<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/environment</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/environment"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews environment Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest environment News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Mon, 06 Jul 2026 09:48:07 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[মোংলা বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/116020" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/116020</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট মৌসুমি নিম্নচাপের প্রভাবে মোংলা সমুদ্রবন্দরসহ সমগ্র উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। রোববার থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে এবং দফায় দফায় দমকা হাওয়ার সাথে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উত্তাল সাগরের কারণে মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে বন্দরের আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি বর্তমানে মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে মাত্র কয়েকশো কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।


দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মোংলা বন্দরে অবস্থানরত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলো সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত জেটি ও পশুর চ্যানেলে পণ্য খালাস ও পরিবহনের কাজ সীমিত পরিসরে সচল রয়েছে।

খাদ্যবাহী জাহাজের কাজ বন্ধ রয়েছে। এছাড়া আবহাওয়া আরও খারাপ হলে অনান্য জাহাজের কাজ সাময়িক বন্ধ রাখা হতে পারে।

সাগর প্রচণ্ড উত্তাল থাকায় সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে অতি দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জেলেদের সুন্দরবন ও গভীর সাগরে না গিয়ে উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যে অনেক ট্রলার কানাইনগর, জয়মনি ও চিলা এলাকার নদীগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে।

নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের মোংলাসহ আশেপাশের নিচু এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে কিছুটা বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস এবং অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। স্থানীয় প্রশাসনকে সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে বলা হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 09:48:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকাসহ ১৭ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/115893" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/115893</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আবহাওয়া অফিস আজ সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ১৭ জেলায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সন্ধ্যার মধ্যে রাজশাহী, পাবনা, ঢাকা, টাঙ্গালই, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 01 Jul 2026 08:57:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নদীর পানি বৃদ্ধি, তবু নেই বন্যার ভয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/115860" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/115860</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি স্তরে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেলেও আপাতত বন্যার কোনো ঝুঁকি নেই বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (FFWC)। মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশিত সর্বশেষ ৩ দিন ও ৫ দিনের পূর্বাভাস বিশ্লেষণে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রধান নদীগুলো এখনো বিপৎসীমার নিচে

পূর্বাভাস অনুযায়ী, যমুনা, পদ্মা এবং ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার বিভিন্ন পয়েন্টে পানির উচ্চতা কিছুটা বেড়েছে। তবে সব ক্ষেত্রেই পানি এখনো বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা আপাতত বন্যার কোনো শঙ্কা তৈরি করছে না।

কুড়িগ্রামের ধরলা নদীতে পানি বর্তমানে ২৫.৬১ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ২৬.০৫ মিটার। অর্থাৎ নদীটি এখনো নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে।

অন্যদিকে সিলেট অঞ্চলের সুরমা নদী ৯.৫৪ মিটার এবং সুনামগঞ্জের কুশিয়ারা নদী ৭.০৬ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে, যা উভয় ক্ষেত্রেই বিপৎসীমার অনেক নিচে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এসব নদীর পানি আগামী কয়েকদিনে কমার প্রবণতাই বেশি থাকবে।

যমুনা ও পদ্মায়ও নেই উদ্বেগের সংকেত

যমুনা নদীর ফুলছড়ি পয়েন্টে পানি বর্তমানে ১৮.৬১ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ১৯.৩৫ মিটার। একইভাবে পদ্মা নদীর গোয়ালন্দ পয়েন্টে পানি ৬.১০ মিটার এবং ভাগ্যকূল পয়েন্টে ৩.৮৯ মিটার, যা দুই ক্ষেত্রেই নিরাপদ সীমার মধ্যে রয়েছে।

অর্থাৎ দেশের সবচেয়ে বড় নদীগুলোতেও পানি বাড়লেও তা এখনো বিপৎসীমা স্পর্শ করেনি।

দক্ষিণাঞ্চলেও স্বাভাবিক পরিস্থিতি

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর অবস্থাও স্বাভাবিক রয়েছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে পানি বিপৎসীমার নিচে এবং বান্দরবানের সাঙ্গু নদীতেও পানির উচ্চতা নিরাপদ সীমার মধ্যেই রয়েছে।

আগামী পাঁচ দিনের পূর্বাভাস

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্রের ৫ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা অববাহিকার কিছু অংশে পানির স্তর কিছুটা বাড়তে পারে। তবে কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা খুবই কম।

দেশের অধিকাংশ নদীর পানি বর্তমানে স্বাভাবিক বা নিম্নমুখী প্রবণতায় থাকায় আপাতত বন্যার ঝুঁকি নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, নদীর পানির এই ওঠানামা সম্পূর্ণভাবে বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের ওপর নির্ভরশীল। ফলে পরিস্থিতিতে হঠাৎ পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তবুও বর্তমান চিত্র অনুযায়ী দেশের বড় অংশে বন্যার কোনো তাৎক্ষণিক ঝুঁকি নেই&mdash;এটাই সবচেয়ে স্বস্তির খবর।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 30 Jun 2026 10:47:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশের চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115740" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115740</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বিভিন্ন এলাকায় আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময়ে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি স্থানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

