<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/science</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/science"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews science Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest science News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 24 May 2026 04:42:39 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[মঙ্গলে বসতি: স্পেসএক্সের নথিতে যেসব অদ্ভুত তথ্য]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/114962" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/114962</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজারের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আইপিও নিয়ে হাজির হচ্ছে স্পেসএক্স। বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রকাশিত কোম্পানিটির নতুন নথিতে আর্থিক হিসাবের চেয়েও বেশি নজর কেড়েছে ইলন মাস্কের মহাজাগতিক খামখেয়ালিপনা ও অদ্ভুত সব তথ্য।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান প্রতিবেদনে লিখেছে, আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজারে এক দশমিক ৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের মোটা অংকের মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে কোম্পানিটি। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বুধবার জনসাধারণের জন্য &lsquo;ইনভেস্টর প্রসপেক্টাস&rsquo; বা বিনিয়োগকারীদের জন্য তথ্য প্রকাশ করেছে স্পেসএক্স, যেখানে কোম্পানিটির আর্থিক অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার এমন অনেক তথ্য সামনে এসেছে, যা আগে জানা যায়নি।

এ নথিতে কোম্পানির পরিচালনা খরচ ও আয়ের নতুন হিসাবের পাশাপাশি, মহাবিশ্ব নিয়ে মাস্কের স্বভাবসুলভ কিছু বড় ঘোষণা এবং তার প্রযুক্তি সাম্রাজ্যের ভেতরের অদ্ভুত কিছু দিকও ফুটে উঠেছে। ৩০০ পৃষ্ঠারও বেশি দীর্ঘ এ প্রসপেক্টাসের পাতায় এমন কিছু তথ্য ও ঝুঁকির সতর্কতা ছড়িয়ে আছে, যা মাস্কের কোম্পানির খামখেয়ালিপনা ও তাদের মহাজাগতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাকেই স্পষ্ট করে তোলে। এ ছাড়া নথিতে থাকা নানা আর্থিক বিবরণী থেকে জানা গেছে, মাস্কের বিভিন্ন ব্যবসা আসলে একে অপরের ওপর কতটা নির্ভরশীল এবং এর পেছনে কী কী ঝুঁকি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজারে স্পেসএক্সের এ যাত্রার মুখে তাদের জমা দেওয়া নথির ভেতরে লুকিয়ে থাকা অদ্ভুত কিছু তথ্যের দিকেই এবার নজর দেওয়া যাক।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাস্কের ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি টেসলার সঙ্গে মোটা অংকের ব্যবসা করেছে স্পেসএক্স। এ খরচের বড় একটি অংশ গেছে টেসলার &lsquo;মেগাপ্যাক&rsquo; ব্যাটারি কিনতে, যেখানে ২০২৫ সালে পাঁচ কোটি ৬০ লাখ ডলার ও ২০২৪ সালে ১৯ কোটি ১০ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে। পাশাপাশি সাইবারট্রাক কিনতেও দেদারসে অর্থ খরচ করেছে স্পেসএক্স।

প্রসপেক্টাস থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালে স্পেসএক্স খুচরা বাজার মূল্যে প্রায় ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার সমমূল্যের সাইবারট্রাক কিনেছে। মডেল ও বিভিন্ন সুবিধার ওপর ভিত্তি করে এসব গাড়ির প্রতিটির দাম ছিল প্রায় ৬৯ হাজার ৯০০ ডলার থেকে ৯৯ হাজার ৯০০ ডলারের মধ্যে। এ দাম হিসাব করলে দেখা যায়, স্পেসএক্স অন্তত এক হাজার তিনশটি সাইবারট্রাক গাড়ি কিনেছে।

অটোমোবাইল শিল্পের বিক্রয় প্রতিবেদন অনুসারে, গেল বছর টেসলা গোটা বিশ্বে মোট ২০ হাজার ২৩৭টি সাইবারট্রাক বিক্রি করেছিল। যার মানে, টেসলার মোট সাইবারট্রাক বিক্রির বড় অংশই এসেছে মাস্কের নিজেরই কোম্পানি স্পেসএক্স থেকে। পুরো প্রসপেক্টাস জুড়েই স্পেসএক্স বারবার জোর দিয়ে বলেছে, তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য চাঁদ ও মঙ্গলে মানব বসতি স্থাপন করা। যার মাধ্যমে মানব সভ্যতার পরবর্তী বিবর্তন ঘটবে এবং মহাবিশ্বে মানুষের উপস্থিতি আরও বাড়বে।

&lsquo;আমাদের চেনা একমাত্র আবাস পৃথিবী ছেড়ে বাইরে পাড়ি জমানোর মাধ্যমে আমরা মানব প্রজাতির টিকে থাকার বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করছি। ফলে আমাদের চেতনার আলো কেবল একটি গ্রহের মধ্যেই সীমিত থাকবে না। কারণ, পৃথিবী নির্মম মহাবিশ্বের অনিবার্য কোনো বিপদে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। আমরা চাই না ডাইনোসরদের মতো মানুষের ভাগ্যও করুণ হোক।&rsquo;

নথির এক জায়গায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি মঙ্গলে মানব জীবনের কাল্পনিক এক ছবি যোগ করেছে কোম্পানিটি, যেখানে দেখা যাচ্ছে, মঙ্গলের বুকে এক টুকরা জমিতে গোল গম্বুজ আকৃতির ঘরবাড়ি ও সারিবদ্ধ সোলার প্যানেলের মাঝে দাঁড়িয়ে একটি পরিবার রকেট উৎক্ষেপণ দেখছে।

বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর মতো শোনানো এসব কথাবার্তা কেবল মুখের কথা বা তাত্ত্বিক বিষয় নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মোটা অংকের আর্থিক স্বার্থ। স্পেসএক্স যদি &lsquo;মঙ্গলে অন্তত ১০ লাখ মানুষের স্থায়ী বসতি&rsquo; করতে পারে তবে পুরস্কার হিসেবে মাস্ক কোম্পানির ১০০ কোটি শেয়ার পাবেন।

তবে স্পেসএক্সের এ আন্তঃগ্রহ অভিযানের মূল লক্ষ্যের কারণে বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছু সতর্কবার্তাও দিয়েছে স্পেসএক্স। কোম্পানিটি বলেছে, &lsquo;মহাবিশ্বের প্রকৃত রহস্য&rsquo; উন্মোচনের মতো এমন অস্বাভাবিক ব্যবসায়িক বিভিন্ন লক্ষ্য নিশ্চিত করা বেশ কঠিন হতে পারে।

&lsquo;আমাদের ব্যবসা ও প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতের কৌশল এবং মানুষকে বহু-গ্রহে ছড়িয়ে দেওয়া, মহাবিশ্বের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন ও চেতনার আলোকে তারার দেশে পৌঁছে দেওয়ার এই লক্ষ্য পূরণের পথে আমাদের সামনে অসংখ্য চ্যালেঞ্জ রয়েছে।&rsquo;

স্পেসএক্সের নথিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য ঝুঁকির যে তালিকা দেওয়া হয়েছে, সেখানে মাস্কের বিভিন্ন তদন্ত, মামলা ও কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত আইনি ও নিয়ন্ত্রণমূলক জটিলতার বড় চিত্র উঠে এসেছে। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি বিষয় জড়িয়ে আছে মাস্কের এআই স্টার্টআপ এক্সএআইয়ের সঙ্গে, যা স্পেসএক্স এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে কিনেছে। প্রসপেক্টাসের একটি অংশে বলা হয়েছে, এক্সএআইয়ের তৈরি গ্রক চ্যাটবটটি, বিশেষ করে এর &lsquo;স্পাইসি&rsquo; ও &lsquo;আনহিঞ্জড&rsquo; বা খামখেয়ালি বা অনিয়ন্ত্রিত মোডগুলো মারাত্মক ক্ষতি তৈরির তীব্র ঝুঁকি রাখছে।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে &lsquo;সম্ভাব্য আপত্তিকর কনটেন্ট তৈরি, ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো, সম্মতি ছাড়া বা নিপীড়নমূলক ছবি তৈরি, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি লঙ্ঘন ও এমন কনটেন্ট তৈরি করা, যা নিপীড়নমূলক, ক্ষতিকর, হয়রানি, গালিগালাজপূর্ণ বা বৈষম্যমূলক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে&rsquo;।

নথিতে আরও উল্লেখ রয়েছে, মানুষের অনুমতি ছাড়া ছবি তৈরির অভিযোগের কারণে কোম্পানিটি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার একাধিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ছে।

&lsquo;সেন্টার ফর কাউন্টারিং ডিজিটাল হেইট&rsquo;-এর হিসাব অনুসারে, এ বছরের শুরুতে গ্রক চ্যাটবটটি তার কনটেন্ট তৈরির ওপর কড়াকড়ি বাড়ানোর আগে কেবল ১১ দিনের ব্যবধানে ৩০ লাখেরও বেশি &lsquo;যৌন উত্তেজক&rsquo; ছবি তৈরি করেছিল।

চ্যাটবটটি নিজেই স্বীকার করেছে, গ্রক &lsquo;অপ্রাপ্তবয়স্কদের স্বল্পবসনা&rsquo; ছবি তৈরি করেছে। এর পর থেকে অপ্রাপ্তবয়স্কসহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি মামলা দায়ের করেছেন। তাদের অভিযোগ করেছেন, কোম্পানিটি যৌন নিপীড়ন ও শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্ট থেকে মুনাফা লাভ করেছে।

মাস্ক দীর্ঘদিন ধরেই নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও তাকে দেওয়া বিভিন্ন হুমকি নিয়ে প্রকাশ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন। নিজের সুরক্ষার জন্য তিনি ব্যক্তিগত ফাউন্ডেশন ও একজন বিশ্বস্ত সহযোগীর মাধ্যমে ক্যালিফোর্নিয়া ও টেক্সাস উভয় অঙ্গরাজ্যেই নিরাপত্তা সেবাদাতা কোম্পানি নিবন্ধন করেছেন।

স্পেসএক্সের আর্থিক নথিতে উঠে এসেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোম্পানিটি মাস্কের এ নিরাপত্তা ফার্মে ক্রমাগত অর্থায়নের পরিমাণ বাড়িয়েছে। এ খাতের খরচ ছিল ২০২৩ সালে ২০ লাখ ডলার, ২০২৪ সালে ৩০ লাখ ডলার ও ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪০ লাখ ডলারে। এ বছর ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসেই তারা এ নিরাপত্তা সেবার পেছনে ১০ লাখ ডলার খরচ করেছে।

মাস্ক বারবার দাবি করেছেন, তাকে প্রায়শই প্রাণনাশের হুমকি ও নানা নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে হয়, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সংস্থা ও মানবিক সহায়তা কাটছাঁটের উদ্দেশ্যে গঠিত &lsquo;ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি&rsquo; বা ডজ নামের উদ্যোগের প্রধান মুখ হয়ে ওঠার সময় থেকে তার এ ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

ঝুঁকির বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরার সময় স্পেসএক্স তাদের পণ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বেশ কিছু বড় ধরনের শঙ্কার কথা উল্লেখ করেছে। কোম্পানিটি বলেছে, তাদের বিপুল পরিমাণ খরচের কারণে বড় লোকসান হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের ৪৯০ কোটি ডলার ও এ বছরের প্রথম প্রান্তিকেই ৪৩০ কোটি ডলারের লোকসান। শেয়ার বাজারে যাওয়ার নথিপত্রে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য ঝুঁকি ও আয়ের অনিশ্চয়তার হিসাব দেওয়ার বিষয়টি সাধারণ নিয়মের মধ্যেই পড়ে। প্রসপেক্টাসে সরাসরি বলা হয়েছে, আমাদের অতীতেও নিট লোকসানের ইতিহাস রয়েছে এবং ভবিষ্যতে আমরা লাভজনক পর্যায়ে না-ও পৌঁছাতে পারি।

নথির অন্য এক জায়গায় স্পেসএক্স স্পষ্ট করে বলেছে, তাদের স্বপ্নকে সফল করতে হলে পরীক্ষামূলক এবং এখনও প্রমাণিত হয়নি এমন প্রযুক্তির পেছনে ক্রমাগত আরও অর্থ ঢেলে যেতে হবে।

&lsquo;তাদের ব্যবসার মূল ভিত্তি বা এসব বড় ঝুঁকি হয়ত শেষ পর্যন্ত কোনো কাজে নাও আসতে পারে। এ প্রসপেক্টাসে যেসব উদ্ভাবনী পণ্য ও সেবার কথা বলা হয়েছে, তার অনেকগুলোই শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ এবং সেগুলোর পেছনে মোটা অংকের খরচ হতে পারে।&rsquo;

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 24 May 2026 04:42:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টিকে থাকল নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/114931" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/114931</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মহাবিশ্বের দূরবর্তী গ্যালাক্সি ক্লাস্টার বা ছায়াপথ স্তবকগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে স্যার আইজ্যাক নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রের কঠিন এক পরীক্ষা করেছেন পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিউটন সপ্তদশ শতাব্দীতে মহাকর্ষের যে সূত্র দিয়েছিলেন, তা আজও একইভাবে কার্যকর রয়েছে। ফিজিক্যাল রিভিউ লেটারস সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা ফলাফলে বিজ্ঞানী প্যাট্রিসিও গ্যালার্দো বলেন, এটি সত্যিই বিস্ময়কর। সপ্তদশ শতাব্দীতে নিউটন যে বিপরীত বর্গীয় সূত্র প্রস্তাব করেছিলেন এবং পরবর্তীকালে যা আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্বে অন্তভুক্ত হয়েছিল, তা একুশ শতকে এসেও অটল রয়েছে।

