<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/lifestyle</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/lifestyle"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews lifestyle Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest lifestyle News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Mon, 06 Jul 2026 12:59:53 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[অন্যের আপন হয়ে উঠবেন যেভাবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/116032" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/116032</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্যস্ত জীবনে ছোট ছোট মানবিক আচরণই একজন মানুষের কাছে আপন হয়ে ওঠার সবচেয়ে সহজ উপায়। অনেক সময় বড় কোনো উদ্যোগ নয়, বরং আন্তরিকতা, সহমর্মিতা ও যত্নের ছোট্ট প্রকাশই অন্যের মনে স্থায়ী জায়গা করে দেয়। কয়েকটি সহজ অভ্যাস আপনাকে অন্যের কাছে আরও আপন করে তুলতে পারে।

মনোযোগ দিয়ে শুনুন

সব সমস্যার সমাধান দিতে হবে এমন নয়। অনেক সময় একজন মানুষ শুধু চায় কেউ তার কথা মন দিয়ে শুনুক। বিচার না করে ধৈর্য নিয়ে শুনলে তার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায়।

প্রয়োজনের আগেই সাহায্যের হাত বাড়ান

ছোটখাটো কাজে এগিয়ে আসা, যেমন দরজা ধরে রাখা, ব্যাগ বহনে সহায়তা করা বা বিপদে পাশে দাঁড়ানো&mdash;এসব আচরণ অন্যের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

উৎসাহ দিন

আন্তরিক প্রশংসা, অনুপ্রেরণামূলক কথা বা একটি ছোট বার্তাও কারও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিতে পারে। আপনার কয়েকটি ইতিবাচক বাক্য একজন মানুষের কঠিন সময় সহজ করতে পারে।

নিঃস্বার্থভাবে ভাগাভাগি করুন

উদারতা শুধু অর্থ দিয়ে নয়, সময়, মনোযোগ কিংবা প্রয়োজনীয় জিনিস ভাগ করে নেওয়ার মধ্যেও প্রকাশ পায়। ছোট ছোট সহমর্মিতার কাজ সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।

নিজ থেকেই যোগাযোগ করুন

ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় যোগাযোগ কমে যায়। তবে একটি ফোনকল বা &lsquo;কেমন আছেন?&rsquo;&mdash;এই ছোট্ট খোঁজও কাউকে অনুভব করাতে পারে যে তিনি একা নন।

অন্যের সাফল্যে আনন্দিত হোন

তুলনা না করে অন্যের অর্জনে আন্তরিকভাবে খুশি হলে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্পর্ক আরও গভীর হয়।

সবাইকে আপন করে নিন

নতুন সহকর্মী, সহপাঠী বা প্রতিবেশীর সঙ্গে আন্তরিক আচরণ করুন। কাউকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা বা তার খোঁজ নেওয়ার মতো ছোট উদ্যোগও সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 12:59:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115996" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115996</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্যস্ত জীবন, কর্মক্ষেত্রের চাপ, পারিবারিক দায়িত্ব কিংবা আর্থিক অনিশ্চয়তা নানান কারণে মানসিক চাপ এখন অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। অনেকেই এটিকে স্বাভাবিক বলে মনে করলেও দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা মানসিক চাপ শরীর ও মনের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র মানসিক চাপ সাধারণত হৃদরোগের একমাত্র কারণ নয়। তবে দীর্ঘস্থায়ী চাপ উচ্চ রক্তচাপ, প্রদাহ, ঘুমের সমস্যা এবং অন্যান্য শারীরিক পরিবর্তনের মাধ্যমে হৃদরোগের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মানসিক চাপের সময় শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন নামের দুটি হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এর ফলে হৃৎস্পন্দন দ্রুত হয়, রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বেড়ে যায়। স্বল্প সময়ের জন্য এসব প্রতিক্রিয়া শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হলেও দীর্ঘদিন ধরে একই অবস্থা চলতে থাকলে তা হৃদযন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ রক্তনালীর ক্ষতি, উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বাড়াতে পারে। এসব কারণে হার্ট অ্যাটাকসহ বিভিন্ন হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে, তীব্র মানসিক আঘাতের পর কিছু মানুষের ক্ষেত্রে &lsquo;ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম&rsquo; নামে পরিচিত একটি সাময়িক হৃদরোগ দেখা দিতে পারে। এ অবস্থায় অল্প সময়ের জন্য হৃদপেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। যদিও এটি বিরল, তবুও বিশেষজ্ঞরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার পরামর্শ দেন।

মানসিক চাপের আরেকটি বড় প্রভাব পড়ে জীবনযাপনের ওপর। অনেকে চাপ সামলাতে ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ, মদ্যপান কিংবা শারীরিক পরিশ্রম এড়িয়ে চলার মতো অভ্যাস গড়ে তোলেন। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবও দেখা দেয়। এসব কারণ স্থূলতা, উচ্চ কোলেস্টেরল ও উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত হৃদরোগের সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধি করে।

চিকিৎসকদের মতে, মানসিক চাপ পুরোপুরি এড়ানো সম্ভব না হলেও এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। নিয়মিত ব্যায়াম, স্বাস্থ্যকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস, প্রতিদিন সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুম এবং প্রয়োজনে পরিবার, বন্ধু বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়া মানসিক চাপ কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এসব অভ্যাস হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মানসিক চাপকে অবহেলা না করে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা উচিত। কারণ সুস্থ হৃদযন্ত্রের জন্য শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Jul 2026 10:41:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২৪ ঘণ্টা না খেয়ে থাকলে শরীরে কী ঘটে? জানুন উপকারিতা ও ঝুঁকি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115938" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115938</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমানে ওজন নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে টানা ২৪ ঘণ্টা না খেয়ে থাকার প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্দিষ্ট সময় খাবার থেকে বিরত থাকলে শরীরে একাধিক বিপাকীয় পরিবর্তন ঘটে। তবে এর উপকারিতার পাশাপাশি কিছু ঝুঁকিও রয়েছে।

শরীরে কী ঘটে?

খাবার না খেলে প্রথমে শরীর লিভারে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন ব্যবহার করে রক্তে শর্করার স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখে। গ্লাইকোজেনের মজুত কমে গেলে শরীর শক্তির জন্য সঞ্চিত চর্বি ভাঙতে শুরু করে এবং কিটোন উৎপন্ন হয়। এ সময় ইনসুলিনের মাত্রা কমে যায়, আর গ্লুকাগনের মতো হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা শরীরকে সঞ্চিত শক্তি ব্যবহারে সহায়তা করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে এ পরিবর্তন সাধারণত স্বাভাবিকভাবে ঘটে। তবে যারা এ ধরনের ফাস্টিংয়ে অভ্যস্ত নন, তারা ক্ষুধা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বিরক্তি, মনোযোগের ঘাটতি বা হালকা দুর্বলতা অনুভব করতে পারেন।

কারা সতর্ক থাকবেন?

