<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/techlife</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/techlife"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews techlife Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest techlife News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 08 Jul 2026 11:48:22 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[অনলাইনে পর্নোগ্রাফির বিস্তার:  উদ্বিগ্ন অভিভাবক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/116064" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/116064</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে ইন্টারনেট এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিক্ষা, বিনোদন ও যোগাযোগের জন্য শিশু-কিশোররাও আগের তুলনায় অনেক বেশি সময় অনলাইনে কাটাচ্ছে। তবে এই সুবিধার পাশাপাশি বয়স-অনুপযোগী ও ক্ষতিকর কনটেন্টে তাদের সহজ প্রবেশাধিকার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে।

বিশেষ করে পর্নোগ্রাফিসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর কনটেন্ট শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অভিভাবকদের ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সন্তানকে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। তারা কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছে, কোন অ্যাপ ব্যবহার করছে এবং প্রতিদিন কত সময় অনলাইনে কাটাচ্ছে&mdash;এসব বিষয়ে পরিবারের সচেতন নজরদারি প্রয়োজন।

একই সঙ্গে সন্তানদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা, পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলা এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের নিয়ম শেখানোও অত্যন্ত জরুরি। এতে শিশুদের মধ্যে দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ গড়ে ওঠে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কনটেন্ট থেকে দূরে থাকার মানসিকতা তৈরি হয়।

মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বয়সের আগেই যৌনধর্মী বা অনুপযুক্ত কনটেন্টের সংস্পর্শে এলে শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক আচরণ এবং পারিবারিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এটি উদ্বেগ, বিভ্রান্তি, আসক্তি কিংবা ভুল ধারণার জন্ম দিতে পারে।

তাই শিশুদের বয়স উপযোগী শিক্ষা এবং পরিবারে খোলামেলা ও ইতিবাচক যোগাযোগের পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

প্রযুক্তির মাধ্যমেই প্রযুক্তির ঝুঁকি কমানো সম্ভব

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও কম্পিউটারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, সেফ সার্চ, স্ক্রিন টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং বয়সভিত্তিক কনটেন্ট ফিল্টার ব্যবহার করলে অনাকাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটে প্রবেশের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।

এছাড়া শিশুদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান বজায় রেখে নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু পরিবারের সচেতনতা যথেষ্ট নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি কোম্পানি, নীতিনির্ধারক সংস্থা এবং সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

তাদের মতে, ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারে উৎসাহিত করাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনলাইন ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখার অন্যতম কার্যকর উপায়।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 11:48:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইন্টারনেটের জনক ভিন্ট সার্ফের অবসর ঘোষণা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115932" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115932</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইন্টারনেটের জনক ও ডিজিটাল বিশ্বের রূপকার ভিন্ট সার্ফ গুগলের &lsquo;চিফ ইন্টারনেট ইভাঞ্জেলিস্ট&rsquo; পদ থেকে অবসর নিতে যাচ্ছেন।

ভিন্ট সার্ফ লাউড ইনস্টিটিউট আয়োজিত &lsquo;ওপেন ফ্রন্টিয়ার&rsquo; কনফারেন্সে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এই ঘোষণা দেন।

প্যাটারসন বলেন, &lsquo;ভিন্ট ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে গুগলে কর্মরত আছেন এবং আজ থেকে ঠিক এক সপ্তাহ পর তিনি অবসরে যাচ্ছেন।&rsquo;

উল্লেখ্য, ৮৩ বছর বয়সি ভিন্ট সার্ফ এবং রবার্ট কান যৌথভাবে এমন কিছু নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল তৈরি করেছিলেন, যা আজকের ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

১৯৭০-এর দশকে শুরু হওয়া &lsquo;টিসিপি/আইপি&rsquo; সংক্রান্ত তাদের এই গবেষণা মূলত বিভিন্ন কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মৌলিক নিয়মাবলী বা স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করে দিয়েছিল।

কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সার্ফ ক্যারিয়ারে একাধিক মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন, যার মধ্যে আমেরিকার সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা &lsquo;প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম&rsquo; এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানের নোবেল খ্যাত &lsquo;টুরিং অ্যাওয়ার্ড&rsquo; অন্যতম।

তিনি ২০০৫ সালে গুগলে যোগ দেন এবং দীর্ঘ সময় ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ ইন্টারনেট ইভাঞ্জেলিস্ট হিসেবে সেখানে দায়িত্ব পালন করেন।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে অধ্যাপক প্যাটারসন ১৯৭০-এর দশকে সার্ফের সঙ্গে তার প্রথম দেখার স্মৃতি রোমন্থন করেন। অনুষ্ঠান চলাকালীন ইউসি বার্কলের অধ্যাপক ডেভ প্যাটারসন কম্পিউটার বিজ্ঞানে সার্ফের সুদীর্ঘ ক্যারিয়ার এবং অসামান্য অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তবে এ বিষয়ে গুগলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিষ্ঠানটির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: সামা টিভি

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 12:55:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা জেনে নিন এই ৪ লক্ষণ দেখে ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115416" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115416</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনগুলোতে সাধারণত একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলেও সাইবার অপরাধীদের নিত্যনতুন কৌশলের কারণে ব্যবহারকারীরা প্রতিনিয়ত ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকর সফটওয়্যারের ঝুঁকির মুখে পড়ছেন।

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলো সাধারণত সুরক্ষিত হলেও ফোন হ্যাক বা সংক্রমিত হয়েছে কিনা, তা বুঝতে ব্যবহারকারীদের সবসময় সতর্ক থাকা উচিত। ম্যালওয়্যার শুধু ফোনের কার্যক্ষমতাই কমায় না, বরং ব্যক্তিগত তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণও ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা, তা বোঝার জন্য ৪টি প্রধান লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো:

১. ফোনের অস্বাভাবিক আচরণ

ম্যালওয়্যার সংক্রমণের অন্যতম সাধারণ লক্ষণ হলো ডিভাইসের অপ্রত্যাশিত আচরণ। যদি আপনার ফোন আপনার অজান্তেই নিজে নিজে টেক্সট মেসেজ পাঠাতে শুরু করে, কাউকে কল দেয়, কোনো অ্যাপ খুলে যায় কিংবা স্ক্রিনে হঠাৎ পপআপ বিজ্ঞাপন ভেসে ওঠে, তবে বুঝতে হবে ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো ক্ষতিকর সফটওয়্যার সচল রয়েছে। এছাড়া ফোনে নিজে থেকে কোনো অপরিচিত অ্যাপ ইনস্টল হয়ে গেলেও সতর্ক হওয়া জরুরি।

২. অনলাইন অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ

সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেইল বা ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখা দিলে বুঝতে হবে আপনার লগইন তথ্য চুরি হয়েছে। যদি আপনার অজান্তেই পাসওয়ার্ড পরিবর্তন হয়ে যায়, অপরিচিত কোনো স্থান থেকে লগইন অ্যালার্ট আসে বা কোনো কার্যক্রম ঘটে, তবে এটি ম্যালওয়্যারের কাজ হতে পারে।

৩. হঠাৎ ডাটা ব্যবহার বেড়ে যাওয়া

মোবাইল ডাটার ব্যবহার হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়াও একটি বড় সতর্কবার্তা। ক্ষতিকর অ্যাপগুলো সাধারণত ব্যাকগ্রাউন্ডে লুকিয়ে থেকে বাইরের সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং তথ্য আপলোড করে। এর ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই প্রচুর ডাটা খরচ হয় এবং ফোনের বিল বেড়ে যেতে পারে।

৪. দ্রুত ব্যাটারি শেষ হওয়া এবং ফোন গরম হওয়া

ভারি কোনো কাজ বা গেম খেলা ছাড়াই যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারি স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত শেষ হতে থাকে কিংবা ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়, তবে ব্যাকগ্রাউন্ডে ম্যালওয়্যার চলার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও পুরনো হার্ডওয়্যারের কারণেও এমনটা হতে পারে, তবে প্রতিনিয়ত এই সমস্যা হওয়া মানে কোনো ক্ষতিকর অ্যাপ ফোনের প্রসেসর ও র&zwj;্যাম ব্যবহার করছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 17 Jun 2026 11:23:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ফেসবুক ডাউন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115270" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115270</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যা থেকে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ব্যবহারে মারাত্মক বিভ্রাট দেখা দিয়েছে।

এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিশ্বের লাখ লাখ ব্যবহারকারী।

ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, কম্পিউটার (ওয়েব) কিংবা মোবাইল অ্যাপ, কোনো সংস্করণ দিয়েই ফেসবুকে লগইন করা যাচ্ছে না। অনেকের সেশন হঠাৎ করেই &lsquo;লগআউট&rsquo; হয়ে যাচ্ছে।

ফেসবুকই ছাড়াও মেটার মালিকানাধীন অন্য প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারেও কোথাও কোথাও সমস্যা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

ওয়েবসাইটের ত্রুটি ও বিভ্রাট নজরদারি করার ওয়েবসাইট &lsquo;ডাউনডিটেক্টর&rsquo;-এর বরাত দিয়ে জানা গেছে, ফেসবুক ব্যবহার করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারীরা।

ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, ফেসবুকে প্রবেশের চেষ্টা করলেই স্ক্রিনে &lsquo;অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে অনুপলব্ধ&rsquo; বার্তা দেখানো হচ্ছে।

আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়াসহ বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলেই এই সমস্যা ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে চলতি এই বিভ্রাট নিয়ে মেটা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 12 Jun 2026 14:05:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শাওমি নিয়ে এলো  ট্রিপল ক্যামেরার ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115238" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115238</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড শাওমি দেশের বাজারে তাদের বহুল প্রতীক্ষিত ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন &lsquo;শাওমি ১৭টি&rsquo; আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়ে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) প্রফেশনাল-গ্রেডের লাইকা ইমেজিং টেকনোলজির সমন্বয়ে তৈরি এই ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসটি &lsquo;দ্য মোমেন্ট বিয়ন্ড সাইট&rsquo; থিমে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উন্মোচন করা হয়।

এই গ্র্যান্ড লঞ্চিং ইভেন্টে দেশের শীর্ষস্থানীয় আইটি সাংবাদিক, টেক রিভিউয়ার, খ্যাতিমান ফটোগ্রাফার ও শাওমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শাওমি ১৭টি স্মার্টফোনে লাইকা পাওয়ারড ৫০ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরাসহ ট্রিপল-ক্যামেরা সিস্টেম, ৬.৫৯ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে, ৬,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের শক্তিশালী সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি ও উন্নত মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটির ৮৫০০-আল্ট্রা প্রসেসর রয়েছে।

এই ডিভাইসের প্রধান আকর্ষণ হলো এর চমৎকার লাইকা-পাওয়ারড ক্যামেরা সিস্টেম। ফোনটির ট্রিপল-ক্যামেরা সেটআপে রয়েছে লাইকা সামিলুক্স অপটিক্যাল লেন্সযুক্ত একটি ৫০ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা। পাশাপাশি, দূরবর্তী যেকোনো অবজেক্টের নিখুঁত ও স্পষ্ট ছবি তোলার জন্য এতে যুক্ত করা হয়েছে ১২০এক্স এআই আল্ট্রা জুম সমর্থিত একটি ৫০ মেগাপিক্সেল লাইকা ৫এক্স টেলিফটো ক্যামেরা। এছাড়াও, সৃজনশীলতার পরিধি আরও বিস্তৃত করতে স্মার্টফোনটিতে বিশেষ &lsquo;লাইভ মোমেন্ট&rsquo; ও &lsquo;স্টেজ মোড&rsquo; ফিচার ব্যবহার করা হয়েছে।

