<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/education</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/education"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews education Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest education News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Thu, 09 Jul 2026 15:01:02 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও পরীক্ষা নিয়ে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা জারি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/116092" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/116092</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দাপ্তরিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং চলমান আলিম পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।

বৃহস্পতিবার জারি করা বোর্ডের এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সাধারণ কর্মদিবসে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। যথাযথ অনুমতি ছাড়া কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না।

এছাড়া চলমান আলিম পরীক্ষার দিনগুলোতে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে দপ্তরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে প্রতি শনিবার পরীক্ষা শাখা, আইসিটি সেল, কম্পিউটার শাখা, প্রশাসনসহ পরীক্ষা-সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে।

আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটির দিনে কর্মস্থল ত্যাগের আগে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা, দাপ্তরিক সময়ের আগে অফিস ত্যাগ করা বা নির্ধারিত সময়ের পরে অফিসে উপস্থিত হওয়ার মতো শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Jul 2026 15:01:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিতর্কিত শিক্ষক নেতাদের অনুষ্ঠানে নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/116079" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/116079</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট বলে সমালোচিত কয়েকজন শিক্ষকের অংশগ্রহণে আয়োজিত একটি ফুটবল টুর্নামেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের উপস্থিতিকে ঘিরে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একাংশ ও কয়েকটি ছাত্রসংগঠন অভিযোগ করেছে, এ ধরনের উপস্থিতি বিতর্কিত শিক্ষক নেতাদের পুনর্বাসনের বার্তা দিতে পারে। তবে উপ-উপাচার্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি অনুষ্ঠানটির প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অবগত ছিলেন না।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ জুন মাইজদী শহরের একটি টার্ফে নোবিপ্রবির একাংশ শিক্ষক এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে একটি প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন &lsquo;সাদা দল&rsquo;-এর ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুল বারেক।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন নীল দল ও স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের বিভিন্ন সময়ের পদধারী একাধিক শিক্ষক। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বাদশা মিয়া (সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, নীল দল), ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান (স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের অন্যতম নেতা), পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইফতেখার পারভেজ পুইয়ান (সাবেক কোষাধ্যক্ষ, নীল দল), অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. মজনুর রহমান (সাবেক শিক্ষক সমিতির সদস্য), এমআইএস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস সালাম (সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য, নীল দল), সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মমিন সিদ্দিকী (সাবেক সহ-সভাপতি, নীল দল) এবং কৃষি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নুরুজ্জামান (স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)।

ঘটনাটি সামনে আসার পর ক্যাম্পাসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। অভিযোগকারীদের দাবি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক ভূমিকার কারণে সমালোচিত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার একই অনুষ্ঠানে উপস্থিতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি করেছে। তাঁদের ভাষ্য, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষক পুনর্বাসনের আশঙ্কা সৃষ্টি করছে।

জাতীয় ছাত্রশক্তি, নোবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, &ldquo;বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা সাদা দলের শিক্ষকরা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে নীল দলের সদস্যদের সামনে আনার চেষ্টা করছেন কি না, সে প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে। আপনারা একসময় আমাদের আন্দোলনের সঙ্গী ছিলেন। তাই এই ঘটনায় আমরা হতাশ।&rdquo;

নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, &ldquo;বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে কোনো শিক্ষক কোথায় যাবেন, সেটি আমাদের বিষয় নয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে আওয়ামী লীগ বা তাদের সহযোগী কোনো সংগঠন সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করলে ছাত্রদল তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। এর আগেও আমরা এ ধরনের অভিযোগে মানববন্ধন করেছি এবং প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছি।&rdquo;

ইসলামী ছাত্রশিবিরের নোবিপ্রবি শাখার সভাপতি আরিফুর রহমান সৈকত বলেন, &ldquo;বিতর্কিত ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা ও নৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে। শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে না। প্রশাসনের আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করছি।&rdquo;

তবে অভিযোগ নাকচ করে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, &ldquo;খেলাটি সম্পর্কে বিস্তারিত আমি জানতাম না। আমার সহকর্মী অধ্যাপক আব্দুল মমিন সিদ্দিকী আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সে অনুযায়ী আমি সেখানে গিয়ে পুরস্কার বিতরণ করি। উপস্থিত হওয়ার পর জানতে পারি এটি শহরে অবস্থানকারী শিক্ষক ও আবুল খায়ের গ্রুপের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি খেলা। সেখানে আর কারা ছিলেন, সে বিষয়েও আগে আমার জানা ছিল না।&rdquo;

তিনি আরও বলেন, &ldquo;শিক্ষার্থীদের আক্ষেপের জায়গাটি আমি বুঝতে পেরেছি। আমি কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা করছি না। প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক আলাদা বিষয়। প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেতে হয়। আমি আমার আদর্শে স্থির আছি এবং থাকব।&rdquo;

উল্লেখ্য, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ক্যাম্পাসে পরিচিত। সম্প্রতি তিনি নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তাঁর এই অনুষ্ঠানে উপস্থিতি নিয়েই বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Jul 2026 11:16:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বোয়ালমারীতে ট্যালেন্টপুলে প্রাথমিক বৃত্তি পেল ৬৪ শিক্ষার্থী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/116077" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/116077</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় এবার ট্যালেন্টপুলে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয় মিলিয়ে ৬৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। এছাড়া সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে ১০৬ জন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০২টি বিদ্যালয় থেকে মোট ১ হাজার ২৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয় থেকে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৫২ জন এবং বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে ১২ জন। সাধারণ গ্রেডে সরকারি বিদ্যালয় থেকে ৮৭ জন ও বেসরকারি বিদ্যালয় থেকে ১৯ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জানান, শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য উপজেলার শিক্ষার মানোন্নয়নের ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে। তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতেও তাদের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Jul 2026 11:04:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পরীক্ষার হলে মোবাইল ব্যবহার, এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/116036" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/116036</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজ কেন্দ্রে (এইচএসসি) পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অভিযোগে এক পরীক্ষার্থীকে চলতি বছরের অবশিষ্ট সব পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর নাম মো. কাউছার আহমেদ।

