<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/lifestyle</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/lifestyle"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews lifestyle Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest lifestyle News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Mon, 04 May 2026 17:51:05 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[সিঁড়ি ভাঙলেই হাঁটুতে যন্ত্রণা, কী কারণ ও করণীয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/114613" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/114613</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হাঁটাচলা করার সময়ে হাঁটুর ব্যথা ততটা না ভোগালেও ভবনের সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করার সময়ে যত বিপত্তি। সিঁড়ি ভাঙতে গেলেই হাঁটুতে যন্ত্রণা হয়। আর্থ্রাইটিসের ব্যথায় যারা কাতর, তারা হাঁটতে পারলেও সিঁড়ি ভাঙতে গেলেই নাজেহাল হয়ে পড়েন।

কেন এমন হয়? শুধু বাত থাকলে বা মালইচাকির কোনো সমস্যা থাকলেই যে তা হবে, তেমনটি নয়। অনেক সুস্থ মানুষও যতটা দ্রুত হাঁটতে পারেন, ততটা তাড়াতাড়ি সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে পারেন না মোটেও।

কারণ সিঁড়ি ভাঙতে গেলেই হাঁটু যেন বিদ্রোহ ঘোষণা করে। হয় মটমট শব্দ, না হলে ভীষণ যন্ত্রণা। খেয়াল করে দেখবেন&mdash; যিনি বাতের রোগী, তিনি দিব্যি কয়েক কদম ঠিকমতো হাঁটতে পারলেও সিঁড়ি ভাঙতে পারেন না। সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গেলেই যেন চাবুকের মতো ব্যথা কষায় হাঁটুতে। অতএব যত গোলমাল সেই হাঁটুরই। যত ব্যথাবেদনা সবই সেই সিঁড়ি ভাঙার সময়েই কেন হয়, তার কারণ জটিল। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর ব্যাখ্যা আছে।

দাঁড়িয়ে থাকা, হাঁটাচলা, শোয়াবসা&mdash; সবার জন্যই হাঁটুর ওপরেই নির্ভর করতে হয়। হাঁটুর জয়েন্ট অনেকটা দরজার কবজার মতো। দরজার কবজার তো একটি লক থাকে, কিন্তু হাঁটুর কবজার তিনটা লক&mdash; ফিমার (কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত পায়ের হাড়), টিবিয়া (হাঁটু থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত পায়ের হাড়) এবং এই দুইয়ের মাঝে থাকে কার্টিলেজ ও মালাইচাকি। পাতলা ফাইবার দিয়ে তৈরি কার্টিলেজ স্নায়ুহীন। হাঁটুর হাড়ে এটি অনেকটা কুশন বা নরম বালিশের মতো কাজ করে। অর্থাৎ ঘর্ষণ প্রতিরোধ করে। কার্টিলেজ নষ্ট হয়ে গেলে ফিমার ও টিবিয়ার মধ্যে সরাসরি ঘষা লাগে। শুরু হয় যন্ত্রণা। সিঁড়ি ভাঙতে গেলে এই ঘর্ষণ বেশি হয়, ফলে ব্যথা হয়।

তবে এখানে মালাইচাকিরও বড় ভূমিকা আছে। জনস হপকিন্স মেডিসিনের গবেষকরা জানাচ্ছেন, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামার সময়ে যাদের হাঁটুর ব্যথা বেশি হয়, ধরে নিতে হবে তাদের মালাইচাকিরও সমস্যা আছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলা হয়&mdash; &lsquo;প্যাটেলোফিমোরাল পেন সিনড্রোম&rsquo;।

হাঁটুর সামনের দিকে চাকতির মতো গোলাকার ছোট হাড়টিকে বলে মালাইচকি বা প্যাটেলা। এটির কাজ হলো কোয়াড্রিসেপ পেশিকে ধরে রাখা ও সেই অঞ্চলের লিগামেন্টগুলোর ভারসাম্য বজায় রাখা। যাতে চলাফেরা, ওঠাবসা, দাঁড়ানো, সিঁড়ি ভাঙা, দৌড়ানোর মতো কাজগুলো সঠিকভাবে করা যায়।

মালাইচাকি যদি বিকল হতে থাকে বা তার কার্যক্ষমতা কমতে থাকে, তখন এই কাজগুলো করতে সমস্যা হবে। বয়সজনিত, জন্মগত ও দুর্ঘটনার কারণে অথবা কোনো অসুখ-বিসুখের জন্য মালাইচাকির সমস্যা তৈরি হতে পারে। এমন হলে অস্থিসন্ধির লিগামেন্টগুলো ঠিকমতো কাজ করতে পারবে না। এতে হাঁটুর ওপর চাপ বেশি পড়বে এবং ঘর্ষণ বেশি হবে। ফলে যন্ত্রণা হবে।

এ সমস্যায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন তিরিশের কোঠার বা তার চেয়েও কমবয়সি নারী ও খেলোয়াড়রা। দীর্ঘক্ষণ একই জায়গায় বসে থাকা বা দাঁড়িয়ে থাকা, ভারি ওজন তুলতে গিয়ে আঘাত, জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করার সময়ে চোট লাগার কারণে মালাইচাকির কার্টিলেজ বা তরুণাস্থির আস্তরণ রুক্ষ হয়ে যায়। ফলে ফিমারের তলার অংশে ঘষা লেগে কার্টিলেজের ক্ষতি হয়। কমবয়সিদের ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার প্রবণতা বেশি। এ কারণেও সমস্য শুরু হয়।

আর হয় বয়স্কদের। তবে সেটি বয়সজনিত কারণে হাড়ের ক্ষয়ের জন্য হতে পারে। অস্টিও-আর্থ্রাইটিস থাকলে হাঁটু ফুলে যায়, পেশির ক্ষয়ের ফলে সমস্যা শুরু হয়। অতিরিক্ত ওজনও দায়ী হতে পারে। হাঁটু শরীরের ওজন ঠিকমতো ধরে রাখতে পারে না। ফলে অসম চাপে কার্টিলেজের ক্ষয় হয়। ক্রমাগত এই ক্ষয় মেরামত করতে শরীর আর কার্টিলেজ তৈরি করতে পারে না। তার পরিবর্তে হাড় তৈরি করে। যাকে বলে &lsquo;অস্টিওফাইটিক গ্রোথ&rsquo;। এই হাড় সহজেই ভেঙে যায় এবং হাঁটুতে যন্ত্রণা হয়। তাই হাঁটু ভালো রাখতে শরীরের ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 04 May 2026 17:51:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বৃষ্টির দিনে ঘুম বেশি আসার কারণ কী?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/114575" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/114575</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আকাশ ভেঙে নেমে আসা বৃষ্টির ধারায় মানুষ ও প্রাণিকূলের মন আনচান করে। অনেকেরই ওই সময় কাজের ফাঁকে চোখ জড়িয়ে আসে, বিছানায় শুয়ে থাকতে মন চায়। কেউ কেউ এটিকে অলসতা ভাবলেও, বাস্তবে এর পেছনে রয়েছে একাধিক বৈজ্ঞানিক কারণ। আবহাওয়ার পরিবর্তন সরাসরি আমাদের মস্তিষ্ক, হরমোন এবং শরীরের জৈবিক ঘড়িতে প্রভাব ফেলে।

প্রথমত, বৃষ্টির দিনে সূর্যের আলো কমে যায়। আলো কম পেলে মস্তিষ্কে মেলাটোনিন নামের ঘুম-নিয়ন্ত্রক হরমোনের প্রভাব বাড়ে, যা স্বাভাবিকভাবেই তন্দ্রা বাড়ায়।

দ্বিতীয়ত, সূর্যালোক কমে গেলে সেরোটোনিনের মাত্রাও কিছুটা কমে যেতে পারে। এই হরমোন আমাদের মুড ও এনার্জির সঙ্গে জড়িত। ফলে মন কিছুটা নিস্তেজ লাগে, আর ঘুমভাবও বাড়ে।

এ ছাড়া বৃষ্টির দিনে তাপমাত্রা সাধারণত কিছুটা কম থাকে। এই তুলনামূলক ঠান্ডা পরিবেশ শরীরকে বিশ্রামের দিকে ধাবিত করে, কারণ ঘুমের জন্য শীতল আবহাওয়া বেশি উপযোগী।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বৃষ্টির শব্দ। টিপটিপ বৃষ্টির নিয়মিত শব্দ অনেকের কাছে &lsquo;হোয়াইট নয়েজ&rsquo;-এর মতো কাজ করে। এটি বাইরের বিরক্তিকর শব্দ ঢেকে দিয়ে মনকে শান্ত করে, ফলে সহজেই ঘুম পেতে পারে।

মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবও এখানে ভূমিকা রাখে। বৃষ্টি অনেকের মনে আরামদায়ক অনুভূতি বা স্মৃতিময় আবহ তৈরি করে, যা শরীরকে অলস ও বিশ্রামমুখী করে তোলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঝেমধ্যে বৃষ্টির দিনে বেশি ঘুম পাওয়া স্বাভাবিক। তবে যদি নিয়মিত অতিরিক্ত তন্দ্রা থাকে, কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটে বা বিশ্রামের পরও ক্লান্তি না কমে, তাহলে তা অন্য কোনো স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে কিছু সহজ অভ্যাস উপকার দিতে পারে। দিনের বেলায় ঘরে পর্যাপ্ত আলো প্রবেশের ব্যবস্থা করা, হালকা হাঁটা বা স্ট্রেচিং করা, নিয়মিত পানি পান করা এবং রাতে পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা&mdash;এসবই তন্দ্রা কমাতে সহায়ক।

সব মিলিয়ে, বৃষ্টির দিনে বেশি ঘুম আসা কেবল অলসতার বিষয় নয়; বরং আলো কমে যাওয়া, হরমোনের পরিবর্তন, আরামদায়ক তাপমাত্রা ও শব্দ&mdash; সবকিছুর প্রভাবেই শরীর বিশ্রামের সংকেত পায়। তাই মাঝে মাঝে এমন হলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই, তবে মাত্রা বেশি হলে সতর্ক থাকা শ্রেয়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 02 May 2026 17:01:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সবুজের অরণ্যে হারিয়ে যাওয়ার ঠিকানা কাদিগড় জাতীয় উদ্যান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114366" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114366</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ময়মনসিংহ বন বিভাগের অধীন ভালুকা রেঞ্জের কাদিগড় বিট আজ প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এক অনন্য আকর্ষণ। প্রাকৃতিক বন ও মানুষের হাতে গড়া বনের অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই এলাকা যেন সবুজের এক জীবন্ত পাঠশালা। চোখজুড়ানো মনমোহিনী গজারী বাগান, সেগুন বাগান আর ঘন সবুজের আবরণ যে কাউকে মুহূর্তেই প্রকৃতির গভীরে টেনে নেয়।

বহু বছর আগে পরিকল্পিতভাবে সৃজিত মিনজিরি, অর্জুন ও সেগুনের বাগানগুলো সময়ের প্রবাহে আজ প্রায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বনের রূপ নিয়েছে। উঁচু উঁচু গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো, বাতাসে পাতার মর্মর আর পাখির অবিরাম কিচিরমিচির মিলেমিশে সৃষ্টি করেছে এক মোহময় পরিবেশ। প্রকৃতির একান্ত সান্নিধ্যে এসে এই সবুজের সমারোহ আর মনভোলানো পাখির কলতান প্রকৃতিপ্রেমী মানুষকে করে তোলে বিমোহিত।

কাদিগড় জাতীয় উদ্যানে নিয়মিত দেখা মেলে হনুমান ও বানরের দল। ভাগ্য ভালো থাকলে গাছের ডালে ডালে তাদের লাফালাফি চোখে পড়ে। এছাড়া প্রাণীকূলের মধ্যে রয়েছে শিয়াল, শজারু, মেছো বিড়াল, বনবিড়াল, বাগডাশ ও বেজী। বনের ভেতরে বিচরণ করে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, ব্যাঙ, তক্ষক ও গুইসাপ। রঙিন প্রজাপতির উড়াউড়ি আর হরেক রকম পাখির কিচিরমিচির এই বনকে করে তুলেছে আরও জীবন্ত।

অবস্থানগত দিক থেকে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ময়মনসিংহ শহর থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দক্ষিণে, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান থেকে ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে এবং ভালুকা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

যোগাযোগ ব্যবস্থাও তুলনামূলক সহজ। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী বাসে সিডস্টোর বাজারে নেমে সেখান থেকে সিএনজি যোগে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ১৫০ টাকা ভাড়ায় কাদিগড় জাতীয় উদ্যানে পৌঁছানো যায়। তবে বর্ষাকালে কাঁচা রাস্তার কারণে চলাচলে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হয়।

শুষ্ক মৌসুমে কাদিগড় বিট হয়ে ওঠে বনভোজনপ্রেমীদের মিলনকেন্দ্র। পরিবার, বন্ধু ও বিভিন্ন সংগঠনের মানুষ এখানে এসে প্রকৃতির কোলে সময় কাটান। সবুজই যে প্রাণের স্পন্দন, বেঁচে থাকার মূলমন্ত্র, এই উপলব্ধিই যেন নতুন করে জাগে কাদিগড়ের বনে এসে।

লোকমুখে প্রচলিত আছে, একসময় এই জঙ্গলের কাঠ ও গাছ সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে কাদির মিয়া নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী কিনতেন। তার একক আধিপত্যের কারণে অন্য কেউ এই টেন্ডারে অংশ নিতে পারতেন না। দাপুটে এই প্রভাবের কারণেই এলাকাটি পরিচিত হয়ে ওঠে &lsquo;কাদির মিয়ার জঙ্গল&rsquo; নামে, যা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে আজ কাদিগড় জাতীয় উদ্যান হিসেবে পরিচিত।

প্রায় ৯৫০ একর আয়তনের এই জাতীয় উদ্যানে পর্যটকদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে একটি ওয়াচ টাওয়ার, দুটি ইকো কটেজ, দুটি গোলঘর, পিকনিক স্পট এবং পুকুরপাড়। পরিকল্পিত সংরক্ষণ ও পর্যটন ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হলে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ভবিষ্যতে হতে পারে ময়মনসিংহ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইকো-ট্যুরিজম গন্তব্য।

সবুজের মাঝে নিজেকে হারিয়ে দিতে চাইলে, প্রকৃতির কাছে একটু নিঃশ্বাস নিতে চাইলে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান হতে পারে সেই নিখুঁত ঠিকানা।

সান নিউজ/আরএ
 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 08 Feb 2026 11:54:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকায় এলাকাভিত্তিক বাড়িভাড়া নির্ধারণে নির্দেশিকা আনছে ডিএনসিসি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/113683" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/113683</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা শহরে কোন এলাকায় বাড়িভাড়া কেমন হওয়া উচিত এবং কোন ধরনের সেবার ভিত্তিতে ভাড়ার হার নির্ধারণ হবে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তালিকা তৈরি করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানান, চলমান বাড়িভাড়া বিশৃঙ্খলা দূর করে ভাড়াটিয়া ও বাড়িওয়ালার সম্পর্ককে স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ডিএনসিসি নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে &lsquo;ভাড়াটিয়া ও বাড়িওয়ালার অধিকার&rsquo; শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

প্রশাসক বলেন, ১৯৯১ সালের বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন এখনো কার্যকর থাকলেও বাস্তবে আইনটির অনেক দিক উপেক্ষিত। ফলে ভাড়া নির্ধারণে কোনো統কাঠামো নেই। তিনি জানান, &ldquo;আইন অনুযায়ী আমরা ভাড়াটিয়া ও বাড়িওয়ালাদের জন্য একটি নির্দেশিকা তৈরি করছি। ডিসেম্বরের প্রথমার্ধের মধ্যেই এই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে।&rdquo;

aতিনি জানান, নির্দেশিকায় প্রতিটি এলাকার সর্বোচ্চ ভাড়ার হার উল্লেখ থাকবে। কোন এলাকায় কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকলে ভাড়া কত হওয়া যুক্তিযুক্ত, সেটি নির্ধারণ করে একটি রেটকার্ড প্রকাশ করবে ডিএনসিসি। একই সঙ্গে ভাড়ার ওপর আরোপিত হোল্ডিং ট্যাক্স সম্পর্কে ভাড়াটিয়াদের অবহিত করা হবে। অনেক বাড়িওয়ালা উচ্চ ভাড়া নিলেও যথাযথ হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধ করেন না উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, &ldquo;এই অসঙ্গতি বন্ধে ভাড়াটিয়াদের কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়া হবে।&rdquo;

তিনি আরও জানান, ভাড়ার বাড়িতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, ভূমিকম্প সহনীয় কাঠামোসহ নিরাপত্তা সংক্রান্ত সব বিধিনিষেধ মানা বাধ্যতামূলক করা হবে। এই মানদণ্ড পূরণ না করলে বাড়িওয়ালা ভাড়া দিতে পারবেন না। হোল্ডিং ট্যাক্স বকেয়া থাকলে সংশ্লিষ্ট ভবনে কোনো ধরনের সেবা দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।

ভাড়াটিয়াদের অধিকার প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, ভাড়াটিয়ারা তাদের বাসায় যেকোনো সময় প্রবেশ বা বের হতে পারবেন; এ বিষয়ে কোনো বাধা দিলে তা আইনবিরোধী হবে। বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে চুক্তি করার জন্য একটি মানসম্মত এগ্রিমেন্ট ফরমেট তৈরি করে ডিএনসিসির ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে। তিনি জানান, আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম কমিয়ে আনার জন্য সিটি করপোরেশন বিশেষ উদ্যোগ নেবে।

গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিত ভাড়াটিয়া প্রতিনিধি, বাড়িওয়ালা ও নগর বিশেষজ্ঞরা বাড়িভাড়া বিষয়ক নিয়মকানুন আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নির্দেশিকাটি কার্যকর হলে ভাড়া বাজারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা পাবে।

