<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/shisu-shargo</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/shisu-shargo"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews shisu-shargo Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest shisu-shargo News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Mon, 14 Jul 2025 04:05:35 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[২১ বছর ধরে শিশুশিক্ষায় তালপাতার পাঠশালা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/112485" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/112485</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শিশুশিক্ষার হাতে খড়ির প্রচলন হিসেবে একটা সময় ছিলো তালপাতার প্রচলন। আর লেখনী হিসেবে বাশের কঞ্চি এবং কয়লারকালি। এই সনাতনী প্রথায় আগেরকার শিশুরা অক্ষরজ্ঞান নিতো। আধুনিকতার ছোঁয়ার সাথে-সাথে এখনকার শিশুদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে অক্ষরজ্ঞান দিলেও তাল পাতার প্রচলন গ্রাম-গঞ্জের অনেক স্থানে এখনও দেখা মেলে।

তারই ধারাবাহিকতায় বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার ডুমুরিয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামে তাল পাতার প্রচলনে দীর্ঘ ২১ বছর ধরে যিনি শিশু শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের বাতিঘর হিসেবে আলোকিত করে আসছেন। তিনি হলেন, কালিপদ বিশ্বাস। কালিপদ স্থানীয় মৃত: যুধিষ্টি বিশ্বাসের ছেলে। তিনি এলাকার পন্ডিত মহাশয় নামেখ্যাত। সম্প্রতি তাঁর পাঠশালায় শিশুদের অ,আ, ক,খ ; কলরবের মধ্যেদিয়ে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। প্রথমেই তিনি বলেন এই পাঠশালার নাম &ldquo;ডুমুরিয়া দক্ষিণ পাড়া শিশুবিদ্যা নিকেতন&rdquo;। দীর্ঘ ২১ বছর ধরে তিনি এই পেশায় নিয়োজিত আছেন। বর্তমান তার বয়স চলে ৮২ বছর। এক প্রশ্নের উত্তরে কালিপদ বলেন, শিশুদের শিক্ষা দিতে তার ভালো লাগে। ভালো লাগার কারনেই এদের হাতে তালপাতা ধরিয়ে দিয়েছি ; যাতে করে এরা দুটি অক্ষর শেখে।

বিনিময় আপনি কোন পারিশ্রমিক গ্রহণ করেন কিনা ? এই প্রশ্নে তিনি বলেন ৫০জন শিক্ষার্থী আছে ; হাজিরায় ৩১-৩২ জন থাকে। ওদের অভিভাবকরা যা কিছু দেয় তাই নিই। বার্ধক্য আসছে একটু ওষুধ কিনতে হয়। একটা মাছের ঘের আছে, ৫টা ছেলে মেয়ে, মোটা-মুটি চলে যায়। আধুনিক যুগে কেন তালপাতা, বাশের কঞ্চি আর কয়লার কালি দিয়ে শিশুদের অক্ষর শিক্ষা দিতেছেন ?। এই প্রশ্নে তিনি জানান, শিশুদের অক্ষর জ্ঞানের প্রথম ধাপ হচ্ছে ; অ,আ,ক,খ, এ,বি, সি,ডি,শতকিয়া ও বানান,ফালা। তাল পাতায় হাতের লেখা ভালো হয়। উপর ক্লাশে গিয়ে মার্ক বেশী পায়। আমরা এবং আমাদের বাবা-ঠাকুরদাইতো ছোটকালে তাল পাতায় লিখছেন আমিও সে প্রথা ধরে রাখছি।

শিশু শিক্ষার্থী বাধন রায় এর মা&rsquo; বলেন, তাল পাতায় হাতের খেলা গুনে-মানে ভালো হয় এবং পরিস্কার অক্ষর হয় । অপর শিক্ষার্থীর মা&rsquo; জানান, এখানে প্রতিজন শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন ১২টা করে তালপাতা লিখে দেখাতে হয়। বছর শেষে এরা পরীক্ষা দিয়ে শিশু ওয়ানে ওঠে। ধৈয্য-সহনশীলতা এবং শিশুদের প্রতি মমত্ববোধ পন্ডিত মহাশয়ের বেলায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 14 Jul 2025 04:05:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কিশোরগঞ্জের ইটনায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/111803" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/111803</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কিশোরগঞ্জ ইটনায় অদিতী রাণী দাস(৪) নামের এক কন্যা শিশু পানিতে পড়ে মৃত্যুবরণ করেছে। সে উপজেলা সদরের দাস পাড়া গ্রামের অবিকল দাসের মেয়ে।

জানা যায়, শনিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে অবিকল দাস বাড়ির সামনে ধনু নদীতে মেয়ে অদিতীকে নিয়ে গোসল করতে যান। গোসল শেষে অদিতীকে বাড়ির দিকে খানিকটা এগিয়ে দিয়ে নৌকা নিয়ে ধান আনতে যান তিনি। খানিকটা পরে শিশুটি আবারও নদীতে গিয়ে একা গোসল করতে থাকলে এক পর্যায়ে পানিতে ডুবে যায়। এদিকে অদিতীকে অনেকক্ষণ যাবৎ দেখতে না পেয়ে স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। তখন এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অদিতীকে নদীর পাড়ে যেতে দেখেছেন তিনি। পরে তার দেওয়া তথ্যমতে নদীতে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করার এক পর্যায়ে নিধু রঞ্জৈদন দাস নামে একজন শিশুটির মরদেহ খুঁজে পান।

ইটনা থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মো. আলমগীর হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বিষয়টি মাত্র জেনেছি। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সাননিউজ/ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 26 Apr 2025 13:03:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিশুদের ‘আত্মসুরক্ষা কৌশল প্রশিক্ষণ’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/95387" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/95387</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুজাহিদ প্রিন্স, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীতে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ ও অধিকার রক্ষা জন্য &lsquo;আত্মসুরক্ষা কৌশল প্রশিক্ষণ&rsquo; অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: নান্দনিক আয়োজনে বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেল ৩ টায় পৌর শহরের কাঠপট্টি মাঠে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন পটুয়াখালী পৌরসভার মেয়র মো. মহিউদ্দিন আহম্মেদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ফারুখ মৃধা, ইউনিসেফের সেলফ ডিফেন্স প্রজেক্টের কমিউনিকেশন অফিসার মিঠুন শর্মা, পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মো. সোহরাব হোসেন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফরিন জাহান নিনা।

ইউনিসেফের সেলফ ডিফেন্স প্রজেক্টের কমিউনিকেশন অফিসার মিঠুন শর্মা বলেন, আত্মসুরক্ষা কৌশল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠবে। নারী ও শিশুদের আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে ইউনিসেফ।

আরও পড়ুন: চলতি মাসেই শৈত্যপ্রবাহ

আত্মসুরক্ষা কৌশল প্রশিক্ষণে ৬-১৮ বছরের ৮০ শতাংশ মেয়ে শিশু ,১৫ শতাংশ ছেলে শিশু এবং ৫ শতাংশ চিলড্রেন উইথ ডিজেবিলিটি (CWD) অংশগ্রহণ করেন।

এসব শিশুদের একজন অভিজ্ঞ ট্রেইনার আত্মসুরক্ষার কৌশল শেখাচ্ছেন। ইউনিসেফ চাইল্ড প্রটেকশন কমিউনিটি মোবিলাইজার সাইফুন আরা বাইজিদ সচেতনতামূলক কাজে শিশু থেকে শুরু করে পিতা-মাতাদেরও সচেতন করছেন এবং বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে আত্মসুরক্ষার কৌশল প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে কারখানায় আগুন

উল্লেখ্য, ইউনিসেফের সার্বিক সহযোগিতায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ১২ টি সিটি কর্পোরেশন এবং ২৫ টি জেলায় চলছে আত্মসুরক্ষার কৌশল প্রশিক্ষণ।

গত ১ আগস্ট থেকে খুলনা বিভাগে শুরু হওয়া আত্মসুরক্ষা কৌশল প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগে কাজ করছে। বাংলাদেশের ১ লক্ষ শিশুকে আত্মসুরক্ষা কৌশল প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসবে ইউনিসেফের আত্মসুরক্ষা কৌশল কর্মসূচি।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 Dec 2023 09:23:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আন্তর্জাতিক কন্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/92453" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/women/92453</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভোলা প্রতিনিধি: লিঙ্গ বৈষম্য দূর করাই আন্তর্জাতিক কন্যা দিবসের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। চারিদিকে বৈষম্য, অন্যায়, ধর্ষণ, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, লাঞ্ছনা, হয়রানীসহ নানা রকম অসঙ্গতির মধ্যে থাকেন নারীরা।