কাউছার আহমেদ মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী এবং মুন্সীগঞ্জ কলেজ থেকে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিলেন।

জানা গেছে, সোমবার ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষা চলাকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা পরীক্ষার হলে ওই পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখেন। পরে বিষয়টি পরীক্ষা বিধিমালা অনুযায়ী যাচাই করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করায় মো. কাউছার আহমেদকে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার বাকি সব বিষয়ে অংশগ্রহণ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ বছর আর কোনো পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে বিধিমালা লঙ্ঘনের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 13:48:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট কার্যকর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/116000" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/116000</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জুলাই থেকেই ইনক্রিমেন্ট কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। ইতিমধ্যে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানায় মাউশি।

মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম সেলের প্রোগ্রামার (এমপিও) জহির উদ্দিন গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

এমপিওভুক্ত জনবলের জুলাই-২০২৬-এর ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করাসহ অন্যান্য কাজ শেষ করে অঞ্চল থেকে অনুমোদিত এমপিও আবেদন ডান করা হবে।

জুলাই ২০২৬ মাসের অনুমোদিত অনলাইন এমপিও ফাইল ডান হতে কয়েক দিন বিলম্ব হতে পারে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Jul 2026 12:06:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কলেজ কেন্দ্রের কমিটি বাতিল ও অধ্যক্ষকে শোকজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115997" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115997</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রে ২০২৬ সালের এইচএসসির ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জানা যায়, নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ২০২৫ সালের সিলেবাসের আলোকে অনিয়মিত ও মানোন্নয়নের পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ার ঘটনা ঘটে।

শনিবার (০৪ জুলাই) রাতে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রে অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করছে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের একটি প্রতিনিধি দল।

এই ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রফেসর শওকত আলম মীরকে শোকজ করাসহ পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি বাতিল করা হয়েছে।

তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রধান মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ময়মনসিংহ বিভাগের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কমিটির প্রধান ও মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ময়মনসিংহ বিভাগের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) সিরাজুল ইসলাম বলেন, &lsquo;ঘটনার পরপরই আমরা কলেজে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করি। তদন্তে কলেজ কর্তৃপক্ষের যথেষ্ট গাফিলতি লক্ষ্য করা গেছে। এই জন্য কলেজের এইচএসসি পরীক্ষা পরিচালনা কমিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে এবং সেইসঙ্গে অধ্যক্ষ শওকত আলম মীরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়।&rsquo;

তিনি আরও বলেন, &lsquo;আমরা খুব কম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দেবো। আর এই ঘটনায় পরীক্ষার্থীরা কোনো সমস্যার মুখোমুখি হবে না। বোর্ড সবসময় পরীক্ষার্থীদের পাশে আছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ রিজার্ভ প্রশ্ন থেকে এই প্রশ্নপত্রগুলো বিতরণ করেছে। এই ঘটনায় সম্পূর্ণ দোষী কলেজ কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রফেসর মো.শওকত আলম মীর শোকজের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, &lsquo;উনারা মৌখিকভাবে বলে গেছেন। আগামীকাল চিঠি পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন।&rsquo;

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Jul 2026 10:58:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এইচএসসির দ্বিতীয় দিনে বহিষ্কার ১৭, অনুপস্থিত ২৭ হাজার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115973" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115973</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে অসদুপায়ের অভিযোগে ১৭ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই দিনে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ২৭ হাজার ৩২৭ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

শনিবার (৪ জুলাই) দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে বাংলা (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে আলিমের আরবি প্রথম পত্র ও আরবি সাহিত্য এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, বিদেশের আটটি কেন্দ্র ছাড়া দেশের ২ হাজার ৬৯১টি কেন্দ্রে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এদিন মোট ১০ লাখ ৩০ হাজার ৮০৬ জন পরীক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও অংশ নেয় ১০ লাখ ৩ হাজার ৪৭৯ জন। ফলে অনুপস্থিতির সংখ্যা দাঁড়ায় ২৭ হাজার ৩২৭ জন।

অসদুপায়ের অভিযোগে ১৭ জন বহিষ্কার

সারা দেশে বহিষ্কৃত ১৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৭ জন, সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে ৭ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের চিত্র

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১ হাজার ৬২০টি কেন্দ্রে ৮ লাখ ৬০ হাজার ৭৬৪ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮ লাখ ৪১ হাজার ১২৫ জন এবং অনুপস্থিত ছিল ১৯ হাজার ৬৩৯ জন।

বোর্ডভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়&mdash;


	ঢাকা বোর্ড: ২ লাখ ৫১ হাজার ৬৩০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ৪ হাজার ৪৫৬ জন।
	রাজশাহী বোর্ড: অনুপস্থিত ২ হাজার ৮৪৬ জন, বহিষ্কার ১ জন।
	কুমিল্লা বোর্ড: অনুপস্থিত ১ হাজার ৯৫৬ জন, বহিষ্কার ২ জন।
	যশোর বোর্ড: অনুপস্থিত ২ হাজার ৩৬২ জন।
	চট্টগ্রাম বোর্ড: অনুপস্থিত ১ হাজার ৬৯০ জন।
	সিলেট বোর্ড: অনুপস্থিত ১ হাজার ২৭৬ জন।
	বরিশাল বোর্ড: অনুপস্থিত ১ হাজার ৪৬৭ জন, বহিষ্কার ২ জন।
	দিনাজপুর বোর্ড: অনুপস্থিত ২ হাজার ২৫১ জন, বহিষ্কার ১ জন।
	ময়মনসিংহ বোর্ড: অনুপস্থিত ১ হাজার ৩৩৫ জন, বহিষ্কার ১ জন।


মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে সর্বোচ্চ বহিষ্কার

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬০টি কেন্দ্রে আলিমের আরবি প্রথম পত্র ও আরবি সাহিত্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মোট ৮৪ হাজার ২৯৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেয় ৭৯ হাজার ৯১ জন। অনুপস্থিত ছিল ৫ হাজার ২০২ জন এবং অসদুপায়ের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে, যা সব বোর্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ।

কারিগরি বোর্ডেও বহিষ্কার

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১১টি কেন্দ্রে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল ৮৫ হাজার ৭৪৯ জন পরীক্ষার্থীর। পরীক্ষায় অংশ নেয় ৮৩ হাজার ২৬৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৪৮৬ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে ৩ জন পরীক্ষার্থীকে।

পরীক্ষা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, বিচ্ছিন্ন কয়েকটি অসদুপায়ের ঘটনা ছাড়া দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় নজরদারি এবং প্রশাসনিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 11:06:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বোয়ালমারী মহিলা কলেজে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি, শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115969" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115969</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার &quot;কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজে&quot; সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদকে ঘিরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অধ্যক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি এবং অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কলেজ ক্যাম্পাস। একদিকে শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, অন্যদিকে অধ্যক্ষের সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে কলেজ জুড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষক, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, দুর্নীতির দায়ে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করেছেন। তারা বলেন, তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে কলেজের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। মানববন্ধন থেকে ৭ জন শিক্ষক-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা চুরি ও ডাকাতির মামলা প্রত্যাহার এবং কলেজে সুষ্ঠু ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

এ ব্যাপারে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. হোসনেয়ারা বেগম বলেন, দুর্নীতির দায়ে সাময়িক বহিষ্কৃত ফ্যাসিবাদের দোসর অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের, হেনস্থা ও সম্মানহানি করে কলেজের শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করছে।
অন্যদিকে পরদিন শুক্রবার (৩ জুলাই) বোয়ালমারী বাজারের একটি ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ। লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, তাকে বিধি-বহির্ভূত ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে তার বেতন-ভাতা বন্ধ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কলেজের কয়েকজন শিক্ষক-কর্মচারীর উসকানিতে বহিরাগত কিছু শিক্ষার্থী তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে পদত্যাগের দাবি জানায়। পরে একই বছরের ২৮ নভেম্বর পরিচালনা পর্ষদ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। তার অভিযোগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী অভিযোগ তদন্ত ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এমনকি কোনো তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়নি।

ফরিদ আহমেদ আরও দাবি করেন, উচ্চ আদালতের আদেশে চাকরি ও বেতন-ভাতার অধিকার ফিরে পেলেও কলেজে তাকে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া অধ্যক্ষের সরকারি বাসভবন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানানোয় তার বাসভবনে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এসব ঘটনার জন্য কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোছা. হোসনেয়ারা বেগম, প্রভাষক দিল আশরাফী ও অফিস সহকারী কামরুল ইসলামসহ কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংকটের দ্রুত ও নিরপেক্ষ সমাধান প্রয়োজন। তাদের দাবি, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে আইন ও বিধি অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে কলেজে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ জরুরি।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 10:20:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রায় ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুমোদন ইউনেস্কো ও ইউনিসেফের ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115931" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115931</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছর ইউনেস্কো ও ইউনিসেফ গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর অ্যাডুকেশনের (জিপিই) আওতায় বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে প্রায় ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করেছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত &lsquo;গ্লোবাল পার্টানারশিপ ফর অ্যাডুকেশন সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট অ্যান্ড মাল্টিপিলার গ্রান্ট ফর বাংলাদেশ&rsquo; শীর্ষক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানিয়েছেন।

এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ ছাড়াও শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউনেস্কো প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক এবং বিভিন্ন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক-প্রভাষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

হছানুল হক মিলন বলেন, আমার কাছে আরও একটি সুসংবাদ রয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষকের নিয়োগের বিষয়ে আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেছে। বিভাগটি আমাদের আপিল গ্রহণ করেছে এবং আমরা এখন ৩২ হাজার ৫০০ জন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করতে পারব। এর সঙ্গে আরও প্রায় ৭০ হাজার জন (এমপিওভুক্ত শিক্ষক-প্রভাষক) অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 12:24:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নোবিপ্রবিতে শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে মার্ক টেম্পারিংয়ের অভিযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115926" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115926</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইফতেখার পারভেজ পুইয়ানের বিরুদ্ধে সিলেবাসে না থাকা শিক্ষা সফরের (ফিল্ড ট্রিপ) বিল উত্তোলন এবং শিক্ষার্থীদের নম্বর পরিবর্তনের (মার্ক টেম্পারিং) অভিযোগ উঠেছে। একই বিভাগের শিক্ষক ও তার স্ত্রী মীম্মা তাবাসসুমের বিরুদ্ধেও পূর্বে নম্বর মূল্যায়ন ও শ্রেণিকক্ষে আক্রমণাত্মক আচরণ ও মানসিক হয়রানিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি মূল্যায়নসংক্রান্ত কমিটিতে একসঙ্গে দায়িত্ব পালনের সময় প্রভাব বিস্তার নিয়েও অভিযোগ রয়েছে এই শিক্ষক দম্পতির বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বর্ষ-২, টার্ম-২-এর ফিল্ড ট্রিপের অনুমতি চেয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর আবেদন করা হয়। সে সময় বিভাগের তৎকালীন চেয়ারম্যান মো: মামুন মিয়ার অনুপস্থিতিতে তাঁর পক্ষে আবেদনপত্রে স্বাক্ষর করেন বর্তমান বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. নাজমা বেগম। চেয়ারম্যানের পক্ষের স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও তৎকালীন চেয়ারম্যান মো: মামুন মিয়ারও স্বাক্ষর দেখা যায়। 

