<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/feature</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/feature"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews feature Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest feature News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sat, 04 Jul 2026 09:47:15 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[বর্ষার আগমনীতে মাদারীপুরে ব্যস্ত নৌকা কারিগররা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115965" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115965</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুরে বর্ষার আগমনীতে নৌকা তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে মাদারীপুর জেলা র ৫ টি উপজেলার নৌকা তৈরীর কারিগররা। প্রকৃতি যেন জানান দিচ্ছে বর্ষা খুব দূরে নয়। মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর ও চরগোবিন্দপুর কাঠপট্টিতে এখন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শোনা যায় কাঠ কাটার শব্দ, হাতুড়ির ঠকঠক আর কারিগরদের ব্যস্ত পদচারণা।অপরদিকে কালকিনি উপজেলার সাহবরামপুর বাজার ও ডাসার উপজেলার শশিকর এলাকায় কারিগররা ব্যস্ত সময় পাড় করছে।

একসময় বর্ষা মানেই ছিল নৌকার রাজত্ব। এখনও জেলার অনেক নিচু ও নদীসংলগ্ন অঞ্চলের মানুষের কাছে নৌকাই ভরসার নাম। তাই বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে নতুন নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কারিগররা। পাশাপাশি হাট-বাজারেও শুরু হয়েছে নৌকা বিক্রির প্রস্তুতি।
কালকিনি, ডাসার ও শিবচর উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্রতিবছর বর্ষার পানিতে প্লাবিত হয়। শশিকর, নবগ্রাম, খাসেরহাট, মোল্লারহাট, লক্ষীপুর, কুলচরী, পিরারবাড়ি ও সিডিখানসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এসব অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতে নৌকার প্রয়োজনীয়তা এখনও ফুরিয়ে যায়নি।

গোবিন্দপুরের নৌকা নির্মাতা বাদল হোসেন জানান, বছরের অধিকাংশ সময় তিনি আসবাবপত্র ও ঘরবাড়ির কাঠের কাজ করেন। তবে বর্ষা এলেই নৌকা তৈরির কাজে মনোযোগ দেন। তিনি বলেন, &ldquo;এই সময়টাতে কারিগরদের দম ফেলার সুযোগ থাকে না। একজন কারিগর দিনে একটি নৌকা তৈরি করতে পারে। মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে নৌকা কিনতে আসে। তবে আগের তুলনায় চাহিদা কিছুটা কমেছে। পানি বাড়লে বিক্রিও বাড়বে বলে আশা করছি।&rdquo;

বর্তমানে ৮ থেকে ১০ হাত দৈর্ঘ্যের একটি নৌকা ৬ থেকে ৭ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকার ও কাঠের মান অনুযায়ী দাম আরও বাড়ে।
২৩ বছরের অভিজ্ঞ কারিগর ইয়াকুব মোল্লা জানান, পারিবারিকভাবে তারা কাঠমিস্ত্রির কাজের সঙ্গে জড়িত। বছরের অধিকাংশ সময় ঘর নির্মাণের কাজ করলেও বর্ষা মৌসুমে নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, &ldquo;নৌকা বানিয়ে অন্য কাজের তুলনায় কিছুটা বেশি আয় হয়। তাই বর্ষাকালে এটি আমাদের জন্য বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করে।&rdquo;

নৌকা তৈরির এই মৌসুমি শিল্প শুধু ব্যবসা নয়, স্থানীয়দের জন্য এক ধরনের আকর্ষণও বটে। স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান বাচ্চু বলেন, &ldquo;সারি সারি নতুন নৌকা সাজিয়ে রাখা হলে দেখতে খুব সুন্দর লাগে। অনেক মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে এগুলো দেখতে আসে। যদিও সড়ক যোগাযোগ উন্নত হওয়ায় নৌকার ব্যবহার কমেছে, তবুও বর্ষাকালে এর প্রয়োজনীয়তা এখনো রয়ে গেছে।&rdquo;

অন্যদিকে, কাঠ ব্যবসায়ী ইমরান তালুকদার আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হলে এবং দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হলে নৌকা ব্যবসায় বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে পারেন কারিগররা। তিনি বলেন, &ldquo;পানির আশায় অনেকেই আগেভাগে নৌকা তৈরি করেছেন। কিন্তু বন্যার পানি কমে গেলে সেই নৌকা বিক্রি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।&rdquo;

খোয়াজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আজাদ তালুকদার স্মৃতিচারণ করে বলেন, &ldquo;একসময় বর্ষার বিকেল মানেই ছিল পরিবার নিয়ে নৌকাভ্রমণ। তখন নদী-খাল-বিলে নৌকার চলাচল ছিল স্বাভাবিক দৃশ্য। এখন সড়ক যোগাযোগের উন্নয়নের কারণে মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এসেছে, ফলে নৌকার ওপর নির্ভরতা অনেক কমে গেছে।&rdquo;

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব মনে করেন, নৌকা শুধু একটি বাহন নয়, এটি বাংলার ঐতিহ্যেরও অংশ। তিনি বলেন, &ldquo;গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে নৌকার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। এই ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে কারিগরদের প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবা প্রয়োজন।&rdquo;

সময়ের সঙ্গে বদলে যাচ্ছে জীবনযাত্রা, উন্নত হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। তবুও বর্ষার জলরাশিতে ভেসে চলা নৌকা এখনও বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির এক জীবন্ত প্রতীক। আর সেই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে মাদারীপুরের কারিগররা আজও কাঠের গায়ে স্বপ্নের জলযান গড়ে চলেছেন নিঃশব্দে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 09:47:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ডাম্প ট্রাক, ভোগান্তিতে পথচারী ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115859" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115859</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুরের শিবচরে সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ভাবে বালু ও মাটি ব্যবসায়ীদের অবৈধ ডাম্প ট্রাক। যার কারণে ভোগান্তিতে পথচারী ও এলাকাবাসী।

&lrm;সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়কে শত শত ডাম্প ট্রাক অবাধে চলাচল করছে। উৎরাইল,থানা রোড, শিবরায়েরকান্দি, কলাতলা,শেকপুর,মাদবরেরচর, বহেরাতলা,চরশ্যামাইল,বাইপাস সড়ক,যাদুয়ারচর,ডিসি রোড, ফলে সড়কের অবস্থা দ্রুত অবনতি ঘটছে এবং জনদুর্ভোগ বাড়ছে।&rdquo;
&lrm;
শিবচর উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার অধিকাংশ সড়কে বালুবাহী অবৈধ ডাম্প ট্রাকের বেপরোয়া চলাচলে ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থী, পথচারী ও সাধারণ মানুষ। ভারী যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক দিন দিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।&rdquo;
&lrm;
&lrm;স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়কে শত শত ডাম্প ট্রাক অবাধে চলাচল করছে। ফলে সড়কের অবস্থা দ্রুত অবনতি ঘটছে এবং জনদুর্ভোগ বাড়ছে।&rdquo;
&lrm;
&lrm;জানা গেছে, শিবচর উপজেলায় প্রায় চার শতাধিক অবৈধ ডাম্প ট্রাক চলাচল করছে। এসব যানবাহনের অধিকাংশই অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালকদের দ্বারা পরিচালিত। অনেক ট্রাকের ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্স টোকেন ও নাম্বার প্লেট নেই। খোলা ট্রাকে অতিরিক্ত বালু বহন করে বেপরোয়া গতিতে চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। একইসাথে ধুলাবালি ও শব্দদূষণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী।&rdquo;
&lrm;
&lrm;বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের সময় ডাম্প ট্রাকের দীর্ঘ সারির কারণে প্রায়ই যানজটের সৃষ্টি হয়। দ্রুতগতিতে চলাচলকারী ট্রাক পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় ধুলাবালিতে রাস্তা ঢেকে যায়, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে। অনেক শিক্ষার্থীকে ধুলাবালির মধ্যে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি করছে।&rdquo;
&lrm;
&lrm;স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিবচর উপজেলার বিভিন্ন বালুমহাল ও চরাঞ্চল থেকে প্রতিদিন শত শত ডাম্প ট্রাকে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়। অধিকাংশ ট্রাক অতিরিক্ত বালু বহন করায় সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।&rdquo;
&lrm;
&lrm;এলাকাবাসীর দাবি, এসব অবৈধ ট্রাকের অধিকাংশ মালিক রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হলেও তা স্থায়ী কোনো ফল দিচ্ছে না। কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় ট্রাকগুলো সড়কে নেমে পড়ে।&rdquo;
&lrm;
&lrm;স্থানীয়রা জানায়, গ্রামীণ সড়কগুলো মূলত হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য নির্মিত হলেও ভারী ডাম্প ট্রাকের কারণে অনেক স্থানে ফাটল ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব সড়ক আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।&rdquo;
&lrm;
&lrm;অন্যদিকে সচেতন মহল মনে করে, অবৈধ ডাম্প ট্রাকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং অতিরিক্ত ভার বহন নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। অন্যথায় সড়কের ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি জনদুর্ভোগ আরো বৃদ্ধি পাবে।&rdquo;
&lrm;
&lrm;স্থানীয় জনগণ অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ এবং দিনের বেলায় বালুবাহী ডাম্প ট্রাক চলাচল নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত ও সড়ক রক্ষায় অবৈধ ডাম্পট্রাক নিয়ন্ত্রণ এখন সময়ের দাবি।&rdquo;
&lrm;
&lrm;এ বিষয়ে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, &lsquo;একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। এসব যানবাহনের চলাচলে বিভিন্ন বিধিনিষেধ রয়েছে। দিনের বেলায় বালুবাহী ডাম্প ট্রাক চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। খুব শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।&rdquo;

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 30 Jun 2026 10:24:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নোবিপ্রবির মাহামুদুল এখন অ্যামাজনের সিনিয়র ম্যানেজার ‎ ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115777" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115777</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&lrm;বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি ও রিটেইল জায়ান্ট &#39;অ্যামাজন&#39;-এর সিনিয়র ম্যানেজার (লেভেল-৬) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সাবেক শিক্ষার্থী মাহামুদুল ইসলাম খান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ম ব্যাচ এবং অর্থনীতি বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
&lrm;
&lrm;নোবিপ্রবি থেকে স্নাতক (সম্মান) সম্পন্ন করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মানিতে পাড়ি জমান মাহামুদুল। সেখানে দেশটির অন্যতম প্রাচীন ও শীর্ষস্থানীয় সরকারি গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় &lsquo;ফ্রেডরিখ শিলার ইউনিভার্সিটি জেনা&rsquo; থেকে &lsquo;ইকোনমিকস অ্যান্ড ইনোভেশন চেঞ্জ&rsquo; বিষয়ে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন।
&lrm;
&lrm;স্নাতকোত্তর শেষেই তিনি সরাসরি অ্যামাজনে কর্মজীবন শুরু করেন। মেধা ও কঠোর পরিশ্রমের জোরে যোগদানের মাত্র ৬ মাসের মধ্যে &#39;অপারেশনস লিড&#39; (লেভেল-৩) পদে উন্নীত হন। এর পর মাত্র ৪ বছরের ব্যবধানে লেভেল-৩ থেকে সাফল্যের সঙ্গে লেভেল-৬ (সিনিয়র ম্যানেজার) পদে পদোন্নতি লাভ করেন তিনি।
&lrm;
&lrm;সাফল্যের অনুভূতি ব্যক্ত করে এক ফেসবুক পোস্টে মাহামুদুল ইসলাম খান বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, সবকিছুই আল্লাহর অশেষ রহমতে সম্ভব হয়েছে। আমাদের শুধু চেষ্টা করে যেতে হবে, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা। ২০২২ সালের এপ্রিলে যখন অ্যামাজনে অপারেশনস লিড হিসেবে জয়েন করি, তখন ভেবেছিলাম অপারেশনস ম্যানেজার (লেভেল-৬) হতে হয়তো ১০ বছর লেগে যাবে। বিশেষ করে নন-জার্মান এবং নন-ইউরোপীয়ান হিসেবে পথটা আরও কঠিন ছিল। কিন্তু অ্যামাজন আমাকে শিখিয়েছে&mdash;এখানে পারফরম্যান্স, নেতৃত্ব আর কাজের প্রভাবই সবচেয়ে বড় যোগ্যতা।
&lrm;
&lrm;তিনি আরও যোগ করেন, অ্যামাজনের নিয়মগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন, আর এ কারণেই তারা বিশ্বে অনন্য। নিজের কোম্পানিতে কর্মরত থাকার পরও লেভেল-৫ থেকে লেভেল-৬-এ যাওয়ার জন্য আমাকে ৫ জন কর্মকর্তার কাছে দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা ইন্টারভিউ দিতে হয়েছে। একজন বাংলাদেশি হিসেবে বৈশ্বিক মঞ্চে দেশের সম্মান যেন বজায় রাখতে পারি, সেজন্য সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
&lrm;
&lrm;উল্লেখ্য, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি ও ই-কমার্স কোম্পানি অ্যামাজনে &#39;লেভেল-৬&#39; (L6) অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি মিড-টু-সিনিয়র স্তরের ব্যবস্থাপনা পদ। এই পদের বার্ষিক মোট বেতন (প্যাকেজ) সাধারণত ১,৮০,০০০ থেকে ৪,৫০,০০০+ মার্কিন ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ কোটি থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার সমতুল্য।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Jun 2026 11:04:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাদারীপুরের চরাঞ্চলে বাদামের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাঁসি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115675" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115675</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছর মাদারীপুরের শিবচরের পদ্মা নদীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাদামের ফলন ভাল হওয়ায় কৃষকদের মনে জাগিয়েছে নতুন আশার আলো। ক্ষেত থেকে বাদাম উত্তোলন, রোদে শুকানোসহ বাদাম সংরক্ষণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক পুরুষ ও নারীরা। উৎপাদন ভালো হওয়ায় ন্যায্যমূল্য পাওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন কৃষকরা।

