<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/health</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/health"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews health Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest health News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 08 Jul 2026 08:58:39 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকা মেডিকেল মর্গে অনিয়মের অভিযোগ, শোকাহত পরিবারে বাড়তি আর্থিক চাপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/116055" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/116055</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মানুষের মৃত্যুর পর অস্বাভাবিক ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ময়নাতদন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রক্রিয়া। আইন অনুযায়ী এই সেবা সম্পূর্ণ সরকারি ব্যবস্থাপনায় সম্পন্ন হওয়ার কথা এবং এর জন্য কোনো ফি নেওয়ার বিধান নেই। তবে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গকে ঘিরে অনিয়ম, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মর্গে আসা স্বজনদের কাছে গোসল, কাফন, কফিন এবং মরদেহ বহনের জন্য অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন সেবাকে একত্র করে একটি তথাকথিত &lsquo;প্যাকেজ&rsquo; দেওয়া হয়। এই প্যাকেজের জন্য শুরুতে প্রায় ২০ হাজার টাকা দাবি করা হলেও পরে দরকষাকষির মাধ্যমে তা ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকায় নির্ধারণ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিন ভাইকে ঘিরে সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ

মর্গ-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট চক্র পুরো কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন সেকান্দার নামে এক সাবেক কর্মকর্তা, যিনি চাকরি থেকে অবসরে গেলেও এখনও মর্গ এলাকায় প্রভাব বজায় রেখেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

এছাড়া তার দুই ভাই বাবুল ও রামুও বর্তমানে সরকারি নিয়োগে কর্মরত। বাবুলের দায়িত্ব হাসপাতালের অফিস সহকারী হলেও অভিযোগ রয়েছে, তিনি অধিকাংশ সময় মর্গ এলাকায় অবস্থান করেন। তাদের সঙ্গে আরও কয়েকজন নারী-পুরুষ বহিরাগত সদস্য মিলে স্বজনদের বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে অর্থ আদায় করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শোকের সঙ্গে যোগ হচ্ছে আর্থিক ভোগান্তি

প্রিয়জন হারানোর শোকের মধ্যেই মর্গে এসে বাড়তি অর্থের চাপের মুখে পড়ছেন অনেক পরিবার। অভিযোগ রয়েছে, পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই স্বজনদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়, ফলে বাধ্য হয়েই তারা অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করেন।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারি নিয়ম সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং দ্রুত মরদেহ বুঝে পাওয়ার প্রয়োজনীয়তার সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই অর্থ আদায় করা হয়।

ফরেনসিক বিভাগের বক্তব্য

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক মমতাজ আরা জানান, তিনি সম্প্রতি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন এবং এ ধরনের অভিযোগ সম্পর্কে তার কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।

তার ভাষ্য, ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল বা ফরেনসিক বিভাগ কোনো অর্থ গ্রহণ করে না। মরদেহ আনা-নেওয়া ও সংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পুলিশের, আর ফরেনসিক বিভাগের দায়িত্ব কেবল ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা।

মিটফোর্ড মেডিকেলেও একই ধরনের অভিযোগ

রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গ নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সেখানে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মরত এক কর্মচারীর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি গণমাধ্যমে মন্তব্য করতে রাজি হননি। বরং সংশ্লিষ্ট ফরেনসিক বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