আজ (শুক্রবার) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানায়, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় থাকলেও উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যান্য এলাকায় তা দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, রাজশাহী ও নীলফামারী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এ সময় দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই; তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 26 Jun 2026 05:43:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বড় চমক ঢাকার বাতাসে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115564" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115564</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় রোববার (২১ জুন) সকালে রাজধানী ঢাকার অবস্থান কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সবশেষ লাইভ তথ্য অনুযায়ী, দূষণের দিক থেকে বিশ্বের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৫ নম্বরে। আজ ঢাকার বাতাসের মান &lsquo;সহনীয়&rsquo; বা &lsquo;মধ্যম&rsquo; পর্যায়ে রয়েছে।
রবিবার (২১ জুন) সকালের রিয়েল-টাইম আপডেট অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুমান সূচক বা একিউআই স্কোর হচ্ছে ৮৩। আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ৫১ থেকে ১০০-এর মধ্যে থাকলে সেই বাতাসকে &lsquo;সহনীয়&rsquo; বা &lsquo;মধ্যম&rsquo; মানের বলে বিবেচনা করা হয়। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষের জন্য বাতাস সাধারণত নিরাপদ হলেও, অতি সংবেদনশীল বা শ্বাসকষ্টে ভোগা নির্দিষ্ট কিছু মানুষের জন্য সামান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে।
আইকিউএয়ারের বৈশ্বিক তালিকায় দেখা গেছে, আজ ১৬৫ স্কোর নিয়ে বায়ু দূষণের শীর্ষে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। তালিকায় ১৫৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে বাহরাইনের মানামা এবং ১৫১ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা। এ ছাড়া ১৪৫ স্কোর নিয়ে পাকিস্তানের লাহোর চতুর্থ এবং ১৪২ স্কোর নিয়ে কঙ্গোর কিনশাসা পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।
সাধারণত কোনো শহরের একিউআই স্কোর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে তা &lsquo;অস্বাস্থ্যকর&rsquo; এবং ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকলে &lsquo;খুবই অস্বাস্থ্যকর&rsquo; বলে গণ্য করা হয়। আর স্কোর ৩০১ বা তার বেশি হলে বাতাসকে &lsquo;ঝুঁকিপূর্ণ&rsquo; ধরা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
মেগাসিটি ঢাকা দীর্ঘদিন ধরেই বায়ু দূষণে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শহর হিসেবে তালিকায় থেকেছে। শুষ্ক মৌসুমে ঢাকার বায়ুমান প্রায়ই &lsquo;অস্বাস্থ্যকর&rsquo; বা &lsquo;ঝুঁকিপূর্ণ&rsquo; ক্যাটাগরিতে চলে যায়। তবে বর্ষার প্রাক্কালে ও বৃষ্টিপাতের কারণে মাঝেমধ্যে বাতাসের এই মানের কিছুটা উন্নতি লক্ষ করা যায়।
সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Jun 2026 09:54:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা সংকেত আবহাওয়া অধিদপ্তরের ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115440" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115440</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সন্ধ্যার মধ্যে দেশের ১৭ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য পূর্বাভাসে দেন।

আবহাওয়া অফিস জানায়, ৬টার মধ্যে রংপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে সকালের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।


সান নিউজ/ জামান

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 18 Jun 2026 09:03:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা ৮ জেলায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115429" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115429</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[৮ জেলার ওপর দিয়ে রাত ১টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে।

বুধবার বিকাল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া বার্তায় বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেটের ওপর দিয়ে পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 17 Jun 2026 14:02:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকাসহ ১১ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115282" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115282</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকাসহ দেশের ১১ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদফতরের দেয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় জানানো হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সময় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের সব বিভাগে আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

দেশের সব বিভাগে আগামী এক সপ্তাহ ঝড়বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 13 Jun 2026 04:34:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ৩ মাস  সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115018" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/115018</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাসের জন্য সুন্দরবনে সব ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বনজ সম্পদ, মৎস্য ও জলজ প্রাণীর নিরাপদ প্রজনন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং বন্য প্রাণীর সুরক্ষার লক্ষে সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া আহরণ, মধু সংগ্রহ এবং পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

ইতোমধ্যে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় মাইকিং করে বিষয়টি জানান দিয়েছে বন বিভাগ। এ সিদ্ধান্তে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল হাজার হাজার জেলে, বাওয়ালী, মৌয়াল ও বনজীবী।

