<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/sodesh</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/sodesh"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews sodesh Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest sodesh News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 10 Jul 2026 11:08:03 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ নির্দেশনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116106" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116106</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চট্টগ্রাম অঞ্চলে টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ১০টি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে চট্টগ্রাম অঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় হাজারো মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন এবং বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত মানবিক ও প্রশাসনিক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

মাহ্দী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় দুর্যোগকবলিত এলাকার পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিএনপির সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

১। প্রধানমন্ত্রী নিজে সার্বক্ষণিক দুর্যোগকবলিত এলাকার খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং পরিস্থিতি মনিটরিং করছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও নিয়মিত জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

২। চট্টগ্রাম বিভাগের দুর্যোগকবলিত এলাকায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। সেখানে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

৩। জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান&mdash;এই পাঁচ জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল দ্রুত দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

৪। সরকারের নির্দেশনায় দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য এবং তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

৫। জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।

৬। চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন, ত্রাণ বিতরণ এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তার বার্তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিরা দুর্গত এলাকায় অবস্থান করছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

৭। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে রাষ্ট্র পরিচালনাকারী দল বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী এবং প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সবাই ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক উদ্যোগে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সেনাবাহিনী ও কোস্ট গার্ড মাঠপর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত একযোগে কাজ করছে।

৮। ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসের কারণে দুর্গত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

৯। এ দুর্যোগে হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানাতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।

১০। টানা ভারী বর্ষণে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম&ndash;দোহাজারী রেলপথ ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেলপথের উচ্চতা বৃদ্ধির কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এ ছাড়া পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ স্থানে আবাসনের ব্যবস্থাও করবে সরকার।

ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে মাহ্দী আমিন বলেন, সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত, মানবিক উদ্যোগ এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই দুর্যোগ সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদী। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংকটকালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছেন এবং জনগণের সেবায় সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 10 Jul 2026 11:08:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশনে উচ্ছেদ অভিযান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116103" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116103</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এমআরটি লাইন-৬-এর মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশন এলাকায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। অভিযানে স্টেশনের গ্রাউন্ড লেভেলে যাত্রী চলাচল ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা ও দখল অপসারণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ডিএমটিসিএলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাজাহান আলী, মো. জাহিদুল ইসলাম ও নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে ডিএমটিসিএলের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), র&zwj;্যাব, ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ আনসার, ডেসকো, ওয়াসা এবং এমআরটি পুলিশ অংশ নেয়। এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন ও ডিএমটিসিএলের উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. আবু হাসান সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা দেয় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।

ডিএমটিসিএল জানায়, মেট্রোরেল স্টেশনসংলগ্ন এলাকায় অবৈধ দখলের কারণে যাত্রীদের চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছিল। এসব বিবেচনায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ দখল ও স্থাপনা অপসারণ করা হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, মেট্রোরেল স্টেশন ও এর আশপাশের এলাকা দখলমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি নতুন করে কেউ যাতে অবৈধভাবে জায়গা দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 10 Jul 2026 10:27:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে ডিএমপির অভিযান, গ্রেপ্তার ২৪ ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116101" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116101</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর শেরেবাংলা নগর ও মুগদা থানা এলাকায় পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গ্রেপ্তারদের মধ্যে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামির পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ এলাকার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। একই সময়ে মুগদা থানা পুলিশ গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে আরও ১৭ জনকে আটক করে।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন&mdash; মো. হাকিম বাবু (৩২), মো. আলাউদ্দিন (৩০), মোহাম্মদ আলী (২১), আহবাব নাদিদ জেনান (১৯), মো. রায়হান (১৯), মো. জাহিদ (১৮), মো. মামুন (২০), মো. মারুফ হোসেন রমজান (৩৯), মোছা. পারুল বেগম (৩৫), মো. সাইফুল ইসলাম (২৫), বিষু ওরফে শাহ আলম (৪৫), মো. রফিকুল ইসলাম (২৬), রাসেল (২৩), মো. ইয়াকুব খান (২৩), রাফি (২০), সুমাইয়া আক্তার (১৯), আরিফিন ইসলাম রনি (২৩), মো. সবুজ (২৬), মো. শফি (৩৮), নুর মোহাম্মদ (২৬), শ্রী রাম প্রসাদ দাস (৪০), নুরুন্নবী (২৫), মো. হালিম (৪৫) এবং মো. হৃদয় (৪০)।

ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 10 Jul 2026 09:59:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116098" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116098</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে আগামী ২৪ ঘণ্টা বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণেরও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত সর্বশেষ আবহাওয়া বুলেটিন ও ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাসেও একই ধরনের আবহাওয়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এদিনও দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনার পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। তাপমাত্রাও প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 10 Jul 2026 09:28:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে সরকারের নতুন পরিকল্পনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116093" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116093</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ব্যাপক পরিসরে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। খাদ্যের গুণগত মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন ল্যাব স্থাপন, জনবল বাড়ানো, খাদ্য নিরাপত্তার মানদণ্ড আধুনিকায়ন এবং গবেষণা কার্যক্রম জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শাক-সবজি, চাল, ডিম, দুধ, মাছ, মাংসসহ সব ধরনের খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যমান খাদ্য নিরাপত্তা আইন ও নির্দেশিকাগুলো পর্যালোচনা করে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে এখনো নির্দিষ্ট মানদণ্ড নেই, সেগুলোর জন্য নতুন মান ও নির্দেশিকা প্রণয়নের কাজ চলছে।

খাদ্যে থাকা ক্ষতিকর উপাদান যেমন&mdash;রাসায়নিক দূষণ, রোগজীবাণু, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ, ভারী ধাতু, অ্যান্টিবায়োটিক, মাইকোটক্সিন, প্রিজারভেটিভ ও অন্যান্য সংযোজকের সহনীয় মাত্রা বৈজ্ঞানিক গবেষণার ভিত্তিতে নির্ধারণ ও হালনাগাদ করা হবে। পাশাপাশি খাদ্যে তেজস্ক্রিয়তার গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ধারণ এবং খাদ্য পরীক্ষাগারগুলোর আধুনিকায়নের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

বিএফএসএ সূত্র জানায়, খাদ্য পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ঝুঁকি মূল্যায়ন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, তথ্য সংগ্রহ এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। আমদানি করা খাদ্যের মান যাচাই, মোড়কজাত খাদ্যের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের নীতিমালা এবং খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য নতুন প্রবিধান তৈরির কাজও চলছে।

এদিকে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা বাড়াতে খাদ্য ব্যবসায়ী, হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিক, কর্মী ও স্ট্রিট ফুড বিক্রেতাদের প্রশিক্ষণের আওতা বাড়ানো হচ্ছে। বাজার, খাদ্য বিক্রয়কেন্দ্র ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অভিযান এবং নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে।

বিএফএসএ সচিব শ্রাবস্তী রায় বলেন, একটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি গঠনে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য পূরণে সরকার আইন প্রণয়ন, নীতিমালা তৈরি এবং কার্যকর বাস্তবায়নে কাজ করছে। তবে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা&mdash;সব পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে খাদ্যে ভেজাল বন্ধ করা সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের মধ্যে নৈতিক চর্চা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

বিএফএসএ সদস্য (আইন ও নীতি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে দেশে বর্তমানে ৪৭টি পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্যের মান পরীক্ষা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে জনবল সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দ্রুত খাদ্যের মান যাচাইয়ের জন্য তৃণমূল পর্যায়ে মিনি ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে দেশব্যাপী কর্মশালা, সেমিনার ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হচ্ছে।

নরসিংদী ও গাজীপুরে কয়েকজন শিশুর শরীরে ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার ঘটনায় এর উৎস ও কারণ অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআর,বি-এর সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণা চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি উৎপাদক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর উপাদানের ব্যবহার কমিয়ে দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Jul 2026 15:08:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম চালুর উদ্যোগ সরকারের: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116090" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116090</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রিন ভলান্টিয়ারিজম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ক্লাইমেট ইয়ুথ ফেলোশিপ এবং এনভায়রনমেন্ট স্টার্ট-আপ ফান্ড চালুসহ পরিবেশ সংরক্ষণে বিভিন্ন ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস, পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গে মানব সমাজের সম্পর্ক গভীর ও অবিচ্ছেদ্য। তাই পরিবেশ সংরক্ষণকে আলাদা কোনো খাত হিসেবে নয়, বরং জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার।

