<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/arts</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/arts"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews arts Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest arts News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Thu, 14 May 2026 06:16:04 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[বন্ধুদের সঙ্গে আজ আড্ডা দেবেন কবি মজিদ মাহমুদ ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114790" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114790</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কয়েক বছর ধরে জন্মদিনে ঢাকায় থাকেন না সব্যসাচী লেখক মজিদ মাহমুদ। ঈশ্বরদী চরে নিজের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপল্লিতে সময় কাটান তিনি। ঢাকার শুভার্থীদের কেউ কেউ সেখানে গিয়ে তার সঙ্গে শুভেচ্ছা জানিয়ে আসেন। সঙ্গে থাকেন উত্তরবঙ্গের মানুষ আর সারাদেশের কবি-সাহিত্যিক।

৩ বৈশাখ ছিল লেখক মজিদ মাহমুদের জন্মদিন। ষাট পেরিয়ে ৬১-তে পা রাখলেন এবার। জন্মদিনোত্তর এক প্রীতি সম্মিলনির আয়োজন করেছে আজ তার বন্ধু ও শুভার্থীরা। ধানমণ্ডি ক্লাবের মাল্টিপারপাস হলে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকাল ৬টা থেকে প্রিয়জনদের ভালোবাসায় সিক্ত হবেন তিনি।

এ পর্যন্ত তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৮০। মাহফুজামঙ্গল, আপেল কাহিনী, গোষ্ঠের দিকে, তুমি শুনিতে চেয়ো না, নজরুল: তৃতীয় বিশ্বের মুখপাত্র, কাটা পড়া মানুষ ইত্যাদি গ্রন্থ পাঠকের ভালোবাসায় সমৃদ্ধ হয়েছে। মাহফুজামঙ্গলের কবি, নজরুল গবেষক, প্রাবন্ধিক ইত্যাদি পরিচয় ছাপিয়ে তিনি পরিচিত এখন &#39;সব্যসাচী লেখক&#39; হিসেবে।

আজকের প্রীতি সম্মিলনির আয়োজক আনন্দ আড্ডা, সুজন, প্রকৃতি, প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত, সমধারা ও ত্রিলোক।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 06:16:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এ বছর পুলিৎজার পেলেন  যারা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114616" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114616</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে এ বছর (২০২৬ সাল) পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে রয়টার্স এ পুরস্কার পেয়েছে।

বিট রিপোর্টিং বিভাগেও এ বছরের পুলিৎজার পুরস্কার নিজেদের করে নিয়েছে রয়টার্স। শিশু ও ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর এআই চ্যাটবট ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে আনায় সামাজিকমাধ্যমের বড় প্রতিষ্ঠান মেটার ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের জন্য রয়টার্স এ পুরস্কার পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ পুরস্কার সাংবাদিকতার নোবেল হিসেবেও খ্যাত। ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি বোর্ড প্রতি বছর এ পুরস্কার ঘোষণা করে। সোমবার (৪ মে) এ বছরের পুলিৎজার বিজয়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এ বছর বিভিন্ন বিভাগে সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেকটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। এর মধ্যে নিউইয়র্ক টাইমস তিনটি বিভাগে পুরস্কার জিতেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন ও ধনকুবের ইলন মাস্কের ব্যাপক কাঁটছাট নিয়ে প্রতিবেদন করে ওয়াশিংটন পোস্ট পাবলিক সার্ভিস বিভাগে পুলিৎজার জিতে নিয়েছে।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাসহ তিনটি বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমস। ট্রাম্প, তার পরিবার ও ট্রাম্পের মিত্ররা কীভাবে ক্ষমতাকে ব্যবহার করে লাভবান হচ্ছেন তা নিয়ে প্রতিবেদনের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় পুরস্কার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস। মতামতধর্মী লেখার জন্য পুরস্কার জিতেছেন নিউ ইয়র্ক টাইমসের এম গেসেন। ব্রেকিং নিউজ ফটোগ্রাফিতে পুরস্কার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমসের প্রদায়ক সাহের আলঘোরা।

ব্রেকিং নিউজ রিপোর্টিং বিভাগে এ বছর পুরস্কার জিতেছেন মিনেসোটা স্টার ট্রিবিউনের কর্মীরা।

সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলের তিন সাংবাদিক সুশি নেইলসেন, মেগান ফ্যান মিউনি আর সারা ডিনাটালে এ বছরের বিশ্লেষণধর্মী বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন।

স্থানীয় সাংবাদিকতায় দুটি পুরস্কারের একটি জিতে নিয়েছে কানেকটিকাট মিররের ডেভআলটিমারি ও গিনি মঙ্ক এবং প্রোপাবলিকার সোফি চউ ও হারু কোরনি। আরেকটি শিকাগো ট্রিবিউনের কর্মীদের ঝুলিতে গেছে।

ন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুরস্কার জয়ীদের মধ্যে রয়টার্সের কর্মীদের, বিশেসত নেড পারকার, লিন্ডা সো, পিটার ইসলার এবং মাইক স্পেকটরের নাম রয়েছে। বিট রিপোর্টিং বিভাগে জয়ীদের তালিকায় রয়টার্সের জেফ হরউইজ ও এনজেন থামের নাম রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে অ্যাসোসিয়েট প্রেসের (এপি) প্রদায়ক ডেক কাং, গ্রেরেনস বুরকি, বায়রন টাউ, অনিরুদ্ধ ঘোষাল ও ইয়েল গ্রাউয়ের পুলিৎজার জিতেছেন।

ফিচার লিখে পুলিৎজার জিতেছেন টেক্সাস মান্থলির অ্যারন পার্সলে। সমালোচনা বিভাগে ডালাস মর্নিং নিউজের মার্ক ল্যামস্টার এবং ইলাস্ট্রেটেড রিপোর্টিং অ্যান্ড কমেন্টারি বিভাগে ব্লুমবার্গের আনন্দ আরকে, সুপর্না শর্মা আর নাটালি ওবিকো পিয়ারসন পুলিৎজার জিতেছেন।

ওয়াশিংটন পোস্টের জাহি চিকেওয়েনদু ফিচার ফটোগ্রাফি বিভাগে এ বছরের পুলিৎজার জিতেছেন। আর অডিও রিপোর্টিং বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন পডকাস্ট পাবলো টোরি ফাইন্ডস আউটের কর্মীরা।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 05 May 2026 04:14:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাউল আবুল সরকারের শাস্তির দাবিতে জুমার খুৎবায় গর্জে উঠলেন খতিবরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/113693" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/113693</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মিজানুর রহমান জুমার খুৎবা-পূর্ব বয়ানে বলেছেন, এদেশ ইসলামের পূর্ণভূমি এবং আল্লাহ ও রাসূল (সা.) শানে যেকোনো ধরনের বেয়াদবিকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বিশেষভাবে বাউল শিল্পী আবুল সরকারকে উদ্দিষ্ট করে বলেন, আল্লাহর শানে বেয়াদবিকার জন্য তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। মুসলমানরা তাদের ঈমানের অধিকার রক্ষা করতে চাই, তাই আল্লাহ ও নবীর শানে বেয়াদবিকার প্রতি কোনো ছাড় হবে না।

পেশ ইমাম আরও বলেন, মু&rsquo;মিনরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে পরামর্শের ওপর নির্ভর করেন। যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং নামাজ কায়েম করেন, তাদের জন্য আল্লাহ প্রশংসা করেছেন। তিনি ইব্রাহিম (আ.)-এর উদাহরণ তুলে বলেন, অসুস্থতা বা বিপদ আল্লাহর ইচ্ছায় আসে এবং তিনি নির্দিষ্ট সময়ে সুস্থ্যতা প্রদান করেন। যারা জানবুঝে অপরাধ করে, তাদের জন্য কোনো ক্ষমা নেই।