জেলেদের দাবি, তিন মাস বন বন্ধ থাকায় আয়-রোজগারের পথ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। অনেককে ঋণ করে সংসার চালাতে হয় এবং মহাজনসহ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ধারদেনায় জড়িয়ে পড়তে হয়। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারি সহায়তা না পাওয়ায় তারা চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েন। বিষয়টি বিবেচনায় রেখে খাদ্য সহায়তা ও বিশেষ প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন কর্মহীন বনজীবীরা।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জুন থেকে আগস্ট সময়টি সুন্দরবনের মাছ, জলজ প্রাণী ও বিভিন্ন বন্য প্রাণীর প্রধান প্রজনন মৌসুম। এ সময় অধিকাংশ মাছ ও জলজ প্রাণী ডিম ছাড়ে। একই সঙ্গে বনের উদ্ভিদরাজির স্বাভাবিক পুনরজন্ম প্রক্রিয়াও চলতে থাকে। তাই বন ও বন্য প্রাণীর নিরাপদ বিচরণ নিশ্চিত করতে প্রতিবছরের মতো এবারও তিন মাসের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জেলে, মৌয়াল ও পর্যটকদের জন্য নতুন পাশ বা অনুমতিপত্র দেওয়া ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে। ১ জুন থেকে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে সবাইকে বন এলাকা ত্যাগের নির্দেশনা দিয়েছে বন বিভাগ।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে সুন্দরবনে মৌসুমি নিষেধাজ্ঞা চালু হয়। শুরুতে এর মেয়াদ ছিল দুই মাস। পরে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা বাড়িয়ে তিন মাস করা হয়। ২০২১ সাল থেকে প্রতিবছর ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনে মাছ ধরা, মধু সংগ্রহ, পর্যটন কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়ে আসছে।

সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, গত ২৪ মে থেকে নতুন করে কোনো অনুমতিপত্র দেওয়া হচ্ছে না। তাই জেলে পরিবারের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে খাদ্য সহায়তা ও প্রণোদনা দেওয়ার একটি প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এ সহায়তা পাবে।

সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এজেডএম হাছানুর রহমান বলেন, জলজ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন সক্ষমতা বাড়াতে প্রতি বছর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তাই এ সময়ে কাউকে সুন্দরবনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। ইতোমধ্যে টহল কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। তবে বৃহৎ এই বনের সম্পদ রক্ষায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 31 May 2026 08:59:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সবুজের অরণ্যে হারিয়ে যাওয়ার ঠিকানা কাদিগড় জাতীয় উদ্যান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114366" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114366</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ময়মনসিংহ বন বিভাগের অধীন ভালুকা রেঞ্জের কাদিগড় বিট আজ প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এক অনন্য আকর্ষণ। প্রাকৃতিক বন ও মানুষের হাতে গড়া বনের অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই এলাকা যেন সবুজের এক জীবন্ত পাঠশালা। চোখজুড়ানো মনমোহিনী গজারী বাগান, সেগুন বাগান আর ঘন সবুজের আবরণ যে কাউকে মুহূর্তেই প্রকৃতির গভীরে টেনে নেয়।

বহু বছর আগে পরিকল্পিতভাবে সৃজিত মিনজিরি, অর্জুন ও সেগুনের বাগানগুলো সময়ের প্রবাহে আজ প্রায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বনের রূপ নিয়েছে। উঁচু উঁচু গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো, বাতাসে পাতার মর্মর আর পাখির অবিরাম কিচিরমিচির মিলেমিশে সৃষ্টি করেছে এক মোহময় পরিবেশ। প্রকৃতির একান্ত সান্নিধ্যে এসে এই সবুজের সমারোহ আর মনভোলানো পাখির কলতান প্রকৃতিপ্রেমী মানুষকে করে তোলে বিমোহিত।

কাদিগড় জাতীয় উদ্যানে নিয়মিত দেখা মেলে হনুমান ও বানরের দল। ভাগ্য ভালো থাকলে গাছের ডালে ডালে তাদের লাফালাফি চোখে পড়ে। এছাড়া প্রাণীকূলের মধ্যে রয়েছে শিয়াল, শজারু, মেছো বিড়াল, বনবিড়াল, বাগডাশ ও বেজী। বনের ভেতরে বিচরণ করে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, ব্যাঙ, তক্ষক ও গুইসাপ। রঙিন প্রজাপতির উড়াউড়ি আর হরেক রকম পাখির কিচিরমিচির এই বনকে করে তুলেছে আরও জীবন্ত।

অবস্থানগত দিক থেকে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ময়মনসিংহ শহর থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দক্ষিণে, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান থেকে ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে এবং ভালুকা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

যোগাযোগ ব্যবস্থাও তুলনামূলক সহজ। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী বাসে সিডস্টোর বাজারে নেমে সেখান থেকে সিএনজি যোগে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ১৫০ টাকা ভাড়ায় কাদিগড় জাতীয় উদ্যানে পৌঁছানো যায়। তবে বর্ষাকালে কাঁচা রাস্তার কারণে চলাচলে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হয়।