সবুজায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি শিশু জন্মগ্রহণ করলে একটি গাছ রোপণের মাধ্যমে সেই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে তোলার সামাজিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা উচিত। একজন নবজাতকের পাশাপাশি একটি গাছও বেড়ে উঠুক&mdash;এভাবেই সবুজায়নকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরে নতুন করে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, পরিবেশ ও মাটির ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত প্রজাতির গাছ নির্বাচন এবং রোপণের পর সেগুলোর পরিচর্যা নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দেশীয় প্রজাতির বনজ, ফলদ, ঔষধি, বাঁশজাতীয় ও বিপন্ন প্রজাতির গাছ রোপণে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়, বরং বর্তমান বাস্তবতা। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ, নদীভাঙন ও লবণাক্ততা দেশের কৃষি, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং জনজীবনের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। এ বাস্তবতায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নেও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্লাস্টিক বর্জ্য কমানো, জৈব সার উৎপাদন, পুনর্ব্যবহার, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন এবং &lsquo;রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল&rsquo; (৩আর) নীতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে। তিনি নাগরিকদের নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Jul 2026 14:22:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মেট্রোরেলের কমলাপুর অংশ নিয়ে অনিশ্চয়তা ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116089" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116089</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ এখন শেষ পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। প্রায় সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ইতোমধ্যে ৭৮ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে পরীক্ষামূলক ট্রেন চালানো সম্ভব হবে এবং একই বছরের এপ্রিল থেকে যাত্রী পরিবহন শুরু করা যাবে। তবে বর্তমান কাজের গতি ও বাকি প্রযুক্তিগত কার্যক্রম বিবেচনায় সময়মতো প্রকল্প শেষ হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের শুরুতে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়। গত ৪২ মাসে প্রকল্পের অগ্রগতি ধারাবাহিকভাবে বাড়লেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে আগামী কয়েক মাসে আরও দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে নিতে হবে।

বর্তমানে কমলাপুর স্টেশনের মূল কাঠামো, পিয়ার, পাইলক্যাপ এবং স্টেশন কলামের নির্মাণ শেষ হয়েছে। উড়ালপথে রেললাইন বসানোর কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ওভারহেড বৈদ্যুতিক লাইনের খুঁটি স্থাপন, প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, কনকোর্স, নিরাপত্তা দেয়াল এবং স্টেশনের ছাউনি তৈরির কাজ উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়েছে।

স্টেশনের অভ্যন্তরে এখন টাইলস, মার্বেল, রং, কাচ স্থাপন, লিফট, এসকেলেটর, ওয়াশরুম, ফায়ার ফাইটিং ব্যবস্থা এবং অন্যান্য স্থাপত্যগত ফিনিশিংয়ের কাজ চলছে। পাশাপাশি ট্র্যাক স্থাপন ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামোও নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রকল্প পরিচালকের তথ্য অনুযায়ী, সিভিল ওয়ার্কের পাশাপাশি এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে সিগন্যালিং ও ইলেকট্রোমেকানিক্যাল ব্যবস্থা স্থাপন। এই কাজ শেষ হওয়ার পরই বিদ্যমান এমআরটি লাইন-৬-এর সঙ্গে নতুন অংশের সফল সংযোগ নিশ্চিত করা যাবে। এরপর রাতের বেলায় উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে কমলাপুর পর্যন্ত খালি ট্রেনে পরীক্ষামূলক যাত্রা পরিচালনা করা হবে।

প্রকল্পের ইলেকট্রোমেকানিক্যাল অংশ একসময় ব্যয় বৃদ্ধি ও ঠিকাদার নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতায় আটকে গেলেও পরে ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি) দায়িত্ব পাওয়ার পর কাজ আবার গতি পায়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি সিগন্যালিং, কমিউনিকেশন ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত অবকাঠামো বাস্তবায়ন করছে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন অবকাঠামো নয়, বরং প্রযুক্তিগত সমন্বয়। সিগন্যালিং, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক নির্ভুলভাবে বিদ্যমান লাইনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে না পারলে নির্ধারিত সময়সূচি পিছিয়ে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যবহৃত অধিকাংশ যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সময়মতো দেশে পৌঁছানো, ঠিকাদারদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে পারলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের আওতায় উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ দশমিক ১ কিলোমিটার উড়ালপথে মেট্রোরেল ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। পরে কমলাপুর পর্যন্ত অতিরিক্ত ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার অংশ যুক্ত হওয়ায় প্রকল্পের ব্যয় ও বাস্তবায়ন সময় উভয়ই সংশোধন করা হয়। বর্তমানে ব্যয় পুনর্নির্ধারণের পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করতে দ্রুতগতিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

