<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/sodesh</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/sodesh"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews sodesh Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest sodesh News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Thu, 14 May 2026 18:04:19 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[চূড়ান্ত তালিকা: দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৩ লাখের বেশি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114804" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114804</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে এখন মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোটার তালিকা হালনাগাদ-২০২৬-এর চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন ও হিজড়া পরিচয়ে ভোটার আছেন ১ হাজার ২৪৩ জন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন। ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত যারা তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন, তারা ওই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান।

এরপরও ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত যারা নিবন্ধন করেছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে এ বছরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বরের পর যারা ভোটার হওয়ার আবেদন করেছেন এবং ২০০৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে জন্ম, তারা এবারের তালিকায় যুক্ত হন। এ সময়ের মধ্যে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন। ভোটার বৃদ্ধির হার দশমিক ৫ শতাংশ।

ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এর আগে গত ২০ এপ্রিল ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ করা হয়েছিল। ভুল সংশোধন বা স্থানান্তরের আবেদন চলে ৩ মে পর্যন্ত। আবেদন নিষ্পত্তির সময় শেষ হয় ৬ মে। সব প্রক্রিয়া শেষে আজ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে ইসি: আগামী এক বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে দেশের সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে পূর্ণাঙ্গ কর্ম-পরিকল্পনা তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন, &lsquo;এখন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো স্থানীয় সরকার নির্বাচন। আমরা এ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এখনো প্রস্তুতি পুরোপুরি শেষ হয়নি। তবে আমাদের লক্ষ্য এক বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সব নির্বাচন সম্পন্ন করা।&rsquo;

তিনি জানান, এ নির্বাচনের আগে প্রয়োজনীয় আইন, বিধি ও নীতিমালা সংশোধন, বাজেট বরাদ্দ, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং মৌসুমি বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।

এদিকে, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ৫ মে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে বলেন, &lsquo;আগামী এক বছরের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সব নির্বাচন সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হবে।&rsquo;

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, &lsquo;অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, দেশের সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে সাধারণত ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগে।&rsquo;

মন্ত্রী আরও বলেন, &lsquo;স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাধারণত ধাপে ধাপে সারা দেশে অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনসহ সব স্তরের নির্বাচন শেষ করতে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়।&rsquo;

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হতে পারে এবং কোন ধাপে কোন নির্বাচন হবে জানতে চাইলে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, &lsquo;আমরা এখন সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে সার্বিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছি। সেটি চূড়ান্ত হওয়ার পর বলতে পারব কোন নির্বাচন কবে, কোন তারিখে এবং কোন ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।&rsquo;

সিটি করপোরেশন নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, &lsquo;কোন নির্বাচন আগে এবং কোনটি পরে অনুষ্ঠিত হবে, তা এখনো নির্ধারণ হয়নি। কমিশন সব দিক বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।&rsquo;

এই নির্বাচন কমিশনার জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিদ্যমান আইন, বিধি ও নীতিমালা পর্যালোচনার কাজ চলছে। নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য করতে কিছু আইনি সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছে কমিশন।

তিনি বলেন, &lsquo;এই নির্বাচনের জন্য আমাদের আইন-কানুন পরিবর্তন করতে হবে। বিধি-নীতিমালারও পরিবর্তন প্রয়োজন। এসব করতে সময় লাগবে।&rsquo;

আইন ও বিধিমালা সংশোধনের সম্ভাব্য সময় সম্পর্কে তিনি বলেন, &lsquo;কমবেশি তিন থেকে চার মাস সময় লাগতে পারে।&rsquo;

এদিকে জুন মাসের জাতীয় বাজেট, পরবর্তী বর্ষা মৌসুম এবং মাঠ প্রশাসনের প্রস্তুতির বিষয়গুলোও নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য হিসেবে রয়েছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনও জাতীয় নির্বাচনের মতো গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, &lsquo;জাতীয় নির্বাচন যে স্ট্যান্ডার্ডে হয়েছে, সেই স্ট্যান্ডার্ডের নিচে নামার কোনো সুযোগ নেই। আমরা চাই ভবিষ্যতেও ভালো নির্বাচন হোক এবং জনগণের আস্থা বজায় থাকুক।&rsquo;

আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, &lsquo;স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এবার কোনো প্রতীক থাকবে না, রাজনৈতিক পরিচয়ও থাকবে না। আমি মনে করি, দলীয় সরকার থাকলেও সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে।&rsquo;

তিনি বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যে ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি করেছে, সেটি ধরে রাখতে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।&rsquo;

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 18:04:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদি পৌঁছেছেন ৫৫,২৯৮ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী, ১৪ মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114786" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114786</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি মৌসুমে বাংলাদেশ থেকে হজ পালনের উদ্দেশে বুধবার (১৩ মে) পর্যন্ত ১৪২টি ফ্লাইটে মোট ৫৫ হাজার ২৯৮ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ১৩ মে পর্যন্ত সর্বমোট ৫৫ হাজার ২৯৮ জন জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৭১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫১ হাজার ২২৭ জন যাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।

চলতি বছর চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ মে হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গত ১৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এই হজ যাত্রায় সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত মোট ১৪২টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৬৯টি, সৌদি এয়ারলাইন্স ৫১টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২৭ হাজার ৪২৮ জন, সৌদি এয়ারলাইন্স ১৯ হাজার ১১ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স আট হাজার ৮৫৯ জন যাত্রী পরিবহন করেছে।

সৌদি আরবে স্থাপিত চিকিৎসা কেন্দ্রগুলো থেকে এ পর্যন্ত ২৭ হাজার ১১৬টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আইটি হেল্পডেস্ক ১৬ হাজার দুটি সেবা দিয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে এ বছর এখন পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ ও চার জন নারী। তাদের মধ্যে ১১ জন মারা গেছেন মক্কায় এবং মদিনায় তিনজন মারা গেছেন।

সবশেষ ১২ মে মারা গেছেন গাজীপুর সদরের নাসরীন জাহান (৩৭)।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার শেষ ফ্লাইট আগামী ২১ মে। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হবে ৩০ জুন।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 04:33:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দুপুরের মধ্যে ১০ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114784" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114784</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের ১০ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া বিশেষ পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে।

এ অবস্থায় এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখানোর নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এদিকে বুধবার রাতে প্রকাশিত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আভাস রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে। তবে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 03:49:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অনুমোদন পেল পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114783" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114783</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও অর্থনীতি রক্ষায় এবং শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকট দূর করতে সাড়ে ৩৪ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন করেছে সরকার। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্প অনুমোদন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। বিএনপি সরকার গঠনের পর তৃতীয় একনেক বৈঠকে এসে প্রথম মেগা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হলো।