সাননিউজ/এও]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 27 Nov 2025 14:51:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাইনাস সমস্যায় কাঁচা মরিচ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/66122" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/66122</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সান নিউজ ডেস্ক : আবহাওয়ার মতিগতি ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। এই কাঠফাঁটা রোদ তো এই ঝুম বৃষ্টি। রোদ-বৃষ্টির এই সময়ে খুব দ্রুত ঠান্ডা লেগে যায়। আর সাইনাসের রোগীদের অবস্থা তো নাজেহাল হয়। এই সময়ে মাথাব্যথা ও সর্দি থেকে বাঁচতে ভেষজ দাওয়াই নেওয়ার পাশাপাশি কাঁচা মরিচ খেতে পারেন।
সাইনাসের সমস্যায় কাঁচা মরিচ খেলে উপকার পাবেন। কেননা এতে থাকে ক্যাপসাইসিন। এ উপাদানটি মিউকাস মেমব্রেনের মধ্যে রক্ত প্রবাহকে উদ্দীপিত করে এবং জমে থাকা শ্লেষ্মা পাতলা করতে সাহায্য করে। এতে সাইনাসের প্রদাহ কমে। ক্যাপসাইসিন জমে থাকা কফ করতে এবং নাক ও সাইনাসের পথ পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। আর এ কারণেই সাইনাসের সমস্যায় কাঁচা মরিচ খাওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: হাটে মানতে হবে ১৬ নির্দেশনা

কাঁচা মরিচ খেলে আরও যেসব উপকার পাবেন


	কাঁচা মরিচে থাকে ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিটা ক্যারোটিন। এ উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। ফলে শরীর রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে।
	ডায়াটারি ফাইবার সমৃদ্ধ কাঁচা মরিচ হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। একইসঙ্গে এটি এটি মেটাবলিজম বাড়িয়ে ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে।
	কাঁচা মরিচে পর্যাপ্ত ভিটামিন &#39;এ&#39; আছে। আর ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং চোখের বিভিন্ন সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
	কাঁচা মরিচ আয়রনের ভালো উৎস। তাই যারা রক্তস্বল্পতায় ভোগেন তারা নিয়মিত কাঁচা মরিচ খেতে পারেন।
	কাঁচা মরিচের বিভিন্ন উপকারী উপাদান শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।


সাননিউজ/এসআই]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 22 Oct 2025 14:37:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সকালে বিটরুটের জুস খাওয়ার উপকারিতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/112256" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/112256</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমানে খুবই পরিচিত নাম বিটরুট। প্রতিদিন সকালে বিটরুটের রস খেলে তা শরীরের জন্য বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। গবেষণা অনুসারে, বিটরুটের রসে থাকা নাইট্রেট পেশীতে অক্সিজেন সরবরাহ উন্নত করে, সহনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যায়ামের সময় ক্লান্তি কমায়। বিটরুটের রস খেলে ক্রীড়াবিদদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। বিটরুটের রসে বিটালাইন থাকে, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এই যৌগগুলো নির্দিষ্ট ক্যান্সার এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগসহ দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমায়।

বিটরুটের জুস কীভাবে তৈরি করবেন

১টি ছোট বিটরুট ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। ছোট ছোট কিউব করে কেটে একটি ব্লেন্ডার জারে ১/২ ইঞ্চি আদা, ১ চা চামচ লেবুর রস এবং ১/২ কাপ পানি দিন। মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন। মিশ্রণটি ছেঁকে নিন। এবার সেই রসে এক চিমটি ব্ল্যাক সল্ট মিশিয়ে পান করুন। তৈরির প্রক্রিয়া তো জানলেন, এবার তবে জেনে নিন প্রতিদিন সকালে বিটরুটের জুস খেলে কী হয়-

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

বিটরুট প্রাকৃতিক নাইট্রেট সমৃদ্ধ, যা শরীর নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত করে। এটি একটি যৌগ যা রক্তনালীকে শিথিল এবং প্রশস্ত করতে সাহায্য করে। এই প্রক্রিয়াটি রক্ত ​​প্রবাহকে উন্নত করে এবং রক্তচাপের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালের তাজা বিটরুটের রস খেলে হৃদরোগ থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি সহজ ও প্রাকৃতিক উপায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

বিটরুটের শটে ক্যালোরি কম থাকে এবং এতে কোনো চর্বি থাকে না। সুতরাং, এটি সকালে পান করার জন্য একটি দুর্দান্ত সংযোজন হতে পারে। সকালে বিটরুটের জুস খেলে তা যথেষ্ট পুষ্টি শরীরে পৌঁছে দেয়, যা শক্তি বৃদ্ধি করে।

পটাশিয়াম সমৃদ্ধ

বিটরুট পটাশিয়াম, খনিজ পদার্থ এবং ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ। যা স্নায়ু এবং পেশীকে সঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। তাই শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণের জন্য বিটরুটের জুস খেতে পারেন।

লিভারের জন্য ভালো

বিটরুট তার ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। এতে বিটালাইন এবং বিটেইন রয়েছে। এগুলো এক ধরনের যৌগ যা লিভারকে ভালোভাবে বিষাক্ত পদার্থ প্রক্রিয়া করতে সহায়তা করে। বিটরুট লিভার এনজাইমের কার্যকলাপ বৃদ্ধি করে এবং পিত্ত উৎপাদনে সহায়তা করে।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে

বিটরুটে ভিটামিন সি, ফোলেট এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এই পুষ্টিগুলো অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে ও সুস্থ রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত করে। সেইসঙ্গে ত্বকের প্রাকৃতিক মেরামত প্রক্রিয়ায়ও সহায়তা করে। যার ফলে ত্বক উজ্জ্বল হয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

বিটরুট ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আয়রন এবং জিঙ্কের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর। যার সবই একটি সুস্থ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর উজ্জ্বল লাল রঙ আসে বিটালাইন থেকে, যা প্রদাহ কমাতে এবং সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়তা করার জন্য পরিচিত শক্তিশালী উদ্ভিদ যৌগ।

হজম উন্নত করে

বিটরুট খাদ্যতালিকাগত ফাইবার এবং নাইট্রেট সমৃদ্ধ, যা সুস্থ হজম এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা উন্নত করতে পারে। এর প্রাকৃতিক যৌগ পিত্ত প্রবাহকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে, লিভারকে চর্বি ভাঙতে এবং বর্জ্য অপসারণে সহায়তা করে। এছাড়াও ফাইবার পাচনতন্ত্রকে নিয়মিত এবং সুষম রাখতে সাহায্য করে।

 

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 05 Jun 2025 09:34:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যে অভ্যাস সাফল্যকে নষ্ট করতে পারে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111580" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111580</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: সাফল্য অর্জনের জন্য অনেক কিছুর প্রয়োজন- কঠোর পরিশ্রম, স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ় সংকল্প তো রয়েছেই, সেইসঙ্গে সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থাকা, ভাগ্য, অধ্যবসায় এবং অন্যান্য বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। সফল হওয়া যদিও একটি কঠিন কাজ, সফলতা ধরে রাখা আরও কঠিন। কিছু অভ্যাসও রয়েছে যা আপনার সাফল্যকে নষ্ট করার জন্য দায়ী। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

আরও পড়ুন: রোজায় ক্লান্তি দূর করার উপায়

১) অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস: আত্মবিশ্বাসী হওয়া খুবই ভালো। এটি এগিয়ে যেতে সাহায্য করে এবং সম্মান এনে দেয়। তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ব্যর্থতা ডেকে আনতে পারে, এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সফলতাকে নষ্ট করে দেয়। অন্যদের মতামতকে অস্বীকার করা, কেবল নিজেকে সঠিক বলে মনে করা এবং অন্যদের ওপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করা, নিশ্চিত বিপর্যয় ডেকে আনে।

২) শেখা বন্ধ করে দেওয়া: অনেকেই মনে করে যে, সাফল্যের শিখরে পৌঁছালে আর শেখা প্রয়োজন নেই। জীবনের একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে পৌঁছানোর পরে আপনার পোর্টফোলিওকে আরও বৈচিত্র্যময় করা উচিত। জীবনে যেখানেই পৌঁছান না কেন, কখনোই শেখা থামানো উচিত নয়।

৩) বন্ধু ও পরিবারকে উপেক্ষা করা: সফল হওয়াটা দারুণ, সেই সাফল্য ভাগাভাগি করার জন্য পরিবার এবং বন্ধুদের একটি ঘনিষ্ঠ দল থাকা আরও ভালো। মনে রাখবেন, সাফল্য কখনোই একক জয় নয়, এর পেছনে আপনার প্রিয়জনদেরও অনেক অবদান রয়েছে। তাই কাজের জন্য তাদের অবহেলা করা কেবল ভুলই নয়, বরং সবকিছু নষ্ট করার দ্রুততম উপায়, কারণ এমনটা করলে শীঘ্রই আপনি পৃথিবীতে একা হয়ে যাবেন।