তবে আবেদনপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট টার্মের পরিবর্তে বর্ষ-১, টার্ম-২-এর সিলেবাস সংযুক্ত করা হয়। ওই সিলেবাসের ওপর হাতে লেখা ছিল, &lsquo;এই ট্যুর সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত।&rsquo; কিন্তু বিভাগীয় সূত্র ও পরবর্তী একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বর্ষ-২, টার্ম-২-এর সিলেবাসে কোনো ফিল্ড ট্রিপের বিধান ছিল না। ফলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগও ছিল না।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার তামজীদ হোসাইন চৌধুরী বলেন, &ldquo;চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত চিঠি হলে আমরা সাধারণত সংযুক্তি আলাদাভাবে যাচাই করি না। এক্ষেত্রেও সেটিই হয়েছে। চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত নথির ভিত্তিতেই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।&rdquo;

তৎকালীন বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. মামুন মিয়ার দাবি তাঁর স্বাক্ষর নকল করা হয়েছে। তিনি বলেন, &ldquo;আমি এমন কিছু দেখলে ভুল সিলেবাস কখনো সংযুক্ত হতো না। হাতে লেখা সংযুক্তি থাকলে আমি সেই চিঠিতে স্বাক্ষরও করতাম না। আর যেহেতু আমার পক্ষে একজনের স্বাক্ষর ছিল তবে আমি আবার স্বাক্ষর করার প্রশ্নই আসে না।&rdquo; 

বর্তমান বিভাগীয় চেয়ারম্যান ড. নাজমা বেগম বলেন, &ldquo;আমি যখনই মামুন মিয়া স্যারের পক্ষে স্বাক্ষর করেছি, তাঁকে জানিয়েই করেছি। আর হাতে লেখা সংযুক্তি থাকলে আমি কোনো চিঠিতে স্বাক্ষর করতাম না।&rdquo;

ওই আবেদনপত্রের ভিত্তিতেই প্রশাসন ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শিক্ষা সফরের অনুমতি দেয়। পরে ২২ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি সফরটি অনুষ্ঠিত হয়। কিন্ত সফর শেষে ৫ মার্চ বিভাগের একাডেমিক কমিটি সিদ্ধান্ত দেয়, যেহেতু ফিল্ড ট্রিপটি সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এ বাবদ কোনো বিল করা যাবে না। এই সিদ্ধান্তের পাঁচ দিন পরই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইফতেখার পারভেজ ১০ মার্চ ১৩ হাজার ৭৪৯ টাকার বিল দাখিল করেন এবং ১৬ মার্চ তা অনুমোদন পায়।

একই সফরে অংশ নিলেও ড. নাজমা বেগম কোনো বিল করেননি। তিনি বলেন, &ldquo;একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত এবং সিলেবাস অনুযায়ী আমার আর্থিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ ছিল না। তাই আমি কোনো বিল করিনি।&rdquo;

অভিযোগ প্রসঙ্গে মো. ইফতেখার পারভেজ বলেন, &ldquo;আর্থিক সুবিধাসহ আমার নামে প্রশাসনের চিঠি এসেছে। তাই বিল করেছি।&rdquo; তিনি আরও বলেন, &ldquo;সিলেবাসে ট্যুর নেই, এটা জানতাম। তবে সিলেবাসে না থাকলে বিল করা যায় না, সেটা জানতাম না। জানলে বিল করতাম না।&rdquo;

ফিল্ড ট্রিপের বিল নিয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি প্রতিবেদকের হাতে আসা নথিতে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভাইভা পরীক্ষার নম্বর পরিবর্তনের অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ভাইভা বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকাকালে কয়েকজন শিক্ষার্থীর নম্বর কেটে পরিবর্তন করে নতুন নম্বর দেওয়া হয়। নথি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সংশোধিত নম্বরের ভিত্তিতে সেই শিক্ষার্থীদের গ্রেড উন্নীত হয়।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে মো. ইফতেখার পারভেজ বলেন, &ldquo;পরীক্ষার শুরুতে দুই শিক্ষার্থীকে যে নম্বর দিয়েছিলাম, পরে মনে হয়েছে তারা আরও ভালো উত্তর দিয়েছে। তাই নম্বর বাড়িয়েছি। এতে কোনো অনিয়ম হয়নি।&rdquo;

তিনি আরও বলেন, &ldquo;পরীক্ষা কমিটির প্রধান হিসেবে মূল নম্বরপত্র আমার কাছেই থাকে। প্রয়োজনে মূল নম্বরপত্রেই পরিবর্তন করে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে পাঠানো যায়। সেক্ষেত্রে কাটাকাটি করার প্রয়োজন হয় না।&rdquo;

তবে একই বিভাগের শিক্ষক এবং মো.ইফতেখার পারভেজের স্ত্রী মিম্মা তাবাসসুমের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা নম্বর পরিবর্তন, শ্রেণিকক্ষে আক্রমণাত্মক আচরণ ও মানসিক হয়রানিসহ ১০ দফা অভিযোগ লিখিতভাবে জমা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করেন, শিক্ষক দম্পতি একই একাডেমিক কমিটিতে থাকলে নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রে তাঁদের মতামতই কার্যত প্রাধান্য পায়। অন্য সদস্যদের মতামত অনেক সময় গুরুত্ব পায় না।

একাধিক শিক্ষার্থী দাবি করেন, বিভাগে নম্বর পরিবর্তনের অভিযোগ নতুন নয়। ২০২২ সালে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাঁদের ভাষ্য, শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের প্রভাব অনেক সময় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ওপর পড়ে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ মে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের বর্ষ-২, টার্ম-২-এর ফিল্ড ট্রিপসহ বিভিন্ন অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে। কমিটিতে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহিনুজ্জামানকে আহ্বায়ক এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. মুহাম্মদ আলমগীর সরকারকে সদস্যসচিব করা হয়।

তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ড. মুহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, &ldquo;এখনো কোনো সভা করতে পারিনি। শিগগিরই সভা করে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হবে।&rdquo;

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, &ldquo;আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কমিটিকে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&rdquo;

পরিসংখ্যান বিভাগের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে মূল্যায়নসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে শিক্ষক দম্পতিকে একসঙ্গে দায়িত্ব না দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, এতে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের সুযোগ কমবে। পাশাপাশি ফিল্ড ট্রিপের বিল, নম্বর মূল্যায়নসহ উত্থাপিত সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।

সান নিউজ/ জামান ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 11:40:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নির্বাচনে অংশ নিলে চাকরি ছাড়তে হবে শিক্ষকদের: শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115918" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115918</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ নিয়ে কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, কোনো শিক্ষক যদি ভবিষ্যতে নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তাহলে তাকে অবশ্যই সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ইউনেস্কো আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিষয়ক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

নতুন আইন প্রণয়নের ইঙ্গিত

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে একটি নতুন আইন প্রণয়নের সুপারিশ করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষকদের রাজনৈতিক বা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়টি আরও সুস্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা যায়। তার মতে, শিক্ষকতা একটি পূর্ণকালীন পেশা, তাই দায়িত্ব পালন অবস্থায় নির্বাচন করা গ্রহণযোগ্য নয়।

শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ ও উন্নয়ন পরিকল্পনা

তিনি আরও বলেন, সরকার দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। বিশেষ করে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের সঠিক বাস্তবায়ন দেশের ভবিষ্যৎ শিক্ষাব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাক্ষেত্রকে এগিয়ে নিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং এই অগ্রগতির সফলতা সংশ্লিষ্ট সকলের ওপর নির্ভর করছে।

আন্তর্জাতিক সহায়তা ও শিক্ষা প্রকল্প

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইউনেস্কো ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (GPE) এর আওতায় বাংলাদেশ শিক্ষা খাতে প্রায় ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন পেয়েছে। এই অর্থ শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কারে ব্যবহৃত হবে।

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে প্রস্তুতির বার্তা

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শেষ করা হয়েছে। পরীক্ষার পরিবেশ নির্বিঘ্ন রাখতে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে।

শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা

অনুষ্ঠানে উপস্থিত নীতিনির্ধারকরা জানান, শিক্ষা ব্যবস্থায় অর্থবহ পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এতে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার মান উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উচ্চ পর্যায়ের এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ ইউনেস্কো কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 10:06:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রধান শিক্ষক নিয়োগে স্বস্তি, জটিলতার অবসান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115916" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115916</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ আটকে থাকার যে আইনি জটিলতা ছিল, তা অবশেষে কেটে গেছে। আপিল বিভাগের এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ের ফলে এখন প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনগত বাধা থাকছে না।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ সংক্রান্ত রায় ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে পূর্বের হাইকোর্টের রায় বাতিল হওয়ায় সরকার এখন শূন্য পদগুলোতে নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নিতে পারবে।

বিরোধের সূত্রপাত যেভাবে

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে সরকার দেশের প্রায় ২৬ হাজার বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রাষ্ট্রীয়করণ করে। সে সময় প্রণীত আইনে এসব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সব শিক্ষককে সরকারি চাকরিতে সহকারী শিক্ষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

একই সঙ্গে আইনে উল্লেখ ছিল, সরাসরি সরকারি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা রাষ্ট্রীয়করণ হওয়া শিক্ষকদের ওপরে থাকবে। এছাড়া রাষ্ট্রীয়করণের আগে চাকরির সময়ের একটি অংশ কেবল পেনশন ও গ্র্যাচুইটির ক্ষেত্রে গণনা করা হবে।

এই বিধানকে বৈষম্যমূলক দাবি করে কয়েকজন শিক্ষক আদালতের শরণাপন্ন হন।

হাইকোর্টের রায় বাতিল করল আপিল বিভাগ

রিট আবেদনের পর হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট আইনের ওই অংশ বাতিল ঘোষণা করেছিল। পরে সরকার সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে বিষয়টি আপিল বিভাগে ওঠে।

সর্বশেষ আপিল বিভাগ সরকারের আবেদন মঞ্জুর করে হাইকোর্টের রায় বাতিল করেছেন। এর ফলে রাষ্ট্রীয়করণ-সংক্রান্ত আইনি জটিলতার অবসান ঘটেছে এবং প্রধান শিক্ষক নিয়োগের পথ উন্মুক্ত হয়েছে।

কেন ২৬ হাজার থেকে বেড়ে ৩২ হাজার?

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ২০১৩ সালে রাষ্ট্রীয়করণের সময় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৬ হাজার। তবে গত এক দশকের বেশি সময়ে অনেক সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অবসরে গেলেও নতুন নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।

ফলে শূন্য পদের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে বর্তমানে প্রায় ৩২ হাজারে পৌঁছেছে।

দ্রুত নিয়োগের সম্ভাবনা

আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকবিহীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা গেলে বিদ্যালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আপিল বিভাগের এই রায় সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 09:50:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এক প্রশ্নেই হবে সব বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115910" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115910</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড জানিয়েছে, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। এবার দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো কোনো ঘটনা ঘটে, তাহলে সেদিনের পরীক্ষা সারা দেশে স্থগিত করে নতুন প্রশ্নে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে।

প্রশ্নফাঁস ও নকল ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সারা দেশের পরীক্ষাও স্থগিত করা হতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা শেষে ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষাও সম্পন্ন হবে।