২০৩৩ সালের জুনের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকার এ প্রকল্পের পুরো অর্থায়ন হবে সরকারের টাকায়।

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি গত ৬ মে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ও সম্ভ্যবতা জরিপের কাজ শেষ হয়ে আসার তথ্য দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি সেদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ভারতের ফারাক্কা বাঁধের কারণে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে যে পানির অভাব দেখা দেয় এবং এর ফলে যে মরুকরণ ও লবণাক্ততার সৃষ্টি হয়, তা রোধ করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এর আগে প্রকল্পটি কয়েক দফা একনেক সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপন করা হলেও তখন অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে, কমবে লবণাক্ততা, প্রাণ ফিরে পাবে মৃতপ্রায় নদীগুলো- একই সঙ্গে কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশে আসবে ইতিবাচক পরিবর্তন।

শুষ্ক মৌসুমে গঙ্গার ৩৫ থেকে ৪০ হাজার কিউসেক পানি ভাগীরথী-হুগলি নদীতে প্রবাহিত করার জন্য এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত কলকাতা বন্দরের নাব্য উন্নত করার জন্য ১৯৭৫ সালে পশ্চিমবঙ্গে ফারাক্কা ব্যারাজ নির্মাণ করে ভারত। ফারাক্কা ব্যারাজের উজানে পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশে পদ্মা নদীর প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমেছে এবং দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতি, চন্দনা-বারাশিয়া, ইছামতি ও বড়াল নদী শুকিয়ে গেছে।

ফারাক্কা ব্যারাজের নেতিবাচক প্রভাব থেকে বাংলাদেশকে বাঁচাতে প্রথম পর্যায়ে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার। এ প্রকল্পটি সার্বিকভাবে বাস্তবায়ন করতে ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। পদ্মা বাঁধ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী ব্যবস্থায় স্বাদু পানির প্রবাহ নিশ্চিত করা।

তবে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজ সংক্রান্ত ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায়। ১৯৯৬ সালে হওয়া গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের উদ্দেশ্য: বৃহত্তর কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, ফরিদপুর, রাজশাহী, পাবনা ও বরিশাল জেলার বিস্তৃত অঞ্চলের জন্য পদ্মা নদী ভূ-উপরিস্থ সুপেয় পানির একমাত্র উৎস হওয়ায় এ অঞ্চলের উন্নয়ন পদ্মার পানির যথাযথ ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল। পদ্মা নদীতে প্রবাহিত পানি বর্ষা পরবর্তীসময়ে সংরক্ষণ এবং শুষ্ক মৌসুমে নিয়ন্ত্রিত প্রবাহই এ সমস্যা সমাধানের একমাত্র উপায়। এ প্রেক্ষাপটে পদ্মা নদীতে রাজবাড়ীর পাংশা এলাকায় একটি বাঁধ নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্থানে আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণের জন্য আলোচ্য প্রকল্পের স্থান নির্বাচন করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকল্পটি মোট ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি ৬৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ মেয়াদে বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে সম্পূর্ণ প্রকল্পটি এক ধাপে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থায়নের সংস্থান, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং তদারকি/সমন্বয়ে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টির ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব ও ব্যয় বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাছাড়া, প্রকল্পে প্রস্তাবিত বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ পরবর্তী সংশ্লিষ্ট নদী সিস্টেম জলাধার থেকে প্রাপ্ত প্রবাহের সঙ্গে হাইড্রোলোজিক্যাল ও মরফোলজিক্যালভাবে ধীরে ধীরে অভিযোজিত হবে। ফলে খননসহ সংশ্লিষ্ট কাজগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করার সুযোগ রয়েছে বিধায় প্রকল্পের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা বাস্তবসম্মত হবে।

এ প্রেক্ষাপটে প্রকল্পটি দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করে বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে সুপারিশ করেছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এজন্য প্রথম ধাপে ৩৩ হাজার ৪৭৪ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

প্রকল্পটির প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নের ফলে সংশ্লিষ্ট নদী সিস্টেম খনন এবং প্রবাহ বৃদ্ধির সম্মিলিত প্রভাবে সুন্দরবনসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রকল্প এলাকার লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ হ্রাসসহ জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার এবং নদী ফলস্বরূপ, এ অঞ্চলের কৃষি, মৎস্য, বনায়ন, নৌচলাচল, গার্হস্থ্য পানির প্রাপ্যতা এবং ইকো-সিস্টেম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাছাড়া স্বাদু পানির প্রবাহ হ্রাসের কারণে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াসহ শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর নদী এবং খালগুলোতে লবণাক্ততার উচ্চ ঘনত্বের কারণে এলাকার জনসাধারণের জীবন ও জীবিকা প্রতিনিয়ত গুরুতর হমকির সম্মুখীন হচ্ছে।

নদীর সিস্টেম পুনরুজ্জীবিত করা: নদীর সিস্টেম বলতে বোঝায় একটি প্রধান নদীর সঙ্গে যুক্ত তার শাখা নদী, উপনদী, খাল, বিল, জলাধার ও পানিপ্রবাহের পুরো নেটওয়ার্ক। পদ্মা ব্যারাজের মাধ্যমে হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতী, চন্দনা-বারাশিয়া, বড়াল ও ইছামতী পাঁচটি নদীর সিস্টেম পুনরুজ্জীবিত করা হবে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে (সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট জেলা) লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ হ্রাস; স্বাদু পানি সরবরাহ নিশ্চিত করে সুন্দরবন ইকোসিস্টেমের ভারসাম্য পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য ও বনসম্পদ সংরক্ষণ করা হবে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোর পলি অপসারণ করে যশোরের ভবদহসহ অন্যান্য এলাকার জলাবদ্ধতা হ্রাস ও পদ্মানির্ভর এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।

পদ্মানির্ভর এলাকার প্রধান পাঁচ নদী-সিস্টেম পুনরুজ্জীবিতকরণের পাশাপাশি নদী পুনর্খনন ড্রেজিং ও রেগুলেটর দেওয়া হবে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মৃতপ্রায় হিসনা নদী পুনরুদ্ধার করে &lsquo;হিসনা অফটেক&rsquo; নির্মাণ করা হবে। এটা ভারত সীমান্ত থেকে প্রায় ১৯ কিলোমিটার দূরে। রাজবাড়ীর পাংশায় চন্দনা অফটেক হবে। এটা ভারত সীমান্ত থেকে প্রায় ৬৭ কিলোমিটার দূরে। কুষ্টিয়ায় গড়াই অফটেক নির্মাণ হবে, ভারত সীমান্ত থেকে যেটি প্রায় ৫৭ কিলোমিটার দূরে।