আরও পড়ুন: এইচপিভি টিকাদান উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স

তাদেরকে কন্যা হিসেবে না দেখে মানুষ হিসেবে দেখলেই সমাজ ও রাষ্ট্রের আমূল পরিবর্তন আসবে। আজকের দিনে যা কিছু অর্জন, তার পিছনে নারীদের ভূমিকা অনেক। নারীরা এখন আর পিছিয়ে নেই।

তারা সচিব, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও শিক্ষকসহ বিভিন্ন সেক্টরে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। তাই নারীদেরকে এখন আর ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে নারীদেরকেও ক্ষমতায়ন করতে হবে। নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি ন্যায্য ও সাম্যের পৃথিবী গঠন করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে নারীসহ ৪ জনের কারাদণ্ড

বুধবার (১১ অক্টোবর) ভোলা সদর উপজেলার হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাজেদা ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশালের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস-২০২৩ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

&lsquo;সকল শিশুর স্বপ্ন সফল হোক, কন্যা শিশুরা সামনে সমান হয়ে এগিয়ে যাক&rsquo; এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ছবেকুন নাহার।

আরও পড়ুন: অপ্রয়োজনীয় সিজার রোধে রায় ঘোষণা

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দীপক হালদার, ২ নং ইলিশা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ছোটন, জেলা মাধ্যমিক রিসার্চ কর্মকর্তা নুরে আলম সিদ্দিকী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার সিরাজুল ইসলাম শাওন, কবি মোজাম্মেল হক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবুল কাশেম, হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য আমজাদুল হক টুলু, দক্ষিণ রুহিত আমার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইদুল হাসান সেলিম, হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. টিপু সুলতান, শান্তিরহাট ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোফায়েল আহমেদ, সাজেদা ফাউন্ডেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার বিপ্লব হোসেন, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার নাসরিন নাহার ও ক্যাপাসিটি বিল্ডিং স্পেশালিস্ট মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসিতে &lsquo;এ-প্লাস&rsquo; প্রাপ্ত কন্যা শিশু খাদিজা আক্তার মুনিয়া। সঞ্চালনা করেন হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নাছিমা শিরিন তুলি।

দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মঞ্চ নাটক পরিবেশন করেন। এছাড়া সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালন করেন শিক্ষার্থীরা।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 12 Oct 2023 09:28:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/92373" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/92373</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য- &lsquo;মেয়েদের অধিকারে বিনিয়োগ করুন: আমাদের নেতৃত্ব, আমাদের কল্যাণ&rsquo;।

আরও পড়ুন : ভোলায় বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা 

বুধবার (১১ অক্টোবর) প্রতি বছরের মতো এবারেও সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে দিবসটি। বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে।

২০১২ সালের ১১ অক্টোবর থেকে বিশ্বজুড়ে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতে এ দিবসটি পালন করা হয়। তাছাড়াও শিক্ষার অধিকার, পরিপুষ্টি, আইনি সহায়তা ও ন্যায় অধিকার, চিকিৎসা সুবিধা, ও বৈষম্য থেকে সুরক্ষা, নারীর বিরুদ্ধে হিংসা ও বলপূর্বক তথা বাল্য বিবাহ। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রতি বছর এ দিবসটি পালন করে থাকে।

আরও পড়ুন : শিশুরা গড়ে উঠলে বিশ্ব শান্তিময় হবে 

আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবসটি জন্ম দিয়েছে, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল নামের বেসরকারি প্রকল্প। এ আন্দোলনের মূল কর্মসূচি হলো গোটা বিশ্বজুড়ে কন্যার পরিপুষ্টি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।

এ আন্দোলনকে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠা করতে কানাডা সরকারের সহায়তা নেয় সংস্থার কর্মচারীরা। এরপর জাতিসংঘের সাধারণ সভার মধ্যে কানাডায় আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস উদযাপনের প্রস্তাব শুরু হয়।

২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর তারিখে এ প্রস্তাব রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় গৃহীত হয় ও ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর তারিখে প্রথম আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালন করা হয়।

সান নিউজ/এমএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 11 Oct 2023 04:56:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভোলায় বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/91970" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/91970</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় &lsquo;আমার কথা শোন (ছোটরা বলবে, বড়রা শুনবে) আমার দৃষ্টিতে স্মার্ট বাংলাদেশ&rsquo; শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: মুক্তিপণ না পেয়ে শিশুকে হত্যা

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকালে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২৩ এর সপ্তাহব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসাবে ভোলা সরকরি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, ভোলার যৌথ আয়োজনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় শিশুরা &lsquo;আমার দৃষ্টিতে স্মার্ট বাংলাদেশ&rsquo; বিষয়ে নিজেদের মতামত ও তাদের প্রত্যাশিত স্মার্ট বাংলাদেশ সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সভা অনুষ্ঠিত

সভায় জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মুহাম্মদ আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েল প্রধান শিক্ষক মো. সালাহউদ্দিন।

এ সময় &lsquo;আমার দৃষ্টিতে স্মার্ট বাংলাদেশ&rsquo; শিরোনামে বক্তব্য রাখেন- ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিয়েনা তাসকিয়া প্রিয়াংকা, ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিশাত ফারজানা প্রকৃতি, ফাইজা আনম সাবা, জাইমা জাহান, আদিলা রশিদ নিধি পিউ, তাবিহা তাবাসসুম।

আরও পড়ুন: ভারতে ১২ নবজাতকসহ ২৪ জনের মৃত্যু

শিশুরা তাদের বক্তব্যে বলে, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে শিশুদের প্রযুক্তিনির্ভর ও প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। শুরুটা করতে হবে বিদ্যালয় থেকে।

যথাযথ মাল্টি মিডিয়া ক্লাসরুম বাস্তবায়ন, বিদ্যালয়েল পরিবেশ উন্নতকরণ ও প্রযুক্তি নির্ভর করা, শিশুদের বেশি বেশি কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং পর্যায় ক্রমে ফ্রিলান্সিংসহ নানা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মনির্ভর ও প্রযুক্তি উৎসুক হিসাবে গড়ে তোলা।

এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট দূর করাসহ পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে।

আরও পড়ুন: অ্যান্ড্রয়েডে চালু করুন ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা

এ সময় শিশুরা স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতিয়ার হতে আশা ব্যক্ত করে। তারা প্রতিশ্রতি ব্যক্ত করে, দক্ষ হয়ে গড়ে উঠে আগামীর &lsquo;স্মার্ট বাংলাদেশ&rsquo; বিনির্মানে অবদান রাখবে।

প্রধান অতিথি শিশুদের উদ্দেশ্যে বলে, তোমাদের অধিকারের বিষয়ে তোমাদের বলতে হবে। জীবনের সব পর্যায়ে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেষ্ট থাকতে হবে।

এ সময় বিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নত করবেন বলে শিশুদের কথা দেয়। এছাড়া সারা দেশে বিদ্যালয়ের মান উন্নয়নে শিক্ষামন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহায্যও প্রার্থনা করে।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 03 Oct 2023 09:55:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিশুরা গড়ে উঠলে বিশ্ব শান্তিময় হবে ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/91894" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/91894</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, আজকের শিশুরা জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনায় সমৃদ্ধ হয়ে গড়ে উঠলে আগামী দিনের বিশ্ব সুন্দর ও শান্তিময় হবে।

আরও পড়ুন: স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর

সোমবার (২ অক্টোবর) বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২৩ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২৩ উদযাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিশুর প্রতি জানাই আন্তরিক স্নেহ ও ভালোবাসা।

আরও পড়ুন: দক্ষিণের ৮ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে

তিনি বলেন, দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য &lsquo;শিশুর জন্য বিনিয়োগ করি, ভবিষ্যতের বিশ্ব গড়ি&rsquo; অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। শিশুরাই জাতি গঠনের মূল ভিত্তি ও সুন্দর আগামী প্রতিষ্ঠার কারিগর। তাই বিশ্বকে সুন্দর করার পূর্বশর্ত তাদের সুন্দর করে গড়ে তোলা।

তিনি আরও বলেন, শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য পুষ্টি, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সুস্থ বিনোদনের বিকল্প নেই। সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সঠিক দিক নির্দেশনার মাধ্যমেই শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশ সম্ভব।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ী-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ

বিশ্বের সব শিশুর অধিকার সংরক্ষণের উপলব্ধি থেকে জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ গৃহীত হয়েছে জানিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, এ সনদের গর্বিত অনুস্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ শিশুদের কল্যাণে নানাবিধ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

১৯৮৯ সালে ঘোষিত জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের অনেক আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের কথা চিন্তা করে বাংলাদেশে &lsquo;শিশু আইন-১৯৭৪&rsquo; প্রণয়ন করেন।

আরও পড়ুন: এলপিজি গ্যাসের নতুন মূল্য ঘোষণা আজ

এরই ধারাবাহিকতায় সরকার শিশু অধিকার সংরক্ষণ, শিশুর প্রতিভা বিকাশে সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ প্রদান, প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালনা, শিশু শ্রম ও নির্যাতন বন্ধ এবং বিশেষ করে কন্যা শিশুদের প্রতি বৈষম্য বিলোপ সাধনে বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০, জাতীয় শিশুনীতি-২০১১, শিশু আইন-২০১৩ ও বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭ প্রণয়ন করেছে সরকার। এসব আইন, নীতি ও পদক্ষেপ শিশুদের শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশসহ সার্বিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আরও পড়ুন: ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা

রাষ্ট্রপতি বলেন, শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশের লক্ষ্যে মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও মানবিক গুণাবলির উন্মেষ ঘটাতে হবে। আশা করি, শিশু অধিকার সপ্তাহ ও বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচি শিশুদের পরিপূর্ণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সব স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিশু স্নেহ, মমতা ও নিরাপদে বিকশিত হোক, বিশ্ব শিশু দিবসে এটাই আমার প্রত্যাশা।

আরও পড়ুন: মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৬

আমি বিশ্বাস করি, আজকের শিশুরাই গড়ে তুলবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০৪১ সালের উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ। এ সময় বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২৩ উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন তিনি।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 02 Oct 2023 07:16:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ জাতীয় কন্যা শিশু দিবস ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/91767" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/91767</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ জাতীয় কন্যা শিশু দিবস। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য- &lsquo;বিনিয়োগে অগ্রাধিকার, কন্যা শিশুর অধিকার&rsquo; নিয়ে দেশব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস, ২০২৩।

আরও পড়ুন: বিশ্ব নদী দিবস

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কন্যা শিশু দিবস উদযাপনে কর্মসূচি গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উদযাপনের কর্মসূচি গ্রহণ ও প্রতিপাদ্য বিষয়টি ব্যাপক প্রচারের অনুরোধ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট অধিদফতর। কন্যা শিশুদের সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ২০০৩ সালে ৩০ সেপ্টেম্বরকে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন: বিশ্ব তথ্য অধিকার দিবস

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশকে সমৃদ্ধির সুউচ্চ শিখরে পৌঁছাতে একটি সুস্থ, সুন্দর ও শিক্ষিত প্রজন্ম অপরিহার্য। সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে মায়ের গর্ভে থাকাকালীন সময় থেকে শিশুদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবা, পুষ্টি, চিকিৎসা, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতের মাধ্যমে যোগ্য নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।

আরও পড়ুন: বিশ্ব শান্তি দিবস

তিনি বলেন, আজকের কন্যা শিশুর মধ্যেই সুপ্তভাবে বিরাজ করছে আগামী দিনের আদর্শ মা। তাই কন্যা শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন আইন ও সুরক্ষা কার্যক্রম প্রণয়ন করেছে সরকার। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ সুস্থ প্রজন্ম গড়ার প্রত্যয়ে কন্যা শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এছাড়া উপবৃত্তির সুযোগসহ যুগোপযোগী শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষাকে পাঠ্য বইয়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস

রাষ্ট্রপতি বলেন, সমাজ সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে কন্যা শিশুদের সম্পৃক্ত করায় দেশের তৃণমূল পর্যায়ের কন্যা শিশুরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠছে।

এছাড়া সরকারি-বেসরকারি নানা পদক্ষেপের কারণে দেশে কন্যা শিশুদের শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাল্যবিবাহ ও যৌতুকের হার কমে এসেছে। কন্যা শিশুরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে ঈর্ষণীয় সফলতা প্রদর্শন করছে।

তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ্যতার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এতে জেন্ডার সমতায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বের কাছে রোল মডেল।

আরও পড়ুন: বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ কন্যা শিশু। নারী ও কন্যা শিশুর মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি এখন জেন্ডার সমতায় বাংলাদেশ সারা বিশ্বে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

তাই কন্যা শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকার লক্ষ্যে এবং উন্নত বিশ্বের সুদক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস

তিনি বলেন, গত সাড়ে ১৪ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার অত্যন্ত সফলতার সাথে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আসছে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি আমরা নারী ও কন্যা শিশুদের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেটে জেন্ডার সম্পৃক্ত বরাদ্দ হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭ শত ৮৭ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৩৪.৩৭ শতাংশ এবং জিডিপির ৫.২৩ শতাংশ। বাজেটে ২৭ টি মন্ত্রণালয় ও ১৭ টি বিভাগের জন্য পৃথক জেন্ডার বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে, যা নারী ও কন্যা শিশুদের সার্বিক অধিকার রক্ষায় ব্যবহৃত হবে।

কন্যা শিশুদের কল্যাণে আমরা অবৈতনিক শিক্ষার প্রচলন, উপবৃত্তি প্রবর্তন, বিনামূল্যে বই বিতরণ, নারী শিক্ষকদের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি।

আরও পড়ুন: বিশ্ব প্রবীণ নাগরিক দিবস

এছাড়া জাতীয় শিশুনীতি-২০১১ ও জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ প্রণয়ন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধিত) আইন-২০২০ ও যুগোপযোগী বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের গৃহীত এসব পদক্ষেপের ফলে বিদ্যালয়ে ছাত্রী ভর্তির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সাথে বাল্যবিবাহ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের মেয়েরা ক্রীড়াঙ্গনেও ঈর্ষণীয় সাফল্য প্রদর্শন করছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ব মশা দিবস 

এর মূল কারণ কন্যা শিশুর প্রতিভা বিকাশে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের উপযুক্ত সুযোগ সৃষ্টি করা এবং তাদের জন্য বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও পৃষ্ঠপোষকতা।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সাল থেকে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহে প্রতি বছরের ১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়। এছাড়া প্রতি বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শিশু সপ্তাহ পালন করা হয়। শিশু সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন, অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 30 Sep 2023 04:41:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নতুন ‘মা’ নবজাতকের যা জানতে চান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/84789" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/84789</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অধ্যাপক প্রণব কুমার চৌধুরী : সদ্য জন্ম নেওয়া শিশুটি যদি পূর্ণ গর্ভকাল পায়, ওজন যদি হয় ২৫০০ গ্রামের বেশি এবং জন্মের সময় শ্বাসজনিত বড় রকমের কোনো শারীরিক ত্রুটি না থাকে, তবে তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক বলা যায়। এমন শিশুকে হাসপাতাল থেকে নিশ্চিন্তে বাড়ি নেওয়া যায়।

আরও পড়ুন : ত্রুটি নিয়ে জন্ম নিচ্ছে ৭ শতাংশ নবজাতক

সুস্থ নবজাতককে ভূমিষ্ঠ হওয়ার ৪৮-৭২ ঘণ্টা পর বাড়ি নিয়ে যাওয়া সম্ভব। কিন্তু সুস্থ শিশুরও চাই সঠিক যত্ন। শিশুটিকে কী খাওয়াবেন, কীভাবে ধরবেন, কখন গোসল করাবেন&mdash;এমন অসংখ্য প্রশ্ন নিয়ে নাজেহাল থাকেন নতুন মা। অনভিজ্ঞতার কারণে নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকেন প্রথমবার সন্তান জন্মদানকারী মা।

যে কাজগুলো করতে হবে: 

ভূমিষ্ঠ হওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যেই নবজাতককে স্তন্যদান করানো যায়। তাই জন্মের প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই মাতৃদুগ্ধ পান শুরু করানো উচিত।

নবজাতকের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৬.৫ ডিগ্রি থেকে ৩৭.৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের মধ্যে রাখতে হবে। &lsquo;ক্যাঙারু কেয়ার&rsquo; পদ্ধতিতে প্রসূতি মায়ের বুকে-পেটে নবজাতককে লেপটে রেখে উষ্ণ রাখা ভালো। এ পদ্ধতিতে নবজাতকের তাপমাত্রার সুরক্ষা, বুকের দুধপানে সহায়তা, মা-সন্তানের বন্ধন দৃঢ় হয়।

