<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/international</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/international"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews international Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest international News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Thu, 14 May 2026 04:52:18 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[বেইজিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প-শি জিনপিংয়ের বৈঠক শুরু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114787" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114787</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে শীর্ষ বৈঠক শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে প্রেসিডেন্ট শিয়ের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বৈঠক শুরু হয় বলে রয়টার্স জানায়।

শি বলেন, আমি সব সময়ই বিশ্বাস করি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পার্থক্যের চেয়ে সাধারণ আগ্রহের দিকটাই বেশি আছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সাফল্য উভয়ের জন্যই একটি সুযোগ। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের স্থিতিশীল সম্পর্ক বিশ্বের জন্য একটি ভালো বিষয়।

তিনি বলেন, আমি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে মতবিনিময়ের জন্য আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছি। অতীতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ও ভবিষ্যতের দ্বার উন্মোচন করতে ২০২৬ সাল চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও মাইলফলক বছর হোক।

দুই নেতার রুদ্ধদ্বার বৈঠকের আগে ট্রাম্প বলেন, আমার ও শি-র মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে &lsquo;একটি চমৎকার সম্পর্ক&rsquo; রয়েছে, যার মাধ্যমে তারা উদ্ভূত সমস্যাগুলো মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি; আর এ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ &lsquo;চমৎকার হবে&rsquo;।

চীনা সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, বৈঠকে ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেটে হেগসেথ, বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার ও বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।

তবে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কারা কারা সঙ্গী হয়েছে সে তালিকা প্রকাশ করেনি সংবাদমাধ্যমটি।

বৈঠকের শুরুতে ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্টকে জানান তিনি তার সঙ্গে বিশ্বের সেরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের নিয়ে এসেছেন।

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মোটরকেড অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে শি জিনপিং তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। দুই নেতা সেখানে একে অপরের সঙ্গে করমর্দন (হ্যান্ডশেক) করেন এবং উপস্থিত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় শেষে দীর্ঘ সিঁড়ি বেয়ে গ্রেট হলের ভেতরে প্রবেশ করেন।

বর্ণাঢ্য এই অভ্যর্থনায় ২১ বার তোপধ্বনি এবং দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। অনুষ্ঠান চলাকালীন লাল গালিচার (রেড কার্পেট) ওপর দিয়ে হাঁটার সময় দুই নেতা চীনা সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। এই সময় উজ্জ্বল পোশাক পরিহিত কয়েক ডজন চিনা শিশু দুই দেশের পতাকা ও ফুলের তোড়া নেড়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে এবং লাফিয়ে লাফিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে স্বাগত জানায়।

ট্রাম্পের ৩৬ ঘণ্টার এই সফরে আলোচনার অন্যতম মূল বিষয় হলো বাণিজ্য ও শুল্ক। চীন চায় বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা এবং বর্তমান শুল্ক যুদ্ধের অবসান। অন্যদিকে, ইরান ইস্যুটিও ট্রাম্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ইরান থেকে চীনের তেল ও গ্যাস আমদানির ফলে ইরান যুদ্ধের শক্তি পাচ্ছে বলে ট্রাম্প মনে করেন। তিনি চাইছেন, চীন তার প্রভাব খাটিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে নিয়ে আসুক। যদিও চিন সাধারণত অন্য দেশের দ্বন্দ্বে হস্তক্ষেপ করতে চায় না, তবু এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হিসেবে থাকছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 04:52:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরান যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সহায়তার প্রয়োজন নেই: ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114768" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114768</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে চীনের সাহায্যের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেইজিংয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আগে ট্রাম্প এ প্রতিক্রিয়া জানান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট মঙ্গলবার (১২ মে) বলেন, ইরান সংকট সমাধানে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সাহায্য নেওয়ার কোনো প্রয়োজন দেখছেন না তিনি।

এ চলমান দ্বন্দ্বের কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, যা সাধারণত বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহ করে।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, &lsquo;ইরান বিষয়ে আমাদের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। শান্তিপূর্ণ উপায়ে হোক বা অন্য কোনোভাবে, আমরাই এই যুদ্ধে জয়ী হব।&rsquo;

উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার এক মাসের বেশি সময় পার হয়ে গেছে। তবে শত্রুতা অবসানের লক্ষ্যে কোনো স্থায়ী চুক্তির ক্ষেত্রে এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করতে শুরু করেছে। এ অঞ্চল থেকে জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের জন্য দেশটি ইতোমধ্যে ইরাক ও পাকিস্তানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরও জানায়, অন্যান্য দেশও এখন ইরানের সঙ্গে এই ধরনের চুক্তি করার উপায় খুঁজছে। এ পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির ওপর তেহরানের নিয়ন্ত্রণকে আরও দীর্ঘস্থায়ী ও স্বাভাবিক রূপ দিতে পারে।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে আসন্ন শীর্ষ সম্মেলনের আগে এ বিষয়ে দুই দেশের (চীন&ndash;যুক্তরাষ্ট্র) ঐকমত্য প্রকাশের চেষ্টা হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন মঙ্গলবার একটি তথ্য জানায়। তারা বলেছে, গত মাসে মার্কিন ও চীনা শীর্ষ কর্মকর্তারা একমত হয়েছেন, কোনো দেশেরই এ অঞ্চল (হরমুজ প্রণালি) দিয়ে চলাচলকারী নৌযানের ওপর শুল্ক বা টোল আদায়ের অধিকার থাকা উচিত নয়।

চীন ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে এবং দেশটির তেলের এক বড় ক্রেতা। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের ওই বক্তব্যের কোনো বিরোধিতা বেইজিং করেনি। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ও শুক্রবার (১৫ মে) নির্ধারিত বৈঠকে সি চিন পিংয়ের সঙ্গে এ যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। ধারণা করা হচ্ছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানের একটি চুক্তিতে আসতে তেহরানকে রাজি করাতে চীনকে আহ্বান জানাবেন ট্রাম্প।

এ চুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে&mdash; ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করা ও হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে তেহরানের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়া।

ইরানও পাল্টা কিছু দাবি ছুড়ে দিয়েছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে&mdash; যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ প্রত্যাহার করা ও লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 04:08:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানে গোপনে হামলা চালায় সৌদি আরব]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114766" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114766</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ চলার সময় দেশটিতে গোপনে চালিয়েছে সৌদি আরব। বার্তাসংস্থা রয়টার্স বুধবার (১৩ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
পশ্চিমা দুজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেছেন, গত মার্চে সৌদি আরব ইরানে একাধিক গোপন হামলা চালায়। ইরান তাদের ওপর হামলা চালানোর জেরে সৌদি পাল্টা হামলা করে।

এরমাধ্যমে সৌদি আরব প্রথমবারের মতো ইরানের মাটিতে সরাসরি হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

তবে ইরানের কোন কোন স্থাপনা টার্গেট করেছে সৌদি আরব সেটি স্পষ্ট হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

পশ্চিমা অপর এক কর্মকর্তা বলেছেন, মার্চের শেষ দিকে সৌদি আরব হুমকি দেয় তারা ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেবে। সৌদির এ হুমকি এবং কূটনৈতিক তৎপরতায় পরবর্তীতে উত্তেজনা কমে।

গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন। ইরানের সঙ্গে সৌদির এর এক সপ্তাহ আগেই উত্তেজনা কমে যায় বলে নিশ্চিত করেছেন ওই কর্মকর্তা।

এ ব্যাপারে কথা বলতে ইরান ও সৌদির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। কিন্তু দুই দেশের কেউ এতে সাড়া দেয়নি।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 03:31:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরান-মার্কিন যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’: ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114757" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114757</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি এখন চরম ঝুঁকির মুখে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, শান্তি স্থাপনের প্রস্তাবে তেহরানের দেওয়া পাল্টা শর্তগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ট্রাম্পের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি এখন &lsquo;লাইফ সাপোর্টে&rsquo; রয়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব আলোচনায় আসে। এতে দুই পক্ষ রাজি হলে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ হতো। পরে আলোচনার মাধ্যমে একটি চুক্তির দিকে এগোত দুই দেশ। গত রোববার ওই প্রস্তাবের জবাব দেয় ইরান। সেখানে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, আবার হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি এবং ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াসহ নানা দাবির কথা জানায় তেহরান।

