<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/oithijho-o-krishthi</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/oithijho-o-krishthi"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews oithijho-o-krishthi Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest oithijho-o-krishthi News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 19 Apr 2026 04:36:17 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[নদীর বুকে শতবর্ষী পিএস মাহসুদে নববর্ষের উচ্ছ্বাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/114549" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/114549</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলা নববর্ষ মানেই বাঙালির প্রাণের উৎসব। সেই উৎসব যখন নদীর বুকে ভাসমান এক ঐতিহাসিক স্টিমারে উদযাপিত হয়, তখন তা পায় ভিন্ন মাত্রা। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে শতবর্ষী প্যাডেল স্টিমার পিএস মাহসুদের ডেকে দিনভর আয়োজন করা হয় বর্ণিল বৈশাখী উৎসব, যার সঙ্গে যুক্ত হয় ফটোগ্রাফির বিশেষ সম্মাননা &lsquo;পর্যটন বিচিত্রা ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড-২০২৫&rsquo;।

ঢাকার সদরঘাট থেকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যাত্রা শুরু করে স্টিমারটি। পানিতে ঘুরতে থাকা বড় বড় চাকা আর পুরনো দিনের কাঠামো যাত্রীদের ফিরিয়ে নেয় নস্টালজিক এক সময়ে। একসময় নদীপথের রাজা হিসেবে পরিচিত এই স্টিমার আজও বহন করছে ঐতিহ্যের সেই গৌরব, যার সঙ্গে মিশে যায় বৈশাখের রঙিন আবহ।

স্টিমারটি সাজানো হয় বৈশাখী মোটিফে&mdash;বাঘ, সিংহ, ঘুড়ি ও নানা রঙিন নকশায়। এই সাজসজ্জায় ফুটে ওঠে বাঙালির লোকজ সংস্কৃতির সৌন্দর্য।

যাত্রার শুরুতে পরিবেশন করা হয় সকালের নাস্তা। এরপর স্টিমারটি চাঁদপুরের দিকে এগিয়ে গিয়ে তিন নদীর মোহনায় নোঙর করে আয়োজন করা হয় মধ্যাহ্নভোজের। দুপুরের মেন্যুতে ছিল পান্তা ভাত, ইলিশ ভাজা, গরম ভাত, আলু ভর্তা, ডাল, মাংসসহ নানা বাঙালিয়ানা খাবার এবং শেষপাতে দই। নদীর হাওয়ায় বসে এমন খাবার যেন গ্রামবাংলার চিরচেনা আবহ ফিরিয়ে আনে।

 

খাবারের পাশাপাশি পুরো যাত্রাজুড়ে চলেছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বিভিন্ন শিল্পীর গান ও পরিবেশনায় স্টিমারের ডেক পরিণত হয় ভাসমান মঞ্চে। বিকেলে যাত্রীদের জন্য ছিল মোয়া, বাতাসাসহ গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী নাস্তা। এছাড়া মেহেদি আঁকা, লুডু ও ক্যারাম খেলার আয়োজন পুরো পরিবেশকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত।

এদিকে এই উৎসবের মধ্যেই বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় &lsquo;পর্যটন বিচিত্রা ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড-২০২৫&rsquo;-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। দেশের প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার নানা দিক তুলে ধরতে প্রায় ৫৫০ জন আলোকচিত্রী এতে অংশ নেন। সেখান থেকে বাছাই করে সেরা ১০ জনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন তানভীর অনিক (&lsquo;এ ম্যাজিকাল উইন্টার&rsquo;), দ্বিতীয় হন প্রকাশ মজুমদার (&lsquo;এ ফগি উইন্টার মর্নিং&rsquo;) এবং তৃতীয় স্থান লাভ করেন কিংশুক পার্থ (&lsquo;ফিশিং লাভার&rsquo;)। এছাড়া চতুর্থ থেকে দশম স্থান অর্জন করেন নাফিস আমিন, নয়ন দাস, মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম, জিএম রেজানুল হক, জায়ান খান, বিপুল আহমেদ ও মোহাম্মাদ তারিক হাসান।

বিজয়ীদের মধ্যে প্রথম তিনজনকে যথাক্রমে ১০ হাজার, ৭ হাজার ও ৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হয়। পাশাপাশি সবাইকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়G

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 19 Apr 2026 04:36:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাহাড়ে &quot;বৈসাবি&quot; উৎসবের আনন্দ, চলছে প্রস্তুতি  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/114505" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/114505</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আবু রাসেল সুমন : পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্ষবরণকে ঘিরে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব &quot;বৈসাবি&quot; উদযাপন কে সামনে রেখে খাগড়াছড়িসহ তিন পার্বত্য জেলায় চলছে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি।

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে বরণ করে নিতে পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় প্রতিবছর তাদের এই প্রধান সামাজিক উৎসব &quot;বৈসাবি&quot; খুব জাঁকজমক ভাবে উদযাপন করে থাকে। এ উপলক্ষে পাহাড়ের আনাচে কানাচে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে।

বরাবরের মতোই বিদায়ী বছরের সব দুঃখ-কষ্ট আর গ্লানি পানিতে ভাসিয়ে দিয়ে নতুন বছরের পথচলা শুরু করেছে পাহাড়, নদী আর অরণ্যঘেরা জনপদের মানুষ। বর্ষবরণ ও বিদায়ের অনুষ্ঠান &quot;বৈসাবি&quot;কে ঘিরে আগাম উৎসবের আমেজ এখন তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি আর বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদে।



&quot;বৈসাবি&quot; মূলত বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। খাগড়াছড়ি জেলার প্রধান তিন ক্ষুদ্র - নৃগোষ্ঠী ত্রিপুরা সম্প্রদায় - বৈসু, মারমা সম্প্রদায় - সাংগ্রাই এবং চাকমা সম্প্রদায় -বিজু নামে এ অনুষ্ঠান পালন করে। এ ছাড়া পার্বত্য রাঙামাটি এবং বান্দরবান জেলার অন্যান্য সম্প্রদায় বর্ষবরণের এ অনুষ্ঠান ভিন্ন নামে পালন করে। বৈসাবি শব্দটি মূলত তিন সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানের নামের প্রথম অক্ষর নিয়ে গঠিত।

পাহাড়ের একেক সম্প্রদায়ের কাছে ভিন্ন নামে ও নিজ নিজ ভাষায় পরিচিত এই &quot;বৈসাবি&quot; যেমন- বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান, চাংলান, পাতা ও বিহু।

&quot;বৈসাবি&quot;র প্রস্তুতি হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলা শহরসহ প্রতিটি উপজেলার হাটবাজার গুলোতে বেড়েছে মানুষের উপস্থিতি। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে নিজেকে সাজাতে বিভিন্ন শপিংমল কাপড়ের দোকান গুলো কানায় কানায় পরিপূর্ণ।

স্থানীয় এক বিক্রেতা জানান, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর উৎসবের আমেজ একটু আগেই থেকেই জমে উঠেছে। এবারের বাজারে মানুষের সমাগম অনেক অনেকাংশেই বেশি। শুধু কেনাকাটাই নয়, উৎসব উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরাও ভিড় জমাচ্ছেন এখন থেকেই।

সরেজমিনে বাজার গুলো ঘুরে দেখা যায়, উপজাতীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক যেমন, চাকমাদের পিনোন-হাদি, মারমাদের থামি এবং ত্রিপুরাদের রিনাই-রিসার দোকানে তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আধুনিক নকশার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী বুননের পোশাকের চাহিদাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

উৎসবে বিশেষ খাবারের উপকরণ কিনতে ভিড় করছেন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মানুষজন। উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে &quot;পাঁচন&quot; বহু ধরনের সবজি দিয়ে তৈরি এই ঐতিহ্যবাহী খাবারের জন্য বাজারে উঠতে শুরু করেছে বাঁশকোড়ল, তারা, বিভিন্ন পাহাড়ি আলু ও বুনো সবজি। স্বাদের ভিন্নতা আনতে অনেকে এতে শুকনো মাছ (সিদল) ব্যবহার করেন, যদিও নিরামিষভাবেও এটি প্রস্তুত করা হয়। এই ঐতিহ্যবাহী খাবার বৈসাবির সাংস্কৃতিক পরিচয় বহন করে এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা ও খাদ্যসংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

&quot;বৈসাবি&quot; উৎসবকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলতে জেলা পরিষদের উদ্যােগে নেয়া হয় মেলার আয়োজন, পাশাপাশি এসব মেলায় ঘিলা খেলা, বলি খেলার মতো ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। পাড়ায় পাড়ায় আনন্দে মেতে উঠে কিশোর- কিশোরী, তরুন-তরুনীরা।

আগামী ১২ এপ্রিল &lsquo;ফুল বিজু&rsquo;র মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। এদিন চেঙ্গি নদীর পানিতে ফুল ভাসিয়ে পুরনো বছরের গ্লানি মুছে ফেলার প্রতীকী আয়োজন করা হবে। ১৩ এপ্রিল মূল বিজু বা বৈসু উপলক্ষে ঘরে ঘরে পাঁচন রান্না ও অতিথি আপ্যায়ন অনুষ্ঠিত হবে। ১৪ এপ্রিল গজ্যাপজ্যা বা সাংগ্রাই উপলক্ষে জলকেলির মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করা হবে।

কিরন বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, আমরা সারা বছর অপেক্ষায় থাকি বৈসু অনুষ্ঠানের। এ বছর বৈশ্বিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক মন্দা অবস্থা চলছে। পৃথিবীর সকল মানুষের শান্তি ও মঙ্গল প্রয়োজন। সেই মঙ্গল কামনা করেই আমরা এবার বৈসু শুরু করতে যাচ্ছি। আগামী ১৩ এপ্রিল হারিবৈসু দিয়ে আমাদের মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে।

উৎসবকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ। পর্যটন কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বাড়তি নজরদারি রাখা হয়েছে, যাতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা নির্বিঘ্নে উৎসব উপভোগ করতে পারেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 31 Mar 2026 05:43:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/114497" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/114497</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ ২৬ মার্চ। ৫৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনার সূচনার দিন।

আজ থেকে ৫৫ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনটিতে ডাক এসেছিল দেশকে পাকিস্তানি হানাদারের কবল থেকে মুক্ত করার। আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের।

২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণার পর পাকিস্তানি শোষকের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমিকে স্বাধীন করতে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলার দামাল ছেলেরা। এরই ধারাবাহিকতায় ৯ মাস বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়েছিল স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। জাতি অর্জন করেছিল একটি দেশ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত।

আজ সরকারি ছুটি। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণী দিয়েছেন। পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে স্বাধীনতার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারা।

গোটা জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের। অবনত চিত্তে শ্রদ্ধা জানাবে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে অসামান্য আত্মত্যাগকারী বাংলার অকুতোভয় বীর সেনানী মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী মহান নেতাদের। পাশাপাশি গোটা দেশ আজ মেতে উঠবে স্বাধীনতার উৎসবের আমেজে।

পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথ বেয়ে ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশের জনগণ পেয়েছিল পাকিস্তান ও ভারত নামের পৃথক দুটি দেশ। এরপর শুরু হয় বাঙালিদের নতুন করে শোষণ ও পরাধীনতার শৃঙ্খলে বেঁধে রাখার পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র। তবে পাকিস্তানি হানাদারদের শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় বাঙালি জাতি।

১৯৪৮ সালে বাংলা ভাষার দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের পথ বেয়ে &rsquo;৫২-এর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, &rsquo;৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়লাভ, &rsquo;৫৬-এর সংবিধান প্রণয়ন আন্দোলন, &rsquo;৫৮-এর মার্শাল ল বিরোধী আন্দোলন, &rsquo;৬২-এর শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলন, &rsquo;৬৬-এর বঙ্গবন্ধু ঘোষিত বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা আন্দোলন, ৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, &rsquo;৬৯-এর রক্তঝরা গণঅভ্যুত্থান, &rsquo;৭০-এর ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর &lsquo;এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম&rsquo;খ্যাত কালজয়ী ঐতিহাসিক ভাষণ এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন প্রভৃতি ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের চূড়ান্ত লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওঠে বাঙালি জাতি।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পর মধ্যরাতে, অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারের আগমুহূর্তে দেওয়া সেই ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু শত্রুসেনাদের বিতাড়িত করতে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করার জন্য দেশবাসীকে অনুরোধ ও নির্দেশ দেন। তৎকালীন ইপিআরের ওয়্যারলেস থেকে সে বার্তা ছড়িয়ে যায় দেশের সর্বত্র। বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণায় সেদিনই ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে পুরো জাতি।

পরে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। এই ঘোষণাটি ছিল পূর্বের ২৬ মার্চের ঘোষণারই পুনরাবৃত্তি। যা স্থানীয় বেতার কেন্দ্র থেকে বারবার প্রচারিত হয়ে স্বাধীনতাকামী মানুষের মনে অভূতপূর্ব সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগায়।

এরপর ১৭ এপ্রিল তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার এক আমবাগানে শপথ নেয় স্বাধীন বাংলার অস্থায়ী বিপ্লবী সরকার। বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গঠিত এ সরকারের নেতৃত্বেই মুক্তিযুদ্ধ আনুষ্ঠানিক কাঠামো লাভ করে।
৯ মাস চলা এই মুক্তিযুদ্ধে রচিত হয় ইতিহাসের মহীয়ান অধ্যায় ও মুক্তিকামী বাংলার মানুষের বীরত্বগাথা। আরেক দিকে ছিল হানাদার বাহিনীর নির্বিচার হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ ও লুটতরাজের কলঙ্কিত অধ্যায়।
একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। বিশ্ব মানচিত্রে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামের স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