পদ্মার চরের উর্বর বেলে মাটি ও পলি মাটি বাদাম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করেই এখানে ভালো ফলন পাওয়া যায়। শুধু নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যার মাধ্যমে কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাদামের ফলন অত্যন্ত সন্তোষজনক হয়েছে। গত বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত ও আগাম বর্ষায় বাদামের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। এ বছর ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশাবাদী কৃষকরা।

পদ্মার চরের চর জানাযাত এলাকার কৃষক হামিদ খা জানান, আমাদের পদ্মার চরের বাদামের অনেক স্বাদ, আকার ও গুণগত মান অন্যান্য এলাকার তুলনায় ভালো। বর্তমানে মাঠ থেকে বাদাম উত্তোলন প্রায় শেষ পর্যায়ে। পদ্মার চরে বাদাম উত্তোলন শেষে কৃষক ও কৃষাণীরা মাঠেই গাছের শিকড় থেকে বাদাম আলাদা করে রোদে শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আমিন উদ্দন নামের বাদাম চাষী জানান, এবছর বাজারে দাম ভাল থাকায় আগেভাগে অনেক কৃষক বিক্রিও করছেন। স্থানীয় বাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় চরাঞ্চলের বাদামের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

শিবচর কৃষি সম্প্রসারণ সূত্রে জানাজায়, চলতি অর্থবছরে শিবচর উপজেলায় প্রায় ৬ শ ৯০ হেক্টর জমিতে বাদামের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু চর জানাজাত ইউনিয়নেই ১ শ ২০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার উৎপাদন বেড়েছে এবং প্রতি হেক্টরে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কেজি বাদাম উৎপাদিত হয়েছে। বাজারে মণ প্রতি ৬-৮ হাজার টাকা দরে বাদাম বিক্রি হচ্ছে। চর জানাজাত ইউনিয়নের পাশাপাশি মাদবরেরচর, কাঁঠালবাড়ী, সন্ন্যাসীরচর, বন্দরখোলা, বহেরাতলা উত্তর, বহেরাতলা দক্ষিণ, নিলখী ও শিরুয়াইলসহ উপজেলার আরও কয়েকটি ইউনিয়নে ব্যাপকভাবে বাদামের চাষাবাদ হয়ে থাকে।

শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলিমুজ্জামান জানান, কৃষকদের আগ্রহ, অনুকূল আবহাওয়া এবং চরাঞ্চলের উপযোগী মাটির কারণে প্রতিবছরই এ অঞ্চলে বাদাম চাষের পরিধি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সান নিউজ/ কেএনআই

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 24 Jun 2026 08:30:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রয়েল বেঙ্গল টাইগারের গলায় স্যাটেলাইট কলার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115646" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115646</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের শরকির খাল সংলগ্ন গহীন অরণ্যে হরিণ শিকারীদের পেতে রাখা ছিটকা ফাঁদে আটকে গুরুতর আহত রয়েল বেঙ্গল টাইগারটি দীর্ঘ সাড়ে ৫ মাস চিকিৎসা শেষে সম্পূর্ন সুস্থ্য হয়ে আবারও ফিরে যাচ্ছে তার আবাসস্থল সুন্দরবনে।

তবে, বন বিভাগে নজরদারিতে রাখতে প্রাপ্তবয়স্ক এই বাঘটির গলায় স্যাটেলাইট কলার লাগিয়ে বনের যে এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিলো সেখানের গহীন সুন্দরবনে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএন এর দেয়া স্যাটেলাইট কলার হাতে পাওয়ার পর বাঘটিকে চলতি মাসের শেষে অথবা আগামী জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সুন্দরবনে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, গত সাড়ে পাঁচ মাসের চিকিৎসায় বাঘিনীটি এখন সম্পূর্ন সুস্থ হয়েছে। ওজন বাড়ার পাশাপাশি ক্ষিপ্রতাও বেড়েছে। মনে করা হচ্ছে বাঘিনীটি এখন শিকার ধরে খেতে পারবে।

এই অবস্থায় বাঘিনীটিকে এখন কোথায় রাখা হবে তা ঠিক করতে গত ২১ মে বন কর্মকর্তা, বাঘ গবেষক, বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বন বিভাগ সভা করেছে। সভায় বাঘিনীটিকে তার পূর্বের আবাসস্থল সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের শরকির খাল সংলগ্ন গহীন অরণ্যে তার আপন পরিবেশ ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারে একমত হন সবাই।

সুন্দরবনে বাঘটি ছাড়ার পরে নিজে শিকার করে খেতে পারে কিনা তা জানাসহ গতিবিধি পর্যবেক্ষনের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএন এর সহায়তায় তার গলায় একটি স্যাটেলাইট কলার পরানোর নীতিগত সিদ্ধান্তও নেয়া হয়। বাঘটির গলায় পরানো স্যাটেলাইট কলার নির্দ্দিষ্ট সময়ের পরে গলা থেকে খুলে পড়ে যাবে বলে জানান এই বন কর্মকর্তা ।

বন বিভাগের ওই সভায় অংশ নেয়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ এম এ আজিজ জানান, সুন্দরবনের একটি বাঘ ১৪ থেতে ১৫ বছর বেঁচে থাকে। সুন্দরবনে উদ্ধার করা বাঘটির বয়স প্রায় ১০ বছর। তাকে তার আপন পরিবেশ সুন্দরবনে ছেড়ে দেয়া সিদ্ধান্তটি সঠিক হয়েছে। সেক্ষেত্রে ছেড়ে দেওয়ার পরে তার গতিবিধি দেখার জন্য বাঘটির গলায় স্যাটেলাইট কলার লাগিয়ে ছাড়া হবে। ভারতের সুন্দরবন অংশে এভাবে
ছয়টি বাঘের গলায় স্যাটেলাইট কলার লাগিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান এই বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ।

বন বিভাগ সূত্রে জানাযায় ,গত ৩ জানুয়ারি সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের শরকির খাল সংলগ্ন গহীন বনে হরিণ শিকারীদের পেতে রাখা ছিটকা ফাঁদে আটকা পড়ে প্রায় ১০ বছর বয়স্ক একটি বাঘ। আটকে পড়ার একদিন পর ট্রাঙ্কুলাইজিং বন্দুক দিয়ে গুলি করে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের সময় দেখতে পাওয়া যায় বাঘটির সামনের বাঁ পায়ে ৩ ইঞ্চির মতো জায়গায় চামড়া, মাংসপেশি ও শিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ছিটকা ফাঁদের রশিতে টানাটানির কারনে ওই ক্ষত হয়ে পচন ধরে গিয়েছিল।
উদ্ধারের পর গুরুতর আহত বাঘটিকে খুলনার বয়রায় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানে হয়। সেখানে বাঘটির চিকিৎসায় গঠন করা হয় পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড।

চিকিৎসাদের নিবীড় পরিচর্যায় অ্যান্টিবায়োটিক অষুধসহ নিয়মিত ড্রেসিংয়ে বাঘটির পায়ের ঘা শুকিয়ে ধীরে ধীরে শুকাতে থাকে। এখন সম্পূর্ন সুস্থ্য থাকা বাঘটিকে তার চিরচেনা নিজস্ব আবাসস্থলের বনে ছেড়ে দেয়া হবে।

আন্তর্জাতিক সংস্থা আইইউসিএন এর দেয়া স্যাটেলাইট কলার চলতি সপ্তাহের মধ্যে বন বিভাগের হাতে পাওয়ার কথা রয়েছে। স্যাটেলাইট কলার হাতে পাবার পর বাঘটিকে চলতি মাসের শেষে অথবা আগামী জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে সুন্দরবনে ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 23 Jun 2026 10:48:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতির শিল্পী বাবুই পাখি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115579" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115579</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আবহমান কাল থেকে গ্রাম বাংলার উচু তাল গাছে দল বেধে বাসা বা্েঁধ বাবুই পাখি। এখন আর তাল গাছে সহসা দেখা মেলেনা বাবুই পাখির বাসা। চোখে পড়েনা বাবুই পাখি। গ্রাম বাংলা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে বাবুই পাখি ও তার শৈল্পিক সৃষ্টি বাবুই পাখির বাসা। একদিকে গাছিরা বাঁশ বেধে তাল গাছের মোচা থেকে মিষ্টি রস আহরনসহ গাছ কেটে উজাড় করা, শিকারীদের অত্যাচার , খাদ্যের অভাব সহ নানা কারনে এখন আর সহসাই তাদের বাসা দেখতে পাওয়া যায় না । এভাবেই হারিযে যাচেছ শিল্পী পাখি বাবুই বলে দাবী পাখি বিশেষজ্ঞদের।


বাগেরহাটের এভারগ্রীন বার্ড পার্র্র্র্র্র্ক এর মালিক ও পাখি বিশেষজ্ঞ মোঃ ফজলুল করিম জানান,পাখি শুধু প্রকৃতির অলংকারই নয়, পাখি প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এক অতিপ্রয়োজনীয় প্রাণী। পাখিকে বাদ দিয়ে এই সবুজ পৃথিবী কল্পনা করা অসম্ভব। আমাদের দেশে নানা পাখির সমারহ রয়েছে । এদের মধ্যে বাবুই পাখি একটি আলোচিত পাখি । বাবুই পাখি দেখতে স্ত্রী চড়ুই পাখির মত। গায়ের পালকের রঙ খয়েরি। বসন্ত ঋতুতে পুরুষ বাবুই দেখলে মনে হয় একটু সাজগোজ করেছে। মনেহয় যেন গায়ে হলুদ মেখে পালকগুলো হলুদ বানিয়েছে এবং গলায় গারো রঙ মেখেছে। স্ত্রী বাবুইদের রঙ কি&scaron;&lsquo; কোন সময়েই বদলায় না। শীতকালে স্ত্রী ও পুরুষ বাবুইয়ের চেহারা একই রকম দেখতে। উপরের পালক লালচে হলুদ, তার ওপর কালচে পাটকিলের ছোটছোট টান। এই টান কোমরের কাছে এসে শেষ হয়েছে। ঘারে লালচে পালকসহ ডানা এবং লেজ গাঢ় পাটকিলে। চোখের উপরেও একটা টান। মাথা ও বুক একটু গাঢ় লালচে হলুদ। লম্বা ছয় ইঞ্চি।


বাবুই পাখির ইংরেজী নাম উইভার ( বিধাবৎ ইরৎফ)। বৈজ্ঞানিক নাম পাসিউস ফিলিপপিনাস। চড়ুই পাখিদের মত বাবুইরা ঘাসের বীজ ও শষ্যদানা খেয়ে পেট ভরে। ঠোঁটের গোড়ায় পোকা মাকড় পেলেও ছাড়ে না। ছানাদের শস্যের ক্ষতিকারক কিটপতঙ্গ খাইয়ে বড় করে।ফলে শস্য খেয়ে কৃষকের যেটুকু লোকসান করে তা শস্যের ক্ষতিকারক কিটপতঙ্গ মেরে ফেলায় পুরণ হয়ে যায়।


বাবুইকে অনেকে দেখে না চিনলেও বাবুই পাখির বাসা চেনে প্রায় সকল মানুষই। বসন্ত ঋতুতে পুরুষ বাবুই পাখি যখন হলুদ পোষাক গায়ে চাপায় তখন ছাড়া এদের দেখে মনে হয় বুঝি চড়ুই পাখির ঝাঁক। এ কারণেই মানুষের নজরে পড়ে না। ঘনজঙ্গল ওদের একদম অপছন্দের । ফসলের খেত, মাঠ অথবা একটু স্যাঁতসেঁতে জলাজমির ধারে বাবলা তাল, সুপারী খেজুর, ওমাদার গাছের উচু ডালে এরা বাসা বাঁধে। এ ছাড়া বাসা বাঁধে জলের ওপর যে গাছ ঝুলে পড়েছে সেই গাছে। না হয় যে গাছে কাঁটা আছে কিংবা সহজে যে গাছ বেয়ে ওঠে কারুর পক্ষে সম্ভব নয়। বাসা করতে পছন্দ করে সেই ডাল বা গাছ যেখানে হাওয়া বা ঝড়ের বেগ কম লাগে। বাসা দেখলে মনেহবে পাকা আবহাওয়া বিশারদের মত কাজ। যেদিক হতে বেশি ঝড় বা বাতাস বহা সম্ভব, এরা বাসার সরুমুখগুলোকে তার বিপরীত দিকে রাখে।তবে তাল গাছে বেশি বাসা বাধতে দেখা যায়। বাবুইদের বাসা দেখতে যেন জল রাখার ছোট কুজোর মত। কুজোর গলা নিচের দিক করে ঝুলালে যে রকম দেখায়, বাবুইদের বাসা যেন সেই রকম। তাল, নারিকেল ও খেজুর গাছের আঁশ দিয়ে বাবুইয়া বাসাগুলোকে এমন সুন্দরভাবে তৈরি করে যে তা দেখলে অবাক হতে হয়। একজন কারু শিল্পীর পক্ষে এই রকম নিপুণ কাজ অসম্ভব। বাসা তৈরির সময় গরমকাল থেকে বর্ষাকাল। এই সময় বাবুইরা মাঠে কিংবা জঙ্গলেগিয়ে ঠোঁট দিয়ে তাল-খেজুরের আঁশ যোগার করে আনে। এই আঁশ প্রথমে গাছের ডালে আটকিয়ে বাসা ঝুলাবার দড়ি তৈরি করে। দড়ি ঝুলানোর কাজ শেষ হলে বাবুইরা আসল বাসা বাঁধতে শুর&ldquo; করে। প্রথমে বাসার চেহারা হয় দড়িতে ঝুলানো একটা ঘন্টা বা ছাতার মত। এই ঘন্টার নিচে এক গাছি শক্ত খড়ের দড়ি দাঁড়ের মত লাগানো দেখা যায়। বাবুইরা কাজের ফাঁকে ফাঁকে সেই ছাতার এলাকার দড়িতে ঝুলে বিশ্রাম করে এবং গান গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে। অনেকের ধারণা স্ত্রী বাবুই যখন মন দিয়ে বাসা বোনে, তখন মিয়া সাহেব দোল খেয়ে গান শুনিয়ে বউয়ের মন খুশি রাখে।