তদারকি বাড়ানোর দাবি

বিশেষজ্ঞদের মতে, ময়নাতদন্ত একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও বিচারিক গুরুত্বসম্পন্ন প্রক্রিয়া। এ ধরনের সেবায় অনিয়ম বা আর্থিক দুর্নীতি শুধু ভুক্তভোগী পরিবারকে হয়রানির মুখে ফেলে না, বরং তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তাই সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি মর্গগুলোতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 08:58:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ক্লিনিকে নরমাল ডেলিভারি রুম না করলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/116034" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/116034</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, চলতি মাসের মধ্যেই দেশের সব ক্লিনিকে ডেলিভারি রুম স্থাপন করতে হবে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, গত দুই মাস ধরে উপজেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং লার্ভা নিয়ন্ত্রণে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট সরবরাহ করা হবে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত শয্যা ও মোবাইল স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগে স্যালাইনের কিছু সংকট থাকলেও বর্তমানে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, জ্বর কমে গেলেও চিকিৎসক সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত কোনো ডেঙ্গু রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে না। প্লাজমা লিকেজের ঝুঁকি রয়েছে কি না, সে বিষয়েও চিকিৎসকদের সতর্ক নজর রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো রয়েছে। একই সঙ্গে হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচিও সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার নারী থাকবেন, যাদের অধিকাংশই মিডওয়াইফারি কর্মী।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 13:28:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/116029" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/116029</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬৪৮ জন এবং নিশ্চিত হামে ৯৩ জন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০৬টি শিশু।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 12:10:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের প্রকোপে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত আরও ৮৩৩ শিশু, মৃত্যু ২]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115970" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115970</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হামের সংক্রমণ এখনো উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৮৩৩ শিশু হাম অথবা হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৬৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৯৩ শিশু। ফলে এ সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গজনিত কারণে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩১ জনে।

নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১০১ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়া আরও ৭৩২ জন শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে, যাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশজুড়ে ৭০৪ জন শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৬৭৫ জন শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্বিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৯৩ জনে। এর মধ্যে পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১২ হাজার ৫২৬ জনের শরীরে।

এ পর্যন্ত মোট ৮৭ হাজার ৯৬৬ জন রোগীকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৪ হাজার ২১৮ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের বিস্তার রোধে শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী টিকা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি জ্বর, শরীরে লালচে র&zwj;্যাশ বা হামের অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নেওয়া এবং সংক্রমণ এড়াতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 10:46:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115946" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115946</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে, আর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে শিশুদের ওপর। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০৭ জন শিশু।

শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে মৃত্যুবরণ করা শিশুদের সবাই হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল। তবে এ সময়ের মধ্যে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোনো ঘটনা ধরা পড়েনি।

গত কয়েক মাসের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশে হামের পরিস্থিতি ক্রমেই গুরুতর হয়ে উঠছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সময়কালে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৭২৯টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯৩ জনের ক্ষেত্রে পরীক্ষায় হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে, আর বাকিরা উপসর্গজনিত জটিলতায় প্রাণ হারিয়েছে।

সাম্প্রতিক ২৪ ঘণ্টার তথ্যে আরও দেখা গেছে, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১৩৯ জন শিশুর শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ৯৬৮ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে।

এদিকে, সাড়ে তিন মাসের সামগ্রিক চিত্র আরও উদ্বেগজনক। এ সময়ের মধ্যে সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। মোট ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬১ জন শিশুর মধ্যে লক্ষণ দেখা গেছে, যার মধ্যে ১২ হাজার ৪২৫ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে।

এই সময়কালে আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। মোট ৮৭ হাজার ২৬২ জন শিশুকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে ইতিবাচক দিক হলো, চিকিৎসা শেষে তাদের মধ্যে ৮৩ হাজার ৫৪৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে হামের ঝুঁকি ও জটিলতা অনেক বেশি।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, শিশুদের মধ্যে জ্বর, ফুসকুড়ি বা অন্য কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 03 Jul 2026 16:15:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115920" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115920</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশজুড়ে হামের প্রকোপ নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নতুন এ তথ্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

মৃত্যু ও আক্রান্তের নতুন পরিসংখ্যান

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ নিয়মিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে নতুন করে কোনো মৃত্যু না হলেও উপসর্গে মৃত্যুর ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।

নতুন মৃত্যুর ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩১ জন শিশুতে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছে আরও ৯৩ জন শিশু, ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭২৪ জনে।

আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আরও ৯৬৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ১ লাখ ২ হাজার ৯৯৩ জনে।

এছাড়া একই সময়ে নতুন করে ১৫৪ জনের শরীরে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট নিশ্চিত হামের রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ২৮৬ জন।

হাসপাতালে ভর্তি ও সুস্থতার চিত্র

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ৮৬ হাজার ৪১১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮২ হাজার ৭৫৯ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

তবে এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

ভৌগোলিকভাবে মৃত্যুর তথ্য

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় যে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ৩ জন ঢাকা বিভাগে, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে একজন করে শিশু রয়েছে।

