<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>https://www.sunnews24x7.com/feed/arts</id>
                                <link href="https://www.sunnews24x7.com/feed/arts"></link>
                                <title><![CDATA[Sunnews arts Feed]]></title>
                                <description>Sunnews Latest arts News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 21 Jun 2026 06:20:44 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[আজ কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’র মৃত্যুবার্ষিকী ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/115546" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/115546</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&lsquo;ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো&rsquo; গানের স্রষ্টা তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ৩৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মারা যান তিনি। মৃত্যুর দীর্ঘ ৩৩ বছর পর ২০২৪ সালে কবি একুশে পদকে ভূষিত হন।
রবিবার (২১ জুন) দিনটির স্মরণে রুদ্র স্মৃতি সংসদ, কবির গ্রামের বাড়ি মোংলার মিঠেখালিতে সকাল ৯টায় শোভাযাত্রা সহকারে সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, মিলাদ মাহফিল এবং দোয়ার আয়োজন করেছে। সকাল ১০টায় মিঠেখালী রুদ্রের বাড়িতে স্বরনসভার আয়োজন করা হয়েছে। স্মরনসভা শেষে রুদ্রের কবিতা ও গান পরিবেশিত হবে।
অকাল প্রয়াত এই কবি তার কাব্যযাত্রায় যুগপৎ ধারণ করেছেন দ্রোহ ও প্রেম, স্বপ্ন ও সংগ্রামের শিল্পভাষ্য। &lsquo;জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরোনো শকুন&rsquo; এই নির্মম সত্য অবলোকনের পাশাপাশি ততোধিক স্পর্ধায় তিনি উচ্চারণ করেছেন &lsquo;ভুল মানুষের কাছে নতজানু নই&rsquo;। যাবতীয় অসাম্য, শোষণ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে অনমনীয় অবস্থান তাঁকে পরিণত করেছে &lsquo;তারুণ্যের দীপ্ত প্রতীক&rsquo;-এ। একই সঙ্গে তাঁর কাব্যের আরেক প্রান্তর জুড়ে রয়েছে স্বপ্ন, প্রেম ও সুন্দরের মগ্নতা। দেশ ও জাতির সংকটে রুদ্রের কবিতা হয়ে উঠেছে তারুণ্যের হাতিয়ার।
মাত্র ৩৫ বছরের (১৯৫৬-১৯৯১) স্বল্পায়ু জীবনে তিনি সাতটি কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও গল্প, কাব্যনাট্য এবং &lsquo;ভালো আছি ভালো থেকো&rsquo; সহ অর্ধ শতাধিক গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন। পরবর্তীকালে এ গানটির জন্য তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি প্রদত্ত ১৯৯৭ সালের শ্রেষ্ঠ গীতিকারের (মরণোত্তর) সম্মাননা লাভ করেন।&lsquo;উপদ্রুত উপকূল&rsquo; ও &lsquo;ফিরে চাই স্বর্নগ্রাম&rsquo; কাব্যগ্রন্থ দুটির জন্য &lsquo;সংস্কৃতি সংসদ&rsquo; থেকে পরপর দু&rsquo;বছর &lsquo;মুনীর চৌধুরী সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেন।
প্রসঙ্গত, মাত্র ৩৫ বছরের নাতিদীর্ঘ জীবন-সীমায় রুদ্র রচনা করেন সাতটি কাব্যগ্রন্থ-&lsquo;উপদ্রুত উপকূল&rsquo; (১৯৭৯), &lsquo;ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম&rsquo; (১৯৮১), &lsquo;মানুষের মানচিত্র&rsquo;(১৯৮৪), &lsquo;ছোবল&rsquo; (১৯৮৭), &lsquo;গল্প&rsquo; (১৯৮৭) &lsquo;দিয়েছিলে সকল আকাশ&rsquo; (১৯৮৮) এবং &lsquo;মৌলিক মুখোশ&rsquo;(১৯৯০)। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী পরিস্থিতিকে অবলম্বন করে তিনি &lsquo;বিষ বিরিক্ষের বীজ&rsquo; নামে একটি কাব্যনাট্যও রচনা করেন। এছাড়া তিনি বেশ কিছু গল্প লিখেছেন।
তার রচিত ও সুরারোপিত &lsquo;ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো&rsquo;- গানটি দুই বাংলায় অসম্ভব জনপ্রিয়। ১৯৮৭ সালে তসলিমা নাসরীনের সাথে বিচ্ছেদের পর মোংলায় বসে তিনি এ গানটি রচনা ও সুরারোপ করেন। পরবর্তীকালে এ গানটির জন্য তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি প্রদত্ত ১৯৯৭ সালের শ্রেষ্ঠ গীতিকারের (মরণোত্তর) সম্মাননা লাভ করেন। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেন।
সান নিউজ/আরাফাত]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Jun 2026 06:20:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাদারিপুরে ৫০০ শিক্ষার্থীর মাঝে বই বিতরণ ও কুইজ প্রতিযোগিতা ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115382" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/115382</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিকাশ লিমিটেডের আর্থিক সহায়তায় ১৫ জুন সোমবার স্কুল পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের জাতীয় ভিত্তিক উৎকর্ষ (বইপড়া) কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ও বই বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীদের মাঝে একটি কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে মূল আলোচনা সভা শেষে কুইজে বিজয়ী ৪০ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার হিসেবে আকর্ষণীয় বই ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

​বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন সচিব ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ মর্জিনা আক্তার।
​অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মাদারীপুর শাখার সংগঠক লিখন মাহমুদ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি মিলন সব্যসাচী এবং বিকাশ লিমিটেডের ভিপি এন্ড হেড অব রেগুলেটরি এন্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স হুমায়ূন কবির।

অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন হারুনুর রশীদ, সোহেল হায়দার, সহকারী পরিচালক , মাদারীপুরের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক সুবল বিশ্বাস, এম জাহাঙ্গীর আলম, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসহ বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মাদারিপুর শাখা সমন্বয়কারী বৃন্দ - বিধান চন্দ্র, মেহেদী হাসান সজল, আলভী নাহিয়ান আবৃত, ইউসুফ মাহমুদ দূর্জয় উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মাদারীপুর সদর উপজেলার ৫টি নির্বাচিত (বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, আলহাজ আমিনউদ্দিন হাই স্কুল, ডনোভান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, জেলা প্রশাসন স্কুল এন্ড কলেজ, এবং জুলিও কুরী উচ্চ বিদ্যালয়) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থীর প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল।

সান নিউজ/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 16 Jun 2026 12:08:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খুশির এক টুকরো আলো]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/115302" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/115302</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চন্দ্রিমা উদ্যানের বিকেল ​দিনটা ছিল আর দশটা দিনের মতোই সাধারণ। এক বিকেলে একা একা মনটা কেমন যেন করছিল, তাই নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘুরতে গেলাম চন্দ্রিমা উদ্যানে। পার্কের পাশে রাস্তা ঘেঁষে গাড়িটা বামে চাপিয়ে রাখলাম। হঠাৎ করেই ফুচকা খাওয়ার খুব ইচ্ছে হলো, তাই গাড়ি থেকে নেমে ফুচকার অর্ডার দিলাম।

​ফুচকা তৈরি হতে হতে আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চারপাশের পরিবেশটা দেখছিলাম। চারদিকের সবুজ গাছপালা আর বিকেলের হালকা মিষ্টি বাতাস মনের ভেতর এক অদ্ভুত শান্তি এনে দিচ্ছিল। একা একা ঘুরতে আসলেও একটুও খারাপ লাগছিল না, বরং প্রকৃতির এই পরিবেশটা বেশ উপভোগ করছিলাম। এমন সময় চটপটি বিক্রেতা প্লেটটা হাতে নিয়ে বেশ আদর করে বলল, &quot;ম্যাডাম, এই নিন আপনার ফুচকা।&quot;
​আমি এক কোণে বসে একা একা ফুচকা খাচ্ছিলাম। ঠিক তখনই কোথা থেকে এক ফুটফুটে ছোট্ট মেয়ে এসে আমার সামনে দাঁড়াল। তার হাতে ফুলের মালা। মেয়েটি মায়াবী চোখে আমার দিকে তাকিয়ে নরম গলায় বলল, &quot;আপা, ফুল কিনবেন, ফুল?&quot;
​আমি মেয়েটির দিকে তাকালাম। তার নিষ্পাপ মুখের দিকে তাকিয়ে আমার খুব মায়া লাগল। আমি বললাম, &quot;দাঁড়াও, নিব।&quot;
​কথাটা বলে আমি আবার ফুচকা খেতে লাগলাম। কিন্তু মেয়েটি ওখানেই দাঁড়িয়ে খুব আগ্রহ নিয়ে আমার ফুচকা খাওয়া দেখছিল। ওর তাকানো দেখে আমার মনে হলো ও হয়তো ক্ষুধার্ত। আমি হঠাৎ করেই জিজ্ঞেস করলাম, &quot;ফুচকা খাবে?&quot;
​মেয়েটি চটপট উত্তর দিল, &quot;দিলে খামু, আর না দিলে খামুনা।&quot;