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ সোনামিয়া বাজার শাহী মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুল আজিজ জুমার খুৎবা-পূর্ব বয়ানে বলেন, বর্তমান সময়ে ঈমান ও নৈতিকতার ওপর সবচেয়ে বড় আক্রমণ হলো গুনাহকে হালকা মনে করা। মানুষ যখন আল্লাহর বিধান ভুলে যায় এবং জীবনকে বেপরোয়া করে তোলে, তখন আল্লাহ তাদের বিভিন্ন বিপদ, দুর্যোগ এবং ভূমিকম্পের মাধ্যমে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের ঘটনা শুধুমাত্র প্রকৃতির ক্রিয়া নয়, এটি আল্লাহর সতর্কবার্তা।

খতিবরা আরও উল্লেখ করেন, বাউলদের আল্লাহ ও কোরআন বিরোধী মন্তব্য মুসলমানদের ঈমানকে হুমকির মুখে ফেলে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড কুফরিতে লিপ্ত হয়ে সাধারণ মুসলমানদেরকেও বিপথে ঠেলে দেয়। তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় এবং ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের জঘন্য কর্মকাণ্ড না করতে পারে।

পেশ ইমামরা মুসলমানদের আল্লাহ ও নবীর আদর্শ মেনে জীবন পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তারা বলেন, সম্পদ, জীবনের সাফল্য এবং সামাজিক অবস্থান আল্লাহর ইচ্ছার অধীনে ব্যবহার করতে হবে এবং গুনাহকে হালকা মনে করা থেকে বিরত থাকতে হবে। মুসলমানদের আহ্বান জানানো হয়েছে, তারা নিজেরা ঈমান রক্ষা করে, ধর্মীয় নীতিমালা মেনে চলুন এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে সচেষ্ট হোক।

শেষে তারা সকলের জন্য দোয়া করেছেন যে, আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন এবং ইসলামকে দৃঢ় রাখুন।

সাননিউজ/এও]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 29 Nov 2025 06:06:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এশিয়ার শীর্ষ সৃজনশীলদের তালিকায় দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112647" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112647</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের মোশন গ্রাফিক্স ও টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং খাতের এক অসামান্য সৃষ্টিশীল ব্যক্তিত্ব দেবাশীষ দাস এবার অর্জন করেছেন আন্তর্জাতিক সম্মাননা &lsquo;বঙ্গ গৌরব সম্মান (আন্তর্জাতিক)&rsquo;। এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি তাঁকে প্রদান করে ভারতের প্রভাবশালী মিডিয়া সংগঠন Bolo Kolkata TV। ২ ও ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে কলকাতার সুজাতা সদন, হাজরা, কালীঘাটে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজন &lsquo;Banga Gourab Utsab Season 5.1 Pro&rsquo;, যেখানে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত গুণীজনদের উপস্থিতিতে তাঁকে &ldquo;International Motion Graphics Leader&rdquo; হিসেবে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

এই আয়োজনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় গুণী মানুষের প্রকৃত অবদানের উপর। এশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত শিল্পী, উদ্যোক্তা, শিক্ষক, সংগঠক, ডিজাইনার ও সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্য থেকে একটি স্বতন্ত্র ও পেশাদার জুরি বোর্ডের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে সেরা ব্যক্তিত্বদের নির্বাচন করা হয়। সেই কঠিন বাছাই প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে জায়গা করে নেন বাংলাদেশের দেবাশীষ দাস।

অনুষ্ঠানে দুই দিনব্যাপী ছিল এক মনোমুগ্ধকর সংস্কৃতি-সম্ভার। আয়োজনে পরিবেশিত হয় বর্ণাঢ্য নৃত্য পরিবেশনা, আবৃত্তি, কণ্ঠসংগীত, নাট্যাংশ, ম্যাজিক শো এবং ঐতিহ্যবাহী উপস্থাপনাগুলোর এক ঝলক। দেবাশীষ দাস অনুষ্ঠানে ছিলেন International Guest of Honour হিসেবে, যেখানে তাঁর কাজ ও অবদানকে তুলে ধরা হয় মূল মঞ্চে। উপহারস্বরূপ তাঁকে প্রদান করা হয় একটি সম্মাননা স্মারক, সনদ এবং বিশেষ আন্তর্জাতিক পদক&mdash;যা তাঁর ক্যারিয়ারের আরও এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এই সম্মাননা দেবাশীষ দাসের চলতি বছরের তৃতীয় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এর আগে তিনি ২ আগস্ট ২০২৫-এই ঢাকার কচি-কাঁচা মিলনায়তনে আয়োজিত &lsquo;দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rsquo;-এ ভূষিত হন &lsquo;সৃজনশীল ব্র্যান্ডিংয়ে আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব&rsquo; ক্যাটাগরিতে। একই বছর তিনি অর্জন করেন &lsquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rsquo;-এ &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; এবং &lsquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rsquo;-এ &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; খেতাব। এর আগের বছর, ২০২৪ সালে, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং সংস্থা লেজার ট্রিট তাঁকে প্রদান করে &#39;Best in Brand Communication&#39; সম্মাননা।

তাঁর এই অর্জনগুলোর পেছনে রয়েছে দুই দশকের নিষ্ঠা, গবেষণা এবং সৃজনশীল প্রচেষ্টা। ২০০৭ সালে RTV-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয়। এরপর যমুনা টেলিভিশনে কাজ করে তিনি দেশে প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিংয়ে এনেছেন ভিন্নধর্মী শৈলী ও গভীরতা। বর্তমানে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জনপ্রিয় প্রোগ্রামের ভিজ্যুয়াল পরিচিতি ও ব্র্যান্ডিংয়ের পেছনে কাজ করছেন।

দেবাশীষ দাস শুধু একজন ডিজাইনার নন, তিনি একজন শিক্ষক, গবেষক ও অনুপ্রেরণাদানকারী মেন্টরও। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট-এ মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি হিসেবে কাজ করছেন এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে যুক্ত আছেন। তাঁর শিক্ষাদান কেবল সফটওয়্যার নির্ভর নয়, বরং নান্দনিকতা, স্টোরিটেলিং ও ব্র্যান্ড মনস্তত্ত্ব&mdash;সব মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ ভিজ্যুয়াল কনসেপ্ট তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সক্ষম করে তুলছেন।

সম্প্রতি তিনি ছিলেন &lsquo;For a Better, Greener Earth&rsquo; আন্তর্জাতিক মোশন গ্রাফিক্স প্রতিযোগিতার বিচারক, যেখানে তিনি আন্তর্জাতিক মানের কাজ মূল্যায়ন করেন ও তরুণ ডিজাইনারদের মূল্যবান পরামর্শ দেন। একজন বাংলাদেশি হিসেবে এমন বৈশ্বিক পরিসরে বিচারকের আসনে বসা নিঃসন্দেহে দেশের জন্য গর্বের বিষয়।

গ্রাফিক ডিজাইনের বাইরে তিনি কাজ করছেন প্রকাশনা শিল্পেও। প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন তিনি এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে। তাঁর কাজগুলোতে দেখা যায় রঙের সংযমী ব্যবহার, আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন, টাইপোগ্রাফির সূক্ষ্মত্ব এবং আবেগময় থিমের উপস্থিতি।

সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হচ্ছে, শুধু ডিজাইন আর শিক্ষার মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি দেবাশীষ দাস। তিনি যোগব্যায়াম ও মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব নিয়েও কাজ করছেন। সম্প্রতি তিনি যোগা ও মেডিটেশন নিয়ে বেশ কয়েকটি সেমিনার পরিচালনা করেছেন, যেখানে প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে মানসিক প্রশান্তি ফিরিয়ে আনার উপায় নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁর মতে, সৃজনশীল কাজের জন্য মন ও শরীর দুটোই সুস্থ রাখা জরুরি, এবং সেই লক্ষ্যে তিনি নিয়মিত চর্চা করেন ধ্যান ও যোগব্যায়াম&mdash;এবং অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করছেন।

&lsquo;বঙ্গ গৌরব সম্মান (আন্তর্জাতিক)&rsquo; প্রাপ্তি কেবল একটি পদক নয়&mdash;এটি তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম, শিল্পমনা দৃষ্টিভঙ্গি এবং আন্তর্জাতিক মানের নেতৃত্বের একটি অনন্য স্বীকৃতি। বাংলাদেশের ডিজিটাল শিল্প, মিডিয়া ব্র্যান্ডিং ও সুস্থ জীবনের দর্শনে তাঁর প্রতিটি অর্জন আজ নতুন প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 Aug 2025 06:17:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস পেলেন দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112648" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112648</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা, ২ আগস্ট ২০২৫ &mdash; দেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র দেবাশীষ দাস এবার অর্জন করলেন দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫। &lsquo;সৃজনশীল ব্র্যান্ডিংয়ে আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব&rsquo; ক্যাটাগরিতে তাঁকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

এই গৌরবময় অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় ২ আগস্ট শনিবার, বিকাল ৩টায়, ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ কচি-কাঁচা মিলনায়তনে। আয়োজন করে সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদ, যার মূল বার্তা ছিল &lsquo;সাহিত্য হোক সার্বজনীন&rsquo;। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ আরাফাতুর রহমান অ্যাপেল, চেয়ারম্যান, ইন্সপিরিয়াম গ্লোবালিটি লিমিটেড, ডিরেক্টর, প্রেসক্লাব ক্লাব লিমিটেড।

অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যেখানে ছিল আবৃত্তি, গান, নাচ, নাটিকা সহ নানা সৃজনশীল আয়োজন। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল Global Voice 24, যারা অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারে ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই সম্মাননা প্রাপ্তির মাধ্যমে দেবাশীষ দাস তাঁর পেশাগত জীবনের এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন। এর আগে তিনি স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; হিসেবে সম্মাননা পান, যা ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং ও প্রোগ্রাম গ্রাফিক্সে তাঁর সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

এছাড়া, ২৬ মে ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ তিনি ভূষিত হন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; খেতাবে। সেই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানে মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টেলিভিশন।

২০২৪ সালে তিনি পেয়েছেন &lsquo;Best in Brand Communication&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান Laser Treat, ডিজিটাল মিডিয়া ও ব্র্যান্ডিংয়ে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানে যুক্ত থেকে দেশের বিভিন্ন প্রোগ্রামের ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে এনেছেন বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য। তাঁর কাজের মধ্যে রঙের ভারসাম্য, মুভমেন্ট, সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশন এবং টাইপোগ্রাফির নিখুঁত ব্যবহার আজও বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিংয়ের এক মানদণ্ড।

শুধু ডিজাইনার নন, তিনি একজন প্রশিক্ষকও। তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি হিসেবে এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে শিক্ষাদানে যুক্ত রয়েছেন।

তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৭ সালে RTV-তে, এরপর যমুনা টেলিভিশনে কাজ করে ২০০৯&ndash;২০১১ পর্যন্ত নতুন ধারার মোশন গ্রাফিক্সের সূচনা করেন। পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশের বই প্রকাশনা শিল্পেও ভূমিকা রেখেছেন, দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করে।

দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ নিঃসন্দেহে দেবাশীষ দাসের সৃজনশীল যাত্রার এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 Aug 2025 12:23:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন ‘বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪’ সম্মাননা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112310" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112310</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ও ভিজ্যুয়াল ডিজাইনের জগতে আরও একটি গৌরবময় পালক যুক্ত হলো দেবাশীষ দাস-এর মুকুটে। ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট।

গত রবিবার উত্তরাতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে লেজার ট্রিট&ndash;এর কর্ণধার এবং বিশিষ্ট উদ্যোক্তা ড. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম দেবাশীষ দাসের হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন। জমকালো এই আয়োজনে অংশ নেন দেশের বিশিষ্ট ব্র্যান্ড এক্সপার্ট, কর্পোরেট নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

লেজার ট্রিট&ndash;এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেবাশীষ দাস শুধুমাত্র গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে নয়&mdash;একজন ব্র্যান্ড স্টোরিটেলার হিসেবে যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা তাঁকে করেছে বিশেষভাবে আলাদা। একজন ডিজাইনার কীভাবে ব্র্যান্ডের ভিজ্যুয়াল ভাষা ও আবেগের গল্প বলতে পারেন&mdash;দেবাশীষ দাস তার অনন্য উদাহরণ।

দেবাশীষ দাস তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টেলিভিশন প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল কনটেন্ট কমিউনিকেশন, এবং মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে যে ধরণের অভিনবত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি এনেছেন, তা আজ ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনের একটি নতুন মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে।

দেবাশীষ দাস বাংলাদেশের টেলিভিশন মোশন গ্রাফিক্স ও সম্প্রচার প্রযুক্তির অগ্রদূতদের একজন। টেলিভিশনের পর্দায় মোহনীয় গ্রাফিক্স আর বাস্তবসম্মত সৃজনশীলতার পেছনে থাকা এক নিরব কারিগর তিনি। ২০০৭ সালে আরটিভিতে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও, দ্রুতই তিনি যমুনা টিভি এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের মতো শীর্ষস্থানীয় চ্যানেলে সৃজনশীল নেতৃত্ব দেখিয়েছেন।

বর্তমানে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনে ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স) পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তিনি শুধুমাত্র টেলিভিশন শিল্পের সাথেই যুক্ত নন&mdash;দীর্ঘদিন ধরে তিনি মোশন গ্রাফিক্স ও অ্যানিমেশন বিষয়ক শিক্ষকতা করে আসছেন।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও ফটোগ্রাফি বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতা করেন, যেখানে তিনি ফটোগ্রাফি, চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন এবং সাংবাদিকতা বিষয়ক পাঠদান করে থাকেন।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

বাংলাদেশের টেলিভিশন সম্প্রচার শিল্পে রিয়েল-টাইম গ্রাফিক্স, অগমেন্টেড রিয়্যালিটি এবং ভার্চুয়াল সেট প্রযুক্তির প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি যোগ করেছেন এক নতুন মাত্রা। পুরস্কার পেয়ে দেবাশীষ দাস জানান, এ ধরনের স্বীকৃতি কাজের ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহ জোগায়, তেমনি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়।

আজও দেবাশীষ দাস নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণার মাধ্যমে মিডিয়া ও সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি কেবল একজন ব্রডকাস্ট গ্রাফিক্স বিশেষজ্ঞ নন&mdash;তিনি এক পথপ্রদর্শক, ভবিষ্যৎ নির্মাতা এবং বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি।

&ldquo;লেজার ট্রিট-এর বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক হিসেবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 14 Jul 2025 04:42:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন ‘বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪’ সম্মাননা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112310" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112310</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ও ভিজ্যুয়াল ডিজাইনের জগতে আরও একটি গৌরবময় পালক যুক্ত হলো দেবাশীষ দাস-এর মুকুটে। ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট।

