<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/bangladesh</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/bangladesh"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews bangladesh Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest bangladesh News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sat, 11 Apr 2026 07:40:38 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[সাজানো  সংকট দেখিয়ে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114544" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114544</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুরের গ্যাসের গোডাউনে পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। মাদারীপুরর জেলার ৫টি উপজেলায় একই চিত্র। জেলার বিভিন্ন হাটবাজারগুলোতে ক্রেতাদের ১২ কেজি ওজনের প্রতিটি সিলিন্ডারে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি গুনতে হচ্ছে।

বোতলের গায়ে নির্ধারিত মূল্য লেখা না থাকার সুযোগ নিচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। এদিকে, দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

মাদারীপুরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সবচেয়ে বড় গ্যাস সিলিন্ডার ডিলার সৈয়দ মনিরের গোডাউনে শত শত বোতল মজুত। ট্রাক ও ভ্যানযোগে সেখানে আনা হচ্ছে আরও সিলিন্ডার। একই এলাকার মুফতি ফায়েকুজ্জামান নামের আরেক ডিলারের গোডাউনেও পর্যাপ্ত সিলিন্ডার মজুত থাকতে দেখা যায়। অথচ বাজারে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তি দাম আদায় করা হচ্ছে।

মাদারীপুরে এই গ্যাসের ডিলারদের কাজে জিম্মি খুচরা বিক্রেতা থেকে গ্রাহকরা।

শকনী লেকের দক্ষিণপাড়ের হোটেল ব্যবসায়ী খোকন তালুকদার জানান, সিলিন্ডারের গায়ে সরকার নির্ধারিত দাম না থাকায় ডিলাররা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন। ব্যবসা চালাতে প্রতি মাসে তার ৬৫-৭০টি সিলিন্ডার প্রয়োজন হয়। ১২ কেজি ওজনের সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য ১ হাজার ৭২৮ টাকা হলেও তাকে আরও ২০০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকটাই অসহায় এই হোটেল ব্যবসায়ী।

একই অভিযোগ শহর থেকে গ্রাম পর্যায়ের সাধারণ ক্রেতাদেরও। জেলার অধিকাংশ বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয়। বাজারে পাওয়া বিভিন্ন কোম্পানির গ্যাস সিলিন্ডারে সরকার নির্ধারিত মূল্য লেখা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অসাধু ব্যবসায়ী ও ডিলাররা ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছেন।

শহরের শকুনি এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ জুম্মান হোসেন বলেন, &lsquo;শহরের অধিকাংশ মানুষ বাসাবাড়িতে রান্নার জন্য গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে। কিন্তু লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে। আমরা ক্রেতারা অনেকটাই অসহায়। এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেবে, এটাই আমাদের চাওয়া।&rsquo;কলেজরোড এলাকার মায়েরদোয়া

খাবার ঘরের মালিক আসাদ শিকদার বলেন, &lsquo;প্রতিনিয়তই গ্যাস সিলিন্ডারের বাড়তি দাম রাখা হচ্ছে। প্রশাসন এর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয় না। আমরা চাই, সরকার নির্ধারিত দামেই এই সিলিন্ডার বিক্রি করা হোক। তা না হলে খাবারের দোকান চালানো বন্ধ করে দিতে হবে।&rsquo;

বাড়তি দাম নেয়ার পেছনে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি ও সরবরাহ কমে যাওয়ার অজুহাত দেখাচ্ছেন ডিলাররা। জেলার সবচেয়ে বড় ডিলার সৈয়দ মনির বলেন, &lsquo;চাহিদার তুলনায় গ্যাস সিলিন্ডার অর্ধেক পাওয়া যাচ্ছে। সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দেয়, তার চেয়েও বেশি দামে আমাদের পাইকারি কিনে আনতে হয়। এছাড়া জ্বালানি খরচও বেড়েছে। তাই বোতলে কিছুটা বাড়তি দাম রাখতে হয়।&rsquo;

জানা যায়, মাদারীপুর জেলায় অর্ধশতাধিক ডিলার পাইকারিভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করেন। খুচরা দোকানের সংখ্যাও শত শত। প্রশাসন মাঝে মাঝে ছোটখাটো দুই-একটি অভিযান চালালেও পরে তা কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়।

এ বিষয়ে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মিজ্ মর্জিনা আক্তার বলেন, &lsquo;গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রেতারা বেশি দাম নিচ্ছে, এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। যারা কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বাড়তি দাম নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।&rsquo;

সান নিউজ/আরএ

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 11 Apr 2026 07:40:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লিবিয়ার মাফিয়াদের নির্যাতনে মাদারীপুরের  যুবকের মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114539" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114539</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এসআর শফিক স্বপন: ভাগ্যের চাকা ঘোরাতে স্বপ্ন পূরণের আশায় ইতালির উদ্দেশ্যে বাড়ি ছেড়ে লিবিয়ার বন্দিশালায় মাফিয়াদের নির্যাতনে মাদারীপুরের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মৃতুর সংবাদ পেয়ে আহাজারিতে ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় দালালের কঠোর শাস্তি সহ নিহতের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বজনরা।এ ব্যাপারে আইনগত সহযোগিতা কথা জানিয়েছেন পুলিশ।

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার দক্ষিন ধুয়াসার গ্রামের সামচু আকনের ছেলে জহিরুল পাশের ধুয়াসার গ্রাম এলাকার মানবপাচারকারী সক্রিয় সদস্য হানিফ মাতুব্বরের ছেলে জাকির মাতুব্বরের প্রলোভনে পড়ে। ৫ মাস আগে সরাসারি ইতালির উদ্দেশ্যে বাড়ি ছাড়েন তিনি। কিন্তু তাকে সৌদিআরব হয়ে লিবিয়ায় নিয়ে যায় দালালচক্র। এরপর তাকে সেখানকার একটি বন্দিশালায় আটকে চালানো হয় নির্যাতন। পরে পরিবারের কাছ থেকে কয়েক ধাপে আদায় করা হয় মুক্তিপনের ৫০ লাখ টাকা। এরপর মাফিয়ারা আরো নির্যাতন করলে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে জহিরুল। ১৫ দিন আগে জহিরুলের মৃত্যু হলেও বিষয়টি গোপন রাখে দালালচক্র। শেষমেশ লিবিয়ায় বসবাসরত একই গ্রামের কয়েক যুবকের মাধ্যমে খবর পায় পরিবার। এই ঘটনায় দালালের কঠোর শাস্তি দাবী করেছেন স্ত্রী সাথী আক্তার ও এলাকাবাসী।

মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অবস্) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে অবৈধ পথে ইতালি যাত্রা প্রবনতা বন্ধের আহ্বানও জানান তিনি।

এ ঘটনায় জরিতদের দ্রুত গ্রেফতার ও নিহতের লাশ দেশে আনার দাবি জানিয়েছন এলাকাবাসী।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Apr 2026 13:38:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গজারিয়াতে গরু বলে- ১৩ ঘোড়া জবাই, জব্দ করলো জনতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114536" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114536</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় পরিত্যক্ত বাড়ি থেতে ১৩ ঘোড়া জবাইকৃত অবস্থায় জব্দ করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের আনারপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় জবাইয়ের উদ্দেশ্যে আনা একটি জীবন্ত ঘোড়াও উদ্ধার করে স্থানীয়রা। অল্প মূল্যে ক্রয় করে গরুর মাংস বলে বিভিন্ন হোটেলে বিক্রির উদ্দেশ্যে অসুস্থ ঘোড়া জবাই করা হচ্ছিলো।

স্খানীয় হাসান মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ ঘোড়া জবাই হয়, এই বিষয়টা আমরা শুনতে পাই। পরে আমরা পরিত্যক্ত ঘরের ভিতরে প্রবেশ করলে দেখা যায় ১৩ টি জবাইকৃত ঘোড়া রেখে তারা পালিয়ে যায়। বিষয় প্রশাসনকে জানানো হয়।

​এদিকে- অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী নাজমুল হোসেন জানান, প্রতি রবিবার ও বুধবার গভীর রাতে এই পরিত্যক্ত ঘরের সামনে গাড়ি আসত। সকালে সেখানে রক্ত ও হাড় পড়ে থাকতে দেখা যেত। পরে জানা যায় চক্রটি মূলত ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস বস্তায় ভরে গরুর মাংস হিসেবে বিভিন্ন হোটেলে সরবরাহ করত।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাহমুদুল হাসান জানান, ঘোড়া জবাইয়ের বিষয়টি স্থানীয় জনগণ এবং সাংবাদিক সহকর্মীর মাধ্যমে আমি জানতে পেরেছি৷ পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১১ অনুযায়ী ঘোড়া জবাই এর কোন সুযোগ নেই। তবে ঘটস্থলে অভিযুক্ত কাউকে না পাওয়ায় মোবাইল কোর্টে এটি বিচারযোগ্য নয়৷ ঘটনাস্থলে পুলিশ অফিসার আছেন, তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশ উপস্থিত হবার আগেই অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Apr 2026 09:51:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফুলবাড়ীতে শিলা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114535" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114535</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে শিলা বৃষ্টিতে ফলের বাগান, ফসল, বাড়ীঘর সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে হঠাৎ করে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে প্রবল দমকা হাওয়ার সাথে শুরু হয় ভারী শিলা বৃষ্টি। প্রায় ২০-৩০ মিনিট স্থায়ী এই শিলা বৃষ্টিতে ফুলবাড়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউনিয়নের মানুষের ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিলা বৃষ্টির আঘাতে আম, লিচু, কাঁঠালসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফলের বাগানের গাছ থেকে অসংখ্য ফল ঝরে পড়ে এবং অনেক গাছের ডালপালা ভেঙে যায়। এছাড়াও টিনের ছাউনি দেওয়া বহু বসতবাড়ির টিন ফুটো হয়ে যায় এবং অনেক জায়গায় ঘরের চালা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

কৃষকরা জানান, মৌসুমের শুরুতেই এমন শিলা বৃষ্টিতে ফলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক কৃষকই তাদের বাগানের ফল বিক্রি করে সংসারের খরচ চালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু এই দুর্যোগে সেই আশা অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেছে।

ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার বাসিন্দারা সরকারের কাছে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও পরিবারের জন্য দ্র&aelig;ত সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। তারা জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হলে কিছুটা হলেও ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফ আব্দুল্লাহ মোস্তাফিন দ্র&aelig;ত বিকেল ৪টা উপজেলা এলুয়াড়ী ইউনিয়নে গিয়ে তদন্ত করে কি ধরনের ক্ষতি হয়েছে তার তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, ইউনিয়নে প্রায় ৪ হাজার বাড়ীঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ও ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের জন্য সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Apr 2026 09:11:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে  মোটরসাইকেল চোর , উদ্ধার ৩]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114534" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114534</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জে সক্রিয় একটি আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোরচক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া তিনটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সুপার জানান, সিরাজদীখান উপজেলার নিমতলা রেলস্টেশন পার্কিং এলাকা থেকে গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় নিরব মন্ডল (২১) নামের এক যুবকের সুজুকি জিক্সার ১৫৫ সিসি মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তে নামে।

পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. ফিরোজ কবিরের তত্ত্বাবধানে ডিবি পুলিশের একটি দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করে।

পরে ৭ এপ্রিল পদ্মা সেতু থানার মাওয়া পুরাতন ঘাট এলাকা থেকে নাসির শেখ (২৫)-কে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে চুরি হওয়া সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শ্রীনগরের ছনবাড়ি এলাকা থেকে সাগর খান (৩০)-কে গ্রেফতার করে একটি নম্বর বিহীন অ্যাপাচি ১৬০ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেলটি গত ১৬ মার্চ কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে চুরি হয়েছিল। একই সূত্রে টুটুল মৃধা (৪১)-কে গ্রেফতার করে তার কাছ থেকে একটি লাল-কালো রঙের নম্বর বিহীন ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া এ মোটরসাইকেলটির প্রকৃত মালিকানা শনাক্তে কাজ চলছে।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে মুন্সীগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় সংঘবদ্ধভাবে মোটরসাইকেল চুরি করে নাম্বার প্লেট ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করে বিক্রি করে আসছিল। এছাড়াও মূল আসামি নাছির শেখের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি ও মাদকের ৯ টি মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সান নিউজ/আরএ

