<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/environment</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/environment"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews environment Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest environment News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 08 Feb 2026 11:54:31 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[সবুজের অরণ্যে হারিয়ে যাওয়ার ঠিকানা কাদিগড় জাতীয় উদ্যান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114366" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114366</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ময়মনসিংহ বন বিভাগের অধীন ভালুকা রেঞ্জের কাদিগড় বিট আজ প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এক অনন্য আকর্ষণ। প্রাকৃতিক বন ও মানুষের হাতে গড়া বনের অপূর্ব সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই এলাকা যেন সবুজের এক জীবন্ত পাঠশালা। চোখজুড়ানো মনমোহিনী গজারী বাগান, সেগুন বাগান আর ঘন সবুজের আবরণ যে কাউকে মুহূর্তেই প্রকৃতির গভীরে টেনে নেয়।

বহু বছর আগে পরিকল্পিতভাবে সৃজিত মিনজিরি, অর্জুন ও সেগুনের বাগানগুলো সময়ের প্রবাহে আজ প্রায় সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বনের রূপ নিয়েছে। উঁচু উঁচু গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো, বাতাসে পাতার মর্মর আর পাখির অবিরাম কিচিরমিচির মিলেমিশে সৃষ্টি করেছে এক মোহময় পরিবেশ। প্রকৃতির একান্ত সান্নিধ্যে এসে এই সবুজের সমারোহ আর মনভোলানো পাখির কলতান প্রকৃতিপ্রেমী মানুষকে করে তোলে বিমোহিত।

কাদিগড় জাতীয় উদ্যানে নিয়মিত দেখা মেলে হনুমান ও বানরের দল। ভাগ্য ভালো থাকলে গাছের ডালে ডালে তাদের লাফালাফি চোখে পড়ে। এছাড়া প্রাণীকূলের মধ্যে রয়েছে শিয়াল, শজারু, মেছো বিড়াল, বনবিড়াল, বাগডাশ ও বেজী। বনের ভেতরে বিচরণ করে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, ব্যাঙ, তক্ষক ও গুইসাপ। রঙিন প্রজাপতির উড়াউড়ি আর হরেক রকম পাখির কিচিরমিচির এই বনকে করে তুলেছে আরও জীবন্ত।

অবস্থানগত দিক থেকে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ময়মনসিংহ শহর থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দক্ষিণে, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান থেকে ৪৫ কিলোমিটার উত্তরে এবং ভালুকা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

যোগাযোগ ব্যবস্থাও তুলনামূলক সহজ। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী বাসে সিডস্টোর বাজারে নেমে সেখান থেকে সিএনজি যোগে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ১৫০ টাকা ভাড়ায় কাদিগড় জাতীয় উদ্যানে পৌঁছানো যায়। তবে বর্ষাকালে কাঁচা রাস্তার কারণে চলাচলে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হয়।

শুষ্ক মৌসুমে কাদিগড় বিট হয়ে ওঠে বনভোজনপ্রেমীদের মিলনকেন্দ্র। পরিবার, বন্ধু ও বিভিন্ন সংগঠনের মানুষ এখানে এসে প্রকৃতির কোলে সময় কাটান। সবুজই যে প্রাণের স্পন্দন, বেঁচে থাকার মূলমন্ত্র, এই উপলব্ধিই যেন নতুন করে জাগে কাদিগড়ের বনে এসে।

লোকমুখে প্রচলিত আছে, একসময় এই জঙ্গলের কাঠ ও গাছ সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে কাদির মিয়া নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী কিনতেন। তার একক আধিপত্যের কারণে অন্য কেউ এই টেন্ডারে অংশ নিতে পারতেন না। দাপুটে এই প্রভাবের কারণেই এলাকাটি পরিচিত হয়ে ওঠে &lsquo;কাদির মিয়ার জঙ্গল&rsquo; নামে, যা সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়ে আজ কাদিগড় জাতীয় উদ্যান হিসেবে পরিচিত।

প্রায় ৯৫০ একর আয়তনের এই জাতীয় উদ্যানে পর্যটকদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে একটি ওয়াচ টাওয়ার, দুটি ইকো কটেজ, দুটি গোলঘর, পিকনিক স্পট এবং পুকুরপাড়। পরিকল্পিত সংরক্ষণ ও পর্যটন ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হলে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান ভবিষ্যতে হতে পারে ময়মনসিংহ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইকো-ট্যুরিজম গন্তব্য।

সবুজের মাঝে নিজেকে হারিয়ে দিতে চাইলে, প্রকৃতির কাছে একটু নিঃশ্বাস নিতে চাইলে কাদিগড় জাতীয় উদ্যান হতে পারে সেই নিখুঁত ঠিকানা।

সান নিউজ/আরএ
 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 08 Feb 2026 11:54:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিল্প বর্জ্যের আগ্রাসনে বিপর্যস্ত ভালুকা খীরু নদী!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114313" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114313</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শিল্প বর্জ্যের অব্যবস্থাপনায় চিরসবুজ ভালুকার বুক চিরে বয়ে চলা খীরু নদী আজ নীরব মৃত্যুর সাক্ষী। বছরের পর বছর বিভিন্ন ডাইং ও শিল্প কারখানার অপরিশোধিত কেমিক্যাল বর্জ্য নদীতে পড়ায় খীরুর মিঠা পানি রূপ নিয়েছে বিষাক্ত কালো তরলে। এর ভয়াবহ প্রভাবে কৃষি, মৎস্য, পশুপাখি ও মানবস্বাস্থ্যসহ গোটা পরিবেশ ব্যবস্থা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলার বিভিন্ন ডাইং ফ্যাক্টরি থেকে দীর্ঘদিন ধরে লাউতি, বেতিয়াহাঙ্গুন, বিলাইজুরি, বাধ সাতরা ও রুপির খাল দিয়ে গরম, দুর্গন্ধযুক্ত কেমিক্যাল বর্জ্য খীরু নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে নদীর পানি কালো হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে আশপাশের গ্রামজুড়ে। খাল-বিল হয়ে এই দূষিত পানি প্রবাহিত হওয়ায় ধ্বংস হচ্ছে মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পশুপাখি, বাড়ছে পানি বাহিত রোগ ও চর্মরোগ। কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থায় নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়।

বোরো মৌসুমে প্রতি বছর নদীর পানি ব্যবহার করে চাষাবাদ করলেও গত কয়েক বছর ধরে কাঙ্ক্ষিত ফলন পাচ্ছেন না কৃষকরা। স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, নদীর বিষাক্ত পানি সেচ দিলে ধানের গোছা ভালো হলেও থোড় আসার পর ধান চিটা হয়ে যায়। ফলে উৎপাদন খরচ উঠছে না। অনেক ক্ষেত্রে দুর্গন্ধযুক্ত পানি পান করে হাঁস, গরু ও ছাগলের মৃত্যুর ঘটনা ও ঘটছে।

ভালুকা, ভরাডোবা, মে দুয়ারী ও হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জামিরদিয়া ও কাশর এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত অসংখ্য ডাইং মিল থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে কালো বর্জ্য পানি খালে নামানো হচ্ছে। বিশেষ করে হবিরবাড়ী এলাকার বিলাইজুড়ি ও লাউতি খাল দিয়ে দিনরাত গরম বর্জ্য প্রবাহিত হওয়ায় আশপাশের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। দুর্গন্ধে বসবাস দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে, শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে পেটের পীড়া ও নানা জটিল রোগে।

