<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/health</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/health"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews health Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest health News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 14 Jun 2026 09:50:00 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[উদ্বোধনের সাড়ে তিন বছর পর মাদারীপুরে ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ চালু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115324" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115324</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ সেবা চালু হয়েছে। রোববার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই আইসিইউ সেবা চালুর উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শাখাওয়াত হোসেন। এ সময় মাদারীপুর-০২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া, সিভিল সার্জন ডা. শরিফুল আবেদীন, কমল, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অখিল সরকারসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।


জানা যায়, জেলার সাড়ে ১৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় ২৫০ শয্যার হাসপাতাল। সে সময়ে কেনা হয় ৩ কোটি টাকার আইসিইউসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি। রোগীদের সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ২০২৩ সালের নভেম্বরে উদ্বোধনও করা হয় আইসিইউ ইউনিটটি। তারপর আর সেখানে মেলেনি কোন সেবাই। ফলে মুমূর্ষু রোগীদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাঠানো হয় রাজধানী ঢাকা মেডিকেলে অথবা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও স্বজনরা। বার বার আইসিইউ ইউনিট চালুর দাবির জানিয়েছে আসছিল জেলাবাসী। একাধিকবার বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচার হয় সংবাদ। পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরে আসলে এটি উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত হয় কর্তৃপক্ষ। আইসিইউ সেবা চালুতে স্বস্তি ফিরেছে রোগী ও স্বজনদের মাঝে।


মাদারীপুর-০২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে হাম রোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য এই আইসিইউ সেবা অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পরবর্তীতে অন্য রোগীদেরও দেওয়া হবে এই আইসিইউ সেবা। মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল থাকলেও ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর করার জন্য জাতীয় সংসদেও আলোচনা করা হয়েছে। এটি পরিপূর্ণ চালু হলে সেবার মান বাড়বে এবং জেলাবাসী উপকৃত হবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 14 Jun 2026 09:50:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশজুড়ে হামে উদ্বেগ: আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত প্রায় ৮৫ হাজার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115305" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115305</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, একদিনের ব্যবধানে নতুন এই মৃত্যুর ঘটনায় জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। একই সময়ে নতুন করে আরও শতাধিক সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে হাজারে হাজারে

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত ও উপসর্গজনিত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৫ হাজারের বেশি।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে এবং অনেকে এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মৃত্যুর পরিসংখ্যানে উদ্বেগ

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৯০-এর বেশি। একইসঙ্গে সন্দেহভাজন উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা আরও কয়েকশ&rsquo; ছাড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো টিকাদান ও সচেতনতা বৃদ্ধি না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হামের বিস্তার শিশুদের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে যেসব শিশু টিকাদানের আওতার বাইরে রয়েছে, তাদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি।

তাদের মতে, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অবস্থান

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কন্ট্রোল রুম থেকে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া জনসচেতনতা বাড়াতে প্রচারণা কার্যক্রমও জোরদার করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ার শঙ্কা

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে হামের প্রাদুর্ভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে। এতে শিশুদের জীবনহানি ছাড়াও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

তারা অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করতে এবং অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 13 Jun 2026 11:12:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১৪ মাস বন্ধ ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন, ঝুঁকিতে কোটি শিশু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115297" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115297</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশে শিশুদের জন্য পরিচালিত জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন দীর্ঘ ১৪ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। প্রয়োজনীয় ভিটামিন-এ ক্যাপসুলের সরবরাহ না থাকায় নিয়মিত এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি, ফলে শিশুস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

সাধারণত বছরে দুইবার পরিচালিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তবে সর্বশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২৫ সালের মার্চে। এরপর গত বছরের সেপ্টেম্বর এবং চলতি বছরের মার্চে নির্ধারিত দুটি ক্যাম্পেইন আয়োজন করা যায়নি।

ক্যাপসুল সরবরাহে বিলম্ব, অপেক্ষায় স্বাস্থ্য বিভাগ

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদেশ থেকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল আমদানির প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হওয়ায় কর্মসূচি পিছিয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে ক্যাপসুল দেশে পৌঁছালে মাসের শেষ দিকে জাতীয় ক্যাম্পেইন শুরু করা সম্ভব হবে।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাদের মতে, প্রয়োজনীয় সরবরাহ হাতে পেলেই দ্রুত মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বছরে আড়াই কোটির বেশি শিশু পায় ভিটামিন-এ

বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখের বেশি শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য নির্ধারিত থাকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের দেওয়া হয় লাল রঙের ক্যাপসুল।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।

কেন দেখা দিল সংকট?

স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এবার প্রথমবারের মতো ইউনিসেফের মাধ্যমে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পূর্বে দরপত্রের মাধ্যমে ক্যাপসুল কেনা হলেও নতুন ক্রয়পদ্ধতিতে রূপান্তরের কারণে সরবরাহে সময় লেগেছে।

এ ব্যবস্থায় একটি ধাপের ক্যাপসুল ক্রয় করলে আরেক ধাপের সরবরাহ সহায়তা হিসেবে পাওয়ার সুযোগ থাকায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ইউনিসেফের সঙ্গে সমন্বয় করে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

শিশুদের জন্য ভিটামিন-এ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন-এ শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘ সময় এ কর্মসূচি বন্ধ থাকলে অপুষ্টি, হাম, ডায়রিয়া এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অতীতে রাতকানা রোগ নিয়ন্ত্রণে ভিটামিন-এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বর্তমানে এ কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটলে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গবেষণায় যা উঠে এসেছে