শুষ্ক মৌসুমে কাদিগড় বিট হয়ে ওঠে বনভোজনপ্রেমীদের মিলনকেন্দ্র। পরিবার, বন্ধু ও বিভিন্ন সংগঠনের মানুষ এখানে এসে প্রকৃতির কোলে সময় কাটান। সবুজই যে প্রাণের স্পন্দন, বেঁচে থাকার মূলমন্ত্র, এই উপলব্ধিই যেন নতুন করে জাগে কাদিগড়ের বনে এসে।

লোকমুখে প্রচলিত আছে, একসময় এই জঙ্গলের কাঠ ও গাছ সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে কাদির মিয়া নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী কিনতেন। তার একক আধিপত্যের কারণে অন্য কেউ এই টেন্ডারে অংশ নিতে পারতেন না। দাপুটে এই প্রভাবের কারণেই এলাকাটি পরিচিত হয়ে ওঠে &lsquo;কাদির মিয়ার জঙ্গল&rsquo; নামে, যা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে আজ কাদিগড় জাতীয় উদ্যান হিসেবে পরিচিত।

প্রায় ৯৫০ একর আয়তনের এই জাতীয় উদ্যানে পর্যটকদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে একটি ওয়াচ টাওয়ার, দুটি ইকো কটেজ, দুটি গোলঘর, পিকনিক স্পট এবং পুকুরপাড়। পরিকল্পিত সংরক্ষণ ও পর্যটন ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হলে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ভবিষ্যতে হতে পারে ময়মনসিংহ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইকো-ট্যুরিজম গন্তব্য।

সবুজের মাঝে নিজেকে হারিয়ে দিতে চাইলে, প্রকৃতির কাছে একটু নিঃশ্বাস নিতে চাইলে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান হতে পারে সেই নিখুঁত ঠিকানা।

সান নিউজ/আরএ
 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 08 Feb 2026 11:54:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিল্প বর্জ্যের আগ্রাসনে বিপর্যস্ত ভালুকা খীরু নদী!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114313" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114313</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শিল্প বর্জ্যের অব্যবস্থাপনায় চিরসবুজ ভালুকার বুক চিরে বয়ে চলা খীরু নদী আজ নীরব মৃত্যুর সাক্ষী। বছরের পর বছর বিভিন্ন ডাইং ও শিল্প কারখানার অপরিশোধিত কেমিক্যাল বর্জ্য নদীতে পড়ায় খীরুর মিঠা পানি রূপ নিয়েছে বিষাক্ত কালো তরলে। এর ভয়াবহ প্রভাবে কৃষি, মৎস্য, পশুপাখি ও মানবস্বাস্থ্যসহ গোটা পরিবেশ ব্যবস্থা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন ডাইং ফ্যাক্টরি থেকে দীর্ঘদিন ধরে লাউতি, বেতিয়াহাঙ্গুন, বিলাইজুরি, বাধ সাতরা ও রুপির খাল দিয়ে গরম, দুর্গন্ধযুক্ত কেমিক্যাল বর্জ্য খীরু নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে নদীর পানি কালো হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের গ্রামজুড়ে। খাল-বিল হয়ে এই দূষিত পানি প্রবাহিত হওয়ায় ধ্বংস হচ্ছে মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পশুপাখি, বাড়ছে পানি বাহিত রোগ ও চর্মরোগ। কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থায় নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়।

বোরো মৌসুমে প্রতি বছর নদীর পানি ব্যবহার করে চাষাবাদ করলেও গত কয়েক বছর ধরে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাচ্ছেন না কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, নদীর বিষাক্ত পানি সেচ দিলে ধানের গোছা ভালো হলেও থোড় আসার পর ধান চিটা হয়ে যায়। ফলে উৎপাদন খরচ উঠছে না। অনেক ক্ষেত্রে দুর্গন্ধযুক্ত পানি পান করে হাঁস, গরু ও ছাগলের মৃত্যুর ঘটনা ও ঘটছে।

ভালুকা, ভরাডোবা, মে দুয়ারী ও হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জামিরদিয়া ও কাশর এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত অসংখ্য ডাইং মিল থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে কালো বর্জ্য পানি খালে নামানো হচ্ছে। বিশেষ করে হবিরবাড়ী এলাকার বিলাইজুড়ি ও লাউতি খাল দিয়ে দিনরাত গরম বর্জ্য প্রবাহিত হওয়ায় আশপাশের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। দুর্গন্ধে বসবাস দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে, শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে পেটের পীড়া ও নানা জটিল রোগে।

একসময় খীরু নদী ছিল এলাকার প্রাণ। বর্ষা মৌসুমে পালতোলা নৌকা, যাত্রীবাহী লঞ্চের ভেঁপুর শব্দে মুখর থাকতো নদীর পাড়। গ্রামের শিশু-কিশোররা নদীতে সাঁতার কাটতো, জেলেরা দল বেঁধে মাছ ধরতো। কিন্তু শিল্প বর্জ্য, নদী দূষণ ও নাব্যতা হ্রাসের কারণে আশির দশক থেকেই ধীরে ধীরে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আজ সেই নদী কার্যত প্রাণহীন।