ওই জবাবের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি লেখেন, &lsquo;আমার এটি পছন্দ হয়নি। এটি পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।&rsquo; পরে সোমবার আবার তিনি লেখেন, &lsquo;আমি বলব, যুদ্ধবিরতি এখন বড় লাইফ সাপোর্টে আছে&mdash;যেন একজন চিকিৎসক এসে বলছেন, জনাব, আপনার প্রিয়জনের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় এক শতাংশ।

সাংবাদিকদের কাছে ট্রাম্প &lsquo;লাইফ সাপোর্ট&rsquo; নিয়ে বক্তব্যটি দেন হোয়াইট হাউসে। এর পরপরই চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;আমি মনে করি এটা খুবই সম্ভব। আমি তাদের (ইরান) সঙ্গে চার বা পাঁচবার চুক্তি করেছি। কিন্তু তারা পরে মত বদলে ফেলে।&rsquo; তিনি এও বলেন, ইরানের নেতারা সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়ামের সব মজুত সরিয়ে নিতে দিতে সম্মত হয়েছিলেন। কিন্তু পরে তারা মত বদলান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। প্রায় ছয় সপ্তাহ যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে। যদিও লেবাননের নৃশংসতা থামায়নি ইসরায়েলি বাহিনী। লেবাননের সরকার সোমবার জানিয়েছে, আগের ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলের হামলায় দেশটিতে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন।

এদিকে সামগ্রিক অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ কার্যত বন্ধ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৪ ডলার ছাড়িয়েছে। এটি গত কয়েক বছরের মধ্যে তেলের সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধির একটি। এরই মধ্যে চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

যারা অবৈধভাবে ইরানকে চীনে তেল পাঠাতে সাহায্য করছে, সেইসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের দাবিগুলো ন্যায্য এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে তাদের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন ইঙ্গিত দিয়েছে যে সমঝোতা না হলে তারা পুনরায় সামরিক বা অর্থনৈতিক কঠোর পদক্ষেপের দিকে হাঁটবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 May 2026 05:52:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সীমান্তে বেড়া দিতে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি পাবে বিএসএফ: শুভেন্দু অধিকারী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114744" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114744</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফকে ৪৫ দিনের মধ্যে জমি বুঝিয়ে দেবে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির নেতৃত্বাধীন নতুন রাজ্য সরকার।

সোমবার (১১ মে) হাওড়ায় রাজ্য সচিবালয়ে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে এ ঘোষণা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠক শেষে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, &lsquo;৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফের কাছে প্রয়োজনীয় জমি বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এ জন্য মুখ্যসচিব এবং ভূমি ও রাজস্বসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।&rsquo;

বাংলাদেশের সঙ্গে এখনো অরক্ষিত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের ইস্যুটি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বেশ আলোচিত ও বিতর্কিত একটি বিষয় হয়ে এত দিন ঝুলে ছিল। এবারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারেও বিজেপি ইস্যুটি নিয়ে সরব ছিল।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের সরকারকে হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গড়েছে হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতার একসময়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী শুভেন্দু। সরকার গড়ে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই তিনি সীমান্তে বিএসএফকে জমি দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে কলকাতা হাইকোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্য সরকারকে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য নয়টি জেলায় বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ জন্য ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন আদালত।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 11:27:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানি নোবেল বিজয়ী নার্গিস মোহাম্মদী হাসপাতালে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114742" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114742</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের মানবাধিকার কর্মী ও নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী নার্গিস মোহাম্মদীকে কারাগার থেকে তেহরানের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার পরিবারের পরিচালিত একটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বড় অংকের জামিনের শর্তে তার সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

পরিবার ও সমর্থকরা গত সপ্তাহেই সতর্ক করেছিলেন, চলতি বছরের শুরুতে সন্দেহজনকভাবে দুইবার হার্ট অ্যাটাকের পর কারাগারে তার জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। নার্গিস মোহাম্মদী ২০২৩ সালে নারীদের অধিকার ও মানবাধিকার আন্দোলনের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

তিনি বর্তমানে ইরানের তেহরান পার্স হাসপাতালে নিজস্ব চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর আগে তিনি উত্তর ইরানের জাঞ্জান শহরের কারাগারে ১০ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার অনুরোধের পরই তাকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তার স্বামী প্যারিসে থাকেন।

তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয় এবং স্থিতিশীলও নয়। তার আইনজীবীর মতে, কারাগারে থাকাকালীন তিনি প্রায় ২০ কেজি ওজন হারিয়েছেন, কথা বলতেও তার সমস্যা হচ্ছে এবং তাকে এখন প্রায় চেনা যাচ্ছে না।

ইরানের মানবাধিকার কর্মী নার্গিস মোহাম্মদী ২০২১ সালে &lsquo;রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রচারণা&rsquo; এবং &lsquo;জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র&rsquo; করার অভিযোগে ১৩ বছরের কারাদণ্ড ভোগ শুরু করেন। তবে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে চিকিৎসার কারণে তাকে তেহরানের কুখ্যাত এভিন কারাগার থেকে সাময়িকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে কর্তৃপক্ষ জানায়, একটি স্মরণসভায় &lsquo;উস্কানিমূলক বক্তব্য&rsquo; দেওয়ার কারণে তাকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়। তার পরিবার দাবি করে, গ্রেপ্তারের সময় তাকে মারধর করা হয় এবং পরে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারির শুরুতে একটি বিপ্লবী আদালত তাকে আবারও &lsquo;সমাবেশ ও ষড়যন্ত্র&rsquo; এবং &lsquo;প্রচারণামূলক কার্যকলাপ&rsquo;-এর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে অতিরিক্ত সাড়ে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয় বলে জানান তার আইনজীবী। গত মাসে তার ভাই জানান, জানজান কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সন্দেহে সহবন্দিরা তাকে অচেতন অবস্থায় খুঁজে পায়।

তার পরিবারের পরিচালিত ফাউন্ডেশন বলছে, শুধু সাময়িক মুক্তি যথেষ্ট নয়, তার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও বিশেষায়িত চিকিৎসা দরকার। তারা আরো দাবি করেছে, তাকে যেন আর কারাগারে ফিরতে না হয় এবং সব অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হয়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 07:56:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শুভেন্দুর সহকারী চন্দ্রনাথ রথ হত্যায় গ্রেপ্তার ৩]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114736" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114736</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) চন্দ্রনাথ রথ হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। এনডিটিভি লিখেছে, কলকাতার কাছে বালিতে টোল বুথে &lsquo;আক্রমণকারীদের&rsquo; মোবাইল থেকে পেমেন্ট (ইউপিআই) ট্র্যাক করার পর পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।

তবে আনন্দবাজার, দ্য ওয়ালসহ কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, রোববার (১০ মে) গভীর রাতে উত্তরপ্রদেশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের কলকাতায় এনে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সদরদপ্তর ভবানী ভবনে রাতভর জেরা করা হয়। গ্রেপ্তারদের সোমবার (১১ মে) আদালতে তোলা হবে।

গত ৬ মে রাতে কলকাতা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরত্বে মধ্যমগ্রামে সড়কে খুব কাছ থেকে চার রাউন্ড গুলি করা হয় চন্দ্রনাথ রথকে। বুকে ও হাতে গুলি লাগে তার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এ হত্যাকাণ্ড যখন ঘটে, তখনও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেননি শুভেন্দু। বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়ের পরপরই এ হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে।

তদন্তকারীদের বরাতে দ্য ওয়াল লিখেছে, অত্যন্ত &lsquo;ঠান্ডা মাথায়&rsquo; এবং পরিকল্পনা করে হামলা চালানো হয়েছিল। চন্দ্রনাথের গতিবিধি রেকির পাশাপাশি গাড়ির ঠিক কোন জায়গায় তিনি বসেছিলেন তাও নজরে ছিল আততায়ীদের।

পুলিশ সূত্রের বরাতে আনন্দবাজার লিখেছে, অন্তত এক-দেড় মাস আগে থেকে চন্দ্রনাথকে খুনের ছক কষা হয়েছিল। সেই সময়ে তাকে হত্যা করার মতো কারণ কার কার থাকতে পারে, কারো সঙ্গে চন্দ্রনাথের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি ঘটনার দিনই বাজেয়াপ্ত করেছিল পুলিশ। তাতে যে নম্বর প্লেটটি রয়েছে সেটি ভুয়া বলে পুলিশ জানিয়েছে। হামলাকারীদের দুটি বাইকও উদ্ধার করা হয়, সেগুলোর নম্বরপ্লেটও ভুয়া বলে মনে করছে পুলিশ। বাংলাদেশের লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গে টানা দেড় দশক ধরে ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেসকে ধসিয়ে দিয়ে এবার ইতিহাস গড়েছে বিজেপি।