প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতী, চন্দনা-বারাশিয়া এবং জি-কে সেচ প্রকল্পে প্রয়োজনীয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পদ্মার মতো বড় নদীর ক্ষেত্রে পরবর্তীতে হাইড্রো-মরফোলজিক্যাল অবস্থার পরিবর্তন অস্বাভাবিক নয় বিধায় প্রকল্প বাস্তবায়নকালে এর গতি-প্রকৃতি পরিবর্তিত হতে পারে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম: রাজবাড়ী জেলার পাংশা পয়েন্টে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্যারাজ নির্মাণ করা হবে। এতে থাকবে ৭৮টি স্পিলওয়ে গেট (প্রতিটির প্রস্থ ১৮ মিটার), ১৮টি আন্ডার স্লুইসগেট, ১৪ মিটার প্রশস্ত একটি নেভিগেশন লক, দুটি ২০ মিটার প্রশস্ত ফিস পাস এবং ব্যারাজের ওপর দিয়ে একটি রেলওয়ে সেতু। পাশাপাশি প্রায় ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

গড়াই অফটেক এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ১৫টি স্পিলওয়ে, ফিস পাস, নেভিগেশন লক, গাইড বাঁধ, অ্যাপ্রোচ এমব্যাঙ্কমেন্ট ইত্যাদি করা হবে। চন্দনা অফটেক অবকাঠামোতে চারটি স্পিলওয়ে নির্মাণ হবে। হিসনা অফটেক অবকাঠামোতে পাঁচটি স্পিলওয়ে হবে।

পদ্মা ব্যারাজ সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রিক ওয়ার্কস এবং হাইড্রো পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণের ফলে ৭৬ দশমিক ৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলবে। গড়াই অফটেক সংশ্লিষ্ট ইলেকট্রিক ওয়ার্কস এবং হাইড্রো পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণে ৬ দশমিক ৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলবে। গড়াই-মধুমতি নদী ড্রেজিং হবে, ১৩৫ দশমিক ৬০ কিলোমিটার খনন হবে। হিসনা নদী সিস্টেমে নিষ্কাশন পুনর্খনন হবে ২৪৬ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার। এফ্ল্যাক্স বাঁধ নির্মাণ হবে ১৮০ কিলোমিটার।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের এলাকা: পদ্মা ব্যারাজের মোট প্রকল্প এলাকা বাংলাদেশের মোট এলাকার প্রায় ৩৭ শতাংশ, যা দেশের চারটি বিভাগের ২৬টি জেলার ১৬৩টি উপজেলায় বিস্তৃত। তবে প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ের কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে দেশের চারটি বিভাগের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলা উপকৃত হবে।

খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, যশোর, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা, ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ, রাজশাহী বিভাগের পাবনা, রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। চারটি বিভাগের ১৯টি জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে।

পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা: প্রকল্পের আওতায় শুষ্ক মৌসুমে প্রায় দুই হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনমিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে, যা হিসনা-মাথাভাঙ্গা, গড়াই-মধুমতী, চন্দনা-বারাশিয়া, ইছামতী ও বড়াল নদী ব্যবস্থায় প্রবাহ ফিরিয়ে আনবে। এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ততা কমবে, সুন্দরবনের বাস্তুতন্ত্র রক্ষা পাবে এবং প্রায় ১৯ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা নিশ্চিত হয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পের অর্থনৈতিক অভ্যন্তরীণ মুনাফার হার ধরা হয়েছে ১৭ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

আরো ৮ প্রকল্প অনুমোদন: পদ্মা ব্যারেজসহ মোট নয়টি প্রস্তাব এদিন একনেকের অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প দুটি; সংশোধিত প্রকল্প পাঁচটি। এছাড়া একটি প্রকল্পের মেয়াদ বেড়েছে।

নয়টি প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকার অর্থায়ন করবে সরকার। আর ২০৪ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকার অর্থায়ন করা হবে সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের &lsquo;চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধন)&rsquo; প্রকল্পের ব্যয় ২৯০ কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে ৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের &lsquo;গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধন)&rsquo; প্রকল্পের ব্যয় ৬২০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা থেকে ৫৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের &lsquo;জেলা শহরে বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নীতকরণ/পুনর্নির্মাণ (প্রথম ফেইজ)&rsquo; প্রকল্পের জন্য ১৩২৯ কোটি ৫৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের &lsquo;হাই-টেক সিটি-২ এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ (তৃতীয় সংশোধন)&rsquo; প্রকল্পের ব্যয় ৪৩৩ কোটি ৯৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা থেকে ২ কোটি ২০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের &lsquo;সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি নিবাস নির্মাণ/পুনর্নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধন)&rsquo; প্রকল্পের ব্যয় ৫৯৩ কোটি ৪৭ লাখ ৩৫ হাজার টাকা থেকে ২০৮ কোটি ২৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের &lsquo;সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে ৪ এসএম ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ৩৮৫ কোটি ১৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে একনেক।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের &lsquo;চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা হতে সাগরিকা) (পঞ্চম সংশোধনী)&rsquo; প্রকল্পের ব্যয় ৩৩২৪ কোটি ১৫ লাখ ৩ হাজার টাকা থেকে ৭৭ কোটি ৯২ লাখ ৫১ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের &lsquo;ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প (প্রথম সংশোধন)&rsquo; প্রকল্পের ব্যয় ৭৫৭ কোটি ৯৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা থেকে ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ ৪৭ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 17:12:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[একনেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114780" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114780</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে নয়টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো &lsquo;পদ্মা ব্যারেজ (১ম পর্যায়)&rsquo; প্রকল্প।

প্রায় ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে রাজবাড়ীর পাংশা এলাকায় দুই দশমিক এক কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০৩৩ সালের জুন পর্যন্ত। একনেকে অনুমোদিত নয়টি প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প রয়েছে তিনটি, সংশোধিত প্রকল্প পাঁচটি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়েছে একটি প্রকল্পের।

