচিত। এরপর, এসিকে কিছুটা বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন।

যদি এসি ক্রমাগত চালু রাখা হয়, তাহলে এটি গরম হতে শুরু করে। কম্প্রেসার অতিরিক্ত লোড হয়ে যায়, ভেতরের যন্ত্রাংশ গরম হয়ে যায় আবার বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। আর যদি আপনি মনে করেন যে এসি শুধু একটা মেশিন মাত্র, এটাকে কেন আর আরাম দেওয়ার দরকার, তাহলে কিন্তু খুব ভুল করছেন।

যদি আপনি বিরতি না দিয়ে এসি চালাতে থাকেন লাগাতার, তাহলে এসিটির কম্প্রেসারে আগুন ধরে যেতে পারে আচমকা। এমনকি এসির প্লাস্টিকের বডি গলে যেতে পারে।

একটানা দীর্ঘক্ষণ ও মাত্রাতিরিক্ত এসি চললে তা আগুন লেগে যাওয়ার মতো ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এখানেই শেষ নয়, এসির এই জাতীয় ভুল ব্যবহার গোটা বাড়ির বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার ক্ষতি করতে পারে। তাই মাঝে মাঝে এসি বন্ধ করুন এবং এসি মেশিনটিকে ঠান্ডা হতে একটু সময় দিন।

এই বিপদগুলি এড়াতে আপনার কয়েকটি বিষয় মনে রাখা উচিত। বাইরে বেরোনোর সময় মনে করে এসি বন্ধ করে দিন, সময়ে সময়ে টাইমার সেট করুন যাতে এসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

ঘরটি মোটা পর্দা ইত্যাদি দিয়ে এই গরমের সময় তাপ অন্তরক রাখুন যাতে ঠান্ডা বাইরে না যায়। নিয়মিত এসি সার্ভিস করুন। এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখবেন যে কেবল ঠান্ডা বাতাস পাওয়াই যথেষ্ট নয়, বুদ্ধির সঙ্গে সঠিক নিয়মে এসি চালানোও গুরুত্বপূর্ণ।

যদি আপনি এসি মেশিনটির ব্যবহারের ক্ষেত্রে অসাবধান থাকেন, তাহলে এমন একটা সময় আসতে পারে যখন হয়ত আচমকা আগুন ধরে যেতে পারে।

সাননিইজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 18 May 2025 06:31:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নতুন নিরাপদ রিকশা আনছে বুয়েট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/111808" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/111808</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের একটি দল রিকশার নতুন একটি মডেল তৈরি করেছে। দলের সদস্যরা জানান, এই মডেলের রিকশা হবে সাধারণ রিকশার চেয়ে অনেক নিরাপদ। এটি তৈরিতে বর্তমান ব্যাটারিচালিত রিকশার সমান খরচ পড়বে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) জানিয়েছে, তারা নতুন নকশা বা মডেলের রিকশা ঢাকার রাস্তায় চলাচলের অনুমতি দেবে। পুরোনো রিকশা পর্যায়ক্রমে সড়ক থেকে তুলে নেওয়া হবে।

নতুন রিকশার নকশা করেছে বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. এহসানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের গবেষক দল। অধ্যাপক এহসান জানান, ২০২২ সাল থেকে তিনি বাড়তি নিরাপত্তাযুক্ত রিকশার নকশা করা নিয়ে কাজ করছেন। অতীতে তিনি সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করেছেন। তবে কাজ হয়নি।

ঢাকায় এখন দুই ধরনের রিকশা চলে&mdash; পায়েচালিত বা প্যাডেল ও ব্যাটারিচালিত। সাম্প্রতিককালে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এসব রিকশা নিবন্ধনহীন। চালকের প্রশিক্ষণ নেই। তবে গতি সাধারণ রিকশার চেয়ে বেশি। নিরাপত্তা দুর্বল। ঝুঁকিপূর্ণ এই বাহন ঠেকাতে বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি; বরং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ব্যাটারিচালিত রিকশা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বুয়েটের দলটির নকশা করা রিকশা মূলত রাস্তায় চলাচলকারী ইজিবাইকের মতো। দলের সদস্যরা জানিয়েছেন, রিকশায় ১৬টি বৈশিষ্ট্য যোগ করেছেন। এ ক্ষেত্রে তারা দেশে প্রচলিত ১২ ধরনের ব্যাটারিচালিত রিকশার নিরাপত্তা ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করেছেন।