জাতীয় পুষ্টি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু ভিটামিন-এ ঘাটতিতে ভুগছে। একইসঙ্গে নারীদের মধ্যেও এ ঘাটতির উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

গবেষকদের মতে, অপুষ্টি মোকাবিলা এবং শিশুদের সংক্রমণজনিত রোগ থেকে সুরক্ষায় ভিটামিন-এ অত্যন্ত কার্যকর একটি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট।

ভিটামিন-এ ক্যাপসুলের প্রধান উপকারিতা


	দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
	রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
	হাম, ডায়রিয়া ও অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।
	শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক বিকাশে ভূমিকা রাখে।
	ত্বক ও শরীরের বিভিন্ন টিস্যুর সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
	অপুষ্টি ও রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।


কৃমিনাশক ওষুধেও গুরুত্ব

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ভিটামিন-এ কর্মসূচির পাশাপাশি শিশুদের নিয়মিত কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানোর ওপরও জোর দিয়েছেন। তাদের মতে, কৃমির কারণে শিশুদের শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হতে পারে, যা অপুষ্টির ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।

স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দেশে পৌঁছালে জুনের শেষ সপ্তাহেই জাতীয় কর্মসূচি পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে এবং দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটবে।

 

সূত্র: বিবিসি বাংলা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 13 Jun 2026 07:35:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আদ-দ্বীন হাসপাতাল ছাড়লেন ১৭৮ রোগী ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115265" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115265</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছেন ১৭৮ জন রোগী। একই সঙ্গে হাসপাতালটিতে নতুন করে কোনো রোগী ভর্তি হয়নি বলে জানা গেছে।

আজ শুক্রবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। 

ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (১২ জুন) হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাসপাতালের রোগীদের অন্যত্র স্থানান্তরের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়।

এরপর থেকেই চিকিৎসাধীন রোগীরা অন্য হাসপাতালের দিকে যেতে শুরু করেন।

তবে আইসিইউ, এনআইসিইউ, এইচডিইউ ও সিসিইউতে থাকা সংকটাপন্ন রোগীদের স্থানান্তর নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন রোগীদের স্বজনরা। তাদের মতে, এসব রোগীকে অন্য হাসপাতালে নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, বর্তমানে সেখানে এখনো প্রায় ২৩৫ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে, লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল করার ঘোষণা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সরকারের কাছে পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 12 Jun 2026 12:51:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হার্টের রিংয়ে ২০ হাজার, চোখের লেন্সে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ কমতে পারে ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115227" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115227</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চিকিৎসা ব্যয় কমাতে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন সরঞ্জামের ওপর কর ও ভ্যাট কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে । এর ফলে হার্টের রিং (স্টেন্ট),চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্স ও ডায়ালাইসিস সামগ্রীর দাম কমতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

হৃদরোগ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হার্টের রিংয়ের জোগানদার পর্যায়ে ১০ শতাংশ কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব থাকছে। এতে প্রতিটি রিংয়ের খরচ প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

একইভাবে বাজেটে চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের জোগানদার পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট ও কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ অগ্রিম কর ঘোষণা আসতে পারে। এতে প্রতিটি লেন্সের দাম প্রায় ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কমতে পারে।

এছাড়া হেমোডায়ালাইসিসের ব্লাড টিউবিং সেট আমদানির ক্ষেত্রেও সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাটের আগাম কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব থাকতে পারে।

পাশাপাশি মরদেহ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত মরচুয়ারি আমদানিতে আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার উদ্যোগ থাকছে।

দেশীয় ওষুধশিল্পকে আরও সক্ষম করতে বাজেটে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে বিদ্যমান রেয়াতি শুল্ক সুবিধার তালিকায় নতুন করে আরও ৯টি পণ্য যুক্ত করার প্রস্তাব থাকছে। এছাড়া অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) তৈরির ৫১টি নতুন কাঁচামালের আমদানি শুল্ক পুরোপুরি প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ওষুধ রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে আরও ১৭টি মৌলিক কাঁচামাল রেয়াতি সুবিধার আওতায় আনা হতে পারে।

&lsquo;গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভূক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা&rsquo;- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 11 Jun 2026 09:30:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চার স্তরে মজুত, জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের কোনো অভাব হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115217" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115217</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে কুকুরে কামড়ানোর ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে দেশব্যাপী ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭০০ ডোজ অ্যান্টি-র&zwj;্যাবিস ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আগামীতে কুকুরে কামড়ানো রোগীর সংখ্যা বাড়লেও ভ্যাকসিনের কোনো অভাব হবে না।

বুধবার (১০ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের তারকা চিহ্নিত ও সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, &lsquo;চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সসহ দেশের সব হাসপাতালে কুকুরে কামড়ানোর প্রতিষেধক সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত সারা দেশে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৫ ভায়াল বা ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৭০০ ডোজ ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে।&rsquo;

নির্দিষ্ট এলাকার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, ১০ জুন পর্যন্ত বাঁশখালী উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে অ্যান্টি-র&zwj;্যাবিস ভ্যাকসিনের ৫০টি ভায়াল মজুত রয়েছে। এছাড়া শরীরের ওপরের অংশে কুকুর কামড়ালে তড়িৎ অ্যান্টিবডি তৈরির জন্য ব্যবহৃত ইমিউন গ্লোবুলিন ভ্যাকসিনের মজুত রয়েছে ৬৫ ভায়াল বা ২৬০ ডোজ।