বেশিরভাগ সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টা না খেয়ে থাকলেও রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যায় না। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি, ইনসুলিন বা রক্তে শর্করা কমানোর ওষুধ গ্রহণকারী, গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারী, শিশু এবং দুর্বল বা বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘ সময় উপবাস করা উচিত নয়। এতে হাইপোগ্লাইসেমিয়া, পানিশূন্যতা এবং অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে।

গবেষণায় যা জানা গেছে

২০২৩ সালে ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন (এনসিবিআই )-এ প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, নিয়ন্ত্রিত উপবাস ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়াতে, শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ক্ষতিকর রক্তের চর্বি (অ্যাথেরোজেনিক লিপিড) কমাতে সহায়ক হতে পারে।

ঝুঁকি কি কি? 

দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার শুরুতে অনেকের মাথাব্যথা হতে পারে। এর কারণ হতে পারে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া, পানিশূন্যতা, ক্যাফেইন থেকে বিরত থাকা অথবা শরীরের প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া।

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি উপবাস কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে পেশি ক্ষয় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, কম ওজনের ব্যক্তি, শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টার উপবাস কতটা নিরাপদ, সে বিষয়ে এখনও পর্যাপ্ত তথ্য নেই।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ২৪ ঘণ্টা না খেয়ে থাকার মতো ফাস্টিং রুটিন অনুসরণ করতে চাইলে অবশ্যই চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 14:11:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অ্যাজমা থাকলে এড়িয়ে চলুন এই খাবারগুলো]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115878" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115878</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অ্যাজমা বা হাঁপানি একটি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগ। এটি পুরোপুরি খাদ্যনির্ভর না হলেও, কিছু নির্দিষ্ট খাবার অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে। অন্যদিকে, সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং প্রদাহ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই অ্যাজমা রোগীদের জন্য কোন খাবার উপকারী আর কোনটি এড়িয়ে চলা উচিত&mdash;তা জানা অত্যন্ত জরুরি।

খাবার কি অ্যাজমার সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার সরাসরি অ্যাজমার কারণ নয়। তবে কিছু খাদ্য উপাদান সংবেদনশীল ব্যক্তিদের শ্বাসকষ্ট, কাশি কিংবা বুকে চাপ অনুভবের মতো উপসর্গ বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিশেষ করে সালফাইট জাতীয় সংরক্ষণকারী উপাদান রয়েছে এমন খাবার অনেক অ্যাজমা রোগীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। শুকনো ফল, প্রক্রিয়াজাত আলু, বিভিন্ন ধরনের ওয়াইনসহ কিছু সংরক্ষিত খাবারে এই উপাদান থাকে।

এছাড়া সংরক্ষণকারী রাসায়নিকযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন হট ডগ, সসেজ, হ্যাম, পেপারোনি এবং টিনজাত মাংস যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

যাদের খাবারে অ্যালার্জি আছে, তাদের বাড়তি সতর্কতা

অনেক অ্যাজমা রোগীর নির্দিষ্ট কিছু খাবারে অ্যালার্জি থাকে। যেমন&mdash;


	দুধ
	ডিম
	চিনাবাদাম
	শেলফিশ
	অন্যান্য অ্যালার্জিজনিত খাবার


এসব খাবার খাওয়ার পর যদি শ্বাসকষ্ট বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেগুলো খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত।

নিজের ট্রিগার খাবার শনাক্ত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

প্রত্যেক মানুষের শরীরের প্রতিক্রিয়া এক নয়। তাই কোন খাবার আপনার অ্যাজমা বাড়িয়ে দেয়, তা শনাক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। সেই খাবারগুলো এড়িয়ে চলতে পারলে অ্যাজমার আক্রমণের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

গবেষণায়ও দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। ২০২০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা পর্যালোচনায় দেখা যায়, উদ্ভিদভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস শরীরের প্রদাহ কমাতে, অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে সহায়ক।

যেসব খাবার ফুসফুস ভালো রাখতে সাহায্য করে

১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি

বেরি, কমলা, পালং শাক, ব্রোকলি, গাজরসহ রঙিন ফল ও সবজি শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে এবং ফুসফুসের সুস্থতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।

২. ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ খাবার

স্যামন, সার্ডিন, আখরোট এবং ফ্ল্যাক্স সিডে থাকা ওমেগা-৩ প্রদাহ কমাতে কার্যকর বলে মনে করা হয়।

৩. ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাদ্য

পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং শ্বাসতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

৪. পূর্ণ শস্য ও ডালজাতীয় খাবার

আঁশসমৃদ্ধ শস্য ও বিভিন্ন ধরনের ডাল শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায় এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়ক।

৫. ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার

সবুজ শাকসবজি, কুমড়ার বীজসহ ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার শ্বাসনালির স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ নয়, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিজের অ্যালার্জির কারণগুলো শনাক্ত করা, প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাওয়া এবং ফল, শাকসবজি ও পুষ্টিকর খাবার বেশি গ্রহণ করলে অ্যাজমার উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতে পারে। তবে খাদ্যতালিকায় বড় কোনো পরিবর্তন আনার আগে অবশ্যই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 01 Jul 2026 06:20:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৪৫ বছরের পর পুরুষদের জন্য সতর্কবার্তা !]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115870" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115870</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতীয় উপমহাদেশে পুরুষদের মধ্যে প্রোস্টেট-সংক্রান্ত রোগ, বিশেষ করে প্রোস্টেট ক্যানসার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামাজিক সংকোচ ও সচেতনতার অভাবে অনেক পুরুষ প্রস্রাব বা যৌন স্বাস্থ্যের পরিবর্তনকে গুরুত্ব দেন না। ফলে অনেক ক্ষেত্রে রোগ দেরিতে শনাক্ত হয় এবং চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়ে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য, ৪৫ বছর বয়সের পর প্রস্রাবের অভ্যাস বা যৌন স্বাস্থ্যে পরিবর্তন দেখা দিলে তা শুধু বয়সজনিত সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। প্রয়োজন হলে দ্রুত ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

রাতে বারবার প্রস্রাবের বেগ হওয়া

রাতে একাধিকবার ঘুম ভেঙে প্রস্রাবের জন্য উঠতে হলে সেটি প্রোস্টেটের সমস্যা, বিশেষ করে প্রোস্টেট বড় হয়ে যাওয়ার (বিনাইন প্রোস্টেটিক হাইপারপ্লাসিয়া বা BPH) লক্ষণ হতে পারে। যদিও এটি সব সময় ক্যানসারের ইঙ্গিত নয়, তবু কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

প্রস্রাবের ধারা দুর্বল বা থেমে থেমে হওয়া

প্রস্রাব শুরু করতে কষ্ট হওয়া, ধারা দুর্বল হওয়া বা প্রস্রাব শেষে ফোঁটা ফোঁটা ঝরার মতো উপসর্গও প্রোস্টেটের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। দীর্ঘদিন অবহেলা করলে মূত্রথলি ও কিডনির জটিলতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।

হঠাৎ বা স্থায়ী যৌন অক্ষমতা

যৌন অক্ষমতার পেছনে ডায়াবেটিস, হৃদ্&zwnj;রোগ, মানসিক চাপসহ নানা কারণ থাকতে পারে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রোস্টেটের রোগের সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে। তাই নিজে থেকে ওষুধ সেবন না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