৪) নিজের যত্ন না নেওয়া: পৃথিবীর সমস্ত সমস্যা একদিকে আর স্বাস্থ্য সমস্যা আরেক দিকে। আমাদের শরীর এবং মন একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। জীবনের যে পর্যায়েই থাকুন না কেন, নিজেদের যত্ন নেওয়া বন্ধ করবেন না। নিজের যত্ন নেওয়ার কথা ভুলে সফলতার পেছনে লেগে থাকবেন না। নিজের যত্ন নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকতে হবে। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা মেলে এমন সব কাজ নিয়মিত করতে হবে।

৫) ব্যর্থতার ভয়: যদিও একদিন আপনি সবকিছু হারাতে পারেন এই ভয়ে ভীত হওয়া স্বাভাবিক, তবে একই ভয়ে অবিরাম থাকা একেবারেই ঠিক নয়। সাফল্য ক্ষণিকের জন্য হতে পারে, আপনি এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য ধরে রাখতে পারেন বা নাও রাখতে পারেন, তবে তা নিয়ে চিন্তা করা উচিত নয়। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সূর্যের আলো জ্বলতে থাকাকালীন কাজ করা, যাতে আপনার ভবিষ্যত সুরক্ষিত হয়। দিনের শেষে, ভালো বা খারাপ কিছুই চিরকাল স্থায়ী হয় না, তাই আমাদের জীবনে এই সত্যের সঙ্গে শান্তি স্থাপন করা উচিত।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Mar 2025 06:15:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোজায় ক্লান্তি দূর করার উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111552" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111552</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: দীর্ঘ সময় ধরে রোজা রাখার ফলে ক্লান্তি, পানিশূন্যতা এবং মনোযোগের অভাব হতে পারে, যার সবকটিই প্রোডাক্টিভিটি এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু আপনার কিছু অভ্যাস রোজায়ও আপনাকে সুস্থ থাকতে এবং ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক অভ্যাসগুলো সম্পর্কে-

আরও পড়ুন: প্রাকৃতিকভাবে শক্তি বাড়াতে যে খাবার খাবেন

১) স্বাস্থ্যকর এবং সুষম সেহরি খাবার খান: স্বাস্থ্যকর এবং সুষম সেহরি খাবার খাওয়া অপরিহার্য। কারণ এটি সারাদিন শরীরের কার্যকারিতার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে। ফাইবার এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ এবং চিনি ও চর্বি কম থাকে এমন খাবার খাওয়া বাঞ্ছনীয়। শক্তির মাত্রা বজায় রাখার জন্য এবং ক্লান্তি প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন ধরণের ফল, শাক-সবজি এবং প্রোটিনসহ সুষম খাদ্য গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

২) হাইড্রেটেড থাকুন: ইফতারের পর প্রচুর পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ পানিশূন্যতা ক্লান্তি, মাথাব্যথা এবং মনোযোগ দিতে অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। পানিশূন্যতা এড়াতে চব্বিশ ঘণ্টায় কমপক্ষে আট গ্লাস পানি পান করা অপরিহার্য।

৩) ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন: কফি এবং চায়ের মতো ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পানিশূন্যতা সৃষ্টি করতে পারে এবং ঘুমের ধরনেও ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। রোজার সময় এই পানীয়গুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

৪) ইফতারের সময় ধীরে ধীরে এবং মনোযোগ সহকারে খান: অতিরিক্ত খাওয়া এবং হজমের সমস্যা এড়াতে ইফতারের সময় ধীরে ধীরে এবং মনোযোগ সহকারে খাওয়ার অভ্যাস করুন। ধীরে ধীরে খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে আরও ভালোভাবে পুষ্টি শোষণ করতেও সাহায্য করে।

৫) ইফতারের সময় ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন: ইফতারের সময় ভারী খাবার হজমের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে এবং আপনাকে ক্লান্ত করতে পারে। ইফতারের সময় হালকা এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া বাঞ্ছনীয়। ফল, শাক-সবজি এবং প্রোটিন খেলে তা প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ সরবরাহ করতে পারে।

৬) নিয়মিত ব্যায়াম করুন: রমজানে নিয়মিত ব্যায়াম আপনাকে ফিট থাকতে এবং শক্তির মাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করবে। তবে পানিশূন্যতা এবং ক্লান্তি এড়াতে রোজা ছাড়া সময় ব্যায়াম করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Mar 2025 07:24:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কর্মক্ষেত্রে সম্মান পেতে চাইলে যে ৫ কাজ করবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111481" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111481</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: সম্মান অর্জন করে নিতে হয়। আপনি যদি আপনার কর্মক্ষেত্রে আরও সম্মান অর্জন করতে চান, তাহলে কিছু অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে যা আপনাকে সম্মান অর্জনে সহায়তা করবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

আরও পড়ুন: ইফতারের পর ক্লান্ত লাগার কারণ

১) ভুল করলে দায় নিন: ভুল করা থেকে বিরত থাকার পরিবর্তে, যখন আপনি কোনো ভুল করেন তখন তার দায় নিন। ক্ষমা প্রার্থনা করুন এবং অজুহাত না দিয়ে ভুলটি সংশোধন করুন। এটি আপনাকে একজন ব্যক্তি হিসাবে আরও বাস্তবসম্মত এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে এবং আপনার কাজের নীতির জন্য আপনাকে সম্মান করবে।

২) চাপের পরিস্থিতিতে শান্ত থাকুন: চাপের মধ্যে শান্ত থাকা এমন একটি পরাশক্তি যা অনেকের কাছে নেই। জিনিস, মানুষ এবং পরিস্থিতির প্রতি প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে কৌশলে প্রতিক্রিয়া জানানো সব সময়েই ভালো- বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে। চাপের সময় গভীর শ্বাস নিন, বিরতি নিন, কণ্ঠস্বর নিচু করুন এবং আবেগগতভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে চিন্তাভাবনা করে প্রতিক্রিয়া জানান।

৩) কঠিন হলেও প্রতিশ্রুতি রাখুন: আপনার দেওয়া কথা গুরুত্ব সহকারে নিন এবং অস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দেবেন না, যা আপনি রাখতে চান না। কেবল তখনই প্রতিশ্রুতি দিন যখন আপনি তা পূরণ করতে পারবেন। আপনার প্রতিশ্রুতিতে অটল থাকুন, এমনকি যদি তা কঠিন হয় এবং অতিরিক্ত প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়। এটি আপনাকে আরও বিশ্বস্ত করে তুলবে এবং মানুষ আপনার প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করবে। তারা আপনাকে আরও গুরুত্ব সহকারে নেবে এবং আপনার পেশাদারিত্বের জন্য সম্মান করবে।

৪) নম্র থাকুন: সাফল্য পেলে অহংকারী হয়ে উঠবেন না। নম্র থাকুন এবং সবার সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করুন। প্রশংসা গ্রহণ করুন, কিন্তু আপনি অন্যদের চেয়ে উত্তম এমন কোনো অহংকার মনে রাখবেন না। মানুষ আপনার নম্রতার প্রশংসা করবে এবং সম্মান দিতে শিখবে।

৫) সঠিক কাজটি করুন: সবসময় সঠিক কাজটি করতে ভুলবেন না, এমনকি যখন সেটি কঠিন হবে তখনও। দীর্ঘমেয়াদে সেটিই আপনাকে তৈরি হতে সাহায্য করবে এবং সাফল্যের দিকে নিয়ে যাবে। মানুষও আপনার এই বৈশিষ্ট্যের জন্য আপনাকে সম্মান এবং সমর্থন করবে।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Mar 2025 05:16:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইফতারের পর ক্লান্ত লাগার কারণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111415" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111415</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: ইফতারের পর ক্লান্ত বোধ করা খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। তবে অনেক সময় ইফতারের কয়েক ঘণ্টা পরেও ক্লান্তি কাটে না। এরকমটা নিয়মিত হলে তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে পোস্টপ্রান্ডিয়াল সোমনোলেন্স বলা হয়। যা সাধারণত ফুড কোমা নামে পরিচিত। ফুড কোমা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক নয় তবে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুন: প্রাকৃতিকভাবে শক্তি বাড়াতে যে খাবার খাবেন

কেন পোস্টপ্রান্ডিয়াল সোমনোলেন্স ঘটে সে সম্পর্কে বেশ কয়েকটি তত্ত্ব রয়েছে। এরকম একটি তত্ত্ব থেকে জানা যায় যে, খাবার খাওয়ার সময় শরীরের প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের (PNS) কার্যকলাপ বৃদ্ধি পায় এবং সহানুভূতিশীল স্নায়ুতন্ত্রের (SNS) কার্যকলাপ হ্রাস পায়। দৈনন্দিন কার্যকলাপের এই পরিবর্তনের ফলে শক্তি কমে যায় এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হতে পারে। এসময় যত বেশি খাবার খাবেন, তত বেশি ক্লান্তি আসবে।