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Apr 2026 09:04:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নোয়াখালীতে ৪০ লাখ টাকার অবৈধ জাল ও পলিথিন জব্দ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114530" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114530</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর হাতিয়ায় কোস্ট ]গার্ডের যৌথ অভিযানে প্রায় ৪০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা মূল্যের অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল, কারেন্ট জাল ও নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার ওসখালী পুরাতন বাজার সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ডস্টেশন হাতিয়া ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ওসখালী পুরাতন বাজার সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ২টি দোকান ও ৩টি গোডাউন তল্লাশি করে ৪০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা মূল্যের ২৪ হাজার ২০০ মিটার কারেন্ট জাল, ১৫৮টি চায়না দুয়ারী জাল এবং ৪৮০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন উদ্ধার করা হয়। এ সময় উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ২ জন জাল ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো.আবুল কাশেম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, জব্দকৃত অবৈধ জালসমূহ তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয় এবং নিষিদ্ধ পলিথিন মৎস্য অধিদপ্তরের মালখানায় জমা রাখা হয়েছে। দেশের মৎস্য সম্পদ ও পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 07 Apr 2026 11:06:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ময়লা-আবর্জনাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: ভালুকা পৌর প্রশাসক]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114529" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114529</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভালুকা পৌরসভার সার্বিক উন্নয়ন ও সেবার মান বৃদ্ধিকে সামনে রেখে কাজ করছেন পৌর প্রশাসক ইকবাল হোসাইন। দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজের অভিজ্ঞতা, মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কথা বলেছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এর আগে তিনি ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন। ভালুকা একটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় এখানে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। নতুন আরেকটি পৌরসভায় এসে কাজ শুরু করেছি। এখানে রাজনৈতিক চাপ তুলনামূলক বেশি, পাশাপাশি এটি একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা। তারপরও আলহামদুলিল্লাহ, কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে, বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহর ইচ্ছাতেই এই দায়িত্ব পেয়েছেন এবং শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল ভিন্নধর্মী কিছু করা। আমার লক্ষ্য ছিল এমন কিছু করা, যা পৌরসভার ইতিহাসে আগে হয়নি। আলহামদুলিল্লাহ, সে লক্ষ্যের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি, যোগ করেন প্রশাসক।

পৌরসভার বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, ভালুকা &lsquo;ক&rsquo; শ্রেণির পৌরসভা হলেও সেবার মান ও অবকাঠামো সেই মান অনুযায়ী উন্নত নয়। কাগজে-কলমে এটি &lsquo;ক&rsquo; শ্রেণির পৌরসভা। কিন্তু কাজকর্ম, সেবার মান ও অবকাঠামো অনেক ক্ষেত্রে &lsquo;খ&rsquo; শ্রেণির মতো। ফলে এখানে সেবার মান বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে, বলেন তিনি।

সমস্যার জায়গাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হিসেবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকেই চিহ্নিত করেছেন তিনি। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ময়লা-আবর্জনা। আমাদের কোনো স্থায়ী ল্যান্ডফিল নেই। ফলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যকরভাবে করা কঠিন হয়ে পড়ছে, বলেন ইকবাল হোসাইন।

তিনি জানান, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত ডাম্পিং ব্যবস্থা, আধুনিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ চলছে।

পৌরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 07 Apr 2026 11:03:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নোয়াখালীতে নতুন টিউবওয়েলে  জ্বলছে গ্যাসের আগুন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114526" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114526</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় নতুন টিউবওয়েলে পানির সঙ্গে গ্যাস বের হওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। টিউবওয়েলের মুখে দিয়াশলাই ধরতেই আগুন জ্বলে ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রামনারায়ণপুর ইউনিয়নের বৈকুন্ঠপুর গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মতিন গৃহস্থালির ব্যবহারের জন্য এক মাস আগে তার বসতঘরের পাশে ৬০ ফুট গভীর একটি টিউবওয়েল স্থাপন করেন। টিউবওয়েল স্থাপনের পর থেকেই পানির সঙ্গে এক ধরনের তীব্র গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। পানি বের হওয়ার সময় বুদ বুদ শব্দ করে। এ কারণে পানি ব্যবহার করতে পারছিল না পরিবারটি। বিষয়টি পরীক্ষা করতে আব্দুল মতিন ও তার পরিবারের সদস্যরা দিয়াশলাই জ্বালালে টিউবওয়েলের মুখে আগুন জ্বলে ওঠে। এ ঘটনার খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

এদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূগর্ভস্থ গ্যাসের উপস্থিতির কারণে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঝুঁকি নিরূপণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আব্দুল মতিন বলেন, প্রথমে আমরা বিষয়টি বুঝতে পারিনি। পরে গ্যাসের গন্ধ পেয়ে সন্দেহ হলে লাইটার দিয়ে পরীক্ষা করি, তখনই আগুন জ্বলে ওঠে। আমরা এখন আতঙ্কে আছি। দ্রুত পরীক্ষা করার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চাই।

যোগাযোগ করা হলে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরে এসেছে। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া এ বিষয়ে নিশ্চিত কিছু বলা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Apr 2026 07:58:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সামনে অবৈধ দোকানপাট, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114525" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114525</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ঘিরে সড়কে গড়ে উঠেছে অসংখ্য অবৈধ দোকানপাট। হাসপাতালের প্রধান ফটক ও সড়কের দুই পাশে এসব দোকান বসায় সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এতে একদিকে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট, অন্যদিকে চলাচলের পথ সংকুচিত হয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালটির সামনের অংশজুড়ে অস্থায়ী টিন-তাঁবুর দোকান, চা-স্টলসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছে প্রকাশ্যে। এসব দোকানের কারণে রোগীবাহি অ্যাম্বুলেন্সের যাতায়াতও অনেক সময় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্হানীয় প্রভাব খাটিয়ে এমন পরিস্থিতি চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। দোকানদারদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, নিয়মিত মাসিক ভাড়া দিয়ে তারা ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তবে এই ভাড়া কারা আদায় করছে সে বিষয়ে তারা স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে চাচ্ছেন না।

