<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/crime</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/crime"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews crime Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest crime News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Thu, 14 May 2026 08:40:23 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[সিভিল এভিয়েশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114797" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114797</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর দায়ের করা এক লিখিত অভিযোগে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের (সিএএবি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ই/এম) শুভাশীষ বড়ুয়ার বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ঠিকাদার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, বিগত ১৫ বছরে বিভিন্ন বিমানবন্দরের রানওয়ে লাইটিং, ট্যাক্সিওয়ে লাইটিং, সাব-স্টেশনসহ একাধিক বড় প্রকল্প নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শাওন ইলেক্ট্রিক, দুলাল এন্টারপ্রাইজ এবং মেসার্স আতিক কনস্ট্রাকশনের নাম উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রশাসনিক অনুমোদন, টেন্ডার মূল্যায়ন, ডেভিয়েশন ও বিল পরিশোধের বিভিন্ন ধাপে কমিশন গ্রহণ করা হতো।

অভিযোগে বরিশাল, যশোর, রাজশাহী, সৈয়দপুর, শাহ আমানত ও কক্সবাজার বিমানবন্দরের বিভিন্ন প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগকারীরা দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও তার ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত কর্মকর্তা প্রধান প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির আলোচনায় রয়েছেন। এ অবস্থায় তাকে ওই পদে নিয়োগ না দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগ যাচাই করার দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগপত্রের অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বরাবরও পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে শুভাশীষ বড়ুয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া না দেওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 08:40:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দীপু মনি, বাবু ও রুপাকে কারাগারে পাঠালেন ট্রাইব্যুনাল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114793" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114793</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দীর্ঘ ১৩ বছর আগে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বিচারপতি গোলাম মোর্তজা মজুমদারের নেতৃত্বে দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এ আদেশ দেন।

পূর্ব নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আজ তাদেরকে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ৭ মে প্রসিকিউশন জানায়, &lsquo;২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন দীপু মনি। ওই দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষকে নির্মূল করেছেন বলে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করেন তিনি। এ ছাড়া শুরু থেকেই হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশকে উসকানিমূলক বক্তব্য হিসেবে একাত্তর টেলিভিশনে প্রচার করেন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু। ওই সময় মোজাম্মেল বাবু একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন, ফারজানা রুপা ছিলেন টেলিভিশনটির প্রধান প্রতিবেদক।&rsquo;

ওই দিন শুনানি শেষে তাদের ১৪ মে হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পাশাপাশি আগামী ৭ জুন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

বর্তমানে এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 07:04:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ১২৬ বারের মতো পেছাল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114666" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114666</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পিছিয়েছে। আগামী ১৮ জুন প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। এ নিয়ে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৬ বারের মতো পেছাল।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের ধার্য দিন ছিল। তবে আজ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরে আদালত ১৮ জুন প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় এই সাংবাদিক দম্পতি নৃশংসভাবে খুন হন। হত্যাকাণ্ডের সময় বাসায় ছিল তাদের সাড়ে চার বছরের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ।

সাগর-রুনি হত্যার ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম বাদী হয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, রফিকুল ইসলাম, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাঁদের &lsquo;বন্ধু&rsquo; তানভীর রহমান খান। এর মধ্যে তানভীর রহমান খান ও পলাশ রুদ্র পাল জামিনে আছেন। অন্যরা কারাগারে আছেন।

প্রথমে এ মামলা তদন্ত করছিল শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর দায়িত্ব পায় র&zwj;্যাব।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটির তদন্তভার র&zwj;্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের অধীনে তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দেন। পরে ২৩ অক্টোবর সরকারের সিদ্ধান্তে পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 10:09:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114664" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114664</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এবার বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু। আগামী ১৪ মে তাদের হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১০-এর সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ নির্দেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এদিন ট্রাইব্যুনালে সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যুর আবেদন করে প্রসিকিউশন।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন দীপু মনি। ওই দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একদল উচ্ছৃঙ্খল মানুষকে নির্মূল করেছেন বলে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করেন তিনি। এ ছাড়া শুরু থেকেই হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশকে উসকানিমূলক বক্তব্য হিসেবে একাত্তর টেলিভিশনের মাধ্যমে প্রচার করেন সাংবাদিক ফারজানা ও মোজাম্মেল বাবু।

শুনানি শেষে তাদের হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৪ মে দিন ধার্য করা হয়।

বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আগামী ৭ জুন প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন ছয় আসামি। তারা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 06:52:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নাসির-তামিমার মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114645" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114645</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১০ জুন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন আদালত।

শুনানিতে তাদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে প্রার্থনা করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান। তবে তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাসের প্রার্থনা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। শুনানিকালে তারা উভয়ই আদালতে হাজির ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাম্মির সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জানেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন নাসির। তাম্মি ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সি কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালত ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই বছরের ৬ মার্চ মহানগর দায়রা আদালতে নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করেন তাদের আইনজীবী কাজী নজিব্যুল্লাহ হিরু। অন্যদিকে সুমি আক্তারকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান।

