<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/international</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/international"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews international Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest international News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 10 Jul 2026 09:48:31 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[স্পেনে ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১২]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116100" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116100</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলের আলমেরিয়া প্রদেশের বেদার এলাকায় ভয়াবহ দাবানলে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দেশটির আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি সেবা সংস্থাগুলো নিরলসভাবে কাজ করছে।

আন্দালুসিয়া আঞ্চলিক সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিহতদের কয়েকজনের মরদেহ পুড়ে যাওয়া গাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে মৃতের সংখ্যা ছয়জন বলা হলেও পরে তা বেড়ে ১২ জনে পৌঁছায়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ১৫০ জন অগ্নিনির্বাপক কর্মী, পাঁচটি ফায়ার ট্রাক এবং অন্যান্য জরুরি সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।

দাবানলের ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে এক নারী দগ্ধ হয়েছেন এবং আরেকজন ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আন্দালুসিয়ার জরুরি বিভাগের প্রধান আন্তোনিও সাঞ্জ ঘটনাটিকে নজিরবিহীন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই শোক ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, একটি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ছিঁড়ে শুকনো ঝোপঝাড়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত আশপাশের বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্পেনের মিলিটারি ইমার্জেন্সি ইউনিট (ইউএমই) মোতায়েনের প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই ভয়াবহ দাবানলের মর্মান্তিক পরিণতিতে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। এর আগে মে মাসে তিনি জানিয়েছিলেন, চলতি গ্রীষ্মে দাবানল মোকাবিলায় দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা মোতায়েন করা হবে।

আন্দালুসিয়ার আঞ্চলিক সরকারের প্রধান হুয়ানমা মোরেনোও ঘটনাটিকে একটি ভয়াবহ ট্র্যাজেডি হিসেবে উল্লেখ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

সূত্র: এএফপি।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 10 Jul 2026 09:48:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খামেনির জানাজায় প্রায় ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116099" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116099</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছয় দিনব্যাপী জানাজা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে শুক্রবার (১০ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এই শোকযাত্রাকে &lsquo;বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শোকযাত্রা&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেছে। খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরানসহ কোম, নাজাফ, কারবালা ও মাশহাদ&mdash;এই পাঁচটি শহরে বিশেষ শোকানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (৪ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সেখানে খামেনির কফিন প্রদর্শনের পর লাখো মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভিড় করেন।

অনুষ্ঠানে হামাস, গাজাভিত্তিক ইসলামিক জিহাদ, লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় মধ্য তেহরানে নিজ বাসভবনে নিহত হওয়ার চার মাসেরও বেশি সময় পর আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন সম্পন্ন হয়।

সূত্র: আল-জাজিরা

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 10 Jul 2026 09:39:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত করতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116080" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116080</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বুধবার (৮ জুলাই ) মধ্যরাতে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম) ইরানের বিশাল এলাকাজুড়ে বড় ধরণের হামলা চালিয়েছে ।

ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ জানিয়েছে, মার্কিন হামলায় দেশটির তিন সমুদ্রবন্দর বন্দর আব্বাস, কোনারক এবং চাবাহারের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্দর আব্বাস ইরানের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর। এছাড়া হরমুজ প্রণালি ও আশপাশে ইরানের নৌবাহিনী এবং সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) যত স্থাপনা রয়েছে, প্রায় সবগুলোতে হামলা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট এক বার্তায় সেন্টকোম জানায়, &ldquo;যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ড বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতায় হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা আরও হ্রাস করার জন্য এই হামলা পরিচালনা করেছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিতে চলাচলরত বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য কর হামলা পরিচালনার জন্য ইরানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র।&rdquo;

মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের হামলার বুধবারের চেয়ে হামলার মাত্রা বেশি ছিলো।

হামলার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, &ldquo;হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের আগ্রাসনের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছে। ফের আগ্রাসন চালালে হামলা আরও ভয়াবহ হবে।&rdquo;

সূত্র : রয়টার্স

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Jul 2026 11:53:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাহরাইন ও কুয়েতের ৮৫ স্থাপনায় ইরানের হামলা ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116056" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116056</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবারও ইরানের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরানে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে অন্তত ৮৫টি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইরান।

বুধবার (৮ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের নৌ ও বিমান বাহিনী ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে নিশানা করে হামলা চালায় দেশটি।

আইআরজিসি জানিয়েছে, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমান ঘাঁটিতে আঘাত হানা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ইরানের হরমোজগান ও মাহশাহরের উপকূলীয় অঞ্চলে ইরানের সামরিক ঘাঁটি এবং বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে ইরান এ অভিযান চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ও ইসলামাবাদ চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে ইরান।

ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর জন্য একমাত্র নিরাপদ পথ হলো ইসলামী প্রজাতন্ত্র কর্তৃক নির্ধারিত পথ।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, &lsquo;আমেরিকান সন্ত্রাসবাদের&rsquo; কোনো জবাব না দিয়ে ছাড় দেওয়া হবে না। এই নৌপথের বিষয়ে ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপের প্রচেষ্টা &lsquo;কোনো অবস্থাতেই&rsquo; মেনে নেওয়া হবে না।