পরে ওই সংসদ সদস্যের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরবরাহ ব্যবস্থার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, &lsquo;মাননীয় স্পিকার, আমরা সারা বাংলাদেশে তিন স্তরে স্টক (মজুত) রেডি রেখেছি। শুধু এটি নয়, প্রতিটি ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেই উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ মজুত রাখা হয়েছে।&rsquo;

জরুরি পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিনের জোগান নিশ্চিত করতে সরকারের &lsquo;চার স্তরের&rsquo; প্রস্তুতির কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমাদের পরিষ্কার নির্দেশনা রয়েছে&mdash; যদি কোনো উপজেলায় মাত্রাতিরিক্ত রোগী আসে এবং স্টক শেষ হয়ে যায়, তবে পাশের উপজেলা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সংগ্রহ করতে হবে। সেখানে শেষ হয়ে গেলে জেলা থেকে নেবে। জেলার মজুতও যদি শেষ হয়ে যায়, তবে কেন্দ্র বা সিএমএসডি থেকে ভ্যাকসিন সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত জেলা প্রশাসক (ডিসি) তাৎক্ষণিকভাবে কিনে দেবেন।&rsquo;

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, &lsquo;চার স্তরে আমরা মজুত রেখেছি। মাননীয় সংসদ সদস্যকে নিশ্চয়তা প্রদান করছি, ইনশাআল্লাহ এই আশ্বিন মাসে কুকুরে বেশি কামড়ালেও আল্লাহর রহমতে আমাদের ভ্যাকসিনের কোনো অভাব হবে না।&rsquo;

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 10 Jun 2026 14:26:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামে একদিনে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ৮৭ দিনে প্রাণহানি ৬৩৯]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115198" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115198</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। যদিও এই সময়ের মধ্যে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর তথ্য মেলেনি, তবুও চলমান মৌসুমে মোট মৃত্যুর সংখ্যা নতুন করে বেড়েছে।

বুধবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত হাম এবং হাম-সদৃশ উপসর্গে মোট ৬৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে, এ সময়ের মধ্যে সন্দেহজনক হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪৭ জনে। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৯২ শিশু।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৮ শিশুর মধ্যে ঢাকায় ৬ জন, সিলেট বিভাগে ১ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

একই সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে ৯৪৫ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ৮২৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য। এছাড়া ল্যাব পরীক্ষায় ৯৪ জনের শরীরে হাম রোগের উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে।

চলতি মৌসুমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ হাজার ২৯ জনে। এর মধ্যে ৬৬ হাজার ৯৯০ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষাগারে নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ৯ হাজার ৯২৭ জনে।

তবে আশার খবরও রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে আরও ৮৫৩ জন রোগী হাসপাতাল ছেড়েছেন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ১৪৫ জন আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের হাম প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের বিকল্প নেই। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 10 Jun 2026 11:01:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হার্টের রিংয়ের নতুন মূল্য কার্যকরের নির্দেশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115178" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115178</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। হৃদযন্ত্রের রক্তনালিতে ব্যবহৃত করোনারি স্টেন্ট বা হার্টের রিংয়ের নতুন মূল্য কার্যকর করতে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর (ডিজিডিএ)।

মঙ্গলবার (৯ জুন) অধিদফতরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। চিঠিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে পুনঃনির্ধারিত মূল্য অনুসরণ করে স্টেন্ট বিক্রি ও ব্যবহারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

অধিদফতর জানিয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশনা এবং বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানিকৃত বিভিন্ন ধরনের করোনারি স্টেন্টের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে আমদানি ব্যয়, শুল্ক, ভ্যাট, কমিশন, বিভিন্ন প্রশাসনিক খরচ এবং আমদানিকারকদের যৌক্তিক মুনাফা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এর আগে স্টেন্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন মূল্য বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান মূল্য পুনর্বিবেচনার আবেদন করলে তা বিশেষজ্ঞ কমিটির সভায় পর্যালোচনা করা হয়। সব দিক বিবেচনা করে চূড়ান্ত মূল্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় হাসপাতালগুলোর জন্য কয়েকটি বাধ্যতামূলক শর্তও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে&mdash;সকল হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে নতুন মূল্য তালিকা দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শন করা, নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) অনুসারে বিক্রি নিশ্চিত করা এবং স্টেন্টের মূল্যকে কোনো চিকিৎসা প্যাকেজের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করা।

দাম কমানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বিভিন্ন মডেলের স্টেন্টে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কিছু হার্টের রিংয়ের মূল্য সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে।

বিশেষভাবে সিলিন কাভার্ড স্টেন্টের মূল্য ১ লাখ ৯ হাজার ৮০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৬২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ম্যাগমা র&zwj;্যাপামাইসিন স্টেন্টের দাম ৩৭ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৩০ হাজার টাকায় আনা হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন মূল্য কার্যকর হলে হৃদরোগ চিকিৎসার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং সাধারণ রোগীরা আর্থিকভাবে উপকৃত হবেন। একই সঙ্গে স্টেন্টের মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 09 Jun 2026 12:43:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম পরিস্থিতি ভয়াবহ, আরও ৩ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115164" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115164</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হামের প্রকোপ কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। যদিও একই সময়ে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোনো নতুন তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া বর্তমান সংক্রমণ মৌসুমে গত ৮৬ দিনে হাম এবং হাম-সদৃশ উপসর্গে মোট ৬৩১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মারা গেছে ৫৩৯ জন শিশু। অন্যদিকে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হামের কারণে প্রাণ হারিয়েছে আরও ৯২ শিশু। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিন শিশুর মধ্যে একজন ঢাকা বিভাগের, একজন সিলেট বিভাগের এবং অপরজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা।

এদিকে সংক্রমণের হারও উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারা দেশে নতুন করে ৯৮০ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯৩৩ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