কখন পরীক্ষা করাবেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪৫&ndash;৫০ বছর বয়সের পর, বিশেষ করে যাদের পরিবারে প্রোস্টেট ক্যানসারের ইতিহাস রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজন হলে PSA রক্ত পরীক্ষা ও ডিজিটাল রেকটাল পরীক্ষা (DRE) করানো যেতে পারে। তবে সবার জন্য নিয়মিত PSA পরীক্ষা বাধ্যতামূলক নয়; এটি ব্যক্তির বয়স, ঝুঁকি ও শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে চিকিৎসক নির্ধারণ করেন।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, প্রস্রাবের অভ্যাসে পরিবর্তন, প্রস্রাবে রক্ত, দীর্ঘদিনের প্রস্রাবজনিত সমস্যা বা নতুন করে যৌন স্বাস্থ্যের জটিলতা দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসার সফলতার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

সূত্র: এনডিটিভি

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 30 Jun 2026 14:20:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মস্তিষ্ক কেন ভুলে যায়? স্মৃতিশক্তি কমার কারণগুলো জানুন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115834" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115834</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দৈনন্দিন জীবনে ছোট ছোট বিষয়ও অনেক সময় মনে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে? নাম, তারিখ বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ ভুলে যাওয়ার প্রবণতা এখন অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে রয়েছে জীবনযাত্রার নানা অনিয়ম, মানসিক চাপ এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ কিছু ঘাটতি।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত কাজের চাপ, দীর্ঘ সময় মানসিক উদ্বেগ, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব এবং কোভিড-পরবর্তী শারীরিক প্রভাব&mdash; এসব মিলেই মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। ফলে মনোযোগ কমে যাওয়া এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার সমস্যা বাড়ছে।

পানিশূন্যতা কি স্মৃতিশক্তি কমিয়ে দিচ্ছে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার অন্যতম বড় কারণ হলো শরীরে পানির ঘাটতি বা ডিহাইড্রেশন। নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি না পান করলে শরীরের কোষে সংকেত আদান-প্রদান ধীর হয়ে যায়, যা সরাসরি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতায় প্রভাব ফেলে।

একজন পুষ্টিবিদ জানিয়েছেন, শরীরের মোট পানির মাত্রা মাত্র ২ শতাংশ কমে গেলেই তা স্মৃতি ও মনোযোগে প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘ সময় ডেস্কে কাজ, অনিয়মিত খাবার, অতিরিক্ত চা-কফি এবং কম পানি পান করার কারণে এই সমস্যা এখন অনেক কর্মজীবীর মধ্যে দেখা যাচ্ছে।

জীবনযাত্রার অনিয়ম ও মস্তিষ্কের দুর্বলতা

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক জীবনযাত্রায় দীর্ঘ সময় যাতায়াত, মানসিক চাপ এবং বিশ্রামের অভাব একসঙ্গে মস্তিষ্কের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে ধীরে ধীরে কগনিটিভ ক্ষমতা বা চিন্তা করার শক্তি কমে যাচ্ছে।

স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ

শুধু পানিশূন্যতা নয়, আরও অনেক কারণ রয়েছে যা স্মৃতিশক্তিকে প্রভাবিত করে&mdash;

১. বয়সজনিত প্রভাব
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তথ্য মনে রাখার গতি ধীর হয়। তবে অতিরিক্ত ভুলে যাওয়া ডিমেনশিয়া বা আলঝাইমারের লক্ষণও হতে পারে।

২. ঘুমের ঘাটতি
ঘুম মস্তিষ্ককে তথ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে। অনিদ্রা বা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো সমস্যা স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে।

৩. ভিটামিনের অভাব
বিশেষ করে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি হলে মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তিতে সমস্যা দেখা দেয়।

৪. মাথায় আঘাত
মাথায় আঘাত লাগলে মস্তিষ্কের স্মৃতি সংরক্ষণ প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

৫. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
কিছু সিডেটিভ, অ্যান্টিহিস্টামিন বা অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ স্মৃতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।

৬. স্নায়বিক রোগ
আলঝাইমার, পারকিনসন বা মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের মতো রোগ স্মৃতিশক্তি ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয়।

৭. সংক্রমণ বা স্ট্রোক
মস্তিষ্কে সংক্রমণ বা স্ট্রোক হলে হঠাৎ করে স্মৃতিশক্তি হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়।

কীভাবে সতর্ক থাকবেন?

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা, নিয়মিত ঘুম, সুষম খাবার গ্রহণ এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা স্মৃতিশক্তি ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সময়মতো এই বিষয়গুলো উপেক্ষা করলে সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে।

মস্তিষ্কের যত্ন নেওয়া মানে ভবিষ্যতের জীবনকে সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখা&mdash; এমনটাই মনে করছেন চিকিৎসকরা।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 29 Jun 2026 10:11:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তীব্র গরমে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি: লক্ষণ ও প্রতিকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115820" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115820</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশজুড়ে চলমান তীব্র গরম ও তাপপ্রবাহের কারণে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দীর্ঘ সময় অতিরিক্ত তাপের মধ্যে থাকলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ব্যাহত হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা না পেলে হিট স্ট্রোক প্রাণঘাতী রূপ নিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা যখন ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি হয়ে যায় এবং শরীর সেই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়, তখন হিট স্ট্রোক দেখা দেয়। এ অবস্থায় মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র, কিডনি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

হিট স্ট্রোকের লক্ষণ কী কী?

হিট স্ট্রোকের কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো&mdash;


	শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া
	ত্বক অত্যন্ত গরম, শুষ্ক ও লালচে হয়ে যাওয়া
	অতিরিক্ত দুর্বলতা বা প্রচণ্ড পিপাসা
	মাথাব্যথা ও মাথা ঘোরা
	বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
	দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া
	বিভ্রান্তি, অসংলগ্ন কথা বলা বা আচরণে পরিবর্তন
	অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি
	পেশিতে টান বা তীব্র ব্যথা অনুভব করা


কারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে?

কিছু মানুষের ক্ষেত্রে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

শিশু ও প্রবীণরা: তাদের শরীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে তুলনামূলক কম সক্ষম হওয়ায় ঝুঁকি বেশি থাকে।

রোদে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষ: কৃষক, নির্মাণ শ্রমিক, রিকশাচালক, ট্রাফিক পুলিশসহ যারা দীর্ঘ সময় রোদের মধ্যে কাজ করেন।

দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি: হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগে ভোগা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি।

নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণকারী ব্যক্তি: মূত্রবর্ধক, অ্যান্টিহিস্টামিন, অ্যাসপিরিন বা বিটা-ব্লকারজাতীয় ওষুধ গ্রহণকারীদের সতর্ক থাকতে হবে।

এ ছাড়া অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতায় ভোগা ব্যক্তিরাও সহজেই হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারেন।

হিট স্ট্রোক হলে কী করবেন?