২৯৩ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন জিতে নিয়ে প্রথমবারের মতো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। গত শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী, তার সঙ্গী হিসেবে আরও পাঁচজন মন্ত্রীর শপথ নিয়েছেন। এবারের নির্বাচনে মাত্র ৮০টি আসনে জিতে ভরাডুবির মুখে পড়তে হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসকে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 06:04:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরাকের মরুভূমিতে গোপন ঘাঁটি গড়েছিল ইসরায়েল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114735" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114735</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানে বিমান হামলায় নিজেদের বাহিনীকে সহায়তার জন্য ইরাকের মরুভূমিতে গোপনে একটি সামরিক ঘাঁটি তৈরি করেছিল ইসরায়েল। যুদ্ধের শুরুর দিকে ইরাকের সেনারা গোপন এ ঘাঁটির খোঁজ পেয়ে গিয়েছিলেন। তখন ইসরায়েলের সেনারা ইরাকের সেনাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক কর্মকর্তাসহ বিষয়টি সম্পর্কে জানাশোনা আছে, এমন কয়েকজন দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর ঠিক আগে যুক্তরাষ্ট্রের জ্ঞাতসারে ইসরায়েল ঘাঁটিটি গড়ে তুলে। সেখানে বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করেন। ঘাঁটিটি ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর একটি লজিস্টিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

ইরান যুদ্ধের সময় কোনো ঘটনায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের পাইলটদের গুলি করে নামানো হলে তাদের অনুসন্ধান করে উদ্ধার করার জন্য কয়েকটি দল (সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ টিম) সেখানে মোতায়েন করা হয়েছিল। তবে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।

বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি বলেন, ইরানের ইসফাহানের কাছে একটি মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো হয়েছিল। ইসরায়েল তখন যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মার্কিন বাহিনী যুদ্ধবিমানটির দুজন পাইলটকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিল। ওই উদ্ধার অভিযানে ইসরায়েলের সেনারাও অংশ নিয়েছিলেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ধারকারীদের সুরক্ষা দিতে বিমান হামলা চালিয়েছিলেন।

জানা গেছে, মার্চ মাসের শুরুর দিকে ইরাক এই ঘাঁটির প্রায় খোঁজ পেয়ে গিয়েছিল। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, স্থানীয় এক রাখাল ওই এলাকায় হেলিকপ্টারসহ অস্বাভাবিক সামরিক তৎপরতা দেখতে পান। তার খবরের সূত্র ধরে ইরাকের সেনাবাহিনী সেখানে অনুসন্ধানে যায়। তখন ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়ে তাদের দূরে সরিয়ে রাখে বলে জানান বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তি।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এ ঘটনার বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। ইরাক সরকার তখন এই হামলার নিন্দা জানিয়েছিল। হামলায় ইরাকের এক সেনা নিহত হয়েছিলেন।
ইসরায়েলের ওই হামলা প্রসঙ্গে ইরাকের সামরিক বাহিনীর &lsquo;জয়েন্ট অপারেশনস কমান্ডের&rsquo; কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার ডেপুটি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাইস আল-মুহাম্মাদাওয়ি ইরাকি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, &lsquo;এই বেপরোয়া অভিযানটি (বাগদাদের সঙ্গে) কোনো ধরনের সমন্বয় বা অনুমোদন ছাড়াই চালানো হয়েছে।&rsquo;

পরে মার্চ মাসেই জাতিসংঘে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানিয়েছিল ইরাক। এতে বলা হয়েছিল, ওই হামলায় বিদেশি বাহিনী জড়িত ছিল এবং বিমান হামলা চালানো হয়েছিল। এ ঘটনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জানাশোনা আছে এমন এক ব্যক্তি জানান, ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত ছিল না।

এই সংঘর্ষ নিয়ে ইরাক ও আরব গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। হামলায় কারা অংশ নিয়েছিল, তাদের পরিচয় নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। রাখালের কাছ থেকে প্রাথমিক তথ্য পাওয়ার পর ইরাকি সেনারা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ও বহুমুখী অভিযানে ব্যবহারযোগ্য সামরিক যান &lsquo;হামভি&rsquo; নিয়ে ভোরের দিকে ওই এলাকায় রওনা দেন। ইরাকি ডেপুটি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল কাইস আল-মুহাম্মাদাওয়ির ভাষ্য অনুযায়ী, পথে তারা প্রচণ্ড গুলিবর্ষণের মুখে পড়েন। এ ঘটনায় এক সেনা প্রাণ হারান। দুজন আহত হন।

প্রথম দলটি আক্রান্ত হওয়ার পর ইরাকের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিজেদের কাউন্টার টেররিজম সার্ভিসের আরও দুটি ইউনিট সেখানে পাঠায়। এসব ইউনিট জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। অনুসন্ধানে তারা সেখানে সামরিক বাহিনীর উপস্থিতির প্রমাণ পায়।

মুহাম্মাদাওয়ি ইরাকের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, &lsquo;হামলার আগেই ওই এলাকায় একটি নির্দিষ্ট বাহিনী অবস্থান করছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিমানবাহিনী তাদের সহায়তা করছিল। ওই বিমানবাহিনীর শক্তি আমাদের ইউনিটগুলোর সামর্থ্যের বাইরে ছিল।&rsquo;

ওই ঘটনার বিষয়ে জানতে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের পক্ষে থেকে ইরাক সরকারের একজন মুখপাত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি এ ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করতে এবং তাঁরা ওই ইসরায়েলি ঘাঁটির বিষয়ে জানত কি না, তা নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি। ইরাকে থাকা নিজেদের ঘাঁটি ও অন্যান্য সম্পদ রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র মাঝেমধ্যে হামলা চালিয়েছিল। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর তাঁরা ইরাকের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে।

ইরানের মতো প্রায় এক হাজার মাইল দূরের একটি শত্রু দেশের বিরুদ্ধে আকাশপথে লড়াই করা সহজ কথা নয়। ইসরায়েল এটি কীভাবে সম্ভব করেছিল, তা বুঝতে হলে তাদের এই গোপন ঘাঁটির বিস্তারিত জানা প্রয়োজন। এই ঘাঁটিটি তৈরি করতে এবং একে শত্রুর হাত থেকে বাঁচাতে ইসরায়েল অনেক বড় বড় ঝুঁকি নিয়েছিল।

ইরাকের এই ঘাঁটি ইসরায়েলকে যুদ্ধক্ষেত্রের আরও কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করেছিল। বিষয়&ndash;সংশ্লিষ্ট কয়েক ব্যক্তি জানান, প্রয়োজন হলে জরুরি উদ্ধার অভিযানে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য ইসরায়েল সেখানে &lsquo;সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ টিম&rsquo; মোতায়েন করেছিল। শত্রু ভূখণ্ডে কমান্ডো অভিযান চালাতে প্রশিক্ষিত ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর বিশেষ বাহিনীর সদস্যরাও ওই ঘাঁটিতে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান একজন ব্যক্তি। পাঁচ সপ্তাহের যুদ্ধে ইসরায়েলের বিমানবাহিনী ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে কয়েক হাজার হামলা চালিয়েছে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা জানান, মার্কিন বাহিনী কোনো অঞ্চলে সামরিক অভিযানের আগে প্রায় সময় অস্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করে। এপ্রিলের শুরুর দিকে ইরানে একটি মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। এরপর নিজেদের বিমানবাহিনীর দুই সেনাকে উদ্ধার করতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। তখন ইরানের ভেতরেও একটি অস্থায়ী অগ্রবর্তী আভিযানিক ঘাঁটি (ফ্রন্ট-অপারেটিং বেস) তৈরি করা হয়েছিল।

এ অভিযানের সময় সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার আটকা পড়েছিল। পরে মার্কিন সেনারা সেগুলো নিজেরাই ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। হরাইজন এনগেজ নামের একটি কৌশলগত পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের গবেষণাপ্রধান মাইকেল নাইটস বলেন, &lsquo;অভিযানের আগে স্থান রেকি (পর্যবেক্ষণ) করা এবং অস্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন করা স্বাভাবিক।&rsquo;

নাইটস বলেন, ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় মরুভূমি অঞ্চল বিশাল ও জনবসতিশূন্য। এ জন্য অস্থায়ী ঘাঁটি স্থাপনের জন্য তা একটি আদর্শ স্থান। ১৯৯১ ও ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সও এই এলাকাটি ব্যবহার করেছিল।