বাবুইরা ভারী ষ্ফূর্তিবাজ পাখি। বাসা তৈরি শেষ হয়ে গেলে এদের আনন্দের আর সিমা থাকে না। তখন তারা কি করবে ভেবে না পেয়ে উড়ে উড়ে শূন্যে ডিগবাজি খেতে আরম্ভ করে কখনও বা আনন্দে পরষ্পর কামড়া কামড়ি আরম্ভ করে। অন্য পাখিরা যেমন বাসায় যেতে প্রথমে উড়ে এসে বাসার কাছের একটি ডালে বসে এবং তারপর ধীরে সুয়ে বাসার ভিতর যায়। বাবুইরা তা করে না। এরা উড়তে উড়তে বাসার তলার শুঁড়ের মত পথ দিয়ে ভিতরে ঢুকে যায়। অন্য কোন পাখির পক্ষে এটা সম্ভব নয়।


কখনও কখনও বাবুই পাখি জোনাকী পোকা ধরে এনে ঘরে আলো জ্বালে । বাসা মনের মত না হলে নতুন বাসা তৈরি করে। বাবুইদের বাসা গাছ থেকে পড়ে গেলে, বাসার সরু খড়কুটো দিয়ে লোকে বালিশ তৈরি করে। এ বালিশ তুলো ভরা বালিশের মতই নরম হয়। স্ত্রীবাবুই পাখির আধিক্যের জন্যেই হয়ত বাবুই বংশ বিস্তার রক্ষা পায়। স্ত্রী বাবুই ডিম পাড়ে দুটি বা তিনটি। ডিমে তা দেয়া এবং ছানাদের যত্ন তাকেই করতে হয়।

মানুষের অত্যাচার আর অনাচার থেকে রক্ষাপেতে লোকালয় ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে দেখা যা&rdquo;েছ অনেক বাবুইদের । বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন হিরণ পয়েন্টে ট্যুরিজম এলাকার প্রতিটি তালগাছে শ&rsquo;শ বাবুই পাখি বাসা বাধে। সেখানে নৌবাহিনী অফিসের বাম পাশের গেট দিয়ে মংলা বন্দর রেষ্ট হাউজ এলাকায় ঢুকতে চোখে পড়ে তাল গাছের প্রতিটি পাতায় জড়িয়ে আছে বাবুই পাখির বাসা। এখানে নিরাপদ আশ্রয় মনে করে বাবুই পাখিরা বাসা বাধে বলে ধারণা করা হয় ।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Jun 2026 18:28:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জলাবদ্ধতার শঙ্কায় ঢাকা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115571" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115571</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ১৬ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় এবং ওয়াসা থেকে দুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে নালা ও খাল হস্তান্তর করেও কাটেনি ঢাকার জলাবদ্ধতা সংকট। বর্ষা শুরুর আগেই সামান্য বৃষ্টিতে নাকাল হচ্ছে নগরবাসী। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানালেও, একদিকে অকেজো পাম্প স্টেশন ও স্লুইসগেট, অন্যদিকে অবৈধ দখল ও প্লাস্টিক বর্জ্যে ভরাট হওয়া খালের কারণে এবারের আষাঢ়-শ্রাবণেও রাজধানীতে তীব্র জলজটের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


নগর পরিকল্পনাবিদরা জানিয়েছেন, মূলত পাঁচ স্তরের সংকট একসঙ্গে জেঁকে বসেছে ঢাকার বুকে। প্রথমত, সড়কের ক্যাচপিটের ছিদ্রগুলো আবর্জনায় বন্ধ; দ্বিতীয়ত, ড্রেনগুলো পলি ও কাদায় ভরা; তৃতীয়ত, অবৈধ দখলে হারিয়ে গেছে প্রধান খালগুলো; চতুর্থত, পাম্পিং স্টেশনগুলো অকেজো আর পঞ্চমত, চারপাশের নদনদীগুলো ভরাট হয়ে হারিয়েছে পানি ধারণের সক্ষমতা। ফলে বৃষ্টির পানি ক্যাচপিট থেকে ড্রেনে, ড্রেন থেকে খালে এবং খাল হয়ে নদীতে যাওয়ার প্রতিটি ধাপেই অচল হয়ে পড়ে। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয়, দফায় দফায় সভা আর প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে গেলেও সংকটের কোনো স্থায়ী সমাধান হয় না। সমস্যার গভীরে হাত না দিয়ে বারবার উপরিভাগে প্রলেপ দেওয়ার কারণেই প্রতি বর্ষায় ঢাকা ফিরে যায় তার সেই চেনা ও চরম ভোগান্তির রূপে।


সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের পর রাজধানীর নিউমার্কেট, আজিমপুর, নীলক্ষেত, বকশিবাজার, মালিবাগ, শান্তিনগর, সায়েদাবাদ, শনির আখড়া, পুরান ঢাকা, বংশাল, নাজিমুদ্দিন রোড, ধানমন্ডি, মিরপুর, শেওড়াপাড়া, আরামবাগ, মতিঝিল, বনানী, খিলক্ষেত, উত্তরার কিছু অংশ, কারওয়ান বাজার, বিজয় সরণি, মিরপুর ১৩, হাতিরঝিলের কিছু অংশ, আগারগাঁও থেকে জাহাঙ্গীর গেট যাওয়ার নতুন রাস্তা, খামারবাড়ি থেকে ফার্মগেট, ফার্মগেট-তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা, মোহাম্মদপুরের কিছু অংশ, মেরুল বাড্ডা ও ডিআইটি প্রজেক্টসহ বিভিন্ন প্রধান সড়ক ও অলিগলিতে নিয়মিত জলাবদ্ধতা তৈরি হতে দেখা গেছে।
জলাবদ্ধতার এই স্পটগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হলেও দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী সমাধানের কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনও নিতে পারেনি ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। ফলে এবারের বর্ষাতেও ঢাকা শহর তীব্র জলজটের কবলে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকৌশল বিভাগ জলাবদ্ধতা নিরসনে অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করতে গিয়ে সম্প্রতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ২৯টি হটস্পট চিহ্নিত করেছে। এই তালিকায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে, পশ্চিম মালিবাগ, খিলগাঁও ফ্লাইওভার থেকে মালিবাগ কমিউনিটি সেন্টার, মানিকনগর টিটিপাড়া পাম্পের সামনে, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা, কমলাপুর রেলস্টেশন, শাপলা চত্বর, নটর ডেম কলেজ এলাকা, পল্টন, দৈনিক বাংলা, ফকিরাপুল, ধানমন্ডি-২৭, গ্রিন রোড, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, নায়েম রোড, ইস্কাটন গার্ডেন রোড, পলাশী এস এম হলের সামনে, সাকুরা মার্কেট এলাকা, মোকাররম ভবনের সামনে, চানমারির মোড়, শান্তিবাগ, আলমবাগ, পশ্চিম জুরাইন এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল সংলগ্ন সড়ক।


ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রতিদিন প্রায় ৭ হাজার টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়, যার মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশই প্লাস্টিক বর্জ্য। এসব প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য সরাসরি ঢাকার ড্রেন, নালা আর খালে গিয়ে পড়ছে এবং সেখানে আটকে থেকে পানি নিষ্কাশনের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিচ্ছে। এর ওপর কিছু খাল এখনও অবৈধ দখলে রয়েছে, আর বাকি খালগুলো যেভাবে সংকুচিত করা হয়েছে, তা দিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ফলে বর্ষায় সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছে রাজধানী ঢাকা
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) সূত্র জানিয়েছে, নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসি স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি বহুমুখী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে স্বল্পমেয়াদি কার্যক্রমের আওতায় নর্দমা, বক্স-কালভার্ট ও খাল থেকে পলি ও বর্জ্য অপসারণ, ভারী বর্ষণের সময় পোর্টেবল পাম্পের সাহায্যে দ্রুত পানি সরিয়ে নেওয়া, বিদ্যমান পাম্প স্টেশনগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ওয়ার্ডভিত্তিক জরুরি প্রতিক্রিয়া (ইমার্জেন্সি রেসপন্স) দল গঠন করা হচ্ছে। এছাড়া দক্ষিণ সিটির ৫৭টি ওয়ার্ডে একটি সমন্বিত ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।


মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রয়েছে খাল পুনরুদ্ধার ও সংস্কার, নতুন আউটলেট নির্মাণ, ড্রেনেজ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং পাম্প স্টেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি। বিশেষ করে জিয়া সরণি খাল ও শ্যামপুর খালের পানি সরাসরি বুড়িগঙ্গা নদীতে নিষ্কাশনের জন্য নতুন আউটলেট নির্মাণের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বিদ্যমান নর্দমা সংস্কার, ব্লকেজ অপসারণ, খোলা ও সবুজ এলাকা বৃদ্ধি, জলাভূমি সংরক্ষণ, খাল ও ড্রেনে বর্জ্য ফেলা বন্ধে জনসচেতনতা তৈরি এবং সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাজধানীর পানি মূলত পাম্প স্টেশন, স্লুইসগেট ও খালের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়ে থাকে। কিন্তু বর্তমানে বেশ কয়েকটি পাম্প স্টেশন নষ্ট এবং একইভাবে স্লুইসগেটগুলোও অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অন্যদিকে খালগুলোর অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক; এগুলো পানি প্রবাহের জন্য মোটেও উপযুক্ত নয়। অবৈধ দখলের পাশাপাশি নানা ধরনের বর্জ্য জমে খালগুলোতে তৈরি হয়েছে কয়েক স্তরের প্রতিবন্ধকতা।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় প্রতিদিন প্রায় ৭ হাজার টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়, যার মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশই প্লাস্টিক বর্জ্য। এসব প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য সরাসরি ঢাকার ড্রেন, নালা আর খালে গিয়ে পড়ছে এবং সেখানে আটকে থেকে পানি নিষ্কাশনের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিচ্ছে। এর ওপর কিছু খাল এখনও অবৈধ দখলে রয়েছে, আর বাকি খালগুলো যেভাবে সংকুচিত করা হয়েছে, তা দিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ফলে বর্ষায় সামান্য বৃষ্টি হলেই পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছে রাজধানী ঢাকা।
এদিকে পাম্পিং স্টেশনের সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি বড় জটিলতা রয়েছে পানি নিষ্কাশনের শেষ স্তর অর্থাৎ ঢাকার চারপাশের নদনদীগুলোতে। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী নানা কারণে ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় এগুলো আর বেশি পানি ধারণ করতে পারছে না। নদীগুলোর নাব্যতা সংকটের কারণে বিগত বছরগুলোতেও স্লুইসগেট দিয়ে পানি নিষ্কাশন করা যায়নি। এবারও ঠিক একই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


নিউমার্কেটের দোকানি হাবিবুর রহমান বলেন, একটু বেশি বৃষ্টি হলেই প্রতিবার আমাদের দোকানগুলো ডুবে যায়। দোকানের মধ্যে হাঁটু সমান পানি জমে লাখ লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয়। বারবার সিটি কর্পোরেশনের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়ে সমাধানের দাবি করলেও তারা কোনো স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে মনে হচ্ছে আমরা আবারও সেই একই ক্ষতির সম্মুখীন হবো। একটি রাজধানী শহরের প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী নিউমার্কেটের দোকান যদি মালামালসহ বারবার এভাবে পানিতে ডুবে যায়, তাহলে শহরের অন্য এলাকার বর্ষার অবস্থা কী দাঁড়ায়, তা সবাই অনুমান করতে পারে। বছরের পর বছর ধরে এমনটা চললেও সিটি কর্পোরেশন আমাদের কোনো সমাধান দিতে পারছে না; আমরা বারবার কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হারাচ্ছি

আসন্ন বর্ষাকে সামনে রেখে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি ও উদ্যোগের বাস্তব চিত্র জানতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডিএসসিসির বর্তমান আয়তন ও ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী যেখানে অন্তত ১০টি পানি নিষ্কাশন পাম্পিং স্টেশন প্রয়োজন, সেখানে আছে মাত্র ৩টি। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ৩টির মধ্যে আবার হাতিরঝিলের গুরুত্বপূর্ণ পাম্পিং স্টেশনটি বর্তমানে অকেজো বা নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। ফলে পর্যাপ্ত পাম্পিং সক্ষমতা না থাকায় এবারও বর্ষায় ঢাকার দক্ষিণ অংশে চরম জলাবদ্ধতার পুনরাবৃত্তি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) সূত্রে জানা গেছে, বর্ষার প্রস্তুতি হিসেবে ডিএনসিসি ইতোমধ্যে ২২১.৮৫ কিলোমিটার স্টর্ম ওয়াটার ড্রেন এবং ১.৫৪৭ কিলোমিটার বক্স কালভার্ট পরিষ্কার করেছে। পাশাপাশি নগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়নে ১১০.৯৩ কিলোমিটার রাস্তা ও ১০৫.৮৯ কিলোমিটার নর্দমা নির্মাণ ও উন্নয়ন করা হয়েছে। ডিএনসিসির আওতাধীন ২৯টি খালের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৮ কিলোমিটার; যার মধ্যে বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ২৪ কিলোমিটার খাল পরিষ্কার ও খনন করা হয়েছে।
ডিএনসিসির প্রকৌশল বিভাগের একজন কর্মকর্তা তাদের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে জানান, উত্তর সিটির অধীনে মোট ৫টি পাম্পিং স্টেশন রয়েছে, যার মধ্যে ৩টি বড় এবং ২টি ছোট আকারের। বর্তমানে এই পাম্পিং স্টেশনগুলোর কার্যক্ষমতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া কল্যাণপুর রিটেনশন পন্ড (জলাধার) থেকে প্রায় ১.১২ লাখ ঘনমিটার স্লাজ বা কাদা-বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।


ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির কাজ নিয়মিত চলছে। তবে সার্বিক বিষয়ে স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন এবং তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত জলাবদ্ধতা সমস্যার টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।
সম্ভাব্য জলাবদ্ধতার স্থানগুলো (হটস্পট) সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার এয়ারপোর্ট রোড ও মিরপুরসহ যেসব এলাকায় বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতার তীব্র আশঙ্কা রয়েছে, সেসব অঞ্চলে ড্রেন ও খালের পানিপ্রবাহ শতভাগ সচল রাখা হবে। এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে

এই দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাজধানীর নিউমার্কেটের এক দোকানি হাবিবুর রহমান বলেন, একটু বেশি বৃষ্টি হলেই প্রতিবার আমাদের দোকানগুলো ডুবে যায়। দোকানের মধ্যে হাঁটু সমান পানি জমে লাখ লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয়। বারবার সিটি কর্পোরেশনের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানিয়ে সমাধানের দাবি করলেও তারা কোনো স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে মনে হচ্ছে আমরা আবারও সেই একই ক্ষতির সম্মুখীন হবো। একটি রাজধানী শহরের প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী নিউমার্কেটের দোকান যদি মালামালসহ বারবার এভাবে পানিতে ডুবে যায়, তাহলে শহরের অন্য এলাকার বর্ষার অবস্থা কী দাঁড়ায়, তা সবাই অনুমান করতে পারে। বছরের পর বছর ধরে এমনটা চললেও সিটি কর্পোরেশন আমাদের কোনো সমাধান দিতে পারছে না; আমরা বারবার কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হারাচ্ছি।


একই ধরনের ক্ষোভ ও আশঙ্কা প্রকাশ করে মিরপুরের কাজীপাড়ার বাসিন্দা মাসুম আহমেদ রনি বলেন, বৃষ্টি হলেই যেন মিরপুরের এই এলাকাগুলো ডুবে যায়। এবারও নিশ্চিত করে বলা যায়, বর্ষা এলেই আমাদের এলাকা আবারও প্লাবিত হবে এবং হাঁটু পানি ভেঙে আমাদের চলাচল করতে হবে। প্রতি বছর যদি একই সমস্যা ফিরে আসে, তাহলে সিটি কর্পোরেশন কেন কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করে না? রাজধানীর কোথায় কোথায় জলাবদ্ধতা হয় তা আমরাসহ সংশ্লিষ্ট সবাই জানে, তার পরও কেন এর কোনো স্থায়ী সমাধান করছে না সিটি কর্পোরেশন?

গত ১৬ জুন জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, রাজধানীর জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, স্বল্পমেয়াদি কার্যক্রমের আওতায় বর্তমানে নর্দমা, বক্স-কালভার্ট ও খালসমূহ হতে পলি ও বর্জ্য অপসারণ করা হচ্ছে। ভারী বর্ষণের সময় জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকাগুলো থেকে পোর্টেবল পাম্পের মাধ্যমে এবং বিদ্যমান স্থায়ী পাম্প স্টেশনের সাহায্যে দ্রুত বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যাচপিট ও লোহার গ্রেটিংস স্থাপন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পানি প্রবাহের বাধা (ব্লকেজ) নিরসন এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওয়ার্ডভিত্তিক ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম গঠন করা হচ্ছে।
মধ্যমেয়াদি কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি প্রকল্পের মাধ্যমে ৪টি বৃহৎ খালের উন্নয়ন কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এছাড়া জিয়া সরণি খাল ও শ্যামপুর খালের পানি নিকটবর্তী বুড়িগঙ্গা নদীতে নিষ্কাশনের জন্য নতুন আউটলেট নির্মাণের কাজ চলছে। একই সঙ্গে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে নতুন নর্দমা নির্মাণ এবং বিদ্যমান নর্দমা সংস্কার ও মেরামতের কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।


সবশেষে দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমের আওতায় গৃহীত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, জিয়া সরণি খাল, কাজলা খাল ও মৃধাবাড়ি খালসহ অন্যান্য খালের প্রায় ৫০ কিলোমিটার অংশ উন্নয়নের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ঢাকার দুই সিটির সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হওয়া অবহেলিত এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক উন্নয়নের মহাপরিকল্পনাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।


ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুরবস্থা এবং যত্রতত্র ম্যানহোলে ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণেই মূলত পানি নিষ্কাশনে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। তবে আসন্ন বর্ষার প্রস্তুতি হিসেবে আগে থেকেই আমাদের সব ড্রেন ও নর্দমা পরিষ্কারের সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে এই কার্যক্রম নিয়মিত তদারকিও করা হচ্ছে।


ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সম্ভাব্য জলাবদ্ধতার স্থানগুলো (হটস্পট) সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার এয়ারপোর্ট রোড ও মিরপুরসহ যেসব এলাকায় বৃষ্টি হলে জলাবদ্ধতার তীব্র আশঙ্কা রয়েছে, সেসব অঞ্চলে ড্রেন ও খালের পানিপ্রবাহ শতভাগ সচল রাখা হবে। এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার জলাবদ্ধতা সংকটের সার্বিক বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নগর পরিকল্পনাবিদ এবং ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, সমস্যা চিহ্নিত করে সে অনুযায়ী কাজ করলে সমাধান মিলবে। অন্যথায় শুধু টাকা খরচই হবে, কোনো সুফল পাওয়া যাবে না। তাই জলাবদ্ধতা নিরসনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি এবং ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনকে এটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে করতে হবে। কিন্তু ঢাকার জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে এখনও কোনো কাজ দৃশ্যমান নয়।
সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Jun 2026 11:57:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এক নজরে ২০ জুন: ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য অধ্যায়গুলো]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115514" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115514</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইতিহাস কেবল অতীতের ঘটনাপঞ্জি নয়; এটি আমাদের চিন্তা, চেতনা ও প্রেরণার এক অনন্ত উৎস। যুগে যুগে বিশ্বের নানা প্রান্তে সংঘটিত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, জ্ঞানী-গুণীদের অবদান এবং স্মরণীয় অর্জন মানবসভ্যতার পথচলাকে করেছে সমৃদ্ধ। আজ শনিবার, ২০ জুন ২০২৬। বছরের এই দিনে জন্ম নিয়েছেন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি, আবার অনেক গুণীজন পৃথিবী থেকে বিদায়ও নিয়েছেন। পাশাপাশি ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে নানা তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ২০ জুনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি, জন্ম-মৃত্যুদিন এবং আজকের দিনের বিশেষ কিছু তথ্য।

ঘটনাবলিঃ

৬৩৮ - মসজিদ-এ নববীর প্রথম সম্প্রসারণ।
১৭০২ - মুহাম্মদ বিন কাশিম সিন্ধু প্রদেশের রওয়ার আক্রমণ করেন এবং রাজা দাহির নিহত হন।
১৭৫৬ - অন্ধকূপ হত্যা সংঘটিত হয়।
১৭৫৬ - নওয়াব সিরাজদ্দৌলার বাহিনী একটি ব্রিটিশ গ্যারিসনের সেনাদের একটি বদ্ধ ঘরে আবদ্ধ করে। সে ঘরে
১৪৬ জনের মধ্যে ১২৩ জন মারা যায়।
১৭৫৬ - ইংরেজদের কাছ থেকে নবাব সিরাজউদ্দৌলার কলকাতা পুনরুদ্ধার।
১৮৩৭ - রানি ভিক্টোরিয়ার সিংহাসনে আরোহণ।
১৮৫৮ - গোয়ালিয়র দুর্গ ব্রিটিশের দখলে গেলে সিপাহি বিদ্রোহের অবসান ঘটে।
১৮৭৫ - জাপান প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ওকিনাওয়া দ্বীপ দখল করে।
১৯১২ - পোলান্ডের বিজ্ঞানী ড. কাসিমির ফুনক প্রথম ভিটামিন আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।
১৯৪৭ - বঙ্গ আইন সভায় বাংলা ভাগের প্রস্তাব গৃহীত হয়।
১৯৭৬ - ইউরোপীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট জয় করেছিল চেকোস্লোভিয়া।
১৯৮১ - ইরানের প্রখ্যাত চিন্তাবিদ ও মুজাহিদ কমান্ডার ড. মোস্তফা চামরান আগ্রাসী ইরাকি সেনাদের সঙ্গে যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৯০ - ইরানের উত্তর ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিতি গিলান ও জানযন শহরে সাত দশমিক তিন মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৫০ হাজারেরও বেশি ইরানি প্রাণ হারান।
১৯৯১ - জার্মানির আইনসভায় রাজধানী বন থেকে বার্লিনে স্থানান্তরের ভোটগ্রহণ করা হয়।
১৯৯১ - পাকিস্তানি তরুণ প্রকৌশলী শাকিল হানাফি পৃথিবীতে সবচেয়ে হালকা বিমান প্রদর্শনের কৃতিত্ব অর্জন করেন।

জন্ম
১৮৬০ - জ্যাক ওরেল, অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও অস্ট্রেলীয় রুলস ফুটবলার।
১৮৬১ - ফ্রেডরিখ গোল্যান্ড হপকিন্স, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ প্রাণরসায়নবিদ।
১৯০৯ - লেখক ও রাজনীতিবিদ পূর্ণেন্দু দস্তিদার।
১৯১১ - সুফিয়া কামাল, বাংলাদেশের প্রথিতযশা কবি, লেখিকা, নারীবাদী ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
১৯১৭ - হেলেনা রাসিওয়া, পোলিশ গণিতবিদ।
১৯২৩ - প্রথিতযশা ভারতীয় বাঙালি সাংবাদিক ও সাহিত্যিক গৌরকিশোর ঘোষ।
১৯২৮ - মার্টিন ল্যান্ডাউ, একজন মার্কিন অভিনেতা, অভিনয়ের কোচ, প্রযোজক ও সম্পাদকীয় কার্টুনিস্ট।
১৯২৯ - অ্যান ওয়েয়ালে, ইংরেজ সাংবাদিক ও লেখক।
১৯৩১ - অলিম্পিয়া ডুকাকিস, গ্রিক মার্কিন অভিনেত্রী।
১৯৩৩ - ড্যানি আয়েলো, মার্কিন অভিনেতা।
১৯৩৯ - রমাকান্ত দেসাই, ভারতীয় ক্রিকেটার।
১৯৪৯ - লিওনেল রিচি, খ্যাতনামা মার্কিন সংগীতশিল্পী, গীতিকার, সুরকার, রেকর্ড প্রযোজক এবং অভিনেতা।
১৯৫০ - নুরি আল-মালিকি, ইরাকি রাজনীতিবিদ ও ৭৬তম প্রধানমন্ত্রী।
১৯৫৪ - অ্যালান ল্যাম্ব, দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংলিশ ক্রিকেটার।
১৯৬৭ - নিকোল কিডম্যান, অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও গায়িকা।
১৯৬৯ - পাওলো বেন্ট, পর্তুগিজ সাবেক ফুটবলার ও ম্যানেজার।
১৯৭১ - জোশ লুকাস, মার্কিন অভিনেতা ও প্রযোজক।
১৯৭২ - ভারতীয় অভিনেতা রাহুল খান্না।
১৯৭৮ - ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড, ইংলিশ ফুটবলার।
১৯৮৭ - আসমির বেগভিক, বসনীয় ফুটবলার।
১৯৮৯ - হাভিয়ের পাস্তোরে, আর্জেন্টিনার ফুটবলার।
১৯৯১ - কালিদু কুলিবালি, সেনেগালিজ ফুটবলার।

মৃত্যু
১৬৬০ - বিখ্যাত ইংরেজ লেখক ড্যানিয়েল ডিফো লন্ডন।
১৮২০ - ম্যানুয়েল বেলগ্রানো, আর্জেন্টিনার অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিবিদ।
১৮৭০ - জুল ডি গনকউরট, ফরাসি লেখক।
১৮৮৫ - সংস্কৃত ভাষার সুপণ্ডিত তারানাথ তর্কবাচস্পতি।
১৯০৬ - জন ক্লেটন অ্যাডামস, ইংরেজ চিত্রশিল্পী।
১৯৪৩ - দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা।
১৯৫০ - অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ক্রিকেটার কদ জেনিংস।
১৯৫৮ - কার্ট আল্ডের, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান রসায়নবিদ।
১৯৬৬ - জর্জ ল্যমেত্র্&zwnj;, বিখ্যাত বেলজীয় বিশ্বতত্ত্ববিদ।
১৯৮৭ - প্রাণিতত্ত্ববিদ ও পক্ষীবিশারদ সালিম আলি।
১৯৯৯ - ক্লিফটন ফাডিমান, মার্কিন লেখক।
২০০০ - চঞ্চল কুমার মজুমদার, শান্তিস্বরূপ ভটনাগর পুরস্কারে সম্মানিত ভারতীয় পদার্থবিজ্ঞানী। বসন্ত চৌধুরী, বাঙালি যুক্তিবাদী সুপণ্ডিত চলচ্চিত্রাভিনেতা।
২০০৫ - জ্যাক সেন্ট ক্লেয়ার কিলবি, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী।
২০১০ - রবার্টো রসাটো, ইতালীয় ফুটবলার।
২০১৩ - জন ডেভিড উইলসন, ইংরেজ অ্যানিমেটোর ও প্রযোজক।
২০২০ - কামাল লোহানী, বাংলাদেশি সাংবাদিক ও সাহিত্যজন, শিল্পকলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক।
সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 20 Jun 2026 07:07:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মহররম মাসে জীবনের জন্য ৫ শিক্ষা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115511" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115511</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পবিত্র কুরআনে মহররমকে চারটি সম্মানিত মাসের অন্যতম হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।হাদিসে এ মাসকে &lsquo;শাহরুল্লাহ&rsquo; বা &lsquo;আল্লাহর মাস&rsquo; বলা হয়েছে, যা এর বিশেষ মর্যাদা ও ফজিলতের প্রমাণ বহন করে।
মহররমের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আশুরার ঐতিহাসিক ঘটনা, কারবালার ত্যাগ, ধৈর্য, সত্যের প্রতি অবিচলতা এবং আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাই এ মাস কেবল ইতিহাস স্মরণ করার সময় নয়; বরং নিজের জীবনকে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে নতুনভাবে গড়ে তোলারও এক অনন্য সুযোগ। মহররম আমাদের এমন কিছু শিক্ষা দেয়, যা একজন মুমিনের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক জীবনকে সমৃদ্ধ করতে পারে। সেসব গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি হলো:-

