<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/politics</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/politics"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews politics Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest politics News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Tue, 12 May 2026 06:49:55 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[মির্জা আব্বাস আগের চেয়ে সুস্থ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114759" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114759</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আগের তুলনায় অনেকটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সোমবার (১১ মে) রাতে এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু সময়ের জন্য আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারছেন মির্জা আব্বাস।

পরিবারের সদস্যরা পবিত্র ঈদুল আজহার আগে মির্জা আব্বাসকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী বলে জানান শায়রুল কবির খান। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী মির্জা আব্বাসের দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। পরে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে প্রথমে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 May 2026 06:49:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114572" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114572</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

শনিবার (২ মে) দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব ও দপ্তর সেলের সম্পাদক সালেহ উদ্দিন সিফাত এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপি থেকে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা। রিটার্নিং কর্মকর্তা আমাদের জানিয়েছেন যে কিছুক্ষণের মধ্যে দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দীন খান জানান, নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ। দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ২১ এপ্রিল বিকাল ৪টা পর্যন্ত। সেদিন নির্ধারিত সময়ের কিছু পরে নুসরাত মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়েছিলেন। তবে সে সময় তা গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা।

পরে নুসরাত আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালত নির্বাচন কমিশনকে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাছাই করা হয়।

এর আগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল করা হয়। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব কৃষি ব্যাংকের চাকরি ছাড়ার তিন বছর পার না হওয়ায় আইন অনুযায়ী এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১&ndash;দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের ১২ জন এবং স্বতন্ত্র এক জন।

এখন সংসদ সদস্য হিসেবে শপথের আয়োজন করা হবে। আইনি জটিলতা থাকায় বাকি একটি আসনের প্রার্থিতার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 02 May 2026 09:51:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ধর্ম নিয়ে রাজনীতি নয়:  প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114559" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114559</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে শুভ বুদ্ধপূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন৷ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে বৌদ্ধদের পক্ষ থেকে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট এবং বুদ্ধমূর্তির প্রতিবিম্ব তুলে দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না। ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না, অতীতেও আমরা তা করিনি। আমাদের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে- ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি-অবাঙালি, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী সবাই সকল ক্ষেত্রে সমানভাবে অধিকার ভোগ করবে, এটাই বর্তমান সরকারের নীতি।

বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা জানি পৃথিবীতে অনেকগুলো ধর্ম আছে। প্রতি ধর্মেরই অসংখ্য অনুসারী রয়েছেন। প্রতিটি ধর্মই মানুষকে কল্যাণের দিকে আহ্বান করে। প্রতিটি ধর্মেরই কিছু বিধিবদ্ধ নিয়মনীতি রয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মগুরু মহামতি গৌতম বুদ্ধ তার অনুসারীদের জন্য পঞ্চশীল নীতি দিয়েছিলেন। এই পঞ্চশীল নীতি হলো প্রাণী হত্যা না করা, চুরি, ব্যভিচার, মিথ্যা এবং মাদক থেকে বিরত থাকা। প্রেম, অহিংস এবং সর্বজীবে দয়াও বৌদ্ধ ধর্মের শিক্ষা।

তারেক রহমান বলেন, যেকয়টি বিষয়ে এখানে অনুসরণের কথা বলা হয়েছে, এই নির্দেশনা প্রতিটি মানুষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয়, রাষ্ট্রীয় বিধিবিধানের পাশাপাশি প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ ধর্মীয় নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করলে আমরা সকলে মিলে একটি মানবিক রাষ্ট্র এবং সমাজ নির্মাণ করতে পারব। সুতরাং যাতে প্রতিটি নাগরিক প্রত্যেকেই যে যার ধর্মীয় রীতি নীতি ও অধিকার বিনা বাধায়-স্বাধীনভাবে অনুসরণ-অনুকরণ ও ভোগ করতে পারে-এমন একটি রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণই হচ্ছে আমাদের সরকারের প্রধানতম দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যাতে শান্তি এবং নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারে তেমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী প্রতি মানুষের জন্যই একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষা নিয়েই মুক্তিযোদ্ধারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন। মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই মিলে লাখো প্রাণের বিনিময়ে এই দেশটা আমরা স্বাধীন করেছিলাম। মুক্তিযুদ্ধের সময় কে কোন ধর্মের অনুসারী, কে বিশ্বাসী কিংবা অবিশ্বাসী এটি কারো জিজ্ঞাসা ছিল না। তাই, এই স্বাধীন বাংলাদেশ আপনার আমার, আমাদের সকলের।

বর্তমান সরকারের একটি রাজনৈতিক দর্শন &#39;বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ&#39; উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এটি বারবার প্রমাণিত হয়েছে, একমাত্র বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই দেশের সকল বর্ণ, ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর নিবিড় সহাবস্থান নিশ্চিত করতে পারে। সুতরাং, আপনারা কেউ নিজেদেরকে কখনোই সংখ্যালঘু ভাববেন না। রাষ্ট্র আমার আপনার আমাদের সবার পরিচয়। আমরা প্রত্যেকে, প্রত্যেক নাগরিক, সকলে &#39;আমরা বাংলাদেশি&#39;।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, পার্বত্য অঞ্চলের বিএনপি মনোনীত সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য প্রার্থী মাধবী মারমা, ড. সুকোমল বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Apr 2026 09:53:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কারাগারে সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114532" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114532</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর লালবাগ থানার আশরাফুল ওরফে ফাহিম নামে একজনকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা এই আদেশ দেন।

এর আগে আদালতে হাজির করে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে দুই দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোহসিন উদ্দিন।

মঙ্গলবার শিরীন শারমিনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এদিন ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর বেলা ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে তাকে পুরান ঢাকার সিএমএম আদালতে আনা হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে আন্দোলন চলছিল। সেখানে দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। একটি গুলি আশরাফুল ওরফে ফাহিমের চোখে লাগে।

এ ঘটনায় গত বছরের ২৫ মে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ১১৫-১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আশরাফুল।