পরিবহন বিশ্লেষকদের মতে, কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু হলে রাজধানীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশনের সঙ্গে সরাসরি দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হবে। এতে নগরবাসীর যাতায়াত আরও সহজ হবে, যানজট কমবে এবং রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন গতি যুক্ত হবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Jul 2026 13:59:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রায় দুই বছর পর আখাউড়া বন্দর দিয়ে ভারতে যাত্রী যাতায়াত শুরু ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116087" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116087</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দীর্ঘ প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভ্রমণ (ট্যুরিস্ট) ভিসায় বাংলাদেশি যাত্রীদের ভারতে যাতায়াত আবারও শুরু হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে পর্যটকদের জন্য ভারতের সীমান্তপথ পুনরায় উন্মুক্ত হলো।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে প্রথম বাংলাদেশি যাত্রী ভ্রমণ ভিসায় ভারতে প্রবেশ করেন।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ওই যাত্রীর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ফুলবাড়িয়ায়। তিনি গত ২৮ জুন ভিসার জন্য আবেদন করেন এবং ৮ জুলাই ছয় মাস মেয়াদি মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে আখাউড়া বন্দর দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে আসার সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। তাদের বেশিরভাগই ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন। অন্যদিকে, ভারতগামী বাংলাদেশিদের অধিকাংশই চিকিৎসা (মেডিকেল) ভিসায় যাতায়াত করছেন। তবে ভারত সরকার নতুন করে ভ্রমণ ভিসা দেওয়া শুরু করায় আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশি যাত্রীর সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আখাউড়া স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রহিম বলেন, &ldquo;বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একজন বাংলাদেশি ভ্রমণ ভিসায় ভারতে গেছেন। আগামী দিনগুলোতে ভারতীয় ভিসাপ্রাপ্ত যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছি।&rdquo;

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে ভারত বাংলাদেশে ভিসা কার্যক্রম স্থগিত করেছিল। প্রায় দুই বছর পর সম্প্রতি আবারও ভ্রমণ ভিসা চালু করা হয়। গত ২৮ জুন থেকে ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনার ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলোতে আবেদন গ্রহণ শুরু হয় এবং ৮ জুলাই থেকে আবেদনকারীরা ভিসা পেতে শুরু করেন।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Jul 2026 13:44:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, ৫ জেলায় বন্যা ও ভূমিধসের সতর্কতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116082" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116082</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং সক্রিয় প্রবল মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) থেকে শনিবার (১১ জুলাই) পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় এসব এলাকায় ২০০ থেকে ৫০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এতে পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (৮ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত) চট্টগ্রামের আমবাগানে ২৭৭ মিলিমিটার, বান্দরবানে ২১০ মিলিমিটার, রাঙামাটিতে ১৬৫ মিলিমিটার এবং কক্সবাজারে ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় কক্সবাজারের টেকনাফ, উখিয়া ও সদর উপজেলা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৭, ৮, ৯ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং বাঁশখালী উপজেলা, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি, লামা ও সদর উপজেলা এবং রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলাকে ভূমিধসের জন্য উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে অধিদপ্তর।

এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাহাড়ের ঢাল ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যেতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও গর্ভবতী নারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার সময় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ, টর্চলাইট, মোমবাতি, দিয়াশলাই, অন্তত তিন দিনের কাপড় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি মোবাইল ফোন ও পাওয়ার ব্যাংক চার্জ দিয়ে রাখা, পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং গবাদিপশু ও পোষা প্রাণীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধসের পাশাপাশি আকস্মিক বন্যারও আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে নদী ও পাহাড়ি ঝিরির আশপাশে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পানি নিষ্কাশনের পথ পরিষ্কার রাখা, আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা, বিকল্প বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রস্তুত রাখা এবং জনগণের মধ্যে দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Jul 2026 12:21:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সংবিধানে ফিরল গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116081" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116081</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি বিধান অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে সংবিধানে গণভোটের বিধান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল খারিজ করে সর্বোচ্চ আদালত এই সিদ্ধান্ত দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

রায় ঘোষণার পর ড. শরীফ ভূঁইয়া ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির একে &lsquo;ঐতিহাসিক রায়&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেন।

এর আগে বুধবার (৮ জুলাই) টানা তিন দিনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগের বেঞ্চ রায় ঘোষণার জন্য ৯ জুলাই দিন ধার্য করেছিলেন।

হাইকোর্টের রায়ে যা ছিল

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি বিধান অবৈধ ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে সংবিধানে গণভোটের বিধান পুনর্বহালের নির্দেশ দেন। তবে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়নি।

রায়ে বলা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্তিসংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনীর ২০ ও ২১ অনুচ্ছেদ সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। পাশাপাশি ৭ক, ৭খ এবং ৪৪(২) অনুচ্ছেদও সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করা হয়।

হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে বলেন, গণতন্ত্র সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ এবং তা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের মাধ্যমে বিকশিত হয়। দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত বিগত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে জনগণের আস্থা তৈরি হয়নি। আদালতের মতে, এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

আদালত আরও বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল এবং সময়ের সঙ্গে এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশে পরিণত হয়েছে।