বুয়েটের দলে আরো ছিলেন বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এ সালাম আকন্দ ও মো. আমান উদ্দীন, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক মো. জিয়াউর রহমান খান এবং গবেষণা প্রকৌশলী হিসেবে ছিলেন মো. আসাদুজ্জামান ও আবদুল আজিজ ভুঁইয়া।

বুয়েটের দলটি জানায়, রিকশার দৈর্ঘ্য হবে তিন দশমিক দুই মিটার, প্রস্থ দেড় মিটার এবং উচ্চতা দুই দশমিক এক মিটার। সব মিলিয়ে আকার হবে এখনকার রিকশার মতোই। রিকশাটি ৩২৫ থেকে ৪২৫ কেজি পর্যন্ত ওজন সহজেই বহন করতে পারবে। তারা জানান, রিকশাটিরন তিনটি চাকায় হাইড্রোলিক ডিস্ক ব্রেক ও বিকল্প পার্কিং ব্রেক সংযোজন করা হয়েছে। ফলে রিকশা নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে।

সাধারণ রিকশায় লুকিং গ্লাস থাকে না। ফলে রিকশাচালককে পেছনে তাকিয়ে দেখতে হয় কোনো যান আসছে কিনা। আবার সাধারণ রিকশায় ইন্ডিকেটর নেই। ফলে রিকশা ডানে অথবা বাঁয়ে মোড় নিলে পেছনের যানবাহনের চালকেরা তা বুঝতে পারেন না; যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করে। নতুন রিকশায় লুকিং গ্লাস ও ইন্ডিকেটর থাকবে।

নতুন রিকশায় ছাউনি ও কাচের উইন্ডশিল্ড থাকবে। ফলে বৃষ্টিতে চালক ও যাত্রীদের ভিজতে হবে না। নতুন রিকশায় কাঠামোর সঙ্গে স্থায়ীভাবে যুক্ত করা হয়েছে হেডলাইট (মূল বাতি), যাতে রাস্তার দৃষ্টিসীমা ঠিক থাকে। নতুন হেডলাইটে হাই বিম, লো বিম ও ডিআরএল (ডে টাইম রানিং ল্যাম্প) যুক্ত করা হয়েছে।

অর্থাৎ এই বাতি চালককে সড়কে চলাচলের সময় দেখতে এবং রিকশাটিকে অন্য যানবাহনের চালকের দৃষ্টিগোচর করতে সহায়তা করবে।

বুয়েটের দলটি নতুন নকশার রিকশা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরিতে খরচ কত হতে পারে, তা জানার জন্য বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা জানতে পেরেছে, দাম হতে পারে দেড় লাখ টাকার আশপাশে।

বুয়েটের দলটি যেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, তাদের একটি বিভাটেক। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, রিকশাটির ব্যাটারির জন্য খরচ হবে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। বাকিটা কাঠামোর খরচ। সব মিলিয়ে দেড় লাখ টাকায় এই রিকশা বিক্রি করা সম্ভব।

সাইদুর রহমান আরো বলেন, ব্যাটারি একবার চার্জ দিলে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরত্ব যেতে পারবে নতুন রিকশা। দেড় বছর পরপর ব্যাটারি পরিবর্তন করা লাগবে। পুরোনো ব্যাটারিগুলো রিসাইকেল (পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী) করা হয়। কোম্পানিগুলো পুরোনো ব্যাটারি আবার কিনে নেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পায়েচালিত রিকশা ঢাকায় ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে। তবে তাতে মোটর লাগিয়ে ৩০ কিলোমিটার গতি ওঠানো হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