সূত্র: আল জাজিরা

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 09:02:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ন্যাটো সম্মেলনের আগে কিয়েভে রুশ হামলায় অন্তত ১১ জন নিহত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116031" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116031</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের আগের দিন ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ১১ জন নিহত এবং ৪৬ জন আহত হয়েছেন। সম্মেলনের ফাঁকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের কথা রয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শহরের ২০টিরও বেশি স্থানে উদ্ধারকাজ চলছে। হামলায় অন্তত দুটি জেলায় বহুতল আবাসিক ভবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানান, রুশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে শহরের বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন লাগে। এতে আবাসিক ভবনের পাশাপাশি কয়েকটি গুদামঘর ও একটি গ্যারেজ ওয়ার্কশপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে, রোববার সন্ধ্যায় ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ঝাপোরিঝঝিয়া শহরেও রাশিয়ার গাইডেড বোমা হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় দুই শিশুসহ অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। হামলায় আবাসিক ভবন ও বহু অ্যাপার্টমেন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অন্যদিকে, পূর্ব ইউক্রেনের কৌশলগত শহর কস্তিয়ানতিনিভকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে দাবি করেছে মস্কো। রাশিয়ার দাবি, শহরটি তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিহত ইউক্রেনীয় সেনাদের মরদেহ হস্তান্তরের জন্য সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে ইউক্রেন সে প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, সীমান্তবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে ইউক্রেন সীমান্তজুড়ে একটি &lsquo;বাফার জোন&rsquo; গড়ে তোলা হচ্ছে। তবে এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেন, কস্তিয়ানতিনিভকার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করতে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে মস্কো।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 12:41:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সুপার টাইফুন ‘বাভি’র তাণ্ডবে বিপর্যস্ত প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপাঞ্চল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116013" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/116013</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রচণ্ড গতির বাতাস, অতি ভারী বৃষ্টি এবং বিশাল ঢেউ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জে আঘাত হেনেছে সুপার টাইফুন &lsquo;বাভি&rsquo;। ঝড়ের প্রভাবে পুরো এলাকাজুড়ে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ।

ঘণ্টায় ২৯০ কিলোমিটার বেগের ঝড়

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, টাইফুনটির স্থায়ী বাতাসের গতি ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ কিলোমিটার। পাশাপাশি দমকা হাওয়ার সর্বোচ্চ গতি ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। এ কারণে উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, সমুদ্রে প্রায় ১১ মিটার উচ্চতার ঢেউ সৃষ্টি হতে পারে, যা নৌযান চলাচল এবং উপকূলীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

রোটায় সরাসরি আঘাত, ক্ষয়ক্ষতির খবর

স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণাঞ্চলের জনবসতিপূর্ণ রোটা দ্বীপে সরাসরি আঘাত হেনেছে টাইফুনটি। ঝড়ের তীব্রতায় বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক খবর পাওয়া গেছে।

রোটা প্রশাসন বাসিন্দাদের ঘরের বাইরে না বের হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। তাদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন মানুষ

টাইফুনের আগেই গুয়াম ও আশপাশের দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে শুরু করেছেন। পর্যটননির্ভর গুয়ামে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য একাধিক স্কুলে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে হাজারের বেশি মানুষের থাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রবল বাতাসের পাশাপাশি জলাবদ্ধতা ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

বিমানবন্দরে রেকর্ড দমকা বাতাস

সাইপান দ্বীপের বিমানবন্দরে ঘণ্টায় ১৬১ কিলোমিটারের বেশি গতির দমকা বাতাস রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ঝড়টি আরও কিছু সময় একই শক্তি ধরে রাখতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনে বাড়ছে শক্তিশালী টাইফুনের ঝুঁকি

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই ঘূর্ণিঝড়প্রবণ হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আরও শক্তিশালী টাইফুনের সংখ্যা বেড়েছে।

এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে আঘাত হানা আরেকটি সুপার টাইফুনে ব্যাপক প্রাণহানি ও কয়েকশ কোটি ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। সেই ক্ষতি পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠার আগেই নতুন করে &lsquo;বাভি&rsquo;র আঘাতে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

কর্তৃপক্ষের সতর্কতা

আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ সবাইকে নিরাপদ স্থানে অবস্থান, অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়িয়ে চলা এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোও সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 07:27:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা, জনসমুদ্রে তেহরান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115967" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115967</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি আনুষ্ঠানিক শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানী তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় এ আয়োজন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই লাখো মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে রূপ নেয়। শোকাহত মানুষের ঢলে শুধু অনুষ্ঠানস্থলই নয়, আশপাশের প্রধান সড়ক ও গণপরিবহন কেন্দ্রগুলোও কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ তেহরানে এসে জড়ো হয়েছেন প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে। জনসমাগম সামাল দিতে গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রবেশদ্বার নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সকাল থেকেই তেহরানের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনের বাইরে দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করতে দেখা যায় হাজারো মানুষকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত নারী-পুরুষ স্টেশনের গেট খোলার অপেক্ষায় অবস্থান করছেন। অনেকেই হাতে জাতীয় পতাকা ও খামেনির প্রতিকৃতি বহন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শেষ বিদায় জানাতে গিয়ে তারা অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। তাদের সেই আবেগঘন মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

এর আগে কর্তৃপক্ষ জানায়, সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় দাফন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তেহরানের গভর্নর মোহাম্মদ সাদেক মোতামাদিয়ান বলেন, অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগে কাউকে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