অনুমোদিত অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ, জেলা শহরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র উন্নীতকরণ, হাই-টেক সিটি-২ এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ, সরকারি শিশু পরিবার ও ছোটমনি নিবাস পুনর্নির্মাণ, সাভার সেনানিবাসে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ, চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড উন্নয়ন এবং ময়মনসিংহে গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প। এ ছাড়া সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রীর অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের আরও দুটি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়। এগুলো হলো ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটি কুর্মিটোলায় বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 10:59:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114775" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114775</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা, মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে বুধবার (১৩ মে) সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে সরকার পতনের পর ওই বছরের ২৭ অক্টোবর রাজধানীর ভাটারা থানাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কারাবিধি অনুযায়ী ডিভিশন পাচ্ছিলেন এই আওয়ামী লীগ নেতা। তবে নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাকে একবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সে সময় হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন বলেছিলেন, উনি প্রবীণ ব্যক্তি। উনার ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, ডিমেনশিয়াসহ বহুবিধ রোগ আছে।

পরের বছর ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট রাতে বার্ধক্যজনিত কারণে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কারাগারের হাসপাতাল থেকে তাকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গেল বছরের ১৪ আগস্ট জামিনে মুক্তি পান তিনি।

সাবেক এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঢাকা ও চট্টগ্রামে বেশ কয়েকটি মামলা ছিল। সর্বশেষ পল্টন থানার একটি মামলায় জামিন পেলে তাকে করাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের ছেলে সাবেদুর রহমান সুমু গণমাধ্যমকে বলেন, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাদ আসর মিরসরাই উপজেলার মহাজনহাট ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম শহরে কোনো জানাজা অনুষ্ঠিত হবে না। ঢাকায় একটি জানাজা হবে, তবে সেটির স্থান ও সময় এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

মোশাররফ হোসেনের জন্ম ১৯৪৩ সালের ১২ জানুয়ারি। চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে এমপি হন। ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণেতাদের মধ্যে তিনি একজন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য বিভিন্ন সময়ে সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি হন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের ছেলে মাহবুব রহমান রুহেল।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 06:22:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশের আট অঞ্চলে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114773" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114773</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকায় তাপমাত্রা বেড়েছে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে বুধবার (১৩ মে) ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে গরম কমতে পারে। এ ছাড়া ঢাকা ও দেশের আরও আটটি অঞ্চলে আজ কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে।

বুধবার সকাল ৭টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার দুপুর ১টা পর্যন্ত আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এর সঙ্গে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

সংস্থাটি আরও জানায়, আজ সকাল ৬টায় রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা মঙ্গলবার ছিল ২৪।

আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছে, আজ দুপুরের মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর পশ্চিম দিক দিয়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বাতাসের গতি হতে পারে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার। এ সব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এদিকে ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৩৩ মিনিটে এবং বৃহস্পতিবার সূর্যোদয় ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 05:54:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৫৩৪১০ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114767" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114767</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছর হজ করতে বাংলাদেশ থেকে মঙ্গলবার (১২ মে) দিবাগত রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫৩ হাজার ৪১০ জন হজযাত্রী। সরকারি-বেসরকারি মোট ১৩৭টি ফ্লাইটে সৌদিতে পৌঁছান তারা।

বুধবার (১৩ মে) হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এয়ারলাইনস, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্প ডেস্ক।

হেল্প ডেস্ক জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৬৫টি ফ্লাইটে সৌদি পৌঁছান ২৫ হাজার ৮৯১ জন হজযাত্রী, সৌদি এয়ারলাইনসের ৫০টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৬৬০ জন ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ২২টি ফ্লাইটে আট হাজর ৮৮৯ জন হজযাত্রী সৌদি পৌঁছান। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন চার হাজার ৭১ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সৌদি পৌঁছান ৪৯ হাজার ৩৩৯ জন হজযাত্রী।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। ৬৬০টি এজেন্সি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি প্রধান ও ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর মধ্যে চার হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ও ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হজ পালন শেষে আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আগামী ৩০ জুন শেষ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 03:41:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঈদুল আজহা পর্যন্ত দোকান-বিপণিবিতান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114765" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114765</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দোকান, বিপণিবিতান খোলা রাখার সময় বাড়াল সরকার। মঙ্গলবার (১২ মে) থেকে রাতে তিন ঘণ্টা বাড়তি সময় খোলা রাখা যাবে। ফলে সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে দোকান&ndash;বিপণিবিতান। তবে কোনো আলোকসজ্জা ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে না।

আজ রাত সোয়া ৯টায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে সময় বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, শপিং মল, মার্কেট ও দোকানসমূহ সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এটি কার্যকর করতে সব বিভাগীয় কমিশনার ও দেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

৪ মে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীর কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিল দোকান মালিক সমিতি। আসন্ন ঈদুল আজহার আগপর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানায় তারা।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালায়। পাল্টা হামলা করে ইরানও। তারপর যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি সংকট প্রকট আকার ধারণ করে। তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানিসংকটের পরিপ্রেক্ষিতে ২ এপ্রিল রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সরকারি-বেসরকারি অফিসের সময়সীমা এক ঘণ্টা কমানো হয়। একই সঙ্গে দোকানপাট ও শপিং মল (বিপণিবিতান) সন্ধ্যায় ছয়টায় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়, যা পরদিন কার্যকর হয়। যদিও পরে দোকান ব্যবসায়ী সমিতির অনুরোধে সে সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 May 2026 17:23:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুখস্থ বিদ্যা ও সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বের হতে হবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114761" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114761</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কর্মসংস্থানের নতুন বাজারে প্রবেশ করতে হলে সবাইকে মুখস্থ বিদ্যা এবং সার্টিফিকেটনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও টেকসই রূপান্তর নিয়ে ইউজিসির জাতীয় কর্মশালা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চাহিদা অনুযায়ী আমাদের প্রচলিত ধারার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। কারণ, শিক্ষা শুধু ব্যক্তির পরিবর্তনের জন্যই নয়, বরং বর্তমানে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্ভাবন এবং বিশ্বমানের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা তৈরিরও প্রধান নিয়ামক। ফলে উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাকে অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে আরও শক্তিশালী সংযোগ গড়ে তুলতে হবে। কারিকুলাম প্রণয়নে শিল্পখাতের চাহিদাকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বিশ্ববাসীর সামনে যে বার্তাটি স্পষ্ট করেছে, সেটি হলো শিক্ষা কেবল স্কুল-কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমানে জ্ঞানের চর্চা কেবল একটি নির্দিষ্ট বিষয়েই আবদ্ধ নয়। বরং আমরা দেখি, ডাটা সায়েন্সের সাথে বায়োলজি, বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে হয়তো সমাজবিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটছে। এই সংযোগের ফলে জ্ঞানের সীমানা প্রতিনিয়ত প্রসারিত ও গতিশীল হচ্ছে। এই পরিবর্তনের গতি প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের নিবিড় সম্পর্ক থাকা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পা দিয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চলমান এই সময়ে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক্স ও অটোমেশন, ইন্টারনেট অব থিংস, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, সাইবার সিকিউরিটি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্টারনেট অব থিংস, বিগ ডাটা, ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স, ন্যানো টেকনোলজি, পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, এইসব উন্নততর প্রযুক্তি একদিকে আমাদের আমাদের চিন্তার জগৎ নিয়ন্ত্রণ করছে, অপরদিকে শাসন করছে মানুষের কর্মক্ষেত্র বা কর্মসংস্থান। এর ফলে নিত্যনতুন প্রযুক্তির ব্যবহার একদিকে প্রথাগত চাকুরীর বাজারে বেকারত্ব বাড়াচ্ছে অন্যদিকে তৈরি করছে নিত্য নতুন কর্মসংস্থান।