আজ প্রত্যুষে রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর এলাকায় ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। সারাদেশে প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনি করা হবে।

সূর্যোদয়ের ক্ষণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। বিদেশি কূটনীতিক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ স্মৃতিসৌধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এ ছাড়া জেলা ও উপজেলার স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবন এবং ঢাকা শহরে সহজে দৃশ্যমান ভবনগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকা ও অন্যান্য পতাকায় সজ্জিত করা হবে। তবে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এবার গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলোতে আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এদিন সকাল ৯টায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট অনুষ্ঠিত হবে। কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন। তিন বাহিনীর প্রধানগণ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি অতিথিরাও এতে যোগ দেবেন।

এ ছাড়া সকালে জাতীয় স্টেডিয়ামে শিক্ষার্থীদের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হবে। দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশ এবং কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এদিন সংবাদপত্রগুলো বিশেষ ক্রোড়পত্র, নিবন্ধ ও সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

বাদ জোহর দেশের সব মসজিদ এবং সুবিধাজনক সময়ে মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। দেশের সব হাসপাতাল, জেলখানা, শিশু পরিবার, বৃদ্ধাশ্রম, ভবঘুরে প্রতিষ্ঠান ও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে। দেশের সব শিশু পার্ক ও জাদুঘরগুলো বিনা টিকিটে উন্মুক্ত রাখা হবে।

এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে সশস্ত্র বাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল ও ওয়ারফেজের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা ও পায়রা বন্দর এবং ঢাকার সদরঘাট, নারায়ণগঞ্জের পাগলা, বরিশাল ও চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএর ঘাটে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজগুলো সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জনসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে।

বিএনপির দুদিনব্যাপী কর্মসূচিতে রয়েছে&ndash; ভোর ৫টায় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন; সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন; সকালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া এবং আগামী শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা।

জামায়াতে ইসলামীর দুদিনের কর্মসূচিতে রয়েছে&ndash; সকালে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন; রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়ায় অংশগ্রহণ এবং বিকেল ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভা।

এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ছাত্র, যুব, নারী, শিশু ও পেশাজীবী সংগঠন দিনব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 26 Mar 2026 05:03:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জামায়াতের ইফতারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114437" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/politics/114437</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিলে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানে সঙ্গে তিনি এক টেবিলে ইফতার করেন। ইফতারের পূর্বে সরকারপ্রধান বলেন, &lsquo;আসুন আমরা আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ করি, আগামী দিনের কাজগুলো হবে এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে।&rsquo;

বিরোধী দলের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর যোগ দেওয়ার নজির নেই- গত কয়েক দশকে। তবে জামায়াতের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে শনিবার বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জামায়াতের ইফতারে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তিনি জামায়াত আমির শফিকুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান।

জানা যায়, বিকেল সাড়ে পাঁচটার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে যান প্রধানমন্ত্রী। তাকে অর্ভ্যত্থান জানান জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের। পরে ক্ষমতাসীন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে তিনি মাহফিলস্থলে যান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান জামায়াত আমির। এসময় করমর্দন করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা।

ইফতারে আরও যোগ দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. মঈন খান। ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা। মাহফিলে আসেন এনসিপির সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা।

এসময় দেড় মিনিটের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আসুন আমরা আল্লাহর দরবারে রহমত চাই, যার মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য, এই দেশের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার তৌফিক আল্লাহ তায়ালা দেবেন।&rsquo;

তারেক রহমান বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের মানুষ আজকে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে, অনেক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, অনেক আশা নিয়ে আমাদের সকলের দিকে তাকিয়ে আছে&mdash;বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকিয়ে আছে।&rsquo;

জামায়াত আমিরকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সকলে এখানে একত্রিত হয়েছি, দেশের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। কিছুদিন আগে দেশে নির্বাচন হয়েছে, এ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। যে গণতন্ত্রের জন্য বাংলাদেশের মানুষ প্রায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে অকাতরে জীবন দিয়েছে, বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতন, গুম-খুনের শিকার হয়েছে। এত ত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই গণতন্ত্রের যাত্রা- যেটি সূচনা হয়েছে নির্বাচনের মাধ্যমে।&rsquo;

সরকারপ্রধান বলেন, &lsquo;এই ত্যাগের মাধ্যমেই, এই আত্মত্যাগের মাধ্যমে, হাজারো মানুষের অত্যাচার, লাখো মানুষের নির্যাতনের মাধ্যমে আমরা আমাদের বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ আমরা ফিরে পেয়েছি। সেজন্য আসুন আমরা আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করি।&rsquo;

এরপর সভাপতির বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, &lsquo;২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আল্লামা দেলওয়ার হোসাইন সাঈদীকে বিতর্কিত আদালতের দেওয়া রায়ের পর, একদিনে ৭০ জনকে হত্যা করা হয়। দুই দিনে দেড়শ মানুষকে হত্যা করা হয়। বিচার না করে উল্টো নিহতদের স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।&rsquo;

বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, &lsquo;সেই সময়ে খালেদা জিয়া বিদেশ ছিলেন। তিনি দেশে ফিরে সাঈদীর রায়ের প্রতিবাদের কর্মসূচিতে হত্যাকে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে হরতাল ডেকেছিলেন। তার এই ভূমিকা কৃতজ্ঞতা ভরে স্মরণ করি।&rsquo;

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, &lsquo;খালেদা জিয়ার সন্তানের ওপর আজ দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পড়েছে। জামায়াত গতানুগতিক বিরোধী দল হিসেবে থাকতে চায় না। আমরা চাই সংসদ হোক অর্থবহ, জনগণের সকল চাওয়া-পাওয়ার কেন্দ্রবিন্দু। সরকার দল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করুক, বিরোধীদল হিসেবেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করব। অতীতে &#39;আমি-ডামি&#39; নির্বাচনে &#39;আমি-ডামি&#39; সরকারি ও বিরোধীদল ছিল।&rsquo;

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, &lsquo;সরকারের সকল সঙ্গত কাজে বিরোধীদলের পূর্ণ সমর্থন থাকবে। কিন্তু সরকার যদি অসঙ্গত সিদ্ধান্ত নেয়, তবে দৃষ্টি আকর্ষণ করব। সরকার আমাদের পরামর্শ না নিলে, বিরোধীদলের যে ভূমিকা তা পালন করব। আমরা ধারণা করব, সরকার সংসদকে এগিয়ে যাওয়ার বাহনে পরিণত করবে। কোনো বাহন এক চাকায় চলে না। দুটি চাকা লাগে। সরকারি দল যদি সামনের চাকা হয়, বিরোধী দল হবে পেছনের চাকা। আমরা সমন্বয় ও পারস্পারিক সম্মান চাই।&rsquo;

ইফতারে যোগ দেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বীক্রম, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির মামুনুল হক, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ বিভিন্ন দলের নেতারা।

নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলামসহ জামায়াতের জ্যেষ্ঠ নেতা, নবনির্বাচিত এমপি, বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ছিলেন ইফতারে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Mar 2026 07:09:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাদারীপুর মডেল মসজিদ; একসঙ্গে নামাজ পড়েন ৩ হাজার মুসল্লি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/114432" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/114432</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মাদারীপুর জেলা মডেল মসজিদটি দীর্ঘদিন নানা জটিলতায় বন্ধ থাকারপর গত ৩রা জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হয় মসজিদটি।
মাদারীপুর জেলা শহরের শকুনি লেকেরপাড়ে অবস্থিত এই মসজিদ-এ একসঙ্গে আড়াই থেকে তিন হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারেন। এতে খুশি মুসল্লিরা। ছুটে আসছেন দূর-দূরান্তের ধর্মপ্রাণ মানুষও।
নামাজ আদায় করতে এসে স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া জানান, জেলার পুরনো ঐহিত্যবাহী মজসিদগুলো দ্রুত সংস্কার করে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ-এ রূপান্তর করা হবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাইরে থেকে মাইকে ভেসে আসছে আজানের সু-মধুর ধ্বনি। নামাজ পড়তে মসজিদে আসার জন্য মুসল্লিদের আহ্বান করা হচ্ছে। দল বেঁধে ছুটে আসছে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। এই দৃশ্য মাদারীপুর শহরের শকুনি লেকেরপাড় অবস্থিত জেলা মডেল মসজিদ-এর।
জানা যায়, ১৮৫৪ সালে মাদারীপুর মহকুমা প্রতিষ্ঠার পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল জেলা সদর জামে মজসিদ। সবশেষ ২০১৯ সালের মে মাসে পুরনো মসজিদটি ভেঙে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় তিনতলাবিশিষ্ট ভবন। দৃষ্টিনন্দন মসজিদটির নাম দেয়া হয় জেলা মডেল মসজিদ।
মসজিদটি দেখতে ছুটে আসছেন বিভিন্ন স্থান থেকে নানা শ্রেণিপেশার মানুষ। পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব নিয়ে ঘুরতে আসা লোকজন যে যার মতো ছবি তুলে সময় পার করছেন। শহরের কোলঘেঁষে নির্মাণ হওয়া মসজিদ-এ দেশ ও জাতির শান্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। নতুন বাংলাদেশে আর কোনো হানাহানি দেখতে চান আগত মুসল্লিরা।
এদিকে জেলার অন্যান্য মসজিদ-এর উন্নয়নও চান তারা। জেলা মডেল মসজিদ-এ একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন আড়াই থেকে তিন হাজার মুসল্লি। শুক্রবার জুমার দিনে ভেতর জায়গা না হওয়ায় মসজদি-এ বাইরেও নামাজ আদায় করেন অনেকেই।
নামাজ পড়তে আসা মো. নাহিয়াল আলভি নামে এক মুসল্লি বলেন, &lsquo;শহরের মধ্যে এতো সুন্দর একটি মসজিদ নির্মাণ, সত্যিই খুবই অসাধারণ। জেলার সুনাম বাড়িয়ে দেয় মসজিদটি। এখানে নামাজ আদায় করতে পেরে ধন্য।&rsquo;
শহরের ডিসি ব্রীজ খান বাড়ি এলাকার বাসিন্দা তোফাজ্জেল হোসেন সেন্টু খান বলেন, &lsquo;দীর্ঘদিন মসজিদ-এর কার্যক্রম বন্ধ ছিল। জেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের উদ্যোগে চালু হয়েছে। এখানে একসঙ্গে প্রায় ৩ হাজার মানুষ নামাজ আদায় করতে পারে। আমি প্রতিনিয়তই এখানে এসে নামাজ আদায় করি। সত্যিই ভাল লাগে।&rsquo;
মাদারীপুর জেলা মডেল মসজিদ-এর মুয়াজ্জিন আব্দুল আজিজ বলেন, &lsquo;শুধু রমজান মাসেই নয়, সারাবছর আজানের ধ্বনির মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নামাজের জন্য আহ্বান করি। এটি আমার নৈতিক দায়িত্ব। আল্লাহ&rsquo;র ঘরে এসে সবাই প্রার্থনা করে দেশ ও জাতির শান্তি এবং মঙ্গল হোক। সমাজের সবাই মিলেমিশে বসবাস করতে পারি। দেশে আর কোনো হানাহানি আমরা কেউই প্রত্যাশা করি না।&rsquo;
মসজিদ-এ নিয়মিত নামাজ আদায় করেন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া। তিনি বলেন, জেলার ঐতিহ্যবাহী পুরনো মসজিদগুলো সংস্থারের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে দৃষ্টিনন্দন হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আরও বলেন, মাদারীপুরবাসীর কাছে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। জেলার সুনাম দেশের বাইরেও যাতে ছড়িয়ে পড়ে সে ব্যাপারে ইতিহাস-ঐতিহ্য নষ্ট হতে দেয়া যাবে না। খুব শিগগিরই মসজিদ-এর তালিকা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 28 Feb 2026 05:30:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সবুজের অরণ্যে হারিয়ে যাওয়ার ঠিকানা কাদিগড় জাতীয় উদ্যান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114366" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114366</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ময়মনসিংহ বন বিভাগের অধীন ভালুকা রেঞ্জের কাদিগড় বিট আজ প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এক অনন্য আকর্ষণ। প্রাকৃতিক বন ও মানুষের হাতে গড়া বনের অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই এলাকা যেন সবুজের এক জীবন্ত পাঠশালা। চোখজুড়ানো মনমোহিনী গজারী বাগান, সেগুন বাগান আর ঘন সবুজের আবরণ যে কাউকে মুহূর্তেই প্রকৃতির গভীরে টেনে নেয়।

বহু বছর আগে পরিকল্পিতভাবে সৃজিত মিনজিরি, অর্জুন ও সেগুনের বাগানগুলো সময়ের প্রবাহে আজ প্রায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বনের রূপ নিয়েছে। উঁচু উঁচু গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো, বাতাসে পাতার মর্মর আর পাখির অবিরাম কিচিরমিচির মিলেমিশে সৃষ্টি করেছে এক মোহময় পরিবেশ। প্রকৃতির একান্ত সান্নিধ্যে এসে এই সবুজের সমারোহ আর মনভোলানো পাখির কলতান প্রকৃতিপ্রেমী মানুষকে করে তোলে বিমোহিত।

কাদিগড় জাতীয় উদ্যানে নিয়মিত দেখা মেলে হনুমান ও বানরের দল। ভাগ্য ভালো থাকলে গাছের ডালে ডালে তাদের লাফালাফি চোখে পড়ে। এছাড়া প্রাণীকূলের মধ্যে রয়েছে শিয়াল, শজারু, মেছো বিড়াল, বনবিড়াল, বাগডাশ ও বেজী। বনের ভেতরে বিচরণ করে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, ব্যাঙ, তক্ষক ও গুইসাপ। রঙিন প্রজাপতির উড়াউড়ি আর হরেক রকম পাখির কিচিরমিচির এই বনকে করে তুলেছে আরও জীবন্ত।