২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের রিভিশন অবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মেদ মামলাটির বিচার চলবে বলে আদেশ দেন। একই সঙ্গে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তার মামলার দায় থেকে অব্যাহতি থাকবেন বলে আদেশ দেন। গত ১৬ এপ্রিল মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। গত ১০ মার্চ মামলাটিতে আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি হয়। গত ৮ এপ্রিল তামিমার সাফাই সাক্ষী শেষে আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ৬ মে দিন ধার্য করেন।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 May 2026 09:45:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টিটন হত্যা: ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডে ফের অস্থিরতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114594" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114594</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর নিউমার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় এখনো কোনো অগ্রগতির কথা জানাতে পারেনি পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই শুটারসহ কাউকেই শনাক্ত করা যায়নি। এমনকি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া সন্ত্রাসীরা কোনো শীর্ষ সন্ত্রাসী চক্রের অনুসারী কিনা, তাও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে নিউমার্কেট থানায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলাটি কার্যত অগ্রগতিহীন অবস্থায় রয়েছে।

ঘটনার পর ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তারা বলছে, তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তবে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ ও নথি বিশ্লেষণ করে প্রকৃত খুনিদের চিহ্নিত করতে আরও সময় লাগবে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন টিটন মোবাইল ফোন সঙ্গে না নেওয়ায় তার অবস্থান ও কার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল- তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

ডিবির একটি সূত্র জানায়, পূর্বপরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ডে টিটনকে নিউমার্কেট এলাকায় ডেকে আনা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, তার ঘনিষ্ঠ কোনো ব্যক্তি তাকে সেখানে যেতে প্ররোচিত করে, যাতে হাজারীবাগের সুলতানগঞ্জ এলাকার বাসায় ফেরার পথে নিউমার্কেট এলাকা দিয়ে যাতায়াত নিশ্চিত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে এবং দ্রুত পালানোর সুযোগ তৈরি করতেই এই স্থান বেছে নেওয়া হয় বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

পুলিশের ধারণা, মাত্র ৪ মিনিটের মধ্যে সংঘটিত এই &lsquo;কিলিং মিশন&rsquo;-এ পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয় এবং এরপরই হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

তদন্তে পাওয়া সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের পুরো সময়রেখা উদ্ধার করেছে তদন্তকারীরা। এতে দেখা যায়, গত ২৮ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকেই রাজধানীর নিউমার্কেট ও নীলক্ষেত এলাকায় ঘুরছিল দুই মোটরসাইকেল আরোহী শুটার।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সন্ধ্যা ৬টার দিক থেকেই ঘটনাস্থলের আশপাশে অবস্থান নেয় তারা। পরে রাত ৭টা ৫০ মিনিটে নীলক্ষেত মোড়ে তাদের সর্বশেষ অবস্থান শনাক্ত করা হয়। একই সময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন নিহত টিটনও।

এরপর টিটন হেঁটে ঘটনাস্থলের দিকে অগ্রসর হলে, মোটরসাইকেলে থাকা দুই শুটার তাকে অনুসরণ করতে শুরু করে। মাত্র চার মিনিটের ব্যবধানে, রাত ৭টা ৫৪ মিনিটে তারা টিটনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় একে একে ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়া হয় তাকে লক্ষ্য করে।

হামলার পরপরই শুটাররা দ্রুত মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তারা বিজিবি গেটের সামনে দিয়ে ইরানি মাঠের পাশ হয়ে রায়েরবাজার বেড়িবাঁধে উঠে যায়। সেখান থেকে দ্রুত গতিতে কেরানীগঞ্জের আটিবাজারের দিকে পালিয়ে যায় বলে সিসি ফুটেজে দেখা গেছে।

তদন্তকারীরা বলছেন, পুরো ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং হামলাকারীরা নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করে খুব দ্রুত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

সন্দেহে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর নাম: টিটন হত্যার পেছনের কারণ নিয়ে তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারণা, ঢাকার অপরাধজগতের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এই ঘটনায় সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী- &lsquo;সিটি অব গড&rsquo; খ্যাত ইমামুল হাসান ওরফে পিচ্চি হেলাল এবং সানজিদুল ইসলাম ইমন।

জানা যায়, নিহত খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনসহ সন্দেহভাজন এই দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী নব্বই দশকে মোহাম্মদপুর এলাকায় একসঙ্গে বেড়ে উঠেছিলেন। পরবর্তীতে অপরাধজগতের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

পুলিশের সূত্রগুলো বলছে, নিহত টিটনের সঙ্গে সন্দেহের তালিকায় থাকা দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। বিশেষ করে ইমনের সঙ্গে তার অস্ত্র ব্যবসা ও ঢাকার অপরাধজগতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে টানাপোড়ন চলছিল বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, সম্প্রতি মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় কোরবানির পশুর হাটের ইজারা নিয়েও টিটনের সঙ্গে পিচ্চি হেলালের বিরোধ তৈরি হয়। এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

ফলে ধারণা করা হচ্ছে, এই দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীর যে কোনো একটি পক্ষই পূর্বশত্রুতার জেরে টিটনকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারে।

টিটনের ভাই খন্দকার সাঈদ আক্তার রিপন বুধবার নিউমার্কেট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। তবে মামলায় সরাসরি কাউকে আসামি করা হয়নি। এজাহারে সন্দেহভাজন হিসেবে পিচ্চি হেলালসহ তার তিন সহযোগী- বাদল ওরফে কিলার বাদল, শাহজাহান এবং রনি ওরফে ড্যাগারি রনির নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