আরও পড়ুন : ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু

সব নবজাতককে ভূমিষ্ঠ হওয়ার ৬ ঘণ্টার মধ্যে এক ডোজ &lsquo;কে&rsquo; ভিটামিন ইনজেকশন প্রদান করা উচিত। ১০০০ গ্রামের কম ওজনের শিশু ০.৫ মিলিগ্রাম ও তার বেশি ওজনের নবজাতক শিশু ১ মিলিগ্রাম &lsquo;কে ভিটামিন&rsquo; দিতে হবে।

নবজাতকের চোখের সংক্রমণ প্রতিরোধে (গনোককাল জীবাণু সংক্রমণ), জন্মের এক ঘণ্টার মধ্যে চোখে ইরিথ্রোমাইসিন অয়েন্টমেন্ট বা ১ শতাংশ সিলভার নাইট্রেট ড্রপ দেওয়া যায়।

নবজাতককে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নেওয়ার আগেই বিসিজি, খাওয়ার পোলিও ও &lsquo;হেপাটাইটিস বি&rsquo; টিকা প্রদান করা যায়।

শিশুর বৃদ্ধি-বিকাশ পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রথম দিকে মাসে একবার ও পরে তিন মাস অন্তর শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাবেন।

আরও পড়ুন : জাতীয় কন্যাশিশু দিবস

নবজাতকের খাওয়া: 

আগেই বলেছি, এক ঘণ্টার মধ্যেই শিশুকে বুকের দুধ দেওয়া ভালো। এরপর থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধু বুকের দুধ দিন, আর কিছু না। প্রথম দিকে বুকের দুধ খাওয়াতে একটু সমস্যা হতে পারে, মনে হতে পারে শিশু যথেষ্ট দুধ পাচ্ছে না। কিন্তু ঘাবড়াবেন না। এর&ndash;ওর পরামর্শে কিছুতেই বাইরের দুধ দেবেন না।

সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর প্রথম আট ঘণ্টা স্তন থেকে মাত্র কয়েক ফোঁটা দুধ নিঃসরণ হতে পারে। কখনোবা প্রথম ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত এ রকম অবস্থা চলতে পারে। ষষ্ঠ দিন থেকে শিশুকে স্তন্যদান করার পর স্তন নরম হয়ে আসে। একটু ধৈর্য ধরে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। অনেক সময় সঠিক অ্যাটাচমেন্টের অভাবে বা নিয়ম না জানার কারণে দুধ পেতে সমস্যা হয়।

হাসপাতাল ছাড়ার আগেই নার্সের কাছ থেকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সঠিক নিয়ম জেনে নিন। শিশু প্রথম কয়েক সপ্তাহ দৈনিক সাত-আটবার পর্যন্ত বুকের দুধ পান করবে। আট ঘণ্টা হতে চার দিন বয়স পর্যন্ত শিশু যতবার চায় ততবার বুকের দুধ খেতে দিতে হবে।

নবজাতকের আচার-আচরণ: 

সাধারণভাবে জন্মের প্রথম ঘণ্টায় শিশু বেশ সতেজ ও সতর্ক থাকে। জন্মের ২ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যে শিশু গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যেতে পারে। ৮ থেকে ২৪ ঘণ্টা বয়সে শিশু প্রায় ঘুমিয়েই থাকে। শুধু খিদে পেলে জেগে ওঠে। একনাগাড়ে ৪ ঘণ্টার বেশি ঘুমিয়ে থাকলে আলতো নড়াচড়া করে তাকে জাগিয়ে বুকের দুধ দেওয়া যায়।

তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম দিন শিশুর মধ্যে স্তনের খোঁজে মুখ ঘোরানো, ঠোঁট নাড়া কিংবা হাত দুটি মুখের কাছে নিয়ে আসা প্রভৃতি খেতে চাওয়ার নমুনা দেখা যায়। ষষ্ঠ দিনের পর বুকের দুধ খেয়ে পরিতৃপ্ত হওয়ার ছাপ শিশুর মধ্যে দেখা যায়।

আরও পড়ুন : ভাসমানসহ সব শিশু টিকা পাবে

নবজাতকের মলমূত্র ত্যাগ: 

শিশু ৮ থেকে ২৪ ঘণ্টায় অন্তত একবার কালো-সবুজ রঙের মল বা মিকোনিয়াম ত্যাগ করবে। তৃতীয় ও চতুর্থ দিন শিশুর পায়খানার রং কালো-সবুজ হতে হলুদাভ ধারণ করে। পঞ্চম দিন থেকে দৈনিক তিন থেকে চারবার দানাদার হলুদ পায়খানা করে থাকে।

নবজাতকের ঘুম: 

নবজাতক রোজ ১৬-২০ ঘণ্টা ঘুমিয়ে পার করে। এতে ভয়ের কিছু নেই। বুকের দুধ খেয়ে তৃপ্ত থাকলে নবজাতক কখনো বা ৪-৫ ঘণ্টাও একনাগাড়ে ঘুমোতে পারে।

নবজাতকের গোসল: 

যখন শিশুর তাপমাত্রা স্বাভাবিক হবে, তখন তাকে গোসল করানো যায়। তবে ৩ দিন বয়সের আগে না। হালকা কুসুম গরম পানি করে দ্রুত গোসল সেরে নিন। তোয়ালে দিয়ে ত্বকের পানি শুষে নিন।

নবজাতকের নাভির যত্ন: 

নবজাতকের নাড়ি জীবাণুমুক্তভাবে সঠিক পদ্ধতিতে কাটতে হবে, সঠিক পদ্ধতিতে বাঁধতে হবে। নাড়ি কাটার পর নাড়িতে ৭ দশমিক ১ শতাংশ ক্লোরহেক্সিডিন দিতে হবে। এর বাইরে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ছাড়া নাভিতে কোনো কিছু দেওয়া বা লাগানো উচিত নয়।

সচরাচর শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার এক-দুই সপ্তাহ সময়ের মধ্যে নাভি শুকিয়ে ঝরে যায়। এক মাসের পরও যদি তা না ঝরে, তবে নাভির সংক্রমণ বা নবজাতকের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম কি না, খতিয়ে দেখতে হবে।

আরও পড়ুন : শিশুশ্রম জাতির জন্য হুমকি স্বরূপ

যেসব লক্ষণে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে: 

বুকের দুধপানে অসুবিধা

জ্বর বা অতিরিক্ত শীতল দেহ

শ্বাসকষ্ট (শান্ত অবস্থায় শ্বাস হার যদি মিনিটে ৬০ বা তার বেশি থাকে, যদি নিশ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বুকের নিচের অংশ দেবে যায়, বা ঘোঁত ঘোঁত সাঁ সাঁ শব্দ হয়)

অনবরত বমি, বমিতে রক্ত বা পিত্তরস

পেট ফোলা, ফ্যাকাশে ভাব

হাত-পা পর্যন্ত বিস্তৃত জন্ডিস, রক্তপাত

খিঁচুনি ও ঠোঁট নীল হয়ে যাওয়া

এসব উপসর্গ দেখা দিলে অনতিবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আরও পড়ুন : চার বছরের শিশুর কাণ্ড 

নবজাতকের জন্ডিস:

জীবনের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ৬০ শতাংশ পূর্ণ গর্ভকাল পাওয়া (টার্ম) নবজাতক ও ৮০ শতাংশ অকালপ্রজ (প্রিটার্ম) নবজাতকের জন্ডিস হতে পারে। এসব জন্ডিসের বেশির ভাগ ফিজিওলজিক্যাল বা নির্দোষ। ৫ শতাংশ প্যাথলজিক্যাল বা রোগ&ndash;সংশ্লিষ্ট জন্ডিস।

নির্দোষ জন্ডিস সাধারণত ভূমিষ্ঠ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর দেখা যায়। এই জন্ডিসে বিলিরুবিন মাত্রা ১৫ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের নিচে থাকে। শিশু যদি সুস্থ স্বাভাবিক থাকে, ভালোভাবে মাতৃদুগ্ধ পান করে, তবে টার্ম নবজাতকের পাঁচ-সাত দিনের মাথায়, প্রিটার্ম নবজাতকের দুই সপ্তাহ বয়সের দিকে আপনা&ndash;আপনিই তা সেরে যায়।