বুয়েটের অধ্যাপক মো. এহসান বলেন, পায়েচালিত রিকশার কাঠামো ৩০ কিলোমিটার গতিতে চলার জন্য শক্তিশালী নয়। এটিতে যে ব্রেক ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়, তা সর্বোচ্চ ১০ কিলোমিটার গতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

নতুন রিকশায় সর্বোচ্চ গতি ওঠানো যাবে ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার। তবে এর তিনটি চাকায় হাইড্রোলিক ব্রেক ব্যবহার করার কারণে তা নিরাপদ বলে জানান অধ্যাপক এহসান।

বুয়েটের দলের করা রিকশা রাস্তায় নামাতে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি বলেন, রিকশার চালকের জন্য লাইসেন্স ও রিকশার নিবন্ধনের (রেজিস্ট্রেশন) ব্যবস্থা থাকবে। আমরা খুব দ্রুতই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রিকশাচালকেরা আবেদন করলে আমরা তাঁদের নম্বর প্লেট দেব।

মোহাম্মদ এজাজ আরো বলেন, সরকার নির্ধারণ করে দেবে কোন কোন এলাকায় রিকশা চলতে পারবে। পুরো ঢাকা শহর ঘোরার অনুমতি দেওয়া হবে না। রিকশাভাড়াও সরকার নির্ধারণ করে দেবে।

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 27 Apr 2025 07:12:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ওয়ালটন নিয়ে এলো নতুন ৩ অনলাইন ইউপিএস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/111551" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/111551</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তি-নির্ভর প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন ধরনের অফিস ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ওয়ালটন বাজারে নিয়ে এসেছে নতুন ৩টি অনলাইন ইউপিএস।

আরও পড়ুন: নতুন ফিচার হোয়াটসঅ্যাপে

ওয়ালটনের আর্ক ব্র্যান্ডের নতুন ইউপিএস মডেলগুলো সরাসরি ব্যাটারি ও রেকটিফায়ার থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, যার ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা ভোল্টেজ ওঠানামার কারণে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোতে কোনো প্রভাব পড়ে না। এতে ২২০/২৩০ ভোল্টের স্থিতিশীল আউটপুট নিশ্চিত করা হয়, যা কম্পিউটার, সার্ভার, মেডিকেল যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতির নিরাপত্তা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

ওয়ালটন কম্পিউটারের চিফ বিজনেস অফিসার তৌহিদুর রহমান রাদ বলেন, ওয়ালটনের নতুন এই অনলাইন ইউপিএসগুলো আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি যা গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে তাদের মূল্যবান যন্ত্রপাতি সুরক্ষিত রাখবে। উন্নতমানের ব্যাটারি, নিখুঁত ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ, এলসিডি ডিসপ্লে এবং মাল্টিপল কানেক্টিভিটি অপশনের কারণে এই ইউপিএসগুলো সব ধরনের বাণিজ্যিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য আদর্শ।

তিনি বলেন, ওয়ালটনের নতুন এই ৩ মডেলের অনলাইন ইউপিএসে ১০% বিশেষ ছাড় চলছে। ইউওএন১, ইউওএন২ এবং ইউওএন৩ মডেলের অনলাইন ইউপিএসের রেগুলার মূল্য যথাক্রমে ২৯৭৫০, ৫৪৮৫০ এবং ১৪৫৫০০ টাকা।

ওয়ালটনের নতুন এই অনলাইন ইউপিএস সিরিজ এখন ওয়ালটন প্লাজা ও ওয়ালটনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে কেনা যাবে। প্রতিটি মডেলের সাথেই থাকছে ১ বছরের ওয়ারেন্টি যা গ্রাহকদের জন্য দিচ্ছে ওয়ালটন।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Mar 2025 07:06:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নতুন ফিচার হোয়াটসঅ্যাপে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/111115" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/111115</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: প্রযুক্তির উন্নতিতে অধিকাংশ মানুষই যাবতীয় লেনদেন এখন করেন অনলাইনেই। সেই কথা মাথায় রেখে আগেই পেমেন্ট ফিচার এনেছিল হোয়াটসঅ্যাপ। এবার মিলতে চলেছে বাড়তি সুবিধা।