রাষ্ট্রীয় এই শোকানুষ্ঠানে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব, সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি, কূটনীতিক ও বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও অংশ নেন। তাদের উপস্থিতিতে খামেনির প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শনের আয়োজন আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

রাজধানীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা, লাখো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং আবেগঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিপুল জনসমাগম দেশটির রাজনীতি ও জাতীয় আবেগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 10:06:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পশ্চিম তীরে আরো বিপুল এলাকা দখলের অনুমোদন ইসরাইলের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115964" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115964</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর এলাকায় নতুন করে আরও ১৩টি বসতি স্থাপনের একটি প্রস্তাব ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। অন্যদিকে, এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা। শুক্রবার (৩ জুলাই) নিউ আরবের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, ভূখণ্ডগত বিভাজনকে আরও গভীর করবে এ ধরনের বসতি সম্প্রসারণ। এর ফলে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ৭ জানিয়েছে, মন্ত্রিসভা বৃহস্পতিবার মধ্য পশ্চিম তীরের অন্যতম বৃহৎ বসতি এলাকা বিনিয়ামিন আঞ্চলিক পরিষদে নতুন বসতি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী মাসগুলোতে প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে চার থেকে ছয়টি বসতি স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া বিদ্যমান বেশ কয়েকটি বসতি চৌকিকেও বৈধতা দেওয়া হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পে লাখ লাখ শেকেল বিনিয়োগ করা হবে এবং বেশ কয়েকটি বিদ্যমান পশুপালন কেন্দ্রও আনুষ্ঠানিক আইনি ভিত্তি পাবে। ফলে সেগুলো সরকারি তহবিল এবং অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

চ্যানেল ৭ এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, প্রায় ১ বিলিয়ন শেকেল বিনিয়োগে এই প্রকল্পের অর্থায়ন করা হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট বসতিগুলো সরকারি তহবিল এবং রাস্তা, বিদ্যুৎ ও পানির মতো মৌলিক অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

বুধবার প্যালেস্টাইনিয়ান সেন্টার ফর ইসরায়েলি স্টাডিজ (মাদার) বলেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েলের বসতি চৌকি স্থাপনের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

কেন্দ্রটি জানিয়েছে, ২০১২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বার্ষিক গড়ে আটটি বসতি চৌকি স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু ২০২৩ সালে তা বেড়ে ৩২টি, ২০২৪ সালে ৬২টি এবং ২০২৫ সালে ৮৬টিতে পৌঁছেছে। এটিকে ইসরায়েলের বসতি স্থাপন কার্যক্রমের নজিরবিহীন সম্প্রসারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন করা হয়েছে। ইসরায়েলি সরকার ২০২৩ সালে বসতি চৌকিগুলোর জন্য ২৮ মিলিয়ন শেকেল এবং ২০২৪ সালে ৭৫ মিলিয়ন শেকেল বরাদ্দ করেছে। পাশাপাশি মোট ৭০টি চৌকিতে অর্থায়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।

১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েলের দখল করা পূর্ব জেরুজালেমসহ অধিকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন বসতিতে বর্তমানে সাত লাখের বেশি বসতি স্থাপনকারী বাস করছেন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এসব বসতি অবৈধ।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের কার্যকারিতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত থাকায়। অন্যদিকে, জাতিসংঘের একাধিক প্রস্তাব এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের মতেও এসব বসতির কোনো আইনি বৈধতা নেই। একটি ন্যায়সংগত ও স্থায়ী সমাধান অর্জনের পথে প্রধান বাধা হলো ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 09:59:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তৃণমূলের পার্টিঅফিস দখল ঋতব্রতপন্থীদের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115966" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115966</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষমতা দখল নিয়ে দাবি-পাল্টা দাবি চলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিদ্রোহী শিবিরের মধ্যে। এর মাঝেই কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকার প্রধান দলীয় কার্যালয় দখল করেছেন বিদ্রোহীরা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত গোষ্ঠীটি নিজেদের &lsquo;আসল তৃণমূল কংগ্রেস&rsquo; দাবি করে প্রধান কার্যালয় দখলে নিয়ে নেয়। এসময় ঋতব্রতের সঙ্গে ছিলেন আখতারুজ্জামান, ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ খান, গোলাম রব্বানী, প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহার মতো শীর্ষ নেতা ও বিধায়করা।

ওই সময় দলীয় কার্যালয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারী সাবেক মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অবস্থান করছিলেন। ঋতব্রতরা ভেতরে প্রবেশ করার পরপর ই তিনি ভবন ছেড়ে চলে যান।

তবে চন্দ্রিমা চলে যাওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই ভবনের সামনে উপস্থিত হন &lsquo;মমতাপন্থী&rsquo; তৃণমূল নেতা ও বিধায়ক কুনাল ঘোষ এবং আরও কয়েক জন। কুণালেরা পৌঁছোনোর কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীও। কার্যালয় &lsquo;দখল&rsquo; নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় কুণালকে।

কুণাল জানান, পুরো বিষয়টি তদন্তের পরেই দলীয় নেতৃত্বকে অর্থাৎ মমতা বা অভিষেককে জানাবেন তিনি। তাদের নির্দেশেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