সব নবজাতককে প্রথম ৭২ ঘণ্টা বয়সে জন্ডিস দেখা দিয়েছে কি না, তা যাচাই করে নিতে হবে। শিশুর ত্বক, চোখ ও হাত&ndash;পা সূর্যের আলোয় পরীক্ষা করলে তা বোঝা যায়। জন্ডিস হয়েছে মনে হলে অবশ্যই ল্যাব টেস্ট করে বিলিরুবিনের মাত্রা নির্ণয় করা উচিত। বিশেষত তিন দিন বয়সে।

নবজাতকের জন্ডিস প্রতিরোধে গর্ভাবস্থায় মায়ের এবিও এবং আরএইচ রক্ত গ্রুপ পরীক্ষা ছাড়াও যথাযথ অ্যান্টিনেটাল কেয়ার গ্রহণ করা উচিত।

নবজাতকের জন্ডিস দেখা দিলে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে। নবজাতককে রোদে দিয়ে জন্ডিস কমানোর পুরোনো ধারণা ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হচ্ছে।

যেসব নবজাতক মারাত্মক জন্ডিসে আক্রান্ত হয়েছে ও চিকিৎসা পেয়েছে, তাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন, বিশেষ করে কানে শোনা ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশ যথাযথ হচ্ছে কি না, দেখা উচিত।

আরও পড়ুন : রিকাবীবাজারে ওয়াকওয়ে মিনি পার্ক উদ্বোধন 

কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশুর যত্ন: 

যাদের জন্মকালীন ওজন ২৫০০ গ্রামের কম থাকে, তাদের লো বার্থওয়েট বা স্বল্প জন্মওজনি নবজাতক বলা হয়। এরা বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ শিশু আর বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।

এসব নবজাতকের যত্ন স্বল্প জন্মওজনি নবজাতকের সব চিকিৎসাব্যবস্থা প্রদানের সুবিধা থাকে, এমন কেন্দ্রে নেওয়া উচিত। বিশেষত যেসব নবজাতকের জন্মওজন ১৮০০ গ্রামের কম, গর্ভকাল ৩৪ সপ্তাহের কম, অসুস্থ বা মায়ের দুধ পানে অসমর্থ।

কমপক্ষে ১২ মাস বয়স অবধি এদের ভিটামিন-ডি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন জোগানো দরকার।

ক্যাঙারু কেয়ার পদ্ধতিতে নবজাতকের শরীরের তাপমাত্রার সুরক্ষা দিতে হবে। বিশেষত হাসপাতাল ছাড়ার পর বাড়িতে যখন তাকে নেওয়া হবে।

বৃদ্ধি ও বিকাশ, বিশেষ করে দৃষ্টিশক্তি ও শ্রবণশক্তি এবং নানা অসুখের জটিলতা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। কমপক্ষে ১২-১৮ মাস বয়স পর্যন্ত এই ফলোআপ চালিয়ে যেতে হবে।

আরও পড়ুন : একটু সহানুভূতি কি তারা পেতে পারে না?

বিশেষ যত্ন: 

মা যদি হেপাটাইটিস সারফেস অ্যান্টিজেন পজিটিভ থাকেন, তবে শিশুকে হেপাটাইটিস-বি ভ্যাকসিন ও হেপাটাইটিস-বি ইমিউনোগ্লোবিউলিন প্রদান করতে হবে।

মা যদি আরএইচ নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের হন, তবে ভূমিষ্ঠকালীন নাড়ির রক্ত শিশুর রক্তের গ্রুপ ও অ্যান্টিবডি শনাক্তের জন্য পাঠাতে হবে।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মায়ের নবজাতক শিশু, প্রিম্যাচিওর বেবি অথবা অসুস্থ শিশুর রক্তের গ্লুকোজ জন্মের পর পর মাপতে হবে। গ্লুকোজ মান ৪০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটারের নিচে থাকলে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার চিকিৎসা দিতে হবে।

হাসপাতালে থাকার ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেনেটিক স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম করা ভালো। উল্লেখ্য, থাইরয়েড হরমোন ও আয়োডিনের অভাবজনিত রোগ &lsquo;কনজেনিটাল হাইপোথাইরয়েডিজম&rsquo; নিয়ে অসংখ্য শিশু প্রতিবছর আমাদের দেশে জন্ম নিচ্ছে।

অকারণ মৃত্যুরোধে নবজাতককে পিঠের ওপর বা একটু ডান দিকে কাত করে, শক্ত বিছানায় শোয়ানো উচিত। নরম তুলতুলে বিছানায় শোয়ানো হলে এক বছরের কম বয়সী শিশুর উল্টে গিয়ে শ্বাসরোধ পরিস্থিতির মতো বিপদের ঝুঁকি থাকে।

আরও পড়ুন : অভ্যাসই মানুষের দাস

লেখক: 

অধ্যাপক প্রণব কুমার চৌধুরী

সাবেক বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

সান নিউজ/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 31 May 2023 10:56:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ত্রুটি নিয়ে জন্ম নিচ্ছে ৭ শতাংশ নবজাতক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/81089" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/81089</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতিবছর জন্ম নেওয়া নবজাতকদের মধ্যে শারীরিক বিভিন্ন ত্রুটি নিয়ে ভূমিষ্ঠ হচ্ছে শতকরা ৭ শতাংশ শিশু।

আরও পড়ুন: এলপিজির দাম কমল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নবজাতক বিভাগে ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চিকিৎসা নিতে আসা ১১ হাজার ২৩২ জনের ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষণা বলছে, গত ৮ বছরে বিএসএমএমইউয়ের নবজাতক বিভাগে শারীরিক বিভিন্ন ক্রটি নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছে ৭৮৯টি শিশু। এই সংখ্যা গত ৮ বছরে চিকিৎসা নিতে আসা মোট শিশুর ৭ দশমিক ০২ শতাংশ। যা উন্নত বিশ্বে শিশুর জন্মগত ক্রটির হারের চেয়ে বেশি।

রোববার (২ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে বিশ্ব জন্মগত ক্রটি দিবস ২০২৩ উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সেমিনার ও আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: দুই ভাইকে হত্যা, ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

সেমিনারে জানানো হয়, পৃথিবীব্যাপী জন্মগত ক্রটির হার প্রতি ১০০ জনে ৩ থেকে ৬ জন (৩-৬ শতাংশ)। সারা বিশ্বের মধ্যে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় জন্মগত ক্রটির হার সবচেয়ে বেশি। প্রতি বছর শুধুমাত্র জন্মগত ক্রটির জন্য জন্মের ২৮ দিনের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ শিশু মারা যায়। শিশু মৃত্যুর এই হার সাসটেইনেবল ডেভলপমেন্ট গোলের (এসডিজি) লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অনেকাংশে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

আলোচনা সভায় জন্মগত ক্রটির হার নির্ণয়, ত্রুটির কারণ, প্রতিরোধমূলক পরিকল্পনার ওপর আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য নবজাতকদের জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধ এবং এর চিকিৎসার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন উন্নততর চিকিৎসা সেবা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে একের পর এক নিত্যনতুন ল্যাব প্রতিষ্ঠা করে যাচ্ছে। জেনেটিক ল্যাবও প্রতিষ্ঠা করা হবে। তবে জন্মগত ত্রুটির ক্ষেত্রে ট্রান্সজেন্ডারের বিষয়ে করণীয় কি হতে পারে তাও বিবেচনায় রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: আগামীতে হজের খরচ আরও বাড়বে

তিনি আরও বলেন, রোগীদের সুবিধার্থে ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গরূপে ডাবল শিফটে ওটি (অস্ত্রোপচার বা সার্জারি) কার্যক্রম চালু করা হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় অ্যানেসথেশিওলজিস্ট নিশ্চিত করা হবে। যাতে করে অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার অভাবে ওটি কার্যক্রম সেবা ব্যাহত না হয়।

নবজাতক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. সঞ্জয় কুমার দের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় জন্মগত ক্রটির বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত দেন বিসিপিএসের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা। আলোচনা সভায় ফিটোম্যাটার্নাল মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নাহরীন আক্তার, শিশু সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. তোসাদ্দেক হোসেন সিদ্দিকী, লাইন ডিরেক্টর ডা. সাইদুজ্জামান, ন্যাশনাল কনসালটেন্ট ডা. নুরুল ইসলাম প্রমুখসহ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন। জন্মগত ক্রটি সম্পর্কিত মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. ইসমাত জাহান।