গণভোটের বিধান পুনর্বহাল

রায়ে বলা হয়, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে গণভোটের বিধান বাতিল করা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই পঞ্চদশ সংশোধনীর ৪৭ ধারা বাতিল ঘোষণা করে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে থাকা গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়, জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয় এবং সংবিধানের বিভিন্ন ধারায় মোট ৫৪টি সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়।

পরবর্তীতে সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ কয়েকজন এই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। গত বছরের ১৯ আগস্ট হাইকোর্ট এ বিষয়ে রুল জারি করেন। পরে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণফোরামসহ একাধিক পক্ষ মামলায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখায় সংবিধানে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের পথ সুগম হলো।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Jul 2026 12:08:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে চার শতাধিক গ্রেপ্তার ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116066" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116066</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৪৩২ জনকে গ্রেপ্তার ও ৫৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ সময় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও চুরি হওয়া বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৫০ জন, লালবাগ বিভাগে ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগে ৫৯ জন, মতিঝিল বিভাগে ৪৯ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৪৯ জন, মিরপুর বিভাগে ১০৭ জন, গুলশান বিভাগে ৪৫ জন, উত্তরা বিভাগে ৩৭ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে।

অভিযানকালে গ্রেপ্তারকৃতদের থেকে ১৬ কেজি ৫৪০ গ্রাম গাঁজা, ৪৪৬ পিস ইয়াবা, ৩২ গ্রাম হেরোইন, একটি মোটরসাইকেল, একটি শুটার মেশিন, একটি কাঠ কাটার মেশিন, একটি গ্রাইন্ডিং মেশিন এবং একটি স্ট্যান্ড ফ্যান উদ্ধার করা হয়।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 11:45:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116059" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116059</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মানিকগঞ্জের সিংগাইরে আয়োজিত এ মহড়ায় তিনি প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি সেনাসদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ৮ বীর-এর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় আকস্মিকভাবে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি প্রশিক্ষণ এলাকার বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং মাঠপর্যায়ে চলমান মহড়া পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী &lsquo;ফার্ম বেস&rsquo;-এর বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসার (সিও) তাকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, কৌশলগত প্রস্তুতি এবং অপারেশনাল পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা শোনেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত একটি &lsquo;রেইড&rsquo; মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।

এ ছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশল প্রয়োগ, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেনা বাঙ্কারে নেমে মহড়ায় অংশ নেওয়া অফিসার ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে রণকৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছেও গিয়ে তাদের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং উৎসাহ প্রদান করেন।

একপর্যায়ে মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা তাৎক্ষণিক রান্না করা খাবার গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তাদের সঙ্গে চা পান করে কিছু সময় কাটান। সরকারপ্রধানকে মাঠপর্যায়ে নিজেদের মাঝে পেয়ে সেনাসদস্যরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর আস্থা রাখে। জাতীয় সংকট মোকাবিলা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 10:08:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নির্বাচন ব্যবস্থায় সম্পৃক্ত থাকতে চায় ইইউ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116057" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116057</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় আগামীতেও সম্পৃক্ত থাকতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে নির্বাচন নিয়ে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সংলাপের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন। সেখানে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার জানান একথা জানান।

মাইকেল মিলার আরও জানান, নারী সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে কীভাবে আরও বেশি নির্বাচনব্যবস্থায় সম্পৃক্ত করা যায়, সেটি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে সংস্থাটি।

এসময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবজারভেশন মিশনের সুনির্দিষ্ট ১৯ প্রস্তাবনার কথা জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, পরামর্শগুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। একইসাথে সামনের দিনগুলোতে ইইউর সঙ্গে বিষয়গুলো সমন্বয় করা হবে।

এদিকে সংলাপের উদ্বোধনীতে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, প্রেক্ষাপট এক না হলেও আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন কমিশন। এতে ভোটকেন্দ্র স্থাপন থেকে শুরু করে সার্বিক প্রস্তুতি সাজানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালায় কাজ চলছে জানিয়ে ইসি সানাউল্লাহ জানান, ইসির দক্ষতা এবং পর্যবেক্ষকদের প্রস্তাবিত বিষয়গুলো ভালোভাবে আমলে নিলে সামনের দিনগুলোতে ভালো কিছু সম্ভব।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 09:24:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টানা বৃষ্টিতে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা বিপৎসীমার ওপরে, ১২ জেলায় বন্যার শঙ্কা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116052" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116052</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৌসুমি লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। বর্তমানে দেশের অধিকাংশ নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে একাধিক নদীতে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

প্রকাশিত সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

যেসব জেলায় বাড়ছে বন্যার ঝুঁকি

আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর, ময়মনসিংহ, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এসব জেলার নিচু এলাকায় সাময়িক বন্যা ও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

