<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/education</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/education"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews education Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest education News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 15 May 2026 08:17:07 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[পাঠ্যবইয়ে ইতিহাস সংশোধন হচ্ছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114812" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114812</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে থাকা ইতিহাস সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বলছে, প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাঠ্যবইয়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস যুক্ত করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে এসব সংশোধন ও সংযোজন হচ্ছে। এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন এনসিটিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী।

তিনি বলেন, &lsquo;নতুন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী পাঠ্যবই পরিমার্জন এবং একটি যুগোপযোগী নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অতীতে পাঠ্যপুস্তকে ইতিহাসের যে বিচ্যুতি ঘটেছিল, এবার তা বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে সংশোধন করা হচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধে বীর নায়কদের কার কী অবদান, তা সঠিকভাবে পাঠ্যবইয়ে স্থান পাবে বলে জানান এনসিটিবির চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, &lsquo;ইতিহাসের একপেশে স্বীকৃতি সংশোধন করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরা হবে। এ ছাড়া ৯০-এর গণ-অভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের সঠিক ও বিস্তারিত ইতিহাস পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।&rsquo;

মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনের অংশ হিসেবে গত ৪-৭ মে পর্যন্ত বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে চার দিনব্যাপী নিবিড় আবাসিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিকের বই পরিমার্জনের কাজও চলমান রয়েছে বলে জানান এনসিটিবির চেয়ারম্যান।

তিনি জানান, মাধ্যমিক পর্যায়ের ৯৭টি এবং প্রাথমিক পর্যায়ের ৩৬টি বই পরিমার্জনে দেশের প্রায় ৩২০ জন বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন। তাদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) গবেষক এবং অভিজ্ঞ স্কুলশিক্ষক রয়েছেন।

মাধ্যমিকের বই পরিমার্জনের কাজ শেষ করে এখন প্রাথমিকের বই নিয়ে কাজ চলছে। আগামী জুলাইয়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ করে মুদ্রণের প্রস্তুতি নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ইংরেজি ভার্সনসহ সব স্তরের মোট ৬০১টি পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন করা হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে ২০২৭ সালের শুরুতেই পরিমার্জিত ও নির্ভুল বই হাতে পায়, সে লক্ষ্যেই দ্রুত কাজ এগিয়ে চলছে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ এবং পড়াশোনাকে আনন্দদায়ক করতে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে তিনটি নতুন বৈচিত্র্যময় বই যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণির জন্য &lsquo;খেলাধুলা ও সংস্কৃতি&rsquo; বিষয়ক একটি বই প্রণয়ন করা হচ্ছে। শিশুদের শারীরিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করা এবং ডিজিটাল আসক্তি কমাতে সাতটি গেমসের ভিত্তিতে বইগুলো সাজানো হয়েছে। এ ছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে &lsquo;লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস&rsquo; বই প্রণয়ন করা হচ্ছে, যাতে তারা আনন্দের সঙ্গে শিখতে পারে। পর্যায়ক্রমে এটি অন্য শ্রেণিতেও যুক্ত করা হবে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষা (টিভিই) বিষয়ে একটি উদ্দীপনামূলক বইও আগামী বছর যুক্ত করা হচ্ছে।

আইসিটি বইয়ের আমূল পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, &lsquo;বর্তমান বইগুলো অনেকটাই পুরোনো হয়ে গেছে। আমরা ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বইগুলো প্রায় নতুনভাবে সাজাচ্ছি। সেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।&rsquo;

মাহবুবুল হক পাটওয়ারী বলেন, বর্তমান সরকার তার নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী শিক্ষার্থী-বান্ধব নতুন কারিকুলাম নিয়ে কাজ করছে। এর মূল দর্শন হবে &lsquo;অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা&rsquo;। এতে বইয়ের সংখ্যা কমবে এবং ব্যবহারিক শিক্ষার পরিধি বাড়বে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, &lsquo;২০২৭ সালের জন্য আমরা পাঠ্যবই পরিমার্জনের কাজ করছি। তবে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নতুন কারিকুলামও হতে পারে।&rsquo;

অভিভাবকদের উদ্দেশে এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, &lsquo;আমরা বর্তমানে ২০১২ সালের কারিকুলাম অনুসরণ করছি। আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীরা যখন আনন্দের সঙ্গে শিখবে, তখন অভিভাবকরাও এটি পছন্দ করবেন।&rsquo;

২০২৭ সালের জানুয়ারির প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীরা ইতিহাসের বিচ্যুতিমুক্ত, নির্ভুল ও আধুনিক পাঠ্যপুস্তক হাতে পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন এনসিটিবি চেয়ারম্যান।

এদিকে পাঠ্যবই পরিমার্জনের সঙ্গে যুক্ত আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, দুই পর্যায়ে পাঠ্যবইগুলো পরিমার্জনের কাজটি হচ্ছে। একটি হলো ছোটখাটো পরিমার্জন, যেখানে বাক্যগত, শব্দগত পরিমার্জন করা হচ্ছে। আরেকটি ধাপে বড় ধরনের পরিমার্জন হচ্ছে। যেখানে বিষয়বস্তু এবং অ্যাকটিভিটি বিষয়ে পরিমার্জন করা হচ্ছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 15 May 2026 08:17:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু, এইচএসসি ৬ জুন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114798" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114798</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ওই বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে। আর পরীক্ষা শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। এ ছাড়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ওই বছরেরই ৬ জুন; যা চলবে ১৩ জুলাই পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে এক সংবাদ শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আগামী বছরের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেন। সম্মেলনের পর পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচিও সাংবাদিকদের দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী জানান শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সময় বাঁচাতে তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো পর্যায়ক্রমে এসএসসি ও এইচএসসি বছরের ডিসেম্বর মাসে নেওয়া।