আরও পড়ুন: প্রয়োজনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন

আলোচনা সভায় জন্মগত ক্রটি চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। যেমন গর্ভপূর্ববর্তী এবং গর্ভকালীন সময়ে চেকআপ করা, গর্ভকালীন সময়ে (১৮-২২ সপ্তাহের মধ্যে) আল্ট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে জন্মগত ক্রটি নির্ধারণ করা, গর্ভকালীন অসংক্রামক ব্যাধি যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণ, অল্প বয়সে এবং অধিক বয়সে গর্ভনিরোধ, আয়োডিনযুক্ত লবণের মতো খাবারের সঙ্গে ফলিক এসিড মেশানোর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের জন্মগত ক্রটি প্রতিরোধ সম্ভব।

সান নিউজ/এনকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Apr 2023 11:57:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/78448" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/78448</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সান নিউজ ডেস্ক: সারা দেশে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৫ লাখ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১ কোটি ৯৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: শহীদ দিবস উপলক্ষে ডিএমপির নির্দেশনা

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ-কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

সোমবার সকালে রাজধানীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করার কথা। ক্যাম্পেইনের আওতায় সারা দেশে কেন্দ্রসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার। স্বাস্থ্যসেবীর সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার। আর স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার।

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন নিয়ে রোববার সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, শিশুদের ভরাপেটে কেন্দ্রে নিয়ে আসতে হবে। কাঁচি দিয়ে ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুলের মুখ কেটে এর ভেতরে থাকা সবটুকু তরল ওষুধ চিপে খাওয়ানো হবে। জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না। ৬ মাসের কম বয়সী এবং ৫ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।

আরও পড়ুন: ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা মারা গেছেন

আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মাঝে রাতকানা রোগের হার ছিল ৪ দশমিক ১০ শতাংশ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করে শিশুদের ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করেন।&rsquo;

&lsquo;বর্তমান সরকার ২০১০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বছরে দুবার ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখার ফলে বর্তমানে ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo;-এর অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে নেমে এসেছে।&rsquo;

সান নিউজ/এনকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 20 Feb 2023 05:07:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাতীয় কন্যাশিশু দিবস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/71040" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/71040</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সান নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর), জাতীয় কন্যাশিশু দিবস। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য-&lsquo;সময়ের অঙ্গীকার, কন্যাশিশুর অধিকার&rsquo;। দিবসটি উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আগামী ৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ নিয়েছে।

আরও পড়ুন: ইউক্রেনের ৪ অঞ্চল রাশিয়ার হচ্ছে!

মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আগামী ৪ অক্টোবর মন্ত্রাণলয়ের কর্মসূচি রয়েছে। মন্ত্রণালয় ৪ অক্টোবর কন্যাশিশু দিবস পালন করে। তাই ৩০ সেপ্টেম্বর কোনো কর্মসূচি নেই।

তবে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সবাইকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর কন্যাশিশু দিবস উদযাপনে কর্মসূচি গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে।

আরও পড়ুন: হাতিয়ায় দুই ডাকাত দলের সংঘর্ষে নিহত ৩

জানা গেছে, প্রতিবছরের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক শিশু সপ্তাহ পালন করা হয়। এ শিশু সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন, অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর দিনটিকে পালন করা হয় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস হিসেবে।

সান নিউজ/এনকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 30 Sep 2022 05:02:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভাসমানসহ সব শিশু টিকা পাবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/68443" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/68443</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সান নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশু আছে দুই কোটি ২০ লাখ। এই বয়সী শিশুরা দেশের যে প্রান্তেই থাকুক, তাদের হিসাবে নেওয়া হয়েছে। এতে তারা ভাসমান হোক আর স্কুলে না যাওয়া শিশু হোক, সবাই করোনার টিকা পাবে।

আরও পড়ুন: টুঙ্গিপাড়া পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

সোমবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীতে জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের টিকা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। টিকার প্রথম ডোজ, দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। শিশুদের টিকা কার্যক্রম ১১ আগস্ট উদ্বোধন করা হয়েছে এবং আগামী ২৫ আগস্ট থেকে পুরোদমে টিকা কার্যক্রম পরিচালনা হবে। তার জন্য যা যা ব্যবস্থা করা প্রয়োজন নেওয়া হয়েছে।

নিবন্ধন ছাড়া কেউ টিকা নিতে পারবে না জাহিদ মালেক বলেন, টিকা তারাই নিতে পারবে যারা নিবন্ধন করেছে। নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে, তবে তা দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে পলিথিন কারখানায় অগ্নিকাণ্ড

তিনি বলেন, শিশুদের প্রথম টিকা দেওয়া হবে সিটি করপোরেশন এলাকাগুলোতে। সেখানকার স্কুলগুলোতে এই টিকা দেওয়া হবে। কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, শিশুরা যেন সঠিক সময়ে কেন্দ্রে এসে টিকা নেয়। এছাড়া স্বাস্থ্য প্রটোকলের যে বিষয়টি রয়েছে তার ব্যবস্থাও আমরা নিয়েছি। কেউ যদি অসুস্থ হয় তার চিকিৎসার ব্যবস্থাও সেখানে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা অতীতেও টিকা দিয়েছি। আমাদের ডাক্তার, নার্সদের এখন পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে, তারা প্রশিক্ষিত। ৩০ কোটি টিকাদানেও আমাদের কোনো রকম কোনো অঘটন ঘটেনি। আমরা শিশুদের টিকাদানে বিশেষভাবে মনোযোগী আছি।

সান নিউজ/এনকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 15 Aug 2022 09:57:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিশুশ্রম জাতির জন্য হুমকি স্বরূপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/opinion/64973" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/opinion/64973</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মিরাজ উদ্দিন: মানব জীবনের প্রথম পর্যায় হলো শৈশব। আর শৈশবেই হল মানব জীবনের অন্যতম অধ্যায়। একটি শিশুকে নির্ভরশীল বলে মনে হলেও কিন্তু ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে ওই দেশের শিশুদের উপর। বলা হয় আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ দুর্ভাগ্যবশত প্রতিটি শিশু শ্রমিক শিক্ষার কোন সুযোগ পায় না।

আরও পড়ুন: জ্বালানি থেকে রাশিয়ার আয় বেড়েছে

বিভিন্ন অপব্যবহারে তার অন্যতম অপব্যবহার হলো শিশুশ্রম। যেকোনো কাজ একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায় তাকে শিশুশ্রম বলা হয়। আমাদের দেশে সরকারের নির্দেশ মতে ১৪ বছরের নিচে সবাইকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়। বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবার ওই অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল। এইসব পরিবারের শিশুরা ছোটবেলা থেকেই উপার্জনের চিন্তা করতে হয়।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও দেখা যায়, তিনশ এক ধরনের অনৈতিক কাজ কর্মে শিশুরা শ্রম দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। এদের মধ্যে রয়েছে কুলি, হকার, ফুল বিক্রেতা, ইট ভাঙ্গা, কল কারখানার শ্রমিক ইত্যাদি। শিশুশ্রমকে দরিদ্রের ফসলও বলা হয়। পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে তারা স্বেচ্ছায় পথ বেছে নেয়।

আরও পড়ুন: পাচারকৃত অর্থ আনার সুযোগ বৈষম্যমূলক

ইউনিসেফ পরিচালিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, শ্রমজীবী শিশু পারিবারিক দূরাবস্থার কারণে শহুরে হয়ে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই শিশুরা পরিবারের শিক্ষা সম্পর্কে অসচেতনতা।অর্থের মোহ অভিভাবকদের নৃশংস আচারণ একটি শিশুকে শ্রমজীবী হতে বাধ্য করে। তাছাড়াও সামাজিক বিপর্যয়, সাম্প্রদায়িকতা এবং অন্যান্য নানা কারণে শিশুরাই অল্প বয়সে শ্রমে লিপ্ত হয়।

বাংলাদেশের শ্রম বাজারের শিশু শ্রমিকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এভাবে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে পুরো দেশ ও জাতি অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। যেহেতু শিশুরাই আগামী দিনের কর্ণধার, তাই শিশুদের শ্রম থেকে মুক্তি দিয়ে শিক্ষায় আলোকিত করতে হবে। কবি সুকান্তের ভাসায় এসেছে।
নতুন শিশু....
তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থানে।
এ বিশ্বের শিশুর......
বাসযোগ্য করে যাবো আমি
নব।