ইমারসিভ ভিউয়িং এক্সপেরিয়েন্স নিশ্চিত করতে শাওমি ১৭টি ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৫৯ ইঞ্চির ১.৫কে অ্যামোলেড ডিসপ্লে, যা ১২০ হার্টজ পর্যন্ত রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে। একইসাথে, ফোনটির ৩,৫০০ নিটস পিক ব্রাইটনেস তীব্র সূর্যালোক বা দিনের আলোতেও একদম স্পষ্ট ও প্রাণবন্ত ভিজ্যুয়াল নিশ্চিত করবে। এছাড়াও, দীর্ঘসময় ব্যবহারের ক্ষেত্রে চোখের ক্লান্তি কমিয়ে স্বস্তিদায়ক স্ক্রিন টাইম নিশ্চিত করতে ডিভাইসটিতে শাওমি ভিশন কেয়ার ও টিইউভি রেইনল্যান্ড-সার্টিফাইড আই কমফোর্ট টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে।

নিরবচ্ছিন্ন ব্যাকআপ নিশ্চিত করতে স্মার্টফোনটিতে ৬,৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা একবার পূর্ণ চার্জে ১.৫৭ দিন পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। এর প্রিমিয়াম স্লিম প্রোফাইল ও নজরকাড়া মাইক্রো-কার্ভড এজ ডিজাইন হ্যান্ডসেটটিকে যেমন আকর্ষণীয় লুক দিয়েছে, তেমনি আইপি৬৮ রেটিংয়ের ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিজট্যান্স এর দীর্ঘস্থায়ী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।

শাওমি ১৭টিতে রয়েছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মিডিয়াটেক ডাইমেনসিটি ৮৫০০-আল্ট্রা প্রসেসর ও শাওমি হাইপারওএস, যা ব্যবহারকারীদের জন্য স্মুথ মাল্টিটাস্কিং, গেমিং ও নিরবচ্ছিন্ন সফটওয়্যারের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, আধুনিক লাইফস্টাইলকে আরও সহজ ও স্মার্ট করতে ডিভাইসটিতে শাওমি হাইপারএআই, গুগল জেমিনি ইন্টিগ্রেশন ও গুগলের &lsquo;সার্কেল টু সার্চ&rsquo;-এর মতো অত্যাধুনিক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, &ldquo;বাংলাদেশের বাজারে আমাদের ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস শাওমি ১৭টি নিয়ে আসতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ক্রেতাদের জন্য নিত্যনতুন প্রিমিয়াম উদ্ভাবন নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতির ক্ষেত্রে এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ডিভাইসের মাধ্যমে আমরা আমাদের ফ্যানদের জন্য শাওমি স্মার্টফোনে লাইকার মতো বিশ্বমানের অত্যাধুনিক ফটোগ্রাফি প্রযুক্তি নিয়ে এসেছি। আগামীতেও ব্যবহারকারীদের প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করতে আমরা আরও বেশ কিছু ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস বাজারে আনার পরিকল্পনা করছি।&rdquo;

প্রযুক্তিপ্রেমী ক্রেতা, ফটোগ্রাফি অনুরাগী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও যারা একটি প্রিমিয়াম স্মার্টফোন খুঁজছেন; তাদের দৈনন্দিন ক্রিয়েটিভিটি, এন্টারটেইনমেন্ট, প্রোডাক্টিভিটি ও কানেক্টিভিটিকে এক সুতোয় বাঁধবে এই শাওমি ১৭টি। এছাড়া, নির্ভরযোগ্য ও হাই-স্পিড কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করতে স্মার্টফোনটিতে ওয়াই-ফাই ৬ই ও ফ্লেক্সিবল ডুয়েল সিম যুক্ত করা হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 11 Jun 2026 12:06:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মঙ্গল গ্রহে পাথরের অদ্ভুত স্তূপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115006" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115006</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মঙ্গল গ্রহকে ঘিরে মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই। এই গ্রহের রুক্ষ ও শুষ্ক মরুভূমির বুকে লুকিয়ে আছে কোটি কোটি বছরের প্রাচীন ইতিহাস, যা জানার জন্য প্রতিনিয়ত গবেষণা চলছে।

সম্প্রতি নাসার পারসিভারেন্স রোভার মঙ্গল গ্রহে অদ্ভুত গঠনের পাথরের সন্ধান পেয়েছে, যা দেখতে একটির ওপর আরেকটি খাড়াভাবে স্তূপ করে রাখা পাথরের মতো। এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই মঙ্গলের ভূতত্ত্ব নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

১৩ মে রোভারের উঁচুতে বসানো অত্যাধুনিক মাস্টক্যাম-জেড ক্যামেরার সাহায্যে তোলা ছবিতে দেখা গেছে, পাথরগুলো এমন সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো রয়েছে, যেন মনে হয় কেউ হাত দিয়ে একটির ওপর আরেকটি স্তূপ করে রেখেছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, লাখ লাখ বছর ধরে তীব্র বাতাস এবং পরিবেশগত প্রতিকূলতার কারণে পাথরগুলোর ক্ষয় হয়েছে। এর ফলে পাথর উপরিভাগ অসম বা আঁকাবাঁকা আকার ধারণ করে সেগুলো একে অপরের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। আসলে এগুলো আলাদা কোনো পাথরের স্তূপ নয়, একটিমাত্র বিশাল পাথর যা কোনো কারণে ভেঙে টুকরা টুকরা হয়ে গেছে। আর মঙ্গলের তীব্র বাতাস লাখ লাখ বছর ধরে এই ভাঙা পাথরগুলোকে এমন অদ্ভুত রূপ দিয়েছে।

প্রাচীনকালে মঙ্গল গ্রহের পরিবেশ আজকের মতো ছিল না। সেই সময়ে এই গ্রহে প্রবহমান নদী বা পানির ধারা, পরিবর্তনশীল আবহাওয়া এবং বিভিন্ন ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া সক্রিয় ছিল। এর আগে নাসার কিউরিওসিটি রোভারের করা বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মঙ্গলের বর্তমান ভূপ্রকৃতি গঠনে সেখানকার তীব্র ও চরম বাতাস প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। সেখানে প্রতিনিয়ত বিশাল বিশাল পাথুরে এলাকাকে ক্ষয় করে চলেছে। মঙ্গলের প্রাচীন নদীতে বা নদীর তলদেশগুলোও একসময় এই বড় বড় পাথরের খণ্ডকে ভাঙতে এবং স্থানান্তরিত করতে সাহায্য করেছিল।

নাসার মঙ্গল মিশন অতীতেও এমন অনেক ছবি পাঠিয়েছে, যা প্রথম দেখায় মানুষকে চমকে দিয়েছিল। রোভারের পাঠানো ছবিতে মঙ্গলের বুকে অদ্ভুত আকৃতির বস্তু, বিচিত্র নকশা এবং ডোরাকাটা পাথর দেখা গেছে।

এসব ছবি ইন্টারনেট&ndash;দুনিয়ায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে অনেকবার। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯৭৬ সালে নাসার ভাইকিং মিশনের সময়। ভাইকিং এমন একটি ছবি পাঠিয়েছিল, যা দেখতে হুবহু মানুষের বিশাল মুখের অবয়বের মতো লাগছিল।

পরবর্তী সময়ে উন্নত প্রযুক্তির ছবিতে প্রমাণিত হয় যে সেটি আসলে একটি সাধারণ পাথরের স্তূপ ছাড়া আর কিছুই ছিল না। পারসিভারেন্স রোভারও এর আগে এমন অনেক ছবি পাঠিয়েছে, যা প্রথম দেখায় অদ্ভুত লাগলেও পরে সাধারণ ভূতাত্ত্বিক গঠন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

মঙ্গল গ্রহের একটি বিশাল অংশ এখনো অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে। পারসিভারেন্সের মতো রোভারগুলোই এখন মঙ্গলের মাটিতে আমাদের গবেষণার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। প্রতিটি ছবি এবং স্ক্যান পৃথিবীতে তথ্য পাঠাচ্ছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মঙ্গলের পরিবর্তনের রহস্য বুঝতে সাহায্য করছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের মস্তিষ্ক যেকোনো অচেনা কাঠামোর মধ্যে পরিচিত কোনো রূপ খোঁজার চেষ্টা করে, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় প্যারেডোলিয়া বলা হয়। কিন্তু প্রকৃতির নিজস্ব প্রকৌশল যে মানুষের কল্পনার চেয়েও নিখুঁত হতে পারে, এই পাথর তারই নমুনা।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 26 May 2026 09:37:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাবার ডায়েরিতে অজানা স্টিফেন হকিং]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115001" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/115001</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের ছাত্রজীবন নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ছিলেন তার বাবা। সম্প্রতি হকিংয়ের বাবার ৬০ বছর পুরানো এক গোপন ডায়েরির কোড বা সংকেত উদ্ধার করা গেছে, যেখানে তিনি আক্ষেপ করে লিখেছিলেন, ছেলের পড়াশোনায় মন নেই এবং সে কোনো উদ্যোগ ছাড়াই অলসভাবে ঘুরে বেড়ায়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান লিখেছে, বিশ্বের জ্যামিতি ও পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণার পথ ধরে স্টিফেন হকিং হয়ে উঠেছিলেন ব্ল্যাক হোল তত্ত্বের জনপ্রিয় পথপ্রদর্শক। তার লেখা তুমুল জনপ্রিয় বই &lsquo;এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম&rsquo; বিশ্বজুড়ে এক কোটি ৩০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে, যা মানুষকে প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে &lsquo;পাখির মতো মাটির দিকে তাকিয়ে না থেকে, আকাশের তারাদের দিকে তাকাতে&rsquo;।

অথচ, হকিংয়ের ছাত্রজীবনে ও তার প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে ওঠার দিনগুলোতে ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ছিলেন তার বাবা ফ্র্যাঙ্ক হকিং।

সম্প্রতি আবিষ্কৃত ও গোপন কোড বা সংকেতে আংশিক লেখা ডায়েরিতে ফ্র্যাঙ্ক লিখেছিলেন, স্টিফেন কোনো উদ্যোগ ছাড়াই অলসভাবে ঘরের মধ্যে ঘুরে বেড়ায় এবং পড়াশোনাতেও তেমন মন নেই।

&lsquo;কোস্টা পুরস্কার&rsquo; পাওয়া জীবনীকার গ্রাহাম ফারমেলো মানুষের জীবন নিয়ে লেখেন ও তিনি একজন পদার্থবিদও। তাকে হকিং পরিবারের সেই ব্যক্তিগত নথিপত্র ও আলোকচিত্রগুলো দেখার নজিরবিহীন সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যেই লুকিয়ে ছিল এসব অজানা ডায়েরি।