নাইটস আরও বলেন, ইরাকের মরুভূমিতে বসবাসকারীরা বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের অস্বাভাবিক সামরিক কার্যকলাপ দেখেছে। তা কখনো কখনো ছিল আইএসের মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীর। আবার কখনো ছিল বিশেষ অভিযান পরিচালনাকারী দলের। ফলে সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে এসব এলাকা থেকে দূরে থাকার অভ্যাস তৈরি হয়েছে। হরাইজন এনগেজের এই গবেষণাপ্রধান বলেন, স্থানীয় লোকজন তাকে জানিয়েছিলেন, চলমান যুদ্ধের সময় ওই এলাকায় হেলিকপ্টারের অস্বাভাবিক তৎপরতা দেখেছেন তারা।

ইসরায়েলের কর্মকর্তারাও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে গোপন অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। মার্চের শুরুতে ইসরায়েলের বিমানবাহিনীর প্রধান তোমের বার তার বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে একটি চিঠি লেখেন। মে মাসের শুরুর দিকে বিমানবাহিনীর প্রধান হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শেষ হয়েছে।

তোমের বার ওই চিঠিতে লিখেছিলেন, &lsquo;সম্প্রতি বিমানবাহিনীর বিশেষ ইউনিটের যোদ্ধারা এমন কিছু বিশেষ মিশন পরিচালনা করছেন, যা কল্পনাকেও হার মানাতে পারে।&rsquo;

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 05:21:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুদ্ধ ও দ্রব্যমূল্যের যাঁতাকলে পিষ্ট ইরানের মানুষ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114733" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114733</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একদিকে যুদ্ধ আর অন্যদিকে লাগামহীন দ্রব্যমূল্য&mdash; এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে ইরানের সাধারণ মানুষ। নতুন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রেকর্ড পরিমাণ মুদ্রাস্ফীতি সাধারণ পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

এমন এক সময়ে এই অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাত থামানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে। রোববার (১০ মে) সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতির কথা স্বীকার করে নেন।

তিনি বলেন, &lsquo;জনগণকে দেশের সীমাবদ্ধতাগুলো বাস্তবসম্মতভাবে বুঝতে হবে। এই পথে অনেক সমস্যা থাকবে, তবে জাতীয় ঐক্য ও সংহতির মাধ্যমেই এই সংকট সমাধান করা সম্ভব। ইরানের পরিসংখ্যান কেন্দ্রের (এসসিআই) তথ্যমতে, গত এক বছরে ইরানে মুদ্রাস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক পাঁচ শতাংশে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা খাদ্যপণ্যের বাজারে।

গত বছরের তুলনায় এ বছর খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে গড়ে ১১৫ শতাংশ। কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ। তেহরানের সাধারণ মানুষ বলছেন, গত মাসে যা কেনার সামর্থ্য ছিল, এ মাসে তা আর নেই। বেতনের বড় অংশই চলে যাচ্ছে শুধু চাল-ডাল কিনতে।

ইরানের নিজস্ব মুদ্রা রিয়াল বর্তমানে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। এক বছর আগে এক ডলারে আট লাখ ৩০ হাজার রিয়াল পাওয়া গেলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ৭০ হাজারে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে টানা ৭২ দিনের ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট। সরকারের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এটি করা হয়েছে। তবে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় দেশটির স্টার্টআপ ও অনলাইন ব্যবসাগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে দাবি করেছে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো।

সরকার পরিস্থিতি সামাল দিতে নগদ অর্থ সহায়তা ও ডিজিটাল ভাউচার (কুপন) দিচ্ছে, যা মাথাপিছু ১০ ডলারেরও কম। তবে তীব্র বাজেট ঘাটতির কারণে এই সহায়তা বাড়ানো কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশটির অনেক কর্মকর্তা ও কট্টরপন্থী নেতারা এই মূল্যবৃদ্ধিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রতিশোধ বা চক্রান্ত হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে বিদেশের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্য প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 04:52:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানের জবাব ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’: ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114732" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114732</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের বিপরীতে ইরান যে জবাব দিয়েছে, সেটিকে বাতিল করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি &#39;সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য&#39;।

ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি বলছে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় পাঠানো তেহরানের প্রস্তাবে সব ফ্রন্টে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে আর হামলা না করার নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ফেব্রুয়ারিতে যে যুদ্ধ শুরু করে, তা বন্ধে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। মাঝে মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটলেও সামগ্রিকভাবে যুদ্ধবিরতি বজায় রয়েছে।

এর আগে চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরানের যুদ্ধ &#39;খুব দ্রুত শেষ হবে&#39;। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের মজুত করা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সম্পূর্ণ সরিয়ে না ফেলা পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হয়েছে বলা যাবে না। মার্কিন টেলিভিশন অনুষ্ঠান সিক্সটি মিনিটস-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এখনও এমন কিছু সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র রয়েছে, যেগুলো ভেঙে ফেলতে হবে।

অন্যদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তেহরানের প্রস্তাবের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তিনি বলেন, আমরা কখনো শত্রুর সামনে মাথা নত করব না। আলোচনা বা সংলাপের কথা উঠলেই তা আত্মসমর্পণ বা পিছু হটা বোঝায় না।

ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেন, আমি ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়েছি। এটি আমার পছন্দ হয়নি-সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এক পাতার ১৪ দফা প্রস্তাবে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম স্থগিত, নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং হরমুজ প্রণালিতে অবাধ জাহাজ চলাচল পুনরুদ্ধারের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত আছে।

এদিকে ইরান এখনো হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে রেখেছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। অপরদিকে, তেহরানকে চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি রেখেছে, যা ইরানকে ক্ষুব্ধ করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ব্যাপক বিমান হামলা শুরু করে। এরপর গত মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

সিবিএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু আরও বলেন, ইসরায়েলের সামরিক খাতে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক সহায়তা ধীরে ধীরে শূন্যে নামিয়ে আনতে চাই। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর ইসরায়েলকে তিন দশমিক আট বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেয়।

নেতানিয়াহু বলেন, এখনই শুরু করা উচিত এবং আগামী এক দশকে আমরা এই সহায়তা থেকে নিজেদের মুক্ত করব। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার বিষয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক করেছে।

ইরানের সামরিক মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেন, তেহরানের সঙ্গে সমন্বয় না করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে। আকরামিনিয়া আরও বলেন, আমেরিকানদের তাদের নৌবহর দিয়ে উত্তর ভারত মহাসাগরের এই বিশাল অঞ্চল প্রকৃত অবরোধে আমরা পরিণত হতে দিতে পারব না।

তেহরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের কার্যকর নিয়ন্ত্রণকে চলমান যুদ্ধে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করছে। বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় পাঁচভাগের একভাগ সাধারণত এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাতে ইরান প্রণালিটি গুরুত্বপূর্ণ চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

ইরান এরই মধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী জাহাজগুলোকে সতর্ক করেছে এবং কয়েকটি ক্ষেত্রে হামলাও চালিয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে বড় ধরনের সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে। কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও ওমানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

শনিবার নৌবাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। জাহাজটি হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচল সুরক্ষার মিশনে অংশ নিতে পারে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁ এই নৌ-নিরাপত্তা উদ্যোগের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। স্টারমার বলেছেন, ওই অঞ্চলে যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার পরই কেবল এ মিশন বাস্তবায়ন করা হবে।

এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান রোববার সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে ফ্রান্স বা ব্রিটেন কোনো বাহিনী মোতায়েন করলে &#39;তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব&#39; দেওয়া হবে। তবে ম্যাখোঁ পরে বলেন, ফ্রান্স কখনো সরাসরি নৌ মোতায়েনের কথা ভাবেনি, বরং ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নিরাপত্তা মিশনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 04:38:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মিয়ানমারে পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প, কাঁপল চট্টগ্রামও]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114730" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114730</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মিয়ানমারে রোববার (১০ মে) মধ্যরাতে পাঁচ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু কম্পনের খবর পাওয়া গেছে।

রোববার দিবাগত রাত ১টা ৩৬ মিনিটে বাংলাদেশ সময় ভূমিকম্পটি সংঘটিত হয় বলে জানিয়েছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস ।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার নিচে। প্রাথমিকভাবে এর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ দশমিক ৪৬ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩ দশমিক ৯৪ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