একসময় খীরু নদী ছিল এলাকার প্রাণ। বর্ষা মৌসুমে পালতোলা নৌকা, যাত্রীবাহী লঞ্চের ভেঁপুর শব্দে মুখর থাকতো নদীর পাড়। গ্রামের শিশু-কিশোররা নদীতে সাঁতার কাটতো, জেলেরা দল বেঁধে মাছ ধরতো। কিন্তু শিল্প বর্জ্য, নদী দূষণ ও নাব্যতা হ্রাসের কারণে আশির দশক থেকেই ধীরে ধীরে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আজ সেই নদী কার্যত প্রাণহীন।

দীর্ঘদিনের দূষণে খীরু নদী থেকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে গেছে রুই, কাতল, বোয়াল, পাবদা, কাচকি, চাপিলা, টেংরা, গুলশা, মলা, ঢলা, বাইলা, চিংড়িসহ বহু দেশীয় মাছ। হারিয়ে গেছে কচ্ছপ, উদ, গুইসাপের মতো জলজ প্রাণী। নদীর বুকে ভেসে থাকা হিজল গাছে আর বসে না গাংচিল, বক, পানকৌরি কিংবা মাছরাঙা। মাছ না থাকায় পাখিরাও এলাকা ছেড়ে চলে গেছে।

স্থানীয়রা আরও জানান, নদীর পাড় ও খাল-বিলের ধানি জমির মাটি এখন আলকাতরার মতো কিচকিচে কালো হয়ে গেছে। এসব জমিতে নামলে হাঁটু পর্যন্ত দেবে যায় কাদার নিচে। কিছুক্ষণ পরই হাত-পা ও শরীরে চুলকানি ও ফুসকুড়ি দেখা দেয়। এতে শ্রমিকরা জমিতে কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করায় সময়মতো চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, অধিকাংশ ডাইং ফ্যাক্টরিতে ইটিপি ইফ বর্জ্য পানি শোধনাগার (ইটিপি) থাকলেও তা নিয়মিত চালু রাখা হয় না। বর্ষা কিংবা অভিযানের সময় ইটিপি চালু দেখানো হলেও বাকি সময় অপরিশোধিত বর্জ্য সরাসরি খাল-বিল ও নদীতে ফেলা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টদের &lsquo;ম্যানেজ&rsquo; করে ফ্যাক্টরি কর্তৃপক্ষ নির্বিঘ্নে এই কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ভালুকা আঞ্চলিক শাখার সদস্য সচিব কামরুল হাসান পাঠান কামাল সান নিউজকে বলেন, হবিরবাড়ীর লাউতি, বিলাইজুড়ি, ভালুকা কাঠালীর বেতিয়াহাসুনসহ অসংখ্য সংযোগ খাল দিয়ে ডাইং মিলের দূষিত বর্জ্য খীরু নদীতে ফেলা হচ্ছে। এটি সরাসরি পরিবেশগত নৈরাজ্য। পরিবেশ রক্ষার দাবিতে আমরা একাধিকবার মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দিলেও অজ্ঞাত কারণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

সচেতন মহলের মতে, মিল-কারখানাগুলোতে ইটিপি যথাযথভাবে চালু করে বর্জ্য পরিশোধনের পর নদীতে পানি ফেললে একদিকে যেমন কৃষিকাজে সেচ উপযোগী পানি পাওয়া যাবে, অন্যদিকে দেশীয় মাছের বংশবিস্তার ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা সম্ভব হবে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, শিল্প বর্জ্য বন্ধ করা গেলে আবারও প্রাণ ফিরে পাবে সবুজ শ্যামল ভালুকা। কৃষকের গোলা ভরে উঠবে ফসলে, আর দেশীয় মাছে সমৃদ্ধ হবে নদী-নালা, খাল-বিল।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 28 Jan 2026 12:06:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ছোট ফেনীতে নদীর তীব্র ভাঙন রোধে জরুরি ব্যবস্থার দাবিতে মানববন্ধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114216" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114216</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফেনীতে ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় মুছাপুর রেগুলেটর ধ্বসে পড়ার পর জোয়ার-ভাটার তীব্র প্রভাবে ছোট ফেনী নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শত শত বসতঘর ও ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে নদীভাঙন রোধ ও বসতঘর রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করেন ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা।

মানববন্ধনে সোনাগাজী উপজেলার চর মজলিশপুর ইউনিয়নের চর গোপালগাঁও, চান্দলা, কুঠিরহাট, জলদাপাড়া, মিয়াজী ঘাট, পুরাতন কাজিরহাট জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকাবাসি ও দাগনভূঞা উপজেলার জগতপুর গ্রামের নদীভাঙন কবলিত মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মুছাপুর রেগুলেটর ধ্বসে পড়ার পর থেকে ছোট ফেনী নদীতে জোয়ার&ndash;ভাটার চাপ বেড়ে গিয়ে নদীর তীর দ্রুত ভেঙে পড়ছে। ইতোমধ্যে বহু পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছে, অনেকে আবার ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। দ্রুত কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সামনে আরও বড় মানবিক বিপর্যয় দেখা দেবে।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Jan 2026 12:16:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সয়েল টেস্ট করতে গিয়ে মিললো গ্যাসের সন্ধান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114142" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114142</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে ব্রিজ নির্মাণের আগে সয়েল টেস্ট করতে গিয়ে মাটির নিচ থেকে গ্যাস বের হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় গ্যাস নির্গমন আপাতত বন্ধ করে রাখা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের ভৈরব বাজার সংলগ্ন এলাকার একটি খালের পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে হেলফ প্রকল্পের আওতায় ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজ নির্মাণের কাজ পেয়েছেন ঠিকাদার সাইফুল ইসলাম শেখ। কাজটি তদারকি করছে হাতিয়া উপজেলা এলজিইডি। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তুতি হিসেবে ওই স্থানে প্রায় ১১২ ফুট গভীর সয়েল টেস্ট সম্পন্ন করেন ঠিকাদারের শ্রমিকরা। সয়েল টেস্ট শেষে তারা স্থান ত্যাগ করেন। পরদিন শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ ওই স্থান থেকে গ্যাস বের হতে শুরু করে। ওই সময় স্থানীয়রা আগুন ধরালে গ্যাসে আগুন জ্বলে ওঠে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়।

স্থানীয় বাসিন্দা জিল্লুর রহমান বলেন, আসলে এটা কীভাবে হচ্ছে বা এটি সত্যিকারের গ্যাস কি না আমরা বুঝি না। নিজের চোখে আগুন জ্বলতে দেখেছি। লোকজন আগুন ধরিয়ে দেখান। যদি এটা সত্যিই প্রাকৃতিক গ্যাস হয়, তবে বিষয়টি পরীক্ষা করা জরুরি।

হাতিয়া উপজেলা প্রকৌশলী এমদাদুল হক গ্যাস বের হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্যাস বের হওয়ার পর তা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বিষয়টি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড&mdash;বাপেক্সকে জানানো হবে।

এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, ঘটনাটি শুনেছেন, তবে এখনো ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়নি।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 10 Jan 2026 06:55:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুষ্টিয়ায় অবৈধ ইটভাটায় অভিযান: ২৯ লাখ টাকা জরিমানা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114100" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114100</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুষ্টিয়ার সদর ও মিরপুর উপজেলায় অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) দিনব্যাপী সদর উপজেলায় ৪টি এবং মিরপুর উপজেলায় ৪টি&mdash;মোট ৮টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ২৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। একই সঙ্গে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় ৮টি ইটভাটা আংশিক ভেঙে দেওয়া হয়।



অভিযানটি পরিচালনা করেন খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম। এ সময় কুষ্টিয়া জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. এমদাদুল হকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, কুষ্টিয়া জেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনহীন এসব ভাটা পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 06 Jan 2026 10:35:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বৈরী আবহাওয়া ও ঘন কুয়াশায় বীজতলার চারা হলুদ হয়ে মারা যাচ্ছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114096" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114096</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[টানা দুই সপ্তাহ ধরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বৈরী আবহাওয়া, ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠান্ডায় কৃষকদের বোরো বীজতলার চারা বা অঙ্কুর হলুদ হয়ে মারা যাচ্ছে।

ঘন কুয়াশা ও শীতের কবল থেকে বীজতলার চারা রক্ষার জন্য সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা কৃষকদের পলিথিন ব্যবহার, কীটনাশক প্রয়োগসহ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিচ্ছেন।

এরই মধ্যে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার কারণে বীজতলার অবস্থার অবনতি ঘটছে।

উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা এলাকায় দেখা যায়, প্রায় সব এলাকার বীজতলার একই অবস্থা। তবে যেসব এলাকায় ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে বীজতলায় ধান বপন করা হয়েছে, সেসব বীজতলার চারা কিছুটা ভালো রয়েছে। আবহাওয়ার উন্নতি না হলে চলতি বোরো মৌসুমে মারাত্মক চারা সংকট দেখা দিতে পারে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম বলেন, সকল কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের দোরগোড়ায় গিয়ে বীজতলার চারা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন।

কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের দুলাল মৌজায় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম বলেন, ঘন কুয়াশা থেকে বীজতলার চারা রক্ষার জন্য রাত থেকে পরদিন কুয়াশা চলাকালীন পর্যন্ত পাতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। কুয়াশা বন্ধ হলে পলিথিন সরিয়ে দিতে হবে। কুয়াশা কেটে না যাওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন একইভাবে এই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি শীত সহনশীল কীটনাশক প্রয়োগসহ বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।

কঞ্চিবাড়ী ইউনিয়নের দুলাল গ্রামের কৃষক আব্দুল খালেক মিয়া, আব্দুল মতিন মিয়া, শ্রীপুর ইউনিয়নের বোয়ালী গ্রামের কৃষক শফিউল ইসলাম এবং চণ্ডিপুর ইউনিয়নের সীচা গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন ও আব্দুল আউয়াল মিয়াসহ অনেকে বলেন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী বীজতলার চারা রক্ষার জন্য নিয়মিত পরিচর্যা করা হচ্ছে।

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 05 Jan 2026 14:08:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশে প্রথম ফেনীতে ল্যাবরেটরি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোয়ালিটি কন্ট্রোল প্রশিক্ষণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114088" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114088</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিভিল সার্জন ফেনীর আয়োজনে এবং ফেনী জেলা প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সার্বিক সহযোগিতায় স্ব-উদ্যোগে দেশের প্রথম ফেনীতে ল্যাবরেটরি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কোয়ালিটি কন্ট্রোল (কিউসি) প্রশিক্ষণ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত কোয়ালিটি কন্ট্রোল প্রশিক্ষণে ফেনীর ৭২টি প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ল্যাব টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন ফেনী সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. ইনাম হোসেন, ডা. মো. রাশেদুল হাসান ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মাঈন উদ্দিন।



ফেনী জেলা প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক আবদুল মোতালেব হুমায়ুনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ রুবাইয়াত বিন করিম।

প্রশিক্ষণে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা প্রাইভেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব হাফেজ আহম্মদ ও সদস্য আবু জোবায়ের মুন্না প্রমুখ।

এ সময় সিভিল সার্জন ডা. রুবাইয়াত বিন করিম বলেন, ল্যাবে ব্যবহৃত বর্জ্যগুলো স্ব-স্ব বিনে&mdash;লাল, কালো, সবুজ, হলুদ ও নীল বিনে ফেলতে হবে। এই বিষয়গুলো আপনারা অনেক সময় ভুল করে ফেলেন। তাই আপনাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ নিয়ে কোন বর্জ্য কোন বিনে ফেলতে হবে, তা কাজে লাগাবেন।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 05 Jan 2026 10:41:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিলুপ্তপ্রায় টকপাতা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113567" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113567</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বসতবাড়ির পাশে প্রায়ই দেখা যায় টকপাতা। পাতা ও ফল টক স্বাদযুক্ত গাঢ় লাল বর্ণের। এটি উপগুল্মজাতীয় উদ্ভিদ, যার ইংরেজি নাম Rosella বা Sorrel, বৈজ্ঞানিক নাম Hibiscus sabdariffa, যা বাংলাদেশের মানুষের কাছে টকপাতা, চুকাই এবং হরপাতা নামে বেশ পরিচিত।

বৈজ্ঞানিকভাবে এটিকে ফল বা ফুল বলা হলেও এটি অপ্রকৃত ফল। বৃতি এর ভক্ষণযোগ্য অংশ, যা খুবই পাতলা এবং পরিমাণে অল্প; গর্ভাশয় বড় এবং ছোট ছোট হুলযুক্ত। ভক্ষণযোগ্য অংশটি গর্ভাশয়কে ঘিরে থাকে। পরিপক্ব গর্ভাশয়ে অনেকগুলো বীজ থাকে, যা বিদারী ফল। অর্থাৎ পাকলে এটি ফেটে যায় এবং বীজ ছড়িয়ে যায়।

এক সময় গ্রাম অঞ্চলে এই টকপাতা/চুকাই ফলের গাছ দেখা যেত। এখন কালের বিবর্তনে প্রায় বিলুপ্তির পথে জনপ্রিয় এ ফলগাছ। বাণিজ্যিকভাবে চাষ না হলেও খাগড়াছড়ির পাহাড়ি এলাকার প্রায় বাড়িতেই এই গাছ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশে বিভিন্ন সবজি চাষের পাশাপাশি টকপাতা বাণিজ্যিকভাবে চাষ করে সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। স্বল্প পরিশ্রমে ভেষজ গুণের নিশ্চয়তার পাশাপাশি সবজি হিসেবে উৎপাদন করে বেকার যুবক/মহিলাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ ও বাড়তি মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হবে।

বিশ্বের প্রায় দেশে এই ফলের বাণিজ্যিকভাবে চাষ হলেও বাংলাদেশে হয় না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের পতিত অনাবাদি জমি বা পরিত্যক্ত জায়গায় যদি চুকাই চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা যায়, তাহলে সবজি হিসেবে এটি একটি সম্ভাবনাময় ফসল হয়ে উঠতে পারে। এ-ছাড়াও বিদেশে টকপাতা/চুকাই-এর প্রচুর চাহিদা থাকায় এর থেকে উৎপাদিত খাদ্যদ্রব্য, এমনকি শুকনা বীজ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব।