মোবাইলের অ্যাপসে যোগাযোগ করতো টিটন: সাঈদ আক্তার রিপন জানিয়েছেন, ঘটনার এক সপ্তাহ আগেও ছোট ভাই টিটনের সঙ্গে অ্যাপের মাধ্যমে তার যোগাযোগ হয়েছিল।

তিনি জানান, টিটন দীর্ঘদিন কারাবাসে ছিলেন। একই সময়ে তিনি নিজে সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করছিলেন। ২০১৮ সালে দেশে ফেরেন তিনি। তখনো টিটন কারাগারে ছিলেন।

রিপনের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই দশকের কারাবাস শেষে ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান টিটন। মুক্তির পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন এবং স্বাভাবিক মোবাইল ফোনে যোগাযোগ না করে অ্যাপসের মাধ্যমেই সীমিত যোগাযোগ রাখতেন। ঘটনার আগে নিয়মিত ফোনে নয়, অ্যাপসে কথা হতো।

হুমকিতে থাকার কথা আগেই জানিয়েছিলেন টিটন: রিপন বলেন, ব্যক্তিগত জীবনে অবিবাহিত টিটন গত রমজানের ঈদে যশোর কোতোয়ালি এলাকার নিজ বাড়িতে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেটিই ছিল তার শেষ বাড়ি ফেরা। এরপর থেকে আর বাড়িতে যাননি।

রিপনের ভাষ্য অনুযায়ী, তখন থেকেই টিটন বিভিন্ন ঝামেলা ও হুমকির মধ্যে ছিল বলে জানিয়েছেন। এমনকি গত সপ্তাহেও চলমান ঝামেলায় থাকার কথা জানিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, গত ২৭ এপ্রিল টিটন ফোন করে প্রতিপক্ষ তাকে আলোচনার জন্য ডেকেছে এবং বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছিল। ওই সময় টিটন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছিলেন, গরুর হাটের ইজারার কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর থেকেই হুমকি-ধামকির মধ্যে ছিলেন। তবে পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানান।

রিপনের মতে, টিটন বলেছিলেন- &lsquo;ঝামেলা মিটে গেছে, আমরা একসঙ্গেই কাজ করবো, ওরা বসতে চায়, মীমাংসা হয়ে যাচ্ছে।&rsquo;

ভগ্নিপতি ইমনই খুন করেছে টিটনকে, দাবি পিচ্চি হেলালের: গণমাধ্যমে দেওয়া এক অনলাইন সাক্ষাৎকারে অভিযুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলাল টিটন হত্যার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং এ বিষয়ে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, গত এক মাসের মধ্যে টিটনের সঙ্গে কথা বলতে একটি শব্দও উচ্চারণ হয়নি।

পিচ্চি হেলালের ভাষ্য অনুযায়ী, তাহলে টিটনের শত্রু কে? টিটনই বলে গেছে যে ইমন ওকে মারতে চায়। পারিবারিকভাবে ওর সমস্যা আছে। টিটনের নিজের পরিবারের মধ্যেই বিরোধ ছিল। তার বোন ও বোন জামাইয়ের (ইমন) সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়ন ছিল। তারা দুজনই চেয়েছিল টিটন মারা যাক।

ভগ্নিপতি ইমন হত্যা করেছে, মানে না টিটনের পরিবার: আরেক সূত্রের দাবি, জেল থেকে বের হওয়ার পর টিটন শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলালের সঙ্গে যোগ দেয়। এ নিয়ে ইমনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব চলছিল। ইমনের ছোট বউ নীলার বড় ভাই টিটন। তবে মামলায় ইমনের নাম দেননি নিহত টিটনের ভাই।

মামলার বাদী রিপন বলেন, আমাদের সঙ্গে ইমনের ভালো সম্পর্ক, যোগাযোগ আছে। ইমন টিটনকে হত্যা করবে এটা আমরা পারিবারিকভাবেই বিশ্বাস করি না।

শুটার কারা: তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, টিটনকে গুলি করেছেন একজন এবং আরেকজন সহযোগী ছিলেন। তারা একটি মোটরসাইকেল করে ঘটনাস্থলে এসেছিলেন। দুজনের মুখেই মাস্ক ছিল। যিনি গুলি করেছেন তার মাথায় ক্যাপ ছিল এবং পরনে সাদা শার্ট ছিল। গুলি করার পর তারা মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। টিটনের কপাল, মাথা, ঘাড়সহ শরীরে ছয়টি গুলি করা হয়।

টিটন হত্যা মামলার অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. নাসিম এ গুলশান বলেন, &lsquo;এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। আমরা তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ধরে শুটারকে শনাক্তের কাজ চলছে।&rsquo;

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, &lsquo;টিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। সামনে কোরবানি, আধিপত্য ও গরুর হাট নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। এ হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত সেটি উদঘাটন করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&rsquo;

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 03 May 2026 17:14:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর ভারতে ধরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114462" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114462</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার মূল আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীরকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্র পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। তাদেরকে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানায়, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও খুনের মতো গুরুতর অপরাধ করে ওই দুই ব্যক্তি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। তারা বনগাঁর সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন এবং সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন। পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

এসটিএফ সূত্রো খবর, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ তাদের স্থানীয় আদালতে তুলে রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে এবং এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরীফ ওসমান হাদি মৃত্যুবরণ করেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 09 Mar 2026 04:39:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞায় থাকা এজাজ ওএসডি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114372" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114372</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। সোমবার সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে সরিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আক্তার জাহানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