অন্যদিকে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সিদোকতাইয়া এলাকা থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পের কম্পন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলেও অনুভূত হয়। চট্টগ্রাম নগরীর কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা জানান, কয়েক সেকেন্ডের জন্য হঠাৎ ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে। এতে আতঙ্কিত হয়ে অনেকেই বাসা থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

এর আগে শনিবার (৯ মে) বিকালেও দেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। বিকাল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে হওয়া ওই কম্পনে বড় ধরনের ক্ষতি না হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল চার দশমিক চার থেকে চার দশমিক পাঁচের মধ্যে। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি রিখটার স্কেলে এর মাত্রা চার দশমিক পাঁচ উল্লেখ করলেও ইউএসজিএস জানিয়েছে, এর মাত্রা ছিল চার দশমিক চার।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র জানিয়েছে, ওই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভারতের আসামের বিলাসিপাড়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির গভীরতা কম হওয়ায় সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের জেলাগুলোতে কম্পন বেশি অনুভূত হয়।

লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে স্থানীয়রা মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ঝাঁকুনি অনুভবের কথা জানিয়েছেন। কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই ঘরবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 04:19:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাকিস্তানে আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলা, ১৪ পুলিশ নিহত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114725" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114725</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বান্নুতে গাড়ি বোমা হামলা ও গুলিতে ১৪ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার (৯ মে) রাতে আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এ জেলাতে হামলার ঘটনা ঘটে।

ইত্তেহাদ-উল-মুজাহিদীন পাকিস্তান নামে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেছে।

জাহিদ খান নামে এক পুলিশ কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, একটি নিরাপত্তা চৌকির কাছে এক আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী ও কিছু সন্ত্রাসী গাড়ি বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। এতে ওই নিরাপত্তা চৌকিটি ভেঙে পড়ে যায়। শনিবারের ওই হামলার পর ঘটনাস্থলে দেখা গেছে পুলিশের ওই চৌকিটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে নিরাপত্তাবাহিনীর কয়েকজন সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, বোমা হামলার পর পুলিশ সদস্যদের ওপর অ্যাম্বুশ করে সন্ত্রাসীরা। ওই সময় তাদের ছোড়া গুলিতে হতাহত হন কয়েকজন। ওই পুলিশ সদস্যরা বোমা হামলার পর ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।

নাম গোপন রাখার শর্তে পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেছেন, সন্ত্রাসীরা প্রথমে বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি নিয়ে নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালায়। এরপর তারা গুলি করা শুরু করে। অন্য পুলিশ সদস্যদের তখন সহায়তার জন্য সেখানে পাঠানো হয়। কিন্তু সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এ ছাড়া হামলায় ড্রোনও ব্যবহার করা হয়েছে। পুলিশের আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। ওই গাড়ি বোমার বিস্ফোরণ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে পাশের বেসামরিক মানুষের ঘরবাড়িও এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 11:57:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অবশেষে থালাপতি বিজয় তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114716" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114716</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় (থালাপতি বিজয়)।

রোববার (১০ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে শপথ নেন থালাপতি। গভর্নর রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকার নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে শপথ পড়ান।

তামিলনাড়ুর নতুন সরকারের শপথ নেওয়া অন্য মন্ত্রীরা হলেন&mdash; এন আনন্দ, আধব অর্জুন, রাজমোহন, আর নির্মল কুমার, পি ভেঙ্কটরামানান, কে জি অরুণ রাজ, কে এ সেনগোট্টাইয়ান, টি কে প্রভু এবং সেলভি এস কীর্তনা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের রাজনীতিক এবং লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। ছিলেন থালাপতি বিজয়ের বাবা-মা, অভিনেত্রী তৃষ্ণা কৃষ্ণানসহ আমন্ত্রিত অতিথি ও সমর্থকেরা। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) রাজ্য পর্যায়ের শীর্ষ নেতারাও এসেছিলেন।

জোট গঠন নিয়ে কয়েক দিনের নাটকীয়তার পর শনিবার দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে লোকভবনে গিয়ে গভর্নর রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের সঙ্গে বৈঠক করেন থালাপতি বিজয়। এর পর তিনি বিজয়কে সরকার গঠনের আহ্বান জানান।

গত সোমবার তামিলনাডু বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে সবচেয়ে বেশি আসন পায় তামিল চলচ্চিত্রের নায়ক থেকে রাজনীতিতে এসে চমক দেখানো থালাপতি বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম (টিভিকে)। তারা পায় ১০৮টি আসন। এর মধ্যে ৫১ বছরের থালাপতি জিতেছেন দুটি আসনে।

তামিলনাড়ুর ২৩৪ আসনের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৮টি আসন। শুক্রবার পর্যন্ত টিভিকের সমর্থন ১১৬ আসনে আটকে ছিল। এ কারণে গভর্নর সরকার গঠনের আহ্বান জানাননি।

শনিবার বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চির (ভিসিকে) ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) নামের দুটি রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে টিভিকে-কে সমর্থন দিলে পরিস্থিতি বদলে যায়। এ দুই দলের দুটি করে চারটি আসন যোগ হয়ে জোটের শক্তি দাঁড়ায় ১২০ আসনে।

গভর্নরের কাছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই) এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) সিপিআই(এম)-এর সমর্থনপত্র জমা দিয়েছেন থালাপতি।

তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো কয়েকটি দল মিলে জোট সরকার গঠন করেছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 05:31:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানের ইউরেনিয়াম সংরক্ষণ করতে প্রস্তুত রাশিয়া: পুতিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114712" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114712</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া এবং সেগুলো সেখানে সংরক্ষণের জন্য তারা প্রস্তুত আছেন।

শনিবার (৯ মে) মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, রাশিয়া এরআগে ২০১৫ সালে ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম নিয়ে এসেছিল এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে এবারও তারা ইউরেনিয়াম নিয়ে আসতে প্রস্তুত।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য শক্তিধর দেশের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তি হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত ও এতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আণবিক সংস্থাকে নজরদারি চালানোর সুযোগ দেয়। অপরদিকে ইরানের ওপর থেকে পশ্চিমারা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। কিন্তু ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। এরফলে এটি ভেস্তে যায়।

পুতিন আরও জানিয়েছেন, বর্তমান যুদ্ধের সব পক্ষ সম্মত হয়েছে ইরান থেকে সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তখন তাদের অবস্থান কঠোর করে। তারা শর্ত দেয় ইরান থেকে সরানো ইউরেনিয়াম শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেই নিয়ে যেতে হবে। তখন ইরানও তার অবস্থান শক্ত করে ফেলে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সঙ্গে রাশিয়া সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখবে উল্লেখ করে পুতিন বলেছেন, তার আশা এ যুদ্ধ খু্ব শিগগিরই শেষ হবে।

এদিকে পুতিনের এমন মন্তব্য নিয়ে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 04:30:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাশিয়া-ইউক্রেনের মাঝে তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114689" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114689</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চার বছরেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধরত দুই প্রতিবেশী দেশ রাশিয়া এবং ইউক্রেন তিন দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। আজ ৯ মে থেকে আগামী ১১ মে পর্যন্ত চলবে এই যুদ্ধবিরতি।

যুদ্ধবিরতির এই তিন দিন যাবতীয় হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ রাখবে রাশিয়া এবং ইউক্রেন এবং দুই দেশের প্রত্যেকে এক হাজার করে মোট দুই হাজার যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দেবে।

এ যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার (৮ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি উভয় দেশকে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন এবং দুই দেশের সরকার সেই অনুরোধে সাড়া দিয়ে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এজন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি ধন্যবাদও জ্ঞাপন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে রাশিয়া এবং ইউক্রেন আগামী তিন দিন (৯, ১০ এবং ১১ মে) যুদ্ধবিরতি পালন করবে। রাশিয়ায় এই উদযাপন বিজয় দিবস উপলক্ষে এবং একইভাবে ইউক্রেনেও; কারণ তারাও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বড় অংশ হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিল।