পার্টি অফিস &lsquo;দখলের&rsquo; বিষয়ে তিনি পুলিশকে জানান, ২০২৭ সাল পর্যন্ত এই ভবন নিয়ে তৃণমূল ও মালিকের চুক্তি রয়েছে।

এদিকে,কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকায় কার্যালয় দখলের পর ভবনের পুরোনো ব্যানার সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের পরিবর্তে হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে দলের নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করে নতুন ব্যানার লাগানো হয়েছে।

তৃণমূলের জ্যেষ্ঠ এবং বর্তমানে &lsquo;ঋতব্রতপন্থি&rsquo; বিধায়ক আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, &ldquo;&lsquo;আমরাই তৃণমূল। এটা আমাদের কার্যালয়। এই কার্যালয়ের সঙ্গে তৃণমূলের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে।&rdquo;

আখতারুজ্জামান আরও জানান, তারা মালিকের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভাড়া-সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

উল্লেখ্য,৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য রাজনীতিতে বড় প্রশ্ন হয়ে দাড়িয়েছে যে &lsquo;আসল&rsquo; তৃণমূল কারা। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একদল বিধায়ক দলের মধ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তার পর থেকেই দলে ভাঙন শুরু হয়।

ঋতব্রতের তৃণমূল বনাম মমতাপন্থী তৃণমূলের বির্তক এখনও চলছে। &lsquo;আসল&rsquo; তৃণমূল হওয়ার দাবি জানাচ্ছে দু&rsquo;পক্ষই। সেই আবহে শুক্রবার দলীয় কার্যালয় &lsquo;দখল&rsquo; করে ভবনের বাইরের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন ঋতব্রতেরা। তারা সঙ্গে করে চাবি নিয়ে চলে যান। খবর পেয়েই কার্যালয়ে পৌঁছে যান কুণাল। ঘটনাচক্রে, এই পার্টি অফিসটি আবার কুণালের বিধানসভা এলাকার মধ্যেই পড়ে।

এই &lsquo;দখলদারির&rsquo; নেপথ্যে রাজ্য সরকার এবং পুলিশের মদত রয়েছে বলে অভিযোগ করে সাংবাদিকদের কুনাল ঘোষ বলেন, &lsquo;&lsquo;দখলদারির সংস্কৃতি চলছে। সরকার এবং পুলিশের প্রত্যক্ষ মদতে একজন বহিষ্কৃত (ঋতব্রত) বিজেপির বি টিম হয়ে নেমেছে।&rsquo;&rsquo;

গত ২১ জুন কলকাতার নিউ টাউন এলাকার একটি হোটেলে বৈঠক করে মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়ে &lsquo;তৃণমূলের&rsquo; জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করে ফেলেছিলেন ঋতব্রত এবং তার সহযোগীরা। সেই বৈঠকে তৃণমূলের চেয়ারম্যান হিসাবে হাওড়া মধ্য বিধানসভার বিধায়ক অরূপ রায়কে বেছে নেওয়া হয়।

কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকার এই কার্যালয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান দলীয় কার্যালয়। বিগত কয়েক দিন ধরে এ কার্যালয় ভবন জটিলতা তৈরি হয়েছে। ভবনের মালিক মালিক মনোতোষ সাহা, তবে মন্টু সাহা নামেই তিনি বেশি পরিচিত। মন্টুর মালিকানাধীন &lsquo;মডার্ন ডেকোরেটিং&rsquo; ভোটের আগে পর্যন্ত তৃণমূলের সমস্ত কর্মসূচিতে মঞ্চ বাঁধার বরাত পেত। এমনকি ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের প্রশস্ত মঞ্চটিও তৈরি করত মডার্ন ডেকোরেটিং।

ভোটের ফল বেরোনোর পর অবশ্য মন্টু আর তৃণমূলের সম্পর্কের রসায়ন বদলে গিয়েছে। তৃণমূলকে ওই ভবন ছাড়তে বলেন মন্টু। তিনি অভিযোগ করেন যে, বার বার বলার পরেও ওই ভবন খালি করছে না তৃণমূল। জানা গেছে, সেই মন্টুর সঙ্গে যোগাযোগ করেই শুক্রবার প্রধান কার্যালয়ের &lsquo;দখল&rsquo; নিয়েছে ঋতব্রত শিবির।

সম্প্রতি ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ ঘিরে টানাপড়েন দেখা গিয়েছিল তৃণমূলের দুই শিবিরে। মমতাপন্থি তৃণমূল এবং ঋতব্রতের তৃণমূল জড়িয়েছিল বাক-বিতণ্ডে। দু&rsquo;দলের ই চাহিদা ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সমাবেশ করার। কিন্তু এখন অব্ধি কলকাতা পুলিশের অনুমতি পায়নি কোনও পক্ষই।

সান নিউজ/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 09:53:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খামেনির জানাজায় বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জানালেন স্পিকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115963" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115963</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জন্য তেহরানে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম।

তেহরানের গ্রান্ড মাসাল্লায় আয়োজিত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে আলি খামেনির বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া করা হয় এবং স্পিকার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ উচ্চপদস্থ নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষে শোকাহত ইরানি জাতির প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন ও শোকবার্তা পৌঁছে দেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সেখানে রাখা শোক বইতে স্বাক্ষর করেন।

এর আগে স্পিকার ইরানের ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের সাথে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শোক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল তেহরান পৌঁছান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বিমানবন্দরে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ইরানের ডেপুটি স্পিকার হামিদ রেজা হাজি বাবাই।

বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার নির্মম হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানানোর পাশাপাশি ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যকার শতাব্দী প্রাচীন বন্ধুত্ব, গভীর সাংস্কৃতিক এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

স্পিকার সম্প্রতি ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে গালিবাফের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই চুক্তি ইরানসহ সমগ্র অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে। বাংলাদেশ এই শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি সমর্থন বজায় রাখবে এবং সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারা বজায় রাখতে ইরানের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।

পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ইরানের ক্রীড়া মন্ত্রী আহমাদ দুনিয়ামালীর সাথে বৈঠক করেন যেখানে ইরানের ক্রীড়া মন্ত্রী তাদের দেশে ক্রিকেট খেলার উন্নয়নে বাংলাদেশের সহায়তা চান। এ ছাড়াও তিনি দুই দেশের মধ্যে খেলাধুলার ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আগ্রহ প্রকাশ করলে স্পিকার এই বার্তা বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নিকট পৌঁছে দেবেন বলে জানান।

ইরানি রেডিও&rsquo;র বাংলা বিভাগের সাথে স্পিকার এক সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশ-ইরানের দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয়ে মতামত দেবার পাশাপাশি ইরানে অবস্থানকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের দূতাবাসের সেবা বৃদ্ধি জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানাবেন বলে জানান।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 09:47:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির প্রতি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা শুরু ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115951" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115951</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। রাজধানী তেহরানে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষের সমাগম হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম।

শনিবার (৪ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজধানীর গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে জড়ো হয়েছেন। ভিড় সামাল দিতে সাধারণ মানুষের জন্য কমপ্লেক্সটির দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে।

ইরানের আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনের বাইরে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। অনলাইনে প্রকাশিত ভিডিওতে শোকের পোশাক পরা অসংখ্য মানুষকে স্টেশনের প্রবেশপথে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাদের সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এর আগে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তার দাফনকে কেন্দ্র করে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ইরান।

তেহরানের গভর্নর মোহাম্মদ সাদেক মোতামাদিয়ান বলেন, শহীদ নেতার বিদায় অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শনিবার সকাল ৬টায় গ্র্যান্ড মোসাল্লার দরজা সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে প্রেস টিভির খবরে বলা হয়েছে, গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তা, রাষ্ট্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সূত্র: আল জাজিরা

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 04:05:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খামেনির দাফন ঘিরে ৭ দিনের কর্মসূচি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115944" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115944</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনকে কেন্দ্র করে সপ্তাহজুড়ে বিস্তৃত কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে এই আয়োজন ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) তেহরান থেকে শুরু হওয়া এই আনুষ্ঠানিকতা টানা সাত দিন ধরে চলবে। এতে বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতা, সরকারি প্রতিনিধি এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

খামেনির দাফনের সময়সূচি আগে নির্ধারিত থাকলেও সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে তার বাসভবনে বোমা হামলায় পরিবারের কয়েকজন সদস্যসহ তিনি নিহত হন বলে জানা যায়।

ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে দেশের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করেন। তার আগে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন এবং ইসলামী বিপ্লব-পরবর্তী সামরিক ও রাজনৈতিক কাঠামো গঠনে ভূমিকা রাখেন।

৭ দিনের কর্মসূচির বিস্তারিত:

৪-৫ জুলাই:
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সর্বসাধারণের জন্য শ্রদ্ধা নিবেদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে তার কফিন রাখা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে পারেন। এই স্থানটি দেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশস্থল হিসেবে পরিচিত।

৬-৭ জুলাই:
রাজধানী তেহরান থেকে কোম শহরের উদ্দেশ্যে বিশাল শোভাযাত্রা বের হবে। শিয়া মুসলিমদের কাছে কোম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র, যেখানে বহু আলেমের শিক্ষা ও গবেষণার ইতিহাস রয়েছে।

৮ জুলাই:
ইরাকের নজফে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। এরপর নজফ ও কারবালা শহরে বড় আকারের শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই শহর শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত।

৯ জুলাই:
সবশেষে খামেনির মরদেহ ইরানে ফিরিয়ে এনে মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হবে। মাশহাদ শহরটি তার জন্মস্থান হওয়ায় এই স্থানটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

বিশ্ব রাজনীতি ও ধর্মীয় অঙ্গনে প্রভাবশালী এই নেতার বিদায়ে আয়োজিত এই দীর্ঘ কর্মসূচি শুধু একটি দাফন নয়, বরং একটি যুগের সমাপ্তির প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 03 Jul 2026 15:57:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কিয়েভে রুশ হামলায় নিহত অন্তত ১০]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115921" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115921</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে এক ভয়াবহ রাত কাটিয়েছে সাধারণ মানুষ। বুধবার রাতজুড়ে রুশ বাহিনী বড় ধরনের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যাতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ৫৬ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

আহতদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে এবং কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

একযোগে ৩৬ এলাকায় হামলা

কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎশ্চিকো এবং রাজধানীর সামরিক প্রশাসনের প্রধান তাইমুর টিকাচেঙ্কো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পৃথক বার্তায় জানান, শহর ও এর আশপাশের অন্তত ৩৬টি স্থানে একযোগে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে।