তারেক রহমান বলেন, দুঃখজনক হলেও বাস্তবতা হচ্ছে, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় র&zwj;্যাংকিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো প্রত্যাশিত উচ্চতায় পৌঁছুতে পারেনি। র&zwj;্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত গবেষণা প্রকাশনা, সাইটেশন এবং উদ্ভাবন এই বিষয়গুলোকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সেই ক্ষেত্রে আমাদের অবস্থান কোথায় এ বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের শিক্ষাবিদগণ নিশ্চয় আরও চিন্তাভাবনা করবেন। শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা এবং উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগ না দিলে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে আমাদের টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়বে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন কিংবা গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার অর্থ বরাদ্দ দেবে এটাই স্বাভাবিক। তবে আমি জানি, ব্রিটেনসহ বিশ্বের অনেক দেশেই যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাই তাদের অনেকেই কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের &#39;গবেষণা এবং উদ্ভাবন&#39; কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। এ জন্যই অনেকে বলে থাকেন, &quot;শিক্ষার্থীরা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ, আর এলামনাইরা হলো তার মেরুদণ্ড। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বর্তমানে যারা দেশে বিদেশে জ্ঞানে বিজ্ঞানে অর্থ বিত্তে প্রতিষ্ঠিত সেইসব এলামনাইদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা ও গবেষণা&#39; উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমি উপস্থিত শিক্ষাবিদদের প্রতি বিনীত আহবান জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আরও একটি বিষয়ের দিকে আমি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রতিবছর প্রতি বছর লাখ লাখ শিক্ষার্থী বের হয়। উচ্চ শিক্ষা নিয়েও অনেককে বেকার থাকতে হয়। অর্থাৎ বেকারত্বের সংখ্যা উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেশি। এর কারণ সম্পর্কে নানামত রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে অনেকেই একমত একাডেমিক শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করতে না পারাই শিক্ষিত মধ্যে বেকারত্বের হার বেশির অন্যতম কারণ।

&lsquo;বর্তমান সরকার মনে করে, প্রাথমিক সিলেবাসে থেকে শুরু করে উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা কারিকুলাম ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি। নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন কর্মমুখী শিক্ষা ছাড়া বেকারত্ব নিরসন সম্ভব নয়। সময়োপযোগী শিক্ষা কারিকুলাম ছাড়া বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। এ কারণেই বর্তমান সরকার একাডেমিক সিলেবাসকে সময়োপযোগী করার কাজ শুরু করেছে।&rsquo;

তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী করতে বর্তমান সরকার এপ্রেন্টিসশীপ, ইন্টার্নশিপ এবং ইন্ড্রাষ্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা বাড়ানোর জন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় শহরগুলোতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপন করে এই কার্যক্রম শুরু করা হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থীগণ পুঁথিগত বিদ্যা অর্জনের পাশাপাশি হাতে কলমে শিক্ষা লাভ করে শিক্ষার্থী অবস্থাতেই কর্মদক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন। ফলে শিক্ষা জীবন শেষে তাকে আর বেকার থাকতে হবে না।

&lsquo;কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনোভেটিভ বিজনেস আইডিয়া বাণিজ্যিকীকরণ করতে প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় সিড ফান্ডিং বা ইনোভেশন গ্রান্ট প্রদান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, ক্যাম্পাস থেকে ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা তৈরি করা। ফলে এই উদ্যোক্তারা নতুন এবং সৃজনশীল ব্যবসায়িক ধারণা বাস্তবায়ন করে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবেন। শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় কর্মদক্ষতা অর্জনের ফলে এমনও হতে পারে একজন শিক্ষার্থী চাকরির জন্য অপেক্ষা না করে নিজেই একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আরও কয়েকজনের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবেন।&rsquo;

&lsquo;&lsquo;এসব উদ্যোগ ছাড়াও সরকার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে &lsquo;উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইন্সটিটিউট&rsquo;, &lsquo;সায়েন্স পার্ক&rsquo; প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে। দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বেও ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞান মেলা, ইনোভেশন ফেয়ার, প্রোডাক্ট সোর্সিং ফেয়ারসহ এ ধরণের শিক্ষা ও দক্ষতা বিষয়ক আয়োজনকে উৎসাহিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। শুধু উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেই নয়, স্কুল পর্যায় থেকেই সরকার শিক্ষা কারিকুলামে কারিগরি এবং ব্যবহারিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নিয়েছে।&rsquo;&rsquo;

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 May 2026 07:15:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বায়ুদূষণে আজ বিশ্বে শীর্ষ নগরী ঢাকা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114750" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114750</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত কয়েকদিন থেমে থেমে রাজধানীতে বৃষ্টি হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টা থেকে বেলা ৩টায় হয়েছে ২৩ মিলিমিটার বৃষ্টি। আগের দিন রোববার হয়েছিল ৩২ মিলিমিটার। বৃষ্টি হলে সাধারণত বাতাসের মান উন্নত হওয়ার কথা। কিন্তু এখন আর বৃষ্টিতেও কমছে না দূষণ।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে আটটার দিকে আইকিউএয়ারে ঢাকার বায়ুর মান ১৯৮। এ স্কোর নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ বায়ু দূষণের নগরী ঢাকা। বায়ুর এ মানকে &lsquo;অস্বাস্থ্যকর&rsquo; বলা হয়। বায়ুর মান ২০০-এর বেশি হলে তাকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। রাজধানীর তিন স্থানের বায়ুর মান অপেক্ষাকৃত বেশি খারাপ। রোববার সকাল ও সন্ধ্যাতেও বিশ্বের শীর্ষ নগরী ছিল ঢাকা।