তিস্তা অববাহিকায় বাড়ছে উদ্বেগ

রংপুর অঞ্চলের তিস্তা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং ডালিয়া ব্যারাজ পয়েন্টে সতর্কসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। আবহাওয়ার বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে নীলফামারী ও লালমনিরহাটের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল স্বল্পমেয়াদি বন্যার কবলে পড়তে পারে।

একই সময়ে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও সতর্কসীমার দিকে এগোতে পারে, যার প্রভাবে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সিলেট অঞ্চলে নদীর পানি বাড়ছে

যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার সামগ্রিক পানির প্রবাহ কিছুটা কমেছে, তবে কুশিয়ারা নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানি এখনও সতর্কসীমার কাছাকাছি রয়েছে। ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদীসংলগ্ন নিচু এলাকায় অস্থায়ী প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

এছাড়া সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীগুলোর পানির প্রবাহও আগামী কয়েক দিনে দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে সিলেট বিভাগের কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলেও সতর্কতা

গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানির উচ্চতা ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে। আগামী তিন দিনের ভারী বর্ষণে কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

এছাড়া নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলেও সাময়িক জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে।

ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও পদ্মা অববাহিকার পরিস্থিতি

সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকার নদীগুলোর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনার পানি আগামী কয়েক দিন কমে পরে আবার বাড়তে পারে। গঙ্গার পানি কিছুদিন স্থিতিশীল থাকার পর বৃদ্ধি পেতে পারে, অন্যদিকে পদ্মার পানি কয়েক দিন কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যান্য নদীর অবস্থা

রাজশাহী অঞ্চলের আত্রাই, মহানন্দা ও করতোয়া অববাহিকার নদীগুলো এখনও নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে। ঢাকার তুরাগ, ধলেশ্বরী ও টঙ্গীখালের পানিও মোটামুটি স্থিতিশীল। খুলনা অঞ্চলের গড়াই ও মাথাভাঙা নদীর পানিও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।

তবে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে আগামী তিন দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অববাহিকায় নদীর পানির উচ্চতা দ্রুত বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রশাসনের সতর্কতা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে হবে। স্থানীয় প্রশাসনকে সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 08:02:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিকেল ৩টায় শুরু সংসদ অধিবেশন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116043" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116043</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন, যা বাজেট অধিবেশন-২০২৬ হিসেবে পরিচিত, আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনে পুনরায় শুরু হচ্ছে।

ছয় দিনের বিরতির পর এই অধিবেশন শুরু হবে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। সংসদের কার্যক্রম নিয়ম অনুযায়ী উদ্বোধনের পরই দিনের আলোচ্যসূচি গ্রহণ করা হবে।

গত ৩০ জুন নতুন অর্থবছরের বাজেট পাস হওয়ার পর অধিবেশন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। চলমান অধিবেশনে ইতোমধ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অনুমোদন পেয়েছে। একই সঙ্গে অর্থ বিলসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইনও সংসদে পাস হয়েছে।

এর আগে, গত ১১ জুন বাজেট উপস্থাপনের পর সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে বাজেটের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। শুধু বাজেট নয়, তারা দেশের অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান পরিস্থিতি, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু তুলে ধরেন।

আজকের অধিবেশনে এসব আলোচনার ধারাবাহিকতায় আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিতর্ক ও মতামত উপস্থাপনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 07 Jul 2026 04:48:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চার বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, ১৭ নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116042" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116042</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে দেশের ১৭টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়ার সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এর আগে সোমবার প্রকাশিত সতর্কবার্তায় জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি এবং এর চেয়েও বেশি অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে।

বিশেষ করে চট্টগ্রাম মহানগরের কিছু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ভূমিধসের ঝুঁকিও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সারাদেশের ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও এই বৃষ্টিপাত ভারী আকার ধারণ করতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বৃষ্টিপাত বাড়ায় দেশের তাপমাত্রা দিন ও রাতে সামান্য কমে আসতে পারে, যা স্বস্তি এনে দিতে পারে গরমে অতিষ্ঠ মানুষের জন্য।

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 07 Jul 2026 04:42:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পদ্মা সেতুর রেলপথে নিরাপত্তা সংকট, বাড়ছে উদ্বেগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116041" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116041</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পদ্মা সেতুর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের বহু বছরের স্বপ্ন পূরণ হয়েছিল। সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি রেল যোগাযোগ চালু হওয়ায় রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাতায়াত আরও সহজ হয়েছে। প্রতিদিন হাজারো যাত্রী এই রেলপথ ব্যবহার করছেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই স্বপ্নের রেলপথ এখন নতুন এক নিরাপত্তা সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।