পার্বত্য এলাকার প্রায় বাড়িতে এই গাছ পাওয়া যায়। যদিও অনেক অঞ্চল থেকে এটি এখন প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তবে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা, মহালছড়ি, লক্ষীছড়ি, পানছড়ি, গুইমারা ও মাটিরাঙায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ না হলেও পাহাড়ি এলাকায় এই টকপাতা/চুকাই গাছ রয়েছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত&mdash;যেমন চট্টগ্রামে খরঅগুলা, সিলেটে হইলফা, খুলনায় অম্বলমধু, ঢাকায় চুকুল, কুমিল্লায় মেডস নামে পরিচিত।

উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞদের মতে, সমতল ভূমির চেয়ে পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায় এই গাছ বেশি জন্মায়। তাছাড়া এই ফলটি পাহাড়িদের জনপ্রিয় খাবার। পাহাড়ে বসবাসকারী বিভিন্ন জাতি এই ফলটি নিজেদের আঙিনা বা বাড়ির আশপাশে রোপণ করে থাকেন। পাটজাতীয় এই ফলটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু খাবার তৈরি করেন পাহাড়ি অধিবাসীরা।

টকপাতার জনপ্রিয়তাও ফলের মতোই সমান। এটি শুধু ফলই নয়&mdash;খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি ব্যাপক ভেষজ গুণের অধিকারী। মানবদেহের বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে এর কার্যকারিতা অপরিসীম। টকপাতা/চুকাই পাতা ও ফলে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান রয়েছে। এর পাতার ভেষজ চা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, মূত্রবর্ধক, মৃদু কুষ্ঠ নরমকারী, হৃদরোগ, ক্যান্সার ও স্নায়ুরোগের চিকিৎসায় দীর্ঘকাল ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

তাছাড়াও টক স্বাদের কারণে জ্যাম, জেলি ও আচার তৈরিতে এই ফল ব্যবহার করা হয়। এই গাছের আঁশকে পাটের আঁশের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বাণিজ্যিকভাবে চাষ করলে সম্ভাবনাময় একটি খাতে পরিণত হতে পারে এই টকপাতা/চুকাই। এর থেকে উৎপাদিত চা, মেস্তা-স্বত্ব, জ্যাম, জেলি, জুস, আচার, বীজ থেকে ২০% ভোজ্যতেল বাজারজাত করা গেলে পাল্টে যাবে দেশের অর্থনীতি। বিশেষ করে খাগড়াছড়ির পার্বত্য অঞ্চলে এই শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাসির উদ্দীন চৌধুরী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ হলেও বাংলাদেশে টকপাতার চাষ হয় না। তবে এটি ঔষধী গুণে ভরপুর। আমাদের দেশে প্রায় বিলুপ্তির পথে এই গাছটি।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 05 Jan 2026 08:45:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশে পরপর দুইবার ভূমিকম্প, আফটারশকের আশঙ্কা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114087" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114087</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভোররাতে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুই দফা ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। ভূমিকম্পের কম্পন প্রতিবেশী দেশ ভারতের আসাম রাজ্যেও অনুভূত হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর মাত্র ৩০ সেকেন্ড পর, ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে দ্বিতীয় দফায় আবার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে সিলেট ও আশপাশের এলাকা।

পরপর দুটি ভূমিকম্প সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস (USGS)। এ বিষয়ে সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২ এবং দ্বিতীয়টির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। তবে ইউএসজিএস-এর প্রাথমিক তথ্যে ভূমিকম্প দুটির মাত্রা যথাক্রমে ৫ দশমিক ৪ ও ৫ দশমিক ২ উল্লেখ করা হলেও পরবর্তীতে সংশোধিত তথ্যে তা ৫ দশমিক ২ ও ৪ দশমিক ৯ হিসেবে প্রকাশ করা হয়।

গবেষক পলাশ জানান, ভূমিকম্প দুটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটির নিকটবর্তী মরিগাঁও এলাকায়। আমেরিকান ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্প দুটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে।

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, ৫ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পকে মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের ভূমিকম্পের পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশক হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তিনি সতর্ক করে জানান, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অথবা দেশের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের যেকোনো সক্রিয় ফল্ট লাইনে আফটারশক অনুভূত হতে পারে।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 05 Jan 2026 08:33:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নির্বাচনের আগেই ফেনীর দাগনভূঞার দাদনার খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদের দাবি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114085" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114085</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দাগনভূঞার দাদনার খালটি উদ্ধারে দুই পাশের অবৈধ দখল উচ্ছেদে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় জনমনে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। কেননা, নির্বাচনের আগে খালটি উদ্ধার করা না গেলে পরবর্তীতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে তা আর সম্ভব হবে না&mdash;এমন আশঙ্কা এলাকাবাসীর।



এছাড়া খালটি উদ্ধার করা না গেলে বিএডিসি (সেচ) খাল সংস্কারে যে প্রকল্প নিয়েছে, সেটিও কোনো সুফল বয়ে আনবে না।

বিষয়টি ফেনী জেলা প্রশাসক মিজ মনিরা হকের নিকট উত্থাপন করলে তিনি ৪ জানুয়ারির পর এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 04 Jan 2026 15:02:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তীব্র শীতে বিপর্যস্ত সাগর উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114067" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114067</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাগর উপকূলীয় জেলা ঝালকাঠি। হাড়কাঁপানো তীব্র শীতে কাঁপছে মানুষ। শীতের সঙ্গে যোগ হয়েছে ঘন কুয়াশা। বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

প্রচণ্ড কুয়াশার কারণে কচুয়া-বেতাগীর বিষখালী নদীতে বন্ধ ছিল ফেরি ও খেয়া নৌকা। ফেরি ও খেয়াঘাট বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছে যাত্রীরা।



দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করছে ধীরগতিতে। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে ছিন্নমূল মানুষের। বেকার হয়ে পড়েছে দিনমজুররা। অসহায় হয়ে পড়ছে নিম্নআয়ের মানুষ। বেড়ে যাচ্ছে শীতকালীন রোগব্যাধি। শীতের প্রকোপে মানুষ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। কুয়াশায় ব্যাহত হচ্ছে নৌযান ও সড়কপথে যানবাহন চলাচল।



অনেকে রাস্তার পাশে খড়কুটায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। প্রচণ্ড শীতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে ছিন্নমূল মানুষের। সরকারি বা বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 03 Jan 2026 13:24:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাদারীপুরে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, জনজীবন বিপর্যস্ত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114048" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/114048</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুরে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে দৃষ্টিসীমা নেমে এসেছে মাত্র ৪০০ মিটারে এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ।

তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জেলার নিম্ন আয়ের ও খেটে খাওয়া মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। শীতজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন তারা। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। এতে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে রোগীর চাপ বেড়ে গেছে।

শৈত্যপ্রবাহের কারণে শহরের সড়কে যানবাহন চলাচল কমে গেছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ এলাকায় কৃষকসহ দিনমজুর ও মেহনতি মানুষের কর্মসংস্থান কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

রিক্সা চালক সমির শেখ বলেন, &ldquo;তীব্র শীতের কারণে রিক্সা চালাতে কষ্ট হয়। আবার যাত্রীও কম। একারনে আয়-রোজগার নেই। আমরা সমস্যায় আছি।&rdquo;

কৃষক শহীদ বেপারী বলেন, &ldquo;ধান রোপনের জন্য শ্রমিক দরকার। শীতের কারণে পাচ্ছি না।&rdquo;

মাদারীপুর আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আব্দুর রহিম সান্টু জানান, &ldquo;বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের ছিল ৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।&rdquo;