আরও পড়ুন: ফেসবুক ডাউন

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউপিআই লাইট নামে নতুন ফিচার আনতে চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ। সংস্থার দাবি, এবার লেনদেন হবে আরও সহজ। ছোটখাটো লেনদেনে আর লাগবে না পিন। ফলে আরও কম সময়ে পাঠানো যাবে টাকা। ইতোমধ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে এই ফিচার চালু করা হয়েছে। পরে সবাই এই ফিচারের সুবিধা পাবেন।

এছাড়াও আরও একটি ফিচার আসছে হোয়াটসঅ্যাপে। সেটি হলো অডিও মেসেজ ট্রান্সলেশন। আগেই পরীক্ষামূলকভাবে এই ফিচার চালু হয়েছিল। এবার সবাই এই ফিচারের সুবিধা পাবেন। &lsquo;স্পিচ রেকগনিশন টেকনোলজি&rsquo; ব্যবহার করে অডিও মেসেজ লিখিত টেক্সটের চেহারা দেবে নতুন ফিচার। কেবল ইংরেজি নয়, অন্য ভাষাতেও টেক্সট করা যাবে।

সান নিউজ/এমএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 28 Feb 2025 15:53:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফেসবুক ডাউন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/111061" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/111061</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: ফেসবুক ব্যবহারে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে গেলে Sorry, something went wrong লেখা দেখতে পাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা।

আরও পড়ুন: One UI 7 আপডেট নতুন ফিচার আনছে

শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবহারকারীরা এই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বলে তাদের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করছেন।

ডাউনডিটেক্টর জানিয়েছে, ৬৭ শতাংশ ব্যবহারকারী ফেসবুকের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারছেন না। ৯ শতাংশ ব্যবহারকারী মোবাইল অ্যাপে সমস্যায় পড়েছেন।

তবে এ বিষয়ে প্রাথমিকভাবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 27 Feb 2025 03:21:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[One UI 7 আপডেট নতুন ফিচার আনছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/110987" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/110987</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: Samsung One UI 7 আপডেট শিগগিরই আসছে। যা বেশ কিছু স্মার্টফোনে নতুন ডিজাইন, আরও স্মুথ অ্যানিমেশন এবং উন্নত পারফরম্যান্স নিয়ে আসবে।

আরও পড়ুন: আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর

আপাতত Galaxy S24 সিরিজের বিটা টেস্টাররা এই আপডেট পাচ্ছেন। তবে স্যামসাং ধাপে ধাপে এই আপডেট অন্যান্য ফোনেও রোল আউট করবে।

Samsung এখনও One UI 7-এর নির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রকাশ করেনি, তবে রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৫ সালের দ্বিতীয় কোয়ার্টারে (এপ্রিল-জুন) আপডেটটি আসতে পারে। প্রথমে Galaxy S সিরিজের ডিভাইসগুলো এই আপডেট পাবে, এরপর Z, M, A এবং F সিরিজের ফোনগুলোতে ধাপে ধাপে রোল আউট হবে।

Galaxy S সিরিজ: S24, S24+, S24 Ultra, S24 FE, S23, S23+, S23 Ultra, S23 FE, S22, S22+, S22 Ultra, S21, S21+, S21 Ultra, S21 FE।

Galaxy Z সিরিজ: Fold SE, Fold 6, Flip 6, Fold 5, Flip 5, Fold 4, Flip 4, Fold 3, Flip 3।

Galaxy A সিরিজ: A73, A55, A54, A35, A34, A33, A25, A24, A23, A16 (LTE/5G), A15 (LTE/5G), A14 (LTE/5G), A06, A05s।