আমরা কী ধরণের খাবার খাই তার উপর ভিত্তি করে আরেকটি তত্ত্ব রয়েছে। যখন উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচকযুক্ত খাবার খাওয়া হয়, তখন কম গ্লাইসেমিক সূচকযুক্ত খাবারের তুলনায় খাবারে থাকা কার্বোহাইড্রেট আরও সহজে হজম হয়। তখন শরীরের শোষণের জন্য আরও বেশি গ্লুকোজ পাওয়া যায়। উচ্চ মাত্রার গ্লুকোজ শোষণ করার জন্য ইনসুলিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এটি মস্তিষ্ক দ্বারা ট্রিপটোফ্যান নামক এক ধরণের প্রোটিন গ্রহণ বৃদ্ধি করে। মস্তিষ্কে ট্রিপটোফ্যান সেরোটোনিনে রূপান্তরিত হয় যা পরে মেলাটোনিনে রূপান্তরিত হয়। মস্তিষ্কের সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিনের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে ঘুম আসে।

আরেকটি তত্ত্ব হলো- ইফতারে ভারী খাবারের কারণে (পাচনতন্ত্রের উপর অতিরিক্ত চাপের কারণে), পাচনতন্ত্রের দিকে রক্ত ​​প্রবাহ বেশি হয়। এর ফলে আমাদের মস্তিষ্কে রক্ত ​​প্রবাহ কমে যায়, যার ফলে ক্লান্তি আসে। ফুড কোমা মোকাবিলা করার কোনো সঠিক উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। তবে ইফতারের পরে হাঁটতে বের হওয়া, অল্প পরিমাণে খাওয়া বা কম খাওয়া এবং কার্বোহাইড্রেট বা প্রোটিন-ভারী খাবার এড়িয়ে চলার মতো কাজগুলো কিছুটা হলেও ইফতারের পরের এই ক্লান্তি মোকাবিলায় সাহায্য করবে।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 16 Mar 2025 12:09:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রাকৃতিকভাবে শক্তি বাড়াতে যে খাবার খাবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111318" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111318</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: শরীরে শক্তি ধরে রাখা কষ্টসাধ্য হতে পারে। কারণ আমরা যেসব খাবার খাই, সেখান থেকেই আমাদের শরীর পুষ্টি ও শক্তি লাভ করে। তবে আমাদের পরিচিত কিছু খাবার আছে যেগুলো নিয়মিত খেলে তা প্রাকৃতিকভাবে শক্তি বাড়াতে কাজ করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

আরও পড়ুন: রোজা রাখার ৫ স্বাস্থ্য উপকারিতা 

১) চিয়া বীজ: ছোট কিন্তু শক্তিশালী, চিয়া বীজ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার এবং প্রোটিনে ভরপুর। এই পুষ্টি উপাদানগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে এবং টেকসই শক্তি প্রদান করে। চিয়া বীজ জেলের মতো ঘনত্ব তৈরি করতে তরল শোষণ করে, আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে হাইড্রেটেড এবং পেট ভরা রাখে। সহজে শক্তি বৃদ্ধির জন্য এটি স্মুদি, দই বা রাতের ওটসে যোগ করুন।

২) কুইনোয়া: কুইনোয়াকে &lsquo;সুপার গ্রেইন&rsquo; বলা হয়, কুইনোয়া হলো একটি বীজ এবং প্রোটিনের সম্পূর্ণ উৎস। সহজ ভাষায়, এতে নয়টি অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে, যা খাবারকে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে। কুইনোয়ার জটিল কার্বোহাইড্রেট ধীরে ধীরে এবং স্থিরভাবে শক্তি নির্গত করে, যা নাস্তা হিসেবে বেশ উপকারী।

৩) মিষ্টি আলু: জটিল কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবার সমৃদ্ধ মিষ্টি আলু শক্তির উৎস। মিষ্টি আলুতে পেশী এবং সামগ্রিক প্রাণশক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এমন অন্যান্য পুষ্টি উপাদান হলো ভিটামিন এ এবং পটাসিয়াম। এটি ভাজা, চটকে বা এমনকি পুড়িয়েও খেতে পারেন।

৪) কলা: প্রকৃতির শক্তি বার কলা প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার এবং পটাসিয়ামে পূর্ণ। এই পুষ্টির সংমিশ্রণ তাৎক্ষণিক শক্তি বৃদ্ধি করে। দুপুরের খাবারের পরে যখন আপনি অলস বোধ করেন তখন দ্রুত, শক্তিবর্ধক নাস্তার জন্য একটি কলা খেতে পারেন।

৫) অ্যাভোকাডো: অ্যাভোকাডো স্বাস্থ্যকর মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার সমৃদ্ধ, উভয়ই দীর্ঘস্থায়ী শক্তি দেয়। এতে বি ভিটামিনও রয়েছে, যা খাবারকে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। বিশেষজ্ঞরা তৃপ্তিদায়ক খাবারের জন্য হোল গ্রেইন টোস্টে অ্যাভোকাডো ছড়িয়ে দেওয়ার বা সালাদে যোগ করার পরামর্শ দেন।

৬) ডার্ক চকোলেট: উচ্চমানের ডার্ক চকোলেটে (৭০% কোকো বা তার বেশি) থিওব্রোমিন থাকে, যা একটি প্রাকৃতিক উদ্দীপক এবং শক্তির মাত্রা বাড়ায়। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অল্প পরিমাণে ক্যাফেইনও সরবরাহ করে। আপনার ব্যাগে ডার্ক চকোলেটের একটি বার রাখুন এবং দুপুরের খাবার হিসেবে এক বা দুটি বার উপভোগ করুন।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Mar 2025 07:08:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোজা রাখার ৫ স্বাস্থ্য উপকারিতা ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111157" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111157</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: রমজান মাসে রোজা রাখার ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বের পাশাপাশি অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এই পবিত্র মাসে রোজা রাখলে শারীরিক ও আধ্যাত্মিক উভয় উভয় অর্জন করা যায়। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রোজা রাখার ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে-

আরও পড়ুন: ইফতারে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন

১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: রোজা রাখার ফলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস প্রো-ইনফ্ল্যামেটরি সাইটোকাইনের উৎপাদন হ্রাস করে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎপাদন বৃদ্ধি করে, যা অসুস্থতা এবং রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। পুষ্টিবিদদের মতে, রোজা অন্ত্রের আস্তরণকে শক্তিশালী করে। এটি অটোফ্যাজি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষতিকারক এবং ক্ষতিগ্রস্ত উপাদান থেকে কোষকে পরিষ্কার করে।

২) ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে: রোজা ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। রোজার সময় শক্তির জন্য সঞ্চিত গ্লুকোজের ওপর নির্ভর করলে শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা কমে যায়, যার ফলে গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ এবং ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত হয়। গবেষণা অনুসারে, রমজান মাসে রোজা রাখার ইতিবাচক ফলাফল রয়েছে। এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করে এবং ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস করে।

৩) ওজন কমায়: ওজন কমানোর জন্য রোজা একটি দুর্দান্ত উপায়। সাহরি ও ইফতারে খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ক্যালোরি গ্রহণ কমিয়ে এই মাসে ওজন কমানো সম্ভব হতে পারে। তবে রমজান মাস ছাড়া বছরের অন্যান্য সময়েও অতিরিক্ত খাওয়ার প্রলোভন এড়াতে হবে।

৪) হৃদরোগের জন্য ভালো: রোজা রাখলে তা হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারে। এটি রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে, যা প্রদাহ কমাতে এবং রক্ত ​​প্রবাহ উন্নত করতে সহায়তা করে। তবে যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ আছে তাদের রোজা শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৫) মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে: রোজা রাখার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য উপকারিতার মধ্যে একটি হলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতার উন্নতি। রমজান মাসে মস্তিষ্ক থেকে প্রাপ্ত নিউরোট্রপিক ফ্যাক্টর (BDNF) উৎপাদন বেশ বৃদ্ধি পায়। BDNF হলো একটি প্রোটিন যা মস্তিষ্কের কোষের বৃদ্ধি এবং বেঁচে থাকার জন্য সহায়তা করে। এটি স্মৃতিশক্তি, শেখা এবং মানসিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করে।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Mar 2025 08:17:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইফতারে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111100" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/111100</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: স্বাস্থ্যকর ইফতার বরকতময় মাসে আমাদের ইবাদত থেকে সর্বাধিক সুবিধা পেতে এবং অস্বাস্থ্যকর ইফতারের কারণে এই মাসে যেকোনো স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে বাঁচতে এড়াতে সাহায্য করবে। রমজানে উদ্যমী ও সুস্থ বোধ করার জন্য এবং ক্লান্তি এড়াতে ইফতারে এই বিষয়গুলোর দিকে খেয়াল রাখা জরুরি-

আরও পড়ুন: ডার্ক চকোলেট ত্বকের জন্য কতটা উপকারী

১) ধীরে ধীরে খান এবং স্বাদ গ্রহণ করুন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, &ldquo;যখন তোমাদের কেউ রোজা ভাঙবে, তখন সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে, কারণ তা বরকতময়। যদি তা না পাওয়া যায়, তাহলে যেন সে পানি দিয়ে ইফতার করে, কারণ তা পবিত্র।&rdquo; সুনান আত-তিরমিযী ৬৯৫