গত রবিবার উত্তরাতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে লেজার ট্রিট&ndash;এর কর্ণধার এবং বিশিষ্ট উদ্যোক্তা ড. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম দেবাশীষ দাসের হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন। জমকালো এই আয়োজনে অংশ নেন দেশের বিশিষ্ট ব্র্যান্ড এক্সপার্ট, কর্পোরেট নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

লেজার ট্রিট&ndash;এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেবাশীষ দাস শুধুমাত্র গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে নয়&mdash;একজন ব্র্যান্ড স্টোরিটেলার হিসেবে যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা তাঁকে করেছে বিশেষভাবে আলাদা। একজন ডিজাইনার কীভাবে ব্র্যান্ডের ভিজ্যুয়াল ভাষা ও আবেগের গল্প বলতে পারেন&mdash;দেবাশীষ দাস তার অনন্য উদাহরণ।

দেবাশীষ দাস তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টেলিভিশন প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল কনটেন্ট কমিউনিকেশন, এবং মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে যে ধরণের অভিনবত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি এনেছেন, তা আজ ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনের একটি নতুন মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে।

দেবাশীষ দাস বাংলাদেশের টেলিভিশন মোশন গ্রাফিক্স ও সম্প্রচার প্রযুক্তির অগ্রদূতদের একজন। টেলিভিশনের পর্দায় মোহনীয় গ্রাফিক্স আর বাস্তবসম্মত সৃজনশীলতার পেছনে থাকা এক নিরব কারিগর তিনি। ২০০৭ সালে আরটিভিতে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও, দ্রুতই তিনি যমুনা টিভি এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের মতো শীর্ষস্থানীয় চ্যানেলে সৃজনশীল নেতৃত্ব দেখিয়েছেন।

বর্তমানে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনে ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স) পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তিনি শুধুমাত্র টেলিভিশন শিল্পের সাথেই যুক্ত নন&mdash;দীর্ঘদিন ধরে তিনি মোশন গ্রাফিক্স ও অ্যানিমেশন বিষয়ক শিক্ষকতা করে আসছেন।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও ফটোগ্রাফি বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতা করেন, যেখানে তিনি ফটোগ্রাফি, চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন এবং সাংবাদিকতা বিষয়ক পাঠদান করে থাকেন।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

বাংলাদেশের টেলিভিশন সম্প্রচার শিল্পে রিয়েল-টাইম গ্রাফিক্স, অগমেন্টেড রিয়্যালিটি এবং ভার্চুয়াল সেট প্রযুক্তির প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি যোগ করেছেন এক নতুন মাত্রা। পুরস্কার পেয়ে দেবাশীষ দাস জানান, এ ধরনের স্বীকৃতি কাজের ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহ জোগায়, তেমনি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়।

আজও দেবাশীষ দাস নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণার মাধ্যমে মিডিয়া ও সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি কেবল একজন ব্রডকাস্ট গ্রাফিক্স বিশেষজ্ঞ নন&mdash;তিনি এক পথপ্রদর্শক, ভবিষ্যৎ নির্মাতা এবং বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি।

&ldquo;লেজার ট্রিট-এর বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক হিসেবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 14 Jul 2025 04:42:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন  সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112311" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112311</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আরও একটি গর্বের মুহূর্ত যুক্ত হলো বাংলাদেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স জগতে। মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে দীর্ঘদিনের সৃজনশীল পথচলার স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হয়েছেন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়।

২৬ মে ২০২৫, সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত হয় এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দুই প্রতিষ্ঠান&mdash;Green Leaf ও World of Unity&mdash;এর যৌথ আয়োজনে গুণীজনদের স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত হয় এই মর্যাদাপূর্ণ আসর। দেবাশীষ দাসের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টিভি।

দেবাশীষ দাস, বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশন-এর গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কর্মরত থেকে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।
দেবাশীষ দাসের ডিজাইন দর্শন শুধু টেকনিক্যাল দিকেই সীমাবদ্ধ নয়&mdash;তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূলভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন। টেলিভিশনের ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।
মাছরাঙা টেলিভিশন&ndash;এর বহু আলোচিত অনুষ্ঠান যেমন ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে এক পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও তিনি শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে যুক্ত রয়েছেন সমানভাবে। তিনি পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট-এ ২০১৮ সাল থেকে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ারের সূচনা হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশন-এ কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 13 Jul 2025 07:00:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন  সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112311" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112311</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আরও একটি গর্বের মুহূর্ত যুক্ত হলো বাংলাদেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স জগতে। মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে দীর্ঘদিনের সৃজনশীল পথচলার স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হয়েছেন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়।

২৬ মে ২০২৫, সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত হয় এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দুই প্রতিষ্ঠান&mdash;Green Leaf ও World of Unity&mdash;এর যৌথ আয়োজনে গুণীজনদের স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত হয় এই মর্যাদাপূর্ণ আসর। দেবাশীষ দাসের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টিভি।

দেবাশীষ দাস, বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশন-এর গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কর্মরত থেকে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।
দেবাশীষ দাসের ডিজাইন দর্শন শুধু টেকনিক্যাল দিকেই সীমাবদ্ধ নয়&mdash;তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূলভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন। টেলিভিশনের ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।
মাছরাঙা টেলিভিশন&ndash;এর বহু আলোচিত অনুষ্ঠান যেমন ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে এক পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও তিনি শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে যুক্ত রয়েছেন সমানভাবে। তিনি পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট-এ ২০১৮ সাল থেকে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ারের সূচনা হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশন-এ কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 13 Jul 2025 07:00:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বছরের সেরা ডিজিটাল ব্রান্ডিং লিডার সম্মাননা অর্জন করলেন দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112478" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112478</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং জগতে সৃজনশীল নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেছেন।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা মিলনায়তনে আয়োজিত এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা সুব্রত চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (BMSS)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান।

এর আগে &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়। ২৬ মে ২০২৫, রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত সেই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টেলিভিশন।

এছাড়া ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট। এই পুরস্কারও তাঁর বহুমাত্রিক সক্ষমতার আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কাজ করে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।

তাঁর ডিজাইন দর্শন শুধুই টেকনিক্যাল নয়&mdash;তাঁর কাজে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূল ভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন ফুটে ওঠে। ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।

মাছরাঙা টেলিভিশনের ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে একটি পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশনে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে এক মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও দেবাশীষ দাস শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে সমানভাবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশনে কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন দেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; এবং &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে দুটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য নিঃসন্দেহে এক অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 12 Jul 2025 08:44:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বছরের সেরা ডিজিটাল ব্রান্ডিং লিডার সম্মাননা অর্জন করলেন দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112478" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112478</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং জগতে সৃজনশীল নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেছেন।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা মিলনায়তনে আয়োজিত এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা সুব্রত চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (BMSS)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান।

এর আগে &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়। ২৬ মে ২০২৫, রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত সেই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টেলিভিশন।

এছাড়া ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট। এই পুরস্কারও তাঁর বহুমাত্রিক সক্ষমতার আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কাজ করে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।

তাঁর ডিজাইন দর্শন শুধুই টেকনিক্যাল নয়&mdash;তাঁর কাজে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূল ভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন ফুটে ওঠে। ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।