নিউটনের মহাকর্ষীয় সূত্র অনুযায়ী, মহাবিশ্বের প্রতিটি কণা অন্য প্রতিটি কণাকে তার ভরের সমানুপাতিক এবং তাদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক বলে আকর্ষণ করে। দূরত্ব বাড়লে আকর্ষণ শক্তি বর্গের হারে কমে আসে। কোটি কোটি আলোকবর্ষ দূরের গ্যালাক্সি ক্লাস্টারগুলোর ওপর এ প্রভাবের উপস্থিতি আমাদের মহাকর্ষসংক্রান্ত বর্তমান ধারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে ডার্ক ম্যাটার বা অন্ধকার বস্তুর অস্তিত্বের স্বপক্ষে জোরালো প্রমাণ উপস্থাপন করেছে।

আমরা যখন মহাবিশ্বের দিকে তাকাই, তখন একটি অদ্ভুত অসঙ্গতি চোখে পড়ে। আমাদের পরিচিত দৃশ্যমান মহাজাগতিক বস্তু যেমন নক্ষত্র, গ্রহ, কৃষ্ণগহ্বর, ধূলিকণা বা গ্যাসসহ সবকিছু পরিমাপের সময় দেখা যায় যে মহাবিশ্বের বস্তুগুলো যেভাবে চলার কথা ছিল, সেভাবে চলছে না। এ অসঙ্গতির মধ্যে দেখা যায় যে গ্যালাক্সিগুলো তাদের দৃশ্যমান ভরের তুলনায় অনেক দ্রুত ঘুরছে। মহাবিশ্বের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় আলো স্পেস-টাইম বা স্থান-কালের এমন বক্রতা অনুসরণ করছে যা কেবল দৃশ্যমান ভরের মাধ্যমে সম্ভব নয়। এ সময় গ্যালাক্সি ক্লাস্টার বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তবে সেগুলো অদৃশ্য কোনো শক্তির টানে একে অপরের সঙ্গে শক্তভাবে লেগে আছে। এ রহস্যের দুটি প্রধান ব্যাখ্যা রয়েছে। প্রথমটি হলো ডার্ক ম্যাটার। ডার্ক ম্যাটার এমন এক রহস্যময় বস্তু যা আমরা সরাসরি দেখতে না পেলেও মহাকর্ষের মাধ্যমে দৃশ্যমান জগতের ওপর প্রভাব ফেলে। বর্তমান পরিমাপ অনুযায়ী মহাবিশ্বের প্রায় ৮৫ শতাংশ বস্তুই হলো এই ডার্ক ম্যাটার। দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটি হলো, নিউটন ও আইনস্টাইনের মহাকর্ষ সংজ্ঞায় হয়তো কোনো ভুল আছে। মনে করা হয় যে বিশাল দূরত্বে মহাকর্ষ সূত্রটি হয়তো আমাদের ধারণার চেয়ে ভিন্নভাবে কাজ করে।

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞানী গ্যালার্দো ও তার সহকর্মীরা ৫০০ থেকে ৭০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে থাকা প্রায় ৬ লাখ ৮৬ হাজার গ্যালাক্সি ক্লাস্টারের গতিবেগ পরিমাপ করেছেন। মহাবিশ্বের প্রাচীনতম আলো যখন আমাদের দিকে আসে, তখন তা অনেক সময় গ্যালাক্সি ক্লাস্টারের চারপাশের গরম গ্যাসের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। যদি ক্লাস্টারটি স্থির থাকে, তাহলে আলো সরলরেখায় চলে আসে। কিন্তু গ্যালাক্সি ক্লাস্টার যদি গতিশীল থাকে, তাহলে সেই আলো ইলেকট্রনের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে তার সংকেতে সামান্য পরিবর্তন ঘটায়। এ পরিবর্তনের মাত্রা মেপেই মূলত গ্যালাক্সি ক্লাস্টারের গতিবেগ শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।

যদি মহাকর্ষ সূত্র ভুল হতো, তবে দেখা যেত যে বিশাল দূরত্বে মহাকর্ষীয় টান প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হচ্ছে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করেছেন যে দূরত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্যালাক্সি ক্লাস্টারগুলোর মধ্যবর্তী আকর্ষণ শক্তি নিউটন ও আইনস্টাইনের তত্ত্ব অনুযায়ী দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। এ ফলাফল নির্দেশ করে, মহাকর্ষ সূত্রে পরিবর্তন আনার চেয়ে ডার্ক ম্যাটারের অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি প্রবল। কারণ, মহাকর্ষের নিয়ম যদি ঠিক থাকে, তাহলে সেই বাড়তি টান অনুভব করার জন্য অবশ্যই মহাবিশ্বে অদৃশ্য কোনো ভর বা ডার্ক ম্যাটার রয়েছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 21 May 2026 17:26:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এ মাসে দেশের আকাশে দেখা যাবে গ্রহ ও নক্ষত্রের মেলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/114878" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/114878</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মে মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশে মৌসুমি বায়ুর আনাগোনা শুরু হওয়ায় আকাশে মেঘের দেখা মিলে থাকে। তবে যখন মেঘ সরে যায়, তখন বায়ুমণ্ডল একদম পরিষ্কার থাকে, ফলে সহজেই আকাশে গ্রহ ও নক্ষত্রের মেলা বেশ স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ৩১ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের আকাশে মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে।

মে মাসের ২০ তারিখের পর থেকে বৃহস্পতি ও শনি ভোরের আকাশে বেশ উঁচুতে অবস্থান করবে। বিশেষ করে ৩০ ও ৩১ মে ভোরে পূর্ব-দক্ষিণ দিগন্তে এ দুই দৈত্যাকার গ্রহকে বেশ উজ্জ্বল দেখাবে। আপনি যদি টেলিস্কোপ ব্যবহার করেন, তবে শনির বলয় ও বৃহস্পতির গ্যালিলিয়ান উপগ্রহগুলো দেখার এটাই সেরা সময়। এ ছাড়া মঙ্গল গ্রহের লালচে আভার মনোমুগ্ধকর দৃশ্যও দেখা যাবে ভোরের আকাশে।

২৩ মে বাংলাদেশের আকাশে দেখা যাবে বছরের অন্যতম উজ্জ্বল পূর্ণিমা। জ্যৈষ্ঠের এ পূর্ণিমার আলোয় গ্রামবাংলার প্রকৃতি এক অপূর্ব রূপ ধারণ করবে। তবে আকাশ পর্যবেক্ষকদের জন্য সময়টি কিছুটা চ্যালেঞ্জের, কারণ চাঁদের তীব্র আলোয় ক্ষীণ নক্ষত্র বা গ্যালাক্সি দেখা কঠিন হয়ে পড়ে। ৩১ মে ভোরের আকাশে এক অনন্য দৃশ্য দেখা যাবে। সরু ফালির চাঁদ ও উজ্জ্বল বৃহস্পতি গ্রহ একে অপরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করবে। সূর্যোদয়ের ঠিক আগে পূর্ব দিগন্তে খালি চোখেই দেখা যাবে এ দৃশ্য।

মে মাসের শেষ দিকে রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশের নক্ষত্রের বিন্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যাবে। সন্ধ্যার আকাশে লিও নক্ষত্রপুঞ্জ কিছুটা পশ্চিম দিকে হেলে পড়বে এবং এটির প্রধান নক্ষত্র রেগুলাসকে সূর্যাস্তের পর দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশে দেখা যাবে। অন্যদিকে, মে মাসের শেষ সপ্তাহে রাত ১০টার পর থেকে পূর্ব আকাশে দেখা মিলবে বিখ্যাত সামার ট্রায়াঙ্গেলের। তিনটি ভিন্ন নক্ষত্রপুঞ্জের তিনটি উজ্জ্বল নক্ষত্র ভেগা, ডেনেব ও আলটায়ারের সমন্বয়ে তৈরি হওয়া বিশাল এই ত্রিভুজ মূলত উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মের আগমনের বার্তা দিয়ে থাকে। এ সময় উত্তর-পূর্বে আকাশে উজ্জ্বল কমলা রঙের আর্কটারাস নক্ষত্রও দেখা যাবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 18 May 2026 17:16:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রথমবারের মতো জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ভিনগ্রহের স্পষ্ট ছবি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/114740" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/114740</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের সাহায্যে প্রথমবারের মতো সৌরজগতের বাইরের কোনো পাথুরে গ্রহের পৃষ্ঠদেশ স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

রয়টার্স লিখেছে, পৃথিবী থেকে ৪৯ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত বায়ুমণ্ডলহীন এ গ্রহটির পরিবেশ চরম ও বৈরী। এ আবিষ্কার ভিনগ্রহের ভূতাত্ত্বিক গঠন ও সেখানে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা বুঝতে বিজ্ঞানীদের নতুন পথ দেখাচ্ছে।

এ পাথুরে গ্রহটির নাম &lsquo;এলএইচএস ৩৮৪৪&rsquo;, যা &lsquo;কুয়া-কুয়া&rsquo; বা কোস্টারিকার আদিবাসী ভাষায় প্রজাপতি নামেও পরিচিত। পৃথিবী থেকে প্রায় ৪৯ আলোকবর্ষ দূরে সূর্যের চেয়ে ছোট ও কম উজ্জ্বল এক তারাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে এ গ্রহ, যার আকার পৃথিবীর চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ বড়।

এক আলোকবর্ষ বলতে আলো এক বছরে যতটুকু দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে বোঝায়, যা প্রায় নয় দশমিক পাঁচ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার।

জেমস ওয়েবের পাঠানো তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বলছেন, গ্রহটি প্রাণহীন ও বায়ুমণ্ডলহীন এক জগত, যার উপরিভাগ অনেকটা আমাদের সৌরজগতের বুধ গ্রহের মতো পাথুরে।

গ্রহটিতে কোনো স্থিতিশীল বায়ুমণ্ডল না থাকায় সেখানকার তাপমাত্রা অনেক। এর যে পাশ তারার দিকে সেখানে প্রচণ্ড উত্তাপ ও উল্টো পাশে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা। আবহাওয়ার এ চরম প্রতিকূলতার কারণে গ্রহটি প্রাণের বসবাসের জন্য একেবারেই অনুপযোগী।

জার্মানির &lsquo;ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর অ্যাস্ট্রোনমি&rsquo;র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও এ গবেষণার প্রধান লেখক লরা ক্রাইডবার্গ গ্রহটি সম্পর্কে বলেন, গ্রহটি মোটেও ভালো কোনো জায়গা নয়।

গ্রহটিকে &lsquo;নরকতুল্য ও ঊষর পাথুরে ভূমি&rsquo; হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি, যা আমাদের সৌরজগতের বুধ গ্রহের সঙ্গেই বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ। বুধ গ্রহে বায়ুমণ্ডলের কোনো নামগন্ধ নেই, বরং এর পরিবর্তে বিজ্ঞানীরা অন্ধকার ও বেশ প্রাচীন পৃষ্ঠ দেখতে পেয়েছেন।

গবেষক ক্রাইডবার্গ বলেন, কোটি কোটি বছর ধরে মহাকাশে ছুটে চলা এক নগ্ন পাথরের টুকরা যেমন হতে পারে গ্রহটি ঠিক তেমনই, যেখানে কেউই আসলে যেতে চাইবে না।

জেমস ওয়েবের এসব পর্যবেক্ষণ থেকে ইঙ্গিত মেলে, গ্রহটির পৃষ্ঠদেশ প্রাচীন ও গাঢ় রঙের &lsquo;রেগোলিথ&rsquo; বা আলগা পাথুরে ধূলিকণায় ঢাকা। দীর্ঘ সময় ধরে তারার বিকিরণ ও ক্ষুদ্র উল্কাপিণ্ডের অনবরত আঘাতে কঠিন শিলাস্তর ভেঙে এ চূর্ণবিচূর্ণ পদার্থের স্তর তৈরি হয়েছে।

বায়ুমণ্ডল না থাকার কারণে মহাজাগতিক এসব আঘাত সরাসরি গ্রহটির পৃষ্ঠে আছড়ে পড়ে একে এমন বিদ্ধ ও জরাজীর্ণ করে তুলেছে।

২০২১ সালে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা ও ২০২২ সাল থেকে পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করা জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ আমাদের সৌরজগতের বাইরের গ্রহ বা এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে ধারণাই বদলে দিয়েছে।

এ টেলিস্কোপের শক্তিশালী ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা বিজ্ঞানীদের জন্য এসব গ্রহের রাসায়নিক গঠন, অভ্যন্তরীণ গতিবিধি ও সেখানকার মেঘের ধরন বোঝার পথও সহজ করে দিয়েছে।

ম্যাসাচুসেটসের &lsquo;হার্ভার্ড অ্যান্ড স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্স&rsquo;-এর গবেষক ও এ গবেষণার প্রধান লেখক সেবাস্তিয়ান জাইবা বলেন, জেমস ওয়েব এখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সরাসরি এসব ভিনগ্রহের ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ও পৃষ্ঠের গঠন নিয়ে পড়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।