দীর্ঘদিনের দূষণে খীরু নদী থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গেছে রুই, কাতল, বোয়াল, পাবদা, কাচকি, চাপিলা, টেংরা, গুলশা, মলা, ঢলা, বাইলা, চিংড়িসহ বহু দেশীয় মাছ। হারিয়ে গেছে কচ্ছপ, উদ, গুইসাপের মতো জলজ প্রাণী। নদীর বুকে ভেসে থাকা হিজল গাছে আর বসে না গাংচিল, বক, পানকৌরি কিংবা মাছরাঙা। মাছ না থাকায় পাখিরাও এলাকা ছেড়ে চলে গেছে।

স্থানীয়রা আরও জানান, নদীর পাড় ও খাল-বিলের ধানি জমির মাটি এখন আলকাতরার মতো কিচকিচে কালো হয়ে গেছে। এসব জমিতে নামলে হাঁটু পর্যন্ত দেবে যায় কাদার নিচে। কিছুক্ষণ পরই হাত-পা ও শরীরে চুলকানি ও ফুসকুড়ি দেখা দেয়। এতে শ্রমিকরা জমিতে কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করায় সময়মতো চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ ডাইং ফ্যাক্টরিতে ইটিপি ইফ বর্জ্য পানি শোধনাগার (ইটিপি) থাকলেও তা নিয়মিত চালু রাখা হয় না। বর্ষা কিংবা অভিযানের সময় ইটিপি চালু দেখানো হলেও বাকি সময় অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি খাল-বিল ও নদীতে ফেলা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টদের &lsquo;ম্যানেজ&rsquo; করে ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ নির্বিঘ্নে এই কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ভালুকা আঞ্চলিক শাখার সদস্য সচিব কামরুল হাসান পাঠান কামাল সান নিউজকে বলেন, হবিরবাড়ীর লাউতি, বিলাইজুড়ি, ভালুকা কাঠালীর বেতিয়াহাসুনসহ অসংখ্য সংযোগ খাল দিয়ে ডাইং মিলের দূষিত বর্জ্য খীরু নদীতে ফেলা হচ্ছে। এটি সরাসরি পরিবেশগত নৈরাজ্য। পরিবেশ রক্ষার দাবিতে আমরা একাধিকবার মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দিলেও অজ্ঞাত কারণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

সচেতন মহলের মতে, মিল-কারখানাগুলোতে ইটিপি যথাযথভাবে চালু করে বর্জ্য পরিশোধনের পর নদীতে পানি ফেললে একদিকে যেমন কৃষিকাজে সেচ উপযোগী পানি পাওয়া যাবে, অন্যদিকে দেশীয় মাছের বংশবিস্তার ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা সম্ভব হবে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, শিল্প বর্জ্য বন্ধ করা গেলে আবারও প্রাণ ফিরে পাবে সবুজ শ্যামল ভালুকা। কৃষকের গোলা ভরে উঠবে ফসলে, আর দেশীয় মাছে সমৃদ্ধ হবে নদী-নালা, খাল-বিল।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 28 Jan 2026 12:06:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ছোট ফেনীতে নদীর তীব্র ভাঙন রোধে জরুরি ব্যবস্থার দাবিতে মানববন্ধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114216" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114216</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফেনীতে ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় মুছাপুর রেগুলেটর ধ্বসে পড়ার পর জোয়ার-ভাটার তীব্র প্রভাবে ছোট ফেনী নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শত শত বসতঘর ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে নদীভাঙন রোধ ও বসতঘর রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করেন ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা।

মানববন্ধনে সোনাগাজী উপজেলার চর মজলিশপুর ইউনিয়নের চর গোপালগাঁও, চান্দলা, কুঠিরহাট, জলদাপাড়া, মিয়াজী ঘাট, পুরাতন কাজিরহাট জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকাবাসি ও দাগনভূঞা উপজেলার জগতপুর গ্রামের নদীভাঙন কবলিত মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মুছাপুর রেগুলেটর ধ্বসে পড়ার পর থেকে ছোট ফেনী নদীতে জোয়ার&ndash;ভাটার চাপ বেড়ে গিয়ে নদীর তীর দ্রুত ভেঙে পড়ছে। ইতোমধ্যে বহু পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে, অনেকে আবার ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। দ্রুত কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সামনে আরও বড় মানবিক বিপর্যয় দেখা দেবে।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Jan 2026 12:16:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সয়েল টেস্ট করতে গিয়ে মিললো গ্যাসের সন্ধান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114142" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114142</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে ব্রিজ নির্মাণের আগে সয়েল টেস্ট করতে গিয়ে মাটির নিচ থেকে গ্যাস বের হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় গ্যাস নির্গমন আপাতত বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের ভৈরব বাজার সংলগ্ন এলাকার একটি খালের পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে হেলফ প্রকল্পের আওতায় ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ পেয়েছেন ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম শেখ। কাজটি তদারকি করছে হাতিয়া উপজেলা এলজিইডি। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তুতি হিসেবে ওই স্থানে প্রায় ১১২ ফুট গভীর সয়েল টেস্ট সম্পন্ন করেন ঠিকাদারের শ্রমিকরা। সয়েল টেস্ট শেষে তারা স্থান ত্যাগ করেন। পরদিন শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ ওই স্থান থেকে গ্যাস বের হতে শুরু করে। ওই সময় স্থানীয়রা আগুন ধরালে গ্যাসে আগুন জ্বলে ওঠে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়।