প্রসঙ্গত, ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান। এ সময় সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের কেউ কেউ গ্রেপ্তার হলেও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রকাশ্যে আসেননি। এমনকি গত ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের শপথ অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 07 Apr 2026 11:20:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শ‌নিবার জামায়াত জোটের বি‌ক্ষোভ সমা‌বেশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114518" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114518</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গণ&zwnj;ভো&zwnj;টের ফলাফল অনুযায়ী সং&zwnj;বিধান সং&zwnj;শোধ&zwnj;নের দা&zwnj;বি&zwnj;তে আগামী শ&zwnj;নিবার বি&zwnj;ক্ষোভ সমা&zwnj;বেশ মি&zwnj;ছিল কর&zwnj;তে জামায়া&zwnj;তে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। আগামী ৭ এপ্রিল জো&zwnj;টের শীর্ষ নেতা&zwnj;দের বৈঠক হ&zwnj;বে। সেখা&zwnj;নে পরবর্তী কর্মসূ&zwnj;চি সম্প&zwnj;র্কে সিদ্ধান্ত হ&zwnj;বে।

আজ বৃহস্প&zwnj;তিবার রাজধানীর গুলশা&zwnj;নে ১১ দ&zwnj;লের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক শেষে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তি&zwnj;নি ব&zwnj;লেন, আগামী শনিবার বিকেল ৫টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে বি&zwnj;ক্ষোভ সমা&zwnj;বেশ হ&zwnj;বে।

বৈঠক শেষে আযাদ বলেন, দাবি আদায়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূ&zwnj;চি চল&zwnj;বে। গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সেমিনার ও সভা আয়োজন করা হবে। এরপরও সরকার জনমত উপেক্ষা করলে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বিরোধী জোট। আগামী ৭ এপ্রিল ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে।

হা&zwnj;মিদুর রহমান ব&zwnj;লেন, সরকারি দল গণভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সংস্কা&zwnj;রের প্রতিশ্রুতি অস্বীকার করা হয়েছে, যা জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে স্বৈরাচারী শাসনের পথ তৈরি হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনার সময় সাংবিধানিক স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান সরকারও একই পথে হাঁটছে, যা ভুল। সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কার প্রয়োজন&mdash;আর তা করতে হলে গণভোট মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকতে হবে।

জ্বালানি সংকট নিয়েও কথা বলে ১১ দল। হা&zwnj;মিদুর রহমান ব&zwnj;লেন, সরকার বিভ্রান্তিকর তথ্য দি&zwnj;চ্ছে। জ্বালা&zwnj;নি সংকট নেই, থাকার দাবি কর&zwnj;লেও পেট্রল পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আবার জ্বালা&zwnj;নি সাশ্রয়ে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর প্রস্তাবও দি&zwnj;য়ে&zwnj;ছে।

উপস্থিত ছিলেন এন&zwnj;সি&zwnj;পির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Apr 2026 12:04:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সংবিধান সংশোধনে কমিটি  আসছে: চিফ হুইপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114515" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114515</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সংবিধান সংশোধনে একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেছেন, সংবিধান সংশোধনের এই কমিটিতে আনুপাতিক হারে সব দলের প্রতিনিধি রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্য থেকেও সদস্য রাখা হবে। সবার মতামত নিতে আগামী রোববারের মধ্যে এই কমিটি হতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নূরুল ইসলাম।

কমিটির সদস্য সংখ্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে চিফ হুইপ বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে যারা আইন বিশেষজ্ঞ রয়েছেন তাদের রাখা হবে। অন্যান্য দল থেকে আইন বিশেষজ্ঞ না পাওয়া গেলেও প্রতিনিধি রাখা হবে। সবমিলিয়ে ১৫ থেকে ২০ সদস্যের কমিটি করা হতে পারে। যদিও এটা নির্দিষ্ট নয়।

সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনকে এমন পর্যায়ে নেওয়া হবে, যাতে বারবার কাঁচি চালাতে না হয়।

সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি করলে বিরোধী দল থাকবে না এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, তাদের এ অবস্থান সঠিক হবে না। আজ বা কাল হোক সংবিধান সংশোধন করতেই হবে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে তাদেরকে আমরা চাই। এক হাতে যেমন হ্যান্ডশেক হয় না, কাঁচির একটা অংশ দিয়ে যেমন চুল কাটা যাবে না, দুটোই লাগবে। বিরোধীদল কমিটিতে থাকবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কারণ সংবিধান সংশোধন ছাড়া কোন রাস্তা নেই। জুলাই সনদ অনুযায়ী এটা করা উচিত। এটা দেশের জন্যই করা হবে। সরকারি দল সংসদকে কার্যকর করতে চায় দাবি করে চিফ হুইপ বলেন, সংসদের মাধ্যমে দেশের সব সমস্যার সমাধান করতে হবে।

বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে সংসদ অধিবেশন কক্ষে শব্দ তৈরি হওয়ার এক সেকেন্ড বা তার কম সময়ের মধ্যে শোষণ করতে সক্ষম ও প্রতিধ্বনিবিহীন সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া সংসদ অধিবেশন কক্ষে ইন্টারনেটের ধীরগতি দূর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সংসদ এলাকায় পর্যাপ্ত সুপেয় পানি সরবরাহ ও আগামী ১০ তারিখের মধ্যে বাসা প্রস্তুতপূর্বক সংসদ সদস্যেদর বরাদ্দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি ও চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশগ্রহণ করেন মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, মো. শহিদুল ইসলাম, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, অলি উল্লাহ, সাইফুল আলম মিলন এবং আবুল হাসনাত।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 01 Apr 2026 11:26:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাতিয়াতে এমপি হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114511" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114511</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যকে ঘিরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ওই বক্তব্যে ভুয়া ধর্ষণ প্রসঙ্গ তোলা এবং একটি রাজনৈতিক দলকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও ঝাড়ু মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে উপজেলার হরনী ইউনিয়ন, পৌরসভায় এলাকায় এ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিবাদকারীরা ঝাড়ু হাতে সড়কে নেমে মিছিল করেন এবং সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যকে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। তারা দাবি করেন, সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জন্য আব্দুল হান্নান মাসউদকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ছোট করার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ ধরনের আচরণ বন্ধে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। কর্মসূচিতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি আহ্বান জানান।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 31 Mar 2026 15:17:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114490" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114490</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, &lsquo;দীর্ঘ এক মাস পবিত্র সিয়াম সাধনার পর, আনন্দের বার্তা নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের দুয়ারে সমাগত। জাতি এমন এক সময়ে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে যাচ্ছে, যখন দেশে ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং নতুন সরকার গঠিত হয়েছে।&rsquo;