অবস্থানগত দিক থেকে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ময়মনসিংহ শহর থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দক্ষিণে, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান থেকে ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে এবং ভালুকা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

যোগাযোগ ব্যবস্থাও তুলনামূলক সহজ। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী বাসে সিডস্টোর বাজারে নেমে সেখান থেকে সিএনজি যোগে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ১৫০ টাকা ভাড়ায় কাদিগড় জাতীয় উদ্যানে পৌঁছানো যায়। তবে বর্ষাকালে কাঁচা রাস্তার কারণে চলাচলে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হয়।

শুষ্ক মৌসুমে কাদিগড় বিট হয়ে ওঠে বনভোজনপ্রেমীদের মিলনকেন্দ্র। পরিবার, বন্ধু ও বিভিন্ন সংগঠনের মানুষ এখানে এসে প্রকৃতির কোলে সময় কাটান। সবুজই যে প্রাণের স্পন্দন, বেঁচে থাকার মূলমন্ত্র, এই উপলব্ধিই যেন নতুন করে জাগে কাদিগড়ের বনে এসে।

লোকমুখে প্রচলিত আছে, একসময় এই জঙ্গলের কাঠ ও গাছ সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে কাদির মিয়া নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী কিনতেন। তার একক আধিপত্যের কারণে অন্য কেউ এই টেন্ডারে অংশ নিতে পারতেন না। দাপুটে এই প্রভাবের কারণেই এলাকাটি পরিচিত হয়ে ওঠে &lsquo;কাদির মিয়ার জঙ্গল&rsquo; নামে, যা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে আজ কাদিগড় জাতীয় উদ্যান হিসেবে পরিচিত।

প্রায় ৯৫০ একর আয়তনের এই জাতীয় উদ্যানে পর্যটকদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে একটি ওয়াচ টাওয়ার, দুটি ইকো কটেজ, দুটি গোলঘর, পিকনিক স্পট এবং পুকুরপাড়। পরিকল্পিত সংরক্ষণ ও পর্যটন ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হলে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ভবিষ্যতে হতে পারে ময়মনসিংহ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইকো-ট্যুরিজম গন্তব্য।

সবুজের মাঝে নিজেকে হারিয়ে দিতে চাইলে, প্রকৃতির কাছে একটু নিঃশ্বাস নিতে চাইলে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান হতে পারে সেই নিখুঁত ঠিকানা।

সান নিউজ/আরএ
 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 08 Feb 2026 11:54:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাঁশ ও বেত শিল্পে ধ্বস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/112495" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/112495</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাত বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলীয় জেলা বাগেরহাট ,সাতক্ষীরা , খুলনা পটুয়াখালীও বরগুনা অঞ্চলে &zwnj;প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব, অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি এবং প্লাষ্টিক সামগ্রীর ব্যবহারের কারণে দিন দিন উপকূলীয় অঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বাঁশ ও বেত শিল্প। এ শিল্পের সাথে জড়িতরা তাদের পৈতৃক পেশা ছেড়ে দিন দিন অন্য পেশায় মনোনিবেশ করছে। যার কারণে বাঁশ ও বেত শিল্পের হাজার-হাজার পরিবার এখন চরম দুর্দিনের মধ্যে দিনাতিপাত করছে।

উপকূলীয় অঞ্চল খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের হাজার-হাজার শ্রমিক ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেত শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে তারা নানা সমস্যায় জর্জরিত। প্রয়োজনীয় ঋণ, পুঁজির স্বল্পতা বাঁশ ও বেতের স্বল্পতা, মুজুরী কম থাকার কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেত শিল্প ক্রমান্বয়ে বিলুপ্তি হয়ে যাচ্ছে। ফলে এ শিল্পের সাথে জড়িত হাজার-হাজার শ্রমিক বেকার জীবন যাপন করছে। এসব শ্রমিক বংশ পরম্পরায় এ শিল্পের সাথে জড়িত। তাদের নিপুণ হাতে তৈরি কুলা, চাটাই, হাঁস-মুরগীর খাচা, সাজি, ঢাকনা, চালনী, পাল্লা, খাঁচা, মোড়া বেতের ধামা, পাতিল, চেয়ার, টেবিল, দোলনা, খারাই, পাখা, বই রাখার র্যাক, ঘুনি, ডালা ও ঝুড়ি প্রভৃতি মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় এলাকার চাহিদা মিটিয়ে বাইরে সরবরাহ করতো।বর্তমানে বাঁশ ও বেত পাওয়া যায় না বললেই চলে। প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে বাঁশ ও বেতের ঝাড় মরে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও বাঁশ ও বেতের শো-শো শব্দ সকলকে আন্দলিত করতো। বর্তমানে সেসব বাঁশ বেত ঝাড় চোখে পড়েনা। পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে কয়েক বছরে মধ্যে বাঁশ ও বেতের বাগান হারিয়ে গেছে। এক সময় বাঁশ-বেত শিল্পীরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বিভিন্ন হাট-বাজারসহ রাস্তায়-রাস্তায় ফেরি করে বিক্রি করতে দেখা যেত। সে দৃশ্য আর চোখে পড়ে না।

বাঁশ ও বেতের সংকটের কারণে এ শিল্পের সাথে জড়িত হাজার-হাজার কুটির শিল্পী ব্যবসা ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। বাঁশ ও বেতের সামগ্রী তৈরি বিক্রি ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছে।বিভিন্ন বাজারে এ সামগ্রী বিক্রেতা বিমল ঋষি বলেন, দীর্ঘ ৪০-৪৫ বছর যাবত এ ব্যবসা করছি, কিন্তু আগের মত এখন আর এ ব্যবসায় জৌলুস নেই। বাঁশ ও বেতের দুষ্প্রাপ্যতার কারণে এ ব্যবসার ঐতিহ্য ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।বাঁশ ও বেত শিল্পী শিবু বলেন, গ্রামাঞ্চলে যে বাঁশ পাওয়া যায়, তা চড়া মূল্যে কিনতে হয়। আর বেত নেই বললেই চলে। জিনিসপত্র তৈরি করে খরচ ও মজুরী তোলা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজারে বাঁশ বেতের সামগ্রীর বিকল্প অনেক প্লাষ্টিক সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। অনেকেই এখন প্লাষ্টিক সামগ্রী ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে পড়েছে। তার পরও বাঁশ ও বেতের অনেক সামগ্রীর বেশ কদর রয়েছে। বাঁশঝাড় উজাড় হওয়ার নেপথ্যের অন্যতম কারণ, ইট ভাটা ও টালী কারখানায় বাঁশের মুড়া তুলে ব্যাপকভাবে পোড়ানোর কারণে বাঁশের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তাই বাঁশ ও বেতের অভাবে এ শিল্প ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 15 Jul 2025 10:21:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সুন্দরবনের উপকূলে বিলুপ্তির পথে মাটির মটকি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/112490" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/112490</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গভীর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলমাটির তৈরি করা মটকি হারিয়ে যাওয়ার পথে &zwnj;। বেশি দিন নয় এক দশকের ব্যবধানে প্লাস্টিক পণ্যই বাজার ভরপুর হওয়ায় মাটির তৈরি মটকা হারিয়ে যাওয়ার পথে &zwnj;। বিশেষ করে এই মাটির তৈরি মটকার পানি সব সময় ঠান্ডা থাকত সে কারণে উপকূলীয় মানুষের কাছে এটি এক সময় খুব জনপ্রিয়তা ছিল &zwnj;।

বর্তমানে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে খাবার পানির সংকটের কারণে সরকারিভাবে বেসরকারিভাবে প্লাস্টিক ড্রাম সরবরাহ করায় এবং বাজারে প্লাস্টিক ড্রাম বাজারজাতকরণ করায় অনেকেই তা কিনে নিয়ে ব্যবহার করছে আবার অনেকেই সরকারিভাবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর অধিদপ্তর মাধ্যমে পাচ্ছেন আবার অনেকেই এনজিওদের মাধ্যমে সংগ্রহ করছেন ।সে কারণে পানি সংরক্ষণ করার জন্য মাটির তৈরি মটকা হারিয়ে যাওয়ার পথে &zwnj;।

বিশেষ করে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা ,বাগেরহাট ,পিরোজপুর ,ঝালকাঠি, বরিশাল, বরগুনা ,পটুয়াখালী, ভোলা, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ,ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এই অঞ্চলের মানুষ বেশি করে ব্যবহার করতেন মাটির তৈরি করা মটকা &zwnj;।কালের বিবর্তনে হারিয়ে গেছে মাটির তৈরি মটকা বা মটকি। এক সময় এটি সবার বাড়িতে এক-দুইটা থাকলেও এখন খুব একটা দেখা যায় না। মটকিতে রাখা চাল সহজে পোকা ধরে না এবং গন্ধ ও স্বাদও দীর্ঘদিন অটুট থাকে। তাছাড়া মাটি থেকে তৈরি বলে এ জাতীয় পাত্রের সংস্পর্শে থাকার ফলেও চালে কোনো ক্ষতিকারক উপাদান মিশে না।


মটকি তৈরি কুমার শিল্পের কারিগরের তথ্যে জানা যায়, প্রথমে নরম এঁটেল দোআঁশ মাটি সংগ্রহ করা হয় সাধারণত ধানি জমি কিংবা নদীর গর্ভ থেকে। সেই মাটিকে ভালো মতো দলিতমথিত করে জমিয়ে রাখা হয় এক স্থানে। তারপর সেখান থেকে মাটির হালকা একটা স্তর এনে একটা কড়াই আকৃতির জিনিসে মাটির স্তরটি বসিয়ে মটকার তলা বানানো হয়। তারপর সেই তলার পাশ দিয়ে আরো স্তর যোগ করে মটকার কিনারা তৈরি করা হয়। অনেক সময় আগে থেকে তৈরি করা রিং পরিয়ে দেওয়া হয় স্তরে স্তরে। এ সময় আগের স্তরের সঙ্গে নতুন স্তরকে আটকে দেওয়ার জন্য ভেজা কাপড় দিয়ে জোড়াগুলো ভিজিয়ে পলিশ করে নেওয়া হয়। কখনো সামান্য গোলাকৃতি কোনো বস্তু দিয়ে ভেতর থেকে চাপ দিয়ে মটকার গোলাকৃতি বজায় রাখা হয়। সবশেষে কলসের মতো গলার অংশের একটা স্তর যোগ করা হয়। সাধারণত কলস যেভাবে চাকার ওপর রেখে বানানো হয়, মটকার বিশাল আকৃতির কারণে সেভাবে বানানো সম্ভব হয় না।


৯০ দশকে গৃহস্থের বাড়িতে এ রকম অনেক বড় বড় মটকা ও গোলা ছিল। ওই সময় গৃহস্থরা এখনকার মতো ধান চাল বিক্রি করত না। ফসল উৎপাদন ছিল কম। বর্তমান সময়ে নানা ধরনের ফসল উৎপাদন হচ্ছে। গৃহস্থরা উৎপাদিত ফসল মাঠ থেকে ঘরে না তুলেই বাড়ির বাইরে থেকেই ব্যবসায়ীদের ঘরে দিয়ে আসছে। ফলে এখন ধান সংরক্ষণের জন্য ওইসব মটকি ব্যবহার গৃহস্থদের তেমন প্রয়োজন হচ্ছে না। এখন ইটের তৈরি বাড়িঘরের সংখ্যা বেড়েছে। শহরের মতো করে গ্রামগঞ্জেও তৈরি করা হচ্ছে বাড়িঘর। ওইসব বাড়িঘরে গৃহস্থরা খাবার জন্য শুধু চাল সংরক্ষণ করে থাকে। সেটাও করে থাকে লোহার বা প্লাস্টিকের তৈরি ড্রামে। কালের বিবর্তনে বর্তমান সময়ে মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন ঘটায় এবং ফসল উৎপাদনের ধরনের পরিবর্তন হওয়ায় সেগুলোর ব্যবহার না থাকায় প্রকৃতি ও পরিবেশবান্ধব এ মটকি এখন বিলুপ্তপ্রায়।


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন বলেন, প্রাচীন সময় থেকে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে খাদ্যশস্য সংগ্রহ করার জন্য নানা ধরনের সঞ্চয় আধার বা মাটির মটকা ব্যবহার করা হতো। এ ধরনের সঞ্চয় আধার বা মটকার প্রচলন ছিল। ওই সময়ে দেশের যেসব অঞ্চলে সম্ভ্রান্ত মানুষ বসবাস করতেন সে এলাকাগুলোতে প্রচুর পরিমাণে মটকা পাওয়া যেত। কিন্তু কালের বিবর্তনে বর্তমান সময়ে মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন ঘটায় এসব মটকি এখন বিলুপ্তপ্রায়।

সান নিউজ/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 14 Jul 2025 05:45:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইস্টার সানডে আজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111749" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111749</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব &lsquo;ইস্টার সানডে&rsquo; বা যিশু খ্রিষ্টের পুনরুত্থান দিবস আজ রবিবার (২০ এপ্রিল)। খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের কাছে দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সংবেদনশীল এবং আনন্দের।