এদিকে, রোগীদের অভিযোগ আরও গুরুতর। অনেকের ভাষ্য, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আসা গরিব ও অসহায় রোগীদের নানা অজুহাতে পাশের বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানো হয়। হাসপাতাল চত্বরে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালদেরও সক্রিয় দেখা যায়। তারা রোগীদের প্রলোভন দেখিয়ে বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে মেডিক্যাল অফিসার ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস তালুকদার বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারাই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা- এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সামনে অবৈধ স্থাপনা ও দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের আস্থা মারাত্মক ভাবে ক্ষুণ্ন হবে। তারা দ্রুত অভিযান চালিয়ে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Apr 2026 07:48:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[&quot;যার সৎ সাহস নেই তার জন্য সাংবাদিকতা নয়’ – কাদের গনি চৌধুরী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114524" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114524</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)-এর মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, &lsquo;যার সৎ সাহস নেই তার জন্য সাংবাদিকতা নয়। অসহায় আত্মসমর্পণ সম্পাদক-সাংবাদিক বা মালিকদের মানায় না, যা আমরা গত ১৭ বছর ধরে দেখেছি। যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকতাম, তাহলে অনেক কিছু লিখতে ও বলতে পারতাম।&rsquo;

শনিবার (৪ এপ্রিল) মাদারীপুর জেলার শিবচরে সাংবাদিকদের আয়োজনে পদ্মা নদীতে অনুষ্ঠিত এক নৌভ্রমণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, &ldquo;গত ১৭ বছরে এক শ্রেণির &lsquo;দলদাস&rsquo; তৈরি হয়েছে, যা সাংবাদিকতার মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে। তবে ছাত্র-জনতার ত্যাগ ও গণ-অভ্যুত্থানের কারণে দেশে গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে। আমরা যেন এই সুবাতাসকে বিশুদ্ধভাবে প্রবাহিত করি। আর কোনো স্বৈরশাসক বা ফ্যাসিস্ট চাই না।

একই সঙ্গে দলদাস সাংবাদিকতারও অবসান চাই। সত্যকে সত্য এবং মিথ্যাকে মিথ্যা বলার সৎসাহস নিয়েই সাংবাদিকতায় আসতে হবে।&rdquo;

তিনি আরো বলেন, &lsquo;হলুদ সাংবাদিকতা এমনভাবে বিস্তার লাভ করেছে যে প্রকৃত সাংবাদিক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠেছে। সচিবালয়ে দেখা যায়, বগলদাবা সম্পাদকদের দাপটে প্রকৃত সম্পাদকরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন।

এই অবস্থা থেকে উত্তরণ না ঘটালে সাংবাদিকদের সম্মান ও মর্যাদা বজায় থাকবে না।&rsquo;

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি ও কালের কণ্ঠ সম্পাদক কবি হাসান হাফিজ, আমার দেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজে সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সভাপতি ও মানবকণ্ঠ সম্পাদক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীনসহ মাদারীপুর ও শিবচরে কর্মরত সাংবাদিকরা।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Apr 2026 06:48:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পদ্মা থেকে মেঘনার ইলিশের  স্বাদ বেশী: এ্যানি চৌধুরীর]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114520" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114520</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পদ্মা নদীর ইলিশের চেয়ে মেঘনা নদীর ইলিশের দাম বেশি ও স্বাদু। পদ্মার ইলিশ কিছুটা লালসা ভাব। অনেকেই ঢাকা গেলে বলেন পদ্মার ইলিশ। আসলে আসল ইলিশ হচ্ছে মেঘনার ইলিশ। ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ,জাতীয় মাছ। সরকার এ সম্পদ রক্ষা করতে উদ্যোগ নিয়েছে।

শনিবার (৪এপ্রিল) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২৬ অর্থ বছরে &quot;ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প&quot; এর আওতায় ইলিশ অভয়াশ্রমে মার্চ-এপ্রিল মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালীন জেলেদের মাঝে

খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর বক্তব্যে এ্যানি চৌধুরী এ মন্তব্যে করেন।

পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দারুণ মিল রয়েছে। দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকার কারণে সরকার প্রতিটি জেলেকে ৩ হাজার টাকার খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছে।

জেলের উদ্দেশ্য করে পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, আপনরা সবসময় মাছ শিকার করেন। এ দুই মাস ধরা বন্ধ রাখুন। এ দুই মাস আপনি একটু বিশ্রাম নিবেন। জালবুন বেন। নৌকা মেরামত করবেন। নদীতে মাছ শিকারের জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিবেন।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, লক্ষ্মীপুর-২ রায়পুর আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু,লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা প্রশাসক মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার আবু তারেক।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক শাহাবুদ্দিন সাবু।

সান নিউজ/আরএ

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Apr 2026 05:38:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জমে উঠেছে মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114513" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114513</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জমে উঠেছে মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন। মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দু&rsquo;টি প্যানেলের প্রচারণা এখন তুঙ্গে। আগামী ২ এপ্রিল ২০২৬ইং বৃহস্পতিবার এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বেশ জমে উঠছে নির্বাচনী প্রচারণাও। আদালত চত্বরে ভোট প্রার্থনার পাশাপাশি বাড়িতেও যাচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।

দলমত নির্বিশেষে প্রতিবার নির্বাচন হলেও এবারও জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনের শীর্ষ পদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। দলগত সমর্থনে তাদের অনেক ভোটার রয়েছে।

নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে চালিয়ে যাচ্ছেন নির্বাচনী প্রচারণা। ভোটারদের কাছেও চলছে প্রার্থীদের বিগত দিনের ভালমন্দ কাজের চুলচেরা বিশ্লেষণ। আর মাত্র ২ দিন বাকী কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০২৬ইং মেয়াদের মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ নির্বাচনের।

প্রার্থীরা বসন্তকালের মৃদু শীতের শিতলতা মাড়িয়ে নির্বাচনের উত্তাপ ছড়াতে রাতের আধারে ভোট প্রার্থনায় ছুটছে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। চলছে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের সাথে মতবিনিময় ও ভোট চাইবার কাজ।

চলছে নিজ নিজ সেরেস্তার আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রণের জোর লবিং ও চেষ্টা। পেশাগত হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও ভোটকে কেন্দ্র করে একে অপরের সাথে দেখা করছে এবং ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছেন প্রার্থীরা।

প্রার্থীরা আইনজীবীদের সার্বিক কল্যাণে ও সমিতির উন্নয়নের কথা শুনাচ্ছেন ভোটারদের। নিজ নিজ ক্যাম্পে বসেও ভোটারদের সাথে খোশগল্প মিষ্টিমুখসহ নানা আপ্যায়নে আপ্যায়িত করছেন প্রার্থীরা। আবার কেউ কেউ পেশাগত হাজারো ব্যস্ততাকে উপেক্ষা করে ভোট চাইতে ভোটারদের কাছে ছুটছেন।