এর আগে বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীসহ অংশীজনেরা বলেছিলেন &lsquo;হুট করে&rsquo; ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়া ঠিক হবে না। এ ক্ষেত্রে তাদের পরামর্শ, এসএসসি পরীক্ষা আগামী বছরের জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা জুনে নেওয়া যেতে পারে। অংশীজনদের এই মতামতের পর এখন পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট সময় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমানে এসএসসি এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ৪০ লাখ পরীক্ষার লেখাপড়া ও ভবিষ্যত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাভাবিক সময়ে এসএসসি পাস করতে একজন শিক্ষার্থীর ১৬ বছর এবং এইচএসসির জন্য ১৮ বছর লাগতে পারে। কিন্তু দেখা গেছে এইচএসসি পাস করতেই ২০ বছর লেগে যায়। অর্থাৎ জনমিতির হিসেবে জাতি ৪০ লাখ বছর পিছিয়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে চেষ্টা হচ্ছে পাঠ্যসূচি শেষ করা ও সেশনজট কমিয়ে আনা। গ্যাপ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা তাঁদের লক্ষ্য।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। ডিসেম্বর হলো পরীক্ষার জন্য আদর্শ মাস। এটা এসএসসি ও এইচএসসির। সেটাকে সামনে রেখে কাজ শুরু করেছি। তবে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা ওই বছরের ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি। পবিত্র রমজানের কারণে আগে আগে শেষ করা হচ্ছে পরীক্ষা। আর এইচএসসি শুরু করা হবে ৬ জুন এবং শেষ করা হবে ১৩ জুলাই।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, তারা আইন পরিবর্তন করে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ব্যবস্থা করছেন। আগামী সংসদ অধিবেশনে আইনের সংশোধনী পাস হতে পারে বলে জানান তিনি। প্রসঙ্গত বর্তমানে উত্তরপত্র মূল্যায়নের সুযোগ নেই। কেবল পুননিরীক্ষণের সুযোগ আছে। মানে খাতায় নম্বর দেওয়ার ক্ষেত্রে যোগ&ndash;বিয়োগে ভুল আছে কি না বা গুরুতর কোনো ভুল আছে কি না সেটা দেখা হয়।

এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা। প্রতিবছর এই দুই পরীক্ষায় সারা দেশে লাখ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেন। বর্তমানে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পর্যায়ে যে বছর দশম শ্রেণির ক্লাস শেষ করে, তার পরের বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। এইচএসসির ক্ষেত্রেও প্রায় একই অবস্থা। দীর্ঘদিন ধরে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির শুরুতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শুরুতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। তবে করোনা পরিস্থিতির পর থেকে এই সূচি আর বজায় রাখা যাচ্ছে না; বরং আরও পিছিয়েছে। চলতি বছরের (২০২৬ সাল) এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় গত ২১ এপ্রিল, আর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে জুলাই মাসে।

এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

তবে ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনা প্রকাশের পর এ নিয়ে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অংশীজনদের নিয়ে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সভাতেও ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে না নেওয়ার পক্ষে মত এসেছে। তবে পর্যায়ক্রমে তা ডিসেম্বরে আনা যেতে পারে বলেও মত উঠে আসে।

বর্তমানে দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষাবর্ষ জানুয়ারিতে শুরু হয়ে ডিসেম্বরে শেষ হয়। তবে উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় জুলাই মাসে। আবার দেশে উচ্চশিক্ষার সেশনও শুরু হয় জুলাই থেকে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 11:09:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছে টানা ছুটি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114782" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114782</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&lrm;ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে দেশের সর্বস্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি শুরু হচ্ছে। ছুটির তালিকা ও &lrm;শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, আগামী ২৪ মে থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, কারিগরি প্রতিষ্ঠান এবং মাদ্রাসাগুলোতে একযোগে এ ছুটি শুরু হবে।

তবে শিক্ষার্থীরা কার্যত ২১ মে ছুটির আগে শেষ দিনের মতো ক্লাসে অংশ নেবেন। ২২ ও ২৩ মে পড়েছে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।

&lrm;&lrm;ছুটির তালিকা অনুযায়ী, সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি চলবে ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত। এরপর ৫ ও ৬ জুন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় এসব প্রতিষ্ঠানে পাঠদান পুনরায় শুরু হবে ৭ জুন।

&lrm;এই হিসাবে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কারিগরি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ১৬ দিনের বিরতি পাচ্ছে।

&lrm;অন্যদিকে দেশের সব মাদ্রাসার আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরে ছুটি আরও দীর্ঘ হচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, ২৪ মে থেকে ছুটি শুরু হয়ে চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। পরবর্তী ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটির পর ১৪ জুন থেকে পুনরায় শ্রেণিকক্ষ খুলবে। ফলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ২৩ দিনের দীর্ঘ অবকাশ উপভোগের সুযোগ পাচ্ছে।

দীর্ঘ এই ছুটির পর জুন মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও পরবর্তী মাসগুলোতেও বেশ কিছু ছুটির দিন নির্ধারিত রয়েছে। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, আগামী ২৯ জুলাই আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষে একদিনের ছুটি থাকবে। এ ছাড়া আগস্ট মাসে ৫ আগস্ট &lsquo;জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস&rsquo;, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার সোম্বা এবং ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। পরবর্তী সেপ্টেম্বর মাসেও শুভ জন্মাষ্টমী ও ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে নিয়মিত ছুটির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সাধারণত পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন প্রচণ্ড দাবদাহের সময় শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিশ্রামের কথা বিবেচনা করেই প্রতিবছর শিক্ষাপঞ্জিতে এমন দীর্ঘ ছুটির পরিকল্পনা করে সরকার।

&lrm;এদিকে রোজার ঈদের মতো কোরবানির ঈদেও টানা সাত দিনের অবকাশ পাচ্ছেন দেশের মানুষ। সরকার ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করেছে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঈদের ছুটির আগে ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা থাকবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 17:01:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাবিতে নারী শিক্ষার্থীকে জঙ্গলে টেনে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114770" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114770</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে পরিত্যক্ত পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন জঙ্গলে টেনে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক বহিরাগতের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-বেরুনী হলের বর্ধিতাংশ, পরিত্যক্ত পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম আবর্তনের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটের দিকে ওই শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করতে থাকেন। পরে পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন সড়কে পৌঁছালে ওই ব্যক্তি শিক্ষার্থীর গলায় রুমাল বা দড়িসদৃশ কিছু পেঁচিয়ে টেনে-হিঁচড়ে পাশের আল-বেরুনী হলের এক্সটেনশন সংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে যান।