খ্রিষ্টান ধর্ম মতে, এই দিনে ঈশ্বরপুত্র যিশু মৃত্যুকে জয় করে পুনরুত্থিত হয়ে তাদের পাপ থেকে মুক্ত করেছিলেন। পুণ্য শুক্রবার বা গুড ফ্রাইডেতে বিপৎগামী ইহুদি শাসকগোষ্ঠী তাদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন শাসনব্যবস্থা অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে যিশুকে অন্যায়ভাবে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করেছিল। মৃত্যুর তৃতীয় দিবস রবিবার তিনি মৃত্যু থেকে জেগে ওঠেন। তাই যিশুর পুনরুত্থানের এই রবিবারকে ইস্টার সানডে বলা হয়।

আজকের দিনে, বিশ্বজুড়ে খ্রিষ্টানরা বিশেষ প্রার্থনা সভা ও উপাসনায় অংশ নিচ্ছেন। বিভিন্ন চার্চ সেজে উঠেছে রঙিন আলো ও ফুলে। এদিন যিশুর পুনরুত্থানের বার্তা পাঠ করা হয় এবং সকলে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ইস্টার সানডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য হলো ইস্টার ডিম এবং ইস্টার বানি। ডিম নতুন জীবন ও উর্বরতার প্রতীক, অন্যদিকে ইস্টার বানি (খরগোশ) আনন্দ ও প্রাচুর্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। শিশুরা আজ রঙিন ডিম খুঁজে বের করার খেলায় মেতে উঠেছে এবং ইস্টার বানির কাছ থেকে মিষ্টি ও উপহার পাচ্ছে।

বিভিন্ন দেশে ইস্টার সানডে উদযাপনের নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে। কোথাও বিশেষ ভোজের আয়োজন করা হয়েছে, আবার কোথাও শোভাযাত্রা ও লোকনৃত্য অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে, উৎসবের মূল সুর একই - যিশুর পুনরুত্থানের আনন্দ এবং মানবজাতির জন্য নতুন আশা।

ইস্টার সানডে উপলক্ষে বাংলাদেশ খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নির্মল রোজারিও এবং মহাসচিব হেমন্ত আই কোড়াইয়া যৌথ বিবৃতিতে বিশ্বের সব খ্রিষ্টান ভাইবোন ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ইস্টার সানডের চেতনা বিশ্ব ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

দিনটি উপলক্ষে আজ সকালে মিরপুর ১০ নম্বরে ঢাকা আঞ্চলিক ব্যাপ্টিস্ট চার্চে প্রাতঃকালীন প্রার্থনা করেন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা। এরপর প্রার্থনাসংগীত, বাইবেল পাঠ, আশীর্বচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় হচ্ছে বিশেষ প্রার্থনা। এ ছাড়া রাজধানীর কাকরাইল ও তেজগাঁওয়ের ক্যাথলিক চার্চ মিশনসহ সব গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ইস্টার সানডে কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি মিলন ও ভালোবাসার দিন। এই দিনে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সকলে একসঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেয় এবং নতুন করে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 20 Apr 2025 08:44:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১২ এপ্রিল: ইতিহাসের এই দিনে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111693" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111693</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ শনিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৫। ২৯ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব এই দিনে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা। ঘটে যাওয়া আজকের এই দিনের ঘটনা আমরা জানতে চাই। পাঠকের এ চাওয়া মাথায় রেখে নিয়মিত আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিনে&rsquo;।

ঘটনাবলী

১২০৪ - ক্রুসেডের বাহিনী কনস্তানতিনোপল (ইস্তাম্বুল) দখল করে নেয়।

১৫৩১ - এসমল কালদিক নামে জার্মান প্রটেস্টটানদের মধ্যে সামরিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়।

১৬৩৩ - গ্যালিলিও গ্যালিলির বিচার শুরু হয়।

১৮০১ - উইলিয়াম কেরি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে বাংলা ভাষার অধ্যাপক নিযুক্ত হন।

১৮৬১ - মার্কিন গৃহযুদ্ধের (১৮৬১-১৮৬৫) আনুষ্ঠানিক সূত্রপাত ঘটে।

১৮৬৭ - জাপানি সংস্কারবাদী মোৎসিহিতু সম্রাট হিসেবে ক্ষমতাসীন হন।

১৯১৯ - রাওলাট আইন-এর প্রতিবাদে কলকাতা, লাহোর, বোম্বাই ও অমৃতসরে বিক্ষোভ শুরু হয়।

১৯৩২ - স্পেনে বাদশাহী শাসনের অবসান ঘটে এবং প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৫ - পোলিও টিকার উন্নয়ন সাধন করেন ডা. জোনাস সল্ক এবং নিরাপদ ও কার্যকরী বলে ঘোষণা করেন ।

১৯৬১ - বিশ্বের প্রথম মহাকাশ নভোচারী ইউরি গাগারিন মহাশূন্যে পাড়ি দেন।

২০২৩ - গঙ্গানদীর নীচের সুড়ঙ্গপথে কলকাতা মেট্রোর ( ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো - গ্রীন লাইন) প্রথম ট্রায়াল রান শুরু হয়।

জন্ম

০৮১২ - মোহাম্মদ আত-তাকি, শিয়া মুসলিম ইমাম।

১৭৪৮ - আন্টইনে লরেন্ট ডি জুসিয়েউ, ফরাসি উদ্ভিদবিজ্ঞানী ও লেখক।

১৮২২ - হেনরি পিয়ারসন, ইংরেজ সঙ্গীত স্রষ্টা।

১৮২৩ - আলেকজান্ডার অস্ট্রভস্কাই, রাশিয়ান নাট্যকার ও অনুবাদক।

১৮৫২ - ফেরডিনান্ড ভন লিন্ডেমান, জার্মান গণিতবিদ ও শিক্ষাবিদ।

১৮৬৩ - ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ, ব্রিটিশ ভারতের বাঙালি নাট্যকার।(মৃ.১৯২৭)

১৮৭৫ - অতুলচন্দ্র দত্ত, বাঙালি সাহিত্যিক।

১৮৮৪ - অট্টো মেয়ারহফ, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান চিকিৎসক ও প্রাণরসায়নবিদ।

১৮৮৫ - রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি ইতিহাসবিদ, প্রত্নতত্ত্ববিদ এবং লেখক।(মৃ.১৯৩০)

১৯০৩ - ইয়ান টিনবের্গেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ওলন্দাজ অর্থনীতিবিদ।

১৯০৮ - ভার্জিনিয়া চেরিল, মার্কিন নির্বাক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। (মৃ. ১৯৯৬)

১৯১৭ -

হেলেন ফরেস্ট, মার্কিন গায়ক।

বিনু মানকড়, ভারতীয় ক্রিকেটার।

১৯২৮ - বিখ্যাত শিল্পী ও চিত্রশিল্পী আকবর পদমসি(মৃ.২০২০)

১৯৩৩ - মন্টসেরাট কাবালে, স্প্যানিশ সরু ও অভিনেত্রী।

১৯৪০ -

বশির আহমদ, বাংলাদেশী গায়ক।

হার্বি হ্যানকক, আমেরিকান পিয়ানোবাদক ও সুরকার।

১৯৪১ - ববি মুর, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ও ম্যানেজার।

১৯৪২ - জ্যাকব গেদলেইলেকিসা জুমা, দক্ষিণ আফ্রিকার রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রেসিডেন্ট।

১৯৪৬ - দেবারতি মিত্র, বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি। (মৃ.২০২৪)

১৯৪৭ - ডেভিড লেটারম্যান, আমেরিকান কৌতুকাভিনেতা, অভিনেতা ও টক শো হোস্ট।

১৯৪৮ - ইয়শকা ফিশার, জার্মান শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ।

১৯৫৪ - প্রখ্যাত ভারতীয় নাট্যশিল্পী, নাট্যকার ও পরিচালক সফদার হাশমি(মৃ.০২/০১/১৯৮৯)

১৯৫৬ - অ্যান্ডি গার্সিয়া, কিউবান বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৭১ - শানেন ডোহার্টি, আমেরিকান অভিনেত্রী, পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৭৯ - মাটেজা কেযমান, সার্বীয় ফুটবলার।

১৯৭৯ - জেনিফার মরিসন, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৭৯ - ক্লেয়ার ডেইন্স, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৮৭ - ব্রুকলিন ডেকার, আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।

১৯৮৮ - রিকার্দো গাব্রিয়েল আলবারেস, আর্জেন্টিনার ফুটবলার।

মৃত্যু

০২৩৮ - দ্বিতীয় গরডিয়ান, রোমান সম্রাট।

১৭৮২ - মেটাস্টাসিও, ইতালিয়ান কবি।

১৮১৭ - চার্লস মেসিয়ের, ফরাসি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ।

১৯৪৫ - ফ্রাংক্&zwnj;লিন ডেলানো রুজ্&zwnj;ভেল্ট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম রাষ্ট্রপতি।

১৯৬২ -এম বিশ্বেশ্বরাইয়া,ভারতের সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, প্রশাসক ও রাষ্ট্রনেতা।(জ.১৫/০৯/১৮৬০)

১৯৭৫ - ফতেহ লোহানী, বাংলাদেশী অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক, লেখক ও সাংবাদিক।

১৯৮১ - জো লুইস, আমেরিকান মুষ্টিযোদ্ধা।

১৯৯৭ - জর্জ ওয়াল্ড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন স্নায়ুবিজ্ঞানী।

২০১১ - শচীন ভৌমিক,হিন্দি চলচ্চিত্র জগতের একজন বিখ্যাত গল্প লেখক এবং চিত্রনাট্যকার । (জ.১৭/০৭/১৯৩০)

২০১২ - মোহিত চট্টোপাধ্যায় ভারতীয় কবি, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার ।(জ.০১/০৬/১৯৩৪)

২০১২ - লিন্ডা কুক, মার্কিন অভিনেত্রী।

২০১৫ - ইব্রাহিম সুলাইমান মুহাম্মদ আরবায়শ, সৌদি আরব সন্ত্রাসী।

সাননিউজ/ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 12 Apr 2025 07:51:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৮ এপ্রিল: ইতিহাসের এই দিনে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111624" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111624</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল ২০২৫। ২৫ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব এই দিনে ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা। ঘটে যাওয়া আজকের এই দিনের ঘটনা আমরা জানতে চাই। পাঠকের এ চাওয়া মাথায় রেখে নিয়মিত আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিনে&rsquo;।

ঘটনাবলী

৭১১ - আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মাদ যিনি সাফহ নামে বিশেষভাবে পরিচিত তিনি আব্বাসীয় খলিফাদের মধ্যে প্রথম খেলাফাতের মসনদে বসেন। উল্লেখ্য আব্বাসীয়রা আবু মোসলেম খোরাসানি এবং তার সেনাবাহিনীর সহযোগীতায় সর্বশেষ উমাইয়া শাসক দ্বিতীয় মারোয়ানকে হত্যা করে উমাইয়া শাসন প্রতিষ্ঠা করে। তবে বনি আব্বাসীয়রাও উমাইয়াদের মতো বছরের পর বছর ধরে সেখানকার জনগণের উপর জানমালের উপর অত্যাতার চালায় এবং ৬৫৬ হিজরী পর্যন্ত তারা শাসন ক্ষমতায় ছিলেন।

০৭১৪ - আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ বিন মোহাম্মাদ যিনি সাফহ নামে বিশেষভাবে পরিচিত তিনি আব্বাসীয় খলিফাদের মধ্যে প্রথম খেলাফাতের মসনদে বসেন।

১৫১৩ - জুয়ান দ্য লেওন ফ্লোরিডা (যুক্তরাষ্ট্রের দ্বীপ) আবিষ্কার করেন।

১৭৫৯ - ব্রিটিশ বাহিনী ভারতের মাদ্রাজ দখল করে।

১৮৫৭ - সিপাহী বিদ্রোহের সৈনিক মঙ্গল পাণ্ডের ফাঁসি দেয়া হয়।

১৮৬৬ - ইতালি ও প্রুশিয়া, অস্ট্রিয়া সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে একাত্মতা ঘোষণা করে।

১৮৯৮ - সুদানের আতবারা নদীর কাছে যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাপতি হোরেশিও কিচেনার বিজয়ী হন।

১৯০২ - কলকাতায় মূক ও বধির বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯০৮ - হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় &#39;হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল&#39; প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।

১৯১৩ - চীনে প্রথম পার্লামেন্ট চালু হয়।

১৯৪৬ - লীগ অব নেশন্সের শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৫০ - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে &#39;লিয়াকত-নেহরু&#39; চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৫৯ - পৃথিবী থেকে পাঠানো রাডার সিগনাল সূর্যের সাথে ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসে।

১৯৬২ - পারস্য উপসাগরে ব্রিটিশ জাহাজে বোমা বিস্ফোরণ হলে প্রায় ২৩৬ জন নিহত হয়।

১৯৬২ - ভারতীয় ব্যাটসম্যান উমরিগড় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৭২ রান করেন।

১৯৭০ - ইসরাইলের যুদ্ধ বিমান কায়রো থেকে ৮০ কিলোমিটার উত্তরে বাহরুল বাকের স্কুলে হামলা চালালে পাঠরত ৪৬টি শিশু নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করে। উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালের প্রথম তিনমাসে ইহুদীবাদী ইসরাইল উত্তর পূর্ব সিরিয়ার বেসামরিক জনবসতির উপর বিমান হামলা চালায়। সে বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ইসরাইলীরা একটি কারখানায় বোমা বর্ষণ করলে কর্মরত ১৬৮ জন শ্রমিক হতাহত হয়। তাছাড়া তারা ঐ একই সালের ৩১ মার্চ মিশরের উত্তর পূর্বাঞ্চলে হামলা চালালে ১২ জন বেসামরিক মানুষ নিহত ও আরো ৩৫ জন আহত হয়।