তিনি আরো বলেন, &lsquo;দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক ও জালিম সরকারের পতন ঘটেছে। দেশবাসীর প্রত্যাশা, কেউ আর নতুন করে ফ্যাসিবাদী হয়ে ওঠার দুঃসাহস দেখাবে না।&rsquo;

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, &lsquo;এখন দেশের মানুষ ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশে চলাফেরা করতে পারবে, কথা বলতে পারবে। মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ ও বৈষম্য থাকবে না। নাগরিকরা জানমাল ও ইজ্জত-আব্রুর নিরাপত্তা পাবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 19 Mar 2026 09:51:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঈদুল ফিতরে নেতৃবৃন্দের সিডিউল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114488" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114488</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঢাকার সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে অংশ নেবেন তিনি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রথম জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। এ জামাতে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নেবেন।

ঈদের দিন কূটনীতিক, শিক্ষাবিদসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান জানান, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সকাল ১০টায় এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রথমে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। এরপর সকাল ১০টায় যমুনায় এসে কূটনীতিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

এদিকে বিএনপির শীর্ষ নেতারা বেশিরভাগ নিজ সংসদীয় এলাকায় ঈদ করবেন। কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঢাকায় ঈদ করবেন। এ ছাড়া ঈদের দিন সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল জিয়ারত করবেন দলের সিনিয়র নেতারা।

জানা গেছে, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বেগম সেলিমা রহমান ও অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ঢাকায় ঈদ করবেন। এসব নেতা পরে নিজ নির্বাচনি এলাকায় যাবেন।

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খান অসুস্থ থাকায় বিদেশে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় নিজ নির্বাচনী এলাকা কেরানীগঞ্জে স্থানীয় নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান নিজ এলাকায় নরসিংদীর পলাশে, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে, সালাহউদ্দিন আহমেদ কক্সবাজারে এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সিরাজগঞ্জে ঈদ করবেন।

সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ঢাকায় ঈদ করবেন। এ ছাড়া বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান ও আবদুল আউয়াল মিন্টু ঢাকায়, বরকতউল্লা বুলু নোয়াখালী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বরিশাল এবং নির্বাহী কমিটির সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নাটোরে নিজ এলাকায় ঈদ করবেন।

যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন নরসিংদীতে, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী লক্ষ্মীপুরে ঈদ করবেন। আরেক যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ময়মনসিংহে এবং আব্দুস সালাম আজাদ মুন্সীগঞ্জের নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করবেন। প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন ঢাকায় এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক ঢাকার নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করবেন। এ ছাড়া বেশিরভাগ নেতাই নিজ এলাকায় ঈদ করবেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 19 Mar 2026 08:38:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঈদের পরে বিরোধী জোটের বড় কর্মসূচি আসছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114479" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114479</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় আদেশ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ সংসদ দ্বৈত ভূমিকা পালন করবে। নির্বাচিত এমপিদের নিয়ে ১৮০ কার্যদিবস মেয়াদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। এ পরিষদ গণভোটের ফল অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, ন্যায়পাল এবং দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের বিধান সংবিধানে যুক্ত করবে। ভোটের অনুপাতে (পিআর) সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা দিয়ে ১০০ আসনের উচ্চকক্ষ গঠন করবে। এই আটটি ছাড়াও গত ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের যে ৩০ সংস্কার প্রস্তাবে সব দলের ঐকমত্য হয়েছিল, সেগুলো বাস্তবায়ন করবে। বাকি ১০টি প্রস্তাব বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা নেই।

তবে প্রথম আট প্রস্তাবের মধ্যে নির্বাচন কমিশন বাদে বাকিগুলোতে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) রয়েছে। বিএনপি এগুলো বাস্তবায়নে রাজি নয়। তবে জামায়াত জোট বলছে, এগুলোই আসল সংস্কার।

বিএনপি পরিষদের শপথ না নিলেও, জামায়াত জোটের ৭৭ জনসহ ৭৮ এমপি শপথ নিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, রাষ্ট্রপতি পরিষদের সভা আহ্বান না করলেও, কোরামের (৬০ জন) চেয়ে বেশি সংখ্যক সদস্য শপথ নেওয়ায় পরিষদ গঠিত হয়ে গেছে।

বিরোধী জোট সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্যে পরিষদে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন চায়। তবে বিএনপি জুলাই সনদকে সংসদে বাস্তবায়ন করতে চায় নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংস্কারের সংলাপে বিএনপির নেতৃত্ব দেওয়া সালাহউদ্দিন আহমেদ গতকাল বলেছেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আলোচনা হতে পারে।

সরকারি দল শপথ না নিলে জামায়াতের রাজপথে নামার যে ঘোষণা দিয়েছে&ndash; এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটা তাদের জিজ্ঞেস করেন।

১১ দলের বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি পরিষদের অধিবেশন ডাকবে না&ndash; এটা তারা নিশ্চিত। সরকারের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সংসদে বিরোধী দলের পক্ষে কিছু করা অসম্ভব। তাই জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি রাজপথে নিয়ে যেতে চান তারা। তবে ঈদের কারণে এখনই কর্মসূচি দেওয়া হবে না। আগামী ২৮ মার্চ ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্মসূচি ঠিক হবে। শুরুতে সংসদে এমপিদের প্রতিবাদ, রাজপথে সভা-সমাবেশ-মানববন্ধনের মতো কর্মসূচি দেওয়া হবে। ধাপে ধাপে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সংসদ এবং পরিষদের অধিবেশন একই সঙ্গে ডাকার কথা। কিন্তু অধিবেশন ডাকা হয়েছে শুধু জাতীয় সংসদের। এতে বোঝা যায়, বিএনপি সরকার গঠনের পর সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গেছে। এর মাধ্যমে জাতির সঙ্গে প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। হ্যাঁ ভোট দেওয়া ৭০ শতাংশ ভোটারকে অপমান করা হয়েছে।