​ওর এমন সহজ আর স্পষ্ট কথা শুনে আমার মুখে জোরে একটা হাসি চলে এলো। আমি হেসে ফেলে বললাম, &quot;বাহ্&zwnj;! দিলে খাবে আর না দিলে খাবে না!&quot;
​আমি প্লেট থেকে একটা ফুচকা ওর হাতে তুলে দিলাম। মেয়েটি বেশ আনন্দ নিয়ে ওটা খেল। খাওয়া শেষ হতেই ও আবার জিজ্ঞেস করল, &quot;আপা, ফুল কিনবেন না?&quot;
​আমি অভয় দিয়ে বললাম, &quot;নিব তো, তুমি একটু দাঁড়াও। আমি আগে খেয়ে নেই।&quot;
​আমি ওকে আরও একটা ফুচকা দিলাম। ওটাও ও বেশ তৃপ্তি করে খেল। কিন্তু খাওয়া শেষ করেই আবারও একই প্রশ্ন, &quot;আপা, ফুল নিবেন না?&quot;
​এবার আমি একটু ভালোবেসে ওকে বললাম, &quot;একবার যখন বলেছি নিব, তারপর আর কোনো কথা আছে মা? তুমি একটু দাঁড়াও।&quot;
​পরে ওর মনের অবস্থাটা বুঝতে পেরে আমার নিজেরই খুব খারাপ লাগল। আসলে ও মনে মনে ভয় পাচ্ছিল&mdash;আমি যদি ওকে ফুচকা খাইয়ে শেষ পর্যন্ত ফুল না কিনে চলে যাই! ছোট্ট মনের এক অদ্ভুত ভয়।

​ খুশির জীবনের গল্প
​ফুচকা খাওয়া শেষ করে আমি ফুচকার বিল দিয়ে দিলাম। তারপর ফুল বিক্রেতা মেয়েটিকে ডেকে বললাম, &quot;তোমার ফুলের মালার দাম কত?&quot;
​ও বলল, &quot;২০ টাকা।&quot;
​আমি ব্যাগ থেকে একটা ৫০ টাকার একটা নোট বের করে ওর হাতে দিলাম। মেয়েটি নোটটা হাতে নিয়ে বলল, &quot;আপা, আমার কাছে তো টাকা ভাংতি নেই।&quot;

​আমি হেসে বললাম, &quot;তোমাকে ফেরত দিতে হবে না, তুমি পুরো টাকাটা নিয়ে যাও।&quot;
​২০ টাকার জায়গায় একবারে ৫০ টাকা পেয়ে মেয়েটার মুখে যে কী আকাশছোঁয়া খুশি ফুটে উঠল, তা দেখার মতো ছিল। ওর সেই আনন্দ দেখে আমার মনে মেয়েটার প্রতি এক ধরনের ভালোবাসা জেগে উঠল। আমি পরম স্নেহে জিজ্ঞেস করলাম, &quot;তোমার নাম কী?&quot;
​মেয়েটি একটু অবাক হয়ে বলল, &quot;আপা, আমার নাম দিয়ে কী করবেন?&quot;
​আমি হেসে দিয়ে বললাম, &quot;কিছু করব না রে। তুমি ফুল বিক্রি করছ দেখে তোমার নামটা জানতে ইচ্ছে হলো।&quot;
​ও তখন বলল, &quot;ও আচ্ছা! আমার নাম খুশি।&quot;
​&quot;খুশি। তুমি ফুল বিক্রি করছ কেন?&quot;
​খুশির মুখটা একটু মলিন হয়ে গেল। ও বলল, &quot;ফুল বিক্রি না করলে কী খাবো আপা?&quot;
​&quot;কেন? তোমার বাবা-মা নেই?&quot;

​খুশি তখন বলল, &quot;বাসায় আমার মা আর একটা ছোট বোন আছে। মায়ের শরীরটা খুব খারাপ, ভালো না। তাই আমি সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ফুল বিক্রি করি। যা পাই, তা দিয়ে কিছু খাবার কিনে বাসায় নিয়ে যাই। তারপর মা আর ছোট বোনকে নিয়ে একসাথে খাই।&quot;

​ছোট্ট খুশির মুখের এই কথাগুলো শুনে সত্যি মনটা এত খারাপ হলো যে তা বলার মতো না। এতটুকু একটা বাচ্চা, যার এখন স্কুলে যাওয়ার কথা, সে পুরো সংসারের দায়িত্ব নিয়ে ঘুরছে। আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না। ওকে বললাম, &quot;খুশি, তুমি আমার সাথে আমার বাসায় থাকবে? তোমাকে আমি খুব ভালো ভালো খেতে দিব।&quot;

​আমার কথা শুনে খুশি আমার দিকে তাকাল। ওর উত্তরটা আমাকে ভাবিয়ে তুলল। ও বলল, &quot;আপা, আমি ভালো ভালো খামু, আর আমার মা বোন কি খেয়ে থাকবে?&quot;

​আমি মনে মনে চিন্তা করলাম, এত ছোট একটা মেয়ে, কিন্তু তার কত বড় চিন্তা। আমি ওকে বুঝিয়ে বললাম, &quot;তুমি আমার বাসায় থাকলে আমি তোমাকে টাকা দিব। সেই টাকা তুমি তোমার মাকে দিয়ে দিও। ফুল বিক্রি করে তুমি আর কয় টাকাই বা পাও তাতে কি, তোমার আর তোমার মা বোনের তিন বেলার খাবার জোটে বলো? তার থেকে ভালো তুমি আমার কাছে থাকবে, আর আমি নিজে প্রতি মাসে গিয়ে তোমার মাকে কিছু টাকা দিয়ে আসব। কি বল খুশি, থাকবে?&quot;

​খুশি একটু চিন্তা করে বলল, &quot;আপা, আমার মার সাথে একটু কথা বলে নাই। আমার মা কি বলে দেখি।&quot;
​আমি বললাম, &quot;ঠিক আছে। তোমার মার কাছে আমাকে নিয়ে যাবে?&quot;
​খুশি হঠাৎ আমার দিকে তাকিয়ে বলল, &quot;আপা, আপনি আমার মার কাছে কেন যাবেন?&quot;
​&quot;কেন আবার? তোমাকে আমার সাথে নিয়ে যাব, তাই তোমার মার সাথে দেখা করব।&quot;
​আমার কথা শুনে মেয়েটা একটু ভয় পেয়ে গেল। ওর চেহারা দেখে আমি বুঝতে পারলাম ও ভয় পাচ্ছে। তখন আমি বললাম, &quot;তুমি কি ভয় পেয়েছ? তুমি কি কোনো দোষ করেছ?&quot;
​ও বলল, &quot;না।&quot;
​আমি বললাম, &quot;আমি তোমার মা আর বোনের উপকার করার জন্যই তোমার মার সাথে দেখা করব।&quot;


​কথাটা শোনার সাথে সাথে খুশি আবারও সুন্দর করে একটা হাসি দিল। ওর সেই হাসি দেখে খুব ভালো লাগল। মেয়েটির সাথে কথা বলে আমার অনেক মায়া লেগেছিল।
​মনে মনে ভাবলাম, এই ছোট্ট মেয়েটি নিজের মা আর বোনের খাবারের জন্য রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ফুল বিক্রি করছে। অথচ আজকাল কত বড়লোকের কত টাকা কত দিকে নষ্ট হচ্ছে। নিজেদের মা, ভাই বা বোনের অভাব দেখলেও অনেকে ফিরে তাকায় না। যাক, পরের কথা চিন্তা করে আমার কোনো দরকার নেই। ছোট মেয়ে খুশিকে দেখে আমার মধ্যে এক অন্যরকম অনুভূতি কাজ করছিল। আর বারবার মনে হচ্ছিল, আমি আজ যদি ওর জায়গায় থাকতাম, তবে কী হতো? কেন জানি এমন মনে হচ্ছিল। তাই চিন্তা করে দেখলাম, এই ছোট্ট মেয়েটির পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করতে পারলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করব।