&lsquo;জন মারে&rsquo; প্রকাশনা এ সপ্তাহেই ঘোষণা করতে যাচ্ছে, আগামী সেপ্টেম্বরে স্টিফেন হকিংয়ের এস্টেট বা উত্তরাধিকারীর মাধ্যমে অনুমোদিত তার প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ করতে যাচ্ছেন গ্রাহাম ফারমেলো।

তার এ গবেষণার অংশ হিসেবে ফারমেলোকে হকিংয়ের বাবার ডায়েরি থেকে শুরু করে মা ইসোবেলের চিঠিপত্র ও দিনলিপির মতো আগে কখনো সামনে না আসা বহু নথিপত্র দেখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এতকাল যাবত এসব জিনিস সংরক্ষিত ছিল হকিংয়ের বোন মেরির বাড়িতে।

ফারমেলো বলেন, এসব ডায়েরি ও নথিপত্র দেখার সুযোগ পাওয়াটা ছিল সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ও দারুণ এক প্রাপ্তি। স্টিফেন হকিংয়ের জীবনের, বিশেষ করে তার গড়ে ওঠার দিনগুলো এবং কেবল ২১ বছর বয়সে যখন তার মোটর নিউরন রোগ ধরা পড়ে সেসব যন্ত্রণাদায়ক মাসের তথ্যের এক খাঁটি ভাণ্ডার এসব লেখা।

তিনি বলেন, এগুলো হকিংয়ের বড় হয়ে ওঠার দিনগুলো এবং ১৯৬৩ সালের সেই বিধ্বংসী রোগ নির্ণয়ের ক্ষণটিকে &lsquo;স্পষ্ট ও অকপটে&rsquo; ফুটিয়ে তুলেছে। এ মারাত্মক ক্ষয়িষ্ণু রোগটি হকিংকে পরবর্তী সময়ে প্রায় সম্পূর্ণ পঙ্গু করে দিয়েছিল।

চিকিৎসকদের সব পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে (যেখানে বলা হয়েছিল তিনি বড়জোর দুই বছর বাঁচবেন) হকিং ২০১৮ সালে ৭৬ বছর বয়সে মারা যান। ততদিনে কসমোলজি ও তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় যুগান্তকারী কাজ এবং মহাকাশ, সময় ও ব্ল্যাক হোলের রহস্য উন্মোচনের মাধ্যমে তিনি নিজেকে এ সময়ের অন্যতম সেরা ও প্রবাদপ্রতিম বিজ্ঞানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন।

হুইলচেয়ার ব্যবহার শুরুর সময় কেবল কম্পিউটার ও ভয়েস &lsquo;সিন্থেসাইজার&rsquo; বা কৃত্রিম কণ্ঠস্বরের সাহায্যে যোগাযোগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন হকিং। এ সময় তার এসব অর্জন মানুষের কাছে আরও বেশি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে।

হকিং নিজেই বলেন, জীবনকে এত সিরিয়াসলি না নিয়ে এর ভেতরের মজাটা খুঁজে নেওয়া উচিত। ২১ বছর বয়সে আমার সব প্রত্যাশা শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছিল। এরপর থেকে আমি যা কিছু পেয়েছি তার সবই এক একটি বোনাস বা বাড়তি পাওয়া। মনে রেখো, পাখির মতো মাটির দিকে তাকিয়ে না থেকে, আকাশের তারাদের দিকে তাকাবে। যা দেখছ তা বোঝার চেষ্টা করো ও এ মহাবিশ্ব কেন অস্তিত্বশীল তা নিয়ে ভাবো। কৌতুহলী হও। জীবন যতই কঠিন মনে হোক না কেন সবসময়ই এমন কিছু থাকে, যা তুমি করতে পারো ও যাতে সফল হওয়াও সম্ভব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, সহজেই হাল ছেড়ে না দেওয়া।

অথচ, ১৯৬১ সালের দিকে মৌসুমী রোগ বিশেষজ্ঞ ফ্র্যাঙ্ক হকিং নিজের ডায়েরিতে যখন ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে লিখছিলেন তখন কল্পনাতেও ভাবেননি যে তার ছেলে পরবর্তীতে কী অসামান্য সব অর্জন করতে যাচ্ছে।

ফ্র্যাঙ্ক লিখেন, স্টিভেনের দিনকাল যেভাবে কাটছে তা নিয়ে আমরা চিন্তিত। সে কোনো উদ্যোগ ছাড়াই অলসভাবে ঘরের মধ্যে ঘুরে বেড়ায় এবং পড়াশোনাতেও তেমন মন নেই। ইসোবেল (স্টিভেনের মা) বলে, আমার প্রতি ওর এক ধরনের হীনম্মন্যতা কাজ করে, যার কোনো প্রয়োজনই নেই। অক্সফোর্ডে পদার্থবিজ্ঞানের ওপর থেকে ও বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। ওর মনে হচ্ছে বিষয়টি শিল্পকলার চেয়ে নিকৃষ্ট মানের। এমনটা খুবই দুঃখজনক। ওর বয়সে আমার মনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা ছিল, আমি যদি ওর মতো সুযোগ-সুবিধার অর্ধেকও পেতাম তবে আরও অনেক ভালো কিছু করতে পারতাম।

ফ্র্যাঙ্ক টানা ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ডায়েরি লিখেছিলেন এবং এর অনেকগুলো পাতাই তিনি লিখেছিলেন গোপন কোড বা সংকেত ব্যবহার করে।

ফারমেলো সেই কোডের রহস্য উদঘাটন করতে পেরেছেন, যার মাধ্যমে তিনি হকিংয়ের শৈশব, তার অসুস্থতা, দুটি বিয়ে ও একজন বিশ্বমানের পদার্থবিদ হিসেবে তার ক্যারিয়ারের সঙ্গে জড়িত প্রায় দুই লাখেরও বেশি শব্দ অনুবাদ করেছেন।

ফ্র্যাঙ্ক লিখেন, এ দিনলিপিটি গ্রিক লিপিতে লেখা হয়েছে, যাতে সাধারণ গোপন কোড তৈরি করা যায় এবং ব্যক্তিগত প্রাইভেসি রক্ষা সম্ভব হয়। ডায়েরিটি কোনো শত্রুর হাতে বা সহজে কষ্ট পান এমন কাছের মানুষের হাতে পড়ার ঝুঁকি এড়াতে প্রাইভেসি জরুরি। যেহেতু গ্রিক বর্ণমালায় সব ইংরেজি অক্ষর নেই, ফলে নিচে উল্লেখিত বিভিন্ন পরিবর্তন করা হল। এরপর তিনি এইচ, ভি, কিউইউ, ডব্লিউ ও জে অক্ষরের জন্য তৈরি বিভিন্ন কোড যোগ করেছেন।

এসব ডায়েরিতে স্পষ্ট প্রকাশ পেয়েছে, ছেলের ক্রমাগত ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ফ্র্যাঙ্ককে কতটা সংগ্রাম করতে হয়েছিল।

১৯৬৭ সালে ফাঙ্ক লিখেন, স্টিভেনের সঙ্গে সময় কাটানো আমার কাছে এক ধীর ও ভয়ানক অভিজ্ঞতা। সবকিছুই খুব কষ্টদায়কভাবে ধীরগতির ও দীর্ঘায়িত। ওর কথা বলা এতই ধীর ও বোঝা কঠিন যে, কথাবার্তা চালানো খুবই দুষ্কর হয়ে পড়েছে। ওর জন্য আমার খুব কষ্ট হয় এবং ওর জন্য যা কিছু করা সম্ভব আমি করব। তবে ওর সঙ্গে থাকাটা আমি মোটেও উপভোগ করি না।

ফারমেলোর &lsquo;স্ট্রেঞ্জেস্ট ম্যান: দ্য হিডেন লাইফ অফ পল ডিরাক, কোয়ান্টাম জিনিয়াস&rsquo; নামের বইটি ২০০৯ সালে &lsquo;কোস্টা জীবনী&rsquo; ও &lsquo;এলএ টাইমস বুক&rsquo; পুরস্কার জিতেছিলেন। ব্রিটিশ পদার্থবিদ পল ডিরাক ছিলেন হকিংয়ের অন্যতম ব্যক্তিগত আদর্শ।

তার এ নতুন বইটির জন্য ফারমেলো হকিংয়ের পরিবারের সবচেয়ে কাছের সদস্যদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছেন তার দুই বোন মেরি ও ফিলিপা, প্রথম স্ত্রী জেন ও তিন সন্তান রবার্ট, লুসি ও টিম।

&lsquo;হকিং&rsquo; শিরোনামের এ জীবনীগ্রন্থটি আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর &lsquo;জন মারে&rsquo; প্রকাশনা থেকে প্রকাশ পাবে, যাকে তারা &lsquo;অনন্য এক জীবন ও মেধার চূড়ান্ত প্রতিকৃতি&rsquo; হিসেবে বর্ণনা করেছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 26 May 2026 07:39:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া আগেই শনাক্ত করবে এআই]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114877" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114877</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি আরও জটিল এক ক্ষেত্রে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে, সেটি আগে থেকেই শনাক্ত করতে সক্ষম একাধিক এআই মডেল তৈরির কাজ শুরু করেছে মেটা। মেটার এ গবেষণা মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও তথ্যের নিরাপত্তায় নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সম্প্রতি &lsquo;কোর মেমোরি&rsquo; পডকাস্টে মেটার প্রধান এআই কর্মকর্তা আলেকজান্ডার ওয়াংয়ে জানান, মেটা একাধিক এআই মডেল নিয়ে কাজ করছে, যা মানুষের মস্তিষ্ক ছবি, ভিডিও বা শব্দের প্রতি কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে, তা আগে থেকেই অনুমান করতে পারবে। সহজভাবে বললে, ভবিষ্যতের এআই মানুষের আবেগ, অনুভূতি কিংবা মানসিক প্রতিক্রিয়া বোঝার সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে।

&lsquo;ফাউন্ডেশন মডেলস ফর ব্রেন প্রেডিকশন&rsquo; নামের এআই মডেলগুলো মানুষের মস্তিষ্কের কাজের ধরন বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া অনুমান করার চেষ্টা করবে। নতুন এই প্রযুক্তি এআই সক্ষমতার ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।

মেটার এই উদ্যোগ প্রযুক্তিবিশ্বে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। কারণ, এখন পর্যন্ত এআই ব্যবস্থাগুলো মূলত ব্যবহারকারীর আচরণগত তথ্য বিশ্লেষণ করে কাজ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের প্রযুক্তি ভবিষ্যতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কার্যপ্রণালিতেও বড় পরিবর্তন আনতে পারে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ভিডিও প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট ব্যবহারের ইতিহাস, লাইক, সার্চ বা অনলাইন কার্যক্রম বিশ্লেষণ করে আধেয় বা কনটেন্ট প্রদর্শন করে থাকে। কিন্তু মস্তিষ্কভিত্তিক প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ প্রযুক্তি উন্নত হলে ভবিষ্যতে আচরণগত তথ্য ছাড়াই ব্যবহারকারীর প্রতিক্রিয়া অনুমান করতে পারবে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।