কেউ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।


	আক্রান্ত ব্যক্তিকে সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা বা ছায়াযুক্ত স্থানে নিয়ে যান।
	ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিন এবং ফ্যান বা ঠান্ডা বাতাসের ব্যবস্থা করুন।
	মাথা, ঘাড় ও বগলের নিচে বরফ বা ঠান্ডা পানির প্যাক ব্যবহার করুন।
	রোগী সচেতন থাকলে অল্প অল্প করে বিশুদ্ধ পানি বা খাবার স্যালাইন পান করান।
	রোগী অজ্ঞান হয়ে গেলে, খিঁচুনি দেখা দিলে বা বিভ্রান্ত আচরণ করলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।


যেভাবে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ করবেন

প্রচণ্ড গরমে কিছু সাধারণ সতর্কতা মেনে চললে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।


	বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন।
	পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন, পিপাসা না পেলেও।
	ডাবের পানি, লেবুর শরবত ও খাবার স্যালাইন পান করতে পারেন।
	হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরুন।
	বাইরে বের হলে ছাতা, টুপি বা ক্যাপ ব্যবহার করুন।
	অতিরিক্ত চা, কফি ও ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় কম পান করুন, কারণ এগুলো শরীরকে আরও পানিশূন্য করে তুলতে পারে।


সচেতনতাই হতে পারে সবচেয়ে বড় সুরক্ষা

গরমের সময় হিট স্ট্রোককে সাধারণ অসুস্থতা ভেবে অবহেলা করা উচিত নয়। দ্রুত লক্ষণ শনাক্ত করা, প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া এবং প্রয়োজনে হাসপাতালে নেওয়ার মাধ্যমে প্রাণহানির ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। তাই তাপপ্রবাহের সময় নিজের পাশাপাশি পরিবারের শিশু, বয়স্ক এবং অসুস্থ সদস্যদের প্রতিও বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 29 Jun 2026 07:09:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোমান্সের আগে কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115713" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115713</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সুস্থ ও সুখী দাম্পত্য জীবনে মানসিক বোঝাপড়ার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর এই শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস গভীরভাবে যুক্ত। কিছু খাবার শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, মেজাজ ভালো রাখে এবং ইতিবাচক অনুভূতি তৈরি করে। আবার কিছু খাবার হজমে সমস্যা, ক্লান্তি বা অস্বস্তি তৈরি করে বিশেষ মুহূর্তের আনন্দ নষ্ট করতে পারে।

তাই সঙ্গীর সঙ্গে বিশেষ সময় কাটানোর আগে কোন খাবার উপকারী, আর কোনগুলো এড়িয়ে চলা উচিত&mdash;তা জানা খুবই জরুরি।

যেসব খাবার আপনার মেজাজ ও সম্পর্ককে আরও ভালো করতে পারে
ডালিম বা বেদানা
ডালিমকে বহু বছর ধরে উর্বরতা ও শক্তির প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। আধুনিক গবেষণাও বলছে, এটি রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং মানসিক উচ্ছ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে রোমান্টিক মুহূর্ত আরও প্রাণবন্ত হতে পারে।

চকলেট
চকলেট খেলে মস্তিষ্কে সেরোটোনিন ও ফিনাইলইথাইলামিন নিঃসরণ হয়, যা আনন্দ ও আকর্ষণের অনুভূতি তৈরি করে। এজন্যই চকলেটকে রোমান্সের প্রতীক বলা হয়।

পালং শাক
দেখতে সাধারণ হলেও এটি ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রনে ভরপুর, যা হরমোন ব্যালেন্স এবং শারীরিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

তরমুজ
তরমুজে থাকা সিট্রুলিন রক্তনালি প্রসারিত করে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা শরীরকে বেশি সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।

অ্যাভোকাডো
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও ভিটামিন বি৬ সমৃদ্ধ এই ফলটি দীর্ঘসময় শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং মানসিক স্বস্তি বাড়ায়।

কফি ও চা
ক্যাফেইন স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় করে মুড ভালো রাখে। তবে ঘুমের আগে এগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।

চর্বিযুক্ত মাছ ও ঝিনুক
ওমেগা-৩ ও জিঙ্ক সমৃদ্ধ এই খাবারগুলো হরমোন ব্যালেন্স এবং শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

যেসব খাবার রোমান্টিক মুহূর্তে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে
অ্যালকোহল
অতিরিক্ত অ্যালকোহল হরমোন ব্যালেন্স নষ্ট করে, ক্লান্তি বাড়ায় এবং সংবেদনশীলতা কমিয়ে দেয়।

অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার
গরুর মাংস বা মাখনের মতো খাবার হজমে সময় নেয়, ফলে শরীর অলস ও ভারী অনুভব হতে পারে।

শিম ও ডালজাত খাবার
এগুলো হজমে গ্যাস তৈরি করে পেট ফাঁপা ও অস্বস্তির কারণ হতে পারে।

ব্রকলি ও বাঁধাকপি
যদিও পুষ্টিকর, তবে এগুলো থেকে গ্যাস ও দুর্গন্ধযুক্ত উপাদান তৈরি হতে পারে।

রসুন ও পেঁয়াজ
এগুলো মুখে দুর্গন্ধ তৈরি করে, যা অন্তরঙ্গ মুহূর্তে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।

ভারী কার্বোহাইড্রেট
ভাত, পাস্তা বা রুটি বেশি খেলে দ্রুত ক্লান্তি ও ঘুম ঘুম ভাব আসতে পারে।

ভাজাপোড়া ও ফাস্টফুড
তৈলাক্ত খাবার পেট ফাঁপা ও হজমের সমস্যা তৈরি করে, যা মুড নষ্ট করতে পারে।

দুগ্ধজাত খাবার
অনেকের ক্ষেত্রে ল্যাকটোজ সমস্যা বা হজমজনিত অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

শেষ কথা
রোমান্টিক মুহূর্ত শুধু অনুভূতির বিষয় নয়, শরীরের প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাবার যেমন আপনার মেজাজ ও শক্তি বাড়াতে পারে, ভুল খাবার তেমনি অস্বস্তি তৈরি করে মুহূর্তকে নষ্ট করতে পারে। তাই খাবার নির্বাচনেও একটু সচেতন থাকাই সম্পর্ককে আরও সুন্দর ও উপভোগ্য করে তুলতে পারে।

সান নিউজ/ কেএনআই

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 25 Jun 2026 09:00:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গাল বা মুখমণ্ডল ফুলছে? হতে পারে গুরুতর সংকেত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115592" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115592</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

সকালে ঘুম থেকে উঠে আয়নায় তাকিয়ে যদি মুখ বা গাল ফোলা দেখেন, তাহলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের কারণে শরীরে পানি জমে গিয়ে মুখমণ্ডলসহ বিভিন্ন অঙ্গে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। সাময়িক মনে হলেও এই সমস্যা শরীরের পানির ভারসাম্যহীনতার ইঙ্গিত হতে পারে।

কেন ফুলে যায় গাল?