​ এক নতুন আশ্রয়ের সূচনা।
​আমি খুশির সাথে ওদের বাসায় গেলাম। খুশির মার সাথে দেখা করে সব কিছু বলার পর, তার মা বলল, &quot;ম্যাডাম, আপনার বাসাটা আমাকে একটু চিনিয়ে দিবেন? আমার যখন ইচ্ছে করবে খুশিকে দেখতে, তখন একটু গিয়ে দেখে আসব।&quot;
​আমি তখন বললাম, &quot;অবশ্যই তুমি তোমার মেয়েকে মাঝে মধ্যে দেখে আসবে আর মাসের খরচের টাকাটাও এসে নিয়ে যাবে।&quot;
​তারপরে আমি ব্যাগ থেকে ১০০০ টাকার একটি নোট খুশির মার হাতে দিলাম। এতগুলো টাকা পেয়ে খুশির মা বেশ খুশি হলো। আর আমাকে বলল, &quot;আপনার জন্য আমি অনেক দোয়া করি ম্যাডাম।&quot;
​আমি তখন জিজ্ঞেস করলাম, &quot;খুশির বাবা কোথায়?&quot;
​খুশির মা বলল, &quot;ওই ব্যাটা তো আরেকটা বিয়ে করে আমাদেরকে এই কষ্টের মধ্যে ফেলে চলে গেছে।&quot;
​সব শুনে আমি খুশির মাকে আমার গাড়িতে উঠিয়ে নিলাম এবং আমার বাসাটা ভালো করে চিনিয়ে দিলাম।
​খুশির মা যখন খুশিকে রেখে চলে যাচ্ছিল, তখন তার মা খুশিকে বলল, &quot;ভালো করে থাকিস। তোর কপাল ভালো যে এমন একজন ভালো মানুষকে পেয়েছিস।&quot;

​তারপরে খুশির মা বলল, &quot;ম্যাডাম, এবার আমি যাই।&quot;
​তখন আবারও আমি খুশির মাকে ৫০ টাকা দিয়ে বললাম, &quot;তুমি রিকশা দিয়ে যাবে, কেমন।&quot;

​টাকাটা পেয়ে খুশির মার চোখে পানি জ্বলজ্বল করছিল। ওনার সেই চোখের পানি দেখে আমি আর আগ বাড়িয়ে কিছু জিজ্ঞাসা করলাম না। কিছু নীরবতা বোধহয় সব কথাই বলে দেয়। খুশির জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে আমি খুশির কাহিনি এখানেই শেষ করলাম।

​লেখিকা ও সমাজকর্মী

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 13 Jun 2026 09:19:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাতীয় কবি নজরুলের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী আজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114983" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114983</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলা সাহিত্য ও সংগীতের আকাশে বিদ্রোহ, সাম্য ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে জ্বলজ্বল করছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

সোমবার (২৫ মে) তার ১২৭তম জন্মবার্ষিকী। দিনটি ঘিরে দেশজুড়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হচ্ছে এই অনন্য সাহিত্যিককে।

শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ ছিলেন নজরুল। তার লেখনীতে যেমন ছিল বিদ্রোহের ঝংকার, তেমনি ছিল মানবতার আহ্বান। ধর্ম, বর্ণ কিংবা শ্রেণিভেদের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষকে এক কাতারে দেখার যে শিক্ষা তিনি দিয়েছেন, তা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

মাত্র চার দশকের সাহিত্যজীবনে কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন তিনি। &lsquo;বিদ্রোহী&rsquo;, &lsquo;সাম্যবাদী&rsquo;, &lsquo;অগ্নিবীণা&rsquo; কিংবা &lsquo;দোলনচাঁপা&rsquo; -তার প্রতিটি সৃষ্টিই বাংলা সাহিত্যে নতুন শক্তি ও চেতনার জন্ম দিয়েছে।

নজরুলের সাহিত্যকর্মে উঠে এসেছে শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রাম, নারীর অধিকার এবং সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। একই সঙ্গে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছেন তিনি। ইসলামী সংগীতের পাশাপাশি শ্যামাসংগীত ও ভক্তিগীতিতেও ছিল তার সমান বিচরণ।

জীবদ্দশায় যেমন মানুষকে ভালোবেসেছেন, মৃত্যুর পরও তেমনি মানুষের কাছেই রয়ে গেছেন এই কবি। রাজধানীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় তাকে সমাহিত করা হয়। প্রতিদিন সেখানে ভিড় করেন নানা বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষ।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা বলছেন, নজরুলকে শুধু স্মরণ নয়, তার আদর্শ ও দর্শনকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এ লক্ষ্যে তার সাহিত্য ও সংগীতকে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ ও আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার উদ্যোগও চলছে।

জন্মজয়ন্তীতে ফুল, ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হচ্ছে বাঙালির প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলামকে। সকালে নজরুলের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান, কবির পরিবার, ভক্ত-অনুরাগী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্র, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের নেতারা।

&lrm;কবির কালজয়ী সৃষ্টি এবং বাংলা সাহিত্যে তার অনন্য অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে অনুরাগীরা বলছেন, সাম্যের সমাজ গড়ে তুলতে হলে নজরুল চর্চা আরও বাড়াতে হবে।

সরকারি উদ্যোগে আজ থেকে পালন করা হবে বছরব্যাপী নজরুল বর্ষ। গত শনিবার বিকালে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে এ ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এদিকে  জাতীয় কবির জন্মজয়ন্তীতে সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছে তার পরিবার। এ ছাড়া পাঠ্যপুস্তকে তার কবিতা ও গান বাত্যতামূলক করাও দাবি জানানো হয়।

সোমবার গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান কাজী নজরুল ইসলামের নাতনি খিলখিল কাজী।

এ সময় কাজী নজরুল ইসলামের রচনাবলী ইংরেজিতে অনুবাদ করে তার কর্মকে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 25 May 2026 05:19:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রনস পরিবারের বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114858" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114858</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীতের (প্রনস) আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো বাংলা বর্ষবরণ ১৪৩৩। রাজধানীর গুলশানের একটি কমিউনিটি হলে শনিবার (১৬ মে) আয়োজিত এই অনুষ্ঠান রবীন্দ্র, নজরুল, হারানো দিনের গান, বাংলা সিনেমার গান, ভাটিয়ালি সহ বিচিত্র ধারার গান ও পাঠে জমজমাট ছিলো।

শুরুতেই মাউথ অরগ্যানে কবিগুরুর &#39;বাংলার মাটি বাংলার জল&#39; পরিবেশন করেন শিল্পী আবদুর রহমান। এরপর শিল্পী অরূপ বিশ্বাস পরিবেশন করেন নজরুলের &lsquo;মোরে ডেকে লও সেই দেশে।&rsquo; সর্বজন শ্রদ্ধেয় শিল্পী রেবেকা সুলতানা পরিবেশন করেন নজরুলের কীর্তন &lsquo;সখি সাজায়ে রাখলো পুষ্পবাসর&rsquo; সহ আরো দুটো গান। প্রকৌশলী সৈয়দ মোশাহেদ আলী শ্যামল মিত্রের গানে অডিয়েন্সকে নিমজ্জিত করেন গভীর স্মৃতিকাতরতায়।

অনুষ্ঠানে এরপর সঙ্গীত পরিবেশন করেন পারভীন সুলতানা, নাদিয়া আরেফিন শাওন, নাহীদ মোমেন, সাবিনা বানু, তাপসী রায়, মীনা হুদা এবং ইতরাত হুসেন।

প্রনস সাধারণ সম্পাদক পারভীন সুলতানা এই অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সঙ্গীত &lsquo;অলি বারবার ফিরে যায়&rsquo; পরিবেশন করে তাক লাগিয়ে দেন। তার কণ্ঠে এর আগে উপস্থিত শ্রোতারা রবীন্দ্রনাথের গান শুনেছেন বলে মনে করতে পারেননি।

প্রনস সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক সুলায়মান পাঠ করেন শঙ্খ ঘোষের কালজয়ী ছড়া &lsquo;মিথ্যে কথা।&rsquo; এ ছাড়া রিফাত নিগার শাপলা রবীন্দ্র বাণীতে নিজস্ব কম্পোজিশনে অসাধারণ একটি নাট্যকথিকা উপহার দেন। সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন উইমেন অন্টাপ্রনার্স এসোশিয়েশনের সভাপতি শিজান খান, সংগঠক প্রচ্ছদ চৌধুরী, লেখক দিলীপ গুহঠাকুরতা প্রমুখ শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। শিল্পীদের সঙ্গে বাদ্যযন্ত্রে সহায়তা করেন শাফায়েত ফুলু, সারগিট প্লেয়ার নাসিরউদ্দিন, রাজীব চৌধুরী প্রমুখ।

সমগ্র আয়োজনের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন প্রনস সাধারণ সম্পাদক শিল্পী পারভীন সুলতানা।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 17:31:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাঁকো বর্ষসেরা পুরস্কার পেলেন এনাম রাজু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114842" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114842</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর &lsquo;সাঁকো বর্ষসেরা পুরস্কার&rsquo; অর্জন করেছেন লেখক ও সম্পাদক এনাম রাজু। শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

এনাম রাজু বর্তমানে মাসিক ধরলা পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার সম্পাদনায় পত্রিকাটি ইতোমধ্যেই লেখক ও পাঠকের মাঝে একটি স্বতন্ত্র জায়গা করে নিয়েছে। সমাজ, সংস্কৃতি ও জীবনের নানা বাস্তব দিককে সহজ অথচ গভীরভাবে তুলে ধরার কারণে ধরলা নিয়মিতই প্রশংসা পাচ্ছে।