জনস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হামের দ্রুত বিস্তার শিশুদের জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। বিশেষ করে টিকাদান কর্মসূচি ও সচেতনতা আরও জোরদার না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও জনগণকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি সময়মতো টিকা গ্রহণ এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 10:21:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলে কোনো ঘাটতি নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115800" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115800</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমানে সরকারের কাছে ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুল সংরক্ষিত রয়েছে, যা চলমান জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে যথেষ্ট।

রোববার রাজধানীর আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ড উদ্বোধনকালে তিনি এসব তথ্য জানান।


২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে দেওয়া হবে ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo;

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সারা দেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর মধ্যে&mdash;


	৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের দেওয়া হবে নীল রঙের ক্যাপসুল
	১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সীদের দেওয়া হবে উচ্চমাত্রার লাল রঙের ক্যাপসুল


সরকারের এই উদ্যোগ শিশুদের দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান তিনি।


ছুটে গেলে পরে সুযোগ মিলবে

মন্ত্রী আরও জানান, কোনো শিশু যদি নির্ধারিত দিনে ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; গ্রহণ থেকে বাদ পড়ে যায়, তাহলে পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে এই সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান, শিশুদের টিকা ও পুষ্টি সুরক্ষায় নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে সময়মতো নিয়ে আসার জন্য।


শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানোর ওপর গুরুত্ব

ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাম্পেইন উদ্বোধনের সময় মন্ত্রী আরও বলেন, নবজাতক শিশুকে জন্মের পর অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত। এটি শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।


টিকা ব্যবস্থাপনা ও আগের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য

মন্ত্রী দাবি করেন, অতীতে পর্যাপ্ত টিকা ও ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; মজুত না থাকায় কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছিল, বিশেষ করে হাম রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছিল।

তবে বর্তমানে সরকার টিকা ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে জানান তিনি।


হাম টিকায় শতভাগ কভারেজের দাবি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি শতভাগ কাভারেজে পৌঁছেছে। যেসব শিশু এখনো বাদ পড়েছে, তাদেরও খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ব্যবহৃত টিকাগুলো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং নিরাপদ, তাই এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 28 Jun 2026 07:37:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115782" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115782</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশু মারা গেছে।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন শিশু মারা গেছে। তবে এসময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬১৫ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৩ শিশুর প্রাণ গেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৪৫ শিশু ও উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৭৪৪।

তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৮ হাজার ২৬৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৫৯৪ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮১ হাজার ৯৫৫ রোগী, যাদের মধ্যে ৭৮ হাজার ২৮৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Jun 2026 12:40:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডায়াবেটিসের গতিকে ধীর করার নতুন ঔষুধ অনুমোদন যুক্তরাজ্যে ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115774" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115774</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ডায়াবেটিস চিকিৎসায় একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে একটি নতুন আবিষ্কারকে। টাইপ-১ ডায়াবেটিসের লক্ষণ শরীরে প্রকাশ পাওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রায় তিন বছর পর্যন্ত পিছিয়ে দিতে পারে এমন একটি নতুন ওষুধ অনুমোদন করেছে যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা।

&lsquo;টেপ্লিযুমাব&rsquo; নামের এই ওষুধটিই বিশ্বের প্রথম চিকিৎসা, যা শরীরে রোগটির বাহ্যিক লক্ষণ দৃশ্যমান হওয়ার আগেই তা প্রতিরোধে কাজ শুরু করে।

বিশেষজ্ঞরা এই অনুমোদনকে এক শতাব্দীরও বেশি সময় আগে ইনসুলিন আবিষ্কারের পর টাইপ-১ ডায়াবেটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

টাইপ-১ ডায়াবেটিস ও নতুন ওষুধের ভূমিকা

টাইপ-১ ডায়াবেটিস মূলত একটি অটোইমিউন কন্ডিশন বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার জটিলতা। এতে শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাপনাই অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষগুলোকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে দেয়। ফলে শরীর রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না।

এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সুস্থ থাকার জন্য আজীবন নিয়মিত ইনসুলিন ইনজেকশন বা পাম্পের ওপর নির্ভর করতে হয়।

নতুন অনুমোদিত এই চিকিৎসাটি টাইপ-১ ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিরাময় করতে না পারলেও, এটি রোগের গতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে ধীর করে দেয়। ফলে রোগীকে আজীবন ইনসুলিন থেরাপি নেওয়া শুরু করার আগে একটি দীর্ঘ ও মূল্যবান সময় উপহার দেয়, যা আক্রান্ত পরিবারগুলোর জন্য এক বড় আশার আলো।

টেপ্লিযুমাব হলো একটি বিশেষ ইমিউনোথেরাপি ওষুধ, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়াকে মডিফাই বা পরিবর্তন করতে পারে।

প্রচলিত চিকিৎসার মতো এটি কেবল রোগের লক্ষণের উপশম করে না, বরং রোগের মূল কারণের ওপর কাজ করে। ওষুধটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকারী &lsquo;বিটা কোষ&rsquo; ধ্বংস করা থেকে বিরত রাখে।

ওষুধটি ৮ বছর বা তার বেশি বয়সি শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যারা টাইপ-১ ডায়াবেটিসের প্রাথমিক পর্যায় বা &lsquo;স্টেজ-২&rsquo;-এ রয়েছেন।

এই ধাপে সাধারণত মানুষের শরীরে কোনো বাহ্যিক লক্ষণ দেখা যায় না, তবে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ধরা পড়ে যে ভেতরে রোগটির প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে এবং তারা পূর্ণাঙ্গ টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন।

চিকিৎসা পদ্ধতি ও কার্যকারিতা

টেপ্লিযুমাব ওষুধটি শিরায় ইনজেকশনের মাধ্যমে (ইন্ট্রাভেনাস ড্রিপ) টানা ১৪ দিন প্রতিদিন একবার করে দেওয়া হয়। প্রতিটি সেশনের জন্য অন্তত ৩০ মিনিট সময় লাগে। প্রথম কয়েক দিন ওষুধের ডোজ ধীরে ধীরে বাড়ানো হয় যাতে রোগীর শরীর এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এর অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ফলাফল দেখা গেছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় দেখা গেছে, যারা টেপ্লিযুমাব গ্রহণ করেছিলেন, তাদের শরীরে লক্ষণযুক্ত টাইপ-১ ডায়াবেটিস দেখা দিতে সাধারণ রোগীদের তুলনায় প্রায় তিন বছর বেশি সময় লেগেছে।

এই দীর্ঘ বিলম্ব শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের জন্য অত্যন্ত অর্থবহ, কারণ এর ফলে তারা ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনার দৈনিক ধকল ও জটিলতা ছাড়াই জীবনের বেশ কয়েকটি বছর চমৎকারভাবে অতিবাহিত করতে পারবে।

কেন এই অনুমোদন এত গুরুত্বপূর্ণ?

এ যাবৎকাল পর্যন্ত চিকিৎসকেরা কেবল তখনই চিকিৎসা শুরু করতে পারতেন, যখন টাইপ-১ ডায়াবেটিস শরীরে পুরোপুরি জেঁকে বসত। টেপ্লিযুমাব চিকিৎসকদের সেই চিরাচরিত দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিচ্ছে। এখন লক্ষণ প্রকাশের আগেই রোগটিকে ধীর করে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ডায়াবেটিসজনিত শারীরিক ও মানসিক কষ্টের বোঝা অনেকটাই কমিয়ে দেবে। ইনসুলিন ইনজেকশনের প্রয়োজনীয়তা পিছিয়ে যাওয়ার অর্থ হলো রোগীরা দীর্ঘ সময় ধরে সার্বক্ষণিক রক্ত পরীক্ষা করার ঝামেলা এড়াতে পারবেন এবং মারাত্মক সব স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে দূরে থাকবেন।

পাশাপাশি, আক্রান্ত পরিবারগুলোও ভবিষ্যৎ চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য বাড়তি সময় পাবে। ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ এবং রোগী কল্যাণ সমিতিগুলো এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে একে ডায়াবেটিস সেবার এক নতুন যুগের সূচনা বলে অভিহিত করেছেন।