একই সময়ে পরীক্ষাগারে ৫৪ জনের শরীরে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, গত ৮৬ দিনে দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ হাজার ৮৪ জনে। এর মধ্যে ৬৬ হাজার ১৭০ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।

অন্যদিকে, ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা বর্তমানে ৯ হাজার ৮৩৩ জনে পৌঁছেছে। তবে আশার খবর হলো, গত এক দিনে ১ হাজার ১৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৬২ হাজার ২৯২ জন রোগী চিকিৎসা শেষে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করা এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তাই অভিভাবকদের সচেতন থাকার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

হামের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে সরকার ও স্বাস্থ্য বিভাগ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 09 Jun 2026 10:00:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জে সপ্তাহব্যাপী বিনামূল্যে চোখের লেন্সসহ ছানি অপারেশনের উদ্বোধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115142" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115142</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জে সপ্তাহব্যাপী বিনামূল্যে ১ হাজার অসহায় মানুষের চোখের লেন্সসহ ছানি অপারেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার সকালে শাহনেয়ামতুল্লাহ ইয়াতিমখানা প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাবের সভাপতি ডা. ময়েজ উদ্দিন। ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির আয়োজনে দিনাজপুরের গাওসুল আযম বিএনএসবি আই হসপিটালের সহযোগিতায় এ চক্ষু ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসা, রোগীর ছানি অপারেশন ও লেন্স স্থাপন করা হবে। রোগীদের অপারেশন, ওষুধ, চিকিৎসাকালীন থাকা-খাওয়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে সংস্থাটি।

দিনাজপুরের গাওসুল আযম বিএনএসবি আই হসপিটালের ৯ জনের মেডিকেল টিম ক্যাম্পে চিকিৎসা প্রদান করছেন। সমাজের যারা অর্থের অভাবে চোখের অপারেশন করতে পারছে না মূলত এটি অনেক বড় উপকার এ অসহায় মানুষদের জন্য জানান ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট দেলওয়ার হোসেন। দরিদ্র অসহায় মানুষের চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করছেন জানিয়ে ঢাকাস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী নূরুল ইসলাম বলেন, ১০০ জন করে পর্যায়ক্রমে রোগীদের অপারেশন করা হবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 08 Jun 2026 07:01:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লক্ষ্মীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115112" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115112</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লক্ষ্মীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র&zwj;্যালি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার (৬-জুন) বেলা ১১টার দিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে একটি র&zwj;্যালি বের করা হয়।


র&zwj;্যালিটি দক্ষিণ তেহমুনী ট্রাফিক চত্বর এলাকা প্রদক্ষিণ করে পূর্ণরূপে হাসপাতালের সামনে এসে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মধ্যে দিয়ে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।


এইসময়ে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ আবু হাসান শাহীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাহ আলম ভুঁইয়া, এনডিসি হাবিবুর রহমান, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার অরূপ পাল, দৈনিক মেঘনার পাড় পত্রিকার সম্পাদক মো. আব্বাস হোসেন ও ভোরের মালঞ্চ পত্রিকার সম্পাদক মেহরুন হাসান রাজুসহ প্রমুখ।


বক্তারা বলেন, বর্ষার সময় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি ভিত্তি প্রায়। তাই আসুন আমার-আপনার বাড়ির আঙ্গিনাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখি এবং অন্যদের সচেতন করি।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 06 Jun 2026 07:35:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশজুড়ে হামের বিস্তার থামছে না, টিকার কার্যকারিতা ও কোল্ড চেইন নিয়ে প্রশ্ন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115109" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115109</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশব্যাপী হামের সংক্রমণ রোধে সরকারের ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি চালু থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। বরং টিকা কার্যক্রমে শতভাগ কাভারেজ অর্জনের দাবি করা হলেও আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা প্রতিদিনই উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বর্তমানে প্রতিদিন হাজারেরও বেশি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণভাবে টিকা নেওয়ার দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে শরীরে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিবডি তৈরি হওয়ার কথা। কিন্তু টিকাদানের ছয় থেকে সাত সপ্তাহ পরও সংক্রমণ না কমায় ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। একই সঙ্গে প্রত্যন্ত অঞ্চলে টিকা পরিবহনের সময় কোল্ড চেইন (নির্ধারিত তাপমাত্রা) ঠিকভাবে বজায় রাখা হয়েছে কি না, তা নিয়েও সন্দেহ দেখা দিয়েছে।

সরকারের তথ্য অনুযায়ী, হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় প্রথম ধাপে ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলা ও পৌরসভায় টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে দেশব্যাপী ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে টিকা প্রদান করা হয়। সরকারি হিসাবে লক্ষ্য পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত কাভারেজ অর্জনের দাবি করা হলেও বাস্তবে সংক্রমণ পরিস্থিতি উন্নতি হয়নি।

জনস্বাস্থ্যবিদ অধ্যাপক বে&ndash;নজির আহমেদ বলেন, &ldquo;কাগজে-কলমে শতভাগ কাভারেজ দেখানো হলেও বাস্তব কাভারেজে ফারাক থাকতে পারে। অনেক এলাকায় প্রকৃত সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়নি। ফলে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হচ্ছে না, সংক্রমণও কমছে না।&rdquo;

তিনি আরও বলেন, টিকা দেওয়ার পর শিশুদের শরীরে সত্যিই রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে কি না, তা যাচাইয়ে রক্ত পরীক্ষা ও বয়সভিত্তিক গবেষণা জরুরি হলেও সরকার এ বিষয়ে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেয়নি।

একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও টিকা বিশেষজ্ঞ ডা. তাজুল ইসলাম বারী। তিনি বলেন, &ldquo;শুধু টিকা দিলেই কাজ শেষ হয় না। টিকার পর কতটুকু অ্যান্টিবডি তৈরি হলো, তা পরীক্ষা করা দরকার। দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়টি বললেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।&rdquo;

তার মতে, টিকা সংরক্ষণ ও পরিবহনের সময় নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় না থাকলে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে। ফলে শিশুদের শরীরে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি নাও হতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, টিকাদান কর্মসূচি শেষ হওয়ার প্রায় এক মাস পরও দেশে হামের সংক্রমণ কমছে না। প্রতিদিন নতুন করে হাজারের বেশি শিশু আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক জানান, টিকা গ্রহণের পর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হচ্ছে কি না&mdash;এ বিষয়ে এখনো কোনো পৃথক পরীক্ষা করা হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে হামের পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৪০০-এর বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, নতুন করে শতাধিক আক্রান্ত শনাক্ত এবং একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত কার্যকর গবেষণা, কোল্ড চেইন যাচাই এবং টিকার প্রকৃত কার্যকারিতা পরীক্ষা না করা হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 06 Jun 2026 06:59:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামে নতুন আক্রান্ত ১৪১১, মৃত্যু ৫]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115101" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115101</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশজুড়ে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪১১ জন আক্রান্ত হওয়ায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ পরিস্থিতি প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সংক্রমণ পরিস্থিতিতে এখন পর্যন্ত হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে মোট ৬১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯১। অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১৯ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, সারাদেশে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা বর্তমানে ৯ হাজার ৫০৩ জন। এছাড়া হামের লক্ষণ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়েছেন ৭৬ হাজার ৮৭৬ জন।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আক্রান্ত ও মৃত্যুর দিক থেকে ঢাকা বিভাগ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এ বিভাগে হাম এবং এর উপসর্গজনিত কারণে প্রাণ হারিয়েছেন ২৬৯ জন। একই সময়ে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৪২ হাজার ৫৭৩ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ৬ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হয়েছে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার পাশাপাশি অভিভাবকদের শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসা এবং পূর্ণাঙ্গ টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে হামজনিত জটিলতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 05 Jun 2026 17:16:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম আতঙ্কে দেশ, একদিনে ৭ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115068" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115068</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা আবারও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও সাতজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ২৬৫ জন রোগী আক্রান্ত হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) বিকেলে প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত হাম রোগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০১ জনে। নতুন করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর এই পরিসংখ্যান জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা জরুরি। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ঝুঁকি আরও বেশি।

অন্যদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে।

এর আগে গত কয়েক দিনে একই ধরনের সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 03 Jun 2026 10:45:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু,]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115014" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115014</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আক্রান্ত আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। একই সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৫৫ শিশু। বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১০৮ শিশু।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) রাজীব আহমেদ চৌধুরী। এর আগে, গত শুক্রবার বিকেলে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মৃত শিশুর নাম সাওবান (সাড়ে ৩ বছর)। সে জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার পৌরকড়া গ্রামের মো. ওসমানের ছেলে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৪ মে হামের উপসর্গ নিয়ে সাওবানকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তার তীব্র জ্বরের পাশাপাশি নিউমোনিয়াও ছিল। চিকিৎসকরা তাকে শিশু ওয়ার্ডে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। শুক্রবার বিকেল থেকে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় এবং অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

আরএমও রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, এপ্রিল মাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এক হাজারের বেশি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে ১০ থেকে ১৫ জন শিশুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে রেফার করা হয়েছে।&rdquo;

তিনি আরও জানান, বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ও শিশু ওয়ার্ডে হামসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ১০৮ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৫৫ জন শিশু। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রেখেছে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 31 May 2026 07:33:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115011" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/115011</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নয় শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে, আর একটি শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে গত ৭২ দিনে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৫৫৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৬৭ শিশু ও হাম শনাক্ত ৮৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এই হিসাব ২৫ মে সকাল আটটা থেকে ২৬ মে সকাল আটটা পর্যন্ত সময়ের।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে যে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে পাঁচ শিশুই ঢাকা বিভাগের। এ ছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে দুই এবং রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে এক জন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৮৩ জনের হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৪৫ শিশু। তাদের মধ্যে ৩৬৬ শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৯৩), বরিশাল (১৫৭) ও রাজশাহী (৭৩) বিভাগ। গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ১৮১ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছেন।

গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৭২ দিনে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৬৬ হাজার ২৩ জনের। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫২ হাজার ৫৩০ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে আট হাজার ৭৭২ জনের। এ ছাড়া ৭২ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছে ৪৮ হাজার ৮০০ জন।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 26 May 2026 16:10:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/114995" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/114995</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে, আর একটি শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এ নিয়ে গত ৭১ দিনে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ৫৪৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৫৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামে ৮৭ শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সোমবার (২৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এ হিসাব ২৪ মে সকাল আটটা থেকে আজ ২৫ মে সকাল আটটা পর্যন্ত সময়ের।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে যে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে সাত শিশুই ঢাকা বিভাগের। এ ছাড়া সিলেট বিভাগে তিনজন, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে দুজন করে এবং ময়মনসিংহে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

শেষ ২৪ ঘণ্টায় হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ১২৭ জন। এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ২৭ শিশু। তাদের মধ্যে ৪২৭ শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (২০৮), বরিশাল (১২৮) ও খুলনা (৯৫)। গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৪০৫ জন হাসপাতাল থেকে ছুটিও পেয়েছে।

গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত ৭১ দিনে মোট হাম রোগীর সংখ্যা ৬৪ হাজার ৯৪০। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫১ হাজার ৫৮৫ জন। মোট হাম শনাক্ত হয়েছে আট হাজার ৭১৯ জনের। এ ছাড়া ৭১ দিনে হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছে ৪৭ হাজার ৬১৯ জন।

দুই কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দেশে এখন পর্যন্ত দুই কোটিরও বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে যে ১৮টি উপজেলায় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে হামের সংক্রমণ হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. শাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লায় হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে পুরাতন ভবনের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কুমিল্লা সদর জেনারেল হাসপাতাল (সদর হাসপাতাল) পরিদর্শন করেন। ঈদুল আজহার আগে হাসপাতালগুলোতে জরুরি চিকিৎসা সেবা সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা দেখতে কুমিল্লায় এই সফরে আসেন মন্ত্রী।

হামে সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চাচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ১০ জন মানুষকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়েও যদি হাম সংক্রমণে মায়ের বুক খালি হওয়া থামাতে না পারি, তাহলে কি আমি রক্ষা পাবো? শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং আর কোনো মায়ের বুক যেন খালি না হয়, সেটা নিশ্চিত করা।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 25 May 2026 14:13:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামে শিশুমৃত্যু থামছেই না]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/114976" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/114976</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যু থামছেই না। পরিস্থিতি ক্রমেই আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর রোববার (২৪ মে) পর্যন্ত হামের উপসর্গে এবং নিশ্চিত হামে দেশে ৫২৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর বিশ্বে এটি হামে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের উপসর্গে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে মারা গেছে ৫২৮ শিশু।

রোববার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এদিকে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনও হাম সংক্রমণ এড়াতে ঈদের সময় শিশুদের নিয়ে সতর্কভাবে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছেন। এ ছাড়া আসন্ন ঈদে অভিভাবকদের প্রতি ভিড় এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গেই ১৬ জন মারা গেছে। ঢাকায় সর্বোচ্চ ১০, ময়মনসিংহে দুই এবং রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল ও সিলেটে একজন করে মারা গেছে। এ সময় নতুন করে এক হাজার ৪৩৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১২৮ জনের নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে এক হাজার ৩০৬ জনের শরীরে।

এতে আরও বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত এ নিয়ে সন্দেহজনক হামে ৪৪২ জন ও নিশ্চিত হামে ৮৬ জন মারা গেছে। একই সময়ে সারা দেশে হাম সন্দেহে ৫০ হাজার ৫৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৪৬ হাজার ২১৪ জন ছাড়পত্র পেয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৬৩ হাজার ৮১৩ শিশুর। আর এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৮ হাজার ৬২২ জন।

হামে মৃত্যুতে শীর্ষে বাংলাদেশ: বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ বছর বাংলাদেশ হামে মৃত্যুর শীর্ষে। একই সময়কালে হাম ও উপসর্গে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে সুদানে। সেখানে মারা গেছে ৩৭১ জন। ২০২৬ সালে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুতে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে আছে পাকিস্তান। দেশটিতে হামে অন্তত ৭১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে বলেছে, টিকাদানের হার কমে যাওয়ায় বিশ্বের কিছু অঞ্চলে আবার হাম রোগের পুনরুত্থান দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে হামের এ নতুন প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে প্রাণঘাতী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভারত, পাকিস্তান, ইয়েমেন, মেক্সিকো, অ্যাঙ্গোলা, কাজাখস্তান, ইন্দোনেশিয়া, সুদান ও ক্যামেরুনসহ বহু দেশে নতুন করে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।

গত জানুয়ারিতে বাংলাদেশে রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। প্রথমদিকে রাজশাহী ও পার্শ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে শিশুরা আসতে শুরু করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে অজ্ঞাত রোগে ৩৩ শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হলে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় সারা দেশে। তবে সেসময় অনেক শিশুর মৃত্যুর কারণ হাম নয় বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। তবে রাজশাহী বিভাগের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, প্রথমে হামের প্রাদুর্ভাব ঘটে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে। এই জেলায় হামে শিশুর মৃত্যু হয়েছে বেশি।

হাম ও হামের উপসর্গে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এই সময়ের মধ্যে হাম সন্দেহে ১৬৪ এবং নিশ্চিত হামে ৫০ মৃত্যু হয়েছে, অর্থাৎ ২১৪ মৃত্যু হয়েছে এখন পর্যন্ত ঢাকা বিভাগে। এরপরই আছে রাজশাহী বিভাগ, এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে ৭৯ এবং নিশ্চিত হামে ২ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়া চট্টগ্রামে হাম সন্দেহে ৪২ জন এবং নিশ্চিত হামে ১০ জন, বরিশালে হাম সন্দেহে ৩১ এবং নিশ্চিত হামে ১৯ জন, সিলেটে হাম সন্দেহে ৪৯ এবং নিশ্চিত হামে ৩ জন, ময়মনসিংহে হাম সন্দেহে ৩৫ জন এবং নিশ্চিত হামে দুই জন, খুলনায় হাম সন্দেহে ২১ জন এবং রংপুরে হাম সন্দেহে পাঁচ জন মারা গেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

হামে আক্রান্ত হচ্ছেন প্রাপ্তবয়স্করাও: শিশুদের পাশাপাশি হামে আক্রান্ত হচ্ছেন প্রাপ্তবয়স্করাও। তবে বড়দেরও হাম হতে পারে- এই বিষয়টি এত দিন বেশির ভাগ মানুষের জানা ছিল না। ফলে ক্রমেই এই রোগের বিস্তার ঘটছে। রোগীরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি জানতে পারছেন। কিন্তু ততক্ষণে তাদের স্বাস্থ্যের অনেক অবনতি ঘটছে। এর মধ্যেই হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫২৮ শিশু।