প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, এ ধরনের প্রযুক্তি স্বাস্থ্যসেবা, স্নায়ুবিজ্ঞান গবেষণা, সহায়ক যোগাযোগব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কথা বলতে অক্ষম ব্যক্তি বা স্নায়ুবিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের সহায়তায় ভবিষ্যতে এসব প্রযুক্তি কার্যকর হতে পারে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 18 May 2026 17:10:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সবচেয়ে বড় রকেট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে স্পেসএক্স]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114857" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114857</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এহাকাশ বিজ্ঞানে নতুন এক ইতিহাস তৈরি হতে যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহে ইতিহাসের সবচেয়ে উঁচু ও শক্তিশালী রকেট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে স্পেসএক্স। মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের তৈরি স্টারশিপ রকেটের একটি ব্যাপক উন্নত সংস্করণ মহাকাশে পাঠাবে। সবকিছু ঠিক থাকলে ১৯ মে এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অবস্থিত স্পেসএক্সের স্টারবেজ উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে রকেটটি ওড়ানো হবে।

এই অভিযানের দিকে কড়া নজর রাখছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০২৮ সালের মধ্যে আবারও চাঁদে মানুষ পাঠানোর যে পরিকল্পনা নাসা হাতে নিয়েছে, তা অনেকটাই এই স্টারশিপ রকেটের সাফল্যের ওপর নির্ভরশীল। স্টারশিপ রকেটের মূলত দুটি অংশ রয়েছে। এর ওপরের অংশটিকে বলা হয় স্টারশিপ। আর নিচের অংশটির নাম সুপার হেভি। এবারের অভিযানে দুই অংশেরই সম্পূর্ণ নতুন সংস্করণ ভার্সন ৩ ব্যবহার করা হচ্ছে।

পুরো রকেটটির মোট উচ্চতা হবে ১২৪ মিটার। এটি স্পেসএক্সের আগের সংস্করণের চেয়ে প্রায় এক মিটার বেশি উঁচু। এই উচ্চতা নাসার বর্তমান স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেটের চেয়ে অনেক বেশি। এমনকি ১৯৬০ ও ৭০-এর দশকে চাঁদে নভোচারী পাঠানো বিখ্যাত স্যাটার্ন ৫ রকেটের (১১১ মিটার) উচ্চতাকেও এটি ছাড়িয়ে গেছে। স্যাটার্ন ৫ রকেটের উচ্চতা ছিল ১১১ মিটার।

রকেটটির শক্তিও বিস্ময়কর। উৎক্ষেপণের সময় এটি ৭৫ হাজার কিলোনিউটন ধাক্কা তৈরি করতে পারবে। এটি নাসার এসএলএস রকেটের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ শক্তিশালী। যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যালিস্টারের হিসাব অনুযায়ী, এই রকেটের সব ইঞ্জিন যখন পূর্ণ শক্তিতে চালু হবে, তখন তা জার্মানির পুরো দেশের উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের চেয়ে বেশি শক্তি তৈরি করবে।

গত বছরের অক্টোবরে স্টারশিপের একাদশ পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। এর পর থেকে রকেটের নকশায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে স্পেসএক্স। এবারের দ্বাদশ পরীক্ষায় রকেটের দুই অংশেই র&zwnj;্যাপ্টর ভার্সন ৩ ইঞ্জিন ব্যবহার করা হচ্ছে। রকেটের সুপার হেভি অংশে গ্রিড ফিনের সংখ্যা চার থেকে কমিয়ে তিন করা হয়েছে। তবে এগুলোর আকার প্রায় ৫০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এই ফিনগুলো রকেটটিকে বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে আবার পৃথিবীতে নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। অন্যদিকে স্টারশিপ অংশে বড় জ্বালানি ট্যাংক, কক্ষপথে জ্বালানি ভরার প্রযুক্তি ও বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় উত্তাপ প্রতিরোধী উন্নত টাইলস যুক্ত করা হয়েছে।

স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের মূল লক্ষ্য হলো এই রকেটের মাধ্যমে একদিন মঙ্গলে মানুষ পাঠানো। তবে আপাতত নাসার আর্টেমিস চন্দ্রাভিযানের জন্য এটি একটি বড় ভরসা। নাসা চাঁদে মানুষ নামানোর জন্য স্পেসএক্সের এই স্টারশিপ ও জেফ বেজোসের ব্লু অরিজিনের দুটি প্রতিষ্ঠানের ল্যান্ডার নির্বাচন করেছে। নাসার একটি সাম্প্রতিক নথি থেকে জানা গেছে, ২০২৮ সালের আর্টেমিস-৪ অভিযানে নভোচারীরা প্রথমে নাসার এসএলএস রকেটে চড়ে মহাকাশে যাবেন। পরে সেখানে স্পেসএক্স বা ব্লু অরিজিনের ল্যান্ডারের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তাঁরা চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবেন।

স্পেসএক্স মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে একটি বিশেষ কৌশল অনুসরণ করছে। একে বলা হয় দ্রুত ব্যর্থ হও, দ্রুত শেখো। সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তি বিশ্বে এই কৌশল খুব জনপ্রিয়। এর আগের ১১টি পরীক্ষার মধ্যে ছয়টি সফল ও পাঁচটি ব্যর্থ হয়েছে। লন্ডনের কিংস্টন ইউনিভার্সিটির গবেষক পিটার শ বলেন, রকেটবিজ্ঞান অত্যন্ত জটিল। এখানে ব্যর্থতা আসবেই। তবে স্পেসএক্স প্রতিটি ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়। আরও কয়েকবার ব্যর্থ হলেও তারা নতুনভাবে সিস্টেম তৈরি করবে এবং সফল হবে। এবারের পরীক্ষাটি প্রোটোটাইপ বা প্রাথমিক নমুনা নয়। এটি মূলত চূড়ান্ত উৎপাদন মডেলের প্রথম পরীক্ষা। এখন বড় চ্যালেঞ্জ হলো এই বিশাল প্রযুক্তিকে নির্ভরযোগ্য করে তোলা।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 17:23:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চীনের সড়কে ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে রোবট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114811" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114811</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রোবট প্রযুক্তির উন্নয়নে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে চীন। সম্প্রতি দেশটির পূর্বাঞ্চলের জেজিয়াং প্রদেশের হাংঝৌয়ের হুবিন বাণিজ্যিক এলাকাসহ কয়েকটি এলাকায় মানবসদৃশ রোবটকে সড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা গেছে।

চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার খবরে বলা হয়, হাংঝৌ শহরের দর্শনীয় এলাকা ওয়েস্ট লেক, হুবিন বাণিজ্যিক এলাকা এবং শহরের প্রধান প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য ১৫টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক রোবট মোতায়েন করা হয়েছে। রোবটগুলো পর্যটকদের পথ দেখানো, মোটরচালিত নয় এমন যানবাহন ও পথচারীদের ট্রাফিক নিয়ম ভঙ্গ করা থেকে বিরত রাখা এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের মতো কাজ করছে।

চীনে এটাই রোবট ট্রাফিক পুলিশের প্রথম দল, যেগুলোকে সড়কে মোতায়েন করা হয়েছে। সেগুলো একজন সত্যিকারের ট্রাফিক পুলিশের মতো দায়িত্ব পালন করছে।

রোবটগুলো একটি ছোট্ট গাড়ির মতো দেখতে চারকোনা বাক্সের ওপর দাঁড়ানো, সেটির নিচে চাকা রয়েছে। ফলে রোবটগুলো সহজেই সব দিকে যেতে পারে। রোবটের ইউনিফর্মের রংও অত্যন্ত দৃশ্যমান, একনজরেই চোখে পড়ে।

সেগুলো মানুষ ট্রাফিক পুলিশের নিখুঁত অনুকরণে অঙ্গভঙ্গি করে, ফলে গাড়িচালকেরা সহজেই নির্দেশনা বুঝতে পারেন। রোবটগুলো হাত তোলা, থামার সংকেত, এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশসহ সবই এমন নিখুঁতভাবে করে, যা সবচেয়ে নিবেদিত মানব ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তার পক্ষেও টানা আট ঘণ্টা ধরে করে যাওয়া কঠিন।

সড়কে দায়িত্ব পালন শুরু করার পর রোবটগুলো দ্রুতই দর্শনার্থীদের মনযোগ আকর্ষণ করেছে। অনেকেই থেমে রোবটের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও তুলতে শুরু করেছেন। এটা কিছুটা বিদ্রূপাত্মকও বটে। কারণ, রোবটের কাজ হলো যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, কিন্তু উল্টো এটিকে ঘিরে বিস্মিত দর্শকদের ছোট ছোট ভিড় তৈরি হচ্ছে।

তবে হাংঝৌর মানব ট্রাফিক পুলিশরা নিজেদের এই নতুন সহকর্মীদের বেশ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। রোদ-বৃষ্টি, দূষণ আর হর্নের শব্দের মধ্যেও ক্লান্ত না হয়ে সব সময় &lsquo;হাসিমুখে&rsquo; দাঁড়িয়ে থাকতে পারার মতো একজন সহকারীকে পেয়ে তারা উৎফুল্ল।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 15 May 2026 08:03:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২৭টি সম্ভাব্য নতুন গ্রহের সন্ধান পাওয়ার দাবি বিজ্ঞানীদের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114697" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114697</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মহাবিশ্বে একটিমাত্র নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করা ছয় হাজারের বেশি গ্রহ আবিষ্কার করা হলেও দুটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করা গ্রহ আবিষ্কার হয়েছে মাত্র ১৮টি। তবে এবার দুটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করা ২৭টি সম্ভাব্য নতুন গ্রহের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের বিজ্ঞানীরা।

সন্ধান পাওয়া গ্রহগুলো পৃথিবী থেকে ৬৫০ থেকে ১৮ হাজার আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত বলে জানিয়েছেন তারা।

ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলসের বিজ্ঞানী বেন মন্টেট বলেন, জ্যোতির্বিজ্ঞানের অনেক কিছুই খুব সহজে অনুমেয় নয়। যখন এই গ্রহগুলো নক্ষত্রের সামনে দিয়ে যায়, তখন নক্ষত্রের পৃষ্ঠে ছায়া পড়ে এবং উজ্জ্বলতা কমে যায়, যা দেখে গ্রহের উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়। কিন্তু এটি কেবল তখনই সম্ভব, যখন পৃথিবী থেকে আমাদের দেখার রেখার সঙ্গে নক্ষত্র ও গ্রহের অবস্থান পুরোপুরি একই সমান্তরালে থাকে। ফলে অনেক গ্রহ নজর এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

মার্গো থর্নটন আরও বলেন, দুটি নক্ষত্রের ঘূর্ণন এবং মহাকর্ষীয় টানের মতো অন্য বিষয়গুলো বাদ দেওয়ার পর এক হাজার ৫৯০টি নক্ষত্রব্যবস্থার মধ্যে ৩৬টিতে এমন ব্যবস্থা খুঁজে পাওয়া গেছে, যাদের আচরণ কেবল একটি তৃতীয় বস্তুর উপস্থিতির মাধ্যমেই ব্যাখ্যা করা সম্ভব। এই ৩৬টির মধ্যে ২৭টি বস্তুর ভর একটি গ্রহের ভরের সমান হওয়া সম্ভব। তবে সেগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেওয়া জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন।