সামনের চ্যালেঞ্জসমূহ 

এই দারুণ সাফল্যের মাঝেও কিছু বাস্তবসম্মত চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে:

স্ক্রিনিংয়ের অভাব: যেহেতু &lsquo;স্টেজ-২&rsquo; ডায়াবেটিসে কোনো বাহ্যিক লক্ষণ থাকে না, তাই আক্রান্তদের শনাক্ত করতে বিশেষায়িত রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের মতো দেশেই এ ধরনের কোনো দেশব্যাপী নিয়মিত স্ক্রিনিং বা পরীক্ষা কর্মসূচি নেই। ফলে অনেকেই জানেন না যে তারা এই ঝুঁকিতে আছেন।

সুযোগ তৈরি করা: চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এখন দেশজুড়ে ব্যাপক স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম চালুর দাবি জানাচ্ছেন যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ এই সুবিধা পেতে পারে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা-ও নতুন টেস্টিং এবং চিকিৎসা পথ তৈরির কাজ করছে যাতে সবার জন্য এই ওষুধের ন্যায়সংগত প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা যায়।

সূত্র: এনডিটিভি

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Jun 2026 10:25:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফুলবাড়ীতে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন বিষয়ক  সভা অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115768" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115768</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; প্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ হাসান। এতে সভাপতিত্ব করেন ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মশিউর রহমান।

সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ হাসান বলেন, শিশুদের অপুষ্টি ও ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo;-এর ঘাটতিজনিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে জাতীয় ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ক্যাম্পেইন সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ, জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক এবং গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিকভাবেদায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

সভায় ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের সার্বিক প্রস্তুতি, টিকাদান কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা, শিশুদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। টিকা ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সি শিশুদের ১৭২০ জন ও ১২-৬৯ মাস শিশু দের ১৩ হাজার ৫০ জন কে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ফুলবাড়ীতে মোট ক্যাম্পের সংখ্যা ১৬৮টি। আগামী ২৮ জুন রবিবার ক্যাম্পেইন সফল করার লক্ষ্যে সকলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, ফুলবাড়ী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাসানুল হক বান্না, ফুলবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, এপিআই মোঃ খবির উদ্দিন।

এছাড়ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে এ্যাডভোকেসি ও কর্মপরিকল্পনা সভাটির সঞ্চলনায় ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পেক্স এর ডেন্টাল সার্জেন মোঃ সাজেদুর রহমান।

সভা শেষে জাতীয় ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; প্লাস ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করার লক্ষ্যে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করা হয়।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Jun 2026 08:40:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115753" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115753</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

এ সময় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৯৭৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৭০২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬০৯ জন।

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ১১ হাজার ৫৪৯ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৯৭ হাজার ৫২২ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। এ বিভাগে হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩১৮ জনের এবং আক্রান্ত ৫২ হাজার ৫৫৩ জন।

সান নিউজ/ জামান ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 26 Jun 2026 13:39:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম উপসের্গ ৯ শিশুর মৃত্যু ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115719" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115719</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম-বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৫২ শিশু আর হামের উপসর্গ থাকা রোগীর সংখ্যা ৮৯৩। এই সময়ে ৮৬০ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯০৬ শিশু।

১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬৫৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৪৪২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮০ হাজার ৪৯৭ রোগী।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 25 Jun 2026 10:40:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ২, হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু    ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115700" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115700</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এছাড়াও ১৫৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে দিন দিন বাড়ছে তাতে পরিস্থিতি গুরুতর হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এজন্য সরকারও আগেভাগেই ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে নড়েচড়ে বসেছে।

হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সেই সঙ্গে এই সময়ে নতুন করে এক হাজার ৮৯ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৫৯৬ শিশু। নিশ্চিত হামে মৃত্যু ৯৩ শিশুর। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৮৯।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 24 Jun 2026 14:03:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ২, নতুন আক্রান্ত ১৫৭]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115699" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115699</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এছাড়াও ১৫৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে দিন দিন বাড়ছে তাতে পরিস্থিতি গুরুতর হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এজন্য সরকারও আগেভাগেই ডেঙ্গুর প্রকোপ রোধে নড়েচড়ে বসেছে।

ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রধান করে ১৯ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স করা হয়েছে। ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ ঠেকাতে দুই সিটি করপোরেশনই পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করেছে।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 24 Jun 2026 13:37:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাসপাতালের অধিকাংশ রোগী হামের টিকা নেয়নি ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115682" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115682</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্বাস্থ্য অধিদফতর শতভাগ কাভারেজের তথ্য দিলেও হাসপাতালেই মিলছে টিকা না পাওয়া হাম আক্রান্ত রোগী।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের হাম ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালে রোগীর চাপ কিছুটা কমলেও এখনও ফাঁকা নেই হাম ওয়ার্ডের কোনো শয্যা।

প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রোগী আসছেন। তবে হাসপাতালটিতে ভর্তি শিশুদের অধিকাংশই হামের টিকা নেয়নি। কারো বয়স হয়নি, আবার কেউ নানা অযুহাতে নেয়নি, আবার অনেকে টিকার বিষয়ে জানতোই না।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যে শতভাগ টিকা কাভারেজের দাবিও করা হলেও হাসপাতালের অধিকাংশ রোগী টিকা নেয়নি। এক্ষেত্রে যেমন আছে অভিভাবকদের উদাসীনতা, তেমনি আছে টিকার প্রচরণার ঘাটতি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জরুরি অবস্থায় টিকা দেয়ায় সম্পূর্ণ কাভারেজ সম্ভব হয়নি। তাই এখন বাড়ি-বাড়ি গিয়ে বাদ পড়াদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে। সেই সঙ্গে প্রয়োজন অ্যান্টিবডি যাচাই করা।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের তিন মাস পার হলেও বন্ধ হচ্ছে না প্রাণহানি। প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছেন হাজারের বেশি মানুষ।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 24 Jun 2026 09:36:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৩৫ জন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115662" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115662</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে ও নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৩৫ জন।

বুধবার (২১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে আরও জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ৬৮৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৯৩ জন।

একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১১ হাজার ২৯৭ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে ৯৪ হাজার ৭৬৪ জন। এ বিভাগের হাম ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩০৮ জন ও আক্রান্ত ৫১ হাজার ২৬১ জন।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 23 Jun 2026 13:25:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাদারীপুরে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরন সভা অনুষ্ঠিত ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115642" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115642</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাতীয় ভিটামিন &#39;এ&#39; প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে মাদারীপুর পৌরসভার উদ্যেগে অহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মাদারীপুর পৌরসভার মেডিকেল অফিসার ডা: হরষিত বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন মাদারীপুর পৌরসভার প্রশাসক. উপ সচিব মোছা.জেসমিন আক্তার বানু।

বক্তব্য রাখেন মাদারীপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আসমত হোসেন।

ভিটামিন &#39;এ&#39; প্লাস ক্যাম্পইন থেকে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের একটি শিশু যেন বাদ না পড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভায় যুব রেড ক্রিসেন্টের সদস্য, বিডি ক্লিন, মাদারীপুর পৌরসভার ৯ টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের সদস্যরা অংশ নেয়।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 23 Jun 2026 08:37:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামে শিশুমৃত্যু: গাফিলতির দায় এড়ানো যাবে না]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115578" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115578</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি এবং শিশু মৃত্যুর ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি বলেছেন, এ পরিস্থিতির পেছনে দায়িত্বহীনতা ছিল এবং বিষয়টি বুঝতে নতুন করে তদন্তের প্রয়োজন নেই।

রোববার (২১ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্যখাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

&lsquo;গাফিলতির বিষয়টি স্পষ্ট&rsquo;

ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, হামের সংক্রমণ ও এর ফলে শিশু মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় যথাসময়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কমানো সম্ভব হতো বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

তার মতে, পরিস্থিতির কারণ অনুসন্ধানে দীর্ঘ তদন্তের চেয়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ এখন বেশি জরুরি।

মাসের শেষেই টিকার আওতায় সব শিশু

স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী জানান, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি মাসের শেষ নাগাদ দেশের সব শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, টিকাদান কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে স্থানীয় পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ প্রয়োজন। এজন্য প্রতিটি এলাকায় মাইক্রোপ্ল্যানিংয়ের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের শনাক্ত করে টিকা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