তফশীল অনুযায়ী আগামী ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ২০২৬ সালের মেয়াদী কমিটির নির্বাচন সমিতির নিজস্ব ভবনের হল রুমে অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলবে একটানা বিকেল ২টা পর্যন্ত।

এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন-সিনিয়র আইনজীবী এ্যাড.ফোরহাদুল ইসলাম।

নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানা গেছে, সভাপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়াণ সিনিয়র আইনজীবী এ্যাড. মোঃ এমদাদুল হক খান, মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র আইনজীবী এ্যাড. মোঃ এমরান, অন্যদিকে ক্লিন ও পরিচ্ছন্ন মানুষ, তরুণ আইনজীবীদের প্রিয় প্রার্থী ও আইকোন, জুনিয়র ও সিনিয়র আইনজীবী বান্ধব, একজন প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী এ্যাড. সুজিত চ্যাটার্জী বাপ্পী।

সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক জনপ্রিয়, মেধাবী তারুণ্যের প্রতীক এ্যাড.মোঃ মাহাবুব হোসেন শাকিল, মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির জুনিয়র ও সিনিয়র সাধারণ আইনজীবীদের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে, অধিক গ্রহনযোগ্য আইনজীবী এ্যাড. মোহাম্মাদ অলিউর রহমান দর্জী।

সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে এ্যাড.আসাদুজ্জামান, এ্যাড, জালালুর রহমান ও এ্যাড. মহিদুল ইসলাম। সহ-সভাপতি পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হয়েছেন এ্যাড. মাহাবুব হাসান সরোজ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১ পদে এ্যাড. জাফর ইমাম সুজন, এ্যাড. মশিউর রহমান পারভেজ, ও এ্যাড. মোঃ রফিকুল ইসলাম শামীম। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-২ পদে এ্যাড. আনোয়ার হোসেন রানা, এ্যাড. মুনির হাসান মিঠু ও মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির জুনিয়র ও সিনিয়র সাধারণ আইনজীবীদের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে, অধিক গ্রহনযোগ্য আইনজীবী এ্যাড. মোঃ মফিজুর রহমান । কোষাধ্যক্ষ পদে এ্যাড. মহিদুল ইসলাম ও এ্যাড. সুজন ভৌমিক। সম্পাদক লাইব্রেরী পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হয়েছেন এ্যাড. মোঃ গোলাম মোস্তফা দেওয়ান । অ্যাপায়ন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে এ্যাড. মোঃ কামরুজ্জামান ও বদরুন নাহার কলি। সম্পাদক মহুরী পদে এ্যাড. একেএম আজিজুল হক মুকুল ও এ্যাড. এমদাদুল হক মিলন। সদস্য পদে এ্যাড. আতিকুল ইসলাম, এ্যাড. তরিকুল ইসলাম, এ্যাড. মোঃ হেলাল উদ্দিন, এ্যাড. মোঃ নাফিজ ইকবাল রবিন এ্যাড. ডালিয়া আক্তার, এ্যাড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহম্মেদ, এ্যাড.সত্যেন কুমার ঢালী ও এ্যাড. লালন ফকির চুড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 31 Mar 2026 15:35:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মুন্সীগঞ্জে অটোরিকশায় ভুয়া তালিকা করে টাকা আদায়ের অভিযোগ!]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114512" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114512</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন সড়কে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া একটি ভুয়া ভাড়া তালিকাকে ঘিরে দেখা দিয়েছে চরম বিভ্রান্তি। &lsquo;আদেশক্রমে&mdash;চালক সমীতিবৃন্দ&rsquo; উল্লেখ থাকা ওই তালিকাটি ভুয়া বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। অভিযোগ উঠেছে, এই কাগজ দেখিয়ে ঈদ-উল-ফিতরের পর থেকে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি একটি প্রিন্ট করা কাগজ অটোরিকশায় টানানো ও চালকদের কাছে সরবরাহ করা হয়, যেখানে বিভিন্ন রুটে আগের তুলনায় বিভিন্ন রোডে ৫ টাকা করে ভাড়া বৃদ্ধি দেখানো হয়েছে। তবে এই ভাড়া নির্ধারণে কোনো সরকারি সংস্থা, বিআরটিএ বা প্রশাসনের অনুমোদনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমন কি কোন মালিক-চালক সংগঠনেরও।

এ বিষয়ে অটোরিকশা চালক মিজানুর রহমান বলেন, ভাড়া বৃদ্ধি তালিকাটা সদর উপজেলা সিপাহীপাড় মোড়ে একজন ব্যক্তি তাদেরকে দিয়েছে। কিন্তু তার নাম জানেন না। তারা তালিকায় অনুয়ায়ী ভাড়া নিচ্ছে।

খালইস্ট এলাকার সাইদুর রহমান ইফতি জানান, তিনি ঈদের পর চর কিশোরগঞ্জ থেকে সদরে আসবেন। তার কাছ থেকে দু&#39;শত টাকা ভাড়া নিয়েছে। ইচ্ছে মত অটোরিকশা চালকরা বেশি ভাড়া নিচ্ছে।

যাত্রীদের অভিযোগ, চালকরা ওই তালিকাকে &quot;নতুন নির্ধারিত ভাড়া&rdquo; দাবি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, হঠাৎ করে এমন ভাড়া বৃদ্ধি তাদের জন্য অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য।

 

সচেতন মহলের মতে, &lsquo;চালক সমীতিবৃন্দ&rsquo;-এর নামে এমন অস্পষ্ট ও অপ্রমাণিত ভাড়া তালিকা প্রকাশ সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। কোনো বৈধ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ আইনসম্মত নয় বলেও তারা মন্তব্য করেন।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট কোনো স্বীকৃত পরিবহন সংগঠন বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন ভাড়া তালিকা জারি করা হয়নি। ফলে এটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং বিভ্রান্তিকর বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ চালক-মালিক সমিতির সভাপতি মো. মাসুদ রানার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা তাকে পাওয়া যায়নি। তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমান বলেন, আমি ছুটিতে আছি। তার পরেও আমি এসিল্যান্ডকে বলে দিচ্ছি যেন বিষয়টি দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে একাধিক যাত্রীদের দাবি, দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ভাড়া নির্ধারণের স্বচ্ছ ঘোষণা দিতে হবে এবং ভুয়া তালিকা প্রচার ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কারা এমন নাম বিহীন ভাড়ার তালিকা করলো বিষয়টা খতিয়ে দেখা দরকার।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 31 Mar 2026 15:31:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লক্ষ্মীপুরের ৯ জেলে নিখোঁজ, পরিবারের আহাজারি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114510" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114510</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে লক্ষ্মীপুরের ৯ জনসহ ১৬ বাংলাদেশি জেলে নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ জেলেদের পরিবারের দাবি, কক্সবাজারের উখিয়া সংলগ্ন বাংলাদেশ-মিয়ানমার জলসীমা থেকে তাদের মিয়ানমার কোস্টগার্ড আটক করে নিয়ে গেছে। ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও তাদের কোনো সন্ধান না মেলায় চরম অনিশ্চয়তা আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে উপকূলীয় জেলে পল্লীর পরিবারগুলোর।