হামলার লক্ষ্য ছিল মূলত অবকাঠামো, সামরিক স্থাপনা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ কেন্দ্রগুলো।

রাশিয়ার দাবি: সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে হামলার দায় স্বীকার করে জানায়, এটি একটি &ldquo;সুনির্দিষ্ট সামরিক অভিযান&rdquo;। তাদের দাবি, ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনীর ঘাঁটি ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার উচ্চ-নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।

রুশ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি রাশিয়ার বেসামরিক স্থাপনায় ইউক্রেনের হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।

হামলার সময় বিদেশ সফরে ছিলেন জেলেনস্কি

হামলার সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আয়ারল্যান্ডে একটি সরকারি সফরে ছিলেন। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তিনি সফর সংক্ষিপ্ত করে দ্রুত দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নতুন করে হামলা শুরু হলে সঙ্গে সঙ্গে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে হবে।

উদ্বেগজনক পরিস্থিতি অব্যাহত

টানা হামলার কারণে কিয়েভে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন জরুরি সতর্কতা জারি করে নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

চলমান সংঘাত আরও তীব্র রূপ নেওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 10:27:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারতের রাজস্থানে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ২২]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115896" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115896</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের রাজস্থানে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত সাতজন নিহত এবং আরও ২২ জন আহত হয়েছেন। রাজস্থানের দৌসার কাছে দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে এই ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার রাত প্রায় আড়াইটার দিকে ঘটনাটি ঘটে, যখন বাসটি ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের দিকে দ্রুত গতিতে যাচ্ছিল। যানটি প্রথমে একটি ট্রেলারের (একটি বড় ট্রাক) সঙ্গে ধাক্কা খায় এবং তারপর দুটি যানবাহনেই আগুন ধরে যায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, আগুনে ঘেরা বাস থেকে যাত্রীরা বাঁচার আকুতি জানাচ্ছেন। কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনার তীব্রতায় বাসের উপরের বার্থে থাকা কয়েকজন যাত্রী নিচে ছিটকে পড়েন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন আগুনে দগ্ধ হয়ে এবং দুজন মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের জানান, নিহতদের বেশিরভাগই দুর্ঘটনার সময় ঘুমিয়ে ছিলেন।

দুর্ঘটনার পর দমকল ও উদ্ধারকারী দল আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ শুরু করে। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা বেশি। তাদের দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, বাসচালক হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিও দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, উদ্ধারকারী ও দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করায় হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে। তাদের দাবি, আগুন লাগার প্রায় এক ঘণ্টা পর বাসে আটকে থাকা যাত্রীদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 01 Jul 2026 09:52:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ মোদির সাথে ইরানের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115886" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115886</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে মোদি বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে অব্যাহত প্রচেষ্টা এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি আনবে।

মোদি আরও লিখেছেন, &lsquo;পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছি। আলোচনায় যে অগ্রগতি হয়েছে তাকে স্বাগত জানিয়েছি এবং আশা প্রকাশ করেছি যে নিরন্তর প্রচেষ্টা এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি বয়ে আনবে। ভারত এবং বিশ্বের জন্য হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচলের স্বাধীনতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছি।&rsquo;

এদিকে, ইরানের পেজেশকিয়ান প্রধানমন্ত্রীকে এই অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া বোঝাপড়াকে স্বাগত জানান এবং ভারতের দীর্ঘদিনের এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সকল সমস্যার সমাধান সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই হওয়া উচিত।

এছাড়া মোদি এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নৌ ও বাণিজ্যের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

সূত্র: এনডিটিভি

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 01 Jul 2026 07:45:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০টি আধুনিক কোচ পাঠাতে প্রস্তুত ভারত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115848" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115848</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও শক্তিশালী করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ২০টি উন্নতমানের ব্রডগেজ রেলকোচ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। চলতি জুলাই মাসেই এই কোচগুলো বাংলাদেশে পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির অংশ হিসেবে বড় প্রকল্প

২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত রপ্তানি সংস্থা রাইটস (RITES) একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করে। ওই চুক্তি অনুযায়ী, মোট ২০০টি রেলকোচ বাংলাদেশে রপ্তানি করবে ভারত।

এই প্রকল্পের আওতায় রয়েছে&mdash;


	১২০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ
	৩৬টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ
	১০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ


চুক্তি অনুযায়ী পুরো প্রকল্পের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৯১৫ কোটি রুপি, যা বাংলাদেশ ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (EIB) অর্থায়নে পরিশোধ করবে।

প্রথম চালান জুলাই মাসেই

ভারতীয় রেল দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রথম ধাপে ২০টি ব্রডগেজ কোচ প্রস্তুত করা হয়েছে এবং এগুলো জুলাই মাসের যেকোনো সময় বাংলাদেশে পাঠানো হবে।

তার ভাষায়,
&ldquo;প্রথম চালানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। এখন শুধু নির্ধারিত সময়ে কোচগুলো পাঠানোর অপেক্ষা।&rdquo;

তিনি আরও জানান, পরবর্তী চালানগুলো আগামী ৩৬ মাসে ধাপে ধাপে বাংলাদেশে পৌঁছে দেওয়া হবে।