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, মহাবিশ্বের অর্ধেকের বেশি নক্ষত্র বাইনারি বা একাধিক নক্ষত্রব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিদ্যমান। সম্ভাব্য গ্রহগুলো নেপচুনের সমান বা বৃহস্পতির চেয়ে দশ গুণ পর্যন্ত ভারী হতে পারে। নাসার ট্রানজিটিং এক্সোপ্ল্যানেট সার্ভে স্যাটেলাইটের তথ্য ব্যবহার করে গ্রহগুলো শনাক্ত করা হয়েছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 06:00:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মানবাকৃতির রোবট ভিক্ষু ‘গাবি’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114669" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114669</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রযুক্তির বিস্তার ঘটছে এখন সব শাখায়। তা শুধু গবেষণাগার, শিল্পকারখানা বা দৈনন্দিন সেবায় সীমাবদ্ধ নেই; ধীরে ধীরে তা প্রবেশ করছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিসরেও। সেই পরিবর্তনেরই নতুন উদাহরণ দেখা গেল দক্ষিণ কোরিয়ায়। দেশটিতে প্রথমবারের মতো আত্মপ্রকাশ করেছে মানবাকৃতির রোবট ভিক্ষু &lsquo;গাবি&rsquo;। বুধবার সিউলের যোগে মন্দিরে রোবট ভিক্ষুটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য কোরিয়া টাইমস জানিয়েছে, বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে সিউলের যোগে মন্দিরে আয়োজিত বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেয় গাবি। প্রায় ১৩০ সেন্টিমিটার উচ্চতার রোবটটি চীনের ইউনিট্রি জি ১ প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে গাবির পরনে ছিল ধূসর ও বাদামি রঙের ঐতিহ্যবাহী বৌদ্ধভিক্ষুর পোশাক। অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের বিভিন্ন ধাপ অনুসরণ করতে দেখা গেছে রোবটটিকে।

দ্য কোরিয়া টাইমসের তথ্যমতে, গাবি নামটি সিদ্ধার্থের নাম এবং কোরীয় ভাষায় &lsquo;করুণা&rsquo; শব্দের ভাবার্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানের আয়োজক যোগে অর্ডার জানিয়েছেন, তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে বৌদ্ধধর্মের সংযোগ আরও জোরদার করা এবং মন্দিরগুলোতে সন্ন্যাসীর ক্রমবর্ধমান সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আয়োজকদের আশা, প্রযুক্তিনির্ভর এ উদ্যোগ তরুণদের কাছে ধর্মীয় চর্চাকে নতুনভাবে উপস্থাপন করতে সহায়তা করবে। ভবিষ্যতে বুদ্ধপূর্ণিমার শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনে সম্মানসূচক সদস্য হিসেবে গাবিকে অংশ নিতে দেখা যেতে পারে।

বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়ছে মানবাকৃতির রোবটের ব্যবহার। একসময় পরীক্ষামূলক প্রযুক্তি হিসেবে বিবেচিত হলেও এখন এসব রোবটকে দেখা যাচ্ছে ক্রীড়া, উৎপাদনশিল্প, জনসেবা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে। বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী মানবাকৃতির রোবটের বাজার তিন হাজার ৮০০ কোটি ডলারে পৌঁছাতে পারে। উৎপাদনশিল্প, সরবরাহব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ও সেবা খাতে এসব রোবট ব্যবহারের সম্ভাবনা দ্রুত বাড়ছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 17:22:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌরজগতের প্রান্তে মহাজাগতিক বস্তুতে আছে বায়ুমণ্ডল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114649" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114649</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সৌরজগতের সুদূর প্রান্তে, নেপচুন গ্রহের সীমানা যেখানে শেষ, সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে অসংখ্য বরফশীতল ও নির্জন সব মহাজাগতিক বস্তু। এতদিন ধারণা ছিল, এসব বস্তুর মধ্যে কেবল বামন গ্রহ প্লুটোরই বায়ুমণ্ডল রয়েছে। তবে এখন সেই ধারণা বদলে গেছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ওই অঞ্চলে এমন এক নতুন বস্তুর সন্ধান পেয়েছেন যার নিজস্ব বায়ুমণ্ডল আছে, তবে তা খুব পাতলা। প্রায় ৫০০ কিলোমিটার ব্যাসের এ বস্তুটির আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।

এ আবিষ্কার থেকে ইঙ্গিত মেলে, মহাকাশের এসব নিঃসঙ্গ ও হিমশীতল বস্তু বিজ্ঞানীদের ধারণার চেয়ে বেশি প্রাণবন্ত বা সক্রিয় হতে পারে। গবেষকরা এখন খতিয়ে দেখছেন, ঠিক কোন রহস্যময় কারণে সেখানে বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব তৈরি হলো।

নেপচুনের কক্ষপথের বাইরের এসব বস্তুকে বলা হচ্ছে &lsquo;ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অবজেক্ট&rsquo;। নতুন করে আলোচনায় আসা এ বস্তুটির নাম &lsquo;২০০২ এক্সভি৯৩&rsquo;, যা সূর্য থেকে প্রায় প্লুটোর সমান দূরত্ব বজায় রেখে মহাকাশে আবর্তন করছে।

নতুন বস্তুটি আকারে ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অঞ্চলের সবচেয়ে বড় দুটি বস্তু প্লুটো ও এরিসের চেয়ে ছোট। প্লুটোর ব্যস ২ হাজার ৩৭০ কিলোমিটার ও এরিসের ব্যাস প্রায় ২ হাজার ৩২৬ কিলোমিটার। প্লুটো ও এরিস বামন গ্রহ হিসেবে বিবেচিত।

গবেষণায় দেখা গেছে, বস্তুটির বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর শক্তিশালী বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৫০ লাখ থেকে এক কোটি ভাগের এক ভাগ ঘন। প্লুটোর হালকা বায়ুমণ্ডলের চেয়েও এর ঘনত্ব প্রায় ৫০ থেকে ১০০ ভাগের এক ভাগ।

গবেষকরা বলেছেন, এ ক্ষুদ্র বায়ুমণ্ডলে মিথেন, নাইট্রোজেন বা কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসের প্রধান্য থাকতে পারে।

জাপানের &lsquo;ন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি&rsquo;র প্রভাষক ও এ গবেষণার প্রধান লেখক জ্যোতির্বিজ্ঞানী কো আরিমাৎসু বলেছেন, আবিষ্কারটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, সৌরজগতের প্রান্তের এসব ছোট বরফশীতল বস্তু আমাদের আগের ধারণার মতো সম্পূর্ণ নিথর বা অপরিবর্তনীয় নয়।

গত সোমবার গবেষণাটি প্রকাশ পেয়েছে বিজ্ঞান সাময়িকী &lsquo;নেচার অ্যাস্ট্রোনমি&rsquo;তে।

জাপানের &lsquo;কিয়োটো সাঙ্গিও ইউনিভার্সিটি&rsquo;র &lsquo;কোয়ামা স্পেস সায়েন্স ইনস্টিটিউট&rsquo; এর পরিচালক ও এ গবেষণার অন্যতম লেখক জ্যোতির্বিজ্ঞানী জুনিচি ওয়াতানাবে বলেছেন, সাধারণত ধারণা করা হতো, এত ক্ষুদ্র বস্তুতে বায়ুমণ্ডল থাকা সম্ভব নয়। তবে মহাকাশের অতি দূরবর্তী ও হিমশীতল জগতেও এমন কিছু সক্রিয়তা বা গতিশীলতা আছে, যা আমরা আগে কল্পনাও করতে পারিনি&Ntilde; এ আবিষ্কার সেটিই প্রমাণ করেছে।

গবেষকরা এ বায়ুমণ্ডলের উপস্থিতির পেছনে দুটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাদের মতে, সম্ভবত এটি স্থায়ী এক বায়ুমণ্ডল, যা কোনো &lsquo;ক্রায়োভলকানিজম&rsquo; বা বরফ-আগ্নেয়গিরি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে টিকে আছে, অর্থাৎ বস্তুটির পৃষ্ঠের ফাটল দিয়ে এর ভিতর থেকে গ্যাস চুঁইয়ে বের হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিজ্ঞানী আরিমাৎসু বলেন, বস্তুটি পৃথিবীর আগ্নেয়গিরির মতো তপ্ত লাভা বা গলিত পাথর উদগীরণ করে না। এটি শীতল ও বরফ-জগতের এক ভিন্ন রূপ, যেখানে উদ্বায়ী গ্যাস ও বরফ নির্গত হয়।

বিকল্প ব্যাখ্যা হিসেবে গবেষকরা বলছেন, বায়ুমণ্ডলটি সাময়িকও হতে পারে। সম্ভবত সাম্প্রতিক সময়ে অন্য কোনো ছোট মহাজাগতিক বস্তু একে আঘাত করার ফলে নির্গত গ্যাসের মাধ্যমে এ বায়ুমণ্ডল তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞানী আরিমাৎসু বলেছেন, এ বায়ুমণ্ডল যদি কোনো সংঘর্ষের ফলে তৈরি হয়ে থাকে তবে আগামী কয়েক বছর বা দশকের মধ্যে তা মিলিয়ে যেতে পারে। তবে দীর্ঘকাল টিকে থাকলে বা ঋতুভেদে এর পরিবর্তন ঘটলে বুঝতে হবে বস্তুটির ভেতর থেকেই নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।

জাপানের কিয়োটো, নাগানো ও ফুকুশিমায় অবস্থিত শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। তারা &lsquo;স্টেলার অকুলেশন&rsquo; বা তারা-আড়াল হওয়ার ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করেছেন।

&lsquo;অকাল্টেশন&rsquo; এমন এক ঘটনা, যেটি পৃথিবীর সাপেক্ষে কোনো মহাজাগতিক বস্তু একটি দূরবর্তী তারার সামনে দিয়ে অতিক্রম করে এবং সাময়িকভাবে সেই তারার আলো আড়াল করে দেওয়ার বিষয়। এ সময় পেছনের তারাটি থেকে আসা আলোর পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানীরা ওই বস্তুটির আকার ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করতে পারেন।

নেপচুনের ওপারে &lsquo;কাইপার বেল্ট&rsquo; নামে পরিচিত এক বিশাল অঞ্চলে এ বস্তুটির অবস্থান। ধারণা করা হয়, এ বেল্ট প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে সৌরজগতের জন্মলগ্নে তৈরি হয়েছিল। সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে এর সময় লাগে প্রায় ২৪৭ বছর।

গবেষকরা বলেছেন, কাইপার বেল্ট বরফ, পাথর ও জৈব পদার্থওয়ালা উপাদান দিয়ে গঠিত। পর্যবেক্ষণের সময় তা সূর্য থেকে প্রায় ৫৫০ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল।

এ দূরত্ব পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের প্রায় ৩৭ গুণ, যাকে বিজ্ঞানের ভাষায় ৩৭ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট বা এইউ বলে। সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৩৯ দশমিক ছয় এইউ, যা কক্ষপথের সবচেয়ে কাছের বিন্দুতে ৩৪ দশমিক ছয় এইউ ও সবচেয়ে দূরের বিন্দুতে ৪৪ দশমিক ছয় এইউ দূরত্বে থাকে।