লবণের প্রধান উপাদান সোডিয়াম শরীরে পানি ধরে রাখার প্রবণতা বাড়ায়। ফলে শরীর স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে অতিরিক্ত তরল জমা রাখে, যা মুখমণ্ডল ও বিশেষ করে চোখের নিচে ফোলাভাব সৃষ্টি করে। তবে শুধু লবণই নয়, মুখ বা গাল ফুলে যাওয়ার আরও বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যেমন&mdash;

অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া
কিডনির সমস্যা
থাইরয়েডের অসংগতি
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
সাইনাসের জটিলতা
পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব
পানিশূন্যতা
কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অ্যালকোহল গ্রহণ
সমাধান কী?

লবণজনিত ফোলাভাব কমাতে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত ও অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার এড়িয়ে সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

শসা, তরমুজসহ পানিসমৃদ্ধ ফল ও সবজি শরীরের অতিরিক্ত পানি ও সোডিয়াম বের করে দিতে সহায়তা করে। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও মুখের ফোলাভাব কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে গাল বা মুখ ফুলে থাকলে বিষয়টিকে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ অনেক ক্ষেত্রে এটি শরীরের ভেতরের কোনো জটিল রোগের লক্ষণও হতে পারে।

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, ত্বক সতেজ রাখতে এবং ফোলাভাব এড়াতে লবণ গ্রহণে সংযম, পর্যাপ্ত পানি পান ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই।
সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 22 Jun 2026 06:34:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডায়াবেটিস কি লিভারের অসুখের ঝুঁকি বাড়ায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115567" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115567</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ডায়াবেটিস হলে সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ এটি আরও অনেক অসুখ ডেকে আনতে পারে। অনেক সময় সেসব অসুখ নীরবে লুকিয়ে থাকে, যা সহসা ধরা পড়ে না। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত অনেকের লিভারের লুকানো ক্ষতিও থাকতে পারে, যা এই বিষয়ে আরও বেশি সচেতনতা এবং নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।
গবেষকরা বলছেন, হৃৎপিণ্ড, কিডনি এবং চোখের সমস্যার পাশাপাশি লিভারের রোগকেও এখন ডায়াবেটিসের একটি প্রধান জটিলতা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এই ফলাফলগুলো এসেছে &lsquo;ডায়াফিব-লিভার স্টাডি&rsquo; থেকে, যা &lsquo;দ্য ল্যানসেট রিজিওনাল হেলথ- সাউথইস্ট এশিয়া&rsquo; জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকরা কী খুঁজে পেয়েছেন
এই গবেষণায় ভারতজুড়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ৯,২০০ জনেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্কের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষকরা লিভার ফাইব্রোসিসের উপস্থিতি পরীক্ষা করেছেন, যা এমন একটি অবস্থা যেখানে সুস্থ লিভারের টিস্যু ধীরে ধীরে ক্ষত টিস্যু দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। ধীরে ধীরে গুরুতর লিভার ফাইব্রোসিস থেকে সিরোসিস, লিভার ফেইলিওর এবং এমনকি লিভার ক্যান্সারও হতে পারে।
ফলাফলগুলো উদ্বেগজনক ছিল। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রায় ২৬% এর মধ্যে চিকিৎসাগতভাবে উল্লেখযোগ্য লিভার ফাইব্রোসিস পাওয়া গেছে, যেখানে ১৪% এর মধ্যে অ্যাডভান্সড ফাইব্রোসিস ছিল। প্রায় ৫% এর মধ্যে লিভার রোগের কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ না থাকা সত্ত্বেও সম্ভাব্য সিরোসিসের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ লক্ষণ দেখা গেছে।
গবেষকরা আরও আবিষ্কার করেছেন যে অংশগ্রহণকারীদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের লিভারে অতিরিক্ত চর্বি ছিল, যা এখন মেটাবলিক ডিসফাংশন-অ্যাসোসিয়েটেড স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ (MASLD) নামে পরিচিত। তবে, সবচেয়ে আশ্চর্যজনক আবিষ্কারগুলোর মধ্যে একটি ছিল যে লিভার ফাইব্রোসিস শুধুমাত্র ফ্যাটি লিভারের রোগীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। এমনকী কিছু রোগীর লিভারে শনাক্তযোগ্য চর্বি না থাকলেও লিভারে উল্লেখযোগ্য ক্ষতচিহ্ন ছিল, যা থেকে বোঝা যায় যে লিভারের ক্ষতি বছরের পর বছর ধরে লুকানো থাকতে পারে।

টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং লিভার রোগের সংযোগ
বিশেষজ্ঞরা ব্যাখ্যা করেন যে, টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং লিভার রোগের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ সংযোগ রয়েছে। রক্তে শর্করার উচ্চ মাত্রা, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স এবং স্থূলতা লিভারে চর্বি জমার কারণ হতে পারে। ধীরে ধীরে এটি প্রদাহ এবং ক্ষতচিহ্ন তৈরি করতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত ফাইব্রোসিস এবং সিরোসিসের দিকে নিয়ে যায়।

গবেষকরা ফাইব্রোস্ক্যান নামক একটি নন-ইনভেসিভ পরীক্ষা ব্যবহার করেছেন, যা লিভারের দৃঢ়তা পরিমাপ করে এবং বায়োপসি ছাড়াই ফাইব্রোসিস শনাক্ত করতে পারে। তারা বিশ্বাস করেন যে এই ধরনের স্ক্রিনিং পদ্ধতির ব্যাপক ব্যবহার গুরুতর লিভারের ক্ষতি হওয়ার আগেই রোগীদের শনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে।
সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Jun 2026 10:03:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঝুঁকে বসার অভ্যাস কি মিসক্যারেজের ঝুঁকি বাড়ায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115556" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115556</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মা হওয়া সহজ নয়। নতুন একটি প্রাণ পৃথিবীতে আনতে গিয়ে হবু মাকে প্রতি পদে পদে সতর্ক থাকতে হয়। গর্ভাবস্থায় কিছু অভ্যাস হতে পারে ঝুঁকির কারণ। এক গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে কর্মক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক কার্যকলাপ, বিশেষ করে ঘন ঘন সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ার অভ্যাস গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই গবেষণার ফলাফলের অর্থ এই নয় যে গর্ভবতী নারীদের জন্য দৈনন্দিন চলাফেরা বা ব্যায়াম অনিরাপদ।

প্রায় ১৫% গর্ভধারণে গর্ভপাত ঘটে এবং এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। পরিচিত ঝুঁকির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে পিতামাতার বয়স, ধূমপান, রাতের শিফটে কাজ, বায়ু দূষণ এবং নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিকের সংস্পর্শ। গবেষকরা দীর্ঘদিন ধরে ভেবে আসছেন যে কর্মক্ষেত্রের কিছু কার্যকলাপও এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে কিনা, কিন্তু পূর্ববর্তী প্রমাণগুলো ছিল মিশ্র।