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 01 Jan 2026 12:59:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কনকনে শীত ও শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত সুন্দরবন উপকূলের মানুষ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113977" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113977</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সুন্দরবনের উপকূলে তীব্র ঠান্ডা ও গত তিন দিনের হিমশীতল শৈত্যপ্রবাহে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে কনকনে শীত ও হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিনই বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এর মধ্যে বৃদ্ধ ও শিশুরা ঠান্ডাজনিত শ্বাসকষ্ট, জ্বর, কাশি, ডায়রিয়া, আমাশয়, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তীব্র শীতে দিনমজুর শ্রেণির মানুষের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শনিবার মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় গত তিন দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ, কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে বিপর্যয়। প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষ প্রচণ্ড শীতের কারণে ঘর থেকে বের হতে পারছে না। যাতায়াতে দূরপাল্লার নৌপরিবহনসহ যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচলে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে ফেরি চলাচল ২&ndash;৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকছে। শনিবার সকাল ১১টার পর সূর্যের আলো দেখা গেছে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় নদীতীরবর্তী ছিন্নমূল মানুষের বসবাসে দুর্বিষহ জীবনযাপন করতে হচ্ছে।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, ঠান্ডাজনিত রোগে বিশেষ করে ডায়রিয়া, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত ১৩ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এর আগে অনেক রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

প্রচণ্ড শীতের কারণে পানগুছি নদীর তীরবর্তী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বারইখালী গ্রামের বৃদ্ধা শেফালী বেগম (৬৫)সহ একাধিক ছিন্নমূল পরিবারের মানুষের দুর্বিষহ জীবনযাপন করতে হচ্ছে। কথা হয় বৃদ্ধা শেফালী বেগমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ২৫ বছর আগে এ ভিটায় তাঁর স্বামী মারা যান। ছোট দুটি ছেলে-মেয়ে নিয়ে নদীর পাড়ে সেই থেকে বসবাস করছেন। কুঁড়েঘরে যাদের জীবন, তাদের আবার দুঃখ কিসের&mdash;ঝড়-বন্যা প্রতিবছরই পার করছি। গত তিন দিন ধরে প্রচণ্ড ঠান্ডা বাতাসে না ঘুমিয়ে রাত কাটাচ্ছি।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতি বলেন, ঠান্ডাজনিত রোগ&mdash;ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হয়ে গত তিন দিনে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এখনো ১৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকজন রোগী চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে পরামর্শ হলো&mdash;ঠান্ডা ও নিউমোনিয়া প্রতিরোধে বিশেষ করে গরম কাপড় পরিধান, গরম খাবার গ্রহণ এবং বিশুদ্ধ পানি পান করা।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Dec 2025 10:18:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খাগড়াছড়িতে চলছে পাহাড় কাটার প্রতিযোগিতা, নিরব প্রশাসন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113936" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113936</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই খাগড়াছড়িতে চলছে পাহাড় কাটার মহোৎসব। রাতে ও দিনে পাহাড়খেকোরা ফেলোডার (ভ্যাকু) মেশিন দিয়ে পাহাড় কাটার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে। এই অব্যাহত ধ্বংসযজ্ঞ ঠেকাতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সম্প্রতি একাধিক সংঘবদ্ধ চক্র রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কেটে ফেলেছে পৃথিবীর খুঁটি নামক এই টিলাভূমি, যা বিপর্যয়ের এক অশনিসংকেত।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলার মাটিরাঙা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন যেমন&mdash; তাইন্দং, তবলছড়ি, বর্ণাল, রামশিরা, বেলছড়ি, গোমতি, মাটিরাঙা সদর ও পৌরসভাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে নির্বিচারে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে। আইন অমান্য করে ফেলোডার (ভ্যাকু), কোদাল ও শাবল দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল ও লাল মাটির পাহাড় কাটা হচ্ছে। যার ফলে পাহাড়ের ওপরের অংশ ন্যাড়া করে উজাড় করা হয়েছে গাছপালা। কোথাও খাড়া ভাবে, আবার কোথাও কাটা হচ্ছে আড়াআড়ি ভাবে। আর কিছু কাটা হচ্ছে উঁচু চূড়া থেকে। এভাবে হরেক রকম কায়দায় বেপরোয়া ভাবে কাটা হচ্ছে বিভিন্ন পাহাড়।



অপরদিকে গোমতি ইউনিয়নের গরগরিয়ায় রাতের অন্ধকারে কৃষি জমির টপসয়েল কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। তাইন্দং, তবলছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির সন্নিকটে পাহাড় কাটলেও কোনো এক অদৃশ্য কারণে নিরব পুলিশ প্রশাসন। তবলছড়ির শুকনাছড়িতে মাটিরাঙা&ndash;তানাক্কাপাড়া আঞ্চলিক সড়কের পাশে পাহাড় কেটে কৃষি জমি ভরাট করা হচ্ছে। প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাহাড় কেটে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আগেও মাটি কাটা হতো, তবে এভাবে মাটি কাটার দৃশ্য আগে চোখে পড়েনি। ৫ আগস্ট দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর খাগড়াছড়িতে পাহাড় কাটার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। তাদের দাবি, পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগে এলাকায় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙিয়ে পাহাড়খেকো চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড় কাটা অব্যাহত রেখেছে। নতুন ক্ষমতার সমীকরণ তৈরি হওয়ার পর সেই দৌরাত্ম্য আরও বেপরোয়া রূপ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসন নিরব থাকায় দিনদিন বেড়ে যাচ্ছে পাহাড় কাটার এই ধ্বংসলীলা।

অন্যদিকে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের অজুহাতে এস্কেভেটর (ভ্যাকু) ভাড়া করে এনে ইউনিয়ন পরিষদের সচিবদের ঢাল হিসেবেও ব্যবহার করেন এই চক্রটি। জনশ্রুতি রয়েছে পাহাড়খেকো সিন্ডিকেটের সাথে গোপন চুক্তিতে পাহাড় কাটায় সহযোগিতা করছে ইউপি সচিবরা।

২নং তবলছড়ি ইউপি সচিব ওসমানের নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সহযোগিতার কথা অস্বীকার করে বলেন, &ldquo;আমার নাম ভাঙিয়ে কে বা কারা এসব কাজ করে আমার জানা নেই। তবে ইউনিয়ন পরিষদের টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের কিছু কাজের জন্য এস্কেভেটর (ভ্যাকু) ভাড়ায় আনা হয়েছে। সরকারি কাজের বাইরে অন্য কোনো কাজের সাথে তার সম্পৃক্ততা নেই।&rdquo;

এদিকে পাহাড় কাটা বন্ধে প্রশাসন জিরো টলারেন্স ঘোষণা করলেও পাহাড়ে তা মানা হচ্ছে না। জেলার দীঘিনালা, মাটিরাঙা, রামগড়, গুইমারা ও খাগড়াছড়ি জেলা সদরে সবচেয়ে বেশি পাহাড় কাটা চলছে।

প্রচলিত আইন অমান্য করে পাহাড় কাটায় ক্ষোভ জানান পরিবেশবাদীরা।

পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধনী ২০১০):

এই আইনের ৬(খ) ধারা অনুযায়ী সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা ব্যক্তিমালিকানাধীন পাহাড়/টিলা কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে অপরিহার্য জাতীয় স্বার্থে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র সাপেক্ষে কাটা যেতে পারে।