&lsquo;জেমস ওয়েব আসার আগে এ কাজটি ছিল চ্যালেঞ্জিং। এ গবেষণার মাধ্যমে আমরা এখন পৃথিবী ও সৌরজগতকে মহাকাশের বড় প্রেক্ষাপটে রেখে বিচার করতে পারছি। ফলে অন্য তারাকে কেন্দ্র করে ঘোরা বিভিন্ন গ্রহের গঠন বা প্রক্রিয়া আমাদের চেনা সৌরজগতের মতো কি না তা যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে।&rsquo;

&lsquo;এ সাফল্যটি অনেকটা এমন যেন আমরা হঠাৎ আমাদের চশমাটি পরিষ্কার করে ফেললাম এবং প্রথমবারের মতো গ্রহগুলোকে স্পষ্টভাবে দেখার সুযোগ পেলাম।&rsquo;

গ্রহটি যে তারাটিকে কেন্দ্র করে ঘোরে সেটি মহাকাশের সাধারণ ধরনের এক তারা, যাকে &lsquo;রেড ডোয়ার্ফ&rsquo; বা লাল বামন বলে। তারাটির ভর আমাদের সূর্যের কেবল ১৫ শতাংশ ও এর উজ্জ্বলতা সূর্যের কেবল হাজার ভাগের তিন ভাগ।

গ্রহটি নিজের তারার খুব কাছাকাছি অবস্থিত এবং কেবল ১১ ঘণ্টায় একবার একে প্রদক্ষিণ করে। পৃথিবী থেকে চাঁদকে আমরা যেমন সবসময় একপাশেই দেখি এ গ্রহটিও তেমনি এর তারার সঙ্গে &lsquo;টাইডালি লকড&rsquo; অবস্থায় আছে, অর্থাৎ গ্রহটির একপাশ সবসময় তারার দিকে মুখ করে থাকে এবং অন্যপাশ সবসময় অন্ধকারের দিকে থাকে।

তারার খুব কাছে থাকায় গ্রহটির যে অংশ সবসময় তারার দিকে থাকে বা দিনের বেলায় সেখানকার তাপমাত্রা প্রায় ৭২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছায়।

তবে এর উল্টো দিকে বা রাতের বেলা কোনো তাপমাত্রার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। জেমস ওয়েবের শক্তিশালী ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি শনাক্তকরণ সক্ষমতার সাহায্যে গবেষকরা সরাসরি গ্রহটির পৃষ্ঠ থেকে আসা আলো পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছেন।

গবেষক জাইবা বলেন, বায়ুমণ্ডলের মতো বিভিন্ন ধরনের পাথরেরও আলাদা &lsquo;স্পেকট্রাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট&rsquo; বা আলোর নিজস্ব স্বাক্ষর থাকে। আমাদের পর্যবেক্ষণ অনুসারে, গ্রানাইটের মতো উজ্জ্বল পাথরের চেয়ে ব্যাসাল্টের মতো কালো আগ্নেয় শিলা গ্রহটির উপরিভাগের গঠনের সঙ্গে বেশি মেলে। হতে পারে গ্রহটির উপরিভাগ প্রাচীন ও গাঢ় রঙের আগ্নেয় শিলা দিয়ে গঠিত।

বুধ ও চাঁদের উপরিভাগও ব্যাসাল্ট জাতীয় শিলা দিয়ে গঠিত।

গবেষক জাইবা বলেন, পৃথিবীতে গ্রানাইট পাথরের ব্যাপক উপস্থিতির সঙ্গে পানি ও &lsquo;প্লেট টেকটোনিকস&rsquo; বা পৃথিবীর উপরিভাগের বড় বিভিন্ন স্তরের ধীর নড়াচড়া প্রক্রিয়ার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতে যদি কোনো ভিনগ্রহে গ্রানাইট সদৃশ পৃষ্ঠের সন্ধান মেলে তবে তা সরাসরি প্রাণের অস্তিত্ব প্রমাণ না করলেও অন্তত প্রমাণ করবে, গ্রহটির ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস অনেকটা আমাদের পৃথিবীর মতো।

জেমস ওয়েবের পর্যবেক্ষণে আরও এক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়েছিল, গ্রহটি হয়তো সাম্প্রতিক কোনো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত থেকে তৈরি নতুন শিলা দিয়ে ঢাকা। তবে, গবেষকরা সেখানে সালফার ডাই-অক্সাইডের মতো আগ্নেয়গিরি সংশ্লিষ্ট কোনো গ্যাসের অস্তিত্ব পাননি।

যেহেতু গ্রহটিতে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই ফলে তারার ক্ষতিকর বিকিরণ বা চার্জিত কণা থেকে সুরক্ষার কোনো ব্যবস্থাও সেখানে নেই। বায়ুমণ্ডলহীন অবস্থায় সেখানে তরল পানির অস্তিত্ব থাকা সম্ভব নয়, যা প্রাণ বিকাশের জন্য অপরিহার্য।

সব মিলিয়ে গবেষক জাইবা বলেন, গ্রহটি কোনোভাবেই বসবাসের উপযোগী নয়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 07:18:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অন্ধকারকে কেন ভয় মানুষের?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/114611" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/114611</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অন্ধকার দেখলে সবার মনে অজানা সব ভয় কাজ করে। আধুনিক যুগের আলোকিত শহরে বাস করেও অন্ধকারের সেই আদিম আতঙ্ককে পুরোপুরি ভুলতে পারে না মানুষ। বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানের মতে, অন্ধকারের প্রতি এই ভয় কোনো মানসিক দুর্বলতা নয়। এটি মানুষের টিকে থাকার জন্য তৈরি হওয়া এক প্রাচীন সুরক্ষাকবচ।

সাম্প্রতিক গবেষণার আলোকে বিজ্ঞানীরা ব্যাখ্যা করেছেন, কীভাবে মানুষের মস্তিষ্ক অন্ধকারের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে এবং কেন এই প্রাচীন প্রবৃত্তি আজও মানুষের আচরণ ও আবেগকে প্রভাবিত করছে। বিবর্তনীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে ভয় আসলে কোনো ত্রুটি নয়। এটি একটি খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশল। মানুষ এমন এক পরিবেশে বিবর্তিত হয়েছে, যেখানে রাতের বেলা বিপদের ঝুঁকি অনেক বেশি ছিল। দৃষ্টিশক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে অন্ধকারে মানুষ আসন্ন বিপদ দেখতে পেত না, যা তাদের অত্যন্ত সতর্ক থাকতে বাধ্য করত।

হিউম্যান ইমোশনাল ইভালুশন অব অ্যানসেস্ট্রাল অ্যান্ড মডার্ন থ্রেটস শীর্ষক একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, বর্তমান অধিকাংশ ভয়ের মূলে রয়েছে এমন কিছু রক্ষণাত্মক কৌশল। এটি প্রাকৃতিক নির্বাচনপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের ক্ষতি থেকে বাঁচানোর জন্য তৈরি হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, পরিবেশে বিপদ কমে যাওয়ার অনেক পরও এই রক্ষণাত্মক কৌশলগুলো মস্তিষ্কে টিকে থাকে। বিজ্ঞানীরা পর্যবেক্ষণ করেছেন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে যখন দৃশ্যমানতা কম থাকে, মানুষ অনেক বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। কারণ, বিপদের সামান্যতম সম্ভাবনা থাকলেও সতর্ক থাকাটাই ছিল আদিম মানুষের টিকে থাকার মূলমন্ত্র।

অন্ধকারের প্রতি আমাদের মস্তিষ্কের প্রতিক্রিয়া দিনের বেলা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এক্সপেরিয়েন্সিং কমপ্লিট ডার্কনেস অন ব্রেইনস নামক একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, মস্তিষ্ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেয়ে বিপদের প্যাটার্ন বা সংকেত শনাক্ত করতে অনেক বেশি দক্ষ। যখন কারো দৃষ্টিশক্তি কোনো তথ্য সরবরাহ করতে পারে না, তখন মস্তিষ্ক নিজেই সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে শুরু করে। এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্ক প্রায়ই সবচেয়ে খারাপ বা ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা কল্পনা করে নেয়। এ ছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে, অন্ধকারে মানুষের শ্রবণশক্তি অত্যন্ত তীব্র হয়ে ওঠে। দৃশ্যমান তথ্যের অভাবে মস্তিষ্ক শব্দের প্রতি অতিসংবেদনশীল হয়ে পড়ে, যা উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়।

নিরাপদ পরিবেশে বাস করেও অনেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ অন্ধকারে অস্বস্তি বা ভয় অনুভব করেন। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, এটি প্রাগৈতিহাসিক পূর্বপুরুষদের টিকে থাকার প্রবৃত্তির সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির একটি অসামঞ্জস্যতা। মানুষ জন্মগতভাবেই এমন কিছু পরিস্থিতির প্রতি ভীত থাকে। এ ছাড়া সাংস্কৃতিক প্রভাবও এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। রূপকথা থেকে শুরু করে আধুনিক মিডিয়া বা সিনেমা- সব জায়গাতেই অন্ধকারকে অশুভ বা বিপজ্জনক হিসেবে চিত্রায়িত করা হয়, যা এই ভয়কে আরও বাড়িয়ে দেয়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, অন্ধকারের ভয়কে জয় করা সম্ভব। যখন একজন ব্যক্তি বুঝতে পারেন যে তার ভয়টি আসলে একটি ভিত্তিহীন রক্ষণাত্মক প্রতিক্রিয়ামাত্র, তখন এটি মোকাবিলা করা সহজ হয়। জার্নাল অব অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডারসে প্রকাশিত তথ্যমতে, নিয়ন্ত্রিতভাবে ভীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া কমিয়ে দেয়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 04 May 2026 17:42:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অবহেলায় হারিয়ে যাচ্ছে দেশের বিজ্ঞানী: রাফায়েল আহমেদ শামীম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/112949" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/112949</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাফায়েল আহমেদ শামীম
দেশের উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি হলো মানুষ, বিশেষ করে তার মেধা ও সৃজনশীলতা। বিজ্ঞানী ও গবেষকরা জাতির প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক অগ্রগতির ভিত্তি গড়ে, উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের বাস্তবতা অনেক দূরে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্বার্থপরতা, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাব এবং নীতিগত দুর্বলতার কারণে লক্ষ লক্ষ সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানী হারিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের ভবিষ্যতকে হুমকির মুখে ফেলছে।
বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় বরাদ্দ বাজেট ও সুযোগ পর্যাপ্ত নয়। সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ল্যাব, যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য সরঞ্জামের অভাব রয়েছে। তরুণ বিজ্ঞানীরা প্রায়ই প্রয়োজনীয় বৃত্তি, গবেষণা অনুদান বা আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত হন। ফলে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী বিদেশের উন্নত দেশগুলোর দিকে ঝুঁকে পড়ে, যেখানে তাদের গবেষণা এবং উদ্ভাবনের সুযোগ অনেক বেশি। এই প্রক্রিয়াটিকে সাধারণভাবে &ldquo;ব্রেইন ড্রেন&rdquo; বলা হয়। ব্রেইন ড্রেন শুধু ব্যক্তির ক্ষতি করে না; এটি জাতীয় অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অবহেলার মূল কারণগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রথমত, স্বল্পমেয়াদী রাজনৈতিক স্বার্থ।
অনেকবার দেখা যায়, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং নীতি নির্ধারকরা স্বল্পমেয়াদী জনসেবামূলক প্রকল্পকে প্রাধান্য দেন যা রাজনৈতিকভাবে ফলপ্রসূ মনে হয়, কিন্তু বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের দিকে প্রয়োজনীয় মনোযোগ দেয় না। তারা বোঝেন না যে আজকের গবেষকরা আগামী দিনের উদ্ভাবক এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি। দ্বিতীয়ত, অপর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ। দেশের গবেষণা খাতে বরাদ্দ অর্থ জাতীয় বাজেটের মাত্র ১&ndash;৩% হারে, যা উন্নত দেশগুলোর তুলনায় অনেক কম। এ অর্থ যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োগের অভাবে প্রায়শই ল্যাব সরঞ্জাম, সফটওয়্যার, আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা প্রকল্পে পৌঁছায় না। তৃতীয়ত, মেন্টরশিপ এবং পেশাগত সহায়তার অভাব। একজন সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানী যদি সঠিক দিকনির্দেশনা, গবেষণা সহযোগিতা এবং পেশাগত পরামর্শ না পায়, তাহলে তার মেধা পুরোপুরি বিকশিত হয় না। অনেক শিক্ষার্থী বা গবেষকই সঠিক সুযোগের অভাবে তাদের মেধা বহির্মুখীভাবে প্রয়োগ করতে পারেন না। চতুর্থত, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মনোভাবের প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সমাজে এখনও বিজ্ঞানকে প্রায়শই ঝুঁকিপূর্ণ বা অচেনা পেশা হিসেবে দেখা হয়। পরিবার এবং সমাজের সমর্থন না থাকায় অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী সহজ পথ বেছে নেয়, যেমন সরকারি চাকরি বা বিদেশে স্থায়ী জীবন, যা দেশের জন্য ক্ষতিকর। হারানো সম্ভাবনার পরিমাণ বিশাল। উচ্চমানের শিক্ষার্থী ও গবেষক হারালে জাতীয় অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক অবদান সীমিত হয়ে যায়।
উদাহরণস্বরূপ, উন্নত দেশগুলো তাদের মেধাবী তরুণদের গবেষণা সুযোগ দিয়ে জ্ঞানভিত্তিক শিল্পে রূপান্তরিত করছে। প্রতিটি সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানী যারা দেশের বাইরে চলে যায়, তারা হারিয়েছে দেশের উদ্ভাবন ক্ষমতা, বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সুযোগ। হারানো বিজ্ঞানীদের প্রভাব শুধুমাত্র অর্থনৈতিক নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও পড়ে। দেশের প্রযুক্তিগত নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়, গবেষণার মান কমে যায় এবং পরবর্তী প্রজন্ম বিজ্ঞানী হওয়ার উৎসাহ হারায়। দীর্ঘমেয়াদে দেশ তার স্বাধীন গবেষণার সক্ষমতা হারাতে পারে।
সমস্যার সমাধান একটিমাত্র বিষয় নয়; এটি সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছ প্রশাসন এবং দীর্ঘমেয়াদী নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে সম্ভব। প্রথমে, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করতে হবে। ল্যাব, যন্ত্রপাতি, সফটওয়্যার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য পর্যাপ্ত তহবিল নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বৃত্তি ও প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি করতে হবে। সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থী ও গবেষকদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উচ্চমানের গবেষণার সুযোগ দেওয়া উচিত। মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম চালু করে তরুণদের পেশাগত দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা আবশ্যক। বিজ্ঞানকে সম্মানজনক, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ এবং দেশের উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে প্রচার করতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংস্থা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভ&sbquo;মিকা পালন করতে পারে। চতুর্থত, দীর্ঘমেয়াদী নীতি প্রণয়ন অপরিহার্য। প্রতিটি সরকারী পদক্ষেপের ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদী রাজনৈতিক স্বার্থের চেয়ে দেশের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত স্বায়ত্তশাসনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। নিয়মিত গবেষণা প্রতিবেদন, বাজেটের স্বচ্ছতা এবং কার্যকারিতা মূল্যায়নের মাধ্যমে ক্ষতি কমানো সম্ভব।
আন্তর্জাতিক তুলনায় দেখা যায়, উন্নত দেশগুলোতে বিজ্ঞানী তৈরিতে ব্যয় করা প্রতিটি টাকা বহুগুণে ফেরত আসে। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান তাদের গবেষক ও বিজ্ঞানী তৈরিতে বরাদ্দ বাজেটকে দেশের উন্নয়নের মূল কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা দেশীয় তরুণদের গবেষণা এবং উদ্ভাবনের সুযোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী করছে। আমাদের দেশে যদি একই মনোভাব গ্রহণ করা হয়, হারানো মেধাকে ফেরানো সম্ভব এবং দেশের বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ নিশ্চিত করা যায়। দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অবহেলা ও স্বার্থপরতার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানী। তাদের হারানো শুধুমাত্র ব্যক্তি বা পরিবারের ক্ষতি নয়; এটি জাতীয় অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রভাবের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি। সরকার, নীতি নির্ধারক এবং সমাজকে একত্রে কাজ করতে হবে&Ntilde;যাতে গবেষণার জন্য যথাযথ অর্থ বরাদ্দ, প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ এবং সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করা যায়। বিজ্ঞানী তৈরিতে ব্যয় করা অর্থকে কেবল খরচ হিসেবে দেখা উচিত নয়। এটি জাতির শক্তি, দেশের ভবিষ্যত এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অবস্থান নিশ্চিত করার একটি বিনিয়োগ। আজ যদি পদক্ষেপ নেই, আগামী প্রজন্ম দেখবে যে দেশের সম্ভাবনাময় সন্তানরা হারিয়েছে অবহেলার কারণে। আর যদি সচেতনতা, বাজেট বরাদ্দ এবং কার্যকর নীতি প্রয়োগ করা হয়, হারানো মেধাকে ফিরে পাওয়া সম্ভব এবং দেশকে বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