এদিকে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সতর্ক করে বলেছেন- কোনো কেন্দ্রে নকলের ঘটনা ধরা পড়লে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 01 Jul 2026 13:37:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সংসদে মাদারীপুরের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সফর, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115840" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115840</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার প্রচেষ্টায় জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে ব্যতিক্রমী এক শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়। এতে মাদারীপুর সদর উপজেলার ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারীপুর ডনোভান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, টেকেরহাট পপুলার স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং রাজৈর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। শিক্ষা সফরের অংশ হিসেবে তারা জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেন এবং সংসদ ভবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখে রাষ্ট্র পরিচালনা ও সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেন।

সোমবার দুপুরে শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কুশল বিনিময় করেন, তাদের লেখাপড়া ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার খোঁজখবর নেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে সুশিক্ষিত ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ শিক্ষার্থীদের জন্য এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়াও উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, &quot;অনেক শিক্ষার্থীরই জাতীয় সংসদ ভবন ঘুরে দেখার স্বপ্ন থাকে। কিন্তু নানা কারণে সেই স্বপ্ন সবার পূরণ হয় না। শিক্ষার্থীদের সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতেই তাদের সংসদ ভবন পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংসদ ভবন ঘুরে দেখার পাশাপাশি তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের সুযোগ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে দেখে এবং তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পেরে শিক্ষার্থীরা খুবই আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক আয়োজন অব্যাহত রাখার চেষ্টা থাকবে।&quot;

শিক্ষার্থীরা জানান, জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ তাদের জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা। সংসদ ভবনের কার্যক্রম কাছ থেকে দেখা এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী নেতৃত্বের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ তাদের মধ্যে দেশ, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে নতুন আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। তাদের মতে, এ ধরনের শিক্ষা সফর শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের বাইরের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 29 Jun 2026 12:28:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মামলার জটে থমকে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115812" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115812</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষক সংকট দিন দিন আরও প্রকট হয়ে উঠছে। আদালতে চলমান একাধিক মামলা এবং পাল্টা মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রম আটকে রয়েছে। এর ফলে দেশের অধিকাংশ বিদ্যালয়েই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা শিক্ষার মান ও ব্যবস্থাপনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক ছাড়াও সহকারী শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এতে শ্রেণিকক্ষ পরিচালনা থেকে শুরু করে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ&mdash;সব ক্ষেত্রেই জটিলতা তৈরি হয়েছে।

বছরের পর বছর পদোন্নতির অপেক্ষায় শিক্ষকরা

অনেক অভিজ্ঞ সহকারী শিক্ষক দীর্ঘ সময় চাকরি করেও পদোন্নতির সুযোগ পাচ্ছেন না। দায়িত্ব পালন করলেও তারা এখনো ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পরিচয় বহন করছেন। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের অভিযোগ, পদোন্নতির জন্য যোগ্যতা অর্জনের পরও মামলা-সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তাদের ক্যারিয়ার স্থবির হয়ে পড়েছে।

তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করলেও প্রধান শিক্ষক হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না পাওয়ায় কর্মক্ষেত্রে হতাশা বাড়ছে।

২০১৯ সালের পর থেকেই স্থবির নিয়োগ কার্যক্রম

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ২০১৯ সালে দায়ের হওয়া একটি মামলার পর থেকেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি কার্যক্রমে বড় ধরনের স্থবিরতা তৈরি হয়। পরবর্তীতে একের পর এক আইনি জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়া আর স্বাভাবিক গতিতে এগোতে পারেনি।

এর প্রভাব বর্তমানে দেশের প্রায় অর্ধেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

মাধ্যমিক শিক্ষাতেও একই চিত্র

প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা খাতেও নিয়োগ, পদোন্নতি, এমপিওভুক্তি, জাল সনদসহ বিভিন্ন বিষয়ে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার কারণে বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে মামলা চলায় বছরের পর বছর পদটি শূন্য রয়েছে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের ভোগান্তি বাড়ছে।

বিশেষ বেঞ্চ গঠনের দাবি

শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, শিক্ষা-সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য উচ্চ আদালতে পৃথক বেঞ্চ গঠন করা প্রয়োজন। একই ধরনের মামলার একসঙ্গে শুনানি হলে বহু দীর্ঘদিনের জট একসঙ্গে নিরসন করা সম্ভব হবে বলে তারা আশা করছেন।

সরকারও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নির্দিষ্ট বেঞ্চ গঠনের বিষয়টি বিচার বিভাগের বিবেচনায় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

শিক্ষাবিদদের মতে, অনেক মামলা প্রকৃত অধিকার আদায়ের চেয়ে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, প্রশাসনিক বিরোধ কিংবা অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে দায়ের করা হয়। এসব কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় আটকে থাকে এবং এর সরাসরি প্রভাব পড়ে শিক্ষার্থীদের ওপর।

তাদের মতে, শিক্ষা প্রশাসনে স্বচ্ছতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মামলা নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতেও একই ধরনের সংকট অব্যাহত থাকবে।

শিক্ষা কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব

প্রধান শিক্ষক না থাকায় বিদ্যালয়ের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম, শিক্ষক তদারকি, একাডেমিক পরিকল্পনা, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপও বাড়ছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘদিনের এই সংকট নিরসনে দ্রুত আইনি জট কাটিয়ে শূন্য পদগুলোতে নিয়মিত নিয়োগ সম্পন্ন করা এখন সময়ের দাবি।


 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 28 Jun 2026 11:43:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অবশেষে অবসর ভাতা পাচ্ছেন ৩,৯১৭ শিক্ষক-কর্মচারী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115795" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115795</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দীর্ঘদিন ধরে অবসর ভাতার জন্য অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য স্বস্তির খবর এসেছে। সরকারের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় প্রথম ধাপে ৩ হাজার ৯১৭ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে প্রায় ৫১৯ কোটি টাকা বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী জুলাই মাস থেকেই অর্থ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