এতে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে&mdash; প্রথম অপরাধে ২ বছর জেল ও ২ লক্ষ টাকা জরিমানা; পরবর্তী অপরাধে ১০ বছর জেল ও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত।

পরিবেশ অধিদপ্তর খাগড়াছড়ির সহকারী পরিচালক হাছান আহমেদ জানান, পাহাড় কাটা বন্ধে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরও কাজ শুরু করেছে। অবৈধভাবে পাহাড় ও টিলা কাটার ঘটনায় সম্প্রতি মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। দুটি ঘটনায় আদায় করা হয়েছে পরিবেশগত ক্ষতিপূরণ।

মাটিরাঙা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, &ldquo;আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। বিভিন্ন প্রশাসনের সাথে কথা হয়েছে। খুব শীঘ্রই ফেলোডারগুলো জব্দ করা হবে।&rdquo;

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 23 Dec 2025 09:25:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গুড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ ইটভাটা, অভিযানে ৪ লাখ টাকা জরিমানা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113747" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113747</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুষ্টিয়ায় অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

বুধবার (০৩ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী এই অভিযানে মোট ৪টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হওয়ায় একটি ইটভাটা ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

অভিযানটি পরিচালনা করেন খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসিফুর রহমান ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়াই এসব ভাটা পরিচালিত হচ্ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, কুষ্টিয়া জেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 04 Dec 2025 08:38:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাগেরহাটে কদর বেড়েছে লেপ–তোষকের কারিগরদের]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113727" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113727</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রকৃতিতে এখন শীতের হিমেল বাতাস বইতে শুরু করেছে। পুরোপুরি শীত না নামলেও আগাম প্রস্তুতি নিতে লেপ&ndash;তোষক বানাতে ক্রেতারা ভিড় করছেন দোকানগুলোতে।

বাগেরহাটের ৯ উপজেলায় দিনের বেলা রোদ ঝলমলে থাকলেও ভোরের কুয়াশা, সন্ধ্যার হিমেল হাওয়া আর শেষ রাতের শীতের ছোঁয়া জানান দিচ্ছে&mdash;শীত আর দরজার বাইরে নেই। শীতের এই বার্তা প্রকৃতিতে আসার সঙ্গে সঙ্গে বুননকারীদের তুলা ছাঁটাই ও লেপ&ndash;তোষক&ndash;জাজিম তৈরির কাজে বেড়েছে কর্মচাঞ্চল্য।

দিন&ndash;রাত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সুই&ndash;সুতা আর ফিটিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। শীত যত ঘনিয়ে আসছে ততই বেড়েছে লেপ&ndash;তোষকের কদর। সেই সঙ্গে বেড়েছে কারিগরদেরও কদর। কেউ তুলা কিংবা পুরোনো লেপ ভেঙে তৈরি করছেন লেপ&ndash;তোষক, জাজিম, বালিশ।



মোরেলগঞ্জ বাজারের লেপ&ndash;তোষক ব্যবসায়ী শহিদুল ফরাজী জানান, মৌসুমের শুরুতেই বিক্রি গত বছরের তুলনায় অনেক বেড়েছে। শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অর্ডারের চাপ দ্বিগুণ হবে বলে তাদের আশা। তবে কাপড়&ndash;তুলার চড়া দাম কারিগরদের চিন্তায় ফেলেছে। তুলা ও কাপড়ের দাম গত বছরের তুলনায় বেড়েছে ১০&ndash;২০ শতাংশ।

বাজারে নিত্যপণ্যের মতোই বাড়ছে লেপ&ndash;তোষক&ndash;জাজিম তৈরির খরচ। প্রতি কেজি কার্পাস তুলা ৩৫০&ndash;৪০০ টাকা, শিমুল তুলা ৫০০&ndash;৭০০ টাকা, আঙ্গুরি তুলা ১২০&ndash;১৪০ টাকা এবং জুট ৮০&ndash;১০০ টাকা।

লেপ তৈরি করতে আসা গাবতলা গ্রামের দিনমজুর আবদুল লতিফ শেখ বলেন, &ldquo;আমরা গরিব মানুষ, কম্বল কেনার সামর্থ্য নেই। দিনের বেলা শীত কম থাকলেও রাতে অনেক শীত পড়ে। তাই অল্প টাকায় লেপ তৈরি করে নিচ্ছি।&rdquo;

মোরেলগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, &ldquo;ক্রেতার সুবিধার কথা চিন্তা করে আগেভাগেই লেপ&ndash;জাজিম বানিয়ে দোকানে মজুত রাখা হয়েছে। কারণ শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেপ&ndash;তোষকের চাহিদা বেড়ে যায়, তখন সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে হয়।&rdquo;

কারিগররা জানান, একটি লেপ&ndash;তোষক তৈরিতে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা মজুরি নেন। আকার অনুযায়ী ২&ndash;৩ ঘণ্টা সময় লাগে। তাই মৌসুম শুরু থেকে দম ফেলার সময় থাকে না। ব্যবসায়ীরা জানান, পুরো বছরের চেয়ে শীতের এই তিন মাসেই বিক্রি তুলনামূলক বেশি থাকে।

লেপ তৈরি করতে আসা ভাইজোরা গ্রামের সাথী ইসলাম বলেন, &ldquo;শীতের মোকাবিলায় আগেভাগেই লেপ বানিয়ে নিচ্ছি। একটি নতুন আর একটি পুরোনো লেপ নতুন করে তৈরি করছি। তবে তুলনামূলক খরচটা অনেক বেশি হচ্ছে।&rdquo;

সাধারণত লেপের কাভারের রঙ লাল হওয়ার পেছনে রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস। বাংলায় লেপের প্রাচীনত্ব খুঁজে পাওয়া যায় নবাব মুর্শিদকুলি খাঁর আমল থেকে। সেই সময় মুর্শিদাবাদ কারুকার্যের জন্য বিখ্যাত ছিল। লম্বা আঁশের কার্পাস তুলা বীজ ছাড়িয়ে লাল রঙে চুবিয়ে শুকিয়ে নরম সিল্ক বা মখমলের কাভারে ভরা হতো। সেই থেকে লাল রঙের ঐতিহ্য গড়ে ওঠে।

শুধু তাই নয়, লেপে সুগন্ধের জন্য আতরও ব্যবহৃত হতো, যা লেপকে শুধু উষ্ণ রাখত না, বরং তার মর্যাদা ও সৌন্দর্যও বৃদ্ধি করত। সেই সময় বিহারসহ অবিভক্ত বাংলার নবাবরাও এ রীতিটি অনুসরণ করতেন।

নবাব মুর্শিদকুলি খাঁর মেয়ের জামাই নবাব সুজাউদ্দিন মখমলের পরিবর্তে সিল্ক কাপড় ব্যবহার শুরু করেন, তবে রঙের কোনো পরিবর্তন আনেননি&mdash;লাল রঙই বহাল থাকে।

সময়ের বিবর্তনে মখমল ও সিল্ক সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেলেও পরবর্তী সময়ে সাধারণ কাপড়ের ব্যবহার শুরু হয়। তবুও লেপের রঙ আজও লালই&mdash;যা বাংলাদেশের শীতকালীন লেপের একটি ঐতিহ্যবাহী বৈশিষ্ট্য হিসেবে সমাদৃত।