মাছরাঙা টেলিভিশনের ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে একটি পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশনে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে এক মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও দেবাশীষ দাস শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে সমানভাবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশনে কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন দেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; এবং &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে দুটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য নিঃসন্দেহে এক অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 12 Jul 2025 08:44:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং লিডার দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112481" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112481</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের অন্যতম সৃজনশীল টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ দেবাশীষ দাস সম্প্রতি পাঠশালা &ndash; সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা &ldquo;মোশন গ্রাফিক্স কনটেস্ট ২০২৫&rdquo;-এ বিচারক (জুরি মেম্বার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান পাঠশালার ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার থিম ছিল &ldquo;ফর এ বেটার গ্রিনার আর্থ&rdquo;।

বাংলাদেশসহ আরও চারটি দেশ থেকে প্রতিযোগীদের জমা পড়া কাজ বিচার ও মূল্যায়নের জন্য দেবাশীষ দাস নির্বাচিত হন তাঁর দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ও জাতীয়-আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে। বিচারক প্যানেলের সদস্য হিসেবে তাঁর সঙ্গে ছিলেন এস কে মনোয়ার নাহিদ ও মোহাম্মদ জাকারিয়া। প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন মোঃ সাদিকুর রহমান, দ্বিতীয় স্থান মাহবুবা, এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন শঙ্কু দত্ত। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন পাঠশালার প্রিন্সিপাল খ ম হারুন। প্রতিযোগিতার পুরস্কার &zwj;ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ৫ জুলাই ২০২৫, ঢাকার দ্রিকপাঠ ভবন, ১৬ শুক্রাবাদ, পান্থপথ-এ।

অনুষ্ঠানে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ দেবাশীষ দাসের হাতে বিশেষ ক্রেস্টও তুলে দেন খ ম হারুন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দেওয়া আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিপত্রে বলা হয়&mdash; &ldquo;গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং শিল্পে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেবাশীষ দাসের অসামান্য অবদান, সৃজনশীল নেতৃত্ব এবং শিক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণ বিবেচনায় তাঁকে বিচারক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তাঁর উপস্থিতি প্রতিযোগিতাকে উচ্চ মান ও পেশাদারিত্বে সমৃদ্ধ করেছে।&rdquo;

টেলিভিশন ও ডিজিটাল গ্রাফিক্সে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেবাশীষ দাস সম্প্রতি পেয়েছেন &ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ &lsquo;ডিজিটাল ব্রান্ডিং অফ দ্যা ইয়ার&rsquo; সম্মাননা। এর আগে তিনি ভূষিত হয়েছেন &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; পুরস্কারে। পাশাপাশি, তিনি পেয়েছেন &ldquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ২০২৪&rdquo; পুরস্কার, যা প্রদান করে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট।

বর্তমানে তিনি মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালায় মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করে আসছেন। ২০১১ সাল থেকে মাছরাঙ্গা-তে কর্মরত দেবাশীষ দাস নিজস্ব শৈলী ও গ্রাফিক্স নির্মাণ কৌশলের মাধ্যমে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিংয়ে এনেছেন অভিনবত্ব ও দর্শনভিত্তিক পরিচিতি। তাঁর ডিজাইন দর্শন শুধু প্রযুক্তিভিত্তিক নয়, বরং প্রতিটি প্রোগ্রামের আবেগ ও ভাবনার নিখুঁত চিত্রায়নও তিনি সফলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

নাটক, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন কিংবা বিশেষ দিবসের আয়োজনে তাঁর গ্রাফিক্স ব্র্যান্ডিং আজ দর্শকদের চোখে পেশাদারিত্বের প্রতিচ্ছবি। টাইমিং সেন্স, মুভমেন্ট সিনক্রোনাইজেশন, ফন্ট ও রঙ ব্যবহারে তাঁর সূক্ষ্মতা দেশের ডিজাইন জগতে তৈরি করেছে এক অনন্য মানদণ্ড।

শুধু ডিজাইনার হিসেবেই নয়, তিনি একজন শিক্ষাক ও প্রশিক্ষক হিসেবেও সুপরিচিত। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পাঠশালায় মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করছেন।

তাঁর দীর্ঘ ১৭ বছরের কর্মজীবনের সূচনা হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে। পরে যমুনা টেলিভিশনে (২০০৯-২০১১) তাঁর কাজ মোশন গ্রাফিক্সে এনে দেয় কনসেপ্টচিন্তাশীলতা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি। সেই ধারাবাহিকতাতেই তিনি আজ দেশের ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং জগতে একটি শীর্ষস্থানীয় নাম।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও দেবাশীষ দাস বই প্রকাশনা শিল্পে কাজ করেছেন দীর্ঘ সময় ধরে। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন বহু খ্যাতিমান লেখকের সঙ্গে।

এই বিচারকের স্বীকৃতি ও সাম্প্রতিক সম্মাননাগুলো তাঁর জন্য যেমন গর্বের, তেমনি আগামী প্রজন্মের ডিজাইনারদের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর। ডিজাইনের মাধ্যমে ব্র্যান্ড কনসেপ্ট নির্মাণে তাঁর ভাবনা ও নেতৃত্ব বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও উচ্চতর স্থানে নিয়ে যাচ্ছে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 08 Jul 2025 17:27:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘অঞ্জলি লহ মোর’ ভাস্কর্যটি ভাঙা হচ্ছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112367" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112367</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভেঙে ফেলা হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের &lsquo;অঞ্জলি লহ মোর&rsquo; ভাস্কর্যটি। ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছিলো বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ ভবন এবং পুরাতন কলা অনুষদ ভবনের মাঝামাঝি পুকুরের অংশে।

একজন নারী দুহাত সংযুক্ত করে অঞ্জলি দিচ্ছে, ম্যুরালটি সেই ভাবনা বহন করতো। যেটি দেশের প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী, নৃত্যপরিচালক, নৃত্য প্রশিক্ষক ও অভিনেত্রী মুনমুন আহমেদের হাতের ছবি থেকে করেছিলেন ভাস্কর্যবিদ মনিন্দ্র পাল।

ম্যুরাল ভাঙার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে মুনমুন আহমেদ নিজেই লিখেছেন, &lsquo;&lsquo;খুবই দুঃখজনক, এই মুহূর্তে সেটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যুরাল &lsquo;অঞ্জলি লহ মোর&rsquo;! যেটি আমার হাতের ছবি থেকে করা হয়েছিল। এটি ভাস্কর্যবিদ মনিন্দ্র পাল করেছিলেন।&rsquo;&rsquo;

সেই পোস্টের কমেন্ট ঘরে সংগীতশিল্পী-অভিনেতা পান্থ কানাই লিখেছেন, &lsquo;থামাবে তো পরের কথা, কেও প্রতিবাদও করবে না। দেখেন সব সেলিব্রিটি চিল্পিরা চুপ মাইরা গেছে। দেখেন দেখেন।&rsquo;

একজন জানতে চেয়েছেন, &lsquo;কেন ভেঙে ফেলা হচ্ছে?&rsquo; সেই প্রশ্নের জবাবে মুনমুন লিখেছেন, &lsquo;দেশে কোন ভাস্কর্য থাকতে দেয়া হবে না!&rsquo; একজন লিখেছেন, &lsquo;কি যে শুরু করেছে! এদেশের ইতিহাস শিল্প সংস্কৃতি সব ধ্বংস করে ফেলছে একদল মানুষরূপী দানব। ঘৃণা জানানোর কোন ভাষা নেই।&rsquo; আরেকজন মন্তব্য করেছেন, &lsquo;খুবই দুঃখজনক এবং ক্ষুব্ধ&rsquo;।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৪ কোটি টাকার অধিক ব্যয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুরগুলোর সংস্কার কাজ শুরু হয়। অনুষদ ভবনের সামনের পুকুরটির সৌন্দর্যব বৃদ্ধির জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল ভাস্কর্যটি। তবে ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন মহল ও নতুন প্রশাসনের বিভিন্ন জনের আপত্তির কারণেই ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভাস্কর্যটি স্থাপন করেছিলেন দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের দায়ে অভিযুক্ত তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর।