এ সময় পরিত্যক্ত ফজিলাতুন্নেছা হলের সামনের রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেলে কয়েকজন শিক্ষার্থী যাচ্ছিলেন। ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে ওই ব্যক্তি পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেল আরোহীরা ওই নারী শিক্ষার্থীকে আতঙ্কিত অবস্থায় জঙ্গলের পাশে দেখতে পান। তখন তার পায়ে স্যান্ডেল ছিল না এবং শরীর ও কাপড়ে মাটি লেগে ছিল বলে জানান তারা।

ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অফিসে খবর দেন। পরে নিরাপত্তা কর্মকর্তা ও প্রক্টোরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। একইসঙ্গে অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে নিরাপত্তা অফিসে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ফজিলাতুন্নেছা হল সংলগ্ন সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় এক নারী শিক্ষার্থী ধর্ষণচেষ্টার শিকার হন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা শুরু করি। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আমরা অভিযুক্তকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীও অভিযুক্তকে শনাক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করে এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা চাই, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আসুক।

প্রক্টর জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। অভিযুক্তের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে তার আরও স্পষ্ট ছবি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এ ঘটনার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনা ক্যাম্পাসে জানাজানি হওয়ার পরে জাকসুর নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা শাখার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। তারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে অভিযুক্তকে শনাক্ত করার চেষ্টা করেন এবং দ্রুত এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 04:54:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সহকারী প্রক্টর পদ ছাড়লেন ঢাবি শিক্ষক শেহরীন মোনামি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114738" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114738</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। সোমবার (১১ মে) স্যোশাল মিডিয়া ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে একই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর পদ থেকে অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ পদত্যাগ করেন। ফেসবুক পোস্টে শেহরীন আমিন ভূঁইয়া লেখেন, &lsquo;I have officially resigned from my position as the Assistant Proctor at the University of Dhaka.&rsquo;

তিনি জানান, শিক্ষকতা জীবনের সাত বছরে কখনোই প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছা ছিল না তার। তিনি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করলেও প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের পরিকল্পনা ছিল না বলে উল্লেখ করেন। তবে ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট তৎকালীন প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমদের ফোন পাওয়ার পর তিনি দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী হন বলে জানান।

নিজের পোস্টে তিনি লিখেন, &lsquo;আমি সামান্য লেকচারার, তার চেয়েও সামান্য একজন মানুষ, এতো বড় দায়িত্ব যা সচরাচর একটু সিনিয়র শিক্ষকরা পান, সেই দায়িত্বে আমি!&#39;

সাবেক প্রক্টরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, গত দুই বছরে সাইফুদ্দীন আহমদের কাছ থেকে তিনি শিখেছেন কীভাবে ধৈর্য ও সংযমের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয় এবং শিক্ষার্থীদের আগলে রাখতে হয়। জুলাই আন্দোলন-পরবর্তী সময়কে &lsquo;অভূতপূর্ব&rsquo; অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, এমন পরিস্থিতি আগে কোনো প্রক্টর বা তার টিমকে মোকাবিলা করতে হয়নি বলে তার ধারণা।

নতুন প্রক্টর ও তার টিমকে শুভকামনা জানিয়ে পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, &lsquo;It was an absolute honour to serve with my team and under the leadership of our Proctor Saifuddin Ahmed sir.&rsquo;

এ ছাড়া তিনি আরও লেখেন, &lsquo;Congratulations to our new Proctor and his team. Wishing this team all the best in carrying out this significant responsibility.&rsquo;

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 May 2026 06:46:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইবির জিয়া হলে সিট বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে প্রভোস্ট কক্ষে তালা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114706" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114706</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শহীদ জিয়াউর রহমান হলে সিট বরাদ্দে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে প্রভোস্টের কক্ষে তালা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (৯ মে) শিক্ষার্থীরা প্রভোস্ট কক্ষের সামনে বিছানা বিছিয়ে এই কর্মসূচি পালন করেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, হলের ফি পরিশোধ করে রশিদ জমা দেওয়া এবং তালিকায় নাম থাকার পরেও তারা নির্ধারিত কক্ষে উঠতে পারছেন না। মেস ছেড়ে দিয়ে হলে আসা কেউ কেউ এখন থাকার জায়গাহীন অবস্থায় পড়েছেন। এ পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আজ প্রভোস্ট কক্ষে তালা দিয়ে সংগঠিত প্রতিবাদে নামেন।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, মৌখিক আশ্বাসে আমরা আর আস্থা রাখতে পারছি না। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সিট পুনর্বণ্টন করতে হবে।

এবিষয়ে হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুল গফুর গাজী বলেন, আমাকে হলের কর্মকর্তারা যে তথ্য সংগ্রহ করে দিয়েছে, তার ভিত্তিতে বরাদ্দ দিয়েছি। তাতে তথ্য গড়মিল ছিল। প্রশাসনও যথেষ্ট সহযোগিতা করছে না। আপাতত আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাহিরে আছি, প্রশাসনের সঙ্গে আলাপ করে দেখছি।

উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল হল প্রভোস্টের স্বাক্ষরে ৮৫ জনের চূড়ান্ত কক্ষ নির্ধারণের তালিকা প্রকাশিত হলে একাধিক তলায় বিভিন্ন কক্ষে সিট ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও বরাদ্দ না দেওয়া এবং সিট না থাকলেও বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 17:48:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে ইবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114705" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114705</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমানো এবং পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীদের &lsquo;অস্বচ্ছল মেধাবীরা বঞ্চিত কেন, প্রশাসন জবাব চাই&rsquo;, &lsquo;প্রশাসনের প্রহসন, মানি না মানবো না&rsquo;, &lsquo;পোষ্য কোটা বাতিল চাই&rsquo;সহ নানা প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করতে দেখা যায়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটা বাতিল হলেও ইবিতে এখনও পোষ্য কোটায় ভর্তি চলমান। যারা এই কোটায় ভর্তি হয় তারা অমেধাবী। তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হোক। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন ফি কমানো উচিত। সেশন ফি প্রদান করতে শিক্ষার্থীদের নাভিশ্বাস চলে আসে।

বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে উপাচার্য স্যার ঢাবি-রাবি-জাবি-চবির সঙ্গে তুলনা করলেও ফি-এর দিক থেকে তা সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় অতিমাত্রায় বেশি। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রায় এক হাজার ৭০০ টাকায় ফরম ফিলআপ করা গেলেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই ফি নয় থেকে ১২ হাজার পর্যন্ত পৌঁছায়।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলের ভিসি আশকারি নিজের ও নিজের দলের সুবিধার্থে ফি অতিরিক্ত পরিমাণে বাড়িয়েছিলেন।

প্রশাসনকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ইবির তথাকথিত জুলাই প্রশাসন অযৌক্তিক ফি ও পোষ্যকোটা বাতিল না করা অব্দি আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 17:45:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঈদুল আজহায় স্কুল-কলেজে ১৬, মাদ্রাসায় ২১ দিনের ছুটি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114683" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114683</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সাত দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছে সরকার।

একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২০২৬ সালের শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী স্কুল-কলেজে টানা ১৬ দিন এবং মাদ্রাসায় ২১ দিনের ছুটি থাকছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এদিন সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। তবে সরকারি অফিসের ছুটিতে পরিবর্তন এলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির সূচিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ এবং ঈদুল আজহার ছুটি শুরু হবে ২৪ মে থেকে, যা চলবে ৪ জুন পর্যন্ত। ছুটির আগে ও পরে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় স্কুলগুলোতে টানা ১৬ দিনের ছুটি মিলবে।

কলেজ পর্যায়েও ঈদের মূল ছুটি ১২ দিনের হলেও সাপ্তাহিক বন্ধ যুক্ত হয়ে মোট ছুটি দাঁড়াবে ১৬ দিনে। অন্যদিকে মাদ্রাসাগুলোতে গ্রীষ্মকালীন অবকাশ ও ঈদের ছুটি শুরু হবে ২৪ মে থেকে এবং শেষ হবে ১১ জুন। এর সঙ্গে আগের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা টানা ২১ দিনের ছুটি পাচ্ছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 08 May 2026 11:36:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে লিমন-বৃষ্টিকে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114634" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114634</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা কর্তৃপক্ষ হত্যাকাণ্ডের শিকার পিএইচডির শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিকে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ৯ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের বসন্তকালীন সমাবর্তনে এই ডিগ্রি প্রদান করা হবে।

মঙ্গলবার (৫ মে) ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে মিয়ামির বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে চিঠি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। কনস্যুলেটের একজন প্রতিনিধিকে উপস্থিত থেকে নিহত দুই পরিবারের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে বুধবার ( ৬ মে) দুপুর ২ টায় টাম্পায় নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বৃষ্টির মরদেহ ঢাকায় পাঠানো হবে। দুবাই হয়ে মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে শনিবার (৯ মে) সকালে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক জামিল আহমেদ লিমন (২৭) যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন।

গত ১৬ এপ্রিল তিনি নিখোঁজ হন। লিমনের সঙ্গে নিখোঁজ হন নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি (২৭)। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি যুক্তরাষ্ট্রে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে জামিলের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘারবেহকে তার পারিবারিক বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আবুঘারবেহকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গত ২৪ এপ্রিল ফ্লোরিডার হাওয়ার্ড ফ্রাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ এলাকায় আবর্জনা ফেলার কালো রঙের কয়েকটি ব্যাগের মধ্যে জামিলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায় বলে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় থেকে জানানো হয়।

এ ঘটনায় আবুঘারবেহর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার (ফার্স্ট ডিগ্রি) হত্যার দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 May 2026 04:25:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দক্ষিণ এশিয়ায় দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হারে সবার পেছনে বাংলাদেশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114573" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114573</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ন্যূনতম দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হারে বাংলাদেশ সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। ইউনেস্কো প্রকাশিত সর্বশেষ বিশ্ব শিক্ষা পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এমন চিত্র। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের মাধ্যমিক স্তরে গড়ে মাত্র ৫৫ শতাংশ শিক্ষক নির্ধারিত ন্যূনতম দক্ষতার মান পূরণ করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষকদের দক্ষতা নির্ধারণে দুটি বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে&mdash; প্রথমত, সংশ্লিষ্ট স্তরে পাঠদানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ রয়েছে কিনা এবং দ্বিতীয়ত, তাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতা ওই স্তরের জন্য উপযোগী কিনা। এ মানদণ্ডে বাংলাদেশে নিম্ন মাধ্যমিক স্তরে দক্ষ শিক্ষকের হার ৫৪ দশমিক সাত শতাংশ এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৫৫ দশমিক দুই শতাংশ।

একই সূচকে মালদ্বীপ ৯৮ দশমিক পাঁচ শতাংশ দক্ষ শিক্ষকের হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। এ ছাড়া ভুটান, নেপাল, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান যথাক্রমে দ্বিতীয় থেকে ষষ্ঠ অবস্থানে আছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের তথ্যে দেখা যায়, মাধ্যমিক স্তরে ইংরেজি পড়ানো শিক্ষকদের মধ্যে মাত্র ১৬ দশমিক ৯৯ শতাংশের ইংরেজিতে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে। গণিতের ক্ষেত্রে এ হার ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ, যা বিষয়ভিত্তিক দক্ষতার ঘাটতিকে স্পষ্ট করেছে।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 02 May 2026 09:55:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি ভিসি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114377" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114377</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান জানিয়েছেন, ক্রান্তিকালীন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে পৌঁছে দিয়ে তিনি সরে দাঁড়াতে চান। তবে ধারাবাহিকতা রক্ষায় সরকার চাইলে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে তিনি প্রস্তুত রয়েছেন।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলে।