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 02 Dec 2025 10:58:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আবারও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113677" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113677</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এটি ৩.৬ মাত্রার ভূমিকম্প। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে এ কম্পন অনুভূত হয়। ইউরোপিয়ান মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) এ তথ্য জানিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এটা স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্প। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর ঘোড়াশালে। এর রিখটার স্কেলে ছিল ৩ দশমিক ৬।  ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার ভেতরে।

এর আগে, শুক্রবার (২১ নভেম্বর) একটি শনিবার (২২ নভেম্বর) তিনটি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.৭ এবং এর কেন্দ্রস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী।

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 27 Nov 2025 10:51:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সুপেয় পানির দাবিতে মোরেলগঞ্জে ভুক্তভোগীদের পদযাত্রা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113640" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113640</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায় উপকূলীয় জনপদে দীর্ঘদিনের পিপাসা আজ যেন বিস্ফোরিত হলো বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে, যেখানে প্রতিধ্বনিত হলো একটাই স্লোগান: &ldquo;লবণাক্ততার জীবন চাই না&mdash;সবার জন্য সুপেয় পানি চাই।&rdquo;

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর ২০২৫) হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও পদযাত্রা। জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের &ldquo;সৃজন প্রকল্প&rdquo;-এর আওতায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ&mdash;কৃষক, জেলে, গৃহবধূ, শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শ্রমজীবী নারী-পুরুষ।

সকাল দশটায় উপজেলা চত্বর ঘিরে শুরু হয় বিক্ষোভধর্মী পদযাত্রা, যা অল্প সময়ের মধ্যেই জনতার ঢলে রূপ নেয়।

উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর পানিসংকট এখন আর সাধারণ সমস্যা নয়&mdash;এটি মানুষের বেঁচে থাকার সংকটে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নলকূপ বসালেও কয়েক মাস পর লবণাক্ত পানি উঠে। পুকুরের পানি নোনা হয়ে যায়। চরম লবণাক্ততার কারণে রান্না, পান করা, এমনকি কাপড় ধোয়ারও উপযোগী পানি নেই।

প্রতিদিন ২&ndash;৩ কিলোমিটার দূর থেকে পানি আনতে হয় নারীদের। বেড়েছে রোগবালাই। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে।

পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারী একজন নারী বললেন, &ldquo;আমরা পানি আনার মানুষ না&mdash;মানুষ হিসেবে বাঁচার অধিকার আমাদেরও আছে।&rdquo;

পদযাত্রার প্রধান অতিথি মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, &ldquo;জলবায়ু পরিবর্তন উপকূলীয় অঞ্চলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয় এনে দিয়েছে পানির ক্ষেত্রে। লবণাক্ততা আগামী বছরগুলোতে আরও বাড়তে পারে। তাই এখনই সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।&rdquo; সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে পানি সমস্যা সমাধানে কাজ করছে, তবে সেগুলো দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল।

সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোকপাত করা হয়&mdash;

পুকুরভিত্তিক পানি পরিশোধন প্রযুক্তি
রেইনওয়াটার হারভেস্টিং বাড়ানো
টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় জনগণের দায়িত্ব
পল্লীস্তরে নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ
পানির অধিকার নিশ্চিত করতে জনমতের চাপ বৃদ্ধি

কর্মসূচি শেষে আয়োজকরা জানান, &ldquo;জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হচ্ছে উপকূলে। তাই এখানকার মানুষের পানির অধিকার প্রতিষ্ঠা এখন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সামিল।&rdquo; মানুষের কান্না-হাসিতে মিশে থাকা বাস্তবতা&mdash;যা বদলাতে হবে এখনই।

এ পদযাত্রায় দেখা যায়&mdash;

ছোট ছোট শিশুদের হাতে ব্যানার: &ldquo;মা পানি আনতে যায়, স্কুলে দেরি হয়।&rdquo;
কৃষকদের প্ল্যাকার্ড: &ldquo;লবণাক্ততায় ফসল নেই, পানিও নেই।&rdquo;
গৃহবধূদের প্রতিবাদ: &ldquo;এক কলস পানির জন্য ঘণ্টা পার!&rdquo;

স্থানীয়রা বলেন, পানি সংকট এখন আর শুধু পানির সমস্যা নয়; এটি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অর্থনীতির সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা করেছে জার্মান সরকারের উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা BMZ এবং NETZ বাংলাদেশ। তারা বলেন, &ldquo;উপকূলীয় অঞ্চলের পানি সংকট বৈশ্বিক বিষয়। ভবিষ্যতে আরও বড় প্রকল্পে কাজ করা হবে।&rdquo;

মোরেলগঞ্জের মানুষের আজকের পদযাত্রা শুধু প্রতিবাদ নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তার জন্য এক ঐতিহাসিক ঘোষণা&mdash;&ldquo;পানির জন্য আমরা নীরব থাকব না।&rdquo;

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Nov 2025 12:11:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ ঢাকার সব বাস ‘টক্সিক’, মেট্রো স্টেশনের জন্য পার্ক দখল অগ্রহণযোগ্য: পরিবেশ উপদেষ্টা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113593" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113593</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ঢাকার পরিবহন ও নগর পরিকল্পনার বর্তমান অবস্থা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, শহরের প্রায় সব বাসই &ldquo;টক্সিক&rdquo;, অর্থাৎ বিপজ্জনক কালো ধোঁয়া ছড়াচ্ছে, যা নগরের বায়ুদূষণ বৃদ্ধিতে প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করছে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও গণপরিবহন ব্যবস্থার দুরাবস্থা এতটাই চরম যে বাসগুলো ব্যবহারযোগ্য নেই।

রিজওয়ানা হাসান বলেন, স্মার্ট পরিবহন নীতি কার্যকরভাবে দেখা যায়নি। এর ফলে ঢাকার বায়ুদূষণ নভেম্বর-ডিসেম্বরে বিশ্বের শীর্ষে পৌঁছে যায়। তিনি প্রতিদিন বাসগুলোকে &lsquo;চলন্ত দূষণ-কারখানা&rsquo; হিসেবে অভিহিত করেছেন।

একই সঙ্গে তিনি মেট্রো স্টেশনের জন্য পার্ক বা উন্মুক্ত স্থান দখল অগ্রহণযোগ্য বলেও সতর্ক করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, উন্মুক্ত স্থান রক্ষা করা বাধ্যতামূলক, কারণ ভূমিকম্প বা অন্যান্য দুর্যোগের সময় আশ্রয় নেওয়ার জায়গা খুবই সীমিত। আনোয়ারা পার্ক ও পান্থকুঞ্জ পার্কে মেট্রো নির্মাণের পরিকল্পনা এই নীতির বিরুদ্ধ।

রিজওয়ানা হাসান টিওডি (Transit-Oriented Development) প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্মার্ট পরিবহন নীতির একটি অংশ হিসেবে সীমাবদ্ধ হিসেবে দেখেছেন। তিনি বলেন, নতুন বাজার, স্টেশন বা অবকাঠামো পরিকল্পনার আগে মানুষের প্রয়োজন বোঝা অপরিহার্য। ঢাকার বাজারে বিশৃঙ্খলা ও পার্কিং-চাপ এই প্রকল্পের জটিলতা আরও বাড়ায়।