১. ধৈর্য, ত্যাগ ও সহনশীলতার অনুশীলন
মহররম আমাদের জীবনের কঠিন পরীক্ষাগুলো ধৈর্য ও আল্লাহর ওপর ভরসার মাধ্যমে মোকাবিলা করতে শেখায়। মানুষের জীবন নানা পরীক্ষা ও সংকটে পরিপূর্ণ। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেই একজন মানুষের ঈমান, চরিত্র ও মানসিক দৃঢ়তার প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ পায়। কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনা এবং আশুরার স্মৃতিবিজড়িত ইতিহাস ধৈর্য, ত্যাগ ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সবকিছু বিসর্জন দেওয়ার উজ্জ্বল শিক্ষা বহন করে।

২. জুলুমের বিরুদ্ধে ন্যায়ভিত্তিক সচেতনতা
মহররম আমাদের অন্যায়, জুলুম ও অবিচারের বিরুদ্ধে সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার শিক্ষা দেয়। ইসলাম কখনো জুলুমকে সমর্থন করে না; বরং ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং অবিচারের বিরোধিতা করার নির্দেশ দেয়। কারবালার ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, অন্যায়ের সামনে নীরব থাকা একজন মুমিনের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। তবে ইসলামের শিক্ষা হলো, প্রতিবাদ হতে হবে জ্ঞান, প্রজ্ঞা, ধৈর্য এবং শরিয়তের নির্দেশনার আলোকে, যাতে তা বিশৃঙ্খলা, ফিতনা বা আরও বড় ক্ষতির কারণ না হয়।

৩. সত্য ও ন্যায়ের প্রশ্নে আপসহীন থাকার শিক্ষা
মহররমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা। কারবালার ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে ত্যাগ, আদর্শ ও নৈতিক দৃঢ়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। হজরত হোসাইন (রা.) এমন এক সময়ে সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, যখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা ছিল অত্যন্ত কঠিন। তিনি ক্ষমতা, নিরাপত্তা কিংবা পার্থিব স্বার্থের বিনিময়ে নিজের আদর্শ বিসর্জন দেননি। এ ঘটনা আমাদের শেখায়, একজন মুমিনের মর্যাদা সত্যকে ধারণ করা, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো এবং আদর্শের প্রশ্নে কখনো আপস না করার মধ্যেই নিহিত।

৪. নতুন বছরের শুরুতে আত্মসমালোচনা ও আত্মশুদ্ধি
মহররম একজন মুমিনকে নিজের জীবন নতুনভাবে মূল্যায়নের সুযোগ করে দেয়। একটি বছর শেষ হয়ে আরেকটি বছরের সূচনা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে জীবন থেকে আরও একটি বছর কমে গেল এবং আমরা আখিরাতের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলাম। তাই এ সময় বিগত বছরের আমল, সফলতা ও ব্যর্থতার হিসাব নেওয়া, ভুল-ত্রুটির জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করা এবং আগামী দিনগুলোকে আরও সুন্দর ও কল্যাণময় করে গড়ে তোলার দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করা একজন সচেতন মুসলমানের দায়িত্ব।

৫.আল্লাহর নির্দেশের প্রতি নিঃশর্ত আনুগত্য
মহররম আমাদের শেখায়, আল্লাহর আদেশের প্রতি নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণই প্রকৃত ঈমানের পরিচয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) এ মাসকে &lsquo;শাহরুল্লাহ&rsquo; বা &lsquo;আল্লাহর মাস&rsquo; বলে অভিহিত করেছেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১১৬৩)
যখন একজন মুমিন উপলব্ধি করেন যে আল্লাহ নিজেই এ মাসকে বিশেষ সম্মান দান করেছেন, তখন তাঁর অন্তরে এ মাসের প্রতি শ্রদ্ধা ও ইবাদতের আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পায়। তাই মহররম আমাদের বেশি বেশি নফল রোজা, তওবা, ইস্তিগফার, জিকির এবং নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের আহ্বান জানায়।
সান নিউজ/ আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 20 Jun 2026 06:16:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বড়পুকুরিয়া রেল ক্রসিং পারাপারের রাস্তাটির বেহাল অবস্থা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115214" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115214</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া রেল ক্রসিং পারাপারের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটির বেহাল অবস্থা। জটিলতা থাকায় রাস্তার কাজটি সম্পূর্ণ হচ্ছে না, এ নিয়ে কারও মাথা ব্যথা নেই।

প্রায় ৮ শতক জায়গা নিয়ে চলছে দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাথে মালিকানা নিয়ে মামলা । শিবনগর ইউপির মজিদপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ডা. স্বপনের সাথে ৮ শতক জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাথে মামলা চলছে। বর্তমান মামলাটি হাইকোর্টে চলমান রয়েছে।

এ কারণে রেল ক্রসিং থেকে প্রায় ৩০০ ফিট রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

প্রতিদিন পার্বতীপুর ও সৈয়দপুর এবং নীলফামারি থেকে শত শত যানবাহন এই রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করছে। বর্তমান এ অবস্থায় দাড়িয়েছে প্রতিদিন সেখানে দূর্ঘটনা ঘটছে ।

মামলা চলাকালীন অবস্থায় সড়ক ও জনপদ বিভাগ রাস্তটি কোনোভাবে মেরামত করছে না । জমির মালিক ডা. স্বপন তার জায়গাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগকে দিতে চাইলেও তারা জায়গাটি সরকারি ভাবে ক্রয় করছে না। এ কারণে জন দূর্ভোগ বেড়ে গেছে ।

গত ৪ বছরে রেল ক্রসিং এ গাড়ী আটকা পড়ে বেশ কয়েকটি বড় দূর্ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ জহির বানিয়ার সাথে কথা বললে তিনি জানান , এই জায়গাটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাথে মামলা চলছে জমির মালিক ডা. স্বপনের।

স্থানীয় জন সাধারণ জানান, প্রায় ১ যুগ ধরে এই দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদেরকে । এ ব্যাপারে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা জানান, এই রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ খনির সমন্ত যানবাহন রেল ক্রসিং করে চলাচল করে । খনির গেট থেকে রেল ক্রসিং মাত্র ১৫০ ফিট আর রেল ক্রসিং এর পর থেকে প্রায় ২০০ ফিট পর্যন্ত রাস্তাটিতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

বর্তমান বর্ষাকাল এক হাঁটু পানি জমে থাকছে। পানি নিষ্কাষণের কোনো জায়গা নেই। এ ব্যাপারে অতি জরুরী রাস্তাটি মেরামত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দিনাজপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর দৃষ্টি কামনা করছেন স্থানীয় বিভিন্ন মহল।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 10 Jun 2026 13:44:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দিনাজপুরে বোরো মৌসুমে ধান কাটা শেষ, খরচ বাড়ায় বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বগতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115149" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115149</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দিনাজপুর জেলায় চলতি বোরো মৌসুমে খরচ বাড়ায় বাজারে চালের দাম বেড়েছে। চলতি মাসে বস্তা প্রতি চালের দাম বেড়েছে ১৫০-৩০০ টাকা। দিনাজপুরের চাল উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বিদ্যুতের লোডশেডিং এর কারণে চাল উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। বাজারে চালের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে চালের ব্যবসায়ীরা জানান। চলতি মাসে ইরি বোরো মৌসুম মানেই সাধারণত চালের বাজারে স্বস্তির বার্তা থাকলেও নতুন ধান কৃষকেরা কাটার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে চালের সরবরাহ বাড়ে। আবার চালের দাম কিছুটা কমলেও এখন এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম বেড়ে গেছে। অন্যতম বৃহৎ ধান উৎপাদন কারি জেলা হচ্ছে দিনাজপুর। এবার ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও বাজারে তার সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র এই ভরা মৌসুমে লাগামহীন হয়ে উঠেছে চালের বাজার সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ কেজির বস্তা প্রতি ১৫০-৩০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে। বিভিন্ন জাতের ধানের চাল বাজারে উঠলেও দাম কমেনি। বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি পাইলেও সাধারণ ভোক্তারা চাপে পড়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন ভরা মৌসুমে চালের দাম না কমার পিছনে নানান কারণ রয়েছে। চালের মূল্যবৃদ্ধির পিছনে রয়েছে ধানের দাম বৃদ্ধি, পরিবহন খরচ, জ&brvbar;ালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুতের বাড়তি খরচ এবং ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারণে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেছে। এর প্রভাব পড়ছে বাজারের খুচরা চাল ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

দিনাজপুরের সবচেয়ে বৃহৎ চালের মোকাম বাহাদুর বাজার সেখানে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, মিনিকেট চালের ৫০ কেজির বস্তায় ৩ হাজার ১ শত টাকায়, বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৩ শত টাকা। আঠাশ চাল বস্তা প্রতি ২ হাজার ৭ শত টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৮ শত ৫০ টাকা, উনত্রিশ জাতের চাল ২ হাজার ৫ শত টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৬ শত টাকা, স্বর্ণা চাল ২ হাজার ২ শত ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৫ শত টাকা এবং চিনিগুঁড়া চালের বস্তা ৭ হাজার থেকে বেড়ে ৭ হাজার ৪ শত টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন মৌসুমের শেষের দিকে বাজারে ধান সরবরাহ কমে আসায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বাজারে যে পরিমাণ ধান রয়েছে তার বড় অংশ মজুত কারীদের নিয়ন্ত্রণে। তারা নিজস্ব গুদামে মজুত করছে ধান। ফলে ধানের দাম বাজারে হুঁ হুঁ করে বাড়ছে। কারণ অটো রাইচ মিলগুলি ধান ক্রয় করে মজুত করে অটো রাইস মিল গুলি চালু রাখতে হচ্ছে। ধানের মজুত না করলে মিলগুলি চালাতে পারবে না, এতে তাদের গুণতে হবে ক্ষতি। দিনাজপুরের ১৩ টি উপজেলায় ছোট বড় মিলে প্রায় ২ হাজার চাল কল রয়েছে। এর মধ্যে ৩ শতটি অটো রাইস মিল। প্রতিদিন ৬-৭ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হতো বর্তমান উৎপাদন নেমে এসেছে ৩-৪ হাজার মেট্রিক টনে, প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, মিল মালিকদের এ ভাষ্য।

উৎপাদনের একটি বড় অংশই এখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নির্ভর, একটি অটো রাইস মিলে প্রায় ১৫ শতাংশ ব্যয় হয় বিদ্যুৎ খাতে। তারা গত বছর ধান মজুত করে রেখে মিল চালিয়ে বাজারে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর মধ্যে অনেক মিল সরকারের সাথে চাল সরবরাহের জন্য চুক্তি বদ্ধ রয়েছে। সেখানেও তাদের ক্ষতি হয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা যেহেতু তারা বেশি দামে ধান ক্রয় করে রেখেছিল। বর্তমান বাজারে হঠাৎ করে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এ সব কারণে।

ফুলবাড়ী উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অটো মিলের মালিক শ্রী রাজেন্দ্র প্রসাদ বলেন, ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত চালের বিক্রয়ে লাভ করছে তা এমনটা নয়। আমরা বিভিন্ন কারণে এবং সমস্যার মধ্যে অল্প লাভে মিল গেট থেকে চাউল বাজারে সরবরাহ করছি ব্যবসায়ীদের কাছে। চাল ব্যবসায়ীরা সেখান থেকে ক্রয় করে নিয়ে গোডাউনে রেখে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছে।

একইভাবে ফুলবাড়ী পৌরসভা খোলা বাজারের চাল ব্যবসায়ী শ্রী জয়প্রকাশ বলেন, কয়েক হাত বদল হয়ে চাল কিনে খোলা বাজারে আমরা চাল বিক্রি করছি সেখানে ১০-২০ টাকা দাম তো বাড়বে। এই দিকে বাজারের ধানের দাম দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভরা মৌসুম শেষ হওয়ার মধ্যে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 08 Jun 2026 12:22:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৪৫ বছর ধরে বিনামূল্যে গাছ দিয়ে বেড়াচ্ছেন মাদারীপুরে রাজন মাহমুদ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115089" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/115089</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য ৪৫ বছর ধরে বিনামূল্যে গাছ দিয়ে বেড়াচ্ছেন মাদারীপুরের রাজন মাহমুদ। যার ধ্যান, জ্ঞান, প্রেম সবই গাছকে ঘিরে। পকেটে টাকা না থাকলেও অনেক সময় ধার করে হলেও গাছের পিছনে ব্যয় করেন তিনি। বিনা টাকায় গাছের চারা বিতরণের পাশাপাশি &lsquo;পরিবেশ বাঁচাও&rsquo; যুদ্ধে নেমেছেন তিনি। পুকুর, খাল, পাখি রক্ষার ব্যাপারেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। এজন্য জেলায় অনেকেই তাকে পরিবেশবাদী বলে চিনেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার ২নং শকুনি এলাকার আনোয়ার হোসেন খান ও সুলতানা রিজিয়ার বড় ছেলে রাজন মাহমুদ। তিনি কিশোর বয়স থেকেই গাছের প্রতি আলাদা একটা আগ্রহ ছিলো। সেই আগ্রহ থেকেই তার গাছের জন্য প্রবল ভালোবাসার জন্ম হয়। এরপর ১৯৮০ সালের শুরু দিকে বাবা আনোয়ার হোসেন খান ও ছেলে রাজন মাহমুদ শখের বশেই গড়ে তোলেন ব্যক্তিগত নার্সারি। সেই নার্সারিতে তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন চারা বিনা টাকায় বিতরণ করা হতো মানুষজনের মধ্যে। তাছাড়া যার যখন যেই গাছটি পছন্দ হতো, তা চাইলেও তাদের দেয়া হতো। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হতো।