রাফায়েল আহমেদ শামীম, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কলাম লেখক।

rflashamim@gmail.com

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 29 Sep 2025 11:01:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112479" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112479</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজকের বিশ্ব প্রযুক্তির অদ্ভুত এক মোড়ে দাঁড়িয়ে। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence &ndash; AI) শুধু একটি ফিচার নয়, বরং প্রতিটি সৃজনশীল ক্ষেত্রের গভীরে ঢুকে পড়েছে। টেলিভিশন, সিনেমা, বিজ্ঞাপন কিংবা অনলাইন কনটেন্ট সবখানেই এখন AI-এর ছোঁয়া দৃশ্যমান। মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন, যা চিত্র, শব্দ ও সময়কে একত্রিত করে একটি গতিশীল ভিজ্যুয়াল তৈরি করে, সেখানেও AI একটি বিপ্লব ঘটাচ্ছে।

AI কীভাবে কাজ করে মোশন গ্রাফিক্সে?

ধরা যাক, একজন গ্রাফিক ডিজাইনার একটি ৩০ সেকেন্ডের টেলিভিশন প্রোমো বানাতে চান । আগের দিনে তাকে স্ক্রিপ্ট পড়া, স্টোরিবোর্ড আঁকা, এনিমেশন তৈরি, কালার কারেকশন এবং রেন্ডারিং করতে হতো - সবকিছুতেই সময় লাগতো বহু ঘণ্টা, কখনোবা দিন। অথচ এখন AI নির্ভর টুল যেমন Runway ML, Kaiber, Pika, Luma AI, Adobe Firefly ইত্যাদি সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি লেখা বা ধারণা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

AI-এর সাহায্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা, ক্যামেরা মুভমেন্ট তৈরি করা, লিপ সিংক এনিমেশন বানানো, এমনকি পুরো 3D সিন নির্মাণ-সবই হচ্ছে ক্লিকেই। কোনো ডিজাইনার চাইলে শুধু একটি প্রম্পট লিখে দিতে পারেন: &ldquo;রাতের শহরের ওপরে উড়ছে একদল ড্রোন, নিচে আলো ঝলমলে রাস্তা, চারপাশে ভবিষ্যতের উড়ন্ত গাড়ি&rdquo;। এই প্রম্প্টটি দিলে AI পুরো দৃশ্য তৈরি করে দিতে পারে যেখানে থাকবে আধুনিক শহরের ব্যাকগ্রাউন্ড, গতিশীল ক্যামেরা মুভমেন্ট, চলমান গাড়ি ও আলোর রিফ্লেকশনসহ এনিমেটেড পরিবেশ।

 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাস্তবতা

বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি এখনও অনেকাংশে ম্যানুয়াল কাজের ওপর নির্ভরশীল। Vizrt, WASP3D, VMix ইত্যাদি রিয়েলটাইম গ্রাফিক্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হলেও AI এখনও অনেকের কাছে নতুন এক অভিজ্ঞতা। কিন্তু বর্তমান তরুণ প্রজন্ম যেভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে সক্রিয়, তাতে করে AI গ্রাফিক্স ডিজাইন আমাদের দেশেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

আমার দেখা মতে, আগামীর টেলিভিশন সম্প্রচারে যেমন ইনফোগ্রাফিকস, সেগমেন্ট ব্রেকার, ফ্যাক্টস অ্যানিমেশন, সাইড প্যানেল, নিউজ লোয়ার-থার্ড ইত্যাদি জায়গায় AI টুল ব্যবহার দ্রুত বাড়বে।

প্রশিক্ষণের গুরুত্ব ও আমাদের প্রস্তুতি

আমি নিজে একজন ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠশালা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোশন গ্রাফিক্স শেখাই। সেখানে আমি প্রতিনিয়ত দেখি-যেসব শিক্ষার্থীরা নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে, তারা খুব দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। তাই আমার বিশ্বাস, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনই AI ভিত্তিক গ্রাফিক্স প্রশিক্ষণ চালু করা উচিত।

AI নিয়ে ভয় না পেয়ে, এটিকে গ্রহণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে আমার বার্তা&mdash;Adobe After Effects বা Cinema 4D শিখুন ঠিকই, তবে পাশাপাশি Runway ML, Gen-2, Firefly বা Pika Lab নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। কারণ, ভবিষ্যতের কাজের ধরন বদলে যাচ্ছে দ্রুতগতিতে।

মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন কেবল সফটওয়্যারের ব্যবহার নয়, এটি একটি শিল্প। AI এই শিল্পকে দ্রুততর, সহজতর এবং আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। আমাদের প্রয়োজন-এই প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

সৃজনশীলতা কখনোই প্রযুক্তির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না-বরং প্রযুক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আরও বড় কিছু তৈরি করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে আমরা যদি সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারি, তবে বাংলাদেশের গ্রাফিক্স ডিজাইনও বিশ্বমানে পৌঁছাতে পারে-এই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

লেখক:দেবাশীষ দাস
ডেপুটি ম্যানেজার, গ্রাফিক্স বিভাগ, মাছরাঙ্গা টেলিভিশন
ফ্যাকাল্টি, পাথশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া একাডেমি
গেস্ট ফ্যাকাল্টি, টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 10 Jul 2025 06:51:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মিসাইল সিস্টেম সংবলিত আধুনিক মিলিটারি ড্রোন উদ্ভাবন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/112433" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/112433</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার মেধাবী তরুণ রাফি হোসাইন সম্প্রতি মিসাইল সিস্টেম সংবলিত একটি আধুনিক মিলিটারি ড্রোন উদ্ভাবন করে সারাদেশে সাড়া ফেলে দিয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে অনুষ্ঠিত ৪৬তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় এই উদ্ভাবন প্রদর্শন করে তিনি ও তার দল টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

রাফির এই ড্রোনটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত উন্নত। এটি দুইটি মিসাইল বহন করতে সক্ষম এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার রেঞ্জ পর্যন্ত কার্যকরী। সম্পূর্ণ স্থানীয়ভাবে ডিজাইন, ফেব্রিকেশন ও প্রোগ্রামিং করা এই ড্রোনের উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর খরচ বিদেশী ড্রোনের তুলনায় অনেক কম- মাত্র ১০ লাখ টাকা।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র রাফি বর্তমানে নরসিংদী সায়েন্স অ্যান্ড রোবোটিক্স ল্যাব-এর প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের নিরলস প্রচেষ্টা। ২০২৩ সালে &lsquo;এআই এক্সিডেন্ট প্রিভেনশন সিস্টেম&rsquo; এবং ২০২৪ সালে &lsquo;জায়ান্ট মাল্টিপারপাস ড্রোন&rsquo; উদ্ভাবনের মাধ্যমে তিনি আগেও জাতীয় পর্যায়ে সেরা হন।

রাফির অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উদ্ভাবনের মধ্যে রয়েছে ভূমিকম্প পূর্বাভাস সিস্টেম, ফায়ার ফাইটিং ড্রোন, রোবটিক আর্ম, জেট ইঞ্জিন সহ নানা প্রযুক্তি। তার প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছে।

রাফি জানান, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তার এই ড্রোনকে আরও উন্নত করা সম্ভব হবে। তিনি দেশের প্রতিরক্ষা খাতে স্থানীয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে চান। তার এই সাফল্যে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালকসহ অনেকেই তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

নরসিংদীর জেলা প্রশাসক রাশেদ হোসেন চৌধুরী রাফির এই অর্জনের ভূয়সী প্রশংসা করে ভবিষ্যতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণদের কাছে রাফি এখন অনুপ্রেরণার নাম। তার এই সাফল্য দেশের প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

 

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 24 Jun 2025 10:47:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নীল তিমি সম্পর্কে রহস্য উদঘাটন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/102101" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/102101</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী হলো নীল তিমি। বেশ কিছু বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ ১৫ বছর অ্যান্টার্কটিকায় বসবাসকারী তিমিদের ওপর একটি গবেষণা করে। এ সময় তারা আবিষ্কার করেছেন, তিমিরা কী রকম শব্দ করে। একটি পুরুষ তিমি কী ধরনের শব্দ করে এবং একটি মহিলা তিমি কী ধরনের শব্দ করে? সোনিক জরিপে এই ফলাফল উপস্থাপন করেছেন তারা।

আরও পড়ুন: বাক-বিতণ্ডার জেরে নিহত ১

এজন্য গবেষকরা সোনার সাউন্ড নেভিগেশন এবং রেঞ্জিং নামক একটি প্যাসিভ অ্যাকোস্টিক ডিভাইস ব্যবহার করেছে। এতে তাদের সাহায্যেকরা গবেষকরা ৩ হাজার ৯০০ ঘণ্টা শব্দ ডাটা সংগ্রহ করেন। এ সময় দেখা গেছে, তিমি মূলত ৩ ধরনের শব্দ উৎপন্ন করে থাকে।

সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী গবেষক অ্যাকোস্টিশিয়ান ব্রায়ান মিলারের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি করা হয়। তিনি অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্টার্কটিক প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত। এতে অ্যান্টার্কটিক নীল তিমির আচরণ হাইলাইট করা হয়েছে। এ গবেষণাটি প্রকাশিত হয় ফ্রন্টিয়ার্স ইন মেরিন সায়েন্স।

আরও পড়ুন: গাজায় শরণার্থী শিবিরে হামলা, নিহত ১৭

বিজ্ঞানীরা যে সকল তথ্য সংগ্রহ করেছেন তা তাদের নীল তিমির জনসংখ্যা পর্যবেক্ষণ করতে সহায়তা করবে। এ তথ্য গুলো পরীক্ষা করার পর, গবেষকরা দেখতে পান যে, তিমিরা ৩টি নির্দিষ্ট ধরনের শব্দ উৎপন্ন করে। জেড-কল নামে ১ ধরনের কল আছে, যা শুধু মাত্র পুরুষ তিমি উৎপাদন করে। ইউনিট-এ কল হলো অন্য ১ ধরনের কল যা শুধু এই এলাকাতেই পাওয়া যায়। যেখানে ডি-কলটি পুরুষ এবং মহিলা উভয় দ্বারা উৎপাদিত হয়। এই কলগুলোর সাহায্যে বিজ্ঞানীরা তিমিদের জনসংখ্যা এবং আচরণ সর্ম্পকে বুঝতে পারেন।