তিনি বায়ুদূষণ, উন্মুক্ত স্থান সংকট এবং দুর্বল শাসনব্যবস্থার কারণে শহরের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ পরিবেশ বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, নিমতলী ও চকবাজারের আগুনের মতো দুর্ঘটনা শিক্ষা দেয়নি এবং রাসায়নিক গুদাম সরানোর প্রকল্পগুলোও ব্যর্থ হচ্ছে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ও দুর্বল প্রশাসনজনিত কারণে।

পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, বর্ষায় গাছ লাগালে রক্ষণাবেক্ষণের ঝুঁকি কমে এবং কমিউনিটি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে প্রকল্পগুলো টেকসই হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, জাইকা ও রাজউকের অংশীদারিত্ব ঢাকার জন্য আরও নিরাপদ গণপরিবহন, খোলা জায়গা ও সবুজায়ন নিশ্চিত করবে।

সাননিউজ/এও]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Nov 2025 07:11:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোরেলগঞ্জে ইংরেজ নীলকুঠি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113532" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/environment/113532</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক নিদর্শন রবার্ট মোরেলের ইংরেজ নীলকুঠি কুঠিবাড়ি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

অবহেলা আর সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ না থাকায় দেড়শ&rsquo; বছর আগের এ নিদর্শন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। রহস্যে ঘেরা আর কালের সাক্ষী কুঠিবাড়ির অস্তিত্ব বিলুপ্তির পথে। ১৮৪৯ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রতিনিধি মিসেস মোরেল তার দুই ছেলে রবার্ট মোরেল ও হেনরি মোরেলের নামে এ অঞ্চলের পত্তনি গ্রহণ করেন এবং পানগুছি ও বলেশ্বর নদীর মোহনায় সুন্দরবন বন্দোবস্ত নিয়ে বন আবাদ করে বসতি গড়ে নীলচাষ শুরু করেন।

বরিশাল থেকে শ্রমিক সংগ্রহ করে বন আবাদ করে গড়ে তোলেন বিশাল আবাসস্থল &lsquo;কুঠিবাড়ি&rsquo;। নির্মাণ করা হয় আস্তাবল, পিলখানা, নাচঘর, গুদামঘর, কাচারিবাড়ি, লাঠিয়াল বাহিনীর জন্য পৃথক ঘর এবং নির্যাতন কক্ষ। সুন্দরবনের হিংস্র প্রাণী ও রয়েল বেঙ্গল টাইগারের হাত থেকে রক্ষা পেতে কুঠিবাড়ির চতুর্দিকে সুউচ্চ প্রাচীর নির্মাণ করা হয়।

এ কুঠিবাড়িটি দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে ভূমি অফিসের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার পরও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে দীর্ঘ কয়েক বছর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রম চলেছে। বর্তমানে এ ঐতিহাসিক ইংরেজ নীলকুঠি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। শুধু কালের সাক্ষী হয়ে এখনও রয়েছে &lsquo;কুঠিবাড়ি&rsquo; নামে পরিচিত মোরেলদের &lsquo;নীলকুঠি&rsquo;র ধ্বংসাবশেষ। &lsquo;কুঠিবাড়ি&rsquo; ভবনের পুরোনো আমলের সেই দরজা, জানালা, গ্রিল, সিন্দুক, সিঁড়িসহ বহু মূল্যবান মালামাল ধীরে ধীরে বেহাত হয়ে গেছে। স্মৃতিস্তম্ভ থেকেও চুরি হয়ে গেছে অনেক মালামাল।

কোনো সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণের স্পর্শ না পেয়ে ইতিহাসের এই মহামূল্য স্মৃতিচিহ্ন ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

কৃষক নেতা রহিমুল্লার অবিস্মরণীয় বিদ্রোহ:

নীলকরের অত্যাচার বাড়তে থাকলে এর বিরুদ্ধে দাঁড়ান সুন্দরবনের কৃষক নেতা রহিমুল্লা। কলকাতা থেকে ইংরেজি শেখার চেষ্টা ছেড়ে তিনি গ্রামে ফিরে আসেন এবং ভাইদের নিয়ে ১৪ শ&rsquo; বিঘা জমি আবাদ করেন। খবর পেয়ে রবার্ট মোরেল খাজনা দাবি করলে রহিমুল্লা তা প্রত্যাখ্যান করেন। পুনরায় খাজনা চাইতে পিয়াদা পাঠানো হলে তিনি কাঠের বাক্সে ছেঁড়া জুতা পাঠিয়ে জানান দেন তাঁর প্রতিবাদ।

কূটচালে মোরেল রহিমুল্লার সহযোগী গুণী মামুনকে পত্তনি দেন এবং ১৮৬১ সালের ২১ নভেম্বর রাতে শতাধিক লাঠিয়াল নিয়ে রহিমুল্লাকে আক্রমণ করেন। পাল্টা লড়াইয়ে মোরেল বাহিনীর রামধন মালোসহ ৭&ndash;৮ জন নিহত হয়। হেনরি মোরেল ও ম্যানেজার হেইলি ধরা পড়ে রহিমুল্লার হাতে। অনুতাপ প্রকাশ করলে তাঁদের ছেড়ে দেন তিনি।

তবে তিন দিন পর, ২৫ নভেম্বর রাতে অস্ত্রসজ্জিত বাহিনী নিয়ে আবারও আক্রমণ করে মোরেল পরিবার। দুই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে সারা রাত লড়াই করেন রহিমুল্লা। ভোরের আলো ফুটতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি শহীদ হন।

মোরেলদের পতন ও স্মৃতিস্তম্ভ:

রহিমুল্লা হত্যার জের ধরে ১৮৭৮ সালে মোরেল পরিবার গুটিয়ে নেয় তাদের শাসন। তবে তাদের নির্মাণ&mdash;&lsquo;কুঠিবাড়ি&rsquo;&mdash;আজও দাঁড়িয়ে আছে সময়ের নীরব সাক্ষী হয়ে। ইংরেজ অপশাসকের স্মরণে তাঁদের অনুসারীরা নির্মাণ করেছিলেন একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যার সাদা পাথরে খোদাই করা আছে রবার্ট মোরেলের মৃত্যুবার্তা ও নির্মাতাদের নাম।

ঐতিহ্যবাহী এই কুঠিবাড়ি নিয়ে গবেষক প্রাক্তন অধ্যক্ষ ম্যাটস বাগেরহাট ডা. মো. শিব্বির আহমেদ বলেন, কুঠিবাড়ি একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা। এটি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। ইতিপূর্বে অনেক জমি অবৈধ দখলদারের হাতে চলে গেছে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সংরক্ষণ করে দেখভালের দায়িত্ব গ্রহণের দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি কুঠিবাড়ির এ জমিতে শিশু পার্ক তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে শিশুদের বিনোদনের চাহিদা লাঘব হবে। আয়ের উৎস থেকে সরকারিভাবে রাজস্বও আসবে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাবিবুল্লাহ জানান, কুঠিবাড়ি সংরক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া এখানে বিনোদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাসহ দৃষ্টিনন্দন করতে কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করা হবে।

মোরেলগঞ্জের ইতিহাসের সূতিকাগার হিসেবে কুঠিবাড়িটি সংরক্ষণের জন্য ইতিমধ্যে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। ইতিহাস&ndash;ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারিভাবে বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। ঐতিহাসিক এ ইংরেজ শাসনামলের &lsquo;কুঠিবাড়ি&rsquo; সংরক্ষণে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 18 Nov 2025 09:32:36 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