স্থানীয় বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, আসলে এটা কীভাবে হচ্ছে বা এটি সত্যিকারের গ্যাস কি না আমরা বুঝি না। নিজের চোখে আগুন জ্বলতে দেখেছি। লোকজন আগুন ধরিয়ে দেখান। যদি এটা সত্যিই প্রাকৃতিক গ্যাস হয়, তবে বিষয়টি পরীক্ষা করা জরুরি।

হাতিয়া উপজেলা প্রকৌশলী এমদাদুল হক গ্যাস বের হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্যাস বের হওয়ার পর তা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বিষয়টি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড&mdash;বাপেক্সকে জানানো হবে।

এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, ঘটনাটি শুনেছেন, তবে এখনো ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়নি।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 10 Jan 2026 06:55:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুষ্টিয়ায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযান: ২৯ লাখ টাকা জরিমানা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114100" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114100</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুষ্টিয়ার সদর ও মিরপুর উপজেলায় অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) দিনব্যাপী সদর উপজেলায় ৪টি এবং মিরপুর উপজেলায় ৪টি&mdash;মোট ৮টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ২৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। একই সঙ্গে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় ৮টি ইটভাটা আংশিক ভেঙে দেওয়া হয়।



অভিযানটি পরিচালনা করেন খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম। এ সময় কুষ্টিয়া জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. এমদাদুল হকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, কুষ্টিয়া জেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনহীন এসব ভাটা পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 06 Jan 2026 10:35:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বৈরী আবহাওয়া ও ঘন কুয়াশায় বীজতলার চারা হলুদ হয়ে মারা যাচ্ছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114096" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114096</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[টানা দুই সপ্তাহ ধরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বৈরী আবহাওয়া, ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় কৃষকদের বোরো বীজতলার চারা বা অঙ্কুর হলুদ হয়ে মারা যাচ্ছে।

ঘন কুয়াশা ও শীতের কবল থেকে বীজতলার চারা রক্ষার জন্য সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা কৃষকদের পলিথিন ব্যবহার, কীটনাশক প্রয়োগসহ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিচ্ছেন।

এরই মধ্যে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার কারণে বীজতলার অবস্থার অবনতি ঘটছে।

উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এলাকায় দেখা যায়, প্রায় সব এলাকার বীজতলার একই অবস্থা। তবে যেসব এলাকায় ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে বীজতলায় ধান বপন করা হয়েছে, সেসব বীজতলার চারা কিছুটা ভালো রয়েছে। আবহাওয়ার উন্নতি না হলে চলতি বোরো মৌসুমে মারাত্মক চারা সংকট দেখা দিতে পারে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, সকল কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের দোরগোড়ায় গিয়ে বীজতলার চারা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।

কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের দুলাল মৌজায় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম বলেন, ঘন কুয়াশা থেকে বীজতলার চারা রক্ষার জন্য রাত থেকে পরদিন কুয়াশা চলাকালীন পর্যন্ত পাতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। কুয়াশা বন্ধ হলে পলিথিন সরিয়ে দিতে হবে। কুয়াশা কেটে না যাওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন একইভাবে এই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি শীত সহনশীল কীটনাশক প্রয়োগসহ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।

কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের দুলাল গ্রামের কৃষক আব্দুল খালেক মিয়া, আব্দুল মতিন মিয়া, শ্রীপুর ইউনিয়নের বোয়ালী গ্রামের কৃষক শফিউল ইসলাম এবং চণ্ডিপুর ইউনিয়নের সীচা গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন ও আব্দুল আউয়াল মিয়াসহ অনেকে বলেন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী বীজতলার চারা রক্ষার জন্য নিয়মিত পরিচর্যা করা হচ্ছে।

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 05 Jan 2026 14:08:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশে প্রথম ফেনীতে ল্যাবরেটরি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোয়ালিটি কন্ট্রোল প্রশিক্ষণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114088" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114088</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিভিল সার্জন ফেনীর আয়োজনে এবং ফেনী জেলা প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সার্বিক সহযোগিতায় স্ব-উদ্যোগে দেশের প্রথম ফেনীতে ল্যাবরেটরি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কোয়ালিটি কন্ট্রোল (কিউসি) প্রশিক্ষণ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোয়ালিটি কন্ট্রোল প্রশিক্ষণে ফেনীর ৭২টি প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ল্যাব টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ফেনী সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. ইনাম হোসেন, ডা. মো. রাশেদুল হাসান ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মাঈন উদ্দিন।