বিজ্ঞানীরা এই কলগুলোর অর্থ এখনও খুঁজে বের করতে সক্ষম হননি। তবে ড্রোন ফুটেজ এবং এআই অ্যালগরিদমের সাহায্যে গবেষকরা শীঘ্রই তাদের অর্থ গুলো খুঁজে বের করবেন।

সান নিউজ/এমএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 19 May 2024 04:42:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২১ বছর পর পৃথিবীতে সৌরঝড়ের আঘাত ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/101761" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/101761</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২১ বছর পর পৃথিবীতে শক্তিশালী সৌরঝড় আঘাত হেনেছে। বিরল এ সৌরঝড় আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। এর কারণে বিভিন্ন উপগ্রহ ও বৈদ্যুতিক গ্রিডের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটতে পারে।

আরও পড়ুন: ১০ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সংকেত

সৌরঝড়ের ফলে শুক্রবার (১০ মে) তাসমানিয়া থেকে শুরু করে যুক্তরাজ্যের আকাশে আকর্ষনীয় মহাকাশীয় আলো বা অরোরা দেখা দিয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওসেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ)-এর স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টার জানিয়েছে, শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টার পর থেকে বেশ কয়েকটি করোনাল ম্যাস ইজেকশনের (সিএমই)-এর ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন: সকালে রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি

প্রসঙ্গত, সূর্য থেকে প্লাজমা ও চৌম্বক ক্ষেত্র বেরিয়ে আসার ঘটনাকে সিএমই বলা হয়ে থাকে। পরে এটি মারাত্মক ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ে পরিণত হয়।

২০০৩ সালের অক্টোবরে হ্যালোইন স্টর্মসের পর এ ধরনের ঘটনা এটিই প্রথম। ২১ বছর আগের ওই সৌরঝড়ে সুইডেনে ব্ল্যাকআউট ও দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আগামীতে আরও সিএমই পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিরল এ সৌরঝড় যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপর্যয়ের শঙ্কা আনলেও তৈরি করেছে মনোমুগ্ধকর দৃশ্যও।

আরও পড়ুন: ঢাকার বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতা

সৌরঝড়ের কারণে উত্তর ইউরোপ থেকে অস্ট্রেলেশিয়া পর্যন্ত আকাশে অরোরা বা নর্দার্ন লাইট দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই দৃশ্যের ছবি ও ভিডিও ঝড় তুলেছে।

এদিকে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট সম্ভাব্য ব্যাঘাতের জন্য স্যাটেলাইট অপারেটর, এয়ারলাইনস ও পাওয়ার গ্রিডগুলোকে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, সোলার ফ্লেয়ার বা সৌর অগ্নিশিখা সাধারণত আলোর গতিতে ভ্রমণ করে এবং প্রায় ৮ মিনিটের মধ্যে পৃথিবীতে এসে পৌঁছায়। সেই তুলনায় সিএমইর গতি অনেকটাই ধীর। এর গড় গতি প্রতি সেকেন্ডে ৮০০ কিলোমিটারের মধ্যে।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 11 May 2024 06:11:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভোলায় বসেছে ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের মেলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/98167" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/98167</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় ৪৫তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ মেলা এবং ৮ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে ঢল নেমেছে দর্শনার্থী ও ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের।

আরও পড়ুন: রিনাকে এমপি হিসেবে চান স্থানীয় নেতাকর্মীরা 

বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রচেষ্টায় উদ্ভাবন করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক যন্ত্রপাতি, যা ব্যবহারের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পাশাপাশি তাদের বিজ্ঞান বিষয়ে ধারণা বিকশিত হবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে এবং উপজেলা প্রশাসন ২ দিন ব্যাপী এ অলিম্পিয়াডের আয়োজন করে। বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে এর ঘটে।

আয়োজকরা বলেন, এমন মেলার মাধ্যমে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা খাটিয়ে আরও বেশি এগিয়ে যাবে এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে আগ্রহ পাবে। যার মধ্যমে তাদের প্রতিভার বিকাশ ঘটবে।

আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস পালিত

কেউ তৈরি করেছে লাইফবোট, কেউ গ্রীণ হাউজ, ওয়াটার এলাম, পানি-বাতাস দূষণ বা ও ট্রেন দুর্ঘটনা রোধের সংকেত যন্ত্র। স্রোতের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ফসলের ক্ষেত থেকে ক্ষতিকর পোকামাকড় দূর করার যন্ত্রও আবিস্কার করেছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

এ যেন ক্ষুদে বিজ্ঞানিদের মেলা। যা দেখতে ভীড় জমাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।



এ বছর মেলার প্রতিপাদ্য ছিল- &#39;বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত উদ্ভাবনেই সমৃদ্ধি&#39;। বিজ্ঞানের এসব উদ্ভাবন ব্যবহারের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও সহজ হবে বলে মনে করছে শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন: মাটিরাঙ্গা সরকারী ডিগ্রি কলেজে পুরস্কার বিতরণ

ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অংশ নেয়া ক্ষুদে বিজ্ঞানী ছামিউল ইসলাম জানায়, আমার প্রজেক্টের নাম &ldquo;রিভার ক্লিনার এক্সপ্রেস&rdquo;। এটি নৌপথে চলাচল করা বিভিন্ন যানবাহনের সাথে থাকবে। এর মাধ্যমে নদীর মধ্যে থাকা পলিথিন, বোতল, কচুরিপানাসহ বিভিন্ন ময়লা পরিষ্কার হবে এবং নদী দূষণ কমে আসবে।

ভোলা এ রব মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে অংশ নেয়া রাহাত জানায়, আমি নৌপথে লঞ্চ দুর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য একটি প্রজেক্ট নিয়ে এসেছি। যেহেতু ভোলা একটি দ্বীপ জেলা। এই জেলার সাথে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে লঞ্চ।

ঝড়ের কবলে পড়ে এই লঞ্চগুলো অনেক সময় দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। তাই লঞ্চ দুর্ঘটনা থেকে যাত্রী ও লঞ্চকে রক্ষা করতে আমার এই প্রজেক্ট কাজ করবে।

আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রবেশে উদারতার সুযোগ নেই

ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইলমি জানায়, আমরা বন্যপ্রাণী রক্ষা ও ট্রেন দুর্ঘটনার হাত থেকে মানুষের প্রাণ বাঁচাতে একটি প্রজেক্ট নিয়ে এসেছি। বাংলাদেশে এমন কিছু জায়গা আছে, যেখানে বনের মধ্যে দিয়ে ট্রেন লাইন গিয়েছে। যেমন লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।

এখানে অনেক প্রাণী এসে দল বেঁধে ট্রেন লাইনের উপর থাকয় ট্রেন দুর্ঘটনায় পড়ে মারা যায়। তাই আমাদের এই প্রজেক্টের মাধ্যমে ট্রেনের বিকট শব্দ পেয়ে সেন্সারের মতো কাজ করবে। তখন প্রাণীরা ট্রেন লাইনের উপর থেকে সরে যাবে।

এতে প্রাণীদের জীবন সুরক্ষার কাজ করবে। এছাড়া বাংলাদেশের রেল লাইনের লেভেল ক্রসিং পদ্ধতিটি সনাতন। আমাদের এই ডিভাইসের সেন্সরের মাধ্যমে আগে থেকেই এলার্ম ও লাইট জ্বলে উঠবে।

মানুষের সহযোগিতা ছাড়াই এটি নিজে নিজেই রাস্তা বক্ল করে দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে সহযোগিতা করবে।

আরও পড়ুন: কমতে পারে তাপমাত্রা

গতকাল মেলার প্রথমদিন বিপুল সংখ্যক মানুষের ঢল নামে। মেলা দেখতে এসে অনেকেই নতুন প্রযুক্তির ব্যবহারে উৎসাহ পেয়েছেন।



ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল চন্দ্র শীল বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বিজ্ঞান শিক্ষার বিকল্প নেই। এ ধরনের মেলার মাধ্যমে অনেকেই বিজ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট হবে। শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান শিক্ষায় আকৃষ্ট করতে আমাদের এমন আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন। তার এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হলে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: ৫ প্রকাশনীকে শোকজ

সে কারণে আমরা বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করেছি। এ মেলা থেকে শিক্ষার্থীরা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিজেদেরকে তৈরি করতে পারবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন কলেজ ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বরত শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সাংবাদিকবৃন্দ। এবারের মেলায় ১৭ টি স্টল স্থান পেয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা এতে অংশগ্রহণ করে। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারা মেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরছে।

মেলায় পরিবেশ দূষণ, উপকূলীয় বেড়িবাঁধ রক্ষা, নদীভাঙ্গন রোধ, পানি পরিশোধন, স্যাটেলাইট শহর প্রতিষ্ঠা, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, যানজট নিরসনসহ সমসাময়িক নানা সমস্যা সমাধানের কৌশল নিয়ে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মেলায় উপস্থাপন করে ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 07 Feb 2024 12:29:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোরেলগঞ্জে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/97734" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/97734</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ৪৫তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ, ৮ম বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও ৮ম বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতাসহ ২ দিনব্যাপী মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: দুর্নীতিতে দশম স্থানে বাংলাদেশ

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বেলা ১২ টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. শাহ্-ই-আলম বাচ্চু আনুষ্ঠানিকভাবে এ মেলার উদ্বোধন করেন।

উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম তারেক সুলতান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যন ফহিমা ছাবুল।

আরও পড়ুন: অপ্রয়োজনীয় ভবন নির্মাণ করা হবে না

&ldquo;শেখ হাসিনার দর্শন, সব মানুষের উন্নয়ন&rdquo; এ প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর স্বাগত বক্তৃতা করেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মুস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক জাকির হোসেন রিয়াজ, থানার (ওসি) মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, যুবলীগ নেতা মো. রাসেল হাওলাদার প্রমুখ।

এ সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এবারের বিজ্ঞান মেলায় সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ১৮ টি প্রতিষ্ঠান তাদের আবিষ্কার নিয়ে স্টল সাজিয়েছে।

আরও পড়ুন: কবিরহাটে প্রতিবাদ সভায় হামলা

মেলার উদ্বোধন শেষে অতিথিবৃন্দ বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। মেলার মূল আকর্ষণ হচ্ছে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা। স্টলে মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা &lsquo;স্মার্ট মোরেলগঞ্জ&rsquo; স্থান পায়।

এ সময় প্রধান অতিথি মেলায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্টল ঘুরে দেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 30 Jan 2024 11:47:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শাহীনের আবিষ্কারে মুগ্ধ গাইবন্ধার মানুষ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/97403" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/97403</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গাইবান্ধা প্রতিনিধি: জ্বালানি তেল ও বিদ্যুৎ ছাড়াই ফেলে দেওয়া কনটেইনার বা বোতলের মাধ্যমে বায়ুশক্তিকে ব্যবহার করে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন ক্ষুদে বিজ্ঞানী শাহীন।

আরও পড়ুন: তীব্র শীতে কাঁপছে দেশ

শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও ৪০টি বিস্ময়কর আবিষ্কার জমা পড়েছে তার ঝুলিতে। শাহীনের আবিষ্কারের তালিকায় রয়েছে ভূমিকম্প সতর্কতা অ্যালার্ম সিস্টেম, চুরি রোধে অনলাইন মেসেজিং সিস্টেম।

তার আশ্চর্যমূলক আরেকটি আবিষ্কার হলো মোবাইল ফোনের গোপনীয়তা রক্ষার্থে রয়েছে এমন এক ধরনের বিশেষ চশমা, যা মোবাইল ফোনের স্ক্রিন ব্যবহারকারীর চোখে ঠিকঠাক দেখালেও বাকি সবার চোখে তা দেখাবে সাদা।

আরও পড়ুন: তিনদিন বৃষ্টির আভাস

জানা গেছে, বর্তমানে বেতার-বিদ্যুৎ সঞ্চালন বিষয়ে গবেষণা করছেন এ ক্ষুদে বিজ্ঞানী। অল্প দূরত্বে সাফল্য পেলেও তা ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন তিনি।

শাহীন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার খুকশিয়া গ্রামের মৃত শাহারুল ইসলামের ছেলে। শাহীনের বাবা পেশায় দর্জি ছিলেন।

২০২১ সালে নাকাইহাট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন শাহীন। আর্থিক সমস্যার কারণে তার বিজ্ঞান নিয়ে পড়া হয়নি। বর্তমানে নাকাইহাট ডিগ্রি কলেজে মানবিক বিভাগে পড়াশোনা করছেন।

আরও পড়ুন: সীমান্তে গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত

কলেজে ভর্তির পরপরই ২০২৩ সালে ৪৪তম বিজ্ঞান মেলায় অংশগ্রহণ করে শাহীন। মেলায় তার আবিষ্কারগুলো উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার এনে দেয়।