গবেষকরা বরছেন, বস্তুটির বর্তমান নাম &lsquo;২০০২ এক্সভি৯৩&rsquo; মনে রাখা বেশ কঠিন।

বিজ্ঞানী আরিমাৎসু বলেন, আমাদের দলের মধ্যে আমরা সাধারণত একে &lsquo;এক্সভি৯৩&rsquo; বলে ডাকি, যা কাজের জন্য সুবিধাজনক হলেও খুব একটা আকর্ষণীয় নয়। ব্যক্তিগতভাবে আমি যেহেতু ওকিনাওয়ার ইশিগাকিজিমা জ্যোতির্বিজ্ঞান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে কাজ করি ফলে ভবিষ্যতে ওকিনাওয়ার কোনো পৌরাণিক চরিত্রের নামে, যেমন সৃষ্টিলগ্নের দেবী &lsquo;আমামিকিউ&rsquo; নামে এর নামকরণ করা হলে আমি খুব খুশি হব। তবে নামকরণের আনুষ্ঠানিক বিষয়টি আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়নের নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 May 2026 17:27:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বৃষ্টিতে ভেজার বিস্ময়কর উপকারিতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114631" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114631</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্বতন্ত্র ঘ্রাণ থেকে শুরু করে বৃষ্টির পানি থেকে নির্গত আয়ন মানুষের শরীরের ওপর বেশ কিছু প্রভাব ফেলে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, বৃষ্টির সঙ্গে মেজাজ বা মুড পরিবর্তনের সংযোগ রয়েছে। বৃষ্টির উপকারিতা কেবল মেজাজ ভালো করাতেই সীমাবদ্ধ নয়। বৃষ্টি বাতাস থেকে ক্ষতিকারক উপাদান সরিয়ে দেয় এবং এর ঘ্রাণ মানুষের স্মৃতিশক্তিকেও প্রখর করতে পারে।

বৃষ্টির পানির ফোঁটা যখন একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খায় বা কোনো তলে আঘাত করে ভেঙে যায়, তখন নেগেটিভ আয়ন তৈরি হয়। এগুলো মস্তিষ্কে সেরোটোনিন এবং আলফা ওয়েভ বাড়িয়ে দেয়, যা মানুষকে আনন্দিত ও শিথিল বোধ করতে সাহায্য করে।

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার বিজ্ঞানী প্যাম ডাল্টন বলেন, নেগেটিভ আয়ন কীভাবে মেজাজ বা ক্লান্তি পরিবর্তন করে তা নিয়ে এখনো অনেক গবেষণা প্রয়োজন। তবে ১৯৫৫ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সিজনাল এফেক্টিভ ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীরা যখন উচ্চ ভোল্টেজের আয়োনাইজার ব্যবহার করেছেন, তখন তাদের উপসর্গে বড় ধরনের উন্নতি দেখা গেছে।

বৃষ্টির পানির আয়ন বাতাস থেকে ধূলিকণা, দূষণ এবং অ্যালার্জেন দূর করতে সাহায্য করে, ফলে শ্বাস নেওয়া সহজ হয়। বাতাসের মান ভালো হওয়া মানেই উদ্বেগ কমে আসা।

পারডু ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড্যান সিজকো বলেন, বৃষ্টির ফোঁটা পড়ার সময় তারা বাতাসের ক্ষুদ্র কণাগুলোকে অনেকটা ঝাড়ু দেওয়ার মতো পরিষ্কার করে ফেলে। বৃষ্টির তীব্রতা যত বেশি হয়, বাতাস তত বেশি পরিষ্কার হয়।

বৃষ্টির পর মাটি থেকে যে সোঁদা গন্ধ বের হয়, তাকে বলা হয় পেট্রিকোর। বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, প্রাচীনকালে পেট্রিকোর মানেই ছিল সুপেয় পানির প্রাচুর্য, যা আমাদের পূর্বপুরুষদের নিরাপদ ও শান্ত বোধ করাত।

প্যাম ডাল্টন জানান, যেকোনো ঘ্রাণ মস্তিষ্কের অ্যামিগডালাকে সক্রিয় করতে পারে, যা আবেগ এবং স্মৃতির জন্য দায়ী। এ কারণেই বৃষ্টির ঘ্রাণ অনেক সময় পুরোনো কোনো স্মৃতিকে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে মনে করিয়ে দেয়।

বৃষ্টির শব্দ আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল করে। ক্লিনিক্যাল অডিওলজিস্ট অ্যামি সারো বলেন, পানির শব্দ আমাদের প্যারাসিমপ্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে সক্রিয় করে, যা বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সঙ্গে জড়িত। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৪০ থেকে ৫০ ডেসিবেল মাত্রার বৃষ্টির শব্দ মানসিক চাপ ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 05 May 2026 17:16:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইউরেনাসের রহস্যময় বলয়ের আড়ালে নতুন চাঁদ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114630" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/114630</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইউরেনাসের ১৩টি বলয় বিজ্ঞানীদের কাছে সব সময়ই বিস্ময়ের। জেমস ওয়েব ও হাবল টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এসব বলয়ের উৎস ও গঠন নিয়ে নতুন তথ্য পেয়েছেন, যা এ বরফশীতল গ্রহটিতে লুকানো একটি চাঁদ থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

১৯৭৭ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই ইউরেনাসের বিভিন্ন বলয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে পরম বিস্ময়। এগুলোর অনেক রহস্য আজও অজানা বলে প্রতিবেদনে লিখেছে নটিলাস সাময়িকী।

১৯৮৬ সালে &lsquo;ভয়েজার ২&rsquo; প্রথমবারের মতো এ দূর গ্রহটির পাশ দিয়ে যাত্রার সময় এর আরও নতুন দুটি বলয় ধরা পড়েছে। এরপর ২০০০ সালের গোড়ার দিকে হাবল টেলিস্কোপ আরও দুটি বলয়ের সন্ধান পায়। সব মিলিয়ে ইউরেনাসের বলয় সংখ্যা এখন ১৩টি।

বর্তমানে বিজ্ঞানীরা এসব দূরবর্তী বলয়ের উৎস নিয়ে কাজ করছেন। তাদের এ গবেষণা থেকে এমন ইঙ্গিত মেলে, এ বরফশীতল গ্রহটির ভিতরে হয়তো &lsquo;লুকানো চাঁদ&rsquo; আছে।

সম্প্রতি কেক অবজারভেটরি, হাবল ও জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের তথ্য বিশ্লেষণ করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ইউরেনাসের সবচেয়ে বাইরের দুটি বলয়ের ওপর গুরুত্বপূর্ণ এক গবেষণা শেষ করেছেন।

তাদের এসব নতুন তথ্য &lsquo;জার্নাল অব জিওফিজিক্যাল রিসার্চ: প্লানেটস&rsquo;-এ প্রকাশ পেয়েছে।

এক বিবৃতিতে গবেষণাপত্রের লেখক ইমকে ডি প্যাটার বলেন, এসব বলয় থেকে বিচ্ছুরিত আলো বিশ্লেষণ করে আমরা এগুলোর কণার আকার ও উপাদান সম্পর্কে জানতে পারি, যেখানে এসব বলয়ের উৎস সম্পর্কে ধারণার পাশাপাশি ইউরেনাস বা এ ধরনের গ্রহগুলো কীভাবে তৈরি ও বিবর্তিত হয়েছে সে বিষয়ে আলোকপাত করেছে।

কেক ও হাবল টেলিস্কোপের আগের পর্যবেক্ষণ থেকে জানা গিয়েছিল, ইউরেনাসের একদম বাইরের &lsquo;মিউ&rsquo; বলয়টি দেখতে নীল রঙের, যা শনির &lsquo;ই&rsquo; বলয়ের মতো ক্ষুদ্র কণা দিয়ে তৈরি।

অন্যদিকে, এর কিছুটা কাছে থাকা &lsquo;নিউ&rsquo; বলয়টিতে লালচে আভা দেখা গিয়েছিল, যা থেকে ধারণা মেলে বলয়টি মহাজাগতিক ধূলিকণা দিয়ে গঠিত। জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের তোলা নতুন বিভিন্ন ছবি থেকে গবেষকরা এখন এসব বলয় সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তৈরি করতে পেরেছেন।

বলয়গুলো মহাকাশের আলোর কোন কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্য শোষণ করছে, তা বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা সেগুলোর উপাদান সম্পর্কে ধারণা পেয়েছেন।

তারা বলছেন, ইউরেনাসের &lsquo;মিউ&rsquo; বলয় থেকে পাওয়া বিভিন্ন সংকেত পুরোপুরি জমাট বাঁধা বরফের সঙ্গে মিলে যায়, অর্থাৎ বলয়টি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বরফকণা দিয়ে তৈরি।

অন্যদিকে, &lsquo;নিউ&rsquo; বলয়টি পাথুরে উপাদানে গঠিত, যার মধ্যে প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ জৈব যৌগ রয়েছে।

ইউরেনাসের &lsquo;ম্যাব&rsquo; নামের চাঁদ গ্রহটিকে ঠিক সেই দূরত্বে থেকেই প্রদক্ষিণ করে, যেখানে &lsquo;মিউ&rsquo; বলয়টি অবস্থিত। অতি ক্ষুদ্র উল্কাপিণ্ড যখন ম্যাবের বরফশীতল পৃষ্ঠে আঘাত করে তখন সেখান থেকে বরফকণা ছিটকে বেরিয়ে আসে এবং এ বলয়টি তৈরি করে।

বিষয়টি অনেকটা শনি গ্রহের চাঁদ &lsquo;এনসেলাডাস&rsquo; ও তার &lsquo;ই&rsquo; বলয়ের সম্পর্কের মতো, যা সৌরজগতের আরেকটি একমাত্র নীল বলয়। দুটি বলয়ই তাদের নিজ নিজ গ্রহ থেকে সমান দূরত্বে অবস্থিত।

তবে শনির ক্ষেত্রে পার্থক্য হলো, এনসেলাডাসের আগ্নেয়গিরি থেকে মহাকাশে বরফ ছিটকে আসার ফলে ওই বলয়টি তৈরি হয়েছিল।

অন্যদিকে, ইউরেনাসের &lsquo;নিউ&rsquo; বলয়টির উৎস এখনো রহস্যে ঘেরা।

বিজ্ঞানী ইমকে ডি প্যাটার বলেন, নিউ বলয়ের বিভিন্ন উপাদান সম্ভবত এমন কিছু পাথুরে বস্তু থেকে এসেছে, যা এখনো আমাদের নজরে আসেনি। এসব বস্তু জৈব উপাদানে ভরা ও পরিচিত বিভিন্ন চাঁদের মাঝখানের কোনো কক্ষপথে অবস্থান করছে। ক্ষুদ্র উল্কার আঘাত বা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে এগুলো থেকে ধূলিকণা ছিটকে বলয়টি তৈরি হয়েছে। কৌতূহল উদ্দীপক প্রশ্ন হচ্ছে, এসব বলয়ের উৎসের রাসায়নিক গঠন কেন একে অপরের থেকে এত আলাদা?