এভাবেই দীর্ঘ দিন পর ২০০১ সালে &lsquo;নিউজ ফরম ইসরাইল&rsquo; নামে একটি মাসিক পত্রিকায় পরিবেশের উপর বিভিন্ন সংবাদ পড়ে প্রেরণা পেয়ে তিনি তৈরি করেন একটি সংগঠন। নাম দেন ফ্রেন্ডস অভ নেচার। যা মাদারীপুর জেলায় একমাত্র পরিবেশবাদী সংগঠন হিসেবে খ্যাতি ও পরিচিতি রয়েছে।

সেই থেকে নতুন উদ্যমে শুরু হয় রাজন মাহমুদের পরিবেশ বাঁচাও যুদ্ধ। কোথাও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হতে দেখলে ছুটে যান তিনি। মাদারীপুরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী শকুনি লেকের উপর কাজ করেছেন। লেকের পরিবেশ নষ্ট হবার ব্যাপারে প্রতিবাদ করেছেন নির্বিঘ্নে। পাশাপাশি লেক উন্নয়নের নামে শতাধিক পুরোনো গাছ কাটার ব্যাপারে প্রতিবাদ জানান। এতে করে এখনও লেকেপাড়ে কিছু পুরোনো গাছ পরিবেশ রক্ষার জন্য দাঁড়িয়ে আছে। তিনি প্রতিবাদ না জানালে লেকের বাকী পুরোনো গাছগুলো রক্ষা পেতো না।

আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে স্থানীয় এমপি মাদারীপুর শহরের ১ নং পুলিশ ফাড়ি সংলগ্ন পুরোনো ঐতিহ্যবাহী পুকুরটি ভরাট করতে চাইলে প্রথমে প্রতিবাদ জানান তার সংগঠন ফ্রেন্ডস অব নেচারের ব্যানারে রাজন মাহমুদ। পরবর্তীতে তৎকালীন মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেই পুকুর ভরাট থেকে রক্ষা পায়। দীর্ঘ বছরের কাজের পরিধিতে এমন উদাহরণ রয়েছে অনেক।

এছাড়াও পাখি রক্ষার জন্য বিভিন্ন গাছে গাছে মাটির হাড়ি দিয়ে পাখির বাসা বানিয়ে দিয়েছেন। বর্ষা মৌসুমে বিভিন্ন বিলে নিজ টাকায় মাছের রেনু পোনা কিনে অবমুক্ত করেন। নানা পরিস্থিেিত বিভিন্ন সময় খাল ভরাট এবং পানি নিষ্কাশন ড্রেনেস সিস্টেম বন্ধ থাকার প্রতিবাদ করায় জেলায় তাকে পরিবেশবাদী বলে চিনে থাকেন। এছাড়াও জেলার ঐতিহ্যবাহী স্থান, বিলুপ্ত গাছ, মাছ, জীবজন্তুসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে নেমে পড়েন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজন মাহমুদের বাড়ির ছাদে রয়েছে নানা ফুল ও ওষুধি গাছের সংগ্রহ, রয়েছে বিভিন্ন জাতের ক্যাকটাস। বাড়ির পাশে পারিবারিক জায়গায় গড়ে তুলেছেন নার্সারি। এখান বসে বিভিন্ন চারা উৎপাদন করেন তিনি। আর তাকে এই কাজে সহযোগিতা করেন বিদেশ ফেরত প্রতিবেশী সাখাওয়াত হোসেন মামুন ও স্থানীয় নুরু খা। বর্তমানে এই তিনজন মিলে বিভিন্ন চারা উৎপাদন করে পরে তা বিনামূল্যে বিতরণ করেন। শহরের অনেকেই বাড়িতে গাছ লাগাতে চাইলেও মাটির অভাবে লাগাতে পারেন না। সেক্ষেত্রেও তিনি নিজে মাটি কিনে, টপ কিনে গাছ লাগানোর উপযোগী করেন। পরে এগুলো তাদের বিনামূল্যে দেয়া হয়।

এছাড়াও তার বাড়ির পিছনে রয়েছে সবজির বাগান। সেখানেও তিনি নানা ধরনের সবজি চাষ করেন। বর্তমানে তিনি মাদারীপুর কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ৫০০ বস্তায় আদা চাষের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। ইতোমধ্যেই আদা চাষ করা হয়েছে।

এছাড়াও তিনি এক সময় বাড়ির পুকুরে ২০/২৫টির মতো গুঁইসাপ ও মেহগনির বাগানে বেশ কিছু বেজি ও শিয়াল পালতেন। গুইসাপের জন্য মাছ কিনে খাওয়াতেন আর শিয়াল ও বেজিদের জন্য মুরগি কিনে খাওয়াতেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে লোকালয় বেড়ে যাওয়া গুঁইসাপ, বেজি ও শিয়ালগুলো আস্তে আস্তে অন্যত্র চলে যায়। তবে এখনও তিন চারটা গুঁইসাপ ও বেশ কিছু বেজি আছে। আরো রয়েছে তার ব্যক্তিগত লাইব্রেরি। লাইব্রেরিতে বিভিন্ন ধরনের বইসহ ম্যাগাজিনের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। অনেকেই এখান থেকে বই নিয়ে পরে থাকেন।

এ ব্যাপারে রাজন মাহমুদ বলেন, আমরা আমাদের উপকারী কাছের বন্ধু বিভিন্ন ভেষজ গাছের উপর থেকে আস্থা হারিয়ে এলোপেথিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার দিকে ঝুঁকে পড়েছি। অথচ আমাদের দাদা-দাদীর যুগে তারা গাছ গাছড়া ভেষজ চিকিৎসার উপরে নির্ভরশীল ছিলেন। এজন্য তারা সুস্থাস্থ্যের অধিকারী ছিলেন এবং নীরোগ দেহে দীর্ঘায়ু পেয়েছিলেন। ফ্রেন্ডস অভ নেচারের আগামী দুই বছরের পরিকল্পনা মাদারীপুর জেলায় প্রতিটি বাড়িতে বিনা মূল্যে ১০টি ভেষজ গাছ জন্মাবার নিশ্চয়তা প্রদান। নিম. উলটকম্বল, পাথরকুচি, বাসক, তুলসী, কালোমেঘ, দুধআকন, গন্ধভাদালী, এলোভেরা, আমলকী, নিম, অর্জুন, অগ্নিশ্বর, তেলাকুচা ও গাদা ফুল, নয়নতারা, জবা, অপারাজিতা যা অযত্ন&oelig; অবহেলায় বেড়ে উঠে এবং, মানুষের সাধারণ কিছু প্রতিনিয়ত হওয়া রোগের নিরাময়ের কাজে লাগে। ভেষজ চিকিৎসার কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। প্রতিটি মানুষকে পরিবেশ সচেতন, স্বাস্থ্য সচেতন, পুষ্টি সচেতন এবং দুর্নীতি মুক্তি হওয়ার চেষ্টায় ফ্রেন্ডস অভ নেচারের আন্দোলন। তিনি আশা করেন একদিন সবাই এই আন্দোলনে সমস্ত তরুণ ও যুব সমাজ সহ সকল জেলাবাসী সম্পৃক্ত হবে এবং মাদারীপুরসহ সারা বাংলাদেশ সুন্দর সমৃদ্ধ হয়ে উঠবে।

গাছ লাগানোর সহযোগী সাখাওয়াত হোসেন মামুন বলেন, মাদারীপুর সদর উপজেলার ২নং শকুনি এলাকায় মায়াবন নামে তার বাসভবনের ছাদে ও পাশে অনেক গাছ লাগিয়েছেন। ছাদটি সব সময় ফুলে ভরে থাকে। আমি দীর্ঘদিন বিদেশ থাকার পর দেশে আসি। এসে তার এই গাছ ও বিনামূল্যে গাছ বিতরণসহ পরিবেশ নিয়ে কাজ করা দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই। পরে আমিও তার সাথে এই কাজ শুরু করি। সখের বশে আমি তার সাথে এই কাজ করলেও এটা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্ববহন করে।

মাদারীপুরের হাজির হাওলা গ্রামের মিথিলা মোহসিন বলেন, আমার কিছু টপের প্রয়োজন হয়। রাজন মাহমুদ তা ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারেন। পরে তিনি আমাকে ২০টি টপ দিয়েছেন। শুধু টপ না, টপের মধ্যে গাছ লাগানোর জন্য প্রক্রিয়াধীন মাটিও ছিলো। সেই সাথে তার ছাদ বাগান থেকে বেশ কিছু গাছও আমি বিনা টাকায় নিয়ে যাই। বর্তমান যুগে কেউ টাকা ছাড়া এভাবে গাছ দেয়না। তার গাছের প্রতি এমন ভালোবাসা দেখে আমরা মুগ্ধ হই। তাকে দেখে গাছ লাগানোর প্রতি আগ্রহ আরো বেড়ে যায়।

মাদারীপুর ২ নং শকুনি এলাকার রাবেয়া সুলতানা বলেন, আমি তার কাছে বিভিন্ন ফুল গাছের ডাল চাইলে তিনি বিনামূল্যে অনেকগুলো গাছ টপসহ দিয়ে দেন।

আরেক বাগানী মেহেদি হাসান রকিব বলেন, বর্তমানে কেউ টাকা ছাড়া এমনি এমনি গাছ দেয় না। সবার ভিতরে গাছ বিক্রির একটা প্রবণতা আছে। কিন্তু রাজন মাহমুদকেই দেখলাম তিনি বিনা টাকায় গাছ দিয়ে থাকেন। তাকে দেখে আমি এই ব্যাপারে উৎসাহ পাই।

মাদারীপুর সদর উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আল-আমিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজন মাহমুদের সাথে পরিচয়। তিনি আমাদের সহযোগিতায় ৫০০ বস্তায় আদা চাষের প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। ইতোমধ্যেই আদা চাষ শেষ হয়েছে। তাছাড়া তিনি বিভিন্ন সময় বিনা টাকায় গাছ দিয়ে থাকেন। এটা খুবই ভালো উদ্যোগ। একটি গাছও যদি বেচে থাকে, তাহলে তা পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ করে। তাকে দেখে অন্যরা গাছ লাগানোর প্রতি উৎসাহ হবেন।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 04 Jun 2026 13:01:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিভিন্ন দেশে আলোচিত ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114893" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114893</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামানুসারে বাংলাদেশে একটি মহিষের নামকরণ করা হয়। এরপর এটি দেশের অন্যতম আলোচিত বিষয়ে পরিণত হয়। এই আলোচনা এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও পৌঁছে গেছে। বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানে মহিষটি ভাইরাল হয়েছে। এরসঙ্গে এ মহিষের খবর প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, জর্ডান ও যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যমও।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট তাদের শিরোনামে লিখেছে &lsquo;বাংলাদেশে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু মহিষ দেখতে মানুষের ভিড়।&rsquo;

থাইল্যান্ডের ব্যাংকক পোস্ট লিখেছে, &lsquo;বাংলাদেশে ডোনাল্ড ট্রাম্প নামের মহিষ ভাইরাল।&rsquo;

জর্ডানের রয়া নিউজ লিখেছে, &lsquo;বাংলাদেশে ডোনাল্ড ট্রাম্প নামের মহিষ নজর কেড়েছে সবার।&rsquo;

ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া লিখেছে, &lsquo;ঈদের আগে নেট দুনিয়ায় আলোড়ন তুলেছে বাংলাদেশের ডোনাল্ড ট্রাম্প নামের মহিষ।&rsquo;

যুক্তরাষ্ট্রের এমএসএন তাদের শিরোনামে লিখেছে, &lsquo;বাংলাদেশে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মতো দেখতে মহিষ নজর কেড়েছে সবার।&rsquo;

প্রায় ৭০০ কেজি ওজনের এলবিনো জাতের মহিষটি শুধু নামই নয়, এটির মাথার সামনের লম্বা লালচে-সোনালি চুলও অনেকের কাছে ট্রাম্পের চুলের স্টাইলের কথা মনে করিয়ে দেয়। আর সেই মিল থেকেই খামার কর্তৃপক্ষ আদর করে এর নাম দিয়েছে &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo;।

নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া এলাকার রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে মহিষটি সবার নজরে আসে। এরপর সেকানে অনেকে এটিকে দেখতে ভিড় জমান।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 19 May 2026 10:54:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টাইটানিক ডুবিয়ে দেওয়া হিমশৈল যেভাবে তৈরি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114856" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114856</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[১৯১২ সালের ১৪ এপ্রিল রাত ১১টা ৪০ মিনিট। উত্তর আটলান্টিকের শান্ত কিন্তু হাড় কাঁপানো শীতের রাতে বিশাল এক হিমশৈলের (আইসবার্গ) সঙ্গে ধাক্কা লেগে ডুবে গিয়েছিল তৎকালীন বিশ্বের বৃহত্তম জাহাজ আরএমএস টাইটানিক। ২০ দশমিক পাঁচ নট গতিবেগে ছুটে চলা টাইটানিক জাহাজটি মাঝসাগরে তীব্রগতিতে আঘাত করলেও সেই হিমশৈল প্রায় অক্ষত ছিল।

স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব আমেরিকান হিস্ট্রির গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, যে হিমশৈলের আঘাতে টাইটানিক ধ্বংস হয়েছিল, সেটি সাধারণ বরফখণ্ড ছিল না। ১৯০৯ সালে গ্রিনল্যান্ডের একটি হিমবাহ থেকে বিশাল এক বরফখণ্ড ভেঙে সাগরে পড়েছিল। বিশাল সেই বরফখণ্ড থেকেই তৈরি হয় টাইটানিককে ডুবিয়ে দেওয়া ভয়ংকর হিমশৈলটি। ১৯০৯ সালে যখন সাগরে ভাসছিল হিমশৈলটি, প্রায় একই সময়ে উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে শুরু হয়েছিল টাইটানিক জাহাজ তৈরির কাজ। টাইটানিক ছিল হোয়াইট স্টার লাইনের তিন যমজ জাহাজের একটি।