ডিএনসিসি ডেডিকেটেড হাসপাতালের ডা. আসিফ হায়দার বলেন, &lsquo;প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ পরিবারের শিশু সদস্যদের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া। কোনো শিশু আক্রান্ত হওয়ার পর তাকে সঠিকভাবে আইসোলেশনে না রাখলে পরিবারের অন্য সদস্যদের মধ্যেও দ্রুত এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই মনে করেন হাম শুধু শিশুদের রোগ। তবে এখন আমরা নিয়মিত প্রাপ্তবয়স্ক রোগী পাচ্ছি। তাদের কারও নিউমোনিয়া হচ্ছে, কারও শ্বাসকষ্ট বাড়ছে।&rsquo;

তিনি জানান, যারা শিশুকালে টিকা নেননি, টিকার পূর্ণ ডোজ সম্পন্ন করেননি, আগে কখনো হামে আক্রান্ত হননি কিংবা যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল তাদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। ক্যানসার, যক্ষ্মা, দীর্ঘমেয়াদি অসুখ বা স্টেরয়েড সেবনের কারণে যাদের শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, তাদের ঝুঁকি আরও বেশি।&rsquo; অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ভ্যাকসিন নলেজ প্রজেক্টের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, যখন একটি এলাকার বেশির ভাগ মানুষকে কোনো একটি সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক দেওয়া হয় তখন ওই এলাকায় ওই রোগটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে না। কারণ ওই এলাকায় আর সংক্রমিত হওয়ার মতো মানুষই থাকে না।

চিকিৎসা সামগ্রী দিল আইসিআরসি: হামের পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি (আইসিআরসি)। রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে আইসিআরসি ঢাকা ডেলিগেশনের পক্ষ থেকে হেলথ প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. জলিসা খানম এ চিকিৎসা সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি বাংলাদেশ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুদানে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ১৪টি, এয়ারওয়ে ম্যানেজমেন্ট ডিভাইস ৫৭০টি, ব্যাগ-ভালভ-মাস্ক ১২টি, রিসাসিটেটর এবং ম্যানুয়াল সাকশন ডিভাইস রয়েছে। যা শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা ও অন্যান্য জরুরি রোগী ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা করবে।

ঈদে শিশুদের নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ: ঈদকে সামনে রেখে গণপরিবহনে বাড়তি ভিড়, অবাধ যাতায়াত, বাড়তি জনসমাগম, আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে যাওয়া-আসা এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের কারণে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের নিয়ে অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়িয়ে চলা এবং উপসর্গ দেখা দিলে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন। একইসাথে ঈদযাত্রায় শিশুদের নিয়ে বাস, লঞ্চে না উঠে সম্ভব হলে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতায়াতের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনও হাম সংক্রমণ এড়াতে ঈদের সময় শিশুদের নিয়ে সতর্কভাবে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাস ও ট্রেনযাত্রা এবং আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, &lsquo;আমরা আপনাদের অনুরোধ করছি, ঈদের সময় শিশুদের যেন সব জায়গায় নিয়ে না যাওয়া হয়। বিশেষ করে যেসব শিশুর হামে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তাদের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বা অতিরিক্ত ভিড় রয়েছে, এমন জায়গায় না নেয়াই ভালো।&rsquo;

তিনি বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের কাছ থেকে সুস্থ শিশুদের দূরে রাখতে হবে। একইভাবে আক্রান্ত রোগীদেরও অন্যদের সাথে মিশতে দেয়া উচিত না। এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

অভিভাবকদের ভিড় এড়িয়ে চলার আহ্বান: বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হামের জীবাণু শরীরে প্রবেশের পর উপসর্গ স্পষ্ট হওয়ার আগেই আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারেন। তাই ঈদযাত্রা, শপিং মল, বিনোদন কেন্দ্র ও পারিবারিক সমাবেশ সংক্রমণ বৃদ্ধির বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের সংক্রমণ রোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা প্রদান। পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা, জ্বর বা র&zwnj;্যাশ দেখা দিলে জনসমাগম এড়িয়ে চলা, হাঁচি-কাশির সময় মুখ ঢেকে রাখা এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া জরুরি। বিশেষ করে ঈদ বা বড় উৎসবের সময় সতর্কতা আরো বেশি প্রয়োজন, কারণ এ সময় মানুষের চলাচল ও ভিড় বেড়ে যায়।

জনস্বাস্থ্যবিদ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে অনেক পরিবার তাদের গ্রামের বাড়ি যাতায়াত করবেন। এ সময় সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি তৈরি হবে। তাই অভিভাবকদের বলব, যেসব শিশু শারীরিকভাবে অপুষ্টিতে ভুগছে বা কিছুটা অসুস্থ, তাদের নিয়ে এই ঈদে ভ্রমণ না করাই উত্তম। এতে ওই শিশুর নিজের যেমন স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হবে, তেমনি তার সংস্পর্শে আসা সুস্থ শিশুরাও ঝুঁকিতে পড়বে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, অনেক ক্ষেত্রে শরীরে হামের জীবাণু প্রবেশের পর শুরুতে শুধু হালকা জ্বর দেখা দেয়, কিন্তু তখনো তীব্র উপসর্গ প্রকাশ পায় না। এ সময় থেকেই আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। ফলে অজান্তেই পরিবারের সদস্য ও আশপাশের মানুষ ঝুঁকিতে পড়ে। এ কারণে ঈদযাত্রা ও বড় ধরনের জনসমাগমের ফলে এ সংক্রমণ আরো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