গবেষকরা কী খুঁজে পেয়েছেন
কোপেনহেগেনের বিজ্ঞানীরা ২০০৪ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ডেনমার্কের ৪৭৫,৩১২ জন নারীর ৮০৩,৮২৯টি গর্ভধারণের তথ্য বিশ্লেষণ করেছেন। এই গবেষণার ফলাফল &lsquo;অকুপেশনাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল মেডিসিন&rsquo; জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষকরা কর্মক্ষেত্রের তিনটি সাধারণ কার্যকলাপের উপর মনোযোগ দিয়েছেন: দাঁড়ানো, হাঁটা এবং সামনের দিকে ঝুঁকে পড়া। অ্যাক্টিভিটি-ট্র্যাকার ডেটা এবং বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়নের মাধ্যমে, গবেষকরা অনুমান করেছেন যে বিভিন্ন পেশার নারীরা গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে এই ধরনের শারীরিক নড়াচড়া করতে কতটা সময় ব্যয় করেন।

ফলাফলে দেখা গেছে যে, আট ঘণ্টার কর্মদিবসে প্রায় ৩০ ডিগ্রি কোণে সামনের দিকে ঝুঁকে কাটানো প্রতিটি অতিরিক্ত ঘণ্টা গর্ভপাতের ঝুঁকি ৩৬% বাড়িয়ে দেয়। হাঁটার জন্য ব্যয় করা প্রতিটি অতিরিক্ত ঘণ্টা ১৮% ঝুঁকি বাড়ায়, যেখানে অতিরিক্ত এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার ফলে ঝুঁকি ৩% বৃদ্ধি পায়। সামগ্রিকভাবে, এই গবেষণায় প্রতি দশটি গর্ভধারণের মধ্যে প্রায় একটি গর্ভপাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে।

গবেষকরা মনে করেন যে কর্মক্ষেত্রে বারবার শারীরিক পরিশ্রম প্লাসেন্টায় রক্ত ​​প্রবাহকে প্রভাবিত করতে পারে অথবা গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে হরমোন নিয়ন্ত্রণকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে এর সঠিক জৈবিক প্রক্রিয়া এখনও অস্পষ্ট।
বিশেষজ্ঞরা এই গবেষণার ফলাফল ব্যাখ্যা করার সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। গবেষণাটি ছিল পর্যবেক্ষণমূলক, যার অর্থ এটি সম্পর্কগুলো চিহ্নিত করতে পারলেও, ঝুঁকে থাকা, হাঁটা বা দাঁড়িয়ে থাকা যে সরাসরি গর্ভপাতের কারণ, তা প্রমাণ করতে পারে না। অন্যান্য কারণও ফলাফলকে প্রভাবিত করে থাকতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, গবেষকদের কাছে গর্ভাবস্থায় ধূমপান সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্য ছিল না এবং তারা ভারী জিনিস তোলা বা কর্মক্ষেত্রের অন্যান্য ঝুঁকির বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করতে পারেননি।
সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Jun 2026 08:01:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কম খেলেও ওজন বাড়ছে কেন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115528" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115528</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অনেকেই মনে করেন, কম খাওয়ার পরও যদি ওজন বাড়তে থাকে, তবে এর একমাত্র কারণ খাদ্যাভ্যাস। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষয়টি এতটা সরল নয়। শরীরের ভেতরের জটিল কিছু প্রক্রিয়া, জীবনযাত্রার অভ্যাস এবং হরমোনের পরিবর্তনও এর জন্য দায়ী হতে পারে।

বর্তমান সময়ে তরুণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষের মধ্যে এই সমস্যা বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু খাবারের পরিমাণ কমালেই ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে&mdash;এমন ধারণা সবসময় সঠিক নয়।

বিপাকের গতি কমে গেলে ওজন বাড়ে

শরীর খাবার থেকে পাওয়া ক্যালরি কত দ্রুত ব্যবহার করছে, সেটিই বিপাক প্রক্রিয়া। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকের বিপাকের গতি ধীরে ধীরে কমে যায়। ফলে আগের মতো একই পরিমাণ খাবার খেলেও শরীর অতিরিক্ত ক্যালরি পোড়াতে পারে না, যা চর্বি হিসেবে জমতে শুরু করে।

এছাড়া জিনগত কারণেও কারও বিপাক দ্রুত হয়, আবার কারও ক্ষেত্রে ধীর গতিতে কাজ করে, যা ওজন বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে।

ঘুমের ঘাটতি ও ক্ষুধা বৃদ্ধি

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায় এবং বেশি খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। বিশেষ করে মিষ্টি ও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবারের প্রতি আকর্ষণ বাড়ে, যা অল্প খেলেও ওজন বাড়াতে পারে।

মানসিক চাপও বড় কারণ

দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়ায়, যা পেটের চারপাশে চর্বি জমাতে সাহায্য করে। অনেকেই স্ট্রেসের সময় বেশি খেয়ে ফেলেন, যা ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধির দিকে নিয়ে যায়।

ওষুধ ও হরমোনজনিত সমস্যা

কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ, যেমন বিষণ্নতা বা অ্যালার্জির ওষুধ, ওজন বাড়াতে পারে। পাশাপাশি থাইরয়েডের সমস্যা, নারীদের পিসিওএস বা অন্যান্য হরমোনজনিত সমস্যাও ওজন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। দীর্ঘদিন অস্বাভাবিক ওজন পরিবর্তন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

খাবারের গুণগত মান গুরুত্বপূর্ণ

অনেকে কম খেলেও তাদের খাদ্যতালিকায় থাকে বেশি চিনি, তেলেভাজা ও প্রক্রিয়াজাত খাবার। এসব খাবারে ক্যালরি বেশি থাকলেও পুষ্টিগুণ কম, ফলে শরীরে চর্বি জমার প্রবণতা বাড়ে।

অন্যদিকে শাকসবজি, ফল, ডাল, মাছ ও আঁশযুক্ত খাবার শরীরকে দীর্ঘ সময় পূর্ণ রাখে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণে কী করা উচিত

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন নিয়ন্ত্রণ শুধু খাবার কমানোর ওপর নির্ভর করে না। বরং জীবনযাত্রার সামগ্রিক পরিবর্তন প্রয়োজন।

নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ&mdash;এই অভ্যাসগুলোই ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, ওজন নিয়ন্ত্রণ একটি ধৈর্যশীল প্রক্রিয়া। তাই দ্রুত ফল না পেয়ে হতাশ না হয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 20 Jun 2026 09:25:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শনিবার রাজধানী ঢাকার যেসব এলাকায় মার্কেট-শপিংমল বন্ধ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115507" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115507</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রতিদিনই মানুষের কিছু না কিছু কেনাকাটার প্রয়োজন হয়। এছাড়া মানুষ ঘুরতেও বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে থাকেন। প্রয়োজনীয় কেনাকাটা কিংবা ঘুরতে গিয়ে যদি দেখেন ওই এলাকার মার্কেট বন্ধ, তাহলে মনটাই খারাপ হয়ে যায়। সেই সঙ্গে নষ্ট হয় সময়ও।
তাই বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জেনে নিন শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর কোন কোন এলাকার দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকান
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেন্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শাঁখারী বাজার।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, নয়াবাজার, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার, শারিফ ম্যানসন ও আজিমপুর সুপার মার্কেট।
সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 20 Jun 2026 05:13:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শুক্রবার রাজধানী ঢাকায় যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115484" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115484</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটা কিংবা ঘুরতে বের হন। কিন্তু গিয়ে যদি দেখেন মার্কেট বন্ধ, তাহলে মনটাই খারাপ হয়ে যায়। 