১৯৭১ - ভারতের ত্রিপুরায় বাংলাদেশী শরণার্থীদের জন্য ৯টি শরণার্থী শিবির খোলা হয়।

১৯৭২ - বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রথম স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনী গঠন করা হয়।

১৯৮০ - প্রখ্যাত আলেম আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোহাম্মাদ বাকের সাদর এবং তার বোন বিনতুল হুদা ইরাকের বাথ সরকারের হাতে শহীদ হন।

১৯৯৪ - অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগে জাপানের প্রধানমন্ত্রী হোসেকাওয়া পদত্যাগ করেন।

২০০২ - ১৯৭২ সালের পর আবার ঢাকায় &#39;বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৈঠক&#39; অনুষ্ঠিত হয়।

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 08 Apr 2025 05:30:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৭ এপ্রিল: ইতিহাসের এই দিনে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111615" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111615</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫। ২৪ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ইতিহাসের দিকে চোখ বুলিয়ে দেখে নেব এই দিনে বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু, দিনসহ ঘটে যাওয়া নানান ঘটনা। ঘটে যাওয়া আজকের এই দিনের ঘটনা, অনেক আলোচিত-সমালোচিত ব্যক্তির জন্ম-মৃত্যু আমরা জানতে চাই। পাঠকের এ চাওয়া মাথায় রেখে নিয়মিত আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিনে&rsquo;।

ঘটনাবলী

১৭২১ - রাশিয়ার সম্রাট পিটার কাবির সুইডেন দখলের জন্যে দেশটির উপর হামলা শুরু করে।

১৭৯৫ - ফ্রান্সে মিটারকে দৈর্ঘ্যের একক হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়।

১৭৯৮ - তুরস্কের তৃতীয় সেলিম রাজসিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।

১৮১৮ - ব্রিটিশ সরকার &lsquo;বিনা বিচারে আটক&rsquo; আইন কার্যকর করে।

১৯৩৭ - ইতালী আলবেনীয়া দখলের জন্যে হামলা শুরু করে।

১৯৩৯ - ইতালি আলবেনিয়া দখল করে।

১৯৪৮ - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৫৩ - সুইডেনের কূটনীতিক ডাক হামারস্কজোল্ট জাতিসংঘের মহাসচিব নিযুক্ত হন।

১৯৫৬ - মরক্কো স্পেন হতে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭৩ - বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।

১৯৮২ - মেক্সিকোয় চিকোনল আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে দশ হাজার লোকের প্রাণহানি ঘটে।

১৯৯৪ - বিক্ষুব্ধ সৈন্যরা রুয়ান্ডার ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী এবং ১১ জন বেলজীয় জাতিসংঘ সৈন্যকে হত্যা করে।

১৯৯৫ - উপমহাদেশের ইতিহাসে বৃহত্তম চাঞ্চল্যকর যৌন কেলেঙ্কারির ঘটনায় ভারতের মহারাষ্ট্রে দুই কংগ্রেস দলীয় এমপি পণ্ডিত সাপকালে ও সঞ্চয় পাওয়ারকে দশ বছর করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

জন্ম

১৭৭০ - ইংরেজ কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৭৭২ - ফরাসি কল্পবাদী সমাজতন্ত্রী শার্ল ফুরিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৮৮৯ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চিলির কবি ও শিক্ষক গ্যাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৮৯৫ - জার্মান অভিনেত্রী মারগারেটে শন জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৮৯৭ - বাংলাদেশী নাট্যকার, অভিনেতা, সুরকার ও ছায়াছবির জনপ্রিয় চিত্রনাট্যকার তুলসী লাহিড়ী জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯১১ - ফরাসি লেখক হেরভে বাযিন জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯২০ - ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ রবি শংকর যিনি সেতারবাদনে কিংবদন্তিতুল্য শ্রেষ্ঠত্বের জন্য বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯২৮ - আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার অ্যালান জে পাকুলা জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯৩৯ - আমেরিকান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার ফ্রান্সিস ফোর্ড কপোলা জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯৩৯ - ইংরেজ বিখ্যাত ইংরেজ সাংবাদিক, লেখক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ডেভিড প্যারাডাইন ফ্রস্ট।

১৯৪৪ - জার্মান জার্মান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৭ম চ্যান্সেলর গেরহার্ট শ্রোডার জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯৫৪ - হংকং ভিত্তিক অভিনেতা, মার্শাল আর্টিস্ট, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার জ্যাকি চ্যান জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯৬৪ - নিউজিল্যান্ড বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ার অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক রাসেল আইরা ক্রো।

১৯৭৩ - সাবেক ইতালিয়ান ফুটবলার মার্কো ডালভেকিও জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯৮৩ - ফরাসি ফুটবলার ফ্রাঙ্ক বিলাল রিবেরি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯৮৭ - উরুগুয়ের ফুটবলার মার্টিন কাকেরেস জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯৯০ - রোমানিয়ান টেনিস খেলোয়াড় সরানা কিরস্টেয়া জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯৯২ - জার্মানীর ইসলাম বিশেষজ্ঞ এন্নিমেরা শিমেল জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

মৃত্যু

১৬১৪ - গ্রিক চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর এল গ্রেকো মৃত্যুবরণ করেন।

১৭৬১ - ইংরেজ মন্ত্রী ও গণিতবিদ টমাস বেইজ মৃত্যুবরণ করেন।

১৮৩৬ - ইংরেজ সাংবাদিক ও লেখক উইলিয়াম গডওয়িন মৃত্যুবরণ করেন।

১৮৯১ - আমেরিকান ব্যবসায়ী এবং রাজনীতিবিদ, সহ-প্রতিষ্ঠিাতা বারনুম এবং বেইলী সার্কাসের মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৪৭ - আমেরিকান প্রকৌশলী ও ব্যবসায়ী, ফোর্ড মোটর কোম্পানি প্রতিষ্ঠাতা হেনরি ফোর্ড মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৫২ - ভাষা শহীদ আবদুস সালাম মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৫ - জার্মান দার্শনিক ও আইনজ্ঞ কার্ল স্মিট মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৬ - রাশিয়ান গণিতবিদ ও অর্থনীতিবিদ লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ মৃত্যুবরণ করেন।

২০০৭ - আমেরিকান অভিনেতা ব্যারি নেলসন মৃত্যুবরণ করেন।

২০১২ - ইংরেজি লেখক মিস রেড্&zwnj; মৃত্যুবরণ করেন।

২০১৪ - ইংরেজ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও মডেল পিচেস হানিব্লসম গেল্ডফ মৃত্যুবরণ করেন।

দিবস

আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।

সাননিউজ/ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 07 Apr 2025 06:39:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিমাই ঘোষ’র প্রয়াণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111593" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111593</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের ঘটনা কাল অতীত। প্রত্যেকটি অতীত সময়ের স্রোতে এক সময় হয়ে উঠে ইতিহাস। পৃথিবীর বয়স যতোই বাড়ে ইতিহাস ততোই সমৃদ্ধ হয়। এই সমৃদ্ধ ইতিহাসের প্রতিটি ঘটনার প্রতি মানুষের আগ্রহ চিরাচরিত। ইতিহাসের প্রতিটি দিন তাই ভীষণ গুরুত্ব পায় সকলের কাছে ।

আরও পড়ুন: সুনন্দ সান্যাল&rsquo;র প্রয়াণ

সান নিউজ পাঠকদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করেছে নতুন আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিন&rsquo;।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) ১১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২৪ রমজান, ১৪৪৬ হিজরি। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলী

১৫০৫ - দেশে ফ্রানসিসকো দি আলমেইদা বাইশটি নৌযানের বহর নিয়ে ভারতে শক্তি সংহত করার জন্য পর্তুগাল থেকে যাত্রা করেন।

১৫৭০ - পোপ পঞ্চম পায়াম কর্তৃক ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথ ধর্মচ্যুত হন।

১৫৮৬ - সম্রাট আকবরের সভাকবি বীরবল নিহত হন।

১৬৩৪ - মেরিল্যান্ডে প্রথম বসতি স্থাপনকারীদের আগমন ঘটে।

১৮০৭ - ব্রিটিশ পার্লামেন্ট দাসপ্রথা বিলোপ করে।

১৮৪৩ - টেমস নদীর বিখ্যাত সুড়ঙ্গ খোলা হয়।

১৮৬২ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু হয়।

১৮৯৫ - ইতালীয় বাহিনী আবিসিনিয়া (ইথিওপিয়া) দখল করে নেয়।

১৮৯৬ - আধুনিক অলিম্পিক ক্রীড়ার প্রথম স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়।

১৮৯৮ - ব্রহ্মচর্য গ্রহণ করায় স্বামী বিবেকানন্দ মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেলকে দীক্ষান্তে নিবেদিতা নামকরণ করেন।

১৯৫৭ - যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বিভাগ অশোভন বক্তব্যের অভিযোগ এনে অ্যালেন গিন্সবার্গের কবিতার কপি বাজেয়াপ্ত করে।

১৯৬১ - ব্রিটিশদের কাছ থেকে কুয়েত স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৬৯ - পাকিস্তানের একনায়ক আইয়ুব খান ক্ষমতাচ্যুত হন এবং ইয়াহিয়ার নেতৃত্বে নতুন সামরিক শাসন জারি হয়।

১৯৭১ - পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঢাকা সহ সারা বাংলাদেশে বাঙালির উপর আক্রমণ শুরু করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।

১৯৭১ - শিক্ষাবিদ ও দার্শনিক গোবিন্দচন্দ্র দেব পাক হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত হন।

১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় জ্যামাইকা।

১৯৭৫ - সৌদি আরবের বাদশাহ ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ তার ভ্রাতুস্পুত্র ফয়সাল বিন মুসাইদের গুলিতে রিয়াদের রাজপ্রাসাদে নিহত হন।

১৯৮৬ - গণঅভ্যুত্থানে বিশ বছরের অধিক ক্ষমতাসীন শাসক ফিলিপিনের মার্কোসের পতন ঘটে।

১৯৯৪ - হেবরনের ইস্রাহিম মসজিদে উগ্রপন্থী ইসরাইলিরা সেজদারত মুসল্লিদের ওপর গুলি চালালে ৬৩ জন নিহত এবং প্রায় ৫শ&rsquo; জন আহত হয়।

২০০১ - মিশরের রাজধানী কায়রোতে ডি-৮-এর তৃতীয় শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয়।

জন্ম

১২৫৯ - বাইজান্টাইন সম্রাট আন্ড্রনিকস দ্বিতীয় পালাইওলগস।

১২৯৭ - বাইজান্টাইন আন্ড্রনিকস তৃতীয় পালাইওলগস সম্রাট।

১৮৮১ - হাঙ্গেরীয় পিয়ানোবাদক ও সুরকার বেলা বারটোক।

১৯০৬ - ইংরেজ ইতিহাসবিদ ও সাংবাদিক অ্যালান জন পার্সিভাল টেইলর।

১৯০৮ - ডেভিড লিন, ইংরেজ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার। (মৃ. ১৯৯১)

১৯১৪ - নরম্যান বোরলাউগ, আমেরিকান কৃষি বিজ্ঞানী, নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী। (মৃ. ২০০৯)

১৯১৯ - সুবোধকুমার চক্রবর্তী,রবীন্দ্র পুরস্কার প্রাপ্ত ভ্রমণকাহিনী লেখক।(মৃ.১৮/০১/১৯৯২)

১৯২০ - ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক পল স্কট।

১৯২১ - সিমন সিনিয়রে, ফরাসি অভিনেত্রী। (মৃ. ১৯৮৭)

১৯২৪ - জাপানি অভিনেত্রী মাচিকো কিও।

১৯২৫ - গুণময় মান্না বাঙালি ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক। (মৃ.২৮/০৪/২০১০)

১৯৪৭ - স্যার এলটন জন, ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ও পিয়ানো বাদক।

১৯৪৮ - ভারতের অন্যতম চলচ্চিত্র অভিনেতা ও টেলিভিশন উপস্থাপক ফারুক শেখ।(মৃ.২০১৩)

১৯৬২ - আমেরিকান অভিনেত্রী মার্শা ক্রস।

১৯৬৫ - আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়ক ও প্রযোজক সারাহ জেসিকা পার্কার।

১৯৭৬ - ইউক্রেনীয় মুষ্টিযোদ্ধা ওলাডিমির ক্লিটসচক।

১৯৮৭ - নাইজেরিয়ান ফুটবলার ভিক্টর অবিনা।

মৃত্যু

১৬২৫ - ইতালীয় কবি ও লেখক গিয়াম্বাটিস্টা মেরিনো।

১৭৫৪ - একজন ইংরেজ কবি উইলিয়াম হ্যামিলটন।

১৮০১ - জার্মান কবি ও লেখক নোভালিশ।

১৯১৪ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি কবি ও সাহিত্যিক ফ্রেডেরিক মিস্ত্রাল।

১৯৫৫ - ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্নিকন্যা মোহিনী দেবী।(জ.১৮৬৩)

১৯৭৩ - লুক্সেমবার্গ বংশোদ্ভূত আমেরিকান ফটোগ্রাফার, চিত্রকর ও কিউরেটর এডওয়ার্ড স্টেইচেন।

১৯৭৫ - কিং ফয়সাল বিল আব্দুল আজিজ সৌদি আরবের বাদশা।

১৯৭৬ - জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান চিত্রশিল্পী ও শিক্ষাবিদ জোসেফ আলবেরস।