প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন জয় করতে দেশটিতে প্রবেশ করেছিল জার্মানির তৎকালীন চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসী সেনাবাহিনী। তবে তারা ব্যর্থ হয় এবং ১৯৪৫ সালের ৮ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে আত্মসমর্পণ চুক্তি স্বাক্ষর করে। সেই থেকে ৮ মে-কে বিজয় দিবস হিসেবে উদযাপন করে রাশিয়া।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেন, আমি আশা করছি, এই যুদ্ধবিরতি একটি অত্যন্ত দীর্ঘ, প্রাণঘাতী এবং কঠিন লড়াইয়ের অবসানের সূচনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটি সবচেয়ে বড় যুদ্ধ এবং এ যুদ্ধ শেষ করতে আমাদের আলোচনা অব্যাহত আছে। আমরা প্রতিদিন এই যুদ্ধ সমাপ্তির আরও কাছাকাছি আসছি। এ বিষয়ে মনোযোগের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে এই বার্তা পোস্ট করার কিছু সময় পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক বার্তায় জানিয়েছেন, ৯ থেকে ১১ মে পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি এবং এক হাজার করে বন্দি বিনিময় ইস্যুতে রাশিয়ার সম্মতিপত্র কিয়েভ গ্রহণ করেছে।

২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তির শর্ত মেনে কৃষ্ণ সাগরের উপদ্বীপ ক্রিমিয়াকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য ইউক্রেনের তদ্বিরের জেরে কয়েক বছর ধরে টানাপোড়ন চলার পর ২০২২ সালে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সেই অভিযান চলছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 07:14:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে শপথ নিল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114698" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114698</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তৃণমূল কংগ্রেসের দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

শনিবার (৯ মে) স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত এ শপথ অনুষ্ঠানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত রয়েছেন।

আনন্দবাজার লিখেছে, মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক, ক্ষুদিরাম টুডু। তারা কে কোন দপ্তর সামলাবেন, এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

কড়া নিরাপত্তায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের মঞ্চে আছেন&mdash; বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, চিরাগ পাসোয়ান, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাডনবীশ, অগ্নিমিত্রা পাল, মিঠুন চক্রবর্তীসহ কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতারা।

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী দলের ২০৭ জন জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে শুক্রবার বৈঠক করে শুভেন্দুকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা ঘোষণা করেন বিজেপি নেতা অমিত শাহ। নিয়ম অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের পরিষদীয় দলনেতাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন।

ভারতের যে কোনো রাজ্যে নির্বাচনের পর বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা বাছাইয়ের সময় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের সেই রাজ্যে পাঠায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এবার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে প্রধান পর্যবেক্ষক করা হয়েছিল অমিত শাহকে। তার সঙ্গে সহকারী পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। তাদের তত্ত্বাবধানে শুক্রবার বিকেলে কলকাতার নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে নির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক হয়।

গত পাঁচ বছর ধরে বিধানসভায় প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীই ছিলেন রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির আন্দোলন সংগ্রামের প্রধান মুখ। রাজ্যে সন্ত্রাস, &lsquo;অনুপ্রবেশ&rsquo;, অবৈধ অভিবাসী, দুর্নীতিসহ নানা ইস্যুতে &lsquo;ঝাঁঝালো&rsquo; মন্তব্য করে বারবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি।

গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু প্রার্থী হয়েছিলেন ২০০৭ সালে কৃষক &lsquo;বিদ্রোহের&rsquo; জন্য বিখ্যাত নন্দীগ্রাম ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত ভবানীপুর আসনে। দুটি আসনেই জিতেছেন তিনি। ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়েছেন ১৫ হাজারের বেশি ভোটে।

এর আগেও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রাম থেকে মমতার বিরুদ্ধে লড়ে জিতেছিলেন ১৯৫৬ ভোটে। অর্থাৎ, পরপর দুইবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নির্বাচনে হারিয়ে শুভেন্দু নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করেন।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৯৩টির ভোটের ফল জানা গেছে গত ৪ মে। এর মধ্যে ২০৭টিতে জিতে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে।

তৃণমূল ৮০টি আসনে জিতেছে এবং ছয়টি আসন পেয়েছে বাম, কংগ্রেস ও অন্যান্য দলগুলো। রাজ্যের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্রে মে ২১ পুনর্নির্বাচন হবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 06:27:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাশিয়া-ইউক্রেনের মাঝে তিন দিনের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114688" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114688</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চার বছরেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধরত দুই প্রতিবেশী দেশ রাশিয়া এবং ইউক্রেন তিন দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। আজ ৯ মে থেকে আগামী ১১ মে পর্যন্ত চলবে এই যুদ্ধবিরতি।

যুদ্ধবিরতির এই তিন দিন যাবতীয় হামলা-পাল্টা হামলা বন্ধ রাখবে রাশিয়া এবং ইউক্রেন এবং দুই দেশের প্রত্যেকে এক হাজার করে মোট দুই হাজার যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দেবে।

এ যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার (৮ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় এ ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেন, তিনি উভয় দেশকে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন এবং দুই দেশের সরকার সেই অনুরোধে সাড়া দিয়ে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এজন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি ধন্যবাদও জ্ঞাপন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আমি আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে রাশিয়া এবং ইউক্রেন আগামী তিন দিন (৯, ১০ এবং ১১ মে) যুদ্ধবিরতি পালন করবে। রাশিয়ায় এই উদযাপন বিজয় দিবস উপলক্ষে এবং একইভাবে ইউক্রেনেও; কারণ তারাও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি বড় অংশ হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিল।

প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন জয় করতে দেশটিতে প্রবেশ করেছিল জার্মানির তৎকালীন চ্যান্সেলর অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসী সেনাবাহিনী। তবে তারা ব্যর্থ হয় এবং ১৯৪৫ সালের ৮ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে আত্মসমর্পণ চুক্তি স্বাক্ষর করে। সেই থেকে ৮ মে-কে বিজয় দিবস হিসেবে উদযাপন করে রাশিয়া।

ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প আরও বলেন, আমি আশা করছি, এই যুদ্ধবিরতি একটি অত্যন্ত দীর্ঘ, প্রাণঘাতী এবং কঠিন লড়াইয়ের অবসানের সূচনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটি সবচেয়ে বড় যুদ্ধ এবং এ যুদ্ধ শেষ করতে আমাদের আলোচনা অব্যাহত আছে। আমরা প্রতিদিন এই যুদ্ধ সমাপ্তির আরও কাছাকাছি আসছি। এ বিষয়ে মনোযোগের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে এই বার্তা পোস্ট করার কিছু সময় পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক বার্তায় জানিয়েছেন, ৯ থেকে ১১ মে পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি এবং এক হাজার করে বন্দি বিনিময় ইস্যুতে রাশিয়ার সম্মতিপত্র কিয়েভ গ্রহণ করেছে।

২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত মিনস্ক চুক্তির শর্ত মেনে কৃষ্ণ সাগরের উপদ্বীপ ক্রিমিয়াকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য ইউক্রেনের তদ্বিরের জেরে কয়েক বছর ধরে টানাপোড়ন চলার পর ২০২২ সালে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে সেই অভিযান চলছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 04:40:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শুভেন্দু অধিকারীই পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী, শপথ শনিবার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114685" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114685</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসক মমতা বন্দ্যোপধ্যায়কে ভোটের লড়াইয়ে ধরাশায়ী করা শুভেন্দু অধিকারী আলোচনায় এগিয়ে ছিলেন, শেষ পর্যন্ত তাকেই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিল ভারতের শাসক দল বিজেপি।

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী দলের ২০৭ জন জয়ী প্রার্থীর সঙ্গে শুক্রবার (৮ মে) বৈঠক করে শুভেন্দুকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা ঘোষণা করেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিজেপি নেতা অমিত শাহ। নিয়ম অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের পরিষদীয় দলনেতাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন।

শনিবার (৯ মে) কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নতুন সরকার শপথ নেবে। শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আনন্দবাজার লিখেছে, মুখ্যমন্ত্রী যে শুভেন্দুই হচ্ছেন, তা নিয়ে খুব একটা সংশয় ছিল না পদ্ম (বিজেপির নির্বাচনী প্রতিক) শিবিরে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাকেই সবচেয়ে জোরালো দাবিদার বলে মনে করা হচ্ছিল।

তবে শুভেন্দু ছাড়াও বিজেপির তাত্ত্বিক নেতা হিসেবে পরিচিত স্বপন দাশগুপ্ত, দলের রাজ্য সভাপতি শমীক দাশগুপ্ত, নারী নেত্রী অগ্নিমিত্রা পালসহ আরও কয়েকজনের নাম আসছিল আলোচনায়। সবাইকে পেছনে ফেলে ৫৫ বছর বয়সী শুভেন্দুই রাজ্যের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হতে চলেছেন।