তাই শুক্রবার (১৯ জুন) জেনে নিন কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট

আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার, চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার, কাপ্তানবাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাঁটারা, বড় কাঁটারা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট 

বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারী বাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ।

সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 19 Jun 2026 07:50:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঘুমের অভাব ক্যান্সারের কারণ ! ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115476" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115476</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্বজুড়ে তরুণদের মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু ক্যান্সারের ঘটনা কেন বাড়ছে, তা নিয়ে গবেষকরা অনুসন্ধান করছেন। নতুন গবেষণা বলছে যে, অপর্যাপ্ত ঘুম ৫০ বছরের কম বয়সীদের, বিশেষ করে নারীদের মধ্যে ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধির সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে।

গবেষকরা যা খুঁজে পেয়েছেন

আমেরিকান সোসাইটি অফ ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ASCO)-এর জার্নালে প্রকাশিত সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদী ঘুমের সমস্যা, যেমন- অনিদ্রা, ঘুমের অনিয়মিত ধরণ এবং ঘুমের নিম্নমান শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামত করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

গবেষকরা ব্যাখ্যা করেন যে, অপর্যাপ্ত ঘুম শরীরে প্রদাহ বাড়াতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের সঙ্গে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং নির্দিষ্ট কিছু ধরনের ক্যান্সারসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার যোগসূত্র রয়েছে।

ঘুমের অভাব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও দুর্বল করে দিতে পারে, যার ফলে অস্বাভাবিক কোষগুলো ক্যান্সারে পরিণত হওয়ার আগে শরীরের পক্ষে সেগুলোকে শনাক্ত ও ধ্বংস করা কঠিন হয়ে পড়ে।

নারীদের ঝুঁকি কি বেশি?

নারীরা অপর্যাপ্ত ঘুমের প্রভাবে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারেন। ঋতুস্রাব, গর্ভাবস্থা, পেরিমেনোপজ এবং মেনোপজের সময় হরমোনের পরিবর্তন ঘুমের গুণমানকে প্রভাবিত করতে পারে।

পুরুষের তুলনায় নারীর অনিদ্রা এবং ঘুম-সম্পর্কিত অন্যান্য সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনাও বেশি।

গবেষণাটি অনিদ্রা সরাসরি ক্যান্সারের কারণ প্রমাণ না করলেওএটি ঘুমের সঙ্গে স্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক সুস্থতার মধ্যে একটি শক্তিশালী সম্পর্ককে তুলে ধরে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 19 Jun 2026 06:25:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারী ব্যাগে বাড়ছে শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি, নষ্ট হচ্ছে  ভবিষ্যৎ! ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115468" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115468</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রতিদিন সকালে স্কুলের পথে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের পিঠে ঝুলতে দেখা যায় বড় বড় ব্যাগ। অনেক সময় ব্যাগের আকার যেন শিশুর শরীরের সমান হয়ে যায়। ভারী ব্যাগের চাপ সামলাতে অনেক শিশুকে আবার সামনের দিকে ঝুঁকে হাঁটতে হয়। বাইরে থেকে এটি সাধারণ দৃশ্য মনে হলেও চিকিৎসকদের মতে, এই অভ্যাসই ভবিষ্যতে শিশুর শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে।

ভারী ব্যাগে বাড়ছে শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি

শৈশব হলো শিশুর হাড়, পেশি ও মেরুদণ্ডের দ্রুত বিকাশের সময়। এ সময়ে শরীরের তুলনায় বেশি ভারী ব্যাগ বহন করলে মেরুদণ্ড, কাঁধ ও কোমরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এতে শিশুর স্বাভাবিক শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আশরাফুল আমিন চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে জানান, জন্মের পর শিশুর শরীর ধীরে ধীরে পূর্ণতা পায়। শৈশব ও কৈশোরে হাড়, পেশি ও মেরুদণ্ডের বৃদ্ধি চলতে থাকে। এই সময়ে নিয়মিত অতিরিক্ত ওজন বহন করলে শরীরের স্বাভাবিক গঠনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।


শিশুর ব্যাগের ওজন কত হওয়া উচিত?

বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি শিশুর স্কুল ব্যাগের ওজন তার মোট শরীরের ওজনের ১০ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়।

তবে বাস্তবে বই, খাতা, পানির বোতল, টিফিন বক্সসহ নানা শিক্ষা উপকরণ বহনের কারণে অনেক শিশুকেই এর চেয়ে বেশি ওজন বহন করতে হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত ওজনের ব্যাগ দীর্ঘদিন বহন করলে শিশুর হাঁটার স্বাভাবিক ভঙ্গিতেও পরিবর্তন আসতে পারে।

সমস্যা কমাতে যা করা দরকার

শিশুর সুস্থতার জন্য অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সব পক্ষকেই সচেতন হতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্কুলে বই রাখার ব্যবস্থা, প্রয়োজন অনুযায়ী বই বহনের নির্দেশনা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাসামগ্রীর ব্যবহার এবং নিয়মিত ব্যাগের ওজন পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

অভিভাবকদেরও খেয়াল রাখতে হবে, শিশু যেন অপ্রয়োজনীয় কোনো বই বা অতিরিক্ত জিনিস ব্যাগে বহন না করে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 18 Jun 2026 15:22:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ ৪ উপায়ে ফিরতে পারে কালচে ত্বক উজ্জ্বলতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115372" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115372</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ত্বক যত্নের অভাবে কালচে আকার ধারণ করে।

সকল কাজের পরে কম বেশি সবাই ত্বকের যত্ন নিতে একটু আলসেমি করেন। তাই ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের যত্ন নিলে উজ্জ্বলতা ধরে রাখা সম্ভব হয়।

জেনে নিন ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে যেসব ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করবেন। ৪টি প্রাকৃতিক উপায়ের মাধ্যমে ফলাফল পাওয়া যাবে-

১. লেবু ও চিনি স্ক্রাব- যা লাগবে: লেবুর রস (১ টেবিল চামচ), চিনি (১ টেবিল চামচ)।
পদ্ধতি: লেবুর রস ও চিনি মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন। এটি ত্বকের মৃত কোষ তুলে ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল করে।