লেখক: শিক্ষার্থী, কবি নজরুল সরকারি কলেজে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 11 Jun 2022 03:07:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চার বছরের শিশুর কাণ্ড ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/63193" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/63193</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বর্তমান ডাচ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন ফর্মুলা ওয়ান চালকের নাম ম্যাক্স ভার্সটাপেন। অন্যদিকে, &lsquo;ওভারভেস্ত এলাকায় নতুন ম্যাক্স ভার্সটাপেনকে পাওয়া গেছে&rsquo; বলে টুইট করেছে নেদারল্যান্ডসের ইউটরেচট শহরের পুলিশ।

আরও পড়ুন: হানিফ সংকেতের চমক

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাস্তায় প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে পায়জামা পরে খালি পায়ে হেঁটে বেড়াচ্ছিল চার বছরের এক শিশু। তাকে রাস্তায় একা হাঁটতে দেখে পুলিশকে খবর দেন পথচারীরা। পরে পুলিশ এসে উদ্&zwnj;ঘাটন করে নেপথ্যের ঘটনা।

পরে জানা যায়, লুকিয়ে মায়ের গাড়ি চালিয়ে এসেছে শিশুটি। পার্ক করা দুটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কাও খেয়েছে খুদে চালকের গাড়িটি। তবে গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়লেও শিশুটি অক্ষত আছে। তাকে উদ্ধার করে বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছে তারা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইনস্টাগ্রামে পুলিশ লিখেছে, শনিবার বাবা কর্মস্থলে রওনা করার সময় শিশুটির ঘুম ভেঙে যায়। বাবা বের হওয়ার পর লুকিয়ে মায়ের গাড়ির চাবি নিয়ে ঘর থেকে বের হয় শিশুটিও। গাড়ির চালকের আসনে বসে অতি আনন্দে ভ্রমণে বের হয় সে। যেতে যেতে দুটি গাড়িতে ধাক্কা দেওয়ার পর থেমে যায় সে। এরপর গাড়ি থেকে রাস্তায় নেমে হাঁটতে থাকে।

আরও পড়ুন: ফের স্বরুপে শাহরুখ খান

পথচারীদের ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর জানা যায় কাছেই একটি গাড়ি পড়ে আছে। পুলিশ যাচাই-বাছাই করে জানতে পারে গাড়িটি ওই শিশুর মায়ের নামে নিবন্ধিত। এরপর মাকে ফোন দেওয়া হয়। মায়ের সঙ্গে কথা বলিয়ে দিতে শিশুটির হাতে ফোন তুলে দেওয়ার সময় পুলিশ দেখতে পায় সে গাড়ি চালানোর ভান করছে এবং স্টিয়ারিং হুইল ঘোরানোর ভঙ্গিমা করছে। তখন পুলিশ বুঝতে পারে, শিশুটিই গাড়ি চালিয়ে এসেছে।

মা পুলিশ স্টেশনে না পৌঁছানো পর্যন্ত শিশুটির যত্নও নিয়েছে পুলিশ। তাকে চকলেট ও টেডি বিয়ার উপহার দেওয়া হয়েছে। এরপর তাকে মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পরে শিশুটির মা তাকে দুর্ঘটনাস্থলে নিয়ে যান। কীভাবে গাড়িটি চালাতে হয়, তা দেখাতে বলেন। শিশুটিও গাড়ি চালিয়ে দেখাতে থাকে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে ভবিষ্যতে গাড়ির চাবি লুকিয়ে রাখার জন্য শিশুটির বাবা-মায়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ২১

ইনস্টাগ্রামে পুলিশ লিখেছে, &lsquo;ওভারভেস্ত এলাকায় নতুন ম্যাক্স ভার্সটাপেনকে পাওয়া গেছে।&rsquo;

উল্লেখ্য, বর্তমান ডাচ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন ফর্মুলা ওয়ান চালকের নাম ম্যাক্স ভার্সটাপেন।

গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়লেও শিশুটি অক্ষত আছে। সে প্রসঙ্গে পুলিশ লিখেছে, &lsquo;সৌভাগ্যবশত, এ ক্ষুদ্র চালকের দুঃসাহসী যাত্রাটি একটি ধাক্কা খাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।&rsquo;

সান নিউজ/এমকেএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 04 May 2022 06:57:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রিকাবীবাজারে ওয়াকওয়ে মিনি পার্ক উদ্বোধন ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/61042" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/61042</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মো. নাজির হোসেন, মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভায় রিকাবীবাজার খাল সংলগ্ন মুজিববর্ষ ওয়াকওয়ে ও মুজিববর্ষ লেক ভিউ মিনি পার্ক উদ্বোধন হয়েছে। বুধবার (৩০ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে রিকাবীবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে ওয়াকওয়ে উদ্বোধন করা হয়।



এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শীলু রায়, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ এনামুল আহসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল কাদির মিয়া, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসিব সরকার, সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল ইসলাম মারুফ, মিরকাদিম পৌরসভার মেয়র হাজী আবদুস সালাম, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট শহীদ-ই- হাসান তুহিন, মিরকাদিম পৌর নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান শরিফ, মিরকাদিম পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় তরুণকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

মুজিববর্ষ লেক ভিউ মিনি শিশু পার্ক উদ্বোধন করে। এতে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে। এ সময় জেলা প্রশাসক নিজ হাতে পার্কে ফলজ গাছ রোপণ করেন। এবং পার্কে শিশুদের খেলাধুলা পরির্দশন করে। পরে ওয়াকওয়ে পর্ব অংশ হেঁটে খোঁজ খবর নেন।

]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 30 Mar 2022 09:41:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/61000" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/61000</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফেনী প্রতিনিধি: ফেনী উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের উত্তর চন্দনা গ্রামের একটি পুকুর থেকে মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) বিকেলে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও পরিবারের লোকজন জানায়, মঙ্গলবার স্কুল থেকে এসে সাব্বির ও ফরহাদ একসঙ্গে বাড়ির পুকুরে গোসল করতে নামে। দীর্ঘক্ষণ তাদের দেখতে না পেয়ে বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পুকুর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন: মানিকগঞ্জে সিআরপির কার্যক্রম শুরু

পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল তৈরির জন্য নিয়ে আসা হয়েছে। উভয় পরিবার ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

সাননিউজ/জেএস]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 29 Mar 2022 17:48:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[একটু সহানুভূতি কি তারা পেতে পারে না?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/59466" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/59466</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সান নিউজ ডেস্ক: বাবা, আমি কি কখনই স্কুলে যেতে পারবো না? ৬ বছর বয়সী মেয়ের জিজ্ঞাসা, তার জন্মদাতা পিতার কাছে। চোখের কোণে জমা জল মুছে নিয়ে বাবার সারল্যে ভরা জবাব, নিশ্চয়। তবে&hellip;। তবে কি বাবা? স্কুল তো আমাদের গ্রাম থেকে অনেক দূরে মা। সেই শহরে। সে সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন প্রান্তোষ। এগিয়ে এসে তিনি মেয়েটির বাবাকে বললেন, চিন্তা করবেন না চাচা। দেখি কি করা যায়।

ভাবনার পোকাটা সেই থেকেই। এরপর পড়লো করোনার লকডাউন। বাসা থেকে অনলাইনেই চলতো অফিসের কার্যক্রম। একদিন এক ছুটির দিনে প্রান্তোষ ভাবলো, আচ্ছা পরীর মত দেখতে ছোট্ট মেয়েটা শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী, সে কারণে

অন্যান্য শিশুদের মতো সে হেসেখেলে স্কুলে যেতে পারে না। মাথায় বেণী করে ঠিকই, কিন্তু তা নিয়ে কথা বলেনা কিংবা টেনে ধরেনা তার সহপাঠীরা। আচ্ছা, এখানে তার তো কোন দোষ নেই। জন্মগতভাবেই সে এমন। তাহলে কেন স্কুলে সবার সঙ্গে স্বাভাবিক নিয়মে পড়তে পারবে না?