ইফতারের সময় যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি খাওয়া এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন। খেজুর, এক গ্লাস পানি এবং এক বাটি ফল দিয়ে ইফতার শুরু করুন। মাগরিবের নামাজ পড়ুন এবং তারপর বাকি খাবারের জন্য টেবিলে বসুন। নামাজ শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত না খেয়ে ধীর গতিতে খেতে পারেন, এভাবে আপনার খাবার উপভোগ করতে পারবেন।

২) ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন:

রমজানে ডিপ ফ্রায়ার সরিয়ে রাখার চেষ্টা করুন। খাবার বেক করার জন্য চুলা অথবা এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করুন। এই দুই পদ্ধতিই ভাজা থেকে আসা ফ্যাট এবং ক্যালোরির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।

৩) প্রোটিন, প্রোটিন এবং প্রোটিন:

বেশিরভাগ ইফতারে কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে এবং প্রোটিনের অভাব থাকে। দীর্ঘ সময় রোজা থাকার পর শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করার জন্য প্রতিটি ইফতারে প্রোটিনের যোগ করতে ভুলবেন না। প্রোটিনের উৎসের মধ্যে কেবল মুরগি এবং মাছ নয়, বরং ডাল এবং বিনের মতো উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিনও রয়েছে।

৪) চিনির শরবতের বদলে পানি পান করুন:

তৃষ্ণা নিবারণের জন্য গ্লাস ভরা শরবত বা জুস পান করা লোভনীয় হতে পারে, তবে এতে প্রচুর চিনি এবং ক্যালোরিও থাকে! তাই এর বদলে পানি পান করুন। স্বাদের জন্য তাতে লেবুর টুকরা, পুদিনা পাতা এবং তাজা ফল মিশিয়ে নিতে পারেন।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 28 Feb 2025 15:59:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস নিয়ন্ত্রণের উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110414" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110414</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস স্বাভাবিক, কিন্তু ঘন ঘন অতিরিক্ত খাওয়ার ফলে ওজন বৃদ্ধি পায় এবং হজমের সমস্যা সহ অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয়। জেনে নিন অতিরিক্ত খাওয়া এড়াতে কী করবেন-

আরও পড়ুন: শিশুর ওজন বাড়ার কারণ

১) ছোট প্লেট এবং বাটি ব্যবহার করুন: অতিরিক্ত খাওয়া এড়াতে সবচেয়ে ভালো উপায় হল সচেতনভাবে খাওয়া। তাই ছোট প্লেট এবং বাটি ব্যবহার করে আপনার মস্তিষ্কের ওপর একটি কৌশল চালান। এটি আপনাকে খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করবে। মানুষ ছোট থালা ব্যবহার করলে কম খাবার খায়। এর পেছনের কারণ হলো, তখন সেই ব্যক্তি পূর্ণ প্লেট খাওয়ার ভ্রান্ত ধারণা পোষণ করেন।

২) প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান: এতে হজমে বেশি সময় লাগে এবং দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরে যায়। তাই খাদ্যতালিকায় আরও প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত করুন যেমন মুরগি বা মাছ, টফু, ডিম এবং ডাল জাতীয় খাবারের মতো চর্বিহীন খাবার, শাক-সবজি, গোটা শস্য এবং বাদাম ইত্যাদি।

৩) সচেতনতা: অনেকে মানসিক চাপ, একঘেয়েমি, দুঃখ, এমনকী আনন্দের সময় আরামের জন্য খান। এই অভ্যাসগুলোকে বাদ দিতে হবে। এর বদলে ব্যায়াম, জার্নালিং বা শখের কোনো কাজে সেই সময়টা ব্যয় করতে পারেন। এতে অতিরিক্ত খাওয়ার অভ্যাস দূর হবে।

আরও পড়ুন: ব্যস্ততায় পানি পান করা সহজ সমাধান

৪) খাবারের সঠিক পরিকল্পনা: একটি সুগঠিত খাদ্যাভ্যাস পরিকল্পনা অতিরিক্ত খাওয়া এড়াতে সাহায্য করতে পারে। স্বাস্থ্যকর, পরিমিত খাবার আগে থেকেই প্রস্তুত করুন এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়াতে ফল, দই বা বাদামের মতো পুষ্টিকর খাবার রাখুন।

৫) ২০ মিনিটের নিয়মটি ব্যবহার করুন: আপনার মস্তিষ্ক পেট ভরে গেছে বলে মনে হতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগে। যদি আপনার মনে হয় যে দ্বিতীয়বার খাবার খাওয়া দরকার, তাহলে প্রায় ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং দেখুন আপনি এখনও ক্ষুধার্ত কিনা; বেশিরভাগ সময় দেখতে পাবেন যে পেট ভরে গেছে।

৬) খাবার বাদ দেবেন না: খাবার এড়িয়ে যাওয়ার ফলে আপনার ক্ষুধার্ত হওয়ার এবং পরবর্তী খাবারে অতিরিক্ত খাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে। রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করতে সঠিক সময়ে সুষম খাবার খাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।

৭) পর্যাপ্ত ঘুম: ঘুমের অভাব হলে তা ক্ষুধা-নিয়ন্ত্রক হরমোনকেও ভেঙে দেয়, যার ফলে আরও বেশি খাওয়ার বা অস্বাস্থ্যকরভাবে বেশি খাওয়ার ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। স্বাস্থ্যকর খাবার এবং সুস্থতার সুবিধার্থে প্রতি রাতে সাত থেকে নয় ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুম মানসম্পন্ন হতে পারে।ব

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Feb 2025 11:07:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডার্ক চকোলেট ত্বকের জন্য কতটা উপকারী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110984" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110984</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: কম মিষ্টি যারা পছন্দ করেন তাদের জন্য ডার্ক চকোলেট অনেক পছন্দ। তবে ডার্ক চকোলেটের আরও অনেক উপকারিতা আছে। ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য ডার্ক চকোলেটের ৫টি আশ্চর্যজনক উপকারিতা জেনে নিন-

আরও পড়ুন: ইস্ট্রোজেনের মাত্রায় ভারসাম্য রাখতে যা খাবেন

১) ত্বকের হাইড্রেশন বৃদ্ধি করে: ডার্ক চকোলেট আপনার ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে। যদিও এর সরাসরি কোনো প্রভাব নেই, তবে এর মধ্যে থাকা কিছু যৌগ হাইড্রেশনে সাহায্য করে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ (NIH) অনুসারে, ডার্ক চকোলেটে ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে যা ত্বকে রক্ত ​​প্রবাহ উন্নত করে, যা ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে। তবে এটি পরিমিত পরিমাণে খেতে ভুলবেন না।

২) কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে: ডার্ক চকলেটে উপস্থিত ফ্ল্যাভোনয়েড কোলাজেন উৎপাদনেও সহায়তা করে। কোলাজেন হলো একটি প্রোটিন যা ত্বকের গঠন এবং স্থিতিস্থাপকতা দেয়। যদি আপনার ত্বক শুষ্ক এবং রুক্ষ হয়, তাহলে খাদ্যতালিকায় ডার্ক চকোলেট যোগ করুন। এটি কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে।

৩) ত্বককে UV ক্ষতি থেকে রক্ষা করে: NIH-এর আরেকটি গবেষণা অনুসারে, ফ্ল্যাভোনয়েড সমৃদ্ধ চকলেট ত্বককে UV ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ফ্ল্যাভোনয়েডের পাশাপাশি, ডার্ক চকোলেট অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেও সমৃদ্ধ, যা এর ত্বকের স্বাস্থ্য উপকারিতা আরও বাড়িয়ে তোলে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, নিয়মিত ডার্ক চকলেট খেলে তা রোদে পোড়া এবং অন্যান্য UV-সম্পর্কিত ত্বকের সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৪) ত্বক নরম ও কোমল রাখে: যেহেতু ডার্ক চকোলেট ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে, তাই এটি স্বাভাবিকভাবেই নরম ও কোমল করে তোলে। এটি ত্বকের নিচে রক্ত ​​প্রবাহকে উদ্দীপিত করতেও সাহায্য করে। NIH-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ফ্ল্যাভানল সমৃদ্ধ কোকোর এক ডোজ গ্রহণ করলে সুস্থ নারীদের ত্বকে রক্ত ​​প্রবাহ এবং অক্সিজেন স্যাচুরেশন বৃদ্ধি পায়। যখন ত্বক ভালোভাবে হাইড্রেটেড থাকে এবং রক্ত ​​প্রবাহ ভালো থাকে, তখন এটি স্বাভাবিকভাবেই নরম এবং কোমল দেখায়।