বর্তমান আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। সেই সময়ে তিনি এবং ঐকমত্য কমিশনের বিশেষজ্ঞ প্যানেল আদেশ জারি এবং আদেশের ওপর গণভোট আয়োজনের পরামর্শ দিয়েছিলেন। আসাদুজ্জামান বর্তমান সরকারের সময় আইনমন্ত্রী। তাঁর দল আদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও মন্ত্রী নীরব রয়েছেন।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও এ বিষয়ে নীরব। তবে তিনি শুক্রবার তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, আমরা অবগত, জুলাই আদেশের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে কারও কারও মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। তবে আমরা ডকট্রিন অব নেসেসিটি এবং ডকট্রিন অব উইল অব দ্য পিপল সম্পর্কে সচেতন ছিলাম। নির্বাচিত সংসদ পোস্টভ্যালিডিটি দিয়ে সংবিধান সংশোধন করেছে&ndash; এমন নজিরগুলোও আমাদের প্রত্যাশা নির্ধারণে বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। এসব বিবেচনায় বর্তমান সরকারের সুযোগ রয়েছে সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবগুলো গ্রহণ করার।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 15 Mar 2026 05:22:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতি হঠাও কর্মসূচিতে এনসিপি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114474" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114474</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গণভোট অনুযায়ী সংস্কার বাস্তবায়ন, রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন ও জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচিতে পালন করছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারাসহ আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে &#39;জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবার&#39;-এর ব্যানারে এর আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত আছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন প্রমুখ।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 12 Mar 2026 05:46:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জামায়াতের ইফতারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114437" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114437</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানে সঙ্গে তিনি এক টেবিলে ইফতার করেন। ইফতারের পূর্বে সরকারপ্রধান বলেন, &lsquo;আসুন আমরা আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ করি, আগামী দিনের কাজগুলো হবে এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে।&rsquo;

বিরোধী দলের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর যোগ দেওয়ার নজির নেই- গত কয়েক দশকে। তবে জামায়াতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে শনিবার বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতের ইফতারে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তিনি জামায়াত আমির শফিকুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান।

জানা যায়, বিকেল সাড়ে পাঁচটার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে যান প্রধানমন্ত্রী। তাকে অর্ভ্যত্থান জানান জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। পরে ক্ষমতাসীন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে তিনি মাহফিলস্থলে যান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান জামায়াত আমির। এসময় করমর্দন করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা।

ইফতারে আরও যোগ দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. মঈন খান। ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা। মাহফিলে আসেন এনসিপির সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা।

এসময় দেড় মিনিটের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আসুন আমরা আল্লাহর দরবারে রহমত চাই, যার মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, এই দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার তৌফিক আল্লাহ তায়ালা দেবেন।&rsquo;

তারেক রহমান বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের মানুষ আজকে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে, অনেক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, অনেক আশা নিয়ে আমাদের সকলের দিকে তাকিয়ে আছে&mdash;বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে।&rsquo;

জামায়াত আমিরকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সকলে এখানে একত্রিত হয়েছি, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। কিছুদিন আগে দেশে নির্বাচন হয়েছে, এ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। যে গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশের মানুষ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অকাতরে জীবন দিয়েছে, বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতন, গুম-খুনের শিকার হয়েছে। এত ত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই গণতন্ত্রের যাত্রা- যেটি সূচনা হয়েছে নির্বাচনের মাধ্যমে।&rsquo;

সরকারপ্রধান বলেন, &lsquo;এই ত্যাগের মাধ্যমেই, এই আত্মত্যাগের মাধ্যমে, হাজারো মানুষের অত্যাচার, লাখো মানুষের নির্যাতনের মাধ্যমে আমরা আমাদের বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ আমরা ফিরে পেয়েছি। সেজন্য আসুন আমরা আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করি।&rsquo;

এরপর সভাপতির বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, &lsquo;২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আল্লামা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকে বিতর্কিত আদালতের দেওয়া রায়ের পর, একদিনে ৭০ জনকে হত্যা করা হয়। দুই দিনে দেড়শ মানুষকে হত্যা করা হয়। বিচার না করে উল্টো নিহতদের স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।&rsquo;

বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, &lsquo;সেই সময়ে খালেদা জিয়া বিদেশ ছিলেন। তিনি দেশে ফিরে সাঈদীর রায়ের প্রতিবাদের কর্মসূচিতে হত্যাকে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে হরতাল ডেকেছিলেন। তার এই ভূমিকা কৃতজ্ঞতা ভরে স্মরণ করি।&rsquo;

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, &lsquo;খালেদা জিয়ার সন্তানের ওপর আজ দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পড়েছে। জামায়াত গতানুগতিক বিরোধী দল হিসেবে থাকতে চায় না। আমরা চাই সংসদ হোক অর্থবহ, জনগণের সকল চাওয়া-পাওয়ার কেন্দ্রবিন্দু। সরকার দল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুক, বিরোধীদল হিসেবেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করব। অতীতে &#39;আমি-ডামি&#39; নির্বাচনে &#39;আমি-ডামি&#39; সরকারি ও বিরোধীদল ছিল।&rsquo;

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, &lsquo;সরকারের সকল সঙ্গত কাজে বিরোধীদলের পূর্ণ সমর্থন থাকবে। কিন্তু সরকার যদি অসঙ্গত সিদ্ধান্ত নেয়, তবে দৃষ্টি আকর্ষণ করব। সরকার আমাদের পরামর্শ না নিলে, বিরোধীদলের যে ভূমিকা তা পালন করব। আমরা ধারণা করব, সরকার সংসদকে এগিয়ে যাওয়ার বাহনে পরিণত করবে। কোনো বাহন এক চাকায় চলে না। দুটি চাকা লাগে। সরকারি দল যদি সামনের চাকা হয়, বিরোধী দল হবে পেছনের চাকা। আমরা সমন্বয় ও পারস্পারিক সম্মান চাই।&rsquo;

ইফতারে যোগ দেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বীক্রম, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির মামুনুল হক, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ বিভিন্ন দলের নেতারা।

নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলামসহ জামায়াতের জ্যেষ্ঠ নেতা, নবনির্বাচিত এমপি, বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ছিলেন ইফতারে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Mar 2026 07:09:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে: সাকি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114433" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114433</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে একটি উগ্র দক্ষিণপন্থা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এই উগ্র দক্ষিণপন্থা দেশের ভালো চায় না। আমরা যেমন জাতিবাদী ফ্যাসিবাদ মোকাবিলা করেছি, তেমনই ধর্মের নাম নিয়ে কোনো ফ্যাসিবাদও সহ্য করব না। বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে। ঐক্য অটুট থাকলেই সবার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে বাঞ্ছারামপুরে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিলে এসব কথা বলেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আব্দুর রহিম জোনায়েদ সাকি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, &lsquo;এই দেশ আমাদের সকলের, সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের জন্য কাজ করতে হবে। আমি এবং আমার সরকার যা ওয়াদা করেছি পর্যায়ক্রমে সবকিছু পূরণ করা হবে।&rsquo; তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই তাঁর শক্তি। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো&ndash; উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের অগ্রগতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বাঞ্ছারামপুর এস এম পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশ।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 28 Feb 2026 05:43:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আমরা জুলাই শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে পারি নাই: ডা: শফিক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114410" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114410</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের কেউ এই সরকারে যাওয়া ফেয়ার (ন্যায়সঙ্গত) নয়। তিনি বলেছেন, সরকার দেশ ও জনগণের স্বার্থের পক্ষে উদ্যোগ নিলে আমাদের সহযোগিতা পাবে। জনস্বার্থের বিরুদ্ধে গেলে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ গড়ে তুলব।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা জুলাই শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে পারি নাই। সরকারি দল হতে পারি নাই আফসোস নাই। ফলাফল প্রকাশের সাথে সাথে নির্বাচনের উৎসব মিলিয়ে গেছে। দেশের মানুষ পরিপূর্ণভাবে তাদের আমানত পূরণ করতে পারিনি। গভীর রাতে শপথের চিঠি দিয়েছে। এটা অস্বস্তিকর।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথের বিষয়ে তিনি বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা, গণভোটের রায়কে সম্মান দেখিয়েছি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়া জন আকাঙ্ক্ষার বিপরীত। এটা সংস্কারের বিরোধী। বিএনপি জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেবে। জুলাইকে অসম্মান করে সংসদে গৌরবের আসনে বসতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠানিক রূপ পাক এটা আমাদের চাওয়া। প্রত্যেক নাগরিক যেন নিরাপত্তা পায়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হোক এটা আমরা চাই। নির্বাচনের রাত থেকে বিভিন্ন এলাকায় আমাদেরকে ভোট দেয়ার কারণে নারী- পুরুষের ওপর হামলা হচ্ছে। এটা বন্ধ হোক এটা আমরা চাই। ইতিবাচক ভূমিকা হলে সহযোগিতা পাবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি জোট ২১২টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বিএনপির ষষ্ঠবারের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আরোহণ। অন্যদিকে, ৬৮টি আসন নিয়ে সংসদে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় বসতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Feb 2026 08:29:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সংবিধান সংস্কার: গোড়াতেই বিভেদ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114409" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114409</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নতুন সরকারের যাত্রার প্রথম দিনই সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোট। বিএনপি বলছে, সংবিধানে এখনও পরিষদের বিধান না থাকায় তারা শপথ নেয়নি। অন্যদিকে, বিরোধী জোট এই অবস্থানকে গণভোট ও জুলাই সনদের প্রতি অবজ্ঞা বলে আখ্যা দিয়েছে। এই জোট বলছে, গণভোটে &lsquo;হ্যাঁ&rsquo; জয়ী হওয়ায় সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন বাধ্যতামূলক।

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, &lsquo;হ্যাঁ&rsquo; জয়ী হলে গণভোটের ব্যালটে বর্ণিত উপায়ে সংবিধান সংস্কারে নবনির্বাচিত এমপিরা ১৮০ কার্যদিবস মেয়াদি পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন।

কিন্তু বিএনপির নবনির্বাচিত প্রতিনিধিরা গতকাল সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। স্বতন্ত্র সাত এমপিও পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। বিপরীতে জামায়াত, এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলনের ৭৮ এমপি পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। নতুন এমপিদের শপথ পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।

এদিকে, গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গতকাল হাইকোর্টে রিট হয়েছে। জামায়াতের একাধিক নেতার সন্দেহ, এতে বিএনপির হাত রয়েছে। ফলে আইনি পথেও বিরোধ তৈরি হয়েছে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে।

গতকাল দুটি শপথের জন্য প্রস্তুতি নেয় সংসদ সচিবালয়। তবে শপথের আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ দলীয় এমপিদের উদ্দেশে বলেন, আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। তাই পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নিচ্ছি না।

এমপিদের উদ্দেশে সালাহউদ্দিন বলেন, পরিষদ এখনও সংবিধানে ধারণ করা হয়নি। গণভোটের রায় অনুযায়ী, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হলে তা সংবিধানে আগে ধারণ করতে হবে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের কে শপথ পাঠ করাবেন, এই বিধান করতে হবে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সংসদে গৃহীত হওয়ার পর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিধান করা যাবে। আমরা সংবিধান মেনে এ পর্যন্ত চলছি এবং আশা করি, সামনের দিনেও চলব।
এমপিদের সাদা রঙের কাগজে সংসদের শপথপত্র দেওয়া হয়। নীল রঙের কাগজে দেওয়া হয় পরিষদের শপথপত্র। বিএনপির এমপিরা শপথ না নিয়ে নীল রঙের কাগজ চেয়ারে রেখে যান।

বিএনপির এমপিদের শপথের পর বিরোধীদলীয় ও স্বতন্ত্র এমপিরা শপথ নেন। দেরিতে আসা বিএনপির এমপি ইশরাক হোসেনও তাদের সঙ্গে শপথ নেন। এরপর শপথ নেন এনসিপির নবনির্বাচিত ছয় এমপি। বিরোধী জোটের এমপিরা সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণের পর পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিচালনায়। এ সময় স্বতন্ত্র এমপিরা এবং ইশরাক হোসেন শপথ কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।

এর আগে সংবাদমাধ্যমে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বরাতে খবর ছড়ায়, বিএনপির এমপিরা পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় বিরোধী জোটের এমপিরা শপথ নেবেন না। তবে এই ভাষ্যকে নাকচ করে তিনি সমকালকে বলেন, এমন কোনো কথা হয়নি। জামায়াত জোটের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এমপিরা দুটি শপথ নেবেন। বিএনপি পরিষদের শপথ নিয়ে জুলাই আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে অবস্থান নিয়েছে; গণভোটের রায়কে অসম্মান করেছে।

শপথের পর সালাহউদ্দিন আহমেদ সংসদ থেকে বেরিয়ে বলেন, বিএনপি জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলবে।

বিএনপি পরিষদের শপথ না নেওয়ায় প্রতিবাদে এনসিপি সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বয়কট করে। তবে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান এতে যোগ দেন।
শপথ বর্জন করা এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, গণভোটে জনরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করে শপথ নিতে যাচ্ছে সরকার।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি দুটি শপথ না নিলে সংসদে যাওয়াই তো অর্থহীন। গণভোটের রায় না মানলে জুলাই সনদের থাকে কী?

ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, শপথ না নিয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রথম দিনেই বিএনপি জনরায়কে উপেক্ষা করার খারাপ দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ওপর গণভোট হয়েছে। ৬৮ শতাংশ ভোটার হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন। গত ১৩ নভেম্বর জারি করা এই আদেশ অনুযায়ী, হ্যাঁ ভোট জয়ী হওয়ায় যিনি এমপিদের শপথ পাঠ করাবেন, তাঁর কাছে পরিষদ সদস্যদের শপথ নিতে হবে। ৩০ দিনের মধ্যে পরিষদের সভা আহ্বান করতে হবে।

বিএনপি শপথ না নেওয়ায় পরিষদের ভবিষ্যৎ কী, তা স্পষ্ট নয়। সাবেক ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত বিরোধ তৈরি হলো। জনগণের সার্বভৌম অভিপ্রায়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি হয়েছে। জনগণ তা গণভোটে অনুমোদন করেছে। আদেশের ৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এমপিদের পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা। শপথ না নেওয়ার মাধ্যমে জটিলতা তৈরি হলো।

সনদে সংবিধান-সংক্রান্ত ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব রয়েছে। এর ১৩টিতে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে। জামায়াতের নোট অব ডিসেন্ট ছিল সাতটিতে। বিএনপির অবস্থান ছিল, যেসব প্রস্তাবে তারা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, নির্বাচনে জয়ী হলে সেগুলো নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী বাস্তবায়ন করবে। জামায়াত-এনসিপির দাবি ছিল, সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন।

এই বিরোধে গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত গত ১৭ সেপ্টেম্বর। এরপর সনদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে গত অক্টোবরে ছয় কার্যদিবস সংলাপ চালায় ঐকমত্য কমিশন। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, সংসদের গাঠনিক ক্ষমতা না থাকায় গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হলে জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারে নবনির্বাচিত এমপিদের নিয়ে পরিষদ গঠন করা হবে।

গণভোটের ব্যালটে সংস্কার প্রস্তাবগুলোকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়। গণভোটের প্রশ্নে প্রথম ভাগে বলা হয়, &lsquo;হ্যাঁ&rsquo; জয়ী হলে জুলাই সনদে বর্ণিত উপায়ে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি), ন্যায়পাল এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গঠন ও নিয়োগের বিধান সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করবে পরিষদ।

নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে বিএনপি রাজি থাকলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার, পিএসসি, সিএজি, ন্যায়পাল এবং দুদকের গঠন ও নিয়োগ পদ্ধতি সম্পর্কে যেসব প্রস্তাব রয়েছে জুলাই সনদে, তাতে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে দলটির।

গণভোটের দ্বিতীয় ভাগে ছিল উচ্চকক্ষ-সংক্রান্ত তিনটি প্রস্তাব। বিএনপি ১০০ আসনের উচ্চকক্ষ গঠনে একমত হলেও ভোটের অনুপাতে (পিআর) আসন বণ্টন এবং সংবিধান সংশোধনে উচ্চকক্ষের অনুমোদন গ্রহণের প্রস্তাবে রাজি নয়। গণভোটে &lsquo;হ্যাঁ&rsquo; জয়ী হওয়ায় এ দুই প্রস্তাবেও নোট অব ডিসেন্ট কার্যকর হবে না।

গণভোটের তৃতীয় ভাগে ছিল এমন ৩০টি সংস্কার প্রস্তাব, যেগুলোতে সব দলের ঐকমত্য ছিল। গণভোটে হ্যাঁ জয়ী হওয়ায় এগুলো বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক। গণভোটের শেষ ভাগে ছিল ১০টি সংস্কার প্রস্তাব। গণভোটে &lsquo;হ্যাঁ&rsquo; জয়ী হলেও এগুলো বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক নয়।

আদেশের ১০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংসদ অধিবেশন আহ্বানের প্রক্রিয়ায় ৩০ দিনের মধ্যে পরিষদের সভা আহ্বান করা হবে। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন। আদেশের ১০(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, পরিষদের কোরাম হবে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে। জামায়াত জোটসহ ৭৮ জন সদস্য পরিষদের শপথ নিয়েছেন। বিএনপি যোগ না দিলে তারাই সভা করতে পারবেন কিনা&ndash; এই বিতর্ক নতুন জটিলতা করেছে বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Feb 2026 08:19:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সরকারি প্লট ও ডিউটি ফ্রি গাড়ি নেবেন না বিএনপি সাংসদরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114407" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114407</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সরকারিভাবে কোনো প্লট ও ডিউটি ফ্রি গাড়ি নেবেন না। নব নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সংসদীয় দলের প্রথম সভায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি।

আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন রাজনৈতিক দল এই প্রথম সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সরকারিভাবে কোনো প্লট ও ডিউটি ফ্রি গাড়ি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 17 Feb 2026 07:56:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শপথ নিলেন  জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিতরাও]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114406" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114406</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিএনপি&rsquo;র পর সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিতরা। আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার কিছু আগে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে জামায়াতের সঙ্গে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও শপথ নেন। তবে বিএনপি&rsquo;র সংসদ সদস্যগন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন নাই।

শপথের আগে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।

জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন জামায়াতের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 17 Feb 2026 07:43:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অভ্যান্তরীন কোন্দল ও নেতৃত্বশূন্যতাই খুলনা বিএনপিকে ডুবিয়েছে!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114403" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114403</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনীতিতে এক সময় যে অঞ্চলটি খুলনা বিভাগ বিএনপির অঘোষিত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল, সেই মানচিত্র এবার আমূল বদলে গেছে। অভ্যন্তরীণ কোন্দল, মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দলেরই অংশের অবস্থান, প্রচারণায় অনীহা, ভোটের দিন কেন্দ্রে ভোটার আনতে নিষ্ক্রিয়তা এবং প্রতিপক্ষের সঙ্গে গোপন আঁতাতের অভিযোগ&mdash;সব মিলিয়ে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