উপাচার্য বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি দায়িত্ব নেন একটি বিশেষ ও আপৎকালীন পরিস্থিতিতে, যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ ছিল, প্রশাসনিক কাঠামো অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে প্রথম লক্ষ্য ছিল একাডেমিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থিতিশীলতায় ফেরানো।

প্রায় দেড় বছর পর বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এখনো সীমাবদ্ধতা আছে, তবে সার্বিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্পষ্ট। আপৎকালীন পরিস্থিতি আমরা উত্তরণ করতে পেরেছি।

উপাচার্য জানান, তিনি কখনোই এ দায়িত্বকে নিয়মিত চাকরি হিসেবে দেখেননি। উপাচার্যের দায়িত্বটি আমার কাছে ছিল একটি আমানতের মতো। ছাত্রদের অনুরোধ এবং ভালোবাসায় আমি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম।

নিজের সরে দাঁড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, একটি নিয়মিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নিলে তারা যেন নিজেদের মতো করে প্রশাসন সাজাতে পারে এটাই আমি চাই, রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নিক এবং আমরা তাদের পূর্ণ সহযোগিতা করব৷

তবে তিনি স্পষ্ট করেন, হঠাৎ করে কোনো শূন্যতা বা প্রশাসনিক অচলাবস্থা সৃষ্টি করার পক্ষে তিনি নন। এ কারণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহল চাইলে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে তিনি রাজি আছেন।

দায়িত্বকালে অর্জনের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়েছে, হল সংসদগুলো কার্যকর হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার একটি প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি হয়েছে, টাইমস হায়ার এডুকেশন র&zwj;্যাংকিংয়ে প্রায় ২০০ ধাপ উন্নতি, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৬০ শতাংশ বৃদ্ধি এবং গবেষণা ও প্রকাশনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

এছাড়া অবকাঠামোগত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ২ হাজার ৮৪১ কোটি টাকার বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে, যা আবাসন, একাডেমিক ভবন ও গবেষণা অবকাঠামোর ঘাটতি অনেকটাই কমাবে।

উপাচার্য বলেন, তিনি সরকারকে দ্রুত তার ডেপুটেশন প্রত্যাহার করে মূল শিক্ষকতার দায়িত্বে&mdash;উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে&mdash;ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার অনুরোধ করবেন।

&ldquo;অনেকদিন কঠিন পরিশ্রম করেছি। এখন আমার কিছু বিশ্রাম প্রয়োজন,&rdquo; বলেন তিনি।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 10 Feb 2026 12:38:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বৈষম্যহীন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার দাবিতে ইবি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114347" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114347</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রভাষক নিয়োগে শিক্ষক নিবন্ধনে (আল কুরআন, আল হাদিস, আরবি সাহিত্য ও আল ফিকহ বিভাগ) বৈষম্যহীন পরীক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন করেন। এসময় শিক্ষার্থীদের &#39;অনার্স দিয়ে বিসিএস হয়, প্রভাষক কেন নয়&#39;, &#39;একশন টু একশন, ডাইরেক্ট একশন&#39;, &#39;অনার্সে যোগ্যতা, তবুও কেন বঞ্চনা&#39;, &#39;একই পদ একই কাজ, বৈষম্য কেন আজ&#39;, &#39;একই পদ একই কাজ, ভিন্ন নীতি কেন আজ?&#39;, &#39;২৪ এর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই&#39; ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, বিপ্লব পরবর্তী সময়ে আশা করছিলাম বৈষম্য দূর হবে। কিন্তু আমরা দেখলাম গতকাল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য দেয়া প্রভাষক নিবন্ধন পরীক্ষায় কিছু সাবজেক্টের (আল হাদিস, আল কুরআন, আরবি সাহিত্য ও আল ফিকাহ) ক্ষেত্রে মাস্টার্স শেষ করা লাগবে বলে শর্ত দেয়। কিন্তু সমমনা অন্যন্য সাবজেক্টের বেলায় অনার্স শেষ হলেই প্রভাষক হতে পারে। এই বৈষম্য দূর করতে হবে। মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিবারই ছোট করে দেখা হয়।

এসময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো ১. মাদ্রাসায় আরবি প্রভাষকের ক্ষেত্রে আবেদনের শর্ত থেকে মাস্টার্স বাদ দিয়ে অনার্স করতে হবে। যদি না করা হয় তাহলে যাদেরকে অনার্স দিয়ে প্রভাষকের আবেদনের সুযোগ দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও সমান করে তাদের ক্ষেত্রেও মাস্টার্স প্রাধান্য করতে হবে। ২. কামিল-এ বিষয় ভিত্তিক ৪ জন করে মুফাসসির, মুহাদ্দিস, আদিব, ফকিহ এগুলো থাকার কথা ছিল। কেননা বিগত সময়ে ৮০০ মার্কের পরীক্ষা হতো এখন ১৭০০ মার্ক। ঠিক! সেই জায়গা থেকে আপনারা শিক্ষক বাড়ানো তো অনেক পরের কথা আপনারা কমিয়ে দিয়েছেন। আমরা চাই এখানে যেভাবে সাবজেক্ট বৃদ্ধি পেয়েছে সেইভাবে সকল ক্যাটাগরিতে শিক্ষক বৃদ্ধি করতে হবে। ৩. অনার্স দিয়ে সহকারী মৌলভীর জন্য বিএড ছাড়া আবেদন করতে পারবে এবং সেটা দশম গ্রেডের হতে হবে।