৫) লালচেভাব প্রশমিত করতে সাহায্য করে: যদি আপনার ত্বকে জ্বালা এবং লালচেভাব অনুভব করেন, তাহলে ডার্ক চকোলেট উপশম করতে সাহায্য করতে পারে। জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, নিয়মিত ডার্ক চকোলেট খেলে রক্তের সিরাম CRP কমে যায়। এটি রক্তে একটি প্রোটিন যা প্রদাহ নির্দেশ করে। একবার নিয়মিত এটি খাওয়া শুরু করলে লালচেভাব ধীরে ধীরে কমে যেতে দেখবেন।

ডার্ক চকলেট একাধিক উপায়ে আপনার ত্বককে রূপান্তরিত করার ক্ষমতা রাখে। তবে এর সুবিধাগুলো সম্পূর্ণরূপে উপভোগ করার জন্য কমপক্ষে ৭০% কোকো উপাদান সহ ডার্ক চকোলেট বেছে নেওয়া অপরিহার্য। সব সময় পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে এবং খাদ্যতালিকায় কোনো বড় পরিবর্তন করার আগে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Feb 2025 11:02:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইস্ট্রোজেনের মাত্রায় ভারসাম্য রাখতে যা খাবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110296" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110296</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: ইস্ট্রোজেন শরীরের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন, বিশেষ করে নারীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য। বয়ঃসন্ধির সময় ইস্ট্রোজেন নারী বৈশিষ্ট্য বিকাশ, মাসিক চক্র নিয়ন্ত্রণ এবং ডিম্বস্ফোটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুষম ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ উচ্চ ইস্ট্রোজেন এবং কম ইস্ট্রোজেন উভয়ই বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।

আরও পড়ুন: ব্যস্ততায় পানি পান করা সহজ সমাধান

ইস্ট্রোজেনের মাত্রা ভারসাম্যে সাহায্য করার জন্য ৭টি খাবার

উচ্চ ইস্ট্রোজেন কমানোর জন্য ৪টি খাবার প্রয়োজন:

১) ক্রুসিফেরাস শাকসবজি: ব্রোকলি, ফুলকপি, ব্রাসেলস স্প্রাউট এবং কেল ইনডোল-৩-কার্বিনল সমৃদ্ধ। এটি একটি যৌগ যা লিভারকে অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেন প্রক্রিয়াজাত করতে এবং নির্মূল করতে সহায়তা করে।

২) ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার: গোটা শস্য, ফল, শাক-সবজি এবং ডাল এবং ছোলা জাতীয় ডাল স্বাস্থ্যকর হজম এবং ডিটক্সিফিকেশন বজায় রাখে যা উচ্চ ইস্ট্রোজেন কমাতে সাহায্য করে।

৩) তিসির বীজ: এই ছোট কিন্তু শক্তিশালী বীজে লিগনান বেশি থাকে, যা ইস্ট্রোজেন রিসেপ্টরের সঙ্গে আবদ্ধ হতে সাহায্য করে, যা শরীরের অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেন হ্রাস করতে পারে।

৪) গ্রিন টি: গ্রিন টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং যৌগে ভরপুর যা হরমোনের ভারসাম্য এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে, যা ইস্ট্রোজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য এটি একটি দুর্দান্ত পানীয়।

নিম্ন ইস্ট্রোজেন বৃদ্ধির জন্য ৩টি খাবার

১) সয়া ফুড: টোফু এবং সয়া দুধ ফাইটোয়েস্ট্রোজেনে ভরপুর। এটি উদ্ভিদ-ভিত্তিক যৌগ যা শরীরে ইস্ট্রোজেনের অনুকরণ করে, নিম্ন ইস্ট্রোজেনের লক্ষণও উপশম করতে সাহায্য করে।

২) বাদাম এবং বীজ: বাদাম, সূর্যমুখী বীজ এবং তিলের বীজ ফাইটোয়েস্ট্রোজেন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের চমৎকার উৎস, যা হরমোনের ভারসাম্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

৩) ফল এবং শাক-সবজি: আপেল, গাজর, চেরি এবং ইয়াম ফাইটোয়েস্ট্রোজেন এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টিতে সমৃদ্ধ যা হরমোন নিয়ন্ত্রণ এবং ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া ছোলা, মসুর ডাল এবং মটরশুটি হলো ফাইটোইস্ট্রোজেনের দুর্দান্ত উদ্ভিদ-ভিত্তিক উৎস যা ইস্ট্রোজেনের মাত্রা ভারসাম্যে সাহায্য করতে পারে।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 28 Jan 2025 09:34:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ব্যস্ততায় পানি পান করা সহজ সমাধান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110277" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110277</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: ব্যস্ততার কারণে মাঝে মাঝে পর্যাপ্ত পানি পান করা কঠিন হয়ে পড়ে কিন্তু সারাদিন ভালো বোধ করার জন্য এবং আপনার সেরাটা করার জন্য হাইড্রেটেড থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনার পর্যাপ্ত হাইড্রেশনের জন্য সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাহলে জেনে নিন কীভাবে তা করবেন-

আরও পড়ুন: ভিটামিন সাপ্লিমেন্টের বদলে যা খাবেন

১) সকালে প্রথমেই পানি পান করুন: সকালের কফি খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করুন। শুনতে ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু এটি একটি ভালো হাইড্রেটেড দিনের জন্য শুরুটা তৈরি করে দেবে। অতিরিক্ত স্বাদ এবং হজমে সহায়তার জন্য একটু লেবু যোগ করুন। গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা পানি দিয়ে দিন শুরু করেন তারা বেশি জাগ্রত এবং সক্রিয় থাকেন।

২) সব সময় একটি পানির বোতল সঙ্গে রাখুন: পানির বোতল কেবল শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় নয়, বরং আপনার সঙ্গেও একটি রাখুন। এটি সারাদিন পানি খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দেওয়ার একটি স্মার্ট উপায়। আপনার পছন্দের একটি বোতল বেছে নিন এবং সেটি সঙ্গে রাখুন।

৩) পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করুন: লক্ষ্য নির্ধারণ করলে তা বিস্ময়করভাবে কাজ করতে পারে। আপনি প্রতিদিন কতটা পানি পান করতে চান তা নির্ধারণ করুন এবং এটি ছোট ছোট চুমুকে ভাগ করে নিন। প্রতি ঘণ্টায় পানি পান করার কথা মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য অ্যালার্ম বা ফোন অ্যাপ ব্যবহার করুন। এই সহজ পরিকল্পনাটি আপনাকে পানির পরিমাণ বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

৪) ৩০ মিনিটের নিয়ম: খাওয়ার প্রায় ৩০ মিনিট আগে পানি পান করা একটি চমৎকার কৌশল। এভাবে হজমে ব্যাঘাত না ঘটিয়ে হাইড্রেটেড থাকতে পারবেন। খাওয়ার সময় পানি পান করলে পাকস্থলীর কাজ করা কঠিন হয়ে যেতে পারে। তাই খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পানি পান করলে তা সতেজ থাকতে এবং খাবার ভালোভাবে হজম করতে সাহায্য করে।

৫) পানিযুক্ত খাবার খান: বিশ্বাস করুন বা না করুন, কিছু খাবারেও পানি থাকে! তরমুজ, টমেটো এবং শসার মতো রসালো ফলের কথা ভাবুন। এগুলো কেবল আপনাকে হাইড্রেটেড রাখে না বরং আপনার শরীরকে মূল্যবান পুষ্টিও সরবরাহ করে। সুস্বাদু স্বাদের জন্য এই ফল খাওয়ার পাশাপাশি এর টুকরা পানিতে ভিজিয়েও পান করতে পারেন।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 27 Jan 2025 15:39:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দুর্বল মনের মানুষ চেনার উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110193" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110193</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: আপনি কি নিজেকে অন্যদের তুলনায় কম মূল্যবান মনে করেন? সবসময় নিজের উপর সন্দেহ করেন? নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পান? যদি তাই হয় তাহলে হয়তো আপনার মানসিকতা দুর্বল হতে পারে। দুর্বল মানসিকতা আপনাকে সফল হওয়া থেকে বিরত রাখতে পারে। আসুন জেনে নিই কীভাবে বুঝবেন আপনার মানসিকতা দুর্বল এবং তা কীভাবে পরিবর্তন করবেন।

আরও পড়ুন: ভিটামিন সাপ্লিমেন্টের বদলে যা খাবেন

১. সবসময় রক্ষণাত্মক: দুর্বল মানসিকতার মানুষরা নিজেদেরকে অন্যদের থেকে রক্ষা করতে চায় এবং নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করে না। তারা সমালোচনাকে ব্যক্তিগতভাবে নেয় এবং নিজেদেরকে প্রমাণ করার জন্য অনেক চাপ অনুভব করে।

২. নিজের সমস্যা নিয়ে আচ্ছন্ন: দুর্বল মানসিকতার মানুষরা নিজেদের সমস্যা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত থাকে। তারা সমস্যার সমাধানের চেয়ে সমস্যা নিয়েই বেশি ভাবে।

৩. সবকিছুর জন্য ক্ষমা চাওয়া: দুর্বল মানসিকতার মানুষরা প্রায়ই নিজেদের জন্য খুব কম মূল্য দেয়। তারা সবসময় অন্যদের কাছে ক্ষমা চায়, এমনকি যখন তাদের কোনো ভুল না থাকে।