এছাড়া বঙ্গবন্ধু মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম স্থান লাভ করেন তিনি। মানবিক বিভাগে পড়েও অসাধারণ বিজ্ঞানমনস্ক শাহীন। তার আবিষ্কারে মুগ্ধ ও বিস্মিত স্থানীয়রা।

হাতের কাছে পাওয়া জিনিসপত্র দিয়ে শাহীন বানিয়ে ফেলেন কোনো যন্ত্র। একের পর এক সফলতা তাকে আরও উদ্বুদ্ধ করেছে এগিয়ে যেতে। এভাবে তার থলিতে জমেছে ৪০টির অধিক সাফল্য।

আরও পড়ুন: বায়ুদূষণে আজও ঢাকা চতুর্থ

শাহীন বলেন, ছোটবেলা থেকেই বিশেষ কিছু দেখলেই তা নিয়ে গবেষণা-আবিষ্কারের অদ্ভুত এক আগ্রহ সৃষ্টি হয় মনে। যেখানেই কোনো সমস্যা দেখছেন, সেটা সমাধান করার চেষ্টা করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, তার লক্ষ্য এসব যন্ত্রগুলো সাশ্রয়ী মূল্যে মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া। সেই সঙ্গে গবেষণাকে আরও এগিয়ে নেওয়া। তবে শাহীনের এগিয়ে যাওয়ার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ সংকট। সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দেশের চলমান এ অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে দৃঢ় প্রত্যয়ী শাহীন।

শাহীনের মা শোভারাণী বলেন, বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে আবিষ্কারের নেশা আমার ছেলের ছোটবেলা থেকেই। ৫ ছেলে-মেয়ের মধ্যে শাহীন ৪র্থ। স্বামী মৃত্যুর পর অনেক কষ্ট করে ৩ ছেলে ও ২ মেয়েকে বড় করেছি। ছেলের ধারাবাহিক অর্জনে আমি গর্বিত। তবে অর্থ সংকটে ছেলের গবেষণা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ব্যথিত তিনি।

নাকাইহাট ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আশরাফ আলী প্রধান বলেন, শাহীন অত্যন্ত প্রতিভাবান। মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী হয়েও নতুন কিছু আবিষ্কারের অভিনবত্ব তাকে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্বের সম্মান এনে দিয়েছে।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 23 Jan 2024 06:47:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাইক্রোসফটের ‘পার্টনার লিডারশিপ কনক্লেভ’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/95631" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/trade-and-commerce/95631</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিনিধি: অংশীদারদের ক্ষমতায়নে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল রূপান্তর নিয়ে আলোচনা ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সম্প্রতি &lsquo;পার্টনার লিডারশিপ কনক্লেভ&rsquo; আয়োজন করেছে মাইক্রোসফট বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত 

দেশে ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে অংশীদারদের অবদানকে সাধুবাদ ও স্বীকৃতি জানাতে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ৩০টি অংশীদার প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- মাইক্রোসফট বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইউসুপ ফারুক, মাইক্রোসফট ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার করপোরেট, মিডিয়াম ও স্মল বিজনেসের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সামিক রয় এবং মাইক্রোসফট ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, চিফ পার্টনার অফিসার মিথুন সুন্দর।

বক্তারা বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। শক্তিশালী ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন: সোমবার থেকে রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ

আমরা প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সময় বাস করছি। দেশের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রভাব নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে মাইক্রোসফট বাংলাদেশ।



সাম্প্রতিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন স্টার্টআপ ও শিল্পখাতে সম্ভাবনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের পক্ষে আরও অনেক কিছু অর্জন করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ও বিশেষজ্ঞরা রূপান্তরমূলক যাত্রায় এআই-এর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে ইউসুপ ফারুক বলেন, সকল ক্ষেত্রে ডিজিটাল রূপান্তর বাস্তবায়নে অনেকদূর এগিয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে দেশের সম্ভাবনা অসীম। এআই-এর শক্তি ব্যবহার করে রূপান্তরের এ যাত্রাকে ত্বরান্বিত করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: আইএমএফের দ্বিতীয় কিস্তি অনুমোদন

প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে আমাদের গ্রাহকদের জন্য সামনের দিনগুলোতে সফলতার নতুন গল্প তৈরিতে আমরা আমাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবো, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকদের সহায়তা করা সম্ভব হবে।

বক্তারা কনক্লেভে মাইক্রোসফটের বিভিন্ন এআইভিত্তিক সমাধানের ওপর আলোকপাত করেন, যা এ যাত্রাকে ত্বরান্বিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

মাইক্রোসফট ৩৬৫-এর কো-পাইলট যেকোনো শিল্পখাত উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। এ ফিচার এখন পর্যন্ত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

মাইক্রোসফটের পরিচালনা করা এক গবেষণায় (জরিপ ও নীরিক্ষা-ভিত্তিক) দেখা গেছে, ৭০ শতাংশ কো-পাইলট ব্যবহারকারী জানিয়েছেন তাদের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আরও পড়ুন: পটুয়াখালীতে গণতন্ত্র অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত 

৬৮ শতাংশ উত্তরদাতা জানিয়েছেন এটা তাদের কাজের মান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে এবং ৬৮ শতাংশ জানিয়েছেন সৃষ্টিশীল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে ভূমিকা রেখেছে কো-পাইলট।

অন্যদিকে এন্টারপ্রাইজ-গ্রেড ডেটা ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ডেটা ব্যবহার করে সবাইকে একটি এআইভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে টিমের সদস্যরা দলগত উপায়ে কাজ করে। সেক্ষেত্রে মাইক্রোসফট ফেব্রিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মাইক্রোসফট ফেব্রিকের কো-পাইলট মাইক্রোসফট অফিস ও টিমকে একীভূত করে ডেটা কালচার তৈরি করে, যাতে প্রতিষ্ঠান সব ক্ষেত্রে ডেটার সক্ষমতা ব্যবহার করে নিজেদের সেবার পরিসর বৃদ্ধি করতে পারে।

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

মানুষ কীভাবে ডেটা ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনা করে, এক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে ফেব্রিক ও কো-পাইলটের মতো মাইক্রোসফটের এআই উদ্ভাবন।

একীভূত ও বিশ্বস্ত এসব প্ল্যাটফর্মের সক্ষমতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহজে এক জায়গা থেকে এআই-সমর্থিত পদক্ষেপ গ্রহণে সক্ষম করে তোলার।

গ্রাহকদের সফলতা ত্বরান্বিত করতে এআই যাত্রা নিয়ে তাদের ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে মাইক্রোসফট বাংলাদেশ। এক্ষেত্রে মাইক্রোসফট অংশীদারদের সাথে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অংশীদাররা সহায়তা করছে গ্রাহকদের উদ্ভাবন গ্রহণে। অন্যদিকে মাইক্রোসফটে সহায়তা করছে গ্রাহকদের ক্রমপরিবর্তনশীল চাহিদা পূরণে প্রযুক্তির পরিসর বৃদ্ধি করতে।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 Dec 2023 09:46:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/94337" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/94337</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: মাত্র আঠারো মাস পর ২০২৫ সালের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়! জানাল আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

আরও পড়ুন: কৃত্রিম লিভার চিকিৎসায় বিস্ময়কর সাফল্য 

সূর্য থেকে দূরত্বের নিরিখে ষষ্ঠ গ্রহ শনি, যা বৃহস্পতির পর সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহও বটে। তবে একে সবচেয়ে আকর্ষণীয় করে তোলে এর বলয়। শনিতে মোট ৮২টি বলয় রয়েছে। মূল বলয় ৭টি। এই বলয়গুলি মূলত অসংখ্য বরফ কণা, পাথরের ভগ্নাংশ ও ধূলিকণা নিয়ে গঠিত। এগুলি আসলে ধূমকেতু, গ্রহাণু বা উপগ্রহের অংশবিশেষ। লক্ষ লক্ষ বছর আগে শনির কাছাকাছি এসে তার মধ্যাকর্ষণের প্রবল টানে ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল মহাজাগতিক পদার্থগুলি। এই বলয় চিরস্থায়ী নয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আগেই জানিয়েছিলেন সে কথা। এর আয়ু খুব বেশি হলে ১০ কোটি বছর। ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাচ্ছে বলয়। শনির বুকে আছড়ে পড়ছে বলয়ে ঘূর্ণায়মান পাথরখণ্ড।

আরও পড়ুন: আজ শনির অমাবস্যার বিরল সূর্যগ্রহণ

কিন্তু ১০ কোটি বছর তো দূরের কথা, আর দেড় বছরের মধ্যে পৃথিবীর আকাশ থেকে উধাও হয়ে যাবে শনির বলয়! শনি-পৃষ্ঠ থেকে ১ লক্ষ ৭৫ হাজার মাইল বিস্তৃত বলয়কে টেলিস্কোপে চোখে রাখলেই দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু ২০২৫-এ তা আর দৃশ্যমান হবে না। তবে সত্যি সত্যি এখনই গায়েব হয়ে যাবে না এ বলয়। সবটাই দৃষ্টিভ্রম। পৃথিবীর সাপেক্ষে ৯ ডিগ্রি কোণে আনত শনি। ২০২৪ সাল নাগাদ এই কোণটি কমে প্রায় ৩.৭ ডিগ্রি হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। এক বছর পরে, পৃথিবী থেকে দূরত্ব বাড়ার জন্য শনির অক্ষটি তার বর্তমান হেলানো অবস্থান থেকে একটি উল্লম্ব অবস্থানে পৌঁছাবে, যা বলয়গুলিকে পৃথিবীর সমান্তরালে একটি পাতলা অনুভূমিক রেখার মতো করে দেবে। ফলে চোখের ভুলে বলয়গুলিকে প্রায় দেখাই যাবে না।

আরও পড়ুন: করোনার নতুন সাব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

বিষয়টি সরলীকরণ করলে দাঁড়ায়, আমাদের চোখের সমান্তরালে একটি কাগজ ধরলে যেমন হবে, কাগজটিকে দেখাই যাবে না।

তবে এ-ও স্থায়ী হবে না। ফের দৃশ্যমান হবে শনির বলয়। গ্রহ ঘুরতে ঘুরতে তার বলয়ের অন্য দিক সামনে আসবে। ২০৩২ সালে পৃথিবীর সাপেক্ষে শনি ২৭ ডিগ্রি কোণে হেলে থাকবে। বলয় সবচেয়ে ভাল দেখতে পাওয়া যাবে ওই বছর। এর আগে ২০০৯ সালে উধাও হয়ে গিয়েছিল শনির বলয়। তারও আগে ১৯৯৬ সালে।

সান নিউজ/টিও]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 18 Nov 2023 13:20:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কৃত্রিম লিভার চিকিৎসায় বিস্ময়কর সাফল্য ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/94264" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/94264</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: চিকিৎসা বিজ্ঞানে চীনা গবেষকরা প্রতিনিয়ত বিস্ময়কর সাফল্য দেখিয়ে আসছে। এবার তারা কৃত্রিম লিভার আবিষ্কার করেছেন। স্টেম সেলভিত্তিক &lsquo;কৃত্রিম লিভার&rsquo; প্রতিস্থাপনের জন্য ক্লিনিকাল ট্রায়ালের অনুমোদন দিয়েছে চীন। মনে করা হচ্ছে বিশ্বব্যাপী লিভার জটিলতায় ভুগছেন এমন লাখ লাখ রোগীর জন্য এই আবিষ্কার আশার আলো হতে পারে।

আরও পড়ুন: আজ শনির অমাবস্যার বিরল সূর্যগ্রহণ 

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদল চীনা গবেষক এই কৃত্রিম লিভার তৈরি করেছেন। সবচেয়ে মজার ব্যাপার, এটি শরীরের বাইরেই কাজ করতে পারে। সাধারণত লিভারে সঞ্চালিত ডিটক্সিফিকেশন তথা জীবাণুমুক্তকরণ ও প্রোটিন সংশ্লেষণের মতো কার্য সম্পাদন করে।

&lsquo;কৃত্রিম লিভার&rsquo; যেভাবে কাজ করবে-

গবেষকরা বলছেন, বায়োরিঅ্যাক্টর সিস্টেম যেভাবে কাজ করে তা বেশ আকর্ষণীয়। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, বায়োরিঅ্যাক্টর সিস্টেমের মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়, যেখানে একটি ফাঁপা ফাইবার ঝিল্লি স্টেম সেল ও প্রয়োজনীয় পদার্থ প্রয়োগ করে।

আরও পড়ুন: বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ শুরু

এই পদার্থগুলো টিস্যু পুনরুৎপাদন ও প্রদাহের ফলে সৃষ্ট লিভারের ক্ষতি দমন করতে সাহায্য করার জন্য রোগীর রক্তপ্রবাহে সঞ্চালিত হয়। একই ধরনের ঝিল্লি অন্যান্য চিকিৎসা প্রক্রিয়ায়ও ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে এটি প্রথমবারের মতো স্টেম সেল পদ্ধতিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পদ্ধতি প্রাণির মডেলগুলোতে দেখা গেছে যে, বেঁচে থাকার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে।

গুয়াংডং প্রদেশের সাউদার্ন মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির ঝুজিয়াং হাসপাতালের ট্রানস্লেশনাল মেডিসিন সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক গাও ই বলেন, শূকর ও বানর জাতীয় প্রাণির মডেলগুলোতে লক্ষ্য করেছি, আমাদের এই পদ্ধতিটি ১৭ শতাংশ প্রাণির বেঁচে থাকার হার বাড়িয়েছে, যেমনটি প্রচলিত চিকিৎসায় দেখা যায় ৮৭.৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন: বিস্ময়কর চাঁদের দেখা মিলবে