বিশেষ করে মাদারীপুরের শিবচর এলাকায় রেললাইনের সিগন্যাল ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ ও ক্যাবল চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। একই সঙ্গে রেললাইনে অসচেতন চলাচল ও দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাও বাড়ছে। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

সিগন্যালের যন্ত্রাংশ চুরি বাড়াচ্ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা

রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত কয়েক মাসে ঢাকা-ভাঙ্গা রেলপথের বিভিন্ন স্টেশনে সিগন্যাল ব্যবস্থার ট্র্যাক পটসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। বিশেষ করে শিবচর ও পদ্মা রেলস্টেশন এলাকায় একাধিকবার একই ধরনের চুরির ঘটনা ঘটেছে।

সম্প্রতি জুন মাসেই একাধিক রাতে সিগন্যাল পয়েন্টের ট্র্যাক পট খুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এর আগেও মার্চ মাসে একই ধরনের ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েকজনকে আটক করলেও চুরি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।

রেল কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এসব যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ায় স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ট্রেন চলাচলে বিলম্ব হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ট্রেন পরিচালনা করতে হচ্ছে।

ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ট্রেন পরিচালনা

রেলওয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, স্বাভাবিক সিগন্যাল ব্যবস্থা অচল হয়ে গেলে কর্মীদের মাঠে দাঁড়িয়ে &#39;লুক স্টিক&#39; ব্যবহার করে ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে হয়। এতে কর্মীদের নিজের জীবনও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।

স্টেশন মাস্টারদের মতে, এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দাবি জানানো হয়েছে।

টহল বাড়ানোর উদ্যোগ

ভাঙ্গা রেলওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ভাঙ্গা জংশন থেকে শিবচর ও পদ্মা স্টেশনের দূরত্ব বেশি হওয়ায় নিয়মিত টহলে কিছুটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই সুযোগেই দুর্বৃত্তরা রেললাইনের মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি করছে।

পুলিশের দাবি, আগের ঘটনাগুলোতে মামলা হয়েছে এবং কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। ভবিষ্যতে টহল আরও জোরদার করে সরকারি সম্পদ রক্ষায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আড়াই বছরে প্রাণ গেছে অন্তত ২৫ জনের

রেললাইন চালুর পর থেকে আরেকটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যুর ঘটনা। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত আড়াই বছরে শুধু শিবচর এলাকায় অন্তত ২৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

এর মধ্যে নারী, শিশু, কিশোর ও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিও রয়েছেন। অধিকাংশ দুর্ঘটনা সন্ধ্যার পর কিংবা মানুষের ভিড়ের সময় ঘটেছে।

বেড়েছে রেললাইনে মানুষের ভিড়

স্থানীয়দের মতে, নতুন রেললাইন চালুর পর অনেকেই বিকেলে পরিবার নিয়ে রেললাইনের পাশে ঘুরতে আসেন। অনেকেই রেললাইনের ওপর হেঁটে বেড়ান কিংবা ছবি তোলেন। দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ এই এলাকায় বেড়াতে আসেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুতগতির ট্রেনের গতি অনেক সময় সাধারণ মানুষের কাছে ভুলভাবে ধীর মনে হয়। ফলে ট্রেনের দূরত্ব ভুল হিসাব করে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হন।

সচেতনতার অভাব বড় কারণ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অনেক মানুষ ট্রেনের সময়সূচি সম্পর্কে অবগত নন। আবার কেউ কেউ অসাবধানতাবশত রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করেন। এতে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে।

এছাড়া স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে আত্মহত্যা কিংবা অপরাধমূলক ঘটনাও তদন্তের দাবি রাখে। তাই প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি রেলপথে নিরাপত্তা নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ মনে করছে, যন্ত্রাংশ চুরি বন্ধে নিয়মিত নজরদারি, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার এবং কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।

অন্যদিকে দুর্ঘটনা কমাতে রেললাইনের পাশে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বেড়া স্থাপন, সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড বৃদ্ধি এবং নিয়মিত টহল পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পদ্মা সেতুর রেলপথ যেন উন্নয়নের প্রতীক হিসেবেই পরিচিত থাকে, আতঙ্ক কিংবা মৃত্যুফাঁদ হিসেবে নয়। নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রেল যোগাযোগ নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সময়ের দাবি।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 07 Jul 2026 04:31:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শুধু দুদকের একার পক্ষে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116039" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116039</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা বলেছেন, শুধু দুদকের একার পক্ষে দেশে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। এ জন্য সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের, বিশেষ করে যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

সোমবার (৬ জুলাই) দুদকের তদন্ত-২ বিভাগের মহাপরিচালক মোতাহার হোসেনের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এ মন্তব্য করেন।