৩৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৫টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীরা। বিএনপি পেয়েছে মাত্র ১১টি আসন। তৃণমূলের ভাষায়&mdash;&ldquo;এটা শুধু হার নয়, সাংগঠনিক ভেঙে পড়ার ফল।&rdquo;

জেলা-ভিত্তিক চিত্র: খুলনা আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্যে দেখা যায় খুলনা জেলা: ৬টির মধ্যে ৪টিতে বিএনপি, ২টিতে জামায়াত, বাগেরহাট: ৩টি জামায়াত, ১টি বিএনপি, সাতক্ষীরা: ৪টির সবকটিতে জামায়াত, যশোর: ৫টি জামায়াত, ১টি বিএনপি, মাগুরা: ২টিতেই বিএনপি, ঝিনাইদহ: ৩টি জামায়াত, ১টি বিএনপি, মেহেরপুর: ২টিতেই জামায়াত, কুষ্টিয়া: ৩টি জামায়াত, ১টি বিএনপি, চুয়াডাঙ্গা: ২টিতেই জামায়াত, নড়াইল: ১টি বিএনপি, ১টি জামায়াত, ফলাফল বলছে, সাতক্ষীরা, যশোর, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত প্রায় একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে।

অতীত বনাম বর্তমান: পাল্টে যাওয়া সমীকরণ: নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী। ১৯৯১ সালে বিএনপি ৯টি, জামায়াত ৬টি, ১৯৯৬ সালে বিএনপি ১২টি, জামায়াত ১টি, ২০০১ সালে বিএনপি ২১টি, জামায়াত ৭টি, ২০০৮ সালে বিএনপি ২টি, জামায়াত ২টি, সে তুলনায় এবারের ফলাফল জামায়াতের জন্য বড় অগ্রগতি, আর বিএনপির জন্য বড় ধাক্কা।

নেতৃত্বের শূন্যতা ও সাংগঠনিক দুর্বলতা

এক সময় খুলনায় বিএনপির নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফিজুর রহমান, সাবেক তথ্যমন্ত্রী তরিকুল ইসলাম, সাবেক স্পিকার রাজ্জাক আলী ও সাবেক মেয়র শেখ তৈয়েবুর রহমান।

বর্তমানে সেই মাপের প্রভাবশালী নেতৃত্বের অভাব প্রকট বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

কেন্দ্রীয় বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম মঞ্জু-র পদ স্থগিত হওয়া এবং তা পুনর্বহাল না হওয়ায় সাংগঠনিক অস্থিরতা বাড়ে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তৃণমূলের অভিযোগ&mdash;৩৬টি আসনে সমন্বিত নেতৃত্ব দেওয়ার মতো সক্ষমতা বা সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ কারও হাতে ছিল না। অধিকাংশ জেলা কমিটি নড়বড়ে, অনেক উপজেলায় কমিটি নেই বললেই চলে।

বিদ্রোহী প্রার্থী ও আঁতাতের অভিযোগ

বিভাগে অন্তত ৬ জন বিএনপি নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এছাড়া এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা এমএএইচ সেলিম বাগেরহাটের দুই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

তৃণমূলের অভিযোগ, মনোনয়ন না পাওয়া কিছু নেতা গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের হারাতে মাঠে নামেন। কয়েকজনের বিরুদ্ধে জামায়াত প্রার্থীদের সঙ্গে গোপন সমঝোতার অভিযোগও উঠেছে&mdash;যদিও তা প্রমাণিত নয়।

হেভিওয়েটদের হার-জিত

খুলনা-২ আসনে নজরুল ইসলাম মঞ্জুর পরাজয়কে দলীয় অনৈক্যের বড় উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মনোনয়ন পেলেও পদ পুনর্বহাল না হওয়ায় সাংগঠনিক শক্তিকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।

অন্যদিকে খুলনা-৫ আসনে ভিন্ন চিত্র। সেখানে বিএনপির প্রার্থী আলী আসগার লবি পরাজিত করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার-কে। স্থানীয়ভাবে ঐক্যবদ্ধ প্রচারণাই এ আসনে বিএনপির সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ট্রমায় তৃণমূল, প্রত্যাশা পুনর্গঠনের

তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষায়, &ldquo;এমন ফলাফল কল্পনাও করিনি।&rdquo; অনেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তাদের প্রত্যাশা&mdash;কেন্দ্র দ্রুত সাংগঠনিক পুনর্গঠন করবে, কোন্দল নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নেবে এবং শক্ত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করবে।

নতুন বাস্তবতা, কঠিন বার্তা

খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনের মধ্যে ২৫টি এখন জামায়াতের দখলে, ১১টি বিএনপির।

এই ফল শুধু আসন হারানো নয়&mdash;এটি সাংগঠনিক দুর্বলতা, নেতৃত্ব সংকট ও অভ্যন্তরীণ বিভাজনের কঠিন বার্তা। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন এক সমীকরণের সূচনা হয়েছে। এখন দেখার বিষয়&mdash;বিএনপি কীভাবে এই ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, নাকি এই পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবতায় রূপ নেবে।