বিচারকমণ্ডলী জানান, এনাম রাজুর ধারাবাহিক সম্পাদনা, বিষয় নির্বাচনের ভিন্নতা এবং নতুন লেখকদের সুযোগ করে দেওয়ার মানসিকতা তাকে এই স্বীকৃতির জন্য এগিয়ে রেখেছে।

পুরস্কার গ্রহণের সময় এনাম রাজু বলেন, এই অর্জন শুধু আমার নয়, ধরলার সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি লেখক ও পাঠকের। আমরা চেষ্টা করি তাদের গল্পগুলো আরও বিস্তৃত পরিসরে পৌঁছে দিতে&mdash; এই স্বীকৃতি সেই চেষ্টাকে আরও শক্তি দেবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনরা মনে করেন, এনাম রাজুর মতো সম্পাদকরা সাহিত্যের জগতে নতুন ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করছেন, যা আগামী দিনে আরও বড় প্রভাব ফেলবে।

এই সম্মাননা তার সম্পাদনার যাত্রাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 16 May 2026 17:48:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ধানমণ্ডি ক্লাবে পালিত হলো বহুমাত্রিক মজিদ মাহমুদ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114815" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114815</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কয়েক বছর ধরে জন্মদিনে ঢাকায় থাকেন না সব্যসাচী লেখক মজিদ মাহমুদ। ঈশ্বরদী চরে নিজের প্রতিষ্ঠিত চরনিকেতন শিক্ষাপল্লিতে সময় কাটান তিনি। তিন দিনব্যাপী বৈশাখী অনুষ্ঠানে ঢাকার শুভার্থীদের কেউ কেউ সেখানে গিয়ে তার সঙ্গে শুভেচ্ছা জানিয়ে আসেন। সঙ্গে থাকেন উত্তরবঙ্গের মানুষ আর সারাদেশের কবি-সাহিত্যিক। সেখানে তিনি গড়ে তুলেছেন স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মসজিদ, ওল্ড হোম, রেস্ট হাউজ ইত্যাদি। ঢাকার বাইরে দেশের সবচে বড় সাহিত্য সম্মেলনও এখন অনুষ্ঠিত হয় পাবনার চরনিকেতনে।

৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল) ছিল লেখক মজিদ মাহমুদের জন্মদিন। ষাট পেরিয়ে ৬১-তে পা রাখলেন এবার। জন্মদিনোত্তর এক প্রীতি সম্মিলনির আয়োজন করেছিলেন বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তার বন্ধু ও শুভার্থীরা। ধানমণ্ডি ক্লাবের মাল্টিপারপাস হলে বৃহস্পতিবার বিকাল ৬টা থেকে প্রিয়জনদের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন তিনি।

এ পর্যন্ত তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৮০। মাহফুজামঙ্গল, বল উপাখ্যান, আপেল কাহিনী, গোষ্ঠের দিকে, তুমি শুনিতে চেয়ো না, নজরুল: তৃতীয় বিশ্বের মুখপাত্র, কাটা পড়া মানুষ, মেমোরিলায় ক্লাব প্রর্ভতি গ্রন্থ পাঠকের ভালোবাসায় সমৃদ্ধ হয়েছে। মাহফুজামঙ্গলের কবি, নজরুল গবেষক, প্রাবন্ধিক ইত্যাদি পরিচয় ছাপিয়ে তিনি পরিচিত এখন &#39;সব্যসাচী লেখক&#39; হিসেবে।

প্রীতি সম্মিলনির আয়োজক আনন্দ আড্ডা, সুজন, প্রকৃতি, প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত, সমধারা ও ত্রিলোক। উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক, জননেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, কবি আসাদ মান্নান, নজরুল ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক, ড. মাহবুব হাসান, কবি কুমার চক্রবর্তী, কথাসাহিত্যিক পারভেজ হোসেন, শিশু সাহিত্যিক রহিম শাহ, পাবনা প্রসক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতার, প্রবীণ সাংবাদিক মাহবুব আলম, কবি রোকেয়া ইসলাম, কবি তাহমিনা কোরাইশি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক বিএম জামাল হোসেন, কথাসাহিত্যিক সমীর আহমদ, ড. কুদরত-ই হুদা, ইউরোপ প্রবাসীদের সংগঠন আয়েবার সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন ফকির, কণ্ঠশিল্পী পারভীন সুলতানা, নাজমা মান্নান, নজরুল গবেষক রাজীবুল হাসান, প্রাবন্ধিক ড. আবদুর রউফ, নূর কামরুননাহার, কবি অরবিন্দ চক্রবর্তী, শিল্পী শিশির মল্লিক, ড, সোহানুজ্জামান, কবি সৈকত হাবিব, কণ্ঠশিল্পী কবি হাসান মাহমুদ, কবি ফারহান ইশরাক, কবি ইকতিজা আহসান, ড. জিনাত জাহান সেঁজুতি, শিল্পী জন সুমিত, শিল্পী মাজহারুল ইসলাম, বাচিকশিল্পী মাসুম আজিজুল বাশার, জাকির মোল্লা, কবি জাহাঙ্গীর হোসেন, কবি সম্পাদক কাজী আনিসুল হকসহ শতাধিক কবিসাহিত্যিক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত কবি সাহিত্যিক বহুমাত্রিক মজিদ মাহমুদের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক প্রস্তাব রাখেন কবি মজিদ মাহমুদের সামগ্রিক সাহিত্য নিয়ে একটি মূল্যায়ন হওয়া দরকার।

হাবিবুর রহমান হাবিব এবং কবি আসাদ মান্নান বলেন, এবার আমরা দেখতে চাই, &#39;মজিদ মাহমুদ চরনিকেতনকে খুব শিগগিরই একটি সাংস্কৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ দেওয়ার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমরা তার সঙ্গে আছি।&#39;

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 15 May 2026 12:20:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বন্ধুদের সঙ্গে আজ আড্ডা দেবেন কবি মজিদ মাহমুদ ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114790" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114790</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কয়েক বছর ধরে জন্মদিনে ঢাকায় থাকেন না সব্যসাচী লেখক মজিদ মাহমুদ। ঈশ্বরদী চরে নিজের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপল্লিতে সময় কাটান তিনি। ঢাকার শুভার্থীদের কেউ কেউ সেখানে গিয়ে তার সঙ্গে শুভেচ্ছা জানিয়ে আসেন। সঙ্গে থাকেন উত্তরবঙ্গের মানুষ আর সারাদেশের কবি-সাহিত্যিক।

৩ বৈশাখ ছিল লেখক মজিদ মাহমুদের জন্মদিন। ষাট পেরিয়ে ৬১-তে পা রাখলেন এবার। জন্মদিনোত্তর এক প্রীতি সম্মিলনির আয়োজন করেছে আজ তার বন্ধু ও শুভার্থীরা। ধানমণ্ডি ক্লাবের মাল্টিপারপাস হলে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকাল ৬টা থেকে প্রিয়জনদের ভালোবাসায় সিক্ত হবেন তিনি।

এ পর্যন্ত তার প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ৮০। মাহফুজামঙ্গল, আপেল কাহিনী, গোষ্ঠের দিকে, তুমি শুনিতে চেয়ো না, নজরুল: তৃতীয় বিশ্বের মুখপাত্র, কাটা পড়া মানুষ ইত্যাদি গ্রন্থ পাঠকের ভালোবাসায় সমৃদ্ধ হয়েছে। মাহফুজামঙ্গলের কবি, নজরুল গবেষক, প্রাবন্ধিক ইত্যাদি পরিচয় ছাপিয়ে তিনি পরিচিত এখন &#39;সব্যসাচী লেখক&#39; হিসেবে।

আজকের প্রীতি সম্মিলনির আয়োজক আনন্দ আড্ডা, সুজন, প্রকৃতি, প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত, সমধারা ও ত্রিলোক।

সাননিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 06:16:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এ বছর পুলিৎজার পেলেন  যারা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114616" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/114616</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে এ বছর (২০২৬ সাল) পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে রয়টার্স এ পুরস্কার পেয়েছে।

বিট রিপোর্টিং বিভাগেও এ বছরের পুলিৎজার পুরস্কার নিজেদের করে নিয়েছে রয়টার্স। শিশু ও ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর এআই চ্যাটবট ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে আনায় সামাজিকমাধ্যমের বড় প্রতিষ্ঠান মেটার ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের জন্য রয়টার্স এ পুরস্কার পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ পুরস্কার সাংবাদিকতার নোবেল হিসেবেও খ্যাত। ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি বোর্ড প্রতি বছর এ পুরস্কার ঘোষণা করে। সোমবার (৪ মে) এ বছরের পুলিৎজার বিজয়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এ বছর বিভিন্ন বিভাগে সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেকটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। এর মধ্যে নিউইয়র্ক টাইমস তিনটি বিভাগে পুরস্কার জিতেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন ও ধনকুবের ইলন মাস্কের ব্যাপক কাঁটছাট নিয়ে প্রতিবেদন করে ওয়াশিংটন পোস্ট পাবলিক সার্ভিস বিভাগে পুলিৎজার জিতে নিয়েছে।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাসহ তিনটি বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমস। ট্রাম্প, তার পরিবার ও ট্রাম্পের মিত্ররা কীভাবে ক্ষমতাকে ব্যবহার করে লাভবান হচ্ছেন তা নিয়ে প্রতিবেদনের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় পুরস্কার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস। মতামতধর্মী লেখার জন্য পুরস্কার জিতেছেন নিউ ইয়র্ক টাইমসের এম গেসেন। ব্রেকিং নিউজ ফটোগ্রাফিতে পুরস্কার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমসের প্রদায়ক সাহের আলঘোরা।