২. কাঁচা দুধ ও মধু- যা লাগবে: কাঁচা দুধ (২ টেবিল চামচ), মধু (১ টেবিল চামচ)।

পদ্ধতি: কাঁচা দুধ ও মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

৩. অ্যালোভেরা জেল ও নারকেল তেল- যা লাগবে: অ্যালোভেরা জেল (১ টেবিল চামচ), নারকেল তেল (১ চা চামচ)।
পদ্ধতি: রাতে ঘুমানোর আগে মিশ্রণটি ত্বকে লাগান। সকালে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বক নরম ও মসৃণ করে এবং শীতের শুষ্ক ত্বক প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৪. দই ও হলুদ মিশ্রণ- যা লাগবে: টক দই (২ টেবিল চামচ), হলুদ গুঁড়া (১ চিমটি)।
পদ্ধতি: এই মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। পরে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 16 Jun 2026 10:37:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিশুর স্মার্টফোন ব্যবহার: জানুন ক্ষতির লক্ষণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115343" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115343</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজকের ডিজিটাল যুগে শিশু ও কিশোরদের দৈনন্দিন জীবনে স্মার্টফোন ও অন্যান্য স্ক্রিন ডিভাইসের ব্যবহার ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ভিডিও দেখা, অনলাইন গেম খেলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার&mdash;সব মিলিয়ে স্ক্রিন এখন তাদের জীবনের বড় অংশ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অভ্যাস কখন উপকারী আর কখন ক্ষতিকর হয়ে উঠছে, তা বোঝা অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু স্ক্রিন ব্যবহারের সময় নয়, বরং কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে শিশুরা ডিভাইস ব্যবহার করছে&mdash;এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শিক্ষামূলক কনটেন্ট, সৃজনশীল কাজ বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য স্ক্রিন ব্যবহার ইতিবাচক হতে পারে। কিন্তু যখন এটি দৈনন্দিন জীবন ও স্বাভাবিক অভ্যাসকে বাধাগ্রস্ত করে, তখনই তা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

মনোযোগ ও পড়াশোনায় প্রভাব

অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুদের মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। দ্রুতগতির ভিডিও ও ছোট কনটেন্টে অভ্যস্ত হয়ে গেলে দীর্ঘ সময় ধরে পড়াশোনা বা কোনো কাজে মনোযোগ দেওয়া তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব

বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহার শিশুদের আচরণগত পরিবর্তন ঘটাতে পারে। হঠাৎ রাগ, বিরক্তি বা হতাশা দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে স্ক্রিন ব্যবহার সীমিত করা হলে। কিশোর বয়সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেওয়া এবং অন্যদের সঙ্গে তুলনা করার প্রবণতা বাড়াতে পারে।

ঘুমের ব্যাঘাত

রাতে দীর্ঘসময় মোবাইল বা ট্যাব ব্যবহার শিশুর ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট করে দেয়। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে তাদের মেজাজ, শক্তি ও মনোযোগ&mdash;সবকিছুই প্রভাবিত হয়।

বাস্তব জীবনের সামাজিক দক্ষতায় প্রভাব

অতিরিক্ত ডিজিটাল জগতে সময় কাটানো শিশুদের বাস্তব জীবনের সামাজিক দক্ষতা কমিয়ে দিতে পারে। বাইরে খেলা, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং মুখোমুখি যোগাযোগ&mdash;এসব অভিজ্ঞতা তাদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কীভাবে বুঝবেন শিশুর স্ক্রিন টাইম সমস্যা তৈরি করছে

অভিভাবকদের কিছু লক্ষণ লক্ষ্য করা উচিত&mdash;


	ডিভাইস ছাড়তে না চাওয়া
	খেলাধুলা বা শখে আগ্রহ কমে যাওয়া
	ঘুমের সমস্যা
	পড়াশোনায় অবনতি
	সামাজিকভাবে দূরে সরে যাওয়া
	আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন


সমাধান কী?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোপুরি স্ক্রিন বন্ধ না করে ভারসাম্য বজায় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। খাবারের সময় ও ঘুমের আগে স্ক্রিন ব্যবহার সীমিত করা, বাইরে খেলা উৎসাহিত করা এবং পারিবারিক সময় বাড়ানো প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অভিভাবকদের নিজেদের আচরণ দিয়ে শিশুদের সামনে একটি ভালো উদাহরণ তৈরি করা।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 15 Jun 2026 10:19:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ ৫ বিষয় চর্চায় হবে পারিবারিক বন্ধন আরও দৃঢ়  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115283" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115283</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমান সময়ে পারিবারিক বন্ধন কিছুটা হলেও দুর্বল হয়ে পড়ছে এমন মত বিশেষজ্ঞদের।

ব্যস্ত জীবন, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ব্যক্তিগত সময়ের চাপের কারণে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শক্ত পারিবারিক সম্পর্ক গড়তে বড় কোনো আয়োজন নয়, বরং দৈনন্দিন ছোট ছোট অভ্যাসই সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখে।

পরিবারকে সুখী ও একত্রিত রাখতে যে পাঁচটি অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো

প্রতিদিন একবেলা একসঙ্গে খাওয়ার অভ্যাস

পরিবারের সবাই মিলে প্রতিদিন অন্তত একবেলা একসঙ্গে খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সময় মোবাইল ও অন্যান্য যন্ত্র দূরে রেখে একে অপরের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ তৈরি করতে হবে। এতে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও গভীর হয় এবং সুন্দর স্মৃতি তৈরি হয়।

সপ্তাহে একদিন একসঙ্গে সময় কাটানো

সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিবারকে সময় দেওয়ার জন্য আলাদা দিন নির্ধারণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই সময় একসঙ্গে খেলা, সিনেমা দেখা বা ঘুরতে যাওয়ার মতো কাজ করা যেতে পারে। সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলে পারিবারিক আনন্দ ও সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।

প্রশংসার অভ্যাস গড়ে তোলা

পরিবারের সদস্যদের ভালো কাজ ও গুণের প্রশংসা করার অভ্যাস গড়ে তুলতে বলা হয়েছে। খাবার টেবিলে বা ঘুমানোর আগে একে ওপরকে ধন্যবাদ ও প্রশংসা জানালে সম্পর্কের মধ্যে ইতিবাচকতা বাড়ে এবং পারস্পরিক সম্মান তৈরি হয়।

ব্যক্তিগত সময়কে গুরুত্ব দেওয়া

পরিবারের প্রতিটি সদস্যের ব্যক্তিগত সময় থাকা জরুরি। বই পড়া, শখের কাজ বা একান্তে কিছু সময় কাটানোর সুযোগ দিলে মানসিক শান্তি বাড়ে। পাশাপাশি পারিবারিক সময়ও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাখতে হবে।

পরিবর্তন ও সমস্যাকে একসঙ্গে মোকাবিলা করা

পরিবারে কোনো সমস্যা বা পরিবর্তন এলে তা এড়িয়ে না গিয়ে সবাই মিলে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।

নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুঁজলে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও দলগত মনোভাব তৈরি হয়, যা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 13 Jun 2026 04:50:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শনিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115280" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/115280</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন। এই দিনে অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে কেনাকাটা কিংবা ঘুরতে বের হন। কিন্তু গিয়ে দেখেন মার্কেট বন্ধ এমন অভিজ্ঞতাও আছে অনেকের।

তাই বাসা থেকে বের হওয়ার আগে জেনে নিন শনিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকে।

যেসব এলাকার দোকান বন্ধ থাকে 

যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেন্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চাঁনখারপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শাঁখারী বাজার।

যেসব মার্কেট বন্ধ থাকে 

ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, নয়াবাজার, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার, শারিফ ম্যানসন ও আজিমপুর সুপার মার্কেট।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 13 Jun 2026 04:13:14 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