৪. চ্যালেঞ্জ এড়িয়ে চলা: দুর্বল মানসিকতার মানুষরা নতুন কিছু শিখতে বা চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পায়। তারা নিজেদের কমফোর্ট জোনের বাইরে যেতে চায় না।

৫. নেতিবাচক চিন্তাভাবনা: দুর্বল মানসিকতার মানুষরা সবসময় নেতিবাচক দিকটাই দেখে। তারা সফল হওয়ার পরিবর্তে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকে।

সান নিউজ/এমএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Jan 2025 08:30:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভিটামিন সাপ্লিমেন্টের বদলে যা খাবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110116" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110116</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: বর্তমান দ্রুতগতির পৃথিবীতে ফার্মেসিগুলো মাল্টিভিটামিন এবং খাদ্যতালিকাগত সাপ্লিমেন্টে ভরে উঠছে। যদিও কিছু ক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্ট উপকারী হতে পারে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়। অনেকেই প্রাকৃতিক ও পুষ্টিকর খাবারগুলোকে উপেক্ষা করে চলুন জেনে নেওয়া যাক সাপ্লিমেন্টের বদলে কোন খাবারগুলো খাবেন-

আরও পড়ুন: শিশুর ওজন বাড়ার কারণ

১) ভিটামিন সি: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষত নিরাময় এবং হাড় ও দাঁত বজায় রাখার জন্য ভিটামিন সি অপরিহার্য। যদি ভিটামিন সি এর সাপ্লিমেন্ট খেয়ে থাকেন, তাহলে আপনার খাদ্যতালিকায় কমলা, লেবু এবং আঙুরের মতো ফল যোগ করার কথা বিবেচনা করুন। অন্যান্য চমৎকার উৎসের মধ্যে রয়েছে স্ট্রবেরি, বেল মরিচ এবং কিউই। অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস-এ ২০২১ সালের একটি গবেষণা অনুসারে, আপনি আপনার খাদ্যতালিকায় কাকাডু পামও অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন, কারণ এতে কমলার চেয়ে ৭৫ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে।

২) ভিটামিন ডি: সূর্যের আলো না পেলে আমাদের শরীর ভিটামিন ডি তৈরি করে না। হাড়ের বিকাশ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ডি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি পর্যাপ্ত রোদ পান না করেন, তাহলে ভিটামিন ডি৩ ক্যাপসুল এড়িয়ে যান এবং স্যামন ও ম্যাকেরেলের মতো ফ্যাটি মাছ খান, যা ভিটামিনের চমৎকার উৎস। জার্নাল অফ নিউট্রিশন অ্যাসোসিয়েশন অফ থাইল্যান্ডে প্রকাশিত ২০১৯ সালের একটি গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে এমনটাই। এছাড়া ফোর্টিফাইড দুধ এবং ডিমের কুসুম খাবারে যোগ করা যেতে পারে।

৩) ক্যালসিয়াম: হাড় এবং দাঁত শক্তিশালী করার জন্য এবং বজায় রাখার জন্য ক্যালসিয়াম অপরিহার্য। ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটের ওপর নির্ভর না করে দুধ, দই এবং পনিরের মতো দুগ্ধজাত পণ্য বেছে নিন। যদি আপনার ল্যাকটোজ ইন্টলারেন্স থাকে, তাহলে ফোর্টিফাইড উদ্ভিদ-ভিত্তিক দুধ, টোফু, বাদাম এবং পালং শাক এবং কেল জাতীয় শাক-সবজি বেছে নিন। আফ্রিকান জার্নাল অব ফুড সায়েন্সে প্রকাশিত গবেষণা অনুসারে, ক্যালসিয়াম গ্রহণ বাড়ানোর একটি সহজ উপায় হলো মাত্র দুই চামচ চিয়া সিড খাওয়া, যা আপনার প্রস্তাবিত খাদ্যতালিকাগত ক্যালসিয়ামের ১৪% সরবরাহ করে।

৪) আয়রন: আয়রনের সাপ্লিমেন্ট বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্লান্তি মোকাবিলায় ব্যবহৃত হয়। সাপ্লিমেন্টের পরিবর্তে লাল মাংস, ডাল, মটরশুটি এবং পালং শাকের মতো খাবার থেকে প্রচুর আয়রন পেতে পারেন। আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন সাইট্রাস ফল শরীরে শোষণ বৃদ্ধি করবে।

৫) জিঙ্ক: জিঙ্ক ত্বকের স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং কোষের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রদাহ কমাতে এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ। জিঙ্ক ট্যাবলেটের ওপর নির্ভর না করে, আপনার খাদ্যতালিকায় কুমড়োর বীজ, ছোলা এবং কাজু যোগ করুন।

আরও পড়ুন: রান্নাঘরের যে ৫ কাজ মন ভালো করবে

৬) ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: হৃদপিণ্ড এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য সুপরিচিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হলো বিভিন্ন খাবারে পাওয়া পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। আপনার খাদ্যতালিকায় আখরোট, তিসি, চিয়া সিড এবং স্যামনের মতো ফ্যাটি মাছ যোগ করুন। এগুলো কেবল সুস্বাদু নয় বরং অতিরিক্ত পুষ্টি এবং স্বাদেও ভরপুর।

৭) ম্যাগনেসিয়াম: ম্যাগনেসিয়াম স্নায়ু সংক্রমণ, পেশী সংকোচন, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং গ্লুকোজ এবং ইনসুলিন বিপাক উভয় ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ঘুমের মান উন্নত করতেও সাহায্য করে। ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্টের পরিবর্তে গাঢ় রঙের শাক-সবজি, বীজ এবং বিনস বেছে নিন। ডার্ক চকোলেট, কলা, বাদাম এবং গোটা শস্যও খেতে পারেন।

৮) ভিটামিন বি১২: ভিটামিন বি১২ সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার পরিবর্তে আপনার খাবারে মাংস, মাছ, ডিম এবং দুগ্ধজাত খাবারের মতো প্রাণিজ খাবার যোগ করার দিকে মনোনিবেশ করুন। এ ধরনের খাবার এই গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনের দুর্দান্ত উৎস, যা স্নায়ুর কার্যকারিতা এবং শক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/এএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 23 Jan 2025 10:40:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাতে বাসন না ধুয়ে সিঙ্কে রেখে যে বিপদ ডেকে আনছেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110102" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/lifestyle/110102</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক : প্রায় প্রতিটি বাড়িতে বয়স্করা পরামর্শ দেন যে, রাতে সব সময় বাসনপত্র ধুয়ে ঘুমাতে হবে। এর পিছনে আপনার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কিছু বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে যা আপনাকে নিশ্চিত করবে যে কেন আপনার রাতে নোংরা বাসন রেখে ঘুমানো উচিত নয়।

আরও পড়ুন : রান্নাঘরের যে ৫ কাজ মন ভালো করবে

সারারাত নোংরা বাসন ফেলে রাখা কেন ভুল?

আপনি যদি রাতের খাবারের পরে নোংরা বাসনগুলো সিঙ্কে রেখে যান তবে এটি আপনার এবং আপনার পুরো পরিবারের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। আসলে দীর্ঘদিন ধরে বাসন না ধোয়ার কারণে তাতে ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিপজ্জনক ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে। কখনো কখনো এই ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নোংরা বাসন থেকে রান্নাঘরের বাকি অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং তাদের দূষিত করতে পারে।

এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে

ময়লায় বেড়ে ওঠা এই ব্যাকটেরিয়া আপনার স্বাস্থ্যের জন্য বড় ক্ষতি করতে পারে। এগুলো সরাসরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে এবং দুর্বল করে দেয়। এ কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং শরীরে রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া ব্যাকটেরিয়ার কারণে অনেক সময় বমি, ডায়রিয়া এবং পেট সংক্রান্ত অনেক সমস্যাও হতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে টাইফয়েড, জন্ডিস এবং কিডনি সংক্রান্ত রোগও হতে পারে।

আরও পড়ুন : শিশুর ওজন বাড়ার কারণ

জেনে নিন কতক্ষণ পর ময়লা বাসন ধুতে হবে?

সবচেয়ে ভালো বিকল্প হল খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাত্রগুলো ভালোভাবে ধুয়ে ফেলা। যাইহোক, প্রতিবার এটি করা কিছুটা কঠিন। এমন অবস্থায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরও বাসন ধুতে পারেন। তবে এই সময়ের মধ্যেও খেয়াল রাখতে হবে যেন জাহাজে কোনো ধরনের ধ্বংসাবশেষ না থাকে। এগুলোকে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার পরেই সিঙ্কে সংরক্ষণ করুন। এছাড়া রান্নাঘরে এমন কিছু বাসন আছে যেগুলো আমরা অনেকদিন পর ব্যবহার করি। এই ধরনের পাত্র ব্যবহার করার আগে ধোয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সান নিউজ/এমআর]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 23 Jan 2025 03:37:08 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