২০১২ - ইতালীয় লেখক ও শিক্ষাবিদ আন্তোনিও এন্টোনিও টাবুচি।

২০২০ - নিমাই ঘোষ, ভারতীয় বাঙালি আলোকচিত্রী।

নিমাই ঘোষ (১৯৩৪ - ২৫ মার্চ ২০২০) একজন ভারতীয় বাঙালি আলোকচিত্রী, যিনি সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে কাজ করার জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত। তিনি গুপী গাইন বাঘা বাইন (১৯৬৯) চলচ্চিত্র থেকে শুরু করে সত্যজিৎ রায়ের শেষ ছবি আগন্তুক (১৯৯১) পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে স্থির আলোকচিত্রীর কাজ করেন।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Mar 2025 03:32:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অভিষেক চট্টোপাধ্যায়’র প্রয়াণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111570" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111570</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের ঘটনা কাল অতীত। প্রত্যেকটি অতীত সময়ের স্রোতে এক সময় হয়ে উঠে ইতিহাস। পৃথিবীর বয়স যতোই বাড়ে ইতিহাস ততোই সমৃদ্ধ হয়। এই সমৃদ্ধ ইতিহাসের প্রতিটি ঘটনার প্রতি মানুষের আগ্রহ চিরাচরিত। ইতিহাসের প্রতিটি দিন তাই ভীষণ গুরুত্ব পায় সকলের কাছে ।

আরও পড়ুন: শাহনাজ রহমতুল্লাহ&rsquo;র প্রয়াণ

সান নিউজ পাঠকদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করেছে নতুন আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিন&rsquo;।

সোমবার (২৪ মার্চ) ১০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২৩ রমজান, ১৪৪৬ হিজরি। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলী:

১৩০৭ - আলাউদ্দিন খিলজির সেনাপতি মালিক কাফুর দেবগিরি দুর্গ দখল করেন।

১৩৫১: ফিরোজ শাহ তুঘলক দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।

১৭৯৩: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা ঘোষিত হয়।

১৮৬১: লন্ডনে প্রথম ট্রাম চলাচল শুরু হয়।

১৯০২ - বাংলায় অনুশীলন সমিতি গঠিত হয়।

১৯১৮ - জার্মান বাহিনী সোমে নদী অতিক্রম করে।

১৯৩৩ - এড্লফ হিটলার জার্মানির একনায়ক হন।

১৯৪০ - শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক উত্থাপিত লাহোর প্রস্তাব মুসলিম লীগের সভায় গৃহীত হয়।

১৯৪৬ - লর্ড লরেঞ্জের নেতৃত্বে ব্রিটিশ কেবিনেট মিশন ভারতে আসে।

১৯৪৮ - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাষ্ট্রভাষা উর্দুর পক্ষে ভাষণ দিয়ে ছাত্রদের প্রতিবাদের সম্মুখীন হন।

১৯৫৬ - পাকিস্তানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করা হয়।

১৯৭৭ - যুক্তরাষ্ট্র এবং কিউবা সরাসরি আলোচনা শুরু করে।

১৯৮২ - বাংলাদেশে জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একটি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন।

১৯৯৯ - ন্যাটো যুগোশ্লাভিয়ার সার্বিয় সেনা অবস্থানের উপর বোমা বর্ষণ শুরু করে।

জন্ম:

১৪৯৪ - জার্মান মণিকবিৎ ও পণ্ডিত গেওরগিউস আগ্রিকলা।

১৬৯৩ - ইংরেজ সূত্রধর ও ঘড়ি-নির্মাতা জন হ্যারিসন।

১৭৩৩ - ইংরেজ রসায়নবিদ যোশেফ প্রিস্টলি।

১৮০৯ - ফরাসি গণিতবিদ ও শিক্ষাবিদ জোসেফ লিওউভিলে।

১৮৩৪ - উইলিয়াম মরিস, ইংরেজ টেক্সটাইল ডিজাইনার, কবি, উপন্যাসিক, অনুবাদক এবং সমাজতান্ত্রিক কর্মী।

১৮৩৫ - অস্ট্রীয় পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও কবি জোসেফ স্টিফান।

১৮৪১ - নবাব ওয়াকার-উল-মুলক মৌলভী, নিখিল ভারত মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।

১৮৬৩ - খ্যাতনামা আইনবিদ, রাজনীতিবিদ লর্ড সত্যেন্দ্রপ্রসন্ন সিংহ।

১৮৭৪ - বিশ্বের অন্যতম সেরা জাদুকর হ্যারি হুডিনি।

১৮৮৪ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ডাচ বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ পিটার জোসেফ উইলিয়াম ডিবাই।

১৯০৩ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ আডল্ফ ফ্রিড্রিশ ইয়োহান বুটেনান্ডট।

১৯০৯ - বাঙালি কবি নিশিকান্ত রায় চৌধুরী।

১৯১৭ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ প্রাণরসায়নী জন কেন্ড্রেও।

১৯২৫ - কাজী নূরুজ্জামান, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার।

১৯২৬ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক, সুরকার ও নাট্যকার ডারিও ফো।

১৯৩০ - আমেরিকান অভিনেতা স্টিভ ম্যাকুইন।

১৯৩৩ - অরুণকুমার বসু, রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও কালজয়ী বাংলা গানের স্রষ্টা।

১৯৪৪ - সার্বীয় শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রধানমন্ত্রী ভজিস্লাভ কস্টুনিকা।

১৯৪৯ - শ্রীলংকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১৩ তম প্রধানমন্ত্রী রনীল শ্রীয়ান বিক্রমাসিংহে।

১৯৬০ - জার্মান গায়ক, গীতিকার এবং অভিনেত্রী নেনা।

১৯৬১ - ডিন জোন্স, সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

১৯৬৫ - দ্য আন্ডারটেকার, মার্কিন পেশাদার কুস্তীগির।

১৯৭৩ - আমেরিকান অভিনেতা ও গায়ক জিম পারসন্স।

১৯৭৭ - জেসিকা চ্যাস্টেইন, মার্কিন অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র প্রযোজক।

১৯৭৯ - গ্রেম সোয়ান, ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার।

১৯৮৭ - সাকিব আল-হাসান, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অল-রাউন্ডার ও সংসদ সদস্য।

১৯৮৭ - ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার রামিরেস।

মৃত্যু:

০৮০৯ - আরব পঞ্চম খলিফা হারুন আল-রশিদ।

১৬০৩ - প্রথম এলিজাবেথ, ইংল্যান্ডের রানী।

১৭৭০ - আশরাফ আলি খান (নবাব)।

১৭৭৬ - ইংরেজ সূত্রধর ও ঘড়ি-নির্মাতা জন হ্যারিসন।

১৮৮২ - একজন মার্কিন হেনরি ওয়েডসওরর্থ লংফেলো।

১৮৯৯ - বিলি বার্নস, পেশাদার ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯০৪ - একজন ইংরেজ কবি এডউইন আর্নল্ড।

১৯০৫ - জুল ভার্ন, ফরাসি লেখক।

১৯৪৬ - রাশিয়ান দাবাড়ু আলেকসান্দর আলেখিন।

১৯৫০ - ব্রিটিশ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হ্যারল্ড ল্যাস্কির।

১৯৭১ - রেডিসন ব্লু রয়েল হোটেল ও আর্ফস সিটি হলের পরিকল্পক আর্নি জাকবসেন।

২০০২ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আর্জেন্টিনার প্রাণরসায়নী সিজার মিলস্টেইন।

২০০৫ - ভি বালসারা, ভারতীয় সঙ্গীতপরিচালক, আবহসঙ্গীত পরিচালক ও যন্ত্র সঙ্গীতশিল্পী।

২০১০ - রন হামেন্স, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

২০১৩ - নিউজিল্যান্ড লেখক বারবারা অ্যান্ডারসন।

২০২০ - বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যবসা সফল ছবি &lsquo;বেদের মেয়ে জোসনা&rsquo;র অন্যতম প্রযোজক, প্রখ্যাত নির্মাতা মতিউর রহমান পানু।

২০২২ - বাঙালি অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়।

সান নিউজ/এমএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Mar 2025 03:53:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শাহনাজ রহমতুল্লাহ’র প্রয়াণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111540" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111540</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের ঘটনা কাল অতীত। প্রত্যেকটি অতীত সময়ের স্রোতে এক সময় হয়ে উঠে ইতিহাস। পৃথিবীর বয়স যতোই বাড়ে ইতিহাস ততোই সমৃদ্ধ হয়। এই সমৃদ্ধ ইতিহাসের প্রতিটি ঘটনার প্রতি মানুষের আগ্রহ চিরাচরিত। ইতিহাসের প্রতিটি দিন তাই ভীষণ গুরুত্ব পায় সকলের কাছে ।

আরও পড়ুন: সুনন্দ সান্যাল&rsquo;র প্রয়াণ

সান নিউজ পাঠকদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করেছে নতুন আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিন&rsquo;।

রোববার (২৩ মার্চ) ৯ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২২ রমজান, ১৪৪৬ হিজরি। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলী:

১৩৫১ - ফিরোজ শাহ তুঘলকের দিল্লীর সিংহাসনে আরোহণ।

১৬৫২ - হল্যান্ডের নৌ বাহিনীর উপর প্রচন্ড হামলা শুরু করে।

১৭৫৭ - রবার্ট ক্লাইভের চন্দননগর দখল।

১৭৯৩ - চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা ঘোষিত হয়।

১৮০১ - রাশিয়ার জার প্রথম পল নিহত।

১৯১৭ - ভাইসরয় লর্ড চেমস ফোর্ড কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা।

১৯১৮ - জামার্ন বাহিনী তাদের নব নির্মিত কামানের সাহায্যে প্যারিসের উপর গোলাবর্ষণ করে।

১৯১৮ - লিথুনিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯২০ - গভর্নর জেনারেল কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুমোদন।

১৯৩৩ - এ্যাডলফ হিটলার জার্মানীর একনায়ক হন।

১৯৪০ - আবুল কাশেম ফজলুল হক নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

১৯৫৬ - পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গ্রহণ করা হয়।

১৯৬৬ - শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে ছয় দফা প্রস্তাব আনুষ্ঠানিক ভাবে উত্থাপন করেন।

১৯৭২ - বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বতসোয়ানা।

১৯৭৬ - নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত (মানবাধিকার) আন্তর্জাতিক চুক্তি কার্যকর।

১৯৯৮ - রুশ প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন কর্তৃক আকস্মিকভাবে তার মন্ত্রিসভা বরখাস্ত।

জন্ম:

১৮৮০ - বাসন্তী দেবী ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের এক ব্যক্তিত্ব দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের সহধর্মিণী।

১৮৮১ - হাকিম হাবিবুর রহমান, ব্রিটিশ বাংলার বিশিষ্ট চিকিৎসক, লেখক, রাজনীতিবিদ।

১৯০০ - জার্মান মনোবিজ্ঞানী এরিখ ফ্রোমের।

১৯০২ - চারুচন্দ্র চক্রবর্তী জরাসন্ধ ছদ্মনামে খ্যাতনামা বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯০৪ - জোন ক্রফোর্ড, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯০৬ - মরিস অলম, বিখ্যাত ইংরেজ ক্রিকেটার।

১৯০৭ - ড্যানিয়েল বোভেট, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইস বংশোদ্ভূত ইতালীয় ফার্মাকোলজিস্ট।

১৯১০ - আকিরা কুরোসাওয়া, জাপানী চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯১৬ - হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায় বাঙালি সাহিত্যিক।

১৯২২ - ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার উগো টোগনাযি।

১৯৩১ - রাশিয়ান দাবাড়ু ও লেখক ভিক্টর কোরচনোই।

১৯৪২ - অস্ট্রিয়ান পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার মাইকেল হানেকে।

১৯৪৭ - ওয়াসিম, বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯৫২ - রেক্স টিলারসন, মার্কিন ব্যবসায়ী, প্রকৌশলী ও কূটনীতিক।

১৯৫৬ - পর্তুগিজ শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ ও ১১৫ তম প্রধানমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল বারোসো।

১৯৬৮ - ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার ও সাংবাদিক ফার্নান্দো রুইজ হিয়েরো।

১৯৭৩ - পোলিশ ফুটবলার জেরযয় ডুডেক।

১৯৭৬ - ভারতীয় অভিনেত্রী, প্রযোজক, রাজনীতিবিদ ও মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি।

১৯৭৮ - আর্জেন্টিনার ফুটবল ওয়াল্টার স্যামুয়েল।

১৯৮৫ - আশেক ইলাহী চৌধুরী আইমন (আর্টিস) বাংলাদেশী আর্ট শিল্পী।

১৯৮৬ - কঙ্গনা রানাওয়াত, ভারতীয় অভিনেত্রী।

মৃত্যু:

১৮০১ - রাশিয়ার জার প্রথম পল।

১৮৪২ - ফরাসী ঔপন্যাসিক স্তাঁদাল।

১৮৮৭ - অ্যাংলো-আইরিশ মিশনারি সোসাইটির ধর্মযাজকেরা এবং নীল দর্পণ নাটকের ইংরাজী অনুবাদক জেমস লঙ।

১৯১০ - নাডার, ফরাসি ফটোগ্রাফার, সাংবাদিক ও লেখক।

১৯১১- ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, বাঙালি কবি ও সাহিত্যিক।

১৯৩১ - ভগৎ সিং, প্রসিদ্ধ বিপ্লবী শহীদ।

- সুখদেব থাপর, স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবী শহীদ।

- শিবরাম রাজগুরু,ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী শহীদ।

১৯৩৫ - ফ্লোরেন্স মুর, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৪৮ - বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞ বেনী মাধক বড়ুয়া।