১৯১০ সালে হিমশৈলটি আরও উত্তর মেরুর দিকে চলে যায়। এরপর এটি ল্যাব্রাডর কারেন্ট নামের শীতল স্রোতের কবলে পড়ে দক্ষিণ দিকে যাত্রা শুরু করে। আটলান্টিকের ৪১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে পৌঁছানোর পরই মূলত টাইটানিকের চলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় হিমশৈলটি। অধিকাংশ হিমশৈল এক বা দুই বছরের মধ্যে গলে গেলেও এটি টিকে ছিল প্রায় তিন বছর।

টাইটানিক জাহাজের নকশাকারীদের বিশ্বাস ছিল, টাইটানিকের পানিরোধক প্রকোষ্ঠগুলো জাহাজটিকে সব সময় ভাসিয়ে রাখবে। কিন্তু হিমশৈলের সঙ্গে আঘাতে ফলে জাহাজের ডান দিকের নিচের অংশে থাকা পাঁচটি প্রকোষ্ঠ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। যদি কেবল একটি বা দুটি প্রকোষ্ঠ ক্ষতিগ্রস্ত হতো, তবে টাইটানিক হয়তো ভেসে থাকত। কিন্তু পাঁচটি প্রকোষ্ঠে পানি ঢুকে পড়ায় জাহাজের সামনের অংশ ভারী হয়ে সমুদ্রের নিচে তলিয়ে যেতে শুরু করে। উদ্ধারকারী জাহাজ কার্পেথিয়া যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, তখন সেখানে হিমশীতল নীরবতা ছাড়া আর কিছুই ছিল না। কার্পেথিয়ার যাত্রী বার্নিস পামার সে সময় হিমশৈলটির একটি ছবি তুলেছিলেন, যা বর্তমানে ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব আমেরিকান হিস্ট্রিতে সংরক্ষণ করা আছে।

গবেষক ড্যানিয়েল স্টোন বলেন, বিয়োগান্তক ঘটনাটি না ঘটার সম্ভাবনাই বেশি ছিল। তিন বছর ধরে সাগরে ভাসতে থাকা হিমশৈলটি গলে গিয়ে আয়তনে অনেক ছোট হয়ে আসছিল। হিসাব অনুযায়ী, আঘাত হানার সময় সেটির আয়ু বড়জোর আর এক থেকে দুই সপ্তাহ বাকি ছিল। শুধু তাই নয়, টাইটানিক যদি এক ঘণ্টা পরে সেখানে পৌঁছাত অথবা হিমশৈলটি কয়েকশ ফুট দূরে থাকত, তাহলে হয়তো এ ইতিহাস অন্যভাবে লেখা হতো।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 17:20:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সূর্য থেকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী শিখা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114801" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114801</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সূর্য থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী সৌর শিখা পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। শক্তিশালী এই সৌর শিখার প্রভাবে উত্তর গোলার্ধের বিভিন্ন অংশে বেতার যোগাযোগে বিঘ্ন ও আকাশে চোখধাঁধানো মেরুজ্যোতি বা অরোরা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই সৌর শিখার উৎস হলো সূর্যের এআর৪৪৩৬ নামক একটি সক্রিয় সানস্পট বা সৌর কলঙ্ক অঞ্চল। এই অঞ্চল বর্তমানে ঘূর্ণন প্রক্রিয়ায় সরাসরি পৃথিবীর দিকে মুখ করে অবস্থান করছে।

শক্তিশালী সৌর শিখার পাশাপাশি সূর্য থেকে একটি করোনাল মাস ইজেকশন নামের চার্জিত কণার মেঘও মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও এই কণার মেঘটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে আংশিকভাবে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবু এর সামান্য সংস্পর্শও পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারে। সৌর শিখাটি মহাকাশ বিজ্ঞানের ভাষায় মাঝারি থেকে শক্তিশালী পর্যায়ের। সৌর শিখা থেকে নির্গত তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ আলোর গতিতে ভ্রমণ করে থাকে।

সূর্য থেকে নির্গত হওয়া বিশাল চৌম্বকীয় কণার মেঘ বা সিএমই বর্তমানে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার বেগে মহাশূন্যে ছুটে চলছে। নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, এই মেঘের বড় অংশটি হয়তো পৃথিবীর কক্ষপথের পেছন দিয়ে চলে যাবে। তবে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে মেঘটির সংঘর্ষের আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদি এই কণাগুলো পৃথিবীর চৌম্বক মণ্ডলে আঘাত হানে, তবে তা ভূচৌম্বকীয় অস্থিরতা তৈরি করবে, যার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে মেরুজ্যোতির মাধ্যমে।

বিশাল চৌম্বকীয় কণার মেঘ যদি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে স্পর্শ করে, তবে মেরুজ্যোতি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষিণ দিকে দৃশ্যমান হতে পারে। যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে উত্তর স্কটল্যান্ডসহ যুক্তরাজ্যের উত্তরাঞ্চলে অরোরা দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও উত্তরের রাজ্যগুলোয় আবছা মেরুজ্যোতি দেখা যেতে পারে। বায়ুমণ্ডলে এই কণাগুলোর মিথষ্ক্রিয়ার ফলে আকাশে নরম সবুজ বা লাল রঙের ঢেউয়ের মতো আলো খেলা করতে পারে।

বর্তমানে বিভিন্ন দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা চৌম্বকীয় কণার মেঘটির গতিপথ পর্যবেক্ষণ করছে। বর্তমান মডেল অনুযায়ী, খুব ভয়াবহ কোনো ভূচৌম্বকীয় ঝড়ের আশঙ্কা নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্য নিয়মিতভাবে এ ধরনের শক্তি নির্গত করে এবং পৃথিবী মাঝেমধ্যে সেই শক্তির পথেই অবস্থান করে। আপাতত বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই, তবে বেতার যোগাযোগে সামান্য গোলযোগ বা হালকা মেরুজ্যোতির ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 17:26:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারতে বিরল ছত্রাক ‘আর্থ ম্যাঙ্গো’কে ঘিরে কৌতূহল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114722" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114722</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের কেরলের পালক্কাদ জেলায় মাটির নিচে মাশরুমসদৃশ অদ্ভুত কাঠামোর সন্ধান পাওয়া গেছে। বর্তমানে বিজ্ঞানী, জীববৈচিত্র্য গবেষক ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় আগ্রহীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে তা।

জেলার কারাকুরুসি গ্রামে চাষাবাদের জন্য মাটি খোঁড়ার সময় এক কৃষক মাটির নিচে মাশরুমসদৃশ অস্বাভাবিক কাঠামোগুলো খুঁজে পান। প্রাথমিকভাবে এগুলোকে খুব সাধারণ মনে হলেও, গবেষকেরা এগুলোকে স্ক্লেরোটিয়াম স্টিপিট্যাটাম নামের বিরল ভূগর্ভস্থ ছত্রাক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। স্থানীয় ভাষায় এটি নিলামাঙা বা আর্থ ম্যাঙ্গো নামে পরিচিত।

আর্থ ম্যাঙ্গো নামটি শুনলে মনে হতে পারে মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা কোনো হারানো ফল। কিন্তু বাস্তবে এটি একটি বিরল ছত্রাক যা মাটির পৃষ্ঠের নিচে গোপনে বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে উঁইপোকার ঢিবি বা উঁইপোকা সমৃদ্ধ এলাকায়। গবেষকদের মতে, ভারতে ভূগর্ভস্থ ছত্রাক নিয়ে খুব কম গবেষণা হওয়ায় এ ধরনের আবিষ্কার এখন বেশ বিরল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাধারণ মাশরুম মাটির ওপরে দৃশ্যমান হলেও, এই ছত্রাক মাটির নিচেই বিকশিত হয়। আর তাই ছত্রাকটি শনাক্ত করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক অবস্থায় গবেষণা করা কঠিন। কেরলের বিভিন্ন অংশে ছত্রাকটি নিলামাঙা এবং চিতলকিঝাঙ্গু নামে পরিচিত। তবে এর আকৃতি ও মাটির নিচের অবস্থানের কারণেই একে মাটির আম বলা হয়। প্রকৃত আমের সঙ্গে এর কোনো উদ্ভিদতাত্ত্বিক সম্পর্ক নেই।

স্থানীয় লোকজ বা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসায় ছত্রাকটির ওষুধি গুণের কথা প্রচলিত থাকায় এটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ওই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস, এটি কাশি, সর্দি, পেটের সমস্যা, জন্ডিস, কানের ব্যথা ও শরীরের ব্যথার প্রতিকার হিসেবে কাজ করে।

তবে গবেষকেরা এই দাবিগুলোর বিষয়ে সতর্ক করেছেন। বর্তমানে এই ছত্রাক কোনো নির্দিষ্ট রোগ নিরাময় করতে পারে এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ অত্যন্ত সীমিত। তবু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছত্রাক অনেক সময় এমন জৈব-সক্রিয় উপাদান ধারণ করে, যা ওষুধশিল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। পেনিসিলিনের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক মূলত ছত্রাক গবেষণা থেকেই এসেছে। সেই সম্ভাবনা থেকেই স্ক্লেরোটিয়াম স্টিপিট্যাটামের মতো বিরল প্রজাতি নিয়ে বিস্তারিত গবেষণার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

গবেষকদের মতে, এই ছত্রাকের সঙ্গে উঁইপোকাসমৃদ্ধ মাটির একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এটি এমন এলাকায় জন্মে যেখানে উঁইপোকার সক্রিয়তা বেশি। আর তাই ধারণা করা হচ্ছে, উঁইপোকা সম্ভবত ছত্রাক বৃদ্ধির জন্য উপযোগী মাটির পরিবেশ তৈরি করে অথবা ছত্রাকটি উঁইপোকার কলোনিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ভূগর্ভস্থ বাস্তুসংস্থানের ওপর কোনোভাবে নির্ভরশীল। এ ছাড়া কেরলের বর্ষা ও পরবর্তী সময়ে মাটির আর্দ্রতা এই ছত্রাকের বিকাশে বড় ভূমিকা পালন করে। প্রতিবছর পরিবেশগত অবস্থার পরিবর্তনের কারণে এই ছত্রাকের উপস্থিতি আগে থেকে অনুমান করা বা কৃত্রিমভাবে চাষ করা অত্যন্ত দুরূহ।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 07:51:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ত্যাগের আলোয় গড়া সফল মা নাসিমা নাসরিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114711" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114711</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজের স্বপ্নকে বিসর্জন দিয়ে সন্তানের স্বপ্ন গড়ার নামই যেন মা। সেই সত্যের এক জীবন্ত উদাহরণ নাসিমা নাসরিন&mdash; একজন সংগ্রামী মা; যিনি অবিচল সাহস, ধৈর্য আর অগাধ ভালোবাসা দিয়ে গড়ে তুলেছেন তার দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ।

অভাব-অনটনে ঘেরা সংসার। প্রতিদিনের হিসাব মেলানোই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবু সন্তানের পড়াশোনার ব্যাপারে কখনো আপস করেননি তিনি। মেয়ের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে একসময় নিজের প্রিয় সোনার গয়না পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। সেই গয়না ছিল তার জীবনের স্মৃতি, ভালোবাসা&mdash; তবু সন্তানের ভবিষ্যতের কাছে সবকিছুই তুচ্ছ হয়ে যায় তার কাছে।

মায়ের সেই ত্যাগ আর অনুপ্রেরণায় মেয়ে অন্যা এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ অর্জন করে। এরপর ধাপে ধাপে এগিয়ে গিয়ে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে মাস্টার্স সম্পন্ন করে এবং বর্তমানে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত।

অন্যদিকে, ছেলে অতনুও উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে নিজের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।

এই দীর্ঘ পথচলায় নাসিমা নাসরিনকে পাড়ি দিতে হয়েছে অসংখ্য বাধা। সংসারের চাপ, আর্থিক সংকট, সমাজের কটু কথা&mdash;সবকিছুই ছিল তার নিত্যসঙ্গী। আমাদের এই অবস্থানে নিয়ে আসতে গিয়ে তিনি অনেক সময় নিজের সম্মানও বিসর্জন দিয়েছেন, তবু কখনো পিছু হটেননি। কারণ তার কাছে সবার আগে ছিল তার সন্তানদের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ&mdash;নিজের সব শখ-আহ্লাদ তিনি ত্যাগ করেছেন তাদের জন্য।

আজ তিনি গর্ব করে বলেন&mdash; তিনি সফল। কারণ তার দুই সন্তানই গ্র্যাজুয়েট, নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।

অসংখ্য দুঃখ-কষ্ট আর ত্যাগের আগুন পেরিয়ে আজ নাসিমা নাসরিন শুধু একজন মা নন&mdash;তিনি এক অনুপ্রেরণার নাম, এক অদম্য নারীর প্রতিচ্ছবি।

মায়ের ত্যাগ কখনো হারিয়ে যায় না&mdash;সন্তানের সাফল্যের মাঝেই তার প্রতিফলন ঘটে। সন্তানের স্বপ্ন পূরণেই যার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি&mdash; তিনি নাসিমা নাসরিন।

লেখক: সাংবাদিক।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 04:02:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[উট যেভাবে গরমেও বাঁচে ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114650" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114650</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জলবায়ু পরিবর্তনের এই যুগে বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহ সাধারণ ঘটনায় পরিণত হচ্ছে। এর মাঝেও মরুভূমির জাহাজখ্যাত উট প্রচণ্ড উত্তাপেও বেঁচে থাকে। এটি কীভাবে সম্ভব হয়; সেই প্রশ্ন অনেকের।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা আটলান্টিক ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা কোষীয় পর্যায়ে উটের এই তাপসহনশীলতার রহস্য উন্মোচন করেছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের তুলনায় উটের কোষ উচ্চ তাপমাত্রায় অনেক বেশি নমনীয় এবং স্থিতিশীল প্রতিক্রিয়া দেখায়।