ব্রেকিং নিউজ রিপোর্টিং বিভাগে এ বছর পুরস্কার জিতেছেন মিনেসোটা স্টার ট্রিবিউনের কর্মীরা।

সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলের তিন সাংবাদিক সুশি নেইলসেন, মেগান ফ্যান মিউনি আর সারা ডিনাটালে এ বছরের বিশ্লেষণধর্মী বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন।

স্থানীয় সাংবাদিকতায় দুটি পুরস্কারের একটি জিতে নিয়েছে কানেকটিকাট মিররের ডেভআলটিমারি ও গিনি মঙ্ক এবং প্রোপাবলিকার সোফি চউ ও হারু কোরনি। আরেকটি শিকাগো ট্রিবিউনের কর্মীদের ঝুলিতে গেছে।

ন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুরস্কার জয়ীদের মধ্যে রয়টার্সের কর্মীদের, বিশেসত নেড পারকার, লিন্ডা সো, পিটার ইসলার এবং মাইক স্পেকটরের নাম রয়েছে। বিট রিপোর্টিং বিভাগে জয়ীদের তালিকায় রয়টার্সের জেফ হরউইজ ও এনজেন থামের নাম রয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে অ্যাসোসিয়েট প্রেসের (এপি) প্রদায়ক ডেক কাং, গ্রেরেনস বুরকি, বায়রন টাউ, অনিরুদ্ধ ঘোষাল ও ইয়েল গ্রাউয়ের পুলিৎজার জিতেছেন।

ফিচার লিখে পুলিৎজার জিতেছেন টেক্সাস মান্থলির অ্যারন পার্সলে। সমালোচনা বিভাগে ডালাস মর্নিং নিউজের মার্ক ল্যামস্টার এবং ইলাস্ট্রেটেড রিপোর্টিং অ্যান্ড কমেন্টারি বিভাগে ব্লুমবার্গের আনন্দ আরকে, সুপর্না শর্মা আর নাটালি ওবিকো পিয়ারসন পুলিৎজার জিতেছেন।

ওয়াশিংটন পোস্টের জাহি চিকেওয়েনদু ফিচার ফটোগ্রাফি বিভাগে এ বছরের পুলিৎজার জিতেছেন। আর অডিও রিপোর্টিং বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন পডকাস্ট পাবলো টোরি ফাইন্ডস আউটের কর্মীরা।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 05 May 2026 04:14:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাউল আবুল সরকারের শাস্তির দাবিতে জুমার খুৎবায় গর্জে উঠলেন খতিবরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/113693" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/bangladesh/113693</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মিজানুর রহমান জুমার খুৎবা-পূর্ব বয়ানে বলেছেন, এদেশ ইসলামের পূর্ণভূমি এবং আল্লাহ ও রাসূল (সা.) শানে যেকোনো ধরনের বেয়াদবিকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি বিশেষভাবে বাউল শিল্পী আবুল সরকারকে উদ্দিষ্ট করে বলেন, আল্লাহর শানে বেয়াদবিকার জন্য তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। মুসলমানরা তাদের ঈমানের অধিকার রক্ষা করতে চাই, তাই আল্লাহ ও নবীর শানে বেয়াদবিকার প্রতি কোনো ছাড় হবে না।

পেশ ইমাম আরও বলেন, মু&rsquo;মিনরা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে পরামর্শের ওপর নির্ভর করেন। যারা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং নামাজ কায়েম করেন, তাদের জন্য আল্লাহ প্রশংসা করেছেন। তিনি ইব্রাহিম (আ.)-এর উদাহরণ তুলে বলেন, অসুস্থতা বা বিপদ আল্লাহর ইচ্ছায় আসে এবং তিনি নির্দিষ্ট সময়ে সুস্থ্যতা প্রদান করেন। যারা জানবুঝে অপরাধ করে, তাদের জন্য কোনো ক্ষমা নেই।

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ সোনামিয়া বাজার শাহী মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুল আজিজ জুমার খুৎবা-পূর্ব বয়ানে বলেন, বর্তমান সময়ে ঈমান ও নৈতিকতার ওপর সবচেয়ে বড় আক্রমণ হলো গুনাহকে হালকা মনে করা। মানুষ যখন আল্লাহর বিধান ভুলে যায় এবং জীবনকে বেপরোয়া করে তোলে, তখন আল্লাহ তাদের বিভিন্ন বিপদ, দুর্যোগ এবং ভূমিকম্পের মাধ্যমে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের ঘটনা শুধুমাত্র প্রকৃতির ক্রিয়া নয়, এটি আল্লাহর সতর্কবার্তা।

খতিবরা আরও উল্লেখ করেন, বাউলদের আল্লাহ ও কোরআন বিরোধী মন্তব্য মুসলমানদের ঈমানকে হুমকির মুখে ফেলে। এই ধরনের কর্মকাণ্ড কুফরিতে লিপ্ত হয়ে সাধারণ মুসলমানদেরকেও বিপথে ঠেলে দেয়। তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয় এবং ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের জঘন্য কর্মকাণ্ড না করতে পারে।

পেশ ইমামরা মুসলমানদের আল্লাহ ও নবীর আদর্শ মেনে জীবন পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তারা বলেন, সম্পদ, জীবনের সাফল্য এবং সামাজিক অবস্থান আল্লাহর ইচ্ছার অধীনে ব্যবহার করতে হবে এবং গুনাহকে হালকা মনে করা থেকে বিরত থাকতে হবে। মুসলমানদের আহ্বান জানানো হয়েছে, তারা নিজেরা ঈমান রক্ষা করে, ধর্মীয় নীতিমালা মেনে চলুন এবং সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে সচেষ্ট হোক।

শেষে তারা সকলের জন্য দোয়া করেছেন যে, আল্লাহ সবাইকে হেফাজত করুন এবং ইসলামকে দৃঢ় রাখুন।

সাননিউজ/এও]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 29 Nov 2025 06:06:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এশিয়ার শীর্ষ সৃজনশীলদের তালিকায় দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112647" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112647</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের মোশন গ্রাফিক্স ও টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং খাতের এক অসামান্য সৃষ্টিশীল ব্যক্তিত্ব দেবাশীষ দাস এবার অর্জন করেছেন আন্তর্জাতিক সম্মাননা &lsquo;বঙ্গ গৌরব সম্মান (আন্তর্জাতিক)&rsquo;। এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি তাঁকে প্রদান করে ভারতের প্রভাবশালী মিডিয়া সংগঠন Bolo Kolkata TV। ২ ও ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে কলকাতার সুজাতা সদন, হাজরা, কালীঘাটে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজন &lsquo;Banga Gourab Utsab Season 5.1 Pro&rsquo;, যেখানে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত গুণীজনদের উপস্থিতিতে তাঁকে &ldquo;International Motion Graphics Leader&rdquo; হিসেবে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

এই আয়োজনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় গুণী মানুষের প্রকৃত অবদানের উপর। এশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত শিল্পী, উদ্যোক্তা, শিক্ষক, সংগঠক, ডিজাইনার ও সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্য থেকে একটি স্বতন্ত্র ও পেশাদার জুরি বোর্ডের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে সেরা ব্যক্তিত্বদের নির্বাচন করা হয়। সেই কঠিন বাছাই প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে জায়গা করে নেন বাংলাদেশের দেবাশীষ দাস।

অনুষ্ঠানে দুই দিনব্যাপী ছিল এক মনোমুগ্ধকর সংস্কৃতি-সম্ভার। আয়োজনে পরিবেশিত হয় বর্ণাঢ্য নৃত্য পরিবেশনা, আবৃত্তি, কণ্ঠসংগীত, নাট্যাংশ, ম্যাজিক শো এবং ঐতিহ্যবাহী উপস্থাপনাগুলোর এক ঝলক। দেবাশীষ দাস অনুষ্ঠানে ছিলেন International Guest of Honour হিসেবে, যেখানে তাঁর কাজ ও অবদানকে তুলে ধরা হয় মূল মঞ্চে। উপহারস্বরূপ তাঁকে প্রদান করা হয় একটি সম্মাননা স্মারক, সনদ এবং বিশেষ আন্তর্জাতিক পদক&mdash;যা তাঁর ক্যারিয়ারের আরও এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এই সম্মাননা দেবাশীষ দাসের চলতি বছরের তৃতীয় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এর আগে তিনি ২ আগস্ট ২০২৫-এই ঢাকার কচি-কাঁচা মিলনায়তনে আয়োজিত &lsquo;দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rsquo;-এ ভূষিত হন &lsquo;সৃজনশীল ব্র্যান্ডিংয়ে আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব&rsquo; ক্যাটাগরিতে। একই বছর তিনি অর্জন করেন &lsquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rsquo;-এ &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; এবং &lsquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rsquo;-এ &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; খেতাব। এর আগের বছর, ২০২৪ সালে, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং সংস্থা লেজার ট্রিট তাঁকে প্রদান করে &#39;Best in Brand Communication&#39; সম্মাননা।