​মন্ত্রণালয়ের সিটি কর্পোরেশন-১ শাখা থেকে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, &lsquo;স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪&rsquo; এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) অনুযায়ী পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হলো।
​
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, &lsquo;নিয়োগকৃত প্রশাসক সুরাইয়া আক্তার জাহান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি নিজের বর্তমান পদের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এই নতুন দায়িত্ব পালন করবেন। বিধি মোতাবেক তিনি কেবল &lsquo;দায়িত্ব ভাতা&rsquo; পাবেন, তবে অন্য কোনো আর্থিক বা আনুষঙ্গিক সুবিধা পাবেন না।&rsquo;

গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজকে ডিএনসিসির প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ১ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার একটি আদালত তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 09 Feb 2026 13:01:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লক্ষ্মীপুরে জাল ভোটের ৬ সীলসহ ব্যবসায়ী আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114346" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114346</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে প্রস্তুতকৃত ৬ টি ভোটের সীলসহ সোহেল রানা নামে এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় সীলসহ একটি মোবাইলফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শহরের পুরাতন আদালত রোডের মারইয়াম প্রেস থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও মারইয়াম প্রেসের স্বত্ত্বাধিকারী।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ মারইয়াম প্রেসে অভিযান চালায়। এসময় দোকান থেকে ভোটে ব্যবহৃত ৬ টি সীল উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে নির্বাহী মাজিষ্ট্রেটের হাসান মাহমুদ নাহিদ ঘটনাস্থলে আসেন। পরে সীলগুলোসহ একটি মোবাইলফোন ও কম্পিউটার জব্দ করে আটক সোহেলকে থানায় নিয়ে যায়।

আটক সোহেল রানা জানান, অর্ডার পেয়ে তিনি সীলগুলো বানিয়েছেন। তবে কে বা কারা সীল বানানোর অর্ডার দিয়েছেন তা প্রকাশ করেননি তিনি।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী মাজিষ্ট্রেটের হাসান মাহমুদ নাহিদ বলেন, কোনভাবেই এই প্রেসে ভোটেরর সীল বানানো যাবে না। এটি অবৈধ। তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হবে।

অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,নির্বাচনী ৬ টি সিল সহ একজনকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে যারা জড়িত আছেন তাদের গ্রেফতারের অভিযান চলচে মামলার প্রস্তুতি চলচে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 03 Feb 2026 13:02:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিএনসিসির প্রশাসক এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114328" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114328</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। দুদকের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের সরকারী পরিচালক মো. আশিকুর রহমান নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ এজাজের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক নানাবিধ অনিয়ম, দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ দুদকে অনুসন্ধানাধীন। ডিএনসিসির অধীনস্থ মিরপুর গাবতলী পশুর হাট ইজারা, ই-রিকশা প্রকল্প, বোরাক টাওয়ার বা হোটেল শেরাটন দখলভার, বনানী কাঁচাবাজারে দোকান বরাদ্দ, খিলগাঁও তালতলা সুপার মার্কেটের পার্কিং স্থানে দোকান নির্মাণ ও বরাদ্দ, সিটি করপোরেশনের যান সার্ভিস, ফুটপাতে দোকান বরাদ্দ ও ডিএনসিসির স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য নানাবিধ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২১ জানুয়ারি এক নোটিশে মোহাম্মদ এজাজকে ২৯ জানুয়ারি দুদক কার্যালয় হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য তাকে ডাকা হয়। কিন্তু ২৯ জানুয়ারি তিনি দুদকে হাজির হননি। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদ এজাজকে ডিএনসিসির প্রশাসক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। তিনি রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Feb 2026 13:13:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সেফটি ট্যাংটি থেকে কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114299" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114299</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের সাত দিন পর ফজলে রাব্বি বাবু (২১) নামে এক কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. শাহেদ (২৬) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মুগুর উদ্ধারসহ নিহতের মোটরসাইকেলও উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ১৭ জানুয়ারি ফজলে রাব্বি বাবু নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় পরদিন ১৮ জানুয়ারি তার বাবা বেল্লাল হোসেন চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি নং-৭৩১) করেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী, পিপিএম-সেবা&rsquo;র প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল তদন্তে নামে।

তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে মো. শাহেদ ও মাহফুজুর রহমান ওরফে কানা মাহফুজ নামে দুইজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ঘটনার পর থেকেই তারা আত্মগোপনে ছিলেন। ধারাবাহিক অভিযানে ২৩ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ঢাকা জেলার দোহার এলাকা থেকে মো. শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এদিকে স্থানীয়দের সহায়তায় একটি দীঘির উত্তর পাশে কিরণ নামে এক ব্যক্তির টয়লেটের সেফটি ট্যাংকি থেকে নিখোঁজ বাবুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার শাহেদ হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জানায়, পাওনা টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে বাবুকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম এবং মোটরসাইকেল আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, হত্যার পর মোটরসাইকেলটি ওমর ফারুক নামে এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাকে গ্রেপ্তারের পর জানা যায়, তিনি মোটরসাইকেলটি ৬৫ হাজার টাকায় রাকিব নামে আরেকজনের কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে রাকিবকে গ্রেপ্তার করে তার হেফাজত থেকে নিহতের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার শাহেদের দেখানো মতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মুগুর ও আংশিক পোড়ানো একটি বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। অপর অভিযুক্ত মাহফুজুর রহমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 26 Jan 2026 06:55:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নোয়াখালীতে ডাকাতির সময় গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114183" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114183</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ডাকাতির সময় সংঘটিত গণধর্ষণের ঘটনায় ডাকাত দলের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র&zwj;্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র&zwj;্যাব)।