কাপুরথালা কারখানায় তৈরি আধুনিক কোচ

এই ২০টি কোচ তৈরি করা হয়েছে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের কাপুরথালা রেল কোচ ফ্যাক্টরি-তে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি এসব কোচ ভবিষ্যতেও একই কারখানায় ধারাবাহিকভাবে উৎপাদন করা হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিটি কোচের জন্য ১৪ বছরের ওয়ারেন্টি প্রদান করা হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় সুবিধা দেবে।

বাংলাদেশ-ভারত রেল সহযোগিতায় নতুন অগ্রগতি

এই প্রকল্পকে দুই দেশের মধ্যে রেল খাতে সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের রেলপথের আধুনিকায়ন এবং যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 30 Jun 2026 08:13:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তেলের দাম কমাতে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115847" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115847</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির ঊর্ধ্বমুখী মূল্য নিয়ে নতুন করে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পেট্রোল বিক্রেতাদের অবিলম্বে খুচরা পর্যায়ে জ্বালানির দাম কমানোর নির্দেশ দিয়ে তিনি সতর্ক করেছেন, এই আহ্বান উপেক্ষা করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হতে পারে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ প্রকাশিত এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, জ্বালানির দাম কমাতে আর কোনো বিলম্ব বা অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বিক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব প্রতি গ্যালন পেট্রোলের মূল্য প্রায় ২ দশমিক ৫০ ডলার পর্যায়ে নামিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে।

&lsquo;আমেরিকান জনগণের স্বার্থে দাম কমান&rsquo;

ট্রাম্প তার বার্তায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি ব্যয় চাপিয়ে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি জ্বালানি বিক্রেতাদের উদ্দেশে বলেন, গ্রাহকদের স্বার্থ বিবেচনায় দ্রুত মূল্য সমন্বয় করতে হবে এবং জনগণকে স্বস্তি দিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

তার মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার পরও অনেক ক্ষেত্রে খুচরা পর্যায়ে সেই সুবিধা ভোক্তারা পাচ্ছেন না।

ক্যালিফোর্নিয়ার করনীতিরও সমালোচনা

জ্বালানির মূল্য নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বিশেষভাবে ক্যালিফোর্নিয়ার করব্যবস্থার সমালোচনা করেন। তার দাবি, রাজ্যটিতে পেট্রোলের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপের কারণে সাধারণ মানুষ অপ্রয়োজনীয় আর্থিক চাপের মুখে পড়ছেন।

তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে যেখানে জ্বালানির প্রকৃত দামের চেয়েও করের পরিমাণ বেশি হয়ে যেতে পারে। এই নীতি পরিবর্তনের জন্য ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বড় তেল কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পেছনে বড় তেল কোম্পানিগুলোর ভূমিকা রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। তার অভিযোগ, আন্তর্জাতিক বাজারে কম দামে অপরিশোধিত তেল কিনলেও সেই অনুপাতে পাম্পে বিক্রয়মূল্য কমানো হচ্ছে না।

তিনি জানান, এ বিষয়ে তদন্তের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগকে (ডিওজে) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে।

ইরান সংকটের পর বেড়েছে জ্বালানির দাম

সম্প্রতি ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করে। এর প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারেও।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসন দেশীয় জ্বালানি উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি, অতীতে তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনার কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া ক্যালিফোর্নিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন পুনরায় চালু করার জন্য জরুরি ক্ষমতাও ব্যবহার করেছে সরকার।

নির্বাচনের আগে বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির মূল্য এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু। সামনে মধ্যবর্তী নির্বাচন থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর চাপও বাড়ছে।

ট্রাম্প একাধিকবার দাবি করেছেন, ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা কমে এলে জ্বালানির দামও দ্রুত হ্রাস পাবে। তবে অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা দীর্ঘমেয়াদে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং মূল্য দ্রুত কমার সম্ভাবনা সীমিত।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 30 Jun 2026 08:08:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভেনেজুয়েলায় মৃত্যুমিছিল, নিহত ১,৭১৯]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115846" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115846</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় এখনও থামেনি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের খুঁজে বের করতে দিন-রাত কাজ করছেন উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি ও সহায়তার অভাবে জীবিত কাউকে উদ্ধার করার সম্ভাবনা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমে আসছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭১৯ জনে। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারাই

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি লা গুয়াইরা বন্দরে উদ্ধারকাজে এখনো বড় ভূমিকা পালন করছেন সাধারণ মানুষ। শাবল, কোদাল ও হাতুড়ির মতো সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করে তারা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে স্বজন ও প্রতিবেশীদের খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

অনেক এলাকায় এখনো পর্যাপ্ত উদ্ধারকারী দল কিংবা ভারী যন্ত্রপাতি পৌঁছাতে না পারায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

নতুন পরাঘাত, আতঙ্ক কাটছে না

সোমবার ভোরে আবারও একটি পরাঘাত অনুভূত হয়েছে দেশটিতে। যদিও এতে নতুন করে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে আতঙ্কে রয়েছেন দুর্গত এলাকার মানুষ।

এর আগে বুধবার উত্তরাঞ্চলের লা গুয়াইরা রাজ্যে মাত্র ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে প্রায় ৮০০টি ভবন ধসে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরপর থেকে পাঁচ শতাধিক পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে।