জানা গেছে, গত ২২ মার্চ (রোববার) &lsquo;মা-বাবার দোয়া&rsquo; নামের একটি ট্রলার নিয়ে ১৬ জন জেলে মেঘনা নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। ট্রলারে থাকা জেলেদের মধ্যে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরপোড়াগাছা ইউনিয়নের ৯ জন, নোয়াখালীর ৩ জন, চট্টগ্রামের ৩ জন এবং ভোলার ১ জন রয়েছেন।

নিখোঁজ জেলেদের স্বজনরা জানান, গত ২৮ মার্চ জেলেদের সাথে তাদের শেষবার মুঠোফোনে কথা হয়। তখন জেলেরা জানিয়েছিলেন, তারা মিয়ানমার কোস্টগার্ডের হাতে আটক হয়েছেন। সেখানে তারা চরম খাদ্য সংকট ও অমানবিক পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। এরপর থেকেই তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। কোনোভাবেই আর যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।

সরেজমিনে রামগতির চরপোড়াগাছা জেলে পল্লীতে গিয়ে দেখা যায় শোকের মাতম। নিখোঁজ জেলেদের ফিরে আসার অপেক্ষায় নদীর তীরে পথ চেয়ে আছেন তাদের বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী ও সন্তানরা। কারো হাতে সন্তানের ছবি, কেউবা স্বামীর স্মৃতি মনে করে বিলাপ করছেন। একেকটি পরিবারের ৫ থেকে ৭ জন সদস্য এই জেলেদের আয়ের ওপর নির্ভরশীল। উপার্জনক্ষম মানুষগুলো নিখোঁজ থাকায় অনেক পরিবারে গত কয়েকদিন ধরে চুলা জ্বলছে না। পেটের ক্ষুধার চেয়েও প্রিয়জনের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে বেশি শঙ্কিত তারা।

ট্রলার মালিক পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে তারা সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে। জেলেদের ফিরিয়ে আনতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

স্থানীয় সমাজকর্মী মো. রাসেল জানান, তিনি ট্রলার মালিক এবং প্রশাসনিক বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন। জেলেদের দ্রুত ফিরিয়ে আনতে আইনি ও কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সম্রাট খিসা বলেন, &ldquo;বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।&rdquo;

আটক জেলেদের ভাগ্যে কী জুটেছে তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। প্রিয়জনদের সুস্থ অবস্থায় ফিরে পাওয়ার আশায় বুক বেঁধে আছেন স্বজনরা।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 31 Mar 2026 15:02:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মা–বাবার ওপর হামলার অভিযোগ সন্তানের বিরুদ্ধে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114509" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114509</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া এলাকায় মা&ndash;বাবার ওপর হামলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তাদেরই ছেলে মুহাম্মদ শাকিল শিকদারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হিসেবে সামনে এসেছেন মাতা কোহিনুর বেগম ও পিতা রফিক সিকদার। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়দের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহ ও ব্যক্তিগত ক্ষোভের জেরে মুহাম্মদ শাকিল শিকদার তার বাবা-মায়ের সঙ্গে অসদাচরণে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি তার পিতা-মাতার ওপর শারীরিকভাবে আক্রমণ চালান। এতে তার পিতা রফিক সিকদার আহত হন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ঘটনাটি নতুন মোড় নেয়। অভিযোগ রয়েছে, অভিযুক্ত শাকিল শিকদার নিজেই তার স্ত্রী মোসাম্মৎ মিম আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে পটুয়াখালী আদালতে গিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, মূল ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে রোজ মঙ্গলবার ৩:৩০ অংশগ্রহণকারী এলাকার ব্যক্তিবর্গ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, &ldquo;মা&ndash;বাবার প্রতি সন্তানের এমন আচরণ সমাজের জন্য অশনিসংকেত। এটি শুধু একটি পরিবারের বিষয় নয়, বরং আমাদের সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের প্রতিফলন।&rdquo; তারা দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই প্রশাসনের প্রতি তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

ঘটনার পর থেকে রাঙ্গাবালী জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একটাই প্রত্যাশা&mdash;সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হোক এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 31 Mar 2026 15:00:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভালুকায় নির্ধারিত স্টপেজ ফাঁকা, সড়কেই বাস থামায় বাড়ছে ঝুঁকি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114506" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114506</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় নির্ধারিত বাসস্ট্যান্ড কার্যকর না থাকায় মহাসড়কেই চলছে যাত্রী ওঠানামা। এতে প্রতিনিয়ত তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যাত্রী ওঠানামার জন্য নির্দিষ্ট স্থান ও যাত্রী ছাউনি থাকলেও অধিকাংশ বাস ও যানবাহন সেখানে থামছে না। বরং ভালুকার জিরো পয়েন্টকেই অঘোষিত স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে গফরগাঁও থেকে আসা যানবাহন মহাসড়কে উঠতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, আর ঢাকাগামী বাসগুলো পড়ছে দীর্ঘ যানজটে।

একই চিত্র মহাসড়কের বিপরীত পাশে ময়মনসিংহগামী সড়কেও। ভালুকা বাজারমুখী ও অন্যান্য যানবাহন একই রুট ব্যবহার করায় সেখানে নিয়মিত জট লেগেই থাকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের একই স্থানে মালামাল ওঠানামা, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

স্থানীয় বাসচালক আবু মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভালুকা বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি পার্কিংয়ের নির্দিষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় মহাসড়কের পাশেই যাত্রী ওঠানামা করাতে হচ্ছে। দূরপাল্লার ট্রাকচালকদের জন্যও বিকল্প কোনো পার্কিং বা বিশ্রামস্থল নেই।