ইউরেনাসের অন্যান্য চাঁদ পাথুরে প্রকৃতির হলেও সেগুলোর কোনোটিই &lsquo;নিউ&rsquo; বলয়ের আশপাশে অবস্থিত নয়। তাহলে কি সেখানে এমন কোনো লুকানো চাঁদ বা অন্য কোনো বস্তু আছে, যা এসব ধূলিকণা ছড়িয়ে দিচ্ছে?

আবার, ইউরেনাসকে প্রদক্ষিণ করা বিভিন্ন চাঁদের মধ্যে কেবল &lsquo;ম্যাব&rsquo;ই কেন বরফ দিয়ে তৈরি?

এসব প্রশ্ন ও আরও অনেক রহস্যের উত্তর পেতে অপেক্ষা করতে হবে সুদূর গ্রহটিতে কোনো মহাকাশযান পাঠানো সময় পর্যন্ত।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 05 May 2026 17:13:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৩ ধরনের মোবাইল ফোন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/113557" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/113557</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ক্লোন করা, অবৈধভাবে আমদানি ও চোরাচালানকৃত ফোন বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) তার ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, অবৈধ ফোনের সঙ্গে কম করে হলেও নিম্নলিখিত অপরাধসমূহ সংশ্লিষ্ট- সিমের ভুল রেজিস্ট্রেশন ও সিম সংক্রান্ত অপরাধ, জুয়ার লিংক এবং এমএলএম প্রতারণার বাল্ক এসএমএস পাঠানো, ভুল এমএফএস রেজিস্ট্রেশন, মোবাইল ফাইন্যান্সিং সংক্রান্ত অপরাধ, অনলাইন জুয়া ও স্ক্যামিং, অবৈধ ক্লোন ফোন সংক্রান্ত অপরাধ, প্যাটেন্ট ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন রয়্যাল্টি না দেওয়া, আয়কর ও শুল্ক ফাঁকি, ভারত ও চীন থেকে অবৈধ আনবক্সড মোবাইল ফোন আমদানি, বিমানবন্দরের লাগেজ পার্টি, সীমান্ত চোরাচালান, স্থানীয় হ্যান্ডসেট উৎপাদন শিল্প বিকাশকে বাধা দেওয়া, চুরি যাওয়া ফোন উদ্ধার, ছিনতাই, হারানো ফোন ফেরত না পাওয়া ইত্যাদি।



নাগরিক, সমাজ, অর্থনীতির ও রাষ্ট্রের বহু স্তরের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার নানাবিধ বিষয় জড়িত এখানে। এর জন্য দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিডা, মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানি, ব্যাংকিং খাত, বিএফআইইউ এবং এনবিআরের ক্রমাগত অনুরোধ আছে আমাদের ওপর। উপরন্তু মোবাইল ব্যাংকিং, ইন্টারনেট এবং টেলিযোগাযোগ খাতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য এটা দরকার।

তিনি আরো বলেন, ট্যাক্স না দিয়ে তারা এক বছর আগেই কোটিখানেক ফোন এনে অবৈধভাবে ডাম্পিং করে ফেলবে দেশকে, তা হবে না আর। আমরা সুস্পষ্টভাবে বলছি, কোনো মোবাইল ব্যবসায়ী বা দোকানদের &lsquo;পেটে-লাথি&rsquo; দেওয়া হচ্ছে না, উনারা দেশীয় উৎপাদকদের এবং বৈধভাবে আমদানি করা ফোন বিক্রি করবেন, সৎ পথে ব্যাবসা করবেন। অবৈধভাবে আনা ফোন বন্ধ করা হবে।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, আমরা ক্লোন করা, অবৈধভাবে আমদানিকৃত ও চোরাচালানকৃত ফোন বন্ধ করব ইনশাআল্লাহ। এখানে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।&rsquo;

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Nov 2025 09:22:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলা করবেন ইলন মাস্ক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112725" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112725</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছেন এক্সএআই, স্পেসএক্স, টেসলাসহ খুদে ব্লগ লেখার সাইট এক্সের (সাবেক টুইটার) মালিক ইলন মাস্ক। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন এআই অ্যাপকে সহায়তা দিতে অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের অ্যাপ স্টোরের র&zwj;্যাংঙ্কিংয়ে কারসাজি করছে। এ কারণে আইওএসের প্রস্তাবিত অ্যাপ তালিকায় এক্স বা এক্সএআইয়ের তৈরি গ্রোক চ্যাটবটকে রাখা হয়নি। এ বিষয়ে এক্সএআই &lsquo;তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা&rsquo; নেবে।

একাধিক পোস্টে ইলন মাস্ক জানান, অ্যাপল এমন আচরণ করছে, যাতে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো এআই প্রতিষ্ঠান অ্যাপস্টোরের শীর্ষে উঠতে না পারে। এটি নিঃসন্দেহে প্রতিযোগিতা আইন লঙ্ঘনের শামিল। তাই এখন মামলা করা ছাড়া সামনে আর কোনো বিকল্প নেই। তবে মাস্ক এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি। মামলাটি ইতিমধ্যে দায়ের করা হয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ স্টোরে চ্যাটজিপিটি ফ্রি আইফোন অ্যাপের তালিকায় প্রথম স্থানে, আর গ্রোক রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে চীনের ডিপসিক এআই সাময়িকভাবে চ্যাটজিপিটিকে সরিয়ে প্রথম স্থানে উঠেছিল। ফলে মাস্কের দাবি &lsquo;অন্য কোনো এআই অ্যাপের পক্ষে শীর্ষে ওঠা অসম্ভব&rsquo; বাস্তবে ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

প্রযুক্তি&ndash;বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, মাস্কের এই অভিযোগে বিদ্রূপাত্মক দিকও রয়েছে। কারণ, ২০২২ সালে টুইটার (বর্তমানে এক্স) অধিগ্রহণের পর প্ল্যাটফর্মটির অ্যালগরিদম পরিবর্তন করে নিজের পোস্টকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালের এক গবেষণাতেও দেখা গেছে, এক্সের অ্যালগরিদম ইচ্ছাকৃতভাবে মাস্কের পোস্ট বেশি প্রচার করে। এ প্রসঙ্গে ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান ২০২৩ সালের প্ল্যাটফর্মারের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেন। যেখানে বলা হয়, মাস্ক তাঁর পোস্টগুলো সব ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছাতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছেন।

অবশ্য মাস্কের সঙ্গে অ্যাপল ও ওপেনএআইয়ের এটিই প্রথম দ্বন্দ্ব নয়। মাস্ক ওপেনএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতাদের একজন ছিলেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি মুনাফাভিত্তিক ব্যবসায় রূপ নেওয়ার পর তিনি এর বিরুদ্ধে মামলা করেন এবং অধিগ্রহণের প্রস্তাব দেন, যা সর্বসম্মতভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়। এমনকি গত বছর অ্যাপল ও ওপেনএআই যৌথভাবে আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাকে চ্যাটজিপিটি যুক্ত করার ঘোষণা দিলে মাস্ক হুমকি দেন। তখন তিনি জানান, অ্যাপলের অপারেটিং সিস্টেমে ওপেনএআই প্রযুক্তি সংযুক্ত হলে তার প্রতিষ্ঠানের কর্মক্ষেত্রে অ্যাপল পণ্য নিষিদ্ধ করা হবে।


সাননিউজ/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 Aug 2025 10:45:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112479" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112479</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজকের বিশ্ব প্রযুক্তির অদ্ভুত এক মোড়ে দাঁড়িয়ে। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence &ndash; AI) শুধু একটি ফিচার নয়, বরং প্রতিটি সৃজনশীল ক্ষেত্রের গভীরে ঢুকে পড়েছে। টেলিভিশন, সিনেমা, বিজ্ঞাপন কিংবা অনলাইন কনটেন্ট সবখানেই এখন AI-এর ছোঁয়া দৃশ্যমান। মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন, যা চিত্র, শব্দ ও সময়কে একত্রিত করে একটি গতিশীল ভিজ্যুয়াল তৈরি করে, সেখানেও AI একটি বিপ্লব ঘটাচ্ছে।

AI কীভাবে কাজ করে মোশন গ্রাফিক্সে?

ধরা যাক, একজন গ্রাফিক ডিজাইনার একটি ৩০ সেকেন্ডের টেলিভিশন প্রোমো বানাতে চান । আগের দিনে তাকে স্ক্রিপ্ট পড়া, স্টোরিবোর্ড আঁকা, এনিমেশন তৈরি, কালার কারেকশন এবং রেন্ডারিং করতে হতো - সবকিছুতেই সময় লাগতো বহু ঘণ্টা, কখনোবা দিন। অথচ এখন AI নির্ভর টুল যেমন Runway ML, Kaiber, Pika, Luma AI, Adobe Firefly ইত্যাদি সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি লেখা বা ধারণা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

AI-এর সাহায্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা, ক্যামেরা মুভমেন্ট তৈরি করা, লিপ সিংক এনিমেশন বানানো, এমনকি পুরো 3D সিন নির্মাণ-সবই হচ্ছে ক্লিকেই। কোনো ডিজাইনার চাইলে শুধু একটি প্রম্পট লিখে দিতে পারেন: &ldquo;রাতের শহরের ওপরে উড়ছে একদল ড্রোন, নিচে আলো ঝলমলে রাস্তা, চারপাশে ভবিষ্যতের উড়ন্ত গাড়ি&rdquo;। এই প্রম্প্টটি দিলে AI পুরো দৃশ্য তৈরি করে দিতে পারে যেখানে থাকবে আধুনিক শহরের ব্যাকগ্রাউন্ড, গতিশীল ক্যামেরা মুভমেন্ট, চলমান গাড়ি ও আলোর রিফ্লেকশনসহ এনিমেটেড পরিবেশ।

 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাস্তবতা

বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি এখনও অনেকাংশে ম্যানুয়াল কাজের ওপর নির্ভরশীল। Vizrt, WASP3D, VMix ইত্যাদি রিয়েলটাইম গ্রাফিক্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হলেও AI এখনও অনেকের কাছে নতুন এক অভিজ্ঞতা। কিন্তু বর্তমান তরুণ প্রজন্ম যেভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে সক্রিয়, তাতে করে AI গ্রাফিক্স ডিজাইন আমাদের দেশেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

আমার দেখা মতে, আগামীর টেলিভিশন সম্প্রচারে যেমন ইনফোগ্রাফিকস, সেগমেন্ট ব্রেকার, ফ্যাক্টস অ্যানিমেশন, সাইড প্যানেল, নিউজ লোয়ার-থার্ড ইত্যাদি জায়গায় AI টুল ব্যবহার দ্রুত বাড়বে।

প্রশিক্ষণের গুরুত্ব ও আমাদের প্রস্তুতি

আমি নিজে একজন ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠশালা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোশন গ্রাফিক্স শেখাই। সেখানে আমি প্রতিনিয়ত দেখি-যেসব শিক্ষার্থীরা নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে, তারা খুব দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। তাই আমার বিশ্বাস, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনই AI ভিত্তিক গ্রাফিক্স প্রশিক্ষণ চালু করা উচিত।

AI নিয়ে ভয় না পেয়ে, এটিকে গ্রহণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে আমার বার্তা&mdash;Adobe After Effects বা Cinema 4D শিখুন ঠিকই, তবে পাশাপাশি Runway ML, Gen-2, Firefly বা Pika Lab নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। কারণ, ভবিষ্যতের কাজের ধরন বদলে যাচ্ছে দ্রুতগতিতে।

মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন কেবল সফটওয়্যারের ব্যবহার নয়, এটি একটি শিল্প। AI এই শিল্পকে দ্রুততর, সহজতর এবং আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। আমাদের প্রয়োজন-এই প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

সৃজনশীলতা কখনোই প্রযুক্তির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না-বরং প্রযুক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আরও বড় কিছু তৈরি করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে আমরা যদি সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারি, তবে বাংলাদেশের গ্রাফিক্স ডিজাইনও বিশ্বমানে পৌঁছাতে পারে-এই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

লেখক:দেবাশীষ দাস
ডেপুটি ম্যানেজার, গ্রাফিক্স বিভাগ, মাছরাঙ্গা টেলিভিশন
ফ্যাকাল্টি, পাথশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া একাডেমি
গেস্ট ফ্যাকাল্টি, টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 10 Jul 2025 06:51:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এআই কি মানুষের বুদ্ধিনাশ করছে? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে চিন্তায় গবেষকেরা!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112467" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112467</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সম্প্রতি ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) এ সংক্রান্ত একটি গবেষণার কাজ শেষ করেছে। তবে গবেষণার ফল দেখে চিন্তায় পড়েছেন গবেষকেরাই। তাঁরা বলেছেন গবেষণা লব্ধ ফলটিকে অবিলম্বে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হোক।

বুদ্ধিনাশ কি কেবল বিনাশকালেই হয়? গবেষণা বলছে, অতিরিক্ত আধুনিক প্রযুক্তিও কখনও সখনও সে কাজ করে দেখাতে পারে। যেমনটা এখন করছে এআই! দুনিয়া জুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছে যে অত্যাধুনিক মানুষের মতো করে ভাবতে পারা প্রযুক্তি, সেই এআই বা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) অর্থাৎ কৃত্রিম মেধা ক্রমে মানুষের মস্তিষ্ককে অলস করে তুলছে!

সম্প্রতি ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি) এ সংক্রান্ত একটি গবেষণার কাজ শেষ করেছে। তবে গবেষণার ফল দেখে চিন্তায় পড়েছেন গবেষকেরাই। তাঁরা বলেছেন গবেষণালব্ধ ফলটিকে অবিলম্বে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হোক, যাতে আগামী দিনে এআই প্রযুক্তি সভ্যতার আরও গভীরে প্রবেশ করে ক্ষতি না করতে পারে।

গবেষণাটি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে &#39;মিডিয়া এমআইটি&#39; নামের জার্নালে। গবেষণাপত্রটির অন্যতম প্রধান লেখক নাতালিয়া কোসমিনা লিখেছেন, &ldquo;এআই সাধারণ মানুষের বুদ্ধি এবং মেধার ক্ষতি তো করছেই। তবে এটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর ছোটদের জন্য। যাদের বুদ্ধি এবং মেধা সবে তৈরি হতে শুরু করেছে। এআই এদের মস্তিষ্কের সম্পূর্ণ বিকাশ হতেই দেবে না। তাই ছোটদের পড়াশোনার জগতে এআই পুরোপুরি ঢুকে পড়ার আগেই তাকে দূর করে দেওয়া দরকার।&rdquo;

নাতালিয়ার ওই উদ্বেগের কারণ এমআইটি-র গবেষণার ফলাফল। ১৮-৩৯ বছর বয়সি ৫৪ জনকে নিয়ে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল আমেরিকার এই প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়। অংশগ্রহণকারীদের ১৮ জনের তিনটি দলে ভাগ করে বিভিন্ন বিষয়ে রচনা লিখতে দেওয়া হয়েছিল। একটি দলকে এআইয়ের সাহায্য নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়, একটি দলকে বলা হয় তারা গুগল সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নিতে পারে। তৃতীয় দলটিকে কোনও রকম সাহায্য নিতে দেওয়া হয়নি। সমীক্ষার সময়ে ওই ৫৪ জনের মস্তিষ্কের ৩২টি অঞ্চলের কার্যকলাপের উপরে ইইজি-র মাধ্যমে নজর রাখেন গবেষকেরা। তাতে দেখা যায়, যাঁরা এআইয়ের সাহায্য নিয়েছিলেন, তাঁদের লেখা উতরে গেলেও তাদের মস্তিষ্ক কাজ করেছে সবচেয়ে কম।

গবেষকেরা জানাচ্ছেন মস্তিষ্কের যে অংশগুলি যুক্তিপূর্ণ চিন্তাভাবনা করে এবং স্মৃতিশক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে, এআই ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে সেই অংশে বিশেষ কোনও পরিবর্তনই ঘটেনি। সমীক্ষাটি বেশ কিছু দিন ধরে চালানো হয়েছিল। গবেষকেরা জানিয়েছেন, এআই ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে যত দিন গিয়েছে, ততই মস্তিষ্কের ওই অংশগুলি কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে। একটা সময়ে নিজেরা কী লিখছেন, তা নিজেরাই মনে করতে পারছিলেন না তাঁরা। গবেষণার শেষ পর্বে রচনাগুলি স্রেফ কপি আর পেস্ট করছিলেন।

অন্য দিকে, এআই বা গুগল সার্চ ইঞ্জিনের কোনও রকম সাহায্য না নেওয়া অংশগ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে হয়েছে একেবারে উল্টো। গবেষণার প্রতি পর্যায়ে তাঁদের মেধা এবং বুদ্ধির প্রয়োগ বেড়েছে। বেড়েছে ভাবনাচিন্তার গভীরতাও।

অংশগ্রহণকারীদের দ্বিতীয় দলের সদস্যরা, যাঁরা গুগল সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নিয়েছিলেন, তাঁদের মস্তিষ্কের সক্রিয়তা ছিল মাঝারি মানের। তাদের লেখা রচনার ধাঁচ খানিকটা এআই ব্যবহারকারীদের মতো হলেও তাঁদের স্মৃতিশক্তি এবং ভাবনাচিন্তা করার ক্ষমতা তাঁদের থেকে বেশি ছিল।

চ্যাটজিপিটি, জেমিনাই বা আরও বহু এআই প্রযুক্তি মানুষের নিত্তনৈমিত্তিক জীবনে একান্ত প্রয়োজনের মতো ঢুকে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে এই গবেষণালব্ধ ফলাফল নিঃসন্দেহে উদ্বেগের কারণ।

তথ্য সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 29 Jun 2025 10:27:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভবিষ্যতের ক্যানভাসে বাংলাদেশে মোশন গ্রাফিক্স]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112458" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/techlife/112458</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একটা সময় ছিল, যখন ডিজাইন মানেই পোস্টার, ব্যানার বা বিজ্ঞাপন বোর্ডে স্থির কোনো ছবি। কিন্তু এখন? এখন ডিজাইন যেন চলতে শুরু করেছে। কথা বলছে। গল্প বলছে। সেটাই হচ্ছে মোশন গ্রাফিক্স।

দর্শকের মন এখন শুধু দেখায় সীমাবদ্ধ নয়- তারা চায় অনুভব করতে। অনেকগুলো বাক্স ভেঙে গিয়ে লোগো রূপ নেয়, তথ্য ছড়িয়ে পড়ে আলো আর ছায়ার খেলায়, আর একটি সাধারণ দৃশ্য হয়ে ওঠে চমকে দেওয়া অভিজ্ঞতা। এটাই মোশন গ্রাফিক্স- যেখানে নীরবতা ভেঙে ডিজাইন কথা বলে, আর প্রতিটি ফ্রেম হয়ে ওঠে গল্পের একেকটি শব্দ।

বাংলাদেশে অনেকেই হয়তো এখনো ঠিক বুঝে উঠতে পারেননি, কত বড় একটা পরিবর্তন চলে এসেছে মিডিয়া ও ডিজাইন জগতে। মোশন গ্রাফিক্স এখন কেবল টিভি স্ক্রিনেই নয়, আমাদের মোবাইল, ল্যাপটপ এমনকি বিলবোর্ডেও ঢুকে পড়েছে। প্রতিটি কোম্পানি চায়, তাদের মেসেজ যেন ৫ সেকেন্ডেই দর্শকের মনে গেঁথে যায়। সেই জায়গায় মোশন গ্রাফিক্স কাজ করছে এক নির্ভরযোগ্য সৈনিকের মতো।

ঢাকার গলিতে গলিতে এখন অনেক বাসা, ক্যাফে, কো-ওয়ার্কিং স্পেসে বসে তরুণরা বানাচ্ছে ২-৩ সেকেন্ডের অ্যানিমেটেড ভিডিও, যেটা দেখিয়েই কোনো ব্র্যান্ড বিক্রি করে ফেলছে হাজার হাজার ইউনিট পণ্য। অনেকেই কাজ করছেন আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে, কেউ ইউটিউবে নিজের গল্প বলছেন মোশন গ্রাফিক্স দিয়ে। শুধু ডিজাইন জানা নয়- এখন দরকার মুভমেন্ট বোঝা, টাইমিং বোঝা, অনুভব বোঝা।

তবে সমস্যা একটাই- এখনো অনেক শিক্ষার্থী জানেই না এই জগতের ব্যাপারে। হাতে গোনা কয়েকটি ইনস্টিটিউট ছাড়া কোথাও মানসম্মত প্রশিক্ষণ নেই। তাছাড়া যাদের আগ্রহ আছে, তাদের অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না কোথা থেকে শুরু করবেন।

তবে আশার খবর এই যে, দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে। ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক কনটেন্ট, স্টার্টআপের বিজ্ঞাপন-সবখানেই মোশন গ্রাফিক্সের চাহিদা বাড়ছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও আগের চেয়ে অনেক বেশি গ্রাফিক্স-কেন্দ্রিক হয়েছে। এমনকি সংবাদ উপস্থাপনাতেও এখন চলমান গ্রাফিক্স ব্যবহার হচ্ছে।

হয়ত একজন মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট ঢাকার একটি ছোট ঘরে বসেই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্র্যান্ডের জন্য ভিডিও বানাচ্ছেন, আবার কেউ বানাচ্ছেন পরিবেশ নিয়ে সচেতনতামূলক কনটেন্ট, কেউ হয়তো নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শিশুদের শেখাচ্ছেন বর্ণমালা। এই প্রতিটা উদাহরণই বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যতের দিশা দিচ্ছে।

মোশন গ্রাফিক্স আর কল্পনার বিষয় নয়-এটি এখন বাস্তব। এটি একটি শিল্প, একটি পেশা, একটি নতুন যুগের ভাষা। যদি তরুণ প্রজন্ম এটি নিয়ে এগিয়ে আসে, আর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকার পাশে দাঁড়ায়, তাহলে বাংলাদেশে মোশন গ্রাফিক্স শুধু একটি ট্রেন্ড থাকবে না- এটি হবে একটি শিল্পবিপ্লব।

লেখক: ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স), মাছরাঙ্গা টেলিভিশন

ফ্যাকাল্টি, পাথশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া অ্যাকাডেমি

ওয়েবসাইট: www.debasishdas.me

ইমেইল: debasishdas2000@gmail.com

 

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 28 Jun 2025 17:42:26 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