ভারতের যে কোনো রাজ্যে নির্বাচনের পর বিধানসভার পরিষদীয় দলনেতা বাছাইয়ের সময় কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের সেই রাজ্যে পাঠায় বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এবার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে প্রধান পর্যবেক্ষক করা হয়েছিল অমিত শাহকে। তার সঙ্গে সহকারী পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। তাদের তত্ত্বাবধানে শুক্রবার বিকেলে কলকাতার নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে নির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক হয়।

বিধায়কদলের সঙ্গে বৈঠকের পর অমিত শাহ বলেন, পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। আটটি প্রস্তাব এসেছিল। সব প্রস্তাবে একটিই নাম ছিল। দ্বিতীয় নামের জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো দ্বিতীয় নাম আসেনি। তাই শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ঘোষণা করছি।

গত পাঁচ বছর ধরে বিধানসভায় প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীই ছিলেন রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির আন্দোলন সংগ্রামের প্রধান মুখ। রাজ্যে সন্ত্রাস, &lsquo;অনুপ্রবেশ&rsquo;, অবৈধ অভিবাসী, দুর্নীতিসহ নানা ইস্যুতে &lsquo;ঝাঁঝালো&rsquo; মন্তব্য করে বারবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি।

গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু প্রার্থী হয়েছিলেন ২০০৭ সালে কৃষক &lsquo;বিদ্রোহের&rsquo; জন্য বিখ্যাত নন্দীগ্রাম ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত ভবানীপুর আসনে। দুটি আসনেই জিতেছেন তিনি। ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত হেভিওয়েট প্রার্থীকে হারিয়েছেন ১৫ হাজারের বেশি ভোটে।

এর আগেও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু নিজের কেন্দ্র নন্দীগ্রাম থেকে মমতার বিরুদ্ধে লড়ে জিতেছিলেনেএক হাজার ৯৫৬ ভোটে। অর্থাৎ, পরপর দুইবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নির্বাচনে হারিয়ে শুভেন্দু নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করেন।

অথচ শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন মাত্র সাড়ে পাঁচ বছর আগে। তার আগে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের &lsquo;আস্থাভাজন&rsquo; ছিলেন। ২০২০ সালের শেষদিকে তিনি তৃণমূল ও মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন।

বিবিসি এক প্রতিবেদনে বলছে, তৃণমূলে থাকা ও মমতার আস্থাভাজন হওয়ার কারণেই মনে করা হত বিজেপির পুরনো নেতাদের কাছে শুভেন্দুর গ্রহণযোগ্যতা কম।

তা ছাড়া শুভেন্দু অধিকারী পুরনো কংগ্রেসি ঘরানার রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান এবং বিজেপি ঘনিষ্ঠ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্গে তার কোনো পুরনো সম্পর্কও ছিল না।

আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, নির্বাচনে শুভেন্দুর বড় সাফল্যের পরও বিজেপি সরকারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে জল্পনা ছিল। তার একটি কারণ অবশ্যই দলটির ইতিহাস।

&lsquo;অতীতে অনেক রাজ্যেই সরকার গঠন করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণায় চমকে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। এমন কাউকে শাসকদলের পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচন করা হয়েছে, যার কথা কেউ ভাবেননি। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও তেমন কিছু করা হবে কি না, জল্পনা ছিল।&rsquo;

&lsquo;তবে একাংশের মতে, অন্য রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে খুব বেশি চমক দেওয়ার সুযোগ ছিল না। মমতাকে ভবানীপুরে হারিয়ে শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী পদে নিজের দাবি অনেক জোরদার করে ফেলেছিলেন। তা উপেক্ষা করা সম্ভব ছিল না। করলে দলের অন্দরেই একটি অংশে ক্ষোভ তৈরি হতে পারত। নির্বাচনে এত বড় জয়ের পর সেই ঝুঁকি আর নেননি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।&rsquo;

শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপি নেতৃত্ব মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য নির্বাচিত করলেও এবার সরকারে কেউ উপ-মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন কিনা তা জানানো হয়নি। গত দুই দশক ধরে পশ্চিমবঙ্গে কোন উপ-মুখ্যমন্ত্রী ছিল না। সর্বশেষ জ্যোতি বসুর বামপন্থি সরকারে প্রয়াত সিপিএম নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদে ছিলেন।

এনডিটিভি লিখেছে, এবার রাজ্যে দুজন উপ-মুখ্যমন্ত্রী দেখা যেতে পারে। এর মধ্যে একজন সম্ভবত একজন নারী নেত্রী। সাম্প্রতিক নির্বাচনে আসানসোল দক্ষিণ থেকে জয়ী বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এই দৌড়ে এগিয়ে আছেন বলে জানা গেছে। তিনিই রাজ্যের প্রথম নারী উপ-মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন।

এ ছাড়া দ্বিতীয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গ থেকে হতে পারেন। এমন জল্পনা চলছে যে শিলিগুড়ি থেকে বিজয়ী প্রার্থী শঙ্কর ঘোষকে এই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৯৩টির ভোটের ফল জানা গেছে গত ৪ মে। এর মধ্যে ২০৭টিতে জিতে বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে।

তৃণমূল ৮০টি আসনে জিতেছে এবং ছয়টি আসন পেয়েছে বাম, কংগ্রেস ও অন্যান্য দলগুলো। রাজ্যের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্রে মে ২১ পুনর্নির্বাচন হবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 08 May 2026 13:52:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে ৩ পর্বতারোহীর প্রাণহানি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114679" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114679</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের হালমাহেরা দ্বীপে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে দুই বিদেশিসহ তিন পর্বতারোহীর প্রাণহানি হয়েছে। এই ঘটনায় আরও ১০ ব্যক্তি নিখোঁজ আছেন।

শুক্রবার (৮ মে) এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি, এবিসি নিউজ ও বিবিসি।

উত্তর হালমাহেরা প্রদেশের পুলিশ বাহিনীর প্রধান এরলিচসন পাসারিবু কোমপাস টিভিকে বলেন, &lsquo;পূর্ব ইন্দোনেশিয়ায় তিন ব্যক্তির প্রাণহানি হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন বিদেশি ও একজন টারনেইট দ্বীপের বাসিন্দা।&rsquo;

এরলিচসন আরও জানান, ২০ জনের পর্বতারোহী দলে নয় জন সিঙ্গাপুরের নাগরিক ও বাকি ১১ জন ইন্দোনেশীয় ছিলেন। এখনো নিখোঁজ আছেন সিঙ্গাপুরের এক ব্যক্তি ও ইন্দোনেশিয়ার নয় ব্যক্তি।

ইতোমধ্যে সাত বিদেশি পর্বতারোহী নিরাপদে পর্বত থেকে নেমে আসতে পেরেছেন, যোগ করেন তিনি।

ওই অঞ্চলে পর্বতারোহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা চালু সত্ত্বেও তারা সেখানে গিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন পুলিশ প্রধান।

শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা বেজে ৪১ মিনিটে উত্তর মালুকু প্রদেশের দুকোনো পর্বতে অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। আগ্নেয়গিরি থেকে ছাই উদ্&zwnj;গিরণ হয়ে আকাশে ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠে যায়।

স্থানীয় উদ্ধার সংস্থা প্রধান ইওয়ান রামদানি রয়টার্সকে বলেন, ২০ জন আটকে পড়া পর্বতারোহীকে উদ্ধারে পুলিশসহ অসংখ্য উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

তিনি জানান, পর্বতারোহীদের মধ্যে নয় জন সিঙ্গাপুরের নাগরিক এবং বাকিরা ইন্দোনেশীয়। তিনি জানান, আটকে পড়াদের মধ্যে ২০ জনই পর্বতারোহী।

গত মাস থেকে দুকোনো আগ্নেয়গিরি হঠাৎ করেই সক্রিয় হতে শুরু করে। যার ফলে ১৭ এপ্রিল বিজ্ঞানীদের পরামর্শে ওই এলাকায় দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়।

মার্চ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ২০০ বারেরও বেশিবার দুকোনো পর্বতে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 08 May 2026 08:10:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতি বছর ১৪ ইঞ্চি দেবে যাচ্ছে মেক্সিকো সিটি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114675" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/international/114675</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মেক্সিকো সিটি আশঙ্কাজনক হারে মাটির নিচে দেবে যাচ্ছে। স্যাটেলাইটের পাঠানো তথ্যে এ কথা জানা গেছে।