বায়ুদূষণের এ পরিস্থিতি তুলে ধরেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটি বায়ুদূষণের অবস্থা নিয়মিত তুলে ধরে। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এই লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং সতর্ক করে। আজ বাতাসের এ দূষণ থেকে রক্ষা পেতে আইকিউএয়ার বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে।

আজ বায়ুদূষণে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ও চীনের উহান শহর। এ দুই শহরের বায়ুর মান যথাক্রমে ১৬৫ ও ১৫৮।

আজ ঢাকা নগরীর তিন এলাকার বায়ুর মান অপেক্ষাকৃত বেশি খারাপ। এর মধ্যে বায়ুদূষণে শীর্ষে আছে আগারগাঁও। এ এলাকার বায়ুমান ২৭৩। এরপর দূষণের তালিকায় আছে উত্তর বাড্ডার আবদুল্লাহবাগ (২৪১) ও বেচারাম দেউড়ি (২৩১)।

সাধারণত এপ্রিল মাসের পর থেকেই ঢাকার বাতাসের মান ভালো হতে থাকে। এ সময় বৃষ্টি হলে দ্রুতই বাতাসের মান ভালো হয়। এপ্রিল পেরিয়ে মে মাসের প্রায় অর্ধেকটা চলে গেল, কিন্তু বাতাসের মান ততটা উন্নত হচ্ছে না।

আইকিউএয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী, আজ ঢাকায় বায়ুর যে মান, তাতে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। বাড়ির বাইরে গিয়ে ব্যায়াম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর ঘরের জানালাগুলো যতটা সম্ভব বন্ধ রাখতে হবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 May 2026 05:53:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114745" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114745</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে আরও ছয়টি শিশু মারা গেছে। মৃত শিশুদের মধ্যে কারও হাম শনাক্ত হয়নি।

এ সময়ে সারা দেশে আরও এক হাজার ৩৪১ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। হামের উপসর্গে ঢাকায় তিন, চট্টগ্রামে দুই ও ময়মনসিংহে এক শিশু মারা গেছে।

সোমবার (১১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৩৫০ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৬৫ শিশু। এ পর্যন্ত মোট মারা গেছে ৪১৫ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৫০ হাজার ৫০০ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৫ হাজার ৯৮০ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৩১ হাজার ৯৯২ শিশু বাড়ি ফিরেছে।

১৫ মার্চ থেকে দেশে ৬ হাজার ৯৩৭ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 11:24:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধীর পরিচয় শুধুই অপরাধী: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114743" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114743</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কারো রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালী অবস্থান দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে থেমে গেলে চলবে না। যে অপরাধী, তাকে অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, &lsquo;আপনারা আইনের লোক, কোনো বিশেষ দলের নন। কারো রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালী পরিচয় দেখে থমকে যাবেন না। যে অপরাধী, তাকে অপরাধী হিসেবেই গণ্য করবেন।&rsquo;

সোমবার (১১ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার আপসহীন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে হলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে প্রথম কাজ।

পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রশাসনের প্রতিটি পদই গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র পদোন্নতি বা পছন্দের জায়গায় পদায়নের জন্য তদবির করা পেশাদারিত্বের সঙ্গে আপস করার নামান্তর।তিনি বলেন, &lsquo;হয়তো চাহিদামতো পোস্টিং পেলে আপনি সাময়িকভাবে তুষ্ট হবেন, কিন্তু এটি আপনার পেশাদারিত্বের ক্ষতি করে। যার যেখানে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে, সেখানেই গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করুন।&rsquo; তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সরকার যেমন পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত, তেমনি প্রশাসনের কোনো পদই কারো জন্য চিরস্থায়ী নয়।

প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে অপরাধের ধরন পাল্টে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে পুলিশিং আর কেবল শহর বা জেলার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। &lsquo;ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম (আন্তর্জাতিক সংঘবদ্ধ অপরাধ)&rsquo; এখন বড় বাস্তবতা। কয়েক দশক আগের তুলনায় বর্তমানের চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি বিস্তৃত। তাই প্রতিটি পুলিশ কর্মকর্তাকে আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ এবং বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হতে হবে। সময়ের এই দাবি পূরণ করতে না পারলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব হয়ে পড়বে।

প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বিগত দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের ফলে সৃষ্ট ভঙ্গুর অর্থনীতির চিত্র তুলে ধরেন। অডিটর জেনারেলের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি কয়েকটি চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কোয়ার্টারের জন্য একেকটি বালিশ কেনা হয়েছে ৮০ হাজার টাকায়। যেখানে পাশের দেশে একই ধরনের প্রকল্প ১৪ হাজার কোটি টাকায় শেষ হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশে খরচ হয়েছে প্রায় ৯৬ হাজার কোটি টাকা। ৩০ হাজার টাকার ড্রেসিং টেবিলের দাম দেখানো হয়েছে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা।

কর্ণফুলী টানেলের দুই পাশে গাছ লাগানোর জন্য বরাদ্দ ৫০ কোটি টাকা কোনো কাজ ছাড়াই তুলে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া টানেলের পাশে অপ্রয়োজনীয় বিলাসবহুল (লাক্সারি) অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণে শত শত কোটি টাকা অপচয় করা হয়েছে। পিরোজপুর জেলার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, একটি মন্ত্রণালয় (এলজিআরডি) থেকে কাজ না করেই কেবল কাগজ দেখিয়ে তিন হাজার ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে একটি জেলাতেই প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকার হদিস নেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যে অপ্রয়োজনীয় খরচ ও ঋণ, এর বোঝা দেশের ২০ কোটি মানুষের মাথার ওপর। আজ যদি এই টাকাগুলো থাকত, তবে আপনাদের আবাসন, পরিবহন (ট্রান্সপোর্টেশন) এবং আইটি ইউনিটের দাবিগুলো আমরা মুহূর্তেই পূরণ করতে পারতাম।&rsquo; ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর দেশে মব ভায়োলেন্সের যে ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল, পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত ধৈর্য ও কৌশলের সঙ্গে তা মোকাবিলা করেছেন।