দুদকের মানিলন্ডারিং বিভাগের মহাপরিচালক মো. মোকাম্মেল হক বলেন, দেশের সাড়ে তিন কোটি যুবক যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হন, তাহলে অন্তত ৫০ শতাংশ দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি বলেন, দুর্নীতিবিরোধী জনসচেতনতা গড়ে তুলতে তরুণদের সম্পৃক্ততা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বিদায়ী বক্তব্যে তদন্ত-২ বিভাগের মহাপরিচালক মোতাহার হোসেন বলেন, দেশের স্বার্থে দুদককে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তিনি জানান, অতীতে দায়িত্ব পালনকালে নানা মানসিক চাপ থাকলেও বর্তমানে কাজের পরিবেশ তুলনামূলক ইতিবাচক হয়েছে।

সম্প্রতি সরকার মোতাহার হোসেনকে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। তার বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুদকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান ও কমিশনার না থাকায় দুদকের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিমত। প্রায় চার মাস নেতৃত্বশূন্য থাকার পর সরকার নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে একটি সার্চ কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 14:23:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এলডিসি উত্তরণের পর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি: তথ্যমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116026" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116026</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পর যেসব নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, সেগুলো মোকাবিলায় এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে মনোযোগী রয়েছেন। অতিরিক্ত সময় পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার, রপ্তানির প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি, প্রশাসনিক জটিলতা দূরীকরণ এবং এলডিসি-পরবর্তী নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।

সোমবার (৬ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে র&zwj;্যাপিড (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট) আয়োজিত &#39;এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন অ্যান্ড ট্রেড কম্পিটিটিভনেস&#39; শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

জাহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এলডিসি উত্তরণের চ্যালেঞ্জ এখনই না এলেও বাংলাদেশের সামনে রপ্তানি খাতের যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলার বিকল্প ছিল না। অর্থনীতিকে রপ্তানিমুখী করেই এগোতে হবে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এসব চ্যালেঞ্জ আরও বাড়বে। সরকার এরইমধ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এর ফলে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এই অতিরিক্ত সময় শুধু সমস্যা পেছানোর জন্য নয়, বরং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে।

জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদনের পর বিষয়টি সাধারণ পরিষদেও অনুমোদন পেতে হবে। বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বাংলাদেশ হওয়ায় এ ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা সৃষ্টি হবে না এবং বাংলাদেশ তিন বছরের বর্ধিত সময় পাবে।

তিনি এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের জন্য সম্ভাব্য তিন বছরের বর্ধিত সময়কে দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো ও প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কারে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন ।

মন্ত্রী আরও বলেন, রাজনীতি যদি অর্থনীতিবান্ধব না হয়, তাহলে এ ধরনের আলোচনা কেবল তাত্ত্বিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে। জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে অর্থনীতিবান্ধব রাজনীতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি দৌলত আক্তার মালা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ও র&zwj;্যাপিডের নির্বাহী পরিচালক ড. এম আবু ইউসুফ এবং র&zwj;্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 11:37:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সারাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116024" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/116024</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাম্প্রতিক সময়ে তুলনামূলক কম বৃষ্টিপাত, ঈদুল আজহা, গ্রীষ্মকালীন অতিরিক্ত তাপমাত্রা, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপ এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার কারণে সারাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ খাতের অগ্রাধিকার, জনকল্যাণে গৃহীত ব্যবস্থা, মিটার ভাড়া এবং জুন ২০২৬ মাসের বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত বিদ্যুৎ বিভাগের বক্তব্য বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত একথা বলেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, একই সময়ে বাসাবাড়িতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ফ্যান, রেফ্রিজারেটরসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ব্যবহারও আগের তুলনায় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সামগ্রী, ফ্রিজ, টিভি, রাইস কুকার, ব্লেন্ডার ও ইলেকট্রিক কেটলির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলছে এই বিষয়টিও।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরবচ্ছিন্ন, নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতকে আর্থিকভাবে টেকসই করা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করা।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে, যাতে গ্রাহকদের ওপর ব্যয়ের সম্পূর্ণ চাপ না পড়ে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো, প্রি-পেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ এবং সেবার মান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ বলেন, সম্প্রতি জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে জনমনে কিছু প্রশ্ন ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম সংবাদ পরিবেশন করেছে। বিদ্যুৎ বিভাগ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রকৃত সত্য তুলে আনার জন্য সব বিতরণ সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে। এক্ষেত্রে কারও দায়িত্বে অবহেলা কিংবা গ্রাহক হয়রানির সংশ্লেষ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 10:40:28 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