এ বিষয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালন করা ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে অনেক আগেই ডিনবৃন্দ ও সবাইকে নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিলো। এটা সম্ভবত সেই সিদ্ধান্তের কারণেই হচ্ছে। তখন তো অনেকগুলো বিতর্কিত কর্মকাণ্ড হয়েছিলো, কেউ কেউ ভাস্কর্যটি নিয়ে তীব্রভাবে আপত্তি জানিয়েছিলো। ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

সাননিউজ/ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Jun 2025 09:13:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নজরুলজয়ন্তীতে ৪ গুণীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112342" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112342</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পাবনার ঈশ্বরদীতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নজরুলবিষয়ক চার গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ জুন) রাতে ঈশ্বরদী সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ আয়োজিত নজরুলজয়ন্তী অনুষ্ঠানের সমাপনীতে এই সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

গুণী ব্যক্তিরা হলেন দেশের বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও কবি মজিদ মাহমুদ। তিনি এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। এ ছাড়া নজরুলসংগীতের প্রবীণ ওস্তাদ ও বেতারশিল্পী সালামত হোসেন চৌধুরী রিনা, কুষ্টিয়ার প্রবীণ সংগীতজ্ঞ আমিনুজ্জামান ও শিল্প-সাহিত্যের সংগঠক রফিক সুলায়মান।

রাত ৮টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এই গুণী ব্যক্তিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান কামালের সভাপতিত্বে এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অধ্যাপক আখতার হোসেন, উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাক আহমেদ কিরণ, সদস্যসচিব আশিকুর রহমান লুলু, প্রেসক্লাব সভাপতি আজিজুর রহমান শাহীন, সাহিত্য পরিষদের সম্পাদক এস আলমগীর, সাংবাদিক সেলিম সরদার প্রমুখ।

এর আগে নজরুলের জীবনী নিয়ে অনুষ্ঠিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কবি মজিদ মাহমুদ।

 

সাননিউজ/ইউকে

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 16 Jun 2025 06:26:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিদগ্ধ মহলে গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠছে বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112015" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112015</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২০২৪ সালে প্রয়াত শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতার স্মরণে প্রথমবারের মতো বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করা হয়। ওই বছর পুরস্কারটি পান শিল্পী মিরাজুল জান্নাত সোনিয়া।

চলতি ২০২৫ সালে দ্বিতীয়বারের মতো এ পুরস্কার দেওয়া হয় শিল্পী, শিক্ষক এবং স্বরলিপিকার ড. পরিতোষ মণ্ডলকে। ২০২৬ সালের নির্বাচন প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

এ পুরস্কার বিদগ্ধ মহলে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কারটি প্রদান করছে তারই প্রতিষ্ঠিত সংগঠন প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত (প্রনস)। ২০১৩ সালে এটি প্রথম অনলাইন সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরে বিভিন্ন মিলনায়তনে নজরুল-সঙ্গীতের আয়োজন করার পর সাংস্কৃতিক মহলে সাড়া পড়ে। অনেকেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় প্রনসের কার্যক্রম।

বর্তমানে একটি বিচক্ষণ সাংগঠনিক কমিটির মাধ্যমে অত্যন্ত স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত। বিশিষ্ট শিল্পী করিম হাসান খান এবং সঙ্গীত ভুবনের সুপরিচিত মুখ পারভীন সুলতানার দক্ষ নেতৃত্বে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি। স্মৃতি পুরস্কার চালুর পর নবীন শিল্পীদের মধ্যে নজরুল-সঙ্গীত নিয়ে বাড়তি আগ্রহ দেখা দিয়েছে। যারা ভালো গাইছেন তাদের মধ্যে আরো ভালো করার প্রবণতা জেগেছে।

প্রনসের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিক সুলায়মান জানান, বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কারের জন্য গুণীদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রনসের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক এবং উপদেষ্টা পরিষদের মতামতই চূড়ান্ত।

প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত গ্রুপের সভাপতি কণ্ঠশিল্পী করিম হাসান খান বলেন, &lsquo;বিপাশা গুহঠাকুরতা কেবল একজন উচ্চমানের নজরুল-সঙ্গীত শিল্পীই ছিলেন না; তিনি আমাদের কাছে একটি আবেগের নাম। তার স্মৃতি ধরে রাখার প্রত্যয় থেকে আমরা এই পুরস্কার চালু করেছি। বিপাশার সম্মান এবং পুরস্কারের মান অটুট রাখতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।&rsquo;

সাননিউজ/ইউকে

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 16 May 2025 03:50:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নীলফামারীতে “নৃত্য উৎসব” অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/111960" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/111960</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা নীলফামারী জেলা শাখার আয়োজনে নীলসাগর গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমি নীলফামারীর সহযোগিতায় দুই দিনব্যাপী &ldquo;আন্তঃজেলা নৃত্য প্রতিযোগিতা (রৌপ্য পদক) ২০২৫&rdquo; এবং &ldquo;নৃত্য উৎসব&rdquo; অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৯ মে) তারিখে আন্তঃজেলা নৃত্য প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে এ আয়োজনের সূচনা হয়। রবিবার (১১ মে) তারিখে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য নৃত্য উৎসব। যেখানে দেশের বিভিন্ন জেলার উদীয়মান ও খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।

নৃত্য উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ নৃত্য শিল্পী সংস্থার সহ-সভাপতি নৃত্য গুরুমাতা সেলিনা হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি সুজা উদ্দিন খান (রনি) । সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক দৌলত জাহান ছবি এবং সহযোগিতায় ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার নুঝাত তাবাসসুম রিমু।

মেরিন ইঞ্জিনিয়ার শাহ মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম চৌধুরী, ডোর টু ডোর প্রজেক্ট ইনচার্জ আরঙ্গজেব সুজন, মানবসম্পদ কর্মকর্তা অমিত চাকি, চাঁদেরহাট ডিগ্রী কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আফরোজা বুলবুল নিলা এবং জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী তাসনিম ফৌজিয়া ওপেল।

সভাপতির বক্তব্যে সুজা উদ্দিন খান (রনি) বলেন, &ldquo;নৃত্যশিল্প হলো সংস্কৃতির এক গভীরতম ও প্রাণবন্ত প্রকাশ। এই আয়োজনের মাধ্যমে এই বছর দ্বিতীয় বারের মতো রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার নৃত্যশিল্পীদের একটি মঞ্চ দিতে পেরেছি যেখানে তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, পরিশ্রম ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে পেরেছেন। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা, নীলফামারী জেলা শাখা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আয়োজন করবেন এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং এমন আয়োজনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে। আমি এই উৎসবকে সফল করার জন্য সকল অতিথি, পৃষ্ঠপোষক, অংশগ্রহণকারী শিল্পী ও আয়োজক সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।&rdquo;

আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই উৎসব জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 13 May 2025 11:25:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/111838" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/111838</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশিষ্ট নজরুল-সঙ্গীত শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) তার প্রতিষ্ঠিত সংগঠন প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত (প্রনস) রাজধানীর ধানমণ্ডি ক্লাবে আয়োজন করে আলোচনা সভা, স্মৃতি পুরস্কার বিতরণ এবং সঙ্গীতানুষ্ঠান।

এ বছর বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন শিল্পী, গবেষক এবং স্বরলিপিকার ড. পরিতোষ মণ্ডল। আলোচনায় অংশ নেন গোলাম ফারুক, প্রকৌশলী দিলীপ গুহঠাকুরতা এবং প্রনস প্রধান করিম হাসান খান।