এসময় তারা দাবি পূরণের জন্য ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 03 Feb 2026 13:06:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার বিচার চেয়ে ইবিতে ফের মানববন্ধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114305" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114305</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আল কুরআন অ্যান্ ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহকে হত্যার প্রতিবাদে এবং অতিদ্রুত খুনীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানবন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বেলা ১২ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ মানববন্ধন করা হয়। এ সময় তারা প্রক্টরকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দেয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ক্যাম্পাসে একজন শিক্ষার্থী হত্যার ৬ মাস পার হলেও প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এখানে অনিরাপদ এবং সবসময় শঙ্কিত থাকি। দিনে-দুপুরে হত্যা করা হলেও প্রশাসন শুধু টালবাহানা করছে। আমরা দ্রুত বিচার চাই এবং হত্যার সঙ্গে জড়িত সকলের কঠোর শাস্তি দাবি করছি।

এ সময় ছাত্রশিবির ইবি শাখার সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, সাজিদের হত্যাকান্ডের পর থেকে শুনে আসছি হত্যাকারীদের মুখ উন্মোচন হবে। যখন বিচার চেয়ে সোচ্চার হয়েছি তখন প্রশাসন তদন্ত রিপোর্ট আসতেছে বলে আমাদেরকে বিরত রাখছে। কিন্তু সেই তদন্ত রিপোর্ট ঠেলাগাড়িতে আসতেছে নাকি ট্রেনে আসতেছে আমরা এখনো জানি না। কোন অদৃশ্য শক্তির ভয়ে আপনারা বিচার করতে পারছেন না শিক্ষার্থীদের সামনে তাদের মুখ উন্মোচন করুন। সাজিদ হত্যাসহ প্রত্যেকটি অনিয়মের সাথে জড়িতদের মুখ উন্মোচন করুন।

ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, এই ছয় মাসে প্রশাসন অনেক নয়-ছয় করেছে। এই নয়-ছয় আর চলতে দেওয়া হবে না। প্রশাসনকে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে হুশিয়ারী করে বলতে চাই, ব্যর্থ প্রক্টরিয়াল বডিকে আগামীকাল বিকেল ৪টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় অপসারণ করবেন। যদি প্রক্টরিয়াল বডিকে অপসারণ করতে ব্যর্থ হন তাহলে আগামী বুধবার ১১টার সময় ভিসি অফিস ঘেরাও করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সাথে যারা জড়িত তাদেরকেও আমার সন্দেহ হয়, তাদেরকেও তদন্তের আওতায় আনুন।

এ বিষয়ে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নিরাপত্তা থেকে সাজিদ হত্যার বিষয়ে প্রক্টরের দায় নেই। যেহেতু প্রক্টর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন কর্তৃক নিয়োগকৃত। যদি দায় থেকে থাকে তাহলে সেটা সম্পূর্ণ আমাদের প্রশাসনের। বর্তমান হত্যাকাণ্ডটি পুলিশী কেসের তদন্তাধীন, ভিসি থেকে প্রশাসনের আন্তরিকতার ঘাটতি নাই। যদি কোন কারণে শিক্ষার্থীরা ভিন্ন কিছু কর্মসূচি দেয় তাহলে আমরা শিক্ষার্থীদের কাতারে চলে যাব।

উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে প্রক্টরের পদত্যাগের বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, আমি একজন কনভেনর হিসেবে এটি উপাচার্যের সামনে উপস্থাপন করবো।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 26 Jan 2026 10:55:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইবি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী কল্যাণ সমিতির দায়িত্বে শহিদুল-আহনাফ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114303" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114303</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) শিক্ষার্থী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে আহ্বায়ক হিসেবে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মো. শহিদুল ইসলাম ও আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের আহনাফুজ্জামান দায়িত্ব পেয়েছেন।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। আগামী ৬ মাসের মধ্যে গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেয়া হয়।

কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন-

যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জিহাদ হাসান, আজহারুল ইসলাম, তারিফ মাহমুদ, নাইম ইসলাম ও হাবিবুর রহমান।

আহ্বায়ক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, &ldquo;আমরা প্রায় এক বছর যাবৎ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করতেছি। আহ্বায়ক হিসেবে সকল শিক্ষার্থী মিলে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করবো।&rdquo;

তিনি আরও বলেন, &ldquo;বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা যাতে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয় সেজন্য অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ধরণের সুবিধা দেয়া হয় ইবি প্রশাসনও সে ধরণের সুযোগ সুবিধা দিবে বলে আশ্বাস দিয়েছে।&rdquo;

উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর ৩৪তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় উক্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 26 Jan 2026 10:36:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইবিতে শহীদ হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে মুক্তিকামী জনতার বিক্ষোভ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114234" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114234</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জুলাই বিপ্লবের সম্মুখসারির যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছেন মুক্তিকামী জনতা।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বাদ জুম্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুষ্টিয়া&ndash;ঝিনাইদহ মহাসড়ক হয়ে পার্শ্ববর্তী শেখপাড়া বাজার ঘুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীদের &lsquo;তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি&rsquo;, &lsquo;দিন দুপুরে মানুষ মরে, প্রশাসন কী করে&rsquo;, &lsquo;ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ&rsquo; এবং &lsquo;নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার&rsquo;সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সহ-সমন্বয়ক তানভীর মাহমুদ মন্ডল বলেন, &ldquo;কোনো অদৃশ্য কালো শক্তির কারণে সরকার ও প্রশাসন হাদি হত্যার বিচার করতে ব্যর্থ হচ্ছে। আন্দোলন করলেই আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কোনো অগ্রগতি নেই। মামলার তদন্তে শুধু শুটার ফয়সাল ও আওয়ামী লীগের এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে নির্দেশদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। অথচ এর পেছনে যে বড় চক্র জড়িত, তা আড়াল করা হচ্ছে। কোন শক্তির কারণে এই সত্য লুকানো হচ্ছে, তা জানতে চাই।&rdquo;

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, &ldquo;শহীদ ওসমান হাদি হত্যার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। একইভাবে আমাদের ভাই সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার ছয় মাস পার হলেও বিচার নিশ্চিত হয়নি। ভিসি নকীব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহকে বলতে চাই, এই প্রশাসনের সময়েই সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তাই সকল শিক্ষার্থীকে আগামী রবিবার প্রশাসন ভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।&rdquo;