অনেক জায়গায় কথা বলেও তেমন কোন লাভ পেলো না প্রান্তোষ। বাধ্য হয়ে নিজের জমানো টাকা দিয়েই বরিশালের কাশিপুরের ২৯ নং ওয়ার্ডে খুললো সমতা ইনক্লুসিভ স্কুল। পাড়ার সেই স্কুলে এখন সেই মেয়েটি সহ অনেকেই পড়ে। ভালো লাগার ব্যাপার হলো, স্কুলটিতে প্রতিবন্ধীদের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীরাও পড়ালেখা করে। এতে একদিক থেকে যেমন প্রতিবন্ধী শিশুদের মনে কোনরূপ প্রভাব পড়ছে না, অপরদিকে তারা বন্ধুবৎসল পরিবেশে স্বাভাবিক নিয়মেই বেড়ে উঠছে। আর সুযোগ পেলেই মেতে উঠছে হাসি-খেলা-খুনসুটিতে।

স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রান্তোষ বৈদ্য নিজেও একজন প্রতিবন্ধী। তাই বোধহয় প্রতিবন্ধীদের কষ্টটা তিনি একটু বেশিই অনুভব করেন। এ কারণে নিজের প্রবল ইচ্ছাশক্তির বদৌলতে রাজধানীর গণ্ডি পেরিয়ে বরিশালের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে তিনি নিজের সবটুকু দিয়ে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।

যেখানে আজ সকালের সূর্য উঠলেই হেসে ওঠে শিক্ষার্থীরা। জোরে জোরে পড়ে স্বরে অ, স্বরে আ। আর তাদের এই মধুর ধ্বনি শুনে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন প্রান্তোষ। বলেন, হয়তো খুব ভালো রাখতে পারিনি তাদের। নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। তবে আমি তাদেরকে আমার মত করে সর্বোচ্চ ভালো রেখেছি। রাখার চেষ্টা করছি। কারণ, জানামতে বরিশালে ১টি দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও একটি অটিজমদের স্কুল রয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থী সংখ্যাও বেশি নয়। প্রতি ক্লাসে ১৫ থেকে ২০ জন। তাইতো নিজের সব জমানো অর্থ ও দুই বন্ধুর সহায়তা নিয়ে স্কুলটির যাত্রা শুরু করেছি। আশারাখি সমাজের বিত্তবানরা আমাদের সঙ্গে থাকবেন। বাচ্চাদের মুখের হাসি অম্লান রাখবেন। কারণ, সরকার সাধারণ শিক্ষার্থী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য অনেক করছে। তাদের একার পক্ষে তো সব করা সম্ভব নয়। উচিত হবে আমার-আপনার মত মানুষদের এগিয়ে আসা। তবেই প্রতিবন্ধীরা নিজেদের &lsquo;সমাজের বোঝা&rsquo; না ভেবে সম্পদ ভাববে। উচ্চস্বরে বলবে, আমরাও পারি।

প্রান্তোষের মতো এমন উদ্যমী তরুণ দেশের অনেক জায়গাতেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। কাজ করে যাচ্ছে নিরবে-নিভৃতে। তাদের জন্য শুভ কামনা। সঙ্গে স্যালুট।

চলুন তাদের পাশে দাঁড়াই
সহযোগিতার হাত বাড়াই

যোগাযোগ:
সমতা ইনক্লুসিভ স্কুল
২৯ নং ওয়ার্ড, কাশিপুর, বরিশাল
মোবাইলঃ ০১৭১২-৪০৪৩৯০
ইমেইলঃ sis.org.bd@gmail.com

লেখক:-

ইমতিয়াজ মেহেদী হাসান

গণমাধ্যমকর্মী ও গীতিকার

সাননিউজ/এমআরএস]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 10 Mar 2022 11:56:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বার্জার আর্টিস্টা চিলড্রেনস আর্ট কম্পিটিশন আয়োজন করলো বার্জার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/59014" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/59014</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সান নিউজ ডেস্ক: প্রতিভাবান ক্ষুদে আঁকিয়েদের অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় পেইন্ট সল্যুশন ব্র্যান্ড বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড (বিপিবিএল) সম্প্রতি বার্জার আর্টিস্টা চিলড্রেনস আর্ট কম্পিটিশন এর আয়োজন শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:জ্বালানি তেলে নতুন রেকর্ড

বার্জারের অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে আগ্রহী শিশু-কিশোরেরা তাদের আঁকা ছবিগুলো প্রতিযোগিতায় জমা দিতে পারবে। অংশ নেওয়া প্রতিযোগিরা দেশের প্রথিতযশা শিল্পীদের পরিচালনায় একটি অনলাইন স্কুল ক্যাম্পে অংশ নেয়ারও সুযোগ পাবে।

এ প্রতিযোগিতাটির দু&rsquo;টি রাউন্ড রয়েছে, যেখানে শিশুদের দু&rsquo;টি গ্রুপে ভাগ করে দেয়া হবে। গ্রুপ &lsquo;এ&rsquo; তে ৫ থেকে ১০ বছর বয়সীরা অংশগ্রহণ করবে। অন্যদিকে গ্রুপ &rsquo;বি&rsquo; তে ১১ থেকে ১৫ বছর বয়সীরা অংশ নেবে। দু&rsquo;টি গ্রুপে থাকা তরুণরা ১৫ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে বাংলাদেশ বিষয়ের ওপর তাদের চিত্রকর্ম জমা দেবে। দু&rsquo;টি গ্রুপ থেকে ২৫ জন করে মোট ৫০ জন নির্বাচিত প্রতিযোগিকে প্রথম রাউন্ডের বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হবে ১৯ মার্চ।

পরবর্তীতে, ১৯ থেকে ২৪ মার্চ তারিখে প্রতিযোগিতাটির দ্বিতীয় রাউন্ডের আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। দু&rsquo;টি গ্রুপের সদস্যদের আমার রঙিন ভূবন বিষয়ে চিত্রকর্ম জমা দিতে হবে। ২৬ মার্চ তারিখে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

আরও পড়ুন:ফের বাড়ল গ্যাসের দাম

প্রথম রাউন্ডের বিজয়ীরা আর্ট ক্যাম্প প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করবেন, যা দেশের প্রথিতযশা শিল্পীদের মাধ্যমে পরিচালনা করা হবে এবং বিজয়ীদের সনদ প্রদান করা হবে। দু&rsquo;টি গ্রুপের দ্বিতীয় রাউন্ডের বিজয়ীদের পুরস্কার, সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হবে।

এ নিয়ে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী বলেন, শিশুদের মধ্য থেকে প্রতিভাবান শিল্পীদের তুলে আনতে আর্ট কম্পিটিশনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের অভিজ্ঞতা আমাদের মনে শৈশবের স্মরণীয় স্মৃতি হিসেবে রয়ে যায়। এ আর্ট কম্পিটিশনটি বৈশ্বিক মহামারির এই প্রতিকূল সময়ে শিশুদের সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে ও তাদের অনুপ্রাণিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।

সাননিউজ/এমআরএস]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 03 Mar 2022 11:16:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আমি কানা নই]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/58446" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/shisu-shargo/58446</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাননিউজ ডেস্ক: এক বৃদ্ধ সাদা দাড়িওয়ালা মৌলবীসাহেব ধবধবে পোশাক পরে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন এক নিমন্ত্রণে।

একটি বাড়ির দোতলার বারান্দায় বসে পান খাচ্ছিল বাড়ির মালিক। অন্যমনস্ক হয়ে পানের পিক ফেলতে পিক এসে পড়ল মৌলবীসাহেবের ঠিক সাদা দাড়িতে। তার পর মৌলবীর সাদা দাড়ি পুরো লাল হয়ে গেল।

মৌলবীসাহেব ক্রুদ্ধ হয়ে ওপরের দিকে তাকিয়ে বললেন, তোমার কি চোখ নেই, তুমি কানা? কোন ভদ্রলোকের গায়ে এভাবে পানের পিক ফেলতে হয়? দেখতে পাও না ? না দেখে রাস্তায় পিক ফেললে?

লোকটি নিজের দোষ ঢাকার জন্য একটু হেসে বলল, দেখতে পাব না কেন সাহেব? দেখেই তো ফেলেছি। নাহলে কি শুধু আপনার দাড়িতে গিয়ে পড়ে? আমি কানা নই।
মৌলবী একটু অবাক হয়ে বললেন, মানে?

আরও পড়ুন: অঝোরে কাঁদলেন মিথিলা

লোকটা বলল, আপনার উত্তম পোশাক দেখেই বুঝেছি, আপনি কোনও খানদানী বাড়িতে নেমন্তন্ন খেতে যাচ্ছেন। তাই আপনার সাদা দাড়িতে লাল কলপ লাগিয়ে বাহার করে দিলাম, যাতে আপনাকে আরও সুন্দর দেখায়।

মৌলবী সামান্য দ্বিধান্বিত হয়ে ভাবলেন, কী জানি, হতেও পারে। এই মনে করে জোরে জোরে পা ফেলে চলে গেলেন।

সাননিউজ/জেএস]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 23 Feb 2022 11:56:24 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