অনুষ্ঠানের শেষ ভাগে ছিলো শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতার স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত নজরুল-সঙ্গীত। পরিবেশন করেন রেবেকা সুলতানা, করিম হাসান খান, পারভীন সুলতানা, ফেরদৌসী রহমান চন্দন, শহীদ কবির পলাশ, নাহীদ মোমেন, তাপসী রায়, বিজন মিস্ত্রী, জুলি শারমিলী, মিরাজুল জান্নাত সোনিয়া, মহুয়া বাবর, নাদিয়া আরেফিন শাওন, মাহমুদুল হাসান এবং পরিতোষ মণ্ডল।

সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত আয়োজিত অনুষ্ঠানটি বিপুল সংখ্যক দর্শক-শ্রোতা উপভোগ করেন।

প্রসঙ্গত, শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতা বাংলাদেশে নজরুল-সংগীত চর্চায় একটি উল্লেখযোগ্য নাম। আশির দশকের শেষ ভাগ থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি একনিষ্ঠভাবে নজরুল সংগীত চর্চায় মগ্ন ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী এই শিল্পী গান শিখেছেন সংগীত ভবন ও নজরুল ইন্সটিটিউট থেকে। তিনি ২০২২ সালে পরপারে পাড়ি জমান।

সাননিউজ/ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 30 Apr 2025 09:34:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২৭ এপ্রিল: শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত এর জন্মদিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/111807" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/111807</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত এর জন্ম ১৮৮১ সালের ২৭ এপ্রিল। শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত, বাংলা সাহিত্যের পাঠক সমাজে দাদাঠাকুর নামেই পরিচিত, ছিলেন একজন বাঙালি কথাশিল্পী ও সাংবাদিক। যিনি মুখে মুখে ছড়া, হেঁয়ালী ও হাস্যকৌতুক রচনা করতেন। তাঁর রচিত নানান হাসির গল্প বাঙলা সাহিত্যের অমর কীর্তি। তাঁর প্রকাশিত বিখ্যাত গ্রন্থ বোতল পুরাণ।

শরচ্চন্দ্রের বংশের আদি নিবাস ছিল অধুনা পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাট মহকুমার নলহাটি থানার অন্তর্গত ধর্মপুরে। সেরা মানুষ শরচ্চন্দ্র গ্রন্থে শরচ্চন্দ্র পণ্ডিতের বংশের পূর্ব-পরিচয় দিতে গিয়ে লেখা হয়েছে-

&ldquo;জেলা বীরভূম রামপুরহাট মহকুমার নলহাটি থানার এলাকায় ধর্মপুর নামে একটি পল্লীগ্রাম আছে৷ ধর্মপুর কাশিমবাজারের দানশীলা রাণী আন্নাকালী দেবীর মহালের অন্তর্গত৷ রাণীমা উক্ত ধর্মপুরের &quot;পণ্ডিত&quot; উপাধিধারী রাঢ়ীশ্রেণী ব্রাহ্মণ বংশের এক গৃহস্থকে গ্রামখানি পত্তনী বন্দোবস্ত দেন৷..&rdquo;

পারিবারিক বিবাদের ফলে শরচ্চন্দ্রের পিতামহ ঈশানচন্দ্র পণ্ডিত তাঁর সাতপুরুষের ভিটেমাটি ত্যাগ করে মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গীপুর মহকুমার দফরপুরে এসে বসবাস শুরু করেন৷ এই দফরপুরই শরচ্চন্দ্রের পৈতৃক বাসস্থান৷

শরচ্চন্দ্র মুর্শিদাবাদ জেলার জঙ্গীপুর মহকুমার দফরপুর গ্রামে বাস করতেন। তাঁর জন্ম মাতুলালয়ে বীরভূম জেলার নলহাটি থানার অন্তর্গত সিমলাদ্দি গ্রামে। পিতা দরিদ্র ব্রাহ্মণ হরিলাল পণ্ডিত। শৈশবেই তিনি পিতা-মাতাকে হারান। কিন্তু তাঁর পিতৃব্য রসিকলাল তাঁকে কোনদিনই তাঁদের অভাব বুঝতে দেন নি। তার স্নেহ-ভালবাসা বেড়ে ওঠা দরিদ্র পরিবারের সন্তান শরৎচ্ন্দ্র জঙ্গিপুর হাইস্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাশ করে বর্ধমান রাজ কলেজে এফ.এ. ক্লাসে ভর্তি হন কিন্তু আর্থিক কারণে পড়া শেষ করতে পারেননি।

জঙ্গীপুরে তিনি অত্যন্ত সাধারণ জীবন যাপন করতেন কিন্তু অত্যন্ত তেজস্বী মানুষ ছিলেন। চারিত্রিক দৃঢ়তায় ছিলেন আধুনিক কালের বিদ্যাসাগর। মাত্র ২১ বৎসর বয়সে ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে &#39;পণ্ডিত প্রেস&#39; নামে একটি হস্তচালিত ছাপাখানা রঘুনাথগঞ্জে স্থাপন করেন তিনি। তাঁর একক প্রচেষ্টায় &#39;জঙ্গীপুর সংবাদ&#39; নামে একটি সাপ্তাহিক সংবাদপত্র প্রকাশ করতে থাকেন। এই পত্রিকা বাংলার বলিষ্ঠ মফস্বল সাংবাদিকতার প্রথম উদাহরণ। পণ্ডিত প্রেসে তিনিই ছিলেন কম্পোজিটর,প্রুফ রিডার, মেশিনম্যান। সমস্ত কিছুই একা হাতে করতেন। পরবর্তীকালে তিনি তাঁর ছাপাখানার বিবরণ দিতে গিয়ে বলতেন -

&quot;আমার ছাপাখানার আমিই প্রোপাইটর, আমি কম্পোজিটর, আমি প্রুফ রিডার, আর আমিই ইঙ্ক-ম্যান। কেবল প্রেস-ম্যান আমি নই। সেটি ম্যান নয় - উওম্যান অর্থাৎ আমার অর্ধাঙ্গিনী। ছাপাখানার কাজে ব্রাহ্মণী আমাকে সাহায্য করেন, স্বামী-স্ত্রীতে আমরা ছাপাখানা চালাই।&quot;

এছাড়া তাঁর প্রকাশিত &#39;বিদুষক&#39;পত্রিকায় বেরতো তাঁর নিজের রচিত নানা হাসির গল্প ও হাস্য কৌতুক। বিদূষক পত্রিকা রসিকজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। দাদাঠাকুর নিজে কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় গিয়ে বিক্রি করতেন এই পত্রিকা। প্রাক স্বাধীনতার সময় কলকাতার রাস্তায় গান গেয়ে &#39;বোতল পুরান&#39; পুস্তিকাটি ফেরি করতে গেলে ব্রিটিশ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে আসে, তাদের জন্য তৎক্ষণাৎ বানিয়ে ইংরেজিতে গান ধরলেন তিনি।

&quot;আই অ্যাম কামিং ফ্রম মুর্শিদাবাদ/ বাট নট ফ্রম বারহাম্ পোর,/হ্যাড আই কাম ফ্রম দ্যাট ভেরি প্লেস/অল মাইট হ্যাভ শাট্ আপ দ্য ডোর,/দে মাইট হ্যাড থট্ দ্যাট্ হ্যাভ কাম/ ফ্রম দ্য ফেমাস অ্যাসাইলাম,/আই অ্যাবোড ইন সাচ এ প্লেস/হুইচ ইজ নাউ ইন ফুল ডিসট্রেস্। .... দ্য ম্যজিস্ট্রেট হ্যাজ ইন্ডেন্টেড মি/টু এন্টারটেন্ ইওর এক্সেলেন্সি।_&quot;