২০২২ সালের প্রথম ছয় মাসের আবেদনকারীরা পাচ্ছেন সুবিধা

অবসর সুবিধা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত জমা হওয়া ৩ হাজার ৭৫৭টি আবেদন যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি মানবিক বিবেচনায় মৃত্যুবরণ করা আরও ১৬০ জন শিক্ষক-কর্মচারীর পরিবারকেও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে মোট ৩ হাজার ৯১৭ জনকে প্রথম ধাপে অবসর ভাতা দেওয়া হবে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত জমা হওয়া সব আবেদন ইতোমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এখন ধাপে ধাপে ২০২২ সালের বাকি আবেদনগুলোও নিষ্পত্তির প্রস্তুতি চলছে।

এখনো বিশাল আবেদনজট

যদিও নতুন এই উদ্যোগে বহু শিক্ষক উপকৃত হবেন, তবুও অবসর ভাতা কার্যক্রমে বড় ধরনের আবেদনজট এখনো রয়ে গেছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত প্রায় ৬৭ হাজার আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজন প্রায় ৭ হাজার ১৭৬ কোটি টাকা।

এছাড়া শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টেও প্রায় ৪৪ হাজার আবেদন এখনো ঝুলে রয়েছে, যা সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

৭০০ কোটি টাকার তহবিল আটকে থাকায় সংকট

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পূর্বে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকে বিনিয়োগ করা শিক্ষকদের প্রায় ৭০০ কোটি টাকা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংকে রাখা এই অর্থ আদায়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় অবসর সুবিধা বোর্ডের তহবিলে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।

ফলে নির্ধারিত সময়ে অবসর ভাতা প্রদান ব্যাহত হচ্ছে এবং নতুন আবেদন যুক্ত হয়ে অপেক্ষার তালিকা আরও দীর্ঘ হচ্ছে।

প্রযুক্তিগত সমস্যাও বাড়িয়েছে ভোগান্তি

অর্থসংকটের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত সমস্যাও কাজের গতি কমিয়ে দিয়েছে। বোর্ডের ব্যবহৃত পুরোনো সফটওয়্যারে প্রবেশাধিকার না থাকায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য কর্মকর্তারা এখন হাতে-কলমে প্রতিটি আবেদন যাচাই করছেন, যা পুরো প্রক্রিয়াকে ধীর করে দিয়েছে।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দীর্ঘ অপেক্ষা

দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন অসংখ্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বোর্ডের কার্যালয়ে এসে নিজেদের আবেদন সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছেন। অনেকেই চিকিৎসা, পারিবারিক ব্যয় কিংবা জীবনের শেষ সময়ে আর্থিক নিরাপত্তার জন্য এই অর্থের ওপর নির্ভরশীল।

রংপুরের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো ভাতা পাননি। অসুস্থ শরীর নিয়ে একাধিকবার রাজধানীতে এসে শুধু অপেক্ষার বার্তাই শুনে ফিরতে হয়েছে।

একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের আরও অনেক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক।

নতুন পরিচালনা পরিষদের রোডম্যাপ

সম্প্রতি গঠিত নতুন পরিচালনা পরিষদ অবসর সুবিধা কার্যক্রমে গতি ফিরিয়ে আনতে কাজ শুরু করেছে। বোর্ড জানিয়েছে, শুধু বিশেষ বরাদ্দ নয়, ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে সব আবেদন নিষ্পত্তির জন্য একটি বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ অনুসরণ করা হবে।

একই সঙ্গে তথ্যভাণ্ডার আধুনিকীকরণ, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা চালু এবং তহবিল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ে অবশিষ্ট আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কাজ চলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত অর্থায়ন নিশ্চিত করা, আটকে থাকা বিনিয়োগের অর্থ উদ্ধার এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা চালু করা গেলে দীর্ঘদিনের এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 28 Jun 2026 06:49:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির নির্দেশনা ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115793" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115793</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী সোমবার (২৯ জুন)প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান &lsquo;ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি&rsquo; কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন । এই কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

শনিবার (২৭ জুন) মাউশির এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি &lsquo;ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান টি&#39; কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়নাধীন লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রজেক্ট কর্তৃক মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল সরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জলবায়ু অনুদান বাবদ ৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।

এ অর্থ দিয়ে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি ফলদ, একটি বনজ ও একটি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ, ব্যানার/ফেস্টুন তৈরি এবং সেমিনার/র&zwj;্যালি আয়োজনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৯ জুন সকাল ১০টা ৫ মিনিটে এই কর্মসূচি উদ্বোধনে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।

নির্দেশনাসমূহ:

১। প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১টি ফলদ, ১টি বনজ ও ১টি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ করা হবে।

২। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

৩। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি মিডিয়ায় অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

৪। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করবে।

৫। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই দিবসে ক্যাম্পাসে জলবায়ু বিষয়ক ব্যানার, ফেস্টুন ইত্যাদি টানানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

৬। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসে র&zwj;্যালির আয়োজন করতে হবে।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Jun 2026 15:34:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রশ্নফাঁসে কঠোর শিক্ষামন্ত্রী, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির হুঁশিয়ারি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115712" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115712</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে কোনোভাবেই প্রশ্নফাঁস বরদাস্ত করা হবে না বলে কঠোর অবস্থান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে কেউ জড়িত প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

একক প্রশ্নপত্র ও কঠোর নজরদারির নির্দেশ

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকার একক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মাধ্যমে পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও বিতর্ক কমানো সম্ভব হবে।

তিনি আরও নির্দেশ দেন, দেশের প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন ও তার ফুটেজ আর্কাইভে সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে। কোনো কেন্দ্রে এ রেকর্ড না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরানোর অঙ্গীকার

শিক্ষার মানোন্নয়নকে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা খাতে বাজেট বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাই কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্বলতা সহ্য করা হবে না।

তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাঠ্যসূচি শেষ করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের ১৮ বছর বয়সের মধ্যে এইচএসসি সম্পন্ন করার লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে হবে।

মামলা জট ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ

মন্ত্রী জানান, বিভিন্ন আইনি জটিলতার কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। শুধু নিয়োগ সংক্রান্ত জটের কারণে প্রাথমিক পর্যায়ে হাজারো শিক্ষক নিয়োগও আটকে আছে।

তবে তিনি বলেন, কোনো বাধাই উন্নয়নকে থামাতে পারবে না এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

নকল ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা

শিক্ষামন্ত্রী অতীতের শিক্ষা নীতির সমালোচনা করে বলেন, পরীক্ষায় নকল বা অব্যবস্থাপনার কোনো সুযোগ থাকবে না। কেন্দ্রের বাইরে থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, পাবলিক পরীক্ষা আইন আরও কঠোর করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে নতুন করে বাস্তবায়ন জোরদার করা হবে।

মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন নিয়ে আশ্বাস

সভায় শিক্ষামন্ত্রী মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন সমস্যা নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, মে ও জুন মাসের বকেয়া বেতন আগামী জুলাইয়ে একসঙ্গে পরিশোধ করা হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের আর্থিক কষ্ট তিনি উপলব্ধি করেন এবং ধাপে ধাপে সব সমস্যার সমাধান করা হবে।

প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক উপস্থিতি

সভায় বরিশালের প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে শিক্ষামন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে খুলনার উদ্দেশে রওনা দেন।


কঠোর বার্তায় শিক্ষা খাতে নতুন বার্তা

বিশ্লেষকদের মতে, প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষার অনিয়ম রোধে সরকারের এই কঠোর অবস্থান শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সান নিউজ/ কেএনআই

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 25 Jun 2026 08:45:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে ক্লাস নিলেন ইউএনও]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115649" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115649</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রসায়ন বিষয়ে পাঠদান করেছেন বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রসায়নের &lsquo;জারণ-বিজারণ&rsquo; অধ্যায় নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তিনি জটিল বিষয়গুলো সহজভাবে উপস্থাপন করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিষয়ভীতি দূর করার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ১ঘন্টা ২০ মিনিট ধরে দশম শ্রেণির দুটি ক্লাস নেন।

ক্লাসে ইউএনও মো. কায়েসুর রহমান শিক্ষার্থীদের জারণ-বিজারণ সহজে মনে রাখার কৌশল শেখাতে বোর্ডে লিখেন।

&ldquo;জারণ মানে ছাড়ন
জারণের ফলে ঘটে
জারণ সংখ্যার বাড়ন।&rdquo;

এর মাধ্যমে তিনি ব্যাখ্যা করেন, জারণ হলো এমন একটি বিক্রিয়া যেখানে কোনো পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং এর ফলে ওই পদার্থের জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এই ছড়াটির পর তাদেরকে ছড়ার পরবর্তী লাইনগুলো কি হতে পারে জিজ্ঞেস করলে তারাই উত্তর দিল-

&quot;বিজারণ মানে গ্রহণ
বিজারণের ফলে ঘটে
বিজারণ সংখ্যার কমন (হ্রাস)।&quot;

অতঃপর বোর্ডে কিছু বিক্রিয়া লিখে তাদের জিজ্ঞেস করলাম- কোনটি জারক, কোনটি বিজারক, কোনটি জারিত, কোনটি বিজারিত, কোন অংশে জারণ, কোন অংশে বিজারণ, একটি বিক্রিরা রেডক্স নাকি নন রেডক্স, কোনো যৌগে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা কিভাবে তারা বের করবে ইত্যাদি ইত্যাদি। ততক্ষণে তারা খুব মনোযোগী হয়ে একটা &quot;টু&quot; শব্দও করেনি কারণ রসায়নের জারণ-বিজারণ নিয়ে তাদের ভীতি ইতোমধ্যেই চলে গিয়েছে। শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়।

ইউএনও বলেন, তিনি নিয়মিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কীভাবে কোনো অধ্যায় সহজে আত্মস্থ করা যায় সে বিষয়ে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ উদ্যোগে শিক্ষকরা ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, &ldquo;পড়াশোনা হোক আনন্দময়, কনসেপ্ট হোক ক্লিয়ার।&rdquo;

বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ইউএনওর এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 23 Jun 2026 10:43:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বৈষম্য দূর করে শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115641" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/115641</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সব ধরনের বৈষম্য দূর করে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষক সংকট দূর করতে দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ সরকারি কলেজ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কলেজের অধ্যক্ষ মো. আফতাব উদ্দীনের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদরাসা শিক্ষাকে আরও যুগোপযোগী ও আধুনিক করে গড়ে তোলা হচ্ছে। যেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নেই, সেখানে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তিন মাসের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা অনেকটাই সমাধান করা সম্ভব হবে।

ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অতীতের সরকার অনেক কিছু করেনি। বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষক সঙ্কট রয়েছে, মামলার জটিলতার কারণে আটকে ছিল। এবার হাইকোর্ট বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছেন এবং তারা মামলার জট খুলে দিচ্ছেন। হাই স্কুলে শিক্ষক যাবে, এমপিও প্রতিষ্ঠানে যাবে। কলেজে শিক্ষক নিয়োগ হয় পিএসসির মাধ্যমে তাই একটু সময় লাগবে, তবে বেশি সময় লাগবে না। আমাদের হিউজ শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। কেনো জানো? কারণ আওয়ামী লীগ সরকার চেয়েছে দেশটা ধ্বংস করে দিতে। আমি জানি এ জায়গাটা অত্যন্ত কঠিন জায়গা।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখারী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম সিকদার, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য গোলাম মোমিত ফয়সাল, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন প্রমুখ।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 23 Jun 2026 08:32:08 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