১০০ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার এক যুবক

বিপর্যয়ের মধ্যেও আশার আলো দেখিয়েছে একটি সফল উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা ১০০ ঘণ্টারও বেশি সময় আটকে থাকার পর ২১ বছর বয়সী এক তরুণকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, উদ্ধার অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ সময় পেরিয়ে যাওয়ায় আরও জীবিত মানুষকে খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা দ্রুত কমে যাচ্ছে।

&lsquo;দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ&rsquo;

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এই ভূমিকম্পকে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তিনি জানান, বর্তমানে ২৫ হাজারেরও বেশি জরুরি কর্মী, পুলিশ ও সেনাসদস্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কাজ করছেন। তার ভাষায়, এখন প্রতিটি জীবন রক্ষা করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের নিরাপত্তা মূল্যায়নে রঙভিত্তিক সতর্কতা ব্যবস্থা চালু করা হবে। এর মাধ্যমে কোন এলাকায় মানুষ ফিরতে পারবেন, তা নির্ধারণ করা হবে। বাস্তুচ্যুতদের জন্য বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রও প্রস্তুত করা হচ্ছে।

সরকারি সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, উদ্ধার অভিযানে সরকারি উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম। অনেক এলাকায় সাধারণ মানুষ, স্বেচ্ছাসেবক এবং কৃষকদের সরবরাহ করা খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে দুর্গতদের।

যদিও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে, তবুও উদ্ধারকাজে তাদের সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা

জাতিসংঘের আবাসিক মানবিক সমন্বয়কারী জিয়ানলুকা রামপোলা দেল তিনদারো জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫০০টির বেশি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার অধিকাংশই সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে।

তিনি আরও জানান, সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতিসংঘ ১০ হাজার মৃতদেহ সংরক্ষণের ব্যাগ সংগ্রহ করছে। এতে স্পষ্ট, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও প্রতিটি ঘণ্টা পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা মানুষদের জীবিত উদ্ধারের আশা আরও ক্ষীণ হয়ে আসছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 30 Jun 2026 08:04:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক , তেহরানের ভিন্ন সুর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115842" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115842</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এই দাবির সঙ্গে একমত নয় তেহরান। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকের সূচি নির্ধারিত হয়নি।

সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং সেই প্রেক্ষিতেই দোহায় বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি জানান, মঙ্গলবার দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের এ ঘোষণার কিছুক্ষণ আগেই ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদী আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ইরানের কোনো কারিগরি বা আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধি দলের বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।

দুই দেশের এমন পরস্পরবিরোধী অবস্থান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সম্ভাব্য বৈঠকটি আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক নানা ইস্যুতে উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ফলে দোহায় সম্ভাব্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে পারে।

এদিকে, এখন পর্যন্ত কাতারের পক্ষ থেকেও সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে ট্রাম্পের ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, যদি বৈঠকটি শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে এটি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েন কমানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে ইরানের অস্বীকৃতির কারণে বিষয়টি এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 29 Jun 2026 13:11:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সৌদি প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিটে কঠোর সতর্কতা: ৩০ জুন থেকে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115835" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/115835</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সৌদি আরবে অবস্থানরত প্রবাসী শ্রমিকদের ওয়ার্ক পারমিট ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন ও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। এ সংক্রান্ত তথ্য দিয়েছে Qiwa Platform।

সোমবার (২৯ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন বা কর্মী স্থানান্তরের জন্য নিয়োগকর্তাদের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

প্ল্যাটফর্মটি জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন করা হবে না বা অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করা হবে না, তাদের ক্ষেত্রে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড বাতিলের প্রক্রিয়া

১ জুলাই থেকে এমন কর্মীদের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা কার্যকর হবে, যাদের ওয়ার্ক পারমিট তিন মাসের বেশি সময় ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ রয়েছে। তাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হবে।

তবে এই সময়ের মধ্যে বৈধ অনুমতি ছাড়া কাজ করানো হলে তার সম্পূর্ণ আর্থিক দায় নিয়োগকর্তাকেই বহন করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

ইকামা ও ওয়ার্ক পারমিট সম্পর্কিত শর্ত

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যদি কোনো কর্মীর ওয়ার্ক পারমিট শেষ হয়ে যায় কিন্তু তার ইকামা (বাসস্থান অনুমতি) অন্তত ১৮০ দিন বৈধ থাকে, তাহলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে রেকর্ড থেকে বাদ দেওয়া হবে না।

কিন্তু ইকামার মেয়াদ ১৮০ দিনের কম হলে, নিয়োগকর্তাকে বাধ্যতামূলকভাবে ইকামা ও ওয়ার্ক পারমিট&mdash;উভয়ই নবায়ন করতে হবে।

নিয়োগকর্তাদের প্রতি সতর্কতা

Qiwa Platform স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে কর্মী নিয়োজিত থাকলে তাদের নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড থেকে বাতিল করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব বকেয়া অর্থ ও ফি নিয়োগকর্তাকে পরিশোধ করতে হবে।

এছাড়া দ্রুত বকেয়া ফি পরিশোধ, নবায়ন সম্পন্ন করা অথবা কর্মীকে অন্য প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের মাধ্যমে আইনগত জটিলতা এড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

সৌদি সরকারের এই নতুন নির্দেশনা প্রবাসী কর্মী ও নিয়োগকর্তা উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের প্রশাসনিক ও আর্থিক জটিলতা তৈরি হতে পারে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 29 Jun 2026 10:22:50 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