এ সময় শিক্ষার্থী তাজমিন রহমান বলেন, &ldquo;ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ভাইয়ের হত্যার এক মাস পার হয়ে গেছে। যাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হলো, তার বিচার দাবিতে আজও আমাদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে&mdash;এটা লজ্জাজনক। খুনিরা প্রকাশ্যে চিহ্নিত হলেও তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। ডিজিএফআই, র&zwj;্যাব ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা আমাদের গভীরভাবে হতাশ করেছে।&rdquo;

তিনি আরও বলেন, &ldquo;এই নীরবতা জনগণের মনে সন্দেহ সৃষ্টি করছে&mdash;&lsquo;সর্ষের মধ্যেই ভূত&rsquo; রয়েছে কি না। আমরা অবিলম্বে হাদি ভাইয়ের খুনিদের গ্রেপ্তার, হত্যার নেপথ্যের গডফাদারদের পরিচয় প্রকাশ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি যদি মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে আমরা হাদি ভাইয়ের আদর্শে তাদের রুখে দেব।&rdquo;

শাখা ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া হোসাইন বলেন, &ldquo;আমরা ক্লান্ত হবো না, হতাশ হবো না। শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে ইতিহাস ও স্মৃতি থেকে মুছে যেতে দেব না। বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন ও বিপ্লবে সাধারণ মানুষ রক্ত দিয়েছে, কিন্তু সেই রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এক শ্রেণি ক্ষমতা দখল করেছে। হাদি চেয়েছিলেন স্বাধীনতার স্বাদ সারা দেশে পৌঁছে দিতে। তার আধিপত্যবাদবিরোধী চেতনার কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষী&mdash;হাদি শহীদ হলেও তার উত্তরসূরিরা তার চেতনা যুগ যুগ ধরে বহন করবে। হাদি হত্যার এক মাস পূর্ণ হয়েছে; আমরা আবারও তার হত্যার বিচারের জোর দাবি জানাচ্ছি।&rdquo;

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Jan 2026 15:06:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114222" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114222</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ পরীক্ষার সূচি জানানো হয়।

রুটিন অনুযায়ী, বাংলা বিষয়ের মাধ্যমে এবারের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে এবং পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ২০ মে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বোর্ড জানায়, আগামী ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী ১৮ জুনের মধ্যে হাতে লেখা নম্বরফর্দ, ব্যবহারিক উত্তরপত্র, আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও স্বাক্ষরলিপি বিভাগ অনুযায়ী রোল নম্বরের ক্রমানুসারে সাজিয়ে হাতে হাতে মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর সাধারণত ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি এবং এপ্রিল মাসে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও গত বছর ও চলতি বছর সেই ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন এসেছে।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Jan 2026 15:03:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৩ দিন পর গণজমায়েত মঞ্চ তৈরির ঘোষণা দিয়ে সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114221" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114221</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অবরোধ কর্মসূচি পালনের প্রায় ৫ ঘণ্টা পর সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ছেড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সায়েন্সল্যাব এবং টেকনিক্যাল মোড় থেকে সরে যান তারা। একইসঙ্গে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আবারও সায়েন্সল্যাব মোড় ব্লকেড করে গণজমায়েত মঞ্চ তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন দাবি আদায়ে অনড় শিক্ষার্থীরা।

এদিকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ) গঠনের অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।

জানা গেছে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বের হন। তারা সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান নিয়ে ওই সড়ক পুরোপুরি অবরোধ করেন। এতে অংশ নেন ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। একই সময় মিরপুরের টেকনিক্যাল মোড় ও পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়েও শিক্ষার্থীরা জড়ো হন বলে জানা গেছে। এতে অবরোধ চলা সড়কগুলোসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের এ অবরোধের কারণে আজিমপুর থেকে গাবতলী পর্যন্ত মিরপুর সড়কে দিনভর তীব্র যানজট দেখা দেয়। পাশাপাশি মিরপুর-১, ২ ও ১০ নম্বর এলাকাতেও যান চলাচল ব্যাহত হয়। গণপরিবহন না পেয়ে অনেক যাত্রীকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, &lsquo;আমাদের একটাই দাবি&mdash;ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। আমাদের দাবি স্পষ্ট। আর কোনো আশ্বাস নয়, দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।&rsquo;

এ সময় তারা স্লোগান দেন&mdash;&lsquo;উই ওয়ান্ট জাস্টিস&rsquo;, &lsquo;রাষ্ট্র, তোমার সময় শেষ&mdash;জারি করো অধ্যাদেশ&rsquo; এবং &lsquo;আমি কে, তুমি কে&mdash;ডিসিইউ, ডিসিইউ&rsquo;।

অবরোধের ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। অবরোধে আটকে পড়া মানুষজন বলেন, &lsquo;যার যেখানে ইচ্ছা, সড়ক বন্ধ করে দিচ্ছে। মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। সরকারের কাছে অনুরোধ, ভোগান্তি লাঘবে উদ্যোগ নিন।&rsquo;

এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব, টেকনিক্যাল, তাঁতীবাজার ও মহাখালী আমতলী মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। একই দিনে সহপাঠী হত্যার বিচার দাবিতে তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীরাও ফার্মগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পর থেকেই সাত কলেজকে ঘিরে নানা জটিলতা তৈরি হয়। এ সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও খসড়া অধ্যাদেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে।

সাননিউজ/আরআরপি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Jan 2026 14:53:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাদারীপুর জেলায় শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হওয়ায় কাজী ওবায়দুর রহমানকে সংবর্ধনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114219" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114219</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ&ndash;২০২৬ উপলক্ষে মাদারীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ কাজী ওবায়দুর রহমানকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর আনন্দঘন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় কলেজের প্রভাষক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কার্য পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