বিএমসি জিনোমিক্স জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা ফলাফলে দেখা গেছে, স্বাভাবিক তাপমাত্রা এবং চরম তাপমাত্রা উভয় ক্ষেত্রেই মানুষের চেয়ে উটের কোষীয় সুস্থতার মান অনেক বেশি। মানুষের কোষগুলো তাপের প্রতি অত্যন্ত কঠোর এবং নিয়ন্ত্রিত প্রতিক্রিয়া দেখায়, যা প্রতিকূল অবস্থায় তাদের অভিযোজন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। অন্যদিকে উটের কোষীয় প্রতিক্রিয়া অনেক বেশি নমনীয় এবং সমন্বিত। এই নমনীয়তাই উটকে উচ্চ তাপমাত্রায় স্থির থাকতে সাহায্য করে। এ বিষয়ে বিজ্ঞানী ভ্যালারি ফোর্বস বলেন, গবেষণাটি জৈবিক ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা সম্পর্কে আমাদের মৌলিক ধারণা বদলে দিয়েছে। জিনের অভিব্যক্তির পরিবর্তনশীলতা লক্ষ্য করে আমরা বুঝতে পারি, কেন কিছু প্রজাতি চরম প্রতিকূলতাতেও স্থির থাকে আর কেউ কেউ অসহায় হয়ে পড়ে।

প্রকৃতিতে টিকে থাকার জন্য প্রতিটি জীবকেই তার পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হয়। তাপমাত্রা এ ক্ষেত্রে একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। সামান্য তাপমাত্রার হেরফের কোষের ভিতরে থাকা জিনের কার্যক্রম এবং টিস্যুর সংবেদনশীলতাকে ওলটপালট করে দিতে পারে। এই প্রতিকূলতার মধ্যেও শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য রক্ষা করার ক্ষমতাকে বলা হয় হোমিওস্ট্যাসিস। বিজ্ঞানীরা উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে পাওয়া এক কুঁজবিশিষ্ট উট এবং মানুষের ওপর তুলনামূলক গবেষণা চালান। তারা মূলত স্কিন ফাইব্রোব্লাস্ট নামক কোষ নিয়ে কাজ করেন, যা টিস্যুর গঠন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল ভিন্ন ভিন্ন তাপমাত্রায় উট ও মানুষের জিনের কার্যকলাপে কী ধরনের পরিবর্তন আসে, তা পর্যবেক্ষণ করা।

সাধারণত জিনের কার্যক্রম পরিবর্তনের গবেষণায় বিশাল ডেটাসেট এবং পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণের প্রয়োজন হয়। কিন্তু সীমিত নমুনা দিয়ে নিখুঁত ফলাফল পাওয়া কঠিন। এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে বিজ্ঞানীরা একটি নতুন মডেল তৈরি করেছেন। তারা কেবল জিনের কাজের উত্থান-পতন না দেখে, প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে সেই জিনের প্রতিক্রিয়ার ধারাবাহিকতা বা সামঞ্জস্যতা লক্ষ করেছেন। যেসব জিন প্রতিকূল পরিবেশে স্থির থাকে বা আরও বেশি সমন্বিতভাবে কাজ করে, সেগুলোকেই শরীরের ভারসাম্য রক্ষার মূল কারিগর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের তাপ মোকাবিলায় তিনটি প্রধান জিন গোষ্ঠীর অস্তিত্ব রয়েছে। কিছু জিন স্থিতিশীল থেকে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, কিছু জিন বিশেষ পরিস্থিতিতে সক্রিয় হয় এবং তৃতীয় একটি দল বিশৃঙ্খল আচরণ করে, যা সিস্টেমের ওপর চাপের প্রতিফলন ঘটায়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 May 2026 17:34:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাগরের তলদেশে ভিডিও ধারণে খেলেন ‘কচ্ছপের চড়’]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114612" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114612</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সমুদ্রের গভীরে অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন ভ্রমণবিষয়ক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ক্রিস্টোফার চ্যাং। ভিডিও করার সময় তিনি একটি &lsquo;বেয়ারা&rsquo; কচ্ছপের মুখোমুখি হয়েছিলেন। চ্যাংয়ের ভাষায়, কচ্ছপটি এক পর্যায়ে তাকে হালকা করে &lsquo;চড়&rsquo; দেয়, তারপর শান্তভাবে চলে যায়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে (ভাইরাল) পড়েছে।

চ্যাং বলেন, ভ্রমণের শুরুটা ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু হঠাৎ কোথা থেকে যেন একটি কচ্ছপ এসে আমার পিছু নেয়। সাধারণত সাগরের তলদেশে কচ্ছপকে আপন মনে সাঁতরে বেড়াতে দেখা গেলেও কচ্ছপটি ছিল ব্যতিক্রম। এটি বারবার আমার আশপাশে ঘুর ঘুর করছিল, যেন কিছু বলতে চায়।

চ্যাং প্রথমে ভেবেছিলেন এটি স্বাভাবিক আচরণ। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই বিষয়টি অদ্ভুত মনে হতে থাকে। কচ্ছপটি বারবার তার দিকে এগিয়ে আসছিল এবং দূর থেকে তাকিয়ে থাকছিল, যেন তাকে পর্যবেক্ষণ করছে। চ্যাংয়ের ভাষায়, কচ্ছপটি এক পর্যায়ে আমাকে হালকা করে &lsquo;চড়&rsquo; দেয়, তারপর শান্তভাবে চলে যায়।

চ্যাংয়ের মতে, সাগরতলে ভ্রমণের সময় বহুবার কচ্ছপের মুখোমুখি হলেও এমন আচরণ কখনো দেখেননি। এটা একেবারেই আলাদা ছিল।

ঘটনার ভিডিওটি ইতোমধ্যে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওর শিরোনামে লেখা হয়েছে, &lsquo;আমি কচ্ছপের চড় খেয়েছি।&rsquo;

ভিডিওর নিচে অনেকে মন্তব্য করেছেন। কেউ লিখেছেন, &lsquo;এটা তার জগৎ, আপনি বেশি শব্দ করছিলেন!&rsquo;

কচ্ছপের অনুমতি ছাড়া ভিডিও করায় সে বিরক্ত হয়েছে উল্লেখ করে আরেকজন লিখেছেন, এটা করার অধিকার তার আছে!

অপর এক মন্তব্যকারী নিজের একটি অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। তিনি লিখেন, &lsquo;আমি যখন সার্ফবোর্ডে প্যাডেল করে যাচ্ছিলাম, তখন একটা ছোট স্টিংরে মাছ হঠাৎ লাফিয়ে আমার বোর্ডে উঠে পড়ে এবং মাথার পেছনে আমাকে জোরে আঘাত করে। খুবই ব্যথা পেয়েছিলাম। মনে হচ্ছিল কেউ শক্ত করে ফ্রিসবির মতো কিছু ছুড়ে মেরেছে। তারপর আবার যখন সেটা আমার পিঠে লাফিয়ে উঠল এবং ছটফট করতে লাগল, তখনই বুঝতে পারলাম এটা আসলে একটা স্টিংরে মাছ।&rsquo;

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 04 May 2026 17:46:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিশ্ব নারী দিবসে ভোলার  নারী জেলেরা ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114458" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/feature/114458</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

জীবিকার তাগিদে ঝুঁকি নিয়ে নদীতে মাছ স্বীকার করলেও সরকারি তালিকায় জেলে হিসেবে স্বীকৃতি না থাকায় সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপকূলীয় জেলা ভোলার কয়েক হাজার নারী জেলে।

নারী জেলেদের অভিযোগ, পুরুষতাৃন্ত্রিক প্রথা ও তালিকার অসংগতির কারণে বছরের পর বছর অবহেলিতই থেকে যাচ্ছেন তারা। তাই পুরুষদের পাশাপাশি নারী জেলেদেরও জেলে হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে জেলে কার্ড দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নারী জেলেদের ।এদিকে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত নারী জেলেদের জেলে হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নদী ও সাগর বেষ্টিত দ্বীপজেলা ভোলা। এই জেলার একটি বড় অংশই পেশায় জেলে। জেলেদের মধ্যে নারী জেলে যারা উপকূল অঞ্চলের নারী মৎস্যজীবি। তাদের শ্রম আছে, ঘাম আছে, জীবন ঝুঁকি রয়েছে তবুও তাদের নেই কোনো সরকারি পরিচয়, নেই কোনো স্বীকৃতি।

হাজারো নারী জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে নদীতে মাছ ধরছেন।



তবে সরকারি তালিকায় জেলে হিসেবে স্বীকৃতি না থাকায় বিভিন্ন সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। নারী হওয়ায় নাম লেখাতে পারছেনা জেলে তালিকায়। তাই পুরুষদের মতো নারী জেলেদেরও সরকারি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে জেলে কার্ড দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

তেমনি একজন নারী জেলে কুলসুম বেগম। বয়স ৬০ পেরিয়ে গেছে। জীবিকার তাগিদে স্বামী কে নিয়ে নদীতে থাকে মাছ ধরে জীবীকা নির্বাহ করে। কিন্তু এতো বছর পেরিয়ে গেলেও সরকারি সহযোগিতা খাতায় তার নাম নেই। অনেকটা কষ্ট নিয়ে বলেন আর কত বয়স হলে জেলে কার্ড পামু সরকারি সহযোগিতা পামু। এই বয়সে নদীতে না গিয়ে ইকটু ঘর করে উপরে থাকতে চাই। রোদে পুরি বৃষ্টি তে ভেজি। এখন সরকার যদি আমাদের ইকটু খোঁজে খবর নিতো তাহলে ভালো হতো।

ভোলা সদর রাজাপুর জোরখাল এলার নৌকায় থেকে মাছ ধরে রাশিদা বেগম বয়স (৫৫) জানান,আমাগো জন্ম হইছে নৌকার মধ্যে। ছোট বেলা থেকে নৌকায় তাহি মাছ ধরে সংসার চালাই। অথচ আমাগো কোন নাম নাই। সরকার আমাগোরে কোন জেলেকার্ড দেয়না। সরকার বাড়িদেয় ঘর দেয় কলনী দেয়। অথচ আমরা কিছু পাইনা। আমরা নদীতে নদীতে পোলাই লোয়া বাস করি। এই বাস করতে করতে বুড়ার বাগী হইছি ( বুড়া হইছি) সরকার অহন পর্যন্ত কিছুই দেয়ানা। নতুন সরকার কে আমরা আশাকরে ভোট দিছি। আশাকরছি তারেক জিয়া যদি সরকার হয় আমাগোদিক চাইবে।

এখন তারেক জিয়া যদি আমাগো দিক চায় তাইলে বাড়ি ঘর কোন হানে লাইন করে দেয় তাহলে আমরা জেলে কার্ডপামু,ঘর পামু।



আরেক মহিলা জেলে রোজিনা বলেন, আমরা নদীর মধ্যে থাকি পোলান ছায়ন (ছেলে-সন্তান) নিয়ে অনেক কষ্ট করি। এমনকি পুরুষের থেকে আমরা মহিলারা অনেক কষ্ট করি। মাথার গাম পায় পড়ে। নদীতে মাছ ধরে দুই হাজার টাকার মাছ বেচলে তিন হাজার টাকা বাহি থাকে। ঠিক মতো চাল, তেল কিনলে বাকি সদায় করতে পারিনা। এখন আমাগো জেলেকার্ড কিংবা সরকার কইছে ফ্যামিলি কার্ড দিবো। সেটা থাকলে ভালো হইতো।

সংগ্রামী এই নারীদের জেলে হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মৎস্য জীবী নেতারাও। ভোলা জেলা ক্ষুদ্র মৎস্য জীবী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ এরশাদ উল্ল্যাহ জানান, ভোলাতে পুরুষের পাশাপাশি দুই থেকে তিন হাজার নারী রয়েছে যারা মৎস্য জীবী পেশার সাথে জড়িত। এই মহিলার সরকারের জেলে নিবন্ধনের আওতায় এখনও আনা হয়নি। নিবন্ধন না থাকায় সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমি সরকারের কাছে দাবি জানাই পুরুষ জেলেদের পাশাপাশি মহিলা জেলেদেরও যেন নিবন্ধন আওতায় আনা হয়। তারা পুরুষের পাশাপাশি অনেক কষ্ট করে মাছ ধরে। তাদের বাহির রাখলে দেশ এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। পাশাপাশি তাদের সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা আওতায় আনার দাবি জানান।

এদিকে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত নারী জেলেদের জেলে হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা মৎস কর্মকর্তা ও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন,আমরা সামনে যে জেলে নিবন্ধন করা হবে সেখানে আমরা বেদে নারী জেলেদের অগ্রাধিকার দিবো। তবে তাদের স্বস্ব উপজেলা ও জেলার নাগরিক হতে হবে। তাদের সুর্নিদিষ্ট স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করার কথা জানান। এছাড়াও এবছর জেলেদের বিশেষ খাদ্য বরাদ্দ মধ্যে ৪০০ পরিবারকে আমরা সহযোগিতা করবো বলে জানান এই মৎস্য কর্মকর্তা।

ভোলা সদর।উপজেলা নির্বাহী অফিসার

মো :আরিফুজ্জামান জানান,সরকার যখন নতুন করে তালিকা করবে তখন মানতা সম্প্রদায়ের নারী জেলেদের নিবন্ধন আওতায় নিয়ে আসবো।পাশাপাশি সরকার সকল ধরনের সহযোগিতা আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া জন্য আমরা বদ্ধ পরিকর।

৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই সময়ে নারী জেলেরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেনা তাদের। জেলেয়া প্রায় ২ হাজার মতো নারী সদস্য রয়েছে মাছ ধরা পেশার সাথে জড়িত।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 09 Mar 2026 04:08:24 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