তাঁর এই অর্জনগুলোর পেছনে রয়েছে দুই দশকের নিষ্ঠা, গবেষণা এবং সৃজনশীল প্রচেষ্টা। ২০০৭ সালে RTV-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয়। এরপর যমুনা টেলিভিশনে কাজ করে তিনি দেশে প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিংয়ে এনেছেন ভিন্নধর্মী শৈলী ও গভীরতা। বর্তমানে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জনপ্রিয় প্রোগ্রামের ভিজ্যুয়াল পরিচিতি ও ব্র্যান্ডিংয়ের পেছনে কাজ করছেন।

দেবাশীষ দাস শুধু একজন ডিজাইনার নন, তিনি একজন শিক্ষক, গবেষক ও অনুপ্রেরণাদানকারী মেন্টরও। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট-এ মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি হিসেবে কাজ করছেন এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে যুক্ত আছেন। তাঁর শিক্ষাদান কেবল সফটওয়্যার নির্ভর নয়, বরং নান্দনিকতা, স্টোরিটেলিং ও ব্র্যান্ড মনস্তত্ত্ব&mdash;সব মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ ভিজ্যুয়াল কনসেপ্ট তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সক্ষম করে তুলছেন।

সম্প্রতি তিনি ছিলেন &lsquo;For a Better, Greener Earth&rsquo; আন্তর্জাতিক মোশন গ্রাফিক্স প্রতিযোগিতার বিচারক, যেখানে তিনি আন্তর্জাতিক মানের কাজ মূল্যায়ন করেন ও তরুণ ডিজাইনারদের মূল্যবান পরামর্শ দেন। একজন বাংলাদেশি হিসেবে এমন বৈশ্বিক পরিসরে বিচারকের আসনে বসা নিঃসন্দেহে দেশের জন্য গর্বের বিষয়।

গ্রাফিক ডিজাইনের বাইরে তিনি কাজ করছেন প্রকাশনা শিল্পেও। প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন তিনি এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে। তাঁর কাজগুলোতে দেখা যায় রঙের সংযমী ব্যবহার, আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন, টাইপোগ্রাফির সূক্ষ্মত্ব এবং আবেগময় থিমের উপস্থিতি।

সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হচ্ছে, শুধু ডিজাইন আর শিক্ষার মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি দেবাশীষ দাস। তিনি যোগব্যায়াম ও মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব নিয়েও কাজ করছেন। সম্প্রতি তিনি যোগা ও মেডিটেশন নিয়ে বেশ কয়েকটি সেমিনার পরিচালনা করেছেন, যেখানে প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে মানসিক প্রশান্তি ফিরিয়ে আনার উপায় নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁর মতে, সৃজনশীল কাজের জন্য মন ও শরীর দুটোই সুস্থ রাখা জরুরি, এবং সেই লক্ষ্যে তিনি নিয়মিত চর্চা করেন ধ্যান ও যোগব্যায়াম&mdash;এবং অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করছেন।

&lsquo;বঙ্গ গৌরব সম্মান (আন্তর্জাতিক)&rsquo; প্রাপ্তি কেবল একটি পদক নয়&mdash;এটি তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম, শিল্পমনা দৃষ্টিভঙ্গি এবং আন্তর্জাতিক মানের নেতৃত্বের একটি অনন্য স্বীকৃতি। বাংলাদেশের ডিজিটাল শিল্প, মিডিয়া ব্র্যান্ডিং ও সুস্থ জীবনের দর্শনে তাঁর প্রতিটি অর্জন আজ নতুন প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 Aug 2025 06:17:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস পেলেন দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112648" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112648</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা, ২ আগস্ট ২০২৫ &mdash; দেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র দেবাশীষ দাস এবার অর্জন করলেন দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫। &lsquo;সৃজনশীল ব্র্যান্ডিংয়ে আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব&rsquo; ক্যাটাগরিতে তাঁকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

এই গৌরবময় অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় ২ আগস্ট শনিবার, বিকাল ৩টায়, ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ কচি-কাঁচা মিলনায়তনে। আয়োজন করে সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদ, যার মূল বার্তা ছিল &lsquo;সাহিত্য হোক সার্বজনীন&rsquo;। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ আরাফাতুর রহমান অ্যাপেল, চেয়ারম্যান, ইন্সপিরিয়াম গ্লোবালিটি লিমিটেড, ডিরেক্টর, প্রেসক্লাব ক্লাব লিমিটেড।

অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যেখানে ছিল আবৃত্তি, গান, নাচ, নাটিকা সহ নানা সৃজনশীল আয়োজন। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল Global Voice 24, যারা অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারে ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই সম্মাননা প্রাপ্তির মাধ্যমে দেবাশীষ দাস তাঁর পেশাগত জীবনের এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন। এর আগে তিনি স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; হিসেবে সম্মাননা পান, যা ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং ও প্রোগ্রাম গ্রাফিক্সে তাঁর সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

এছাড়া, ২৬ মে ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ তিনি ভূষিত হন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; খেতাবে। সেই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানে মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টেলিভিশন।

২০২৪ সালে তিনি পেয়েছেন &lsquo;Best in Brand Communication&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান Laser Treat, ডিজিটাল মিডিয়া ও ব্র্যান্ডিংয়ে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানে যুক্ত থেকে দেশের বিভিন্ন প্রোগ্রামের ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে এনেছেন বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য। তাঁর কাজের মধ্যে রঙের ভারসাম্য, মুভমেন্ট, সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশন এবং টাইপোগ্রাফির নিখুঁত ব্যবহার আজও বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিংয়ের এক মানদণ্ড।

শুধু ডিজাইনার নন, তিনি একজন প্রশিক্ষকও। তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি হিসেবে এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে শিক্ষাদানে যুক্ত রয়েছেন।

তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৭ সালে RTV-তে, এরপর যমুনা টেলিভিশনে কাজ করে ২০০৯&ndash;২০১১ পর্যন্ত নতুন ধারার মোশন গ্রাফিক্সের সূচনা করেন। পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশের বই প্রকাশনা শিল্পেও ভূমিকা রেখেছেন, দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করে।

দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ নিঃসন্দেহে দেবাশীষ দাসের সৃজনশীল যাত্রার এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 Aug 2025 12:23:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন ‘বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪’ সম্মাননা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112310" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112310</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ও ভিজ্যুয়াল ডিজাইনের জগতে আরও একটি গৌরবময় পালক যুক্ত হলো দেবাশীষ দাস-এর মুকুটে। ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট।

গত রবিবার উত্তরাতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে লেজার ট্রিট&ndash;এর কর্ণধার এবং বিশিষ্ট উদ্যোক্তা ড. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম দেবাশীষ দাসের হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন। জমকালো এই আয়োজনে অংশ নেন দেশের বিশিষ্ট ব্র্যান্ড এক্সপার্ট, কর্পোরেট নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

লেজার ট্রিট&ndash;এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেবাশীষ দাস শুধুমাত্র গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে নয়&mdash;একজন ব্র্যান্ড স্টোরিটেলার হিসেবে যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা তাঁকে করেছে বিশেষভাবে আলাদা। একজন ডিজাইনার কীভাবে ব্র্যান্ডের ভিজ্যুয়াল ভাষা ও আবেগের গল্প বলতে পারেন&mdash;দেবাশীষ দাস তার অনন্য উদাহরণ।

দেবাশীষ দাস তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টেলিভিশন প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল কনটেন্ট কমিউনিকেশন, এবং মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে যে ধরণের অভিনবত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি এনেছেন, তা আজ ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনের একটি নতুন মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে।

দেবাশীষ দাস বাংলাদেশের টেলিভিশন মোশন গ্রাফিক্স ও সম্প্রচার প্রযুক্তির অগ্রদূতদের একজন। টেলিভিশনের পর্দায় মোহনীয় গ্রাফিক্স আর বাস্তবসম্মত সৃজনশীলতার পেছনে থাকা এক নিরব কারিগর তিনি। ২০০৭ সালে আরটিভিতে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও, দ্রুতই তিনি যমুনা টিভি এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের মতো শীর্ষস্থানীয় চ্যানেলে সৃজনশীল নেতৃত্ব দেখিয়েছেন।