ফেনী জেলা প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আবদুল মোতালেব হুমায়ুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম।

প্রশিক্ষণে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব হাফেজ আহম্মদ ও সদস্য আবু জোবায়ের মুন্না প্রমুখ।

এ সময় সিভিল সার্জন ডা. রুবাইয়াত বিন করিম বলেন, ল্যাবে ব্যবহৃত বর্জ্যগুলো স্ব-স্ব বিনে&mdash;লাল, কালো, সবুজ, হলুদ ও নীল বিনে ফেলতে হবে। এই বিষয়গুলো আপনারা অনেক সময় ভুল করে ফেলেন। তাই আপনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ নিয়ে কোন বর্জ্য কোন বিনে ফেলতে হবে, তা কাজে লাগাবেন।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 05 Jan 2026 10:41:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিলুপ্তপ্রায় টকপাতা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113567" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113567</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বসতবাড়ির পাশে প্রায়ই দেখা যায় টকপাতা। পাতা ও ফল টক স্বাদযুক্ত গাঢ় লাল বর্ণের। এটি উপগুল্মজাতীয় উদ্ভিদ, যার ইংরেজি নাম Rosella বা Sorrel, বৈজ্ঞানিক নাম Hibiscus sabdariffa, যা বাংলাদেশের মানুষের কাছে টকপাতা, চুকাই এবং হরপাতা নামে বেশ পরিচিত।

বৈজ্ঞানিকভাবে এটিকে ফল বা ফুল বলা হলেও এটি অপ্রকৃত ফল। বৃতি এর ভক্ষণযোগ্য অংশ, যা খুবই পাতলা এবং পরিমাণে অল্প; গর্ভাশয় বড় এবং ছোট ছোট হুলযুক্ত। ভক্ষণযোগ্য অংশটি গর্ভাশয়কে ঘিরে থাকে। পরিপক্ব গর্ভাশয়ে অনেকগুলো বীজ থাকে, যা বিদারী ফল। অর্থাৎ পাকলে এটি ফেটে যায় এবং বীজ ছড়িয়ে যায়।

এক সময় গ্রাম অঞ্চলে এই টকপাতা/চুকাই ফলের গাছ দেখা যেত। এখন কালের বিবর্তনে প্রায় বিলুপ্তির পথে জনপ্রিয় এ ফলগাছ। বাণিজ্যিকভাবে চাষ না হলেও খাগড়াছড়ির পাহাড়ি এলাকার প্রায় বাড়িতেই এই গাছ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশে বিভিন্ন সবজি চাষের পাশাপাশি টকপাতা বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। স্বল্প পরিশ্রমে ভেষজ গুণের নিশ্চয়তার পাশাপাশি সবজি হিসেবে উৎপাদন করে বেকার যুবক/মহিলাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ ও বাড়তি মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হবে।

বিশ্বের প্রায় দেশে এই ফলের বাণিজ্যিকভাবে চাষ হলেও বাংলাদেশে হয় না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের পতিত অনাবাদি জমি বা পরিত্যক্ত জায়গায় যদি চুকাই চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা যায়, তাহলে সবজি হিসেবে এটি একটি সম্ভাবনাময় ফসল হয়ে উঠতে পারে। এ-ছাড়াও বিদেশে টকপাতা/চুকাই-এর প্রচুর চাহিদা থাকায় এর থেকে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্য, এমনকি শুকনা বীজ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

পার্বত্য এলাকার প্রায় বাড়িতে এই গাছ পাওয়া যায়। যদিও অনেক অঞ্চল থেকে এটি এখন প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তবে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা, মহালছড়ি, লক্ষীছড়ি, পানছড়ি, গুইমারা ও মাটিরাঙায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ না হলেও পাহাড়ি এলাকায় এই টকপাতা/চুকাই গাছ রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত&mdash;যেমন চট্টগ্রামে খরঅগুলা, সিলেটে হইলফা, খুলনায় অম্বলমধু, ঢাকায় চুকুল, কুমিল্লায় মেডস নামে পরিচিত।

উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞদের মতে, সমতল ভূমির চেয়ে পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় এই গাছ বেশি জন্মায়। তাছাড়া এই ফলটি পাহাড়িদের জনপ্রিয় খাবার। পাহাড়ে বসবাসকারী বিভিন্ন জাতি এই ফলটি নিজেদের আঙিনা বা বাড়ির আশপাশে রোপণ করে থাকেন। পাটজাতীয় এই ফলটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবার তৈরি করেন পাহাড়ি অধিবাসীরা।