১৯৫৩ - ফরাসি চিত্রশিল্পী ও অঙ্কনশিল্পী রাউল ডুফয়।

১৯৬৫ - ভারতীয় মহিলা স্বাধীনতা সংগ্রামী সুহাসিনী গঙ্গোপাধ্যায়।

১৯৯২ - ফ্রিড্&zwnj;রিখ হায়েক, অস্ট্রীয় অর্থনীতিবিদ।

১৯৯৫ - শক্তি চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি কবি ও লেখক।

২০০১ - প্রখ্যাত বাঙালি কবি, অনুবাদক ও ঔপন্যাসিক লোকনাথ ভট্টাচার্য।

২০০৭ - আমেরিকান গণিতবিদ ও তাত্ত্বিক পল জোসেফ কোহেন।

২০০৭ - সূর্যেন্দুবিকাশ করমহাপাত্র, বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী।

২০০৮ - শহীদুল জহির, বাংলাদেশি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক।

২০১১ - এলিজাবেথ টেলর, ব্রিটিশ-মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

২০১২ - সোমালিয়ার রাজনীতিবিদ ও প্রেসিডেন্ট আব্দুলাহি ইউসুফ আহমেদ।

২০১৪ - স্প্যানিশ আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১ম প্রধানমন্ত্রী অ্যাডলফ সুয়ারেজ।

২০১৫ - লি কুয়ান ইউ, আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক৷

২০১৯ - শাহনাজ রহমতুল্লাহ, বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী।

২০২২ - যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাডেলিন অলব্রাইট।

২০২৪ - কুমুদিনী হাজং, টঙ্ক আন্দোলন ও হাজং বিদ্রোহের নেত্রী।

২০২৪ - শাহরিয়ার খান, পাকিস্তানি কূটনীতিবিদ।

সান নিউজ/এমএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Mar 2025 05:06:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সুনন্দ সান্যাল’র প্রয়াণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111515" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111515</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের ঘটনা কাল অতীত। প্রত্যেকটি অতীত সময়ের স্রোতে এক সময় হয়ে উঠে ইতিহাস। পৃথিবীর বয়স যতোই বাড়ে ইতিহাস ততোই সমৃদ্ধ হয়। এই সমৃদ্ধ ইতিহাসের প্রতিটি ঘটনার প্রতি মানুষের আগ্রহ চিরাচরিত। ইতিহাসের প্রতিটি দিন তাই ভীষণ গুরুত্ব পায় সকলের কাছে ।

আরও পড়ুন: লেখিকা অধ্যাপক জুবাইদা গুলশান আরা&rsquo;র প্রয়াণ

সান নিউজ পাঠকদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করেছে নতুন আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিন&rsquo;।

শনিবার (২২ মার্চ) ৮ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২১ রমজান, ১৪৪৬ হিজরি। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলী:

১৪২১ - আনজৌর যুদ্ধে স্টকদের হাতে ইংরেজদের পরাজয়।

১৭৩৯ - নাদির শাহ্ ভারতের দিল্লি দখল করেন এবং শহরের মূল্যবান বস্তু লুটপাট করেন।

১৭৯৩ - বাংলা ও বিহারে লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন।

১৮২৪ - লন্ডনে ন্যাশনাল গ্যালারি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮২ - বহুগামিতা নিষিদ্ধ করে মার্কিন কংগ্রেসে বিল পাস।

১৮৮৮ - ইংলিশ ফুটবল লীগ গঠিত হয়।

১৮৯৮ - অবিভক্ত ভারতে ফৌজদারি কার্যবিধি প্রবর্তন।

১৯০৪ - নিউইয়র্ক ইলাসট্রেটেড মিরর পত্রিকার মাধ্যমে পত্রিকায় বিশ্বের প্রথম রঙিন ছবি মুদ্রণের ঘটনা ঘটে।

১৯১২ - বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি ভেঙ্গে বিহার রাজ্য গঠিত হয়।

১৯৪২ - স্টাফোর্ড ক্রিপসের নেতৃত্বে ক্রিপস মিশন ভারতে আসে।

১৯৪৫ - কায়রো সনদ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আরব লীগ গঠিত।

১৯৪৬ - জর্দানের স্বাধীনতা লাভ।

১৯৪৭ - লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন ভাইসরয় পদে নিযুক্ত হয়ে ভারতে আসেন।

১৯৫৭ - ভারতের রাষ্ট্রীয় পঞ্জিকা (১ লা চৈত্র,১৮৭৯) চালু হয়।

১৯৮২ - নাসার স্পেস-শাটল &lsquo;কলম্বিয়া&rsquo; উৎক্ষেপণ করা হয় তৃতীয়বারের মতো।

১৯৮৫ - বিশ্বের ওজোন স্তর সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমোদন করা হয়।

২০০৪ - ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমদ ইয়াসিন ইহুদিবাদী ইসরাইলের বর্বরোচিত হামলায় শহীদ হন।

২০১২ - এশিয়া কাপ ক্রিকেটে পাকিস্তানের কাছে মাত্র ২ রানে হারে বাংলাদেশ ।

জন্ম:

১৩৯৪ - ফার্সি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ উলুগ বেগ।

১৫৯৯ - ফ্লেমিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ চিত্রশিল্পী ও ক্ষোদক এন্থনি ভ্যান ডয়ক।

১৭১২ - ইংলিশ লেখক এডওয়ার্ড মূর।

১৮৫৭ - ফরাসি গণিতবিদ, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও ১৪ তম প্রেসিডেন্ট পল ডুমের।

১৮৬৮ - রবার্ট মিলিকান, মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৮৮৩ - যোগেন্দ্রনাথ গুপ্ত, বাঙালি সাহিত্যিক এবং গবেষক।

১৮৯৪ - ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাস্টারদা সূর্য সেন।

১৯১৮ - অমিয়ভূষণ মজুমদার,বাঙালি কথাসাহিত্যিক।

- গিয়ানা রাজনীতিবিদ ও ৪র্থ প্রেসিডেন্ট চেডি জাগান।

১৯২১ - ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার নিনো মানফ্রেডি।

১৯৩১ - উইলিয়াম শ্যাটনার, কানাডীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা।

১৯৩১ - বার্টন রিখটার, নোবেল বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৪৮ - ইংরেজ পরিচালক ও সুরকার অ্যান্ড্রু লয়েড ওয়েবের।

১৯৫৫ - লাটভিয়ার চিকিৎসক, রাজনীতিবিদ ও ৭ম সভাপতি ভাল্ডিস যাটলেরস।

১৯৭৬ - রিজ উইদারস্পুন, মার্কিন অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯৮৪ - জার্মানি ফুটবলার পিটর ট্রচওস্কি।

মৃত্যু:

১৬৮৭ - ইতালীয় ফরাসি সুরকার ও কন্ডাকটর জাঁ-ব্যাপ্টিস্টে লুলয়।

১৮৩২ - ইয়োহান ভল্&zwnj;ফগাং ফন গোটে, জার্মান লেখক ও কবি।

১৯৫৫ - ভারতের শিল্প ও স্থাপত্যের ইতিহাসকার পার্সি ব্রাউন।

১৯৭৭ - কমিউনিস্ট নেতা এ কে গোপালন।

১৯৯৭ - পণ্ডিত প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রখ্যাত বাঙালি উচ্চাঙ্গ কণ্ঠসঙ্গীত শিল্পী।

২০০১ - আমেরিকান অ্যানিমেটর, পরিচালক, প্রযোজক, ভয়েস অভিনেতা ও হানা-বারবেরার সহ-প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম হানা।

২০০৪ - ফিলিস্তিনি আধ্যাত্মিক নেতা ও হামাসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমাদ ইসমাইল হাসান ইয়াসিন।

২০০৫ - জাপানি আর্কিটেক্ট কেনযো টাঙ্গে।

২০১০ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্কটিশ জীববিজ্ঞানী ও ফার্মাকোলজিস্ট জেমস হোয়াইট ব্ল্যাক।

২০১৩ - কিউবান বংশোদ্ভূত সুইডিশ পিয়ানোবাদক ও সুরকার বেবো ভাল্ডেস।

২০২২ - বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি শিক্ষাবিদ সুনন্দ সান্যাল।

সান নিউজ/এমএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Mar 2025 03:58:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লেখিকা অধ্যাপক জুবাইদা গুলশান আরা’র প্রয়াণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111500" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111500</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের ঘটনা কাল অতীত। প্রত্যেকটি অতীত সময়ের স্রোতে এক সময় হয়ে উঠে ইতিহাস। পৃথিবীর বয়স যতোই বাড়ে ইতিহাস ততোই সমৃদ্ধ হয়। এই সমৃদ্ধ ইতিহাসের প্রতিটি ঘটনার প্রতি মানুষের আগ্রহ চিরাচরিত। ইতিহাসের প্রতিটি দিন তাই ভীষণ গুরুত্ব পায় সকলের কাছে ।

আরও পড়ুন: বিমল ঘোষ&rsquo;র জন্ম

সান নিউজ পাঠকদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করেছে নতুন আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিন&rsquo;।

শুক্রবার (২০ মার্চ) ৭ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ২০ রমজান, ১৪৪৬ হিজরি। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলী

১৬৮৬ &ndash; কলকাতার সুতানটি গ্রামে প্রথম ব্রিটিশ পতাকা উত্তোলন করা হয়।

১৭৩৯ &ndash; নাদির শাহ দিল্লি দখল করেন।

১৮১৪ - যুবরাজ উইলিয়াম ফ্রেডরিক নেদারল্যান্ডসের রাজা হন।

১৯৩৫ &ndash; ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ - হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

জন্ম

১৪৯৭ - আটাওয়ালপা, ইনকা সম্রাট।

১৬১৫ &ndash; মোঘল সম্রাট শাহজাহানের প্রথম পুত্র। দারাশিকো

১৮২৮ - হেনরিক ইবসেন, একজন নরওয়েজীয় নাট্যকার যিনি আধুনিক বাস্তবতাবাদী নাটকের সূত্রপাত করেছেন।

১৮৪২ - গুরুপ্রসাদ সেন, পূর্ববঙ্গের অধুনা বাংলাদেশের প্রথম এম.এ. এবং বিহারের প্রথম ইংরাজী দৈনিক &#39;বিহার হেরল্ড&#39; এর প্রতিষ্ঠাতা।

১৯২০ - চিন্ময় লাহিড়ী, বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ।

১৯২৯ - বাংলা ছড়ার গানের যশস্বী কণ্ঠ শিল্পী সনৎ সিংহ।

১৯৬৬ - অলকা যাজ্ঞিক, ভারতীয় নেপথ্য গায়িকা।

১৯৮৯ - তামিম ইকবাল, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।

মৃত্যু

১৯২৫ - জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন উপনিবেশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়।

১৯২৬ - কাজী ইমদাদুল হক, ব্রিটিশ ভারতের বাঙালি কবি।

১৯৪৪ - মন্মথনাথ ঘোষ (বিদ্যাবিনোদ), বাঙালি শিল্পোদ্যোগী ও সাহিত্যিক।

১৯৬২ - বীরেশচন্দ্র গুহ ভারতের প্রখ্যাত প্রাণরসায়ণ বিজ্ঞানী।

১৯৭৩ - শ্যামাপদ গোস্বামী প্রখ্যাত বাঙালি সাঁতারু।

১৯৮৮ - অখিলবন্ধু ঘোষ বিশিষ্ট বাঙালি সঙ্গীত শিল্পী।

১৯৯১ - রমা চৌধুরী ভারতের প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও লেখিকা ।

১৯৯৩ - বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক ।

২০১৩ - বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সিঙ্গাপুরে পরলোকগমন।

২০১৪ - ভারতের বিখ্যাত রম্যলেখক ও সাংবাদিক খুশবন্ত সিং।

২০১৭ - লেখিকা অধ্যাপক জুবাইদা গুলশান আরা।

জুবাইদা গুলশান আরা (জন্ম ১৯৪২ - মৃত্যু ২০১৭) একজন বাংলাদেশি গল্পকার, ঔপন্যাসিক, শিশুসাহিত্যিক। সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত হন।

২০২০ - পি. কে. ব্যানার্জি নামে সুপরিচিত ভারতীয় ফুটবলার ও প্রশিক্ষক প্রদীপকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 21 Mar 2025 04:35:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান’র প্রয়াণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111475" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111475</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের ঘটনা কাল অতীত। প্রত্যেকটি অতীত সময়ের স্রোতে এক সময় হয়ে উঠে ইতিহাস। পৃথিবীর বয়স যতোই বাড়ে ইতিহাস ততোই সমৃদ্ধ হয়। এই সমৃদ্ধ ইতিহাসের প্রতিটি ঘটনার প্রতি মানুষের আগ্রহ চিরাচরিত। ইতিহাসের প্রতিটি দিন তাই ভীষণ গুরুত্ব পায় সকলের কাছে ।

আরও পড়ুন: দিলারা হাশেম&rsquo;র প্রয়াণ

সান নিউজ পাঠকদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করেছে নতুন আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিন&rsquo;।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) ৬ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৯ লা রমজান, ১৪৪৬ হিজরি। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আরও পড়ুন: বিমল ঘোষ&rsquo;র জন্ম

ঘটনাবলী:

১৬৮৬ &ndash; কলকাতার সুতানটি গ্রামে প্রথম ব্রিটিশ পতাকা উত্তোলন করা হয়।

১৭৩৯ &ndash; নাদির শাহ দিল্লি দখল করেন।

১৮১৪ - যুবরাজ উইলিয়াম ফ্রেডরিক নেদারল্যান্ডসের রাজা হন।

১৯৩৫ &ndash; ব্রিটিশ কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯১ - হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

জন্ম:

১৪৯৭ - আটাওয়ালপা, ইনকা সম্রাট।

১৬১৫ &ndash; মোঘল সম্রাট শাহজাহানের প্রথম পুত্র দারাশিকো।

১৮২৮ - হেনরিক ইবসেন, একজন নরওয়েজীয় নাট্যকার যিনি আধুনিক বাস্তবতাবাদী নাটকের সূত্রপাত করেছেন।

১৮৪২ - গুরুপ্রসাদ সেন, পূর্ববঙ্গের অধুনা বাংলাদেশের প্রথম এম.এ. এবং বিহারের প্রথম ইংরাজী দৈনিক &#39;বিহার হেরল্ড&#39; এর প্রতিষ্ঠাতা।

১৯২০ - চিন্ময় লাহিড়ী, বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী।

১৯২৯ - বাংলা ছড়ার গানের যশস্বী কণ্ঠ শিল্পী সনৎ সিংহ।

১৯৬৬ - অলকা যাজ্ঞিক, ভারতীয় নেপথ্য গায়িকা।

১৯৮৯ - তামিম ইকবাল, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান।

মৃত্যু:

১৯২৫ - জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন, ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন উপনিবেশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়।

১৯২৬ - কাজী ইমদাদুল হক, ব্রিটিশ ভারতের বাঙালি কবি।

১৯৪৪ - মন্মথনাথ ঘোষ (বিদ্যাবিনোদ), বাঙালি শিল্পোদ্যোগী ও সাহিত্যিক।

১৯৬২ - বীরেশচন্দ্র গুহ ভারতের প্রখ্যাত প্রাণরসায়ণ বিজ্ঞানী।

১৯৭৩ - শ্যামাপদ গোস্বামী প্রখ্যাত বাঙালি সাঁতারু।

১৯৮৮ - অখিলবন্ধু ঘোষ বিশিষ্ট বাঙালি সঙ্গীত শিল্পী।

১৯৯১ - রমা চৌধুরী ভারতের প্রখ্যাত বাঙালি শিক্ষাবিদ ও লেখিকা।

১৯৯৩ - বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায় প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক।

২০১৩ - বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সিঙ্গাপুরে পরলোকগমন।

২০১৪ - ভারতের বিখ্যাত রম্যলেখক ও সাংবাদিক খুশবন্ত সিং।

২০১৭ - লেখিকা অধ্যাপক জুবাইদা গুলশান আরা।

২০২০ - পি. কে. ব্যানার্জি নামে সুপরিচিত ভারতীয় ফুটবলার ও প্রশিক্ষক প্রদীপকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।

সান নিউজ/এমএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Mar 2025 04:03:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দিলারা হাশেম’র প্রয়াণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111472" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111472</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের ঘটনা কাল অতীত। প্রত্যেকটি অতীত সময়ের স্রোতে এক সময় হয়ে উঠে ইতিহাস। পৃথিবীর বয়স যতোই বাড়ে ইতিহাস ততোই সমৃদ্ধ হয়। এই সমৃদ্ধ ইতিহাসের প্রতিটি ঘটনার প্রতি মানুষের আগ্রহ চিরাচরিত। ইতিহাসের প্রতিটি দিন তাই ভীষণ গুরুত্ব পায় সকলের কাছে ।

আরও পড়ুন: বিমল ঘোষ&rsquo;র জন্ম

সান নিউজ পাঠকদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করেছে নতুন আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিন&rsquo;।

বুধবার (১৯ মার্চ) ৪ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৮ লা রমজান, ১৪৪৬ হিজরি। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আরও পড়ুন: চিন্ময় রায়&rsquo;র প্রয়াণ

ঘটনাবলী:

১৯৪৪ - উত্তর-পূর্ব ভারতে আজাদ হিন্দ ফৌজ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে।

১৯৪৮ - পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।

১৯৭১ - পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন জয়দেবপুর তথা গাজীপুরের বীর জনতা৷

১৯৭২ - বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ২৫ বছরের শান্তি ও মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯১ - বেগম খালেদা জিয়া পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

২০১৭ - বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তাদের শততম টেস্ট খেলে জয় দিয়ে শততম টেস্টকে স্মরণীয় করে রাখে।

জন্ম:

১৮১৩ - স্কটিশ চিকিৎসক খ্রীষ্ট ধর্মপ্রচারক ও মহান মানবতাবাদী অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন।

১৮২১ - ব্রিটিশ সৈনিক, ভূগোলবিদ ও কূটনীতিক রিচার্ড ফ্রান্সিস বার্টন।

১৯০২ - ভূপেন্দ্রকিশোর রক্ষিত রায়, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী।

১৯১৯ - বাঙালি কবি, গীতিকার, নাট্যকার ও সাংবাদিক সিকান্দার আবু জাফর।

১৯৪৩ - মারিও মোলিনা, ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে রসায়নে যৌথভাবে নোবেলজয়ী মেক্সিকান রসায়নবিদ।

১৯৫২ - হার্ভি ওয়াইনস্টিন, মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক।

১৯৫৫ - ব্রুস উইলিস, জার্মান বংশোদ্ভূত মার্কিন অভিনেতা, প্রজোযক ও সঙ্গীতশিল্পী।

১৯৭৩ - অ্যাশলি জাইলস, ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

১৯৭৬ - ইতালিয়ান ফুটবলার আলেসান্দ্রো নেস্টা।

১৯৮৪ - ভারতীয় মডেল ও অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্ত ।

মৃত্যু:

১৯০৯ - ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবী চারুচন্দ্র বসু।

১৯৪৭ - আজিজুল হক, বাঙালি শিক্ষাবিদ, কূটনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং লেখক ছিলেন।

১৯৫০ - এডগার রাইস বারোজ, মার্কিন সাহিত্যিক, টারজান সিরিজের জনক।

১৯৭৩ - হেমেন গাঙ্গুলী ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিবেশক ও প্রদর্শক।

১৯৮৭ - লুই দ্য ব্রয়, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৯৭ - পূর্ণেন্দু পত্রী বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, সাহিত্য গবেষক, কলকাতা গবেষক, চিত্র-পরিচালক ও প্রচ্ছদশিল্পী।

২০০১ - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ. বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি।

২০০৮ - ব্রিটিশ অভিনেতা পল স্কোফিল্ড।

২০০৮ - ব্রিটিশ সায়েন্সফিকশন লেখক আর্থার সি ক্লার্ক ।

২০১৬ - বাংলাদেশের প্রথম নিউরো সার্জন ডা. রশিদ উদ্দিন ।

২০১৯ - রমেন রায় চৌধুরী, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র ও মঞ্চাভিনেতা।

২০২২ - বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ।

২০২২ - বাংলা একাডেমির ফেলো, সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক দিলারা হাশেম।

সান নিউজ/এমএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Mar 2025 07:00:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিমল ঘোষ’র জন্ম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111449" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/111449</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: আজকের ঘটনা কাল অতীত। প্রত্যেকটি অতীত সময়ের স্রোতে এক সময় হয়ে উঠে ইতিহাস। পৃথিবীর বয়স যতোই বাড়ে ইতিহাস ততোই সমৃদ্ধ হয়। এই সমৃদ্ধ ইতিহাসের প্রতিটি ঘটনার প্রতি মানুষের আগ্রহ চিরাচরিত। ইতিহাসের প্রতিটি দিন তাই ভীষণ গুরুত্ব পায় সকলের কাছে ।

আরও পড়ুন: মওদুদ আহমে&rsquo;র প্রয়াণ

সান নিউজ পাঠকদের আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে সংযোজন করেছে নতুন আয়োজন &lsquo;ইতিহাসের এই দিন&rsquo;।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৬ লা রমজান, ১৪৪৬ হিজরি। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

আরও পড়ুন: দীনেশ দাশ&rsquo;র প্রয়াণ

ঘটনাবলী

১৭৮৬ - কলকাতায় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে জেনারেল ব্যাংক অব ইন্ডিয়া স্থাপিত হয়।

১৮০০ - শ্রীরামপুর মিশনে বাংলা ভাষায় প্রথম বই &lsquo;মঙ্গল সমাচার&rsquo; প্রকাশিত হয়।

১৮৭১ - ফ্রান্সে শ্রমজীবী মানুষের বিপ্লবের মধ্য দিয়ে প্যারি কমিউন প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৪ - চলো দিল্লি ধ্বনি মুখে আজাদ হিন্দ ফৌজ ভারত-বর্মা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মাটিতে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে।

১৯৬৫ - সোভিয়েত নভোচারী আলেক্সি লিওনভ মহাশূন্যে মানুষের পদচারণার প্রথম ইতিহাস সৃষ্টি করেন।

১৯৯৪ - বসনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে ওয়াশিংটনে বসনিয়া-মুসলিম-ক্রোট ফেডারেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

২০২০ - করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রথম রোগীর মৃত্যু ঘটে।

আরও পড়ুন: গণেশ পাইন&rsquo;র প্রয়াণ

জন্ম

১৬৯০ - প্রুশিয়ান বংশোদ্ভূত জার্মান গণিতবিদ ও শিক্ষাবিদ ক্রিস্টিয়ান গোল্ডবাখ জন্মগ্রহণ করেন।

১৭৮২ - আমেরিকান আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৭ম ভাইস প্রেসিডেন্ট জন সি. কালহউন জন্মগ্রহণ করেন।

১৮২৮ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রাজনীতিবিদ উইলিয়াম র্যান্ডাল ক্রেমার জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৩৭ - গ্রোভার ক্লিভ্&zwnj;ল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২২তম এবং ২৪তম রাষ্ট্রপতি।

১৮৫৮ - ডিজেল ইঞ্জিনের উদ্ভাবক একজন জার্মান উদ্ভাবক রুডলফ ডিজেল জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৬৯ - ইংরেজ ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী নেভিল চেম্বারলেইন জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৭৪ - রাশিয়ান বংশোদ্ভূত ফরাসি দার্শনিক ও ধর্মতত্ত্ববিদ নিকোলাই বেরডয়াভ জন্মগ্রহণ করেন।

১৮৭৭ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও প্রকৌশলী ক্লিমেন্ট ক্লেম হিল জন্মগ্রহণ করেন।

১৯০১ - শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক ।

১৯০৩ - ইতালীয় সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী গালেয়াযো কিয়ান জন্মগ্রহণ করেন।

১৯১০ - শিশু সাহিত্যিক বিমল ঘোষ জন্মগ্রহণ করেন।

বিমলচন্দ্র ঘোষ (১২ ডিসেম্বর ১৯১০ &ndash; ২২ অক্টোবর ১৯৮১) একজন বাঙালি বামপন্থী কবি ছিলেন। বিমলচন্দ্র ঘোষ ১৯১০ খ্রিষ্টাব্দের ১২ই ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের কলকাতা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল নগেন্দ্রনাথ ঘোষ। তাদের পৈতৃক বাড়ি ছিল হাওড়ার বালি শহরে।

১৯১২ - বিমল মিত্র, লেখক, ঔপন্যাসিক।

১৯২৬ - হিমানীশ গোস্বামী বিশিষ্ট রস সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও ব্যঙ্গচিত্রী ৷

১৯২৮ - রাজনীতিবিদ ও ১২ তম প্রেসিডেন্ট ফিদেল ভালদেজ রামোস জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৩৩ - পূর্ণদাস বাউল, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভারতীয় বাঙালি বাউল সঙ্গীত শিল্পী।

১৯৩৬ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকার আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ফ্রেদেরিক উইলেম ডি ক্লার্ক জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৩৮ - ভারতীয় অভিনেতা ও প্রযোজক শশী কাপুর জন্মগ্রহণ করেন। ।

১৯৩৯ - রন অ্যাটকিনসন,সাবেক ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়

১৯৪৭ - ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার ও সাংবাদিক ডেভিড লয়েড জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৫৯ - ফরাসি পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার লুক বেসন জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭০ - আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়িকা ও রাপার কুইন লাতিফা জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮১ - জার্মান ফুটবলার টম স্টারকে জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৮৭ - আর্জেন্টিনার ফুটবলার জন্মগ্রহণ মাউরো যারাটে করেন।

১৯৯৬ - ম্যাডেলিন ক্যারল, একজন বিখ্যাত আমেরিকান অভিনেত্রী।

আরও পড়ৃুন: সন্তু মুখার্জি&rsquo;র প্রয়াণ

মৃত্যু

২৩৫ - সেভেরাস আলেকসান্দার, রোমান সম্রাট।

৯৭৮ - এডওয়ার্ড মার্টার, ইংরেজ রাজা।

১৭৪৫ - রবার্ট ওয়ালপলে, ইংরেজ পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।

১৮৭১ - অগাস্টাস ডি মর্গান, ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইংরেজ গণিতবিদ।

১৯০৭ - মারকেলিন বেরথেলট, ফরাসি রসায়নবিদ, রাজনীতিবিদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী।

১৯৭৪ - বুদ্ধদেব বসু, বিশ শতকের বাঙালি কবি।

১৯৭৯ - আবুল মনসুর আহমেদ, বাংলাদেশি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ।

১৯৮০ - এরিক ফরম্, জার্মান মনোবিজ্ঞানী ও দার্শনিক।

১৯৯৬ - অডসেয়াস এলয়টিস, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী গ্রিক কবি।

২০০৭ - বব উলমার, ভারতীয় সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটার ও কোচ।

২০০৮ - অ্যান্টনি মিনজেলা, ব্রিটিশ চলচ্চিত্র পরিচালক, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার।

২০০৯ - নাতাশা রিচার্ডসন, ইংরেজ অভিনেত্রী।

২০২২ - সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্র গবেষক।

২০২৪ - বাংলাদেশি জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী চাইম ব্যান্ডের ভোকাল খালিদ।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 18 Mar 2025 04:08:09 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