তিনি বলেন, পুলিশ আন্তরিক হলে আইনি ও কৌশলগত ভূমিকার মাধ্যমে অনেক বড় দাঙ্গা বা ঘটনা শুরুতেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি পুলিশকে সরকারের আয়না হিসেবে অভিহিত করে বলেন, পুলিশের আচরণের ওপরই নির্ভর করে মানুষ সরকারকে কীভাবে মূল্যায়ন করবে। দুর্নীতি ও সন্ত্রাস দমনে পুলিশকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;কারও রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালী পরিচয় দেখে থমকে যাবেন না। আপনারা আইনের লোক, কোনো বিশেষ দলের নন। যে অপরাধী, তাকে অপরাধী হিসেবেই গণ্য করবেন।&rsquo;

তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলেন, কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। দেশের সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করা পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের উদাহরণ টেনে মিতব্যয়িতার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, &lsquo;আমরা ক্যাবিনেটে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মন্ত্রীদের জ্বালানি তেলের বরাদ্দ ৩০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়ার। আমি নিজেও খরচ কমানোর চেষ্টা করছি।&rsquo;

তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, &lsquo;আমরা যারা এই ঘরে বসে আছি, তারা ২০ কোটি মানুষের তুলনায় অনেক বেশি প্রিভিলেজড (সুবিধাভোগী)। আসুন, আমরা আমাদের সেই সুবিধা কিছুটা ত্যাগ করি। আমরা একটু একটু করে ছাড় দিলে রাষ্ট্র অনেক বড় সাশ্রয় করতে পারবে।&rsquo;

প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে পালনের ঘোষণা দিয়ে বলেন, সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে নিয়োগ ও বদলির একমাত্র মাপকাঠি। পুলিশের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে সব সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির আশ্বাস দেন তিনি। বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ সালের পুলিশ সপ্তাহের স্লোগান&mdash; &lsquo;আমার পুলিশ, আমার দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ&rsquo;&mdash; সার্থক করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, &lsquo;আসুন, আমরা আমাদের অবস্থান থেকে দেশকে কতটুকু দিতে পারি, সেই শপথ নিই।&rsquo;

শাপলা হলের এই অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 09:28:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাংবাদিক দম্পতি শাকিল-ফারজানা রুপার জামিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114739" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114739</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (১১ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ফারজানা রুপাকে ছয় মামলায় ও শাকিল আহমেদকে পাঁচ মামলায় জামিন দিয়েছেন আদালত। তাদের দুইজনকে একটি করে মামলায় জামিন না দিয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। ফলে সব মামলায় জামিন না হওয়ায় তারা এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আদালতে জামিনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে শাকিল আহমেদ ও ফারজানা রুপাকে আটক করা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার দেখায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 06:53:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114734" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114734</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের চর্চা বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এ রায় ঘোষণা করেন। সোমবার (১১ মে) রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, অনাগত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্য, কন্যাশিশু হত্যার প্রবণতা, সামাজিক ভারসাম্যহীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থি। আদালতের মতে, এ ধরনের চর্চা নারীর মর্যাদা, সমতা ও জীবনের অধিকারের বিরুদ্ধে যায় এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতারও লঙ্ঘন।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, বাংলাদেশে এ বিষয়ে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ, মনিটরিং ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিল। শুধু একটি গাইডলাইন প্রণয়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; বাস্তবায়ন, ডিজিটাল নজরদারি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়া এই অনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব নয়।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচালিত অনাগত শিশুর ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট সংরক্ষণ ও তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ থাকা প্রয়োজন।

হাইকোর্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে ছয় মাসের মধ্যে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি ও নিয়মিত হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আদালত বলেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য ও সম্ভাব্য নারী ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আদালত আরও উল্লেখ করেন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে এ ধরনের কার্যক্রম আইন দ্বারা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।

রায়ে আদালত এ নির্দেশনাকে continuous mandamus হিসেবে ঘোষণা করেন, যাতে ভবিষ্যতে নির্দেশনার বাস্তবায়ন আদালত তদারকি করতে পারেন। ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান গর্ভের শিশুর পরিচয় প্রকাশ বন্ধে এ রিট আবেদন দায়ের করেন। আদালতে রিটে তাকে সহযোগিতা করেন তানজিলা রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 04:59:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাঁচ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114729" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114729</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকাসহ দেশের পাঁচ উপকূলীয় জেলার ওপর দিয়ে সোমবার (১১ মে) দুপুরের মধ্যে অস্থায়ী দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনঃ সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সোমবার ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া বিশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, সোমবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে।

এ ছাড়া অপর পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলেও আভাস দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দফায় দফায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। প্রথম দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বৃষ্টির প্রভাবে সারা দেশে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তবে পরদিন থেকে আবার তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 04:17:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার শুরু, চলবে ১০ দিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114726" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114726</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোরবানির ঈদ উপলক্ষে সোমবার (১১ মে) থেকে ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি শুরু করবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। আগামী ২১ মে পর্যন্ত ১০ দিন এই কার্যক্রম চলবে বলে রোববার (১০ মে) মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এদিন বিকালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কামাল হোসেন বলেন, টিসিবির কার্ডধারীদের কাছে নিয়মিত ভর্তুকিমূল্যে পণ্য বিক্রির কার্যক্রম চলমান আছে। পাশাপাশি ঈদ উপলক্ষে এই ট্রাক সেল কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ঢাকার আগারগাঁও এলাকায় এ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে প্রতিদিন ৭২০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি হবে। ১০ দিন (শুক্রবার ব্যতীত) প্রতিটি ট্রাক থেকে চিনি ও মসুর ডালসহ বিভিন্ন পণ্য কিনতে পারবেন ৪০০ জন।

&lsquo;ট্রাকসেলের&rsquo; মাধ্যমে প্রায় দুই কোটি ৮০ লাখ উপকারভোগীর কাছে প্রায় ১৩ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন পণ্য বিক্রয় করা হবে। যেকোনো ভোক্তা এসব ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে পারবেন।

রোববার টিসিবির এক আদেশে বলা হয়েছে, ইদুল আজহা উপলক্ষে প্রতিদিন ঢাকা মহানগরীতে ৫০টি (ঢাকা জেলাসহ), চট্টগ্রাম মহানগরীতে ২০টি (চট্টগ্রাম জেলাসহ), অন্য ছয়টি বিভাগীয় শহর এবং সংশ্লিষ্ট জেলায় প্রতিটিতে ১৫টি করে এবং অবশিষ্ট ৫৬টি জেলায় ১০টি করে ট্রাকে পণ্য বিক্রি করা হবে।

একজন ভোক্তা ১৩০ টাকা দরে সর্বোচ্চ দুই লিটার ভোজ্য তেল; ৮০ টাকা দরে এক কেজি চিনি ও ৭০ টাকা দরে সর্বোচ্চ দুই কেজি মসুর ডাল কিনতে পারবেন। ঈদ উপলক্ষে প্রায় ৭২ লাখ টিসিবি কার্ডধারী পরিবারের কাছে চলতি মে মাসে প্রায় ৩৪ হাজার ৮৪৮ মেট্রিক টন পণ্য বিক্রয় করা হবে।