টকপাতার জনপ্রিয়তাও ফলের মতোই সমান। এটি শুধু ফলই নয়&mdash;খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি ব্যাপক ভেষজ গুণের অধিকারী। মানবদেহের বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে এর কার্যকারিতা অপরিসীম। টকপাতা/চুকাই পাতা ও ফলে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান রয়েছে। এর পাতার ভেষজ চা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, মূত্রবর্ধক, মৃদু কুষ্ঠ নরমকারী, হৃদরোগ, ক্যান্সার ও স্নায়ুরোগের চিকিৎসায় দীর্ঘকাল ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

তাছাড়াও টক স্বাদের কারণে জ্যাম, জেলি ও আচার তৈরিতে এই ফল ব্যবহার করা হয়। এই গাছের আঁশকে পাটের আঁশের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বাণিজ্যিকভাবে চাষ করলে সম্ভাবনাময় একটি খাতে পরিণত হতে পারে এই টকপাতা/চুকাই। এর থেকে উৎপাদিত চা, মেস্তা-স্বত্ব, জ্যাম, জেলি, জুস, আচার, বীজ থেকে ২০% ভোজ্যতেল বাজারজাত করা গেলে পাল্টে যাবে দেশের অর্থনীতি। বিশেষ করে খাগড়াছড়ির পার্বত্য অঞ্চলে এই শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাসির উদ্দীন চৌধুরী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ হলেও বাংলাদেশে টকপাতার চাষ হয় না। তবে এটি ঔষধী গুণে ভরপুর। আমাদের দেশে প্রায় বিলুপ্তির পথে এই গাছটি।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 05 Jan 2026 08:45:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশে পরপর দুইবার ভূমিকম্প, আফটারশকের আশঙ্কা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114087" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114087</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভোররাতে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুই দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। ভূমিকম্পের কম্পন প্রতিবেশী দেশ ভারতের আসাম রাজ্যেও অনুভূত হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর মাত্র ৩০ সেকেন্ড পর, ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে দ্বিতীয় দফায় আবার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে সিলেট ও আশপাশের এলাকা।

পরপর দুটি ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস (USGS)। এ বিষয়ে সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২ এবং দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। তবে ইউএসজিএস-এর প্রাথমিক তথ্যে ভূমিকম্প দুটির মাত্রা যথাক্রমে ৫ দশমিক ৪ ও ৫ দশমিক ২ উল্লেখ করা হলেও পরবর্তীতে সংশোধিত তথ্যে তা ৫ দশমিক ২ ও ৪ দশমিক ৯ হিসেবে প্রকাশ করা হয়।

গবেষক পলাশ জানান, ভূমিকম্প দুটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটির নিকটবর্তী মরিগাঁও এলাকায়। আমেরিকান ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্প দুটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে।

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, ৫ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পকে মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের ভূমিকম্পের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তিনি সতর্ক করে জানান, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অথবা দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের যেকোনো সক্রিয় ফল্ট লাইনে আফটারশক অনুভূত হতে পারে।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 05 Jan 2026 08:33:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নির্বাচনের আগেই ফেনীর দাগনভূঞার দাদনার খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদের দাবি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114085" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114085</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দাগনভূঞার দাদনার খালটি উদ্ধারে দুই পাশের অবৈধ দখল উচ্ছেদে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনমনে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। কেননা, নির্বাচনের আগে খালটি উদ্ধার করা না গেলে পরবর্তীতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে তা আর সম্ভব হবে না&mdash;এমন আশঙ্কা এলাকাবাসীর।



এছাড়া খালটি উদ্ধার করা না গেলে বিএডিসি (সেচ) খাল সংস্কারে যে প্রকল্প নিয়েছে, সেটিও কোনো সুফল বয়ে আনবে না।

বিষয়টি ফেনী জেলা প্রশাসক মিজ মনিরা হকের নিকট উত্থাপন করলে তিনি ৪ জানুয়ারির পর এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 04 Jan 2026 15:02:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তীব্র শীতে বিপর্যস্ত সাগর উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114067" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114067</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাগর উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠি। হাড়কাঁপানো তীব্র শীতে কাঁপছে মানুষ। শীতের সঙ্গে যোগ হয়েছে ঘন কুয়াশা। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

প্রচণ্ড কুয়াশার কারণে কচুয়া-বেতাগীর বিষখালী নদীতে বন্ধ ছিল ফেরি ও খেয়া নৌকা। ফেরি ও খেয়াঘাট বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে যাত্রীরা।



দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে ধীরগতিতে। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে ছিন্নমূল মানুষের। বেকার হয়ে পড়েছে দিনমজুররা। অসহায় হয়ে পড়ছে নিম্নআয়ের মানুষ। বেড়ে যাচ্ছে শীতকালীন রোগব্যাধি। শীতের প্রকোপে মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। কুয়াশায় ব্যাহত হচ্ছে নৌযান ও সড়কপথে যানবাহন চলাচল।



অনেকে রাস্তার পাশে খড়কুটায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। প্রচণ্ড শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে ছিন্নমূল মানুষের। সরকারি বা বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 03 Jan 2026 13:24:27 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