খুলনা বিভাগের ৩৬ আসনের মধ্যে ২৫টি পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী আর ১১টিতে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীরা।
খুলনা-১ : আমির এজাজ খান (বিএনপি-ধানের শীষ); খুলনা-২ : শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); খুলনা-৩ : রকিবুল ইসলাম বকুল (বিএনপি-ধানের শীষ); খুলনা-৪ : এস কে আজিজুল বারী হেলাল (বিএনপি-ধানের শীষ); খুলনা-৫ : আলি আসগার লবি (বিএনপি-ধানের শীষ); খুলনা-৬ : আবুল কালাম আজাদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)।
বাগেরহাট-১ : মাওলানা মশিউর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); বাগেরহাট-২ : শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); বাগেরহাট-৩ : শেখ ফরিদুল ইসলাম (বিএনপি-ধানের শীষ); বাগেরহাট-৪ : আব্দুল আলিম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)।
সাতক্ষীরা-১ : মোঃ ইজ্জত উল্লাহ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); সাতক্ষীরা-২ : আব্দুল খালেক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); সাতক্ষীরা-৩ : রবিউল বাসার (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); সাতক্ষীরা-৪ : গাজী নজরুল ইসলাম (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)।
যশোর-১ : মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); যশোর-২ : মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দিন ফরিদ (জামায়াতে ইসলামী দাঁড়িপাল্লা); যশোর-৩ : অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিএনপি-ধানের শীষ); যশোর-৪ : মোঃ গোলাম রছুল (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); যশোর-৫ : গাজী এনামুল হক (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); যশোর-৬ : মোঃ মোক্তার আলী (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)।
মেহেরপুর-১ : মোঃ তাজউদ্দীন খান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); মেহেরপুর-২ : নাজমুল হুদা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)।
কুষ্টিয়া-১ : রেজা আহমেদ বাচ্চু (বিএনপি-ধানের শীষ); কুষ্টিয়া-২ : মোঃ আব্দুল গফুর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); কুষ্টিয়া-৩ : মুফতি আমির হামজা (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); কুষ্টিয়া-৪ : মোঃ আফজাল হোসেন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)
চুয়াডাঙ্গা-১ : এড. মাসুদ পারভেজ (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); আসন নং ৮০ : চুয়াডাঙ্গা-২ : মোঃ রুহুল আমিন (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)।
ঝিনাইদহ-১ : মোঃ আসাদুজ্জামান (বিএনপি-ধানের শীষ); ঝিনাইদহ-২ : আলী আজম মোঃ আবু বকর (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); ঝিনাইদহ-৩ : মতিয়ার রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা); ঝিনাইদহ-৪ : মাওলানা আবু তালিব (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)।
মাগুরা-১ : মনোয়ার হোসেন খান (বিএনপি-ধানের শীষ); আসন নং ৯২ : মাগুরা-২ : নিতাই রায় চৌধুরী (বিএনপি-ধানের শীষ); নড়াইল-১ : বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (বিএনপি-ধানের শীষ); নড়াইল-২ : মোঃ আতাউর রহমান (জামায়াতে ইসলামী-দাঁড়িপাল্লা)।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 17 Feb 2026 07:25:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন লক্ষ্মীপুরের এ্যানী ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114399" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114399</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ায় মন্ত্রিপরিষদ গঠনে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো গুঞ্জন চলছে।

বিএনপির গুলশান কার্যালয়ের বিশ্বস্ত একটি সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি বলছে, সংবিধান ও রাষ্ট্রব্যবস্থার গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে রাষ্ট্র মেরামতে পূর্বঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর বিএনপি। গুরুত্ব বিবেচনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যদিও এটি দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৫ ভোট পেয়েছেন। লক্ষ্মীপুরের সন্তান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন এবং রসায়নিক প্রযুক্তিবিদ্যা অনার্স এবং এম.এস.সি ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৯৩ সালে শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিপ্লোমা-ইন এডুকেশন সমাপ্ত করেন।

১৯৮০ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান লক্ষ্মীপুরে মূসার খাল খনন কর্মসূচীতে এলে সেই কর্মসূচী পালনের মধ্য দিয়ে স্কুল জীবনেই এ্যানি চৌধুরী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। ১৯৮৩ সালে তিনি ঢাকা তেজগাঁও কলেজ ছাত্রদলের সদস্য হন। পরবর্তীতে তিনি সরকারী বিজ্ঞান কলেজ ঢাকায় ভর্তি হন এবং সেখানেও ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৮৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রদলের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ সালে তিনি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, ১৯৮৮ সালে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে তিনি জিয়াউর রহমান হল ছাত্র সংসদের জিএস নির্বাচিত হন।

১৯৯০ সালে তিনি সর্বোচ্চ ভোটে ডাকসুর সদস্য নির্বাচিত হন এবং ৩ বার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে ডাকসুর ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেন। পরবর্তীতে, ১৯৯২ সালে তিনি ডাকসুর ভারপ্রাপ্ত ভিপি ও ভারপ্রাপ্ত সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯২ সালে তিনি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহবায়ক ও ১৯৯৩-১৯৯৬ সাল পর্যন্ত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপালন করেন।

১৯৯৬-১৯৯৮ সালে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৯ সালে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ২০১৬ সাল থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ত্বের পাশাপাশি তিনি বর্তমানে বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসনকমিটির সমন্বয়ক, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব এবং লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আহবায়কের দায়িত্ব পালন করছেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 15 Feb 2026 11:47:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114396" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114396</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে &lsquo;অগ্রাধিকার&rsquo; দেবে জামায়াত। সেই সঙ্গে বাংলাদেশে প্রত্যেক নাগরিকের মর্যাদা সমান এবং এখানে সংখ্যালঘু বলে কোনো কিছু নেই। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে এসব মন্তব্য করেছেন।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে জামায়াতের অবস্থান কি? এমন প্রশ্নের জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, ভারত আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী। তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা আমাদের অগ্রাধিকার।

এ ছাড়া সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ইস্যুতে প্রশ্ন করা হলে জামায়াতের আমির বলেছেন, আমরা এই দেশে প্রথম শ্রেণির নাগরিক। আমরা কখনোই শুধু ধর্মবিশ্বাসজনিত কারণে কোনো সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগরিষ্ঠকে সমর্থন করি না। আমরা কখনোই তা স্বীকার করি না।এ ছাড়া এনডিটিভিকে শফিকুর রহমান বলেছেন, ভারত সফরের ব্যাপারে আমার কোনো দ্বিধা বা বাধা নেই। নির্বাচন শেষ হোক, এরপর আমি সিদ্ধান্ত নেবো।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ভোর থেকেই কেন্দ্রে আসতে থাকেন ভোটাররা। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে ২৯৯ সংসদীয় আসনে ভোট দেবেন ভোটাররা।

দেশের মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ থাকবে। এবারের নির্বাচনে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে।

এই নির্বাচনে মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী সংখ্যা ১ হাজার ৭৫৫ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৩ জন। নারী প্রার্থী ৮৩ জন (দলীয় ৬৩ জন এবং স্বতন্ত্র ২০ জন)।

এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দেশের ২৯৯টি আসনের ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং হিজড়া ১ হাজার ২৩২ জন।

সান নিউজ/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 12 Feb 2026 07:23:02 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