বর্তমানে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনে ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স) পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তিনি শুধুমাত্র টেলিভিশন শিল্পের সাথেই যুক্ত নন&mdash;দীর্ঘদিন ধরে তিনি মোশন গ্রাফিক্স ও অ্যানিমেশন বিষয়ক শিক্ষকতা করে আসছেন।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও ফটোগ্রাফি বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতা করেন, যেখানে তিনি ফটোগ্রাফি, চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন এবং সাংবাদিকতা বিষয়ক পাঠদান করে থাকেন।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

বাংলাদেশের টেলিভিশন সম্প্রচার শিল্পে রিয়েল-টাইম গ্রাফিক্স, অগমেন্টেড রিয়্যালিটি এবং ভার্চুয়াল সেট প্রযুক্তির প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি যোগ করেছেন এক নতুন মাত্রা। পুরস্কার পেয়ে দেবাশীষ দাস জানান, এ ধরনের স্বীকৃতি কাজের ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহ জোগায়, তেমনি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়।

আজও দেবাশীষ দাস নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণার মাধ্যমে মিডিয়া ও সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি কেবল একজন ব্রডকাস্ট গ্রাফিক্স বিশেষজ্ঞ নন&mdash;তিনি এক পথপ্রদর্শক, ভবিষ্যৎ নির্মাতা এবং বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি।

&ldquo;লেজার ট্রিট-এর বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক হিসেবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 14 Jul 2025 04:42:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন ‘বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪’ সম্মাননা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112310" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112310</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ও ভিজ্যুয়াল ডিজাইনের জগতে আরও একটি গৌরবময় পালক যুক্ত হলো দেবাশীষ দাস-এর মুকুটে। ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট।

গত রবিবার উত্তরাতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে লেজার ট্রিট&ndash;এর কর্ণধার এবং বিশিষ্ট উদ্যোক্তা ড. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম দেবাশীষ দাসের হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন। জমকালো এই আয়োজনে অংশ নেন দেশের বিশিষ্ট ব্র্যান্ড এক্সপার্ট, কর্পোরেট নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

লেজার ট্রিট&ndash;এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেবাশীষ দাস শুধুমাত্র গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে নয়&mdash;একজন ব্র্যান্ড স্টোরিটেলার হিসেবে যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা তাঁকে করেছে বিশেষভাবে আলাদা। একজন ডিজাইনার কীভাবে ব্র্যান্ডের ভিজ্যুয়াল ভাষা ও আবেগের গল্প বলতে পারেন&mdash;দেবাশীষ দাস তার অনন্য উদাহরণ।

দেবাশীষ দাস তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টেলিভিশন প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল কনটেন্ট কমিউনিকেশন, এবং মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে যে ধরণের অভিনবত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি এনেছেন, তা আজ ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনের একটি নতুন মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে।

দেবাশীষ দাস বাংলাদেশের টেলিভিশন মোশন গ্রাফিক্স ও সম্প্রচার প্রযুক্তির অগ্রদূতদের একজন। টেলিভিশনের পর্দায় মোহনীয় গ্রাফিক্স আর বাস্তবসম্মত সৃজনশীলতার পেছনে থাকা এক নিরব কারিগর তিনি। ২০০৭ সালে আরটিভিতে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও, দ্রুতই তিনি যমুনা টিভি এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের মতো শীর্ষস্থানীয় চ্যানেলে সৃজনশীল নেতৃত্ব দেখিয়েছেন।

বর্তমানে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনে ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স) পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তিনি শুধুমাত্র টেলিভিশন শিল্পের সাথেই যুক্ত নন&mdash;দীর্ঘদিন ধরে তিনি মোশন গ্রাফিক্স ও অ্যানিমেশন বিষয়ক শিক্ষকতা করে আসছেন।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও ফটোগ্রাফি বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতা করেন, যেখানে তিনি ফটোগ্রাফি, চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন এবং সাংবাদিকতা বিষয়ক পাঠদান করে থাকেন।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

বাংলাদেশের টেলিভিশন সম্প্রচার শিল্পে রিয়েল-টাইম গ্রাফিক্স, অগমেন্টেড রিয়্যালিটি এবং ভার্চুয়াল সেট প্রযুক্তির প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি যোগ করেছেন এক নতুন মাত্রা। পুরস্কার পেয়ে দেবাশীষ দাস জানান, এ ধরনের স্বীকৃতি কাজের ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহ জোগায়, তেমনি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়।

আজও দেবাশীষ দাস নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণার মাধ্যমে মিডিয়া ও সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি কেবল একজন ব্রডকাস্ট গ্রাফিক্স বিশেষজ্ঞ নন&mdash;তিনি এক পথপ্রদর্শক, ভবিষ্যৎ নির্মাতা এবং বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি।

&ldquo;লেজার ট্রিট-এর বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক হিসেবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 14 Jul 2025 04:42:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন  সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112311" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112311</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আরও একটি গর্বের মুহূর্ত যুক্ত হলো বাংলাদেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স জগতে। মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে দীর্ঘদিনের সৃজনশীল পথচলার স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হয়েছেন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়।

২৬ মে ২০২৫, সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত হয় এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দুই প্রতিষ্ঠান&mdash;Green Leaf ও World of Unity&mdash;এর যৌথ আয়োজনে গুণীজনদের স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত হয় এই মর্যাদাপূর্ণ আসর। দেবাশীষ দাসের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টিভি।

দেবাশীষ দাস, বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশন-এর গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কর্মরত থেকে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।
দেবাশীষ দাসের ডিজাইন দর্শন শুধু টেকনিক্যাল দিকেই সীমাবদ্ধ নয়&mdash;তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূলভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন। টেলিভিশনের ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।
মাছরাঙা টেলিভিশন&ndash;এর বহু আলোচিত অনুষ্ঠান যেমন ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে এক পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও তিনি শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে যুক্ত রয়েছেন সমানভাবে। তিনি পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট-এ ২০১৮ সাল থেকে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ারের সূচনা হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশন-এ কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 13 Jul 2025 07:00:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন  সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112311" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112311</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আরও একটি গর্বের মুহূর্ত যুক্ত হলো বাংলাদেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স জগতে। মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে দীর্ঘদিনের সৃজনশীল পথচলার স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হয়েছেন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়।

২৬ মে ২০২৫, সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত হয় এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দুই প্রতিষ্ঠান&mdash;Green Leaf ও World of Unity&mdash;এর যৌথ আয়োজনে গুণীজনদের স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত হয় এই মর্যাদাপূর্ণ আসর। দেবাশীষ দাসের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টিভি।

দেবাশীষ দাস, বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশন-এর গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কর্মরত থেকে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।
দেবাশীষ দাসের ডিজাইন দর্শন শুধু টেকনিক্যাল দিকেই সীমাবদ্ধ নয়&mdash;তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূলভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন। টেলিভিশনের ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।
মাছরাঙা টেলিভিশন&ndash;এর বহু আলোচিত অনুষ্ঠান যেমন ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে এক পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও তিনি শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে যুক্ত রয়েছেন সমানভাবে। তিনি পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট-এ ২০১৮ সাল থেকে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ারের সূচনা হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশন-এ কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 13 Jul 2025 07:00:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বছরের সেরা ডিজিটাল ব্রান্ডিং লিডার সম্মাননা অর্জন করলেন দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112478" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112478</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং জগতে সৃজনশীল নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেছেন।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা মিলনায়তনে আয়োজিত এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা সুব্রত চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (BMSS)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান।

এর আগে &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়। ২৬ মে ২০২৫, রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত সেই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টেলিভিশন।

এছাড়া ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট। এই পুরস্কারও তাঁর বহুমাত্রিক সক্ষমতার আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কাজ করে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।

তাঁর ডিজাইন দর্শন শুধুই টেকনিক্যাল নয়&mdash;তাঁর কাজে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূল ভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন ফুটে ওঠে। ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।

মাছরাঙা টেলিভিশনের ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে একটি পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশনে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে এক মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও দেবাশীষ দাস শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে সমানভাবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশনে কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন দেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; এবং &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে দুটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য নিঃসন্দেহে এক অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 12 Jul 2025 08:44:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বছরের সেরা ডিজিটাল ব্রান্ডিং লিডার সম্মাননা অর্জন করলেন দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112478" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112478</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং জগতে সৃজনশীল নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেছেন।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা মিলনায়তনে আয়োজিত এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা সুব্রত চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (BMSS)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান।

এর আগে &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়। ২৬ মে ২০২৫, রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত সেই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টেলিভিশন।

এছাড়া ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট। এই পুরস্কারও তাঁর বহুমাত্রিক সক্ষমতার আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কাজ করে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।