যেভাবে লিভার রোগীদের সাহায্য করবে-

বর্তমানে লিভার প্রতিস্থাপনই লিভার জটিলতার একমাত্র কার্যকর চিকিৎসা। এর মধ্যে লিভার চিকিৎসায় দাতার অভাব, জটিল অস্ত্রোপচার ও ব্যয়বহুল খরচের মতো বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে।

স্টেম সেলভিত্তিক কৃত্রিম লিভার তৈরির লক্ষ্য হলো আক্রান্ত রোগীর লিভারকে সহায়তা করা যতক্ষণ না এটি প্রতিস্থাপনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ পাওয়া যায়।

এক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনে প্রচুর লিভার রোগী রয়েছে। প্রতি বছর দেশটিতে প্রায় পাঁচ থেকে ১০ লাখ নতুন লিভার রোগী শনাক্ত হয়। এরপরও এখানে লিভারের পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধার অভাব রয়েছে।

সান নিউজ/টিও]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 17 Nov 2023 11:38:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ শনির অমাবস্যার বিরল সূর্যগ্রহণ ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/92561" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/92561</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ চলতি বছরের দ্বিতীয় এবং শেষ সূর্যগ্রহণ হতে পারে। গ্রহণটি হবে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ। বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টা ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে এ গ্রহণটি শুরু হবে এবং শেষ হবে রাত ২ টা ৫৫ মিনিট ১২ সেকেন্ডে।

আরও পড়ুন: আজ মহালয়া

শনিবার (১৪ অক্টোবর) এ সূর্যগ্রহণের সময় সূর্যের ওপর চাঁদের ছায়া পড়বে। তবে সেটা সূর্যকে সম্পূর্ণরূপে ঢাকতে পারবে না।

এতে চাঁদের চারপাশে সূর্যের লাল আলোর রিং বা বলয় দেখা যাবে। দিনটি আজ হওয়ায় বিরল এ গ্রহণকে শনির অমাবস্যার সূর্যগ্রহণও বলা হচ্ছে।

তবে বাংলাদেশ থেকে এ গ্রহণটি দেখা যাবে না। এটি উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আফ্রিকা, আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে দেখা যাবে।

আরও পড়ুন: &lsquo;এক মিনিট শব্দহীন&rsquo; থাকবে স্কুল-কলেজ

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন স্টেট থেকে পূর্ব দিকে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে স্থানীয় সময় সকাল ৬ টা ১৫ মিনিট ১০ সেকেন্ডে গ্রহণটি শুরু হবে।

সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে নিকারাগুয়ার মানকি পয়েন্ট থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ক্যারিবিয়ান সাগরে দুপুর ১২ টা ২৭ মিনিট ৪ সেকেন্ডে এবং শেষ হবে ব্রাজিলের বাহিয়ার রাজ্যের জাবোরান্দি শহরে বিকেল ৫ টা ৫৪ মিনিট ১২ সেকেন্ডে।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 14 Oct 2023 05:50:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ শুরু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/91995" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/91995</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের ঘটনা কাল অতীত। প্রত্যেকটি অতীত সময়ের স্রোতে এক সময় হয়ে উঠে ইতিহাস। পৃথিবীর বয়স যতোই বাড়ে ইতিহাস ততোই সমৃদ্ধ হয়। এই সমৃদ্ধ ইতিহাসের প্রতিটি ঘটনার প্রতি মানুষের আগ্রহ চিরাচরিত। ইতিহাসের প্রতিটি দিন তাই ভীষণ গুরুত্ব পায় সকলের কাছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ব ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত

সান নিউজের পাঠকদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করেছে নতুন আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিন&rsquo;।

বুধবার (৪ অক্টোবর), ১৯ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরী। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আরও পড়ুন: বিশ্ব অহিংস দিবস, মহাত্মা গান্ধীর জন্ম

ঘটনাবলী:

১৩৩৭ - (৭৫৮ হিজরী) খলিফা মনসুর বাগদাদের ভিত্তি স্থাপন করেন।

১৫৩৫ - ইংরেজি ভাষার প্রথম বাইবেল ছাপা সম্পন্ন হয়।

১৮১৩ - লর্ড ময়রার বাংলার গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।

১৮৩০ - বেলজিয়াম তাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৮৫৫ - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে ও নেতৃত্বে বিধবা বিবাহ আইন প্রবর্তিত হয়।

১৮৮৭ - কলকাতায় এমারেল্ড থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯১১ - সাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রথম লন্ডনের পাতাল রেলস্টেশন চালু হয়।

১৯৫৭ - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মহাশূন্যে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-১ সাফল্যের সাথে প্রেরণ করে মহাশূন্যের ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কালপর্বের সূচনা করে।

১৯৫৮ - আটলান্টিক পারাপারে নিয়মিত বিমান চলাচল শুরু করে।

১৯৫৯ - সোভিয়েত নভোযান লুনিক-৩ সর্বপ্রথম চাঁদের সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়ে ছবি তোলে।

১৯৬৩ - জাম্বিয়া পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।

১৯৬৩ - ক্যারিবিয়ান সমুদ্রে প্রচণ্ড ঝড় উঠেছিল। ঐ ঝড়ে ক্যারিবিয়ান সমুদ্রের সকল দ্বীপ এবং বন্দরের সরঞ্জামাদি আটলান্টিক মহাসাগরে নিমজ্জিত হয়। ভয়াবহ এই তুফানের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার। প্রায় ৬ হাজার লোক এই তুফানে মারা গিয়েছিল। মৃত্যুবরণকারীদের অধিকাংশই ছিল হাইতি এবং কিউবার অধিবাসী।

১৯৬৬ - লেসোথা ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭৯ - যুগোশ্লাভাকিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদিত হয়।

১৯৯২ - ব্রাজিলে কারাগারে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা বাধে। এতে ১১১ জন বন্দী নিহত হয়।

২০০২ - নেপালেন রাজা জ্ঞানেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবাকে বরখাস্ত করে নির্বাহী ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠা

জন্মদিন:

১২৮১ - ১০ম লুই, ফ্রান্সের রাজা।

১৭২০ - জোভান্নি পিরানেসি, ইতালীয় খোদাইকার ও ভাস্কর।

১৭৯৩ - চার্লস পিয়ারসন, ইংরেজি আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ।

১৮৩২ - উইলিয়াম গ্রিগস, ক্রোমোলিথোগ্রাফির প্রক্রিয়ার ইংরেজ উদ্ভাবক।

১৮৬১ - ফ্রেডরিক রেমিংটন, চিত্রশিল্পী।

১৮৭৭ - রেজর স্মিথ, ইংরেজ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার। (মৃ. ১৯৪৬)

১৮৮৩ - অধ্যাপক পঞ্চানন নিয়োগী প্রখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানী।(মৃ.০৫/০৬/১৯৫০)

১৮৯৫ - বাস্টার কিটন, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা। (মৃ. ১৯৬৬)

১৮৯৭ - আলবার্ট বিটজিয়াম, সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক।

১৯০১ - সৌম্যেন্দ্র নাথ ঠাকুর, সাম্যবাদী বিপ্লবী, লেখক ও চিন্তাবিদ। (মৃ.১৯৭৪)

১৯০৩ - জন ভিনসেন্ট আটানসফ, বুলগেরীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিদ। (মৃ. ১৯৯৫)

১৯০৬ - নির্মলচন্দ্র লাহিড়ী, খ্যাতনামা জ্যোতির্বিদ, গণিতাচার্য ও পঞ্জিকা-সংস্কারক। (মৃ.০৩/০১/১৯৮০)

১৯১১ - রেজ পার্কস, ইংরেজ ক্রিকেটার। (মৃ. ১৯৭৭)

১৯১৬ - ভিতালি গিঞ্জবার্গ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রাশিয়ান পদার্থবিদ।

১৯১৮ - কেনিচি ফুকুই, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি রসায়নবিদ।

১৯১৯ - মণীন্দ্র রায়, বিশিষ্ট বাঙালি কবি। (মৃ.২৮/০৮/২০০০)

১৯২০ - জর্জ ট্রাইব, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার। (মৃ. ২০০৯)

১৯২৩ - চার্লটন হেস্টন, মার্কিন অভিনেতা ও রাজনৈতিক কর্মী। (মৃ. ২০০৮)

১৯২৫ - রোকেয়া রহমান কবির, বাংলাদেশী নারী উন্নয়ন কর্মী ও শিক্ষাবিদ। (মৃ. ২০০০)

১৯৩১ - সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতশিল্পী ও বাংলা চলচ্চিত্রের নেপথ্য গায়িকা। (মৃ.২০২২)

১৯৩১ - ব্যাসিল ডি&rsquo;অলিভেইরা, দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত ইংরেজ ক্রিকেটার। (মৃ. ২০১১)

১৯৩৬ - ডেভিড পিদি, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার। (মৃ. ২০১৮)

১৯৩৮ - কার্ট ওয়ুটরিচ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইস রসায়নবিদ ও জৈব-পদার্থবিদ।

১৯৪৬ - সুজান সার&zwj;্যান্ডন, মার্কিন অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী।

১৯৫৬ - ক্রিস্টফ ভালৎজ, অস্ট্রীয় অভিনেতা।

১৯৫৭ - রফিকুল আলম, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।

১৯৬৫ - ইউজিন কাসপারস্কি, রুশ গাণিতিক প্রকৌশলী ও তথ্য বিশেষজ্ঞ।

১৯৬৭ - জাহিদ হাসান, বাংলাদেশি অভিনেতা ৷

১৯৬৭ - লিয়েভ শ্রাইবার, আমেরিকান অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক এবং চিত্রনাট্যকার।

১৯৭৯ - স্টিফান বুথ, ইংরেজ অভিনেতা ও গায়ক।

১৯৮৮ - ক্রিস জর্দান, ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯৮৯ - ডাকোটা জনসন, আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৯৩ - আকিলা ধনঞ্জয়, শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার।

১৯৯৩ - ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার।

১৯৯৪ - এইডেন মার্করাম, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার।

১৯৯৭ - ঋষভ পন্ত, ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৯৯৮ - শাদাব খান, পাকিস্তানি ক্রিকেটার।

আরও পড়ুন: বিশ্ব প্রবীণ দিবস

মৃত্যুবার্ষিকী:

১৬৬৯ - রেমব্রন্ট ফান রেইন, হল্যান্ডের সবচেয়ে বিখ্যাত শিল্পী এবং ইউরোপের ইতিহাসের সেরা চিত্রশিল্পী ও ছাপচিত্রশিল্পী। (জ. ১৬০৬)

১৯৪৭ - মাক্স প্লাংক, জার্মান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। (জ.২৩/০৪/১৮৫৮)

১৯৬২ - প্যাটসি হেনড্রেন, ইংরেজ ক্রিকেটার। (জ. ১৮৮৯)

১৯৬৯ - নাটালিনো অট্টও, ইতালীয় গায়ক ও অভিনেতা।

১৯৬৯ - ভাইবার্ট উইট, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার। (জ. ১৯০২)

১৯৭৪ - আবুল হাশিম, চিন্তাবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

১৯৭৮ - নেপাল নাগ, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব, অগ্নিযুগের বিপ্লবী, স্বদেশী এবং কমিউনিস্ট। (জ.১৯০৯)

২০০০ - মাইকেল স্মিথ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ কানাডিয়ান রসায়নবিদ।

২০১২ - দেফনি স্লেটার, ইংরেজ অভিনেত্রী।

২০১৩ - ভো নগুয়েন গিয়াপ, ভিয়েতনামী রাজনীতিবিদ এবং ভিয়েতনাম গণফৌজের জেনারেল। (জ. ১৯১১)

২০১৯ - ডাইঅ্যান ক্যারল, মার্কিন অভিনেত্রী, সঙ্গীতশিল্পী ও মডেল। (জ. ১৯৩৫)

আরও পড়ুন: জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি&rsquo;র জন্ম

দিবস:

বিশ্ব প্রাণী দিবস।

৪-১০ অক্টোবর বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ।

আজ শুরু হচ্ছে বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এ সপ্তাহ পালনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ বাংলাদেশও ইতিমধ্যেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপনের মধ্য দিয়ে মহাকাশে প্রবেশ করেছে।

বর্তমান প্রজন্মকে মহাকাশ সম্বন্ধে অনুসন্ধিৎসু করতে ও এ সংক্রান্ত কল্যাণকর অবদানগুলোকে উৎসাহিত করার লক্ষে প্রতি বছর পালিত হয় বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ।

আরও পড়ুন: প্রথম বাংলা লাইনোটাইপ ব্যবহৃত

পৃথিবীর বাইরে জীবনের সন্ধান তথা পৃথিবী ছাড়িয়ে অন্য কোথাও বসতি স্থাপনের বিজ্ঞানীদের লালিত স্বপ্নের বাস্তব রূপ দেয়াই এ সপ্তাহের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য।

১৯৯৯ সালে জাতিসংঘ প্রতি বছর ৪ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবরকে বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ হিসেবে ঘোষণা করে। বিশ্বের ৯৫ টিরও বেশি দেশে মহাকাশ সংক্রান্ত নানা কর্মসূচির মাধ্যমে সপ্তাহটি উদযাপন করা হয়।