Galaxy M সিরিজ: M55, M55s, M54, M53, M35, M34, M33, M15, M14 (LTE/5G), M05।

Galaxy F সিরিজ: F55, F54, F34, F15, F05।

আপনার ফোন এই লিস্টে থাকলে চিন্তার কিছু নেই! শিগগিরই One UI 7 আপডেট আপনার ডিভাইসে আসবে। তবে যদি আপনার ডিভাইস তালিকায় না থাকে, তাহলে অফিসিয়াল রোডম্যাপ প্রকাশ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

সান নিউজ/এএন ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Feb 2025 11:45:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/110415" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/110415</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: নেটওয়ার্ক নেই এমন এলাকায়ও টেক্সট মেসেজ পাঠানো ও গ্রহণ করা যাবে আইফোনে। স্টারলিঙ্কের স্যাটেলাইট প্রযুক্তির সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এই ফিচার সম্ভব হচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রতারণার ফাঁদে প্রযুক্তিকর্মী 

অ্যাপল জানিয়েছে, নতুন আইওএস ১৮.৩ আপডেটের অংশ হিসেবে স্টারলিঙ্কের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে অত্যাধুনিক এই ফিচার সম্ভব হচ্ছে। স্পেসএক্সের ডাইরেক্ট-টু-সেল স্যাটেলাইট পরিষেবা অন্তর্ভুক্ত করা হবে আইফোনে।

বর্তমানে স্পেসএক্সের ডাইরেক্ট-টু-সেল স্যাটেলাইট পরিষেবা বিটা পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। ডিসেম্বরে সাইনআপ শুরু হয়েছে। এই পরিষেবাটি বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড ১৫ ভার্সন সাপোর্টেড কিছু নির্বাচিত স্মার্টফোনের জন্য সম্ভব হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে স্যামসাং জেড ফোল্ড এবং এস২৪ এর মতো মডেলগুলো।

আইফোন ব্যবহারকারীদের কভারেজের বাইরেও পরিষেবা পাওয়ার জন্য আইওএস ১৮.৩ সফটওয়্যার আপডেট করতে হবে। আপডেটটি ডাউনলোড করার পরে ব্যবহারকারীরা তাদের সেলুলার ডেটা সেটিংসে এই বৈশিষ্ট্যটি সক্রিয় করার জন্য একটি অপশন খুঁজে পাবেন। ভবিষ্যতে এই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, ভয়েস এবং ডেটা সংযোগ অন্তর্ভুক্ত করে পরিষেবাটি সম্প্রসারণ করা।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 31 Jan 2025 09:30:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতারণার ফাঁদে প্রযুক্তিকর্মী ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/110014" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/110014</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: অনলাইনে কেনাকাটা থেকে শুরু করে টিকিট বুকিং, ই-ব্যাংকিং সব জায়গায় ফাঁদ পেতে বসে আছে সাইবার অপরাধীরা।

আরও পড়ুন: অ্যালেক্সায় আসছে এআই

এদিকে ভারতে বিভিন্ন মাধ্যমে সাইবার প্রতারণা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এবার বেঙ্গালুরুর এক প্রযুক্তিকর্মী সাইবার প্রতারণার শিকার হয়ে ১১ কোটি টাকা হারিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতারণার শিকার হয়েছেন বিজয় কুমার নামের এক প্রযুক্তিকর্মী। এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রতারক বিজয়কে বলেন, শেয়ার বাজারে তার ৫০ লাখ টাকার বিনিয়োগ রয়েছে।

সেই বিনিয়োগ যে বেড়ে ১২ কোটি হয়েছে। এরপরই পুলিশ, কাস্টমস এবং ইডি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে এক মাস থেকে বিজয় কুমারকে ফোন করতে থাকে প্রতারকেরা। যদিও এক সময় ওই তরুণ বুঝতে পারেন যে তিনি প্রতারিত হয়েছেন। এরপর পুলিশে অভিযোগ জানান তিনি।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 20 Jan 2025 09:37:29 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