গ্রেপ্তার ইউসুফ ওরফে রুবেল (৩৭)। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি থানার চরগাজী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরলক্ষী গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে র&zwj;্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে, গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র&zwj;্যাব-১১ (সিপিসি-৩) নোয়াখালী ও র&zwj;্যাব-৭ (সিপিএসসি) পতেঙ্গা, চট্টগ্রামের যৌথ অভিযানে সুধারাম মডেল থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র&zwj;্যাব জানায়, গত বছরের ১১ জানুয়ারি রাত ২টার দিকে সদর উপজেলার কালাধরা ইউনিয়নে একটি ডাকাতির সময় গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। এরপর মামলাটি র&zwj;্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী ছায়া তদন্তের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে। তদন্তের একপর্যায়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিন পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দীর্ঘ অনুসন্ধান ও অভিযান পরিচালনা করে র&zwj;্যাব অপর আসামি ইউসুফ ওরফে রুবেলকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।

নোয়াখালী কার্যালয়ের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত আরও বলেন, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 13 Jan 2026 09:27:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইজিবাইক চালক শাহজালাল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার–২]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114148" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114148</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ইজিবাইক চালক মো. শাহজালাল (২৭) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চোরাই ইজিবাইক উদ্ধারসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গজারিয়া উপজেলার নতুন বলাকি গ্রামের শুক্কুর আলীর ছেলে ইব্রাহিম ওরফে সাগর (২৮) এবং পাশ্ববর্তী কুমিল্লা জেলার দাউদেরখাড়া গ্রামের খোরশেদের ছেলে ফাহিম (২৪)।

পুলিশ জানায়, গত ৬ ডিসেম্বর দুপুরে গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের কাঞ্চন নদীর একটি খাল থেকে হাত-পা বাঁধা অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেলে নিহতের ভাই জাহাঙ্গীর আলম লাশটি তার ভাই শাহজালালের বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই গজারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত ইজিবাইক চালক মো. শাহজালাল মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের বক্তারকান্দি গ্রামের মৃত আ. মালেকের ছেলে। তিনি অটোরিকশা/ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ঘটনার দিন গত বছরের ৫ ডিসেম্বর সকালে ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি আর ফিরে আসেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে ফোন দিলে তার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবিরের তত্ত্বাবধানে গজারিয়া থানা পুলিশের একটি দল তদন্তে নামে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার পাঁচগাছিয়া এলাকা থেকে নিহতের বন্ধু ইব্রাহিম ওরফে সাগর (২৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে সাগর স্বীকার করে, ইজিবাইক ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে সে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পানীয় খাইয়ে শাহজালালকে অচেতন করে। পরে হাত-পা বেঁধে তাকে কাঞ্চন নদীর একটি খালে ফেলে দিয়ে ইজিবাইকটি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরদিন কুমিল্লার চান্দিনা এলাকায় ৪৭ হাজার টাকায় ইজিবাইকটি বিক্রি করে দেয়।

তার দেওয়া তথ্যে একই রাতে গজারিয়ার ভবেরচর এলাকা থেকে ফাহিম (২৪)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে কুমিল্লা কোতোয়ালী থানার দাউদেরখাড়া এলাকায় ফাহিমের বাড়ি থেকে চোরাই ইজিবাইকটি উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 10 Jan 2026 13:47:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফেনীতে মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114109" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114109</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফেনীর আদালতে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানির অভিযোগে স্বামী শহীদুল্লাহ ও তাঁর স্ত্রী নাজমা আক্তারকে তিন বছর ছয় মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাঁদের আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ.এন.এম. মোরশেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্র ও বাদীপক্ষের আইনজীবী পিপি শাহাবুদ্দিন আহমেদ জানান, ২০২২ সালের ২৩ মে আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন নাজমা আক্তার। মামলায় তিনি দাবি করেন, ধর্ষণের ফলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন। আদালতের নির্দেশে পিবিআই তদন্ত করে সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

পরবর্তীতে নাজমা আক্তার ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করলে ট্রাইব্যুনাল সিআইডিকে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। সিআইডি তদন্ত করেও অভিযোগের সত্যতা পায়নি।

এরপর আবারও নারাজি দাখিল হলে আদালত সরাসরি ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন।

ডিএনএ প্রতিবেদনে অভিযোগকৃত আসামির সঙ্গে নবজাতকের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। বরং নাজমা আক্তারের স্বামী শহীদুল্লাহর সঙ্গে শিশুটির ডিএনএ মিল পাওয়া যায়।

বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল নারী ও শিশু মামলা নং কমপ্লেইন ১৪৫/২২ থেকে আব্দুর রহমানকে অব্যাহতি দেন এবং মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এরপর ভুক্তভোগী আব্দুর রহমান বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমান মামলায় (নং ১৭/৩০) রূপ নেয়। দীর্ঘ শুনানিতে বাদীপক্ষের দুইজন ও আসামিপক্ষের পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত মিথ্যা মামলা ও হয়রানির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১৭/৩০ ধারায় নাজমা আক্তার ও তাঁর স্বামী শহীদুল্লাহকে দোষী সাব্যস্ত করেন। শিশু সন্তানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আদালত গুরুদণ্ডের পরিবর্তে লঘুদণ্ড হিসেবে উভয়কে তিন বছর ছয় মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এ মামলায় রাষ্ট্র ও বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন পিপি শাহাবুদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান, অ্যাডভোকেট খালেদ মো. আরিফ ও অ্যাডভোকেট আহসান কবির বেঙ্গল। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট শাহ কায়কোবাদ।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 06 Jan 2026 14:54:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিবি পরিচয়ে মাইক্রোবাস ডাকাতি, আটক ৪ জন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114047" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114047</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুরে ডিবি পরিচয় দিয়ে মাইক্রোবাস ডাকাতির অভিযোগে চারজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিবচর থানা পুলিশ ভুয়া নামপ্লেট যুক্ত ৩টি মাইক্রোবাস ও ১টি প্রাইভেটকারও উদ্ধার করেছে।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুর ১টার সময় এক সংবাদ সম্মেলনে সহকারী পুলিশ সুপার (শিবচর সার্কেল) মো. সালাউদ্দিন কাদের এই তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মাদারীপুর জেলার শিবচরের যাদুয়ারচর এলাকায় ১০-১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র গত ২১ নভেম্বর রাত ১টা ২০ মিনিটে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে খেলনা পিস্তল, ওয়্যারলেস সেট ও হ্যান্ডকাপ ব্যবহার করে ভুক্তভোগী সোলাইমান মিয়া নামক এক মাইক্রোবাস চালকের কাছ থেকে তার মালিকানাধীন টিআরএক্স হাইএক্স মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-৫৬-০৭৭২) ডাকাতি করে।

সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে গাড়ি মেরামত শেষে শিবচরের শেখপুর এলাকায় পৌঁছানোর আগেই অজ্ঞাত ১০-১২ জন যাদুয়ারচর এলাকায় গাড়ি দিয়ে রাস্তা অবরোধ করে। তারা ডিবি কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে যাত্রীদের মোবাইল ফোন নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এবং গাড়িতে চোখ-মুখ বেঁধে তুলে নেন। পরে ভুক্তভোগী ও যাত্রীদের পাঁচ্চর এলাকায় ফেলে দিয়ে মারধর করা হয়। পরে সোলাইমান শিবচর থানায় ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।

মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার এহতেশামুল হকের নির্দেশনায়, সহকারী পুলিশ সুপার মো. সালাহ উদ্দিন কাদেরের নেতৃত্বে শিবচর থানা পুলিশের একটি টিম ডাকাতদের শনাক্ত ও অবস্থান নির্ণয় করে কুমিল্লা, সাভার ও কক্সবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। পুলিশ অভিযানে চারজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জেলায় ডাকাতি হওয়া ৩টি মাইক্রোবাস ও ১টি প্রাইভেটকার উদ্ধার করে। এছাড়া ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ভুয়া নামপ্লেটসহ অন্যান্য সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন&mdash;

আল-আমিন (৩৬), গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার নতুন বাজার ইউনিয়নের ধোপাডাঙ্গা গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে।

পারভেজ হোসেন (৩০), ঢাকা জেলার সাভার থানার তেঁতুলতলা ইউনিয়নের হেমায়েতপুর গ্রামের মোহাম্মদ কামাল হোসেনের ছেলে।

জাকির ইসলাম (২৩), নীলফামারী জেলার ডোমার থানার পাঙ্গা মটুকপুর আদর্শ গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে।

মোঃ সবুজ হোসেন (৩৪), যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার চুয়াডামনকাঠি ইউনিয়নের খিতিবদিহা গ্রামের মাওদি ইসলামের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

মাদারীপুর জেলা পুলিশ জানিয়েছে, ডাকাতি, ছিনতাই ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে তারা সর্বদা সচেষ্ট এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উদ্ধারকৃত গাড়ির মালিক সোলাইমান বলেন, &ldquo;ডাকাতরা আমাকে মারধর করেছে। রেজাউল স্যার ও কাশেম স্যার আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। ডাকাতদল আমাকে চোখ-মুখ বেঁধে পাঁচ্চর এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ফেলে দিয়েছে।&rdquo;