শ্বেতাঙ্গ পুলিশ খালি গা ও খালি পায়ের এমন এক হকারকে ইংরেজিতে গান গাইতে দেখে হতবাক হয়ে যায় এবং শুধু উৎসাহ জোগাতেই আট কপি কিনে নেন। তার কাব্যপ্রতিভা, রসবোধ ও প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব ছিল সহজাত। ইংরেজি ভাষাতে যে প্যালিনড্রোম বা উভমুখী শব্দ আছে সেরকম বাংলায় শব্দ সৃষ্টি করেছেন। হিন্দি ও ইংরেজিতেও কাব্য লিখেছেন তিনি। তার ব্যাঙ্গাত্বক কবিতাগুলি ছিল সমাজের অত্যাচারী কুপ্রথার বিরুদ্ধে জলন্ত প্রতিবাদ স্বরূপ। স্বয়ং নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু তাকে শ্রদ্ধা করতেন।

তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে বিখ্যাত &lsquo;বোতল পুরাণ&rsquo;। তাঁর লেখা হাস্যরসাত্মক গানগুলিও খুবই চিত্তাকর্ষক। বিভিন্ন প্রচলিত গানের প্যারোডি নির্মাণ করে নিজের রঙ্গরসের পরিচয় দিয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কবি অতুলপ্রসাদ সেন -এর লেখা &lsquo;আ-মরি বাংলা ভাষা&rsquo;-র প্যারোডি। সেখানে উনি লেখেন&ndash;

&ldquo;আ-মরি বাংলা ভাষা, তোমার বাঁচার নাইকো আশা।&rdquo;

মদ্যপান উনি পছন্দ করতেন না, কলকাতার মাতাল এবং গঞ্জিকা সেবকদের খোঁচা মেরে তিনি লেখেন, &lsquo;বোতলে বোতলে যা আছে আরাম&rsquo;, &lsquo;মজা করে খাও রে গাঁজা&rsquo; প্রভৃতি ব্যাঙ্গাত্মক গান।

তার জীবন নিয়ে ৬০ এর দশকে একটি ছায়াছবি নির্মিত হয়েছে দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতের জীবিতকালে। নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ছবি বিশ্বাস। এছাড়া অন্যান্য শিল্পীরা হলেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জী, সুলতা চৌধুরী ও তরুণ কুমার। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্যে ছবি বিশ্বাস জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন।

দাদাঠাকুর শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত ১৯৬৮ সালের ২৭ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 27 Apr 2025 06:56:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কার পাচ্ছেন ড. পরিতোষ মণ্ডল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/111792" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/111792</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এ বছর শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কার পাচ্ছেন ড. পরিতোষ মণ্ডল। আগামী ২৯ এপ্রিল বিপাশা গুহঠাকুরতার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে ড. পরিতোষ মণ্ডলের হাতে।

ড. পরিতোষ মণ্ডল একাধারে শিল্পী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং স্বরলিপিকার।

শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতা নজরুল-সঙ্গীতের একজন বিদগ্ধ শিল্পী ও সংগঠক ছিলেন। তার হাতে গড়া সংগঠন প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত (প্রনস) সারা বিশ্বের বাঙালি কমিউনিটিতে সুপরিচিত।

প্রনসের পক্ষ থেকে ২০২৪ থেকে শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে। শিল্পীর প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং তার স্মৃতিকে অমলিন রাখার উদ্দেশ্যে এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়। ওই বছর প্রথমবার পুরস্কারটি পেয়েছিলেন শিল্পী মিরাজুল জান্নাত সোনিয়া। তিনিও একজন গুণী। নজরুল সঙ্গীতের পাশাপাশি উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে নিয়মিত সাধনা চালিয়ে যাচ্ছেন সোনিয়া। তিনি বেঙ্গল পরম্পরার পণ্ডিত উল্লাস কসলকরের একজন প্রিয় শিষ্য।

সাননিউজ/ইউকে

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 26 Apr 2025 08:09:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১৫ এপ্রিল: লেওনার্দো দা ভিঞ্চির জন্মদিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/111715" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/111715</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ ১৫ এপ্রিল ইতিহাসের পাতায় থাকা অনন্য শিল্পকর্ম মোনালিসার স্রষ্টার জন্মদিন। যার নাম লেওনার্দো দা ভিঞ্চি; পুরো নাম লেওনার্দো দি সের পিয়েরো দা ভিঞ্চি। ১৪৫২ সালের ১৫ এপ্রিল ফ্লোরেন্সের ভিঞ্চি নগরের এক গ্রামে জন্ম তাঁর। তিনি ছিলেন একই সঙ্গে চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, প্রকৌশলী। ছিলেন রেনেসাঁ যুগের অন্যতম শিল্পী।

দা ভিঞ্চির শৈল্পিক মেধার বিকাশ ঘটে খুব অল্প বয়সে। আনুমানিক ১৪৬৯ খ্রিস্টাব্দে রেনেসাঁসের অপর বিশিষ্ট শিল্পী ও ভাস্কর আন্দ্রেয়া ভেরোচ্চোর কাছে ছবি আঁকা ভিঞ্চির শিক্ষানবিশী জীবনের সূচনা হয় এবং এ শিক্ষা গুরুর অধীনেই তিনি ১৪৭৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষত চিত্রাঙ্কনে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন। এর আগে ১৪৭২ সালেই তিনি চিত্রশিল্পীদের সংঘে যোগ দেন এবং এসময় থেকেই তার চিত্রকর জীবনের সূচনা হয়।

১৪৭৮ সাল থেকে ১৫১৬-১৭ ও ১৫১৯ সাল অর্থাৎ মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্রসারিত এবং বিভিন্ন পর্বে বিভক্ত, এক দীর্ঘ ও অক্লান্ত কর্ম সাধনার জীবন তার। গির্জা ও রাজপ্রাসাদের দেয়ালে চিত্রাঙ্কন এবং রাজকীয় ব্যক্তিবর্গের ভাস্কর্য নির্মাণের পাশাপাশি বেসামরিক এবং সামরিক প্রকৌশলী হিসাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান জ্ঞানের প্রয়োগ, অঙ্গ ব্যবচ্ছেদবিদ্যা, জীববিদ্যা, গণিত ও পদার্থবিদ্যার মতো বিচিত্র সব বিষয়ের ক্ষেত্রে তিনি গভীর অনুসন্ধিৎসা প্রদর্শন করেন এবং মৌলিক উদ্ভাবনী শক্তির পরিচয় দেন।

আনুমানিক ১৪৮২ সালে তিনি মিলান গমন করেন এবং সেখানে অবস্থানকালে তার বিখ্যাত দেয়াল চিত্র দ্য লাস্ট সাপার অঙ্কন করেন। আনুমানিক ১৫০০ সালে তিনি ফ্লোরেন্স ফিরে আসেন এবং সামরিক বিভাগে প্রকৌশলী পদে নিয়োগ লাভ করেন। এই সময়েই তিনি তার বিশ্বখ্যাত চিত্রকর্ম মোনালিসা অঙ্কন করেন। জীবনের শেষকাল তিনি ফ্রান্সে কাটান।

অনেক ঐতিহাসিক ও পণ্ডিত লিওনার্দোকে &quot;ইউনিভার্সাল প্রতিভা&quot; বা &quot;রেনেসাঁ মানব&quot; আখ্যা দিয়েছেন।

সাননিউজ/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 16 Apr 2025 08:22:54 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