যাত্রী হাবিব আহম্মেদ জানান, ভালুকা থেকে ময়মনসিংহগামী যাত্রীদের মহাসড়কে দাঁড়িয়ে বাসে উঠতে হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নিয়মিত যাতায়াতকারী চাকরিজীবী রফিকুল ইসলাম বলেন, দ্রুত একটি কার্যকর বাসস্ট্যান্ড নির্মাণ ও এর ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।

এদিকে ভালুকার পূর্ব অংশে যাত্রী ছাউনি থাকলেও সেখানে বাস না থামায় যাত্রীরা সুবিধা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভালুকা উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মতিউর রহমান পাঠান জগলু বলেন, যানজটের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আইন প্রয়োগে শৈথিল্য, মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধ পার্কিং, যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামা এবং অতিরিক্ত অটোরিকশা ও সিএনজির চলাচল।

তিনি আরও বলেন, অধিকাংশ ট্রাক, লরি ও পিকআপের নিজস্ব গ্যারেজ না থাকায় সেগুলো সড়কেই দাঁড়িয়ে থাকে। এ সমস্যার সমাধানে মাল্টিস্টোরিড পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা, নির্ধারিত বাস বে চালু করা এবং বাসস্ট্যান্ডকে কার্যকরভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।

এ বিষয়ে ভালুকা ট্রাফিক জোনের টিআই পলাশ সাহা বলেন, নির্দিষ্ট স্থানে বাস থামাতে আমরা নিয়মিত চেষ্টা করছি। আইনশৃঙ্খলা সভায় বিষয়টি উত্থাপন করা হয়েছে এবং বাসস্ট্যান্ডে নির্ধারিত স্থানে যাত্রী ওঠানামা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং নির্ধারিত বাসস্ট্যান্ড ব্যবহারে বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা না হলে ভালুকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধান মিলবে না।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 31 Mar 2026 05:47:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাহাড়ে &quot;বৈসাবি&quot; উৎসবের আনন্দ, চলছে প্রস্তুতি  ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/114505" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/oithijho-o-krishthi/114505</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আবু রাসেল সুমন : পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্ষবরণকে ঘিরে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব &quot;বৈসাবি&quot; উদযাপন কে সামনে রেখে খাগড়াছড়িসহ তিন পার্বত্য জেলায় চলছে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি।

চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষকে বরণ করে নিতে পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় প্রতিবছর তাদের এই প্রধান সামাজিক উৎসব &quot;বৈসাবি&quot; খুব জাঁকজমক ভাবে উদযাপন করে থাকে। এ উপলক্ষে পাহাড়ের আনাচে কানাচে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে।

বরাবরের মতোই বিদায়ী বছরের সব দুঃখ-কষ্ট আর গ্লানি পানিতে ভাসিয়ে দিয়ে নতুন বছরের পথচলা শুরু করেছে পাহাড়, নদী আর অরণ্যঘেরা জনপদের মানুষ। বর্ষবরণ ও বিদায়ের অনুষ্ঠান &quot;বৈসাবি&quot;কে ঘিরে আগাম উৎসবের আমেজ এখন তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি আর বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদে।



&quot;বৈসাবি&quot; মূলত বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। খাগড়াছড়ি জেলার প্রধান তিন ক্ষুদ্র - নৃগোষ্ঠী ত্রিপুরা সম্প্রদায় - বৈসু, মারমা সম্প্রদায় - সাংগ্রাই এবং চাকমা সম্প্রদায় -বিজু নামে এ অনুষ্ঠান পালন করে। এ ছাড়া পার্বত্য রাঙামাটি এবং বান্দরবান জেলার অন্যান্য সম্প্রদায় বর্ষবরণের এ অনুষ্ঠান ভিন্ন নামে পালন করে। বৈসাবি শব্দটি মূলত তিন সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানের নামের প্রথম অক্ষর নিয়ে গঠিত।

পাহাড়ের একেক সম্প্রদায়ের কাছে ভিন্ন নামে ও নিজ নিজ ভাষায় পরিচিত এই &quot;বৈসাবি&quot; যেমন- বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান, চাংলান, পাতা ও বিহু।

&quot;বৈসাবি&quot;র প্রস্তুতি হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলা শহরসহ প্রতিটি উপজেলার হাটবাজার গুলোতে বেড়েছে মানুষের উপস্থিতি। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে নিজেকে সাজাতে বিভিন্ন শপিংমল কাপড়ের দোকান গুলো কানায় কানায় পরিপূর্ণ।

স্থানীয় এক বিক্রেতা জানান, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর উৎসবের আমেজ একটু আগেই থেকেই জমে উঠেছে। এবারের বাজারে মানুষের সমাগম অনেক অনেকাংশেই বেশি। শুধু কেনাকাটাই নয়, উৎসব উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকরাও ভিড় জমাচ্ছেন এখন থেকেই।

সরেজমিনে বাজার গুলো ঘুরে দেখা যায়, উপজাতীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক যেমন, চাকমাদের পিনোন-হাদি, মারমাদের থামি এবং ত্রিপুরাদের রিনাই-রিসার দোকানে তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আধুনিক নকশার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী বুননের পোশাকের চাহিদাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

উৎসবে বিশেষ খাবারের উপকরণ কিনতে ভিড় করছেন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মানুষজন। উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে &quot;পাঁচন&quot; বহু ধরনের সবজি দিয়ে তৈরি এই ঐতিহ্যবাহী খাবারের জন্য বাজারে উঠতে শুরু করেছে বাঁশকোড়ল, তারা, বিভিন্ন পাহাড়ি আলু ও বুনো সবজি। স্বাদের ভিন্নতা আনতে অনেকে এতে শুকনো মাছ (সিদল) ব্যবহার করেন, যদিও নিরামিষভাবেও এটি প্রস্তুত করা হয়। এই ঐতিহ্যবাহী খাবার বৈসাবির সাংস্কৃতিক পরিচয় বহন করে এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা ও খাদ্যসংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

&quot;বৈসাবি&quot; উৎসবকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলতে জেলা পরিষদের উদ্যােগে নেয়া হয় মেলার আয়োজন, পাশাপাশি এসব মেলায় ঘিলা খেলা, বলি খেলার মতো ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। পাড়ায় পাড়ায় আনন্দে মেতে উঠে কিশোর- কিশোরী, তরুন-তরুনীরা।