কার্ডধারী পরিবারের কাছে প্রতিমাসে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রয়কৃত ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডালের পরিমাণ ও মূল্য অপরিবর্তিত থাকবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 13:02:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১০ মামলায় আইভীর জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114724" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114724</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগের ১০টি মামলায় নারায়ণগঞ্জের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

হাই কোর্টের দেওয়া জামিন আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনগুলো খারিজ করে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ রোববার (১০ মে) এ আদেশ দেন। আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. মোতাহার হোসেন সাজু। আদেশের পর তিনি বলেন, আপিল বিভাগের এই আদেশের ফলে তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই।

তবে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আরও দুটি মামলায় হাই কোর্টের জামিন আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে বলে তিনি জানান। ওই দুই মামলার এফআইআরে আইভীর নাম না থাকলেও তাকে পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আইভী দেশের প্রথম নির্বাচিত নারী মেয়র এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনবারের মেয়র। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৮ আগস্ট সেলিনা হায়াৎ আইভীকে মেয়রের পদ থেকে অপসারণ করে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের বাসা থেকে আইভীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

প্রথমে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় হওয়া তিনটি হত্যা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত বছরের ৯ নভেম্বর ওই পাঁচ মামলায় হাই কোর্ট থেকে জামিন পান তিনি। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে গত বছরের ১২ নভেম্বর চেম্বার আদালত ওই জামিন স্থগিত করে বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

অন্যদিকে, হাই কোর্ট যেদিন আইভীকে প্রথম পাঁচ মামলায় জামিন দিয়েছিলেন, ঠিক সেদিনই আরও পাঁচ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। গত বছরের ১৮ নভেম্বর আদালত তা মঞ্জুর করেন। ওই পাঁচ মামলায় চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি হাই কোর্ট আইভীকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। কিন্তু এবারও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে গত ৫ মার্চ চেম্বার আদালত জামিন স্থগিত করে বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন।

দ্বিতীয় দফায় পাঁচ মামলায় জামিন আদেশ হওয়ার পর আইভীকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এবং ২০২৫ সালের ৩০ জুন দায়ের করা আরও দুটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ, যা গত ২ মার্চ ও ১২ এপ্রিল মঞ্জুর করেন নারায়ণগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত।

একের পর এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর এই প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সম্প্রতি হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন আইভীর আইনজীবীরা। সেই রিটের শুনানি শেষে গত ২৬ এপ্রিল হাই কোর্ট আইভীকে নতুন কোনো মামলায় হয়রানি বা গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দেন।

একইসঙ্গে একের পর এক মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 11:55:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুনরায় বিয়ের ৪ মাসেই বিচ্ছেদ, মুখ খুললেন সাবিকুন নাহার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114721" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114721</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আলোচিত তরুণ ইসলামী বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারার ফের বিচ্ছেদ হয়েছে। দ্বিতীয়বার বিয়ের মাত্র চার মাসের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ হলো। শনিবার (৯ মে) সাবিকুন নাহার সারা নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সাবিকুন নাহার জানান, পারিবারিক অশান্তি ও মতবিরোধের জেরে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।একপর্যায়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন তারা।

তিনি বলেন, &lsquo;আমরা নতুনভাবে সংসার শুরু করার চেষ্টা করেছিলাম। দুই পরিবারও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিয়েছিল। কিন্তু নানা কারণে সেই সম্পর্ক আর টেকেনি। শেষ পর্যন্ত রমজানের চাঁদরাতে আমাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।&rsquo;

বিচ্ছেদের পর গত বছরের ২ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আবু ত্বহা আদনান ও সাবিকুন নাহার। প্রথম বিচ্ছেদের পর দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উদ্যোগে তাদের মধ্যে পুনর্মিলন ঘটে। নতুন করে সংসার শুরু করলেও সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হলো না।

এর আগে পারিবারিক কলহের জেরে গত বছরের ২১ অক্টোবর তাদের প্রথম দফার বিচ্ছেদ ঘটে।

আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান ২০১৭ সালে ইউটিউবে বক্তৃতা শুরু করে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার আলোচনায় কিয়ামতের আলামত, দাজ্জাল, সামাজিক সমস্যা এবং মুসলিম সমাজের চ্যালেঞ্জ অন্তর্ভুক্ত থাকে।

তিনি &lsquo;জিন নুরাইন অনলাইন মাদ্রাসা&rsquo; ও পরিচালনা করেন এবং দর্শন বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করার পাশাপাশি দ্বীনি বিষয়ে স্বশিক্ষিত। ২০২৩ সালের জুনে, আদনান তার তিন সঙ্গী এবং গাড়িচালকসহ ঢাকায় যাওয়ার পথে হঠাৎ নিখোঁজ হন। আট দিন পর তিনি রংপুরে তার শ্বশুরবাড়িতে ফিরে আসেন।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 07:16:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদি পৌঁছেছেন ৫০৪৯২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114717" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/114717</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছর হজ করতে বাংলাদেশ থেকে শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০ হাজার ৪৯২ হজযাত্রী। সরকারি-বেসরকারি মোট ১২৯টি ফ্লাইটে সৌদিতে পৌঁছান তারা।

রোববার (১০ মে) হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এয়ারলাইনস, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা এবং সৌদি আরব সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্প ডেস্ক।

হেল্প ডেস্ক জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৫৯টি ফ্লাইটে সৌদি পৌঁছান ২৩ হাজার ৫৯১ হজযাত্রী, সৌদি এয়ারলাইনসের ৪৮টি ফ্লাইটে ১৮ হাজার ৪২ জন ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ২২টি ফ্লাইটে আট হাজার ৮৮৯ জন হজযাত্রী সৌদি পৌঁছান। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় গেছেন চার হাজার ৭১ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সৌদি পৌঁছান ৪৬ হাজার ৪২১ হজযাত্রী।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের অনুমতি পেয়েছেন। ৬৬০টি এজেন্সি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যার মধ্যে ৩০টি প্রধান ও ৬৩০টি সমন্বয়কারী এজেন্সি রয়েছে।

গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১) জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর মধ্যে চার হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ও ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে, আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

হজ পালন শেষে আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে। আগামী ৩০ জুন শেষ ফ্লাইটটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 05:47:34 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