তাঁর ডিজাইন দর্শন শুধুই টেকনিক্যাল নয়&mdash;তাঁর কাজে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূল ভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন ফুটে ওঠে। ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।

মাছরাঙা টেলিভিশনের ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে একটি পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশনে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে এক মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও দেবাশীষ দাস শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে সমানভাবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশনে কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন দেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; এবং &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে দুটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য নিঃসন্দেহে এক অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 12 Jul 2025 08:44:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং লিডার দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112481" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/sodesh/112481</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের অন্যতম সৃজনশীল টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ দেবাশীষ দাস সম্প্রতি পাঠশালা &ndash; সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা &ldquo;মোশন গ্রাফিক্স কনটেস্ট ২০২৫&rdquo;-এ বিচারক (জুরি মেম্বার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান পাঠশালার ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার থিম ছিল &ldquo;ফর এ বেটার গ্রিনার আর্থ&rdquo;।

বাংলাদেশসহ আরও চারটি দেশ থেকে প্রতিযোগীদের জমা পড়া কাজ বিচার ও মূল্যায়নের জন্য দেবাশীষ দাস নির্বাচিত হন তাঁর দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ও জাতীয়-আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে। বিচারক প্যানেলের সদস্য হিসেবে তাঁর সঙ্গে ছিলেন এস কে মনোয়ার নাহিদ ও মোহাম্মদ জাকারিয়া। প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন মোঃ সাদিকুর রহমান, দ্বিতীয় স্থান মাহবুবা, এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন শঙ্কু দত্ত। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন পাঠশালার প্রিন্সিপাল খ ম হারুন। প্রতিযোগিতার পুরস্কার &zwj;ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ৫ জুলাই ২০২৫, ঢাকার দ্রিকপাঠ ভবন, ১৬ শুক্রাবাদ, পান্থপথ-এ।

অনুষ্ঠানে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ দেবাশীষ দাসের হাতে বিশেষ ক্রেস্টও তুলে দেন খ ম হারুন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দেওয়া আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিপত্রে বলা হয়&mdash; &ldquo;গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং শিল্পে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেবাশীষ দাসের অসামান্য অবদান, সৃজনশীল নেতৃত্ব এবং শিক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণ বিবেচনায় তাঁকে বিচারক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তাঁর উপস্থিতি প্রতিযোগিতাকে উচ্চ মান ও পেশাদারিত্বে সমৃদ্ধ করেছে।&rdquo;

টেলিভিশন ও ডিজিটাল গ্রাফিক্সে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেবাশীষ দাস সম্প্রতি পেয়েছেন &ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ &lsquo;ডিজিটাল ব্রান্ডিং অফ দ্যা ইয়ার&rsquo; সম্মাননা। এর আগে তিনি ভূষিত হয়েছেন &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; পুরস্কারে। পাশাপাশি, তিনি পেয়েছেন &ldquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ২০২৪&rdquo; পুরস্কার, যা প্রদান করে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট।

বর্তমানে তিনি মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালায় মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করে আসছেন। ২০১১ সাল থেকে মাছরাঙ্গা-তে কর্মরত দেবাশীষ দাস নিজস্ব শৈলী ও গ্রাফিক্স নির্মাণ কৌশলের মাধ্যমে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিংয়ে এনেছেন অভিনবত্ব ও দর্শনভিত্তিক পরিচিতি। তাঁর ডিজাইন দর্শন শুধু প্রযুক্তিভিত্তিক নয়, বরং প্রতিটি প্রোগ্রামের আবেগ ও ভাবনার নিখুঁত চিত্রায়নও তিনি সফলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

নাটক, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন কিংবা বিশেষ দিবসের আয়োজনে তাঁর গ্রাফিক্স ব্র্যান্ডিং আজ দর্শকদের চোখে পেশাদারিত্বের প্রতিচ্ছবি। টাইমিং সেন্স, মুভমেন্ট সিনক্রোনাইজেশন, ফন্ট ও রঙ ব্যবহারে তাঁর সূক্ষ্মতা দেশের ডিজাইন জগতে তৈরি করেছে এক অনন্য মানদণ্ড।

শুধু ডিজাইনার হিসেবেই নয়, তিনি একজন শিক্ষাক ও প্রশিক্ষক হিসেবেও সুপরিচিত। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পাঠশালায় মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করছেন।

তাঁর দীর্ঘ ১৭ বছরের কর্মজীবনের সূচনা হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে। পরে যমুনা টেলিভিশনে (২০০৯-২০১১) তাঁর কাজ মোশন গ্রাফিক্সে এনে দেয় কনসেপ্টচিন্তাশীলতা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি। সেই ধারাবাহিকতাতেই তিনি আজ দেশের ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং জগতে একটি শীর্ষস্থানীয় নাম।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও দেবাশীষ দাস বই প্রকাশনা শিল্পে কাজ করেছেন দীর্ঘ সময় ধরে। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন বহু খ্যাতিমান লেখকের সঙ্গে।

এই বিচারকের স্বীকৃতি ও সাম্প্রতিক সম্মাননাগুলো তাঁর জন্য যেমন গর্বের, তেমনি আগামী প্রজন্মের ডিজাইনারদের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর। ডিজাইনের মাধ্যমে ব্র্যান্ড কনসেপ্ট নির্মাণে তাঁর ভাবনা ও নেতৃত্ব বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও উচ্চতর স্থানে নিয়ে যাচ্ছে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 08 Jul 2025 17:27:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘অঞ্জলি লহ মোর’ ভাস্কর্যটি ভাঙা হচ্ছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112367" />
            <id>https://www.sunnews24x7.com/news/article/arts/112367</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Sunnews Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভেঙে ফেলা হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের &lsquo;অঞ্জলি লহ মোর&rsquo; ভাস্কর্যটি। ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছিলো বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ ভবন এবং পুরাতন কলা অনুষদ ভবনের মাঝামাঝি পুকুরের অংশে।

একজন নারী দুহাত সংযুক্ত করে অঞ্জলি দিচ্ছে, ম্যুরালটি সেই ভাবনা বহন করতো। যেটি দেশের প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী, নৃত্যপরিচালক, নৃত্য প্রশিক্ষক ও অভিনেত্রী মুনমুন আহমেদের হাতের ছবি থেকে করেছিলেন ভাস্কর্যবিদ মনিন্দ্র পাল।

ম্যুরাল ভাঙার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে মুনমুন আহমেদ নিজেই লিখেছেন, &lsquo;&lsquo;খুবই দুঃখজনক, এই মুহূর্তে সেটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যুরাল &lsquo;অঞ্জলি লহ মোর&rsquo;! যেটি আমার হাতের ছবি থেকে করা হয়েছিল। এটি ভাস্কর্যবিদ মনিন্দ্র পাল করেছিলেন।&rsquo;&rsquo;

সেই পোস্টের কমেন্ট ঘরে সংগীতশিল্পী-অভিনেতা পান্থ কানাই লিখেছেন, &lsquo;থামাবে তো পরের কথা, কেও প্রতিবাদও করবে না। দেখেন সব সেলিব্রিটি চিল্পিরা চুপ মাইরা গেছে। দেখেন দেখেন।&rsquo;

একজন জানতে চেয়েছেন, &lsquo;কেন ভেঙে ফেলা হচ্ছে?&rsquo; সেই প্রশ্নের জবাবে মুনমুন লিখেছেন, &lsquo;দেশে কোন ভাস্কর্য থাকতে দেয়া হবে না!&rsquo; একজন লিখেছেন, &lsquo;কি যে শুরু করেছে! এদেশের ইতিহাস শিল্প সংস্কৃতি সব ধ্বংস করে ফেলছে একদল মানুষরূপী দানব। ঘৃণা জানানোর কোন ভাষা নেই।&rsquo; আরেকজন মন্তব্য করেছেন, &lsquo;খুবই দুঃখজনক এবং ক্ষুব্ধ&rsquo;।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৪ কোটি টাকার অধিক ব্যয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুরগুলোর সংস্কার কাজ শুরু হয়। অনুষদ ভবনের সামনের পুকুরটির সৌন্দর্যব বৃদ্ধির জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল ভাস্কর্যটি। তবে ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন মহল ও নতুন প্রশাসনের বিভিন্ন জনের আপত্তির কারণেই ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভাস্কর্যটি স্থাপন করেছিলেন দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের দায়ে অভিযুক্ত তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর।

এ বিষয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালন করা ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে অনেক আগেই ডিনবৃন্দ ও সবাইকে নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিলো। এটা সম্ভবত সেই সিদ্ধান্তের কারণেই হচ্ছে। তখন তো অনেকগুলো বিতর্কিত কর্মকাণ্ড হয়েছিলো, কেউ কেউ ভাস্কর্যটি নিয়ে তীব্রভাবে আপত্তি জানিয়েছিলো। ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

সাননিউজ/ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Jun 2025 09:13:48 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