১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর মানুষের তৈরি প্রথম কোন কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে যায়। &lsquo;স্পুটনিক&rsquo; নামের উপগ্রহটি তৈরি করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। স্পুটনিক প্রায় ৩ মাসের মতো মহাকাশে ছিল। ১৯৫৮ সালের ৪ জানুয়ারি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় ধ্বংস হয়ে যায়।

আরও পড়ুন: বিশ্ব তথ্য অধিকার দিবস

কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর ৪ বছরের মাথায় আবারও মহাকাশে অভিযান পরিচালনা করে সোভিয়েত ইউনিয়ন। এবারে শুধু যন্ত্র নয়। প্রাণি হিসেবে প্রথমবারের মতো মহাকাশে যায় লাইকা নামের একটি কুকুর।

১৯৫৭ সালের ৩ নভেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন মিশনটি পরিচালনা করে। তাপ ও চাপজনিত কারণে লাইকা অবশ্য মিশন থেকে বেঁচে ফিরতে পারেনি।

স্পুটনিক মহাকাশে প্রবেশের পথ উন্মুক্ত করে দেয়। এর এক দশক পর ১৯৬৭ সালের ১০ অক্টোবর চাঁদ এবং অন্যান্য মহাকাশীয় বস্তুসহ মহাকাশের শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিশ্বের প্রধান রাষ্ট্রসমূহ কিছু মৌলিক নীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করে।

আরও পড়ুন: গুগলের যাত্রা শুরু

এ দুটি দিনকে স্মরণ করেই ২০০৭ সাল থেকে প্রতি বছর ৪-১০ অক্টোবর পালিত হয় বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ। মহাকাশ সম্বন্ধে মানুষের আগ্রহ অনেক পুরনো। মহাকাশ অভিযান পরিচালনার মতো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়। অবশেষে বিংশ শতাব্দির শেষ ভাগে এসে মানুষের পক্ষে মহাকাশে পাড়ি দেয়া সম্ভব হয়।

মহাকাশ জয়ে নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় মানুষ তার স্বপ্নের পরিধি বিস্তার করে পাড়ি জমিয়েছে চাঁদে, স্থাপণ করেছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন। পরবর্তিতে মঙ্গল গ্রহেও অবতরণ করে মহাকাশযান।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু

ইতিমধ্যে মার্কিন ও সোভিয়েতসহ বেশ কয়েকটি দেশ একাধিকবার সফল অভিযান পরিচালনা করেছে মঙ্গল গ্রহে। মানুষ এখন মঙ্গল গ্রহে মানববসতি স্থাপনের স্বপ্ন দেখছে। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ২০৩০-২০৩৫ সালের মধ্যে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছাবার চেষ্টা চালাচ্ছে।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 04 Oct 2023 03:50:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সূর্য অভিযানে যাচ্ছে আদিত্য-এল ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/90309" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/90309</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক: চাঁদে নভোযান পাঠানোর পর এবার সূর্যের কক্ষপথে নতুন নভোযান আদিত্য-এল ১ পাঠাচ্ছে ভারত।

আরও পড়ুন: রাশিয়াকে হুশিয়ারি দিল ইউক্রেন

শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টা ৫০ মিনিটে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য শ্রীহরিকোটার লঞ্চপ্যাড থেকে সূর্যের কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা করবে দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি এ নভোযান।

সৌরজগতের প্রাণকেন্দ্র সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব ১৪ কোটি ৯৬ লাখ কিলোমিটার। পৃথিবী থেকে যাত্রা করার পর ১৫ লাখ কিলোমিটার পর্যন্ত যাবে আদিত্য-এল ১, যা শতকরা হিসেবে পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বের ১ শতাংশ পথ।

আরও পড়ুন: ভারত সফরে যাচ্ছেন বাইডেন

অভিযানের সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা ভারতের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইসরো জানিয়েছে, এ পথ পাড়ি দিতে আদিত্য-এল ১ সময় নেবে ৪ মাস।

সংস্কৃত ভাষায় সূর্যের নাম আদিত্য। তাই সূর্যের কক্ষপথের উদ্দেশে পাঠানো নভোযানটির নাম সূর্যের নামেই রাখা হয়েছে। আর এল ১ আসলে লেগ্রেঞ্জ পয়েন্ট ১-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

আরও পড়ুন: বৈঠকে বসছেন পুতিন-এরদোয়ান

নভোযানটি পৃথিবী থেকে রওনা হয়ে ১৫ লাখ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার পর যেখানে গিয়ে থামবে, সেই এলাকাটিকেই সূর্যের লেগ্রেঞ্জ পয়েন্ট বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইউরোপের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির সংজ্ঞানুসারে, লেগ্রেঞ্জ পয়েন্ট হলো মহাবিশ্বের এমন একটি এলাকা, যেখানে ২ বৃহৎ বস্তু, যেমন- সূর্য ও পৃথিবীর মহাকর্ষীয় শক্তি পরস্পরকে বিকর্ষণ করে।

আরও পড়ুন: মার্কিন নতুন ভিসানীতি ঘোষণা

আদিত্য-এল ১ তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলে পৃথিবী যে গতিতে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, সেই একই গতিতে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সক্ষম হবে আদিত্য-এল ১।

ইসরো জানিয়েছে, শ্রীহরিকোটার লঞ্চপ্যাড থেকে উৎক্ষেপণের পর লেগ্রেঞ্জ পয়েন্টে যাওয়ার আগে বেশ কয়েকবার পৃথিবীর কক্ষপথে পরিভ্রমণ করবে আদিত্য। এতে নভোযানটির সূর্যের কক্ষপথে পৌঁছাতে সুবিধা হবে।

আরও পড়ুন: কঙ্গোতে বিক্ষোভ, নিহত বেড়ে ৪৩

সংস্থাটি আরও বলছে, লেগ্রেঞ্জ পয়েন্টে পৌঁছানোর পর আদিত্য-এল ১ সূর্যের ৩ স্তর সোলার করোনা (সূর্যের বহিরাবরণ), ফটোস্ফেয়ার (সূর্যের পৃষ্ঠ, খালি চোখে পৃথিবী থেকে আমরা এ অংশটি দেখি) এবং ক্রোমোস্ফেয়ার (ফটোস্ফেয়ার ও সোলার করোনার মধ্যবর্তী অর্ধ তরল স্তর) পর্যবেক্ষণ ও এ সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করবে।

এ কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ৭ টি বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম বহন করে নিয়ে যাচ্ছে নভোযানটি।

আরও পড়ুন: তাইওয়ানকে প্রথমবার মার্কিন সহায়তা

তবে এ অভিযানে ব্যয় সম্পর্কিত কোনো তথ্য দেয়নি ইসরো।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, পুরো অভিযানের বাজেট ধরা হয়েছে ভারতীয় মুদ্রায় ৩৭৮ কোটি রুপি। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৯৯ কোটি ২৪ লাখ ৬৯ টাকা। সূত্র : বিবিসি।

সান নিউজ/এনজে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 02 Sep 2023 07:12:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডেঙ্গু ভাইরাসে মশা যেভাবে আক্রান্ত হয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/87637" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/science/87637</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সান নিউজ ডেস্ক: সারা পৃথিবীতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার প্রজাতির মশা রয়েছে। এডিস ইজিপ্টি মশা এদের মধ্যে অন্যতম ভয়ঙ্কর একটি প্রজাতি। এই মশার কামড়েই মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন: পারমাণবিক জ্বালানির মালিক বাংলাদেশ

প্রধানত এডিস ইজিপ্টি প্রজাতির স্ত্রী মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু ভাইরাস সংক্রামিত হয় এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে অল্প মাত্রায় এডিস অ্যালবোপিকটাস-এর মাধ্যমেও ছড়াতে পারে।

এডিস ইজিপ্টি মশা ডেঙ্গুর পাশাপাশি চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার এবং জিকা ভাইরাসেরও বাহক।

ডেঙ্গু ভাইরাস হচ্ছে ফ্ল্যাভিভাইরাস গণের অন্তর্ভুক্ত একটি এক সূত্রক আরএনএ ভাইরাস। এই ভাইরাসের প্রাথমিক ধারক এডিস মশা, দ্বিতীয় ধারক মানুষ এবং অন্যান্য কিছু প্রাইমেটস।

আরও পড়ুন: নতুন প্রজাতির ডাইনোসরের ফসিল আবিষ্কার

এডিস ইজিপ্টি প্রজাতির স্ত্রী মশা ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির রক্তপান করলে, ভাইরাস ওই মশার শরীরে প্রবেশ করে। এরপর প্রায় ৮-১০ দিন পর ভাইরাসটি মশার দেহের অন্যান্য কোষে ছড়িয়ে পড়ে।

বিশেষ করে মশার লালাগ্রন্থি থেকে এর লালায় চলে আসে। তবে এই ভাইরাস মশার উপর কোনো ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে না। এই ভাইরাস বহনকারী মশা সুস্থ মানুষকে আক্রমণ করে, মশার লালার সূত্রে ডেঙ্গু ভাইরাস মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

এডিস ইজিপ্টি মশা ডেঙ্গু ভাইরাস কেন প্রতিরোধ করতে পারে না?

অন্যান্য পোকামাকড়ের মতো মশার শরীরেও আরএনএ ইন্টারফেসের মেকানিজমের ওপর ভিত্তি করে অ্যান্টিভাইরাল বা ভাইরাস প্রতিরোধী সুরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। ছোট এই আরএনএ অণুগুলো ভাইরাসের জিনগত উপাদানকে বিশেষভাবে কাবু করতে পারে, যার ফলে জীবের মধ্যে এর সংখ্যাবৃদ্ধি ও বিস্তারকে বাঁধা দেয়। কিন্তু এই সিস্টেম এডিস মশার মধ্যে ডেঙ্গু ভাইরাস প্রতিরোধে কেন অক্ষম, তা উঠে এসেছে এক গবেষণায়।

আরও পড়ুন: মস্তিষ্কের ও মেরুদণ্ডের ডিজিটাল সংযোগ

২০১৮ সালে ফ্রান্সের জাতীয় বৈজ্ঞানিক গবেষণা কেন্দ্র এবং ব্রাজিলের ফেডারেল ইউনিভার্সিটি অব মিনাস গেরাইসের একদল গবেষক এডিস মশার মধ্যে এলওকিউএস২ নামক একটি জিনের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছেন, যা আরএনএ প্রতিবন্ধকতায় সঠিক কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য। কিন্তু এটি এডিস মশার অন্ত্রে কাজ করে না!

মশার পেটে এটি নিষ্ক্রিয় থাকায়, রক্ত পানের মাধ্যমে যে ডেঙ্গু ভাইরাস মশার পেটে যায় তা বহুগুণ বেড়ে যায় এবং একসময় মশার লালা গ্রন্থিকে সংক্রামিত করে। পরবর্তীতে রক্তপান করার সময় ডেঙ্গু ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে।

বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এ জাতীয় অন্যান্য মশার জিনোমে গবেষকরা এলওকিউএস২ জিনের উপস্থিতি পাননি। গবেষকদের মতে, এলওকিউএস২ জিনটি এডিস মশার এই স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বোঝার জন্য একটি চাবিকাঠি হতে পারে।

আরও পড়ুন: ওমিক্রনের চেয়েও বেশি সংক্রমক &lsquo;এক্সই&rsquo;

মানুষ কেন ডেঙ্গুতে বেশি সংক্রমিত হয়?

মানুষ ছাড়াও অন্য প্রাইমেটিদেরদের মধ্যেও ডেঙ্গু সংক্রামিত হয়। কিন্তু মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু বেশি ছড়ানোর কারণ হচ্ছে, এডিস এজিপ্ট মশা মানুষের সবচেয়ে কাছে থাকতে এবং অন্যান্য মেরুদন্ডীদের চেয়ে মানুষের রক্ত খেতে বেশি পছন্দ করে, এমনটাই উঠে এসেছে সিডিসির এক প্রতিবেদনে।

একবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে ভাইরাসটি থেকে আজীবন সুরক্ষিত থাকা যায়?

ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি ভাগ রয়েছে। এদেরকে বলা হয় সেরোটাইপ। এগুলোর নাম হলো- DENV-1, DENV-2, DENV-3 এবং DENV-4। যখন কেউ এই ৪টি সেরোটাইপের মধ্যে কোনো একটি সোরোটাইপে সংক্রমিত হয়, তখন সেটির বিরুদ্ধে শরীরে আজীবনের জন্য প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। কিন্তু বাকি সেরোটাইপগুলোর ক্ষেত্রে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বপ্লমেয়াদি হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন: টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে

ন্যাচার ডটকমের প্রতিবেদনে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, প্রথম ডেঙ্গু সংক্রমণের পর দুই থেকে তিন মাস বাকি তিনটি সেরোটাইপের সংক্রমণ থেকে ব্যক্তিরা সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে, এটি দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নয়। এই স্বল্প সময়ের পরে, একজন ব্যক্তি বাকি তিনটি ডেঙ্গুর সেরোটাইপের যে কোনো একটিতে আক্রান্ত হতে পারেন।

চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, পরবর্তী সংক্রমণ ডেঙ্গু রোগের ক্ষেত্রে বেশি ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। অর্থাৎ যাদের একবার ডেঙ্গু হয়ে গেছে, তাদের পুনরায় এই ভাইরাস আক্রমণ করলে, তা ভয়ঙ্কর হয়ে দেখা দেয়। তথ্যসূত্র: সিএনআরএস, ন্যাচার

সান নিউজ/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Jul 2023 13:02:25 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