স্বাস্থ্যখাতে সরকারের কর্মপরিকল্পনা

ব্রিফিংয়ে ডা. জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বাস্থ্যখাতের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, টিকাদান সম্প্রসারণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার একাধিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

উদ্বেগজনক হামের পরিস্থিতি

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে হামে আক্রান্ত হয়ে সাড়ে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এক লাখেরও বেশি মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগ মোকাবিলায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনতা এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কার্যকারিতাও গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব হবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Jun 2026 12:31:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115498" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115498</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে এই সময়ে নতুন করে আরও ১ হাজার ১৭৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিস্তারিত আসছে...

সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 19 Jun 2026 11:31:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যে কারণে কিডনিতে পাথর হতে পারে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115472" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115472</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাধারণ মূত্রসংক্রান্ত সমস্যা হলো কিডনিতে পাথর হওয়া। এছাড়াও নারীদের তুলনায় পুরুষদের কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে,অপর্যাপ্ত পানি পান, খাদ্যাভ্যাস, স্থূলতা, বিপাকীয় ব্যাধি এবং পারিবারিক ইতিহাসের কারেনে কিডনিতে পাথর হয়ে থাকে, অনেকের ক্ষেত্রে শরীর স্বাভাবিকভাবেই ক্যালসিয়াম, অক্সালেট বা ইউরিক অ্যাসিডের মতো পাথর সৃষ্টিকারী পদার্থ উচ্চ মাত্রায় নিঃসরণ করে, যা তাদের পুনরায় পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

কিডনিতে পাথর হওয়া কীভাবে প্রতিরোধ করবেন?
যেসব রোগীর বারবার কিডনি পাথর হওয়ার ইতিহাস আছে, যাদের উভয় কিডনিতে পাথর, একাধিক পাথর বা খুব বড় পাথর রয়েছে, তাদের পাথর তৈরির অন্তর্নিহিত কারণ শনাক্ত করার জন্য রক্ত ​​এবং মূত্র পরীক্ষা করানো উচিত। এই রোগীদের একজন ইউরোলজিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত, কারণ মূল কারণ শনাক্ত করা ভবিষ্যতে পাথর তৈরির ঝুঁকি কমাতে উল্লেখযোগ্যভাবে সাহায্য করতে পারে।

এছাড়া নিচের উপায় গুলো কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারেঃ
১.শরীরে পর্যাপ্ত পানি বজায় রাখুন। দ্য ল্যানসেট-এ প্রকাশিত একটি র&zwj;্যান্ডমাইজড কন্ট্রোলড ট্রায়াল দেখায় যে, সঠিক হাইড্রেশন কিডনি পাথর প্রতিরোধ করতে পারে।
২. অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ সীমিত করুন এবং লবণের পরিমাণ না বাড়িয়ে স্বাদ বাড়ানোর জন্য ভেষজ ও মসলার মতো স্বাস্থ্যকর বিকল্প ব্যবহার করুন।
৩.সুষম খাদ্যতালিকা বজায় রাখুন। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডায়াবেটিস অ্যান্ড ডাইজেস্টিভ অ্যান্ড কিডনি ডিজিজেস-এর মতে, ডায়েটারি অ্যাপ্রোচেস টু স্টপ হাইপারটেনশন (DASH) ডায়েট অনুসরণ করলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কার্যকরভাবে কমে।

কিডনির পাথর অপসারণের পরেও প্রতিরোধ কেন জরুরি?
বেশিরভাগ মানুষের ধারণা যে পাথর অপসারণ করাই সমস্যার শেষ। দুর্ভাগ্যবশত, কিডনি পাথর অপসারণ করা হলেও ঝুঁকি থেকে যায়। প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন না করলে পাথর তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। পুনরাবৃত্তির অন্যতম প্রধান কারণ হলো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা উপেক্ষা করে শুধুমাত্র কিডনি পাথর অপসারণের দিকে মনোযোগ দেওয়ার প্রবণতা।

সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 19 Jun 2026 05:47:22 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