আগামী ১২ এপ্রিল &lsquo;ফুল বিজু&rsquo;র মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। এদিন চেঙ্গি নদীর পানিতে ফুল ভাসিয়ে পুরনো বছরের গ্লানি মুছে ফেলার প্রতীকী আয়োজন করা হবে। ১৩ এপ্রিল মূল বিজু বা বৈসু উপলক্ষে ঘরে ঘরে পাঁচন রান্না ও অতিথি আপ্যায়ন অনুষ্ঠিত হবে। ১৪ এপ্রিল গজ্যাপজ্যা বা সাংগ্রাই উপলক্ষে জলকেলির মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করা হবে।

কিরন বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, আমরা সারা বছর অপেক্ষায় থাকি বৈসু অনুষ্ঠানের। এ বছর বৈশ্বিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক মন্দা অবস্থা চলছে। পৃথিবীর সকল মানুষের শান্তি ও মঙ্গল প্রয়োজন। সেই মঙ্গল কামনা করেই আমরা এবার বৈসু শুরু করতে যাচ্ছি। আগামী ১৩ এপ্রিল হারিবৈসু দিয়ে আমাদের মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে।

উৎসবকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ। পর্যটন কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বাড়তি নজরদারি রাখা হয়েছে, যাতে দেশি-বিদেশি পর্যটকরা নির্বিঘ্নে উৎসব উপভোগ করতে পারেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 31 Mar 2026 05:43:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাঙ্গাবলীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ২৮০ কেজি অবৈধ ইলিশ জব্দ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114504" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114504</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পটুয়াখালীর রাঙ্গাবলীতে দেশের রূপালি ইলিশের প্রজনন ও অভয়াশ্রম রক্ষায় বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। সোমবার (৩০ মার্চ) উপজেলার দারছিরা নদী সংলগ্ন চরবিশ্বাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে আনুমানিক ২৮০ কেজি অবৈধ জাটকা ও মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত এই মাছের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকা।

​অভিযানের নেপথ্যে

​কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের বিসিজি আউটপোস্ট রাঙ্গাবালীর একটি চৌকস দল আজ সকাল ০৮:৩০ ঘটিকা থেকে দুপুর ০২:৩০ ঘটিকা পর্যন্ত নিয়মিত রুটিন টহল পরিচালনা করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টহল দলটি দারছিরা নদীর চরবিশ্বাস ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয়। এসময় একটি সন্দেহভাজন যাত্রীবাহী &#39;স্টিল বডি&#39; ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে আহরণকৃত এই বিপুল পরিমাণ জাটকা উদ্ধার করা হয়। তবে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে মূল হোতারা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

​অভিযান শেষে জব্দকৃত মাছগুলো রাঙ্গাবালী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্থানীয় বিভিন্ন এতিমখানা ও দুস্থ পরিবারগুলোর মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

​কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং ইলিশের বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন করতে তারা নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছেন। কর্তৃপক্ষ আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন:

​&quot;জাতীয় সম্পদ ইলিশ ও জাটকা নিধনে যারা জড়িত, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের এই &#39;জিরো টলারেন্স&#39; অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।&quot;

​কোস্ট গার্ডের এই সাহসী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা জানান, নিয়মিত এ ধরনের কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকলে অসাধু সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য কমবে এবং ইলিশের উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 30 Mar 2026 16:41:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১৫০ টাকা বেশি ভাড়া নেয়ায় জরিমানা ৫০ হাজার টাকা    ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114500" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114500</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে শাহী সার্ভিসের একটি বাসের সুপারভাইজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী চৌরাস্তা এলাকায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে এ জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.কায়েসুর রহমান।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, চৌরাস্তা থেকে চট্টগ্রাম রুটে যাত্রীপ্রতি নির্ধারিত ভাড়া ৩৫০ টাকা হলেও শাহী সার্ভিসের বাসে আদায় করা হচ্ছিল ৫০০ টাকা। শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি এক ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের নজরে আনেন। পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে বাস কাউন্টারে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে ঘটনাস্থলেই সংশ্লিষ্ট সুপারভাইজারকে ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.কায়েসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গণপরিবহনে বাড়তি ভাড়া বন্ধে আমরা চেক করছি। বাড়তি ভাড়ার সত্যতা পেয়ে জরিমানা করেছি। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ও তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 28 Mar 2026 03:57:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাবেক সেনা কর্মকর্তাসহ ৬ জনকে অর্থদণ্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114499" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/114499</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় শখের বশে বিপুলসংখ্যক পাখি শিকার করে স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হওয়ার পর প্রশাসনের অভিযানে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাসহ ছয়জনকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে পাখি শিকারে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাতে গজারিয়া উপজেলার মাথাভাঙ্গা গ্রামে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অবরোধের খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড প্রদান করে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন&mdash;লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আ.স.ম. হাদিউল ইসলাম ভূঁইয়া (৮১), আবরার উদ্দিন আহমেদ (৭০), হাজী ওসমান আলী (৭৭), মাজহারুল হক কোরেশী (৭০), আব্দুল্লাহ নূর (৭২) ও আরিক আহমেদ (২৭)।

প্রশাসন জানায়, অপরাধ স্বীকার ও বয়স বিবেচনায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে এক লাখ টাকা এবং বাকি পাঁচজনকে ৩০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাখি শিকারে ব্যবহৃত ৩টি শটগান, ১টি এয়ারগান ও ৬৩ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে প্রাইভেটকারে করে ঢাকা থেকে গজারিয়ায় এসে তারা ট্রলারে বিভিন্ন চরাঞ্চল ও মেঘনা নদী তীরবর্তী এলাকায় পাখি শিকারে নামেন। দিন শেষে ফেরার সময় তাদের কাছে প্রায় ৭ বস্তা ভর্তি পাখি দেখতে পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এলাকাবাসী। পরে মাথাভাঙ্গা গ্রামের ঈদগাহ এলাকায় তাদের আটকে রাখা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একদিনে বিপুলসংখ্যক পাখি নিধনের ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি, এভাবে নির্বিচারে পাখি শিকার চলতে থাকলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

অভিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা জানান, কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নয়, শখের বশেই পাখি শিকার করেছেন তিনি। এর আগেও তিনি এ এলাকায় শিকারে এসেছেন বলে স্বীকার করেন।

গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী তাদের অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 28 Mar 2026 03:53:33 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