নাসা ও ইসরোর যৌথ উদ্যোগে মহাকাশে পাঠানো &lsquo;নিসার&rsquo; নামের স্যাটেলাইট এখন পূর্ণমাত্রায় সক্রিয়। বর্তমানে মেক্সিকো সিটি ঠিক কতটা দ্রুত মাটির নীচে দেবে যাচ্ছে তা শনাক্ত করেছে নতুন স্যাটেলাইটটি।

এসব কিছুই এ মিশনের উদ্ভাবনী &lsquo;ডুয়াল-ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড রেডার&rsquo; প্রযুক্তির কল্যাণে সম্ভব হয়েছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে মহাকাশবিষয়ক সংবাদের সাইট স্পেস ডটকম।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা ও ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর যৌথ উদ্যোগে ২০২৫ সালের ৩০ জুলাই &lsquo;নিসার&rsquo; নামের এ &lsquo;সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডার&rsquo; স্যাটেলাইটটি মহাকাশে উৎক্ষেপিত হয়।

এ মিশনের মূল লক্ষ্য, পৃথিবীপৃষ্ঠের রিয়াল-টাইম বা তাৎক্ষণিক বিভিন্ন পরিবর্তন ট্র্যাক করা। ভূ-স্তর দেবে যাওয়া ও হিমবাহের পশ্চাদপসরণ থেকে শুরু করে টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া ও দাবানলের বিস্তার এসব কিছুই এক সেন্টিমিটারের মধ্যে নিখুঁতভাবে পরিমাপ করাই এ স্যাটেলাইটের কাজ।

এক বিবৃতিতে বেলজিয়ামের &lsquo;ফ্লেমিশ ইনস্টিটিউট ফর টেকনোলজিকাল রিসার্চ&rsquo; ও নিসার সায়েন্স দলের সদস্য ডেভিড বেকার্ট বলেন, ভূমি দেবে যাওয়ার ক্ষেত্রে মেক্সিকো সিটি সুপরিচিত এক &lsquo;হট স্পট&rsquo; বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এবং নিসার থেকে পাওয়া এ ধরনের ছবিগুলো এর কেবল শুরু।

১৯২৫ সাল থেকেই জানা ছিল, প্রায় দুই কোটি মানুষের আবাস্থল এ শহরের বড় একটি অংশ প্রতি বছর ১৪ ইঞ্চি বা ৩৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত দেবে যাচ্ছে। শহরটি প্রাচীন হ্রদের তলদেশের অবশিষ্টাংশের ওপর গড়ে উঠেছে, যার নিচে রয়েছে &lsquo;অ্যাকুইফার&rsquo; বা নরম শিলা ও বালুর ভূগর্ভস্থ স্তর।

ক্রমাগত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন ও বড় শহরের ওজনের চাপে সেসব পাললিক স্তর সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। ফলে মেক্সিকো সিটির মেট্রো সিস্টেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও বিভিন্ন ভবন মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ছে।

এক বিবৃতিতে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত নাসা সদর দপ্তরের নিসার মিশনের ডেপুটি ম্যানেজার ক্রেইগ ফার্গুসন বলেন, নিসারের দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের &lsquo;এল-ব্যান্ড&rsquo; রেডারটি উপকূলীয় অঞ্চলের মতো দুর্গম ও ঘন গাছপালাপূর্ণ এলাকাগুলোতেও ভূমি দেবে যাওয়ার বিষয়টি শনাক্ত এবং ট্র্যাক করা সম্ভব করে তুলবে। বিশেষ করে যেখানে ভূমি দেবে যাওয়া ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার জোরালো এবং সম্মিলিত প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, ওইসব উপকূলীয় এলাকায়।

এ পর্যন্ত মহাকাশে উৎক্ষেপিত শক্তিশালী রেডারগুলোর মধ্যে অন্যতম নিসার। এখানে &lsquo;এল-ব্যান্ড&rsquo; বলতে এক থেকে দুই গিগাহার্টজ মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি বা কম্পাঙ্ককে বোঝায়।

এ ছাড়া এ স্যাটেলাইটে একটি &lsquo;এস-ব্যান্ড&rsquo; রেডার রয়েছে, যা দুই থেকে চার গিগাহার্টজ কম্পাঙ্কে কাজ করে। নাসা তৈরি করেছে &lsquo;এল-ব্যান্ড&rsquo; রেডারটি, যা মাটির নিচের কঠিন শিলা ও বরফের পরিবর্তনের প্রতি সংবেদনশীল। মেক্সিকো সিটির এ গবেষণায় এ রেডারটিই ব্যবহৃত হয়েছে।

অন্যদিকে, ভারতের ইসরো তৈরি করেছে &lsquo;এস-ব্যান্ড&rsquo; রেডার, যা গাছপালা বা বনভূমির পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারদর্শী।

এল-ব্যান্ড ও এস-ব্যান্ড উভয় রেডারই &lsquo;সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডার&rsquo;। নিসার প্রতি ১২ দিনে একবার পুরো পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে। এ সময় এর গতির কারণে তা ভূমিতে প্রকৃত অ্যাপারচার বা প্রবেশপথের আকারের তুলনায় বড় এলাকা স্ক্যান করতে পারে। এ কারণেই একে &lsquo;সিন্থেটিক&rsquo; বা কৃত্রিম অ্যাপারচার বলে।

এ রেডার থেকে পাওয়া ছবিতে যাতে কোনো ঝাপসা ভাব না থাকে সেজন্য প্রতি সেকেন্ডে হাজার হাজার রেডার পালস বা তরঙ্গ নিক্ষেপ করা হয়।

&lsquo;নিসার&rsquo; এমন প্রথম কোনো মিশন, যা এল-ব্যান্ড ও এস-ব্যান্ড উভয় ধরনের সিন্থেটিক অ্যাপারচার বহন করছে। রেডারের বিভিন্ন প্রতিফলন নিসারের ৩৯ ফুট বা ১২ মিটার চওড়া ড্রাম-আকৃতির সংগ্রাহকের মাধ্যমে ধারণ করা হয়, যা নাসার তৈরি এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় রেডার অ্যান্টেনা রিফ্লেক্টর।

গবেষক বেকার্ট বলেন, নিসারের অনন্য সেন্সিং সক্ষমতা ও বিশ্বজুড়ে এর নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণের কারণে আমরা এখন গোটা বিশ্বের নতুন নতুন আবিষ্কারের জোয়ার দেখতে পাব।

মেক্সিকো সিটির রেডার ইমেজটি দেখতে নীল ও হলুদ রঙের এক বৈপরীত্যপূর্ণ ছোপের মতো মনে হয়। আসলে এগুলো কৃত্রিম রং, যা মাটির উচ্চতার পরিবর্তন স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।

মেক্সিকো শহরের শুষ্ক মৌসুমে ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে যেসব এলাকা শূন্য দশমিক পাঁচ ইঞ্চি বা দুই সেন্টিমিটারের বেশি দেবে গেছে, সেসব অংশকে নির্দেশ করছে গাঢ় নীল রংটি।

অন্যদিকে, হলুদ ও সবুজ অংশগুলো সংকেতের সামান্য ত্রুটি বা নয়েজ। নিসার মেক্সিকোর ওপর দিয়ে আরও কয়েকবার প্রদক্ষিণের পর এসব সংকেতের মান উন্নত হবে। ফলে এ অস্পষ্টতা কমে আসবে।

ক্রেইগ ফার্গুসন বলেন, এ ধরনের ছবি থেকে আমরা ধারণা পাই, নিসারের বিভিন্ন পরিমাপ আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ীই কাজ করছে।

শহরটির দেবে যাওয়ার হার উদাহরণের মাধ্যমে বোঝাতে গেলে, মেক্সিকো সিটির প্রাণকেন্দ্রে পাসেও দে লা রেফোর্মাতে অবস্থিত ১১৮ ফুট উঁচু &lsquo;অ্যাঞ্জেল অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স&rsquo; স্মৃতিস্তম্ভটির কথা বলা যায়, যেটি ১৯১০ সালে নির্মাণের পর থেকে এ পর্যন্ত এর নিচে নতুন করে ১৪টি ধাপ বা সিঁড়ি যোগ করতে হয়েছে।

&lsquo;অ্যাঞ্জেল অফ ইন্ডিপেন্ডেন্স&rsquo; মেক্সিকোর স্বাধীনতার স্মারক এক স্বর্ণালি দেবদূত মূর্তিসম্বলিত স্তম্ভ।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 08 May 2026 06:40:56 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