জানা যায়, বিশ্ব শিক্ষক দিবস&ndash;২০২৬ উদযাপন ও গুণী অধ্যক্ষ নির্বাচন উপলক্ষে মাদারীপুর জেলায় শ্রেষ্ঠ গুণী প্রধান অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ কাজী ওবায়দুর রহমান। পরে মাদারীপুর জেলা কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই শেষে তাকে শ্রেষ্ঠ গুণী অধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, অধ্যক্ষ কাজী ওবায়দুর রহমানের দক্ষ নেতৃত্ব, শিক্ষার মানোন্নয়নে নিরলস প্রচেষ্টা ও সুশাসনের কারণে মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ আজ একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তাঁর এই স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানটির জন্য গর্বের এবং ভবিষ্যতে শিক্ষা কার্যক্রমে আরও অগ্রগতির অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশ করে অধ্যক্ষ কাজী ওবায়দুর রহমান বলেন, এই সম্মান একার নয়; এটি মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি ভবিষ্যতেও সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. আব্দুস সালাম, বিশিষ্ট শিক্ষা অনুরাগী আজগর আলী চৌধুরী, প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্য আনোয়ার হোসেন মোল্লা, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আহসান হাবিবসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Jan 2026 14:16:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফের সড়ক অবরোধ করেছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা, ভোগান্তিতে নগরবাসী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114209" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114209</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ) গঠনের অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন।

জানা গেছে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বের হন। তারা সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান নিয়ে ওই সড়ক পুরোপুরি অবরোধ করেন। এতে অংশ নেন ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। একই সময় মিরপুরের টেকনিক্যাল মোড় ও পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়েও শিক্ষার্থীরা জড়ো হন বলে জানা গেছে। এতে অবরোধ চলা সড়কগুলোসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের এ অবরোধের কারণে আজিমপুর থেকে গাবতলী পর্যন্ত মিরপুর সড়কে দিনভর তীব্র যানজট দেখা দেয়। পাশাপাশি মিরপুর-১, ২ ও ১০ নম্বর এলাকাতেও যান চলাচল ব্যাহত হয়। গণপরিবহন না পেয়ে অনেক যাত্রীকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, &lsquo;আমাদের একটাই দাবি&mdash;ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। আমাদের দাবি স্পষ্ট। আর কোনো আশ্বাস নয়, দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।&rsquo;

এ সময় তারা স্লোগান দেন&mdash;&lsquo;উই ওয়ান্ট জাস্টিস&rsquo;, &lsquo;রাষ্ট্র, তোমার সময় শেষ&mdash;জারি করো অধ্যাদেশ&rsquo; এবং &lsquo;আমি কে, তুমি কে&mdash;ডিসিইউ, ডিসিইউ&rsquo;।

অবরোধের ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। অবরোধে আটকে পড়া মানুষজন বলেন, &lsquo;যার যেখানে ইচ্ছা, সড়ক বন্ধ করে দিচ্ছে। মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। সরকারের কাছে অনুরোধ, ভোগান্তি লাঘবে উদ্যোগ নিন।&rsquo;

এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব, টেকনিক্যাল, তাঁতীবাজার ও মহাখালী আমতলী মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। একই দিনে সহপাঠী হত্যার বিচার দাবিতে তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীরাও ফার্মগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পর থেকেই সাত কলেজকে ঘিরে নানা জটিলতা তৈরি হয়। এ সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও খসড়া অধ্যাদেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Jan 2026 09:13:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জ মহিলা কলেজে ক্লাস টেস্টের নামে অর্থ বাণিজ্য!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114194" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/education/114194</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জ শহরে অবস্থিত সরকারি মহিলা কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ক্লাস টেস্টের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ২০ নম্বরের ক্লাস টেস্ট পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৩০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় দেড় লাখ টাকা উত্তোলনের ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে ৪৯৩ জন শিক্ষার্থী। সকল শিক্ষার্থী ৩৫ মিনিটের পরীক্ষার জন্য গত বছরের ১৫ অক্টোবর মাসে সমুদয় কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল হামিদ মোল্লা ও ক্লাস টেস্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক মৌসুমী জাহানের স্বাক্ষরিত একটি রুটিন প্রকাশ করা হয়। যা গত বছরের ২ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভর্তির সময়েই তারা অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার (অর্ধ-বার্ষিক ও বার্ষিক) ফি ৭০০ টাকা করে দিয়েছেন। নিয়মিত পাঠদানের অংশ হিসেবে ক্লাস টেস্টের জন্য আলাদা করে কোনো ফি আদায়ের নিয়ম না থাকলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ জোরপূর্বক এই অর্থ আদায় করছে। টাকা না দিলে পরীক্ষায় অংশ নিতে না দেওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, ক্লাস টেস্ট নামে ২০ নম্বরের জন্য ৩০০ টাকা আমাদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে। কোনো টাকার রশিদ দেওয়া হয়নি। হাতে একটি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য টোকেন দেওয়া হয়েছে। এই টোকেন দিয়েই তারা ক্লাস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন।

তারা আরও জানান, পড়াশোনার পাশাপাশি এভাবে বাড়তি টাকা দিতে বাধ্য করা আমাদের জন্য চরম অন্যায়। এটি শিক্ষার নামে সরাসরি অর্থ বাণিজ্য। একাধিক শিক্ষার্থীর কল রেকর্ড এ প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষণ করা রয়েছে।

একাদশ শ্রেণির ক্লাস টেস্ট পরিচালনা কমিটির সহকারী অধ্যাপক মৌসুমী জাহান বলেন, ১৪টি পরীক্ষার জন্য আমরা শিক্ষকরা একাডেমিক কাউন্সিল করে রেগুলেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এ টাকা নিয়েছি। তবে সরকারি নির্দেশনা রয়েছে কি না&mdash;এ প্রশ্নে তিনি বলেন, একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তই সরকারি নির্দেশনা।

মুন্সীগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল হামিদ মোল্লা ফি নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা সকল শিক্ষকদের নিয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের মাধ্যমে রেগুলেশন করে নিয়েছি। তবে সরকারি নির্দেশনা রয়েছে কি না, তা তিনি বলেননি।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 14 Jan 2026 09:30:47 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