সংবাদ সম্মেলনে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 01 Jan 2026 12:19:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানে ককটেলসহ ৩ জন আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114029" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/114029</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জ সদরের চরাঞ্চলের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের নতুন আমঘাটা গ্রামে সহিংসতা ও নাশকতামূলক কার্যকলাপে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অভিযানে ককটেল, দেশীয় অস্ত্র, সরঞ্জাম ও চারটি বিয়ার বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত সদর উপজেলার চরাঞ্চলের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের চরকেওয়ার নতুন আমঘাটা গ্রামে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি ককটেল, ১টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, ২টি গ্যাস মাস্ক, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ৪টি দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং ৪টি বিয়ারের বোতল উদ্ধার করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদর আর্মি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. তানজিমুল হাসান হাউলিদার স্বাক্ষরিত সেনাবাহিনীর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সদর দপ্তর ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেডের অধীন মুন্সীগঞ্জ সদর আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনাকালে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নতুন আমঘাটা গ্রামের মৃত শফিজুদ্দিন দেওয়ানের দুই ছেলে আবুল কালাম দেওয়ান (৫৮), মামুন দেওয়ান (৪৮) ও নাতি রিয়াদ হোসাইন (২৫) নামে তিনজনকে আটক করে সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনীর সূত্র আরও জানায়, আটক মামুন দেওয়ান পূর্বে মোল্লাকান্দিতে সংঘটিত একটি হত্যা মামলার পলাতক আসামি। এছাড়া আটক ব্যক্তিরা শীর্ষ সন্ত্রাসী আতিক মল্লিক গ্রুপের সদস্য এবং এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত ছিল। পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তিদের এবং উদ্ধারকৃত আলামত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সেনাবাহিনী জানায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মুন্সীগঞ্জ জেলায় সন্ত্রাস, নাশকতা ও অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বুধবার দুপুরে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুমিনুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃতদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিস্ফোরক ও অস্ত্র মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। মামলা রুজু শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 31 Dec 2025 09:51:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাদির খুনিকে পালানোর ব্যবস্থা করেন যুবলীগ নেতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/113962" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/113962</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর শেখকে ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তাকারী ২ ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাঁদের একজনকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি যুবলীগ নেতার ভগ্নিপতি আমিনুল ইসলাম। এ নিয়ে হাদি হত্যার ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ ও র&zwj;্যাব।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শহীদ ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত এবং এর নেপথ্যের ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর মধ্যে শুটার ফয়সাল ও তাঁকে বহনকারী মোটরসাইকেলচালক আলমগীরকে সীমান্ত পার করার ব্যবস্থা কে বা কারা করেছে, সে তথ্যও পাওয়া গেছে।

পুলিশ বলছে, এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী)। তাঁকে সহযোগিতা করেছেন তাঁর ভগ্নিপতি আমিনুল ইসলাম।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা উত্তর সিটির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল মিরপুর এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তিনি গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যান।

হাদি হত্যা মামলার আসামি বা গুলিবর্ষণকারী হিসেবে চিহ্নিত ফয়সাল ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ও তাঁর সহযোগী আলমগীর আদাবর থানা যুবলীগের কর্মী।

সীমান্ত পার হন যেভাবে

এখন পর্যন্ত তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য হচ্ছে, ফয়সাল ও আলমগীর ঘটনা ঘটিয়ে ওই রাতেই ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যান।
সীমান্ত পার হওয়ার জন্যও আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছিল। আর সেটা করেছিলেন যুবলীগ নেতা তাইজুল। হালুয়াঘাট সীমান্তে টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে মানুষকে সীমান্ত পারাপার করে সেই এলাকায় এমন কিছু দালাল রয়েছে। তাদের একজন ফিলিপ স্নাল। তাঁর বাড়ি হালুয়াঘাট সীমান্তসংলগ্ন ভুটিয়াপাড়া গ্রামে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, শহীদ হাদিকে গুলি করার কিছুক্ষণ পর সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল তাঁর ভগ্নিপতি আমিনুলকে ফোন করে বলেন, তিনি ভারত থেকে ফিলিপকে ফোনে পাচ্ছেন না। আমিনুল যাতে ফিলিপকে ফোনে যোগাযোগ করে জানান যে দুই ব্যক্তিকে ওই রাতেই সীমান্ত পার করতে হবে। এরপর আমিনুল ফিলিপের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে তাইজুলের বার্তা পৌঁছান। তারপর বিষয়টি তাইজুলকে জানান। তাইজুলের নির্দেশনায় আমিনুল তাৎক্ষণিকভাবে ফিলিপকে ৫ হাজার টাকা পাঠান। এদিকে ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকা থেকে কয়েক দফা যানবাহন পাল্টে ওই রাতেই হালুয়াঘাট সীমান্তে পৌঁছান। সেখান থেকে দুজনকে ফিলিপ সীমান্ত পার করান।

হাদিকে গুলি করার ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ফয়সাল ও আলমগীরের হালুয়াঘাট সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থান শনাক্ত করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তী সময়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে ফিলিপের দুজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে জানা যায়, ওই দুজনকে পার করানোর পর টেলিভিশনের খবর দেখে বুঝতে পারে, এরা ঢাকায় বড় ঘটনা ঘটিয়ে এসেছে। এরপর ফিলিপকে সতর্ক করলে সে-ও আত্মগোপনে চলে যায়।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার দিন ফিলিপের সঙ্গে কাদের কীভাবে যোগাযোগ হয়েছে, সেটা অনুসন্ধান করতে গিয়ে ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা আমিনুলের সংযোগ পায়। এরপর আমিনুলকে আটক করা হয়।

আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আমিনুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, আমিনুলকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ এবং তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে তাঁর সঙ্গে ঘটনার দিন ফিলিপ ও তাইজুলের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। আমিনুল চোরাই মুঠোফোন কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। তিনি অনেক দিন ধরে গণসংযোগ করে আসছিলেন। ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছু পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করা হয়। তাঁকে মাথায় গুলি করার পর আততায়ীরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে ১৮ ডিসেম্বর মারা যান তিনি। গত রবিবার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে তাঁর জানাজা হয়। তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ-সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিস্থলের পাশে দাফন করা হয়।