চিকিৎসকরা জানান, হাম অতিসংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত আক্রান্তের হাঁচি, কাশি ও শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। হামের ভাইরাস এতটাই সংক্রামক যে একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে ১২-১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে। সাধারণত র&zwnj;্যাশ ওঠার চার দিন আগে ও পরে আক্রান্ত ব্যক্তি সংক্রমণ ছড়াতে পারে। হামের ভাইরাস বাতাসে বা কোনো কক্ষের পরিবেশে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি কোনো ঘরে অবস্থান করার পর সেখানেও অন্যরা সংক্রমিত হতে পারে। বিশেষ করে গণপরিবহন, স্কুল, বাজার, হাসপাতাল, শপিং মল, কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানের মতো জনসমাগমপূর্ণ স্থানে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

হামের সংক্রমণের মধ্যে শিশুদের নিয়ে অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়িয়ে চলতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, স্বাভাবিকভাবেই ঈদের সময়ে বড় ধরনের জনসমাগম হয়। বাস, ট্রেন, লঞ্চ এবং বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে মানুষের ভিড় বাড়ে। ঈদের জামাতে শিশুদের মাস্ক পরানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সচেতন না হলে অনেক সংখ্যক শিশু হামে আক্রান্ত হতে পারে।

সমন্বয়হীনতায় কমছে না হামের প্রকোপ: বিশেষজ্ঞরা মনে করেছিলেন, চলতি মাসের শেষ দিকে সংক্রমণের হার কিছুটা কমে আসতে পারে। তবে বাস্তব পরিস্থিতিতে সেই লক্ষণ এখনও স্পষ্ট নয়। বরং সমন্বিত উদ্যোগের ঘাটতি ও কার্যকর সমন্বয়ের অভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিলম্ব হচ্ছে।

তাদের মতে, শুরু থেকেই রোগ নিয়ন্ত্রণে আরও দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া গেলে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হতো। টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি এবং দ্রুত শনাক্তকরণ ব্যবস্থার ঘাটতি বর্তমান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ঈদকে কেন্দ্র করে মানুষের ব্যাপক চলাচল সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়াতে পারে। গ্রাম ও শহরের মধ্যে যাতায়াত ও জনসমাগম বাড়লে ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এখনই সমন্বিত জাতীয় উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

দেশে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যু কমাতে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. বে-নজীর আহমেদ। তিনি বলেন, হামে মৃত্যুর হার কমাতে কার্যকর সর্বাত্মক উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়; বরং বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৩টি শিশু মারা যাচ্ছে। বিষয়টিকে যেন স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়া হচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

তিনি বলেন, আমাদের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে, আমরা যেন হামে মৃত্যু কমাতে চাইছি না। সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে অনেকেই হামের পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আছে বা সংক্রমণ কমে আসছে বলে মন্তব্য করছেন, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

চিকিৎসক ও নার্সদের ছুটি বাতিল: ঈদের ছুটিতেও হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসেবা চালু রাখতে চিকিৎসক ও নার্সদের ছুটি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি বলেন, হামের রোগী এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত কোনো চিকিৎসক বা নার্সের ছুটি হবে না। যেসব হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুরা ভর্তি আছে, সেখানে ঈদের ছুটির মধ্যেও চিকিৎসকরা দায়িত্ব পালন করবেন।

হামের টিকা নেওয়ার পরও শিশু আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন নিলেই নিশ্চিতভাবে হাম হবে না, এমনটি বলা যায় না। ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষেত্রবিশেষে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকতেই পারে। ঈদের সময় আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে ভিড় এড়িয়ে চলা এবং আক্রান্ত শিশুদের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে না নেওয়ারও অনুরোধ করেন তিনি।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 24 May 2026 17:24:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম ও উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/114956" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/114956</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হাম ও হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু ৫০০ ছাড়াল। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেছে ৫১২ শিশু।

আর গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা) হাম ও হামের উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে ১৩ শিশু। এর মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছিল এক শিশুর।

শনিবার (২৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময়ে সারা দেশে আরওেএক হাজার ৯৬৭ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

হাম শনাক্ত হয়ে শিশুটি বরিশালে মারা গেছে। আর হামের উপসর্গে ঢাকায় চার, চট্টগ্রামে দুই, সিলেটে চার, বরিশালে এক ও ময়মনসিংহে এক শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৪২৬ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৮৬ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৬২ হাজার ৫০৭ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৯ হাজার ৩৮৯ শিশু। তবে এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৪৫ হাজার ১১ শিশু বাড়ি ফিরেছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 23 May 2026 10:29:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/114928" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/health/114928</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হাম ও হামের উপসর্গে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৭ শিশু মারা গেছে। এই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছে তিন শিশু, আর হামের উপসর্গে মারা গেছে চার শিশু। বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বুধবার সকাল আটটা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটা পর্যন্ত সময়ে এই শিশুমৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে সারা দেশে আরওেএক হাজার ৪২৩ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ৫৯ হাজার ২৭৯। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্তের সংখ্যা ২০৮। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট আট হাজার ২৭৫ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৬ হাজার ৪০৭ শিশু। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৪২ হাজার ৩৩৬ শিশু।১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৪০৫ শিশু, আর নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৮৩ শিশু। মোট মৃত্যু ৪৮৮।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 21 May 2026 12:02:58 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