সাননিউজ//এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 25 Dec 2025 13:32:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নোয়াখালীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা, শীর্ষ সন্ত্রাসী দেলু গ্রেপ্তার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/113956" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/113956</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে হত্যা মামলার পলাতক আসামি দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলুকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে র&zwj;্যাব-১১।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র&zwj;্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত। এর আগে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার দেলু উপজেলার একলাশপুর গ্রামের কাম বেপারী বাড়ির ছায়েদুল হকের ছেলে।

র&zwj;্যাব জানায়, চলতি বছরের অক্টোবর মাসে পূর্ব শক্রতার জেরে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের নতুন ব্রিজ এলাকায় একজন নিরীহ মানুষকে একদল সন্ত্রাসী মারধর করে। ওই সময় ভিকটিম মারওয়ান হোসেন ওরফে বিজয় সন্ত্রাসীদের হাত থেকে ওই নিরীহ মানুষকে ছাড়া দেয়। এতে সন্ত্রাসীরা তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো রামদা ও ছোরা দিয়ে তার শরীরে তিনশত&rsquo;র বেশি মারাত্মক কাটা ও গুরুতর জখম করে।

তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

র&zwj;্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত আরও বলেন, &ldquo;বিজয় হত্যা মামলার ২নং আসামি দেলু মামলা দায়েরের পর থেকে পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।&rdquo;

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 24 Dec 2025 12:05:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নোয়াখালীতে চর দখল নিয়ে গোলাগুলি, নিহত ৫]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/113942" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/113942</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার জাগলার চরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় গুলিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ৮&ndash;১০ জন। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ নিহত একজনের নাম-ঠিকানা জানাতে পারলেও অপর চারজনের নাম-ঠিকানা জানাতে পারেনি।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী জাগলার চর গ্রামে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে আলাউদ্দিন (৪০) উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চর আমান উল্যাহ গ্রামের ছেরাং বাড়ির মহিউদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জাগলার চরের জমি সরকার এখন পর্যন্ত কাউকে বন্দোবস্ত দেয়নি। এ সুযোগে ৫ আগস্টের পর জাহাজমারা ইউনিয়নের কোপা সামছু বাহিনী জাগলার চরের বেশ কিছু জমি বিক্রি করে। এরপর সুখচর ইউনিয়নের আলাউদ্দিন বাহিনী জাগলার চরের জমি দখল নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে আলাউদ্দিন বাহিনী আরও বেশি দামে কিছু জমি বিক্রি করে। এরপর দুটি গ্রুপ আলাদা আলাদাভাবে চরের জমি বিক্রির চেষ্টা চালায়।

অভিযোগ রয়েছে, চর দখলে যুক্ত আলাউদ্দিন, সুখচর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি বেলায়েত হোসেন সেলিম, আওয়ামী লীগ নেতা নিজাম মেম্বার ও বিএনপি নেতা নবীর ঘনিষ্ঠ। তারা কোপা সামছু বাহিনীকে চর থেকে বিতাড়িত করে চরের জমি দখলে নিতে ডাকাত আলাউদ্দিনের বাহিনীর সঙ্গে আঁতাত করে। এ নিয়ে দুটি গ্রুপ একাধিকবার বিরোধে জড়ায়।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে চরের জমি দখলকে কেন্দ্র করে কোপা সামছু ও আলাউদ্দিন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়। এতে অপর পক্ষের ছোড়া গুলিতে আলাউদ্দিনসহ চারজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চারজনের মরদেহ ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে সুখচর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি বেলায়েত হোসেন সেলিমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

হাতিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, &ldquo;একটি মরদেহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। চারটি মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্গম চরাঞ্চল হওয়ায় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।&rdquo;

সাননিউজ/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 23 Dec 2025 11:57:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডাকাতির প্রস্তুতিকালে শ্রমিক লীগ নেতাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/113895" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/crime/113895</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ শ্রমিক লীগ নেতাসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মুন্সীগঞ্জ শহরের উপকণ্ঠ পঞ্চসার ইউনিয়নের মুক্তারপুর গ্রামের কানাইবাড়ি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত সীমান্ত (২০) সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সে ওই ইউনিয়নের এ আর ক্লিনিক এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।

এছাড়াও গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন&mdash; একই ইউনিয়নের চর মুক্তারপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাকিব (২৬) এবং মালিপাথর গ্রামের মৃত কাশেম মোল্লার ছেলে তন্ময় (২৫)।

সদর থানা সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার পুলিশ পঞ্চসার ইউনিয়নের মুক্তারপুর গ্রামের কানাইবাড়ি আমির সাহেবের খালি জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সীমান্ত, সাকিব ও তন্ময়কে ১টি চাইনিজ কুড়াল, ১টি লোহার চাপাতি, ১টি লোহার শাবল, ১টি লোহার রড ও ২টি টর্চলাইটসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, সীমান্তের বিরুদ্ধে সদর থানায় একাধিক চুরি, ছিনতাই ও মাদকসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোমিনুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সীমান্ত নামে এক শ্রমিক লীগ নেতার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন।

সাননিউজ/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 18 Dec 2025 14:30:32 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
